<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>ডাক্তার &#8211; সাহিত্য বাজার</title>
	<atom:link href="https://shahittabazar.com/tag/%e0%a6%a1%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://shahittabazar.com</link>
	<description>সাহিত্যের আয়নায় মানুষের মুখ</description>
	<lastBuildDate>Fri, 07 Aug 2026 05:06:07 +0000</lastBuildDate>
	<language>bn-BD</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=7.0.7</generator>
	<item>
		<title>বিকল্প চিকিৎসায় বাড়ছে আস্থা: বিভাগীয় শহরে ১০০ শয্যার হাসপাতালের দাবি</title>
		<link>https://shahittabazar.com/6129-2/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/6129-2/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আরিফ আহমেদ]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 07 Aug 2026 05:05:23 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[ঢাকা বিভাগ]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলার চিঠি]]></category>
		<category><![CDATA[চিকিৎসা]]></category>
		<category><![CDATA[ডাক্তার]]></category>
		<category><![CDATA[স্বাস্থ্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://shahittabazar.com/?p=6129</guid>

					<description><![CDATA[<p>আয়ুর্বেদিক হাসপাতালে উপচে পড়া ভিড়: বিকল্প চিকিৎসায় বাড়ছে আস্থা, বিভাগীয় শহরে ১০০ শয্যার হাসপাতালের দাবি</p> <p> বিশেষ প্রতিবেদক</p> <p>রাজধানীর মিরপুরের সরকারি ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ঢুকতেই মনে হয়, যেন</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/6129-2/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>আয়ুর্বেদিক হাসপাতালে উপচে পড়া ভিড়: বিকল্প চিকিৎসায় বাড়ছে আস্থা, বিভাগীয় শহরে ১০০ শয্যার হাসপাতালের দাবি</strong></p>
<p><strong> বিশেষ প্রতিবেদক</strong></p>
<div id="attachment_6130" style="width: 310px" class="wp-caption alignleft"><a href="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2026/08/IMG20260806110024-scaled.jpg"><img fetchpriority="high" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-6130" class="size-medium wp-image-6130" src="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2026/08/IMG20260806110024-300x225.jpg" alt="" width="300" height="225" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2026/08/IMG20260806110024-300x225.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2026/08/IMG20260806110024-1024x768.jpg 1024w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2026/08/IMG20260806110024-768x576.jpg 768w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2026/08/IMG20260806110024-1536x1152.jpg 1536w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2026/08/IMG20260806110024-2048x1536.jpg 2048w" sizes="(max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a><p id="caption-attachment-6130" class="wp-caption-text">oplus_2</p></div>
<p>রাজধানীর মিরপুরের সরকারি ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ঢুকতেই মনে হয়, যেন কোনো বিশেষ চিকিৎসা ক্যাম্প চলছে। হাসপাতালের টিকিট কাউন্টারের লাইন ভবনের সীমানা পেরিয়ে মূল সড়ক পর্যন্ত গিয়ে ঠেকেছে। ভিড়ে হাঁটার জায়গা নেই। দেশের দক্ষিণাঞ্চল ও উত্তরাঞ্চলসহ বিভিন্ন জেলা থেকে আসা মানুষ ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করছেন মাত্র ১০ টাকার একটি টিকিটের জন্য। কিন্তু রোগীর এই উপচে পড়া ভিড়ের বিপরীতে হাসপাতালের ব্যবস্থাপনায় দেখা যায় স্পষ্ট অপ্রস্তুতি। টিকিট কাউন্টারে দীর্ঘ সারি নিয়ন্ত্রণের কার্যকর ব্যবস্থা নেই। দূর-দূরান্ত থেকে আসা অনেকে টয়লেটের অবস্থানই খুঁজে পাচ্ছেন না। ব্যবহার অনুপযোগী টয়লেট নিয়েও অভিযোগ করেন রোগী ও স্বজনরা। হাসপাতালের প্রতিটি শয্যা রোগীতে পূর্ণ। ভর্তি হতে না পেরে অনেককেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়েই ফিরে যেতে হচ্ছে।<br />
হাসপাতালটিতে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে আরেকটি বিষয়ও চোখে পড়ে। নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কর্মীরা ছবি তুলতে বাধা দেন। তাঁরা জানান, কর্তৃপক্ষের নির্দেশ ছাড়া ছবি তোলা বা সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলা যাবে না। কয়েকজন কর্মীও একই ধরনের নির্দেশনার কথা বলেন। ফলে দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। এদিকে হাসপাতালের দায়িত্বশীল একাধিক সূত্র রোগীর চাপ, জনবল সংকট ও ওষুধের ঘাটতির তথ্য নিশ্চিত করেছে।<br />
তাদের ভাষ্য, মাত্র দুই সপ্তাহ আগেও যেখানে প্রতিদিন এক থেকে দেড়শ রোগী চিকিৎসা নিতে আসতেন, এখন সেই সংখ্যা প্রায় দেড় হাজারে পৌঁছেছে। ১০০ শয্যার প্রতিটিই এখন রোগীতে পূর্ণ। আগে একজন চিকিৎসক দিনে ১০ থেকে ২০ জন রোগী দেখলেও এখন ১২০ জনেরও বেশি রোগী দেখতে হচ্ছে। অতিরিক্ত চাপ সামাল দিতে টিকিট কাউন্টারে কলেজের শিক্ষার্থীরা বাড়তি জনবল হিসেবে কাজ করছেন বলে জানা গেল। আগে তিন মাসে যে পরিমাণ বিনামূল্যের ওষুধ বিতরণ হতো, এখন তা একদিনেই শেষ হয়ে যাচ্ছে।<br />
হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা ভোলার বিল্লাল হোসেন , গাজীপুরের মাহবুর রহমান, পল্লবীর আনিসুর রহমান ও মীরপুরের আলমগীর হোসেনের মতো অনেক রোগী জানান, দীর্ঘদিন বিভিন্ন চিকিৎসা নিয়েও কাঙ্ক্ষিত ফল না পাওয়ায় তাঁরা এখানে এসেছেন। কেউ কেউ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হাসপাতালের কথা জেনে এসেছেন, কেউ আত্মীয়ের পরামর্শে এসেছেন। তাঁদের অনেকেরই অভিযোগ, দীর্ঘ অপেক্ষার পর চিকিৎসক দেখাতে পারলেও শয্যা না থাকায় ভর্তি হতে পারেননি।<br />
বর্তমানে হাসপাতালটিতে আয়ুর্বেদিক ও ইউনানি চিকিৎসার পাশাপাশি আকুপাংচার, পঞ্চকর্ম, যোগব্যায়াম ও হিজামা থেরাপি দেওয়া হচ্ছে। এসব সেবার চাহিদাও কয়েক গুণ বেড়েছে। কিন্তু প্রশিক্ষিত জনবল ও অবকাঠামোর সীমাবদ্ধতায় সেই চাহিদা পূরণ করা কঠিন হয়ে পড়েছে।</p>
<p>আরও উদ্বেগের বিষয়, ৬ আগস্ট বৃহস্পতিবার থেকে বেলা ১টার পর আর টিকিট বিক্রি হবেনা মর্মে তড়িঘড়ি করে নোটিশ ঝোলানো হয়েছে। চাপ সামলাতে না পেরেই এই নোটিশ দিয়েছেন বলে জানান কর্তৃপক্ষ। হাসপাতালের একটি সূত্র জানায়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রশাসনিক পরিবর্তনের পর ২৭ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর বেতন গত ২৮ মাস ধরে বন্ধ রয়েছে। তারপরও তাঁরা নিয়মিত দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। একই সঙ্গে হাসপাতালের নিজস্ব ওষুধ উৎপাদন ও গবেষণা কার্যক্রমও আগের মতো সচল নেই।<br />
দেশে ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসার জন্য পূর্ণাঙ্গ সরকারি বিশেষায়িত হাসপাতাল কার্যত এই একটিই, যা মিরপুরের ১৩ নং সেকশনে অবস্থিত। তবে জেলা সদর হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিকল্প চিকিৎসা কর্মসূচির আওতায় সীমিত সেবা থাকলেও জটিল রোগের জন্য পূর্ণাঙ্গ হাসপাতাল নেই। ফলে চট্টগ্রাম, বরিশাল, খুলনা, রাজশাহী, রংপুর কিংবা সিলেটসহ সব অঞ্চল থেকেই রোগীদের ঢাকায় ছুটে আসতে হচ্ছে।<br />
এই বাস্তবতায় দক্ষিণাঞ্চলের চিত্র আরও বৈপরীত্যপূর্ণ। হাসপাতালের দায়িত্বশীল একটি সূত্র জানায়, বরিশালে একটি ইউনানি- আয়ুর্বেদিক চিকিৎসাকেন্দ্র থাকলেও সেখানে দীর্ঘদিন ধরে মাত্র একজন চিকিৎসক দায়িত্ব পালন করছেন। সেটির অবস্থানও সরকারি সদর হাসপাতালের ভিতরে। প্রয়োজনীয় জনবল ও অবকাঠামোর অভাবে সেটি পূর্ণাঙ্গ সেবা দিতে পারছে না।<br />
বরিশাল বিভাগের প্রায় এক কোটি মানুষের জন্য বর্তমানে কোনো পূর্ণাঙ্গ সরকারি ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক হাসপাতাল নেই। অথচ বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী, পিরোজপুর, ঝালকাঠি ও বরগুনা থেকে নিয়মিত রোগীদের ঢাকায় যেতে হচ্ছে। এতে একদিকে চিকিৎসা ব্যয় বাড়ছে, অন্যদিকে রাজধানীর একমাত্র হাসপাতালটির ওপরও অসহনীয় চাপ সৃষ্টি হচ্ছে।<br />
স্বাস্থ্যনীতি বিশ্লেষকদের মতে, যেভাবে বিকল্প চিকিৎসার প্রতি মানুষের আস্থা বাড়ছে, তাতে জেলা পর্যায়ের সীমিত কর্নার বা একজন চিকিৎসক দিয়ে আর চাহিদা পূরণ সম্ভব নয়। প্রয়োজন প্রতিটি বিভাগীয় শহরে অন্তত ১০০ শয্যার একটি আধুনিক ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক হাসপাতাল। যেখানে বহির্বিভাগ, ভর্তি সেবা, আকুপাংচার, পঞ্চকর্ম, হিজামা, গবেষণাগার, ওষুধ উৎপাদন ইউনিট এবং প্রশিক্ষিত চিকিৎসক একসঙ্গে থাকবে।<br />
একসময় অবহেলিত এই হাসপাতালটি এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলোর মাধ্যমে মানুষের নজরে এসেছে। সেই প্রচারণার ফলেই রোগীর সংখ্যা কয়েক গুণ বেড়েছে বলে হাসপাতালের কর্মকর্তারাও স্বীকার করছেন। কিন্তু যে গণমাধ্যম মানুষের কাছে হাসপাতালটির সেবা পৌঁছে দিয়েছে, সেই গণমাধ্যমের জন্যই যদি তথ্যপ্রাপ্তি ও ছবি সংগ্রহের পথ সংকুচিত করা হয়, তাহলে জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট তথ্যের অবাধ প্রবাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা থেকেই যায়।<br />
রাজধানীর একমাত্র সরকারি ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক হাসপাতালের সামনে প্রতিদিনের দীর্ঘ লাইন শুধু রোগীর ভিড়ের চিত্র নয়, এটি বিকল্প চিকিৎসা ব্যবস্থার প্রতি মানুষের বাড়তে থাকা আস্থারও প্রতিফলন। স্বাস্থ্যসেবার এই পরিবর্তিত বাস্তবতায় ঢাকা কেন্দ্রিক সেবা থেকে বেরিয়ে প্রতিটি বিভাগীয় শহরে অন্তত ১০০ শয্যার পূর্ণাঙ্গ সরকারি ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার দাবি এখন আর কেবল একটি প্রস্তাব নয়, সময়ের প্রয়োজন বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/6129-2/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>সরেজমিনে শেবাচিমঃ নাই &#8211; শব্দে বেহাল চিকিৎসা</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%9c%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a6%bf%e0%a6%ae%e0%a6%83-%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%87-%e0%a6%b6%e0%a6%ac/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%9c%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a6%bf%e0%a6%ae%e0%a6%83-%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%87-%e0%a6%b6%e0%a6%ac/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আরিফ আহমেদ]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 16 Jan 2022 04:48:48 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[বরিশাল বিভাগ]]></category>
		<category><![CDATA[ডাক্তার]]></category>
		<category><![CDATA[রোগী]]></category>
		<category><![CDATA[হাসপাতাল]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://shahittabazar.com/?p=4819</guid>

					<description><![CDATA[নাই- এই একটি শব্দে আটকে আছে ঐতিহ্যের প্রতীক বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (শেবাচিম) এর সুচিকিৎসা। রোগী আছে। বেড আছে, নার্স আছে। ডাক্তার নাই, পরীক্ষা-নিরীক্ষার ব্যবস্থা নাই। পর্যাপ্ত বাথরুম, ওয়াশরুম<span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%9c%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a6%bf%e0%a6%ae%e0%a6%83-%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%87-%e0%a6%b6%e0%a6%ac/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div dir="auto"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/01/IMG20220115094435.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-4821" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/01/IMG20220115094435-300x225.jpg" alt="" width="300" height="225" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/01/IMG20220115094435-300x225.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/01/IMG20220115094435-768x576.jpg 768w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/01/IMG20220115094435-1024x768.jpg 1024w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>নাই- এই একটি শব্দে আটকে আছে ঐতিহ্যের প্রতীক বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (শেবাচিম) এর সুচিকিৎসা। রোগী আছে। বেড আছে, নার্স আছে। ডাক্তার নাই, পরীক্ষা-নিরীক্ষার ব্যবস্থা নাই। পর্যাপ্ত বাথরুম, ওয়াশরুম নাই। পরিচ্ছন্ন কর্মী নাই, অত্যাধুনিক কোনো যন্ত্রপাতি, &#8211; এক্সরে মেশিন,  সিটিস্কান,  রেডিওথেরাপি ইত্যাদি কিছুই নাই। তাহলে কীসের ভিত্তিতে সুচিকিৎসার নিশ্চয়তা দেবেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ?  এ প্রশ্ন সয়ং হাসপাতালের পরিচালক ডাঃ সাইফুল ইসলামের।</div>
<div dir="auto">আছে শুধু  রোগীদের উপচে পরা ভিড় এই বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ( শেবাচিমে)। ভিড় সামলাতে বেড না থাকায় ফ্লোরে বিছানা পেতে চিকিৎসা দিচ্ছেন কর্তব্যরত চিকিৎসক ও নার্স।</div>
<div dir="auto">সরেজমিনে ১৩ ও ১৫ জানুয়ারী  সকাল থেকে রাত্রি পর্যন্ত অবস্থান করে শেবাচিম এর মেডিসিন ইউনিটসহ বিভিন্ন ওয়ার্ডে ঘুরে দেখা গেল ফ্লোরে বিছানা পাতা অসংখ্য রোগীর ছটফটানি দৃশ্য। মেডিসিন ইউনিট ৩ পুরুষ ওয়ার্ড ৭ এ নিজস্ব রোগী থাকার সুবাদে এ চিত্র চোখে পড়ে প্রতিবেদকের।</div>
<div dir="auto">দক্ষিণাঞ্চলের প্রায় দেড় কোটি মানুষের নির্ভরতা বরিশালের শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (শেবাচিম) এ প্রবেশ মাত্রই চোখে পড়ে ফাঁকা অনুসন্ধান কক্ষটি। অনেক খুঁজেও কাউকেই পাওয়া গেলনা তথ্য জানার জন্য। তবে ১৫ জানুয়ারী সকালে দুজনের দেখা পাওয়া গেলেও বেলা বারোটার আগেই উধাও তারা। রোগীর স্বজনকে ফোন করে চারতলার মেডিসিন ইউনিটে প্রবেশ মাত্রই দৃষ্টি কেড়েছে ফ্লোরের প্রায় পয়ত্রিশ / চল্লিশটি বিছানায় ছটফট করা রোগী ও তাদের স্বজনদের ডাক্তার ও নার্সের জন্য ছুটোছুটি । নার্স কক্ষে তখন দায়িত্বরত চারজন সেবিকা। প্রতি ওয়ার্ডে ১৫০ বেডসহ ২০০ এর বেশী রোগীর যত্নে চারজন নার্স কি পর্যাপ্ত?</div>
<div dir="auto"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/01/IMG20220107111958.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="aligncenter size-medium wp-image-4820" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/01/IMG20220107111958-300x225.jpg" alt="" width="300" height="225" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/01/IMG20220107111958-300x225.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/01/IMG20220107111958-768x576.jpg 768w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/01/IMG20220107111958-1024x768.jpg 1024w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a></div>
<div dir="auto">১৯৬৮ সালে স্থাপিত এই হাসপাতালের দশ শয্যা বিশিষ্ট আইসিইউর সাথে ২০২০ সালে করোনা বিভাগ এর কার্যক্রম শুরু হয় ১৮ টি আইসিউ শয্যা ও ১৫০ টি নতুন বেড নিয়ে। সবমিলিয়ে আইসিইউ এখন ২৮ টি এবং শয্যা সংখ্যা ১১৫০টি থাকার কথা। রাতে ডাক্তার কক্ষে অবস্থানরত চারজন ইন্টার্নি চিকিৎসক দেখছেন এই ১১৫০ বেড ছাড়াও ফ্লোরিং ও আইসিইউতে অবস্থান করা আরো প্রায় ৫০০ রোগীকে।</div>
<div dir="auto">পর্যাপ্ত ডাক্তার ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক না থাকার অভিযোগ রোগীদের অনেকেরই। মহিলা ওয়ার্ডের অবস্থা আরো কঠিন। ওয়ার্ডে জায়গা না হওয়ায় চারতলার পশ্চিম দিকের সিঁড়ি  রুমটিও এখন মহিলা রোগীদের দখলে। অহরহ পুরুষ স্বজনদের আনাগোনা।  প্রাইভেসি নেই কোনো। একদল চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের প্রভাব দেখা গেল সর্বত্র। রোগীদের সাথে এদের সম্পর্ক যেন শুধু টাকার। টাকা না দিলে কোনো সেবা দিতে রাজী নয় এরা। ব্যবহারতো পারলে ঘাড় ধরে বের করে দেয় রোগীদের। এদের একজন শহীদুলতো। ছবি তোলার অপরাধে সেতো প্রতিবেদকের উপরই চোটপাট দেখালো। পরে অবশ্য অনুযোগের স্বরে বলল, আমরা হাতেগোনা কয়েকজন কোনদিকে সামলাবো বলুন। জানাগেল, হাসপাতালের পরিচ্ছন্ন কর্মীরাই আবার সামলাচ্ছে নিরাপত্তার দিক।</div>
<div dir="auto">আবার এখানে ডাক্তারের প্রেসক্রিপশনে যেসব পরীক্ষানিরীক্ষা লেখা হয়, তার বেশিরভাগই হয়না শেবাচিমে। পপুলার, অ্যাপোলো ডায়াগনস্টিকে করিয়ে আনার পরামর্শ সয়ং ডাক্তারদেরই। সিটিস্কান, এ্যানড্রোসকপি কিম্বা এক্সরে মেশিন নষ্ট বলে দাবী চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের। তাদের কারো কারো সুপারিশ আশেপাশের ছোটো-ছোটো ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো।</div>
<div dir="auto">এদিকে রোগীর স্বজনদের অনেকে জানালেন, দুই সপ্তাহ আগে করানো সিটিস্কান, এ্যানড্রোসকপি  ও এক্সরে নাকি এখন চলবেনা। নতুন করে আবার করাতে হবে। এতে কতগুলো টাকার ঢাক্কা বলুনতো। তাও আবার রোগী নিয়ে যেতে হবে কতদূরে? রোগীদের অনেকেরইতো সেই সক্ষমতা নেই। তাহলে সরকারি হাসপাতালে এসে কি লাভ আমাদের?</div>
<div dir="auto">অন্যদিকে এখানকার ঔষধের দোকানগুলোতে চলছে  চরম স্বেচ্ছাচারিতা। অপ্রয়োজনীয় ঔষধ ফেরত নেয়না তারা। এ নিয়ে প্রায়ই ঝগড়াঝাটি, এমনকি রোগীর স্বজনদের সাথে হাতাহাতি ঘটে হাসপালের সামনে জানালেন সয়ং নিরাপত্তা রক্ষীদের একজন।</div>
<div dir="auto">রোগীর স্বজনদের দাবী, একটা মহল কৌশলে শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সুনাম ক্ষুন্ন করতে উঠেপড়ে লেগেছে।  এরা  রোগীদের পপুলার, এ্যাপোলো ও বেল ভিউসহ প্রাইভেট হাসপাতালে রেফার করার কৌশলী চেষ্টা করছে। এরাই হয়তো সুবিধা নিয়ে নষ্ট করে দিচ্ছে হাসপাতালের যন্ত্রপাতি।  বেশিরভাগ পরীক্ষাগুলো তাই বাইরে করার পরামর্শ দিচ্ছে।</div>
<div dir="auto">অথচ শেবাচিম সবদিক থেকে সয়ংসম্পূর্ণ ছিলো- এ দাবী সয়ং হাসপাতালের পরিচালক ডাক্তার এইচ এম সাইফুল ইসলামের।<a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/01/IMG20220115112700.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignright size-medium wp-image-4822" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/01/IMG20220115112700-300x225.jpg" alt="" width="300" height="225" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/01/IMG20220115112700-300x225.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/01/IMG20220115112700-768x576.jpg 768w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/01/IMG20220115112700-1024x768.jpg 1024w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a></div>
<div dir="auto">তিনি বলেন, এটা এশিয়ার গর্বিত একটি প্রতিষ্ঠান। পুরাতন ঐতিহ্য। যেকারণে প্রধান ভবনটির সংস্কার জরুরী।  সিঁড়ি, ওয়াশরুম,  লিফটসহ ভবনের অনেকস্থানে পলেস্তারা খসে পরছে। ১১৫০ শয্যার হাসপাতাল হলেও এখনো আমাদের লোকবলসহ মন্ত্রণালয়ের সাপোর্ট সব ৫০০ শয্যার আদলে দেয়া হচ্ছে। বিশেষজ্ঞ ডাক্তার সংকটের কারণে কলেজের শিক্ষা পর্যন্ত বিঘ্নিত হচ্ছে।</div>
<div dir="auto">পরিচালক আরো বলেন, প্রতিদিন প্রায় পঁচিশ ত্রিশ হাজার রোগীর আনাগোনা এই হাসপাতালে। এখানে চিকিৎসার  অত্যাধুনিক সব সরঞ্জাম নষ্ট হয়ে পড়ে আছে। সেগুলো মেরামতের উদ্যোগ নিতে গিয়ে দেখি,  মেরামতের খরচ যা, তার তুলনায় নতুন কেনাই উত্তম হবে।</div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%9c%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a6%bf%e0%a6%ae%e0%a6%83-%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%87-%e0%a6%b6%e0%a6%ac/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
