প্রবেশ করুন

    
প্রবেশ

Category Archives: পদাবলী

সৌম্য সালেক এর কবিতা

বনসাই সংস্করণ
দু’চারজন অভ্যাগত আর আমাদের ঘরবাসিরার বিনোদনে সঙ্গ দিতে গিয়ে এ্যাকুরিয়ামের মাছগুলি বেঁচে চলছে বছরকে বছর ।
পানির উদ্দাম তোড় লেগে লাফিয়ে উঠার কথা তারা ভুলে গেছে

আলো আমার আলো : লুৎফর রহমান রিটন

আলো আমার আলো
লুৎফর রহমান রিটন

‘আলো, আমার আলো, ওগো আলো ভুবনভরা’
সেই আলোতে গান কবিতা গল্প ছবি ছড়া।

‘আলো নয়ন-ধোওয়া আমার আলো হৃদয়হরা’
রবির আলোয়

গাউসুর রহমান-এর কবিতা

এই বসন্তে প্রেম বিরোধিতা গাউসুর রহমান ঘরে আছে বিষ একটুও মধু নেই, শূন্যের সাথে শূন্যের যোগ বিয়োগ হারিয়ে ফেলেছি খেই। আমি কোথাও নেই আমি কোথাও নেই মাথার মধ্যে জ্বলে চিতা

না

না! খুব সহজেই তুমি বলে দিলে কথাটি
অস্ফুট স্বরে যেন বোবা কণ্ঠে বলার পরেও গলা ধরে আসলো না তোমার।

অথচ তোমাকে নিয়েই এই আমি নাগরিক কুঞ্জবনে
মনের আনন্দে

রাজ শায়েরী : রাজু আলীম

রাজ শায়েরী ১

রাজু আলীম

মনের এমনি দশা, শুধু কান্না পায় আজ চোখে
ঈশ্বরকে ডাকি, কিন্তু তুমি আছো বুক ভরা শোকে।

তোমার চোখের মধ্যে প্রতিশোধ, লজ্জা পাই আমি

এই সমতলে নিরবধি : ফয়সল নোই

খুব ইচ্ছে, ডেকে শোনাই – দেবতা

পাথর কথা বলবে না
প্রবেশ দ্বারে কৃষকের মূর্তি,
ফসল নষ্ট করে যায় পাহাড়ী হাতির দল

গাছের ডালে দীর্ঘশ্বাস ঝুলে রয়
হাতে

উত্তাল মার্চের কিছু কবিতা

এই সেই মার্চ
(বন্ধুবর হস্তরেখা বিশারদ মাহবুবে রাব্বানীকে উৎসর্গিত। যার বাবা এই মার্চ ৭১-এর একজন সৈনিক ছিলেন।)

এই সেই মার্চ
উত্তাল জনতার শ্লোগান মুখরিত মার্চ!

স্পর্শ

যদি স্পর্শ করো আঙ্গুলের নরম ডগায় কথা দিচ্ছি ভাসিয়ে দিব তোমায়
আমার হৃদয়ের জবুথবু জলে
বীজ ভেদ করে ওঠা কচি গাছের মত ভালোবাসা দেব
ভরা বর্ষায় রেইনকোটে

নিঃসঙ্গ কবি, নির্জন রেস্তোরাঁ : সৈয়দ শামসুল হক

নিঃসঙ্গ কবি, নির্জন রেস্তোরাঁ

সৈয়দ শামসুল হক

মাথার ভেতরে লেখা। অদূরে রেস্তোরাঁ।
আষাঢ় সেজেছে খুব মেঘে মেঘে-মনে সে করাবে
বিরহ বিপন্ন দিন-রাস্তাঘাট আদ্যোপান্ত খোঁড়া।
মাটির পাহাড়গুলো কতদিনে

রুডইয়ার্ড কিপলিং-এর কবিতা : কামাল রাহমান

নীল গোলাপ, সমুদ্রের ঘুমগান ও অন্যান্য কবিতা: রুডইয়ার্ড কিপলিং
অনুবাদ:  কামাল রাহমান

(ত্রিশ, চল্লিশ ও পঞ্চাশের দশকে ইয়োরোপের যে কবিরা বাংলা কবিতায় আধুনিকতা প্রসারে সহায়ক হয়েছিলেন রুডইয়ার্ড কিপলিং তাঁদেরই