গর্বিত বরিশাল চারঃ কীর্তনখোলা নদীর মতোই সম্প্রতি আমাদের অহংকার
“এই নদীতে সাতার কাইটা বড় হইছি আমি
এই নদীতে আমার মায় কলসীতে নেছে পানি
আমার দিদিমা আইসা প্রতিদিন ভোরে
থাল বাটি ধুইয়া গেছে এই নদীর কিনারে
“এই নদীতে সাতার কাইটা বড় হইছি আমি
এই নদীতে আমার মায় কলসীতে নেছে পানি
আমার দিদিমা আইসা প্রতিদিন ভোরে
থাল বাটি ধুইয়া গেছে এই নদীর কিনারে
প্রায় এক দশক ধরে রান্নার কাজে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস বা এলপিজি সিলিন্ডার ব্যবহার করছেন বাংলাদেশের পাইপলাইনের গ্যাস বঞ্চিত মানুষ। বিশেষ করে বরিশাল, খুলনা, যশোর, ময়মনসিংহ, সিলেট ও রংপুর অঞ্চলে সিলিন্ডার
আগামী বিশ বছরেও বরিশাল তথা বাংলাদেশের কোথাও আওয়ামী লীগের বিকল্প হবেনা। কারণ, গত চোদ্দ বছরে তারা অর্থাৎ শেখ হাসিনা সরকার যে উন্নয়ন দেখিয়েছেন তা বিগত কোনো সরকার দেখাতে পারেনি।
একটি জেলার উন্নয়ন চিত্রের সাথে সে জেলার সড়ক, ব্রিজ আর শিল্পকারখানা ই শুধু নির্ভর করেনা। সেই জেলার মানুষের চিন্তা চেতনা, সাহিত্য সংস্কৃতি ও রাজনৈতিক অবস্থাও সমান নির্ভরশীল।
ছাত্র রাজনীতিঃ প্রাসঙ্গিক ভাবনা
শৈশবটা দেখেছি যুদ্ধরত এক দেশ। কঞ্চির মাথায় লাল সবুজের স্বপ্নিল পতাকা বেঁধে তেপান্তরে দৌড়ে বেরিয়েছি দিনমান। কিছুই বুঝিনি, অথচ বুকের মধ্যে অদম্য এক প্রেরণা উঁকিঝুঁকি দিতো
প্রসঙ্গ: শিক্ষিত-বাঙালীর
প্রতারণা ও বিশ্বাসঘাতকতাঃ আর রাজ
বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থার জন্য মোটা দাগ দিয়ে যে কারণটাকে গ্রহণ করেছি সেটি হচ্ছে, তার জনগণের ভাষার অধস্তনতা। বিষয়টা এক সময় এমন
একদিকে বাণভাসা মানুষ। অন্যদিকে রোহিঙ্গা! দেশের অভ্যন্তরে চাল নিয়ে চলছে গভীর সব ষড়যন্ত্র। রাজধানী ঢাকার সবগুলো সড়কের বেহাল দশা, মেয়রদের একজন শুয়ে আসেন হাসপাতালে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কোনদিক সামলাবেন।
বরিশাল সদর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী তালুকদার হাট স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ নিয়োগ বিষয়ের তালবাহানার সংক্রান্ত অভিযোগ গুলো বিভিন্ন দৈনিক ও সংবাদ পোর্টালে পড়ে, এলাকার ছোটভাই-বোন ও সন্তান-সমদের শিক্ষার ভবিষ্যত বিষয়ে আতঙ্কিত
হায় বাংলাদেশ!
এই বুঝি তোর স্বাধীনতার জয় গান।
বিবেকবাণের জাগ্রত বিবেকে
এখানে এখন লেগেছে আগুন।
কসম তোমার, ঈশ্বর-আল্লাহ আর ভগবানের
একটু হেঁটে দেখ অতীতের স্মৃতি…
ওহে
সাহিত্য বাজারের নিয়মিত লেখিকা, শুভানুধ্যায়ী ও বন্ধু নাসরীন জাহান গুরুত্বর অসুস্থ।
তার স্বামী আশরাফ আহমেদ ও একমাত্র সন্তান অর্চি অতন্দ্রিলা তাকে নিয়ে হাসপাতাল আর বাড়িতে দৌড়াচ্ছেন নাওয়া খাওয়া ভুলে। মায়ের