<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>বরিশাল &#8211; সাহিত্য বাজার</title>
	<atom:link href="https://shahittabazar.com/tag/%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b2/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://shahittabazar.com</link>
	<description>সাহিত্যের আয়নায় মানুষের মুখ</description>
	<lastBuildDate>Mon, 01 Jun 2026 18:04:33 +0000</lastBuildDate>
	<language>bn-BD</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.9.4</generator>
	<item>
		<title>আহ্বায়ক কমিটি নির্ভর বরিশাল বিএনপি : প্রভাব বিস্তারের দ্বন্দ্বে চলছে বহুমুখী বিভক্তি</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%86%e0%a6%b9%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%95-%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ad%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%b0/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%86%e0%a6%b9%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%95-%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ad%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%b0/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আরিফ আহমেদ]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 30 May 2026 07:13:23 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[প্রবন্ধ]]></category>
		<category><![CDATA[বরিশাল বিভাগ]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলার চিঠি]]></category>
		<category><![CDATA[সাহিত্য]]></category>
		<category><![CDATA[বরিশাল]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিএনপি]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://shahittabazar.com/?p=6017</guid>

					<description><![CDATA[<p>আহ্বায়ক কমিটি নির্ভর বরিশাল বিএনপি : প্রভাব বিস্তারের দ্বন্দ্বে চলছে বহুমুখী বিভক্তি</p> <p>(এটাই হতে পারে উন্নয়নের পথে বাধা) </p> <p>বিশেষ প্রতিবেদক</p> <p>বহুমুখী বিভক্তি ও দ্বন্দ্বে জর্জরিত বরিশাল বিএনপি : উন্নয়নের পথে</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%86%e0%a6%b9%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%95-%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ad%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%b0/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>আহ্বায়ক কমিটি নির্ভর বরিশাল বিএনপি : প্রভাব বিস্তারের দ্বন্দ্বে চলছে বহুমুখী বিভক্তি</strong></p>
<p>(<strong>এটাই হতে পারে উন্নয়নের পথে বাধা) </strong></p>
<p><strong>বিশেষ প্রতিবেদক</strong></p>
<div id="attachment_6019" style="width: 310px" class="wp-caption alignleft"><a href="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2026/05/IMG20260530114127.jpg"><img fetchpriority="high" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-6019" class="size-medium wp-image-6019" src="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2026/05/IMG20260530114127-300x169.jpg" alt="" width="300" height="169" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2026/05/IMG20260530114127-300x170.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2026/05/IMG20260530114127-1024x576.jpg 1024w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2026/05/IMG20260530114127-768x432.jpg 768w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2026/05/IMG20260530114127-1536x864.jpg 1536w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2026/05/IMG20260530114127-70x40.jpg 70w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2026/05/IMG20260530114127.jpg 1920w" sizes="(max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a><p id="caption-attachment-6019" class="wp-caption-text">oplus_0</p></div>
<p><strong>বহুমুখী বিভক্তি ও দ্বন্দ্বে জর্জরিত বরিশাল বিএনপি : উন্নয়নের পথে এটাই প্রধান বাধা </strong></p>
<p><strong>বিশেষ প্রতিবেদক</strong></p>
<p>বরিশালের রাজনীতিতে এখন সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হচ্ছে &#8211; উন্নয়ন নয়, প্রশাসনিক ও সাংগঠনিক নিয়ন্ত্রণ। ক্ষমতার কেন্দ্র কার হাতে থাকবে? তা নিয়ে চলছে নীরব কিন্তু তীব্র বহুমুখী লড়াই। মহানগর ও জেলা উভয় স্থানেই প্রবল নেতৃত্ব সংকটে রয়েছে বিএনপি। তাদের গঠিত সরকারের ১০০ দিন পার হলেও বরিশালে এখনো কোনো একক নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়নি। একক নেতৃত্বই শুধু নয়, এখানে আদৌ কোনো নেতৃত্ব আছে কিনা তা নিয়েও জনমনে রয়েছে সংশয়। আর এ সংশয় গত প্রায় পাঁচ বছর ধরে চলমান। বিশেষ করে বরিশালের রাজনীতি থেকে মজিবর রহমান সরোয়ারকে সরিয়ে নেওয়ার পরপরই শুরু হয়েছে নেতৃত্বের কোন্দল। বহুবার পরিবর্তন ও রদবদল হয়েছে আহ্বায়ক কমিটিও।<br />
গত ১২ ফেব্রুয়ারীর নির্বাচনে বিএনপির জয় লাভের পর থেকে বরিশালে এই নেতৃত্বহীনতা আরো স্পষ্ট হয়েছে। বিশেষ করে বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন বরিশাল সিটি করপোরেশনের (বিসিসি) প্রশাসক নিযুক্ত হওয়ার পর থেকে এ দ্বন্দ্ব যেন অনেকটা প্রকাশ্যে আসতে শুরু করেছে।<br />
বরিশাল ৫ সদর আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মজিবর রহমান সরোয়ার, বরিশাল ১ গৌরনদী আগৈলঝারা আসনের সংসদ সদস্য ও বর্তমান তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন এবং বরিশাল সিটি করপোরেশন (বিসিসি) প্রশাসক ও বিএনপির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন এর বরিশালের কার্যক্রম, তাদের সভা সমাবেশে নেতাকর্মীদের উপস্থিতি৷, বাস টার্মিনাল স্থানান্তর, বাণিজ্য মেলা বন্ধ ও চালু হওয়া সর্বোপরি স্বাস্থ্য মন্ত্রী ও স্বাস্থ্য উপদেষ্টার বরিশালের অন্যতম ২০০ শয্যা বিশিষ্ট শিশু হাসপাতাল পরিদর্শনে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের অনুপস্থিতি নিয়ে চলছে বহুমুখী বিভক্তির ঘ্রাণ। আবার বরিশাল চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি সভাপতি ও বিএনপি নেতা এবায়দুল হক চান ও শিরিনের ইগো দ্বন্দ্বের লড়াই ছিলো বাণিজ্য মেলা নিয়ে।<br />
অন্যদিকে বরিশাল জেলা পরিষদের দায়িত্ব নিয়েও আরেক সাংগঠনিক সম্পাদক আকন কুদ্দুসুর রহমানের দায়িত্ব এড়িয়ে চলা, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব এর আচরণ ইত্যাদি বিষয় পর্যালোচনা করে এটা নিশ্চিত যে এখানে বিএনপির দলীয় রাজনীতি ও প্রশাসনিক বলয়ের ভিতর বহু বিভক্তি স্পষ্ট হয়ে উঠছে।<br />
অনুসন্ধানে দেখা গেছে, গত মার্চ থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত বরিশালের বিভিন্ন মন্ত্রীদের আগমন, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত, উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন, হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা, সিটি করপোরেশনের কার্যক্রম এবং রাজনৈতিক কর্মসূচির নেপথ্যে এই বহুমুখী দ্বন্দ্বের প্রভাব টের পেয়েছেন বরিশালের সাধারণ মানুষও। যে কারণে এ নিয়ে চায়ের দোকানসহ সামাজিক জটলাতেও চলছে মুখরোচক আলোচনা। কেউ কেউ শিরিনের কার্যক্রমকে বাহবা দিলেও চুপিসারে বলছেন, বরিশালের রাজনৈতিক মুরব্বি মজিবর রহমান সরোয়ার। তার সাথে পরামর্শ করেই পদক্ষেপ নেওয়া উচিত শিরিনের। আবার কেউ বলছেন, মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বরিশালে আসলে সরোয়ার বা শিরিন কেউই বরিশালে থাকেন না। আবার জেলা ও মহানগর বিএনপির নেতৃবৃন্দ কাউকেই দেখা যায়নি মন্তী- প্রতিমন্ত্রীর আশেপাশে। এটাও জটিলতা তৈরি করছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন স্বপন বরিশাল ১ আসনের এমপি হলেও তিনিতো এখন বাংলাদেশের প্রতিটি জেলার মন্ত্রী। তার আগমনে বা উপস্থিতিতে সদর আসনের সংসদ সদস্য ও সিটি করপোরেশনের প্রশাসক, জেলা পরিষদের প্রশাসকের অনুপস্থিতি দৃষ্টিকটু। বরং সবাই যখন বিএনপির নেতা, তাদের সবাইকে একই মঞ্চে পাশাপাশি দেখতে চায় সাধারণ মানুষ। তাদের দাবি, বিগত ১৭ বছরের অভিজ্ঞতায় তারা দেখেছেন মেয়র ও সংসদ সদস্যের দ্বন্দ্বে বরিশালের উন্নয়ন বরাদ্দ ফেরত চলে যেতে। তাই কোনোরকম রাজনৈতিক বা ব্যাক্তিগত দ্বন্দ্ব দেখতে রাজী না বরিশালের সাধারণ মানুষ। তাদের অনেকেই আশা করেছিলেন অন্তত ৩০ মে এরকম কিছু হবে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎ বার্ষিকী আয়োজনে। কিন্তু সেখানেও নিরাশা। জেলা ও মহানগর পৃথক পৃথক শোকসভা করে তাদের বিভক্তি আরো বেশি প্রমাণ করলেন। যদিও মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুকের দাবী &#8211; যার যার কর্মসূচি সে সে পালন করবে এটাই স্বাভাবিক। মহানগর আর জেলাতো এক নয়, যে একসাথে কার্যক্রম হতে হবে।<br />
তিনি আরও বলেন, বড় রাজনৈতিক দলের মধ্যে একাধিক প্রতিযোগিতা থাকবে এটা জটিল কিছু নয়। এই প্রতিযোগিতায় অনেক আগাছা পরগাছাও প্রবেশ করবে কিন্তু দিনশেষে তারাই টিকে থাকবে এবং মূল্যায়িত হবেন, যারা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শ ধারণা করেন।<br />
যদিও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অনেকেরই ধারণা ছিল দীর্ঘদিনের প্রভাবশালী নেতা মজিবর রহমান সরোয়ার সহজেই একক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করবেন। কারণ তিনি বরিশাল-৫ আসন থেকে মেয়র ও চার চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন এবং কেন্দ্রীয় রাজনীতিতেও তার অবস্থান অনেক শক্তিশালী। কিন্তু সবাইকে হতাশ করে তার জনসমর্থন দিনকে দিন কমেছে। ১২ ফেব্রুয়ারী তিনি পঞ্চমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেও তা অত্যন্ত দূর্বল কাঠামোর উপর দাঁড়িয়েছে। কেননা সবসময় ২০ হাজারের কাছাকাছি ভোট পাওয়া ইসলামি আন্দোলন প্রার্থী মুফতি মাওলানা ফয়জুল করিম ৯০ হাজারের বেশি ভোট পেয়েছেন। অন্যদিকে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়ে বরিশাল ১ আসনের সংসদ সদস্য জহির উদ্দিন স্বপনের প্রভাব দ্রুত বাড়তে থাকে। একইসঙ্গে বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক হন বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন। এতে প্রশাসনিক ও সাংগঠনিকভাবে আলাদা শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হন তিনি। দীর্ঘদিন রাজনীতির মাঠে সক্রিয় জেলা ও মহানগর বিএনপির অনেক নেতা এতে ক্ষুব্ধ হন এবং কেউ কেউ প্রকাশ্যে শিরিনের বিরোধিতা শুরু করেন। জেলার সাবেক সভাপতি এবং কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এবায়দুল হক চান, মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব জিয়াউদ্দিন সিকদার, সাবেক সদস্য সচিব মীর জাহিদ প্রমুখের মধ্যে স্পষ্ট ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটে। তারা সরাসরি শিরিনের বিরোধিতা না করলেও তাদের অনুসারীদের সরিয়ে নেয়ার অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন উন্নয়ন কাজে বাধা প্রদানের অভিযোগও রয়েছে তাদের অনুসারীদের বিরুদ্ধে। যার প্রমাণ পাওয়া যায়, নথুল্লাবাদ বাস টার্মিনাল স্থানান্তর ও শিশু হাসপাতাল উদ্বোধন পক্রিয়ায়।<br />
স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক কাজী মিজানুর রহমান এর মতে, বরিশালে এখন প্রকাশ্য বিরোধের চেয়ে “নিয়ন্ত্রণের নীরব যুদ্ধ” বেশি চলছে। কে প্রশাসনে প্রভাব রাখবে, কে উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ন্ত্রণ করবে, কে দলীয় কমিটি ও মাঠের কর্মীদের ধরে রাখবে—এসব হিসাবেই রাজনীতি এগোচ্ছে।<br />
আবার রাজনৈতিক বিশ্লেষক মাহবুব খান বলেন, আসলে বরিশালে বিএনপির বিভক্তি গত ৫ বছর ধরেই চলছে। এটা এজন্য যে আহ্বায়ক কমিটি নির্ভর হয়ে এতো দীর্ঘ সময় কাটানো রাজনীতিতে সবাই নিজ নিজ অনুসারী তৈরি করছে। সবাই এখানে এখন বড় নেতা। গত ২৪ সালের ৫ আগস্টের পর দল থেকে বহিস্কৃত নেত্রী বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন হঠাৎ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক হয়েছেন এটা মেনে নিতে অনেকের কষ্ট হয়েছে। তবে শিরিন তার কাজ ও আচরণ দিয়ে সবাইকে জয় করে নিতে শুরু করেছেন। ২৫ মে বিকালে নগর ভবনের মিলনায়তনে তার কিছুটা প্রমাণও পাওয়া গেছে। এখানে জেলা ও মহানগর বিএনপির প্রায় অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। যারা ইতিপূর্বে শিরিনকে এড়িয়ে চলার চেষ্টা করেছেন তাদের অনেকেও ছিলেন বলে জানান রাজনৈতিক বিশ্লেষক মাহবুব খান।<br />
এসবের মধ্যে সম্প্রতি প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন নথুল্লাবাদ বাস টার্মিনাল স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নিলে সংকট আরো প্রকট আকার ধারণ করে। বাস ও ট্রাক মালিক সমিতির নিয়ন্ত্রণ স্থানীয় সংসদ সদস্য মজিবর রহমান সরোয়ার এর আপন ভাই ও শ্যালকের হাতে থাকায়। শিরিনের সিদ্ধান্ত বিরোধী অবস্থান তৈরি হয় এই টার্মিনালকে ঘীরে।<br />
যদিও গত ২০০৬ সাল থেকেই বরিশালের সবচেয়ে আলোচিত ইস্যুগুলোর একটি নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল স্থানান্তর পরিকল্পনা। নগর পরিকল্পনাবিদ ও ট্রাফিক বিশেষজ্ঞদের দীর্ঘদিনের দাবি &#8211; শহরের কেন্দ্র থেকে বাস টার্মিনাল সরিয়ে বাইপাস সংলগ্ন এলাকায় নেওয়া না হলে যানজট, শব্দদূষণ ও জনদুর্ভোগ কমবে না।<br />
২০১৪ সালে প্রয়াত মেয়র শওকত হোসেন হিরন এজন্য উদ্যোগী হন এবং গড়িয়ার পাড়ে নগরীর প্রবেশদ্বার সংলগ্ন সড়কের পাশে সাড়ে বারো একর জমিতে বাস টার্মিনাল স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নিয়ে জমি ক্রয় চূড়ান্ত করেন। পরবর্তীতে এটি ধামাচাপা পরে যায় ও সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ এসে কাশিপুর স্কুল এন্ড কলেজ সংলগ্ন সড়কের পাশে ট্রাক টার্মিনাল তৈরি করে ব্যাপক সমালোচনা তৈরি করেন। এ নিয়ে মামলা এখনো চলমান থাকলেও কলেজ কর্তৃপক্ষ বলেছেন, গড়িয়ার পাড়ে বাস টার্মিনাল স্থানান্তর না হওয়া পর্যন্ত কাশিপুর ট্রাক টার্মিনালকে বাস টার্মিনাল করা যেতে পারে। এতে তাদের কোনো আপত্তি না থাকলেও বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে বাস ও ট্রাক মালিক সমিতির নেতারা। এই টার্মিনাল স্থানান্তরের দাবি নতুন নয়। অন্তত কয়েক বছর ধরেই নগর পরিকল্পনাবিদ, ব্যবসায়ী ও পরিবহন সংশ্লিষ্টদের একটি অংশ এ দাবি জানিয়ে আসছিল। তবে বিএনপি সরকার গঠনের পর সিটি করপোরেশন প্রশাসক বিষয়টি নতুন করে সক্রিয় করলে তা রাজনৈতিক মাত্রা পেতে শুরু করে।<br />
সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের অভিযোগ, সরোয়ার পরিবারের ঘনিষ্ঠ পরিবহন সংশ্লিষ্ট একটি অংশ এই পরিকল্পনার বিরোধিতা শুরু করেছে। অভিযোগ রয়েছে, টার্মিনালকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিনের আর্থিক ও প্রভাবভিত্তিক নিয়ন্ত্রণ হারানোর আশঙ্কা থেকেই এই বিরোধিতা। জানা গেছে ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরপরই বরিশালের বাস ও ট্রাক টার্মিনালের দখল নিয়েছেন বরিশাল-৫ আসনের সংসদ সদস্য মজিবর রহমান সরোয়ারের ঘনিষ্ঠরা। তার ছোট ভাই মোশারফ হোসেন বাস মালিক সমিতির সভাপতি। ট্রাক মালিক সমিতির সভাপতি সাইদুর রহমান মামুন সংসদ সদস্য মজিবর রহমান সরোয়ারের শ্যালক।<br />
পরিবহন খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, নথুল্লাবাদ শুধু একটি টার্মিনাল নয়; এটি বরিশালের অন্যতম বড় অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র। প্রতিদিন শত শত বাস চলাচলের কারণে এখানকার নিয়ন্ত্রণ মানেই শ্রমিক সংগঠন, পরিবহন রুট ও আর্থিক প্রবাহের ওপর প্রভাব। ফলে প্রশাসনিক পর্যায়ে ফাইল অগ্রগতি ধীর হয়ে যায় এবং সিটি করপোরেশনের একাধিক উদ্যোগ কার্যত থমকে পড়ে।<br />
সিটি করপোরেশনের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “টার্মিনাল স্থানান্তর শুধু উন্নয়ন প্রকল্প নয়, এটি বরিশালের প্রভাবের রাজনীতির অংশ হয়ে গেছে। কে নিয়ন্ত্রণ করবে, সেটিই এখন মূল বিষয়।”<br />
সাবেক একজন গুরুত্বপূর্ণ পরিবহন সংশ্লিষ্ট নেতা বলেন, “টার্মিনাল সরানো মানে পুরোনো নিয়ন্ত্রণ কাঠামো বদলে যাওয়া। এজন্য ভেতরে ভেতরে অনেক চাপ কাজ করছে।”<br />
এদিকে আইনজীবী বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন দায়িত্ব নেওয়ার পর নগর পরিচ্ছন্নতা, অবৈধ দখল উচ্ছেদ, হোল্ডিং ট্যাক্স পুনর্বিন্যাস, বাড়ির প্লান হস্তান্তর এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে একাধিক উদ্যোগ নেন। কিন্তু তার প্রশাসনিক কার্যক্রমে দলীয় পর্যায় থেকেই বাধা তৈরি হচ্ছে—এমন অভিযোগ এখন বিএনপির অভ্যন্তরেও আলোচিত বিষয় ।<br />
বরিশাল যুবদল কর্মী ও সাবেক ছাত্রদল নেতা নাজমুল হাসান ছবির বলেন, এখানে এখন প্রতিযোগিতা নয়, প্রতিহিংসার রাজনীতি চলছে। ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়ন না হলে এটি আরো বাড়বে। আর এ জন্য দায়ী দীর্ঘদিন ধরে পূর্ণাঙ্গ কমিটি না থাকা।<br />
তিনি বলেন, যুবদলের পূর্নাঙ্গ কমিটি থাকলেও তা গত সাতবছর ধরে চলমান রয়েছে। জেলা ও মহানগরসহ অংগসংগঠনগুলো বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি নির্ভর। অতিসত্বর এই কমিটি বিলুপ্ত করে নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন কমিটি না হলে এইব বিভক্তি ও দূরত্ব আরো বৃদ্ধি পাবে বলে জানান তিনি।<br />
প্রায় একই দাবী নিয়ে বরিশাল মহানগর যুবদলের সিনিয়র সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম জাহান বলেন, এজন্য দায়ী পূর্নাঙ্গ কমিটি না থাকা। মহানগর ও জেলা বিএনপিসহ সব অংগসংগঠনের পূর্ণাঙ্গ কমিটি হয়ে গেলে এসব উন্নয়ন পদক্ষেপ তরান্বিত হবে। তবে সে কমিটিও হতে হবে গত ১৭ বছর মাঠে থাকা ত্যাগী নেতাদের নিয়ে।<br />
তিনি আরো বলেন, আমি মনে করি, বরিশালের যে কয়েকজন নেতা রয়েছেন স্পীকার, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও সিটি করপোরেশনের প্রশাসকসহ সব সংসদ সদস্যদের নিয়ে একটি বৈঠক হওয়া উচিত। বরিশাল অন্যসব জেলা থেকে উন্নয়নে অনেক পিছিয়ে, তাই সবার আগে বরিশালের উন্নয়নকে প্রাধান্য দিয়ে তাদের ঐক্যবদ্ধ একটি অবস্থান হওয়া জরুরী প্রয়োজন বলে জানান এই যুবদল নেতা।<br />
আবার বরিশাল সিটি করপোরেশনের কয়েকজন সাবেক কাউন্সিলর অভিযোগ করেছেন, আমরা দেখেছি বিসিসি প্রশাসকের আহ্বানে এসে গুরুত্বপূর্ণ সভা বয়কট, প্রকল্প বাস্তবায়নে ধীরগতি তৈরি, ঠিকাদার নিয়ন্ত্রণ এবং মাঠপর্যায়ের কর্মসূচিতে লোক সমাগম কমিয়ে দেওয়ার মতো নীরব অসহযোগিতা চলছে। যদিও প্রকাশ্যে কেউ এ দায় স্বীকার করছেন না।<br />
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন, নিয়োগ, ঠিকাদারি ও উন্নয়ন কার্যক্রমে “কার প্রভাব থাকবে”—তা নিয়েও মহানগর বিএনপির মধ্যে দ্বন্দ্ব লক্ষ্য করা গেছে। সদস্য সচিব জিয়াউদ্দিন সিকদার এর অবস্থানও বিতর্কিত হয়েছে বারবার। প্রশাসনিকভাবে দায়িত্বে থাকলেও রাজনৈতিকভাবে শিরিনকে চাপে রাখার চেষ্টা চলছে বলে তার ঘনিষ্ঠদের অভিযোগ।<br />
অন্যদিকে বিভিন্ন আয়োজনে বেশ কয়েকবার বরিশালে এসেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তার ঐ মঞ্চে সংসদ সদস্য মজিবর রহমান সরোয়ার এবং প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন কিম্বা জেলা পরিষদের প্রশাসক আকন কুদ্দুসুর রহমান এর অনুপস্থিতি জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে। বরিশালে স্বপনের উপস্থিতি কেউ স্বাভাবিক ভাবে নিচ্ছে না বলেও একাধিক অভিযোগ রয়েছে।<br />
একজন সাবেক ছাত্রদল নেতা বলেন, বরিশালে এখন প্রশাসন আর রাজনীতি আলাদা নেই। কে কাকে ছাড়িয়ে যাবে, সেটিই মূল প্রতিযোগিতা। যার প্রমাণ পাওয়া গেছে শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (শেবাচিম) ও নির্মানাধীন শিশু হাসপাতাল ইস্যুতে। শেবাচিম নিয়েও সম্প্রতি যে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে তা হাসপাতালের পরিচালনা পর্ষদ গঠন নিয়ে। স্বাস্থ্য মন্ত্রীর ঘোষণা এবং সভাপতি হিসেবে কারো নাম চূড়ান্ত হয়েছে বলার পরপরই অনুসন্ধানে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনের নাম আলোচনায় আসে। দুদিনের মধ্যে গেজেট হওয়ার কথা থাকলেও অজ্ঞাত কারণে আজ পর্যন্ত তার নাম ঘোষণা বা গেজেট প্রকাশ হয়নি। পাশাপাশি এরপর থেকেই প্রশাসনিক প্রভাব বিস্তারের নতুন হিসাব শুরু হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।<br />
গত মার্চে শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের একটি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা, ডাক্তার ও নার্সের দায়িত্ব অবহেলায় দুজন শিশুর মৃত্যু ঘটনার পর স্বাস্থ্যখাতের অব্যবস্থাপনা ও প্রশাসনিক দুর্বলতা নতুন করে আলোচনায় আসে। এর মধ্যেই নির্মাণাধীন শিশু হাসপাতালকে শেবাচিম হাসপাতালের প্রশাসনিক কাঠামো থেকে পৃথক করার আলোচনা শুরু হলে বিষয়টি রাজনৈতিক রূপ নিতে থাকে। বিশেষ করে নির্মাণাধীন শিশু হাসপাতালকে শেবাচিম হাসপাতালের প্রশাসনিক কাঠামো থেকে পৃথক করার প্রক্রিয়া নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। হাসপাতাল সংশ্লিষ্ট কয়েকজন কর্মকর্তা ও চিকিৎসক মনে করছেন, এটি কেবল প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নয়, বরং নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার অংশ।<br />
একজন চিকিৎসক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “শিশু হাসপাতাল আলাদা হলে নিয়ন্ত্রণও আলাদা হবে। এ কারণে বিভিন্ন পক্ষ সক্রিয় হয়ে উঠেছে।”<br />
অভিযোগ রয়েছে, শেবাচিমের অভ্যন্তরেও শিরিন, স্বপন ও সরোয়ারপন্থী হিসেবে পরিচিত বলয় তৈরি হয়েছে। এছাড়াও প্রভাব রয়েছে মহানগর বিএনপির একাধিক নেতার। এখানে পদায়ন, ঠিকাদারি, ক্রয় প্রক্রিয়া এবং পরিচালনা কমিটিতে প্রভাব বিস্তার নিয়ে নীরব প্রতিযোগিতা চলছে। এমনকি পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মশিউল মুনীর সেনাবাহিনীর লোক হয়েও এদের হাতের পুতুল বলেও একাধিক অভিযোগ রয়েছে। কেননা, ৫ আগস্টের পর পালিয়ে যাওয়া ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ও তাদের লোককে খুঁজে এনে আবারও কাজে লাগানো হয়েছে শেবাচিমে।<br />
হাসপাতাল সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা বলেন, “স্বাস্থ্যখাত এখন শুধু চিকিৎসা ব্যবস্থাপনার বিষয় নয়, বরং রাজনৈতিক প্রভাবের অংশ হয়ে উঠেছে। এরসাথে জড়িত রয়েছে ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর নিয়ন্ত্রণ ও আধিপত্য। কারো কারো জন্যে এখানেও ভোটব্যাংক ফিলোসোফি কাজ করছে বলে জানান সচেতন চিকিৎসকরা।<br />
বিএনপি সরকারের প্রথম ১০০ দিন অতিবাহিত হয়েছে। এই সময়ে বরিশালে বড় ধরনের প্রকাশ্য সংঘাত না হলেও অভ্যন্তরীণ বিভক্তি ক্রমেই দৃশ্যমান হচ্ছে। নগর উন্নয়ন, হাসপাতাল প্রশাসন, দলীয় পূর্নাঙ্গ কমিটি না হওয়া, পরিবহন খাত এবং ঠিকাদারি—সবখানেই এখন “কোন বলয়ের প্রভাব বেশি”—সেই হিসাবে চলছে নেতাকর্মীদের সমাগম ও সমর্থন।<br />
বিশেষ করে—<br />
* সিটি করপোরেশনের উন্নয়নে বড়ো প্রকল্পে ধীরগতি,<br />
* পরিবহন খাতে নিয়ন্ত্রণ প্রশ্ন,<br />
* হাসপাতাল প্রশাসনে বলয়ভিত্তিক অবস্থান,<br />
* দলীয় কর্মসূচিতে আলাদা উপস্থিতি এবং স্থানীয় কমিটি পুনর্গঠনে মতবিরোধ<br />
এসব বিষয় এখন রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে।<br />
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, সরোয়ারের দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক ভিত্তি, স্বপনের মন্ত্রিত্বজনিত প্রশাসনিক প্রভাব এবং শিরিনের সাংগঠনিক ও সিটি করপোরেশন নিয়ন্ত্রণ &#8211; এই তিন শক্তির সংঘাত আগামী দিনে আরও স্পষ্ট হতে পারে। তদুপরি এখন পর্যন্ত আহ্বায়ক কমিটি নির্ভর বরিশালের বিএনপি। বারবার পূর্নাঙ্গ কমিটির প্রতিশ্রুতি পিছিয়ে যাওয়া নেতৃত্বের সংকট তৈরি করছে বলে মনে করেন অনেকেই।<br />
এদিকে সরোয়ার পন্থী কয়েকজন নেতার দাবী, বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করতে জেলা ও মহানগর বিএনপির নেতাদের ঘরে ঘরে ঘুরেছেন, অথচ বরিশালের রাজনৈতিক মুরব্বি ও সিটি করপোরেশনের প্রথম নির্বাচিত মেয়র এর ঘরে যেতে পারেন নাই। তাহলে সমস্যা কার মধ্যে তাতো স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে।<br />
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের একজন শিক্ষক বলেন, “বরিশালে এখন মূল লড়াই আদর্শের নয়, নিয়ন্ত্রণের। কে প্রশাসন, উন্নয়ন ও রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে শেষ কথা বলবে &#8211; তা নিয়েই চলছে প্রতিযোগিতা।”</p>
<p>যদিও এ প্রতিযোগিতায় নিজেকে রাখতে রাজী নয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি বলেন, সদর উপজেলার তালুকদার হাটে আমার নানাবাড়ি। আমি জন্মেছি ওখানে তালুকদার বাড়িতে। আমার ছেলেবেলা কেটেছে বরিশাল জিলা স্কুলে। তাই বরিশাল আমার ভালোবাসার স্থান। আমি মনে করিনা, ওখানে আমার সাথে বা আমার কাজে কারো কোনো দ্বন্দ্ব থাকা উচিত। উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে আমি বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও বিসিসি প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন এবং রাজনৈতিক মুরুব্বি মজিবর রহমান সরোয়ার উভয়ের ডাকেই সাড়া দিতে প্রস্তুত। দলমত নির্বিশেষে সদর উপজেলার সকলের প্রতি আমার গভীর ভালবাসা ও শ্রদ্ধা রয়েছে দাবী করে স্বপন আরো বলেন, স্বার্থ সংশ্লিষ্ট যেকোনো বিষয় আমি এড়িয়ে চলতে পছন্দ করি। বিভক্তি নয়, ঐক্যবদ্ধ বিএনপির নেতৃবৃন্দের জন্য আমার দরজা সবসময় খোলা।<span style="font-weight: 300;">এদিকে সিটি করপোরেশন প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন বাস টার্মিনালটি স্থানান্তরের বিষয়ে অটল। তিনি জানিয়েছেন, খুব শিগগির প্রায় দুই কিলোমিটার দূরে ট্রাক টার্মিনালে অস্থায়ী বাস টার্মিনাল করা হবে। তবে বরিশাল সিটি করপোরেশন ও বিএনপি একই সুতোয় গাঁথা। এখানে কোনো বিভক্তি নেই বলে দাবী করেন তিনি।</span></p>
<p>যদিও তার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে অবস্থান নিয়েছেন জেলা বাস মালিক সমিতি ও জেলা ট্রাক মালিক সমিতি।<br />
বাস মালিক সমিতির ভাষ্য, অন্যত্র স্থায়ী বাস টার্মিনাল না হওয়া পর্যন্ত তারা নথুল্লাবাদ টার্মিনাল ছাড়বেন না। আর ট্রাক মালিক সমিতি বলছে, তাদের জন্য নির্মিত টার্মিনালে বাস রাখতে দেওয়া হবে না। এ দুটি সংগঠন জোটবদ্ধ হয়ে টার্মিনাল স্থানান্তর ঠেকাতে প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গেছে । এরফলে প্রবীণ নেতা মজিবর রহমান সরোয়ারের সাথে দ্বন্দ্বটা প্রকাশ্যে আসতে যাচ্ছে বলে মনে করেন অনেকে।<br />
এ বিষয়ে কথা বলতে বরিশাল ৫ আসনের সংসদ সদস্য সাবেক মেয়র ও হুইপ মজিবর রহমান সরোয়ার এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এই আসনের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি আমি। অথচ আমাকে না জানিয়ে অনেককিছু ঘটছে বা ঘটানো হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক শিষ্টাচারের মধ্যে থেকে সিটি করপোরেশনের প্রশাসককে সবধরনের সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত তিনি। কিন্তু কেউ যদি সহযোগিতা না চেয়ে দূর থেকে অভিযোগ তুলে তার দায় শেষ করে, সেখানে আমার কি করার আছে?</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%86%e0%a6%b9%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%95-%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ad%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%b0/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>হিরনের পর আস্থা এবার শিরিন: কাটেনা তবু সংশয়</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a6%be-%e0%a6%8f%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%bf/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a6%be-%e0%a6%8f%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%bf/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আরিফ আহমেদ]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 22 Apr 2026 18:04:39 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[বরিশাল বিভাগ]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলার চিঠি]]></category>
		<category><![CDATA[প্রশাসক]]></category>
		<category><![CDATA[বরিশাল]]></category>
		<category><![CDATA[মেয়র]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://shahittabazar.com/?p=5962</guid>

					<description><![CDATA[হিরনের পর আস্থা এবার শিরিন: কাটেনা তবু সংশয় বিশেষ প্রতিবেদক  একসাথে অনেকগুলো সুখবর বরিশালবাসীর জন্য। খুব শীঘ্রই তাদের কাঙ্ক্ষিত ফুটওভার ব্রিজ, আধুনিক শিশু হাসপাতাল, শ্রমজীবী মহিলা হোস্টেল, ৫টি খেলার মাঠ<span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a6%be-%e0%a6%8f%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%bf/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div id="m#msg-a:r5808767624647342800" class="mail-message expanded">
<div id="m#msg-a:r5808767624647342800-header" class="mail-message-header spacer"><strong>হিরনের পর আস্থা এবার শিরিন: কাটেনা তবু সংশয়</strong></div>
<div id="m#msg-a:r5808767624647342800-content" class="mail-message-content collapsible zoom-normal mail-show-images ">
<div class="clear">
<div dir="auto">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto"><strong>বিশেষ প্রতিবেদক </strong></div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto"><a href="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2026/04/Screenshot_2026-04-22-23-48-04-67_a23b203fd3aafc6dcb84e438dda678b6.jpg"><img decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-5964" src="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2026/04/Screenshot_2026-04-22-23-48-04-67_a23b203fd3aafc6dcb84e438dda678b6-300x180.jpg" alt="" width="300" height="180" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2026/04/Screenshot_2026-04-22-23-48-04-67_a23b203fd3aafc6dcb84e438dda678b6-300x180.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2026/04/Screenshot_2026-04-22-23-48-04-67_a23b203fd3aafc6dcb84e438dda678b6.jpg 672w" sizes="(max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>একসাথে অনেকগুলো সুখবর বরিশালবাসীর জন্য। খুব শীঘ্রই তাদের কাঙ্ক্ষিত ফুটওভার ব্রিজ, আধুনিক শিশু হাসপাতাল, শ্রমজীবী মহিলা হোস্টেল, ৫টি খেলার মাঠ এবং নিরাপদ মহাসড়কের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে বরিশাল সিটি করপোরেশন। আর এ সুখবর জানাচ্ছেন সয়ং বরিশাল সিটি করপোরেশনের ভারপ্রাপ্ত মেয়র বা প্রশাসক আইনজীবী বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন। শুধু তাই নয়, দীর্ঘ যন্ত্রণার অবসান হতে যাচ্ছে মহাসড়কের চৌমাথার কাজীপাড়া এলাকার অবৈধ শিশুপার্কটির ভগ্নাবশেষ থেকেও। এটি দ্রুত সরিয়ে নেওয়ার জন্য রোডস এন্ড হাইওয়েকে সরাসরি মন্ত্রণালয় থেকে চিঠি ইস্যু করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এই সংবাদে খুশি বরিশালের সুশীল সমাজ থেকে শুরু করে সাধারণ নাগরিকরাও। ইতিপূর্বে নগরীর পরিচ্ছন্নতা অভিযানে শিরিন অনেকটাই প্রয়াত মেয়র শওকত হোসেন হিরনকে মনে করিয়ে দিয়েছেন নগরবাসীর কাছে। এবার তার দাবী পুরনের পদক্ষেপ হিসেবে আধুনিক শিশু হাসপাতাল, কর্মজীবী মহিলা হোস্টেল ও ৫টি খেলার মাঠের মধ্যে পরশ পুকুর ও মাঠটি ওয়াকওয়েসহ সৌন্দর্যবর্ধন তালিকায় অগ্রাধিকার পেয়েছে। যা নিয়ে নগরবাসীর মধ্যে মৃদু গুঞ্জন শুরু হয়েছে, অনেকেই বলছেন, মেয়র হিরনের পর পুনরায় আমরা বরিশালের আপন কাউকে খুঁজে পেয়েছি।</div>
<div dir="auto">এমনকি দীর্ঘদিন শিরিন এর বিপক্ষে থাকা অনেকেই এখন শিরিনের আন্তরিকতা ও বরিশালবাসীর জন্য ভালবাসার প্রমাণ পেয়ে তার ভক্ত হয়ে উঠেছেন। তবে এরমধ্যে আগে থেকেই অনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত প্রমাণিত এমন কাউকে কাউকে শিরিনের পাশে ঘনিষ্ঠ হওয়া নিয়েও চলছে বিতর্ক। পুনরায় এদের কারণে উন্নয়ন সুবিধা বঞ্চিত হবার ভয় নগরবাসীর। তারউপর তার চারপাশে অসংখ্য তোষামোদকারী। যাদের কারণে সাধারণ মানুষ তার কাছে ঘেঁষার সুযোগও বঞ্চিত হবার শংকা। আবার তার বিরুদ্ধে এ অভিযোগও রয়েছে যে মুখচেনা সাংবাদিকদের প্রাধান্য দেন তিনি, যারা সবসময় সুবিধাভোগী সব সরকারের সময়ে।</div>
<div dir="auto">বিএনপির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আইনজীবী বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন ৫ জুলাই পরবর্তী সময়ে ভুল তথ্য ও নিউজের কারণে দল থেকে বহিষ্কার হন এবং দীর্ঘ সময়  অনেকটা কোনঠাসা  অবস্থায় ছিলেন। অথচ ছাত্র রাজনীতি থেকে বিএনপির একজন সক্রিয় কর্মী তিনি। বরিশালের ব্রাউন কম্পাউন্ডে তার শৈশব কৈশোর ও যৌবনের যাত্রা। বরিশালের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতেই গড়ে উঠেছে তার রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত জীবন। ছাত্রজীবনে তাঁর রাজনীতির হাতেখড়ি ঘটে ছাত্রদলের মাধ্যমে। ১৯৮৭ সালে বিএম কলেজ ছাত্র সংসদ নির্বাচনে ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদক নির্বাচিত হন তিনি। তিন বছর পর এজিএস পদেও নির্বাচিত হন।</div>
<div dir="auto">এরপর ধীরে ধীরে ছাত্র রাজনীতি থেকে জেলা পর্যায়ের রাজনীতিতে উঠে আসেন শিরিন । ১৯৯১ সালে বরিশাল জেলা ছাত্রদলের সহসভাপতি এবং ১৯৯৬ সালে জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। পরে ২০০১ সালে তিনি সংরক্ষিত নারী আসনে বরিশালের সংসদ সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০০৮ থেকে ২০২৪ বাংলাদেশের জন্য পুরো সময়টা যেন থমকে ছিলো। বড় বড় প্রকল্পের কাজ হচ্ছিল।  উন্নয়নও খুব একটা কম হয়নি তারপরও স্বৈরাচার পদ্ধতি ও মানহীন উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল বাংলাদেশের আপামর সাধারণ মানুষ। বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী তখন রীতিমতো আন্ডারগ্রাউন্ডে নয়তো জেল হাজতে। এমন ভয়ংকর মূহুর্তেও শিরিনসহ বেশকিছু উল্লেখযোগ্য নেতৃত্ব বিএনপিকে সচল রেখেছিল। ৫ জুলাই ২০২৪ এর ছাত্র জনতার গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ ও তাদের গঠিত সরকার পালিয়ে যায়। প্রাণ ফিরে আসে বাংলায়। আর এরকম একটি আনন্দ মূহুর্তে নিজ বাড়ির সামনের একটি পুকুর ভরাটের অভিযোগ নিয়ে সংবাদ শিরোনাম হন বিলকিস জাহান শিরিন। ঐসময় খোদ পরিবেশ দপ্তরের কর্মকর্তা এসে সাক্ষ্য দেন, এর সাথে কোথাও তার সম্পৃক্ততা ছিলনা। তবুও দল থেকে বহিষ্কার হতে হয় তাকে এবং দলীয় নেতা তারেক রহমান দেশে ফেরার পর তার বহিষ্কার আদেশ বাতিল করা হয়। ১২ জানুয়ারি নির্বাচনে বিএনপির জয়লাভ। এর আগে দুটি বছর প্রশাসক নির্ভর বরিশাল সিটি করপোরেশনের বেহাল অবস্থা তৈরি হয়। তারও আগে ২০০৮ থেকে ২০১৩ সময়টা ছিলো বরিশাল সিটি করপোরেশনের স্বর্ণযুগ। ঐ সময় নগরীর উন্নয়ন অগ্রযাত্রার স্বপ্ন তৈরি হয়। বরিশাল বাসীর দাবী, ঐ সময় শওকত হোসেন হিরন মেয়র ছিলেন। আওয়ামী লীগের নেতারাই তাকে অসহযোগিতা করে আটকে দিত, তানা হলে তিনি  বরিশালের জন্য যেসব পদক্ষেপ নিয়েছিলেন আজ তার সবটাই আমরা খুঁজে পাচ্ছি শিরিনের কাজে। নগরীর একজন প্রবীণ বাসিন্দা হেমায়েত উদ্দিন শরীফ বলেন, ২০১৮ সাল থেকে বরিশাল সিটি করপোরেশন বন্ধাত্ব রোগে আক্রান্ত ছিলো মানসিক ভারসাম্যহীন মেয়র নিয়ে। নগরীর পরিচ্ছন্ন ব্যবস্থা থেকে শুরু করে গৃহ নির্মাণ, প্ল্যান পাস, উন্নয়ন ব্যবস্থা সবকিছু আটকে যায় বরিশালের। এমনকি স্থানীয় সরকারের সহযোগিতা পর্যন্ত বন্ধ হয়ে যায়। এরপর আসেন আরেকজন ঘাটের মরা। সবই নিজেরা নিজেরা, বাপ, চাচা, ভাইপোদের রাজত্বে বরিশাল অর্ধমৃত হয়েছে। জুলাই বিপ্লবের পর বিভাগীয় কমিশনারগণ প্রশাসক হয়ে দুটি বছর শুধু খাল পুনরুদ্ধারের নামে হরিলুটের সঙ্গী হয়েছেন বলে জানান এই প্রবীণ নাগরিক।</div>
<div dir="auto">এরপর এই সমস্যার শহরেই নতুন প্রশাসকের দায়িত্ব পেলেন আইনজীবী বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন। তিনি বিএনপির বরিশাল বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্বে রয়েছেন। মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে জারি হওয়া প্রজ্ঞাপনে তাকে বরিশাল সিটি করপোরেশনের পূর্ণকালীন প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।</div>
<div dir="auto">১৪ মার্চ দায়িত্ব গ্রহনের পর তার এই যাত্রা শুরু হয়েছে। দায়িত্ব গ্রহন করেই তিনি বলেছেন, শাসক হিসেবে না জনগনের সেবক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবো।</div>
<div dir="auto">এই সময় তিনি কার্যত মেয়রের ক্ষমতা প্রয়োগ করে নগরের প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। কিন্তু এই দায়িত্ব কেবল একটি পদ নয়, বরিশালের জন্য এটি যেন নতুন প্রত্যাশার দরজা খুলে দিয়েছে । কারণ শিরিন বরিশালের নিজের মেয়ে।</div>
<div dir="auto">বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার মোস্তাফিজুর রহমান বরিশাল অডিটরিয়ামে তার দায়িত্বভার সদ্য ঘোষিত প্রশাসক শিরিনের কাছে হস্তান্তর করেন। তার আগে অডিটরিয়াম লাগোয়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে তাকে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা দেয়া হয়।</div>
<div dir="auto">এসময় বরিশালের সমস্যা শোনেন শিরিন। নগরবাসীর মুখে সবচেয়ে বেশি যে অভিযোগ শোনা যায়, তার প্রথমেই আসে সুপেয় পানির সংকট। শহরের বহু এলাকায় এখনো নিয়মিত পানির সরবরাহ নেই। অনেক পরিবারকে নির্ভর করতে হয় গভীর নলকূপ কিংবা বিকল্প ব্যবস্থার ওপর।</div>
<div dir="auto">বর্ধিত এলাকায় পানির সংযোগ নেই। তবুও বাড়ির প্লানের জন্য মালিকদেরকে প্রতিমাসে পানির বিল দিতে হচ্ছে। অনেক এলাকায় এখনো সাঁকো রয়েছে।</div>
<div dir="auto">দ্বিতীয় বড় সমস্যা জলাবদ্ধতা। বর্ষাকালে কিংবা ভারী বৃষ্টির পর শহরের বহু এলাকা দীর্ঘ সময় পানির নিচে থাকে। অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও ভরাট হওয়া খালগুলোকেই এর জন্য দায়ী করেন নগর পরিকল্পনাবিদরা। বর্ষার সময় বর্ধিত এলাকার অধিকাংশ রাস্তা পানির নীচে চলে যায়। তাই রাস্তা পারাপারের জন্য তখন এলাকাবাসী নিজ খরচে বাঁশের সাঁকো তৈরী করে যাতায়াত করেন।</div>
<div dir="auto">এই দুয়ের সঙ্গে শহরের প্রাণকেন্দ্রে যুক্ত হয়েছে যানজটের সমস্যা। নগরের প্রধান সড়কগুলোতে যানবাহনের চাপ বাড়লেও সেই অনুযায়ী ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তন আসেনি। অনেক এলাকায় সড়কের অবস্থা নিয়েও অভিযোগ রয়েছে। অনেক এলাকার ফুটপথ রয়েছে অবৈধ দখলদারদের নিয়ন্ত্রনে।</div>
<div dir="auto">পরিচ্ছন্নতা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনাও নগরীর  আরেকটি বড় চ্যালেঞ্জ। দ্রুত বর্ধনশীল এই শহরে প্রতিদিন উৎপন্ন হওয়া বিপুল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সিটি করপোরেশনের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য কোন ব্যবস্থা নেই। শহরের ৫ নম্বর ওয়ার্ডে বর্জ্য ফেলার কারনে অন্তত ৫০০ পরিবার স্বাস্থ্য ঝুঁকির মধ্যে বসবাস করছেন। তাদের স্বজনরা খোঁজ রাখেন না তাদের। এমনকি সামাজিক ভাবেও তারা অনেকটা সমাজচ্যুত।</div>
<div dir="auto">এই বাস্তবতার মাঝেই দায়িত্ব নিয়ে প্রথমেই শিরিন ছুটে যান ৫ নম্বর ওয়ার্ডে বর্জ্য ফেলার স্থানে। নিজ চোখে দেখেন সেখানকার অবস্থা,  কথা বলেন বাসিন্দাদের সাথে। এবার শুরু হয় তার পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি।</div>
<div dir="auto">শিরিন বলেন, বরিশালকে একটি পরিকল্পিত, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগরে রূপ দিতে ধাপে ধাপে কাজ শুরু করা হবে। তাঁর মতে, নাগরিক সমস্যাগুলোর সমাধানে সমন্বিত উদ্যোগই সবচেয়ে জরুরি।</div>
<div dir="auto">তিনি বলেন, সুপেয় পানির সংকট দূর করতে নতুন পানির উৎস খোঁজা ও বিদ্যমান সরবরাহ ব্যবস্থা সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হবে। জলাবদ্ধতা কমাতে ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং খাল পুনরুদ্ধারের বিষয়েও কাজ করার পরিকল্পনার কথা বলেন তিনি।</div>
<div dir="auto">যানজট কমাতে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় সমন্বয়, গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোর সংস্কার এবং নগরের ভেতরে চলাচলের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার উদ্যোগের কথাও উল্লেখ করেন বিলকিস জাহান শিরিন ।</div>
<div dir="auto">পরিচ্ছন্ন শহর গড়তে বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে আধুনিক করার বিষয়েও গুরুত্ব দিচ্ছেন নতুন প্রশাসক। যে কারণে ইতিমধ্যেই তিনি ফরিদপুরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পরিদর্শন করেন এবং ঢাকায় এ বিষয়ে আয়োজিত কর্মশালায় অংশ নিয়েছেন।  তার ভাষায়, বরিশালকে শুধু সুন্দর শহর নয়, বাসযোগ্য শহর হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। নাগরিক সমস্যাগুলোকে গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।’</div>
<div dir="auto">এই মুহূর্তে ঢাকায়  বরিশালের উন্নয়ন ভাবনা নিয়ে ছুটে বেড়াচ্ছেন বিলকিস জাহান শিরিন। তিনি স্থানীয় সরকার, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়সহ সিটি করপোরেশনের প্রয়োজনীয় ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সাথে কথা বলে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নিতে সচেষ্ট বলে জানা গেছে।</div>
</div>
</div>
</div>
<div id="m#msg-a:r5808767624647342800-footer" class="mail-message-footer spacer collapsible"></div>
</div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a6%be-%e0%a6%8f%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%bf/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বরিশাল সদরে মারাত্মক চমক: চেয়ারম্যান হলেন আব্দুল মালেক</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%b8%e0%a6%a6%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%95-%e0%a6%9a%e0%a6%ae%e0%a6%95/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%b8%e0%a6%a6%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%95-%e0%a6%9a%e0%a6%ae%e0%a6%95/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 11 May 2024 08:44:36 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলার চিঠি]]></category>
		<category><![CDATA[বরিশাল]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://shahittabazar.com/?p=5280</guid>

					<description><![CDATA[<p>বরিশাল সদর উপজেলায় মারাত্মক চমক: চেয়ারম্যান হলেন আব্দুল মালেক</p> <p>বিশেষ প্রতিবেদক</p> <p>বরিশাল সদর উপজেলার পাঁচ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী। তাদের মধ্যে আলোচিত নাম আব্দুর রব সেরনিয়াবাত বরিশাল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এসএম</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%b8%e0%a6%a6%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%95-%e0%a6%9a%e0%a6%ae%e0%a6%95/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>বরিশাল সদর উপজেলায় মারাত্মক চমক: চেয়ারম্যান হলেন আব্দুল মালেক</strong><span id="more-5280"></span></p>
<p><strong>বিশেষ প্রতিবেদক</strong></p>
<div id="attachment_5284" style="width: 209px" class="wp-caption alignleft"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/05/IMG_20240508_203705.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-5284" class="wp-image-5284 size-medium" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/05/IMG_20240508_203705-199x300.jpg" alt="" width="199" height="300" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/05/IMG_20240508_203705-199x300.jpg 199w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/05/IMG_20240508_203705-680x1024.jpg 680w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/05/IMG_20240508_203705.jpg 712w" sizes="auto, (max-width: 199px) 100vw, 199px" /></a><p id="caption-attachment-5284" class="wp-caption-text">আব্দুল মালেক</p></div>
<p>বরিশাল সদর উপজেলার পাঁচ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী। তাদের মধ্যে আলোচিত নাম আব্দুর রব সেরনিয়াবাত বরিশাল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এসএম জাকির, মহানগর যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মাহমুদুল হক খান মামুন, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান মধু এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি চরকাউয়া ইউনিয়ন পরিষদের চারবারের চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম ছবি। এই চারজন প্রার্থীকে নিয়ে গণমাধ্যম ও সংবাদপত্রে নিয়মিত লেখালেখি হলেও অবহেলিত থেকে গেছেন পঞ্চম প্রার্থী আব্দুল মালেক। তাকে কেউ গোনার মধ্যেই আনেন নাই ফলাফল ঘোষণার আগমুহূর্ত পর্যন্ত। সংবাদ কর্মীদের বেশিরভাগ অংশ ব্যস্ত ছিলেন মোটরসাইকেল প্রতীকের এসএম জাকির এবং আনারস প্রতীকের খান মামুনকে ঘীরে। কেননা এদের একজনের পিছনে রয়েছেন সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ এর সমর্থকদের সমর্থন। অন্যজনকে ঘীরে ছিলেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের নবনির্বাচিত মেয়র আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ খোকন সেরনিয়াবাত এর সমর্থকদের ভিড়। আবার দোয়াতকলম প্রতীকের প্রার্থী মনিরুল ইসলাম ছবির পিছনে ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ। আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরীণ ত্রিমুখী এই লড়াইয়ের ফাঁকে চুপচাপ নিজের প্রচারণা চালিয়ে গেছেন কাপ-পিরিচ প্রতীকের প্রার্থী আব্দুল মালেক এবং ঘোড়া প্রতীকের মাহবুবুর রহমান মধু। মধু নিজেও স্থানীয় সংসদ সদস্য পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কর্ণেল অবঃ জাহিদ ফারুক শামীম এর ঘনিষ্ঠজন হওয়ায় তাকেও বয়কট করেছে সদর উপজেলার ভোটাররা। ৮ মে প্রথম ধাপের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তারা বেছে নিয়েছেন নির্দলীয় একজন স্কুল শিক্ষক কাপ-পিরিচ প্রতীকের প্রার্থীকে। সম্পূর্ণ অপরিচিত একজন স্কুল শিক্ষক আব্দুল মালেক এর আরেকটি পরিচয় হচ্ছে তিনি গত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পরাজিত প্রার্থী সালাউদ্দিন রিপনের চাচা। আর এই চাচা আব্দুল মালেক দেখালেন নিরব এবং মারাত্মক চমক। ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বরিশাল সদর উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ ও আলোচিত প্রার্থীদের পিছনে ফেলে ২৩০০ ভোটে এগিয়ে গেলেন তিনি। এখন পর্যন্ত বেসরকারি ভাবে বরিশাল সদর উপজেলার চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি জয়ী বলে জানা গেছে।<br />
৮ মে বুধবার সকালে ঝড়বৃষ্টি উপেক্ষা করে ভোটগ্রহণ শুরু হয় বরিশালের দুই উপজেলায়। বরিশাল সদর উপজেলার মোট ভোটার সংখ্যা ১ লক্ষ ৯৫ হাজার ২৯৯ জন। ১০ ইউনিয়নের ৬৮টি ভোট কেন্দ্রে বিকেল চারটা পর্যন্ত ৩০ ভাগ ভোট পরেছে বলে জানিয়েছেন প্রিজাইডিং কর্মকর্তারা। যদিও সরজমিনে ভোটকেন্দ্র ঘুরে ভোটারদের উপস্থিতি আরো কম দেখা গেছে। যে কজন ভোটার ভোট দিয়েছেন তাদের মধ্যে নারী ভোটারদের সংখ্যা ছিলো বেশি। আর এই নারীদের ভোটেই নির্বাচিত হয়েছে বরিশাল সদর উপজেলার আগামীর চেয়ারম্যান। আব্দুল মালেক এর প্রাপ্ত মোট ভোট ১৯৭১৭। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন মোটর সাইকেল প্রতীকের প্রার্থী এসএম জাকির হোসেন, তিনি পেয়েছন ১৭ হাজার ৩১৪ ভোট। এছাড়া প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মাহমুদুল হক খান মামুন পেয়েছেন ১৪ হাজার ১৪১ ভোট, ঘোড়া প্রতীকের মাহবুবুর রহমান মধু ১১ হাজার ১৭০ ভোট ও দোয়াত কলম প্রতীকের ৭ হাজার ৮৬৮ ভোট।<br />
ভাইস চেয়ারম্যান পদে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছেন তালা প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করা মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জসিম উদ্দিন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি ছিলেন বই প্রতীকের মাহিদুর রহমান। এ পদের হাদিস মীর তৃতীয় ও শহিদ মোহাম্মদ শাহনেওয়াজ চতুর্থ।<br />
মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন এ্যাড হালিমা বেগম। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন হাস প্রতীকের নেহার বেগম।<br />
বুধবার রাতে বরিশাল সদর উপজেলা পরিষদের একটি কক্ষে রিটার্নিং কর্মকর্তা ওয়াহিদুজ্জামান মুন্সী ভোটের এই ফলাফল ঘোষণা করেন।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%b8%e0%a6%a6%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%95-%e0%a6%9a%e0%a6%ae%e0%a6%95/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ক্ষুদ্র নয়, মাঝারি ও বৃহৎ মালিকানার দখলে বরিশাল বিসিক</title>
		<link>https://shahittabazar.com/4944-2/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/4944-2/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[সদানন্দ সরকার]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 13 May 2022 03:34:36 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[বরিশাল বিভাগ]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলার চিঠি]]></category>
		<category><![CDATA[ক্ষুদ্র]]></category>
		<category><![CDATA[বরিশাল]]></category>
		<category><![CDATA[বিসিক]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://shahittabazar.com/?p=4944</guid>

					<description><![CDATA[<p>ক্ষুদ্র নয়, মাঝারি ও বৃহৎ মালিকানার দখলে বরিশাল বিসিক </p> <p>মাটি ভরাট আর সীমানাপ্রাচীর নির্মাণের মধ্যেই আটকে আছে বরিশালে বিসিককে দেশের বৃহৎ ক্ষুদ্র শিল্পনগরী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার কাজ। এখানের বরাদ্দ প্রাপ্ত প্লটের</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/4944-2/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><b>ক্ষুদ্র নয়, মাঝারি ও বৃহৎ মালিকানার দখলে বরিশাল বিসিক </b></p>
<p><span style="font-weight: 400;"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/IMG20220512135939.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-4945" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/IMG20220512135939-300x225.jpg" alt="" width="300" height="225" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/IMG20220512135939-300x225.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/IMG20220512135939-768x576.jpg 768w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/IMG20220512135939-1024x768.jpg 1024w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>মাটি ভরাট আর সীমানাপ্রাচীর নির্মাণের মধ্যেই আটকে আছে </span><span style="font-weight: 400;">বরিশালে বিসিককে দেশের বৃহৎ ক্ষুদ্র শিল্পনগরী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার কাজ। এখানের বরাদ্দ প্রাপ্ত প্লটের বেশিরভাগই দখল করেছে মাঝারি ও বৃহৎ শিল্প মালিকরা। একই গ্রুপ অব কোম্পানি বিভিন্ন নামে প্লট বরাদ্দ নিয়ে বঞ্চিত করছে ক্ষুদ্র শিল্প উদ্যোক্তাদের। আর এ কাজে সাহায্য করছে বিসিক প্রশাসন কর্তৃপক্ষ। এমনটাই অভিযোগ উদ্যোক্তা হতে আসা অনেক ক্ষুদ্র শিল্প প্রতিষ্ঠান মালিকদের। এমনকি বরিশালে </span><span style="font-weight: 400;">বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) এর নিজস্ব ভবনটিও এখন পর্যন্ত তৈরি হয়নি বলে জানান স্থানীয় মরকখোলার বাসিন্দারা।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">যদিও জেলা প্রশাসক জসিম উদ্দিন হায়দার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে বিসিককে শক্তিশালী করতে সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি এজন্য ক্ষুদ্র কুটির শিল্প উদ্যোক্তাদের এগিয়ে আসারও আহ্বান জানিয়েছেন বেশ কয়েকটি সভা সেমিনারে। কিন্তু কার্যত বিসিকে কোনো উন্নয়নই দৃশ্যমান হয়নি আজ পর্যন্ত। আর এজন্য বিসিক কর্মকর্তাদের উদাসীনতাকেই দায়ী করেন নাগরিকদের অনেকে।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">সরজমিন ১১ মে বৃহস্পতিবার বিসিক নগরীতে ঘুরে দেখা গেল,  ভিতরটা এখন গত বছরের তুলনায় অনেক পরিচ্ছন্ন ও সড়কগুলো পাকা হয়েছে। তবে বিসিক এর নিজস্ব দূর্বল ভবনটি এখনো অবহেলা নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে আগের জায়গাতেই। এটি ভেঙে ছয়তলা ভবন তৈরি হবার কথা প্রচলিত আছে গত একবছর ধরে। আর প্রায় ছয়মাস ধরে ভাড়া করা বাড়িতে বিসিক কর্মকর্তাদের অফিসিয়াল কার্যক্রম চলছে। যা সরকারের তথা জনগণের টাকার অপচয় ছাড়া আর কিছু নয় বলে মনে করেন নগর চিন্তাবিদ এনায়েত হোসেন শিবলু। শিবলু বলেন, শুধু নীচু জমি ভরাট করে সীমানা বাড়ালেই হবেনা। প্লট তৈরি করে সত্যিকারের ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের হাতে দিয়ে প্রমাণ করতে হবে এটা। এখন পর্যন্ত যাদের দেয়া হয়েছে তাদের বড় একটা অংশ আগে থেকেই শিল্পপতি। বিসিকে তাদের প্লট বরাদ্দ দেওয়াটা অবশ্যই প্রশ্নবিদ্ধ।</span><span style="font-weight: 400;">বিসিক নগরীতে আসা-যাওয়ার প্রধান আরেকটি সমস্যা যোগাযোগ ব্যবস্থা। এখানের প্রবেশের প্রধান ফটক সংলগ্ন সড়কটি বরিশাল সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষের। আর বারবার অভিযোগ করার পরও আশেপাশের সড়ক সংস্কার করলেও অজ্ঞাত কারণে তারা এই সড়কের উন্নয়নে কোনো আগ্রহ দেখাননি। ভাঙাচুরো, খানাখন্দভরা  এ সড়কটির আরেকনাম মড়কখোলা রোড। তাই শ্মশান এলাকায় সন্ধ্যার পর আসা-যাওয়া সাধারণ কর্মী ও মালিকদের জন্য কিছুটা ভিতীকর বলেই মনে করেন ফরচুন সুজ এর কর্মী হাসিবুর রহমান। তিনি বলেন, সন্ধ্যা হলেই ভিতরে উঠতি মাস্তানদের ও বখাটেদের উৎপাত শুরু হয়। বিভিন্ন কোনায়, পুকুরের পাড়ে বসে নেশার আখড়া। তাই চলাচলে ভয় হয়। বিশেষ করে এখানে কর্মরত মেয়েদের তাই সন্ধ্যার আগেই চলে যাওয়ার তাড়া থাকে। </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">যতদূর জানা যায়,  বরিশালে বিসিক শিল্পনগর প্রতিষ্ঠার কাজ শুরু হয় ১৯৬১ সালে। প্রায় ১৩১ একর জমির ওই শিল্পনগরে ঐ সময়ে প্লটের সংখ্যা ছিলো ৪৪৬টি। এর মধ্যে ৩৭৮টি প্লট বরাদ্দ দিতে পেরেছিলো বিসিক কর্তৃপক্ষ। বরাদ্দ করা প্লটে শিল্প ইউনিট সংখ্যা ছিলো ১৭৩টি ও যার মধ্যে ৭২টি উৎপাদনে ছিলো। বর্তমানে উৎপাদনে আছে হাতেগোনা কয়েকটি প্রতিষ্ঠান। যার সংখ্যা ৩০টির বেশি নয় বলে জানান স্থানীয় নিরাপত্তারক্ষীদের একজন। </span><span style="font-weight: 400;">পরবর্তীতে জমির পরিমাণ বৃদ্ধি করে ২৩০ একর জমিতে দেশের সবচেয়ে বড় বিসিক শিল্পনগরী হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা এখনো আটকে আছে বিভিন্ন প্রশাসনিক জনিত সংকটে। বর্তমানে এখানে ১৩৮টি ছোট-বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠান রয়েছে বলে দাবী বিসিক কর্মকর্তাদের। তবে আশেপাশের বাসিন্দারা বলছেন, এই ১৩৮টি প্রতিষ্ঠানের বেশিরভাগই একই মালিকের চার থেকে পাঁচটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। যেমন প্রিমিয়ার এর তিনটি প্লটই কিন্তু ফরচুন গ্রুপের। কারণ ওটি আসলে ফরচুন গ্রুপেরই অংশ। এভাবে ইত্যাদি, বেঙ্গল বিস্কুট সহ আরো অনেক প্রতিষ্ঠানেরই একাধিক প্লট রয়েছে যা আসলে একই মালিকের। তবে এসব প্রতিষ্ঠানগুলোর সুষ্ঠু কাজের পরিবেশ বিঘ্নিত হচ্ছে সড়ক ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা,  বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটের কারণে বলে জানান ক্ষুদ্র কুটির শিল্প উদ্যোক্তা মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক এগ্রো ফুডসের ব্যাবস্হাপক ইব্রাহিম খান। তিনি বলেন, নিজস্ব বিদ্যুৎ সুবিধা চালু হলে কাজের গতি বাড়বে। তবে গ্যাসের অভাবে আমাদের অনেক কাজ ব্যহত হচ্ছে। আমরা এখনো মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারছিনা ঐ গ্যাসের অভাবেই। ইব্রাহিম খান আরো বলেন, বরিশালে, ডক ইয়ার্ড, মটর পার্টস তৈরি, গার্মেন্টস শিল্পসহ বিভিন্ন বড় বড় শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা সম্ভব হবে গ্যাস সমস্যার সমাধান হলে।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;"><strong><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/IMG20220512140027.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignright size-medium wp-image-4946" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/IMG20220512140027-300x225.jpg" alt="" width="300" height="225" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/IMG20220512140027-300x225.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/IMG20220512140027-768x576.jpg 768w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/IMG20220512140027-1024x768.jpg 1024w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>বিসিক উপমহাব্যবস্থাপক জালিস মাহমুদও</strong> বলেন, বরিশাল বিসিকের প্রধান সমস্যা হচ্ছে বহিরাগতরা এখানে আচমকা ঢুকে পড়ে বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মালিকদের ওপর হামলা করছে। এর প্রতিবাদে এখানের ব্যবসায়ীরা নগরীতে মানববন্ধনও করেছে। গ্যাস বা জ্বালানি সুবিধা পেলেই বরিশাল বিসিক সয়ংসম্পূর্ণ বলা যাবে।</span><span style="font-weight: 400;">জালিস মাহমুদ আরো জানান, বিসিকের উন্নয়নের জন্য ২০১৮ সালে ৭৪ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়। ঐ টাকায় সড়ক, নালা ও সীমানাপ্রাচীর নির্মাণসহ উন্নয়নমূলক কার্যক্রম এখনো চলমান আছে। </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;"><strong>সুজন বরিশালের সদস্য সচিব রফিকুল আলম</strong> বলেন,  আমি বেশ কয়েকজন ক্ষুদ্র শিল্প উদ্যোক্তার সাথে কথা বলে জেনেছি, উদ্যোক্তা হতে এসে কাগজপত্র জটিলতা ও ঋণ সুবিধা বঞ্চিত হয়ে তারা আবার ফিরে গেছেন। এটা যাতে না হয়, কাগজপত্র সংক্রান্ত জটিলতা সহজ  করা ও সহজ শর্তে ঋণ পাওয়ার বিষয়টি প্রশাসনকে নিশ্চিত করতে হবে। সবাইতো সরাসরি জেলা প্রশাসকের কাছে যেতে পারেননা। তাই বিসিক কর্মকর্তাদের তা সহজ করতে হবে।</span><span style="font-weight: 400;">রফিকুল আলম আরো বলেন,  প্রচুর সম্ভাবনা রয়েছে আমাদের শীতলপাটি ও মৃৎশিল্পসহ নানা ধরনের উপকরণ নিয়ে বিসিক সাজানোর। যদিও বিসিক এলাকায় কেবল, কয়েল, প্যাকেজিং ও পলিথিন কারখানা পেলেও অলিগলি ঘুরে কোথাও দেখা যায়নি এধরণের কোনো শিল্প উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান।</span></p>
<div id="attachment_4850" style="width: 310px" class="wp-caption alignleft"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/03/IMG20220316123752.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-4850" class="size-medium wp-image-4850" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/03/IMG20220316123752-300x225.jpg" alt="" width="300" height="225" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/03/IMG20220316123752-300x225.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/03/IMG20220316123752-768x576.jpg 768w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/03/IMG20220316123752-1024x768.jpg 1024w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a><p id="caption-attachment-4850" class="wp-caption-text">জেলা প্রশাসক জসিম উদ্দিন হায়দার</p></div>
<p><span style="font-weight: 400;">বরিশালের জেলা প্রশাসক জসিম উদ্দিন হায়দার বলেন, আমি বরিশালে আসার পর থেকে বিসিককে শক্তিশালী করতে যা যা করনীয় তা করার জন্য সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছি।  নীচু এলাকা ও ডোবা ভরাট করে জমির পরিমাণ বাড়ানো হয়েছে।  বিসিক কর্মকর্তা ও উদ্যোক্তা মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ যখন যা চাচ্ছে  তা দেয়ার চেষ্টা করছি। বিদুৎ ব্যবস্থা সম্পন্ন হয়েছে। এখন শুধু চালু হবার অপেক্ষা। আর ভোলা থেকে গ্যাস আনার বিষয়টি যেহেতু আমার একক বিষয় নয়, তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে কথাবার্তা চলছে।  আমরা আশাবাদী হয়তো একটু দেরীতে হলে গ্যাস সমস্যার সমাধান হবে। </span><span style="font-weight: 400;">তিনি আরো বলেন,  আমি বরিশালকে একটি বাণিজ্যিক নগরীর হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করছি। আর এজন্য রাজনৈতিক,  সামাজিক ও সাংস্কৃতিক নেতৃবৃন্দসহ সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন। বৃহৎ শিল্প উদ্যোক্তারাও এগিয়ে আসলে বরিশালে পৃথক একটি শিল্প নগরী বা ইপিজেড স্থাপন হতে পারে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন জেলা প্রশাসক জসিম উদ্দিন হায়দার।</span></p>
<p>&nbsp;</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/4944-2/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
