হাসানআল আব্দুল্লাহ-এর কবিতা : তৃতীয় সর্গ থেকে
পর্ব ১ক.
প্রাচীন বৃক্ষের কাছে নতজানু হই। দু’হাত বাড়িয়ে নেয় নিজের বিবরে।
চারিদিকে খেদ, ক্লেদ, যন্ত্রণারা কখনো শিশুর মতো, কখনো বা রুক্ষ,
মেজাজী শৃগাল—খেলা করে, ফুঁসে ওঠে—দুরন্ত দুপুরে ছোড়ে
পর্ব ১ক.
প্রাচীন বৃক্ষের কাছে নতজানু হই। দু’হাত বাড়িয়ে নেয় নিজের বিবরে।
চারিদিকে খেদ, ক্লেদ, যন্ত্রণারা কখনো শিশুর মতো, কখনো বা রুক্ষ,
মেজাজী শৃগাল—খেলা করে, ফুঁসে ওঠে—দুরন্ত দুপুরে ছোড়ে
প্রতিদিন প্রভাতে
সুর্যের আলো
আধাঁরকে ঘুচিয়ে
আরো জ্বল-জ্বলো।
রোদেলা দুপুর হয়
তারপর বিকেল
সন্ধার পরে হয়
তারাদের খেল।
নির্মলেন্দু গুণ এর কবিতা রাজদণ্ডযদি নির্বাচন হয় আমিও দাঁড়াবো, ইনশাআল্লাহ।
ভগবান গৌতম বুদ্ধের নাম নিয়ে আমিও নেমেছি মাঠে।
যদি সরাসরি ভোটে হয়, হবে। আমি সরাসরি হবো।
যদি
আমার বাঁচতে ইচ্ছে করে
কল্যাণ গাঙ্গুলী
বাঁচতে ইচ্ছে করে, আমার বাঁচতে ইচ্ছে করে ;
যদি কালো মেঘ ইশানের কোনে,
মাঝি পথ খোঁজে – জীবনে মরনে,
শীর্ণ গাছকে,
এনকাউন্টার
আতা সরকার
গুরুতর অপরাধ করে ফেলেছিল সে। অপরাধের গুরুত্ব এখনো তার বোধগম্য নয়। নির্যাতন ও শাস্তির মাত্রা দেখে কার মনে হয়েছে, আসলেই সে অপরাধ করেছে এবং অপরাধটি
অন্ধ মেয়ে আমি দেখতে পাইনা তাই
অবহেলা আর অনাদরটা সবার কাছেই পাই।
সত্যি করে বলুন দেখি, অন্ধ বলে কি আমার
সখ-আহলাদ – কিছুই থাকতে নাই ?
আর দশটা
বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা কবি : চন্দ্রাবতীর কথা
যতীন সরকার
বনে অনেক সময় এমন ফুল ফুটে, রাজোদ্যানেও তাহার তুলনা মিলে না, সে-বনফুলের সৌন্দর্য্য কেহ উপলব্ধি করিতে, কিংবা সে-সৌরভ কেহই
নদী শেষ। শিশিরের লোভে
তৃষ্ণাকম্পিতদেহ হরিণীর দল
নেমে এলো তৃণমাঠ খুঁজে
তুমি আজও বহু বহু দূর, দূরের অধিক দূর,
আরও আরও দূরে বিলুপ্ত পাখির বহু পুরাতন
মাগো শুধু রইনু আমি বাকি;
তোমার কথা সঙ্গোপনে,
নির্নিমেষে আমার মনে,
জাগায় আমায়, অমানিশায়, জাগে তৃষিত আঁখি॥
হারিয়ে তোমার সবুজ আঁচল,
অতল প্রেমের দীঘি টলমল,
পরিবর্তন
-মৌসুমী রায়(ঘোষ)
সৃষ্টি থেকেই
চলছে অভিযোজন|
অভিযোজিত হতে হতে আমরা
স্বার্থপর সংস্করনে পৌঁচেছি|
(ভীষন খর্বাকার হয়ে গেছি|)