আপোষহীন নেত্রীর চিরবিদায়

আরিফ আহমেদ

Sharing is caring!

আপোষহীন নেত্রীর জীবনের অবসান: নেতৃত্ব শূন্য হলো বাংলাদেশ

অগণিত ঝড়-ঝঞ্ঝা, সন্তান হারানোর শোক সহ্য করেও দেশ ছাড়েননি। আপোষহীন উপাধী নিয়ে বটবৃক্ষের ন্যায় দাঁড়িয়ে ছিলেন। গৃহবধূ থেকে বিএনপির হাল ধরে তিন তিনবার প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। তারপর পুরোটাই ইতিহাস। ফ্যাসিবাদের জননী শেখ হাসিনার প্রতিশোধ পরায়নোতার শিকার হয়েও তিনি দেশনেত্রী। অবশেষে সব যন্ত্রণার অবসান ঘটিয়ে রাষ্ট্রীয় ঘোষণানুযায়ী ৩০ ডিসেম্বর মঙ্গলবার সকাল ছয়টায় পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করেছেন এই মহান নেত্রী (ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
১৯৮১ সালের ৩০ মে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিহত হওয়ার পর বিএনপি’র মধ্যে রাজনৈতিক শূন্যতা তৈরি হয়। ঐসময় সেনাপ্রধান এরশাদের ক্ষমতা দখলের ফলে দলটি বিভক্ত হয়ে পড়ে। দলের শীর্ষ নেতা ও কর্মীদের অনুরোধে এবং বিএনপিকে ভাঙনের হাত থেকে রক্ষা করতে ১৯৮২ সালের ৩ জানুয়ারি দলের প্রাথমিক সদস্যপদ গ্রহণ করেন বেগম খালেদা জিয়া।
বিএনপি’র ওয়েবসাইটে দেয়া তথ্য অনুযায়ী ১৯৮২ সালের ৩রা জানুয়ারি একজন গৃহবধূ থেকে রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে খালেদা জিয়ার আত্মপ্রকাশ ঘটে। সেদিন তিনি বিএনপির প্রাথমিক সদস্যপদ লাভ করেন। একই বছর ৭ই নভেম্বর জিয়াউর রহমানের সমাধিস্থলে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে গিয়ে খালেদা জিয়া প্রথম বক্তব্য রাখেন, যা ছিলো অবিস্মরণীয়।
এ প্রসঙ্গে লেখক মহিউদ্দিন আহমদ তাঁর সময়-অসময়’ বইয়ে লিখেছেন বিএনপিতে যোগ দেবার পর থেকে খালেদা জিয়া বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে হাজির হওয়া শুরু করেন।
মহিউদ্দিন আহমদ আরো লিখেছেন, ১৯৮২ সালের ২৮ জানুয়ারি শেরেবাংলা নগরে জাতীয় সংসদের নতুন ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি আব্দুস সাত্তার এবং প্রধানমন্ত্রী শাহ আজিজুর রহমানের সাথে খালেদা জিয়াও উপস্থিত ছিলেন। উনিশশো বিরাশি সালের ২১শে জানুয়ারি বিএনপি’র চেয়ারম্যান নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হয়। দলের মধ্যে তখন এনিয়ে বিভক্তি চলমান ছিলো। দলের তরুণ অংশ চেয়েছিল খালেদা জিয়া দলীয় প্রধান হোক। অন্যদিকে রাষ্ট্রপতি আব্দুস সাত্তারকে বিএনপি’র প্রধান হিসেবে দেখেতে আগ্রহী ছিল তৎকালীন সেনাপ্রধান জেনারেল এরশাদ।
বিএনপির চেয়ারম্যান হবার জন্য একইসাথে প্রার্থী হয়েছিলেন খালেদা জিয়া এবং রাষ্ট্রপতি আব্দুস সাত্তার।
বিএনপির ওয়েবসাইটে তখনকার ঘটনার বর্ণনা তুলে ধরে বলা হয়েছে, “এর ফলে এক বিব্রতকর অবস্থার সৃষ্টি হয়। বিচারপতি সাত্তার দুবার বেগম খালেদা জিয়ার বাসায় যান। বেগম খালেদা জিয়া তাঁকে তরুণ নেতৃত্বের মনোভাবের কথা জানান। এসময় বিচারপতি সাত্তার বেগম খালেদা জিয়াকে দলের সহ-সভাপতির পদ এবং দেশের ভাইস-প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের অনুরোধ জানান। কিন্তু বেগম জিয়া ব্যক্তিগত কারণে তা গ্রহণ করেননি। অবশেষে বিচারপতি সাত্তারের সাথে দীর্ঘ আলোচনার পর বেগম খালেদা জিয়া চেয়ারম্যান পদ থেকে তাঁর প্রার্থীপদ প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নেন।”

উনিশশো বিরাশি সালের ২৪শে মার্চ তৎকালীন সেনাপ্রধান এইচএম এরশাদ এক সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি আব্দুস সাত্তারকে ক্ষমতাচ্যুত করেন। রাজনীতিতে তখন অপ্রয়োজনীয় হয়ে পরেন আঃ সাত্তার। তাঁর বার্ধক্য, অসুস্থতা এবং নিষ্ক্রিয়তার কারণে দল থেকে তিনি আড়ালে চলে যান।
যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে তিনিই বিএনপির চেয়ারম্যান থাকলেও, দল পরিচালনায় খালেদা জিয়ার প্রভাব বাড়তে থাকে। উনিশশো তিরাশি সালের মার্চ মাসে খালেদা জিয়া দলের সিনিয়র ভাইস-চেয়ারম্যান হন এবং এপ্রিল মাসের প্রথমে বিএনপির এক বর্ধিত সভায় তিনি ভাষণ দেন। কিন্তু তৎকালীন বিএনপির কিছু নেতা সেটি পছন্দ করেননি। বিএনপির সেই অংশটি ভিন্ন আরেকটি জায়গায় বৈঠকের আয়োজন করে। সিনিয়র ভাইস-চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনের কয়েকমাস পরেই খালেদা জিয়া দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হন। এ সময় এরশাদ বিরোধী আন্দোলনেও সক্রিয় হয়ে উঠেন বেগম খালেদা জিয়া। ১৯৮৪ সালের ১০ই মে বেগম খালেদা জিয়া বিএনপির চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এ প্রসঙ্গে প্রয়াত রাজনীতিবিদ মওদুদ আহমদ লিখেছেন, খালেদা জিয়া দলের চেয়ারম্যান হোন এটি সামরিক নেতারা, দুই গোয়েন্দা বিভাগ এবং মন্ত্রীসভার দুই গ্রুপ – কেউ চায়নি। প্রভুদের এবং নিজেদের স্বার্থরক্ষার জন্য প্রধানমন্ত্রী শাহ আজিজ অনেকটা জোর করেই বিচারপতি সাত্তারকে দিয়ে মনোনয়নপত্রে সই করান। খালেদা জিয়া যদি তখন বিএনপির হাল না ধরতেন তাহলে বিএনপি নিঃসন্দেহে গভীর সংকটে পতিত হতো বলে লিখেছেন আরেকজন প্রবীণ সাংবাদিক মাহফুজউল্লাহ।
এরশাদ বিরোধী আন্দোলন যখন ধীরে ধীরে জোরালো হচ্ছিল তখন বিএনপির বাইরে অন্য রাজনৈতিক দল থেকে খালেদা জিয়াকে দলের নেতৃত্ব গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়েছিল। এক্ষেত্রে হায়দার আকবর খান রনো এবং রাশেদ খান মেনন ছিলেন অন্যতম। খালেদা জিয়ার সাথে আলোচনার জন্য তারা দুইজন তাঁর তৎকালীন ক্যান্টনমেন্টের বাসায় গিয়েছিলেন।
মি. রনো তাঁর আত্মজীবনী ‘শতাব্দী পেরিয়ে’ বইতে একথা তুলে ধরেছেন।
খালেদা জিয়ার সাক্ষাতের কথা উল্লেখ করে মি. রনো তাঁর বইতে লিখেছেন, “আমরা খালেদা জিয়ার কাছে প্রস্তাব করলাম, আপনি রাজনীতিতে আসুন, বিএনপির হাল ধরুন, এক্ষেত্রে এরশাদের বিরুদ্ধে লড়ব। এরশাদ সম্পর্কে তার ঘৃণা ও ক্ষোভ প্রকাশ পেয়েছিল। কিন্তু সরাসরি রাজনীতি করবেন কী-না সে সম্পর্কে কিছু বললেন না। দেখলাম, তিনি স্বল্পভাষী, তবে আমাদের কথা খুব মনোযোগ দিয়ে শুনছিলেন। কোন কথা ঠিক মতো বুঝতে না পারলে, প্রশ্ন করে ভালো করে বুঝে নিচ্ছিলেন। সবশেষে তিনি বললেন, ভেবে দেখব।”

উনিশশো আশির দশকে জেনারেল এরশাদের সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনের মাধ্যমে দেশজুড়ে খালেদা জিয়ার ব্যাপক পরিচিতি গড়ে উঠে।জেনারেল এরশাদের পতনের পর ১৯৯১ সালে যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল, তাতে বিএনপি জয়লাভ করে এবং প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হন বেগম খালেদা জিয়া।রাজনীতিতে আসার ১০ বছরের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী হন তিনি।
এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের সময় তাঁকে কয়েকবার আটক করা হলেও আন্দোলন থেকে সরে যাননি বিএনপি চেয়ারপারসন।
খালেদা জিয়া তাঁর রাজনৈতিক জীবনে যতগুলো নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন, তার সবগুলোতেই জয়লাভ করেছেন।
খালেদা জিয়ার শাসন আমল, ১৯৯১-৯৬ এবং ২০০১-২০০৬ — এই দুইভাগে ভাগ করেন অনেক রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক।
দুই হাজার এক সালে ক্ষমতাসীন হবার পর থেকে খালেদা জিয়ার সরকার একের পর এক বিতর্কের মুখে পড়ে। সেই বিতর্ক থেকে তাঁর দল ও সরকার আর বেরিয়ে আসতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের রাজনীতিতে পুনরায় সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপ ঘটে। এখানে সেনাবাহিনীর কাছে শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ আত্মসমর্পণ করলেও আপোষহীন নেত্রীর ভূমিকায় অটল ছিলেন বেগম খালেদা জিয়া। খেসারতও দিয়েছেন তিনি। এক সন্তান হারিয়ে দিশেহারা একজন মা বড় সন্তানকে বাঁচাতে বেছে নিয়েছেন কারাগারের জীবন।
বিগত ১৬ বছরে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হয়েছিলো বাংলাদেশের ইতিহাস থেকে জিয়া পরিবারের ভূমিকা মুছে ফেলার। কিন্তু বেগম জিয়ার দৃঢ়তা ও আপোষহীনতার কারণ ৩০ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত বিএনপির নেতৃত্ব অটুট ছিলো এবং এখন পর্যন্ত হাল ধরে আছেন জিয়া পরিবার।
এর আগে এরশাদের শাসন আমলে একযোগে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে নামে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি। সে সময়ে আওয়ামী লীগ ছিলো সবচেয়ে জনপ্রিয় দল। ৮৬ সালে এরশাদ এক নির্বাচন আয়োজন করলেন। আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জামায়াত সিদ্ধান্ত নিলো যে তারা নির্বাচন বর্জন করবে। কিন্তু শেষপর্যন্ত আওয়ামী লীগ ও জামায়াত এরশাদের আয়োজিত ৮৬’র নির্বাচনে অংশ নেয়। আর সে সময় অনেকেই আওয়ামী লীগকে জাতীয় বেইমান বলেও আক্ষ্যায়িত করেন। অনেক সূত্র থেকে জানা যায়, সেই নির্বাচনে অংশ নেয়ার জন্য শেখ হাসিনা তৎকালীন সরকার প্রধান থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়েছিলেন। জাতীয় পার্টি, আওয়ামী লীগ বা জামায়াত নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলেও বিএনপি নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করলো না। করলে হয়ত শেখ হাসিনার মতো বেগম জিয়াও মোটা অংকের টাকা পেতেন। সে সময় থেকেই তাঁকে নাম দেয়া হলো ‘আপোষহীন নেত্রী’। ৮৬’র নির্বাচনে অংশ না নিলেও খালেদা জিয়া তথা বিএনপির জনপ্রিয়তা তখন আকাশচুম্বী। ৯১ সালে এরশাদের পতন হলো। তত্ত্বাবধয়ক সরকারের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো নির্বাচন। ‘আওয়ামী লীগ দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় দল’, এমন বিশ্বাস থেকে শেখ হাসিনা নির্বাচনের আগে থেকেই মন্ত্রিসভা ঠিক করে রেখেছিলেন। কিন্তু জিতে গেলেন বেগম খালেদা জিয়া ও তার দল বিএনপি। অনেক বিশ্লেষকের মতে ৮৬’র নির্বাচনে এরশাদের সাথে আপোষ না করার কারণেই এত জনপ্রিয়তা পেয়েছিলো বিএনপি।
আজ এই মুহূর্তে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এর সামনে ঠিক একই সংকট। একই ইতিহাস ঘুরছে তার চারপাশে। আপোষহীন নেত্রীর পদাঙ্ক অনুসরণ এর বিকল্প নেই তারেক রহমান এর হাতে।
সাধারণ মানুষের কাছে এই মুহূর্তে তারেক রহমান আশার আলো। সকলের প্রত্যাশা – যা হয়েছে, যথেষ্ট। এবার দেশ পুনরুদ্ধার হবে তারেক রহমান এর বিচক্ষণতার প্রমাণ।

Print Friendly, PDF & Email

Sharing is caring!

About the author

ডিসেম্বর ৭১! কৃত্তনখোলার জলে সাঁতার কেটে বেড়ে ওঠা জীবন। ইছামতির তীরঘেষা ভালবাসা ছুঁয়ে যায় গঙ্গার আহ্বানে। সেই টানে কলকাতার বিরাটিতে তিনটি বছর। এদিকে পিতা প্রয়াত আলাউদ্দিন আহমেদ-এর উৎকণ্ঠা আর মা জিন্নাত আরা বেগম-এর চোখের জল, গঙ্গার সম্মোহনী কাটিয়ে তাই ফিরে আসা ঘরে। কিন্তু কৈশরী প্রেম আবার তাড়া করে, তের বছর বয়সে তের বার হারিয়ে যাওয়ার রেকর্ডে যেন বিদ্রোহী কবি নজরুলের অনুসরণ। জীবনানন্দ আর সুকান্তে প্রভাবিত যৌবন আটকে যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আঙ্গিনায় পদার্পন মাত্রই। এখানে আধুনিক হবার চেষ্টায় বড় তারাতারি বদলে যায় জীবন। প্রতিবাদে দেবী আর নিগার নামের দুটি কাব্য সংকলন প্রশ্ন তোলে বিবেকবানের মনে। তার কবিতায়, উচ্চারণ শুদ্ধতা আর কবিত্বের আধুনিকায়নের দাবী তুলে তুলে নেন দীক্ষার ভার প্রয়াত নরেণ বিশ্বাস স্যার। স্যারের পরামর্শে প্রথম আলাপ কবি আসাদ চৌধুরী, মুহাম্মদ নুরুল হুদা এবং তৎকালিন ভাষাতত্ব বিভাগের চেয়ারম্যান ড. রাজীব হুমায়ুন ডেকে পাঠান তাকে। অভিনেতা রাজনীতিবিদ আসাদুজ্জামান নূর, সাংকৃতজন আলী যাকের আর সারা যাকের-এর উৎসাহ উদ্দিপনায় শুরু হয় নতুন পথ চলা। ঢাকা সুবচন, থিয়েটার ইউনিট হয়ে মাযহারুল হক পিন্টুর সাথে নাট্যাভিনয় ইউনিভার্সেল থিয়েটারে। শংকর শাওজাল হাত ধরে শিখান মঞ্চনাটবের রিপোটিংটা। তারই সূত্র ধরে তৈরি হয় দৈনিক ভোরের কাগজের প্রথম মঞ্চপাতা। একইসমেয় দর্শন চাষা সরদার ফজলুল করিম- হাত ধরে নিযে চলেন জীবনদত্তের পাঠশালায়। বলেন- মানুষ হও দাদু ভাই, প্রকৃত মানুষ। সরদার ফজলুল করিমের এ উক্তি ছুঁয়ে যায় হৃদয়। সত্যিকারের মানুষ হবার চেষ্টায় তাই জাতীয় দৈনিক রুপালী, বাংলার বাণী, জনকণ্ঠ, ইত্তেফাক, মুক্তকণ্ঠের প্রদায়ক হয়ে এবং অবশেষে ভোরেরকাগজের প্রতিনিধি নিযুক্ত হয়ে ঘুরে বেড়ান ৬৫টি জেলায়। ছুটে বেড়ান গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে। ২০০২ সালে প্রথম চ্যানেল আই-্র সংবাদ বিভাগে স্থির হন বটে, তবে অস্থির চিত্ত এরপর ঘনবদল বেঙ্গল ফাউন্ডেশন, আমাদের সময়, মানবজমিন ও দৈনিক যায়যায়দিন হয়ে এখন আবার বেকার। প্রথম আলো ও চ্যানেল আই আর অভিনেত্রী, নির্দেশক সারা যাকের এর প্রশ্রয়ে ও স্নেহ ছায়ায় আজও বিচরণ তার। একইসাথে চলছে সাহিত্য বাজার নামের পত্রিকা সম্পাদনার কাজ।