Sharing is caring!
,বিশেষ প্রতিবেদক
অবশেষে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া শুরু হয়েছে। যে কারণে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের দৌড়ঝাঁপ এখন কেন্দ্রীয় কার্যালয় তথা বিএনপির ঢাকা অফিস কেন্দ্রিক। সারাদেশের প্রায় কয়েক হাজার মনোনয়ন প্রত্যাশী ও তাদের সমর্থকদের পদচারণায় মুখরিত এখন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়।
জানা গেছে, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গত সপ্তাহ থেকে প্রার্থীদের সঙ্গে যৌথবৈঠক শুরু করেছেন। ঐক্যের বার্তা দিতে প্রতিটি নির্বাচনী এলাকার সব প্রার্থীকে একসঙ্গে ডাকা হয়েছিল। অভ্যন্তরীণ সূত্র জানিয়েছে, পরবর্তীতে সবার আলাদা আলাদা সাক্ষাৎকার নেওয়া হবে। তবে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেছেন, ‘জরিপ ও মাঠপর্যায়ের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে স্থানীয়ভাবে গ্রহণযোগ্যতা যাদের রয়েছে’ কেবল তাদেরই এই বৈঠকের জন্য ঢাকায় ডাকা হয়েছে। আবার জ্যেষ্ঠ নেতাদের মতে, সারাদেশ থেকে বিএনপির মনোনয়ন চাইছেন প্রায় দেড় হাজার নেতাকর্মী।
স্থায়ী কমিটির সদস্যরা বরিশাল, কুমিল্লা ও রাজশাহীর প্রার্থীদের সঙ্গে দেখা করেছেন এবং মির্জা ফখরুল খুলনা বিভাগের প্রার্থীদের সঙ্গেও আলোচনা শেষ করেছেন। তবে কোনো চূড়ান্ত ঘোষণা এখন পর্যন্ত দেয়া হয়নি। যদিও ইতিমধ্যেই অনেকে বরিশাল বিভাগের মনোনয়ন চূড়ান্ত বলে দাবী করছেন। তবে তা চূড়ান্ত যাচাই-বাছাই বলা যেতে পারে বলে জানিয়েছেন এমরান সালেহ প্রিন্স। তিনি বলেন, চূড়ান্ত হবে তফসিল ঘোষণার পর। এর আগে গ্রীন সিগনাল পেয়েছে বলতে পারেন। তবে এটা মূলত দলীয় প্রার্থী যাকে করা হবে, তার পক্ষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার চূড়ান্ত নোটিশ।
প্রধান উপদেষ্টার পক্ষ থেকে ফেব্রুয়ারীতেই নির্বাচনী হবে – এ ঘোষণার পরপরই জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশসহ কয়েকটি রাজনৈতিক দল তাদের প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করেছে। নির্দিষ্ট আসনে তাদের প্রার্থীদের জনসংযোগও চলছে। যা নিয়ে বিএনপি অভ্যন্তরীণ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও দলীয় প্রচার প্রচারণায় বিভক্তি তৈরি হচ্ছিল। এই অনৈক্য দূর করতেই প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করতে মনোযোগী হয়েছেন বিএনপির উর্ধতন কর্তৃপক্ষ। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এর নির্দেশনা অনুযায়ী সারাদেশে প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করতেই প্রাথমিক যাচাই-বাছাই সম্পন্ন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। এরই ধারাবাহিকতায় বরিশালের ছয় জেলার ২১ আসনের প্রার্থী যাচাই-বাছাই চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে জানা গেছে। কেননা ছয় জেলার প্রায় সাড়ে তিনশত মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্য থেকে সবমিলিয়ে ৫০ জন কে ডাকা হয়েছে ঢাকায়।। কেন্দ্রীয় সুত্রে জানা গেছে, ইতিমধ্যেই বরিশাল জেলার ৬ আসনের জন্য সাক্ষাৎকার দিয়েছেন প্রতি আসনে গড়ে দুজন বা তিনজন। তাদের মধ্যে রয়েছেন…
বরিশাল ১ (গৌরনদী আগৈলঝারা) আসনে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের তালিকায় আছেন দলীয় চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সাবেক এমপি জহির উদ্দিন স্বপন এবং কেন্দ্রীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক আকন কুদ্দুসুর রহমান। এছাড়াও মাঠে প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছেন ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সোবাহান। যদিও গৌরনদী আগৈলঝারার মোট ১২ টি ইউনিয়নে জহির উদ্দিন স্বপন এর জনপ্রিয়তা এখন পর্যন্ত শীর্ষে বলে জানিয়েছেন একাধিক বাসিন্দা।
বরিশাল-২ (উজিরপুর-বানারীপাড়া) আসনে মোটামুটি চূড়ান্ত জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সরফুদ্দিন সান্টু। তবে স্বাস্থ্যগত কিংবা দুর্নীতির মামলার কারণে তাকে নিয়ে জটিলতা হলে কপাল খুলতে পারে কাজী দুলাল হোসেন, রওনাকুল ইসলাম টিপু, লায়ন আকতার সেন্টু অথবা সাইফ মাহমুদ জুয়েলের। এখানেও জনমত যাচাইয়ে সরফুদ্দিন সান্টুর বিকল্প নেই।
বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনে চূড়ান্ত হিসাবে নাম শোনা যাচ্ছে দলের ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাড. জয়নুল আবেদীনের। দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমানও আছেন লড়াইয়ে। তবে সরজমিনে বাবুগঞ্জের মাধবপাশা, দেহেরগতি চাঁদপাশা ইউনিয়ন ঘুরে সাধারণ মানুষের মধ্যে দুজনের কারো প্রতি আস্থা খুঁজে পাওয়া যায়নি।
বরিশাল-৪ (হিজলা- মেহেন্দীগঞ্জ) আসনে স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক রাজিব আহসান রয়েছেন আলোচনার শীর্ষে। এছাড়া গুলশান অফিসে সাক্ষাৎকার দিয়ে এসেছেন সাবেক এমপি ও জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মেজবাহ উদ্দিন ফরহাদ। এখানে মেহেন্দিগঞ্জের শ্রীপুর, ও হিজলা পৌর এলাকায় রাজীব আহসানের জনপ্রিয়তা চোখে পড়েছে।
বরিশাল-৫ (সদর) আসনে সিদ্ধান্তের চূড়ান্ত পর্যায়ে আছেন চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ৫ বারের সাবেক এমপি অ্যাড. মজিবর রহমান ও জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মুহাম্মদ রহমতউল্লাহ। এছাড়া গুলশান অফিসে সাক্ষাৎকার দিয়ে এসেছেন মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুক, জেলা (দক্ষিণ) বিএনপির সদস্য সচিব আবুল কালাম শাহিন ও মহানগর বিএনপির ১নং যুগ্ম আহ্বায়ক আফরোজা নাসরিন। এখানে গত পনের বছর আওয়ামী লীগের সাথে আপোস করে দলীয় নেতৃত্বে ফাটল ধরানোর অভিযোগ মজিবর রহমান সরোয়ার এর বিরুদ্ধে। সে তুলনায় ২০১৮ সাল থেকে আবু নাসের মোঃ রহমতুল্লাহ গ্রামাঞ্চলে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন বলা যায়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বরিশাল ৫ আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী স্থায়ী কমিটির সদস্য আবু নাসের মুহাম্মদ রহমতুল্লাহ বলেন, বরিশাল ৫ আসনের পক্ষে মজিবর রহমান সরোয়ার ভাই ও আমার সাক্ষাৎকার আগে নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি জেলা ও মহানগর নেতাদেরও সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছে। রহমতুল্লাহ আরো বলেন, এই সাক্ষাৎকারের প্রধান বিষয় হচ্ছে দলীয় ঐক্য বৃদ্ধি করা। দল যাকে মনোনয়ন দেবে, তার পক্ষে সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকবো ইনশাআল্লাহ।
এদিকে বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনে মোটামুটি চূড়ান্ত সাবেক এমপি জেলা (দক্ষিণ) বিএনপির আহ্বায়ক আবুল হোসেন। তবে এখানে কেন্দ্রের ডাকে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন ডা. শহিদ হাসান ও জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম রাজন।
বলাবাহুল্য, বরিশাল ৪, ৫, ৬ আসনের বিএনপির জাদরেল প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য মেজবাহ উদ্দিন, মজিবর রহমান সরোয়ার এবং আবুল হোসেন এর শারীরিক অবস্থা খুব একটা ভালো নয়। যে কারণে বয়োজ্যেষ্ঠ এই নেতাদের পাশাপাশি বিকল্প প্রার্থীও খুঁজছেন কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব।
অন্যদিকে বরিশাল বিভাগের ঝালকাঠী-১ (রাজাপুর- কাঁঠালিয়া) আসনে মোটামুটি চূড়ান্ত নিউইয়র্ক বিএনপির সভাপতি সেলিম রেজার মনোনয়ন। এছাড়াও সাক্ষাৎকার দিয়েছেন দলের কেন্দ্রীয় ধর্মবিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম জামাল। মাঠে আছেন ছাত্রদলের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা গোলাম আজম সৈকতসহ কয়েকজন।
ঝালকাঠী-২ (নলছিটি-ঝালকাঠী) আসনে দলের কেন্দ্রীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুল হক নান্নু ও সাবেক এমপি ইলেন ভুট্টোর পাশাপাশি অ্যাড. শাহাদাত হোসাইনের নাম আলোচনায় রয়েছে।
পিরোজপুর-১ (জিয়ানগর-সদর-নাজিরপুর) আসনে মনোনয়নের আলোচনায় শীর্ষে আছেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম খান। এছাড়া কেন্দ্রের ডাকে গুলশান অফিসে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এলিজা জামান, জেলার সদস্য সচিব সাইদুল ইসলাম কিসমত ও সদ্য সাবেক আহ্বায়ক অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন।
পিরোজপুর-২ (ভাণ্ডারিয়া- কাউখালী- স্বরূপকাঠী) আসনে মাহমুদ হোসাইন ভিপি মাহমুদ অথবা ফকরুল আলমের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। এছাড়া মনোনয়ন চাইছেন লাভলু গাজী, সুমন মঞ্জুর, আলবিরুনী সৈকত।
পিরোজপুর-৩ (মঠবাড়িয়া) আসনে মোটামুটি চূড়ান্ত রুহুল আমিন দুলাল।
বরগুনা-১ (সদর-আমতলী- তালতলী) আসনে তালিকার শীর্ষে আছেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম মোল্লা। এছাড়া ঢাকায় সাক্ষাৎকার দিয়েছেন যুগ্ম আহ্বায়ক হুমায়ুন কবির শাহিন, কেন্দ্রীয় নেতা ফিরোজ উজ জামান মামুন।
বরগুনা-২ (বামনা-বেতাগী- পাথরঘাটা) আসনে চূড়ান্ত প্রার্থী সাবেক এমপি দলের ভাইস চেয়ারম্যান নূরুল ইসলাম মনি।
পটুয়াখালী-১ (সদর-দুমকি- মীর্জাগঞ্জ) আসনে সাবেক মন্ত্রী দলের ভাইস চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন চৌধুরী পাচ্ছেন মনোনয়ন। এছাড়াও জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংশু সরকার কুট্টি, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. মজিবর রহমান টোটন ও সাবেক পৌর মেয়র মুস্তাক আহম্মেদ পিনু গুলশান অফিসে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন।
পটুয়াখালী-২ (বাউফল) সাবেক এমপি শহিদুল আলম তালুকদার এবং দলের কেন্দ্রীয় সহদপ্তর সম্পাদক মুনির হোসেন এর সাক্ষাৎকার চূড়ান্ত হয়েছে। এখানে মাঠে আছেন ইঞ্জিনিয়ার ফারুক তালুকদারসহ কয়েকজন। পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনে মোটামুটি চূড়ান্ত জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হাসান মামুনের মনোনয়ন। তবে জোটের সঙ্গে আসন ভাগাভাগি প্রশ্নে এই আসনটি গণঅধিকার পরিষদের প্রধান সমন্বয়ক নুরুল হক নুরকে দেওয়া হতে পারে বলে আলোচনা রয়েছে।
পটুয়াখালী-৪ (কলাপাড়া-রাঙ্গাবালী) আসনে মোটামুটি চূড়ান্ত দলের কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এবিএম মোশাররফ হোসেন। ভোলা-১ (সদর) আসনে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম নবী আলমগীর অথবা জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হায়দার আলী লেনিন পেতে পারেন মনোনয়ন। এছাড়া আলোচনায় আছেন জেলা সদস্য সচিব রাইসুল আলম। ভোলা-২ (বোরহানউদ্দিন-দৌলতখান) ও ভোলা-৩ (লালমোহন-তজুমদিন) আসনে মোটামুটি চূড়ান্ত জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সাবেক এমপি হাফিজ ইব্রাহিম ও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ।
ভোলা-৪ (চরফ্যাশন-মনপুরা) আসনে যুবদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম নয়ন অথবা জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সাবেক এমপি নাজিমউদ্দিন আলম পাচ্ছেন মনোনয়ন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিএনপির এক কেন্দ্রীয় নেতা বলেন, দলীয় মনোনয়ন প্রশ্নে ৫ আগস্টের পর সক্রিয় হওয়া নেতাদের আমলে নিচ্ছে না দল। সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে স্থানীয় পর্যায়ে জনপ্রিয়তা আর ক্লিন ইমেজের প্রতি।
আবার সাক্ষাৎকার দিয়ে এসেছেন এমন নেতারা বলছেন, বরিশালের ২১ আসনের মধ্যে ১৮টির মনোনয়ন মোটামুটি চূড়ান্ত হলেও যেকোনো মূহুর্তে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন হতে পারে। তাই চূড়ান্ত ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত এ সম্পর্কে আগাম কিছু না বলাই উত্তম মনে করেন নেতৃবৃন্দ। তবে বরিশাল অঞ্চলের ৩টি আসনের ব্যাপারে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত দেয়নি হাইকমান্ড। এরমধ্যে পটুয়াখালী-১ ও পটুয়াখালী-৩সহ বরিশালের একটি আসন রয়েছে বলে জানা গেছে।
বিএনপির কেন্দ্রীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক আকন কুদ্দুসুর রহমান বলেন, নির্বাচন সামনে রেখে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের যাচাই বাছাই চলছে। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী কেন্দ্র থেকে সাক্ষাৎকার নেওয়া হচ্ছে। সব চূড়ান্ত হয়ে গেছে এটা বলা যাবে না। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। তবে এটুকু বলতে পারি, তফশিল ঘোষণার পর মনোনয়ন প্রত্যাহারের পূর্ব পর্যন্ত এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া বলে জানান তিনি।
Sharing is caring!









