<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>বিএনপি &#8211; সাহিত্য বাজার</title>
	<atom:link href="https://shahittabazar.com/tag/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%8f%e0%a6%a8%e0%a6%aa%e0%a6%bf/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://shahittabazar.com</link>
	<description>সাহিত্যের আয়নায় মানুষের মুখ</description>
	<lastBuildDate>Mon, 01 Jun 2026 18:04:33 +0000</lastBuildDate>
	<language>bn-BD</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.9.4</generator>
	<item>
		<title>আহ্বায়ক কমিটি নির্ভর বরিশাল বিএনপি : প্রভাব বিস্তারের দ্বন্দ্বে চলছে বহুমুখী বিভক্তি</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%86%e0%a6%b9%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%95-%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ad%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%b0/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%86%e0%a6%b9%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%95-%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ad%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%b0/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আরিফ আহমেদ]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 30 May 2026 07:13:23 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[প্রবন্ধ]]></category>
		<category><![CDATA[বরিশাল বিভাগ]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলার চিঠি]]></category>
		<category><![CDATA[সাহিত্য]]></category>
		<category><![CDATA[বরিশাল]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিএনপি]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://shahittabazar.com/?p=6017</guid>

					<description><![CDATA[<p>আহ্বায়ক কমিটি নির্ভর বরিশাল বিএনপি : প্রভাব বিস্তারের দ্বন্দ্বে চলছে বহুমুখী বিভক্তি</p> <p>(এটাই হতে পারে উন্নয়নের পথে বাধা) </p> <p>বিশেষ প্রতিবেদক</p> <p>বহুমুখী বিভক্তি ও দ্বন্দ্বে জর্জরিত বরিশাল বিএনপি : উন্নয়নের পথে</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%86%e0%a6%b9%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%95-%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ad%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%b0/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>আহ্বায়ক কমিটি নির্ভর বরিশাল বিএনপি : প্রভাব বিস্তারের দ্বন্দ্বে চলছে বহুমুখী বিভক্তি</strong></p>
<p>(<strong>এটাই হতে পারে উন্নয়নের পথে বাধা) </strong></p>
<p><strong>বিশেষ প্রতিবেদক</strong></p>
<div id="attachment_6019" style="width: 310px" class="wp-caption alignleft"><a href="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2026/05/IMG20260530114127.jpg"><img fetchpriority="high" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-6019" class="size-medium wp-image-6019" src="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2026/05/IMG20260530114127-300x169.jpg" alt="" width="300" height="169" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2026/05/IMG20260530114127-300x170.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2026/05/IMG20260530114127-1024x576.jpg 1024w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2026/05/IMG20260530114127-768x432.jpg 768w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2026/05/IMG20260530114127-1536x864.jpg 1536w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2026/05/IMG20260530114127-70x40.jpg 70w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2026/05/IMG20260530114127.jpg 1920w" sizes="(max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a><p id="caption-attachment-6019" class="wp-caption-text">oplus_0</p></div>
<p><strong>বহুমুখী বিভক্তি ও দ্বন্দ্বে জর্জরিত বরিশাল বিএনপি : উন্নয়নের পথে এটাই প্রধান বাধা </strong></p>
<p><strong>বিশেষ প্রতিবেদক</strong></p>
<p>বরিশালের রাজনীতিতে এখন সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হচ্ছে &#8211; উন্নয়ন নয়, প্রশাসনিক ও সাংগঠনিক নিয়ন্ত্রণ। ক্ষমতার কেন্দ্র কার হাতে থাকবে? তা নিয়ে চলছে নীরব কিন্তু তীব্র বহুমুখী লড়াই। মহানগর ও জেলা উভয় স্থানেই প্রবল নেতৃত্ব সংকটে রয়েছে বিএনপি। তাদের গঠিত সরকারের ১০০ দিন পার হলেও বরিশালে এখনো কোনো একক নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়নি। একক নেতৃত্বই শুধু নয়, এখানে আদৌ কোনো নেতৃত্ব আছে কিনা তা নিয়েও জনমনে রয়েছে সংশয়। আর এ সংশয় গত প্রায় পাঁচ বছর ধরে চলমান। বিশেষ করে বরিশালের রাজনীতি থেকে মজিবর রহমান সরোয়ারকে সরিয়ে নেওয়ার পরপরই শুরু হয়েছে নেতৃত্বের কোন্দল। বহুবার পরিবর্তন ও রদবদল হয়েছে আহ্বায়ক কমিটিও।<br />
গত ১২ ফেব্রুয়ারীর নির্বাচনে বিএনপির জয় লাভের পর থেকে বরিশালে এই নেতৃত্বহীনতা আরো স্পষ্ট হয়েছে। বিশেষ করে বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন বরিশাল সিটি করপোরেশনের (বিসিসি) প্রশাসক নিযুক্ত হওয়ার পর থেকে এ দ্বন্দ্ব যেন অনেকটা প্রকাশ্যে আসতে শুরু করেছে।<br />
বরিশাল ৫ সদর আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মজিবর রহমান সরোয়ার, বরিশাল ১ গৌরনদী আগৈলঝারা আসনের সংসদ সদস্য ও বর্তমান তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন এবং বরিশাল সিটি করপোরেশন (বিসিসি) প্রশাসক ও বিএনপির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন এর বরিশালের কার্যক্রম, তাদের সভা সমাবেশে নেতাকর্মীদের উপস্থিতি৷, বাস টার্মিনাল স্থানান্তর, বাণিজ্য মেলা বন্ধ ও চালু হওয়া সর্বোপরি স্বাস্থ্য মন্ত্রী ও স্বাস্থ্য উপদেষ্টার বরিশালের অন্যতম ২০০ শয্যা বিশিষ্ট শিশু হাসপাতাল পরিদর্শনে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের অনুপস্থিতি নিয়ে চলছে বহুমুখী বিভক্তির ঘ্রাণ। আবার বরিশাল চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি সভাপতি ও বিএনপি নেতা এবায়দুল হক চান ও শিরিনের ইগো দ্বন্দ্বের লড়াই ছিলো বাণিজ্য মেলা নিয়ে।<br />
অন্যদিকে বরিশাল জেলা পরিষদের দায়িত্ব নিয়েও আরেক সাংগঠনিক সম্পাদক আকন কুদ্দুসুর রহমানের দায়িত্ব এড়িয়ে চলা, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব এর আচরণ ইত্যাদি বিষয় পর্যালোচনা করে এটা নিশ্চিত যে এখানে বিএনপির দলীয় রাজনীতি ও প্রশাসনিক বলয়ের ভিতর বহু বিভক্তি স্পষ্ট হয়ে উঠছে।<br />
অনুসন্ধানে দেখা গেছে, গত মার্চ থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত বরিশালের বিভিন্ন মন্ত্রীদের আগমন, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত, উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন, হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা, সিটি করপোরেশনের কার্যক্রম এবং রাজনৈতিক কর্মসূচির নেপথ্যে এই বহুমুখী দ্বন্দ্বের প্রভাব টের পেয়েছেন বরিশালের সাধারণ মানুষও। যে কারণে এ নিয়ে চায়ের দোকানসহ সামাজিক জটলাতেও চলছে মুখরোচক আলোচনা। কেউ কেউ শিরিনের কার্যক্রমকে বাহবা দিলেও চুপিসারে বলছেন, বরিশালের রাজনৈতিক মুরব্বি মজিবর রহমান সরোয়ার। তার সাথে পরামর্শ করেই পদক্ষেপ নেওয়া উচিত শিরিনের। আবার কেউ বলছেন, মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বরিশালে আসলে সরোয়ার বা শিরিন কেউই বরিশালে থাকেন না। আবার জেলা ও মহানগর বিএনপির নেতৃবৃন্দ কাউকেই দেখা যায়নি মন্তী- প্রতিমন্ত্রীর আশেপাশে। এটাও জটিলতা তৈরি করছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন স্বপন বরিশাল ১ আসনের এমপি হলেও তিনিতো এখন বাংলাদেশের প্রতিটি জেলার মন্ত্রী। তার আগমনে বা উপস্থিতিতে সদর আসনের সংসদ সদস্য ও সিটি করপোরেশনের প্রশাসক, জেলা পরিষদের প্রশাসকের অনুপস্থিতি দৃষ্টিকটু। বরং সবাই যখন বিএনপির নেতা, তাদের সবাইকে একই মঞ্চে পাশাপাশি দেখতে চায় সাধারণ মানুষ। তাদের দাবি, বিগত ১৭ বছরের অভিজ্ঞতায় তারা দেখেছেন মেয়র ও সংসদ সদস্যের দ্বন্দ্বে বরিশালের উন্নয়ন বরাদ্দ ফেরত চলে যেতে। তাই কোনোরকম রাজনৈতিক বা ব্যাক্তিগত দ্বন্দ্ব দেখতে রাজী না বরিশালের সাধারণ মানুষ। তাদের অনেকেই আশা করেছিলেন অন্তত ৩০ মে এরকম কিছু হবে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎ বার্ষিকী আয়োজনে। কিন্তু সেখানেও নিরাশা। জেলা ও মহানগর পৃথক পৃথক শোকসভা করে তাদের বিভক্তি আরো বেশি প্রমাণ করলেন। যদিও মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুকের দাবী &#8211; যার যার কর্মসূচি সে সে পালন করবে এটাই স্বাভাবিক। মহানগর আর জেলাতো এক নয়, যে একসাথে কার্যক্রম হতে হবে।<br />
তিনি আরও বলেন, বড় রাজনৈতিক দলের মধ্যে একাধিক প্রতিযোগিতা থাকবে এটা জটিল কিছু নয়। এই প্রতিযোগিতায় অনেক আগাছা পরগাছাও প্রবেশ করবে কিন্তু দিনশেষে তারাই টিকে থাকবে এবং মূল্যায়িত হবেন, যারা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শ ধারণা করেন।<br />
যদিও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অনেকেরই ধারণা ছিল দীর্ঘদিনের প্রভাবশালী নেতা মজিবর রহমান সরোয়ার সহজেই একক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করবেন। কারণ তিনি বরিশাল-৫ আসন থেকে মেয়র ও চার চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন এবং কেন্দ্রীয় রাজনীতিতেও তার অবস্থান অনেক শক্তিশালী। কিন্তু সবাইকে হতাশ করে তার জনসমর্থন দিনকে দিন কমেছে। ১২ ফেব্রুয়ারী তিনি পঞ্চমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেও তা অত্যন্ত দূর্বল কাঠামোর উপর দাঁড়িয়েছে। কেননা সবসময় ২০ হাজারের কাছাকাছি ভোট পাওয়া ইসলামি আন্দোলন প্রার্থী মুফতি মাওলানা ফয়জুল করিম ৯০ হাজারের বেশি ভোট পেয়েছেন। অন্যদিকে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়ে বরিশাল ১ আসনের সংসদ সদস্য জহির উদ্দিন স্বপনের প্রভাব দ্রুত বাড়তে থাকে। একইসঙ্গে বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক হন বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন। এতে প্রশাসনিক ও সাংগঠনিকভাবে আলাদা শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হন তিনি। দীর্ঘদিন রাজনীতির মাঠে সক্রিয় জেলা ও মহানগর বিএনপির অনেক নেতা এতে ক্ষুব্ধ হন এবং কেউ কেউ প্রকাশ্যে শিরিনের বিরোধিতা শুরু করেন। জেলার সাবেক সভাপতি এবং কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এবায়দুল হক চান, মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব জিয়াউদ্দিন সিকদার, সাবেক সদস্য সচিব মীর জাহিদ প্রমুখের মধ্যে স্পষ্ট ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটে। তারা সরাসরি শিরিনের বিরোধিতা না করলেও তাদের অনুসারীদের সরিয়ে নেয়ার অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন উন্নয়ন কাজে বাধা প্রদানের অভিযোগও রয়েছে তাদের অনুসারীদের বিরুদ্ধে। যার প্রমাণ পাওয়া যায়, নথুল্লাবাদ বাস টার্মিনাল স্থানান্তর ও শিশু হাসপাতাল উদ্বোধন পক্রিয়ায়।<br />
স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক কাজী মিজানুর রহমান এর মতে, বরিশালে এখন প্রকাশ্য বিরোধের চেয়ে “নিয়ন্ত্রণের নীরব যুদ্ধ” বেশি চলছে। কে প্রশাসনে প্রভাব রাখবে, কে উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ন্ত্রণ করবে, কে দলীয় কমিটি ও মাঠের কর্মীদের ধরে রাখবে—এসব হিসাবেই রাজনীতি এগোচ্ছে।<br />
আবার রাজনৈতিক বিশ্লেষক মাহবুব খান বলেন, আসলে বরিশালে বিএনপির বিভক্তি গত ৫ বছর ধরেই চলছে। এটা এজন্য যে আহ্বায়ক কমিটি নির্ভর হয়ে এতো দীর্ঘ সময় কাটানো রাজনীতিতে সবাই নিজ নিজ অনুসারী তৈরি করছে। সবাই এখানে এখন বড় নেতা। গত ২৪ সালের ৫ আগস্টের পর দল থেকে বহিস্কৃত নেত্রী বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন হঠাৎ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক হয়েছেন এটা মেনে নিতে অনেকের কষ্ট হয়েছে। তবে শিরিন তার কাজ ও আচরণ দিয়ে সবাইকে জয় করে নিতে শুরু করেছেন। ২৫ মে বিকালে নগর ভবনের মিলনায়তনে তার কিছুটা প্রমাণও পাওয়া গেছে। এখানে জেলা ও মহানগর বিএনপির প্রায় অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। যারা ইতিপূর্বে শিরিনকে এড়িয়ে চলার চেষ্টা করেছেন তাদের অনেকেও ছিলেন বলে জানান রাজনৈতিক বিশ্লেষক মাহবুব খান।<br />
এসবের মধ্যে সম্প্রতি প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন নথুল্লাবাদ বাস টার্মিনাল স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নিলে সংকট আরো প্রকট আকার ধারণ করে। বাস ও ট্রাক মালিক সমিতির নিয়ন্ত্রণ স্থানীয় সংসদ সদস্য মজিবর রহমান সরোয়ার এর আপন ভাই ও শ্যালকের হাতে থাকায়। শিরিনের সিদ্ধান্ত বিরোধী অবস্থান তৈরি হয় এই টার্মিনালকে ঘীরে।<br />
যদিও গত ২০০৬ সাল থেকেই বরিশালের সবচেয়ে আলোচিত ইস্যুগুলোর একটি নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল স্থানান্তর পরিকল্পনা। নগর পরিকল্পনাবিদ ও ট্রাফিক বিশেষজ্ঞদের দীর্ঘদিনের দাবি &#8211; শহরের কেন্দ্র থেকে বাস টার্মিনাল সরিয়ে বাইপাস সংলগ্ন এলাকায় নেওয়া না হলে যানজট, শব্দদূষণ ও জনদুর্ভোগ কমবে না।<br />
২০১৪ সালে প্রয়াত মেয়র শওকত হোসেন হিরন এজন্য উদ্যোগী হন এবং গড়িয়ার পাড়ে নগরীর প্রবেশদ্বার সংলগ্ন সড়কের পাশে সাড়ে বারো একর জমিতে বাস টার্মিনাল স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নিয়ে জমি ক্রয় চূড়ান্ত করেন। পরবর্তীতে এটি ধামাচাপা পরে যায় ও সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ এসে কাশিপুর স্কুল এন্ড কলেজ সংলগ্ন সড়কের পাশে ট্রাক টার্মিনাল তৈরি করে ব্যাপক সমালোচনা তৈরি করেন। এ নিয়ে মামলা এখনো চলমান থাকলেও কলেজ কর্তৃপক্ষ বলেছেন, গড়িয়ার পাড়ে বাস টার্মিনাল স্থানান্তর না হওয়া পর্যন্ত কাশিপুর ট্রাক টার্মিনালকে বাস টার্মিনাল করা যেতে পারে। এতে তাদের কোনো আপত্তি না থাকলেও বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে বাস ও ট্রাক মালিক সমিতির নেতারা। এই টার্মিনাল স্থানান্তরের দাবি নতুন নয়। অন্তত কয়েক বছর ধরেই নগর পরিকল্পনাবিদ, ব্যবসায়ী ও পরিবহন সংশ্লিষ্টদের একটি অংশ এ দাবি জানিয়ে আসছিল। তবে বিএনপি সরকার গঠনের পর সিটি করপোরেশন প্রশাসক বিষয়টি নতুন করে সক্রিয় করলে তা রাজনৈতিক মাত্রা পেতে শুরু করে।<br />
সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের অভিযোগ, সরোয়ার পরিবারের ঘনিষ্ঠ পরিবহন সংশ্লিষ্ট একটি অংশ এই পরিকল্পনার বিরোধিতা শুরু করেছে। অভিযোগ রয়েছে, টার্মিনালকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিনের আর্থিক ও প্রভাবভিত্তিক নিয়ন্ত্রণ হারানোর আশঙ্কা থেকেই এই বিরোধিতা। জানা গেছে ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরপরই বরিশালের বাস ও ট্রাক টার্মিনালের দখল নিয়েছেন বরিশাল-৫ আসনের সংসদ সদস্য মজিবর রহমান সরোয়ারের ঘনিষ্ঠরা। তার ছোট ভাই মোশারফ হোসেন বাস মালিক সমিতির সভাপতি। ট্রাক মালিক সমিতির সভাপতি সাইদুর রহমান মামুন সংসদ সদস্য মজিবর রহমান সরোয়ারের শ্যালক।<br />
পরিবহন খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, নথুল্লাবাদ শুধু একটি টার্মিনাল নয়; এটি বরিশালের অন্যতম বড় অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র। প্রতিদিন শত শত বাস চলাচলের কারণে এখানকার নিয়ন্ত্রণ মানেই শ্রমিক সংগঠন, পরিবহন রুট ও আর্থিক প্রবাহের ওপর প্রভাব। ফলে প্রশাসনিক পর্যায়ে ফাইল অগ্রগতি ধীর হয়ে যায় এবং সিটি করপোরেশনের একাধিক উদ্যোগ কার্যত থমকে পড়ে।<br />
সিটি করপোরেশনের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “টার্মিনাল স্থানান্তর শুধু উন্নয়ন প্রকল্প নয়, এটি বরিশালের প্রভাবের রাজনীতির অংশ হয়ে গেছে। কে নিয়ন্ত্রণ করবে, সেটিই এখন মূল বিষয়।”<br />
সাবেক একজন গুরুত্বপূর্ণ পরিবহন সংশ্লিষ্ট নেতা বলেন, “টার্মিনাল সরানো মানে পুরোনো নিয়ন্ত্রণ কাঠামো বদলে যাওয়া। এজন্য ভেতরে ভেতরে অনেক চাপ কাজ করছে।”<br />
এদিকে আইনজীবী বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন দায়িত্ব নেওয়ার পর নগর পরিচ্ছন্নতা, অবৈধ দখল উচ্ছেদ, হোল্ডিং ট্যাক্স পুনর্বিন্যাস, বাড়ির প্লান হস্তান্তর এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে একাধিক উদ্যোগ নেন। কিন্তু তার প্রশাসনিক কার্যক্রমে দলীয় পর্যায় থেকেই বাধা তৈরি হচ্ছে—এমন অভিযোগ এখন বিএনপির অভ্যন্তরেও আলোচিত বিষয় ।<br />
বরিশাল যুবদল কর্মী ও সাবেক ছাত্রদল নেতা নাজমুল হাসান ছবির বলেন, এখানে এখন প্রতিযোগিতা নয়, প্রতিহিংসার রাজনীতি চলছে। ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়ন না হলে এটি আরো বাড়বে। আর এ জন্য দায়ী দীর্ঘদিন ধরে পূর্ণাঙ্গ কমিটি না থাকা।<br />
তিনি বলেন, যুবদলের পূর্নাঙ্গ কমিটি থাকলেও তা গত সাতবছর ধরে চলমান রয়েছে। জেলা ও মহানগরসহ অংগসংগঠনগুলো বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি নির্ভর। অতিসত্বর এই কমিটি বিলুপ্ত করে নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন কমিটি না হলে এইব বিভক্তি ও দূরত্ব আরো বৃদ্ধি পাবে বলে জানান তিনি।<br />
প্রায় একই দাবী নিয়ে বরিশাল মহানগর যুবদলের সিনিয়র সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম জাহান বলেন, এজন্য দায়ী পূর্নাঙ্গ কমিটি না থাকা। মহানগর ও জেলা বিএনপিসহ সব অংগসংগঠনের পূর্ণাঙ্গ কমিটি হয়ে গেলে এসব উন্নয়ন পদক্ষেপ তরান্বিত হবে। তবে সে কমিটিও হতে হবে গত ১৭ বছর মাঠে থাকা ত্যাগী নেতাদের নিয়ে।<br />
তিনি আরো বলেন, আমি মনে করি, বরিশালের যে কয়েকজন নেতা রয়েছেন স্পীকার, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও সিটি করপোরেশনের প্রশাসকসহ সব সংসদ সদস্যদের নিয়ে একটি বৈঠক হওয়া উচিত। বরিশাল অন্যসব জেলা থেকে উন্নয়নে অনেক পিছিয়ে, তাই সবার আগে বরিশালের উন্নয়নকে প্রাধান্য দিয়ে তাদের ঐক্যবদ্ধ একটি অবস্থান হওয়া জরুরী প্রয়োজন বলে জানান এই যুবদল নেতা।<br />
আবার বরিশাল সিটি করপোরেশনের কয়েকজন সাবেক কাউন্সিলর অভিযোগ করেছেন, আমরা দেখেছি বিসিসি প্রশাসকের আহ্বানে এসে গুরুত্বপূর্ণ সভা বয়কট, প্রকল্প বাস্তবায়নে ধীরগতি তৈরি, ঠিকাদার নিয়ন্ত্রণ এবং মাঠপর্যায়ের কর্মসূচিতে লোক সমাগম কমিয়ে দেওয়ার মতো নীরব অসহযোগিতা চলছে। যদিও প্রকাশ্যে কেউ এ দায় স্বীকার করছেন না।<br />
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন, নিয়োগ, ঠিকাদারি ও উন্নয়ন কার্যক্রমে “কার প্রভাব থাকবে”—তা নিয়েও মহানগর বিএনপির মধ্যে দ্বন্দ্ব লক্ষ্য করা গেছে। সদস্য সচিব জিয়াউদ্দিন সিকদার এর অবস্থানও বিতর্কিত হয়েছে বারবার। প্রশাসনিকভাবে দায়িত্বে থাকলেও রাজনৈতিকভাবে শিরিনকে চাপে রাখার চেষ্টা চলছে বলে তার ঘনিষ্ঠদের অভিযোগ।<br />
অন্যদিকে বিভিন্ন আয়োজনে বেশ কয়েকবার বরিশালে এসেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তার ঐ মঞ্চে সংসদ সদস্য মজিবর রহমান সরোয়ার এবং প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন কিম্বা জেলা পরিষদের প্রশাসক আকন কুদ্দুসুর রহমান এর অনুপস্থিতি জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে। বরিশালে স্বপনের উপস্থিতি কেউ স্বাভাবিক ভাবে নিচ্ছে না বলেও একাধিক অভিযোগ রয়েছে।<br />
একজন সাবেক ছাত্রদল নেতা বলেন, বরিশালে এখন প্রশাসন আর রাজনীতি আলাদা নেই। কে কাকে ছাড়িয়ে যাবে, সেটিই মূল প্রতিযোগিতা। যার প্রমাণ পাওয়া গেছে শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (শেবাচিম) ও নির্মানাধীন শিশু হাসপাতাল ইস্যুতে। শেবাচিম নিয়েও সম্প্রতি যে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে তা হাসপাতালের পরিচালনা পর্ষদ গঠন নিয়ে। স্বাস্থ্য মন্ত্রীর ঘোষণা এবং সভাপতি হিসেবে কারো নাম চূড়ান্ত হয়েছে বলার পরপরই অনুসন্ধানে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনের নাম আলোচনায় আসে। দুদিনের মধ্যে গেজেট হওয়ার কথা থাকলেও অজ্ঞাত কারণে আজ পর্যন্ত তার নাম ঘোষণা বা গেজেট প্রকাশ হয়নি। পাশাপাশি এরপর থেকেই প্রশাসনিক প্রভাব বিস্তারের নতুন হিসাব শুরু হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।<br />
গত মার্চে শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের একটি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা, ডাক্তার ও নার্সের দায়িত্ব অবহেলায় দুজন শিশুর মৃত্যু ঘটনার পর স্বাস্থ্যখাতের অব্যবস্থাপনা ও প্রশাসনিক দুর্বলতা নতুন করে আলোচনায় আসে। এর মধ্যেই নির্মাণাধীন শিশু হাসপাতালকে শেবাচিম হাসপাতালের প্রশাসনিক কাঠামো থেকে পৃথক করার আলোচনা শুরু হলে বিষয়টি রাজনৈতিক রূপ নিতে থাকে। বিশেষ করে নির্মাণাধীন শিশু হাসপাতালকে শেবাচিম হাসপাতালের প্রশাসনিক কাঠামো থেকে পৃথক করার প্রক্রিয়া নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। হাসপাতাল সংশ্লিষ্ট কয়েকজন কর্মকর্তা ও চিকিৎসক মনে করছেন, এটি কেবল প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নয়, বরং নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার অংশ।<br />
একজন চিকিৎসক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “শিশু হাসপাতাল আলাদা হলে নিয়ন্ত্রণও আলাদা হবে। এ কারণে বিভিন্ন পক্ষ সক্রিয় হয়ে উঠেছে।”<br />
অভিযোগ রয়েছে, শেবাচিমের অভ্যন্তরেও শিরিন, স্বপন ও সরোয়ারপন্থী হিসেবে পরিচিত বলয় তৈরি হয়েছে। এছাড়াও প্রভাব রয়েছে মহানগর বিএনপির একাধিক নেতার। এখানে পদায়ন, ঠিকাদারি, ক্রয় প্রক্রিয়া এবং পরিচালনা কমিটিতে প্রভাব বিস্তার নিয়ে নীরব প্রতিযোগিতা চলছে। এমনকি পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মশিউল মুনীর সেনাবাহিনীর লোক হয়েও এদের হাতের পুতুল বলেও একাধিক অভিযোগ রয়েছে। কেননা, ৫ আগস্টের পর পালিয়ে যাওয়া ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ও তাদের লোককে খুঁজে এনে আবারও কাজে লাগানো হয়েছে শেবাচিমে।<br />
হাসপাতাল সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা বলেন, “স্বাস্থ্যখাত এখন শুধু চিকিৎসা ব্যবস্থাপনার বিষয় নয়, বরং রাজনৈতিক প্রভাবের অংশ হয়ে উঠেছে। এরসাথে জড়িত রয়েছে ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর নিয়ন্ত্রণ ও আধিপত্য। কারো কারো জন্যে এখানেও ভোটব্যাংক ফিলোসোফি কাজ করছে বলে জানান সচেতন চিকিৎসকরা।<br />
বিএনপি সরকারের প্রথম ১০০ দিন অতিবাহিত হয়েছে। এই সময়ে বরিশালে বড় ধরনের প্রকাশ্য সংঘাত না হলেও অভ্যন্তরীণ বিভক্তি ক্রমেই দৃশ্যমান হচ্ছে। নগর উন্নয়ন, হাসপাতাল প্রশাসন, দলীয় পূর্নাঙ্গ কমিটি না হওয়া, পরিবহন খাত এবং ঠিকাদারি—সবখানেই এখন “কোন বলয়ের প্রভাব বেশি”—সেই হিসাবে চলছে নেতাকর্মীদের সমাগম ও সমর্থন।<br />
বিশেষ করে—<br />
* সিটি করপোরেশনের উন্নয়নে বড়ো প্রকল্পে ধীরগতি,<br />
* পরিবহন খাতে নিয়ন্ত্রণ প্রশ্ন,<br />
* হাসপাতাল প্রশাসনে বলয়ভিত্তিক অবস্থান,<br />
* দলীয় কর্মসূচিতে আলাদা উপস্থিতি এবং স্থানীয় কমিটি পুনর্গঠনে মতবিরোধ<br />
এসব বিষয় এখন রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে।<br />
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, সরোয়ারের দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক ভিত্তি, স্বপনের মন্ত্রিত্বজনিত প্রশাসনিক প্রভাব এবং শিরিনের সাংগঠনিক ও সিটি করপোরেশন নিয়ন্ত্রণ &#8211; এই তিন শক্তির সংঘাত আগামী দিনে আরও স্পষ্ট হতে পারে। তদুপরি এখন পর্যন্ত আহ্বায়ক কমিটি নির্ভর বরিশালের বিএনপি। বারবার পূর্নাঙ্গ কমিটির প্রতিশ্রুতি পিছিয়ে যাওয়া নেতৃত্বের সংকট তৈরি করছে বলে মনে করেন অনেকেই।<br />
এদিকে সরোয়ার পন্থী কয়েকজন নেতার দাবী, বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করতে জেলা ও মহানগর বিএনপির নেতাদের ঘরে ঘরে ঘুরেছেন, অথচ বরিশালের রাজনৈতিক মুরব্বি ও সিটি করপোরেশনের প্রথম নির্বাচিত মেয়র এর ঘরে যেতে পারেন নাই। তাহলে সমস্যা কার মধ্যে তাতো স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে।<br />
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের একজন শিক্ষক বলেন, “বরিশালে এখন মূল লড়াই আদর্শের নয়, নিয়ন্ত্রণের। কে প্রশাসন, উন্নয়ন ও রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে শেষ কথা বলবে &#8211; তা নিয়েই চলছে প্রতিযোগিতা।”</p>
<p>যদিও এ প্রতিযোগিতায় নিজেকে রাখতে রাজী নয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি বলেন, সদর উপজেলার তালুকদার হাটে আমার নানাবাড়ি। আমি জন্মেছি ওখানে তালুকদার বাড়িতে। আমার ছেলেবেলা কেটেছে বরিশাল জিলা স্কুলে। তাই বরিশাল আমার ভালোবাসার স্থান। আমি মনে করিনা, ওখানে আমার সাথে বা আমার কাজে কারো কোনো দ্বন্দ্ব থাকা উচিত। উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে আমি বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও বিসিসি প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন এবং রাজনৈতিক মুরুব্বি মজিবর রহমান সরোয়ার উভয়ের ডাকেই সাড়া দিতে প্রস্তুত। দলমত নির্বিশেষে সদর উপজেলার সকলের প্রতি আমার গভীর ভালবাসা ও শ্রদ্ধা রয়েছে দাবী করে স্বপন আরো বলেন, স্বার্থ সংশ্লিষ্ট যেকোনো বিষয় আমি এড়িয়ে চলতে পছন্দ করি। বিভক্তি নয়, ঐক্যবদ্ধ বিএনপির নেতৃবৃন্দের জন্য আমার দরজা সবসময় খোলা।<span style="font-weight: 300;">এদিকে সিটি করপোরেশন প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন বাস টার্মিনালটি স্থানান্তরের বিষয়ে অটল। তিনি জানিয়েছেন, খুব শিগগির প্রায় দুই কিলোমিটার দূরে ট্রাক টার্মিনালে অস্থায়ী বাস টার্মিনাল করা হবে। তবে বরিশাল সিটি করপোরেশন ও বিএনপি একই সুতোয় গাঁথা। এখানে কোনো বিভক্তি নেই বলে দাবী করেন তিনি।</span></p>
<p>যদিও তার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে অবস্থান নিয়েছেন জেলা বাস মালিক সমিতি ও জেলা ট্রাক মালিক সমিতি।<br />
বাস মালিক সমিতির ভাষ্য, অন্যত্র স্থায়ী বাস টার্মিনাল না হওয়া পর্যন্ত তারা নথুল্লাবাদ টার্মিনাল ছাড়বেন না। আর ট্রাক মালিক সমিতি বলছে, তাদের জন্য নির্মিত টার্মিনালে বাস রাখতে দেওয়া হবে না। এ দুটি সংগঠন জোটবদ্ধ হয়ে টার্মিনাল স্থানান্তর ঠেকাতে প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গেছে । এরফলে প্রবীণ নেতা মজিবর রহমান সরোয়ারের সাথে দ্বন্দ্বটা প্রকাশ্যে আসতে যাচ্ছে বলে মনে করেন অনেকে।<br />
এ বিষয়ে কথা বলতে বরিশাল ৫ আসনের সংসদ সদস্য সাবেক মেয়র ও হুইপ মজিবর রহমান সরোয়ার এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এই আসনের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি আমি। অথচ আমাকে না জানিয়ে অনেককিছু ঘটছে বা ঘটানো হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক শিষ্টাচারের মধ্যে থেকে সিটি করপোরেশনের প্রশাসককে সবধরনের সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত তিনি। কিন্তু কেউ যদি সহযোগিতা না চেয়ে দূর থেকে অভিযোগ তুলে তার দায় শেষ করে, সেখানে আমার কি করার আছে?</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%86%e0%a6%b9%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%95-%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ad%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%b0/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>কী ঘটছে বাংলাদেশের রাজনীতিতে</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%95%e0%a7%80-%e0%a6%98%e0%a6%9f%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a7%80/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%95%e0%a7%80-%e0%a6%98%e0%a6%9f%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a7%80/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[সাবা প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 08 Nov 2022 08:07:48 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[রাজখবর]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[বিএনপি]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনৈতিক]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://shahittabazar.com/?p=5155</guid>

					<description><![CDATA[<p>কী ঘটছে বাংলাদেশের রাজনীতিতেঃ একান্ত সাক্ষাতে ড. বদিউল আলম মজুমদার ও রুহিন হোসেন প্রিন্স </p> <p>কী ঘটছে বাংলাদেশের রাজনীতিতে এ নিয়ে আমরা মুখোমুখি হয়েছিলাম এ সময়ের আলোচিত কয়েকজন সমাজ চিন্তক ও রাজনৈতিক</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%95%e0%a7%80-%e0%a6%98%e0%a6%9f%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a7%80/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><b>কী ঘটছে বাংলাদেশের রাজনীতিতেঃ </b><strong>একান্ত সাক্ষাতে ড. বদিউল আলম মজুমদার ও রুহিন হোসেন প্রিন্স </strong></p>
<p><span style="font-weight: 400;"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2021/10/images-3.jpeg"><img decoding="async" class="alignleft size-full wp-image-4526" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2021/10/images-3.jpeg" alt="" width="190" height="266" /></a>কী ঘটছে বাংলাদেশের রাজনীতিতে এ নিয়ে আমরা মুখোমুখি হয়েছিলাম এ সময়ের আলোচিত কয়েকজন সমাজ চিন্তক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকের সাথে। তাদের একজন  <strong>ড. বদিউল আলম মজুমদার</strong>। তিনি একাধারে অর্থনীতিবিদ, উন্নয়নকর্মী, গবেষক, রাজনীতি বিশ্লেষক, স্থানীয় সরকার ও নির্বাচন বিশেষজ্ঞ। ড. বদিউল আলম মজুমদার বর্তমানে আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাব্রতী সংস্থা ‘দি হাঙ্গার প্রজেক্ট’র কান্ট্রি ডিরেক্টর ও গ্লোবাল ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং নাগরিক সংগঠন ‘সুজন—সুশাসনের জন্য নাগরিক’ এর সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">কিছুদিন আগে চলমান স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গ ও সমসাময়িক রাজনীতি  নিয়ে তিনি বলেন, গত এক দশক ধরে নির্বাচনের যে সংস্কৃতি বিরাজ করছে, তা থেকে বিশেষ কোনো নির্বাচনকে আলাদা করে মূল্যায়ন করার সুযোগ নেই। ২০১৩ সালের পর থেকে বাংলাদেশে আর কোনো নির্বাচন সঠিক নিয়মে হয়নি। ২০১৩ সালে আওয়ামী লীগ গাজীপুর-সহ পাঁচটি সিটি করপোরেশন নির্বাচন সুষ্ঠু করেছিল বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়ে। ভোট সুষ্ঠু করে তারা দেখাতে চেয়েছিল যে দলীয় সরকারের অধীনেও সুষ্ঠু নির্বাচন হতে পারে। কিন্তু চারটিতেই ভরাডুবি হয় দলটির। এরপর আর ঝুঁকি নিতে চায়নি আওয়ামী লীগ। যার ফলাফল আমরা প্রতিটি নির্বাচনেই এখন দেখতে পাচ্ছি। নির্বাচন মানেই এখন আতঙ্ক, আর সম্ভাব্য সহিংসতা। অসংখ্য জায়গায় প্রার্থিরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হচ্ছেন। টাকা আছে যার বা ক্ষমতার কাছে যিনি অবস্থান করছেন, তিনিই নির্বাচনে জিতে আসছেন এবং সেটা যেভাবেই হোক না কেন। এই পরিস্থিতি হলো বড় রোগের লক্ষণ। অনিয়মের নির্বাচন আমাদের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে একেবারেই খাদের কিনারে নিয়ে গেছে। অর্থ ও পেশিশক্তির বৃত্তে ঘেরা এমন নির্বাচনে কোনোভাবেই জনগণের সম্মতির প্রতিফলন ঘটছে না। তাই নির্বাচন সুষ্ঠু ও অবাধ করতে হলে প্রথমে রাজনীতিকে কুলুষমুক্ত করতে হবে। অর্থে ও পেশিশক্তির রাজনীতি বন্ধ করতে হবে। সমাজে যে অসঙ্গতি, দুর্নীতি বিরাজ করছে তা রোধ করতে হবে। অপশাসন থামাতে হবে। যদিও এসবের জন্য আমাদের অপরাজনীতিই দায়ী। তার মানে একটি পরিষ্কার করতে পারলে অন্যটিও পরিষ্কার হবে।</span></p>
<div id="attachment_4658" style="width: 310px" class="wp-caption alignright"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2021/11/IMG_20211111_13313037.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-4658" class="size-medium wp-image-4658" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2021/11/IMG_20211111_13313037-300x169.jpg" alt="" width="300" height="169" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2021/11/IMG_20211111_13313037-300x170.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2021/11/IMG_20211111_13313037-768x432.jpg 768w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2021/11/IMG_20211111_13313037-1024x576.jpg 1024w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2021/11/IMG_20211111_13313037-70x40.jpg 70w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2021/11/IMG_20211111_13313037.jpg 1280w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a><p id="caption-attachment-4658" class="wp-caption-text">বরিশালে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন চিত্র</p></div>
<p><span style="font-weight: 400;">ড. মজুমদার আরও বলেন, অনেকে বলছেন সাম্প্রতিক সময়ে অনুষ্ঠিত স্থানীয় নির্বাচনগুলোতে ভোটারদের অংশগ্রহণ বেশ লক্ষণীয় ছিল, নির্বাচনগুলোও মোটামুটি সুষ্ঠু হচ্ছে। কিন্তু তাদের পর্যবেক্ষণ পুরোপুরি সঠিক নয়। কারণ ইভিএমে যে কোনো ফলাফল দেখানো যায় বলে অনেকে মনে করে। তাছাড়া নির্বাচন আগের চেয়ে কম প্রতিদ্বন্দ্বীতাপূর্ণ হচ্ছে, নির্বাচন নিয়েও ভোটারদের আগ্রহ কমে গেছে। আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে উল্লেখ্যযোগ্য পরিমাণ প্রার্থী থাকতো। এখন দলীয় প্রতীকে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ায় এবং নির্বাচনের মাঠে বিরোধী দলগুলোর অনুপস্থিতির কারণে প্রার্থী সংখ্যা ও যোগ্য প্রার্থীর সংখ্যা কমে গেছে। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় অনেকে নির্বাচিত হচ্ছেন। ক্ষমতাসীন দলের বাইরে অন্য প্রার্থীরা প্রচার করতে পারেন না। কিন্তু নির্বাচন কমিশনের কমিশনের পক্ষ এসব অনিয়ম ও সহিংসতা রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না। কমিশনের নিজের প্রশ্নবিদ্ধ আচরণের কারণে তাদের ওপর জনগণের আস্থা আজ প্রায় শূন্যের কোঠায়।</span></p>
<p>&nbsp;</p>
<div id="attachment_5166" style="width: 310px" class="wp-caption alignright"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-5166" class="size-medium wp-image-5166" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/11/Screenshot_2022-11-14-11-14-20-16_6012fa4d4ddec268fc5c7112cbb265e7-300x297.jpg" alt="" width="300" height="297" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/11/Screenshot_2022-11-14-11-14-20-16_6012fa4d4ddec268fc5c7112cbb265e7-300x297.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/11/Screenshot_2022-11-14-11-14-20-16_6012fa4d4ddec268fc5c7112cbb265e7-150x150.jpg 150w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/11/Screenshot_2022-11-14-11-14-20-16_6012fa4d4ddec268fc5c7112cbb265e7.jpg 720w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a><p id="caption-attachment-5166" class="wp-caption-text">বাংলাদেশের রাজনীতির ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেছেন, দেশে দীর্ঘদিন ধরে মানুষের যে সংকট চলে আসছে তা প্রচলিত ব্যবস্থার মাধ্যমে কখনো সমাধান হবে না। এ জন্য ব্যবস্থা বদল করতে হবে।মানুষের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য নির্বাচন ব্যবস্থার আমুল সংস্কার প্রয়োজন। নির্বাচনকালীন সময়ে দরকার নির্দলীয় তদারকি সরকার। কিন্তু নির্বাচন কমিশন এদিকে নজর না দিয়ে জনমত উপেক্ষা করে ইভিএম ও রোড ম্যাপের নামে বর্তমানে অপ্রয়োজনীয় ইসুকে সামনে নিয়ে আসছে। তাই অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য জনগণকে ঐক্যবদ্ধ সংগ্রাম গড়ে তুলতে হবে।<br />সরকারের অগণতান্ত্রিক আচরণ, সারাদেশে ভয়ের রাজত্ব কায়েম করছে উল্লেখ করে রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, &#8216;পায়ের নিচে থেকে মাটি সরে গেলে এ ধরনের স্বৈরাচারী আচরণ তীব্র করা যায়, কিন্তু ক্ষমতায় থাকা যায় না।&#8217;<br />রুহিন আরে বলেন, &#8216;দেশের অধিকাংশ মানুষ নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির সংকটে জর্জরিত। আধা পেট খেয়ে থাকছেন অনেকে। কিন্তু দুর্নীতি, লুটেরাদের দাপট কমছে না। বিদেশে পাচারের টাকা ফেরত আনা হচ্ছে না। খেলাপী ঋণের পরিমাণ বেড়েই চলেছে&#8217;।<br />তিনি এই অবস্থার অবসানে &#8216;চলমান দুঃশাসনের বিদায় ও ব্যবস্থা বদলের সংগ্রাম অগ্রসর করতে&#8217; বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে যার যার দাবিতে ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণসংগ্রাম গড়ে তোলার আহ্বান জানান।<br />সিপিবির সাধারণ সম্পাদক আরও বলেন, &#8216;খুলনা, বরিশাল ও ফরিদপুরে বিএনপির সমাবেশকে কেন্দ্র করে সরকার জনগণের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে। বাস, লঞ্চ, নৌকা বন্ধ করে জনজীবন দুর্বিসহ করে তুলেছে। ব্যর্থ এই সরকারের আর ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই।&#8217;</p></div>
<p><span style="font-weight: 400;">ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, বিএনপি এখন শাঁকের করাত। একটি রাজনৈতিক দল দীর্ঘদিন নির্বাচনে অংশ না নিলে জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। দল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিএনপির এখন সেই অবস্থা। কী করবে তারা বুঝে উঠতে পারছে না। অন্যদিকে নির্বাচনে জয়ের মাধ্যমে ফায়দা হাসিলের জন্য আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা অনেক জায়গায় বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকদের সঙ্গে দ্বন্দ্ব ও সংঘর্ষে যুক্ত হয়ে পড়ছে। </span><span style="font-weight: 400;">আওয়ামী লীগ প্রত্যক্ষভাবে বিএনপিকে দুর্বল করা এবং পরোক্ষভাবে বিএনপির কোমর ভেঙে ফেলার চেষ্টা করলেও খুব একটা সফল হয়নি বলে মনে হয়। বিএনপি সাম্প্রতিক সময়ে বিভাগীয় সমাবেশ আয়োজন করার মধ্য দিয়ে দলীয় ঐক্য সুসংহত করা, স্থানীয় পর্যায়ে নেতা-কর্মীদের উজ্জীবিত করা এবং নিজেদের পক্ষে জনসমর্থন দেখাতে সফল হয়েছে। এতে আওয়ামী লীগের মধ্যে বিএনপিকে নিয়ে চিন্তা বেড়েছে এবং বিএনপির সভা-সমাবেশের আগে অঘোষিত পরিবহন ধর্মঘট ডাকা ও বিভিন্নভাবে দলটির ওপর চাপ তৈরি করছে। আমরা মনে করি, শান্তিপূর্ণভাবে সভা-সমাবেশ করার অধিকার সব রাজনৈতিক দলেরই রয়েছে। তবে এ যেন ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি। আওয়ামী লীগকে কোনঠাসা করে রাখার বিএনপির অতীতের প্রচেষ্টার ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে বর্তমানে বিএনপিকে কোনঠাসা করে রাখতে চাইছে আওয়ামী লীগ।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">ইভিএম প্রসঙ্গে ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, বিতর্ক, সন্দেহ আর আস্থাহীনতার ঘেরাটোপ থেকে কোনোভাবেই যেন বের হয়ে আসতে পারছে না আমাদের নির্বাচন কমিশন। সর্বাধিক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে কমিশনের আগামী জাতীয় নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়ে। </span><span style="font-weight: 400;">‘অধিকাংশ রাজনৈতিক দল ইভিএমে বিশ্বাস করছে না’&#8217;—সিইসির এ বক্তব্যের পর হঠাৎ করেই কমিশন ১৫০টি আসনে ইভিএম ব্যবহারের ঘোষণা দেয়। সিইসির দাবি অনুযায়ী, এ সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে কমিশন রাজনৈতিক দলের মতামতের ওপর গুরুত্ব দেয়নি। কারণ, নির্বাচন সুষ্ঠু করার দায়িত্ব কমিশনের। কিন্তু পরে নির্বাচন নিয়ে নিজেদের কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করতে গিয়ে অন্য কমিশনাররা দাবি করেন যে বেশির ভাগ রাজনৈতিক দল ইভিএমের পক্ষে, যদিও বাস্তবে বেশির ভাগ রাজনৈতিক দল এর বিপক্ষে। দুঃখজনক হলেও সত্য যে এ দাবি করতে গিয়ে তাঁরা প্রতারণামূলকভাবে রাজনৈতিক দলের বক্তব্যকে পাল্টে দিয়েছেন। ইভিএম ব্যবহারের পক্ষে সাফাই গাইতে গিয়ে কমিশন একটি বিভ্রান্তিকর ধূম্রজালও সৃষ্টি করেছে। কমিশন দাবি করছে যে ইভিএম দিয়ে ভোট জালিয়াতি করা যায়, কেউ তা প্রমাণ করতে পারেনি। ইভিএম দিয়ে অন্য কেউ জালিয়াতি করতে পারে, সে অভিযোগ এখনো কেউ করেনি, যদিও কমিশনের যোগসাজশে তা করা সম্ভব। ইভিএম নিয়ে জালিয়াতি করতে পারে নির্বাচন কমিশন, তাদের কর্মকর্তা, তাদের কারিগরি টিম ও তাদের নিয়োজিত মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">সাম্প্রতিক সময়ে প্রধানমন্ত্রীর দুর্ভিক্ষ টেনে আনা নিয়ে অর্থনৈতিক সংকটের মূলে রাজনৈতিক অঙ্গীকারের বরখেলাপ উল্লেখ করে <strong>বদিউল আলম মজুমদার</strong> বলেন,  সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী সবাইকে সম্ভাব্য দুর্ভিক্ষ ও খাদ্যঘাটতি নিয়ে সতর্ক করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি উপদেষ্টাও প্রয়োজনে দিনের বেলায় বিদ্যুৎ বন্ধ রাখার আশঙ্কা সম্পর্কে আমাদের সাবধান করেছেন। এমনিতেই সীমাহীন স্বজনপ্রীতি, অব্যবস্থাপনা, ব্যাপক লুটপাট এবং লুটের টাকা বিদেশে পাচারসহ নানা অনিয়মের কারণে আমরা ভয়াবহ আর্থিক সংকটের মধ্যে আছি। নগ্ন দলীয়করণ, অদক্ষতা, জবাবদিহিতার অভাব ও সর্বগ্রাসী দুর্নীতির কারণে আমাদের প্রতিষ্ঠানগুলোও এখন ভঙ্গুর অবস্থায়। নির্বাচনী ব্যবস্থা ধ্বংস হওয়ার এবং নাগরিক অধিকার হরণের ফলে গণতন্ত্রহীনতা আমাদের ওপর এখন জেঁকে বসেছে। সুশাসনের অভাব আজ সর্বত্র। এরপর মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা হিসেবে যুক্ত হয়েছে ক্রমবর্ধমান মূল্যস্ফীতি, যা সৃষ্টি করছে সাধারণ মানুষের সীমাহীন ভোগান্তি। আওয়ামী লীগ ২০০৮ সালে যে দিনবদলের সনদ ঘোষণার মাধ্যমে ক্ষমতায় এসেছিল তার অনেকটাই বরখেলাপ করেছে দলটি। এ যেন বিশ্বাস ভঙ্গের রাজনীতি।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">তিনি বলেন, যদিও গণতন্ত্রহীনতা, সুশাসনের অভাব এবং অর্থনৈতিক সংকট অনেক দিন থেকেই আমাদের দেশে পুঞ্জীভূত হচ্ছিল, জনজীবনে এগুলোর প্রভাব আরও প্রকট হয়েছে সাম্প্রতিক কালে, বিশেষত কোভিড মহামারি ও রাশিয়া-ইউক্রেনের যুদ্ধের কারণে। দুর্ভাগ্যবশত, ক্রমবর্ধমান এসব সংকটের মূলে রয়েছে ক্ষমতাসীনদের অঙ্গীকারের নগ্ন বরখেলাপ ও সীমাহীন অব্যবস্থাপনা।</span></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%95%e0%a7%80-%e0%a6%98%e0%a6%9f%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a7%80/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>মানুষ গড়ার কারিগর থেকে জনতার সেবক মির্জা ফখরুল </title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%81%e0%a6%b7-%e0%a6%97%e0%a7%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%97%e0%a6%b0-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%9c%e0%a6%a8/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%81%e0%a6%b7-%e0%a6%97%e0%a7%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%97%e0%a6%b0-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%9c%e0%a6%a8/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[সাবা প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 01 May 2022 19:10:21 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[রাজখবর]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[বিএনপি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://shahittabazar.com/?p=4933</guid>

					<description><![CDATA[<p>মানুষ গড়ার কারিগর থেকে জনতার সেবক হলেন মির্জা ফখরুল </p> <p>একজন মানুষ গড়ার কারিগর এবং সত্যিকারের খাটি ভদ্রলোক বিএনপির বর্তমান মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ২০১১ সালের ২১ মার্চ প্রথমে ভারপ্রাপ্ত</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%81%e0%a6%b7-%e0%a6%97%e0%a7%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%97%e0%a6%b0-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%9c%e0%a6%a8/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><b>মানুষ গড়ার কারিগর থেকে জনতার সেবক হলেন মির্জা ফখরুল </b></p>
<p><span style="font-weight: 400;"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/FB_IMG_1651431729548.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-full wp-image-4934" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/FB_IMG_1651431729548.jpg" alt="" width="290" height="291" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/FB_IMG_1651431729548.jpg 290w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/FB_IMG_1651431729548-150x150.jpg 150w" sizes="auto, (max-width: 290px) 100vw, 290px" /></a>একজন মানুষ গড়ার কারিগর এবং সত্যিকারের খাটি ভদ্রলোক বিএনপির বর্তমান মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ২০১১ সালের ২১ মার্চ প্রথমে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব পরে ২০১৬ সালে ষষ্ঠ জাতীয় সম্মেলনে বিএনপির মহাসচিব নির্বাচিত হবার পর থেকে গত ১০ বছরে অনেক চড়াই উৎরাই দক্ষতার সাথে মোকাবেলা করেছেন। তার নেতৃত্বে বিএনপি আন্দোলন খুব একটা চাঙা হবার সুযোগ না পেলেও নেতৃবৃন্দের একতা ধরে রাখতে আপ্রাণ যুদ্ধ চালাচ্ছেন এই মানুষটি। অনেক বিরোধী মতের নেতাদের কাছেও নিপাট ভদ্রলোক খ্যাত মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গত দশবছরে কম হলেও ৫০ বার জেল খেটেছেন ও তার বিরুদ্ধে মামলার সংখ্যা প্রায় আড়াইশ বলে জানিয়েছেন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স। আর বিএনপির ২০১৮ সালের জানুয়ারী পর্যন্ত দেয়া তথ্যে দেখা গেছে, বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে ২৪টি মামলা হয়েছে। দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে ২১টি। মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বিরুদ্ধে ৮৮টি মামলা হয়েছে। দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেনের বিরুদ্ধে তিনটি, মওদুদ আহমদের বিরুদ্ধে নয়টি, তরিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে ১৪টি, প্রয়াত এম কে আনোয়ারের বিরুদ্ধে ৩৪টি, মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে ৫২টি, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের বিরুদ্ধে ৩৭টি, নজরুল ইসলাম খানের বিরুদ্ধে সাতটি, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর বিরুদ্ধে নয়টি, সালাহ উদ্দিন আহমেদের বিরুদ্ধে ১৪টি মামলা করা হয়েছে এবং মামলাগুলো বিচারাধীন রয়েছে।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/FB_IMG_1651431611530.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignright size-medium wp-image-4935" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/FB_IMG_1651431611530-300x175.jpg" alt="" width="300" height="175" /></a>এ ছাড়া বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ২৪ জন উপদেষ্টার বিরুদ্ধে মোট ২৯৪টি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে বেশি মামলা হয়েছে আমান উল্লাহ আমানের বিরুদ্ধে। তাঁর বিরুদ্ধে মোট ৯৬টি মামলা হয়েছে। বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান পদের ২১ জন নেতার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে ৩০৮টি। ভাইস চেয়ারম্যানদের মধ্যে বেশি মামলা হয়েছে বরকত উল্লাহ বুলুর বিরুদ্ধে। তাঁর বিরুদ্ধে ৬১টি মামলা হয়েছে। </span><span style="font-weight: 400;">সর্বশেষ গত ৩ ফেব্রুয়ারী নারায়ণগঞ্জের আদালতে মামলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে কটূক্তি করার অভিযোগে মামলা হয়েছে। মামলায় আসামি করা হয়েছে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল ও  বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে। এছাড়াও ইশরাক হোসেন, চাকুরিচ্যুত মেজর দেলোয়ার হোসেন, নুরুল হক নুরু, মেজর (অব.) শহীদুল ইসলাম খান, মো. নুরে ইলিয়াস রিপন, এম রহমান মাসুম, আতিকুর রহমান সবুজ, জাহাঙ্গীর আলম, রেজাউল করিম, ইলিয়াস মোল্লা, জাকির হোসেন, শেখ মো. তিতুমীর আকাশ ও সাংবাদিক ইলিয়াস হোসেনকেও আসামি করা হয়। আর এসব অবাঞ্ছিত হামলা মামলা ও গুম খুনের ভয়ে আন্দোলনের মাঠে নিজেদের গাঁ বাচিয়ে চলার পরামর্শ নেতাকর্মীদের প্রতি। এ নির্দেশনা সয়ং ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকেও। যে কারণে সরাসরি মাঠে না নেমে অনেকটা ঘরোয়া বৈঠক, সমাবেশ ও ইফতার আয়োজনে বক্তব্য রাখছেন, বিভিন্ন প্রতিবাদ জানাচ্ছেন নেতাকর্মীরা। </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/FB_IMG_1651431631077.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-4936" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/FB_IMG_1651431631077-300x200.jpg" alt="" width="300" height="200" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/FB_IMG_1651431631077-300x200.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/FB_IMG_1651431631077.jpg 696w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>তবে থেমে নেই মির্জা ফখরুল। সরকারের প্রতিটি বক্তব্যের পাল্টা জবাব দিতে তিনি কখনো পিছপা হননি। তাইতো মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর  </span><span style="font-weight: 400;">বলেছেন, বর্তমান সরকারের একদলীয় শাসনব্যবস্থা থেকে দেশের মানুষকে মুক্ত করতে হলে সব রাজনৈতিক দলকে একত্র হয়ে জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলতে হবে। ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমে এই সরকারের পতন ঘটিয়ে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি আদায় করে নতুন সংসদ ও সরকার গঠন করতে হবে। ঈদের আগে সর্বশেষ গত ২৯ এপ্রিল শুক্রবার নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের মেঘনাঘাট এলাকায় সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপি আয়োজিত ইফতার অনুষ্ঠান ও আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন। এসময় মির্জা ফখরুল বলেন, র্যাবের ওপর আমেরিকার নিষেধাজ্ঞা তোলার জন্য পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভারতের কাছে সহযোগিতা চেয়েছেন। কিন্তু এই গুম-খুন হত্যার নির্দেশদাতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে ভারতের কাছে সহযোগিতা চাওয়া হয়। এ জন্য এই সরকারকে ধিক্কার জানান তিনি।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">মির্জা ফখরুল দাবি করেন, বিরোধী দলকে দমন করার জন্য ৩৫ লাখ নেতা–কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হয়েছে। ইলিয়াস আলী ও চৌধুরী আলমসহ অনেক নেতাকর্মীকে এই সরকার গুম করেছে। মানবাধিকার লঙ্ঘনের কারণে আমেরিকার সরকার গুম–খুন–হত্যার সঙ্গে জড়িত আটজনের বিরুদ্ধে আমেরিকা ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। আর সেই নিষেধাজ্ঞা তোলার জন্য সরকার নানা জায়গায় ধরনা দিয়ে চলেছেন।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">এর আগে গত ১৯ এপ্রিল গাজীপুরের এক সম্মেলনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, যাঁরা জিয়াউর রহমানকে অস্বীকার করেন, তাঁরা স্বাধীনতার বিরোধী, তাঁরাই পাকিস্তানের অনুচর। </span><span style="font-weight: 400;">সরকারের সমালোচনা করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এখন আপনারা যা করছেন, তা পাকিস্তানের থেকে কোনো অংশে কম নয়, বরং বেশি করছেন। ১৯৭১ সালে পাকিস্তান যেভাবে গণতন্ত্রকে হত্যা করেছিল, মানুষকে হত্যা করেছিল। ঠিক একইভাবে আপনারা গণতন্ত্র কেড়ে নিয়েছেন। মানুষের অধিকার ছিনিয়ে নিয়েছেন। প্রতিদিন খবরের কাগজ খুললেই শুধু আপনাদের দুর্নীতির চিত্র পাওয়া যায়।’</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/FB_IMG_1651431585843.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignright size-medium wp-image-4937" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/FB_IMG_1651431585843-300x291.jpg" alt="" width="300" height="291" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/FB_IMG_1651431585843-300x291.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/FB_IMG_1651431585843.jpg 720w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>১৯৮৬ সালে শিক্ষকতা ত্যাগ করে ঠাকুরগাঁও পৌরসভা নির্বাচনে অংশ নেন তিনি। ইচ্ছে ছিলো শুধু ছাত্র-ছাত্রী নয়, মানুষের সেবায় আত্মনিয়োগ করবেন নিজেকে। ১৯৮৮ সালে তার প্রথম স্বপ্ন পূরণ হয় পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন তিনি। দেশজুড়ে যখন এরশাদ বিরোধী আন্দোলন দানা বাঁধে তখন ১৯৮৯ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপিতে যোগদানের করেন এবং ১৯৯২ সালে ঠাকুরগাঁও জেলার সভাপতি নির্বাচিত হন মির্জা ফখরুল। এর আগে ছাত্র জীবনে কিন্তু তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এস এম হল শাখা ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতি ছিলেন। আর এ কথা সর্বজন স্বীকৃত যে, ঐ সময়ে ছাত্র ইউনিয়ন শুধু বাছাইকৃত মেধাবীদের সংগঠন ছিলো। ২০০৯ সালের ডিসেম্বরে বিএনপির ৫ম জাতীয় সম্মেলনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দলের জৈষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব নির্বাচিত হন। এই সম্মেলনে তারেক রহমানকে দলের ভাইস চেয়ারম্যান  করা হয়।</span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><b>উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন পত্রিকা ঘেটে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সম্পর্কে ব্যক্তিগত তথ্য</b><span style="font-weight: 400;"> </span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><span style="font-weight: 400;">রাজনৈতিক পরিবারে বেড়ে ওঠা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২৬ জানুয়ারি ১৯৪৮ সালে ঠাকুরগাঁও জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম মির্জা রুহুল আমিন ও মাতা মির্জা ফাতেমা আমিন। শিক্ষাজীবনে মির্জা ফখরুল ঢাকা কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জন করেন।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">১৯৭২ সালে বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে শিক্ষা ক্যাডারে ঢাকা কলেজে অর্থনীতি বিভাগে শিক্ষকতা পেশায় যোগদান করেন। পরবর্তীতে বেশ কয়েকটি সরকারি কলেজে অধ্যাপনা করেন। অন্যান্য সরকারি দায়িত্বের মধ্যে মির্জা ফখরুল বাংলাদেশ সরকারের পরিদর্শন ও আয়-ব্যয় পরীক্ষণ অধিদপ্তরে একজন নীরিক্ষক হিসেবে কাজ করেন। ১৯৭৯ সালে জিয়াউর রহমানের শাসনামলে তৎকালীন উপ-প্রধানমন্ত্রী এস. এ. বারীর ব্যক্তিগত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পান। ১৯৮২ সাল হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসার পর বারী পদত্যাগ করার পূর্ব পর্যন্ত তিনি এ দায়িত্ব পালন করেন। বারী পদত্যাগ করার পর মির্জা ফখরুল তার শিক্ষকতা পেশায় ফিরে যান। এ সময় তিনি ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজে অর্থনীতির অধ্যাপক হিসেবে যোগদান করে ১৯৮৬ সাল পর্যন্ত শিক্ষকতা করেন।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সক্রিয় ছাত্র রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। তিনি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের (অধুনা বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন) একজন সদস্য ছিলেন এবং সংগঠনটির এস.এম. হল শাখার সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিলেন। ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানের সময়ে তিনি সংগঠনটির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি ছিলেন।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">১৯৮৬ সালে পৌরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে মির্জা ফখরুল তার শিক্ষকতা পেশা থেকে অব্যহতি নেন এবং সক্রিয়ভাবে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। ১৯৮৮ সালের ঠাকুরগাঁও পৌরসভার নির্বাচনে অংশ নিয়ে পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। জেনারেল এরশাদের সামরিক সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করতে যখন দেশব্যাপী আন্দোলন চলছে, তখন মির্জা ফখরুল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলে যোগদান করেন। ১৯৯২ সালে মির্জা ফখরুল বিএনপির ঠাকুরগাঁও জেলা শাখার সভাপতি নির্বাচিত হন। একইসাথে জাতীয়তাবাদী কৃষকদলের সহ-সভাপতির দয়িত্ব পালন করেন।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">মির্জা ফখরুল ১৯৯১ সালে পঞ্চম ও ১৯৯৬ সালে সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়নে সংসদ সদস্য নির্বাচন করে যথাক্রমে ৩৬,৪০৬ ও ৫৮,৩৬৯ ভোট পান এবং আওয়ামী লীগ প্রার্থী খাদেমুল ইসলামের কাছে পরাজিত হন।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">২০০১ সালে অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একই আসনে বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে আওয়ামী লীগের রমেশ চন্দ্র সেনের সাথে প্রতিযোগিতা করে ১,৩৪,৯১০ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেন ও সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। একই বছর নভেম্বরে বিএনপি সরকার গঠন করলে খালেদা জিয়ার দ্বিতীয় মন্ত্রিসভায় প্রথমে তিনি কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও পরবর্তীতে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পান। ২০০৬ সালের অক্টোবর পর্যন্ত তিনি এ দায়িত্ব পালন করেন।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">মির্জা ফখরুল ২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের রমেশ চন্দ্র সেনের প্রতিদ্বন্দ্বীতা করে পরাজিত হন। ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি একই সাথে ঠাকুরগাঁও-১ ও বগুড়া-৬ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন লাভ করেন এবং বগুড়া-৬ আসনে নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে শপথ গ্রহণ না করায় নির্বাচন কমিশন তার আসনটি শূন্য ঘোষণা করে এবং সেখানে উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">২০০৯ সালের ডিসেম্বরে বিএনপির ৫ম জাতীয় সম্মেলনে মির্জা ফখরুল বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব পদে নির্বাচিত হন। এই পদটিতে এর আগে তারেক রহমান বহাল ছিলেন। তারেক রহমান এই সম্মেলনে দলের ভাইস চেয়ারম্যানের পদ লাভ করেন। একই সময়ে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে এবং মির্জা ফখরুল বিরোধী দলীয় মুখপাত্র হিসেবে গণমাধ্যমে পরিচিতি পান।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">২০১১ সালের ২০শে মার্চ বিএনপির তৎকালীন মহাসচিব খন্দকার দেলওয়ার হোসেন মৃত্যুবরণ করার পর দলটির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ঘোষণা করেন। ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর দলের জ্যেষ্ঠ কয়েকজন নেতা এই মনোনয়ন নিয়ে প্রশ্ন তুলেন। কেউ কেউ বলেন বিএনপির সংবিধানে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের কোন বর্ণনা নেই। কিন্তু বেগম খালেদা জিয়া ২১ মার্চ ২০১১ তারিখে সৌদি রাজপরিবারের আমন্ত্রণে সৌদি আরব যাবার আগমুহুর্তে মির্জা ফখরুলকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ঘোষণা করে গেলে এই সংক্রান্ত বিভ্রান্তির অবসান ঘটে। ২০১৬ সালের ১৯শে মার্চ দলটির ষষ্ঠ জাতীয় সম্মেলনে মির্জা ফখরুল মহাসচিব হিসেবে নির্বাচিত হন।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">বিরোধী দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্ব পালনকালে মির্জা ফখরুল বিভিন্ন ইস্যুতে আওয়ামী লীগ সরকারের কঠোর সমালোচনা করেন। এছাড়া দেশব্যাপী বিএনপির একাধিক বিক্ষোভ ও আন্দোলন কর্মসূচীর নেতৃত্ব দেন, যেগুলো অধিকাংশেরই কেন্দ্রে ছিল তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহালের দাবী।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ব্যক্তিগত জীবনে রাহাত আরা বেগমের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। এই দম্পতির দুই মেয়ে রয়েছে। রাহাত আরা বেগম কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করেছেন ও বর্তমানে ঢাকার একটি বীমা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত। তার বড় মেয়ে মির্জা শামারুহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করে এই প্রতিষ্ঠানেই শিক্ষকতা করেছেন। বর্তমানে তিনি অস্ট্রেলিয়ায় পোস্ট ডক্টরাল ফেলো হিসেবে কর্মরত আছেন। ছোট মেয়ে মির্জা সাফারুহও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করেছেন। তিনি বর্তমানে ঢাকার একটি বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছেন।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">মির্জা ফখরুলের বাবা মির্জা রুহুল আমিন একজন আইনজীবী ছিলেন এবং ঠাকুরগাঁওয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতার আগে ও পরে একাধিকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। স্বাধীন বাংলাদেশে মির্জা রুহুল আমিন বিএনপির রাজনীতির সাথে যুক্ত ছিলেন। মির্জা ফখরুলের চাচা মির্জা গোলাম হাফিজ ছিলেন একজন বিএনপি নেতা, সাবেক মন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের ৪র্থ স্পিকার। </span></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%81%e0%a6%b7-%e0%a6%97%e0%a7%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%97%e0%a6%b0-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%9c%e0%a6%a8/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>উন্নয়নের রাজনীতি ‍এক : একক দাপটে সর্বশান্ত বরিশাল বিএনপি</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%89%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a7%9f%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a7%80%e0%a6%a4%e0%a6%bf-%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%87-%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%95/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%89%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a7%9f%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a7%80%e0%a6%a4%e0%a6%bf-%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%87-%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%95/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 13 Jun 2021 16:04:51 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বরিশাল বিভাগ]]></category>
		<category><![CDATA[রাজখবর]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[উন্নয়নের রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[বিএনপি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://shahittabazar.com/?p=4264</guid>

					<description><![CDATA[<p><br /> একটি জেলার উন্নয়ন চিত্রের সাথে সে জেলার সড়ক, ব্রিজ আর শিল্পকারখানা ই শুধু নির্ভর করেনা। সেই জেলার মানুষের চিন্তা চেতনা, সাহিত্য সংস্কৃতি ও রাজনৈতিক অবস্থাও সমান নির্ভরশীল।<br /></p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%89%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a7%9f%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a7%80%e0%a6%a4%e0%a6%bf-%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%87-%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%95/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2021/06/000.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2021/06/000-300x145.jpg" alt="" width="300" height="145" class="alignleft size-medium wp-image-4265" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2021/06/000-300x145.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2021/06/000-768x370.jpg 768w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2021/06/000.jpg 793w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a><br />
একটি জেলার উন্নয়ন চিত্রের সাথে সে জেলার সড়ক, ব্রিজ আর শিল্পকারখানা ই শুধু নির্ভর করেনা। সেই জেলার মানুষের চিন্তা চেতনা, সাহিত্য সংস্কৃতি ও রাজনৈতিক অবস্থাও সমান নির্ভরশীল।<br />
আপনার চিন্তা চেতনা ও সাংস্কৃতিক অবস্থান সুন্দর না হলে সুন্দর কোনো কিছুই আপনার থেকে আশা করা হবে বোকামী।<br />
বরিশালের রাজনৈতিক অবস্থা কেমন?<br />
বরিশালের বিএনপি সম্পর্কে জানতে খুব বেশি কষ্ট করতে হয়নি। ১ জুন বিকালে শহরের পোর্টরোড সংলগ্ন মসজিদেই দেখা পাওয়া গেল এই শহরের বিএনপির প্রধান আলোচ্য নেতা মজিবর রহমান সরোয়ার এবং তার অনুসারীদের। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এর ৪০ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে  বাদ আছর এই মসজিদে তারা দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভার আয়োজন করেছিলেন। কথা হলো এখানের কয়েকজন মাঠপর্যায়ের কর্মী জানালেন,  বিএনপি মানেই বরিশালের মহানগর সভাপতি মজিবর রহমান সরোয়ার।  তাকে ছাড়া বরিশালে বিএনপির কোন অস্তিত্ব নেই। এখানে জেলা দক্ষিণ সভাপতি এবাদুল হক চান, উত্তরের সভপতি মেসবাহউদ্দিন ফরহাদ। বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরিন।<br />
মহানগর যুবদলের সভাপতি আক্তারুজ্জামান শামীম ও ছাত্রদলের সভাপতি রনি সহ আরো কিছু নাম উঠে এলো। একইসাথে জানাগেল, মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি মনিরুজ্জামান ফারুক ও তার অনুসারীরা ক্ষুব্ধ সরোয়ার এর কাজে। একই ব্যক্তি ঘুরে ফিরে বরিশালের বিএনপিকে দখল করে আছে তাই নতুন কোনো নেতৃত্ব তৈরী হচ্ছেন বলেও জানালেন জেলা সভাপতি।</p>
<p>ইতিপূর্বে আমরা জেনেছি আওয়ামী লীগ ছাড়া এ জেলায় বর্তমানে আর কোনো রাজনৈতিক দল আছে কিনা তা বোঝা কষ্ট সাধ্য। তবে মাঝে মধ্যে মহানগর সভাপতি মজিবর রহমান সরোয়ার উঁকি ঝুঁকি দেন। তার এই উঁকি ঝুঁকিটাও ঘর কিম্বা মসজিদ- মন্দিরে কেন্দ্রীক।<br />
সেটা কেন তার ব্যাখ্যাও আমরা জেনেছি সাবেক সাংসদ সরোয়ার এর মুখেই।  তিনি বলেছেন,  রাস্তায় নামলেই ধর পাকড় কিম্বা মামলা &#8211; হামলার আতঙ্কে ভোগেন নেতাকর্মীরা।<br />
অন্যদিকে তার বিপক্ষের কিছু নেতা-কর্মীর অভিযোগ, সরোয়ার এর বয়স হয়েছে।  তিনি এখন আরাম প্রিয় হয়ে গেছেন।  আন্দোলনে ভয় পান।<br />
এমতাবস্থায় জেলায় বিএনপির অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বটাই চোখে পড়ে সবার আগে।<br />
সম্প্রতি মহানগর বিএনপিতে আবারো এই দ্বন্দ্ব স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। এবার বেশ কয়েকজন সহ সভাপতি ও অনুসারী নিয়ে আলাদা হলেন আরেক সহ সভাপতি মনিরুজ্জামান ফারুক। এর আগে মহানগর যুবদলের এবং ছাত্রদলের কমিটি গঠন নিয়ে দ্বন্ধের সুত্রপাত জাতীয় দৈনিকের আলোচ্য ছিলো। এবারো একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তারের অভিযোগ এনে আলাদা হলেন ফারুক।<br />
<div id="attachment_4266" style="width: 310px" class="wp-caption alignright"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2021/06/01.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-4266" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2021/06/01-300x225.jpg" alt="" width="300" height="225" class="size-medium wp-image-4266" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2021/06/01-300x225.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2021/06/01-768x576.jpg 768w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2021/06/01-1024x768.jpg 1024w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2021/06/01.jpg 1080w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a><p id="caption-attachment-4266" class="wp-caption-text">বিএনপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম-মহাসচিব ও বরিশাল মহানগর সভাপতি মজিবর রহমান সরোয়ার</p></div><br />
বিএনপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম-মহাসচিব ও বরিশাল মহানগর সভাপতি মজিবর রহমান সরোয়ার এ দ্বন্ধের কথা স্বীকার করে বলেছেন, বহিরাগত কিছু লোক আওয়ামী লীগের মদদে দলকে পঙ্গু করার ষড়যন্ত্র করছে।</p>
<p>এরই উত্তরে মহানগর বিএনপির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মনিরুজ্জামান ফারুক জানালেন তার ক্ষোভের কথা।<br />
বরিশাল প্রতিদিন পত্রিকায় মজিবর রহমান সরোয়ার এর বক্তব্য তাকে ইঙ্গিত করেছে উল্লেখ করে<br />
তিনি ক্ষোভের সাথে জানালেন,<div id="attachment_4267" style="width: 310px" class="wp-caption alignright"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2021/06/03.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-4267" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2021/06/03-300x225.jpg" alt="" width="300" height="225" class="size-medium wp-image-4267" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2021/06/03-300x225.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2021/06/03-768x576.jpg 768w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2021/06/03-1024x768.jpg 1024w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2021/06/03.jpg 1080w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a><p id="caption-attachment-4267" class="wp-caption-text">মহানগর বিএনপির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মনিরুজ্জামান ফারুক</p></div><br />
বরিশালে আওয়ামী লীগ আর বিএনপির মধ্যে নেতৃত্বগত দিকদিয়ে খুব একটা পার্থক্য নেই।  এখানে বিএনপি মানে মজিবর রহমান সরোয়ার ও তার আত্মীয় পরিজন। এর বাইরে কাউকে আসতে দেয়া হয়না। দীর্ঘদিনের ত্যাগী নেতাকর্মী এখানে অবহেলিত।<br />
একজন লোক একাধারে সংসদ সদস্য ও মেয়র। আবার সাংসদ আবার মেয়র। মহানগর ও জেলার সভাপতি আবার কেন্দ্রীয় যুগ্মমহাসচিব। যুগ যুগ ধরে ক্ষমতা কুক্ষিগত করে আছেন তিনি।<br />
তার কাছের লোকেরা অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পদ পাচ্ছে।  যোগ্য ও ত্যাগী নেতাদের তিনি মূল্যায়ন হতে দেন না। কারণ কেন্দ্রে শুধু তার লবিং চলে।<br />
এই নিয়ম ভাঙা জরুরী।<br />
তিনি বলেন, মজিবর রহমান এর আগে জেলারও সভাপতি ছিলেন।  তখন এবাদুল হক চান এর সাথে, সাবেক মেয়র কামালের সাথেও তার দ্বন্দ্ব হলে তারাও আলাদা হয়ে যান। একই বিষয় নিয়ে আলাদা আলাদা বহু সমাবেশ আগেও হয়েছে।<br />
গত সম্মেলনে ছাত্রদলের কমিটি গঠন নিয়েই এ দ্বন্ধের শুরু বলে জানান ফারুক।<br />
তিনি আরো বলেন, সরোয়ার ক্ষমতার দাপটে এতোটাই অন্ধ হয়েছেন যে, সব কর্মীদের তিনি লাগেজ বহনকারী মনে করেন। তার পছন্দ মতো চলতে পারলে তবেই তাকে পদ প্রদান করেন। এভাবে চলতে থাকলে আগামীতে বরিশালে এমনিতেই বিএনপির কোনো অস্তিত্ব থাকবেনা। নেতৃত্ব তৈরীর সুযোগ না থাকলে নতুন নেতৃত্ব কে দেবে? সুযোগ তো দিতে হবে।<br />
৩ জুন বৃহস্পতিবার একান্ত আলাপে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন মনিরুজ্জামান ফারুক। </p>
<p>ছাত্রদল কমিটি নিয়ে বিরোধিতার পরে যুবদলের কমিটি নিয়েও বরিশাল বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক  বিলকিস জাহান শিরিনের সাথে মজিবর রহমান সরোয়ারের দ্বন্দ্ব আজো চলছে বলে জানান তিনি। </p>
<p>জেলা দক্ষিনের সহ সভাপতি এ্যাড. আক্তার হোসেন মেবুন  জানান,  সরোয়ার ভাইয়ের অবদান অস্বীকার করবো না। মনিরুজ্জামান ফারুক ভাই তার হাত ধরেই বিএনপিতে এসেছেন।  কিন্তু আজ অবস্থা এমন হয়েছে যে, বিএনপি নয়, মানুষ ব্যক্তি সরোয়ার কে চেনে। এটা ক্ষতিকর।  কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের এ বিষয়ে ভাবা উচিত।</p>
<p><div id="attachment_4268" style="width: 204px" class="wp-caption alignright"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2021/06/04.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-4268" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2021/06/04-194x300.jpg" alt="" width="194" height="300" class="size-medium wp-image-4268" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2021/06/04-194x300.jpg 194w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2021/06/04-664x1024.jpg 664w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2021/06/04.jpg 720w" sizes="auto, (max-width: 194px) 100vw, 194px" /></a><p id="caption-attachment-4268" class="wp-caption-text">বরিশাল জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এবায়দুল হক চান</p></div>বরিশাল জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এবায়দুল হক চান অবশ্য এ বিষয়ে খোলামেলা কথা বলতে রাজি নন। তবে সরোয়ারের দুটি পদে থাকা সমীচীন কি না, এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘গঠনতন্ত্র যার হাতে, এটা তিনি নির্ধারণ করবেন। আমি মনে করি, যাঁরা প্রকৃতই বিএনপি করেন, তাঁদের দলীয় গঠনতন্ত্র মানা উচিত এবং দলীয় প্রধানের সিদ্ধান্তকে শ্রদ্ধা জানানো উচিত।’</p>
<p>সরোয়ারের পক্ষের নেতারা মনে করেন, বরিশালে বিএনপি মানেই মজিবর রহমান সরোয়ার। এক ব্যক্তির এক পদ বিধান থাকলেও বিএনপির প্রধান চাইলে বিশেষ ক্ষমতাবলে যেকোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। তাঁদের যুক্তি, বরিশাল বিভাগে বিএনপির অবস্থান এখন অত্যন্ত নাজুক। তবে সরোয়ার ব্যক্তিগত ভাবমূর্তি কাজে লাগিয়ে নগর বিএনপিকে একটা শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করিয়েছেন। সেই ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়েই গোটা বিভাগে বিএনপির রাজনীতি পরিচালিত হচ্ছে। এখন সরোয়ার না থাকলে নগর বিএনপিও দুর্বল হয়ে পড়বে। এর রেশ পড়বে গোটা বরিশাল অঞ্চলের বিএনপিতে।  <div id="attachment_4269" style="width: 310px" class="wp-caption alignright"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2021/06/02.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-4269" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2021/06/02-300x225.jpg" alt="" width="300" height="225" class="size-medium wp-image-4269" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2021/06/02-300x225.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2021/06/02-768x576.jpg 768w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2021/06/02-1024x768.jpg 1024w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2021/06/02.jpg 1080w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a><p id="caption-attachment-4269" class="wp-caption-text">মজিবর রহমান সরোয়ার</p></div></p>
<p>এই যে দুটি পদ ধরে রাখা এ বিষয়ে কি বলবেন? এমন প্রশ্ন করা হলে মজিবর রহমান সরোয়ার বলেন, ‘আমার এ নিয়ে কোনো ইচ্ছা-অনিচ্ছার বিষয় নেই। আমিও চাই নতুন নেতৃত্বের বিকাশ হোক। কিন্তু সেটা হতে হবে গঠনতান্ত্রিক নিয়মে। নগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কিছুদিন আগে মারা যাওয়ার পর বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক দায়িত্বে আছেন। এখন আমি নগর বিএনপির পদ ছাড়লে এ পদেও একজন ভারপ্রাপ্ত আসবেন। এতে তো আর নেতৃত্বের বিকাশ হলো না। যদি পদ ছাড়তেই হয়, তবে সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন নেতৃত্বের হাতে ছাড়তে হবে।’</p>
<p>দুটি পদে থাকা সমীচীন কি না, জানতে চাইলে বরিশাল সদর আসনের চারবারের সাংসদ ও বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রথম নির্বাচিত এ মেয়র বলেন, ‘এটা সমীচীন না হলেও বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে এটা প্রযোজ্য। কেন্দ্রীয় নীতিনির্ধারকেরা  বরিশালের রাজনীতি সম্পর্কে খুব ভালো জানেন। তারা এখনো এ বিষয়ে আমার সঙ্গে কোনো আলাপ করেননি। আলাপ করলে এ বিষয়ে যেটা বাস্তবসম্মত, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’<br />
তার আগে আমি সবাইকে ঐক্য ধরে রেখে একসাথে মাঠে থাকার ও বরিশালে বিএনপিকে শক্তিশালী করার আহ্বান জানাবো।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%89%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a7%9f%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a7%80%e0%a6%a4%e0%a6%bf-%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%87-%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%95/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
