<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>বরিশাল বিভাগ &#8211; সাহিত্য বাজার</title>
	<atom:link href="https://shahittabazar.com/category/%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A7%9F/%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A6%B2-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%97/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://shahittabazar.com</link>
	<description>সাহিত্যের আয়নায় মানুষের মুখ</description>
	<lastBuildDate>Mon, 01 Jun 2026 18:04:33 +0000</lastBuildDate>
	<language>bn-BD</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.9.4</generator>
	<item>
		<title>আহ্বায়ক কমিটি নির্ভর বরিশাল বিএনপি : প্রভাব বিস্তারের দ্বন্দ্বে চলছে বহুমুখী বিভক্তি</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%86%e0%a6%b9%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%95-%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ad%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%b0/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%86%e0%a6%b9%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%95-%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ad%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%b0/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আরিফ আহমেদ]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 30 May 2026 07:13:23 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[প্রবন্ধ]]></category>
		<category><![CDATA[বরিশাল বিভাগ]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলার চিঠি]]></category>
		<category><![CDATA[সাহিত্য]]></category>
		<category><![CDATA[বরিশাল]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিএনপি]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://shahittabazar.com/?p=6017</guid>

					<description><![CDATA[<p>আহ্বায়ক কমিটি নির্ভর বরিশাল বিএনপি : প্রভাব বিস্তারের দ্বন্দ্বে চলছে বহুমুখী বিভক্তি</p> <p>(এটাই হতে পারে উন্নয়নের পথে বাধা) </p> <p>বিশেষ প্রতিবেদক</p> <p>বহুমুখী বিভক্তি ও দ্বন্দ্বে জর্জরিত বরিশাল বিএনপি : উন্নয়নের পথে</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%86%e0%a6%b9%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%95-%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ad%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%b0/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>আহ্বায়ক কমিটি নির্ভর বরিশাল বিএনপি : প্রভাব বিস্তারের দ্বন্দ্বে চলছে বহুমুখী বিভক্তি</strong></p>
<p>(<strong>এটাই হতে পারে উন্নয়নের পথে বাধা) </strong></p>
<p><strong>বিশেষ প্রতিবেদক</strong></p>
<div id="attachment_6019" style="width: 310px" class="wp-caption alignleft"><a href="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2026/05/IMG20260530114127.jpg"><img fetchpriority="high" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-6019" class="size-medium wp-image-6019" src="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2026/05/IMG20260530114127-300x169.jpg" alt="" width="300" height="169" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2026/05/IMG20260530114127-300x170.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2026/05/IMG20260530114127-1024x576.jpg 1024w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2026/05/IMG20260530114127-768x432.jpg 768w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2026/05/IMG20260530114127-1536x864.jpg 1536w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2026/05/IMG20260530114127-70x40.jpg 70w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2026/05/IMG20260530114127.jpg 1920w" sizes="(max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a><p id="caption-attachment-6019" class="wp-caption-text">oplus_0</p></div>
<p><strong>বহুমুখী বিভক্তি ও দ্বন্দ্বে জর্জরিত বরিশাল বিএনপি : উন্নয়নের পথে এটাই প্রধান বাধা </strong></p>
<p><strong>বিশেষ প্রতিবেদক</strong></p>
<p>বরিশালের রাজনীতিতে এখন সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হচ্ছে &#8211; উন্নয়ন নয়, প্রশাসনিক ও সাংগঠনিক নিয়ন্ত্রণ। ক্ষমতার কেন্দ্র কার হাতে থাকবে? তা নিয়ে চলছে নীরব কিন্তু তীব্র বহুমুখী লড়াই। মহানগর ও জেলা উভয় স্থানেই প্রবল নেতৃত্ব সংকটে রয়েছে বিএনপি। তাদের গঠিত সরকারের ১০০ দিন পার হলেও বরিশালে এখনো কোনো একক নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়নি। একক নেতৃত্বই শুধু নয়, এখানে আদৌ কোনো নেতৃত্ব আছে কিনা তা নিয়েও জনমনে রয়েছে সংশয়। আর এ সংশয় গত প্রায় পাঁচ বছর ধরে চলমান। বিশেষ করে বরিশালের রাজনীতি থেকে মজিবর রহমান সরোয়ারকে সরিয়ে নেওয়ার পরপরই শুরু হয়েছে নেতৃত্বের কোন্দল। বহুবার পরিবর্তন ও রদবদল হয়েছে আহ্বায়ক কমিটিও।<br />
গত ১২ ফেব্রুয়ারীর নির্বাচনে বিএনপির জয় লাভের পর থেকে বরিশালে এই নেতৃত্বহীনতা আরো স্পষ্ট হয়েছে। বিশেষ করে বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন বরিশাল সিটি করপোরেশনের (বিসিসি) প্রশাসক নিযুক্ত হওয়ার পর থেকে এ দ্বন্দ্ব যেন অনেকটা প্রকাশ্যে আসতে শুরু করেছে।<br />
বরিশাল ৫ সদর আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মজিবর রহমান সরোয়ার, বরিশাল ১ গৌরনদী আগৈলঝারা আসনের সংসদ সদস্য ও বর্তমান তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন এবং বরিশাল সিটি করপোরেশন (বিসিসি) প্রশাসক ও বিএনপির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন এর বরিশালের কার্যক্রম, তাদের সভা সমাবেশে নেতাকর্মীদের উপস্থিতি৷, বাস টার্মিনাল স্থানান্তর, বাণিজ্য মেলা বন্ধ ও চালু হওয়া সর্বোপরি স্বাস্থ্য মন্ত্রী ও স্বাস্থ্য উপদেষ্টার বরিশালের অন্যতম ২০০ শয্যা বিশিষ্ট শিশু হাসপাতাল পরিদর্শনে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের অনুপস্থিতি নিয়ে চলছে বহুমুখী বিভক্তির ঘ্রাণ। আবার বরিশাল চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি সভাপতি ও বিএনপি নেতা এবায়দুল হক চান ও শিরিনের ইগো দ্বন্দ্বের লড়াই ছিলো বাণিজ্য মেলা নিয়ে।<br />
অন্যদিকে বরিশাল জেলা পরিষদের দায়িত্ব নিয়েও আরেক সাংগঠনিক সম্পাদক আকন কুদ্দুসুর রহমানের দায়িত্ব এড়িয়ে চলা, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব এর আচরণ ইত্যাদি বিষয় পর্যালোচনা করে এটা নিশ্চিত যে এখানে বিএনপির দলীয় রাজনীতি ও প্রশাসনিক বলয়ের ভিতর বহু বিভক্তি স্পষ্ট হয়ে উঠছে।<br />
অনুসন্ধানে দেখা গেছে, গত মার্চ থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত বরিশালের বিভিন্ন মন্ত্রীদের আগমন, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত, উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন, হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা, সিটি করপোরেশনের কার্যক্রম এবং রাজনৈতিক কর্মসূচির নেপথ্যে এই বহুমুখী দ্বন্দ্বের প্রভাব টের পেয়েছেন বরিশালের সাধারণ মানুষও। যে কারণে এ নিয়ে চায়ের দোকানসহ সামাজিক জটলাতেও চলছে মুখরোচক আলোচনা। কেউ কেউ শিরিনের কার্যক্রমকে বাহবা দিলেও চুপিসারে বলছেন, বরিশালের রাজনৈতিক মুরব্বি মজিবর রহমান সরোয়ার। তার সাথে পরামর্শ করেই পদক্ষেপ নেওয়া উচিত শিরিনের। আবার কেউ বলছেন, মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বরিশালে আসলে সরোয়ার বা শিরিন কেউই বরিশালে থাকেন না। আবার জেলা ও মহানগর বিএনপির নেতৃবৃন্দ কাউকেই দেখা যায়নি মন্তী- প্রতিমন্ত্রীর আশেপাশে। এটাও জটিলতা তৈরি করছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন স্বপন বরিশাল ১ আসনের এমপি হলেও তিনিতো এখন বাংলাদেশের প্রতিটি জেলার মন্ত্রী। তার আগমনে বা উপস্থিতিতে সদর আসনের সংসদ সদস্য ও সিটি করপোরেশনের প্রশাসক, জেলা পরিষদের প্রশাসকের অনুপস্থিতি দৃষ্টিকটু। বরং সবাই যখন বিএনপির নেতা, তাদের সবাইকে একই মঞ্চে পাশাপাশি দেখতে চায় সাধারণ মানুষ। তাদের দাবি, বিগত ১৭ বছরের অভিজ্ঞতায় তারা দেখেছেন মেয়র ও সংসদ সদস্যের দ্বন্দ্বে বরিশালের উন্নয়ন বরাদ্দ ফেরত চলে যেতে। তাই কোনোরকম রাজনৈতিক বা ব্যাক্তিগত দ্বন্দ্ব দেখতে রাজী না বরিশালের সাধারণ মানুষ। তাদের অনেকেই আশা করেছিলেন অন্তত ৩০ মে এরকম কিছু হবে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎ বার্ষিকী আয়োজনে। কিন্তু সেখানেও নিরাশা। জেলা ও মহানগর পৃথক পৃথক শোকসভা করে তাদের বিভক্তি আরো বেশি প্রমাণ করলেন। যদিও মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুকের দাবী &#8211; যার যার কর্মসূচি সে সে পালন করবে এটাই স্বাভাবিক। মহানগর আর জেলাতো এক নয়, যে একসাথে কার্যক্রম হতে হবে।<br />
তিনি আরও বলেন, বড় রাজনৈতিক দলের মধ্যে একাধিক প্রতিযোগিতা থাকবে এটা জটিল কিছু নয়। এই প্রতিযোগিতায় অনেক আগাছা পরগাছাও প্রবেশ করবে কিন্তু দিনশেষে তারাই টিকে থাকবে এবং মূল্যায়িত হবেন, যারা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শ ধারণা করেন।<br />
যদিও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অনেকেরই ধারণা ছিল দীর্ঘদিনের প্রভাবশালী নেতা মজিবর রহমান সরোয়ার সহজেই একক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করবেন। কারণ তিনি বরিশাল-৫ আসন থেকে মেয়র ও চার চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন এবং কেন্দ্রীয় রাজনীতিতেও তার অবস্থান অনেক শক্তিশালী। কিন্তু সবাইকে হতাশ করে তার জনসমর্থন দিনকে দিন কমেছে। ১২ ফেব্রুয়ারী তিনি পঞ্চমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেও তা অত্যন্ত দূর্বল কাঠামোর উপর দাঁড়িয়েছে। কেননা সবসময় ২০ হাজারের কাছাকাছি ভোট পাওয়া ইসলামি আন্দোলন প্রার্থী মুফতি মাওলানা ফয়জুল করিম ৯০ হাজারের বেশি ভোট পেয়েছেন। অন্যদিকে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়ে বরিশাল ১ আসনের সংসদ সদস্য জহির উদ্দিন স্বপনের প্রভাব দ্রুত বাড়তে থাকে। একইসঙ্গে বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক হন বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন। এতে প্রশাসনিক ও সাংগঠনিকভাবে আলাদা শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হন তিনি। দীর্ঘদিন রাজনীতির মাঠে সক্রিয় জেলা ও মহানগর বিএনপির অনেক নেতা এতে ক্ষুব্ধ হন এবং কেউ কেউ প্রকাশ্যে শিরিনের বিরোধিতা শুরু করেন। জেলার সাবেক সভাপতি এবং কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এবায়দুল হক চান, মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব জিয়াউদ্দিন সিকদার, সাবেক সদস্য সচিব মীর জাহিদ প্রমুখের মধ্যে স্পষ্ট ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটে। তারা সরাসরি শিরিনের বিরোধিতা না করলেও তাদের অনুসারীদের সরিয়ে নেয়ার অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন উন্নয়ন কাজে বাধা প্রদানের অভিযোগও রয়েছে তাদের অনুসারীদের বিরুদ্ধে। যার প্রমাণ পাওয়া যায়, নথুল্লাবাদ বাস টার্মিনাল স্থানান্তর ও শিশু হাসপাতাল উদ্বোধন পক্রিয়ায়।<br />
স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক কাজী মিজানুর রহমান এর মতে, বরিশালে এখন প্রকাশ্য বিরোধের চেয়ে “নিয়ন্ত্রণের নীরব যুদ্ধ” বেশি চলছে। কে প্রশাসনে প্রভাব রাখবে, কে উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ন্ত্রণ করবে, কে দলীয় কমিটি ও মাঠের কর্মীদের ধরে রাখবে—এসব হিসাবেই রাজনীতি এগোচ্ছে।<br />
আবার রাজনৈতিক বিশ্লেষক মাহবুব খান বলেন, আসলে বরিশালে বিএনপির বিভক্তি গত ৫ বছর ধরেই চলছে। এটা এজন্য যে আহ্বায়ক কমিটি নির্ভর হয়ে এতো দীর্ঘ সময় কাটানো রাজনীতিতে সবাই নিজ নিজ অনুসারী তৈরি করছে। সবাই এখানে এখন বড় নেতা। গত ২৪ সালের ৫ আগস্টের পর দল থেকে বহিস্কৃত নেত্রী বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন হঠাৎ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক হয়েছেন এটা মেনে নিতে অনেকের কষ্ট হয়েছে। তবে শিরিন তার কাজ ও আচরণ দিয়ে সবাইকে জয় করে নিতে শুরু করেছেন। ২৫ মে বিকালে নগর ভবনের মিলনায়তনে তার কিছুটা প্রমাণও পাওয়া গেছে। এখানে জেলা ও মহানগর বিএনপির প্রায় অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। যারা ইতিপূর্বে শিরিনকে এড়িয়ে চলার চেষ্টা করেছেন তাদের অনেকেও ছিলেন বলে জানান রাজনৈতিক বিশ্লেষক মাহবুব খান।<br />
এসবের মধ্যে সম্প্রতি প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন নথুল্লাবাদ বাস টার্মিনাল স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নিলে সংকট আরো প্রকট আকার ধারণ করে। বাস ও ট্রাক মালিক সমিতির নিয়ন্ত্রণ স্থানীয় সংসদ সদস্য মজিবর রহমান সরোয়ার এর আপন ভাই ও শ্যালকের হাতে থাকায়। শিরিনের সিদ্ধান্ত বিরোধী অবস্থান তৈরি হয় এই টার্মিনালকে ঘীরে।<br />
যদিও গত ২০০৬ সাল থেকেই বরিশালের সবচেয়ে আলোচিত ইস্যুগুলোর একটি নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল স্থানান্তর পরিকল্পনা। নগর পরিকল্পনাবিদ ও ট্রাফিক বিশেষজ্ঞদের দীর্ঘদিনের দাবি &#8211; শহরের কেন্দ্র থেকে বাস টার্মিনাল সরিয়ে বাইপাস সংলগ্ন এলাকায় নেওয়া না হলে যানজট, শব্দদূষণ ও জনদুর্ভোগ কমবে না।<br />
২০১৪ সালে প্রয়াত মেয়র শওকত হোসেন হিরন এজন্য উদ্যোগী হন এবং গড়িয়ার পাড়ে নগরীর প্রবেশদ্বার সংলগ্ন সড়কের পাশে সাড়ে বারো একর জমিতে বাস টার্মিনাল স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নিয়ে জমি ক্রয় চূড়ান্ত করেন। পরবর্তীতে এটি ধামাচাপা পরে যায় ও সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ এসে কাশিপুর স্কুল এন্ড কলেজ সংলগ্ন সড়কের পাশে ট্রাক টার্মিনাল তৈরি করে ব্যাপক সমালোচনা তৈরি করেন। এ নিয়ে মামলা এখনো চলমান থাকলেও কলেজ কর্তৃপক্ষ বলেছেন, গড়িয়ার পাড়ে বাস টার্মিনাল স্থানান্তর না হওয়া পর্যন্ত কাশিপুর ট্রাক টার্মিনালকে বাস টার্মিনাল করা যেতে পারে। এতে তাদের কোনো আপত্তি না থাকলেও বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে বাস ও ট্রাক মালিক সমিতির নেতারা। এই টার্মিনাল স্থানান্তরের দাবি নতুন নয়। অন্তত কয়েক বছর ধরেই নগর পরিকল্পনাবিদ, ব্যবসায়ী ও পরিবহন সংশ্লিষ্টদের একটি অংশ এ দাবি জানিয়ে আসছিল। তবে বিএনপি সরকার গঠনের পর সিটি করপোরেশন প্রশাসক বিষয়টি নতুন করে সক্রিয় করলে তা রাজনৈতিক মাত্রা পেতে শুরু করে।<br />
সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের অভিযোগ, সরোয়ার পরিবারের ঘনিষ্ঠ পরিবহন সংশ্লিষ্ট একটি অংশ এই পরিকল্পনার বিরোধিতা শুরু করেছে। অভিযোগ রয়েছে, টার্মিনালকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিনের আর্থিক ও প্রভাবভিত্তিক নিয়ন্ত্রণ হারানোর আশঙ্কা থেকেই এই বিরোধিতা। জানা গেছে ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরপরই বরিশালের বাস ও ট্রাক টার্মিনালের দখল নিয়েছেন বরিশাল-৫ আসনের সংসদ সদস্য মজিবর রহমান সরোয়ারের ঘনিষ্ঠরা। তার ছোট ভাই মোশারফ হোসেন বাস মালিক সমিতির সভাপতি। ট্রাক মালিক সমিতির সভাপতি সাইদুর রহমান মামুন সংসদ সদস্য মজিবর রহমান সরোয়ারের শ্যালক।<br />
পরিবহন খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, নথুল্লাবাদ শুধু একটি টার্মিনাল নয়; এটি বরিশালের অন্যতম বড় অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র। প্রতিদিন শত শত বাস চলাচলের কারণে এখানকার নিয়ন্ত্রণ মানেই শ্রমিক সংগঠন, পরিবহন রুট ও আর্থিক প্রবাহের ওপর প্রভাব। ফলে প্রশাসনিক পর্যায়ে ফাইল অগ্রগতি ধীর হয়ে যায় এবং সিটি করপোরেশনের একাধিক উদ্যোগ কার্যত থমকে পড়ে।<br />
সিটি করপোরেশনের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “টার্মিনাল স্থানান্তর শুধু উন্নয়ন প্রকল্প নয়, এটি বরিশালের প্রভাবের রাজনীতির অংশ হয়ে গেছে। কে নিয়ন্ত্রণ করবে, সেটিই এখন মূল বিষয়।”<br />
সাবেক একজন গুরুত্বপূর্ণ পরিবহন সংশ্লিষ্ট নেতা বলেন, “টার্মিনাল সরানো মানে পুরোনো নিয়ন্ত্রণ কাঠামো বদলে যাওয়া। এজন্য ভেতরে ভেতরে অনেক চাপ কাজ করছে।”<br />
এদিকে আইনজীবী বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন দায়িত্ব নেওয়ার পর নগর পরিচ্ছন্নতা, অবৈধ দখল উচ্ছেদ, হোল্ডিং ট্যাক্স পুনর্বিন্যাস, বাড়ির প্লান হস্তান্তর এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে একাধিক উদ্যোগ নেন। কিন্তু তার প্রশাসনিক কার্যক্রমে দলীয় পর্যায় থেকেই বাধা তৈরি হচ্ছে—এমন অভিযোগ এখন বিএনপির অভ্যন্তরেও আলোচিত বিষয় ।<br />
বরিশাল যুবদল কর্মী ও সাবেক ছাত্রদল নেতা নাজমুল হাসান ছবির বলেন, এখানে এখন প্রতিযোগিতা নয়, প্রতিহিংসার রাজনীতি চলছে। ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়ন না হলে এটি আরো বাড়বে। আর এ জন্য দায়ী দীর্ঘদিন ধরে পূর্ণাঙ্গ কমিটি না থাকা।<br />
তিনি বলেন, যুবদলের পূর্নাঙ্গ কমিটি থাকলেও তা গত সাতবছর ধরে চলমান রয়েছে। জেলা ও মহানগরসহ অংগসংগঠনগুলো বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি নির্ভর। অতিসত্বর এই কমিটি বিলুপ্ত করে নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন কমিটি না হলে এইব বিভক্তি ও দূরত্ব আরো বৃদ্ধি পাবে বলে জানান তিনি।<br />
প্রায় একই দাবী নিয়ে বরিশাল মহানগর যুবদলের সিনিয়র সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম জাহান বলেন, এজন্য দায়ী পূর্নাঙ্গ কমিটি না থাকা। মহানগর ও জেলা বিএনপিসহ সব অংগসংগঠনের পূর্ণাঙ্গ কমিটি হয়ে গেলে এসব উন্নয়ন পদক্ষেপ তরান্বিত হবে। তবে সে কমিটিও হতে হবে গত ১৭ বছর মাঠে থাকা ত্যাগী নেতাদের নিয়ে।<br />
তিনি আরো বলেন, আমি মনে করি, বরিশালের যে কয়েকজন নেতা রয়েছেন স্পীকার, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও সিটি করপোরেশনের প্রশাসকসহ সব সংসদ সদস্যদের নিয়ে একটি বৈঠক হওয়া উচিত। বরিশাল অন্যসব জেলা থেকে উন্নয়নে অনেক পিছিয়ে, তাই সবার আগে বরিশালের উন্নয়নকে প্রাধান্য দিয়ে তাদের ঐক্যবদ্ধ একটি অবস্থান হওয়া জরুরী প্রয়োজন বলে জানান এই যুবদল নেতা।<br />
আবার বরিশাল সিটি করপোরেশনের কয়েকজন সাবেক কাউন্সিলর অভিযোগ করেছেন, আমরা দেখেছি বিসিসি প্রশাসকের আহ্বানে এসে গুরুত্বপূর্ণ সভা বয়কট, প্রকল্প বাস্তবায়নে ধীরগতি তৈরি, ঠিকাদার নিয়ন্ত্রণ এবং মাঠপর্যায়ের কর্মসূচিতে লোক সমাগম কমিয়ে দেওয়ার মতো নীরব অসহযোগিতা চলছে। যদিও প্রকাশ্যে কেউ এ দায় স্বীকার করছেন না।<br />
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন, নিয়োগ, ঠিকাদারি ও উন্নয়ন কার্যক্রমে “কার প্রভাব থাকবে”—তা নিয়েও মহানগর বিএনপির মধ্যে দ্বন্দ্ব লক্ষ্য করা গেছে। সদস্য সচিব জিয়াউদ্দিন সিকদার এর অবস্থানও বিতর্কিত হয়েছে বারবার। প্রশাসনিকভাবে দায়িত্বে থাকলেও রাজনৈতিকভাবে শিরিনকে চাপে রাখার চেষ্টা চলছে বলে তার ঘনিষ্ঠদের অভিযোগ।<br />
অন্যদিকে বিভিন্ন আয়োজনে বেশ কয়েকবার বরিশালে এসেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তার ঐ মঞ্চে সংসদ সদস্য মজিবর রহমান সরোয়ার এবং প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন কিম্বা জেলা পরিষদের প্রশাসক আকন কুদ্দুসুর রহমান এর অনুপস্থিতি জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে। বরিশালে স্বপনের উপস্থিতি কেউ স্বাভাবিক ভাবে নিচ্ছে না বলেও একাধিক অভিযোগ রয়েছে।<br />
একজন সাবেক ছাত্রদল নেতা বলেন, বরিশালে এখন প্রশাসন আর রাজনীতি আলাদা নেই। কে কাকে ছাড়িয়ে যাবে, সেটিই মূল প্রতিযোগিতা। যার প্রমাণ পাওয়া গেছে শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (শেবাচিম) ও নির্মানাধীন শিশু হাসপাতাল ইস্যুতে। শেবাচিম নিয়েও সম্প্রতি যে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে তা হাসপাতালের পরিচালনা পর্ষদ গঠন নিয়ে। স্বাস্থ্য মন্ত্রীর ঘোষণা এবং সভাপতি হিসেবে কারো নাম চূড়ান্ত হয়েছে বলার পরপরই অনুসন্ধানে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনের নাম আলোচনায় আসে। দুদিনের মধ্যে গেজেট হওয়ার কথা থাকলেও অজ্ঞাত কারণে আজ পর্যন্ত তার নাম ঘোষণা বা গেজেট প্রকাশ হয়নি। পাশাপাশি এরপর থেকেই প্রশাসনিক প্রভাব বিস্তারের নতুন হিসাব শুরু হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।<br />
গত মার্চে শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের একটি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা, ডাক্তার ও নার্সের দায়িত্ব অবহেলায় দুজন শিশুর মৃত্যু ঘটনার পর স্বাস্থ্যখাতের অব্যবস্থাপনা ও প্রশাসনিক দুর্বলতা নতুন করে আলোচনায় আসে। এর মধ্যেই নির্মাণাধীন শিশু হাসপাতালকে শেবাচিম হাসপাতালের প্রশাসনিক কাঠামো থেকে পৃথক করার আলোচনা শুরু হলে বিষয়টি রাজনৈতিক রূপ নিতে থাকে। বিশেষ করে নির্মাণাধীন শিশু হাসপাতালকে শেবাচিম হাসপাতালের প্রশাসনিক কাঠামো থেকে পৃথক করার প্রক্রিয়া নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। হাসপাতাল সংশ্লিষ্ট কয়েকজন কর্মকর্তা ও চিকিৎসক মনে করছেন, এটি কেবল প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নয়, বরং নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার অংশ।<br />
একজন চিকিৎসক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “শিশু হাসপাতাল আলাদা হলে নিয়ন্ত্রণও আলাদা হবে। এ কারণে বিভিন্ন পক্ষ সক্রিয় হয়ে উঠেছে।”<br />
অভিযোগ রয়েছে, শেবাচিমের অভ্যন্তরেও শিরিন, স্বপন ও সরোয়ারপন্থী হিসেবে পরিচিত বলয় তৈরি হয়েছে। এছাড়াও প্রভাব রয়েছে মহানগর বিএনপির একাধিক নেতার। এখানে পদায়ন, ঠিকাদারি, ক্রয় প্রক্রিয়া এবং পরিচালনা কমিটিতে প্রভাব বিস্তার নিয়ে নীরব প্রতিযোগিতা চলছে। এমনকি পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মশিউল মুনীর সেনাবাহিনীর লোক হয়েও এদের হাতের পুতুল বলেও একাধিক অভিযোগ রয়েছে। কেননা, ৫ আগস্টের পর পালিয়ে যাওয়া ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ও তাদের লোককে খুঁজে এনে আবারও কাজে লাগানো হয়েছে শেবাচিমে।<br />
হাসপাতাল সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা বলেন, “স্বাস্থ্যখাত এখন শুধু চিকিৎসা ব্যবস্থাপনার বিষয় নয়, বরং রাজনৈতিক প্রভাবের অংশ হয়ে উঠেছে। এরসাথে জড়িত রয়েছে ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর নিয়ন্ত্রণ ও আধিপত্য। কারো কারো জন্যে এখানেও ভোটব্যাংক ফিলোসোফি কাজ করছে বলে জানান সচেতন চিকিৎসকরা।<br />
বিএনপি সরকারের প্রথম ১০০ দিন অতিবাহিত হয়েছে। এই সময়ে বরিশালে বড় ধরনের প্রকাশ্য সংঘাত না হলেও অভ্যন্তরীণ বিভক্তি ক্রমেই দৃশ্যমান হচ্ছে। নগর উন্নয়ন, হাসপাতাল প্রশাসন, দলীয় পূর্নাঙ্গ কমিটি না হওয়া, পরিবহন খাত এবং ঠিকাদারি—সবখানেই এখন “কোন বলয়ের প্রভাব বেশি”—সেই হিসাবে চলছে নেতাকর্মীদের সমাগম ও সমর্থন।<br />
বিশেষ করে—<br />
* সিটি করপোরেশনের উন্নয়নে বড়ো প্রকল্পে ধীরগতি,<br />
* পরিবহন খাতে নিয়ন্ত্রণ প্রশ্ন,<br />
* হাসপাতাল প্রশাসনে বলয়ভিত্তিক অবস্থান,<br />
* দলীয় কর্মসূচিতে আলাদা উপস্থিতি এবং স্থানীয় কমিটি পুনর্গঠনে মতবিরোধ<br />
এসব বিষয় এখন রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে।<br />
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, সরোয়ারের দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক ভিত্তি, স্বপনের মন্ত্রিত্বজনিত প্রশাসনিক প্রভাব এবং শিরিনের সাংগঠনিক ও সিটি করপোরেশন নিয়ন্ত্রণ &#8211; এই তিন শক্তির সংঘাত আগামী দিনে আরও স্পষ্ট হতে পারে। তদুপরি এখন পর্যন্ত আহ্বায়ক কমিটি নির্ভর বরিশালের বিএনপি। বারবার পূর্নাঙ্গ কমিটির প্রতিশ্রুতি পিছিয়ে যাওয়া নেতৃত্বের সংকট তৈরি করছে বলে মনে করেন অনেকেই।<br />
এদিকে সরোয়ার পন্থী কয়েকজন নেতার দাবী, বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করতে জেলা ও মহানগর বিএনপির নেতাদের ঘরে ঘরে ঘুরেছেন, অথচ বরিশালের রাজনৈতিক মুরব্বি ও সিটি করপোরেশনের প্রথম নির্বাচিত মেয়র এর ঘরে যেতে পারেন নাই। তাহলে সমস্যা কার মধ্যে তাতো স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে।<br />
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের একজন শিক্ষক বলেন, “বরিশালে এখন মূল লড়াই আদর্শের নয়, নিয়ন্ত্রণের। কে প্রশাসন, উন্নয়ন ও রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে শেষ কথা বলবে &#8211; তা নিয়েই চলছে প্রতিযোগিতা।”</p>
<p>যদিও এ প্রতিযোগিতায় নিজেকে রাখতে রাজী নয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি বলেন, সদর উপজেলার তালুকদার হাটে আমার নানাবাড়ি। আমি জন্মেছি ওখানে তালুকদার বাড়িতে। আমার ছেলেবেলা কেটেছে বরিশাল জিলা স্কুলে। তাই বরিশাল আমার ভালোবাসার স্থান। আমি মনে করিনা, ওখানে আমার সাথে বা আমার কাজে কারো কোনো দ্বন্দ্ব থাকা উচিত। উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে আমি বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও বিসিসি প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন এবং রাজনৈতিক মুরুব্বি মজিবর রহমান সরোয়ার উভয়ের ডাকেই সাড়া দিতে প্রস্তুত। দলমত নির্বিশেষে সদর উপজেলার সকলের প্রতি আমার গভীর ভালবাসা ও শ্রদ্ধা রয়েছে দাবী করে স্বপন আরো বলেন, স্বার্থ সংশ্লিষ্ট যেকোনো বিষয় আমি এড়িয়ে চলতে পছন্দ করি। বিভক্তি নয়, ঐক্যবদ্ধ বিএনপির নেতৃবৃন্দের জন্য আমার দরজা সবসময় খোলা।<span style="font-weight: 300;">এদিকে সিটি করপোরেশন প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন বাস টার্মিনালটি স্থানান্তরের বিষয়ে অটল। তিনি জানিয়েছেন, খুব শিগগির প্রায় দুই কিলোমিটার দূরে ট্রাক টার্মিনালে অস্থায়ী বাস টার্মিনাল করা হবে। তবে বরিশাল সিটি করপোরেশন ও বিএনপি একই সুতোয় গাঁথা। এখানে কোনো বিভক্তি নেই বলে দাবী করেন তিনি।</span></p>
<p>যদিও তার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে অবস্থান নিয়েছেন জেলা বাস মালিক সমিতি ও জেলা ট্রাক মালিক সমিতি।<br />
বাস মালিক সমিতির ভাষ্য, অন্যত্র স্থায়ী বাস টার্মিনাল না হওয়া পর্যন্ত তারা নথুল্লাবাদ টার্মিনাল ছাড়বেন না। আর ট্রাক মালিক সমিতি বলছে, তাদের জন্য নির্মিত টার্মিনালে বাস রাখতে দেওয়া হবে না। এ দুটি সংগঠন জোটবদ্ধ হয়ে টার্মিনাল স্থানান্তর ঠেকাতে প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গেছে । এরফলে প্রবীণ নেতা মজিবর রহমান সরোয়ারের সাথে দ্বন্দ্বটা প্রকাশ্যে আসতে যাচ্ছে বলে মনে করেন অনেকে।<br />
এ বিষয়ে কথা বলতে বরিশাল ৫ আসনের সংসদ সদস্য সাবেক মেয়র ও হুইপ মজিবর রহমান সরোয়ার এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এই আসনের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি আমি। অথচ আমাকে না জানিয়ে অনেককিছু ঘটছে বা ঘটানো হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক শিষ্টাচারের মধ্যে থেকে সিটি করপোরেশনের প্রশাসককে সবধরনের সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত তিনি। কিন্তু কেউ যদি সহযোগিতা না চেয়ে দূর থেকে অভিযোগ তুলে তার দায় শেষ করে, সেখানে আমার কি করার আছে?</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%86%e0%a6%b9%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%95-%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ad%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%b0/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>হিরনের পর আস্থা এবার শিরিন: কাটেনা তবু সংশয়</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a6%be-%e0%a6%8f%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%bf/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a6%be-%e0%a6%8f%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%bf/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আরিফ আহমেদ]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 22 Apr 2026 18:04:39 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[বরিশাল বিভাগ]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলার চিঠি]]></category>
		<category><![CDATA[প্রশাসক]]></category>
		<category><![CDATA[বরিশাল]]></category>
		<category><![CDATA[মেয়র]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://shahittabazar.com/?p=5962</guid>

					<description><![CDATA[হিরনের পর আস্থা এবার শিরিন: কাটেনা তবু সংশয় বিশেষ প্রতিবেদক  একসাথে অনেকগুলো সুখবর বরিশালবাসীর জন্য। খুব শীঘ্রই তাদের কাঙ্ক্ষিত ফুটওভার ব্রিজ, আধুনিক শিশু হাসপাতাল, শ্রমজীবী মহিলা হোস্টেল, ৫টি খেলার মাঠ<span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a6%be-%e0%a6%8f%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%bf/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div id="m#msg-a:r5808767624647342800" class="mail-message expanded">
<div id="m#msg-a:r5808767624647342800-header" class="mail-message-header spacer"><strong>হিরনের পর আস্থা এবার শিরিন: কাটেনা তবু সংশয়</strong></div>
<div id="m#msg-a:r5808767624647342800-content" class="mail-message-content collapsible zoom-normal mail-show-images ">
<div class="clear">
<div dir="auto">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto"><strong>বিশেষ প্রতিবেদক </strong></div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto"><a href="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2026/04/Screenshot_2026-04-22-23-48-04-67_a23b203fd3aafc6dcb84e438dda678b6.jpg"><img decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-5964" src="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2026/04/Screenshot_2026-04-22-23-48-04-67_a23b203fd3aafc6dcb84e438dda678b6-300x180.jpg" alt="" width="300" height="180" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2026/04/Screenshot_2026-04-22-23-48-04-67_a23b203fd3aafc6dcb84e438dda678b6-300x180.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2026/04/Screenshot_2026-04-22-23-48-04-67_a23b203fd3aafc6dcb84e438dda678b6.jpg 672w" sizes="(max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>একসাথে অনেকগুলো সুখবর বরিশালবাসীর জন্য। খুব শীঘ্রই তাদের কাঙ্ক্ষিত ফুটওভার ব্রিজ, আধুনিক শিশু হাসপাতাল, শ্রমজীবী মহিলা হোস্টেল, ৫টি খেলার মাঠ এবং নিরাপদ মহাসড়কের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে বরিশাল সিটি করপোরেশন। আর এ সুখবর জানাচ্ছেন সয়ং বরিশাল সিটি করপোরেশনের ভারপ্রাপ্ত মেয়র বা প্রশাসক আইনজীবী বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন। শুধু তাই নয়, দীর্ঘ যন্ত্রণার অবসান হতে যাচ্ছে মহাসড়কের চৌমাথার কাজীপাড়া এলাকার অবৈধ শিশুপার্কটির ভগ্নাবশেষ থেকেও। এটি দ্রুত সরিয়ে নেওয়ার জন্য রোডস এন্ড হাইওয়েকে সরাসরি মন্ত্রণালয় থেকে চিঠি ইস্যু করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এই সংবাদে খুশি বরিশালের সুশীল সমাজ থেকে শুরু করে সাধারণ নাগরিকরাও। ইতিপূর্বে নগরীর পরিচ্ছন্নতা অভিযানে শিরিন অনেকটাই প্রয়াত মেয়র শওকত হোসেন হিরনকে মনে করিয়ে দিয়েছেন নগরবাসীর কাছে। এবার তার দাবী পুরনের পদক্ষেপ হিসেবে আধুনিক শিশু হাসপাতাল, কর্মজীবী মহিলা হোস্টেল ও ৫টি খেলার মাঠের মধ্যে পরশ পুকুর ও মাঠটি ওয়াকওয়েসহ সৌন্দর্যবর্ধন তালিকায় অগ্রাধিকার পেয়েছে। যা নিয়ে নগরবাসীর মধ্যে মৃদু গুঞ্জন শুরু হয়েছে, অনেকেই বলছেন, মেয়র হিরনের পর পুনরায় আমরা বরিশালের আপন কাউকে খুঁজে পেয়েছি।</div>
<div dir="auto">এমনকি দীর্ঘদিন শিরিন এর বিপক্ষে থাকা অনেকেই এখন শিরিনের আন্তরিকতা ও বরিশালবাসীর জন্য ভালবাসার প্রমাণ পেয়ে তার ভক্ত হয়ে উঠেছেন। তবে এরমধ্যে আগে থেকেই অনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত প্রমাণিত এমন কাউকে কাউকে শিরিনের পাশে ঘনিষ্ঠ হওয়া নিয়েও চলছে বিতর্ক। পুনরায় এদের কারণে উন্নয়ন সুবিধা বঞ্চিত হবার ভয় নগরবাসীর। তারউপর তার চারপাশে অসংখ্য তোষামোদকারী। যাদের কারণে সাধারণ মানুষ তার কাছে ঘেঁষার সুযোগও বঞ্চিত হবার শংকা। আবার তার বিরুদ্ধে এ অভিযোগও রয়েছে যে মুখচেনা সাংবাদিকদের প্রাধান্য দেন তিনি, যারা সবসময় সুবিধাভোগী সব সরকারের সময়ে।</div>
<div dir="auto">বিএনপির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আইনজীবী বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন ৫ জুলাই পরবর্তী সময়ে ভুল তথ্য ও নিউজের কারণে দল থেকে বহিষ্কার হন এবং দীর্ঘ সময়  অনেকটা কোনঠাসা  অবস্থায় ছিলেন। অথচ ছাত্র রাজনীতি থেকে বিএনপির একজন সক্রিয় কর্মী তিনি। বরিশালের ব্রাউন কম্পাউন্ডে তার শৈশব কৈশোর ও যৌবনের যাত্রা। বরিশালের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতেই গড়ে উঠেছে তার রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত জীবন। ছাত্রজীবনে তাঁর রাজনীতির হাতেখড়ি ঘটে ছাত্রদলের মাধ্যমে। ১৯৮৭ সালে বিএম কলেজ ছাত্র সংসদ নির্বাচনে ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদক নির্বাচিত হন তিনি। তিন বছর পর এজিএস পদেও নির্বাচিত হন।</div>
<div dir="auto">এরপর ধীরে ধীরে ছাত্র রাজনীতি থেকে জেলা পর্যায়ের রাজনীতিতে উঠে আসেন শিরিন । ১৯৯১ সালে বরিশাল জেলা ছাত্রদলের সহসভাপতি এবং ১৯৯৬ সালে জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। পরে ২০০১ সালে তিনি সংরক্ষিত নারী আসনে বরিশালের সংসদ সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০০৮ থেকে ২০২৪ বাংলাদেশের জন্য পুরো সময়টা যেন থমকে ছিলো। বড় বড় প্রকল্পের কাজ হচ্ছিল।  উন্নয়নও খুব একটা কম হয়নি তারপরও স্বৈরাচার পদ্ধতি ও মানহীন উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল বাংলাদেশের আপামর সাধারণ মানুষ। বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী তখন রীতিমতো আন্ডারগ্রাউন্ডে নয়তো জেল হাজতে। এমন ভয়ংকর মূহুর্তেও শিরিনসহ বেশকিছু উল্লেখযোগ্য নেতৃত্ব বিএনপিকে সচল রেখেছিল। ৫ জুলাই ২০২৪ এর ছাত্র জনতার গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ ও তাদের গঠিত সরকার পালিয়ে যায়। প্রাণ ফিরে আসে বাংলায়। আর এরকম একটি আনন্দ মূহুর্তে নিজ বাড়ির সামনের একটি পুকুর ভরাটের অভিযোগ নিয়ে সংবাদ শিরোনাম হন বিলকিস জাহান শিরিন। ঐসময় খোদ পরিবেশ দপ্তরের কর্মকর্তা এসে সাক্ষ্য দেন, এর সাথে কোথাও তার সম্পৃক্ততা ছিলনা। তবুও দল থেকে বহিষ্কার হতে হয় তাকে এবং দলীয় নেতা তারেক রহমান দেশে ফেরার পর তার বহিষ্কার আদেশ বাতিল করা হয়। ১২ জানুয়ারি নির্বাচনে বিএনপির জয়লাভ। এর আগে দুটি বছর প্রশাসক নির্ভর বরিশাল সিটি করপোরেশনের বেহাল অবস্থা তৈরি হয়। তারও আগে ২০০৮ থেকে ২০১৩ সময়টা ছিলো বরিশাল সিটি করপোরেশনের স্বর্ণযুগ। ঐ সময় নগরীর উন্নয়ন অগ্রযাত্রার স্বপ্ন তৈরি হয়। বরিশাল বাসীর দাবী, ঐ সময় শওকত হোসেন হিরন মেয়র ছিলেন। আওয়ামী লীগের নেতারাই তাকে অসহযোগিতা করে আটকে দিত, তানা হলে তিনি  বরিশালের জন্য যেসব পদক্ষেপ নিয়েছিলেন আজ তার সবটাই আমরা খুঁজে পাচ্ছি শিরিনের কাজে। নগরীর একজন প্রবীণ বাসিন্দা হেমায়েত উদ্দিন শরীফ বলেন, ২০১৮ সাল থেকে বরিশাল সিটি করপোরেশন বন্ধাত্ব রোগে আক্রান্ত ছিলো মানসিক ভারসাম্যহীন মেয়র নিয়ে। নগরীর পরিচ্ছন্ন ব্যবস্থা থেকে শুরু করে গৃহ নির্মাণ, প্ল্যান পাস, উন্নয়ন ব্যবস্থা সবকিছু আটকে যায় বরিশালের। এমনকি স্থানীয় সরকারের সহযোগিতা পর্যন্ত বন্ধ হয়ে যায়। এরপর আসেন আরেকজন ঘাটের মরা। সবই নিজেরা নিজেরা, বাপ, চাচা, ভাইপোদের রাজত্বে বরিশাল অর্ধমৃত হয়েছে। জুলাই বিপ্লবের পর বিভাগীয় কমিশনারগণ প্রশাসক হয়ে দুটি বছর শুধু খাল পুনরুদ্ধারের নামে হরিলুটের সঙ্গী হয়েছেন বলে জানান এই প্রবীণ নাগরিক।</div>
<div dir="auto">এরপর এই সমস্যার শহরেই নতুন প্রশাসকের দায়িত্ব পেলেন আইনজীবী বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন। তিনি বিএনপির বরিশাল বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্বে রয়েছেন। মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে জারি হওয়া প্রজ্ঞাপনে তাকে বরিশাল সিটি করপোরেশনের পূর্ণকালীন প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।</div>
<div dir="auto">১৪ মার্চ দায়িত্ব গ্রহনের পর তার এই যাত্রা শুরু হয়েছে। দায়িত্ব গ্রহন করেই তিনি বলেছেন, শাসক হিসেবে না জনগনের সেবক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবো।</div>
<div dir="auto">এই সময় তিনি কার্যত মেয়রের ক্ষমতা প্রয়োগ করে নগরের প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। কিন্তু এই দায়িত্ব কেবল একটি পদ নয়, বরিশালের জন্য এটি যেন নতুন প্রত্যাশার দরজা খুলে দিয়েছে । কারণ শিরিন বরিশালের নিজের মেয়ে।</div>
<div dir="auto">বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার মোস্তাফিজুর রহমান বরিশাল অডিটরিয়ামে তার দায়িত্বভার সদ্য ঘোষিত প্রশাসক শিরিনের কাছে হস্তান্তর করেন। তার আগে অডিটরিয়াম লাগোয়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে তাকে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা দেয়া হয়।</div>
<div dir="auto">এসময় বরিশালের সমস্যা শোনেন শিরিন। নগরবাসীর মুখে সবচেয়ে বেশি যে অভিযোগ শোনা যায়, তার প্রথমেই আসে সুপেয় পানির সংকট। শহরের বহু এলাকায় এখনো নিয়মিত পানির সরবরাহ নেই। অনেক পরিবারকে নির্ভর করতে হয় গভীর নলকূপ কিংবা বিকল্প ব্যবস্থার ওপর।</div>
<div dir="auto">বর্ধিত এলাকায় পানির সংযোগ নেই। তবুও বাড়ির প্লানের জন্য মালিকদেরকে প্রতিমাসে পানির বিল দিতে হচ্ছে। অনেক এলাকায় এখনো সাঁকো রয়েছে।</div>
<div dir="auto">দ্বিতীয় বড় সমস্যা জলাবদ্ধতা। বর্ষাকালে কিংবা ভারী বৃষ্টির পর শহরের বহু এলাকা দীর্ঘ সময় পানির নিচে থাকে। অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও ভরাট হওয়া খালগুলোকেই এর জন্য দায়ী করেন নগর পরিকল্পনাবিদরা। বর্ষার সময় বর্ধিত এলাকার অধিকাংশ রাস্তা পানির নীচে চলে যায়। তাই রাস্তা পারাপারের জন্য তখন এলাকাবাসী নিজ খরচে বাঁশের সাঁকো তৈরী করে যাতায়াত করেন।</div>
<div dir="auto">এই দুয়ের সঙ্গে শহরের প্রাণকেন্দ্রে যুক্ত হয়েছে যানজটের সমস্যা। নগরের প্রধান সড়কগুলোতে যানবাহনের চাপ বাড়লেও সেই অনুযায়ী ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তন আসেনি। অনেক এলাকায় সড়কের অবস্থা নিয়েও অভিযোগ রয়েছে। অনেক এলাকার ফুটপথ রয়েছে অবৈধ দখলদারদের নিয়ন্ত্রনে।</div>
<div dir="auto">পরিচ্ছন্নতা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনাও নগরীর  আরেকটি বড় চ্যালেঞ্জ। দ্রুত বর্ধনশীল এই শহরে প্রতিদিন উৎপন্ন হওয়া বিপুল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সিটি করপোরেশনের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য কোন ব্যবস্থা নেই। শহরের ৫ নম্বর ওয়ার্ডে বর্জ্য ফেলার কারনে অন্তত ৫০০ পরিবার স্বাস্থ্য ঝুঁকির মধ্যে বসবাস করছেন। তাদের স্বজনরা খোঁজ রাখেন না তাদের। এমনকি সামাজিক ভাবেও তারা অনেকটা সমাজচ্যুত।</div>
<div dir="auto">এই বাস্তবতার মাঝেই দায়িত্ব নিয়ে প্রথমেই শিরিন ছুটে যান ৫ নম্বর ওয়ার্ডে বর্জ্য ফেলার স্থানে। নিজ চোখে দেখেন সেখানকার অবস্থা,  কথা বলেন বাসিন্দাদের সাথে। এবার শুরু হয় তার পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি।</div>
<div dir="auto">শিরিন বলেন, বরিশালকে একটি পরিকল্পিত, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগরে রূপ দিতে ধাপে ধাপে কাজ শুরু করা হবে। তাঁর মতে, নাগরিক সমস্যাগুলোর সমাধানে সমন্বিত উদ্যোগই সবচেয়ে জরুরি।</div>
<div dir="auto">তিনি বলেন, সুপেয় পানির সংকট দূর করতে নতুন পানির উৎস খোঁজা ও বিদ্যমান সরবরাহ ব্যবস্থা সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হবে। জলাবদ্ধতা কমাতে ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং খাল পুনরুদ্ধারের বিষয়েও কাজ করার পরিকল্পনার কথা বলেন তিনি।</div>
<div dir="auto">যানজট কমাতে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় সমন্বয়, গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোর সংস্কার এবং নগরের ভেতরে চলাচলের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার উদ্যোগের কথাও উল্লেখ করেন বিলকিস জাহান শিরিন ।</div>
<div dir="auto">পরিচ্ছন্ন শহর গড়তে বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে আধুনিক করার বিষয়েও গুরুত্ব দিচ্ছেন নতুন প্রশাসক। যে কারণে ইতিমধ্যেই তিনি ফরিদপুরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পরিদর্শন করেন এবং ঢাকায় এ বিষয়ে আয়োজিত কর্মশালায় অংশ নিয়েছেন।  তার ভাষায়, বরিশালকে শুধু সুন্দর শহর নয়, বাসযোগ্য শহর হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। নাগরিক সমস্যাগুলোকে গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।’</div>
<div dir="auto">এই মুহূর্তে ঢাকায়  বরিশালের উন্নয়ন ভাবনা নিয়ে ছুটে বেড়াচ্ছেন বিলকিস জাহান শিরিন। তিনি স্থানীয় সরকার, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়সহ সিটি করপোরেশনের প্রয়োজনীয় ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সাথে কথা বলে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নিতে সচেষ্ট বলে জানা গেছে।</div>
</div>
</div>
</div>
<div id="m#msg-a:r5808767624647342800-footer" class="mail-message-footer spacer collapsible"></div>
</div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a6%be-%e0%a6%8f%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%bf/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>প্রেসক্লাব হতে হবে একটা, তা না হলে আমাকে ডাকবেন না : তথ্যমন্ত্রী</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b8%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ac-%e0%a6%b9%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%b9%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%9f%e0%a6%be-%e0%a6%a4/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b8%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ac-%e0%a6%b9%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%b9%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%9f%e0%a6%be-%e0%a6%a4/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[সাহিত্য বাজার]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 24 Mar 2026 11:55:20 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[বরিশাল বিভাগ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://shahittabazar.com/?p=5937</guid>

					<description><![CDATA[<p>প্রেসক্লাব হতে হবে একটা, তা না হলে আমাকে ডাকবেন না : তথ্যমন্ত্রী</p> <p>বিশেষ প্রতিবেদক</p> <p>কিছু লোকের অপকর্মের কারণে সাংবাদিকতার মতো মহান পেশা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। আপনাদের প্রেসক্লাব হতে হবে একটা, তা</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b8%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ac-%e0%a6%b9%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%b9%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%9f%e0%a6%be-%e0%a6%a4/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>প্রেসক্লাব হতে হবে একটা, তা না হলে আমাকে ডাকবেন না : তথ্যমন্ত্রী</strong></p>
<p><strong>বিশেষ প্রতিবেদক</strong></p>
<div id="attachment_5938" style="width: 310px" class="wp-caption alignleft"><a href="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2026/03/IMG_20260324_175011.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-5938" class="size-medium wp-image-5938" src="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2026/03/IMG_20260324_175011-300x174.jpg" alt="" width="300" height="174" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2026/03/IMG_20260324_175011-300x174.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2026/03/IMG_20260324_175011-70x40.jpg 70w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2026/03/IMG_20260324_175011.jpg 657w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a><p id="caption-attachment-5938" class="wp-caption-text">বক্তব্য রাখছেন তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন </p></div>
<p><span style="font-weight: 300;">কিছু লোকের অপকর্মের কারণে সাংবাদিকতার মতো মহান পেশা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। আপনাদের প্রেসক্লাব হতে হবে একটা, তা না হলে আমাকে ডাকবেন না বলে স্পষ্ট সাংবাদিকদের বিভক্তি দূর করার আহ্বান জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি বলেছেন, এ কারণে অনেকে বিরক্ত হয়ে সাংবাদিক পরিচয় দিতে লজ্জা পান বলেও আমাকে জানিয়েছেন।</span></p>
<p>গত রোববার (২২ মার্চ) বরিশালের আগৈলঝাড়া প্রেসক্লাবের ঈদ পুনর্মিলনী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জহির উদ্দিন স্বপন গৌরনদী আগৈলঝারা এলাকার সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেন। এসময় তিনি বলেন, আগৈলঝাড়ায় যারা সাংবাদিক পরিচয় দেন, সেই পরিচয় সম্পর্কে যদি কোনো তর্ক থাকে, কথা থাকে বা বিতর্ক থাকে সেটি নির্ধারণ করবেন আপনারা সাংবাদিকরাই। আমাদের নির্ধারণ করার কোনো দরকার নেই। কে ছোট সাংবাদিক, কে বড় সাংবাদিক, কে লেখাপড়া জানে, কে জানে না—এগুলো আমাদের দেখার দরকার নেই, কারণ আমরা পাঠক। যারা প্রেসক্লাবের নেতৃত্ব দেবেন তারা একটা টিম করে বলবেন। আপনারা যাকে ভালো বলবেন সে ভালো, আর যাকে বলবেন সাংবাদিকতার নামে ব্ল্যাকমেইল করে, তার বিষয়টি আমরা ওইভাবে দেখবো।<br />
তথ্যমন্ত্রী আরো বলেন, আগৈলঝাড়াতে যতগুলো সাংবাদিক সংগঠন রয়েছে, সেগুলোতে যে কেউ তার খুশিমতো যুক্ত হতে পারেন, কিন্তু প্রেসক্লাব হতে হবে একটা। আজকের পরে যদি প্রেসক্লাব একটা থাকে তাহলে আসবো, আর না থাকলে আমাকে ডাকবেন না, আমি চা খেতেও আসব না।<br />
মন্ত্রী বলেন, বিজ্ঞ পেশায় থেকে গণমাধ্যমের কর্মী বা সাংবাদিক হিসেবে প্রতিদিন আপনার পাঠকদের যেভাবে সংবাদ পরিবেশন করেন, তাতে আপনারা ঐক্যবদ্ধভাবে একটা ক্লাব করতে পারবেন না কেন?<br />
‘সাংবাদিকতার মতো পেশাগুলোতে থেকে কেউ বিত্তবান হয় না। এ ধরনের পেশাকে পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে রাখতে হয়। সেটা সারা দুনিয়াতেই তাই। বড় বড় শিল্পী, বড় বড় গায়ক কিংবা বড় বড় লেখকরা লিখে ততটা বিত্তবান হয় না, সারাজীবনই দেখা যায়, রাষ্ট্র, রাজ্য, রাজা, সমাজ তাদের পৃষ্ঠপোষকতা দেয়। কারণ এটা একটা প্রতিভা, এটা কায়িক পরিশ্রমের কাজ না যে শরীরে বল আছে করলাম। এতে এক ধরনের মেধা ও যোগ্যতা লাগে। কিন্তু এখানে তারা যদি তাদের পরিচয়ের সংকট থেকে উদ্ধার পেতে না পারে, তাহলে রাষ্ট্র ও সমাজ তো বিব্রত হয়ে যায়।’<br />
তথ্যমন্ত্রী বলেন, সাংবাদিকতার মতো মহান পেশা কতিপয় লোকের কারণে খুব বিতর্কিত হয়ে পড়েছে। অনেকে বিরক্ত হয়ে সাংবাদিক পরিচয় দিতে লজ্জা পান বলেও আমাকে জানিয়েছেন। তখন তাদের আমি সান্ত্বনা দেওয়ার জন্য বলি, আমি যে রাজনীতিবিদ এই পরিচয় দিতেও লজ্জা পাই। কারণ রাজনীতির নামে যা হচ্ছে তাও পরিচয় দেওয়ার মতো না। ফলে সাংবাদিকরা সাবধান, রাজনীতিবিদরা কিন্তু সাবধান হয়েছে। বিশেষ করে গত ৫ আগস্টের পরে রাজনীতিবিদরা টের পেয়ে গেছে। এখন অপসাংবাদিকতা যারা করে তাদেরও টের পাওয়ার একটা প্রক্রিয়া তৈরি করতে হবে, যাতে সৎ সাংবাদিকরা বাঁচে। যাতে সৎ সাংবাদিকদের যেন কেউ ব্ল্যাকমেইলার না বলে। ভাগ্য ভালো সবার সাথে আমার একটা সম্পর্ক থাকায় তাদের পরামর্শ নিয়ে আমি সাংবাদিকতাকে সম্মানজনক অবস্থানে নিতে চাই। আশা করি খুব দ্রুত মহান সাংবাদিকতা পেশাকে দ্রুত সম্মানজনক কাঠামোতে দাঁড় করাতে পারব এবং এর জন্য সংবাদপত্র মালিক, সাংবাদিকসহ সরকার তিন পক্ষ মিলে বৈঠকের মধ্য দিয়ে প্রক্রিয়া বের করবো।<br />
এসময় তিনি পতিত স্বৈরাচার শেখ হাসিনার পরিণতি স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, দেশের প্রধানমন্ত্রীকে যদি জবাবদিহিতার মধ্যে থাকতে হয়, তাহলে গণমাধ্যমে যারা কাজ করেন তাদেরও জবাবদিহিতার মধ্যে থাকতে হবে। রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী হলে যখন যা খুশি তাই করা যায় না, তার প্রমাণ তো শেখ হাসিনা। তেমনি কোনো গণমাধ্যম, কোনো সাংবাদিক বা কোনো সংবাদপত্রের অ্যাক্রেডিটেশন কার্ড থাকলেই কিন্তু যা তা করা যাবে না।<br />
বরিশালের আগৈলঝাড়া প্রেসক্লাবের উদ্যোগে প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এফএম নাজমুল রিপনের সঞ্চালনায় এবং সভাপতি শামীমুল ইসলাম শামীমের সভাপতিত্বে ঈদ পুনর্মিলনী সভায় আরো বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এম এম বাদশাহ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লিখন বণিক, উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক শিকদার হাফিজুল ইসলাম, সদস্যসচিব মোল্লা বশির আহাম্মেদ পান্না, আগৈলঝাড়া প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি সর্দার হারুন রানা, মো. সাইফুল ইসলাম, সহ-সভাপতি মো. মাসুম হাওলাদার প্রমুখ।<br />
পরে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন উপজেলা পরিষদ হলরুমে সব শ্রেণি-পেশার লোকজনের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b8%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ac-%e0%a6%b9%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%b9%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%9f%e0%a6%be-%e0%a6%a4/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>চরকাউয়া খেয়াঘাট ইজারা দেওয়ার ষড়যন্ত্র: সাধারণ মানুষের ক্ষতি করে রাজস্ব খুঁজছে প্রশাসন</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%9a%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%89%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be-%e0%a6%96%e0%a7%87%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%98%e0%a6%be%e0%a6%9f-%e0%a6%87%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%9a%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%89%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be-%e0%a6%96%e0%a7%87%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%98%e0%a6%be%e0%a6%9f-%e0%a6%87%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আরিফ আহমেদ]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 14 Dec 2025 09:05:59 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[বরিশাল বিভাগ]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলার চিঠি]]></category>
		<category><![CDATA[ইজারাদার]]></category>
		<category><![CDATA[প্রশাসন]]></category>
		<category><![CDATA[বাজার]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://shahittabazar.com/?p=5866</guid>

					<description><![CDATA[<p>চরকাউয়া খেয়াঘাট ইজারা দেওয়ার ষড়যন্ত্র: সাধারণ মানুষের ক্ষতি করে রাজস্ব খুঁজছে প্রশাসন</p> <p>,বিশেষ প্রতিবেদক</p> <p>এই মুহূর্তে বরিশালের চরকাউয়া খেয়াঘাট ইজারা দেওয়ার পায়তারা বন্ধের আন্দোলন করছে ছাত্র জনতা। তাদের নেতৃত্ব দিচ্ছেন</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%9a%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%89%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be-%e0%a6%96%e0%a7%87%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%98%e0%a6%be%e0%a6%9f-%e0%a6%87%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>চরকাউয়া খেয়াঘাট ইজারা দেওয়ার ষড়যন্ত্র: সাধারণ মানুষের ক্ষতি করে রাজস্ব খুঁজছে প্রশাসন</strong></p>
<p>,<strong>বিশেষ প্রতিবেদক</strong></p>
<p><a href="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/12/IMG_20251214_150847.png"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-5868" src="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/12/IMG_20251214_150847-300x195.png" alt="" width="300" height="195" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/12/IMG_20251214_150847-300x195.png 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/12/IMG_20251214_150847-1024x666.png 1024w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/12/IMG_20251214_150847-768x500.png 768w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/12/IMG_20251214_150847.png 1136w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>এই মুহূর্তে বরিশালের চরকাউয়া খেয়াঘাট ইজারা দেওয়ার পায়তারা বন্ধের আন্দোলন করছে ছাত্র জনতা। তাদের নেতৃত্ব দিচ্ছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আবু নাসের মোঃ রহমতুল্লাহ। ইজারা মুক্ত টোল ফ্রি এই খেয়াঘাট সহ বরিশাল জেলাধীন সবকটি খেয়াঘাট ইজারা মুক্ত করার দাবী বরিশালবাসীর। কেননা এই ইজারাকে কেন্দ্র করে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড দিনকে দিন বাড়ছে। এমনকি এ নিয়ে হত্যার মত ঘটনাও ঘটছে বলে অভিযোগ আন্দোলনকারীদের। প্রতিবছর এই ইাজারা যুদ্ধে ঘাটের দাম বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রাণহানি, ভাড়া বৃদ্ধি ও সাধারণ মানুষের উপর হয়রানি ও জুলুম বাড়ছে বলে জানান তারা।<br />
তাদের অভিযোগ, প্রয়াত মেয়র শওকত হোসেন হিরন এর সময়ে চরকাউয়া খেয়াঘাট টোল ফ্রি ও ইজারা মুক্ত করা হয়। এরপর তিনি বরিশালের আরো চারটি খেয়াঘাট টোল ফ্রি করার ঘোষণা দেন। যদিও পরবর্তীতে জেলা পরিষদ তা এড়িয়ে যায় ও ইজারা পুনর্বহাল করে। তানা হলে তালতলি, দপদপিয়া ও মীরগঞ্জ খেয়াঘাটও এখন টোল ফ্রি হতো বলে জানান বাবুগঞ্জ ও সদর উপজেলার বাসিন্দারা।<br />
এদিকে চরকাউয়া খেয়াঘাট ইজারা বন্ধের দাবীতে ঐক্যবদ্ধ বরিশালের ছাত্র জনতা ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ। তারা বলেন, বিআইডব্লিউটিএর পোর্ট রোড বাজার অংশ চলতি অর্থবছরে চার কোটি টাকায় ইজারা দেওয়া হয়েছে। এতে করে কর্তৃপক্ষের লোভ বেড়ে গেছে এবং তারা চরকাউয়া খেয়াঘাট ইজারা দিতে বিভিন্ন অযুহাত খুঁজছে। এ নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্র চলছে এবং ইজারার নামে নতুন করে সাধারণ মানুষকে হয়রানির এই চক্রান্ত বন্ধ করার আন্দোলনকারীদের।<br />
এ বিষয়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আবু নাসের মুহাম্মদ রহমতুল্লাহ বলেন, ইজারা মানেই হচ্ছে জনদূর্ভোগ সৃষ্টি করা। দূর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ থাকলে তা দূর করা বা সিণ্ডিকেট ভেঙে দেওয়ার দায়িত্ব প্রশাসনের। প্রশাসন তা না করে ইজারা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে যা অবশ্যই উদ্দেশ্যমূলক এবং ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সাথে আঁতাতের গন্ধ এখানে রয়েছে।<br />
রহমতউল্লাহ বলেন, আমরা উন্নয়নের পক্ষে। বেকারত্ব দূরীকরণের পক্ষে। বরিশালে সবরকম ইজারা প্রথা বাতিল করে সরাসরি সরকারের নিয়ন্ত্রণ বা বিকল্প উন্নয়ন ও রাজস্ব আদায় কৌশল গ্রহণের দাবী আমাদের। এতে করে সরকারি ভাবেই আউটসোর্সিং লোকবল নিয়োগ হতে পারে বলে জানান তিনি।<br />
চরকাউয়া খেয়াঘাটের কয়েকজন ঘাট শ্রমিক বা ট্রলার চালকের সাথে কথা বলে জানা যায়, একটি দল এটি ইজারা দিতে প্রশাসনকে উষ্কে দিয়ে ফায়দা লুটতে চায়। ঘাট সিন্ডিকেট ও বিভিন্ন অনিয়ম-দূর্নীতির অভিযোগ তুলে তারা প্রশাসনকে উষ্কে দিচ্ছে। নতুন ট্রলার ঘাটে যুক্ত করতে এসে পুরাতনদের বাধার মুখে পরে তারা। ফলে এখানে সিন্ডিকেট রয়েছে এই অভিযোগে নৌ উপদেষ্টা সাখাওয়াতকে দিয়ে এই ইজারা মুক্ত খেয়াঘাট পুনরায় ইজারা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানান চরকাউয়া খেয়াঘাটের একাধিক মাঝি বা শ্রমিক।<br />
এদিকে সাধারণ মানুষের দাবি, প্রতিবছর হাট-বাজার ও খেয়াঘাটের ইজারা যে হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে তা অচিরেই ভয়ংকর রূপ ধারণ করবে। উদাহরণ হিসেবে তারা বলেন, সম্প্রতি বরিশাল পোর্ট রোড বাজার ও দপদপিয়া পুরাতন খেয়াঘাট ইজারা দেওয়া হয়েছে কোটি টাকার উপরে। আবার লঞ্চঘাটের ইজারা হয়েছে ১ কোটি ২০ লাখ টাকা। বিআইডব্লিউটিএর প্রশাসন এগুলো করছে শুধু তাদের আয় বা রাজস্ব বৃদ্ধির দোহাই দিয়ে। এরফল ভোগ করতে হচ্ছে সাধারণ মানুষ ও যাত্রীদের। অন্যদিকে গ্রামের একটি ছোট বাজারের ইজারা হয়েছে দেড় লাখ টাকা আবার ফেরীঘাট, ব্রীজ ও সেতুর ইজারা ২০ থেকে ৫০ কোটি ছাড়িয়ে যাচ্ছে বলে জানান তারা।<br />
শুধুমাত্র বরিশাল সিটি করপোরেশন এলাকার ১৭টি বাজারের ১৪টির ইজারা হয়েছে এরকম কোটি টাকার কাছাকাছি দরে। এতোদিন এগুলো আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের দখলে থাকলেও এখন তা চলে এসেছে শক্তিশালী পক্ষের কাছে। কেউ পুরাতন ইজারাদারের সাথে চুক্তিভুক্ত হয়ে কাজ করছেন, আবার কেউ নিজেই দখল করে নিয়েছেন পুরো ইজারা প্রক্রিয়া। মাঝখানে ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ গুনছেন বাড়তি টাকা। রাজস্ব ও উপার্জন বৃদ্ধির প্রলোভনে পরে সরকার যেমন এটাকে সমর্থন দিচ্ছেন তেমনি রাজনৈতিক দলগুলো দিচ্ছেন বাহবা। কেননা যেখানে যা-ই ইজারা হোক পাচ্ছেতো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের লোকেরাই।<br />
৯০ দশকে ১৪-১৬ হাজার টাকার বাজার বা ঘাট, কিম্বা ব্রীজের টোলঘর রাতারাতি কোটি টাকার ঘর অতিক্রম করেছে ২০১৩ সালে এসে। এতে সরকারের রাজস্ব বেড়েছে বলে দাবী প্রশাসনের। যদিও খোঁজ নিয়ে জানা গেছে বেশিরভাগ ইজারা লোকসানে বা বাকীতে থাকায় ভর্তুকী গুনতে হচ্ছে সরকারকে। অন্যদিকে এই দর বৃদ্ধির প্রভাবে রাতারাতি ৫ টাকার খেয়াভাড়া ১০ বা ১৫ টাকা বেশি গুনতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। আবার পোর্ট রোড বাজারে ১০০ টাকার বদলে ২০০ টাকা গুনতে হচ্ছে ব্যবসায়ীদের। যা নিয়ে বিন্দুমাত্র আগ্রহ নেই প্রশাসন বা রাজনৈতিক দলগুলোর কারোই। আবার অনেক স্থানে বাতিল করে দেয়া ব্রীজ ও খেয়াঘাটের নতুন করে ইজারা দেওয়ার অভিযোগ সড়ক বিভাগ ও স্থানীয় সরকার বিভাগের বিরুদ্ধে। আর এই ইজারাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব সংঘাত লেগেই আছে।<br />
সরেজমিনে বরিশালের ইজারা পরিস্থিতি যাচাই করতে এসে উঠে এলো এমন অসংখ্য ভয়াবহ চিত্র। ৫ আগস্টে ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা বাজার মনিটরিং এ এসে বরিশালের প্রায় প্রতিটি বাজারে নির্দিষ্ট খাজনা চার্ট ঝুলিয়ে রশীদ দিয়ে খাজনা আদায়ের নির্দেশনা দিয়ে যায়। কিন্তু সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন বাজার ঘুরে কোথাও কোনো সিটি চার্ট খুঁজে পাওয়া যায়নি। প্রথম কয়েকদিন বাজারসহ বিভিন্ন টোলপ্লাজা ও ফেরীঘাটে সহনীয় অবস্থা বিরাজ করলেও এখন সবখানে পূর্বের আগ্রাসন ও হয়রানির চিত্র। জানা গেছে, ইসলামি দলগুলো বাদে প্রায় সব রাজনৈতিক দলের নেতারাই এখন এই ইজারা সুবিধায় লাভবান হচ্ছেন। এমনকি এনসিপি ও বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের নেতারাও রয়েছেন এ তালিকায়। সাধারণ মানুষের দাবী এই ইজারা প্রথা বাতিল করে সহনীয় কিছু করা হোক। সরাসরি সরকারের নিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থা হতে পারে।<br />
এ ক্ষেত্রে ১৫/২০ বছরের বেশি বয়সের খেয়াঘাট, বাজার ও ব্রীজগুলো ইজারা মুক্ত ঘোষণার দাবী তাদের। যদিও প্রশাসন বলছে, তাহলে স্থানীয় সরকার, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশনের আয়ের পথ বন্ধ হবে। এগুলো চলবে কি করে?<br />
এক্ষেত্রে সাধারণ মানুষ ও সচেতন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের বক্তব্য হচ্ছে, এজন্য নিয়মিত বাসাবাড়ি ও ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান সরকারকে খাজনা বা ট্যাক্স দিচ্ছে। ইজারা প্রথা যতনা উপকার করছে, তারচেয়ে ক্ষতি করছে কয়েকগুণ বেশি বলে জানালেন বরিশালের কয়েকটি গ্রামের ইউনিয়ন পরিষদ সদসরাও। উদাহরণ হিসেবে তারা সদর উপজেলার চাঁদপুরা ইউনিয়নের তালুকদার হাট বাজারটি ঘুরে দেখার প্রস্তাব করেন। বলেন, ১ লাখ ৪০ হাজার টাকায় ইজারা দেওয়ার পর বাজারের অংশে আশ্রায়ন প্রকল্পের ঘর নির্মাণ করেছে উপজেলা পরিষদের কর্মকর্তারা। এখন ব্যাক্তিগত স্থানে বাজার বসে সেখানে।<br />
এসময় রূপাতলী বাস টার্মিনাল এলাকা থেকে আসা মেহেন্দিগঞ্জের গাড়ি চালক আলী ও তার যাত্রীরা জানান, ঝালকাঠির কাঠালিয়া সেতুটি টোল মুক্ত ছিলো বিগত সরকারের সময়ও। এখন সেখানে হঠাৎ করে টোলঘর নির্মাণ হয়েছে। এই মাত্র ১২০ টাকা টোল দিয়ে এলাম। আবার পথে মীরগঞ্জ ফেরীতে যানবাহন পারাপারের রশীদ দেওয়া হচ্ছে রিজার্ভ রশীদ। প্রতিবাদ করলে মারমুখী আচরণ করছে ইজারাদারের লোক। এখানে মীরগঞ্জ ও তালতলী খেয়াঘাট নিয়ে টোল ফ্রি আন্দোলন করছেন চরমোনাইবাসী ও ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ।<br />
বরিশাল সিটি করপোরেশনের তথ্যমতে, নগরীর ৩০টি ওয়ার্ডে ১৭টি হাট-বাজার রয়েছে। এর মধ্যে ১৪টি হাট-বাজারের ইজারা রয়েছে। সরকার পতনের পর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থী ও জনতা সিটি করপোরেশনের সঙ্গে বৈঠক করে নগরীর নতুন বাজার, বাংলা বাজার ও সাগরদি বাজারের ইজারা মুক্ত করেন। ফলে এই তিন বাজারের ব্যবসায়ীদের কোনো ইজারদারকে চাঁদা বা খাজনা দিতে হয় না এখন। তারপরও বাজার তিনটিতেই পোর্ট রোড বাজারের তুলনায় সব পণ্যের দাম বেশি রাখা হয় বলে একাধিক অভিযোগ ক্রেতাদের। কিন্তু যেসব বাজারের ইজারা এখনো চলমান রয়েছে তারমধ্যে চৌমাথা ও পোর্ট রোড অন্যতম। এ দুটি বাজারে কোথাও কোনো ইজারাকৃত মূল্য তালিকার সিটি চার্ট দেখা যায়নি। ফলে নিজেদের ইচ্ছেমতো মূল্য নিচ্ছেন ইজারাদাররা। প্রতারিত হচ্ছেন সাধারণ ব্যবসায়ীরা। আর বাড়তি মূল্যের চাপ পড়ছে ক্রেতাদের ওপর।<br />
ব্যবসায়ীরা জানান, টোকেন (রশিদ) ছাড়াই খাজনা উত্তোলন করেন ইজারাদাররা। ২০ থেকে ২৫ বছর ধরে এই বাজারে কোনো সিটি চার্ট নেই। ফলে যতখুশি তত টাকা নেন ইজারাদাররা। রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা অসংখ্য ভাসমান ভ্যান ব্যবসায়ী থেকে ৫০/১০০ করে টাকা নেওয়া হয়। আর ব্যবসায়ীরা জানেন না, তারা জমির খাজনা বেশি দিচ্ছেন না কম দিচ্ছেন।<br />
মুরগি ব্যবসায়ী সৈকত মির্জা বলেন, চৌমাথা বাজার জমে ওঠার পর থেকে এখন পর্যন্ত সিটি চার্ট দেখিনি। ফলে অতিরিক্ত টাকা নিচ্ছেন ইজারাদাররা।<br />
পোর্ট রোড বাজারের ব্যবসায়ী জহির বলেন, ২৫ থেকে ৩০ বছর ব্যবসা করছি। কিন্তু কখনো সিটি চার্ট দেখানো হয়নি আমাদের। যেটি প্রতিটি বাজারে সিটি করপোরেশনের লোকদের টানিয়ে দেওয়ার কথা।<br />
পোর্ট রোড বাজারের সবজি বিক্রেতা জয়নাল, মাছ ব্যবসায়ী জহির ও আলমাসসহ ব্যবসায়ীরা বলেন, পোর্ট রোড বাজার দুইভাগে বিভক্ত। একাংশ বিআইডব্লিউটিএর বাকী অংশ সিটি করপোরেশনের। ২০০৯ সালের এটি যখন প্রথম ইজারা হয় তখন মাত্র ৮/১০ হাজার টাকায় দরপত্র হয়। এরপর ইজারাদারদের মধ্যে প্রতিযোগিতা থেকে প্রতিবছরই ইজারার মূল্য বাড়তে থাকে। সাবেক মেয়র শওকত হোসেন হীরণ তাই রাগ করে সব ইজারা বাতিল বলে ঘোষণা দিয়েছিলেন। এমনকি সিটি করপোরেশনের বাইরের তালতলী ও মিরগঞ্জ খেয়াঘাটের ইজারাও তুলে নেওয়ার প্রস্তাব ছিলো তার।<br />
মেয়র হীরন মারা যাওয়ার পরপরই চরকাউয়া খেয়াঘাট ছাড়া সব আবার ইজারা দেওয়া হয়েছে বলে জানালেন তারা।<br />
মাছ ব্যবসায়ী ও স্থানীয়রা আরো জানান, সরকারি মৎস্য আহরোণ কেন্দ্র ছিলো, সেটিকে ষড়যন্ত্র করে বন্ধ করা হয়েছে। সেটি চলমান থাকলে এখনকার এই ইজারাদার দৌরাত্ম্য বন্ধ হয়ে যেত। ১ কোটি ৬০ লাখ টাকা এই বাজারের ইজারা হয়েছে। খান হাবীবের স্ত্রীর নামে এখন এই বাজারের ইজারা চলছে। বিএনপি ও খান হাবীবের লোকেরা মিলেমিশে এই বাজার চালাচ্ছে বলে জানান তারা।<br />
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ১৯৮৫-৮৬ সালে বরিশালের বান্দরোডে কীর্তনখোলা নদীর তীরে ১ দশমিক ২৩ একর জমিতে মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি) কেন্দ্রটি নির্মাণ করে। কিন্তু তখন প্রভাবশালীদের জন্য সেটি চালু করা সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় কেন্দ্রটি চালু হয়। ওই সময় ব্যবসায়ীদের নিয়মিত মাছ বেচাকেনার ফলে কেন্দ্রটি জমজমাটও হয়ে ওঠে এবং দুই বছরে গড়ে প্রায় তিন কোটি টাকা রাজস্ব আদায় হয়। পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করলে ২০০৯ সালের ১৩ জুলাই ব্যবসায়ীরা পোর্ট রোডের বেসরকারি মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে ফিরে আসে এবং সেখানেই চলছে এখন মাছ বেচাকেনার কাজ।<br />
পোর্ট রোডের ইলিশ মোকাম সূত্রে জানা গেছে, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ২০১০ সালের দিকে এর নিয়ন্ত্রণ নেন মৎস্যজীবী লীগের নেতা খান হাবিব। তিনি ছিলেন তৎকালীন সিটি মেয়র প্রয়াত শওকত হোসেন হিরণের অনুসারী। তিনি তাঁর বাহিনী দিয়ে মোকামের পাশাপাশি রাস্তার ওপর বাজার বসিয়ে চাঁদা তুলতেন। ২০১৫ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত মোকাম নিয়ন্ত্রণ করেছেন মহানগর আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক নিরব হোসেন টুটুল। তিনি মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর ‘প্রধান খলিফা’ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। ২০২৩ সালে সাদিক আব্দুল্লাহ নগরীর আধিপত্য হারালে মোকাম আবারও খান হাবিবের নিয়ন্ত্রণে যায়। তিনি চলতি অর্থবছরে তাঁর স্ত্রীর নামে এটি ইজারা নেন। গত ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার পদত্যাগের পর খান হাবিব আত্মগোপন করেন। এসময় দখলদারিত্ব শুরু হলে ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কয়েকজন বিএনপির নেতা মৎস্য আড়ৎ দখলে নেওয়ার চেষ্টা করে। পোর্ট রোড বাজার ও মৎস্য আড়ৎ মুলত ৯ নং ওয়ার্ডের অধীনে। এ খবর জানাজানি হলে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কেরা গিয়ে প্রকৃত ইজারাদারের প্রতিনিধির খাজনা আদায় নিশ্চিত করেন। তবে খান হাবিবসহ তাঁর অনুসারীরা আত্মগোপনে থাকায় মৎস্য আড়তদার অ্যাসোসিয়েশনসহ সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর শীর্ষ পদ বাগিয়ে নেন সুবিধাবাদী কিছু রাজনৈতিক ব্যবসায়ী। এখন তাদের নিয়ন্ত্রণেই মোকামগুলো চলছে বলে জানা যায়। পোর্ট রোড বাজারের সিটি করপোরেশন অংশের ইজারা হয়েছে ৭৩ লাখ টাকা রুবেল ও সোহেল নামে বিএনপির দুজন নেতা এই ইজারা পরিচালক বর্তমানে। আর আল-আমীন চার কোটি টাকায় নিয়েছেন বিআইডব্লিউটিএর বাজার।<br />
নিয়ন্ত্রকদের মধ্যে আরো রয়েছেন মৎস্যজীবী দলের মহানগর সাধারণ সম্পাদক কামাল সিকদার, ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সদস্যসচিব আনিচুর রহমান মিলন ও ওয়ার্ড শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক খান মো. কামাল। খান কামাল আবার খান হাবিবের আপন ভাই।<br />
এদিকে বরিশাল নগরীর পোর্ট রোড, কাশিপুর, চরকাউয়া খেয়াঘাট, নথুল্লাবাদ, রূপাতলী বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বরিশাল সিটি করপোরেশন কর্তৃক কোনো চার্ট স্থাপন করা হয়নি। ফলে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের সুযোগ রয়েছে ইজারাদারদের। এভাবে যুগের পর যুগ চলে আসছে বলে জানিয়েছেন বাজারের ব্যবসায়ীরা।<br />
বরিশাল নগরীর একটি বাজারেও সিটি চার্ট না থাকার কথা স্বীকার করে বরিশালে সিটি করপোরেশনের বাজার ও স্টল শাখার তত্ত্বাবধায়ক মু. নুরুল ইসলাম বলেন, কর্তৃপক্ষের নির্দেশ ছাড়া আমরা কোনো বক্তব্য দিতে পারি না। তবে জুলাই বিপ্লবের পরপরই শিক্ষার্থীদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সাগরদী বাজার, বাংলা বাজার ও নতুন বাজার ইজারা মুক্ত রয়েছে। আর চরকাউয়া খেয়াঘাট সম্পূর্ণ বিআইডব্লিউটিএর বলে জানান তিনি।<br />
অন্যদিকে পোর্ট রোড বাজারটির ইজারাদাতা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) হলেও এর বেশিরভাগ অংশ অর্থাৎ দুটি অংশের দায়ভার সিটি করপোরেশনের জানিয়ে বরিশাল বিআইডব্লিউটিএর উপ পরিচালক আসাদুজ্জামান বলেন, আমি সেভাবে কিছুই জানিনা। তবে ছোট লঞ্চঘাট ইজারা দেওয়া হয়েছে গত ২৭ জুন। এই ঘাটের দরপত্র আহ্বান করা হলে হাসিবুল এন্টারপ্রাইজ নামে প্রতিষ্ঠান সর্বোচ্চ ১ কোটি ২০ লাখ টাকায় দরদাতা হিসেবে ইজারা পায়। অপরদিকে সদ্য সাবেক ইজারাদার আবুল হোসেন অরুণ এন্টারপ্রাইজ ৭৩ লাখ টাকায় সর্বনিম্ন দরদাতা ছিলেন। তিনি বলেন, ইজারাদারদের মধ্যে প্রতিযোগিতা ও প্রভাব বিস্তারের ফলে টেন্ডার মূল্য বৃদ্ধি পাচ্ছে এটা সত্যি। তবে এতে করে সরকার লাভবান হচ্ছে। সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধি পাচ্ছে। সরকারের নীতিমালা অনুযায়ী টেন্ডার হয়। অর্ধেকের বেশি দরপত্র অনুযায়ী মূল্য অগ্রীম প্রদান করতে হয়। বাকীটা প্রদানের জন্য তিন কিস্তি সুযোগ দেওয়া হয়।<br />
তিনি বলেন, চরকাউয়া খেয়াঘাট ইজারা পক্রিয়া উপরের আদেশ। এখানে আমার করণীয় কিছু নেই। আমাকে আদেশ পালন করতে হয়। এই খেয়াঘাট নিয়ে বিশাল সিন্ডিকেট কাজ করছে বলে অভিযোগ রয়েছে। তাছাড়া ঘাট এলাকায় বিভিন্ন অনিয়ম ও বিশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে ইজারার বিকল্প নেই। ইজারা হলে পারাপার মাথাপিছু ২ টাকা এবং মোটরসাইকেল পারাপার ১০ টাকা হবে বলে জানালেন বিআইডাব্লিউটিএ এর এই কর্মকর্তা।<br />
জেলার অন্য গুরুত্বপূর্ণ ইজারার কয়েকটি জেলা পরিষদের দায়িত্বে। এরমধ্যে রয়েছে মীরগঞ্জ ফেরী, তালতলা খেয়াঘাট এবং দপদপিয়া খেয়াঘাট। জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান না থাকায় অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার ও সিইও দেখছেন বিষয়টি। কয়েকবার ফোন করেও এ বিষয়ে বরিশালের জেলা প্রশাসক এর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%9a%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%89%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be-%e0%a6%96%e0%a7%87%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%98%e0%a6%be%e0%a6%9f-%e0%a6%87%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>নির্বাচনী উত্তাপে বরিশাল: ছয়টি আসনেই বাড়ছে ইসলামি দলের সমর্থন</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a6%a8%e0%a7%80-%e0%a6%89%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b2/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a6%a8%e0%a7%80-%e0%a6%89%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b2/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আরিফ আহমেদ]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 25 Nov 2025 04:06:34 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[বরিশাল বিভাগ]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলার চিঠি]]></category>
		<category><![CDATA[রাজখবর]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://shahittabazar.com/?p=5845</guid>

					<description><![CDATA[নির্বাচনী উত্তাপে বরিশাল: ছয়টি আসনেই বাড়ছে ইসলামি দলের সমর্থন (আলোচনায় জামায়াতে ইসলাম) , বিশেষ প্রতিবেদক  আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বরিশালের ছয়টি আসনে রাজনৈতিক মাঠ এখন বেশ সরগরম<span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a6%a8%e0%a7%80-%e0%a6%89%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b2/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div id="m#msg-a:r-5426981054436858655" class="mail-message expanded">
<div id="m#msg-a:r-5426981054436858655-header" class="mail-message-header spacer"><strong>নির্বাচনী উত্তাপে বরিশাল: ছয়টি আসনেই বাড়ছে ইসলামি দলের সমর্থন (আলোচনায় জামায়াতে ইসলাম)</strong></div>
<div id="m#msg-a:r-5426981054436858655-content" class="mail-message-content collapsible zoom-normal mail-show-images ">
<div class="clear">
<div dir="auto">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">, <strong>বিশেষ প্রতিবেদক </strong></div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto"><a href="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/11/IMG-20251115-WA0003.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-5846" src="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/11/IMG-20251115-WA0003-300x169.jpg" alt="" width="300" height="169" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/11/IMG-20251115-WA0003-300x170.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/11/IMG-20251115-WA0003-1024x576.jpg 1024w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/11/IMG-20251115-WA0003-768x432.jpg 768w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/11/IMG-20251115-WA0003-1536x864.jpg 1536w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/11/IMG-20251115-WA0003-70x40.jpg 70w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/11/IMG-20251115-WA0003.jpg 1600w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বরিশালের ছয়টি আসনে রাজনৈতিক মাঠ এখন বেশ সরগরম হয়ে উঠেছে। এবারের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টিকে বাদ দিয়ে এখন পর্যন্ত মাঠে দেখা গেছে — বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ (চরমোনাই পীরের দল), এনসিপি ও বাসদের সরব উপস্থিতি।  এসব রাজনৈতিক দল ইতোমধ্যেই মাঠপর্যায়ে সক্রিয় হয়ে উঠেছে। ঘুরছে দ্বারে দ্বারে, পরিচিত হবার চেষ্টা চলছে সাধারণ মানুষের সাথে। কোনো কোনো দলে প্রার্থী চূড়ান্তকরণের পরপরই চলছে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব–সমঝোতা। আবার কোথাও কোথাও ধর্মভিত্তিক ও রাজনৈতিক প্রচার প্রচারণা এবং ভোটারদের দোদুল্যমান মনোভাব, সব মিলিয়ে বরিশালের ছয়টি আসনেই জমজমাট নির্বাচনী প্রস্তুতি লক্ষ্য করা গেছে প্রতিটি রাজনৈতিক দলের কর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে । আমাদের প্রতিনিধি ঘুরছেন বরিশাল তথা দক্ষিণাঞ্চলের ছয় জেলার ২১টি আসনে। প্রতিটি আসন নিয়ে থাকবে আমাদের পূর্ণাঙ্গ পৃথক প্রতিবেদন। এ পর্বে বরিশাল জেলার ছয় আসনের সংক্ষিপ্ত চিত্র তুলে ধরা হলো। এরপরই আসবে বিস্তারিত বিশ্লেষণ।</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto"><strong>বরিশাল-১ (গৌরনদী– আগৈলঝারা)</strong></div>
<div dir="auto"><a href="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/10/IMG_20251013_103047.png"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignright size-full wp-image-5814" src="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/10/IMG_20251013_103047.png" alt="" width="173" height="214" /></a>এই আসনে বিএনপি, জামায়াত এবং ইসলামী আন্দোলন, তিনপক্ষই রয়েছে শক্ত অবস্থানে। যদিও বিগত সময়ে এটি বিএনপির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ছিলো। যে কারণে অনেকটা আটঘাট বেধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে মাঠে নেমেছে ইসলামি দলগুলো। এখানে বিএনপির প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন। বরাবরই তিনি এখানে শক্তিশালী ও সাধারণ মানুষের কাছে জনপ্রিয়। তবে এবার তার নিজ দলের ভিতরে অন্ধকার রয়েছে বলে দাবী গৌরনদী বাস টার্মিনাল এলাকার ব্যবসায়ীদের। যে কারণে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হাফেজ মাওলানা কামরুল ইসলাম খান ভালো প্রচারণার সুযোগ পাচ্ছেন। আবার ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ (ইসা) প্রার্থী মুহাম্মদ রাসেল সরদার মেহেদী এবং জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)র প্রার্থী মাজহারুল ইসলাম নিপুকে ঘীরে চলছে জোর আলোচনা ও প্রচার প্রচারণা।</div>
<div dir="auto">স্থানীয় জনগণের কেউ কেউ বলছেন, এখানে হাড্ডাহাড্ডি অবস্থানে রয়েছে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর অবস্থান। হিন্দু অধ্যুষিত এই এলাকার বেশিরভাগ ভোট যে কোন দলের পক্ষে যাবে তা বলার সময় এখনো আসেনি বলে জানান আগৈলঝারার গৈলা বাজারের বাসিন্দারা। তারা বলেন, এবারের নির্বাচন সহজ হবে না। কেননা তরুণ ভোটারদের একাংশ পরিবর্তনের পক্ষে। আবার ধর্মীয় চিন্তাভাবনা থাকা ভোটারদের মধ্যে ইসলামি দলের প্রভাব দৃশ্যমান। যদিও এখানের প্রত্যন্ত গ্রামের উন্নয়নে অতীতে দলমত নির্বিশেষে জহিরউদ্দিন স্বপন এর প্রশংসনীয় ভূমিকা রয়েছে বলে স্বীকার করেন অনেকেই। তাদের মতে, আওয়ামী লীগের বাঘা নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহ সাথে লড়াই করা যোদ্ধা একজনই আছেন, তিনি জহিরউদ্দিন স্বপন। বিশেষ করে গত ৭ নভেম্বর জহিরউদ্দিন স্বপন এর বক্তব্যে প্রাণ ফিরে পেয়েছেন এ অঞ্চলের নিরব আওয়ামী লীগ সমর্থকরা। এসময় স্বপন বলেছেন, চিহ্নিত দাগী অপরাধী বাদে ধানের শীষের দরজা (বিএনপির) সকলের জন্য খোলা থাকবে। তার এ বক্তব্য ভাইরাল এখন বরিশাল জুড়ে।</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto"><strong>বরিশাল-২ (উজিরপুর–বানারিপাড়া)</strong></div>
<div dir="auto">এই আসনটি বরিশালের সবচেয়ে আলোচিত প্রতিদ্বন্দ্বিতার একটি। দীর্ঘদিন সাংগঠনিকভাবে দূর্বল ছিলো এখানকার বিএনপি। আবার এখানে মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন অনেকেই। দলীয়ভাবে প্রার্থীর মনোনয়ন চূড়ান্ত হওয়ার পর থেকেই এখানে বিএনপির দলীয় কর্মীরা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে। আবার জামায়াতে ইসলামী সম্প্রতি মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা, লিফলেট ও দ্বারে দ্বারে প্রচারণায় বেশ সক্রিয় দেখা গেছে। ইসলামী আন্দোলনও নিরবচ্ছিন্ন ও সুশৃঙ্খলভাবে মাঠপর্যায়ের কাজ করছে। এখানে বিএনপির প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য এস. সরফুদ্দিন আহমেদ (সান্টু)র জনপ্রিয়তায় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে তার বেশকিছু স্ববিরোধী বক্তব্যে। যে কারণে সুবিধাজনক অবস্থায় রয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাস্টার আব্দুল মান্নান এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর প্রার্থী মাওলানা মুহাম্মদ নেছার উদ্দীন। তাদের ভোটবাক্স যদি একটি হয়, তাহলে বিএনপিকে এই আসন ছাড়তে হবে বলে মনে করেন  উজিরপুর উপজেলা সদরের বাসিন্দারা।</div>
<div dir="auto">আবার বানারিপাড়ার মাধবপাশা, উজিরপুরের সাতলা ঘুরে বেশিরভাগ জনমত ধর্মভিত্তিক বলে মনে হতে পারে। যদিও এখানেও মোট জনসংখ্যার ৬০ ভাগ হিন্দু সম্প্রদায়। এদের ভোট এখানে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। একই সঙ্গে বিএনপির পুরনো ভোট ব্যাংক এখনও শক্তিশালী বলে জানা গেছে। (বিস্তারিত থাকবে আগামী পর্বে।)</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto"><strong>বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ–মুলাদি)</strong></div>
<div dir="auto">বিএনপির অভ্যন্তরীণ মনোনয়ন প্রতিযোগিতা এ আসনের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। যে কারণে এখন পর্যন্ত চূড়ান্ত হয়নি এই আসনে বিএনপির মনোনয়ন। একাধিক সম্ভাব্য প্রার্থী ও তাদের অনুসারীরা মাঠে সক্রিয় থাকায় বিভাজনের আশঙ্কা রয়েছে। অন্যদিকে জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলন আগেভাগেই প্রার্থী ঠিক করে প্রচারণা ত্বরান্বিত করেছে। ইতিমধ্যেই প্রচার প্রচারণায় জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অধ্যক্ষ জহির উদ্দিন মুহাম্মদ বাবর এর নাম প্রায় প্রতিদিনই সংবাদ শিরোনাম হচ্ছে। আবার ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর প্রার্থী মাওলানা মুহাম্মাদ সিরাজুল ইসলামও এখানে সুবিধাজনক অবস্থায় রয়েছেন। অন্যদিকে গত ২০২২ সাল থেকে এখানে নিয়মিত সমাজসেবামূলক কার্যক্রম চালিয়ে আলোচনায় রয়েছেন আমার বাংলাদেশ পার্টি (ABI)র সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ।  বিএনপির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত এই আসনে বেগম সেলিমা রহমান ও আইনজীবী জয়নুল আবেদীন দুজনেই রয়েছেন আলোচনায়। এছাড়া দলের আরও একজন মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে ব্যারিস্টার মনিরুজ্জামান আসাদের নাম বলছেন এলাকাবাসী। তবে বেশিরভাগ সাধারণ মানুষের দাবী এ অঞ্চল এবার ধর্মভিত্তিক দলকেই গুরুত্ব দেবে। চরমোনাই ঘরানার কারণে ইসলামী আন্দোলন এখানে অতিরিক্ত সুবিধা পেতে পারে বলে মনে করেন অনেকেই।</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto"><strong>বরিশাল-৪ (হিজলা–মেহেন্দিগঞ্জ)</strong></div>
<div dir="auto">নদীপাড়ের এই আসনটি দীর্ঘদিন ধরে ইসলামি দলের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। ইসলামী আন্দোলন এখানে বিশেষভাবে সক্রিয়। জামায়াতও মসজিদ–মাদ্রাসা নির্ভর প্রচারণা অব্যাহত রেখেছে। বিএনপির প্রার্থী গণসংযোগ শুরু করলেও দলের ভেতরকার সমন্বয় দুর্বল বলে মত অনেকের। এখানে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন রাজীব আহসান। সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির উচ্চপর্যায়ের নেতা মেজবাহ উদ্দিন ফরহাদ এবং এ. এম. ব্যারিস্টার মাসুম এখানে মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। তাদের অনৈক্য ও দ্বন্দ্বের সুযোগে এই আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী</div>
<div dir="auto">মাওলানা আবদুল জব্বার এবং ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ এর প্রার্থী মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ আবুল খায়ের এর অবস্থান ক্রমশ শক্তিশালী হয়ে উঠছে। নদী ভাঙন কবলিত মানুষের বেশিরভাগ জেলে সম্প্রদায়। আর তারা এখন ইসলামি প্রার্থীদের উপর নির্ভর করতে আগ্রহী।</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto"><strong>বরিশাল-৫ (বরিশাল সদর)</strong></div>
<div dir="auto"><a href="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/11/FB_IMG_1763971259536.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-5847" src="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/11/FB_IMG_1763971259536-300x200.jpg" alt="" width="300" height="200" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/11/FB_IMG_1763971259536-300x200.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/11/FB_IMG_1763971259536-1024x682.jpg 1024w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/11/FB_IMG_1763971259536-768x512.jpg 768w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/11/FB_IMG_1763971259536.jpg 1280w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>শহরকেন্দ্রিক এই আসনে রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা সবচেয়ে জটিল। বিএনপির শক্ত প্রার্থী থাকলেও, দলীয় বিভাজন ও নেতৃত্ব সংকট নিয়ে আলোচনা রয়েছে। এদিকে ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব সরাসরি যুক্ত হওয়ায় তাদের প্রচারণা দৃশ্যমান ও নিয়মিত। জামায়াতও ধারাবাহিক কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে। তবে এ আসনে জামায়াতে ইসলামীর সৎ ও বিনয়ী প্রার্থীর বিরুদ্ধে জমি দখল করে মসজিদ নির্মাণের অভিযোগ এই মুহূর্তে আলোচিত। যদিও তিনি বলেছেন, ওটি ভিন্ন সংগঠনের বিষয়। জামায়াতে ইসলামী এর সাথে জড়িত নয়।  বাসদ এখানে বামধারার ছোট কিন্তু দৃশ্যমান উপস্থিতি নিয়ে লড়াই করছে। এই আসনে সাধারণ মানুষের চাওয়া উন্নয়ন, সুশাসন ও পরিবর্তন।</div>
<div dir="auto">এখানে বিএনপির প্রার্থী চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সাবেক মেয়র ও সংসদ সদস্য আইনজীবী মজিবর রহমান সরোয়ার। জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মোয়াযযম হোসেন হেলাল এবং ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ এর প্রার্থী সৈয়দ ফয়জুল করিম। এনসিপি থেকে আবু সাঈদ মূসা এবং বাসদ নেত্রী ডাঃ মনীষা চক্রবর্তী রয়েছেন প্রচারণা মাঠে।</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto"><strong>বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ)</strong></div>
<div dir="auto">১৪টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত এ আসনে বিএনপি ও জামায়াত–ইসলামী আন্দোলন ত্রিমুখী লড়াইয়ের সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করেন অনেকেই। এখানে বিএনপির প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হোসেন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে পরিচিত হওয়ায় ঐতিহ্যগত ভোট তাদের শক্তি। তবে ইসলামী আন্দোলন ও জামায়াত গ্রামীণ এলাকায় ঘরোয়া নেটওয়ার্ক কাজে লাগিয়ে সূক্ষ্ম প্রচারণা চালাচ্ছে। ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ এর সিনিয়র নায়েবে আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম এখানেও প্রার্থী হয়েছেন। পাশাপাশি জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা মাহমুদুন্নবী চালাচ্ছেন প্রচারণা। দাড়িয়াল, দুধল, চরাদি ইত্যাদি গ্রামীণ এলাকায় ইসলামি দলগুলোর প্রভাব লক্ষ্য করা গেছে।</div>
<div dir="auto">সামগ্রিক চিত্র</div>
<div dir="auto">ধর্মভিত্তিক দলগুলোর উত্থান</div>
<div dir="auto">জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলন বরিশালের সব আসনেই আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি সুসংগঠিত ও নিয়মিত প্রচারণা চালাচ্ছে। মাঠপর্যায়ের নীরব কাজ, মসজিদকেন্দ্রিক যোগাযোগ, যুবসমাজের সঙ্গে ধারাবাহিক সংযোগ—এসবের কারণে তাদের জনসমর্থন বৃদ্ধি পেয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।</div>
<div dir="auto">তবে এসবের পরেও বরিশালে বিএনপির তৃণমূল ভোট এখনো শক্তিশালী। মনোনয়ন বিতর্ক, অভ্যন্তরীণ বিভাজন এবং প্রচারণায় অসামঞ্জস্যতা দূর করা  তাদের বড় চ্যালেঞ্জ। একক নেতৃত্বের অভাব নির্বাচনী গতিতে প্রভাব ফেলতে পারে।</div>
<div dir="auto">শুধু বরিশালেই নয়, সারা বাংলাদেশেই এখন ভোটারদের মধ্যে পরিবর্তন–আকাঙ্ক্ষা এবং নতুন নেতৃত্বের প্রতি আগ্রহ ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। পাশাপাশি ধর্মীয় প্রভাব ও ইসলামি মূল্যবোধকে বিবেচনায় নেওয়া ভোটারদের সংখ্যাও বাড়ছে বরিশাল অঞ্চলে। এবারের নির্বাচনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তরুণ ভোটাররা। আর বেশিরভাগ তরুণদের মধ্যে প্রশ্ন—“কারা বাস্তবে দেশের জন্য কাজ করবে?” এই তরুণ প্রজন্মের ভোটই নির্ধারণ করবে আগামীর সংসদ সদস্য।</div>
<div dir="auto">উপসংহার</div>
<div dir="auto">আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশালের ছয়টি আসনই কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতার ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিএনপি, জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলন–এই তিন পক্ষের সক্রিয়তা পুরো রাজনৈতিক সমীকরণকে পাল্টে দিয়েছে। ভোটারদের মনোভাব এখনো পুরোপুরি স্থির না হলেও প্রচারণার তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও চরমে উঠবে বলে মনে করছেন স্থানীয় পর্যবেক্ষকরা।</div>
<div dir="auto"></div>
</div>
</div>
</div>
<div id="m#msg-a:r-5426981054436858655-footer" class="mail-message-footer spacer collapsible"></div>
</div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a6%a8%e0%a7%80-%e0%a6%89%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b2/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বরিশালের ২১ আসনে বিএনপির প্রার্থী যাচাই-বাছাই চূড়ান্ত </title>
		<link>https://shahittabazar.com/5813-2/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/5813-2/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আরিফ আহমেদ]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 13 Oct 2025 04:56:51 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[বরিশাল বিভাগ]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলার চিঠি]]></category>
		<category><![CDATA[রাজখবর]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://shahittabazar.com/?p=5813</guid>

					<description><![CDATA[ঢাকায় ডাকা হয়েছে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের : বরিশালের ২১ আসনে বিএনপির প্রার্থী যাচাই-বাছাই চূড়ান্ত  <p dir="ltr">,বিশেষ প্রতিবেদক </p> <p></p> <p dir="ltr">অবশেষে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া শুরু হয়েছে। যে কারণে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/5813-2/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div id="m#msg-a:r3449656551762899455" class="mail-message expanded">
<div id="m#msg-a:r3449656551762899455-header" class="mail-message-header spacer"><strong>ঢাকায় ডাকা হয়েছে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের : বরিশালের ২১ আসনে বিএনপির প্রার্থী যাচাই-বাছাই চূড়ান্ত </strong></div>
<div id="m#msg-a:r3449656551762899455-content" class="mail-message-content collapsible zoom-normal mail-show-images ">
<div class="clear">
<div dir="auto">
<p dir="ltr">,<strong>বিশেষ প্রতিবেদক </strong></p>
<p><a href="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/10/IMG_20251003_112812.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="size-full wp-image-5764" src="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/10/IMG_20251003_112812.jpg" alt="" width="241" height="149" /></a></p>
<p dir="ltr">অবশেষে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া শুরু হয়েছে। যে কারণে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের দৌড়ঝাঁপ এখন কেন্দ্রীয় কার্যালয় তথা বিএনপির ঢাকা অফিস কেন্দ্রিক। সারাদেশের প্রায় কয়েক হাজার মনোনয়ন প্রত্যাশী ও তাদের সমর্থকদের পদচারণায় মুখরিত এখন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়।</p>
<p dir="ltr"><span style="font-weight: 300;">জানা গেছে, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গত সপ্তাহ থেকে প্রার্থীদের সঙ্গে যৌথবৈঠক শুরু করেছেন। ঐক্যের বার্তা দিতে প্রতিটি নির্বাচনী এলাকার সব প্রার্থীকে একসঙ্গে ডাকা হয়েছিল। অভ্যন্তরীণ সূত্র জানিয়েছে, পরবর্তীতে সবার আলাদা আলাদা সাক্ষাৎকার নেওয়া হবে। তবে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেছেন, &#8216;জরিপ ও মাঠপর্যায়ের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে স্থানীয়ভাবে গ্রহণযোগ্যতা যাদের রয়েছে&#8217; কেবল তাদেরই এই বৈঠকের জন্য ঢাকায় ডাকা হয়েছে। </span><span style="font-weight: 300;">আবার জ্যেষ্ঠ নেতাদের মতে, সারাদেশ থেকে বিএনপির মনোনয়ন চাইছেন প্রায় দেড় হাজার নেতাকর্মী।</span></p>
<p dir="ltr">স্থায়ী কমিটির সদস্যরা বরিশাল, কুমিল্লা ও রাজশাহীর প্রার্থীদের সঙ্গে দেখা করেছেন এবং মির্জা ফখরুল খুলনা বিভাগের প্রার্থীদের সঙ্গেও আলোচনা শেষ করেছেন। তবে কোনো চূড়ান্ত ঘোষণা এখন পর্যন্ত দেয়া হয়নি। যদিও ইতিমধ্যেই অনেকে বরিশাল বিভাগের মনোনয়ন চূড়ান্ত বলে দাবী করছেন। তবে তা চূড়ান্ত যাচাই-বাছাই বলা যেতে পারে বলে জানিয়েছেন এমরান সালেহ প্রিন্স। তিনি বলেন, চূড়ান্ত হবে তফসিল ঘোষণার পর। এর আগে গ্রীন সিগনাল পেয়েছে বলতে পারেন। তবে এটা মূলত দলীয় প্রার্থী যাকে করা হবে, তার পক্ষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার চূড়ান্ত নোটিশ।</p>
<p dir="ltr">প্রধান উপদেষ্টার পক্ষ থেকে ফেব্রুয়ারীতেই <span style="font-weight: 300;">নির্বাচনী হবে &#8211; এ ঘোষণার পরপরই জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশসহ কয়েকটি রাজনৈতিক দল তাদের প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করেছে। নির্দিষ্ট আসনে তাদের প্রার্থীদের জনসংযোগও চলছে। যা নিয়ে বিএনপি অভ্যন্তরীণ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও দলীয় প্রচার প্রচারণায় বিভক্তি তৈরি হচ্ছিল। এই অনৈক্য দূর করতেই প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করতে মনোযোগী হয়েছেন বিএনপির উর্ধতন কর্তৃপক্ষ। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এর নির্দেশনা অনুযায়ী সারাদেশে প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করতেই প্রাথমিক  যাচাই-বাছাই সম্পন্ন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। </span><span style="font-weight: 300;">এরই ধারাবাহিকতায় বরিশালের ছয় জেলার ২১ আসনের প্রার্থী যাচাই-বাছাই চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে জানা গেছে। কেননা ছয় জেলার প্রায় সাড়ে তিনশত মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্য থেকে সবমিলিয়ে ৫০ জন কে ডাকা হয়েছে ঢাকায়।।  </span><span style="font-weight: 300;">কেন্দ্রীয় সুত্রে জানা গেছে, ইতিমধ্যেই বরিশাল জেলার ৬ আসনের জন্য সাক্ষাৎকার দিয়েছেন প্রতি আসনে গড়ে দুজন বা তিনজন। তাদের মধ্যে রয়েছেন…</span></p>
<p dir="ltr"><span style="font-weight: 300;"><a href="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/10/IMG_20251013_103047.png"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignright size-full wp-image-5814" src="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/10/IMG_20251013_103047.png" alt="" width="173" height="214" /></a><strong>বরিশাল ১ (গৌরনদী আগৈলঝারা) </strong> আসনে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের তালিকায় আছেন দলীয় চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সাবেক এমপি জহির উদ্দিন স্বপন এবং কেন্দ্রীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক আকন কুদ্দুসুর রহমান। এছাড়াও মাঠে প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছেন ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সোবাহান। যদিও গৌরনদী আগৈলঝারার মোট ১২ টি ইউনিয়নে জহির উদ্দিন স্বপন এর জনপ্রিয়তা এখন পর্যন্ত শীর্ষে বলে জানিয়েছেন একাধিক বাসিন্দা।</span></p>
<p dir="ltr"><strong>বরিশাল-২ (উজিরপুর-বানারীপাড়া</strong>) আসনে মোটামুটি চূড়ান্ত জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সরফুদ্দিন সান্টু। তবে স্বাস্থ্যগত কিংবা দুর্নীতির মামলার কারণে তাকে নিয়ে জটিলতা হলে কপাল খুলতে পারে কাজী দুলাল হোসেন, রওনাকুল ইসলাম টিপু, লায়ন আকতার সেন্টু অথবা সাইফ মাহমুদ জুয়েলের। এখানেও জনমত যাচাইয়ে সরফুদ্দিন সান্টুর বিকল্প নেই।</p>
<p dir="ltr"><strong>বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী)</strong> আসনে চূড়ান্ত হিসাবে নাম শোনা যাচ্ছে দলের ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাড. জয়নুল আবেদীনের। দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমানও আছেন লড়াইয়ে। তবে সরজমিনে বাবুগঞ্জের মাধবপাশা, দেহেরগতি চাঁদপাশা ইউনিয়ন ঘুরে সাধারণ মানুষের মধ্যে দুজনের কারো প্রতি আস্থা খুঁজে পাওয়া যায়নি।</p>
<p dir="ltr"><strong>বরিশাল-৪ (হিজলা- মেহেন্দীগঞ্জ)</strong> আসনে স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক রাজিব আহসান রয়েছেন আলোচনার শীর্ষে। এছাড়া গুলশান অফিসে সাক্ষাৎকার দিয়ে এসেছেন সাবেক এমপি ও জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মেজবাহ উদ্দিন ফরহাদ। এখানে মেহেন্দিগঞ্জের শ্রীপুর, ও হিজলা পৌর এলাকায় রাজীব আহসানের জনপ্রিয়তা চোখে পড়েছে।</p>
<p dir="ltr"><strong>বরিশাল-৫ (</strong>সদর) আসনে সিদ্ধান্তের চূড়ান্ত পর্যায়ে আছেন চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ৫ বারের সাবেক এমপি অ্যাড. মজিবর রহমান ও জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মুহাম্মদ রহমতউল্লাহ। এছাড়া গুলশান অফিসে সাক্ষাৎকার দিয়ে এসেছেন মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুক, জেলা (দক্ষিণ) বিএনপির সদস্য সচিব আবুল কালাম শাহিন ও মহানগর বিএনপির ১নং যুগ্ম আহ্বায়ক আফরোজা নাসরিন। এখানে গত পনের বছর আওয়ামী লীগের সাথে আপোস করে দলীয় নেতৃত্বে ফাটল ধরানোর অভিযোগ মজিবর রহমান সরোয়ার এর বিরুদ্ধে। সে তুলনায় ২০১৮ সাল থেকে আবু নাসের মোঃ রহমতুল্লাহ গ্রামাঞ্চলে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন বলা যায়।</p>
<div id="attachment_5815" style="width: 310px" class="wp-caption alignleft"><a href="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/10/IMG_20251013_104717.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-5815" class="size-medium wp-image-5815" src="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/10/IMG_20251013_104717-300x230.jpg" alt="" width="300" height="230" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/10/IMG_20251013_104717-300x230.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/10/IMG_20251013_104717-768x588.jpg 768w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/10/IMG_20251013_104717.jpg 939w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a><p id="caption-attachment-5815" class="wp-caption-text">গ্রামগঞ্জে রহমতুল্লাহ</p></div>
<p dir="ltr">এ বিষয়ে জানতে চাইলে বরিশাল ৫ আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী স্থায়ী কমিটির সদস্য আবু নাসের মুহাম্মদ রহমতুল্লাহ বলেন, বরিশাল ৫ আসনের পক্ষে মজিবর রহমান সরোয়ার ভাই ও আমার সাক্ষাৎকার আগে নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি জেলা ও মহানগর নেতাদেরও সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছে। <span style="font-weight: 300;">রহমতুল্লাহ আরো বলেন, এই সাক্ষাৎকারের প্রধান বিষয় হচ্ছে দলীয় ঐক্য বৃদ্ধি করা। দল যাকে মনোনয়ন দেবে, তার পক্ষে সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকবো ইনশাআল্লাহ।  </span></p>
<p dir="ltr"><strong>এদিকে বরিশাল-৬ (</strong>বাকেরগঞ্জ) আসনে মোটামুটি চূড়ান্ত সাবেক এমপি জেলা (দক্ষিণ) বিএনপির আহ্বায়ক আবুল হোসেন। তবে এখানে কেন্দ্রের ডাকে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন ডা. শহিদ হাসান ও জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম রাজন।</p>
<p dir="ltr">বলাবাহুল্য, বরিশাল ৪, ৫, ৬ আসনের বিএনপির জাদরেল প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য মেজবাহ উদ্দিন, মজিবর রহমান সরোয়ার এবং আবুল হোসেন এর শারীরিক অবস্থা খুব একটা ভালো নয়। যে কারণে বয়োজ্যেষ্ঠ এই নেতাদের পাশাপাশি বিকল্প প্রার্থীও খুঁজছেন কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব।</p>
<p dir="ltr"><a href="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/10/IMG_20251013_103154.png"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignright size-medium wp-image-5817" src="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/10/IMG_20251013_103154-300x198.png" alt="" width="300" height="198" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/10/IMG_20251013_103154-300x198.png 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/10/IMG_20251013_103154.png 325w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>অন্যদিকে বরিশাল বিভাগের ঝালকাঠী-১ (রাজাপুর- কাঁঠালিয়া) আসনে মোটামুটি চূড়ান্ত নিউইয়র্ক বিএনপির সভাপতি সেলিম রেজার মনোনয়ন। এছাড়াও সাক্ষাৎকার দিয়েছেন দলের কেন্দ্রীয় ধর্মবিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম জামাল। মাঠে আছেন ছাত্রদলের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা গোলাম আজম সৈকতসহ কয়েকজন।</p>
<p dir="ltr">ঝালকাঠী-২ (নলছিটি-ঝালকাঠী) আসনে দলের কেন্দ্রীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুল হক নান্নু ও সাবেক এমপি ইলেন ভুট্টোর পাশাপাশি অ্যাড. শাহাদাত হোসাইনের নাম আলোচনায় রয়েছে।</p>
<p dir="ltr">পিরোজপুর-১ (জিয়ানগর-সদর-নাজিরপুর) আসনে মনোনয়নের আলোচনায় শীর্ষে আছেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম খান। এছাড়া কেন্দ্রের ডাকে গুলশান অফিসে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এলিজা জামান, জেলার সদস্য সচিব সাইদুল ইসলাম কিসমত ও সদ্য সাবেক আহ্বায়ক অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন।</p>
<p dir="ltr">পিরোজপুর-২ (ভাণ্ডারিয়া- কাউখালী- স্বরূপকাঠী) আসনে মাহমুদ হোসাইন ভিপি মাহমুদ অথবা ফকরুল আলমের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। এছাড়া মনোনয়ন চাইছেন লাভলু গাজী, সুমন মঞ্জুর, আলবিরুনী সৈকত।</p>
<p dir="ltr">পিরোজপুর-৩ (মঠবাড়িয়া) আসনে মোটামুটি চূড়ান্ত রুহুল আমিন দুলাল।</p>
<p dir="ltr">বরগুনা-১ (সদর-আমতলী- তালতলী) আসনে তালিকার শীর্ষে আছেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম মোল্লা। এছাড়া ঢাকায় সাক্ষাৎকার দিয়েছেন যুগ্ম আহ্বায়ক হুমায়ুন কবির শাহিন, কেন্দ্রীয় নেতা ফিরোজ উজ জামান মামুন।</p>
<p dir="ltr">বরগুনা-২ (বামনা-বেতাগী- পাথরঘাটা) আসনে চূড়ান্ত প্রার্থী সাবেক এমপি দলের ভাইস চেয়ারম্যান নূরুল ইসলাম মনি।</p>
<p dir="ltr">পটুয়াখালী-১ (সদর-দুমকি- মীর্জাগঞ্জ) আসনে সাবেক মন্ত্রী দলের ভাইস চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন চৌধুরী পাচ্ছেন মনোনয়ন। এছাড়াও জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংশু সরকার কুট্টি, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. মজিবর রহমান টোটন ও সাবেক পৌর মেয়র মুস্তাক আহম্মেদ পিনু গুলশান অফিসে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন।</p>
<p dir="ltr">পটুয়াখালী-২ (বাউফল) সাবেক এমপি শহিদুল আলম তালুকদার এবং দলের কেন্দ্রীয় সহদপ্তর সম্পাদক মুনির হোসেন এর সাক্ষাৎকার চূড়ান্ত হয়েছে। এখানে মাঠে আছেন ইঞ্জিনিয়ার ফারুক তালুকদারসহ কয়েকজন। পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনে মোটামুটি চূড়ান্ত জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হাসান মামুনের মনোনয়ন। তবে জোটের সঙ্গে আসন ভাগাভাগি প্রশ্নে এই আসনটি গণঅধিকার পরিষদের প্রধান সমন্বয়ক নুরুল হক নুরকে দেওয়া হতে পারে বলে আলোচনা রয়েছে।</p>
<p dir="ltr">পটুয়াখালী-৪ (কলাপাড়া-রাঙ্গাবালী) আসনে মোটামুটি চূড়ান্ত দলের কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এবিএম মোশাররফ হোসেন। ভোলা-১ (সদর) আসনে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম নবী আলমগীর অথবা জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হায়দার আলী লেনিন পেতে পারেন মনোনয়ন। এছাড়া আলোচনায় আছেন জেলা সদস্য সচিব রাইসুল আলম। ভোলা-২ (বোরহানউদ্দিন-দৌলতখান) ও ভোলা-৩ (লালমোহন-তজুমদিন) আসনে মোটামুটি চূড়ান্ত জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সাবেক এমপি হাফিজ ইব্রাহিম ও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ।</p>
<p dir="ltr">ভোলা-৪ (চরফ্যাশন-মনপুরা) আসনে যুবদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম নয়ন অথবা জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সাবেক এমপি নাজিমউদ্দিন আলম পাচ্ছেন মনোনয়ন।</p>
<p dir="ltr">নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিএনপির এক কেন্দ্রীয় নেতা বলেন, দলীয় মনোনয়ন প্রশ্নে ৫ আগস্টের পর সক্রিয় হওয়া নেতাদের আমলে নিচ্ছে না দল। সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে স্থানীয় পর্যায়ে জনপ্রিয়তা আর ক্লিন ইমেজের প্রতি।</p>
<p dir="ltr">আবার সাক্ষাৎকার দিয়ে এসেছেন এমন নেতারা বলছেন, বরিশালের ২১ আসনের মধ্যে ১৮টির মনোনয়ন মোটামুটি চূড়ান্ত হলেও যেকোনো মূহুর্তে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন হতে পারে। তাই চূড়ান্ত ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত এ সম্পর্কে আগাম কিছু না বলাই উত্তম মনে করেন নেতৃবৃন্দ। তবে বরিশাল অঞ্চলের  ৩টি আসনের ব্যাপারে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত দেয়নি হাইকমান্ড। এরমধ্যে পটুয়াখালী-১ ও পটুয়াখালী-৩সহ বরিশালের একটি আসন রয়েছে বলে জানা গেছে।</p>
<p dir="ltr">বিএনপির কেন্দ্রীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক আকন কুদ্দুসুর রহমান বলেন, নির্বাচন সামনে রেখে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের যাচাই বাছাই চলছে। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী কেন্দ্র থেকে সাক্ষাৎকার নেওয়া হচ্ছে। সব চূড়ান্ত হয়ে গেছে এটা বলা যাবে না। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। তবে এটুকু বলতে পারি, তফশিল ঘোষণার পর মনোনয়ন প্রত্যাহারের পূর্ব পর্যন্ত এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া বলে জানান তিনি।</p>
</div>
</div>
</div>
</div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/5813-2/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বরিশালে কেন ডিসি লেক নিয়ে সরগরম বামেরা? </title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a6%bf-%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%95-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%b0/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a6%bf-%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%95-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%b0/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আরিফ আহমেদ]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 06 Oct 2025 08:52:37 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[বরিশাল বিভাগ]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলার চিঠি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://shahittabazar.com/?p=5787</guid>

					<description><![CDATA[অনৈতিক কার্যক্রম বন্ধ করার উদ্যোগে বাধা : বরিশালে ডিসি লেক নিয়ে সরগরম বামেরা  ,বিশেষ প্রতিবেদক  <p>হঠাৎ করেই ডিসি লেক নিয়ে সরগরম হয়ে উঠেছে বরিশালের বাম ঘরানার রাজনৈতিক দলগুলো। দেয়াল তৈরি</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a6%bf-%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%95-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%b0/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div id="m#msg-a:r-4145625211313662368" class="mail-message expanded">
<div id="m#msg-a:r-4145625211313662368-header" class="mail-message-header spacer"><strong>অনৈতিক কার্যক্রম বন্ধ করার উদ্যোগে বাধা : বরিশালে ডিসি লেক নিয়ে সরগরম বামেরা </strong></div>
<div id="m#msg-a:r-4145625211313662368-content" class="mail-message-content collapsible zoom-normal mail-show-images ">
<div class="clear">
<div dir="auto">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto"><strong>,বিশেষ প্রতিবেদক </strong></div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">
<div id="attachment_5788" style="width: 310px" class="wp-caption alignleft"><a href="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/10/IMG20250919161244.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-5788" class="size-medium wp-image-5788" src="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/10/IMG20250919161244-300x169.jpg" alt="" width="300" height="169" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/10/IMG20250919161244-300x170.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/10/IMG20250919161244-1024x576.jpg 1024w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/10/IMG20250919161244-768x432.jpg 768w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/10/IMG20250919161244-1536x864.jpg 1536w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/10/IMG20250919161244-70x40.jpg 70w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/10/IMG20250919161244.jpg 1920w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a><p id="caption-attachment-5788" class="wp-caption-text">ডিসি লেকে ঘোড়া চড়ে</p></div>
<p>হঠাৎ করেই ডিসি লেক নিয়ে সরগরম হয়ে উঠেছে বরিশালের বাম ঘরানার রাজনৈতিক দলগুলো। দেয়াল তৈরি শুরুর দুদিন পর তারা এই দেয়াল নির্মাণ বন্ধের আন্দোলনে নেমেছেন। তাদের এই আন্দোলনের নেপথ্যে অন্যকোনো উদ্দেশ্য রয়েছে বলে মনে করছেন একাধিক নগরবাসী। তারা জানান, সম্প্রতি ডাঃ মনীষা চক্রবর্তীর বাবার সম্পত্তির বিষয় তদন্ত দাবী করে আবেদন করেছেন বরিশালের জনৈক ব্যক্তি। গত ২৮ আগস্ট ঐ আবেদনের উপর তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে। যে কারণে ডাঃ মনীষা নগরবাসীর দৃষ্টি অন্যদিকে ব্যস্ত রাখতে চাইছেন বলে জানালেন অনেকে। তবে ঐ ঘটনার সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই বলে জানিয়েছে প্রশাসন।</p>
</div>
<div dir="auto">ঘটনার অনুসন্ধানে জানা যায়, বরিশাল নগরীর ঐতিহ্যবাহী বেলস পার্ক ঘেঁষে গড়ে ওঠা শতবর্ষী ডিসি লেক দেওয়াল দিয়ে ঘেরার প্রতিবাদে ধারাবাহিক বিক্ষোভ চলছে নগরীতে। নির্মাণ বন্ধের দাবিতে গত এক সপ্তাহ ধরে গণস্বাক্ষর সংগ্রহ কর্মসূচী, মানববন্ধন ও জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপিসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে বাম ঘরানার রাজনৈতিক দলগুলো। সর্বশেষ এ নিয়ে মামলাও করা হয়েছে। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও চলছে জোর প্রতিবাদ। দেওয়াল নির্মাণ বন্ধে গত ৩০ সেপ্টেম্বর নগরীর কাউনিয়া ব্রাঞ্চ রোডের বাসিন্দা মো. হাফিজ আহমেদ বাবলু মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালতে একটি মামলা করেছেন। বিচারক মো. সাদিক আহম্মেদ অভিযোগ আমলে নিয়ে কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মিজানুর রহমানকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, তদন্ত চলমান রয়েছে। শেষ না হওয়া পর্যন্ত দেয়াল নির্মাণ বন্ধ রাখা হয়েছে।</div>
<div dir="auto">অনুসন্ধানে জানা গেছে, নগরীর রাজা বাহাদুর সড়কে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার এবং জেলা ও দায়রা জজের বাসভবনের বিপরীতে বড় জলাধারটি ‘ডিসি লেক’ নামে পরিচিত। সম্প্রতি সেখানের উম্মুক্ত লেকে দুই শিশু খেলা করতে যেয়ে পরে যায়। এছাড়াও সকাল-সন্ধ্যা বখাটে আড্ডা, অসামাজিক কার্যকলাপ, সন্ধ্যার মাদকসেবীদের আড্ডা ও লেকের মাছ চুরির অভিযোগে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে অর্ধেক দেয়াল ও অর্ধেক গ্রিল দিয়ে দৃষ্টিনন্দন উপযোগী করে ঘিরে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয় ডিসি লেক। আবার বেলস পার্কের অংশেও একইরকম দেয়াল শুরু থেকেই রয়েছে দেখা গেছে। কাজ শুরুর দুদিন পর দেয়াল নির্মাণের বিরোধিতা করে প্রথমে চারপাঁচ জনের একটি মানববন্ধন হয় লেকের পারে। লোকের অভাবে চারটার মানববন্ধন শুরু হয় সন্ধ্যার একটু আগে। সেসময় এ নিয়ে অনেকে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন। নগরবাসীর ব্যানারে আয়োজিত মানববন্ধনে নগরবাসীর উপস্থিতি প্রায় নেই বললেই চলে। এভাবেই গত কয়েক দিন ধরে নানা কর্মসূচি পালন করছে বরিশালের বাসদসহ সমমনা কয়েকটি রাজনৈতিক দল। ৫ অক্টোবর এ নিয়ে শিশুদের জড়ো করে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতাও করে তারা। এতে অল্পের জন্য উম্মুক্ত পুকুরে পরে যাওয়া থেকে একজন শিশু প্রতিযোগী রক্ষা পায় বলে জানিয়েছেন চিত্রাঙ্কন দেখতে আসা একজন দর্শক। এ প্রসঙ্গে বাসদ বরিশাল জেলা শাখার সমন্বয়ক ডাঃ মনীষা চক্রবর্তী বলেন, জেলা প্রশাসক আমাদের বলেছেন যে, লেকের মাছ চুরি হচ্ছে। পাশাপাশি সেখানে অসামাজিক কাজ, মাদক সেবন হচ্ছে। তিনি আরও বলেছেন যে, এটা জেলা প্রশাসকের জলাশয়। এটাকে বাউন্ডারি দেয়ার অধিকার জেলা প্রশাসকের আছে। কিন্তু আমরা তাকে বলেছি, সরকারি জলাশয়টিকে সরকারের মুখপাত্র হিসেবে জেলা প্রশাসক উন্নয়ন করতে পারেন কিন্তু দেয়াল দিয়ে আবদ্ধ করতে পারেন না।</div>
<div dir="auto">বরিশাল গণসংহতি আন্দোলনের সমন্বয়ক আব্দুর রশিদ নিলু বলেন, ‘এই লেকটি ডিসির ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়, এটা বরিশালবাসীর সম্পদ। কিন্তু বর্তমান জেলা প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন অনেকটা আমলাতান্ত্রিক প্রভাব দেখিয়ে উন্মুক্ত জলাশয়ে দেয়াল দিয়ে এটিকে অবরুদ্ধ করছেন।’</div>
<div dir="auto">এদিকে বরিশালের জেলা প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন বলেছেন, নারী ও শিশুদের নিরাপত্তার কথা ভেবেই ডিসি লেকের চারপাশে দেয়াল হওয়া জরুরী। এতে সৌন্দর্য বা দর্শনার্থীদের কোনো সমস্যা হবে না।বরং আগের চেয়ে নিরাপদ ও দৃষ্টিনন্দন হবে ডিসি লেক। সেভাবেই দেয়াল তৈরি হচ্ছে জানিয়ে জেলা প্রশাসক আরো বলেন, কাজ শেষ করার আগেই বাধা দিয়ে না বুঝেই অনেকে লেকের সৌন্দর্য বৃদ্ধির পথে অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছেন।</div>
<div dir="auto">তিনি বলেন, আগে কাজটি শেষ করতে দিন, বেলস পার্ক অংশে যেরকম দেয়াল রয়েছে, একইভাবে ঘাট ব্যবহার উপযোগী রেখে চারপাশে দেয়াল হচ্ছে।</div>
<div dir="auto">বরিশালের গণ্যমান্য অনেকেই জেলা প্রশাসকের বক্তব্যে সহমত পোষণ করে বলেছেন, বেলস পার্ক অংশে দেয়াল রয়েছে। একইরকম গ্রীল বসানো দেয়াল হলে ক্ষতি নেই।</div>
<div dir="auto"> ডিসি লেকের ঘাট উম্মুক্ত রেখে, প্রয়োজনে দু&#8217;প্রান্তে দুটো পুকুর ঘাট তৈরি করে দেয়াল হলে আরো ভালো হবে জানিয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা বীরপ্রতীক মহিউদ্দিন মানিক বলেছেন, ডিসি পুকুর বা লেকের সংরক্ষণের জন্য বুক পর্যন্ত দেয়াল হলে ভালো হবে। যাতে দর্শনার্থীদের দেখায় কোনো সমস্যা না হয়। এতে করে লেকের পানিতে ময়লা আবর্জনা, চিপ জাতীয় খাবারের প্যাকেট ফেলা বন্ধ হবে। আবার শিশুরা যখনতখন ছুটে পানিতে পরার ঝুঁকি থাকবেনা। তাছাড়া লেকের পাড়ে বসে অবৈধ ও অনৈতিক কার্যক্রমও বন্ধ হবে বলে জানান  মহিউদ্দিন মানিক।</div>
<div dir="auto">বরিশাল ৫ আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবু নাসের মুহাম্মদ রহমতুল্লাহ বলেন, অবৈধ ও অনৈতিক কার্যক্রম বন্ধ করতে হলে দেয়াল নির্মাণের বিকল্প নেই। তবে লক্ষ্য রাখতে হবে এই দেয়াল যেন লেকের সৌন্দর্য বৃদ্ধির পরিবর্তে দর্শনার্থীদের ভোগান্তি কারণ না হয়। ভ্রমনে আসা নারী শিশুদের নিরাপত্তা সবার আগে নিশ্চিত করতে হবে এবং অবশ্যই চারপাশে ওয়াকওয়ে থাকতে হবে বলে জানান রহমতুল্লাহ।</div>
<div dir="auto">রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও ব্যবসায়ী  মাহবুব খান বলেন, ভরদুপুরে লেকের পাশে স্কুল কলেজের ছেলেমেয়েদের দাপাদাপি শুরু হয়। সন্ধ্যায় বখাটে উৎপাত। ঐ পথে চলতে আমাদের লজ্জা লাগে। এখানে দেয়াল হওয়া জরুরী বলে জানান মাহবুব খান সহ আরো একাধিক নগরবাসী। তবে সকলেই চান দেয়ালের পাশাপাশি দৃষ্টিনন্দন সৌন্দর্যে ভেসে উঠুক ডিসি লেক।</div>
<div dir="auto">ইতিহাস ঘেঁটে জানা যায়, ১৮৯৬ সালে বৃটিশ শাসনামলে নিকোলাস বিটসন বেল বাকেরগঞ্জে (বর্তমানে বরিশাল) জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে কাজে যোগ দেন। তিনি ছিলেন ভারত দরদি বৃটিশ নাগরিক। বরিশালের জন্য তিনি অনেক কল্যাণকর কাজ করে স্মরণীয় হয়ে আছেন। তৎকালীন সমাজসেবক খান বাহাদুর হেমায়েত উদ্দিনের সহযোগিতায় তিনি বরিশালে মুসলিম ছাত্রদের জন্য নির্মাণ করেন বেল ইসলামিয়া হোস্টেল। তরুণদের খেলার জন্য একটি পার্ক প্রতিষ্ঠা করেন। পরে পার্কটির নামকরণ করা হয় বেল&#8217;স পার্ক। এই বেলস পার্ক তৈরির সময় পাশেই একটি পুকুরও খনন করা হয়। যেটি আজ ডিসি লেক হিসেবে পরিচিত। জনশ্রুতি আছে বরিশালে রাজা পঞ্চম জর্জের আগমনকে স্মরণীয় করে তোলার লক্ষ্যে পার্ক ও পুকরটি তৈরি করেন বেল সাহেব। আর একাজে তাকে সহযোগিতা করেন খান বাহাদুর হেমায়েতউদ্দিন।</div>
<div dir="auto">১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের  সময় এই মাঠেই মুক্তিযোদ্ধাদের সমরশিক্ষা দিতেন বরিশালের সেক্টর কমান্ডার মেজর এম এ জলিল। বর্তমানে সেই স্থানটি  স্মরণীয় করে রাখতে সেখানে করা হয়েছে একটি মুক্তমঞ্চ। সাতশ ৫০ ফুট লম্বা ও  পাঁচশ ৫০ ফুট প্রস্থ বেল&#8217;স পার্কটির পূর্ব পাশে বিনোদন উপযোগী করে লেক তৈরি হয়েছে। পশ্চিম পাশে রয়েছে ডিসি লেকের অবস্থান।</div>
<div dir="auto">সবুজ ঘাসে ঢাকা মাঠ, চারদিকের ওয়াকওয়ে, বসার বেঞ্চ, ছোট বড় বাহারী বৃক্ষ,  লেক মিলিয়ে পার্কটি হয়ে উঠেছে অনন্য।</div>
<div dir="auto">বর্তমানে এই জায়গাটি পরিণত হয়েছে বরিশালের একটি পর্যটন কেন্দ্রে। উদ্যানটি ঘেষেই শিশুদের জন্য করা হয়েছে গ্রিন সিটি পার্ক। আর গ্রীণ সিটি পার্কের ঠিক পিছনে দৃষ্টিনন্দন সৌন্দর্য নিয়ে তৈরি হচ্ছে ডিসি লেক। যা অদূর ভবিষ্যতে বরিশালের সৌন্দর্য ও ইতিহাসের সাক্ষী হবে বলে মনে করেন নগরবাসী।</div>
<div dir="auto"></div>
</div>
</div>
</div>
<div id="m#msg-a:r-4145625211313662368-footer" class="mail-message-footer spacer collapsible"></div>
</div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a6%bf-%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%95-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%b0/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা: চালের সাথে নগদ টাকা চান জেলেরা</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%9b-%e0%a6%a7%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b7%e0%a7%87%e0%a6%a7%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%9e%e0%a6%be-%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%b2/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%9b-%e0%a6%a7%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b7%e0%a7%87%e0%a6%a7%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%9e%e0%a6%be-%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%b2/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আরিফ আহমেদ]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 04 Oct 2025 18:31:05 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[বরিশাল বিভাগ]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলার চিঠি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://shahittabazar.com/?p=5768</guid>

					<description><![CDATA[নদী ও সাগরে মাছ ধরায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শুরু : চালের সাথে নগদ টাকা চান জেলেরা/ সাগরে ভারতীয় জেলেদের প্রবেশ বন্ধের দাবী বিশেষ প্রতিবেদক  ৪ অক্টোবর মধ্যরাত থেকে বাংলাদেশের নদী<span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%9b-%e0%a6%a7%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b7%e0%a7%87%e0%a6%a7%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%9e%e0%a6%be-%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%b2/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div id="m#msg-a:r759061947621002216" class="mail-message expanded">
<div id="m#msg-a:r759061947621002216-header" class="mail-message-header spacer"><strong>নদী ও সাগরে মাছ ধরায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শুরু : চালের সাথে নগদ টাকা চান জেলেরা/ সাগরে ভারতীয় জেলেদের প্রবেশ বন্ধের দাবী</strong></div>
<div id="m#msg-a:r759061947621002216-content" class="mail-message-content collapsible zoom-normal mail-show-images ">
<div class="clear">
<div dir="auto">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto"><strong>বিশেষ প্রতিবেদক </strong></div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto"><a href="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/10/IMG-20251004-WA0001-scaled.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-5772" src="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/10/IMG-20251004-WA0001-300x200.jpg" alt="" width="300" height="200" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/10/IMG-20251004-WA0001-300x200.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/10/IMG-20251004-WA0001-1024x683.jpg 1024w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/10/IMG-20251004-WA0001-768x512.jpg 768w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/10/IMG-20251004-WA0001-1536x1024.jpg 1536w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/10/IMG-20251004-WA0001-2048x1365.jpg 2048w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>৪ অক্টোবর মধ্যরাত থেকে বাংলাদেশের নদী ও সাগরে সব রকমের মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা জারী করেছে প্রশাসন। নিষেধাজ্ঞা চলাকালে মাথাপিছু ২৫ কেজি চাল বরাদ্দ হয়েছে। কার্ডধারী প্রতিজন জেলে পরিবার পাবেন এই চাল। এ নিয়ে দুশ্চিন্তায় দক্ষিণাঞ্চলের প্রায় চার লাখ জেলে পরিবার। তাদের দাবি, শুধু চাল নয়, নগদ টাকাও সাহায্য প্রয়োজন তাদের। তানা হলে কি করে বাঁচবে একটি পরিবার? শুধু সাদা ভাত কি খাওয়া যায় না গেছে কখনো। সাথে ডাল, তেল, পিঁয়াজ, সবজি, মরিচ এগুলোতো জোগাড় করতে হবে। সেজন্য টাকার প্রয়োজন। কোনো কাজ না থাকলে টাকা কোথায় পাব বলে উল্টো প্রশ্ন করেন একাধিক জেলে। তারউপর বাংলাদেশে নিষেধাজ্ঞা চললেও একইসময় ভারতের জেলেদের সাগরে মাছ ধরা অব্যাহত রয়েছে। তারা যখনতখন বাংলাদেশের জলসীমা ব্যবহার করছে বলে অভিযোগ উপকুলীয় জেলেদের। যদিও চাল নিয়ে জেলেদের দাবী যৌক্তিক মনে করলেও ভারতীয় জেলেদের প্রবেশ মনগড়া বক্তব্য বলে মনে করেন সংশ্লিষ্ট প্রশাসন।</div>
<div dir="auto">অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বরিশাল বিভাগে সরকারি হিসাবে নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা ২ লাখ ৩০ হাজার ৩৮৯ পরিবার। এরমধ্যে বরিশাল জেলায় নিবন্ধিত জেলে রয়েছেন ৪৩ হাজার ২৮৯ জন, পিরোজপুরে ১৭ হাজার ৬৮২, পটুয়াখালীতে ৫০ হাজার ১৩৯, ভোলায় ৮৯ হাজার ৬০০, বরগুনায় ২৬ হাজার ৪৮৯ ও ঝালকাঠিতে ৩ হাজার ২০০ জন। যদিও বেসরকারি পরিসংখ্যান বলছে শুধু ভোলা জেলাতেই এ সংখ্যা দুই লাখের বেশি। বরগুনায় ও পটুয়াখালীতে এ সংখ্যা লাখের উপরে। সত্যি বলতে প্রকৃত জেলেদের সঠিক পরিসংখ্যান সরকারের কাছে নেই বলে জানালেন একাধিক জেলে নেতা।</div>
<div dir="auto">এদিকে ৪ অক্টোবর সকাল ১১টায় বরিশালে কীর্তনখোলা নদীতে নৌর‍্যালী ও সতর্কতা অভিযান পরিচালনা করেছেন বরিশালের জেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তারা। এবারই প্রথম ড্রোন উড়িয়ে নদী পর্যবেক্ষণে রাখার ঘোষণা দিয়েছেন কর্তৃপক্ষ।</div>
<div dir="auto">
<div id="attachment_5771" style="width: 310px" class="wp-caption alignright"><a href="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/10/IMG20240722140740.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-5771" class="size-medium wp-image-5771" src="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/10/IMG20240722140740-300x169.jpg" alt="" width="300" height="169" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/10/IMG20240722140740-300x170.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/10/IMG20240722140740-1024x576.jpg 1024w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/10/IMG20240722140740-768x432.jpg 768w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/10/IMG20240722140740-1536x864.jpg 1536w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/10/IMG20240722140740-70x40.jpg 70w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/10/IMG20240722140740.jpg 1920w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a><p id="caption-attachment-5771" class="wp-caption-text">oplus_0</p></div>
<p>ইলিশের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করতে শুক্রবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছে মা ইলিশ সংরক্ষণের এই অভিযান। আগামী ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত নদী-সাগরে ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে। এবিষয়ে  <strong>বরিশালের জেলা প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন</strong> বলেছেন, নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে জেলেদের সহায়তায় ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় প্রত্যেক জেলেকে ২৫ কেজি করে চাল বিতরণ করা হবে।</p>
</div>
<div dir="auto">তিনি বলেন, জেলেদের জন্য পর্যাপ্ত চাল বরাদ্দ রাখা হয়েছে। গত বছর দু একটি অপ্রিতেকর ঘটনা ঘটেছে। আমরা চাই এ বছর ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা সুষ্ঠ ও শান্তিপূর্ণ ভাবে পালন করবেন জেলেরা। ২২ দিন পর আবার জেলেরা নদীতে মাছ শিকার করতে পারবেন। এ জন্য সবাইকে সচেতন হতে হবে৷</div>
<div dir="auto">ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান সফল করতে বরিশালের জেলা প্রশাসন ও মৎস্য অধিদপ্তরের উদ্যোগে বেলা ১১টায় কীর্তনখোলা নদীতে র‍্যালী বের হয়। র‍্যালীতে প্রশাসনের সাথে মৎস্য অধিদপ্তর, র‌্যাব, নৌ পুলিশ এবং কোস্টগার্ড সদস্যরা অংশ নেন। র‍্যালীতে বরিশালের জেলা প্রশাসক, পুলিশের ঊর্ধত্বন কর্মকর্তা, মৎস্য কর্মকতারা উপস্থিত ছিলেন। এই র‍্যালী কীর্তনখোলা নদীছাড়াও বেলতলা, শায়েস্তাবাদ অংশের আড়িয়াল খাঁ নদী সহ অনান্য নদী প্রদক্ষিণ করে। এসময় <strong>জেলা মৎস্য কর্মকর্তা রিপন কান্তি ঘোষ</strong> জানান, বরিশালের মেঘনা নদীতে মাছ ধরা বন্ধ রাখতে নৌ পুলিশ ও হিজলা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার উদ্যোগে ড্রোন উড়িয়ে নজর রাখা হবে। এছাড়া অভিযান পরিচালনার জন্য জেলায় ৩০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে।</div>
<div dir="auto">তিনি আরো জানান, বরিশাল জেলায় মোট জেলের সংখ্যা ৭৯ হাজার ৬২৩ জন। এর মধ্যে কার্ডধারী জেলে ৬৬ হাজার ৫২৪ জন। কার্ডধারি জেলেদের জন্য ১ হাজার ৬৬৩ দশমিক ১ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে প্রত্যেক জেলে ২৫ কেজি করে চাল পাবে। নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে মাছ শিকার করলে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড অথবা ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হবে বলে জানান তিনি।</div>
<div dir="auto">তার এই বক্তব্যের সুত্র ধরে শায়েস্তাবাদ ইউনিয়নের <strong>জেলে সরদার খোরশেদ</strong> বলেন, ২৫ কেজি চাল দিয়ে সরকারি দায়িত্ব শেষ। চালের সঙ্গে আনুষঙ্গিক খাদ্য উপকরণ জেলেরা কোথায় পাবেন তা কি কেউ ভেবেছেন? আমাদের বরিশাল জেলার জেলেরা কোনোভাবে এটা ওটা কাজ জোগাড় করতে পারলেও উপকূলীয় জেলেদের কথা ভাবা উচিত। বিশেষ করে বরগুনা ও ভোলার জেলেদের জীবনযাপনে সম্পূর্ণ জাল নির্ভর।</div>
<div dir="auto">খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সরকারি হিসেব অনুযায়ী বরগুনায় নিবন্ধিত জেলে রয়েছে ৪৬ হাজার। বেসরকারি হিসেবে এ সংখ্যা লক্ষাধিক। এর মধ্যে নিষেধাজ্ঞাকালীন সময় জেলেদের খাদ্য সহায়তা কর্মসূচির আওতায় ৩৬ হাজার জেলেকে ২৫ কেজি করে চাল প্রদান করা হয়। যা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই অপ্রতুল। চাল বিতরণেও রয়েছে স্বজনপ্রীতিসহ নানা অভিযোগ।</div>
<div dir="auto">বরগুনা উপকূলের জেলেরা জানান, মৎস্য সম্পদ রক্ষায় সরকারের নির্দেশনা সবসময় মেনে চলেন তারা। তবে সাগরে না যাওয়ায় আর্থিক অনটনে ভুগেন বেশিরভাগ জেলে। তাছাড়া চালের পাশাপাশি আর্থিক সহায়তা পাওয়ার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানান তারা।</div>
<div dir="auto">তারা আরো বলেন ,মৌসুমের শুরু থেকে এ পর্যন্ত অন্তত একাধিকবার দুর্যোগের কবলে পড়ে এবং মাঝখানে ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞায় সাগরে ঠিক মতো জাল ফেলতে না পারায় কাঙ্ক্ষিত ইলিশ আহরণ করতে পারেননি বরগুনার জেলেরা। ফলে অধিকাংশ ট্রলার মালিক, আড়তদার ও ব্যবসায়ীরা রয়েছেন লোকসানে।</div>
<div dir="auto"><a href="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/10/IMG-20251004-WA0008.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-5773" src="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/10/IMG-20251004-WA0008-300x200.jpg" alt="" width="300" height="200" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/10/IMG-20251004-WA0008-300x200.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/10/IMG-20251004-WA0008-1024x682.jpg 1024w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/10/IMG-20251004-WA0008-768x512.jpg 768w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/10/IMG-20251004-WA0008.jpg 1280w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a></div>
<div dir="auto">নিয়মিত সাগরে মাছ ধরায় অভ্যস্ত <strong>রাফি ট্রলারের মাঝি রতন</strong> বলেন, নিষেধাজ্ঞা শুনে যখন ফিরছিলাম তখনই দেখলাম শত শত ভারতীয় ট্রলার মাছ ধরতেছে এরকম প্রতি বছর তারা বাংলাদেশের নিষেধাজ্ঞার সময় মাছ ধরে নিয়ে যাচ্ছে, যদি এভাবে তারা মাছ ধরতে থাকে তাহলে তো আমরা কোন বছরই মাছ পাবো না তাই সরকারের কাছে দাবি জানাই, যেকোনো উপায়ে  আমাদের জলসীমায় ভারতীয় জেলেদের প্রবেশ বন্ধ করুন।</div>
<div dir="auto">বরগুনার জেলেদের অভিযোগ, সরকার নামমাত্র ২৫ কেজি চাল সহায়তা দিলেও তা অধিকাংশ জেলে পান না । আবার অনেকে জেলে নন, তাঁরাও এ সহায়তা পাওয়ায় প্রকৃত জেলেরা বঞ্চিত হন।</div>
<div dir="auto">বরগুনার আরেক জেলে শামীম মাঝি বলেন, ইলিশ ধরা ২২ দিন নিষেধ। এই নিষেধ চলাকালে সরকারের সব নিয়ম আমরা মেনে চলি, কিন্তু আমাদের দাবি হচ্ছে ভারতীয় জেলেরা আমাদের জলসীমায় জাল পেতে মাছ শিকার করে যাচ্ছে। বাংলাদেশে যখন মাছ শিকারে নিষেধাজ্ঞা থাকে, এ সময় ভারতের জেলেরা অবাধে সাগরে মাছ শিকার করেন। আমরা চাই আমাদের সঙ্গে ওই দেশেরও মাছ শিকার বন্ধ থাকবে।</div>
<div dir="auto">জেলে আলম বলেন, ২০ বছর ধরে সাগরে মাছ ধরি জেলে কার্ড আছে কিন্তু সময়মতো কোন সহযোগিতা পাচ্ছি না ২০ কেজি ২৫ কেজি চাল পাই এতে আমার সংসার চলে না। ছেলে মেয়েদের লেখাপড়া মা-বাবার ঔষধের খরচ, গেল বছর এনজিও থেকে লোন নিয়েছিলাম সেটা এখন পর্যন্ত শোধ করতে পারিনি এ নিয়ে দুশ্চিন্তায় দিন পার করছি।</div>
<div dir="auto"><strong>বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী</strong> বলেন, শুধু মা ইলিশ রক্ষা করলেই হবে না। জেলেদের পাশে সরকারকে দাঁড়াতে হবে। জেলেদের জন্য সরকারের বরাদ্দকৃত যে চাল দেয়া হয় এতে তাদের সংসার চালানো সম্ভব নয়। চালের পাশাপাশি নগদ অর্থও দিতে হবে। অন্যথায় তারা ঋণের বোঝায় জর্জরিত হয়ে পরিবার-পরিজন নিয়ে বিপাকে পড়বেন।</div>
<div dir="auto">একই দাবী ভোলা জেলার প্রায় দুই লাখ জেলে পরিবারের।</div>
<div dir="auto">জেলেদের সঠিক পরিসংখ্যান তৈরির কাজ চলমান রয়েছে জানিয়ে <strong>মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মুহাম্মদ জাবের</strong> বলেছেন, ২৫ কেজি চাল একটি পরিবারের ভাতের নিশ্চয়তা দিলেও আনুষঙ্গিক খাদ্যের নিশ্চয়তা নয়, এটা আমরাও বুঝি। আমরাও মনে করি এটি পর্যাপ্ত কোনো সহযোগিতা নয়। এজন্য জেলেদের নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে উপায় বের করতে হবে। তাদের সঠিক পরিসংখ্যান আগে প্রয়োজন। এ নিয়ে কাজ করছে মন্ত্রণালয় ও মৎস্য অধিদপ্তর। তবে ভারতীয় জেলেদের আমাদের জলসীমায় প্রবেশের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমাদের কোস্টগার্ড, নৌপুলিশের নিয়মিত টহল রয়েছে সাগরে। রয়েছে নৌবাহিনীর টহল। এসব এড়িয়ে আমাদের জলসীমায় প্রবেশ অসম্ভব বলে জানান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের এই সচিব।</div>
<div dir="auto"></div>
</div>
</div>
</div>
<div id="m#msg-a:r759061947621002216-footer" class="mail-message-footer spacer collapsible"></div>
</div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%9b-%e0%a6%a7%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b7%e0%a7%87%e0%a6%a7%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%9e%e0%a6%be-%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%b2/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বরিশালে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জিয়া হায়দার</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%8f%e0%a6%a8%e0%a6%aa%e0%a6%bf-%e0%a6%9a%e0%a7%87%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b0/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%8f%e0%a6%a8%e0%a6%aa%e0%a6%bf-%e0%a6%9a%e0%a7%87%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b0/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 21 Sep 2025 05:51:25 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[বরিশাল বিভাগ]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলার চিঠি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://shahittabazar.com/?p=5748</guid>

					<description><![CDATA[<p>এ দেশের মানুষ পিআর বোঝেন না &#8211; জিয়াউদ্দীন হায়দার</p> <p>বিশেষ প্রতিবেদক</p> <p>বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটির মিলনায়তনে আয়োজিত মিট দ্য রিপোর্টার্স অনুষ্ঠানে ২০ সেপ্টেম্বর শনিবার সাংবাদিকদের সাথে আলোচনা ও মতবিনিময় করেন বিএনপি</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%8f%e0%a6%a8%e0%a6%aa%e0%a6%bf-%e0%a6%9a%e0%a7%87%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b0/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>এ দেশের মানুষ পিআর বোঝেন না &#8211; জিয়াউদ্দীন হায়দার</strong></p>
<p><strong>বিশেষ প্রতিবেদক</strong></p>
<div id="attachment_5749" style="width: 310px" class="wp-caption alignleft"><a href="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/09/IMG20250920132323.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-5749" class="size-medium wp-image-5749" src="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/09/IMG20250920132323-300x169.jpg" alt="" width="300" height="169" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/09/IMG20250920132323-300x170.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/09/IMG20250920132323-1024x576.jpg 1024w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/09/IMG20250920132323-768x432.jpg 768w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/09/IMG20250920132323-1536x864.jpg 1536w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/09/IMG20250920132323-70x40.jpg 70w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/09/IMG20250920132323.jpg 1920w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a><p id="caption-attachment-5749" class="wp-caption-text">oplus_0</p></div>
<p>বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটির মিলনায়তনে আয়োজিত মিট দ্য রিপোর্টার্স অনুষ্ঠানে ২০ সেপ্টেম্বর শনিবার সাংবাদিকদের সাথে আলোচনা ও মতবিনিময় করেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জিয়াউদ্দিন হায়দার স্বপন। এসময় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পিআর পদ্ধতির নির্বাচন দাবী সংক্রান্ত সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এদেশের মানুষ পিআর পদ্ধতি বোঝেন না। তারা মুখ না দেখে ভোট দিতে অভ্যস্ত নয়। বাংলাদেশে পিআর পদ্ধতি বিষয়ে সাধারণ মানুষের কোনো ধারণা নেই। তাছাড়া প্রতিবেশী দেশ নেপালও এই পদ্ধতি থেকে বের হয়ে যেতে চাচ্ছে। তাদের পরিস্থিতি আমাদের জন্য শিক্ষনীয় হতে পারে বলে দাবী করেন বিএনপির এই উপদেষ্টা।<br />
বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটির মিট দ্য রিপোর্টার্স অনুষ্ঠানে<br />
তিনি আরো বলেন, ড ইউনুস এর সরকার, আমাদের সকলের সরকার । এই সরকারের কাজে সহযোগিতা করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।<br />
তিনি বলেন, বিএনপি চায় জ্ঞানভিত্তিক ও উন্নয়নধর্মী বাংলাদেশ। সেই লক্ষ্যেই কাজ করছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও বেকারত্ব দূরকরা আমাদের প্রধান লক্ষ্য দাবী করে তিনি বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে এক কোটি বেকারের কর্মসংস্থান ঘটাবে। সে লক্ষ্যে এখন থেকেই আমাদের কাজ চলছে।<br />
এসময় তিনি বিএনপির ৩১ দফা সম্পর্কে বলেন, দেশের জন্য এখন প্রয়োজন একটি নির্বাচিত সরকার, যার জন্য সরকার ইতোমধ্যে রোডম্যাপ ঘোষণা করেছে। আগামীতে বিএনপি সরকার গঠন করলে ৩১ দফার আলোকে দেশকে নতুনভাবে সাজানো হবে।<br />
জিয়াউদ্দিন হায়দার স্বপন বলেন, বিএনপির শক্তি হলো সাধারণ জনগণ। শত শত মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা কিংবা ব্যানার পোস্টারের রাজনীতি সময় শেষ। এখন অন্যায়, অত্যাচার ও অপরাধের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে দেশের উন্নয়ন সম্ভব। আগামীতে বিএনপি সরকার গঠন করলে প্রত্যেক মানুষের জন্য একটি হেলথ কার্ড চালু করা হবে এবং প্রতিটি পণ্যের জন্য শিল্প স্থাপন করা হবে। দেশের প্রতিটি গ্রাম থেকে খুঁজে খুজে ঐতিহ্যবাহী ও সম্ভাবনাময় পণ্য খুঁজে বের করে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানি করা হবে, যা দেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করবে। বরিশাল অঞ্চলের শীতলপাটির জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বাজার তৈরির জন্য ইতোমধ্যে গবেষণা চলছে। বিএনপি জ্ঞান ও বিজ্ঞানভিত্তিক রাজনীতিতে বিশ্বাস করে এবং সেটিই ভবিষ্যতে বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানান তিনি।<br />
বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি আনিসুর রহমান স্বপন এর সভাপতিত্বে এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক খালিদ সাইফুল্লাহ এবং অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ডেইলি স্টার সাংবাদিক ও রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সুশান্ত ঘোষ। এসময় ঝালকাঠি প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ বরিশালের প্রায় শতাধিক সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%8f%e0%a6%a8%e0%a6%aa%e0%a6%bf-%e0%a6%9a%e0%a7%87%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b0/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>নয়মাসেই বদলে গেছে শেবাচিম: সচল হয়েছে শতাধিক যন্ত্রপাতি </title>
		<link>https://shahittabazar.com/5737-2/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/5737-2/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আরিফ আহমেদ]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 18 Sep 2025 04:37:15 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[কথামালা]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[বরিশাল বিভাগ]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলার চিঠি]]></category>
		<category><![CDATA[বিনোদন]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://shahittabazar.com/?p=5737</guid>

					<description><![CDATA[নয়মাসেই বদলে গেছে শেবাচিম: সচল হয়েছে শতাধিক যন্ত্রপাতি   বিশেষ প্রতিবেদক চমৎকার পরিচ্ছন্ন পরিবেশ। বাহিরে নেই যানবাহনের ভিড়, গাড়ির হর্ন। হকারদের কোলাহল। দালালদের দৌরাত্ম। নেই ঔষধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের মোটরসাইকেলের ভিড়। ভিতরে<span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/5737-2/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div id="m#msg-a:r-6312725020335514951" class="mail-message expanded">
<div id="m#msg-a:r-6312725020335514951-header" class="mail-message-header spacer"><strong>নয়মাসেই বদলে গেছে শেবাচিম: সচল হয়েছে শতাধিক যন্ত্রপাতি </strong></div>
<div id="m#msg-a:r-6312725020335514951-content" class="mail-message-content collapsible zoom-normal mail-show-images ">
<div class="clear">
<div dir="auto">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto"> <strong>বিশেষ প্রতিবেদক</strong></div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto"><a href="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/09/IMG-20250917-WA0016.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-5738" src="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/09/IMG-20250917-WA0016-300x169.jpg" alt="" width="300" height="169" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/09/IMG-20250917-WA0016-300x170.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/09/IMG-20250917-WA0016-1024x576.jpg 1024w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/09/IMG-20250917-WA0016-768x432.jpg 768w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/09/IMG-20250917-WA0016-1536x864.jpg 1536w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/09/IMG-20250917-WA0016-70x40.jpg 70w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/09/IMG-20250917-WA0016.jpg 1599w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>চমৎকার পরিচ্ছন্ন পরিবেশ। বাহিরে নেই যানবাহনের ভিড়, গাড়ির হর্ন। হকারদের কোলাহল। দালালদের দৌরাত্ম। নেই ঔষধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের মোটরসাইকেলের ভিড়। ভিতরে হাসপাতাল ভবনের সিঁড়ি থেকে শুরু করে রোগীদের টয়লেট সবকিছুই এখন চমৎকার পরিচ্ছন্ন পাওয়া গেল ১৭ সেপ্টেম্বর  সরেজমিন অনুসন্ধানে। শুধু তাই নয় ছোটখাটো পরীক্ষানিরীক্ষার জন্য এখন আর কোনো রোগীকে ছুটতে হয়না বাহিরের ডায়াগনস্টিক সেন্টারে। ভিতরেই এখন অনেক গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা করতে পারছেন রোগী ও স্বজনরা। নার্স ও রোগীদের সাথে কথা বলে জানা গেল, বড়ো বড়ো পরীক্ষা যেমন সিটিস্কান, এমআরআই ছাড়া বাকী সব পরীক্ষানিরীক্ষা এখন হাসপাতালের ভিতরেই সম্ভব। এগুলো সহ ক্যান্সার চিকিৎসার সব উপকরণ আনার বিষয়েও কার্যক্রম চলছে বলে জানা গেল। ইতিমধ্যে হার্টের সফল অপারেশন, রিং পড়ানোসহ যাবতীয় চিকিৎসা সেবা সম্পন্ন হয়েছে। এ নিয়ে ভূয়সী প্রশংসা পেয়েছেন হাসপাতালের বর্তমান পরিচালক ব্রিগেডিয়ার <a href="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/09/IMG-20250917-WA0015.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignright wp-image-5739 size-medium" src="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/09/IMG-20250917-WA0015-300x169.jpg" alt="" width="300" height="169" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/09/IMG-20250917-WA0015-300x170.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/09/IMG-20250917-WA0015-1024x576.jpg 1024w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/09/IMG-20250917-WA0015-768x432.jpg 768w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/09/IMG-20250917-WA0015-1536x864.jpg 1536w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/09/IMG-20250917-WA0015-70x40.jpg 70w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/09/IMG-20250917-WA0015.jpg 1599w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>জেনারেল মশিউল মুনীর। বলা যায়, গত ২০ বছরের চিত্র নয়মাসেই বদলে দিয়েছেন তিনি। মশিউল মুনীর গত ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (শেবাচিম) এর পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। কাজে যোগদান করেই তিনি ২৮ নভেম্বর সংবাদ সম্মেলনে হাসপাতালের করুন অবস্থা তুলে ধরেন এবং এ সংক্রান্ত জটিলতা দূর করতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। আশেপাশের লোকজনের অসহযোগিতার কারণে গত জুন ২০২৫ পর্যন্ত হাসপাতালে দৃশ্যমান কোনো উন্নয়ন সম্ভব হয়নি। তবে অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক আনার উদ্যোগ সম্পন্ন করেন। হাসপাতালের পরিবেশ ও উন্নত হয় কিছু। তারপরও গুরুত্বপূর্ণ কাজ এগুচ্ছে না। এমতাবস্থায় বরিশালের নাগরিকদের অভিযোগ ও অসন্তোষ আমলে নিয়ে স্বাস্থ্য খাতের সংস্কারের দাবীতে আন্দোলন শুরু করে ছাত্র জনতা। এরই ধারাবাহিকতায় তিনি  আগস্টে পুনরায় সংবাদ সম্মেলনে তিনমাস সময় চেয়ে ছাত্র জনতার আন্দোলনকে সমর্থন দেন । ৫০ কার্যদিবসের সময় দিয়ে ছাত্র জনতা আন্দোলন স্থগিত করার পর গত ১৫ সেপ্টেম্বর তারা হাসপাতালের অগ্রগতি পরিদর্শনে এসে প্রায় শতাধিক পরীক্ষানিরীক্ষার যন্ত্রপাতি সচলসহ হাসপাতালের পরিবেশ দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন আন্দোলনের বরিশালের সমন্বয়ক সাব্বির হোসেন সোহাগ। এসময় সাব্বির বলেন, সিটিস্কান, এমআরআইসহ ক্যান্সার ও হার্টের জটিল সব পরীক্ষানিরীক্ষা এবং সুচিকিৎসার নিশ্চয়তা পেতে চাই আমরা। পরিচালকের আন্তরিকতা আমাদের ভালো লেগেছে। আমরাও তাকে সহযোগিতা করতে চাই। আশাকরি তিনি শীঘ্রই এই হাসপাতালটিকে আন্তর্জাতিক মানের একটি হাসপাতাল হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেবেন। ঢাকা বা বিদেশে নয়, বরিশালের শেবাচিমেই সব চিকিৎসার সুব্যবস্থা আমরা চাই বলে জানান সাব্বির।</div>
<div dir="auto">তবে শেবাচিম উপপরিচালক নাজিমুল আহসান, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডাঃ উর্মী, ডাঃ মহসিন সহ বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা জানান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মশিউল মুনীর দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই শেবাচিমের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছেন। যার বেশিরভাগ সময়সাপেক্ষ। স্বাস্থ্য খাতের সংস্কারের দাবীতে ছাত্র জনতার আন্দোলন এই ক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকা রাখতে সাহায্য করেছে। যে কাজ হতে ছয় মাস লেগে যেত সেই কাজ দুমাসেই সম্ভব হয়েছে। তারপরও জটিল বিষয়দির জন্য সময় দিতে হবে। ৫০ বছরের অনিয়ম, অপ্রাপ্তি এক বছরে দূর করা যায় না, এজন্য সময় দিতে হবে বলে জানান তারা।</div>
<div dir="auto">বরিশাল তথা দক্ষিনাঞ্চলের চিকিৎসা ব্যবস্থার অন্যতম এই প্রতিষ্ঠানটি ১৯৬৮ সালে চালু হওয়ার পর থেকে ছয় জেলার মানুষের একমাত্র নির্ভরতা হয়ে আছে। প্রায় আড়াই লক্ষ মানুষের নির্ভরতা এই হাসপাতালের দশ শয্যা বিশিষ্ট আইসিইউর সাথে ২০২০ সালে করোনা বিভাগ এর কার্যক্রম শুরু হয় ১৮টি আইসিউ শয্যা ও ১৫০ টি নতুন বেড নিয়ে। সবমিলিয়ে আইসিইউ এখন ২৮ টি এবং শয্যা সংখ্যা ১১৫০টি থাকার কথা। এদিকে প্রচণ্ড ভাবে লোকবল সংকট এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক সংকটে এই হাসপাতালের চিকিৎসা ব্যবস্থা ভেঙে পরেছে বলে অনেকবারই স্বীকার করেছেন সাবেক পরিচালক ডাঃ সাইফুল ইসলামও। এখানের ডাক্তার সংকট এতোটাই যে, রাতে ডাক্তার কক্ষে অবস্থানরত চারজন ইন্টার্নি চিকিৎসক দেখছেন এই ১১৫০ বেড ছাড়াও ফ্লোরিং ও আইসিইউতে অবস্থান করা আরো প্রায় ৫০০ রোগীকে।</div>
<div dir="auto">২০২১ সালে নতুনভাবে করোনা ওয়ার্ড বর্ধিত করে সেখানে চারতলা মেডিসিন ভবন করা হয় এবং সেই ভবনে চারটি লিফট তৈরি হলেও দুটো লিফট চালু আছে । তার একটি শুধু ডাক্তার ও ভিআইপিদের জন্য। অন্যটিতে দীর্ঘ লাইনে রোগীদের চলাচল। এখানে নতুন কিছু ভবন তৈরির প্রস্তাবণা আজ পর্যন্ত ঝুলে আছে। পুরাতন ভবনের নীচতল থেকে উপরতলা পর্যন্ত সংস্কার কাজ হয়েছে তবে তা এখনো ঝুঁকি মুক্ত নয়। সেনাবাহিনী থেকে পরিচালক আসার পর তার কাজেও বাধা সৃষ্টির চেষ্টা করেছে কতিপয় ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিক ও ঠিকাদার। যাদের ষড়যন্ত্র এখনো চলমান। ছাত্র জনতার আন্দোলনে এই ষড়যন্ত্রকারীদের দৌরাত্ম কিছুটা কমলেও এখনো থেমে যায়নি। তবে পরিচালক মশিউল মুনীর দক্ষাতার সাথে মোকাবেলা করছেন এদের সহ হাসপাতালে ঔষধ কোম্পানির রিপ্রেজেনটেটিভ ও দালালদের প্রবেশ। এই মুহূর্তে এদের প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ শেবাচিম চত্বরেও। পরিচ্ছন্নতার পাশাপাশি শেবাচিম এর সব বিভাগেও এসেছে পরিবর্তন। বদল হয়েছে প্রশাসন ও কর্মচারীদের। নতুন হাওয়া লেগেছে প্যাথলজি বিভাগেও। যেসব যন্ত্রপাতি দীর্ঘদিন ধরে অচল পড়ে ছিল, রোগী আর চিকিৎসকের দুঃখ বাড়াচ্ছিল, সেগুলো একে একে ফিরে পেয়েছে কার্যক্ষমতা। একটি দুটি নয়, অন্তত ৯৫টি যন্ত্রপাতি এখন আবার সচল হয়েছে। এর ফলে সেবায় ফিরেছে স্বস্তি। রোগী, নার্স ও চিকিৎসকদের মুখেও হাসি ফুটে উঠেছে। এখন আর অল্পতেই ক্ষেপে ওঠা আচরণ করেন না কোনো নার্স ও চিকিৎসক।</div>
<div dir="auto">হাসপাতালের বারান্দায় রিপোর্টের জন্য অপেক্ষায় থাকা রোগীর স্বজন আল আমীন বললেন, &#8216;আগে চিকিৎসক বললেও পরীক্ষা করা যেত না, মেশিনই ছিল অচল। এখন সেই অচল যন্ত্রে প্রাণ ফিরেছে।&#8217; শুধু রোগীর স্বজন নয়, চিকিৎসক-নার্সরাও বলছেন, অচল যন্ত্র সচলের ফলে হাসপাতালের চিকিৎসা ব্যবস্থার ওপর আস্থা ফিরে আসছে এখন।</div>
<div dir="auto">জানা গেছে, স্বাস্থ্য খাতে সংস্কারের দাবিতে চলমান আন্দোলনের চাপেই প্রশাসন নড়েচড়ে বসেছে। কয়েকদিন আগে ন্যাশনাল ইলেকট্রো ইকুইপমেন্ট মেইনটেন্যান্স ওয়ার্কশপ অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টার (নিমিউ অ্যান্ড টিসি) এর কারিগরি দলকে ডাকা হয়েচিল। পাঁচ দিনের নিরলস পরিশ্রমে তারা সচল করেছেন ৯৫টি অচল মেশিন। শিগগিরই আরো ২০টি গুরুত্বপূর্ণ মেশিন চালু হবার কথা এ সপ্তাহের মধ্যে। আইসিইউ ভেন্টিলেটর থেকে শুরু করে অপারেশন থিয়েটারের অ্যানেসথেসিয়া মেশিন, ব্লাড ব্যাংক রেফ্রিজারেটর, ডেন্টাল ইউনিট, হাই যেন ক্যানুলা, ওটি টেবিল, ইসিজি মেশিনসহ প্রায় সব বিভাগেই এখন চলছে কর্মব্যস্ততা। চক্ষু বিভাগে সচল হয়েছে লেসিক মেশিন। সার্জারিতে সি-আর্ন, রেডিওলজিতে এক্স-রে যন্ত্র সচল হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই চিকিৎসার পরিধি অনেক বেড়ে গেছে।</div>
<div dir="auto">হাসপাতালের টেকনোলজিস্টদের একজন জানালেন, &#8216;প্যাথলজি বিভাগে অনেক পরিবর্তন এসেছে গত দেড়মাসে। অচল, নিথর, মরচে ধরা যন্ত্রগুলো সংস্কারের ফলে হঠাৎ করেই যেন ফিরে পেয়েছে প্রাণ। দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালের রেডিওলজি, ইমেজিং, আইসিইউ কিংবা অপারেশন থিয়েটারের যেসব মেশিন শুধু বোঝা হয়ে পড়ে ছিল, সেগুলো কারিগরি দলের হাতের স্পর্শে আবার সচল হয়ে উঠেছে বলে জানান তারা।</div>
<div dir="auto">ইতিমধ্যেই কারিগরি দলের উপসহকারী প্রকৌশলী হাফিজুর রহমান এর বক্তব্য পাওয়া গেছে জাতীয় দৈনিকে। তিনি বলেছেন, &#8216;শত বাধা সত্বেও আমরা ১৫টি মেশিন সচল করতে পেরেছি। ধাপে ধাপে সিটি স্ক্যান, এনজিওগ্রাম, এন্ডোসকপি, লিখোরিপটরসহ বাকি মেশিনগুলো একে একে চালু হবে। তবে যন্ত্রাংশ আমদানি সময়সাপেক্ষ বিষয়। তাই কয়েকটি মেশিন সচল করতে সময় প্রয়োজন হবে।&#8217;</div>
<div dir="auto">হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম মশিউল মুনীর বলেন, এখন পর্যন্ত ৯৫টি মেশিন সচল হয়েছে। আরো ১৯টি মেশিন অচল আছে।  এর মধ্যে ৯টি মেশিনের যন্ত্রাংশ বিদেশ থেকে আমদানি করতে হবে। অপর মেশিনগুলো সচল করতে বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় হবে। মন্ত্রণালয় থেকে অর্থ বরাদ্দ পাওয়া সাপেক্ষে এগুলো সচল করা হবে। আর আইসিইউ বিভাগের সবকিছু পরিবর্তন করে একদম নতুন করা হয়েছে। এমনকি বেডও বদলে দেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।</div>
<div dir="auto"></div>
</div>
</div>
</div>
</div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/5737-2/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
