জুলাইয়ের বন্ধু কারা? – পিনাকী ভট্টাচার্য
ডাকসু ও জাকসু নির্বাচনে যারা লড়েছিল, বিশেষ করে ভিপি ও জিএস পদে লড়া প্রার্থীদের বেশিরভাগের আইডি আজ ১১ অক্টোবর (শনিবার) একবার চেক করলাম।
ঢাবির ক্ষেত্রে দেখলাম, প্রার্থীদের মধ্যে সাদিক কায়েম, আবদুল কাদের, ফরহাদ ও আবু বাকের ছাড়া কেউ গু/ম ও খু/ন নিয়ে জেনারেলদের বিচারের বিষয়ে পোস্ট তো দূরের কথা, কিছু শেয়ার দেওয়ারও সাহস দেখায়নি।
আবিদ, উমামা, শামীম, মেঘ মোল্লার বসু, হামীম, মায়েদ—কারোর আইডিতেই কিছু পেলাম না।
সংগঠন হিসেবে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ সবার আগে সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছে। তাদের জন্য আমার অনেক ভালোবাসা ও শুভকামনা।
পরবর্তীতে ইসলামী ছাত্রশিবিরও সরাসরি তাদের অবস্থান পরিষ্কার করেছে। শিবিরের জন্যও দোয়া।
সবচেয়ে ভালো কাজ হয়েছে ডাকসু ও জাকসু থেকে সরাসরি বিবৃতি দেওয়া হয়েছে। জাবিতে দেখলাম মানববন্ধনেরও আহ্বান করা হয়েছে।
ইনকিলাব মঞ্চ ও আপ বাংলাদেশের কার্যক্রম ছিল প্রশংসনীয়। ছাত্র সংগঠন ও প্রেসার গ্রুপগুলোর বাইরে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে এনসিপি সবচেয়ে ভালো ভূমিকা রেখেছে। হাসনাত, নাসির পাটোয়ারী, নাহিদ ও আখতারদের দীর্ঘ লড়াই গু/ম ও খু/নের বিচার নিশ্চিতে সাহস জুগিয়েছে।
জাতির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যেগুলোতে আপনি শ/ত্রু ও মিত্র চিনতে পারেন। জুলাইয়ের চেতনা আসলেই কারা ধারণ করে, সেটিও পরিষ্কার হয়ে যায়। সারাদিন ডিপ স্টে/ট, স্ট্যাব/লিশমে/ন্ট ও হাবিজাবি গালগল্প বলা বুদ্ধিজীবী, রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক ও ন/ষ্ট বামদের এমন সময়েই আসল চেহারা প্রকাশ পায়।
বাংলাদেশের সাধারণ জনগণ ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা আসলেই ভুল করে না—তার প্রমাণ তাদের নির্বাচিত ডাকসু ও জাকসুর নির্বাচিত বডি ঐতিহাসিক মুহূর্তে এসে বিবেক বন্ধক দেয়নি।
অত্যন্ত দুঃখজনক হচ্ছে একটি বড় ছাত্র সংগঠনের সব নেতার আইডিতে দেখলাম, গতকাল থেকে শুধু রাকসু ও চাকসু নির্বাচনের প্রচার প্রচারণা চলছে।
খোদাতায়ালা সম্ভবত এদের সাধারণ সময় জ্ঞান ও বিবেকবুদ্ধিও দেননি। এরা বুঝেনা জাতির জন্য সাহসী ভূমিকা নিলে মানুষ হুমড়ি খেয়ে এদের জিতিয়ে দিত।
জেনা/রেলদের ভয়ে যেসব ছাত্রনেতার প্যান্ট ভিজে যায়, তারা ক্ষমতায় গেলে দলীয় প্রধানের ভয়ে তো কথাই বলতে পারবে না।
বাংলাদেশের সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের প্রতি আমার উদাত্ত আহ্বান—আপনারা চাকসু ও রাকসুতে জাতীয় বেঈমানদের ব্যালটে জবাব দিয়ে দিন।
ইনকিলাব জিন্দাবাদ







