<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>বাংলাদেশ &#8211; সাহিত্য বাজার</title>
	<atom:link href="https://shahittabazar.com/tag/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://shahittabazar.com</link>
	<description>সাহিত্যের আয়নায় মানুষের মুখ</description>
	<lastBuildDate>Mon, 01 Jun 2026 18:04:33 +0000</lastBuildDate>
	<language>bn-BD</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.9.4</generator>
	<item>
		<title>আহ্বায়ক কমিটি নির্ভর বরিশাল বিএনপি : প্রভাব বিস্তারের দ্বন্দ্বে চলছে বহুমুখী বিভক্তি</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%86%e0%a6%b9%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%95-%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ad%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%b0/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%86%e0%a6%b9%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%95-%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ad%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%b0/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আরিফ আহমেদ]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 30 May 2026 07:13:23 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[প্রবন্ধ]]></category>
		<category><![CDATA[বরিশাল বিভাগ]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলার চিঠি]]></category>
		<category><![CDATA[সাহিত্য]]></category>
		<category><![CDATA[বরিশাল]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিএনপি]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://shahittabazar.com/?p=6017</guid>

					<description><![CDATA[<p>আহ্বায়ক কমিটি নির্ভর বরিশাল বিএনপি : প্রভাব বিস্তারের দ্বন্দ্বে চলছে বহুমুখী বিভক্তি</p> <p>(এটাই হতে পারে উন্নয়নের পথে বাধা) </p> <p>বিশেষ প্রতিবেদক</p> <p>বহুমুখী বিভক্তি ও দ্বন্দ্বে জর্জরিত বরিশাল বিএনপি : উন্নয়নের পথে</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%86%e0%a6%b9%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%95-%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ad%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%b0/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>আহ্বায়ক কমিটি নির্ভর বরিশাল বিএনপি : প্রভাব বিস্তারের দ্বন্দ্বে চলছে বহুমুখী বিভক্তি</strong></p>
<p>(<strong>এটাই হতে পারে উন্নয়নের পথে বাধা) </strong></p>
<p><strong>বিশেষ প্রতিবেদক</strong></p>
<div id="attachment_6019" style="width: 310px" class="wp-caption alignleft"><a href="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2026/05/IMG20260530114127.jpg"><img fetchpriority="high" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-6019" class="size-medium wp-image-6019" src="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2026/05/IMG20260530114127-300x169.jpg" alt="" width="300" height="169" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2026/05/IMG20260530114127-300x170.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2026/05/IMG20260530114127-1024x576.jpg 1024w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2026/05/IMG20260530114127-768x432.jpg 768w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2026/05/IMG20260530114127-1536x864.jpg 1536w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2026/05/IMG20260530114127-70x40.jpg 70w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2026/05/IMG20260530114127.jpg 1920w" sizes="(max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a><p id="caption-attachment-6019" class="wp-caption-text">oplus_0</p></div>
<p><strong>বহুমুখী বিভক্তি ও দ্বন্দ্বে জর্জরিত বরিশাল বিএনপি : উন্নয়নের পথে এটাই প্রধান বাধা </strong></p>
<p><strong>বিশেষ প্রতিবেদক</strong></p>
<p>বরিশালের রাজনীতিতে এখন সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হচ্ছে &#8211; উন্নয়ন নয়, প্রশাসনিক ও সাংগঠনিক নিয়ন্ত্রণ। ক্ষমতার কেন্দ্র কার হাতে থাকবে? তা নিয়ে চলছে নীরব কিন্তু তীব্র বহুমুখী লড়াই। মহানগর ও জেলা উভয় স্থানেই প্রবল নেতৃত্ব সংকটে রয়েছে বিএনপি। তাদের গঠিত সরকারের ১০০ দিন পার হলেও বরিশালে এখনো কোনো একক নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়নি। একক নেতৃত্বই শুধু নয়, এখানে আদৌ কোনো নেতৃত্ব আছে কিনা তা নিয়েও জনমনে রয়েছে সংশয়। আর এ সংশয় গত প্রায় পাঁচ বছর ধরে চলমান। বিশেষ করে বরিশালের রাজনীতি থেকে মজিবর রহমান সরোয়ারকে সরিয়ে নেওয়ার পরপরই শুরু হয়েছে নেতৃত্বের কোন্দল। বহুবার পরিবর্তন ও রদবদল হয়েছে আহ্বায়ক কমিটিও।<br />
গত ১২ ফেব্রুয়ারীর নির্বাচনে বিএনপির জয় লাভের পর থেকে বরিশালে এই নেতৃত্বহীনতা আরো স্পষ্ট হয়েছে। বিশেষ করে বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন বরিশাল সিটি করপোরেশনের (বিসিসি) প্রশাসক নিযুক্ত হওয়ার পর থেকে এ দ্বন্দ্ব যেন অনেকটা প্রকাশ্যে আসতে শুরু করেছে।<br />
বরিশাল ৫ সদর আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মজিবর রহমান সরোয়ার, বরিশাল ১ গৌরনদী আগৈলঝারা আসনের সংসদ সদস্য ও বর্তমান তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন এবং বরিশাল সিটি করপোরেশন (বিসিসি) প্রশাসক ও বিএনপির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন এর বরিশালের কার্যক্রম, তাদের সভা সমাবেশে নেতাকর্মীদের উপস্থিতি৷, বাস টার্মিনাল স্থানান্তর, বাণিজ্য মেলা বন্ধ ও চালু হওয়া সর্বোপরি স্বাস্থ্য মন্ত্রী ও স্বাস্থ্য উপদেষ্টার বরিশালের অন্যতম ২০০ শয্যা বিশিষ্ট শিশু হাসপাতাল পরিদর্শনে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের অনুপস্থিতি নিয়ে চলছে বহুমুখী বিভক্তির ঘ্রাণ। আবার বরিশাল চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি সভাপতি ও বিএনপি নেতা এবায়দুল হক চান ও শিরিনের ইগো দ্বন্দ্বের লড়াই ছিলো বাণিজ্য মেলা নিয়ে।<br />
অন্যদিকে বরিশাল জেলা পরিষদের দায়িত্ব নিয়েও আরেক সাংগঠনিক সম্পাদক আকন কুদ্দুসুর রহমানের দায়িত্ব এড়িয়ে চলা, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব এর আচরণ ইত্যাদি বিষয় পর্যালোচনা করে এটা নিশ্চিত যে এখানে বিএনপির দলীয় রাজনীতি ও প্রশাসনিক বলয়ের ভিতর বহু বিভক্তি স্পষ্ট হয়ে উঠছে।<br />
অনুসন্ধানে দেখা গেছে, গত মার্চ থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত বরিশালের বিভিন্ন মন্ত্রীদের আগমন, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত, উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন, হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা, সিটি করপোরেশনের কার্যক্রম এবং রাজনৈতিক কর্মসূচির নেপথ্যে এই বহুমুখী দ্বন্দ্বের প্রভাব টের পেয়েছেন বরিশালের সাধারণ মানুষও। যে কারণে এ নিয়ে চায়ের দোকানসহ সামাজিক জটলাতেও চলছে মুখরোচক আলোচনা। কেউ কেউ শিরিনের কার্যক্রমকে বাহবা দিলেও চুপিসারে বলছেন, বরিশালের রাজনৈতিক মুরব্বি মজিবর রহমান সরোয়ার। তার সাথে পরামর্শ করেই পদক্ষেপ নেওয়া উচিত শিরিনের। আবার কেউ বলছেন, মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বরিশালে আসলে সরোয়ার বা শিরিন কেউই বরিশালে থাকেন না। আবার জেলা ও মহানগর বিএনপির নেতৃবৃন্দ কাউকেই দেখা যায়নি মন্তী- প্রতিমন্ত্রীর আশেপাশে। এটাও জটিলতা তৈরি করছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন স্বপন বরিশাল ১ আসনের এমপি হলেও তিনিতো এখন বাংলাদেশের প্রতিটি জেলার মন্ত্রী। তার আগমনে বা উপস্থিতিতে সদর আসনের সংসদ সদস্য ও সিটি করপোরেশনের প্রশাসক, জেলা পরিষদের প্রশাসকের অনুপস্থিতি দৃষ্টিকটু। বরং সবাই যখন বিএনপির নেতা, তাদের সবাইকে একই মঞ্চে পাশাপাশি দেখতে চায় সাধারণ মানুষ। তাদের দাবি, বিগত ১৭ বছরের অভিজ্ঞতায় তারা দেখেছেন মেয়র ও সংসদ সদস্যের দ্বন্দ্বে বরিশালের উন্নয়ন বরাদ্দ ফেরত চলে যেতে। তাই কোনোরকম রাজনৈতিক বা ব্যাক্তিগত দ্বন্দ্ব দেখতে রাজী না বরিশালের সাধারণ মানুষ। তাদের অনেকেই আশা করেছিলেন অন্তত ৩০ মে এরকম কিছু হবে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎ বার্ষিকী আয়োজনে। কিন্তু সেখানেও নিরাশা। জেলা ও মহানগর পৃথক পৃথক শোকসভা করে তাদের বিভক্তি আরো বেশি প্রমাণ করলেন। যদিও মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুকের দাবী &#8211; যার যার কর্মসূচি সে সে পালন করবে এটাই স্বাভাবিক। মহানগর আর জেলাতো এক নয়, যে একসাথে কার্যক্রম হতে হবে।<br />
তিনি আরও বলেন, বড় রাজনৈতিক দলের মধ্যে একাধিক প্রতিযোগিতা থাকবে এটা জটিল কিছু নয়। এই প্রতিযোগিতায় অনেক আগাছা পরগাছাও প্রবেশ করবে কিন্তু দিনশেষে তারাই টিকে থাকবে এবং মূল্যায়িত হবেন, যারা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শ ধারণা করেন।<br />
যদিও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অনেকেরই ধারণা ছিল দীর্ঘদিনের প্রভাবশালী নেতা মজিবর রহমান সরোয়ার সহজেই একক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করবেন। কারণ তিনি বরিশাল-৫ আসন থেকে মেয়র ও চার চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন এবং কেন্দ্রীয় রাজনীতিতেও তার অবস্থান অনেক শক্তিশালী। কিন্তু সবাইকে হতাশ করে তার জনসমর্থন দিনকে দিন কমেছে। ১২ ফেব্রুয়ারী তিনি পঞ্চমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেও তা অত্যন্ত দূর্বল কাঠামোর উপর দাঁড়িয়েছে। কেননা সবসময় ২০ হাজারের কাছাকাছি ভোট পাওয়া ইসলামি আন্দোলন প্রার্থী মুফতি মাওলানা ফয়জুল করিম ৯০ হাজারের বেশি ভোট পেয়েছেন। অন্যদিকে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়ে বরিশাল ১ আসনের সংসদ সদস্য জহির উদ্দিন স্বপনের প্রভাব দ্রুত বাড়তে থাকে। একইসঙ্গে বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক হন বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন। এতে প্রশাসনিক ও সাংগঠনিকভাবে আলাদা শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হন তিনি। দীর্ঘদিন রাজনীতির মাঠে সক্রিয় জেলা ও মহানগর বিএনপির অনেক নেতা এতে ক্ষুব্ধ হন এবং কেউ কেউ প্রকাশ্যে শিরিনের বিরোধিতা শুরু করেন। জেলার সাবেক সভাপতি এবং কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এবায়দুল হক চান, মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব জিয়াউদ্দিন সিকদার, সাবেক সদস্য সচিব মীর জাহিদ প্রমুখের মধ্যে স্পষ্ট ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটে। তারা সরাসরি শিরিনের বিরোধিতা না করলেও তাদের অনুসারীদের সরিয়ে নেয়ার অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন উন্নয়ন কাজে বাধা প্রদানের অভিযোগও রয়েছে তাদের অনুসারীদের বিরুদ্ধে। যার প্রমাণ পাওয়া যায়, নথুল্লাবাদ বাস টার্মিনাল স্থানান্তর ও শিশু হাসপাতাল উদ্বোধন পক্রিয়ায়।<br />
স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক কাজী মিজানুর রহমান এর মতে, বরিশালে এখন প্রকাশ্য বিরোধের চেয়ে “নিয়ন্ত্রণের নীরব যুদ্ধ” বেশি চলছে। কে প্রশাসনে প্রভাব রাখবে, কে উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ন্ত্রণ করবে, কে দলীয় কমিটি ও মাঠের কর্মীদের ধরে রাখবে—এসব হিসাবেই রাজনীতি এগোচ্ছে।<br />
আবার রাজনৈতিক বিশ্লেষক মাহবুব খান বলেন, আসলে বরিশালে বিএনপির বিভক্তি গত ৫ বছর ধরেই চলছে। এটা এজন্য যে আহ্বায়ক কমিটি নির্ভর হয়ে এতো দীর্ঘ সময় কাটানো রাজনীতিতে সবাই নিজ নিজ অনুসারী তৈরি করছে। সবাই এখানে এখন বড় নেতা। গত ২৪ সালের ৫ আগস্টের পর দল থেকে বহিস্কৃত নেত্রী বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন হঠাৎ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক হয়েছেন এটা মেনে নিতে অনেকের কষ্ট হয়েছে। তবে শিরিন তার কাজ ও আচরণ দিয়ে সবাইকে জয় করে নিতে শুরু করেছেন। ২৫ মে বিকালে নগর ভবনের মিলনায়তনে তার কিছুটা প্রমাণও পাওয়া গেছে। এখানে জেলা ও মহানগর বিএনপির প্রায় অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। যারা ইতিপূর্বে শিরিনকে এড়িয়ে চলার চেষ্টা করেছেন তাদের অনেকেও ছিলেন বলে জানান রাজনৈতিক বিশ্লেষক মাহবুব খান।<br />
এসবের মধ্যে সম্প্রতি প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন নথুল্লাবাদ বাস টার্মিনাল স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নিলে সংকট আরো প্রকট আকার ধারণ করে। বাস ও ট্রাক মালিক সমিতির নিয়ন্ত্রণ স্থানীয় সংসদ সদস্য মজিবর রহমান সরোয়ার এর আপন ভাই ও শ্যালকের হাতে থাকায়। শিরিনের সিদ্ধান্ত বিরোধী অবস্থান তৈরি হয় এই টার্মিনালকে ঘীরে।<br />
যদিও গত ২০০৬ সাল থেকেই বরিশালের সবচেয়ে আলোচিত ইস্যুগুলোর একটি নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল স্থানান্তর পরিকল্পনা। নগর পরিকল্পনাবিদ ও ট্রাফিক বিশেষজ্ঞদের দীর্ঘদিনের দাবি &#8211; শহরের কেন্দ্র থেকে বাস টার্মিনাল সরিয়ে বাইপাস সংলগ্ন এলাকায় নেওয়া না হলে যানজট, শব্দদূষণ ও জনদুর্ভোগ কমবে না।<br />
২০১৪ সালে প্রয়াত মেয়র শওকত হোসেন হিরন এজন্য উদ্যোগী হন এবং গড়িয়ার পাড়ে নগরীর প্রবেশদ্বার সংলগ্ন সড়কের পাশে সাড়ে বারো একর জমিতে বাস টার্মিনাল স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নিয়ে জমি ক্রয় চূড়ান্ত করেন। পরবর্তীতে এটি ধামাচাপা পরে যায় ও সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ এসে কাশিপুর স্কুল এন্ড কলেজ সংলগ্ন সড়কের পাশে ট্রাক টার্মিনাল তৈরি করে ব্যাপক সমালোচনা তৈরি করেন। এ নিয়ে মামলা এখনো চলমান থাকলেও কলেজ কর্তৃপক্ষ বলেছেন, গড়িয়ার পাড়ে বাস টার্মিনাল স্থানান্তর না হওয়া পর্যন্ত কাশিপুর ট্রাক টার্মিনালকে বাস টার্মিনাল করা যেতে পারে। এতে তাদের কোনো আপত্তি না থাকলেও বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে বাস ও ট্রাক মালিক সমিতির নেতারা। এই টার্মিনাল স্থানান্তরের দাবি নতুন নয়। অন্তত কয়েক বছর ধরেই নগর পরিকল্পনাবিদ, ব্যবসায়ী ও পরিবহন সংশ্লিষ্টদের একটি অংশ এ দাবি জানিয়ে আসছিল। তবে বিএনপি সরকার গঠনের পর সিটি করপোরেশন প্রশাসক বিষয়টি নতুন করে সক্রিয় করলে তা রাজনৈতিক মাত্রা পেতে শুরু করে।<br />
সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের অভিযোগ, সরোয়ার পরিবারের ঘনিষ্ঠ পরিবহন সংশ্লিষ্ট একটি অংশ এই পরিকল্পনার বিরোধিতা শুরু করেছে। অভিযোগ রয়েছে, টার্মিনালকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিনের আর্থিক ও প্রভাবভিত্তিক নিয়ন্ত্রণ হারানোর আশঙ্কা থেকেই এই বিরোধিতা। জানা গেছে ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরপরই বরিশালের বাস ও ট্রাক টার্মিনালের দখল নিয়েছেন বরিশাল-৫ আসনের সংসদ সদস্য মজিবর রহমান সরোয়ারের ঘনিষ্ঠরা। তার ছোট ভাই মোশারফ হোসেন বাস মালিক সমিতির সভাপতি। ট্রাক মালিক সমিতির সভাপতি সাইদুর রহমান মামুন সংসদ সদস্য মজিবর রহমান সরোয়ারের শ্যালক।<br />
পরিবহন খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, নথুল্লাবাদ শুধু একটি টার্মিনাল নয়; এটি বরিশালের অন্যতম বড় অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র। প্রতিদিন শত শত বাস চলাচলের কারণে এখানকার নিয়ন্ত্রণ মানেই শ্রমিক সংগঠন, পরিবহন রুট ও আর্থিক প্রবাহের ওপর প্রভাব। ফলে প্রশাসনিক পর্যায়ে ফাইল অগ্রগতি ধীর হয়ে যায় এবং সিটি করপোরেশনের একাধিক উদ্যোগ কার্যত থমকে পড়ে।<br />
সিটি করপোরেশনের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “টার্মিনাল স্থানান্তর শুধু উন্নয়ন প্রকল্প নয়, এটি বরিশালের প্রভাবের রাজনীতির অংশ হয়ে গেছে। কে নিয়ন্ত্রণ করবে, সেটিই এখন মূল বিষয়।”<br />
সাবেক একজন গুরুত্বপূর্ণ পরিবহন সংশ্লিষ্ট নেতা বলেন, “টার্মিনাল সরানো মানে পুরোনো নিয়ন্ত্রণ কাঠামো বদলে যাওয়া। এজন্য ভেতরে ভেতরে অনেক চাপ কাজ করছে।”<br />
এদিকে আইনজীবী বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন দায়িত্ব নেওয়ার পর নগর পরিচ্ছন্নতা, অবৈধ দখল উচ্ছেদ, হোল্ডিং ট্যাক্স পুনর্বিন্যাস, বাড়ির প্লান হস্তান্তর এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে একাধিক উদ্যোগ নেন। কিন্তু তার প্রশাসনিক কার্যক্রমে দলীয় পর্যায় থেকেই বাধা তৈরি হচ্ছে—এমন অভিযোগ এখন বিএনপির অভ্যন্তরেও আলোচিত বিষয় ।<br />
বরিশাল যুবদল কর্মী ও সাবেক ছাত্রদল নেতা নাজমুল হাসান ছবির বলেন, এখানে এখন প্রতিযোগিতা নয়, প্রতিহিংসার রাজনীতি চলছে। ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়ন না হলে এটি আরো বাড়বে। আর এ জন্য দায়ী দীর্ঘদিন ধরে পূর্ণাঙ্গ কমিটি না থাকা।<br />
তিনি বলেন, যুবদলের পূর্নাঙ্গ কমিটি থাকলেও তা গত সাতবছর ধরে চলমান রয়েছে। জেলা ও মহানগরসহ অংগসংগঠনগুলো বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি নির্ভর। অতিসত্বর এই কমিটি বিলুপ্ত করে নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন কমিটি না হলে এইব বিভক্তি ও দূরত্ব আরো বৃদ্ধি পাবে বলে জানান তিনি।<br />
প্রায় একই দাবী নিয়ে বরিশাল মহানগর যুবদলের সিনিয়র সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম জাহান বলেন, এজন্য দায়ী পূর্নাঙ্গ কমিটি না থাকা। মহানগর ও জেলা বিএনপিসহ সব অংগসংগঠনের পূর্ণাঙ্গ কমিটি হয়ে গেলে এসব উন্নয়ন পদক্ষেপ তরান্বিত হবে। তবে সে কমিটিও হতে হবে গত ১৭ বছর মাঠে থাকা ত্যাগী নেতাদের নিয়ে।<br />
তিনি আরো বলেন, আমি মনে করি, বরিশালের যে কয়েকজন নেতা রয়েছেন স্পীকার, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও সিটি করপোরেশনের প্রশাসকসহ সব সংসদ সদস্যদের নিয়ে একটি বৈঠক হওয়া উচিত। বরিশাল অন্যসব জেলা থেকে উন্নয়নে অনেক পিছিয়ে, তাই সবার আগে বরিশালের উন্নয়নকে প্রাধান্য দিয়ে তাদের ঐক্যবদ্ধ একটি অবস্থান হওয়া জরুরী প্রয়োজন বলে জানান এই যুবদল নেতা।<br />
আবার বরিশাল সিটি করপোরেশনের কয়েকজন সাবেক কাউন্সিলর অভিযোগ করেছেন, আমরা দেখেছি বিসিসি প্রশাসকের আহ্বানে এসে গুরুত্বপূর্ণ সভা বয়কট, প্রকল্প বাস্তবায়নে ধীরগতি তৈরি, ঠিকাদার নিয়ন্ত্রণ এবং মাঠপর্যায়ের কর্মসূচিতে লোক সমাগম কমিয়ে দেওয়ার মতো নীরব অসহযোগিতা চলছে। যদিও প্রকাশ্যে কেউ এ দায় স্বীকার করছেন না।<br />
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন, নিয়োগ, ঠিকাদারি ও উন্নয়ন কার্যক্রমে “কার প্রভাব থাকবে”—তা নিয়েও মহানগর বিএনপির মধ্যে দ্বন্দ্ব লক্ষ্য করা গেছে। সদস্য সচিব জিয়াউদ্দিন সিকদার এর অবস্থানও বিতর্কিত হয়েছে বারবার। প্রশাসনিকভাবে দায়িত্বে থাকলেও রাজনৈতিকভাবে শিরিনকে চাপে রাখার চেষ্টা চলছে বলে তার ঘনিষ্ঠদের অভিযোগ।<br />
অন্যদিকে বিভিন্ন আয়োজনে বেশ কয়েকবার বরিশালে এসেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তার ঐ মঞ্চে সংসদ সদস্য মজিবর রহমান সরোয়ার এবং প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন কিম্বা জেলা পরিষদের প্রশাসক আকন কুদ্দুসুর রহমান এর অনুপস্থিতি জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে। বরিশালে স্বপনের উপস্থিতি কেউ স্বাভাবিক ভাবে নিচ্ছে না বলেও একাধিক অভিযোগ রয়েছে।<br />
একজন সাবেক ছাত্রদল নেতা বলেন, বরিশালে এখন প্রশাসন আর রাজনীতি আলাদা নেই। কে কাকে ছাড়িয়ে যাবে, সেটিই মূল প্রতিযোগিতা। যার প্রমাণ পাওয়া গেছে শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (শেবাচিম) ও নির্মানাধীন শিশু হাসপাতাল ইস্যুতে। শেবাচিম নিয়েও সম্প্রতি যে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে তা হাসপাতালের পরিচালনা পর্ষদ গঠন নিয়ে। স্বাস্থ্য মন্ত্রীর ঘোষণা এবং সভাপতি হিসেবে কারো নাম চূড়ান্ত হয়েছে বলার পরপরই অনুসন্ধানে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনের নাম আলোচনায় আসে। দুদিনের মধ্যে গেজেট হওয়ার কথা থাকলেও অজ্ঞাত কারণে আজ পর্যন্ত তার নাম ঘোষণা বা গেজেট প্রকাশ হয়নি। পাশাপাশি এরপর থেকেই প্রশাসনিক প্রভাব বিস্তারের নতুন হিসাব শুরু হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।<br />
গত মার্চে শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের একটি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা, ডাক্তার ও নার্সের দায়িত্ব অবহেলায় দুজন শিশুর মৃত্যু ঘটনার পর স্বাস্থ্যখাতের অব্যবস্থাপনা ও প্রশাসনিক দুর্বলতা নতুন করে আলোচনায় আসে। এর মধ্যেই নির্মাণাধীন শিশু হাসপাতালকে শেবাচিম হাসপাতালের প্রশাসনিক কাঠামো থেকে পৃথক করার আলোচনা শুরু হলে বিষয়টি রাজনৈতিক রূপ নিতে থাকে। বিশেষ করে নির্মাণাধীন শিশু হাসপাতালকে শেবাচিম হাসপাতালের প্রশাসনিক কাঠামো থেকে পৃথক করার প্রক্রিয়া নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। হাসপাতাল সংশ্লিষ্ট কয়েকজন কর্মকর্তা ও চিকিৎসক মনে করছেন, এটি কেবল প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নয়, বরং নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার অংশ।<br />
একজন চিকিৎসক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “শিশু হাসপাতাল আলাদা হলে নিয়ন্ত্রণও আলাদা হবে। এ কারণে বিভিন্ন পক্ষ সক্রিয় হয়ে উঠেছে।”<br />
অভিযোগ রয়েছে, শেবাচিমের অভ্যন্তরেও শিরিন, স্বপন ও সরোয়ারপন্থী হিসেবে পরিচিত বলয় তৈরি হয়েছে। এছাড়াও প্রভাব রয়েছে মহানগর বিএনপির একাধিক নেতার। এখানে পদায়ন, ঠিকাদারি, ক্রয় প্রক্রিয়া এবং পরিচালনা কমিটিতে প্রভাব বিস্তার নিয়ে নীরব প্রতিযোগিতা চলছে। এমনকি পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মশিউল মুনীর সেনাবাহিনীর লোক হয়েও এদের হাতের পুতুল বলেও একাধিক অভিযোগ রয়েছে। কেননা, ৫ আগস্টের পর পালিয়ে যাওয়া ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ও তাদের লোককে খুঁজে এনে আবারও কাজে লাগানো হয়েছে শেবাচিমে।<br />
হাসপাতাল সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা বলেন, “স্বাস্থ্যখাত এখন শুধু চিকিৎসা ব্যবস্থাপনার বিষয় নয়, বরং রাজনৈতিক প্রভাবের অংশ হয়ে উঠেছে। এরসাথে জড়িত রয়েছে ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর নিয়ন্ত্রণ ও আধিপত্য। কারো কারো জন্যে এখানেও ভোটব্যাংক ফিলোসোফি কাজ করছে বলে জানান সচেতন চিকিৎসকরা।<br />
বিএনপি সরকারের প্রথম ১০০ দিন অতিবাহিত হয়েছে। এই সময়ে বরিশালে বড় ধরনের প্রকাশ্য সংঘাত না হলেও অভ্যন্তরীণ বিভক্তি ক্রমেই দৃশ্যমান হচ্ছে। নগর উন্নয়ন, হাসপাতাল প্রশাসন, দলীয় পূর্নাঙ্গ কমিটি না হওয়া, পরিবহন খাত এবং ঠিকাদারি—সবখানেই এখন “কোন বলয়ের প্রভাব বেশি”—সেই হিসাবে চলছে নেতাকর্মীদের সমাগম ও সমর্থন।<br />
বিশেষ করে—<br />
* সিটি করপোরেশনের উন্নয়নে বড়ো প্রকল্পে ধীরগতি,<br />
* পরিবহন খাতে নিয়ন্ত্রণ প্রশ্ন,<br />
* হাসপাতাল প্রশাসনে বলয়ভিত্তিক অবস্থান,<br />
* দলীয় কর্মসূচিতে আলাদা উপস্থিতি এবং স্থানীয় কমিটি পুনর্গঠনে মতবিরোধ<br />
এসব বিষয় এখন রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে।<br />
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, সরোয়ারের দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক ভিত্তি, স্বপনের মন্ত্রিত্বজনিত প্রশাসনিক প্রভাব এবং শিরিনের সাংগঠনিক ও সিটি করপোরেশন নিয়ন্ত্রণ &#8211; এই তিন শক্তির সংঘাত আগামী দিনে আরও স্পষ্ট হতে পারে। তদুপরি এখন পর্যন্ত আহ্বায়ক কমিটি নির্ভর বরিশালের বিএনপি। বারবার পূর্নাঙ্গ কমিটির প্রতিশ্রুতি পিছিয়ে যাওয়া নেতৃত্বের সংকট তৈরি করছে বলে মনে করেন অনেকেই।<br />
এদিকে সরোয়ার পন্থী কয়েকজন নেতার দাবী, বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করতে জেলা ও মহানগর বিএনপির নেতাদের ঘরে ঘরে ঘুরেছেন, অথচ বরিশালের রাজনৈতিক মুরব্বি ও সিটি করপোরেশনের প্রথম নির্বাচিত মেয়র এর ঘরে যেতে পারেন নাই। তাহলে সমস্যা কার মধ্যে তাতো স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে।<br />
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের একজন শিক্ষক বলেন, “বরিশালে এখন মূল লড়াই আদর্শের নয়, নিয়ন্ত্রণের। কে প্রশাসন, উন্নয়ন ও রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে শেষ কথা বলবে &#8211; তা নিয়েই চলছে প্রতিযোগিতা।”</p>
<p>যদিও এ প্রতিযোগিতায় নিজেকে রাখতে রাজী নয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি বলেন, সদর উপজেলার তালুকদার হাটে আমার নানাবাড়ি। আমি জন্মেছি ওখানে তালুকদার বাড়িতে। আমার ছেলেবেলা কেটেছে বরিশাল জিলা স্কুলে। তাই বরিশাল আমার ভালোবাসার স্থান। আমি মনে করিনা, ওখানে আমার সাথে বা আমার কাজে কারো কোনো দ্বন্দ্ব থাকা উচিত। উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে আমি বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও বিসিসি প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন এবং রাজনৈতিক মুরুব্বি মজিবর রহমান সরোয়ার উভয়ের ডাকেই সাড়া দিতে প্রস্তুত। দলমত নির্বিশেষে সদর উপজেলার সকলের প্রতি আমার গভীর ভালবাসা ও শ্রদ্ধা রয়েছে দাবী করে স্বপন আরো বলেন, স্বার্থ সংশ্লিষ্ট যেকোনো বিষয় আমি এড়িয়ে চলতে পছন্দ করি। বিভক্তি নয়, ঐক্যবদ্ধ বিএনপির নেতৃবৃন্দের জন্য আমার দরজা সবসময় খোলা।<span style="font-weight: 300;">এদিকে সিটি করপোরেশন প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন বাস টার্মিনালটি স্থানান্তরের বিষয়ে অটল। তিনি জানিয়েছেন, খুব শিগগির প্রায় দুই কিলোমিটার দূরে ট্রাক টার্মিনালে অস্থায়ী বাস টার্মিনাল করা হবে। তবে বরিশাল সিটি করপোরেশন ও বিএনপি একই সুতোয় গাঁথা। এখানে কোনো বিভক্তি নেই বলে দাবী করেন তিনি।</span></p>
<p>যদিও তার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে অবস্থান নিয়েছেন জেলা বাস মালিক সমিতি ও জেলা ট্রাক মালিক সমিতি।<br />
বাস মালিক সমিতির ভাষ্য, অন্যত্র স্থায়ী বাস টার্মিনাল না হওয়া পর্যন্ত তারা নথুল্লাবাদ টার্মিনাল ছাড়বেন না। আর ট্রাক মালিক সমিতি বলছে, তাদের জন্য নির্মিত টার্মিনালে বাস রাখতে দেওয়া হবে না। এ দুটি সংগঠন জোটবদ্ধ হয়ে টার্মিনাল স্থানান্তর ঠেকাতে প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গেছে । এরফলে প্রবীণ নেতা মজিবর রহমান সরোয়ারের সাথে দ্বন্দ্বটা প্রকাশ্যে আসতে যাচ্ছে বলে মনে করেন অনেকে।<br />
এ বিষয়ে কথা বলতে বরিশাল ৫ আসনের সংসদ সদস্য সাবেক মেয়র ও হুইপ মজিবর রহমান সরোয়ার এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এই আসনের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি আমি। অথচ আমাকে না জানিয়ে অনেককিছু ঘটছে বা ঘটানো হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক শিষ্টাচারের মধ্যে থেকে সিটি করপোরেশনের প্রশাসককে সবধরনের সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত তিনি। কিন্তু কেউ যদি সহযোগিতা না চেয়ে দূর থেকে অভিযোগ তুলে তার দায় শেষ করে, সেখানে আমার কি করার আছে?</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%86%e0%a6%b9%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%95-%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ad%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%b0/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>শপথ শেষে দায়িত্ব নিলেন উপদেষ্টারা: আছেন দূই সমন্বয়ক</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%b6%e0%a6%aa%e0%a6%a5-%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b7%e0%a7%87-%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a7%9f%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ac-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%89%e0%a6%aa/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%b6%e0%a6%aa%e0%a6%a5-%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b7%e0%a7%87-%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a7%9f%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ac-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%89%e0%a6%aa/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[সাহিত্য বাজার]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 09 Aug 2024 00:44:30 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জেলায় জেলায় সাহিত্য]]></category>
		<category><![CDATA[প্রবন্ধ]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলার চিঠি]]></category>
		<category><![CDATA[রাজখবর]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[সাহিত্য]]></category>
		<category><![CDATA[ড ইউনুস]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বৈষম্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://shahittabazar.com/?p=5349</guid>

					<description><![CDATA[<p>শপথ শেষে দায়িত্ব নিলেন উপদেষ্টারা: আছেন দূই সমন্বয়ক</p> <p>বিশেষ প্রতিবেদক</p> <p>বঙ্গভবনের দরবার হলে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টারা শপথ নিয়েছেন। প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে প্রথমে ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে শপথ পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মোঃ</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%b6%e0%a6%aa%e0%a6%a5-%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b7%e0%a7%87-%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a7%9f%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ac-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%89%e0%a6%aa/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>শপথ শেষে দায়িত্ব নিলেন উপদেষ্টারা: আছেন দূই সমন্বয়ক</strong></p>
<p><strong>বিশেষ প্রতিবেদক</strong></p>
<div id="attachment_5350" style="width: 310px" class="wp-caption alignleft"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/08/Screenshot_2024-08-09-00-14-22-53_a23b203fd3aafc6dcb84e438dda678b6.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-5350" class="size-medium wp-image-5350" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/08/Screenshot_2024-08-09-00-14-22-53_a23b203fd3aafc6dcb84e438dda678b6-300x120.jpg" alt="" width="300" height="120" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/08/Screenshot_2024-08-09-00-14-22-53_a23b203fd3aafc6dcb84e438dda678b6-300x120.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/08/Screenshot_2024-08-09-00-14-22-53_a23b203fd3aafc6dcb84e438dda678b6-768x306.jpg 768w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/08/Screenshot_2024-08-09-00-14-22-53_a23b203fd3aafc6dcb84e438dda678b6-1024x408.jpg 1024w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/08/Screenshot_2024-08-09-00-14-22-53_a23b203fd3aafc6dcb84e438dda678b6.jpg 1102w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a><p id="caption-attachment-5350" class="wp-caption-text">শপথ পাঠ করছেন উপদেষ্টারা</p></div>
<p>বঙ্গভবনের দরবার হলে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টারা শপথ নিয়েছেন। প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে প্রথমে ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে শপথ পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন। এরপর বাকি ১৬ উপদেষ্টার মধ্যে ১৩ জন শপথ পাঠ করেছেন। ৮ আগস্ট বৃহস্পতিবার রাত ৯টা ২৭ মিনিটে তারা শপথ নেন। এদিন রাত ৮টায় তাদের শপথ গ্রহণের কথা থাকলেও তা পিছিয়ে দেওয়া হয়।<br />
ফারুক-ই-আযম, বিধান রঞ্জন রায়, সুপ্রদীপ চাকমা ঢাকার বাইরে থাকায় তারা শপথ পাঠের এই আনুষ্ঠানিকতায় উপস্থিত হতে পারেননি বলে জানিয়েছেন মন্ত্রীপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন।<br />
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টাদের মধ্যে রয়েছেন দুজন ছাত্র–সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ ভূঁইয়া ও মো. নাহিদ ইসলাম। তারাও এই সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে শপথ পাঠ করেছেন। এতে সৃষ্টি হলো নতুন ইতিহাস। বাংলাদেশের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো সরকারের সর্বকনিষ্ঠ উপদেষ্টা হলেন তারা। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম দুই সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদের বাড়ি কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার আকুবপুর গ্রামে। তার পিতার নাম মো. বিল্লাল হোসেন ও মাতার নাম রোকসানা বেগম।<br />
আসিফ মাহমুদ (২৬) আদমজী ক্যান্টমেন্ট কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও কলেজটির বিএনসিসি ক্লাবের প্লাটুন সার্জেন্ট ছিলেন। কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সম্পন্ন করে তিনি বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষাবিজ্ঞান বিভাগের স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী।<br />
আর নাহিদ ইসলামের (২৬) ডাকনাম &#8216;ফাহিম&#8217;। তিনি বিবাহিত। তার জন্ম ১৯৯৮ সালে ঢাকায়। বাবা শিক্ষক। ঘর সামলে সন্তানদের মানুষ করেছেন মা। ছোট এক ভাই রয়েছে তাঁর। তিনি সরকারি বিজ্ঞান কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেন। বর্তমানে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজবিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করছেন তিনি।<br />
বাকি উপদেষ্টারা হলেন;-<br />
১। সালেহ উদ্দিন আহমেদ,<br />
২। ড. আসিফ নজরুল,<br />
৩। আদিলুর রহমান খান,<br />
৪। হাসান আরিফ,<br />
৫। তৌহিদ হোসেন,<br />
৬। সৈয়দা রেজওয়ানা হাসান,<br />
৭। মো. নাহিদ ইসলাম,<br />
৮। আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া,<br />
৯। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এম সাখাওয়াত হোসেন,<br />
১০। ফরিদা আখতার,<br />
১১। আ.ফ.ম খালিদ হাসান,<br />
১২। নূর জাহান বেগম,<br />
১৩। শারমিন মুরশিদ</p>
<p><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/08/Screenshot_2024-08-09-00-10-44-00_a23b203fd3aafc6dcb84e438dda678b6.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignright size-medium wp-image-5352" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/08/Screenshot_2024-08-09-00-10-44-00_a23b203fd3aafc6dcb84e438dda678b6-300x203.jpg" alt="" width="300" height="203" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/08/Screenshot_2024-08-09-00-10-44-00_a23b203fd3aafc6dcb84e438dda678b6-300x203.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/08/Screenshot_2024-08-09-00-10-44-00_a23b203fd3aafc6dcb84e438dda678b6-190x130.jpg 190w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/08/Screenshot_2024-08-09-00-10-44-00_a23b203fd3aafc6dcb84e438dda678b6.jpg 642w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a> <a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/08/IMG_20240809_003429.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignright size-medium wp-image-5353" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/08/IMG_20240809_003429-300x150.jpg" alt="" width="300" height="150" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/08/IMG_20240809_003429-300x150.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/08/IMG_20240809_003429-768x385.jpg 768w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/08/IMG_20240809_003429.jpg 928w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>এর আগে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে শপথ গ্রহণ করতে বঙ্গভবনে প্রবেশ করেন শান্তিতে নোবেলবিজয়ী গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস।<br />
বৃহস্পতিবার রাত ৮ টা ২৮ মিনিটে তিনি তার গাড়ি বহর নিয়ে বঙ্গভবনে প্রবেশ করেন। এর আগে বিএনপির নেতৃবৃন্দ, ঢাকায় নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনার এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা বঙ্গভবনে প্রবেশ করেন।<br />
তার আগে দুপুর ২টা ১১ মিনিটে ড. ইউনূসকে বহনকারী ফ্লাইটটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এ সময় বিমানবন্দরে ড. ইউনূসকে স্বাগত জানান সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানসহ তিন বাহিনীর প্রধান, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়করা, নির্বাচন পর্যবেক্ষণকারী, ব্রতীর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন মুরশিদ ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।<br />
এসময় বিমানবন্দরে দাঁড়িয়ে ড. ইউনূস বলেন, গত কয়েকদিনে দেশের মধ্যে যে সহিংসতা হয়েছে সেগুলো ষড়যন্ত্র। এটাকে রোধ করতে হবে। তাদের লাঠিপেটা করলে হবে না। সহিংসতাকারীদের আইনের হাতে তুলে দিতে হবে। কোনো প্রকার প্রতিহিংসামূলক কাজ করা যাবে না।<br />
তিনি বলেন, আমার ওপর যদি আস্থা এবং বিশ্বাস রাখেন তাহলে এটা নিশ্চিত করতে হবে কারো ওপর কোনো প্রকার হামলা করা যাবে না, বিশৃঙ্খলা করা যাবে না। যদি বিশৃঙ্খলা করা হয় তাহলে আমি এই দায়িত্বে থাকব না।<br />
ড. ইউনূস বলেন, নতুন বিজয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ নতুন বিজয় দিবস শুরু করল। আমাদের এখন এগিয়ে যেতে হবে। যারা এটি করেছে তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা, তারা (সমন্বয়করা) দেশকে রক্ষা করেছে।<br />
ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, দেশবাসীর কাছে আমার অনুরোধ, আপনারা যদি আমার ওপরে বিশ্বাস রাখেন, ভরসা রাখেন, তাহলে দেশে কারও ওপর কোনো হামলা আর হবে না। যদি হয়, তাহলে আমি আপনাদের সঙ্গে থাকব না।<br />
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করাকে গুরুত্ব দিয়ে ইউনূস বলেন, যেজন্য আন্দোলন হয়েছে সেটার ফলাফল যেন ব্যর্থ না হয়। পুনর্জন্মে যে বাংলাদেশ পেলাম সে বাংলাদেশ যেন পূর্ণতা পায়। যে বিপ্লবের মাধ্যমে বাংলাদেশ আজ নতুন করে বিজয় পেল তা যেন পূর্ণতা পায়।<br />
এ সময় কান্নাজড়িত কণ্ঠে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, আজকে আমার আবু সাঈদের কথা মনে পড়ছে। যে আবু সাঈদের কথা দেশের প্রতিটি মানুষের মনে গেঁথে আছে। এ ঘটনার মধ্য দিয়ে দেশে দ্বিতীয় স্বাধীনতা এসেছে। এসময় তিনি তরুণ সমাজকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, তরুণ সমাজ যেন নিজেদের মতো করে দেশটা সাজাতে পারে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%b6%e0%a6%aa%e0%a6%a5-%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b7%e0%a7%87-%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a7%9f%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ac-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%89%e0%a6%aa/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
