জল প্রেমিকের গল্প
হঠাৎ তুফান এলো নদীতে। প্রচন্ড ঢেউয়ের আঘাতে দুলে উঠলো বিশাল বড় জলযানটি। ঢেউতো নয় যেন বিশালাকার পাহাড় আছড়ে পরছে নদীর জলে। আচমকা নদীর এই ক্ষেঁপে উঠার কারণ ভাবার সময় কারো
হঠাৎ তুফান এলো নদীতে। প্রচন্ড ঢেউয়ের আঘাতে দুলে উঠলো বিশাল বড় জলযানটি। ঢেউতো নয় যেন বিশালাকার পাহাড় আছড়ে পরছে নদীর জলে। আচমকা নদীর এই ক্ষেঁপে উঠার কারণ ভাবার সময় কারো
রূপকথার গান, গানের রূপকথা : আতাসরকার
গান শোনা যায় কুয়োর পারে। গান জেগে ওঠে ব্যাঙের ডাকে। পানিতে ভেসে যায় কথার ভেলা। ভেলায় সাপে-কাটা মানুষ। চারপাশে লাল-নীল-শাদা-কালো-সবুজ-হলুদ পতাকা। বাতাসের ছন্দে ছন্দে
তার কথা মনে পড়ে
তার কথা মনে পড়ে
আঁড়ে আঁড়ে বারে বারে
যত চাই ভুলিবারে
ততো মনে জ্বালা ধরে ।
কোথায় সে, কেমন আছে
কাকে সে
অস্তিত্ব
সমস্ত অস্তিত্ব হাতড়িয়ে
যা পাই ; তাতে তোমার উপস্থিতিতে
ক্ষণজুড়েই চলে বসন্তের উৎসব !
তুমি মানেই বসন্ত
তুমি মানেই উল্লাস
তুমি মানেই ছন্দ
এক
তীরের দিকে প্রাণ ছুঁড়েছে পাখি;
বৃক্ষ এবার হাওয়ার দিকে ঝুঁকে
ডালপালাকে বলছে এখন নাকি
পর্ণরাজি বাতাস দেবে রুখে!
এমনতর ঋতুর আভাস পেয়ে
আবার
উদ্দেশ্যপ্রণোদিত
যে চলে যাবার জন্যে মনস্থির করেছে। অথবা
যে ‘চলেই যাব’ এই ভেবে কাছে এসেছিলো,
সে যখন আজ চলে যেতে চাচ্ছে, কী ভেবে ফেরাতে চাও তারে!
তুমি
পথরেখা
আলমগীর রেজা চৌধুরী
পথরেখা মুছে গেছে
ষোল ফিট প্রশস্ত কংক্রিট রাস্তা চলে গেছে গঞ্জের দিকে
যারা মূর্খ তারা আলোকিত হোক
………………………………………………
সবুজ চশমার ফ্রেমে এখন বিরল নিদ্রার ঘোর
তামাদি সভ্যতার ভেতর যার জন্ম তার মুখে সুখের কোরাস ধ্বনি
উনুনে জ্বালিয়ে দাও থেতলানো
দূরের কোথাও থেকে ভোরের আযান ভেসে আসছে। অন্ধকার এখনো কাটেনি। কুয়াশায় ঢাকা চারিদিক। কুয়াশার দেয়াল ঠেলেই একটু একটু করে এগোচ্ছে যাত্রী বোঝাই লঞ্চটি। সার্চ লাইটের তীব্র আলোতেও কুয়াশার দেয়াল সরাতে
আজিম আকাশ এর তিনটি কবিতা
ফেরা হলো না
আজো ফেরা হলো না মুক্তিযোদ্ধা খোকার,
৭১ এর রক্তিম সূর্যটা ছিনিয়ে আনবে বলে
সেই যে কবে বেড়িয়েছে ঘর থেকে,