<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>কবি &#8211; সাহিত্য বাজার</title>
	<atom:link href="https://shahittabazar.com/tag/%e0%a6%95%e0%a6%ac%e0%a6%bf/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://shahittabazar.com</link>
	<description>সাহিত্যের আয়নায় মানুষের মুখ</description>
	<lastBuildDate>Sun, 13 Nov 2022 19:03:45 +0000</lastBuildDate>
	<language>bn-BD</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.9.4</generator>
	<item>
		<title>চর্যাপদ সাহিত্য পুরষ্কার পেলেন কীর্তনখোলার কবি হেনরী স্বপন</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%9a%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a6%a6-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%9a%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a6%a6-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আরিফ আহমেদ]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 13 Nov 2022 19:03:45 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[কথামালা]]></category>
		<category><![CDATA[তারুন্যকথা]]></category>
		<category><![CDATA[কবি]]></category>
		<category><![CDATA[কবিতা]]></category>
		<category><![CDATA[সাহিত্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://shahittabazar.com/?p=5161</guid>

					<description><![CDATA[চর্যাপদ সাহিত্য পুরষ্কার পেলেন কীর্তনখোলার কবি হেনরী স্বপন &#8220;কই দেখি তো ? কেমন রূপের পান-সুপারি ? পানের ঝালে ক্লান্ত। খাঁচায় পাখির বন্দি মায়া ; ছোট্ট ঘরে– দুয়ার খোলা পাইয়া, শিরীষ<span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%9a%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a6%a6-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div id="m#msg-a:r-4548708198734588357" class="mail-message expanded">
<div class="mail-message-header spacer"><strong>চর্যাপদ সাহিত্য পুরষ্কার পেলেন কীর্তনখোলার কবি হেনরী স্বপন</strong></div>
<div><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/11/IMG_20221114_005711.png"><img decoding="async" class="aligncenter size-medium wp-image-5162" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/11/IMG_20221114_005711-203x300.png" alt="" width="203" height="300" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/11/IMG_20221114_005711-203x300.png 203w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/11/IMG_20221114_005711.png 232w" sizes="(max-width: 203px) 100vw, 203px" /></a></div>
<div class="mail-message-content collapsible zoom-normal mail-show-images ">
<div class="clear">
<div dir="auto">
<div class="gmail_quote" dir="auto">
<div class="gmail_attr" dir="ltr"></div>
<div dir="auto">
<div dir="auto">&#8220;কই দেখি তো ? কেমন রূপের পান-সুপারি ?</div>
<div dir="auto">পানের ঝালে ক্লান্ত।</div>
<div dir="auto">খাঁচায় পাখির বন্দি মায়া ; ছোট্ট ঘরে– দুয়ার খোলা পাইয়া,</div>
<div dir="auto">শিরীষ গাছের, ঝরে শীতল ছায়া…</div>
<div dir="auto">বাঘের ছায়া কা-কা গর্জায়, কাউয়া কি তা শুনতে পায় ?</div>
<div dir="auto">তরীর বৈঠা ইঞ্জিন ছাড়া চলে…</div>
<div dir="auto">কেমনে হরি, প্রেমের তুষ-বিচালি– জ্বালানি ছাড়াই জ্বলে…?&#8221;</div>
<div dir="auto">কবি হেনরী স্বপন এর কবিতার এই স্বাদ ও গন্ধে ছন্দের ঝাঁঝ বাজলেও তার বেশীরভাগ কবিতাই কিন্তু অমিত্রাক্ষর। ভিন্ন ধারার, ভিন্ন রূপ অনুরূপে তিনি কখনো মাইকেল মধুসূদন, কখনো জীবনানন্দ দাশ, আবার কখনো সুরেন্দ্র নাথ হয়ে ওঠেন অবলীলায়। আর সবকিছুকে ছাড়িয়ে তিনি মেতে ওঠেন কীর্তনখোলা নদী সাথে জলকেলি খেলায়। তার এ খেলা কবিতায়, আর ভাষায় তার বিচরণ নিত্য নতুন শব্দের সন্ধানে।</div>
<div dir="auto">&#8220;বিহঙ্গেও স্নিগ্ধডানা লেগে ছড়িয়ে পড়লে—</div>
<div dir="auto">উপদ্রুত কূলে এসে ট্যুরিস্ট উল্লাসে ঝাঁপ দেয়</div>
<div dir="auto">সোনালি কর্কট উপমা লুকিয়ে;</div>
<div dir="auto">ঈানীয় বোতলগুলো ভাসতে ভাসতে</div>
<div dir="auto">তীরে আসে নাবিকবিহীন&#8221;।</div>
<div dir="auto">এই যে ঈানীয় শব্দের অর্থ উদ্ধার করতে হলে সয়ং কবিকেই করতে হবে স্মরণ। তবে পানীয় বা পানিয় থেকেও হতে পারে এই ঈানীয়! তার কবিতায় এমন জটিলতা যেমন আছে তেমনি  আছে সারল্যের চাষাবাদও। কবি হেনরী স্বপন যখন লেখেন &#8211;</div>
<div dir="auto">
<div dir="auto">আঁচলে জড়াবে ভোর</div>
<div dir="auto">বাইরে এখনো চাঁদকে সজাগ রেখেছি ভুলিয়ে,</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">ঘরের আলোটা এক্ষুনি নিভিয়ে দিতে হবে—</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">ফিনাইল জলে</div>
<div dir="auto">ভিজিয়ে রাখতে হবে ছোলা আর কাজু বাদামের শাঁস</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">ফুলে উঠবে স্তনের বোঁটা বুকের পাঁজরে</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">ভরে উঠবে বাগানবিলাস আনছান করা রজনীগন্ধার ডালপালা</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">ছড়াবে শাড়ির হোলিখেলা—</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">আঁচলে জড়াবে ভোর !</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">স্বপ্ন দেখবে হাঙর সাঁতার কাটছে হাইওয়ের জোছনায় ড্রাইভিং কোর্স…।</div>
<div dir="auto">তখন তাকে নিয়ে নতুন করে বুঝতে হয়। মনে হয় কোথাও ভীষণ একা কবি। যদিও এটাই সত্য যে কবি মানেই আত্মভোলা ও একা সবসময়। তার আরেকটি কবিতায় কবি লিখেছেন &#8211;</div>
<div dir="auto">কালোকে কালো বললে, কোলাহল হবে</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">সানগ্লাস ছাড়াই চোখের উপর চৈত্রের রোদ্দুর ছড়াবে,</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">দুর্ভিক্ষের গম খেয়ে আফ্রিকার মেয়েরা কৃষ্ণাঙ্গ</div>
<div dir="auto">হয়েছে র‌্যাবের পোশাক খুলে…</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">এখানে কি প্রতিবাদী কবি? সত্যবাদী হতে হলে ঝুঁকি থাকে জীবনের এমন আভাস বলে দেয় হেনরী স্বপন জীবন, সংসারকে দেখেছেন দার্শনিকের চোখে। কখনো বড় অবজ্ঞার ছলে। আবার কখনো উদাসীনতায়। আর তখনই নিজেকে যেন কিছুটা সমাজ থেকে আলাদা করে দূরে স্থাপন করেছেন। অনেকে তাকে রাবীন্দ্রিক ও জসীমউদদীনীয় ঘরানার কাছাকাছি নিয়ে লিখেছেন &#8211; &#8221; এই দুজনের সঙ্গে তাঁর কোনোভাবেই মেলে না। কিন্তু দর্শন মেলে রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে, আখ্যান যায় জসীমউদ্দীনের সঙ্গে। তবু শেষ পর্যন্ত স্বতন্ত্র হেনরী স্বপন। কীর্তনখোলার ধ্যানমগ্ন এই কবির নাম ঘোষণা করা হয়েছে চর্যাপদ সাহিত্য পুরষ্কারের জন্য। গত ১২ নভেম্বর চাঁদপুর জেলা শহরের কস্তুরি চাইনীজ রেষ্টুরেন্টে আয়োজিত আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে চর্যাপদ সাহিত্য একাডেমির মহাপরিচালক রফিকুজ্জামান রনি আটজনের মধ্যে কবিতায় কবি হেনরী স্বপন এর নাম ঘোষণা করেন। বরিশালবাসীর পক্ষে বরিশাল সাহিত্য সংসদ এর উপদেষ্টা ও জাতীয় কবিতা পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক তপংকর চক্রবর্তী চর্যাপদ সাহিত্য একাডেমিকে এজন্য ধন্যবাদ জানান। কবি হেনরী স্বপনকে জানান অভিনন্দন। তিনি বলেন, কবি হেনরী স্বপনের কবিতার রূপ রস ভিন্ন। প্রত্যেক মানুষের মাঝেই স্বতন্ত্র দৃষ্টিভঙ্গি থাকে। হেনরীর কবিতা সবসময় স্বতন্ত্র ও কিছু কিছু কবিতা দূর্ভেদ্যও বটে।</div>
<div dir="auto">কবি হেনরী তার সুতীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে ধূলিতেও জং ধরতে দেখেন। তাই কাব্যের নাম হয়, ‘জংধরা ধূলি’। আবার মৃতের মুখেও হিংস্রতা খুঁজে পান বলেই হয়তো তার কবিতার শিরোনাম হয় ‘জিয়নকাঠির ছোঁয়ায় আক্রোশ’।&#8221;</div>
</div>
<div dir="auto">এগুলো আসলে কবিকে মূল্যায়নের চেষ্টা আমাদের মতো করে। তবে সাধারণ মানুষের কবি কিন্তু হেনরী স্বপন নিজেকে কখনোই দাবী করেননি। তার কবিতার বেশীরভাগই আসলে কবিদের জন্য। তাই কবিদের কবি তিনি হেনরী স্বপন।</div>
<div dir="auto">জন্মান্তর গেছে শিকারীর দলে। মুখস্ত রেখেছে বহু—</div>
<div dir="auto">প্রস্তর প্রাচীন হাতিয়ার—</div>
<div dir="auto">পোড়ামাংস মুখরিত হবে—ধান উড়ানী উড়ন্ত ডানা;</div>
<div dir="auto">ঝলমলিয়ে উঠবে প্রস্তরীয় জীয়নকাঠির ছোঁয়া।</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">সাধারণ পাঠকের কাছে নিঃসন্দেহে এটি দুর্বোধ্য। তবে যারা আধুনিক কবিতা পড়েন ও কবিতা নিয়ে ভাবেন সেসব কবিদের কাছে নয়।</div>
<div dir="auto">কবিদের এই কবি হেনরী স্বপনকে চর্যাপদ সাহিত্য একাডেমি পুরষ্কার প্রদান করায় সংগঠনটির নিকট কৃতজ্ঞতা বরিশাল সাহিত্য সংসদ ও সাহিত্য বাজার পত্রিকার পক্ষ থেকেও।</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto"><strong><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/FB_IMG_1549786951419.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignright size-medium wp-image-3617" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/FB_IMG_1549786951419-300x225.jpg" alt="" width="300" height="225" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/FB_IMG_1549786951419-300x225.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/FB_IMG_1549786951419.jpg 720w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>একনজরে কবি হেনরী স্বপন </strong></div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">জীবনানন্দের বরিশালে জন্ম কবি হেনরী স্বপনের প্রথম কবিতার বই একফর্মা বা ১৬ পৃষ্ঠার কীর্তনখোলা। একটিমাত্র দীর্ঘ কবিতা বইটির সুত্রেই জানা গেছে ১৯৬৫ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি কবি হেনরী স্বপন বরিশালের কাউনিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা জন হাওলাদার একজন ধর্মভীরু ব্যবসায়ী মানুষ ছিলেন। মা লীলাবতী হাওলাদার ছিলেন কবির প্রথম শিক্ষক। মায়ের আদরে বরিশালের জল-হাওয়ায় বেড়ে ওঠা কবির গভীর বন্ধন কীর্তনখোলা নদীর সাথে। যে কারণে অনেক সুযোগ তৈরি হলেও বরিশালের নদীজলের লোনা স্বাদ ও মাটি কামড়ে পরে আছেন আজো। একটি এনজিওতে কর্মরত ছিলেন। অবসর নিয়ে এখন লোকাল পত্রিকার সাহিত্য সম্পাদক তিনি। স্ত্রী মারিয়া লাকী সরকার ও একমাত্র কন্যা কসটিকা চিনতী। এ-পর্যন্ত কবি হেনরী স্বপন এর ৮টি কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। এগুলো হচ্ছে—’কীর্তনখোলা’, ‘মাটির বুকেও রৌদ্রজ্বলে’, ‘বাল্যকাল ও মোমের শরীরে আগুন’, ‘জংধরা ধুলি’, ‘ কাস্তে শানানো মোজার্ট’, ‘ঘটনার পোড়ামাংস ‘, ‘হননের আয়ু’, ‘উড়াইলা গোপন পরশে’। সম্পাদনা করছেন বিখ্যাত ‌জীবনানন্দ কবিতাপত্র।</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div class="mail-message-footer spacer collapsible"></div>
</div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%9a%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a6%a6-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>‘দৃষ্টির সীমানায় কবি শফিকুল ইসলাম’</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%a6%e0%a7%83%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a7%80%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%95%e0%a6%ac%e0%a6%bf-%e0%a6%b6%e0%a6%ab/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%a6%e0%a7%83%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a7%80%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%95%e0%a6%ac%e0%a6%bf-%e0%a6%b6%e0%a6%ab/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[এস ইসলাম]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 30 Mar 2014 09:09:30 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[কথামালা]]></category>
		<category><![CDATA[জীবন কথা]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলাম]]></category>
		<category><![CDATA[কবি]]></category>
		<category><![CDATA[শফিকুল]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://shahittabazar.com/?p=2156</guid>

					<description><![CDATA[<p style="text-align: left;">তারুণ্যের প্রতীক কবি শফিকুল ইসলাম। তার কাব্যচর্চার বিষয়বস্তু প্রেম ও দ্রোহ। কবিতা রচনার পাশাপাশি তিনি   অনেক গান ও রচনা করেছেন।  তিনি বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশনের তালিকাভুক্ত গীতিকার।</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%a6%e0%a7%83%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a7%80%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%95%e0%a6%ac%e0%a6%bf-%e0%a6%b6%e0%a6%ab/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div style="width: 271px" class="wp-caption alignright"><img loading="lazy" decoding="async" alt="" src="http://cms.somewhereinblog.net/images/thumbs/sfk707_1378477883_1-kobi2.jpg" width="261" height="244" /><p class="wp-caption-text">কবি শফিকুল ইসলাম’<strong>‘দৃষ্টির সীমানায় কবি শফিকুল ইসলাম’</strong><br /> <strong> </strong></p></div>
<p style="text-align: left;">তারুণ্যের প্রতীক কবি শফিকুল ইসলাম। তার কাব্যচর্চার বিষয়বস্তু প্রেম ও দ্রোহ। কবিতা রচনার পাশাপাশি তিনি   অনেক গান ও রচনা করেছেন।  তিনি বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশনের তালিকাভুক্ত গীতিকার। তিনি ১০-ই ফেব্রুয়ারীী সিলেট জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। ঢাকার প্রাক্তন মেট্রোপলিটান ম্যাজিষ্ট্রেট ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সাবেক এডিসি কবি শফিকুল ইসলাম বর্তমানে বাংলাদেশ সরকারের উপসচিব। প্রশাসনের ব্যস্ততম ও দায়িত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত থেকে ও তার এই নিরন্তর কাব্য সাধনা আমাদের যুগপৎ অনুপ্রাণিত ও বিস্মিত করে।</p>
<p> কবি শফিকুল ইসলাম একজন সার্থক কবি। সার্থক কবির সকল লক্ষণই তার কাব্য সৃষ্টিতে বর্তমান।যাহা যথার্থ কবিতা, দিব্য কল্পনা যাহাকে জন্ম দিয়াছে, অকৃত্রিম ছন্দ সৌন্দর্য তাহাকে বাহিরে ভূষিত করে এবং ভাবের গভীরতা তাহাকে অন্তরে পরিপূর্ণ করিয়া থাকে। তাহার আনন্দ কল্যাণকে আবাহন করে এবং সৌন্দর্যে তাহা জগতের নিত্যসুন্দর অনির্বচনীয় শব্দার্থসমূহের সমতুল হয়। সাধারণভাবে সংক্ষেপে সংকেত স্বরূপে বলা যাইতে পারে যে, কবিতা অনির্বচনীয় সঙ্গীতের যত সদৃশ এবং যে কবিতায় পাঠক মানবজীবনের প্রসারতা যত অধিক অনুভব করেন তাহা তত শ্রেষ্ঠ।</p>
<p>যিনি কথার সাহায্যে একটি সুন্দর চিত্র অঙ্কিত করেন তিনি কবি; কিন্তু উচ্চতর কবি তিনি, যিনি শুধু চিত্রাঙ্কনে পরিতুষ্ট না হইয়া তাঁহার ছন্দের মর্মে মর্মে সঙ্গীতের অপূর্ব অপরূপ ঝঙ্কার গুলি আনিতে পারেন। যিনি জীবনের একটি সামান্যতম সত্যকে পরিস্ফুট ও সুন্দর করিয়া তুলিতে পারেন তিনি কবি, কিন্তু উচ্চতর কবি তিনি, যাঁহার কবিতায় সমগ্র জীবনের সুগম্ভীর বিজয়গীতি শ্রুত হয়। যিনি সত্য ও ছন্দের সাহায্যে পাঠকের মনে আনন্দ সৃজন করেন তিনি কবি, কিন্তু উচ্চতর কবি তিনি, যাঁহার আনন্দ এত স্বাভাবিক ও যথেষ্ট যে পাঠক কণামাত্র আস্বাদন করিয়া বুঝিতে পারেন, আমি আগন্তুক মাত্র, আমার অপেক্ষা কবির নয়ন অশ্রুতে অধিক সমাকীর্ণ। আমার অপেক্ষা কবির হাস্য আনন্দে অধিক উদ্ভাসিত।</p>
<p>উচ্চতর কবির এই সমস্ত লক্ষণই আমরা কবি শফিকুল ইসলামের যথেচ্ছ দৃকপাত দেখিতে পাই। আমরা প্রসঙ্গক্রমে কবি শফিকুল ইসলামের যে সমস্ত পদ ও শ্লোক উদ্ধৃত করি তাহাতেই প্রমাণ করে, কবির কাব্য ছন্দের ঝঙ্কারে কি অপূর্ব সুললিত- তাহা যেন সঙ্গীতের আবেশে আপনা-আপনি গলিয়া পড়িতেছে। তাহা রসে মাধুর্যে অনির্বচনীয়।</p>
<p>কিন্তু আমরা যে কবির জন্য উচ্চতম কবির সিংহাসন দাবি করিতেছি, যে কোন লক্ষণে নির্ভর করিয়া? আমাদের মনে হয় উচ্চতম কবি তিনি,- যাহাঁর কাব্য অতিমাত্র ব্যাপক, যাহা নিজে শান্তং শিবম্‌ অদ্বৈতম্‌। যাহার শিক্ষা- নাল্পে সুখমস্তি, যো বৈ ভূমা তৎ সুখম্‌। যাহা বিশ্বপ্রকৃতি ও বিশ্ব মানবের সহিত একাত্ম, যাহার মধ্যে জগতের নাড়ীস্পন্দন স্পন্দন স্পষ্ট অনুভূত হয়, যাহা সামান্যতা পরিহার করিয়া ভূমানন্দের অন্তরঙ্গ আত্মীয়রূপে প্রকাশিত হইয়া উঠে, যাহা মানবের মনকে আমিত্ব পরিহার করিয়া বিশ্বের দিকে প্রসারিত করিয়া দেয়, যাহা বিশ্বের ভিতর দিয়া মানব-মনকে বিশ্বেশ্বরের চরনপদ্মের অভিমুখীন করে।</p>
<p>বিখ্যাত ফরাশী সমালোচক স্যাঁৎ বিউবও প্রকারান্তরে এই কথাই বলিয়াছেন যে, ঈশ্বর, প্রকৃতি, প্রতিভা, কলাচাতুর্য, প্রেম ও মানবজীবন – প্রধানত এই ছয়টি শ্রেষ্ঠ কবিতার মূল উপাদান।<br />
বিশ্বকাব্যের অনাদি কবির লীলায় আমরা দেখিতে পাই ইথারীয়েলEthereal-কে টেনজিবল Tangible- এর মধ্যে, Spirit স্পিরিট-কে Matter ম্যাটার- এর মধ্যে, অসীমকে সীমার মধ্যে ধরিয়া প্রকাশ করা। শ্রেষ্ঠ কবির গীতি কবিতাতেই সম্ভবপর। তাহাতে মানব-মনের সকল কালের ও সকল অবস্থার চিত্র পরিস্ফুট করিয়া তোলা যায়। কবি শফিকুল ইসলামের বেলায়ও তার ব্যতিক্রম নয়।</p>
<p><img decoding="async" alt="" src="http://cms.somewhereinblog.net/images/thumbs_mini/sfk505_1300906752_2-1-AWARD.jpeg" /><br />
<strong>[ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার প্রাক্তন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট ও বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশনের গীতিকার কবি শফিকুল ইসলামের হাতে(ছবিতে সর্ববামে) নজরুল স্বর্ণপদক তুলে দিচ্ছেন সাউথ ইষ্ট ইউনিভার্সিটির প্রো-ভাইস চ্যান্সেলার ডঃ এ এস এম মেশকাত উদ্দিন]</strong></p>
<p>কবি শফিকুল ইসলামের হাতে প্রকৃতির সকল বৈচিত্র সমাহৃত হইয়া কবির হাতে নূতন রূপে রূপায়িত হইয়া উঠিয়াছে। তুণাঙ্কুর ধুলিকণা শিশিরকণাটি পর্যন্ত নব নব শ্রী ও সম্পদ লাভ করিয়াছে। কবি পাঠকের মনেও সৃজনী-মাধুরীর প্রত্যাশা করিয়া তাঁহার সৃষ্টিকে ব্যঞ্জনাময়ী করিয়াছেন- ছবির আদ্‌রা আঁকিয়া কবি পাঠককে দিয়াছেন তাহার নিজের মনের রং দিয়া ভরিবার জন্য।কবি কবিতাকে নব নব রূপ দান করিয়াছেন। তিনি নিজের সৃষ্টিকে নিজেই অতিক্রম করিয়া নূতন রূপসৃষ্টি করিয়াছেন। কবি নব নব ছন্দ আবিস্কার করিয়াছেন। তাঁহার বাগবৈভবে ও প্রকাশ ভঙ্গিমায় কবি মানসের যে একটি অভিনব রূপ তিনি প্রকাশ করিয়াছেন তাহা বিস্ময়কর।</p>
<p>কবি শফিকুল ইসলাম তার কাব্যগ্রন্থ “তবুও বৃষ্টি আসুক” থেকে শুরু করে “শ্রাবণ দিনের কাব্য” “মেঘ ভাঙা রোদ্দুর” “দহন কালের কাব্য” “প্রত্যয়ী যাত্রা” ও “একটি আকাশ ও অনেক বৃষ্টি” সহ আরো কিছু কাব্যগ্রন্থে জগতবাসীর সৌভাগ্যক্রমে কবি প্রিয়ার কাঁকনস্পর্শে হাজার গীতে কবির কল্পনাটি ফাটিয়া পড়িয়াছে, নয়ন-খড়গে প্রেমের প্রলাপের বন্ধন ছিন্ন হইয়া গিয়াছে। এই প্রেম সমস্ত বিশ্বপ্রকৃতি ও বিশ্বমানবকে বুকে করিয়া ভূমার দিকে পরম আনন্দে বহন করিয়া লইয়া গিয়াছে।<br />
<img decoding="async" alt="" src="http://www.prothom-aloblog.com/images/view/220/120/false///img/uploads/1e160089689835532686eb7b7f7d0d5a.jpg" /> <img decoding="async" alt="" src="http://www.prothom-aloblog.com/images/view/220/120/false///img/uploads/3979f3b8f7003d121a8a554cd227e878.jpg" /> <img decoding="async" alt="" src="http://www.prothom-aloblog.com/images/view/220/120/false///img/uploads/7e5545599bb4aec435d7c4e5330f463b.jpg" /> <img decoding="async" alt="" src="http://www.prothom-aloblog.com/images/view/220/120/false///img/uploads/ce1e022848d6e456ac3a96e357ef50fa.jpg" /> <img decoding="async" alt="" src="http://www.prothom-aloblog.com/images/view/220/120/false///img/uploads/dafc2efa7790f2384c88d695bb3b72d6.jpg" /><br />
সকল স্রষ্টার সৃজনীপ্রতিভা যে ভাবে ক্রমবিকাশ লাভ করে কবি শফিকুল ইসলাম প্রতিভার বিকাশও সেই ভাবেই হইয়াছে। প্রথম যৌবনে অন্তর্গূঢ় প্রতিভার বিকাশ-বেদনা তাঁহাকে আকুল করিয়াছে– তখন কুঁড়ির ভিতর কেঁদেছে গন্ধ আকুল হয়ে, তখন ‘কস্তুরীমৃগসম’ কবি আপন গন্ধে পাগল হইয়া বনে বনে ফিরিয়াছেন। প্রথম জীবনের রচনায় এই আকুলতার বাণী, আশার বাণী, উৎকন্ঠা, উচ্চাকাঙ্খা, সংকল্প, ক্ষনিক নৈরাশ্যে আত্মসাধনা, মহাসাগরের ডাক, বাধা বিঘ্নের সহিত সংগ্রাম ইত্যাদির কথা আছে।</p>
<p>বাস্তবিক কবি শফিকুল ইসলামের সমস্ত রচনার মধ্যে এই সীমাকে উত্তীর্ণ হইয়া অগ্রসর হইয়া চলিবার একটি আগ্রহ ও ব্যগ্র তাগাদা স্পষ্টই অনুভব করা যায়। যাহা লব্ধ তাহাতে সন্তুষ্ট থাকিয়া তৃপ্তি নাই, অনায়ত্তকে আয়ত্ত করিতে হইবে, অজ্ঞাতকে জানিতে হইবে, অদৃষ্টকে দেখিতে হইবে- ইহাই কবি শফিকুল ইসলামের কথা।</p>
<p>সাধারণ কবিদের মত তিনি ভাববিলাসিতায় ভেসে যাননি। ভাবের গড্ডালিকা প্রবাহে নিজেকে অবলুপ্ত করে দেননি। প্রকৃত কবির মত তার কবিতায় কাব্যিক মেসেজ অনায়াসে উপলব্ধি করা যায়। স্বাভাবিকভাবে প্রশ্ন জাগতে পারে কি সে মেসেজ? তার কাব্যসৃষ্টিতে সাম্য, মৈত্রী ও মানবতার নিগূঢ় দর্শন অন্তঃসলিলা ফল্গুধারার মত প্রবহমান। তার ‘তবুও বৃষ্টি আসুক’ কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতায় কবি বলেছেনঃ-</p>
<p><strong>“তারও আগে বৃষ্টি নামুক আমাদের বিবেকের মরুভূমিতে,</strong><br />
<strong> সেখানে মানবতা ফুল হয়ে ফুটুক-</strong><br />
<strong> আর পরিশুদ্ধ হোক ধরা, হৃদয়ের গ্লানি…”</strong><br />
<strong> (কবিতাঃ ‘তবুও বৃষ্টি আসুক’)</strong></p>
<p>পংক্তিগুলো পাঠ করে নিজের অজান্তে আমি চমকে উঠি। এতো মানবতাহীন এই হিংস্র পৃথিবীতে বিশ্ব মানবের অব্যক্ত আকাংখা যা কবির লেখনীতে প্রোজ্জ্বলভাবে প্রতিভাত হয়েছে। এতো শুধু কবির কথা নয়, এতো একজন মহামানবের উদ্দীপ্ত আহ্বান। তার কবিতা পাঠে আমি অন্তরের অন্তঃস্থলে যেন একজন মহামানবের পদধ্বনি শুনতে পাই। যিনি যুগ মানবের অন্তরের অপ্রকাশিত আকাংখা উপলব্ধি করতে পারেন অনায়াসে আপন অন্তরের দর্পনে। তাই তিনি বিশ্ব মানবের কবি। বিশ্বমানবতার কবি।</p>
<p>বৈদিক যুগে ইতরার পুত্র মহীদাস যেমন তূর্যকন্ঠে আহ্বান করিয়াছেন- চরৈবেতি, চরৈবেতি- চলো, চলো– শফিকুল ইসলামও তেমনি করিয়া ক্রমাগত সীমা অতিক্রম করিয়া সকল বাধা উত্তীর্ণ হইয়া সুদূরের পিয়াসী হইয়া চলার বাণী ঘোষণা করিয়াছেন।</p>
<p>ফুল যখন ফুটিয়া উঠে, তখন মনে হয় ফুলই যেন গাছের একমাত্র লক্ষ্য, যেন সে বন-লক্ষ্মীর সাধনার চরম ধন। কিন্তু বাস্তবিক পক্ষে সে ফল ফলাইবার একটা উপলক্ষ মাত্র। খন্ডের মধ্যে সময়ের তাৎপর্য উপলব্ধি করা যায় না। বর্তমান হইতেছে ক্ষুদ্র খন্ড ক্ষুদ্র-ভূত ও ভবিষ্যতের মধ্যে হাইফেন মাত্র। একাকী তাহার মধ্যে কোন তাৎপর্য নাই। কিন্তু সমগ্র জীবন জীবন-অতীত বর্তমান ভবিষ্যত মিলাইয়া যে সমগ্র জীবন তাহার মধ্যে তাৎপর্য পাওয়া যায়। অনাদি কাল হইতে বিচিত্র বিস্মৃতি অবস্থার মধ্য দিয়া জীবনদেবতা কবিকে এই বর্তমান অবস্থায় উপনীত করিয়াছেন। কবি কাজ করিয়া যান, কিন্তু সেই কাজের মধ্যে খন্ড-পরস্পরার মধ্যে তিনি কোনো তাৎপর্য খুজিয়া পান না। কেবল তাঁহার অন্তর্যামী, যিনি তাঁহার ভূত ভবিষ্যত ও জন্ম-জন্মান্তর মিলাইয়া তাঁহাকে চালনা করিতেছেন, তিনিই তাঁহার সমগ্র জীবনের স্বার্থকতা বুঝিতে পারেন।</p>
<p>জীবনদেবতা জীবনের ক্ষুদ্র স্বার্থ হইতে কখনো কখনো জীবনকে অন্য দিকে লইয়া যান, তখন লোকে ভাবে যে তাহার জীবন বুঝি ব্যর্থ হইয়া গেল, কিন্তু জীবনদেবতাই আবার সেই জীবনকে স্বার্থকতার মধ্যে ফিরাইয়া লইয়া আসেন, সমস্ত বিফলতার মধ্য দিয়া তিনি চরমের দিকে লইয়া যান। কবি তখন নিজের মিলন ও বিরহের মধ্যে বিশ্বের মিলন ও বিরহ দেখিতে পান, তিনি জীবন দেবতার প্রেম দিয়া তাঁহার বিশ্ব প্রেমের রাগিণীর সাধনা করেন। যখন তিনি নিজের জীবনের সার্থকতা খুঁজিয়া পাইবেন, তখন জীবন দেবতার সহিত তাঁহার সম্পূর্ণ মিলন ঘটিবে– তাঁহাদের মধ্যে কোনো বিভিন্নতা থাকিবে না, তখন কবি নিজের মধ্যেই জীবনের সুন্দরকে খুঁজে পাইবেন, তাঁহাকে আর অন্যত্র খুঁজিতে হইবে না। কারণ পূর্ণ সার্থকতা লাভ হইলে অন্বেষণের বিরাম হইবে এবং অন্বেষণ-বিরতির অর্থ-ই পূর্ণ সার্থকতা লাভ। কবি শফিকুল ইসলামের বেলায় ও এর প্রত্যেকটা কথাই যথার্থ।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%a6%e0%a7%83%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a7%80%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%95%e0%a6%ac%e0%a6%bf-%e0%a6%b6%e0%a6%ab/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
