অনন্ত অবহেলার পরে নিভৃতে, স্বেচ্ছায়-
যে মানুষটি হলুদ রোদ খেয়ে মরে গেলো;
তার জন্য আঠারো অধ্যায় শোক
তার জন্য ত্রিশ পারা ভালোবাসা।
অবশ্য মৃত্যু না এলে মানুষ বুঝতো কী শূন্যতার সংজ্ঞা?
কিংবা কোথায় দাড়ি দিতে হয়, থেমে যেতে হয় একাকী
চুপচাপ; ডুবে যেতে হয়-গলার তিলে, পুরনো ব্যাথায়?
আত্মার অভয়ারণ্যে ঘুরে ফিরে যে মানুষটি মৃত্যু বলতে স্নিগ্ধ তুলির রং বুঝেছিল;
সেও কী কোনদিন কাউকে ভালোবাসে নি?
ডুকরে কেঁদে উঠেনি কারর আলিঙ্গন স্মৃতিতে?
কিংবা বউকথা কও পাখির ডাক
কিংবা স্নান শেষে উঠা শালিকের চোখ দেখে ব’লে ওঠেনি-নিজেরই কাছে; “আমি পৃথিবীর সমস্ত নির্জনতার ভেতর, আমারেই খুঁজেছি বহুদিন, সৈকতে লুকানো কাছিমের ডিমের মতো।”
দীপঙ্কর শুভ







