ফাঁকি : অচিন্ত্য কুমার ভৌমিক
ফাঁকি
অচিন্ত্য কুমার ভৌমিক
আগে ঝুঝতাম না। ছোট ছিলাম। এখন বুঝি।
এখন আমি অনার্স তৃতীয় বর্ষে। বিষয়টি দর্শন। তবে বেশ কিছুদিন ওর সাথে আমার দর্শন হচ্ছে না। বিদেশে
ফাঁকি
অচিন্ত্য কুমার ভৌমিক
আগে ঝুঝতাম না। ছোট ছিলাম। এখন বুঝি।
এখন আমি অনার্স তৃতীয় বর্ষে। বিষয়টি দর্শন। তবে বেশ কিছুদিন ওর সাথে আমার দর্শন হচ্ছে না। বিদেশে
করতালি ভেসে যাবে, গমগমে কণ্ঠনাদ,
শস্যগোলা ঘিরে রাখা গুণ্ডামির শিস;
তোমাকে ছাড়াই চলতো, চলেছিলো,
চলবে তো পাঁচ-দশ-পনের বা বিশ
এই ঋতু লালবর্ণ; ঝড়ে ঝড়ে, জলোচ্ছ্বাসে
দর্পিত পাহাড়েরও
এখানে ঢাকায় প্রচন্ড গরম
ফসলের মাঠে চৌচির মাটি
কৃষকের ছাতি ফাটে, গাঁও-গ্রাম
দিনাজপুর থেকে পটুয়াখালী
রোড জ্যামে অস্থির জীবন।।
ওখানে তুমিও; কলকাতায়
বনগাঁও থেকে
অ…শুভ দীপাবলী
কল্যান গাঙ্গুলী
আজকের চাঁদ, করে প্রতিবাদ, তাই বুঝি অমানিশা;
ঘনায় হৃদয়ে, ব্যথাতুর হয়ে, হারায় পথের দিশা॥
মননেতে বিষ, বাঁচার হদিস, দিতে আসে ফেরীওয়ালা;
তাই
যশোরের কবি ও সাহিত্যিকদের কথা
শ্রী তারাপদ দাস
প্রবাহমান কাল থেকে যশোর সাহিত্যচর্চার পাদপীঠ হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। বৃটিশ শাসনকাল থেকে আজ পর্যন্ত বহু কবি-সাহিত্যিক এ জেলায় জন্মগ্রহণ
কবির মনে উদিত ভাবের প্রকাশ ঘটে তার কবিতায়। ভাব অনুসারে প্রকাশের জন্য তিনি আশ্রয় নেন ছন্দের। বাংলা কবিতার বৈচিত্রপূর্ণ ছন্দ-সম্পদের মধ্যে বিচরণের ক্ষেত্রটুকু নির্ধারণ করে নির্মাণ করেন কবিতা। ছন্দোবদ্ধ কবিতা
রঙিলা রাজা
আফরোজা অদিতি
সবুজ সবুজ পাতা আর হরেক রকম ফল ফুলে ভরা এক বন। বনেরর গাছগুলোর ফাঁকে ফাঁকে দিনে সূর্যের আলো আর রাাতে চাঁদের আলো টুকরো টুকরো
সদানন্দ সরকার (ভ্রাম্যমাণ প্রতনিধি) : সাতক্ষীরা সাহিত্যে সাত আছে ক্ষীর নেই। অর্থাৎ এ জেলাটি যতটা না সাহিত্যে তার চেয়ে অধিক বেশি শক্তিশালী অবস্থান ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে। বলা যায়, ক্ষীর
অনেকদিন আগের কথা। বরিশাল জেলার সদর থানার চাঁনপুরা ইউনিয়নের তালুকদার বাড়িতে সেদিন ছিল বিয়ের উৎসব। বাড়ির সামনেই ছিল তালুকদারহাট উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ। সেই কলেজের প্রিন্সিপাল ছিলেন তালুকদার বাড়ির সেজছেলে
ও কি গাড়িয়াল ভাই
তোমার পন্থের দিকে চেয়ে চেয়ে
ফিরে এলাম চিলমারীর বন্দর হয়ে;
নাই, কোথাও আব্বাসীয়া
ভাওয়াইয়া নাই।
অগত্যা বাবার তরুণ বয়সের গ্রামোফোনটাই সম্বল।