সুশীল সমাজের প্রতি : এবার আলোচনা চাই, তা না হলে গণ অনশন

আরিফ আহমেদ

Photo0231

তৃতীয়মাত্রার এই টক মোতে কথা শুরুর আগেই বি ৯১% বোট পেয়েছে? এই প্রহসন বন্ধ করুন।

১৭ অক্টোবর শুক্রবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেয়া ভাষণে এটা পরিস্কার যে নির্বাচন হচ্ছে । আগামী জানুয়ারতেই নির্বাচন শেষ করার ইঙ্গীত দিয়েছেন তিনি। সে নির্বাচন একক হোক বা গণতান্ত্রিক পদ্ধতীতে হোক, হবে । ২০ অক্টোবর রবিবার জাতীয় পার্টির সাথে তার বৈঠক এবং ২২ অক্টোবর দিনাজপুরের জনসভায় ভোট চেয়ে ওয়াদা করানো এ বিষয়টিকে আরো নিশ্চিত করেছে। এতে পরিস্কার বুঝা যাচ্ছে যে, তিনিও পরিচ্ছন্ন একটা নির্বাচন চান, তা করবেনও।

অন্যদিকে ২১ শে অক্টোবর বিরোধী দলীয় নেত্রী বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিযার সংবাদ সম্মেলনে প্রদত্ত পরিচ্ছন্ন বক্তব্য সারাদেশের সাধারণ মানুষকে আশাবাদী করেছে। যদিও তৎকালীন উপদেষ্টাদের জীবীত ও সুস্থ থাকা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে, তবুও যে সংঘাত ও সহিংশতার আশঙ্কা করা হচ্ছিল সে মেঘ এতে করে কিছুটা হলেও কেটেছে। বেগম জিয়ার বুদ্ধিমত্তা ও বিচক্ষণতার প্রকাশ ছিল তার কোনোরকম নিন্দা ও বিদ্বেষ প্রকাশহীন এই ভাষণ। এর আগে পেশাজীবীদের মাঝে প্রদত্ত তার বক্তব্য এবং এই সংবাদ সম্মেলন। এতে তিনি নির্বাচনের যে রুপরেখা দিয়েছেন তা গ্রহণ করা না করা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপর নির্ভর করছে। তবে এরফলে দুইনেত্রীর মধ্যে আলোচনার একটা পথ উম্মুক্ত হয়েছে এবং ২২ াক্টোবর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফের কাছে চিঠি পাঠানো, তার সাথে ফোনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফকরুল ইসলাম আলমগীর-এর কথপকোথন একটি শান্তিপূর্ণ বাতাসেরই ইঙ্গিত বলতে হবে। তইতো আকবর আলী খানসহ অনেক বিশিষ্টজন ও সুশীল সমাজের নেতারা এখনও এটাকে নাটক বললেও আশাবাদী হয়ে উঠেছেন এবং বিশ্বাষ করতে চাইছেন- এবার আলোচনা হবেই। আর যদি না হয়, তাহলে ২৩ অক্টোবর প্রথম প্রহরে চ্যানেল আই-এর তৃতীয় মাত্রার অতিথি ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন এবং এম হাফিজউদ্দিন খান ও একুশে টেলিভিশনের একুশে রাত অনুষ্টানের অতিথি আসাফুদ্দৌলা এবং বদিউল আলম মজুমদারসহ সুশীল সমাজের নেতাদের প্রতি অনুরোধ জানাবো- দয়া করে এভাবে টক শোতে টকিং না করে রাস্তায় নামুন। আসুন আমরা সবাই একযোগে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অনশন ধর্মঘট করে হলেও দুইনেত্রীকে আলোচনায় বসতে বাধ্য করি ও সব অনিয়মের মিমাংশা করে ঘরে ফিরি।

Print Friendly

About the author

ডিসেম্বর ৭১! কৃত্তনখোলার জলে সাঁতার কেটে বেড়ে ওঠা জীবন। ইছামতির তীরঘেষা ভালবাসা ছুঁয়ে যায় গঙ্গার আহ্বানে। সেই টানে কলকাতার বিরাটিতে তিনটি বছর। এদিকে পিতা প্রয়াত আলাউদ্দিন আহমেদ-এর উৎকণ্ঠা আর মা জিন্নাত আরা বেগম-এর চোখের জল, গঙ্গার সম্মোহনী কাটিয়ে তাই ফিরে আসা ঘরে। কিন্তু কৈশরী প্রেম আবার তাড়া করে, তের বছর বয়সে তের বার হারিয়ে যাওয়ার রেকর্ডে যেন বিদ্রোহী কবি নজরুলের অনুসরণ। জীবনানন্দ আর সুকান্তে প্রভাবিত যৌবন আটকে যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আঙ্গিনায় পদার্পন মাত্রই। এখানে আধুনিক হবার চেষ্টায় বড় তারাতারি বদলে যায় জীবন। প্রতিবাদে দেবী আর নিগার নামের দুটি কাব্য সংকলন প্রশ্ন তোলে বিবেকবানের মনে। তার কবিতায়, উচ্চারণ শুদ্ধতা আর কবিত্বের আধুনিকায়নের দাবী তুলে তুলে নেন দীক্ষার ভার প্রয়াত নরেণ বিশ্বাস স্যার। স্যারের পরামর্শে প্রথম আলাপ কবি আসাদ চৌধুরী, মুহাম্মদ নুরুল হুদা এবং তৎকালিন ভাষাতত্ব বিভাগের চেয়ারম্যান ড. রাজীব হুমায়ুন ডেকে পাঠান তাকে। অভিনেতা রাজনীতিবিদ আসাদুজ্জামান নূর, সাংকৃতজন আলী যাকের আর সারা যাকের-এর উৎসাহ উদ্দিপনায় শুরু হয় নতুন পথ চলা। ঢাকা সুবচন, থিয়েটার ইউনিট হয়ে মাযহারুল হক পিন্টুর সাথে নাট্যাভিনয় ইউনিভার্সেল থিয়েটারে। শংকর শাওজাল হাত ধরে শিখান মঞ্চনাটবের রিপোটিংটা। তারই সূত্র ধরে তৈরি হয় দৈনিক ভোরের কাগজের প্রথম মঞ্চপাতা। একইসমেয় দর্শন চাষা সরদার ফজলুল করিম- হাত ধরে নিযে চলেন জীবনদত্তের পাঠশালায়। বলেন- মানুষ হও দাদু ভাই, প্রকৃত মানুষ। সরদার ফজলুল করিমের এ উক্তি ছুঁয়ে যায় হৃদয়। সত্যিকারের মানুষ হবার চেষ্টায় তাই জাতীয় দৈনিক রুপালী, বাংলার বাণী, জনকণ্ঠ, ইত্তেফাক, মুক্তকণ্ঠের প্রদায়ক হয়ে এবং অবশেষে ভোরেরকাগজের প্রতিনিধি নিযুক্ত হয়ে ঘুরে বেড়ান ৬৫টি জেলায়। ছুটে বেড়ান গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে। ২০০২ সালে প্রথম চ্যানেল আই-্র সংবাদ বিভাগে স্থির হন বটে, তবে অস্থির চিত্ত এরপর ঘনবদল বেঙ্গল ফাউন্ডেশন, আমাদের সময়, মানবজমিন ও দৈনিক যায়যায়দিন হয়ে এখন আবার বেকার। প্রথম আলো ও চ্যানেল আই আর অভিনেত্রী, নির্দেশক সারা যাকের এর প্রশ্রয়ে ও স্নেহ ছায়ায় আজও বিচরণ তার। একইসাথে চলছে সাহিত্য বাজার নামের পত্রিকা সম্পাদনার কাজ।