আমি নন্দরাজ…
কাব্য কম্বিা গল্পরাজ
রামায়ন মহাভারত খ্যাত রাজাধরিাজ
রামমোহন কম্বিা চন্দ্রবতী
আমি সুন্দরম;
ময়মনসিংহ আমার নাম।
আমার যা কছিু সুন্দর
সবই তার; তোমার অপেক্ষায়
ওলো মেয়ে তুমিে এলে
র্পূণ হবেে আমার পূণরুত্থান।।
অভিনেত্রী নির্দেশিকা সারা যাকেরকে ময়মনসিংহে আমন্ত্রণ জানাতে এ পঙতিগুলোর জন্ম হয়েছিল গত ২০ এপ্রিল ২০১৪তে। সাহিত্য সংস্কৃতির লীলাভূমি খ্যাত ময়মনসিংহকে নিয়ে লেখা আমার পঙতিটির খুব প্রশংসা করেছিলেন কবি নির্মলেন্দু গুন ও কথাসাহিত্যিক নাসরীন জাহান। কিন্তু এ পঙতিমালার দুর্ভাগ্য এই যে, এটি ফেসবুকে আমার টাইমলাইন ছাড়া কোথাও আর ছাপা হলোনা। সংবাদ, ইত্তেফাক, প্রথমআলোসহ বেশ ক’টি দৈনিকের সাহিত্য সম্পাদকের কাছে অন্য কবিতার সাথে এটিও পাঠালাম। তাদের কেউ কেউ আমার গল্প ছাপলেন, কিন্তু কবিতা একটিও ছাপলেন না।
দীর্ঘসময় পর আবার সুযোগ এলো ময়মনসিংহ দেখার। কথা সাহিত্যিক নাসরীন জাহান ও বন্ধু কবি স্বাধীন চৌধুরীর ঐকান্তিক ডাকে ছুটে যেতেই হলো। তবে এবারের আয়োজন ব্যতিক্রমী এক পাঠচক্রের। ঐতিহ্যবাহী ময়মনসিংহের গর্বিত সাহিত্য সংগঠন ময়মনসিংহ সাহিত্য সংসদের একটি পাঠচক্র সংগঠনের নাম বীক্ষণ। ১৯৮৩ সালের ৮ ফেব্রুয়ারী থেকে যাত্রা শুরু করে ২০১৪ এর নভেম্বরের ৭ তারিখ এ সংগঠনটি পার করল ১৬০০ তম পাঠচক্র বা আসর । আর এ উপলক্ষে শুক্রবার(৭ নভেম্বর)সকাল থেকে দিনব্যাপি উৎসব আয়োজন করেছিলেন সংগঠকরা। কথা সাহিত্যিক নাসরীন জাহান সেই ১৯৮৩ সালে এই বীক্ষণে অংশ নিতেন। এখানে পাঠ করেছেন কবি নির্মলেন্দু গুন সহ অনেক খ্যাতনামা লেখক। বলা যায় অনেকটা স্বাধীনের উৎসাহেই এবার আমার এই কবিতাটির গতি হলো। পাঠ আসরে পঠিত হলো আমি নন্দরাজ….। আর স্মৃতিচারণে এসে নাসরীন জাহান বললেন- এমন নান্দনিক পাঠচক্র পৃথিবীতে বিরল। আমি বিশ্বের অনেক দেশের সাহিত্য আসরে গিয়েছি। কিন্তু ময়মনসিংহের ব্রহ্মপুত্র নদের পারে সবুজ বেষ্টনীর নীচে এমন নান্দনিকতা আর কোথাও দেখিনি। ময়মনসিংহ সাহিত্য সংসদ প্রাঙ্গনে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন,কবি নাট্যকার ফরিদ আহমদ দুলাল। উৎসবের উদ্ভোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন-জাতীয় কবিতা পরিষদের সভাপতি কবি হাবিবুল্লাহ সিরাজী। কবিতার প্রকরন শীর্ষ ক বিষয়ভিত্তিক আলোচক হিসেবে অসুস্থ শরীর নিয়ে ঢাকা থেকে ছুটে আছেন নীল দরিয়া খ্যাত কক্সবাজারের সন্তান কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহের পৌর মেয়র ইকরামুল হক টিটু।
আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে আরো ছিলেন কবি জাহাঙ্গীর ফিরোজ, কবি কামরুল ইসলাম, ছড়াকার এম আর ম›জু, কবি গোলাম মোর্শেদ চন্দন, কবি আশরাফ জুয়েল প্রমুখ।ময়মনসিংহের কবি মোশাররাফ করিম সহ জেলার বিভিন্ন এলাকার কবি-সহিত্যিকগন উপস্থিত থেকে উৎসব আমেজকে প্রানবন্ত করে তোলেন।
দ্বীতিয় পর্বে কবিতাপাঠের আড্ডায় সভাপতিত্ব করেন কবি দ্রুব জ্যোতি ঘোষ মুকুল। উপস্থাপনায় ছিলেন সজল কোরায়শি ও স্বাধীন চৌধুরী। কবিতা পাঠ করেন, কবি মুহাম্মদ নুরুল হুদা, নাসরিন জাহান, রওশন ঝুনু, তপন বর্মন, শামীম সিদ্দিকী, গনি আদম, শারমীন সুলতানা, শাবিহ মাহমুদ, শাহাব উদ্দিন, রোকন শাহরিয়ার সোহাগ, সফিউল্লাহ আনসারী দুর দুরান্ত থেকে আগত কবিরা। অনুষ্ঠান শেষে র্যাফেল ড্র অনুষ্ঠিত হয়। বিক্ষণ উৎসবের আর একটি মজার আয়োজন ছিল ঢুলি রাজ কুমারের চমকপ্রদ ঢোলের বাজনা, যা সারাক্ষণ মাতিয়ে রাখে পুরো আয়োজন।








One thought on “এমন নান্দনিক পাঠচক্র পৃথিবীতে বিরল : নাসরীন জাহান”