<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>রাজনীতি &#8211; সাহিত্য বাজার</title>
	<atom:link href="https://shahittabazar.com/tag/%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a7%80%e0%a6%a4%e0%a6%bf/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://shahittabazar.com</link>
	<description>সাহিত্যের আয়নায় মানুষের মুখ</description>
	<lastBuildDate>Mon, 01 Jun 2026 18:04:33 +0000</lastBuildDate>
	<language>bn-BD</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.9.4</generator>
	<item>
		<title>আহ্বায়ক কমিটি নির্ভর বরিশাল বিএনপি : প্রভাব বিস্তারের দ্বন্দ্বে চলছে বহুমুখী বিভক্তি</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%86%e0%a6%b9%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%95-%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ad%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%b0/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%86%e0%a6%b9%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%95-%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ad%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%b0/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আরিফ আহমেদ]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 30 May 2026 07:13:23 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[প্রবন্ধ]]></category>
		<category><![CDATA[বরিশাল বিভাগ]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলার চিঠি]]></category>
		<category><![CDATA[সাহিত্য]]></category>
		<category><![CDATA[বরিশাল]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিএনপি]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://shahittabazar.com/?p=6017</guid>

					<description><![CDATA[<p>আহ্বায়ক কমিটি নির্ভর বরিশাল বিএনপি : প্রভাব বিস্তারের দ্বন্দ্বে চলছে বহুমুখী বিভক্তি</p> <p>(এটাই হতে পারে উন্নয়নের পথে বাধা) </p> <p>বিশেষ প্রতিবেদক</p> <p>বহুমুখী বিভক্তি ও দ্বন্দ্বে জর্জরিত বরিশাল বিএনপি : উন্নয়নের পথে</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%86%e0%a6%b9%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%95-%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ad%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%b0/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>আহ্বায়ক কমিটি নির্ভর বরিশাল বিএনপি : প্রভাব বিস্তারের দ্বন্দ্বে চলছে বহুমুখী বিভক্তি</strong></p>
<p>(<strong>এটাই হতে পারে উন্নয়নের পথে বাধা) </strong></p>
<p><strong>বিশেষ প্রতিবেদক</strong></p>
<div id="attachment_6019" style="width: 310px" class="wp-caption alignleft"><a href="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2026/05/IMG20260530114127.jpg"><img fetchpriority="high" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-6019" class="size-medium wp-image-6019" src="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2026/05/IMG20260530114127-300x169.jpg" alt="" width="300" height="169" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2026/05/IMG20260530114127-300x170.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2026/05/IMG20260530114127-1024x576.jpg 1024w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2026/05/IMG20260530114127-768x432.jpg 768w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2026/05/IMG20260530114127-1536x864.jpg 1536w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2026/05/IMG20260530114127-70x40.jpg 70w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2026/05/IMG20260530114127.jpg 1920w" sizes="(max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a><p id="caption-attachment-6019" class="wp-caption-text">oplus_0</p></div>
<p><strong>বহুমুখী বিভক্তি ও দ্বন্দ্বে জর্জরিত বরিশাল বিএনপি : উন্নয়নের পথে এটাই প্রধান বাধা </strong></p>
<p><strong>বিশেষ প্রতিবেদক</strong></p>
<p>বরিশালের রাজনীতিতে এখন সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হচ্ছে &#8211; উন্নয়ন নয়, প্রশাসনিক ও সাংগঠনিক নিয়ন্ত্রণ। ক্ষমতার কেন্দ্র কার হাতে থাকবে? তা নিয়ে চলছে নীরব কিন্তু তীব্র বহুমুখী লড়াই। মহানগর ও জেলা উভয় স্থানেই প্রবল নেতৃত্ব সংকটে রয়েছে বিএনপি। তাদের গঠিত সরকারের ১০০ দিন পার হলেও বরিশালে এখনো কোনো একক নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়নি। একক নেতৃত্বই শুধু নয়, এখানে আদৌ কোনো নেতৃত্ব আছে কিনা তা নিয়েও জনমনে রয়েছে সংশয়। আর এ সংশয় গত প্রায় পাঁচ বছর ধরে চলমান। বিশেষ করে বরিশালের রাজনীতি থেকে মজিবর রহমান সরোয়ারকে সরিয়ে নেওয়ার পরপরই শুরু হয়েছে নেতৃত্বের কোন্দল। বহুবার পরিবর্তন ও রদবদল হয়েছে আহ্বায়ক কমিটিও।<br />
গত ১২ ফেব্রুয়ারীর নির্বাচনে বিএনপির জয় লাভের পর থেকে বরিশালে এই নেতৃত্বহীনতা আরো স্পষ্ট হয়েছে। বিশেষ করে বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন বরিশাল সিটি করপোরেশনের (বিসিসি) প্রশাসক নিযুক্ত হওয়ার পর থেকে এ দ্বন্দ্ব যেন অনেকটা প্রকাশ্যে আসতে শুরু করেছে।<br />
বরিশাল ৫ সদর আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মজিবর রহমান সরোয়ার, বরিশাল ১ গৌরনদী আগৈলঝারা আসনের সংসদ সদস্য ও বর্তমান তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন এবং বরিশাল সিটি করপোরেশন (বিসিসি) প্রশাসক ও বিএনপির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন এর বরিশালের কার্যক্রম, তাদের সভা সমাবেশে নেতাকর্মীদের উপস্থিতি৷, বাস টার্মিনাল স্থানান্তর, বাণিজ্য মেলা বন্ধ ও চালু হওয়া সর্বোপরি স্বাস্থ্য মন্ত্রী ও স্বাস্থ্য উপদেষ্টার বরিশালের অন্যতম ২০০ শয্যা বিশিষ্ট শিশু হাসপাতাল পরিদর্শনে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের অনুপস্থিতি নিয়ে চলছে বহুমুখী বিভক্তির ঘ্রাণ। আবার বরিশাল চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি সভাপতি ও বিএনপি নেতা এবায়দুল হক চান ও শিরিনের ইগো দ্বন্দ্বের লড়াই ছিলো বাণিজ্য মেলা নিয়ে।<br />
অন্যদিকে বরিশাল জেলা পরিষদের দায়িত্ব নিয়েও আরেক সাংগঠনিক সম্পাদক আকন কুদ্দুসুর রহমানের দায়িত্ব এড়িয়ে চলা, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব এর আচরণ ইত্যাদি বিষয় পর্যালোচনা করে এটা নিশ্চিত যে এখানে বিএনপির দলীয় রাজনীতি ও প্রশাসনিক বলয়ের ভিতর বহু বিভক্তি স্পষ্ট হয়ে উঠছে।<br />
অনুসন্ধানে দেখা গেছে, গত মার্চ থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত বরিশালের বিভিন্ন মন্ত্রীদের আগমন, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত, উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন, হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা, সিটি করপোরেশনের কার্যক্রম এবং রাজনৈতিক কর্মসূচির নেপথ্যে এই বহুমুখী দ্বন্দ্বের প্রভাব টের পেয়েছেন বরিশালের সাধারণ মানুষও। যে কারণে এ নিয়ে চায়ের দোকানসহ সামাজিক জটলাতেও চলছে মুখরোচক আলোচনা। কেউ কেউ শিরিনের কার্যক্রমকে বাহবা দিলেও চুপিসারে বলছেন, বরিশালের রাজনৈতিক মুরব্বি মজিবর রহমান সরোয়ার। তার সাথে পরামর্শ করেই পদক্ষেপ নেওয়া উচিত শিরিনের। আবার কেউ বলছেন, মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বরিশালে আসলে সরোয়ার বা শিরিন কেউই বরিশালে থাকেন না। আবার জেলা ও মহানগর বিএনপির নেতৃবৃন্দ কাউকেই দেখা যায়নি মন্তী- প্রতিমন্ত্রীর আশেপাশে। এটাও জটিলতা তৈরি করছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন স্বপন বরিশাল ১ আসনের এমপি হলেও তিনিতো এখন বাংলাদেশের প্রতিটি জেলার মন্ত্রী। তার আগমনে বা উপস্থিতিতে সদর আসনের সংসদ সদস্য ও সিটি করপোরেশনের প্রশাসক, জেলা পরিষদের প্রশাসকের অনুপস্থিতি দৃষ্টিকটু। বরং সবাই যখন বিএনপির নেতা, তাদের সবাইকে একই মঞ্চে পাশাপাশি দেখতে চায় সাধারণ মানুষ। তাদের দাবি, বিগত ১৭ বছরের অভিজ্ঞতায় তারা দেখেছেন মেয়র ও সংসদ সদস্যের দ্বন্দ্বে বরিশালের উন্নয়ন বরাদ্দ ফেরত চলে যেতে। তাই কোনোরকম রাজনৈতিক বা ব্যাক্তিগত দ্বন্দ্ব দেখতে রাজী না বরিশালের সাধারণ মানুষ। তাদের অনেকেই আশা করেছিলেন অন্তত ৩০ মে এরকম কিছু হবে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎ বার্ষিকী আয়োজনে। কিন্তু সেখানেও নিরাশা। জেলা ও মহানগর পৃথক পৃথক শোকসভা করে তাদের বিভক্তি আরো বেশি প্রমাণ করলেন। যদিও মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুকের দাবী &#8211; যার যার কর্মসূচি সে সে পালন করবে এটাই স্বাভাবিক। মহানগর আর জেলাতো এক নয়, যে একসাথে কার্যক্রম হতে হবে।<br />
তিনি আরও বলেন, বড় রাজনৈতিক দলের মধ্যে একাধিক প্রতিযোগিতা থাকবে এটা জটিল কিছু নয়। এই প্রতিযোগিতায় অনেক আগাছা পরগাছাও প্রবেশ করবে কিন্তু দিনশেষে তারাই টিকে থাকবে এবং মূল্যায়িত হবেন, যারা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শ ধারণা করেন।<br />
যদিও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অনেকেরই ধারণা ছিল দীর্ঘদিনের প্রভাবশালী নেতা মজিবর রহমান সরোয়ার সহজেই একক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করবেন। কারণ তিনি বরিশাল-৫ আসন থেকে মেয়র ও চার চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন এবং কেন্দ্রীয় রাজনীতিতেও তার অবস্থান অনেক শক্তিশালী। কিন্তু সবাইকে হতাশ করে তার জনসমর্থন দিনকে দিন কমেছে। ১২ ফেব্রুয়ারী তিনি পঞ্চমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেও তা অত্যন্ত দূর্বল কাঠামোর উপর দাঁড়িয়েছে। কেননা সবসময় ২০ হাজারের কাছাকাছি ভোট পাওয়া ইসলামি আন্দোলন প্রার্থী মুফতি মাওলানা ফয়জুল করিম ৯০ হাজারের বেশি ভোট পেয়েছেন। অন্যদিকে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়ে বরিশাল ১ আসনের সংসদ সদস্য জহির উদ্দিন স্বপনের প্রভাব দ্রুত বাড়তে থাকে। একইসঙ্গে বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক হন বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন। এতে প্রশাসনিক ও সাংগঠনিকভাবে আলাদা শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হন তিনি। দীর্ঘদিন রাজনীতির মাঠে সক্রিয় জেলা ও মহানগর বিএনপির অনেক নেতা এতে ক্ষুব্ধ হন এবং কেউ কেউ প্রকাশ্যে শিরিনের বিরোধিতা শুরু করেন। জেলার সাবেক সভাপতি এবং কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এবায়দুল হক চান, মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব জিয়াউদ্দিন সিকদার, সাবেক সদস্য সচিব মীর জাহিদ প্রমুখের মধ্যে স্পষ্ট ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটে। তারা সরাসরি শিরিনের বিরোধিতা না করলেও তাদের অনুসারীদের সরিয়ে নেয়ার অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন উন্নয়ন কাজে বাধা প্রদানের অভিযোগও রয়েছে তাদের অনুসারীদের বিরুদ্ধে। যার প্রমাণ পাওয়া যায়, নথুল্লাবাদ বাস টার্মিনাল স্থানান্তর ও শিশু হাসপাতাল উদ্বোধন পক্রিয়ায়।<br />
স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক কাজী মিজানুর রহমান এর মতে, বরিশালে এখন প্রকাশ্য বিরোধের চেয়ে “নিয়ন্ত্রণের নীরব যুদ্ধ” বেশি চলছে। কে প্রশাসনে প্রভাব রাখবে, কে উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ন্ত্রণ করবে, কে দলীয় কমিটি ও মাঠের কর্মীদের ধরে রাখবে—এসব হিসাবেই রাজনীতি এগোচ্ছে।<br />
আবার রাজনৈতিক বিশ্লেষক মাহবুব খান বলেন, আসলে বরিশালে বিএনপির বিভক্তি গত ৫ বছর ধরেই চলছে। এটা এজন্য যে আহ্বায়ক কমিটি নির্ভর হয়ে এতো দীর্ঘ সময় কাটানো রাজনীতিতে সবাই নিজ নিজ অনুসারী তৈরি করছে। সবাই এখানে এখন বড় নেতা। গত ২৪ সালের ৫ আগস্টের পর দল থেকে বহিস্কৃত নেত্রী বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন হঠাৎ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক হয়েছেন এটা মেনে নিতে অনেকের কষ্ট হয়েছে। তবে শিরিন তার কাজ ও আচরণ দিয়ে সবাইকে জয় করে নিতে শুরু করেছেন। ২৫ মে বিকালে নগর ভবনের মিলনায়তনে তার কিছুটা প্রমাণও পাওয়া গেছে। এখানে জেলা ও মহানগর বিএনপির প্রায় অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। যারা ইতিপূর্বে শিরিনকে এড়িয়ে চলার চেষ্টা করেছেন তাদের অনেকেও ছিলেন বলে জানান রাজনৈতিক বিশ্লেষক মাহবুব খান।<br />
এসবের মধ্যে সম্প্রতি প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন নথুল্লাবাদ বাস টার্মিনাল স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নিলে সংকট আরো প্রকট আকার ধারণ করে। বাস ও ট্রাক মালিক সমিতির নিয়ন্ত্রণ স্থানীয় সংসদ সদস্য মজিবর রহমান সরোয়ার এর আপন ভাই ও শ্যালকের হাতে থাকায়। শিরিনের সিদ্ধান্ত বিরোধী অবস্থান তৈরি হয় এই টার্মিনালকে ঘীরে।<br />
যদিও গত ২০০৬ সাল থেকেই বরিশালের সবচেয়ে আলোচিত ইস্যুগুলোর একটি নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল স্থানান্তর পরিকল্পনা। নগর পরিকল্পনাবিদ ও ট্রাফিক বিশেষজ্ঞদের দীর্ঘদিনের দাবি &#8211; শহরের কেন্দ্র থেকে বাস টার্মিনাল সরিয়ে বাইপাস সংলগ্ন এলাকায় নেওয়া না হলে যানজট, শব্দদূষণ ও জনদুর্ভোগ কমবে না।<br />
২০১৪ সালে প্রয়াত মেয়র শওকত হোসেন হিরন এজন্য উদ্যোগী হন এবং গড়িয়ার পাড়ে নগরীর প্রবেশদ্বার সংলগ্ন সড়কের পাশে সাড়ে বারো একর জমিতে বাস টার্মিনাল স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নিয়ে জমি ক্রয় চূড়ান্ত করেন। পরবর্তীতে এটি ধামাচাপা পরে যায় ও সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ এসে কাশিপুর স্কুল এন্ড কলেজ সংলগ্ন সড়কের পাশে ট্রাক টার্মিনাল তৈরি করে ব্যাপক সমালোচনা তৈরি করেন। এ নিয়ে মামলা এখনো চলমান থাকলেও কলেজ কর্তৃপক্ষ বলেছেন, গড়িয়ার পাড়ে বাস টার্মিনাল স্থানান্তর না হওয়া পর্যন্ত কাশিপুর ট্রাক টার্মিনালকে বাস টার্মিনাল করা যেতে পারে। এতে তাদের কোনো আপত্তি না থাকলেও বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে বাস ও ট্রাক মালিক সমিতির নেতারা। এই টার্মিনাল স্থানান্তরের দাবি নতুন নয়। অন্তত কয়েক বছর ধরেই নগর পরিকল্পনাবিদ, ব্যবসায়ী ও পরিবহন সংশ্লিষ্টদের একটি অংশ এ দাবি জানিয়ে আসছিল। তবে বিএনপি সরকার গঠনের পর সিটি করপোরেশন প্রশাসক বিষয়টি নতুন করে সক্রিয় করলে তা রাজনৈতিক মাত্রা পেতে শুরু করে।<br />
সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের অভিযোগ, সরোয়ার পরিবারের ঘনিষ্ঠ পরিবহন সংশ্লিষ্ট একটি অংশ এই পরিকল্পনার বিরোধিতা শুরু করেছে। অভিযোগ রয়েছে, টার্মিনালকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিনের আর্থিক ও প্রভাবভিত্তিক নিয়ন্ত্রণ হারানোর আশঙ্কা থেকেই এই বিরোধিতা। জানা গেছে ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরপরই বরিশালের বাস ও ট্রাক টার্মিনালের দখল নিয়েছেন বরিশাল-৫ আসনের সংসদ সদস্য মজিবর রহমান সরোয়ারের ঘনিষ্ঠরা। তার ছোট ভাই মোশারফ হোসেন বাস মালিক সমিতির সভাপতি। ট্রাক মালিক সমিতির সভাপতি সাইদুর রহমান মামুন সংসদ সদস্য মজিবর রহমান সরোয়ারের শ্যালক।<br />
পরিবহন খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, নথুল্লাবাদ শুধু একটি টার্মিনাল নয়; এটি বরিশালের অন্যতম বড় অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র। প্রতিদিন শত শত বাস চলাচলের কারণে এখানকার নিয়ন্ত্রণ মানেই শ্রমিক সংগঠন, পরিবহন রুট ও আর্থিক প্রবাহের ওপর প্রভাব। ফলে প্রশাসনিক পর্যায়ে ফাইল অগ্রগতি ধীর হয়ে যায় এবং সিটি করপোরেশনের একাধিক উদ্যোগ কার্যত থমকে পড়ে।<br />
সিটি করপোরেশনের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “টার্মিনাল স্থানান্তর শুধু উন্নয়ন প্রকল্প নয়, এটি বরিশালের প্রভাবের রাজনীতির অংশ হয়ে গেছে। কে নিয়ন্ত্রণ করবে, সেটিই এখন মূল বিষয়।”<br />
সাবেক একজন গুরুত্বপূর্ণ পরিবহন সংশ্লিষ্ট নেতা বলেন, “টার্মিনাল সরানো মানে পুরোনো নিয়ন্ত্রণ কাঠামো বদলে যাওয়া। এজন্য ভেতরে ভেতরে অনেক চাপ কাজ করছে।”<br />
এদিকে আইনজীবী বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন দায়িত্ব নেওয়ার পর নগর পরিচ্ছন্নতা, অবৈধ দখল উচ্ছেদ, হোল্ডিং ট্যাক্স পুনর্বিন্যাস, বাড়ির প্লান হস্তান্তর এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে একাধিক উদ্যোগ নেন। কিন্তু তার প্রশাসনিক কার্যক্রমে দলীয় পর্যায় থেকেই বাধা তৈরি হচ্ছে—এমন অভিযোগ এখন বিএনপির অভ্যন্তরেও আলোচিত বিষয় ।<br />
বরিশাল যুবদল কর্মী ও সাবেক ছাত্রদল নেতা নাজমুল হাসান ছবির বলেন, এখানে এখন প্রতিযোগিতা নয়, প্রতিহিংসার রাজনীতি চলছে। ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়ন না হলে এটি আরো বাড়বে। আর এ জন্য দায়ী দীর্ঘদিন ধরে পূর্ণাঙ্গ কমিটি না থাকা।<br />
তিনি বলেন, যুবদলের পূর্নাঙ্গ কমিটি থাকলেও তা গত সাতবছর ধরে চলমান রয়েছে। জেলা ও মহানগরসহ অংগসংগঠনগুলো বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি নির্ভর। অতিসত্বর এই কমিটি বিলুপ্ত করে নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন কমিটি না হলে এইব বিভক্তি ও দূরত্ব আরো বৃদ্ধি পাবে বলে জানান তিনি।<br />
প্রায় একই দাবী নিয়ে বরিশাল মহানগর যুবদলের সিনিয়র সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম জাহান বলেন, এজন্য দায়ী পূর্নাঙ্গ কমিটি না থাকা। মহানগর ও জেলা বিএনপিসহ সব অংগসংগঠনের পূর্ণাঙ্গ কমিটি হয়ে গেলে এসব উন্নয়ন পদক্ষেপ তরান্বিত হবে। তবে সে কমিটিও হতে হবে গত ১৭ বছর মাঠে থাকা ত্যাগী নেতাদের নিয়ে।<br />
তিনি আরো বলেন, আমি মনে করি, বরিশালের যে কয়েকজন নেতা রয়েছেন স্পীকার, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও সিটি করপোরেশনের প্রশাসকসহ সব সংসদ সদস্যদের নিয়ে একটি বৈঠক হওয়া উচিত। বরিশাল অন্যসব জেলা থেকে উন্নয়নে অনেক পিছিয়ে, তাই সবার আগে বরিশালের উন্নয়নকে প্রাধান্য দিয়ে তাদের ঐক্যবদ্ধ একটি অবস্থান হওয়া জরুরী প্রয়োজন বলে জানান এই যুবদল নেতা।<br />
আবার বরিশাল সিটি করপোরেশনের কয়েকজন সাবেক কাউন্সিলর অভিযোগ করেছেন, আমরা দেখেছি বিসিসি প্রশাসকের আহ্বানে এসে গুরুত্বপূর্ণ সভা বয়কট, প্রকল্প বাস্তবায়নে ধীরগতি তৈরি, ঠিকাদার নিয়ন্ত্রণ এবং মাঠপর্যায়ের কর্মসূচিতে লোক সমাগম কমিয়ে দেওয়ার মতো নীরব অসহযোগিতা চলছে। যদিও প্রকাশ্যে কেউ এ দায় স্বীকার করছেন না।<br />
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন, নিয়োগ, ঠিকাদারি ও উন্নয়ন কার্যক্রমে “কার প্রভাব থাকবে”—তা নিয়েও মহানগর বিএনপির মধ্যে দ্বন্দ্ব লক্ষ্য করা গেছে। সদস্য সচিব জিয়াউদ্দিন সিকদার এর অবস্থানও বিতর্কিত হয়েছে বারবার। প্রশাসনিকভাবে দায়িত্বে থাকলেও রাজনৈতিকভাবে শিরিনকে চাপে রাখার চেষ্টা চলছে বলে তার ঘনিষ্ঠদের অভিযোগ।<br />
অন্যদিকে বিভিন্ন আয়োজনে বেশ কয়েকবার বরিশালে এসেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তার ঐ মঞ্চে সংসদ সদস্য মজিবর রহমান সরোয়ার এবং প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন কিম্বা জেলা পরিষদের প্রশাসক আকন কুদ্দুসুর রহমান এর অনুপস্থিতি জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে। বরিশালে স্বপনের উপস্থিতি কেউ স্বাভাবিক ভাবে নিচ্ছে না বলেও একাধিক অভিযোগ রয়েছে।<br />
একজন সাবেক ছাত্রদল নেতা বলেন, বরিশালে এখন প্রশাসন আর রাজনীতি আলাদা নেই। কে কাকে ছাড়িয়ে যাবে, সেটিই মূল প্রতিযোগিতা। যার প্রমাণ পাওয়া গেছে শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (শেবাচিম) ও নির্মানাধীন শিশু হাসপাতাল ইস্যুতে। শেবাচিম নিয়েও সম্প্রতি যে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে তা হাসপাতালের পরিচালনা পর্ষদ গঠন নিয়ে। স্বাস্থ্য মন্ত্রীর ঘোষণা এবং সভাপতি হিসেবে কারো নাম চূড়ান্ত হয়েছে বলার পরপরই অনুসন্ধানে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনের নাম আলোচনায় আসে। দুদিনের মধ্যে গেজেট হওয়ার কথা থাকলেও অজ্ঞাত কারণে আজ পর্যন্ত তার নাম ঘোষণা বা গেজেট প্রকাশ হয়নি। পাশাপাশি এরপর থেকেই প্রশাসনিক প্রভাব বিস্তারের নতুন হিসাব শুরু হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।<br />
গত মার্চে শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের একটি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা, ডাক্তার ও নার্সের দায়িত্ব অবহেলায় দুজন শিশুর মৃত্যু ঘটনার পর স্বাস্থ্যখাতের অব্যবস্থাপনা ও প্রশাসনিক দুর্বলতা নতুন করে আলোচনায় আসে। এর মধ্যেই নির্মাণাধীন শিশু হাসপাতালকে শেবাচিম হাসপাতালের প্রশাসনিক কাঠামো থেকে পৃথক করার আলোচনা শুরু হলে বিষয়টি রাজনৈতিক রূপ নিতে থাকে। বিশেষ করে নির্মাণাধীন শিশু হাসপাতালকে শেবাচিম হাসপাতালের প্রশাসনিক কাঠামো থেকে পৃথক করার প্রক্রিয়া নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। হাসপাতাল সংশ্লিষ্ট কয়েকজন কর্মকর্তা ও চিকিৎসক মনে করছেন, এটি কেবল প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নয়, বরং নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার অংশ।<br />
একজন চিকিৎসক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “শিশু হাসপাতাল আলাদা হলে নিয়ন্ত্রণও আলাদা হবে। এ কারণে বিভিন্ন পক্ষ সক্রিয় হয়ে উঠেছে।”<br />
অভিযোগ রয়েছে, শেবাচিমের অভ্যন্তরেও শিরিন, স্বপন ও সরোয়ারপন্থী হিসেবে পরিচিত বলয় তৈরি হয়েছে। এছাড়াও প্রভাব রয়েছে মহানগর বিএনপির একাধিক নেতার। এখানে পদায়ন, ঠিকাদারি, ক্রয় প্রক্রিয়া এবং পরিচালনা কমিটিতে প্রভাব বিস্তার নিয়ে নীরব প্রতিযোগিতা চলছে। এমনকি পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মশিউল মুনীর সেনাবাহিনীর লোক হয়েও এদের হাতের পুতুল বলেও একাধিক অভিযোগ রয়েছে। কেননা, ৫ আগস্টের পর পালিয়ে যাওয়া ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ও তাদের লোককে খুঁজে এনে আবারও কাজে লাগানো হয়েছে শেবাচিমে।<br />
হাসপাতাল সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা বলেন, “স্বাস্থ্যখাত এখন শুধু চিকিৎসা ব্যবস্থাপনার বিষয় নয়, বরং রাজনৈতিক প্রভাবের অংশ হয়ে উঠেছে। এরসাথে জড়িত রয়েছে ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর নিয়ন্ত্রণ ও আধিপত্য। কারো কারো জন্যে এখানেও ভোটব্যাংক ফিলোসোফি কাজ করছে বলে জানান সচেতন চিকিৎসকরা।<br />
বিএনপি সরকারের প্রথম ১০০ দিন অতিবাহিত হয়েছে। এই সময়ে বরিশালে বড় ধরনের প্রকাশ্য সংঘাত না হলেও অভ্যন্তরীণ বিভক্তি ক্রমেই দৃশ্যমান হচ্ছে। নগর উন্নয়ন, হাসপাতাল প্রশাসন, দলীয় পূর্নাঙ্গ কমিটি না হওয়া, পরিবহন খাত এবং ঠিকাদারি—সবখানেই এখন “কোন বলয়ের প্রভাব বেশি”—সেই হিসাবে চলছে নেতাকর্মীদের সমাগম ও সমর্থন।<br />
বিশেষ করে—<br />
* সিটি করপোরেশনের উন্নয়নে বড়ো প্রকল্পে ধীরগতি,<br />
* পরিবহন খাতে নিয়ন্ত্রণ প্রশ্ন,<br />
* হাসপাতাল প্রশাসনে বলয়ভিত্তিক অবস্থান,<br />
* দলীয় কর্মসূচিতে আলাদা উপস্থিতি এবং স্থানীয় কমিটি পুনর্গঠনে মতবিরোধ<br />
এসব বিষয় এখন রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে।<br />
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, সরোয়ারের দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক ভিত্তি, স্বপনের মন্ত্রিত্বজনিত প্রশাসনিক প্রভাব এবং শিরিনের সাংগঠনিক ও সিটি করপোরেশন নিয়ন্ত্রণ &#8211; এই তিন শক্তির সংঘাত আগামী দিনে আরও স্পষ্ট হতে পারে। তদুপরি এখন পর্যন্ত আহ্বায়ক কমিটি নির্ভর বরিশালের বিএনপি। বারবার পূর্নাঙ্গ কমিটির প্রতিশ্রুতি পিছিয়ে যাওয়া নেতৃত্বের সংকট তৈরি করছে বলে মনে করেন অনেকেই।<br />
এদিকে সরোয়ার পন্থী কয়েকজন নেতার দাবী, বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করতে জেলা ও মহানগর বিএনপির নেতাদের ঘরে ঘরে ঘুরেছেন, অথচ বরিশালের রাজনৈতিক মুরব্বি ও সিটি করপোরেশনের প্রথম নির্বাচিত মেয়র এর ঘরে যেতে পারেন নাই। তাহলে সমস্যা কার মধ্যে তাতো স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে।<br />
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের একজন শিক্ষক বলেন, “বরিশালে এখন মূল লড়াই আদর্শের নয়, নিয়ন্ত্রণের। কে প্রশাসন, উন্নয়ন ও রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে শেষ কথা বলবে &#8211; তা নিয়েই চলছে প্রতিযোগিতা।”</p>
<p>যদিও এ প্রতিযোগিতায় নিজেকে রাখতে রাজী নয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি বলেন, সদর উপজেলার তালুকদার হাটে আমার নানাবাড়ি। আমি জন্মেছি ওখানে তালুকদার বাড়িতে। আমার ছেলেবেলা কেটেছে বরিশাল জিলা স্কুলে। তাই বরিশাল আমার ভালোবাসার স্থান। আমি মনে করিনা, ওখানে আমার সাথে বা আমার কাজে কারো কোনো দ্বন্দ্ব থাকা উচিত। উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে আমি বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও বিসিসি প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন এবং রাজনৈতিক মুরুব্বি মজিবর রহমান সরোয়ার উভয়ের ডাকেই সাড়া দিতে প্রস্তুত। দলমত নির্বিশেষে সদর উপজেলার সকলের প্রতি আমার গভীর ভালবাসা ও শ্রদ্ধা রয়েছে দাবী করে স্বপন আরো বলেন, স্বার্থ সংশ্লিষ্ট যেকোনো বিষয় আমি এড়িয়ে চলতে পছন্দ করি। বিভক্তি নয়, ঐক্যবদ্ধ বিএনপির নেতৃবৃন্দের জন্য আমার দরজা সবসময় খোলা।<span style="font-weight: 300;">এদিকে সিটি করপোরেশন প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন বাস টার্মিনালটি স্থানান্তরের বিষয়ে অটল। তিনি জানিয়েছেন, খুব শিগগির প্রায় দুই কিলোমিটার দূরে ট্রাক টার্মিনালে অস্থায়ী বাস টার্মিনাল করা হবে। তবে বরিশাল সিটি করপোরেশন ও বিএনপি একই সুতোয় গাঁথা। এখানে কোনো বিভক্তি নেই বলে দাবী করেন তিনি।</span></p>
<p>যদিও তার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে অবস্থান নিয়েছেন জেলা বাস মালিক সমিতি ও জেলা ট্রাক মালিক সমিতি।<br />
বাস মালিক সমিতির ভাষ্য, অন্যত্র স্থায়ী বাস টার্মিনাল না হওয়া পর্যন্ত তারা নথুল্লাবাদ টার্মিনাল ছাড়বেন না। আর ট্রাক মালিক সমিতি বলছে, তাদের জন্য নির্মিত টার্মিনালে বাস রাখতে দেওয়া হবে না। এ দুটি সংগঠন জোটবদ্ধ হয়ে টার্মিনাল স্থানান্তর ঠেকাতে প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গেছে । এরফলে প্রবীণ নেতা মজিবর রহমান সরোয়ারের সাথে দ্বন্দ্বটা প্রকাশ্যে আসতে যাচ্ছে বলে মনে করেন অনেকে।<br />
এ বিষয়ে কথা বলতে বরিশাল ৫ আসনের সংসদ সদস্য সাবেক মেয়র ও হুইপ মজিবর রহমান সরোয়ার এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এই আসনের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি আমি। অথচ আমাকে না জানিয়ে অনেককিছু ঘটছে বা ঘটানো হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক শিষ্টাচারের মধ্যে থেকে সিটি করপোরেশনের প্রশাসককে সবধরনের সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত তিনি। কিন্তু কেউ যদি সহযোগিতা না চেয়ে দূর থেকে অভিযোগ তুলে তার দায় শেষ করে, সেখানে আমার কি করার আছে?</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%86%e0%a6%b9%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%95-%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ad%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%b0/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ব্যাণার পোস্টারে দৃষ্টি ভোটারের: খুঁজছেন সৎ নেতা</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a3%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8b%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%a6%e0%a7%83%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%bf/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a3%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8b%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%a6%e0%a7%83%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%bf/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আরিফ আহমেদ]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 09 Dec 2025 05:28:24 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[ঢাকা বিভাগ]]></category>
		<category><![CDATA[প্রবন্ধ]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলার চিঠি]]></category>
		<category><![CDATA[সাহিত্য]]></category>
		<category><![CDATA[আন্দোলন]]></category>
		<category><![CDATA[নির্বাচন]]></category>
		<category><![CDATA[পোস্টার]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://shahittabazar.com/?p=5850</guid>

					<description><![CDATA[ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ব্যাণার পোস্টারে দৃষ্টি ভোটারের: খুঁজছেন সৎ নেতা বিশেষ প্রতিবেদক  ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীর প্রচারণা সম্বলিত ব্যাণার পোস্টারে গভীর দৃষ্টি রাখছেন সাধারণ মানুষ ও ভোটাররা। তাদের<span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a3%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8b%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%a6%e0%a7%83%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%bf/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div id="m#msg-a:r3293074199624381585" class="mail-message expanded">
<div id="m#msg-a:r3293074199624381585-header" class="mail-message-header spacer"><strong>ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ব্যাণার পোস্টারে দৃষ্টি ভোটারের: খুঁজছেন সৎ নেতা</strong></div>
<div id="m#msg-a:r3293074199624381585-content" class="mail-message-content collapsible zoom-normal mail-show-images ">
<div class="clear">
<div dir="auto">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto"><strong>বিশেষ প্রতিবেদক </strong></div>
<div dir="auto">
<div id="attachment_5851" style="width: 310px" class="wp-caption alignleft"><a href="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/12/1000213582.jpg"><img decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-5851" class="size-medium wp-image-5851" src="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/12/1000213582-300x287.jpg" alt="" width="300" height="287" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/12/1000213582-300x287.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/12/1000213582.jpg 594w" sizes="(max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a><p id="caption-attachment-5851" class="wp-caption-text">Oplus_0</p></div>
</div>
<div dir="auto">ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীর প্রচারণা সম্বলিত ব্যাণার পোস্টারে গভীর দৃষ্টি রাখছেন সাধারণ মানুষ ও ভোটাররা। তাদের অনেকেই বলছেন, ব্যাণার পোস্টারেই সৎ নেতার পরিচয় ফুটে উঠবে এবার। দলীয় চেয়ারপারসন ও প্রার্থীর ছবির সাথে একাধিক ছবি যুক্ত করে প্রচারণা মানেই ঐ প্রার্থীর পোস্টারও সুবিধাবাদীদের দখলে। প্রার্থী নিজে নয়, তার হয়ে অন্যরা চালাচ্ছে প্রচারণা এবং যে চালাচ্ছে তার ছবি প্রার্থীর চেয়ে বড়। তারমানে দলের ভিতরই তার প্রতি ভালোবাসা ও বিশ্বাস কম তা পরিষ্কার হচ্ছে এমন ব্যানার পোস্টারে। তাছাড়া দখল বাণিজ্য ও চিহ্নিত চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের ছবি বা নামের ব্যবহার রয়েছে প্রার্থীর প্রচারণার ব্যানার বা পোস্টারের নীচে, যা তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে বলে জানান একাধিক গ্রামবাসী।</div>
<div dir="auto">অন্যদিকে যে প্রার্থীর ব্যাণার পোস্টারে শুধু তারই একক ছবি ঝুলছে, তারমানে দলীয়ভাবেও তিনি প্রভাবশালী এবং নেতাকর্মীদের ভালোবাসা তার প্রতি রয়েছে বলে জানালেন তারা। যদিও রাজনৈতিক দলের নেতারা বলছেন, তফসিল ঘোষণার পরতো শুধু লিফলেট থাকবে।ব্যানার পোস্টার থাকবে না। তখন সব ঠিক হয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী নেতৃবৃন্দ।</div>
<div dir="auto">আগামী ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘীরে সবগুলো রাজনৈতিক দলের প্রার্থী ঘোষণা চূড়ান্ত হয়েছে। এই ডিসেম্বরের যেকোনো মূহুর্তে তফসিল ঘোষণার আভাসও পাওয়া গেছে। এমন পরিস্থিতিতে নির্বাচনী প্রচারণায় মুখরিত বরিশালসহ বাংলাদেশের প্রতিটি জেলা উপজেলা ও গ্রাম। বলা যায়, নির্বাচনী হাওয়া বইছে বাংলার আকাশে বাতাসে এখন। বিএনপির চেয়ারপারসন ও বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসা সংক্রান্ত জটিলতা ছাড়া বাকী সবকিছু এখন নির্বাচনমুখী। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকেও নিয়েও বিএনপির ভিতর চলছে সংশয়।  তার দেশে আসাটা নির্বাচনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন বেশিরভাগ সাধারণ মানুষও। এসব আলোচনা সমালোচনাকে পাশে রেখে বরিশাল কিম্বা ঢাকা, খুলনা কিম্বা রংপুর যেখানেই দৃষ্টি যায়, সড়ক-মহাসড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে এই মুহূর্তে ঝুলছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীদের প্রচার প্রচারণা নিয়ে হরেকরকম ব্যানার পোস্টার। বিশেষ করে বরিশাল থেকে ঢাকার পথে ইতিমধ্যেই শতাধিক তোরণ তৈরি হয়েছে। যা বেশিরভাগ বিএনপির প্রার্থীদের প্রচারণা কৌশল। মহাসড়ক জুড়ে ঝুলন্ত এসব তোরণ, ব্যানার পোস্টারে প্রার্থীর পাশাপাশি প্রচারকারী নেতা ও তার অনুসারীদের ছবি ও নাম ঝুলছে বিএনপির প্রায় প্রতিজন প্রার্থীর ব্যাণার পোস্টারে। রয়েছে অন্যান্য রাজনৈতিক দল জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি সহ আরো অনেকের প্রচার প্রচারণা।</div>
<div dir="auto">আর এই ব্যাণার- পোস্টারে যদি চোখ বুলানো হয়, তাহলেই ঐ দলটির চরিত্র, দলীয় শৃঙ্খলাসহ অনেককিছু স্পষ্ট হয়ে ওঠে বলে জানান রাজনৈতিক বিশ্লেষকগণও। বরিশালের রাজনৈতিক বিশ্লেষক কাজী মিজানুর রহমান, মাহবুব খান,  ঢাকার সাংবাদিক হাসান শান্তনু, ইয়াসীর আরাফাত, আদিত্য আরাফাতসহ একাধিক বিশ্লেষক বলেছেন, এবারের নির্বাচন হবে পরিবর্তনের নির্বাচন। সাধারণ মানুষ ব্যাণার পোস্টার দেখে প্রার্থীর চরিত্র বুঝে নেবেন। তারউপর চাঁদাবাজি ও দখল বাণিজ্যের ছাপও এই ব্যাণার পোস্টারেই স্পষ্ট হয়ে আছে। সাধারণ মানুষ এ থেকে তাদের প্রার্থী চিনে নিতে পারেন। এমন সম্ভাবনা উড়িয়ে দেয়া যায় না বলে মতামত বিশ্লেষকদের। সরেজমিনে এমনই কিছু ব্যাণার পোস্টারের চিত্র দেখা গেছে বরিশালের উজিরপুর, বাকেরগঞ্জ ও সদর উপজেলায়। আবার রাজধানী ঢাকার মীরপুর ১৪ ও ১৬ আসন ঘুরেও দেখা গেছে একইচিত্র । বরিশাল সদর উপজেলার চাঁদপুরা ইউনিয়নের তালুকদার হাট স্কুল এন্ড কলেজের প্রবেশপথে ঝুলানো বিএনপির প্রার্থী আইনজীবী মজিবর রহমান সরোয়ার এর  পোস্টারের সাথে আরো অনেকের ছবি সাঁটানো । আগে থেকে জানাশুনা না থাকলে মজিবর রহমান সরোয়ার যে কোন ব্যাক্তি তা চিহ্নিত করা মুশকিল। কারণ ৭/৮জনের ছবির ভিতর থেকে তাকে খুঁজে বের করতে হিমশিম খেতে হবে নতুন ভোটারকে।  একইসাথে যদি জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ এর পোস্টারে চোখ বুলানো যায়, তাহলে সেখানে প্রার্থী ছাড়া আর কারো ছবি নেই। এমনকি দলীয় প্রধানের ছবিও ব্যবহার হয়নি প্রার্থীর প্রচারণা পোস্টারে। বরিশাল সদর আসনে বিএনপির প্রার্থী অত্যন্ত প্রভাবশালী এবং ইতিপূর্বে চার চার বার এই আসনের হর্তাকর্তা ছিলেন। আর তার সাথে এবারই প্রথম  প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমেছেন জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ এর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মোয়াযযম হোসাইন হেলাল ও ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ এর নায়েবে আমীর সৈয়দ ফয়জুল করিম। একইচিত্র দেখা গেছে বাকেরগঞ্জ উপজেলার চরামদ্দি ইউনিয়নের বিএনপির প্রার্থী আবুল হোসেন এর প্রচারণা পোস্টারে।</div>
<div dir="auto"><a href="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/12/IMG-20251205-WA0025.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignright size-medium wp-image-5852" src="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/12/IMG-20251205-WA0025-191x300.jpg" alt="" width="191" height="300" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/12/IMG-20251205-WA0025-191x300.jpg 191w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/12/IMG-20251205-WA0025-653x1024.jpg 653w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/12/IMG-20251205-WA0025-768x1204.jpg 768w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/12/IMG-20251205-WA0025-980x1536.jpg 980w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/12/IMG-20251205-WA0025.jpg 1021w" sizes="auto, (max-width: 191px) 100vw, 191px" /></a>অপরদিকে অনেক জল্পনা কল্পনা, দড়ি টানাটানি শেষে বরিশাল ৩ মুলাদি বাবুগঞ্জ আসনে বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য ও ভারবাহী নেতা জয়নাল আবেদীন এর মনোনয়ন চূড়ান্ত হয়েছে। সাথে সাথে তাকে অভিনন্দন জানিয়ে ফেসবুকে ও গণমাধ্যমে বক্তব্য দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অধ্যক্ষ জহির উদ্দিন মুহাম্মদ বাবর। অথচ পরদিনই তাদের প্রার্থীর প্রচারণা পোস্টার নষ্ট করে বিএনপির প্রার্থীর পোস্টার ঝুলানোর অভিযোগ প্রায় প্রতিটি আসনে। সাধারণ গ্রামবাসীর অনেকেই বলছেন, আগামী নির্বাচনে শুধুমাত্র বরিশাল ১ গৌরনদী আগৈলঝারা আসনটি ছাড়া বরিশাল জেলার অন্য পাঁচটি আসনই হাতছাড়া হতে পারে বিএনপির। কেননা প্রতিটি আসনেই নিজেদের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব চরমে তাদের। কোথাও কোথাও ত্রিমুখী সংকটেও রয়েছে বিএনপির প্রার্থী। সে তুলনায় ইসলামি দলগুলোর ঐক্য সাদরে গ্রহণ করছেন সাধারণ মানুষ।</div>
<div dir="auto">এখানে বরিশাল ১ আসনে বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য জহির উদ্দিন স্বপনের কার্যক্রম ও প্রচারণা কৌশলের প্রশংসা করেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হাফেজ মাওলানা কামরুল ইসলাম খান। তিনি নিজেও যথেষ্ট ভালো প্রচারণার সুযোগ পাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন। আবার ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ (ইসা) প্রার্থী মুহাম্মদ রাসেল সরদার মেহেদী এবং জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)র প্রার্থী মাজহারুল ইসলাম নিপুর প্রচার প্রচারণার প্রশংসা করেন বিএনপির প্রার্থী জহিরউদ্দিন স্বপন। যদিও অন্য পাঁচটি আসনে এই সহনশীলতা ও সৌন্দর্য অনুপস্থিত। বিএনপির প্রতিটি প্রচারণা পোস্টারে অসংখ্য নেতাকর্মীর ওয়ার্ড, ইউনিয়ন সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকের ছবির এক কোনায় প্রার্থীর ছবি ঠাই পাচ্ছে। আবার বাস টার্মিনাল এলাকার চাঁদাবাজ হিসেবে চিহ্নিত ব্যক্তিবর্গের ছবি নিয়ে প্রার্থীর পোস্টার হওয়ায় অনেক ভোটারের বিরূপ মন্তব্য &#8211; চাঁদাবাজ নিয়ে যাদের প্রচার প্রচারণা তাদের থেকে কি আশা করা যায়।। ব্যাণারেই রয়েছে আঁকা নেতার পরিচয়।।</div>
<div dir="auto">এ চিত্র দেখা গেছে রাজধানীর ১৫ ও ১৬ আসন ঘুরে। এখানে ১৬ আসনের প্রার্থীর প্রচারণা পোস্টারে তিনি যে কে? তা খুঁজে পেতে রীতিমতো বিএনপি স্থানীয় নেতাদের ডেকে জানতে হয়েছে। কেননা, আমিনুল ইসলাম এর পোস্টারে তার চেয়ে বড় করে ছাপা হয়েছে প্রচারকারী নেতাদের ছবি। পাশাপাশি উদাহরণ হতে পারে ১৪ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আমীর ডাঃ শফিকুল ইসলাম। এ আসনটি আগে আওয়ামী লীগের কামাল মজুমদারের দখলে ছিলো। এবার এটি নিশ্চিত জামায়াতে ইসলামীর আসন হতে যাচ্ছে বলে জানালেন মীরপুরের কাজীপাড়া এলাকার একজন বিএনপি নেতা।</div>
<div dir="auto">ব্যানার পোস্টারে দলীয় প্রার্থী ছাড়া প্রচারকারীদের ছবি অযৌক্তিক দাবী করেন বরিশাল মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুক। তিনি বলেন,  এ রকম বেশকিছু পোস্টার আমি নামিয়ে দিয়েছি। আসলে তফসিল ঘোষণার আগমুহূর্ত পর্যন্ত এসব আটকানো কষ্টকর হবে। তফসিল ঘোষণার পরতো আর কোনো ব্যানার পোস্টার থাকবে না। শুধু লিফলেট বিতরণ করা হবে।</div>
<div dir="auto">তিনি এসময় আরো বলেন, স্কুল কলেজের প্রবেশপথ ও দেয়াল ব্যানার পোস্টার মুক্ত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।</div>
<div dir="auto">এ জাতীয় ব্যানার পোস্টার সম্পর্কে কিছুই জানেন না বিএনপির বরিশাল সদর আসনের প্রার্থী আইনজীবী মজিবর রহমান সরোয়ার এবং ঢাকা ১৬ আসনের প্রার্থী আমিনুল ইসলাম।</div>
<div dir="auto">বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আবু নাসের মুহাম্মদ রহমতুল্লাহ জানালেন, মনোনয়নের আগে বিভিন্ন প্রার্থী সমর্থকদের পোস্টার ছাপা হয়েছিল এভাবেই। মনোনয়ন চূড়ান্ত হবার পর শুধুমাত্র প্রার্থীর ছবি পরিবর্তন করে সমর্থন বদলে দিয়েছে সচেতন কর্মীরা। তফসিল ঘোষণার আগ মুহূর্ত পর্যন্ত এজাতীয় প্রচারণা দোষের নয়। তবে কারা, কোথায় কীভাবে তার প্রচারণা চালাচ্ছে, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই প্রার্থী নিজেও জানেন না এসব কর্মকাণ্ড সম্পর্কে। এ বিষয়ে দলীয় প্রার্থীকেই সচেতন হতে হবে বলে জানান তিনি। এদিকে সাধারণ মানুষের কাছে ইসলামি আন্দোলন ও জামায়াতে ইসলামীর প্রচারণা কৌশল ক্রমশ জনপ্রিয় হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বরিশালের অনেকেই।</div>
</div>
</div>
</div>
<div id="m#msg-a:r3293074199624381585-footer" class="mail-message-footer spacer collapsible"></div>
</div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a3%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8b%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%a6%e0%a7%83%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%bf/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>শপথ শেষে দায়িত্ব নিলেন উপদেষ্টারা: আছেন দূই সমন্বয়ক</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%b6%e0%a6%aa%e0%a6%a5-%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b7%e0%a7%87-%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a7%9f%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ac-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%89%e0%a6%aa/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%b6%e0%a6%aa%e0%a6%a5-%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b7%e0%a7%87-%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a7%9f%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ac-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%89%e0%a6%aa/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[সাহিত্য বাজার]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 09 Aug 2024 00:44:30 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জেলায় জেলায় সাহিত্য]]></category>
		<category><![CDATA[প্রবন্ধ]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলার চিঠি]]></category>
		<category><![CDATA[রাজখবর]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[সাহিত্য]]></category>
		<category><![CDATA[ড ইউনুস]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বৈষম্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://shahittabazar.com/?p=5349</guid>

					<description><![CDATA[<p>শপথ শেষে দায়িত্ব নিলেন উপদেষ্টারা: আছেন দূই সমন্বয়ক</p> <p>বিশেষ প্রতিবেদক</p> <p>বঙ্গভবনের দরবার হলে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টারা শপথ নিয়েছেন। প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে প্রথমে ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে শপথ পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মোঃ</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%b6%e0%a6%aa%e0%a6%a5-%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b7%e0%a7%87-%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a7%9f%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ac-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%89%e0%a6%aa/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>শপথ শেষে দায়িত্ব নিলেন উপদেষ্টারা: আছেন দূই সমন্বয়ক</strong></p>
<p><strong>বিশেষ প্রতিবেদক</strong></p>
<div id="attachment_5350" style="width: 310px" class="wp-caption alignleft"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/08/Screenshot_2024-08-09-00-14-22-53_a23b203fd3aafc6dcb84e438dda678b6.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-5350" class="size-medium wp-image-5350" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/08/Screenshot_2024-08-09-00-14-22-53_a23b203fd3aafc6dcb84e438dda678b6-300x120.jpg" alt="" width="300" height="120" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/08/Screenshot_2024-08-09-00-14-22-53_a23b203fd3aafc6dcb84e438dda678b6-300x120.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/08/Screenshot_2024-08-09-00-14-22-53_a23b203fd3aafc6dcb84e438dda678b6-768x306.jpg 768w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/08/Screenshot_2024-08-09-00-14-22-53_a23b203fd3aafc6dcb84e438dda678b6-1024x408.jpg 1024w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/08/Screenshot_2024-08-09-00-14-22-53_a23b203fd3aafc6dcb84e438dda678b6.jpg 1102w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a><p id="caption-attachment-5350" class="wp-caption-text">শপথ পাঠ করছেন উপদেষ্টারা</p></div>
<p>বঙ্গভবনের দরবার হলে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টারা শপথ নিয়েছেন। প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে প্রথমে ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে শপথ পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন। এরপর বাকি ১৬ উপদেষ্টার মধ্যে ১৩ জন শপথ পাঠ করেছেন। ৮ আগস্ট বৃহস্পতিবার রাত ৯টা ২৭ মিনিটে তারা শপথ নেন। এদিন রাত ৮টায় তাদের শপথ গ্রহণের কথা থাকলেও তা পিছিয়ে দেওয়া হয়।<br />
ফারুক-ই-আযম, বিধান রঞ্জন রায়, সুপ্রদীপ চাকমা ঢাকার বাইরে থাকায় তারা শপথ পাঠের এই আনুষ্ঠানিকতায় উপস্থিত হতে পারেননি বলে জানিয়েছেন মন্ত্রীপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন।<br />
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টাদের মধ্যে রয়েছেন দুজন ছাত্র–সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ ভূঁইয়া ও মো. নাহিদ ইসলাম। তারাও এই সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে শপথ পাঠ করেছেন। এতে সৃষ্টি হলো নতুন ইতিহাস। বাংলাদেশের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো সরকারের সর্বকনিষ্ঠ উপদেষ্টা হলেন তারা। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম দুই সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদের বাড়ি কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার আকুবপুর গ্রামে। তার পিতার নাম মো. বিল্লাল হোসেন ও মাতার নাম রোকসানা বেগম।<br />
আসিফ মাহমুদ (২৬) আদমজী ক্যান্টমেন্ট কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও কলেজটির বিএনসিসি ক্লাবের প্লাটুন সার্জেন্ট ছিলেন। কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সম্পন্ন করে তিনি বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষাবিজ্ঞান বিভাগের স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী।<br />
আর নাহিদ ইসলামের (২৬) ডাকনাম &#8216;ফাহিম&#8217;। তিনি বিবাহিত। তার জন্ম ১৯৯৮ সালে ঢাকায়। বাবা শিক্ষক। ঘর সামলে সন্তানদের মানুষ করেছেন মা। ছোট এক ভাই রয়েছে তাঁর। তিনি সরকারি বিজ্ঞান কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেন। বর্তমানে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজবিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করছেন তিনি।<br />
বাকি উপদেষ্টারা হলেন;-<br />
১। সালেহ উদ্দিন আহমেদ,<br />
২। ড. আসিফ নজরুল,<br />
৩। আদিলুর রহমান খান,<br />
৪। হাসান আরিফ,<br />
৫। তৌহিদ হোসেন,<br />
৬। সৈয়দা রেজওয়ানা হাসান,<br />
৭। মো. নাহিদ ইসলাম,<br />
৮। আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া,<br />
৯। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এম সাখাওয়াত হোসেন,<br />
১০। ফরিদা আখতার,<br />
১১। আ.ফ.ম খালিদ হাসান,<br />
১২। নূর জাহান বেগম,<br />
১৩। শারমিন মুরশিদ</p>
<p><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/08/Screenshot_2024-08-09-00-10-44-00_a23b203fd3aafc6dcb84e438dda678b6.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignright size-medium wp-image-5352" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/08/Screenshot_2024-08-09-00-10-44-00_a23b203fd3aafc6dcb84e438dda678b6-300x203.jpg" alt="" width="300" height="203" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/08/Screenshot_2024-08-09-00-10-44-00_a23b203fd3aafc6dcb84e438dda678b6-300x203.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/08/Screenshot_2024-08-09-00-10-44-00_a23b203fd3aafc6dcb84e438dda678b6-190x130.jpg 190w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/08/Screenshot_2024-08-09-00-10-44-00_a23b203fd3aafc6dcb84e438dda678b6.jpg 642w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a> <a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/08/IMG_20240809_003429.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignright size-medium wp-image-5353" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/08/IMG_20240809_003429-300x150.jpg" alt="" width="300" height="150" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/08/IMG_20240809_003429-300x150.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/08/IMG_20240809_003429-768x385.jpg 768w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/08/IMG_20240809_003429.jpg 928w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>এর আগে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে শপথ গ্রহণ করতে বঙ্গভবনে প্রবেশ করেন শান্তিতে নোবেলবিজয়ী গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস।<br />
বৃহস্পতিবার রাত ৮ টা ২৮ মিনিটে তিনি তার গাড়ি বহর নিয়ে বঙ্গভবনে প্রবেশ করেন। এর আগে বিএনপির নেতৃবৃন্দ, ঢাকায় নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনার এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা বঙ্গভবনে প্রবেশ করেন।<br />
তার আগে দুপুর ২টা ১১ মিনিটে ড. ইউনূসকে বহনকারী ফ্লাইটটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এ সময় বিমানবন্দরে ড. ইউনূসকে স্বাগত জানান সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানসহ তিন বাহিনীর প্রধান, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়করা, নির্বাচন পর্যবেক্ষণকারী, ব্রতীর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন মুরশিদ ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।<br />
এসময় বিমানবন্দরে দাঁড়িয়ে ড. ইউনূস বলেন, গত কয়েকদিনে দেশের মধ্যে যে সহিংসতা হয়েছে সেগুলো ষড়যন্ত্র। এটাকে রোধ করতে হবে। তাদের লাঠিপেটা করলে হবে না। সহিংসতাকারীদের আইনের হাতে তুলে দিতে হবে। কোনো প্রকার প্রতিহিংসামূলক কাজ করা যাবে না।<br />
তিনি বলেন, আমার ওপর যদি আস্থা এবং বিশ্বাস রাখেন তাহলে এটা নিশ্চিত করতে হবে কারো ওপর কোনো প্রকার হামলা করা যাবে না, বিশৃঙ্খলা করা যাবে না। যদি বিশৃঙ্খলা করা হয় তাহলে আমি এই দায়িত্বে থাকব না।<br />
ড. ইউনূস বলেন, নতুন বিজয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ নতুন বিজয় দিবস শুরু করল। আমাদের এখন এগিয়ে যেতে হবে। যারা এটি করেছে তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা, তারা (সমন্বয়করা) দেশকে রক্ষা করেছে।<br />
ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, দেশবাসীর কাছে আমার অনুরোধ, আপনারা যদি আমার ওপরে বিশ্বাস রাখেন, ভরসা রাখেন, তাহলে দেশে কারও ওপর কোনো হামলা আর হবে না। যদি হয়, তাহলে আমি আপনাদের সঙ্গে থাকব না।<br />
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করাকে গুরুত্ব দিয়ে ইউনূস বলেন, যেজন্য আন্দোলন হয়েছে সেটার ফলাফল যেন ব্যর্থ না হয়। পুনর্জন্মে যে বাংলাদেশ পেলাম সে বাংলাদেশ যেন পূর্ণতা পায়। যে বিপ্লবের মাধ্যমে বাংলাদেশ আজ নতুন করে বিজয় পেল তা যেন পূর্ণতা পায়।<br />
এ সময় কান্নাজড়িত কণ্ঠে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, আজকে আমার আবু সাঈদের কথা মনে পড়ছে। যে আবু সাঈদের কথা দেশের প্রতিটি মানুষের মনে গেঁথে আছে। এ ঘটনার মধ্য দিয়ে দেশে দ্বিতীয় স্বাধীনতা এসেছে। এসময় তিনি তরুণ সমাজকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, তরুণ সমাজ যেন নিজেদের মতো করে দেশটা সাজাতে পারে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%b6%e0%a6%aa%e0%a6%a5-%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b7%e0%a7%87-%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a7%9f%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ac-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%89%e0%a6%aa/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ময়মনসিংহ তিনঃ কবি ও অভিনেত্রীর সম্ভাব্য সুদিন</title>
		<link>https://shahittabazar.com/5015-2/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/5015-2/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 30 May 2022 15:18:15 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[রাজখবর]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[পর্যটন]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://shahittabazar.com/?p=5015</guid>

					<description><![CDATA[<p>ময়মনসিংহ ৩ঃ গৌরীপুরে কবি ও অভিনেত্রীর নিরব প্রচারণা   </p> <p>ময়মনসিংহ সদর থেকে সড়কপথে ২০ কিলোমিটার ভেতরে গৌরীপুর উপজেলা। রেলপথে ৩০ কিলোমিটার। একসময় জমিদারদের তীর্থ ভূমি বলা হত ময়মনসিংহের এই গৌরীপুর</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/5015-2/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><b>ময়মনসিংহ ৩ঃ গৌরীপুরে কবি ও অভিনেত্রীর নিরব প্রচারণা  </b><span style="font-weight: 400;"> </span></p>
<div id="attachment_5016" style="width: 310px" class="wp-caption aligncenter"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/IMG_20220530_201206.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-5016" class="size-medium wp-image-5016" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/IMG_20220530_201206-300x200.jpg" alt="" width="300" height="200" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/IMG_20220530_201206-300x200.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/IMG_20220530_201206.jpg 590w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a><p id="caption-attachment-5016" class="wp-caption-text">গৌরীপুরের ঐতিহাসিক স্থাপনা</p></div>
<p><span style="font-weight: 400;">ময়মনসিংহ সদর থেকে সড়কপথে ২০ কিলোমিটার ভেতরে গৌরীপুর উপজেলা। রেলপথে ৩০ কিলোমিটার। একসময় জমিদারদের তীর্থ ভূমি বলা হত ময়মনসিংহের এই গৌরীপুর উপজেলাকে। এখানের পৌর এলাকাসহ আনাচকানাচে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে অনেকগুলো ঐতিহাসিক স্থাপনা। একটু যত্ন পেলেই যা হতে পারে পর্যটন আয়ের উৎস। একটি পৌরসভা ও ১০টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত এই উপজেলা জাতীয় সংসদের ১৪৮ আসন (ময়মনসিংহ-৩)। প্রায় চার লাখ জনগোষ্ঠীর বসবাস এখানে। শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে সমৃদ্ধ গৌরীপুরের রাজনৈতিক নেতৃত্বও বেশ প্রশংসিত। স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশের এই আসনে বিএনপি, জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ সমানতালে নেতৃত্ব দিয়েছে। আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এই আসনের ভোটারদের সঙ্গে কথা হয় সাহিত্য বাজার পত্রিকার। কেমন এমপি বা নেতা চান এ অঞ্চলের মানুষ? এমন প্রশ্ন ছিল তাদের কাছে। </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">সকলের উত্তরও প্রায় কাছাকাছি, ‘জনবান্ধব ও সৎ নেতা’ চাই। যাকে প্রয়োজনে সহজেই পাশে পাওয়া যায়। যে এলাকার মানুষের সুখ দুঃখে ছুটে আসবে, সহানুভূতি জানাবে। বিপদে সাহায্য করবে এমন একজন নেতা আসলে শুধু গৌরীপুর নয়, সারা বাংলাদেশের মানুষের স্বপ্ন। কিন্তু বিগত ৫০ বছরে এ স্বপ্ন পূরণ করার মতো নেতা খুঁজে পাওয়া যায়নি বাংলাদেশের কোথাও। নীলফামারীর আসাদুজ্জামান নূর, চাঁদপুরের দীপু মনি ও মেজর অবঃ রফিকুল ইসলাম এবং বরিশালের কর্ণেল অবঃ জাহিদ ফারুক এমপি নিজ নিজ আসনে জনপ্রিয় হলেও তাদের কাছাকাছি অবস্থানও তৈরি হয়নি ময়মনসিংহের কোনো সাংসদের। বেশিরভাগ সময় এলাকার মানুষ তাদের পাশে পান না বলেই অভিযোগ ময়মনসিংহের ১১ টি আসনের ৮০ ভাগ মানুষের। তবে হ্যাঁ, এখানে রাজনৈতিক কোন্দল খুব একটা নেই বললেই চলে। </span><span style="font-weight: 400;">আদি ঐতিহ্যের ধারক গৌরীপুর বাজারে এক ব্যবসায়ী ও কলেজ ছাত্র মুহিত বলেন, ‘আমাদের এখানে রাজনৈতিকভাবে সবাই মিলেমিশেই থাকে। তেমন সমস্যা নেই। তবে গৌরীপুর বাসীর চাহিদা শুধু গ্যাসের। এখানে গ্যাস নেই। এছাড়া স্থাপত্য সংরক্ষণ ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ করা প্রয়োজন। এ বিষয়ে নেতারা খুব উদাসীন বলে অভিযোগ এই ব্যবসায়ী ছাত্রটির। আরেক শিক্ষার্থী বিনয় দাস বলেন, ‘আমাদের এখানে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি আছে। আমরা মুসলমানদের দাওয়াতে যাই। মুসলমানরাও আমাদের পূজা-পার্বনে আসে। এখানে সবাই মিলেমিশে থাকি। আমরা মনে করি, এখানে সবাই এক পরিবার।’ আগামীতে </span><span style="font-weight: 400;">কেমন নেতা চান, এমন প্রশ্নের জবাবে তারা দুজনেই বলেন, ‘জনবান্ধব নেতা চাই। যাকে মানুষ সহজে পাবে, সুখ-দুঃখ বলতে পারবে, সমস্যা সমাধান করতে পারবে সহজেই।’ </span><span style="font-weight: 400;">বর্তমান নেতাদের বিষয়ে তাদের মূল্যায়ন, আওয়ামী লীগের বর্তমান এমপি নাজিম উদ্দিনের কাছে সবাই যেতে পারে। তিনি প্রতি সপ্তাহে এলাকায় আসেন, সবার কথা শোনেন। বিএনপি নেতা এম ইকবাল হোসাইনও ভালো লোক। তিনিও এলাকার খোঁজখবর রাখেন। বিএনপির আরেক নেতা কবি সেলিম বালা এলাকায় ইদানিং কম আসেন, তবে সবসময় অসহায় মানুষেরা তার সাহায্য পান। করোনাকালীন সময়ে আশরাফুল ইসলাম সেলিম ভাই আমাদের অনেক সাহায্য করেছেন। স্থানীয় মানুষের সঙ্গে তার সম্পর্ক আছে। দুই শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা বলে বোঝা গেল, এখানে দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগের এমপি থাকায় তাদের অবস্থান বেশ ভালো। পুলিশ প্রটোকলে বা প্রটোকল ছাড়াও এখানে বিএনপি নানাবিধ কর্মসূচি পালন করে। জাপাও বিভিন্ন সময় স্বল্প লোকবল দিয়ে হলেও কর্মসূচি পালন করছে। </span><span style="font-weight: 400;">গৌরীপুর সদর থেকে ৪/৫ কিলোমিটার ভিতরে মুখরিয়া গ্রামে কয়েকজন কৃষকের সঙ্গে আলাপ করে জানা যায়, এলাকার লোকজন বয়স্কভাতাসহ সরকারের নানা সুবিধা পাচ্ছেন। কমিউনিটি ক্লিনিকেরও সেবা পাচ্ছেন। ঘরে ঘরে পেয়েছেন বিদ্যুৎ। তবে তাদের এলাকায় এমপির দেখা মেলে না। তারা বলেন, ‘নেতারা করেন রাজনীতি, বড় বড় লোকের সঙ্গে চলেন। এখন গ্রামে আসবেন কী করতে? এখন ভোট চাওয়ার দরকার নাই। ভোটের সময় আবারও হয়তো আসবেন। </span><span style="font-weight: 400;">কেমন নেতা চান জানতে চাইলে বিরক্ত হয়ে কৃষকরা বলেন, ‘নেতা তো চাই এমন, যারে ডাক দিলে দেহে। কাছে কাছে থাহে। একটা কিছু দরখাস্ত করলে এমপির মাধ্যমে মঞ্জুর করাইতে পারি। ধরুন (যেমন) আমার একটা বাড়ি ভিটা নাই। কতহানে দৌড় দিলাম একটা ঘরের লাইগ্গা। সরকারি জায়গায় আমারে একটা ঘর করে দিক। তাও করলো না কেউ। মাইনষের বাড়িত থাকি, জায়গা জমি কিছু নাই। কতজনের কাছে কতবার আইডি কার্ড দিয়া আইছি। কাজ হয় নাই।’ ‘বিএনপি লোকরাও এলাকায় আসে না। তবে বিএনপি নেতারা নিজেদের কর্মীদের বিভিন্ন সময় সহযোগিতা করে’বলে জানান এই দুই বয়োবৃদ্ধ ভোটার।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">ময়মনসিংহ-৩ এই সংসদীয় আসনের আয়তন ২২৭ বর্গকিলোমিটার। এ আসনটিতে মোট ভোটার রয়েছে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৫৩৮ জন। যেখানে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ১৮ হাজার ২১৭ জন এবং নারী ভোটার রয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৩২১ জন। এ সংখ্যা চলতি বছর নতুন ভোটার তালিকায় আরো কিছু বৃদ্ধি পাবে। </span><span style="font-weight: 400;">এ আসনে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও তিনবারের সংসদ সদস্য ও সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন মজিবুর রহমানের মৃত্যুতে ২০১৬ সালের উপনির্বাচনে প্রথমবারের মতো সংসদ <a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/IMG_20220530_205158.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignright size-medium wp-image-5017" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/IMG_20220530_205158-300x274.jpg" alt="" width="300" height="274" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/IMG_20220530_205158-300x274.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/IMG_20220530_205158.jpg 700w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>সদস্য হন প্রবীণ রাজনীতিক অ্যাডভোকেট নাজিম উদ্দিন আহমেদ। দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, পূর্ব পাকিস্তানের সময়ে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতিসহ নানা পদে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। তবে সংসদ সদস্য হয়ে উন্নয়নে খুব একটা চমক দেখাতে না পারায় এবং দলের মধ্যে ঐক্য সৃষ্টি করতে না পারায় তাকে নিয়ে ক্ষোভ রয়েছে দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝে। আর এ কারণেই আসনটিতে নতুন মুখ চান নেতাকর্মীদের অনেকেই। আসনটিতে দলীয় প্রার্থীর কোনো অভাব নেই। হালের জনপ্রিয় অভিনেত্রী থেকে শুরু করে পোড় খাওয়া সাবেক ছাত্রনেতারাও রয়েছেন দ্বাদশ জাতীয় সংসদের মনোনয়ন লড়াইয়ে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্যরা হলেন- ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শরীফ হাসান অনু, জেলা আওয়ামী লীগের আরেক সাংগঠনিক সম্পাদক ড. সামীউল আলম লিটন, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতা মোর্শেদুজ্জামান সেলিম, ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ডা. মতিউর রহমান, গৌরীপুর পৌরসভার মেয়র সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য নাজনীন আলম, অভিনেত্রী জ্যোতিকা জ্যোতি, কেন্দ্রীয় যুবলীগের সদস্য আবু কাউছার চৌধুরী রন্টি ও তরুণ আওয়ামী লীগ নেতা এম এম মামুন। </span><span style="font-weight: 400;">জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শরীফ হাসান অনু বিগত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েও প্রায় ৫০ হাজার ভোট পান। এবার সংসদ নির্বাচনে তিনি নৌকার মনোনয়ন পাওয়ার আশায় রয়েছেন। আরো আছেন উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান মোফাজ্জল হোসেন খান। </span><span style="font-weight: 400;">আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সাবেক সহসম্পাদক মোর্শেদুজ্জামান সেলিমও শক্ত মনোনয়ন প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে মাঠে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।  পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি সৈয়দ রফিকুল ইসলাম টানা দুবার মেয়র নির্বাচিত হয়ে জনপ্রিয়তার স্বাক্ষর রেখেছেন। এবার নৌকার মনোনয়ন নিয়ে সংসদ সদস্য হবার স্বপ্ন তারও। এরা সবাই গত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও মনোনয়নের জন্য দৌড়ঝাঁপ করেছেন বলে জানান এলাকাবাসী। </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">অপরদিকে, গৌরীপুরে বিএনপিতে যোগ্য নেতৃত্বের অভাব রয়েছে বলে দাবী কলেজ পড়ুয়া ছাত্রছাত্রীদের। বর্ষীয়ান বিএনপি নেতা ও দুইবারের সংসদ সদস্য প্রয়াত আইনজীবী এএফএম নজমুল হুদার মৃত্যুর পর গৌরীপুরে বিএনপির রাজনীতিতে আর কেউ প্রভাব বিস্তার করতে পারেন নি। তবে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীর মধ্যে দলটির নির্বাহী কমিটির সদস্য প্রকৌশলী এম ইকবাল হোসাইন ও উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক উপজেলা চেয়ারম্যান আহাম্মদ তায়েবুর রহমান হিরণের মধ্যে দ্বন্দ্ব চরমে। নেতা-কর্মীরাও বিভক্ত এই দুই নেতাকে ঘিরে। </span><span style="font-weight: 400;">২০১৪ সালে বিএনপির প্রার্থী হিরণ বিপুল ভোটে উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে দলের বৃহৎ একটি অংশ নিয়ে মাঠ দাপিয়ে বেড়িয়েছেন। অন্যদিকে হিরণের প্রার্থিতা ঠেকাতে দলের বিরোধী নেতা-কর্মীরা ইকবালের বলয়ে ভিড়তে শুরু করায় মাঠের রাজনীতির দৃশ্যপট পাল্টাতে শুরু করেছে বলে অভিমত অনেকের। যদিও এই আসনটিতে বিএনপির পরিচ্ছন্ন ইমেজের প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন তরুণ প্রজন্মের বিএনপি কেন্দ্রীয় নেতা ও জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক জোটের যুগ্ম মহাসচিব কবি সেলিম বালা। তার ভালো নাম মুহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম সেলিম। এছাড়াও আছেন ময়মনসিংহ জেলা আইনজীবী সমিতির দুইবারের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও জেলা জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নুরুল হক। স্থানীয় নেতাকর্মীরা মনে করেন, যোগ্য নেতৃত্ব পেলে এ আসনে বিএনপি শক্তিশালী অবস্থার প্রকাশ ঘটাতে সক্ষম হবে। </span><span style="font-weight: 400;">ভোটের হিসাবে দেখা যায়, ১৯৯১ সালের সংসদ নির্বাচনে এ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ৩২ শতাংশ, জাতীয় পার্টির প্রার্থী ২৮ শতাংশ এবং বিএনপির প্রার্থী ২১ শতাংশ ভোট পেয়েছেন। ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে বিএনপি ৩৫ শতাংশ, আওয়ামী লীগ ২৯ শতাংশ ও জাতীয় পার্টি ২৮ শতাংশ ভোট পায়। ২০০১ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ৩৯ শতাংশ ও বিএনপি ৩৪ শতাংশ ভোট পেয়েছে। ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ ৬৮ শতাংশ ও বিএনপি ২৯ শতাংশ ভোট পেয়েছে। ২০১৪ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ৭৪ শতাংশ ও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী (স্বতন্ত্র) প্রার্থী ২৫ শতাংশ ভোট পেয়েছে। ওই নির্বাচন বিএনপি বয়কট করে।</span><span style="font-weight: 400;">ভোটের এই পরিসংখ্যান বলছে, আসনটিতে আওয়ামী লীগের অবস্থান ক্রমাগতভাবে মজবুত হয়েছে। জনসমর্থনের পাশাপাশি ভোটও বেড়েছে। তবে দলীয় কোন্দল আর দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার ফলে বিরোধীপক্ষও সুবিধা নিয়ে অবস্থান শক্ত করছে এখানে। বিশেষ করে বিএনপির জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক জোটের <a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/IMG_20220530_210031.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-5022" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/IMG_20220530_210031-251x300.jpg" alt="" width="251" height="300" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/IMG_20220530_210031-251x300.jpg 251w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/IMG_20220530_210031.jpg 309w" sizes="auto, (max-width: 251px) 100vw, 251px" /></a>কেন্দ্রীয় যুগ্মসচিব আশরাফুল ইসলাম সেলিম ওরফে কবি ও গীতিকার সেলিম বালার জনসংযোগ এবং যুব তরুণদের মাঝে তার জনপ্রিয়তা আগামী নির্বাচনে প্রভাব বিস্তার করবে বলে মনে করেন গৌরীপুরের বাসিন্দারা। গৌরীপুর উপজেলার মুখরিয়া গ্রামের বাসিন্দা কবি সেলিম বালা। তিনি </span><span style="font-weight: 400;">২০১৪ সালের সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশায় গণসংযোগ করলেও সে সময় দল অংশ না নেওয়ায় তিনি প্রার্থী হতে পারেননি। আগামীতে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এলাকায় গণসংযোগ চালালেও তিনি বলেন, দল নির্বাচনে অংশ নিলে তবেইতো আমাদের নির্বাচনী প্রচারণা হবে। এখন আমরা দলকে শক্তিশালী করতে কাজ করছি। তিনি এলাকায় দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসা ও কারামুক্তির দাবিতে লিফলেট বিতরণ ও পোস্টার সাঁটিয়ে জনমত গড়ে তোলারও চেষ্টা করছেন। এলাকার শিক্ষাব্যবস্থা প্রসারের জন্য তার প্রচেষ্টায় ২০০৫ সালে মুখরিয়া টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। নির্বাচনী এলাকার চাতুল ও আগ্রাইল বিলের পানি নিস্কাশনের জন্য স্লুইস গেট নির্মাণে আর্থিক সহযোগিতা করেন সেলিম বালা। এতে শত শত কৃষকের জমি বন্যার পানিতে প্লাবিত হওয়া থেকে সুরক্ষা পায়। নির্বাচনী এলাকার দুস্থ নারীদের স্বাবলম্বী করার জন্য তিনি গড়ে তুলেছেন সায়দা ফাউন্ডেশন নামে একটি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। এলাকার বড়ইকান্দা, মুখরিয়া বাজার মাওহা উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের কাছেও সেলিম বালা জনপ্রিয় একটি নাম।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/IMG_20220530_210056.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft wp-image-5021 size-medium" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/IMG_20220530_210056-249x300.jpg" alt="" width="249" height="300" /></a>এদিকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে এখানে এবার অভিনেত্রী জ্যোতিকা জ্যোতির সমর্থন বাড়ছে বলে জানান গৌরীপুর বাজার এলাকার বাসিন্দারা। ২০১৮ এর নির্বাচনে আওয়ামী লীগের হয়ে দলীয় মনোনয়ন ফরম কিনে আলোচিত অভিনেত্রী জ্যোতিকা জ্যোতি বলেন, ‘এলাকার লোকজনের সঙ্গে আমার নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে। তারা চান আমি এখানে প্রার্থী হই। তবে নেত্রী যাকেই মনোনয়ন দেবেন তাকে বিজয়ী করতে বরাবরের মতোই মাঠে থাকবো আমি।’</span></p>
<p><span style="font-weight: 300;">কবি সেলিম বালা ও </span><span style="font-weight: 300;">অভিনেত্রী জ্যোতিকা জ্যোতির নিরব জনসেবা মূলক কাজের মধ্যে একধরণের প্রতিযোগিতা রয়েছে বলে মনে করেন গৌরীপুরবাসী। বিষয়টি তাই মুখরোচক আলোচনার বিষয়ও এখানে। অন্যদিকে </span><span style="font-weight: 400;">জাতীয় পার্টির এখানে উল্লেখযোগ্য কোনো প্রচারণা চোখে পড়েনি। সম্প্রতি গৌরীপুরের নুরুল আমিন খান উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক ও উপজেলা জাতীয় পার্টির উপদেষ্টা আব্দুল হাই খান পাঠান (৭৪) এর মৃত্যুতে এখনো শোকের ছায়া গৌরীপুর জাপা নেতৃত্বে। এখানে  উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি সামছুজ্জামান জামাল ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল গফুর।</span></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/5015-2/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>রাজনীতির ময়মনসিংহে আ.লীগের ছায়ায় মজবুত জাতীয় পার্টিঃ ঐক্যবদ্ধ বিএনপি </title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a7%80%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a7%9f%e0%a6%ae%e0%a6%a8%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%82%e0%a6%b9%e0%a7%87-%e0%a6%86-%e0%a6%b2%e0%a7%80%e0%a6%97/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a7%80%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a7%9f%e0%a6%ae%e0%a6%a8%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%82%e0%a6%b9%e0%a7%87-%e0%a6%86-%e0%a6%b2%e0%a7%80%e0%a6%97/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[সাবা প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 29 May 2022 14:22:45 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[জেলায় জেলায় সাহিত্য]]></category>
		<category><![CDATA[ময়মনসিংহ]]></category>
		<category><![CDATA[ময়মনসিংহ বিভাগ]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://shahittabazar.com/?p=5005</guid>

					<description><![CDATA[<p>রাজনীতির ময়মনসিংহে আ.লীগের ছায়ায় মজবুত জাতীয় পার্টিঃ ঐক্যবদ্ধ বিএনপি </p> <p>ময়মনসিংহ শহরের প্রবেশ মাত্রই চোখে পড়ে প্রধান সড়ক ও অলিগলিতে রাজনৈতিক সাইনবোর্ড, ব্যানারের ছড়াছড়ি। এতে দুজন নেতার পৃথক পৃথক উপস্থিতিই বলে</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a7%80%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a7%9f%e0%a6%ae%e0%a6%a8%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%82%e0%a6%b9%e0%a7%87-%e0%a6%86-%e0%a6%b2%e0%a7%80%e0%a6%97/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><b>রাজনীতির ময়মনসিংহে আ.লীগের ছায়ায় মজবুত জাতীয় পার্টিঃ ঐক্যবদ্ধ বিএনপি </b></p>
<p><span style="font-weight: 400;"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2021/09/IMG_20210922_145122.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="aligncenter size-medium wp-image-4491" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2021/09/IMG_20210922_145122-300x225.jpg" alt="" width="300" height="225" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2021/09/IMG_20210922_145122-300x225.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2021/09/IMG_20210922_145122-768x576.jpg 768w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2021/09/IMG_20210922_145122-1024x768.jpg 1024w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>ময়মনসিংহ শহরের প্রবেশ মাত্রই চোখে পড়ে প্রধান সড়ক ও অলিগলিতে রাজনৈতিক সাইনবোর্ড, ব্যানারের ছড়াছড়ি। এতে দুজন নেতার পৃথক পৃথক উপস্থিতিই বলে দেয় এদের একতার ঘাটতি।কোনোটায় মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোহিত উর রহমান (শান্ত)। কোনোটায় সিটি করপোরেশনের মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ইকরামুল হকের (টিটু) পক্ষ থেকে নগরবাসীকে শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে। ময়মনসিংহ মহানগরের রাজনীতি এখন এই দুই নেতাকে কেন্দ্র করে দুটি ধারায় বিভক্ত। দুই পক্ষ আলাদাভাবে কর্মসূচি পালন করে। আর এই সুযোগে জেলা ও মহানগরে বাড়ছে জাতীয় পার্টি ও বিএনপির জনপ্রিয়তা বলে জানান  ময়মনসিংহ শহরের বাসিন্দারা। </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">বিভাগীয় সদর বা জেলার যখন এই অবস্থা স্বাভাবিকভাবেই জেলার ১১ টি আসনে এর প্রভাব পরবে বলে মনে করেন জেলার সাংস্কৃতিক নেতা কবি ও সাংবাদিক স্বাধীন চৌধুরী। গত নির্বাচনের পরিসংখ্যান তুলে ধরে স্বাধীন চৌধুরী বলেন, ২০১৮ এর নির্বাচন যদিও সমালোচিত তারপরও সেই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয় লাভ করে। সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে সরকার ব্যাপক উন্নয়ন কাজ করেছে প্রতিটি এলাকায়। কিন্তু এই দ্বন্দ্বই তাদের খাবে। তারউপর দ্রব্য মূল্যের নিয়ন্ত্রণহীনতা একটা বড় ব্যর্থতা বলে মনে করেন সাংবাদিক স্বাধীন চৌধুরী। </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">জেলার রাজনীতি নিয়ে সক্রিয় ব্রাহ্মপল্লীর গালিব, হামিদসহ একাধিক নেতাকর্মীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, একসময় ময়মনসিংহ মহানগরে একচ্ছত্র আধিপত্য ছিল সাবেক ধর্মমন্ত্রী মতিউর রহমানের বড় ছেলে মোহিত উরের। তবে বর্তমানে পরিস্থিতি ভিন্ন। মতিউর রহমান মন্ত্রিত্ব যাওয়ার পর মোহিত উরের দাপট কমে গেছে। একসময় মোহিত উরের সঙ্গে ছিলেন এমন অনেকে এখন ইকরামুলের পক্ষে ভিড়েছেন। এলাকায় পরিবহন খাত, বালুমহাল ও উন্নয়নকাজের দরপত্রসহ স্থানীয় রাজনীতির নিয়ন্ত্রণও অনেকাংশেই এখন মেয়র ইকরামুল ও তাঁর ভাই জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আমিনুল হকের (শামীম) হাতে।</span></p>
<div id="attachment_4494" style="width: 250px" class="wp-caption alignright"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2021/10/14611014_1266471480041030_4639915672633376393_n.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-4494" class="size-medium wp-image-4494" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2021/10/14611014_1266471480041030_4639915672633376393_n-240x300.jpg" alt="" width="240" height="300" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2021/10/14611014_1266471480041030_4639915672633376393_n-240x300.jpg 240w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2021/10/14611014_1266471480041030_4639915672633376393_n.jpg 630w" sizes="auto, (max-width: 240px) 100vw, 240px" /></a><p id="caption-attachment-4494" class="wp-caption-text">আ.লীগ নেতা মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল</p></div>
<p><span style="font-weight: 400;">জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেনও এখন মেয়রপক্ষের লোক হিসেবে পরিচিত। তিনি বলেন, ‘মতিউর রহমানের সময়ে এখানকার রাজনীতিতে তাঁর কথাই ছিল শেষ কথা। এখন নতুন রাজনীতি। আমরা সবাইকে নিয়ে কাজ করছি। মেয়র ও সাবেক মন্ত্রিপুত্রের মধ্যে সাংগঠনিক প্রতিযোগিতা নিয়ে দূরত্ব আছে।’</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">মতিউর রহমান ২০০৪ সালে ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হন। এরপর টানা এক যুগ সভাপতি ছিলেন। তিনি ২০১৪ সালে ধর্মমন্ত্রী হন। তখন ময়মনসিংহে আওয়ামী লীগের রাজনীতি, নিয়োগ-বাণিজ্য, ঠিকাদারি, বালুমহালসহ বিভিন্ন খাত মন্ত্রিপুত্র মোহিত উর নিয়ন্ত্রণ করতেন বলে অভিযোগ ছিল। ২০১৯ সালে তৃতীয় মেয়াদে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর মতিউর রহমান আর মন্ত্রিত্ব পাননি। মূলত এরপর ময়মনসিংহে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণ শুরু হয়। ময়মনসিংহ মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এহতেশামুল আলম এক সাক্ষাৎকারে বলেন, মেয়র ও তাঁর ভাই রাজনীতিতে আবির্ভাবের পর থেকে এখন তাঁদের অবস্থান ভালো, এটা অস্বীকার করার উপায় নেই। এখানে অঙ্গসংগঠনগুলোও এখন দুই গ্রুপে বিভক্ত অবস্থায় আছে। যুবলীগ ও ছাত্রলীগে মেয়র ও তাঁর ভাইয়ের অবস্থান হয়েছে। আগে মহানগর ছাত্রলীগে মোহিত উরের একটা অবস্থান ছিল, এখন সেটা নেই। তবে মহানগর জাতীয় পার্টির সাংস্কৃতিক সম্পাদক শহীদ আমিনী রুমী বলেন, কোন্দল সব দলেই আছে। এটাকে কোন্দল বলা যাবেনা। এটা ভোগী ও ত্যাগী দ্বন্দ্ব। যেখানে টাকা আছে, সেখানেই একদল ভোগী ও ত্যাগী আছে। জেলায় নয়টি আসন আওয়ামী লীগের সাংসদ। দুটি জাতীয় পার্টির দখলে। স্বাভাবিক কারণেই সাংসদের দলটি ভোগী আর বাকীরা সব ত্যাগী দল। বিএনপিরও একই দশা। তাদের দ্বন্দ্বটা টাকার বদলে চেয়ারের ভিতর ঢুকেছে এই পার্থক্য।  </span></p>
<div id="attachment_5006" style="width: 112px" class="wp-caption alignleft"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/IMG_20220529_194946.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-5006" class="wp-image-5006 size-full" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/IMG_20220529_194946.jpg" alt="" width="102" height="147" /></a><p id="caption-attachment-5006" class="wp-caption-text">বিএনপি নেতা শফিকুল ইসলাম</p></div>
<p>এদিকে জেলা দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম বলেন, বিএনপি নির্বাচন নিয়ে মোটেই চিন্তিত নয়। এ সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচনে বিএনপি অংশ নেবেনা। আমরা আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারের পতন ঘটাবো ইনশাআল্লাহ। সব জেলা উপজেলা ও ইউনিয়নে বিএনপির কমিটি গঠন কার্যক্রম চলছে। এটা শেষ হলেই আমরা আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করবো।</p>
<p><span style="font-weight: 400;">নেতাকর্মীদের বক্তব্যে ২০১৮ এর নির্বাচনের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে হলে একতার বিকল্প নেই আওয়ামী লীগের। পরিসংখ্যান ঘেটে দেখা যায় গত ২০১৮ এর নির্বাচনে ময়মনসিংহের ১১টি সংসদীয় আসনেই বিজয়ের হাসি হেসেছেন আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোটের প্রার্থীরা। এর মধ্যে ৯টি সংসদীয় আসনে নৌকা প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী। দু’টি আসনে লাঙল প্রতীক নিয়ে ভোটে জিতেছেন জাতীয় পার্টি। এখানে একটি আসনেও জয়ী হতে পারেননি ধানের শীষ প্রতীকের ঐক্যফ্রন্ট তথা বিএনপি। </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">বিগত নির্বাচনী তথ্য অনুযায়ী </span><b>ময়মনসিংহ-১ (হালুয়াঘাট-ধোবাউড়া)</b><span style="font-weight: 400;"> আসন থেকে নৌকা প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হয়েছেন জুয়েল আরেং। তার প্রাপ্ত ভোট সংখ্যা ২ লাখ ৫৮ হাজার ৯২৩।</span><span style="font-weight: 400;">তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিএনপির আফজাল এইচ খান পেয়েছেন ২৮ হাজার ৬৩৮ ভোট। বর্তমানে এখানের ১৯ টি ইউনিয়নের হাট বাজারে বিএনপির কার্যক্রম বেশ ঐক্যবদ্ধ বলে দাবী ময়মনসিংহ উত্তর জেলা যুবদলের সহ সভাপতি আব্দুল আজিজ খান ও </span><span style="font-weight: 400;">হালুয়াঘাট উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আসলাম মিয়া বাবুলের। তাদের দাবী শুধু জেলাই নয় বৃহত্তর ময়মনসিংহের বিএনপি এখন ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন করছে। এখানে আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব দিচ্ছেন সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোজাম্মেল হোসেন ও সাধারণ সম্পদক পদে প্রিয়তোষ বিশ্বাস বাবুল। দীর্ঘ ৯ বছর পর গঠিত এ কমিটি নিয়েও চলছে দ্বন্দ্ব। হালুয়াঘাট ও ধোবাউড়া আসনে জাতীয় পার্টির রাজনীতিতে আছেন আলহাজ্ব আব্দুল রহিম ও জাহিদুল ইসলাম পাপ্পু।</span></p>
<p><b>ময়মনসিংহ-২ (ফুলপুর-তারাকান্দা)</b><span style="font-weight: 400;"> আসন থেকে ২০১৮ তে আওয়ামী লীগের শরীফ আহমেদ নির্বাচিত হয়েছেন। এখানকার ১৭০টি ভোট কেন্দ্রে তিনি পেয়েছেন ২ লাখ ৯১ হাজার ৪৭২ ভোট। তার কাছে পরাজিত প্রার্থী বিএনপির শাহ শহীদ সারোয়ারের প্রাপ্ত ভোট সংখ্যা ৬২ হাজার ২৩৩ ভোট। এখানে জাতীয় পার্টির নেতৃত্ব বেশ শক্তিশালী বলে দাবী তারাকান্দা উপজেলা সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ এমদাদুল হক খান।</span></p>
<div id="attachment_5007" style="width: 198px" class="wp-caption alignleft"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/Screenshot_2022-05-29-20-04-27-18_a23b203fd3aafc6dcb84e438dda678b6.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-5007" class="size-medium wp-image-5007" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/Screenshot_2022-05-29-20-04-27-18_a23b203fd3aafc6dcb84e438dda678b6-188x300.jpg" alt="" width="188" height="300" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/Screenshot_2022-05-29-20-04-27-18_a23b203fd3aafc6dcb84e438dda678b6-188x300.jpg 188w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/Screenshot_2022-05-29-20-04-27-18_a23b203fd3aafc6dcb84e438dda678b6.jpg 296w" sizes="auto, (max-width: 188px) 100vw, 188px" /></a><p id="caption-attachment-5007" class="wp-caption-text">গৌরীপুরের বিএনপি নেতা আশরাফুল ইসলাম সেলিম</p></div>
<p><span style="font-weight: 400;">গত নির্বাচনে </span><b>ময়মনসিংহ-৩ (গৌরীপুর)</b><span style="font-weight: 400;"> আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী নাজিম উদ্দিন আহমেদ ১ লাখ ৫৯ হাজার ৩০০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইকবাল হোসাইন পেয়েছেন ২৪ হাজার ৫১৯ ভোট। এসময় বিএনপির একাধিক প্রার্থীর মধ্যে দ্বন্দ্ব স্পষ্ট ছিলো বলে অভিযোগ রয়েছে।  তবে এ আসনের একজন সম্ভাব্য প্রার্থী জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক জোটের যুগ্ম মহাসচিব আশরাফুল ইসলাম সেলিম ওরফে (কবি সেলিম বালা) বলেন, গৌরীপুর আসনে বিএনপি এখন প্রচন্ড শক্তিশালী ও ঐক্যবদ্ধ। দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে আমরা কেউই কোনো চিন্তা করিনা। তাছাড়া আমি কোনো প্রার্থী নই। আমি শুধু দলীয় পরিচয়ে সাধারণ মানুষের পাশে থাকতে চেষ্টা করছি। জন্মভূমির টানে গ্রামের মানুষের উপকার করার চেষ্টা করছি।  গৌরীপুর আসনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ড হেলাল উদ্দিন আহমেদ। </span></p>
<div id="attachment_5009" style="width: 310px" class="wp-caption alignright"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/IMG_20220529_200948.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-5009" class="size-medium wp-image-5009" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/IMG_20220529_200948-300x254.jpg" alt="" width="300" height="254" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/IMG_20220529_200948-300x254.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/IMG_20220529_200948-768x651.jpg 768w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/IMG_20220529_200948.jpg 774w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a><p id="caption-attachment-5009" class="wp-caption-text">ব্রহ্মপুত্রের তীরে আ.লীগ নেতা গালিব, সাংবাদিক স্বাধীন চৌধুরী ও তাদের বন্ধু</p></div>
<p><span style="font-weight: 400;">২০১৮ এর নির্বাচনে </span><b>ময়মনসিংহ-৪ (সদর)</b><span style="font-weight: 400;"> আসনে তৃতীয়বারের মতো বিপুল ভোটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ। মোট ১৭৬টি ভোট কেন্দ্রের ফলাফলে তিনি ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭৭৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ পেয়েছেন ১ লাখ ৩ হাজার ৭৫৩ ভোট। এখানে এখন শান্ত-টিটু দ্বন্দ্বে অশান্ত আওয়ামী লীগের আঙ্গিনা।</span></p>
<div id="attachment_5008" style="width: 310px" class="wp-caption alignright"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/Screenshot_2022-05-29-19-59-47-11_a23b203fd3aafc6dcb84e438dda678b6.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-5008" class="size-medium wp-image-5008" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/Screenshot_2022-05-29-19-59-47-11_a23b203fd3aafc6dcb84e438dda678b6-300x220.jpg" alt="" width="300" height="220" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/Screenshot_2022-05-29-19-59-47-11_a23b203fd3aafc6dcb84e438dda678b6-300x220.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/Screenshot_2022-05-29-19-59-47-11_a23b203fd3aafc6dcb84e438dda678b6.jpg 720w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a><p id="caption-attachment-5008" class="wp-caption-text">মুক্তাগাছা মন্ডার দোকানে আমরা বন্ধুরা</p></div>
<p><b>ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা)</b><span style="font-weight: 400;"> আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী কাজী খালিদ বাবু। তিনি পেয়েছিলেন ২ লাখ ৩২ হাজার ৫৬৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী জাকির হোসেন বাবলু পেয়েছেন ২২ হাজার ২০৩ ভোট। মুক্তাগাছার সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব সাইফুজ্জামান দুদু জানান, জেলা আওয়ামী লীগের দ্বন্দ্ব এখানেও ছাপ ফেলেছে। ইউপি নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থীদের দিয়েই তা স্পষ্ট হয়েছে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। আর বিএনপি এখানে খুবই দূর্বল। তিনি আরো জানান গত বছর মুক্তাগাছা পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী বিল্লাল হোসেন সরকার ১৭ হাজার ৩২০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির শহিদুল ইসলাম শহীদ পেয়েছেন ৫ হাজার ২৬১ ভোট। এটাই এখানে বিএনপির অবস্থান প্রমাণ করে।</span></p>
<p><b>ময়মনসিংহ-৬ (ফুলবাড়িয়া)</b><span style="font-weight: 400;"> আসনে ৬ষ্ঠ বারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন মোসলেম উদ্দিন অ্যাডভোকেট। তিনি পেয়েছেন ২ লাখ ৪০ হাজার ৫৮৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিএনপি’র ইঞ্জিনিয়ার শামছ উদ্দিন। তিনি পেয়েছেন ৩২ হাজার ৩৩২ ভোট। এখানে বিএনপির অবস্থান শক্তিশালী হলেও গত বছর ফুলবাড়ীয়া পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী গোলাম কিবরিয়া ৫ হাজার ৬৩৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী গোলাম মোস্তুফা পেয়েছেন ৪ হাজার ৪২৮ ভোট। </span></p>
<p><b>ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল)</b><span style="font-weight: 400;"> আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী হাফেজ রুহুল আমিন মাদানী ২ লাখ ৪ হাজার ৭৩৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার কাছে ৩৬ হাজার ৪০৮ ভোট পেয়ে পরাজিত হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী ডা. মাহাবুবুর রহমান লিটন। ত্রিশাল বাণিজ্যিক নগরী। তাই এই আসনটি ময়মনসিংহ সদরের সাথে সমান গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমানে এখানে মাদানী গ্রুপের সাথে উপজেলা আওয়ামী লীগের দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যেই চলছে এখন। অন্যদিকে এখানে  বিএনপির কমিটি গঠন নিয়ে গত বছর ঝাড়ু মিছিলও হয়েছে। আর হান্নান সাহেব না থাকায় জাপা এখানে গুরুত্বহীন।</span></p>
<p><b>ময়মনসিংহ-৮ (ঈশ্বরগঞ্জ)</b><span style="font-weight: 400;"> আসনে পুনরায় জয়ী হন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ফখরুল ইমাম। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৫৬ হাজার ৭৬৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী এইচ এম খালেকুজ্জামান পেয়েছেন ৩৪ হাজার ৬৩ ভোট। তবে বর্তমানে আওয়ামী লীগের অবস্থান এখানে খুবই দূর্বল। ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের ১০ নেতার মৃত্যু ও বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ নেতাসহ ৪১ জনকে বহিষ্কার করা নিয়ে এই সংকট দেখা দিয়েছে। ফলে বিএনপির অবস্থান ও সম্ভাবনা এখানে প্রচণ্ড শক্তিশালী বলে মনে করেন সাধারণ মানুষ। তবে ভোটের বিশ্লেষণে ইউপি নির্বাচনে জাতীয় পার্টির অবস্থানই শক্তিশালী বলে ধারণা করা যায়। কেননা সপ্তম ধাপে অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলায় আওয়ামী লীগের ভরাডুবি হয়েছে। ২০১৬ সালে অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ১০ জন প্রার্থী চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হলেও এবার মাত্র ৩টিতে জয় পেয়েছেন তারা। অন্যদিকে জাতীয় পার্টির (জাপা) প্রার্থী মনোনয়নে মুন্সিয়ানা দেখানোয় গতবারের তুলনায় এবার ভালো করেছে। গতবার মাত্র একটিতে জয় পেলেও এবার তিনটি ইউপিতে জিতেছে তারা।</span></p>
<p><b>ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল)</b><span style="font-weight: 400;"> আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী আনোয়ারুল আবেদিন খান তুহিন পেয়েছেন ২ লাখ ২৭ হাজার ২৭৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির খুররম খান চৌধুরী ২০ হাজার ৮৬০ ভোট পান। বর্তমানে নান্দাইলের রাজনীতিতে চলছে চরম বিশৃঙ্খলা। বর্তমান সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আবেদীন খান তুহিন ও বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান হাসান মাহমুদ জুয়েলকে ঘীরে এই বিশৃঙ্খলা তৈরি বলে জানান আওয়ামী লীগের একাংশ। ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি এডভোকেট জহিরুল হক খোকা ও সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল এর স্বাক্ষরিত পত্রে সাংসদের গঠিত কমিটি অবৈধ ঘোষণা করে উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যক্রম মেজর জেনারেল আব্দুস সালাম ও সিরাজুল ইসলাম ভূইয়ার নেতৃত্বে পরিচালিত হবে বলে জানিয়ে দেয়া হয়।</span></p>
<p><b>ময়মনসিংহ-১০ (গফরগাঁও)</b><span style="font-weight: 400;"> আসনে নৌকা প্রতীক নিয়ে বিজয়ী আওয়ামী লীগের ফাহমি গোলন্দাজ বাবেল পেয়েছেন ২ লাখ ৮১ হাজার ২৩০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের এলডিপির প্রার্থী সৈয়দ মাহমুদ মোর্শেদ পেয়েছেন ৩ হাজার ১৭৫ ভোট। এখানে আওয়ামী লীগের বিকল্প এখন শুধুই আওয়ামী লীগ। সর্বজন প্রশংসনীয় কমিটি গঠনের মাধ্যমে দীর্ঘ ২৬ বছর পর গফরগাঁও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন স্থানীয় এমপি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক আহবায়ক ফাহমী গোলন্দাজ বাবেল ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন বারবাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক দপ্তর সম্পাদক আবুল কাশেম। এখানে বিএনপির হাল ধরে আছেন ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপি&#8217;র যুগ্ম-আহ্বায়ক ও পাগলা থানা বিএনপি&#8217;র নেতা ডা. মোফাখখারুল ইসলাম।</span></p>
<p><b>ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা) ম</b><span style="font-weight: 400;">য়মনসিংহ জেলার ভালুকা জাতীয় সংসদের ১৫৬ নম্বর আসন। গত নির্বাচনে এখানে ২ লাখ ২২ হাজার ২৪৮ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী কাজিম উদ্দিন আহমেদ ধনু। তার সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বীতাকারী বিএনপির ফখর উদ্দিন বাচ্চু পেয়েছেন ২৭ হাজার ২৭৭ ভোট। শিল্পনগরী ভালুকার রাজনৈতিক মেরুকরণ তাই সম্পূর্ণ আলাদা। শিল্পকারখানা, খামার আর বাগানে সমৃদ্ধ এ এলাকা ব্যবসায়িক অঞ্চল বা শিল্পনগরী হিসেবে পরিচিত। স্থানীয়দের পাশাপাশি বাইরের বিনিয়োগকারীদেরও পছন্দের জায়গা এই ভালুকা। এখানের রাজনীতির হিসাব নিকাশও ভিন্ন। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবী, আমাদের এখানে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জামায়াত ও জাতীয় পার্টি সব এক। এক পরিবারের সবাই। কেউ কাউকে ডিস্টার্ব করে না। ভোটের আগে কিছুই টেরও পাওয়া যাবেনা এখানে। </span></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a7%80%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a7%9f%e0%a6%ae%e0%a6%a8%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%82%e0%a6%b9%e0%a7%87-%e0%a6%86-%e0%a6%b2%e0%a7%80%e0%a6%97/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>মানুষ গড়ার কারিগর থেকে জনতার সেবক মির্জা ফখরুল </title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%81%e0%a6%b7-%e0%a6%97%e0%a7%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%97%e0%a6%b0-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%9c%e0%a6%a8/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%81%e0%a6%b7-%e0%a6%97%e0%a7%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%97%e0%a6%b0-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%9c%e0%a6%a8/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[সাবা প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 01 May 2022 19:10:21 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[রাজখবর]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[বিএনপি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://shahittabazar.com/?p=4933</guid>

					<description><![CDATA[<p>মানুষ গড়ার কারিগর থেকে জনতার সেবক হলেন মির্জা ফখরুল </p> <p>একজন মানুষ গড়ার কারিগর এবং সত্যিকারের খাটি ভদ্রলোক বিএনপির বর্তমান মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ২০১১ সালের ২১ মার্চ প্রথমে ভারপ্রাপ্ত</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%81%e0%a6%b7-%e0%a6%97%e0%a7%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%97%e0%a6%b0-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%9c%e0%a6%a8/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><b>মানুষ গড়ার কারিগর থেকে জনতার সেবক হলেন মির্জা ফখরুল </b></p>
<p><span style="font-weight: 400;"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/FB_IMG_1651431729548.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-full wp-image-4934" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/FB_IMG_1651431729548.jpg" alt="" width="290" height="291" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/FB_IMG_1651431729548.jpg 290w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/FB_IMG_1651431729548-150x150.jpg 150w" sizes="auto, (max-width: 290px) 100vw, 290px" /></a>একজন মানুষ গড়ার কারিগর এবং সত্যিকারের খাটি ভদ্রলোক বিএনপির বর্তমান মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ২০১১ সালের ২১ মার্চ প্রথমে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব পরে ২০১৬ সালে ষষ্ঠ জাতীয় সম্মেলনে বিএনপির মহাসচিব নির্বাচিত হবার পর থেকে গত ১০ বছরে অনেক চড়াই উৎরাই দক্ষতার সাথে মোকাবেলা করেছেন। তার নেতৃত্বে বিএনপি আন্দোলন খুব একটা চাঙা হবার সুযোগ না পেলেও নেতৃবৃন্দের একতা ধরে রাখতে আপ্রাণ যুদ্ধ চালাচ্ছেন এই মানুষটি। অনেক বিরোধী মতের নেতাদের কাছেও নিপাট ভদ্রলোক খ্যাত মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গত দশবছরে কম হলেও ৫০ বার জেল খেটেছেন ও তার বিরুদ্ধে মামলার সংখ্যা প্রায় আড়াইশ বলে জানিয়েছেন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স। আর বিএনপির ২০১৮ সালের জানুয়ারী পর্যন্ত দেয়া তথ্যে দেখা গেছে, বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে ২৪টি মামলা হয়েছে। দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে ২১টি। মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বিরুদ্ধে ৮৮টি মামলা হয়েছে। দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেনের বিরুদ্ধে তিনটি, মওদুদ আহমদের বিরুদ্ধে নয়টি, তরিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে ১৪টি, প্রয়াত এম কে আনোয়ারের বিরুদ্ধে ৩৪টি, মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে ৫২টি, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের বিরুদ্ধে ৩৭টি, নজরুল ইসলাম খানের বিরুদ্ধে সাতটি, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর বিরুদ্ধে নয়টি, সালাহ উদ্দিন আহমেদের বিরুদ্ধে ১৪টি মামলা করা হয়েছে এবং মামলাগুলো বিচারাধীন রয়েছে।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/FB_IMG_1651431611530.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignright size-medium wp-image-4935" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/FB_IMG_1651431611530-300x175.jpg" alt="" width="300" height="175" /></a>এ ছাড়া বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ২৪ জন উপদেষ্টার বিরুদ্ধে মোট ২৯৪টি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে বেশি মামলা হয়েছে আমান উল্লাহ আমানের বিরুদ্ধে। তাঁর বিরুদ্ধে মোট ৯৬টি মামলা হয়েছে। বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান পদের ২১ জন নেতার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে ৩০৮টি। ভাইস চেয়ারম্যানদের মধ্যে বেশি মামলা হয়েছে বরকত উল্লাহ বুলুর বিরুদ্ধে। তাঁর বিরুদ্ধে ৬১টি মামলা হয়েছে। </span><span style="font-weight: 400;">সর্বশেষ গত ৩ ফেব্রুয়ারী নারায়ণগঞ্জের আদালতে মামলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে কটূক্তি করার অভিযোগে মামলা হয়েছে। মামলায় আসামি করা হয়েছে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল ও  বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে। এছাড়াও ইশরাক হোসেন, চাকুরিচ্যুত মেজর দেলোয়ার হোসেন, নুরুল হক নুরু, মেজর (অব.) শহীদুল ইসলাম খান, মো. নুরে ইলিয়াস রিপন, এম রহমান মাসুম, আতিকুর রহমান সবুজ, জাহাঙ্গীর আলম, রেজাউল করিম, ইলিয়াস মোল্লা, জাকির হোসেন, শেখ মো. তিতুমীর আকাশ ও সাংবাদিক ইলিয়াস হোসেনকেও আসামি করা হয়। আর এসব অবাঞ্ছিত হামলা মামলা ও গুম খুনের ভয়ে আন্দোলনের মাঠে নিজেদের গাঁ বাচিয়ে চলার পরামর্শ নেতাকর্মীদের প্রতি। এ নির্দেশনা সয়ং ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকেও। যে কারণে সরাসরি মাঠে না নেমে অনেকটা ঘরোয়া বৈঠক, সমাবেশ ও ইফতার আয়োজনে বক্তব্য রাখছেন, বিভিন্ন প্রতিবাদ জানাচ্ছেন নেতাকর্মীরা। </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/FB_IMG_1651431631077.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-4936" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/FB_IMG_1651431631077-300x200.jpg" alt="" width="300" height="200" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/FB_IMG_1651431631077-300x200.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/FB_IMG_1651431631077.jpg 696w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>তবে থেমে নেই মির্জা ফখরুল। সরকারের প্রতিটি বক্তব্যের পাল্টা জবাব দিতে তিনি কখনো পিছপা হননি। তাইতো মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর  </span><span style="font-weight: 400;">বলেছেন, বর্তমান সরকারের একদলীয় শাসনব্যবস্থা থেকে দেশের মানুষকে মুক্ত করতে হলে সব রাজনৈতিক দলকে একত্র হয়ে জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলতে হবে। ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমে এই সরকারের পতন ঘটিয়ে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি আদায় করে নতুন সংসদ ও সরকার গঠন করতে হবে। ঈদের আগে সর্বশেষ গত ২৯ এপ্রিল শুক্রবার নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের মেঘনাঘাট এলাকায় সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপি আয়োজিত ইফতার অনুষ্ঠান ও আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন। এসময় মির্জা ফখরুল বলেন, র্যাবের ওপর আমেরিকার নিষেধাজ্ঞা তোলার জন্য পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভারতের কাছে সহযোগিতা চেয়েছেন। কিন্তু এই গুম-খুন হত্যার নির্দেশদাতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে ভারতের কাছে সহযোগিতা চাওয়া হয়। এ জন্য এই সরকারকে ধিক্কার জানান তিনি।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">মির্জা ফখরুল দাবি করেন, বিরোধী দলকে দমন করার জন্য ৩৫ লাখ নেতা–কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হয়েছে। ইলিয়াস আলী ও চৌধুরী আলমসহ অনেক নেতাকর্মীকে এই সরকার গুম করেছে। মানবাধিকার লঙ্ঘনের কারণে আমেরিকার সরকার গুম–খুন–হত্যার সঙ্গে জড়িত আটজনের বিরুদ্ধে আমেরিকা ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। আর সেই নিষেধাজ্ঞা তোলার জন্য সরকার নানা জায়গায় ধরনা দিয়ে চলেছেন।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">এর আগে গত ১৯ এপ্রিল গাজীপুরের এক সম্মেলনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, যাঁরা জিয়াউর রহমানকে অস্বীকার করেন, তাঁরা স্বাধীনতার বিরোধী, তাঁরাই পাকিস্তানের অনুচর। </span><span style="font-weight: 400;">সরকারের সমালোচনা করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এখন আপনারা যা করছেন, তা পাকিস্তানের থেকে কোনো অংশে কম নয়, বরং বেশি করছেন। ১৯৭১ সালে পাকিস্তান যেভাবে গণতন্ত্রকে হত্যা করেছিল, মানুষকে হত্যা করেছিল। ঠিক একইভাবে আপনারা গণতন্ত্র কেড়ে নিয়েছেন। মানুষের অধিকার ছিনিয়ে নিয়েছেন। প্রতিদিন খবরের কাগজ খুললেই শুধু আপনাদের দুর্নীতির চিত্র পাওয়া যায়।’</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/FB_IMG_1651431585843.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignright size-medium wp-image-4937" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/FB_IMG_1651431585843-300x291.jpg" alt="" width="300" height="291" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/FB_IMG_1651431585843-300x291.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/FB_IMG_1651431585843.jpg 720w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>১৯৮৬ সালে শিক্ষকতা ত্যাগ করে ঠাকুরগাঁও পৌরসভা নির্বাচনে অংশ নেন তিনি। ইচ্ছে ছিলো শুধু ছাত্র-ছাত্রী নয়, মানুষের সেবায় আত্মনিয়োগ করবেন নিজেকে। ১৯৮৮ সালে তার প্রথম স্বপ্ন পূরণ হয় পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন তিনি। দেশজুড়ে যখন এরশাদ বিরোধী আন্দোলন দানা বাঁধে তখন ১৯৮৯ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপিতে যোগদানের করেন এবং ১৯৯২ সালে ঠাকুরগাঁও জেলার সভাপতি নির্বাচিত হন মির্জা ফখরুল। এর আগে ছাত্র জীবনে কিন্তু তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এস এম হল শাখা ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতি ছিলেন। আর এ কথা সর্বজন স্বীকৃত যে, ঐ সময়ে ছাত্র ইউনিয়ন শুধু বাছাইকৃত মেধাবীদের সংগঠন ছিলো। ২০০৯ সালের ডিসেম্বরে বিএনপির ৫ম জাতীয় সম্মেলনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দলের জৈষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব নির্বাচিত হন। এই সম্মেলনে তারেক রহমানকে দলের ভাইস চেয়ারম্যান  করা হয়।</span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><b>উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন পত্রিকা ঘেটে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সম্পর্কে ব্যক্তিগত তথ্য</b><span style="font-weight: 400;"> </span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><span style="font-weight: 400;">রাজনৈতিক পরিবারে বেড়ে ওঠা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২৬ জানুয়ারি ১৯৪৮ সালে ঠাকুরগাঁও জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম মির্জা রুহুল আমিন ও মাতা মির্জা ফাতেমা আমিন। শিক্ষাজীবনে মির্জা ফখরুল ঢাকা কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জন করেন।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">১৯৭২ সালে বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে শিক্ষা ক্যাডারে ঢাকা কলেজে অর্থনীতি বিভাগে শিক্ষকতা পেশায় যোগদান করেন। পরবর্তীতে বেশ কয়েকটি সরকারি কলেজে অধ্যাপনা করেন। অন্যান্য সরকারি দায়িত্বের মধ্যে মির্জা ফখরুল বাংলাদেশ সরকারের পরিদর্শন ও আয়-ব্যয় পরীক্ষণ অধিদপ্তরে একজন নীরিক্ষক হিসেবে কাজ করেন। ১৯৭৯ সালে জিয়াউর রহমানের শাসনামলে তৎকালীন উপ-প্রধানমন্ত্রী এস. এ. বারীর ব্যক্তিগত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পান। ১৯৮২ সাল হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসার পর বারী পদত্যাগ করার পূর্ব পর্যন্ত তিনি এ দায়িত্ব পালন করেন। বারী পদত্যাগ করার পর মির্জা ফখরুল তার শিক্ষকতা পেশায় ফিরে যান। এ সময় তিনি ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজে অর্থনীতির অধ্যাপক হিসেবে যোগদান করে ১৯৮৬ সাল পর্যন্ত শিক্ষকতা করেন।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সক্রিয় ছাত্র রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। তিনি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের (অধুনা বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন) একজন সদস্য ছিলেন এবং সংগঠনটির এস.এম. হল শাখার সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিলেন। ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানের সময়ে তিনি সংগঠনটির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি ছিলেন।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">১৯৮৬ সালে পৌরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে মির্জা ফখরুল তার শিক্ষকতা পেশা থেকে অব্যহতি নেন এবং সক্রিয়ভাবে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। ১৯৮৮ সালের ঠাকুরগাঁও পৌরসভার নির্বাচনে অংশ নিয়ে পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। জেনারেল এরশাদের সামরিক সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করতে যখন দেশব্যাপী আন্দোলন চলছে, তখন মির্জা ফখরুল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলে যোগদান করেন। ১৯৯২ সালে মির্জা ফখরুল বিএনপির ঠাকুরগাঁও জেলা শাখার সভাপতি নির্বাচিত হন। একইসাথে জাতীয়তাবাদী কৃষকদলের সহ-সভাপতির দয়িত্ব পালন করেন।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">মির্জা ফখরুল ১৯৯১ সালে পঞ্চম ও ১৯৯৬ সালে সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়নে সংসদ সদস্য নির্বাচন করে যথাক্রমে ৩৬,৪০৬ ও ৫৮,৩৬৯ ভোট পান এবং আওয়ামী লীগ প্রার্থী খাদেমুল ইসলামের কাছে পরাজিত হন।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">২০০১ সালে অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একই আসনে বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে আওয়ামী লীগের রমেশ চন্দ্র সেনের সাথে প্রতিযোগিতা করে ১,৩৪,৯১০ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেন ও সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। একই বছর নভেম্বরে বিএনপি সরকার গঠন করলে খালেদা জিয়ার দ্বিতীয় মন্ত্রিসভায় প্রথমে তিনি কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও পরবর্তীতে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পান। ২০০৬ সালের অক্টোবর পর্যন্ত তিনি এ দায়িত্ব পালন করেন।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">মির্জা ফখরুল ২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের রমেশ চন্দ্র সেনের প্রতিদ্বন্দ্বীতা করে পরাজিত হন। ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি একই সাথে ঠাকুরগাঁও-১ ও বগুড়া-৬ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন লাভ করেন এবং বগুড়া-৬ আসনে নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে শপথ গ্রহণ না করায় নির্বাচন কমিশন তার আসনটি শূন্য ঘোষণা করে এবং সেখানে উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">২০০৯ সালের ডিসেম্বরে বিএনপির ৫ম জাতীয় সম্মেলনে মির্জা ফখরুল বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব পদে নির্বাচিত হন। এই পদটিতে এর আগে তারেক রহমান বহাল ছিলেন। তারেক রহমান এই সম্মেলনে দলের ভাইস চেয়ারম্যানের পদ লাভ করেন। একই সময়ে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে এবং মির্জা ফখরুল বিরোধী দলীয় মুখপাত্র হিসেবে গণমাধ্যমে পরিচিতি পান।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">২০১১ সালের ২০শে মার্চ বিএনপির তৎকালীন মহাসচিব খন্দকার দেলওয়ার হোসেন মৃত্যুবরণ করার পর দলটির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ঘোষণা করেন। ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর দলের জ্যেষ্ঠ কয়েকজন নেতা এই মনোনয়ন নিয়ে প্রশ্ন তুলেন। কেউ কেউ বলেন বিএনপির সংবিধানে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের কোন বর্ণনা নেই। কিন্তু বেগম খালেদা জিয়া ২১ মার্চ ২০১১ তারিখে সৌদি রাজপরিবারের আমন্ত্রণে সৌদি আরব যাবার আগমুহুর্তে মির্জা ফখরুলকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ঘোষণা করে গেলে এই সংক্রান্ত বিভ্রান্তির অবসান ঘটে। ২০১৬ সালের ১৯শে মার্চ দলটির ষষ্ঠ জাতীয় সম্মেলনে মির্জা ফখরুল মহাসচিব হিসেবে নির্বাচিত হন।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">বিরোধী দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্ব পালনকালে মির্জা ফখরুল বিভিন্ন ইস্যুতে আওয়ামী লীগ সরকারের কঠোর সমালোচনা করেন। এছাড়া দেশব্যাপী বিএনপির একাধিক বিক্ষোভ ও আন্দোলন কর্মসূচীর নেতৃত্ব দেন, যেগুলো অধিকাংশেরই কেন্দ্রে ছিল তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহালের দাবী।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ব্যক্তিগত জীবনে রাহাত আরা বেগমের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। এই দম্পতির দুই মেয়ে রয়েছে। রাহাত আরা বেগম কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করেছেন ও বর্তমানে ঢাকার একটি বীমা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত। তার বড় মেয়ে মির্জা শামারুহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করে এই প্রতিষ্ঠানেই শিক্ষকতা করেছেন। বর্তমানে তিনি অস্ট্রেলিয়ায় পোস্ট ডক্টরাল ফেলো হিসেবে কর্মরত আছেন। ছোট মেয়ে মির্জা সাফারুহও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করেছেন। তিনি বর্তমানে ঢাকার একটি বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছেন।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">মির্জা ফখরুলের বাবা মির্জা রুহুল আমিন একজন আইনজীবী ছিলেন এবং ঠাকুরগাঁওয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতার আগে ও পরে একাধিকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। স্বাধীন বাংলাদেশে মির্জা রুহুল আমিন বিএনপির রাজনীতির সাথে যুক্ত ছিলেন। মির্জা ফখরুলের চাচা মির্জা গোলাম হাফিজ ছিলেন একজন বিএনপি নেতা, সাবেক মন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের ৪র্থ স্পিকার। </span></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%81%e0%a6%b7-%e0%a6%97%e0%a7%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%97%e0%a6%b0-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%9c%e0%a6%a8/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>একজন দায়িত্বশীল শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনিঃ আওয়ামী লীগের গর্ব</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%9c%e0%a6%a8-%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a7%9f%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%b6%e0%a7%80%e0%a6%b2-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%a8/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%9c%e0%a6%a8-%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a7%9f%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%b6%e0%a7%80%e0%a6%b2-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%a8/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 27 Apr 2022 19:00:49 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[চট্টগ্রাম বিভাগ]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলার চিঠি]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববিদ্যালয়]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[শিক্ষামন্ত্রী]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://shahittabazar.com/?p=4907</guid>

					<description><![CDATA[<p>একজন দায়িত্বশীল শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনিঃ আওয়ামী লীগের গর্ব</p> <p>বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা, মতিয়া চৌধুরী, সাজেদা চৌধুরীর পর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যে কজন নারী নেতৃত্ব সুনাম ও দক্ষতার সাথে নিজের</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%9c%e0%a6%a8-%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a7%9f%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%b6%e0%a7%80%e0%a6%b2-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%a8/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><b>একজন দায়িত্বশীল শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনিঃ আওয়ামী লীগের গর্ব</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/04/aW1hZ2UtODc5NDYtMTU0Njg1MTIxOS5qcGc.jpeg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-4908" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/04/aW1hZ2UtODc5NDYtMTU0Njg1MTIxOS5qcGc-300x180.jpeg" alt="" width="300" height="180" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/04/aW1hZ2UtODc5NDYtMTU0Njg1MTIxOS5qcGc-300x180.jpeg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/04/aW1hZ2UtODc5NDYtMTU0Njg1MTIxOS5qcGc.jpeg 350w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা, মতিয়া চৌধুরী, সাজেদা চৌধুরীর পর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যে কজন নারী নেতৃত্ব সুনাম ও দক্ষতার সাথে নিজের অবস্থান সুদৃঢ় রেখেছেন বর্তমান শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি তাদের অন্যতম একজন। তিনি যে শুধু একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব তা কিন্তু নয়, ঢাকার সাংস্কৃতিক অঙ্গন বিশেষ করে ঢাকা থিয়েটার ও রবীন্দ্র সংগীত সম্মেলন পরিষদের সাথেও তার রয়েছে নাড়ির টান। যদিও নিজ এলাকা চাঁদপুরে তাকে ঘীরে জমি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত বিরোধী পক্ষের বেশকিছু রটনা রয়েছে তবে তা বিরোধিতা জন্য বিরোধ বলেই মনে করেন দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ। </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;"><strong>চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ- সভাপতি আলহাজ মো. ইউসুফ গাজী</strong> জানান, বিগত ১৩ বছরে ডা. দীপু মনি এমপি’র নির্বাচনী এলাকায় বহু সরকারি স্থাপনা নির্মিত হয়েছে এবং এসব স্থাপনার জন্য জমি অধিগ্রহণও করা হয়েছে। এসব জমিতে কোথাও কখনো ডা. দীপু মনি বা তার পরিবারের কোনো জমি কখনো ছিল না। তার উদ্যোগে চাঁদপুর হাইমচরে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছে। সেখানে জমির মূল্য শতাংশ প্রতি ৫ হাজার টাকা থেকে কয়েক লাখ টাকায় উন্নীত হয়েছে এখন। সরকারের নিকট থেকে ক্ষতিপূরণ লাভের আশায় বা অন্য কোনো উদ্দেশ্যে সেখানেও ডা. দীপু মনি বা তার পরিবারের কোনো সদস্য কখনো কোনো জমি ক্রয় করেননি। </span><span style="font-weight: 400;">আওয়ামী লীগের এই সিনিয়র সহসভাপতি আরো বলেন, গত ১৩ বছরে কোনো নিয়োগ, কোন টিআর, কাবিখা বিতরণে, কোনো প্রকল্পের টেন্ডার প্রক্রিয়ায় বা অন্য কোনো কার্যক্রমে ডা. দীপু মনি বা তার পরিবারের কোনো ধরনের আর্থিক অস্বচ্ছতা বা অনিয়ম পাওয়া যাবেনা। এ বিষয়ে জেলার সরকারি- বেসরকারি কর্মকর্তাসহ জেলার রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ জনগণ সবাই অবগত আছেন। কী উদ্দেশ্যে হঠাৎ করেই আজ ডা. দীপু মনিকে অসৎ প্রতিপন্ন করার, হেয় করার অপচেষ্টা করা হয়েছে। চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি নাছির উদ্দিন আহমেদ আসলে বিএনপি নেতৃবৃন্দের সাথে মিলে এসব অভিযোগ এনেছেন বলে মনে করেন এই নেতা। </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/04/IMG_20220428_004730.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignright size-medium wp-image-4909" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/04/IMG_20220428_004730-300x241.jpg" alt="" width="300" height="241" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/04/IMG_20220428_004730-300x241.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/04/IMG_20220428_004730.jpg 527w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>২০১৯ সালের ২৩ ডিসেম্বর ‘চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০১৯’ এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দেয় মন্ত্রিসভা। সংসদে চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনে বিল পাস হয় ২০২০ সালের ৯ সেপ্টেম্বর। ১৫ সেপ্টেম্বর সরকারি গেজেটের মধ্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের যাত্রা শুরু হয়। ২০২১ সালের ২৫ জানুয়ারি থেকে চাঁবিপ্রবির উপাচার্য  হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব পান অধ্যাপক ড. মো. নাছিম আখতার।</span><span style="font-weight: 400;">ইতোমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য চাঁদপুর জেলা শহর থেকে চার কিলোমিটার দক্ষিণে চাঁদপুর–হাইমচর উপজেলা সড়কের ঠিক পূর্বপাশে সদর উপজেলার লক্ষ্মীপুর গ্রামে ৬০ একর জায়গা অধিগ্রহণের কাজ চলমান ছিলো। মূলত এই কাজেই দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে দীপু মনি পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে । </span><span style="font-weight: 400;">চাঁদপুরের জেলা প্রশাসকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ‘চাঁদপুর সদর উপজেলার ১১৫ নম্বর লক্ষ্মীপুর সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের নির্ধারিত বাজারমূল্য অনুযায়ী নাল, বাড়ি/বাগান, পুকুর/ডোবা ও ভিটি শ্রেণির মূল্য পর্যায়ক্রমে ১৩ হাজার ৮০২ টাকা, ২৩ হাজার ৯৬৬, ৩৮ হাজার ৯৫৬ এবং ৩৩ হাজার ২৯৪ টাকা ধরে প্রকল্প প্রাক্কলন দাঁড়ায় ১৯৩ কোটি ৯০ লাখ ৬৫ হাজার ৫০৭ টাকা। কিন্তু দেখা যায়, সর্বশেষ নির্ধারিত মৌজা মূল্যের তুলনায় অধিগ্রহণের নিমিত্ত সংগৃহীত দরপত্র চরম অস্বাভাবিক।’ অর্থাৎ আগে সেটির প্রাক্কলন মূল্য দেখানো হয়েছিল ৫৫৩ কোটি টাকা। যাতে সরকারের ৩৫৯ কোটি ১৬ লাখ ৬১ হাজার ৭৮২ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়। প্রস্তাবিত চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবনের নির্ধারিত স্থান</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;"><strong>এ বিষয়ে চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নাসির উদ্দিন আহমেদ বলেন</strong>, একটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় হবে, সেখানে সারাদেশ থেকে শিক্ষার্থীরা পড়তে আসবে। অথচ এটি করা হচ্ছে প্রত্যন্ত গ্রামে। যেখানে যাতায়াতের সেরকম ব্যবস্থা নেই। পাশাপাশি ওই জায়গাটি মেঘনা নদী থেকে ৭০০ মিটার দূরে। যে কোনো সময় মেঘনার খরস্রোতে ভেঙে যেতে পারে। এরকম একটা জায়গা উদ্দেশ্যমূলকভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য পছন্দ করেছেন তারা, আবার ওইখানে তারা নিজেরাই জমি কিনেছেন। এটা পরিষ্কার যে, ব্যক্তিগত লাভের জন্য এটি করা হয়েছে।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">তিনি বলেন, এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে শিক্ষামন্ত্রীর বড় ভাই জে আর ওয়াদুদ টিপু, মামাতো ভাই জাহিদুল ইসলাম রোমান, সেলিম খানসহ অনেকে জড়িত, যারা শিক্ষামন্ত্রীর ঘনিষ্ঠজন বলে পরিচিত। তাদের নামে-বেনামে সেখানে জায়গাও কেনা হয়েছে।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;"><strong>চাঁদপুর-৪ আসনের সরকারদলীয় সংসদ সদস্য (এমপি) মুহাম্মদ শফিকুর রহমানও</strong> সেখানে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে কলাম লিখেছেন। তিনি দাবি করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ভূমি অধিগ্রহণের ক্ষেত্রে ৫০০-৬০০ কোটি টাকার বাণিজ্য হচ্ছিল অবাধে। এর পেছনে যেহেতু খোদ শিক্ষামন্ত্রীর ক্ষমতা ও তার ভাইয়েরা জড়িত, তাই কেউ মুখ খুলছিল না। চাঁদপুরের সচেতন নাগরিকরা অতি সঙ্গোপনে গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে সরকারের দৃষ্টিতে বিষয়টি আনলে একটি জরিপ করা হয়। জরিপে কেঁচো খুঁড়তে সাপ বেরিয়ে আসতে শুরু করে। দেখা যায়, অধিগ্রহণের জন্য চিহ্নিত জমির প্রতি শতাংশের মূল্য স্থানীয়ভাবে ১৪ থেকে ১৫ হাজার টাকা, ভিটি বাড়ি হলে প্রতি শতাংশ ৩২ থেকে ৩৩ হাজার টাকা। প্রভাবশালী মহল এই জমি প্রকারভেদে ২ লাখ ৫০ হাজার থেকে ৩ লাখ টাকা দলিলে লিখিয়ে কিনে নেয়। ১৪-১৫ হাজার টাকা শতাংশ জমি আড়াই থেকে তিন লাখ টাকার দলিল করে সরকারের কাছ থেকে ২০ গুণ বেশি দাম পকেটস্থ করার ফন্দি আঁটা হয়েছিল। </span><span style="font-weight: 400;">এমপি শফিকুর রহমানের দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য স্থান নির্ধারণই হয়েছে আত্মঘাতী। যেটি খরস্রোতা মেঘনা পাড়ে। ভাঙনপ্রবণ মেঘনা পাড় থেকে ৫০০-৬০০ মিটার ভেতরে চাঁদপুর থানার লক্ষ্মীপুর ইউনিয়ন পরিষদ এলাকা। এই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. সেলিম খান। তিনি শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এবং তার ভাই ডা. টিপুর অত্যন্ত কাছের লোক বলেও অভিযোগ তাদের। </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">এনিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে বেশ আলোচনা চলছে। কেউ বলছেন, থলের বিড়াল বেরিয়ে এসেছে। কেউ বলছেন, এটি সরকারের একজন স্বচ্ছ ও সৎ মন্ত্রীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র। তবে <strong>শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. ছাদেকুল আরেফিন</strong> বলেন, নদীর পাড়ে প্রত্যন্ত গ্রামে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়টি অনন্য উদাহরণ হতে পারে এ ক্ষেত্রে। সুশিক্ষার বিস্তারে এমন স্থানই শিক্ষার জন্য আদর্শ স্থান বলে মনে করেন এই জ্ঞানাচার্য। </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/04/IMG_20220428_004825.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-4910" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/04/IMG_20220428_004825-206x300.jpg" alt="" width="206" height="300" /></a>নিজ এলাকা ও দলীয় নেতাকর্মীদের কিছু অংশের বিরূপ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শিক্ষামন্ত্রী এ বিষয়ে প্রথমে কিছুই বলতে রাজী হননি। পরে অনেক অনুরোধে ডা. দীপু মনি বলেন, ‘আমার বড় ভাই (জে আর ওয়াদুদ টিপু) একজন চিকিৎসক। বেশ কিছুদিন ধরে তিনি অল্প অল্প করে জমি কিনেছিলেন, হাসপাতাল ও বৃদ্ধাশ্রম করার জন্য। যখন ওই জমিটা আমরা চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চাঁবিপ্রবি) জন্য পছন্দ করি, অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া শুরুর পর আমার ভাই তার জমি বিক্রি/হস্তান্তর করেছেন। এর বাইরে চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চাঁবিপ্রবি) জন্য যে জমি চিহ্নিত আছে, সেখানে আমার বা আমার পরিবারের কারও কোনো জমি নেই। গত ১৩ বছরে আমার নির্বাচনী এলাকায় অনেক অবকাঠামো হয়েছে, হচ্ছে। আজ পর্যন্ত অধিগ্রহণকৃত জায়গায় আমার বা আমার পরিবারের কারও এক ছটাক জমিও ছিল না। বাস্তবিক অর্থে চাঁদপুরে আমার কোনো জমিই নেই।’ যাদের জমি আছে বলে নাম এসেছে জাহিদুল ইসলাম রোমান ও সেলিম খান; তারা রাজনৈতিক ও আত্মীয়তার কারণে ঘনিষ্ঠ স্বীকার করে ডা. দীপু মনি বলেন, ‘ওখানে আমার পরিবার বলতে আমার একমাত্র ভাই। তবে জাহিদুল ইসলাম রোমান আমার জ্ঞাতি হিসেবে আত্মীয়। জাহিদুল ইসলাম রোমানের নানা এবং আমার দাদা, তারাও ডিস্টেন্ট (দূর সম্পর্কীয়) কাজিন। সেই অর্থে তিনি আমার ভাই। তার থেকে অনেক বড় সম্পর্ক হলো—রাজনৈতিকভাবে আমরা ঘনিষ্ঠ। আমার রাজনৈতিক পরিবার অনেক বড়। চাঁদপুরে আমার রাজনৈতিক পরিবারের মানুষের সংখ্যা লাখেরও বেশি। সেলিম খান অধিগ্রহণকৃত এলাকার ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি। তিনিসহ প্রতিটি ইউনিয়ন চেয়ারম্যানই আমার ঘনিষ্ঠ, এটাই স্বাভাবিক এবং এটাই হওয়া উচিত।’</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘যখনই অধিগ্রহণ হয়, সেখানে জমি কেনার একটা প্রবণতা থাকে। কিংবা যাদের জমি আছে, স্থাপনা বানিয়ে ফেলে। এই অনুশীলন বাংলাদেশের সর্বত্র আছে। চাঁদপুরেও সম্ভবত সেটা ঘটে থাকতে পারে। সেটা আমি জানি না। কে আমার সঙ্গে রাজনীতি করেন বা করেন না, কে জমি কিনেছেন? ওটা আমার দেখার বিষয় নয়। ওটা দেখার সময়ও নেই আমার। রাজনৈতিক ঘনিষ্ঠ বা আত্মীয়-অনাত্মীয় কেউ জমি কিনলেও আমার কিছু বলার নেই।’</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">তিনি বলেন, ‘ওই জায়গায় যে অধিগ্রহণ করা হচ্ছে, সেটা আইনসম্মতভাবে অধিগ্রহণ বা প্রাক্কলন হয়েছে কি না, এটা ভূমি মন্ত্রণালয় দেখবে। এটা তাদের কাজ। বা সরকারের অন্য কোনো কর্তৃপক্ষ থাকলে তারা দেখবে। সেই জায়গায় যদি জমির মূল্য সঠিক না হয়, তাহলে সে ব্যাপারে যা ব্যবস্থা নেওয়ার সেটাও সরকারই নেবে। সেখানেও আমার কোনো বিষয় নেই। আমার যেটা দেখার দরকার, আমার এলাকায় যে বিশ্ববিদ্যালয়টি স্থাপন করার কথা, সেটি যথাসময়ে স্থাপিত হচ্ছে কিনা। এটা যেন ভূমি সংক্রান্ত কোনো সমস্যা বা তৈরি করা কোনো সমস্যা দিয়ে ঝুলে না যায়, বিলম্বিত না হয়, এটা দেখা আমার কাজ। একটি সুশিক্ষিত জাতি আমাদের সবার আগে প্রয়োজন। আমি সেই চেষ্টাটুকুই করছি ও করবো। </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/04/IMG_20220428_004810.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignright size-medium wp-image-4911" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/04/IMG_20220428_004810-290x300.jpg" alt="" width="290" height="300" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/04/IMG_20220428_004810-290x300.jpg 290w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/04/IMG_20220428_004810.jpg 581w" sizes="auto, (max-width: 290px) 100vw, 290px" /></a>ডা. দীপু মনি অভিযোগ তুলে আরো বলেন, ‘এর আগে চাঁদপুর মেডিকেল কলেজের জায়গার অধিগ্রহণ নিয়ে এই রকম একটা মহল প্রশ্ন তুলেছে। যখনই কোনো বড় উন্নয়নমূলক কাজের কথা হয়, তখনই এই জমি ভেঙে যাবে, এটা নষ্ট হবে, এরকম নানান কিছু বলা হয়। এই বলে মেডিকেল কলেজের জমি অধিগ্রহণের কাজটাও দীর্ঘায়িত হচ্ছে। হাইমচরে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল হওয়ার কথা, সিদ্ধান্ত হয়ে আছে। সেটার জমি অধিগ্রহণ কাজও হচ্ছে ধীরগতিতে। তার কারণ একটা মহল কিছুতেই চাইছে না—ওইখানে (চাঁদপুর-৩) আমার মাধ্যমে এই বড় বড় কাজগুলো হোক। সব জায়গায়ই রাজনৈতিক বিরোধিতা থাকে। রাজনৈতিক নানান রকম দ্বন্দ্ব-কলহ থাকে। আমার ওখানেও হয়তো কম-বেশি কিছু আছে। সেটা একটা ভিন্ন দিক।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">দীপু মনি বলেন, আমার মত একটাই, যে মূল্য যথাযথ হয়; সে মূল্যেই সরকার আইন অনুযায়ী অধিগ্রহণ করবে। কোনো বিলম্ব ছাড়াই যেন আমার বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হয়। যারা আমার বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে আপত্তি তুলছেন, তারা যেন সফল না হন। কারণ তারা চাঁদপুরের উন্নয়ন চান না’</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">দীপু মনি জোর দাবি জানিয়ে বলেন, যে অপপ্রচারটা চলছে, ওটা ভাঙণপ্রবণ এলাকা, ওখানে বিশ্ববিদ্যালয় করা যাবে না; সেটা সঠিক নয়। দেখে-শুনেই ওই জায়গায়টি নেয়া হয়েছে। অনেকগুলো দিক বিবেচনা করা হয়েছে। শহরের মধ্যে নয়, মহাসড়কের পাশে নয়, অনেকগুলো জেলার সঙ্গে যাতায়াত সুবিধা আছে, এরকম একটা জায়গা এটি। এটি নদীর পাড়ে বা নদীর কাছের জায়গা। তবে ওখানে বেড়িবাঁধও আছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডও মতামত দিয়েছে যে, জায়গাটিতে এই স্থাপনা করা যাবে।’</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">একাধারে ডাক্তার ও আইনজীবী দীপু মনি একাদশ জাতীয় সংসদের নতুন মন্ত্রিসভায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং করোনাকালীন সংকটে অত্যন্ত সুকৌশলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষা ব্যাবস্থার নিয়ন্ত্রণে নিজের দক্ষতা ও সুনাম বৃদ্ধি করেন। এর আগে ২০০৯ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্বেও সফলতা দেখিয়েছেন তিনি। তিনিই ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম মহিলা পররাষ্ট্রমন্ত্রী।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/04/IMG_20220428_004909.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-4912" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/04/IMG_20220428_004909-223x300.jpg" alt="" width="223" height="300" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/04/IMG_20220428_004909-223x300.jpg 223w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/04/IMG_20220428_004909.jpg 644w" sizes="auto, (max-width: 223px) 100vw, 223px" /></a>৮ ডিসেম্বর, ১৯৬৫ সালে জন্মগ্রহণ করেন বাংলাদেশের এই প্রথম পররাষ্ট্র ও শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং ভাষা আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ও পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগের প্রথম কাউন্সিল-নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক এম.এ ওয়াদুদের কন্যা। তিনি হলিক্রস কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস এবং বাংলাদেশ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় হতে এলএলবি উত্তির্ন হন । এমবিবিএস ডিগ্রি লাভের পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্স হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব পাবলিক হেলথ থেকে এমপিএইচ ডিগ্রি অর্জন করেন। এছাড়া তিনি লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে মাস্টার্স ডিগ্রি ও হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমঝোতা ও দ্বন্দ্ব নিরসন এর ওপর একটি কোর্স সম্পন্ন করেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের একজন আইনজীবী। </span><span style="font-weight: 400;">দীপু মনি ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়- প্রতিবেশী দেশসমূহের সাথে বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী থাকাকালীন সময়ে তিনি কমনওয়েলথ মিনিস্ট্রেরিয়াল অ্যাকশন গ্রুপ-এর প্রথম নারী এবং দক্ষিণ এশীয় চেয়ারপার্সন নির্বাচিত হন। এছাড়া তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশ সমুদ্র জয় করে। এতে করে বাংলাদেশ সরকার প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমার এবং ভারতের সাথে প্রায় চার দশকের সমুদ্র সীমা সংক্রান্ত অমীমাংসিত বিষয়টি আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় চূড়ান্ত ভাবে নিষ্পত্তির উদ্যোগ গ্রহণ করে । </span><span style="font-weight: 400;">সামাজিক উন্নয়ন এবং প্রশাসনিক ক্ষেত্রে তাঁর অনন্য অবদানের জন্য তিনি মাদার তেরেসা আন্তর্জাতিক পুরষ্কারে ভূষিত হন। ২০১৪ সালের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে পুনরায় চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। একই সাথে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। </span><span style="font-weight: 400;">২০১৬ সালে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের ২০তম কাউন্সিলে তিনি পুনরায় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হন। ৬ জানুয়ারী ২০১৯ এ তিনি একাদশ জাতীয় সংসদের অধীনে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এর দায়িত্ব গ্রহণ করেন। </span><span style="font-weight: 400;">বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের এ্যাডভোকেট তৌফীক নাওয়াজ দীপু মনি`র স্বামী। তিনি আন্তর্জাতিক একটি ল’ফার্মের প্রধান। তিনি উপমহাদেশের দু’ হাজার বছরের ঐতিহ্য মন্ডিত ধ্রুপদী সঙ্গীতের উৎস হিসেবে পরিচিত ‘আলাপ’ এর একজন শিল্পী। তাঁদের রয়েছে দু’সন্তান। পুত্র তওকীর রাশাদ নাওয়াজ ও কন্যা তানি দীপাভলী নাওয়াজ।</span></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%9c%e0%a6%a8-%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a7%9f%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%b6%e0%a7%80%e0%a6%b2-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%a8/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
