প্রবেশ করুন

    
প্রবেশ

Category Archives: পদাবলী

ওমর কায়সার – এর কবিতা

ওমর কায়সার – এর কবিতা

লিলি গাংগুলি পাখি নয়

লিলি গাংগুলি পাখি নয়
তাই তার গান শুনতে পেয়েছিলাম খুব কাছাকাছি থেকে

পাখিরা শোনায় গান দূর থেকে
আর অরণ্যে

সবকিছুই জাদুঘরে যাবে

এখন তো অনেক কিছুই অচল হয়েছে সচল থাকার পরেও
হিসেবের খাতা থেকে কবেই হারিয়ে গিয়েছে পাঁচ পয়সা, দশ পয়সা
পঁচিশ পয়সা, পঞ্চাশ পয়সারও হিসেব এখন আর কেউ করে

ময়মনসিংহের সাহিত্য : তিনপ্রজন্মের তিনজন কবির কবিতা

সত্তুর দশকের কবি আমিনুল হাসান -এর কবিতা

ছায়াতে আগুন ধরে
আমি হেঁটে গেলে ছায়া পড়ে
তুমি হেঁটে গেলে
ছায়াতে আগুন ধরে
তোমার কথায়

তখন সত্যি মানুষ ছিলাম : আসাদ চৌধুরী

তখন সত্যি মানুষ ছিলাম
আসাদ চৌধুরী

নদীর জলে আগুন ছিল
আগুন ছিল বৃষ্টিতে
আগুন ছিল বীরাঙ্গনার
উদাস করা দৃষ্টিতে।

আগুন ছিল গানের সুরে
আগুন ছিল

যে জীবন আমার নয়

রাত্রির অন্ধকার প্রকোষ্ঠে ভয়ার্ত হৃদয়ের বসবাস
বাইরে বুনো হায়েনার গর্জনে স্তম্ভিত দেশ
অন্ধকার কেটে যাওয়ার আশায় বসে থাকা তরুনের
কপাল জুড়ে দেখা যায় বুড়োদের মতো বলিরেখার ভাঁজ।

মৌসুমী রায়(ঘোষ)-এর কবিতা

মৌসুমী রায়(ঘোষ)-এর কবিতা

প্রকৃতি

প্রেমের প্রধান পৃষ্ঠপোষক|

তাই তো বসন্ত আসে|

(১৪/০১/১৪)

কবিতা – ১১

তোমার আমার

সম্পর্কের মাঝে

শীতের কুয়াশা|

ওপারের অস্তিত্ব অস্পষ্ট|

(১৬/০১/১৪)

প্রেমাবিষ্ট

আমার মন তোমার মন

ভালোবাসা দিবসের পঙতিমালা : আরিফ আহমেদ ও স্বাধীন চৌধুরী

স্বাধীন চৌধুরী এর পঙতিমালা

বাতিঘর
বহুদূর যেতে এগিয়েছে সামান্য
অধ্যবসায় বলে এ-ও অপরিসীম।
আলোকোজ্জ্বল গ্রহ-নত্রের গন্তব্য-স্পর্শ
কাঙ্খিত বাতিঘর মেলে
যোজন-যোজন আলোকবর্ষ পর

যমজ সমীকরণ

অবিশ্বাসের দানাগুলো যখন মহীরুহ আকার ধারন করে
তৃষ্ণায় যখন বুকের ছাতি ফেটে চৌচির হওয়ার উপক্রম হয়
অতৃপ্ত প্রেত্মাতারা যখন ঘুরে বেড়ায় অবাধে দেশময়
তখন আমি বিশ্বাসের সিঁড়ি

কবি স্বাধীন চৌধুরী’র কবিতা : মনপোড়া ভূমি

এই ঘর আজ আগুনের ঘর-
মনপোড়া ভূমি, অনাবাদী অন্ধকার
ছাইভস্ম-তিরোধান – এইখানে শ্মশান ছায়া
বিভীষিকা তারও চেয়ে বেশি!

মানুষই তো হয় মানুষের বন্ধু চিরকাল
অথচ কী

তোমাকেই বলছি : আফরোজা হীরা

তোমাকেই বলছি

আফরোজা হীরা (পার্বতী পারু)
——————————
ঘুমোতে পারছি না আমি
অবিশ্রান্ত ক্লান্তিতে চোখ নুয়ে পড়ে
রাতের গভীরের হৃৎপিন্ডের টিপ্ টিপ্ শব্দ
নিস্তব্ধ রাতের ঘড়ির