প্রবেশ করুন

    
প্রবেশ

Category Archives: পদাবলী

নির্মলেন্দু গুণ ও মৃত্তিকা গুণ এর কবিতা

নির্মলেন্দু গুণ আবার যখনই দেখা হবে

আবার যখনই দেখা হবে, আমি প্রথম সুযোগেই
বলে দেব স্ট্রেটকাটঃ ‘ভালোবাসি’।
এরকম সত্য-ভাষণে যদি কেঁপে ওঠে,
অথবা ঠোঁটের কাছে উচ্চারিত শব্দ

আরিফ আহমেদ এর কবিতা

তার কথা মনে পড়ে

তার কথা মনে পড়ে
আঁড়ে আঁড়ে বারে বারে
যত চাই ভুলিবারে
ততো মনে জ্বালা ধরে ।

কোথায় সে, কেমন আছে
কাকে সে

সফিউল্লাহ আনসারী‘র একগুচ্ছ কবিতা

অস্তিত্ব

সমস্ত অস্তিত্ব হাতড়িয়ে
যা পাই ; তাতে তোমার উপস্থিতিতে
ক্ষণজুড়েই চলে বসন্তের উৎসব !
তুমি মানেই বসন্ত
তুমি মানেই উল্লাস
তুমি মানেই ছন্দ

রহমান হেনরীর কবিতা

এক

তীরের দিকে প্রাণ ছুঁড়েছে পাখি;
বৃক্ষ এবার হাওয়ার দিকে ঝুঁকে
ডালপালাকে বলছে এখন নাকি
পর্ণরাজি বাতাস দেবে রুখে!
এমনতর ঋতুর আভাস পেয়ে
আবার

এ আমার আপেক্ষিকতা

ধানসিড়ি – জীবনানন্দের নদী
জোয়ারের জলে উপচে পড়ছে
নগ্ন পায়ে হাঁটু জলে নেমে মুন্ডু ভিজিয়ে
মনে হল আমি শান্তি পাচ্ছি
আমি জানি এ আমার আপেকিতা

তামান্না কদর এর কবিতা

উদ্দেশ্যপ্রণোদিত

যে চলে যাবার জন্যে মনস্থির করেছে। অথবা
যে ‘চলেই যাব’ এই ভেবে কাছে এসেছিলো,
সে যখন আজ চলে যেতে চাচ্ছে, কী ভেবে ফেরাতে চাও তারে!
তুমি

আলমগীর রেজা চৌধুরী এর কবিতা

পথরেখা 

আলমগীর রেজা চৌধুরী 

পথরেখা মুছে গেছে 
ষোল ফিট প্রশস্ত কংক্রিট রাস্তা চলে গেছে গঞ্জের দিকে 

মোকসেদুল ইসলামের তিনটি কবিতা

যারা মূর্খ তারা আলোকিত হোক
………………………………………………

সবুজ চশমার ফ্রেমে এখন বিরল নিদ্রার ঘোর
তামাদি সভ্যতার ভেতর যার জন্ম তার মুখে সুখের কোরাস ধ্বনি
উনুনে জ্বালিয়ে দাও থেতলানো

আজিম আকাশ এর তিনটি কবিতা

আজিম আকাশ এর তিনটি কবিতা

ফেরা হলো না

আজো ফেরা হলো না মুক্তিযোদ্ধা খোকার,
৭১ এর রক্তিম সূর্যটা ছিনিয়ে আনবে বলে
সেই যে কবে বেড়িয়েছে ঘর থেকে,

আরিফ আহমেদ – এর কবিতা

নিরবতা
(বন্ধু মাসুম আলী অপুর জন্য উৎসর্গকৃত)

যন্ত্রণাকাতর বন্ধুর মুখ 
কষ্টে ফাঁটে বুক
একাকীত্ব আরো যন্ত্রণাদায়ক
তার চেয়েও যন্ত্রণা দেয় বুক চাঁপামুখ।