<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>রাজশাহী বিভাগ &#8211; সাহিত্য বাজার</title>
	<atom:link href="https://shahittabazar.com/category/%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%80%e0%a7%9f/%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a7%80-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%97/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://shahittabazar.com</link>
	<description>সাহিত্যের আয়নায় মানুষের মুখ</description>
	<lastBuildDate>Sun, 20 Mar 2022 09:22:01 +0000</lastBuildDate>
	<language>bn-BD</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.9.4</generator>
	<item>
		<title>নিজ এলাকার উন্নয়নে সচেতন প্রতিমন্ত্রী পলকঃ প্রস্তুত আগামী নির্বাচনে</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%9c-%e0%a6%8f%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%89%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a7%9f%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%9a%e0%a7%87%e0%a6%a4%e0%a6%a8/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%9c-%e0%a6%8f%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%89%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a7%9f%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%9a%e0%a7%87%e0%a6%a4%e0%a6%a8/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আরিফ আহমেদ]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 20 Mar 2022 09:22:01 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[জেলায় জেলায় সাহিত্য]]></category>
		<category><![CDATA[রাজশাহী বিভাগ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://shahittabazar.com/?p=4842</guid>

					<description><![CDATA[নিজ এলাকার উন্নয়নে সচেতন প্রতিমন্ত্রী পলকঃ প্রস্তুত আগামী নির্বাচনে <p dir="ltr">চলনবিলের চালিকাশক্তি কিম্বা সিংড়ার প্রাণ বলা যায় তাকে। নিজ এলাকার মানুষের পাশে থাকার প্রতিযোগিতা যদি করা হয়, তাহলে নীলফামারী সদরের</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%9c-%e0%a6%8f%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%89%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a7%9f%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%9a%e0%a7%87%e0%a6%a4%e0%a6%a8/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div class="gmail_attr" dir="ltr"><strong>নিজ এলাকার উন্নয়নে সচেতন প্রতিমন্ত্রী পলকঃ প্রস্তুত আগামী নির্বাচনে</strong></div>
<div dir="auto">
<p dir="ltr"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/03/FB_IMG_1645009119067.jpg"><img decoding="async" class="alignright size-medium wp-image-4843" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/03/FB_IMG_1645009119067-300x223.jpg" alt="" width="300" height="223" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/03/FB_IMG_1645009119067-300x223.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/03/FB_IMG_1645009119067.jpg 720w" sizes="(max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>চলনবিলের চালিকাশক্তি কিম্বা সিংড়ার প্রাণ বলা যায় তাকে। নিজ এলাকার মানুষের পাশে থাকার প্রতিযোগিতা যদি করা হয়, তাহলে নীলফামারী সদরের আসাদুজ্জামান নূর এমপি আর নাটোরের সিংড়া থেকে নির্বাচিত সর্বকনিষ্ঠ সাংসদ জুনাইদ আহমেদ পলক এর নাম উঠে আসবে একই সারিতে। আর একইসাথে জনপ্রিয়তার কাতারে উঠে আসবে নাটোর ৪ গুরুদাসপুর-বড়াইগ্রাম আসনের সাংসদ অধ্যাপক আবদুল কুদ্দুস এর নাম। যদিও বর্তমানে সেখানে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি উভয় দলেই অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও বিভাজন স্পষ্ট।</p>
<p dir="ltr">এটা কোনো তৈল বা তোষামোদ নয়। সরেজমিনে সাহিত্য বাজার জেলায় জেলায় সাহিত্য সংস্কৃতির তথ্য সংগ্রহের সময় নীলফামারী ও নাটোরের সাধারণ মানুষের কাছ থেকে প্রাপ্ত বক্তব্য। যদিও অভিযোগও কম নয় পলকের বিরুদ্ধে। তবে তা বেশিরভাগই বিরোধী পক্ষের বা সুবিধা বঞ্চিত দলীয় কর্মীর বলে দাবী পলক সমর্থকদের।</p>
<p dir="ltr">নীলফামারীর সদর ছাড়াও ডোমার ডিমলা বা জলঢাকা-কিশোরীগঞ্জ ও সৈয়দপুরে এমন কোনো এলাকা নেই যেখানে আসাদুজ্জামান নূর এমপির পদচারণা নেই। এখানের মানুষের বক্তব্য প্রতি বৃহস্পতিবার স্বপরিবারে  নীলফামারিতে চলে আসেন সাবেক সাংস্কৃতিক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর। তার সহধর্মিণী ডাঃ শাহিনা নূর নিয়মিত ফ্রী  রোগী দেখেন এখানে। আর এমপি নূর ঘুরে বেড়ান জেলার বিভিন্ন উপজেলায়। নিজ আসনের বাইরে যেয়েও নিঃস্বার্থ সেবা দেন তিনি। ঢাকার পিজি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বেশিরভাগ রোগী পাওয়া যাবে নীলফামারী ও রংপুর জেলার। যারা আসাদুজ্জামান নূর সাহেবে ও তার সহধর্মিণীর সাহায্য নিয়ে এখানে চিকিৎসা সুবিধা পাচ্ছেন। এমনটাই বক্তব্য নীলফামারীর সাধারণ মানুষের। <span style="font-weight: 300;">প্রায় একই বক্তব্য পাওয়া গেল নাটোর এলাকায়।</span></p>
<p dir="ltr"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/03/Screenshot_2022-03-10-13-17-24-38_a23b203fd3aafc6dcb84e438dda678b6.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignright size-medium wp-image-4844" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/03/Screenshot_2022-03-10-13-17-24-38_a23b203fd3aafc6dcb84e438dda678b6-300x215.jpg" alt="" width="300" height="215" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/03/Screenshot_2022-03-10-13-17-24-38_a23b203fd3aafc6dcb84e438dda678b6-300x215.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/03/Screenshot_2022-03-10-13-17-24-38_a23b203fd3aafc6dcb84e438dda678b6-768x551.jpg 768w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/03/Screenshot_2022-03-10-13-17-24-38_a23b203fd3aafc6dcb84e438dda678b6.jpg 908w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>এখানে সিংড়া উপজেলার বাইরেও সাংসদ পলকের যাতায়াত। এলাকাবাসী বলেন, <span style="font-weight: 300;">লাভ ক্ষতির পরোয়া করেন না আমাদের সাংসদ। সমস্যা হয়েছে শুনলেই তিনি ছুটে আসেন এবং সমাধানের জন্য মরীয়া হয়ে পরেন। বিশেষ করে সিংড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র জান্নাতুল ফেরদৌসের বক্তব্যে তা স্পষ্ট। ইউপি নির্বাচনের পর তিনি বলেছেন, এখানে আওয়ামী লীগের জনপ্রিয়তা ইউপি নির্বাচনে দৃষ্টি দিলেই পরিষ্কার বোঝা যাবে। ১২টি ইউনিয়নের ৮টিতে আওয়ামী লীগের জয় হয়েছে। চারটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী। নির্বাচনে বিএনপি বা বিএনপি সমর্থিত কেউ অংশ নেননি। নৌকার বিরুদ্ধে যাঁরা বিদ্রোহী হিসেবে বিজয়ী হয়েছেন, তাঁরাও দলের কোনো না কোনো পদে রয়েছেন। তাঁরা সবাই স্থানীয় সাংসদ জুনাইদ আহ্‌মেদের ছত্রচ্ছায়ায় রাজনীতি করেন। এখানে পলকের বিকল্প নেই। </span></p>
<p dir="ltr">তবে পলককে ঘীরে স্থানীয় আওয়ামী লীগে দ্বন্দ্বও রয়েছে যা স্পষ্ট ইউপি নির্বাচনে। আওয়ামী লীগের বিলুপ্ত কমিটির একজন শীর্ষ নেতা। নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিনি বলেন, দলীয় মনোনয়ন দেওয়ার ক্ষেত্রে কিছু ভুল ছিল। ফলে এ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে সিংড়া আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের মধ্যে বিরোধের বিষয়টি আরও পাকাপোক্ত হয়েছে।</p>
<p dir="ltr">জুনাইদ আহমেদ পলক একজন বাংলাদেশি আইনজীবী ও রাজনীতিবিদ। ২০০৮ সালের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী বিভাগের নাটোর জেলার সিংড়া উপজেলা থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। বাংলাদেশের সর্বকনিষ্ঠ সাংসদ তিনি। এছাড়া ২০১৩ সালের ২২ জানুয়ারি থেকে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ডাক এবং টেলিযোগাযোগ মন্ত্রনালয়ের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তরুণ এই রাজনীতিবিদ। তিনি পরপর চারবার সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন।</p>
<p dir="ltr">জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, এলাকায় কতটুকু কি করেছি তা এলাকার মানুষ বলবেন। আমার এলাকার ছাত্রছাত্রীদের উচ্চশিক্ষার জন্য আর নাটোর, বগুড়া, রাজশাহী যেতে হয় না। আওয়ামী লীগ সরকার সিংড়ায় তিনটি অনার্স কলেজ করে দিয়েছে। ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে শহর রক্ষা বাঁধ নির্মাণ হচ্ছে। ৩২৯টি পৌরসভার রোল মডেল সিংড়া পৌরসভা। গত ১৩ বছরে সরকারের সব অবদান জনগণের কল্যাণে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির মাধ্যমে পৌঁছে দিয়েছি আমি।</p>
<p dir="ltr">পলক বলেন, আমার এলাকার কোনো মানুষকে কোনো ভাতা নিতে ঘুষ দিতে হয় না। বিদ্যুতের আলোয় আলোকিত সিংড়ার ৫ লাখ মানুষ। ঘরে বসে বিদেশি আইটি কোম্পানিতে কাজ করে অর্থ উপার্জন করছে এখানকার যুবকরা। যার অবদান পুরোটাই জাতীর জনকের সুযোগ্য উত্তরসূরী সজীব ওয়াজেদ জয়ের। ৩৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে সিংড়ায় হাইটেক পার্ক ও টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ নির্মাণ করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এই শীতে জনগণকে রক্ষার জন্য কম্বল নিয়ে এসেছি। সিংড়া উপজেলায় ১৫ হাজার কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।</p>
<p dir="ltr">জুনাইদ আহমেদ পলকের জন্ম ১৯৮০ সালের ১৭ মে নাটোর জেলার সিংড়া উপজেলার সেরকোল তেলিগ্রামে। বাবার নাম ফয়েজ উদ্দিন ও মা জামিলা আহমেদ। ১৯৯৫ সালে সিংড়া দমদমা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং ১৯৯৭ সালে রাজশাহী ওল্ড ডিগ্রি কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করেন জুনাইদ আহমেদ। পরবর্তীতে ঢাকা কলেজ হতে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে এল.এল.বি ডিগ্রি অর্জন করে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টে আইন পেশায় নিয়োজিত হন।</p>
<p dir="ltr">বাবা মরহুম ফয়েজ উদ্দিনের পদানুসরণ করে বিশ বছর বয়সে আওয়ামী লীগের একজন সদস্য হিসেবে রাজনীতিতে যোগ দেন পলক। আটাশ বছর বয়সে ২০০৭ সালে সিংড়া নির্বাচনী এলাকা থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পান। তার স্ত্রীর নাম আরিফা জেসমিন কনিকা। পলক-কনিকা দম্পতির তিন সন্তান। তারা হলো অপূর্ণ জুনাইদ, অর্জুন জুনাইদ এবং অনির্বান জুনাইদ।</p>
<p dir="ltr">সিংড়া উপজেলার উত্তরে বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলা, দক্ষিণে গুরুদাসপুর অধ্যাপক আবদুল কুদ্দুস এমপির এর নিজ উপজেলা। দীর্ঘ ৬০ বছরের রাজনৈতিক জীবনে অনেক ত্যাগ তিতীক্ষার সাক্ষী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পাঁচবারের সাংসদ প্রবীণ রাজনীতিবিদ অধ্যাপক আবদুল কুদ্দুস বলেন, জুনায়েদ আহমেদ পলক সম্পর্কে কিছু বলার অযোগ্য আমরা প্রবীণরা। তিনি দুইবারের মন্ত্রী। তার অবস্থান আর আমাদের অবস্থান আকাশ-পাতাল ব্যবধান। <span style="font-weight: 300;">সিংড়া উপজেলার পূর্বে রয়েছে সিরাজগঞ্জের তাড়াস উপজেলা, পশ্চিমে নওগাঁর আত্রাই উপজেলা। </span><span style="font-weight: 300;">সিংড়া উপজেলা মোট আয়তন প্রায় ৫৩১ বর্গ কিলোমিটার। এ উপজেলার ১২টি ইউনিয়নে ৪৩৯ টি গ্রাম রয়েছে এবং  লোকসংখ্যা বর্তমান হিসাবে প্রায় সাত লাখ। ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ প্রায়। এখানকার চৌগ্রামের রাজবাড়ী, তিসিখালীর মাজার, চলনবিল ও গণকবর উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান। আর এই চলনবিলের চালিকাশক্তি বলা হয় তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলকে। কেননা, তার মতো করে কোমড় পানিতে নেমে সাধারণ মানুষের দুঃখ দূর্দশার খোঁজ আগে কেউ করেননি বলে জানান চলনবিলের বাসিন্দা হনুফা বেগম। এদিকে বগুড়ার নন্দিগ্রামের বাসিন্দা বন্ধু সালাম বলেন, আমাদের গ্রামটি বগুড়া জেলায় হলেও সিংড়ার বর্ডার এখানে। প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক এখানেও সমান জনপ্রিয়। তার এ জনপ্রিয়তা মন্ত্রী হবার কারণে নয়, প্রতিমন্ত্রী হিসাবেতো সে সারাদেশের সব মানুষের জন্য কাজ করবেন এটাই স্বাভাবিক। এখানে সে সাংসদ হবার আগেই ছাত্র জীবন থেকেই সকলের কাছে প্রিয়।</span></p>
<p dir="ltr">তবে ব্যতিক্রম জানা যায় সিংড়া উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব দাউদার মাহমুদসহ বেশ কয়েকজন আওয়ামী লীগ কর্মীদের কাছে। তবে এরা ইউপি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিরোধী পক্ষে কাজ করেছে বলে জানা যায়। উপজেলার বেশকিছু ইউনিয়ন সুকাশ, ডাহিয়া, ইটালী, কলম, চামারী, হাতিয়ান্দহ, লালোর, তাজপুর, চৌগ্রাম, ছাতারদীঘি ও রামানন্দ খাজুরা ঘুরে জানা যায়, এখানে আড়ালে আবডালে আইটি প্রতিমন্ত্রী পলককে ইন্টারেস্টিং প্রতিমন্ত্রীও বলা হয়। সবকাজেই এখানে তার জন্য একটা ইন্টারেস্টিং পার্সেন্টেজ রাখতে হয় বলেই নাকি কমিশন মন্ত্রী বলে উপাধি তার। এমন অভিযোগ যে ভিত্তিহীন শত্রুতা তা আর বলার অপেক্ষা রাখেনা।</p>
<p dir="ltr">তবে সিংড়া পৌর মেয়র জান্নাতুল ফেরদৌস ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান কামরুল হাসান কামরান সহ আরো অনেকে প্রতিমন্ত্রী পলককের বিকল্প নেই বলে জানান। তারা বলেন, স্থানীয়ভাবে আওয়ামী লীগ এখানে প্রচন্ড শক্তিশালী এবং এটা মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলকের অবদান।</p>
<p dir="ltr">অন্যদিকে আইটি প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বেও সফল এবং সমান জনপ্রিয় জুনাইদ আহমেদ পলক। আইসিটি সেক্রেটারি জিয়াউল আলম বলেন, প্রতিটি কাজে তিনি সুবিবেচিত সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম। আইটি সেক্টরে তার অবদানই তাকে তরুণ প্রজন্মের কাছে জনপ্রিয় করে তুলেছে। সাম্প্রতিক সময়ে ডিজিটাল বাংলাদেশের যে স্বপ্ন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য সন্তান ও তথ্য প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় দেখেছেন। বলা যায় তার পুরোটাই বাস্তবায়িত হচ্ছে প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এর হাত দিয়ে।</p>
<p dir="ltr">অবশ্য এ বিষয়ে পলক বলেন, এটা সম্পূর্ণই সজীব ওয়াজেদ জয় এর উদারতা। তিনি আমাকে সুযোগ দিয়েছেন বলেই আমি কাজ করতে পারছি।</p>
</div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%9c-%e0%a6%8f%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%89%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a7%9f%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%9a%e0%a7%87%e0%a6%a4%e0%a6%a8/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ফেরিওয়ালা : মেহারুল ইসলাম</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%ab%e0%a7%87%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%93%e0%a7%9f%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%b2-%e0%a6%87%e0%a6%b8%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ae/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%ab%e0%a7%87%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%93%e0%a7%9f%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%b2-%e0%a6%87%e0%a6%b8%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ae/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[meharul.islam.1991@gmail.com]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 20 Jun 2018 15:16:52 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[রাজশাহী বিভাগ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://shahittabazar.com/?p=3588</guid>

					<description><![CDATA[<p>“এই আইসক্রিম আছে ,আইসক্রিম-মালাই ,নারকুল,কুলফি আইসক্রিম। আসেন বারে আসেন আইসক্রিম খান” কিংবা  “চুড়ি নিবেন চুড়ি? লাল,নীল,কালো,সাদা –যা চান তাই পাবেন”। কিংবা একহাতে ডুগডুগির শব্দ করতে করতে কাধের দুপাশে ভাড়ে করে</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%ab%e0%a7%87%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%93%e0%a7%9f%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%b2-%e0%a6%87%e0%a6%b8%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ae/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/04/m-Huda-Book-2.jpg" rel="attachment wp-att-3292"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-3292" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/04/m-Huda-Book-2-193x300.jpg" alt="m Huda Book 2" width="193" height="300" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/04/m-Huda-Book-2-193x300.jpg 193w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/04/m-Huda-Book-2.jpg 617w" sizes="auto, (max-width: 193px) 100vw, 193px" /></a>“এই আইসক্রিম আছে ,আইসক্রিম-মালাই ,নারকুল,কুলফি আইসক্রিম। আসেন বারে আসেন আইসক্রিম খান” কিংবা  “চুড়ি নিবেন চুড়ি? লাল,নীল,কালো,সাদা –যা চান তাই পাবেন”। কিংবা একহাতে ডুগডুগির শব্দ করতে করতে কাধের দুপাশে ভাড়ে করে তেল,নুন,সাবান,মশলা,জিলাপী,নই,সমপাপড়ী নিয়ে ফেরিওয়ালাদের বাড়িতে বাড়িতে হাক। কাচের ঢাকনা ওয়ালা কাঠের ফ্রেমের বাক্সে করে আলতা ফিতা,কানের ঝুমকা,স্নো-পাউডার,কাজলের পশরা সাজিয়ে মেয়েদের মন জোগানোর নানা কসরত।এমনই ছিলো আমাদের বিংশ শতকের শেষ দিককার চিরচেনা গ্রামের দৃশ্য।হাট- বাজার  কিছুটা দূর-দূরান্তে আর সাপ্তাহিক হওয়ার কারনে সংসারের টুকটাক সদাইপাতি আর ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের আবদার মেটাবার একমাত্র ভরসা ছিলো এসব ফেরিওয়ালা। কেউ বা মাথায় ঝাপিতে করে খুব সকাল সকাল গোল গোল ফুলানো গরম পাউরুটি বেচতে বেড়িয়ে পড়তো পাড়ায় পাড়ায়। এ পাড়া থেকে ও পাড়া দুপুর হতে হতেই ঝাপির সব পাউরুটি বেচা প্রায় শেষ। দাম যে খুব বেশি তা কিন্তু নয়।এই আট আনা ,এক টাকা কিংবা সর্বোচ্চ হলে দুই টাকা।ব্যাস – ওটুকুতেই ছেলেপুলে বেজায় খুশি।এখনকার মতো বার্গার,রোল,দামি দামি আইসক্রিম,কাবাব,স্যান্ডউইচ বা নুডুসে কোন মোহই ছিলো না সে সময়।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>দু-এক টাকার বাদাম,প্লাস্টিকের বা লোহার ভাঙাচূড়া কুড়িয়ে জমিয়ে সেটা ফেরিওয়ালার কাছে দিয়ে একটু জিলাপী কিংবা কাগজের টুকরোতে একটু সমপাপড়ী-ব্যাস সকল তৃপ্তির স্বাদ ওটুকুতেই একেবারে ভরপুর। আর কপাল ভালো হলে এক টাকার মালাই বা নাড়কেল আইসক্রিম কপালে জোটে- তবে সেতো সাপে বর। খুশিতে একেবারে গদ গদ অবস্থা। কাচ আর টিনের ফ্রেমে দিয়ে কৌটার মতো বাক্সে গোলাপী রঙের হাওয়াই মিঠাই ছেলেপুলের সখের রসনা। বড়দের এই হাওয়াই মিঠাই কেনায় বড্ড আপত্তি।কেননা এক প্যাকেট হাওয়াই মিঠাই মুখে দিতে না দিতেই একেবারে হাওয়া। কিন্তু হাওয়াই মিঠাই ওয়ালার হাতে পিতলের ঘন্টার টুংটাং শব্দ শুনলেই ছেলে-এড়ে- বুড়ো সব হাজির। মুখে বলতে থাকে এটা কিনে শুধু টাকা নষ্ট ,কিন্তু বাস্তবেই হাওয়াই মিঠাই খাওয়ার লোভ কেউই সামলাতে পারে না। দাম ও বেশি না এই আট আনা বা বারো আনা হলেই এক প্যাকেট হাও্য়াই মিঠাই পাওয়া যায়। আর এই এক প্যাকেট তিন চারজনে অনায়াসেই মুখে দিতে পারে। বাড়ির গিন্নীদের সাথে অবশ্য তেল,নুন,সাবান,মশলা ফেরিওয়ালাদেরই খাতির একটু বেশি থাকে।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>পাড়ায় যেকোন একটা বাড়ির বড়ো কোন ছায়াযুক্ত গাছের তলায় বসে পাড়া সুদ্ধ গিন্নীদের জড়ো করা আর নানান গল্পের তালে তালে জিনিস <a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/03/03-1.jpg" rel="attachment wp-att-3248"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-3248" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/03/03-1-202x300.jpg" alt="03" width="202" height="300" /></a>বিক্রিই এসব ফেরিওয়ালাদের প্রধান কাজ। কারো একটু নুন,কারো এক কাপ তেল, কারো মশলা, আবার কেউ সাবান আনেনি বলে নিজের স্বামীর বিরুদ্ধে নানান অভিযোগ শুনিয়ে ভালো দেখে গোসল করা সাবানের চাহিদা পেশ, আবার কেউবা নিজের ছেলের বউয়ের উপর যতো কথা সব ঝালিয়ে ফেরিওয়ালার কাছে মনের দুঃখ মেটানোর চেষ্টা সবই চলেই সারাদিন জুড়ে। ফেরিওয়ালারাও কম যান না, তারাও নিজেদের বেচা-কেনা বাড়াতে বাড়ির গিন্নীর এসব নানান অভিযোগের সাথে তাল মিলিয়ে তুষের আগুন আরো উস্কে দেয়।আর বাড়ির গিন্নীও সাময়িক আপন ভেবে গরগর করে মনের সব কথা বলে দেয় ফেরিওয়ালাদের কাছে। গপ্পে গপ্পে তার বেচা বিক্রিও বেশ ভালোই হয়।এ রকম দিনে কম করে হলেও নানা রঙের ,নানা জিনিস নিয়ে ফেরিওয়ালারা মাতিয়ে রাখতো গ্রামের গৃহস্থের ঘর দুয়ার থেকে এ পাড়া ও পাড়া হয়ে এ বাড়ির উঠোন থেকে ও বাড়ির উঠোন।</p>
<p>আবার কেউ কেউ এসব ফেরিওয়ালাদের মাধ্যমে দুরের নিকট আত্বীয়ের কাছে সংবাদাদি পাঠাতো, সংবাদ নিতো। আবার বেশি খাতির রত্তি জমাতে পারলে কোন কোন দিন গৃহস্থের বাড়িতে দুপুরের খাবারের বন্দোবস্তও হয়ে যেতো। মাঝে মাঝে আবার বাড়ির দরজায় হাক দেয় ভিক্ষুকের দল।কপাল আর গৃহস্থের গিন্নীর মন মেজাজ ভালো থাকলে জোটে দু-মুঠ চাল বা আরো বেশি কিছু ।আর যদি গিন্নীর মেজাজ ভালো না থাকে তো “ফকিরের বেটা/বেটি মাফ করো”। খাবার তো দুরের কথা এক মুঠ চাল ও কপালে জোটার সম্ভাবনা নেই।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>এদিকে একের পর এক আসতে থাকে ফেরিওয়ালাদের দল।কখনো চানাচুর ওয়ালা,কখনো আইসক্রিম ওয়ালা, কখনো ভাঙ্গাচুড়া বদল দিয়ে নুন বা মিষ্টি আলু ওয়ালা, কিংবা কাধের দু-পাশে ভাড় ঝুলিয়ে তেল,নুন,সাবান,জিলাপী ওয়ালা। আবার কখনো মাটির হাড়িতে খাটি সরিষার তেল ওয়ালা, বা আলতা,ফিতা,স্নো,পাউডার ওয়ালা।এক সময় গামছা দিয়ে গিট্টু দেয়া খাটো করে লুঙ্গি পড়া এসব ফেরিওয়ালাদের চোখে পড়তো বেশ। এখন সময় পাল্টিয়েছে ।যুগের সাথে তাল মিলিয়ে ফেরি করা মানুষগুলোও তাদের বেচাকিনির ধরন বদলিয়ে হয়েছে অনেকটা আধুনিক। তাদের আর বাড়িতে বাড়িতে ফেরি করে জিনিস বেচতে হয় না। আবার ঘরের গিন্নীরাও আজকাল ঘর সংসার নিয়ে বেজায় ব্যস্ত।তাদের সময় কোথায় ফেরিওয়ালাদের সাথে রসিয়ে রসিয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা গল্প গুজব করার।ছোট্ট ছোট্ট ছেলে-মেয়েদের ও আর দু-চার আনার চানাচুর বা জিলাপী কিংবা হাও্যাই মিঠাইয়ে মন ভরে না। এখন তাদের চাই নানা স্বাদের বার্গার,কাবাব,রোল, পিতজা সহ নানা ধরনের আধুনিক খাবারের। চাই ভিন্ন স্বাদের বিদেশী ব্র্যান্ডের নানান নামের খাবারের। তাই ফেরি করা মানুষগুলোও আজ দেশীয় রীতি ছিকেয় তুলে আধুনিক হয়েছে।আর তাইতো প্রযুক্তির কল্যানে বিভিন্ন অনলাইন সাইট চালু করে দিয়েছে  কেনাকাটার সব বাহারি নাম  ।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%ab%e0%a7%87%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%93%e0%a7%9f%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%b2-%e0%a6%87%e0%a6%b8%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ae/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>রাজশাহীর সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং উত্তরাধিকার : ড. তসিকুল ইসলাম</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%93-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b8%e0%a7%8d/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%93-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b8%e0%a7%8d/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[সাহিত্য বাজার]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 21 Nov 2013 04:40:45 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[জেলায় জেলায় সাহিত্য]]></category>
		<category><![CDATA[রাজশাহী বিভাগ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://shahittabazar.com/?p=1063</guid>

					<description><![CDATA[<p>রাজশাহীর সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং উত্তরাধিকার</p> <p>ড. তসিকুল ইসলাম</p> <p>বাংলাদেশ শিক্ষানগরী নামে খ্যাত রাজশাহী জেলার সাহিত্য-সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও উত্তরাধিকার বিষয়ে আলোচনা করতে গেলে ইতিহাসের পাতায় আশ্রয় খুঁজে পেতে হয়।</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%93-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b8%e0%a7%8d/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>রাজশাহীর সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং উত্তরাধিকার</strong></p>
<p><strong>ড. তসিকুল ইসলাম</strong></p>
<p><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2013/11/images10.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="size-full wp-image-1064 alignright" alt="images" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2013/11/images10.jpg" width="150" height="113" /></a>বাংলাদেশ শিক্ষানগরী নামে খ্যাত রাজশাহী জেলার সাহিত্য-সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও উত্তরাধিকার বিষয়ে আলোচনা করতে গেলে ইতিহাসের পাতায় আশ্রয় খুঁজে পেতে হয়। সেই দৃষ্টিভঙ্গিকে কাজে লাগালে অনুভব করা সহজ হবে যে, আজকের রাজশাহীর ভৌগলিক অবস্থার প্রেক্ষাপটে সাহিত্য সাংস্কৃতিক জীবন চর্চার ক্ষেত্র সীমিত। কিন্তু প্রাচীন যুগ, মধ্যযুগ, আধুনিক যুগ তথা ইংরেজ আমল, পাকিস্তানকাল এবং বর্তমান বাংলাদেশের পটভূমিকায় বারেন্দ্রীয় ঐতিহ্য লালিত শিক্ষা সাহিত্য সংস্কৃতি কেন্দ্র হিসেবে রাজশাহীর প্রসিদ্ধি সর্বজনবিদিত।</p>
<p>পদাবলী রচনা করে  বৈষ্ণব সমাজের শ্রদ্ধাভাজন হন। ৩ রাজশাহী শহরের উপকণ্ঠে সিন্দুরী কুসুমী গ্রামের মাসুদ ১৭০৫ খ্রিষ্টাব্দে৪ যোগীর পুথি কাব্যরচনা করে খ্যাতি অর্জন করেন। উল্লেখ্য ইনি বিখ্যাত কবি ভারতচন্দ্রেরও (১৭১২-১৭৬০) পূর্বসুরি ছিলেন। ৫ এছাড়াও গিরিশচন্দ্র লাহিড়ী ‘মহারাণী শরৎসুন্দরীর জীবনী’ রচনা করে প্রশংসা অর্জন করেন। তিনি পুঠিয়ার অধিবাসী ছিলেন। মির্জ্জা মৌ. মুহম্মদ ইউসুফ আলী (১৮৫৮-১৯৩০) সমাজ সংস্কারক ও ধর্মীয় পুস্তক রচনা করেন। তন্মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য ‘ইসলামতত্ত্ব’ ‘দুদ্ধ সরোবর’ এবং বিখ্যাত দার্শনিক ইমাম গাজ্জালীর ‘কিমিয়া সাদাত’ এর বঙ্গানুবাদ ‘সৌভাগ্য স্পর্শমণি’। কান্তকবি রজনীকান্ত সেন (১৮৬৫-১৯২৪) সিরাজগঞ্জে জন্ম হলেও ছাত্রজীবন  কর্মজীবন রাজশাজী শহরেই অতিবাহিত করেন। তিনি ‘বাণী’ ‘কল্যানী’, আনন্দময়ী’, অভয়া ‘বিশ্রাম’ প্রভৃতি কাব্যগ্রস্থ ও গান রচনা করে যশস্বী হয়েছেন। ঐতিহাসিক অক্ষয়কুমার মৈত্রেয় (১৮৭০-১৯৮৫) ‘মোঘল সাম্রাজ্যের পতন’ও ‘আওরঙ্গজেব’ তাঁর উল্লেখযোগ্য সৃষ্টি। তিনি কলকতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইসচ্যান্সলার ছিলেন। বিনোদী বিহারী রায় (১২৬৯-১২৫২ বাং) রাজশাহী শহরের অধিবাসী। ‘পৃথিবীর পুরাতত্ব’ তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ। মহম্মদ মহসেন উল্লাহর ‘বুড়ীর সূতা’ কাজী জসিমুদ্দীনের ‘দীন ও দুনিয়া,’ হাজি কেয়ামতুল্লাহ খন্দকারের ৫০ খানা গজল গীতি, মৌলভী শামসুদ্দীন আহমদ এর ‘<em></em><em>Inscriptions of Bengal’</em> সাহিত্য সংস্কৃতি চর্চার ইতিহাসে অনন্য বলা যেতে পারে।</p>
<p><strong>দুই</strong></p>
<p>বাংলাসাহিত্যের প্রাচীন ও মধ্যযুগের অবদান গবেষনা ও অনুসন্ধানের ব্যাপার। বরেন্দ্র অঞ্চলকে ইদানীং কেউ কেউ বাংলা ভাষার আদি নীড় বলে দাবি করছেন। ৬ বৌদ্ধ, নাথধর্ম, বৈষ্ণব প্রভাব এবং পুথি সাধনায় প্রাচীন ও মধ্যযুগে রাজশাহীতে সাহিত্য সাধনার নমুনা লক্ষ্য করা যায়। বিশেষত মুসলমানদের আগমনের পর আউলিয়া দরবেশদের ইসলাম প্রচার ও ইসলামী শিক্ষার প্রসারে ‘সুফী সাহিত্যের পরিচয় এ অঞ্চলে পাওয়া যায়।’৭ এই প্রেক্ষপটে শাহ মখদুম (রহঃ) (মাজার শহরে পদ্মা নদীর ধারে অবস্থিত) এর আগমনে রাজশাহীর জনজীবন ধন্য হয়েছে।</p>
<p>আধুনিক যুগে অনুসন্ধান ও গবেষণার মাধ্যমে ‘বরেন্দ্র সমিতি’র (১৯১০) কার্যক্রমে এবং ‘বরেন্দ্র রিসার্চ মিউজিয়াম’ (১৯১৬) এর তৎপরতায় সেই সাথে বরেন্দ্র অনুসন্ধান সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি শরৎকুমার রায়ের অবদানে সমিতি ইতিহাসের অনেক হারানো অধ্যায়কে উদঘাটিত করে আমাদের অতীত ঐতিহ্যে লালিত আলো ঝলমল জীবনের সন্ধান দিয়েছে। অবশ্যি রাজশাহী শহর ও আশেপাশের এলাকায় নাটোরে রানি ভবানী ও মহারানি হেমন্তকুমারী পূন্যকর্মের যে দানের অবদান রেখেচেন তা নজীরবিহীন। এছাড়া রাজশাহী শহরে ১৮৭২ খ্রিষ্টাব্দে ২১শে জুলাই ‘রাজশাহী এসোশিয়েশন’ (রাজশাহী সভা), ১৯৭৩ খ্রিষ্টাব্দে রাজশাহী কলেজ’ ও ১৮৮৪ খ্রিষ্টাব্দে ১৯শে জুলাই ‘রাজশাহী সাধারণ গ্রন্থাগার’ প্রতিষ্ঠান ফলে কলকতার বাহিরে শিক্ষা-দীক্ষা ও সাহিত্য-সংস্কৃতি চর্চার জোয়ারে রাজশাহী জনজীবনে বৈপ্লবিক পরিবর্তন সূচিত হয়। সেই ধারাকে অব্যাহত রাখতে গিয়ে ১৯৪৭ এ দেশ বিভাগের পূর্বে রাজশাহীর রাজা জমিদারেরা সাহিত্র সম্মেলন সঙ্গীত সম্মেলনের আয়োজন করে এবং দেশ বিভাগের পূর্বে রাজশাহীর রাজা জমিদারেরা সাহিত্য সম্মেলন সঙ্গীত সম্মেলনের আয়োজন করে এবং দেশ বিভাগের পর সাংস্কৃতিক বন্ধ্যাত্ব লক্ষ্য করা যায়। পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর রাজশাহীতে ওস্তাত মোজাম্মেল হোসেন, ওস্তাদ হরিপদ দাস, জনাব আবদুল আজিজ ওরফে মুন মাষ্টার এর সুরবানী সঙ্গীত বিদ্যালয়ের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সর্বজনাব আবদুল মালেক খান, আবদুল আজিজ বাচ্চু ও মরহুম আবদুল জব্বার সঙ্গীতকে জনসমাজে ছড়িয়ে দিয়েছেন। এর ফলে সাংস্কৃতিক জীবধার গতিশীল পথ খুঁজে পেয়েছে।</p>
<p><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2013/11/Borendra-Musium-Photo.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="size-full wp-image-1065 alignright" alt="Borendra Musium Photo" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2013/11/Borendra-Musium-Photo.jpg" width="178" height="151" /></a>১৯৫২ খ্রিষ্টাব্দে ভাষা আন্দোলনের ঢেই রাজশাহীতে চাঞ্চল্যকর অবস্থার সৃষ্টি করে এবং ১৯৫৩ খ্রিষ্টাব্দে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠান পর রাজশাহীর জনজীবন মন মানসিকতার দিক থেকে উন্নত ও রুচিশীল পর্যায়ে উন্নীত হয়। ১৯৬৯ খ্রিষ্টাব্দে গণ আন্দোলনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. জোহার মৃত্যু এবং পরবর্তীতে ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা লাভ সমস্ত কর্মকান্ডের অগ্রভাগে রাজশাহীতে তরুণ ছাত্রসমাজ অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে এবং এই সকল কর্মপ্রয়াসকে সার্থকভাবে বাস্তবায়িত করে তুলতে প্রতিরোধ ও প্রতিবাদী কণ্ঠের বহিঃপ্রকাশ সাহিত্য চর্চা ও সাংস্কৃতিক জীবন চর্চার হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে। মহত্তর জীবনবোধ ও মননশীল কর্মকান্ডে বিশেষত সাহিত্যে বরেন্দ্র একাডেমী, উত্তরা সাহিত্য মজলিশ, স্পন্দন সাহিত্য -সাংস্কৃতিক সংসদ, স্বপন, রবিবাসরীয় সাহিত্য সংসদ, কিশোর সাহিত্য সংসদ, রাজশাহী লেখিকা সংঘ, কতিপয় সাহিত্য গোষ্ঠী, কবিতা সারথী, বাংলা সাহিত্যিকী, প্রফেসর আবদুল হাই সাহিত্য-সংস্কৃতি সংসদ ইত্যাদি প্রতিষ্ঠান এবং সাংস্কৃতিক সংঘ, রংধনু নাট্যচক্র, রাজশাহী সাংস্কৃতিক সংঘ, পলাকার নাট্যগোষ্ঠী, কথাকলি নাট্য গোষ্ঠী, হিন্দোল সাংস্কৃতিক গোষ্ঠী, উত্তরা নাট্য গোষ্ঠী, সুরবাণী সঙ্গীত বিদ্যালয়, সঙ্গীত শিক্ষা ভবন (১৯৪৩), জেলা শিল্পকলা একাডেমী, শিশু একাডেমী, আন্দোলন নাট্য গোষ্ঠী, সুরবিতান, গুঞ্জন সাংস্কৃতিক একাডেমী, ত্রিবেণী সাংস্কৃতিক পাকিস্তান আমলে এবং অব্যবহিত পরে এখানে কবি আবদুর রশীদ কানের ‘আইডিয়াল প্রিন্টিং প্রেস’ অধ্যাপক একরামুল হকের ‘মর্ডান প্রিন্টিং প্রেস’ ইত্যাদি প্রকাশনালয় থেকে বেশ কিছু প্রতিনিধিত্বশীল বই প্রকাশিত হয়েছে। তন্মধ্যে কবি আবদুর রশীদ খানের ‘নিরন্তন স্বর’ আবদুর হাফিজের ‘সুকান্তের সমগ্র কবিতা’ ও ‘লোক-কাহিনীর দিগ-দিগন্ত’ ডকটর মযহারুল ইসলামের ফোক লোর পরিচিত ও লোক সাহিত্যের পঠন-পাঠন ডকটর কাজী আবদুল মান্নানের ‘মুসলিম সাহিত্য সাধনা’ ডকটর এবনে গোলাম সামাদের ‘বাঙালীর জন্ম পরিচয়’ মুস্তাফিজুর রহমানের ‘নিরবধি আলোকে আধারে (কাব্য) কবি বন্দে আলী মিয়ার ‘দক্ষিণ দিগন্ত’ (কাব্য) শামসুল হক কোরায়শীর ‘গোধূলির কান্না’ (কাব্য) জুলফিকার মতিনের স্বৈরিণী স্বদেশ দুই’ (কাব্য) এস.এম আবদুল লতিফের ‘ছন্দ পরিচিত কবি রুহুল আমিন প্রামাণিকের ‘না তুমি না আমি না ঈশ্বর’ (কাব্য) শেখ আতাউর রহমানের ‘একজন হত্যাকারীর গল্প’ (কাব্য) প্রবীণ সাংবাদিক ও সাহিত্যিক মুহম্মদ আবদুস সামাদের ‘দিক-দিগন্ত’ তসিকুল ইসলামের ‘শিশু সাহিত্যে বন্দে আলী মিয়া,’ ডকটর মুহম্মদ মজির উদ্দিনের ‘ডকটর মুহম্মদ এনামুল হক’ বরেন্দ্র একাডেমী কর্তৃক প্রকাশিত ‘রাজশাহী পরিচিত,’ রাজশাহী সাধারণ গ্রন্থাগারের শতবর্ষ পূর্তি উদযাপন উপলক্ষে প্রকাশিত ‘শতবর্ষ স্মারক গ্রন্থ: ১৯৮৪’ এবং রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় থেকে প্রকাশিত ‘বরেন্দ্র অঞ্চলের ইতিহাস’ উল্লেখ্যযোগ্য।</p>
<p>প্রসঙ্গত বলা দরকার,‘রাজশাহীর লোকসাহিত্য ও লোক-সংস্কৃতি নানা উপাদান ও উপকরণে সমৃদ্ধ’। লোকজ জীবন যাপনে রাজশাহী অঞ্চলের প্রকৃতি, আবহাওয়া এবং পরিবেশ কৃষি নির্ভর হলেও তাদের নানা রকম বিশ্বাস বা সংস্কার লোকসাহিত্যেন মূল্যবান সম্পদ। লোকসাহিত্য লোক-সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ’। ১০ নানা প্রকার ছড়া, সারি, জারী গম্ভীরা, কবি বা ছন্দ (কবিগান), হাপু, জাগ, মেয়েলী গীত বা বিয়ের গান, বারমাসী, আলকাপ, প্রভৃতির দ্বারা রাজশাহীর লোক-সাহিত্য ভান্ডার পূর্ণ।</p>
<p><strong>তিন</strong><br />
<strong>রাজশাহীর পত্র-পত্রিকা</strong><br />
<a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2013/09/Chandrabindu.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="size-medium wp-image-321 alignright" alt="Chandrabindu" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2013/09/Chandrabindu-300x136.jpg" width="300" height="136" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2013/09/Chandrabindu-300x136.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2013/09/Chandrabindu.jpg 874w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a><br />
সাহিত্য ও সমাজের মধ্যে সম্পর্ক চিরন্তর’ ১২ এই সম্পর্কের চিরন্তনী রূপকে বলিষ্ঠতর করে তুলতে সাহিত্য পত্রিকা, লিটল ম্যাগাজিন ইত্যাতির ভূমিকা প্রশংসনীয়। মানুষের জীবন যাত্রার আর্থিক সামাজিক রূপ, তার মানসিক রূপ, তার মানসিক ও আধ্যাত্মিক, নানা বৈজ্ঞানিক আবিষক্রিয়া আর শিল্পসৃষ্টি সমস্ত কারুকলা ও চারুকলা। ১৩ ইত্যাদি প্রয়াসকে টিকিয়ে রেখেছে পত্র-পত্রিকার ইতিহাসে অতীত ঐতিহ্যের দিকে চোখ ফেরালে দেখা যাবে রাজশাহীতে ১৮৬৬ খ্রিষ্টাব্দে প্রথম বাবু শ্রীনাথ সিংহ রায়ের সম্পাদনায় ধর্মীয় মাসিক পত্রিকা ‘হিন্দু-রঞ্জিকা’ প্রকাশ করেন। ১৮৭০ খ্রিষ্টাব্দে ‘জ্ঞানাস্কুর’ পরে ১২৮২ বাংলা সালে সাপ্তাহিক আকারে ‘জ্ঞানাস্কুন ও প্রতিবিম্ব’ নামকরণে রামসর্ব্বম্ব বিদ্যাভূষণের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়। পরবর্তীতে মানিস ‘শিক্ষাপরিচয়’ কুমার মৈত্রের সম্পাদনায় ‘ত্রৈমাসিক সমাচার,’চিকিৎসা নামে মাসিক চিকিৎসা বাংলা ভাষার পত্র পত্রিকার ইতিহাসে একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা’১৪ এবং ১৯২০ খ্রিষ্টাব্দে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ‘আঞ্জুমানে হেমায়েত ইসলাম’ এর মুখপত্র ‘নূর অল ইমান নাট্যকার ও মোক্তার এম,মেহেরুদ্দীনের সম্পাদনের প্রকাশিত হয়। ১৯১৫ খ্রিষ্টাব্দে ‘উৎসব’ ১৯২৯’ খ্রিষ্টাবেদ ‘রাজশাহী থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক ‘পল্লীবান্ধব’ এখানকার সংবাদপত্র ও সাংবাদিকতার জগতে আধুনিক বৈশিষ্ট্য নিয়ে উপস্থিত হয। ১৫ মীর্জা মুহাম্মদ ইয়াকুব আলী পত্রিকাটি সম্পাদনা করেন। রাজশাহীতে ‘হেমা ক্লিয়ার প্রিন্টিং প্রেস’ (মুসলমানদের প্রথম ছাপাখানা) থেকে পত্রিকাটি ছাপা হতো। প্রখ্যাত চিত্রপরিচালক ঋত্ত্বিক ঘটকও রাজশাহী থেকে ‘অভিধারা’ এবং ১৯৪৯ খ্রিষ্টাব্দে সাপ্তাহিক ‘দীপালী’ সম্পাদনা করেন।<br />
১৯৪৭ খ্রিষ্টাব্দে দেশ বিভাগের পর রাজশাহীতে সাহিত্য চর্চায় রক্ষণশীলতার পরিবর্তে প্রগতিশীল চিন্তাভাবনার উন্মেষ ঘটতে দেখা যায়। ১৯৫১ খ্রিষ্টাব্দে দিশারী সাহিত্য মজলিশ ‘দিশারী’ মাসিক পত্রিকা প্রকাশ করে। প্রগতিশীল রাজনৈতিক ও সাহিত্য কর্মীদের প্রচেষ্টায় দিশারী নতুন জীবনের স্বাদ উপলব্ধি করতে বিশেষ ভুমিকা পালন করে। এর প্রথম সম্পাদক ছিলেন এ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান শেলী, পরে অধ্যাপক একরামুল হক ও সাইদ উদ্দীন আহমেদ। ১৯৫৪ খ্রিষ্টাব্দে মুহম্মদ আব্দুস সামাদের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয় মাসিক ‘প্রবাহ’, ১৯৬০ খ্রিষ্টাবেদ খন্দকার সিরাজুল হকের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয় ত্রৈমাসিক ‘যাত্রী’। রাজশাহীর পত্র-পত্রিকার জীবনে সবচেয়ে গৌরবের কথা ১৯৬২ খ্রিষ্টাব্দে মুস্তাফা নুরুউল ইসলাম ও জিল্লুর রহমান সিদ্দিকীর সম্পাদনায় ও রাজশাহী জেলা পরিষদের অর্থানুকূল্যে ‘রাজশাহী বার্তা’ মোহসীন রেজার ‘সুনিকেত মল্লার,’ ডক্টর মযহারুল ইসলামের সম্পাদনায় ‘উত্তর অন্বেষা’ শাহ নজমুল হক চৌধুরীরর সম্পাদনায় সাপ্তহিক ‘উত্তর বাংলা’ সরদার আমজাদের সম্পাদনায় ‘সোনার বাংলা’ এবং বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর কবি ও মুক্তিযোদ্ধা ওবায়দুর রহমানের ‘বাংলার কথা,’ সাইদ উদ্দীনের সম্পাদনায় ‘নতুন কাল’ প্রকাশিত হয়। এছাড়াও সাপ্তহিক ‘আন্তরিক,’ উত্তরা সাহিত্য মজলিশের মুখপাত্র ‘প্রভীতিদ এবং পূর্ণাশা চিৎকার কোষিক এক উল্লাস মুখোমুখি চেতনা নব প্রবাহ সুপ্রীতি সিড়ি নন্দিনী রবিবাসরীয় সাহিত্য সংসদের মুখপত্র পরিলেখ ইত্যাদি পত্র-পত্রিকা সংলকন স্মরণিকা প্রকাশ সাহিত্য চর্চার ক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে অবদান রেখেছ্ ে১৯৭৬ খ্রিষ্টাব্দের ১৫ই অকটোবর রাজশাহীর জীবনে আরেকটি উল্লেখযোগ্য গটনা এই দিন রাজশাহী থেকে প্রকাশিত হয় জাতীয় ‘দৈনিক বার্তা’ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত ‘সাহিত্যকী’তে গবেষণা ও মননশীল প্রবন্ধ প্রকাশ করে সারাদেশ বিশেষ স্থান লাভ করেছে। এই সকল পত্র-পত্রিকাকে কেন্দ্র করে সাহিত্য চর্চার ক্ষেত্র নানাভাবে বিস্তৃতি লাভ করেছে এবং বাংলাভাষা ও সাহিত্যের শ্রীবৃদ্ধি ও উৎকর্ষ সাধনে অনন্য ইতিহাস সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছে।</p>
<p>চার<br />
রাজশাহীতে সাহিত্য সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও উত্তরাধিকার থেকে লালিত হয়ে আজকের রাজশাহীতে কাব্য কবিতা কথাসাহিত্য, প্রবন্ধ সাহিত্য সঙ্গীত, নৃত্য শিল্প, চিত্রকর্ম প্রভৃত্তি শাখায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। তবুও বলা যায়, মৃদ্রণ ও প্রকাশনার ক্ষেত্রে নানা সঙকট ও জটিলতার কারণে আশানুরূপ ফল লাভ হয়নি।<br />
রাজশাহী শহরে কবিতা চর্চা করে একসময় মীর আজিজুর রহমান মাস্তানা (১৯০০-১৯৭৮) রবীন্দ্র সান্নিধ্য আশীবার্দধন্য কবি হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেন। পরবর্তীতে লক্ষ্য করা যায় চাকরি কিংবা পড়াশুনার প্রয়োজনে রাজশাহী অবস্থান কালে সাহিত্য সাধনা করে যারা দেশ ও বিদেশে খ্যাতি লাভ করেছেন তন্মধ্যে প্রয়াত বন্দে আলী মিয়া, মযহারুল ইসলাম, সৈয়দ আলী আহসান, আতাউর রহমান, আবু হেনা মোস্তফা কামাল, জিল্লুর রহমান সিদ্দিকী, ওমর আলী, মহাদেব সাহা, আবুবকর সিদ্দিক, আসাদুজ্জামান, জুলফিকার মতিন কাব্যজগতে স্বনামখ্যাত ব্যক্তিত্ব কথাসাহিত্য হাসান আজিজুল হক, প্রবন্ধ ও গবেষণায় মুহম্মদ আবূ তালিব, ড. মখলেসুর রহমান, ড. মুহম্মদ এনামুল হক, ড. গোলাম মকসুদ হিলালী’ প্রমূখ মনীষীগণ রাজশাহীতে বসে সাহিত্যচর্চা করেছেন এটা রাজশাহী বাসীর জন্য অত্যন্ত গৌরবের বিষয়।<br />
বর্তমানে ইতিহাস, সমাজসেবা, গবেষণা ও সাহিত্য সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে ব্যাপক কর্ম প্রয়াস ও কর্মকান্ডের দ্বারা যারা দেশ বিদেশে সুখ্যাতি ও প্রতিষ্ঠা লাভ করেছেন তাদের মধ্যে ড. কাজী আবদুল মান্নান, ড. মুহম্মদ মজিরউদ্দীন, অধ্যাপক এস,এম, আবদুল লতিফ, ড. ইবনে গোলাম সামা, ড. খোন্দকার সিরাজুল হক, ড. সারোয়ার জাহান, ড. খন্দকার আবুদস রহীম প্রমুখ ব্যক্তিবর্গ এবং সঙ্গীতে ওস্তাদ সারদাকিংকর মজুমদার, ওস্তাদ আবদুল আজিজ বাচ্চু, শামসুজ্জামান, শেখ আবদুল আলীম, রবিউল হোসেন, গোলাম মোস্তফা, রঘুনাথ দাস, আমানুল্লাহ, তালেবর আলী, তোফাজুল হোসেন, ফজলুল হক, আবদুর রশীদ, নূর আহমদ বদিউল আলম ভুুলু, মুস্তাকিম উদ্দীন আহমেদ টুলু, মাহমুদুল ইসলাম সাজু, মুক্তিযোদ্ধা নওশের আলী এবং নৃত্যে বাদল ও আবদুল হাসিব পান্না প্রমুখ শিল্পী গুণী ব্যক্তিবর্গ রাজশাহীতে সফল পদচারণার দ্বারা আমাদের জীবনে স্মরণীয় হয়ে আছেন, স্মরণীয় হয়েই থাকবেন।</p>
<p>সাহিত্য-সংস্কৃতি চর্চায় এখানের মহিলারাও অগ্রণী ভূমিকা পালন করে চলেছেন। তাঁদের মধ্যে দৌলতুন্নেছা, চৌধুরী শামসুন্নাহার বকুল, ডা. রাজিয়া সালাম, রওশন, সুলতানা হক, সেলিনা হোসেন প্রমুখ মহিলারাও খ্যাতির শীর্ষে রয়েছেন। রাজশাহী ইতিহাস ঐতিহ্য থেকে স্বীকৃত যে, এই রাজশাহীর ‘রামপুর বোয়ালিয়ার থেকে প্রকাশিত ‘জ্ঞানাস্কুর’ পত্রিকায়’ বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম রচনা প্রকাশিত হয়েছিল। এই রাজশাহীতেই প্রথম ইংরেজি প্রথায় মঞ্চাভিনয় আরম্ভ হয়। এইভাবে সাহিত্য সাংস্কৃতিক জীবনধারা ও চেতনাকে সমৃদ্ধ করে রাজশাহীর সাহিত্য সংস্কৃতিসেবী সাধক ও কর্মীরা গৌরবময় ইতিহাস সৃষ্টি করেছে।<br />
১৯৮৪ সালে রাজশাহী সাধারণ গ্রন্থাগারের শতবর্ষ উদযাপন ও ‘শতবর্ষ স্মারকগ্রন্থ: ১৯৮৪’ প্রকাশ এবং রাজশাহীতে ২০০৬ সালে প্রথম বৈশাখী মেলার আয়োজন ও স্মরণিকা প্রকাশ সাহিত্য-সংস্কৃতি কর্মী ও সচেতন মানুষের মাঝে প্রাণ চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। এ ছাড়া বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে দেশের ও বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলের প্রথিতযশা কবি সাহিত্যিক, সাংবাদিক, সংস্কৃতিসেবী, সমাজসেবক গুণী, ব্যক্তিদের পুরস্কার, পদক, সনদপত্র প্রদান ও সংবর্ধনার, মাধ্যমে তাঁদের কর্ম ও সাধনায়, মূল্যায়ন, করে যথার্থ সম্মান প্রদর্শনের আয়োজন করা হয়। এই বিষয় স্পন্দন সাহিত্য সাংস্কৃতিক সংসদের ‘মাদার বখশ স্মৃতি পুরস্কার,’ তরুণদের জন্য ‘স্পন্দন সংসদ পুরস্কার,’ প্রফেসর আবদুল হাই সাহিত্য সংস্কৃতি সংসদের ‘আবদুল হাই স্মৃতি পুরস্কার’ রাজশাহী লেখিকাস সংঘের ‘আবদুর রাজ্জাক ২১ স্মৃতি পুরস্কার,’ উত্তরাসাহিত্য মজলিশের ‘উত্তরা সাহিত্য পুরস্কার’ সারাদেশে সাহিত্য সংস্কৃতিসেবী মানুষের হৃদয়ে একটি বিশেষ মর্যাদার সমজ্জুল হয়ে আছে। এই ধরনের মহৎ পদক্ষেপের ফল সারাদেশে আলোড়ন সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছে।<br />
আশা ও আনন্দের কথা, রাজশাহী শহরের বিভিন্ন শিক্ষা সাহিত্য-সংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃতী তরুণ ছাত্র-ছাত্রী ও কিছুসংখ্যক শিক্ষক সাহিত্যচর্চা, সংস্কৃতিচর্চা, পত্রিকা প্রকাশ, চিত্র বিদ্যা, আবৃত্তি ও সঙ্গীত শিক্ষায় আত্মনিয়োগ করে, অনেকের প্রশংসাভাজন হয়েছে। যে সকল সংগঠক, কর্মী ও তরুণ লিখিয়ে বন্ধুরা এই ধরনের মহৎকর্মে নিয়োজিত থেকে সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন তাদের মধ্যে নাজিম মাহমুদ, হাসান আজিজুল হক, জুলফিকার মতিন, ডকটর মুহম্মদ মজিরউদ্দীন, অধ্যাপক এস,এম, আবদুল লতিফ, অধ্যাপক ফজলুল হক, অধ্যাপক রুহুল আমিন প্রামাণিক, অধ্যাপক তসিকুল ইসলাম এবং বিশেষত তরুনদের মধ্যে মামুন হুসাইন, নাজিব ওয়াদুদ, মোহাম্মদ কামাল, সরকার মাসুদ, তারিকউল ইসলাম, মোহাম্মদ মুসা, হাসনাত আমজাদ, মালেক মেহমুদ, মীর রবিউল ইসলাম পাভেল চৌধুরী, আশরাফুল আলম, পিন্টু, রাশেদ রাইন প্রমুখ উজ্জ্বল ভবিষ্যতের অধিকারী।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>&nbsp;</p>
<p><strong></strong></p>
<p>&nbsp;</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>&nbsp;</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%93-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b8%e0%a7%8d/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বিশ্বের সর্ববৃহৎ সাহিত্য দেয়ালিকা রাবি’র ‘চন্দ্রবিন্দু’!</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%ac%e0%a7%83%e0%a6%b9%e0%a7%8e-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%ac%e0%a7%83%e0%a6%b9%e0%a7%8e-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[সাহিত্য বাজার]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 28 Sep 2013 06:33:31 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[রাজশাহী বিভাগ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://shahittabazar.com/?p=320</guid>

					<description><![CDATA[<p>সালাহউদ্দীন মুহম্মদ সুমন, রাজশাহী থেকে :</p> <p style="text-align: center;"></p> <p>বাংলা ভাষার চন্দ্রবিন্দু বর্ণটির অস্তিত্ব এখন বিলুপ্তপ্রায়। তবে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফোকলোর বিভাগের শিার্থী এই বর্ণটির নাম সারাবিশ্বে ছড়িয়ে দেয়ার প্রয়াস চালিয়ে</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%ac%e0%a7%83%e0%a6%b9%e0%a7%8e-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>সালাহউদ্দীন মুহম্মদ সুমন, রাজশাহী থেকে :</strong></p>
<p style="text-align: center;"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2013/09/Chandrabindu.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="size-medium wp-image-321 aligncenter" alt="Chandrabindu" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2013/09/Chandrabindu-300x136.jpg" width="300" height="136" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2013/09/Chandrabindu-300x136.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2013/09/Chandrabindu.jpg 874w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a></p>
<p>বাংলা ভাষার চন্দ্রবিন্দু বর্ণটির অস্তিত্ব এখন বিলুপ্তপ্রায়। তবে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফোকলোর বিভাগের শিার্থী এই বর্ণটির নাম সারাবিশ্বে ছড়িয়ে দেয়ার প্রয়াস চালিয়ে আসছে কয়েক বছর ধরে। এই প্রচেষ্টার ফসল হিসেবে তারা ইসমাইল হোসেন সিরাজী ভবনের দেয়ালে তৈরী করেছে বিশাল আকৃতির সুদৃশ্য ও সুখপাঠ্য একটি সাহিত্যনির্ভর দেয়াল পত্রিকা। আর এই চন্দ্রবিন্দুকেই বর্তমান বিশ্বের সর্ববৃহৎ দেয়াল পত্রিকা হিসেবে দাবি করা হচ্ছে। হারিয়ে যাওয়া চন্দ্রবিন্দুকে ফিরিয়ে আনার প্রত্যয় নিয়েই এই দেয়ালিকার উদ্ভাবন করা হয়েছে বলে ফোকলোর বিভাগের শিার্থীরা জানিয়েছে।<br />
চন্দ্রবিন্দু’র আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয় ২০০৫ সালের ১৪ এপ্রিল। ইসমাইল হোসেন সিরাজী ভবনের ৩১ ফুট লম্বা আর ১২ দেয়ালের পুরোটাজুড়েই তৈরি হয়েছে চন্দ্রবিন্দুর আবহ। প্রথম সংখ্যায় স্থান পায় ৭০টি ছড়া ও  কবিতায় ব্যবহার করা হয় ১৭০টি চন্দ্রবিন্দু। দ্বিতীয় সংখ্যার প্রকাশনা উৎসব হয় ২০০৬ সালের ১৪ এপ্রিল, বাংলা ১৪১৩ বঙ্গাব্দের ১ লা বৈশাখে। আর তৃতীয় সংখ্যা প্রকাশিত হয়েছে এ বছরের পয়লা বৈশাখে। প্রথম সংখ্যায় রঙিন রশিতে ‘চন্দ্রবিন্দু’ শিরোনামে দেয়ালের সাদা জমিনের ভেতর কবিতা লাগানো হয়েছিল। আর দ্বিতীয় সংখ্যার আধেয় সাজানো হয়েছিল ককশিট কেটে ‘চন্দ্রবিন্দু’র আদলে। এবারে সংখ্যার চেহারায় একটু বৈচিত্র আনা হয়েছে। এবারের চন্দ্রবিন্দুকে সাজানো হয়েছে আকাশের ওড়া ঘুড়ির ডানায় ভর করে। ঘুড়ি আদলের রঙিন কাগজে সাজানো হয়েছে এ সংখ্যার ৫৩টি ছড়া কবিতা। আর এসব ঘুড়ির সূতা রয়েছে দেয়ালিকার সম্পাদক ‘রাখালের’ লাটাইয়ে। দেয়ালিকার এই অংশেই রাখা হয়েছে সম্পাদকীয়।</p>
<p>এই দেয়ালিকার পেছনের ইতিহাসটার সঙ্গে কিছু বিষয় জড়িত। এই ভবন তৈরির পর ফোকলোর বিভাগের স্থান হয় এখানে। ভবন তৈরির পর থেকে সমস্যা শুরু হয় ভবনের দেয়াল নিয়ে। নানা সংগঠনের নানা ধরণের পোস্টারে ভরে উঠেছিল ভবনের দেয়াল। নতুন এ ভবনটি তৈরির পর থেকেই সৌন্দর্য হারাতে শুরু করে। শেষ পর্যন্ত ফোকলোর বিভাগের তৃতীয়, চতুর্থ ও সপ্তম ব্যাচের শিার্থীরা এগিয়ে আসে এই সমস্যার সমাধানে। সবাই মিলে বসে তৈরি করেন এই দেয়ালিকা। পৃষ্ঠপোষকতা দেন বিভাগের সকল শিক। আর তারপর থেকেই প্রতি বছরের পয়লা বৈশাখের নানা আয়োজনের সাথে চন্দ্রবিন্দু’র মোড়ক উন্মোচন এখন রীতিতেই দাঁড়িয়ে গেছে ফোকলোর বিভাগের শিক-শিার্থীদের কাছে।</p>
<p>কেবল দেয়ালিকা তৈরিই নয়, এর রণাবেণের দায়িত্বটাও শিার্থীরাই পালন করে থাকে। এই বিভাগের সকল শিক-শিার্থী চাঁদা তুলে খরচ মেটায় চন্দ্রবিন্দুর রং আর উপকরণের। তৃতীয় বর্ষের শিার্থী আলী আজগড় খোকন বললেন, হারিয়ে যাওয়া চন্দ্রবিন্দুর স্রষ্টা ‘চন্দ্রবিন্দু পরিবার’ই এখন  আমাদের বিভাগের শিক-শিার্থীদের সম্পর্কের সেতু বন্ধন।</p>
<p>এই দেয়ালিকাটিই বিশ্বের সর্ববৃহৎ দেয়ালিকা বলে দাবি করেছেন বিভাগের শিক-শিার্থীরা। ফোকলোর বিশেষজ্ঞ ও বিভাগীয় অধ্যাপক ড. আবুল হাসান চৌধুরী বললেন, দেয়ালিকা সচরাচর কাঠের কাঠামোতে তৈরি হয়। চন্দ্রবিন্দুর মত এত বিশাল আকৃতির দেয়ালিকা সাধারণত হয় না। সেই দৃষ্টিকোন থেকে বিচার করলে আমার মনে হয় এটিই সর্ববৃহৎ দেয়ালিকা।</p>
<p>ফোকলোর বিভাগের সাবেক সভাপতি প্রফেসর ড. সাইফুদ্দিন চৌধুরী জানান, আমার সহকর্মী ও শিার্থীরা ইন্টারনেট ঘাটাঘাটি করে এ ধরণের আর কোন দেয়ালিকার সন্ধান পাননি। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিশাল আকৃতির দেয়ালচিত্র বা চিত্রকর্মের কথা শোনা গেলেও ‘চন্দ্রবিন্দু’র মত এমন বিশাল আকৃতির দেয়ালিকার কথা আমার জানা নেই। এ কারণেই আমরা এটিকে বিশ্বের সর্ব বৃহৎ দেয়ালিকা বলে দাবি করছি। এর চেয়ে বড় দেয়ালিকার যদি থাকে তবে তা সময়ই প্রমাণ করবে।</p>
<p><strong>সালাহউদ্দীন মুহম্মদ সুমন, রাজশাহী থেকে </strong></p>
<p>&nbsp;</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%ac%e0%a7%83%e0%a6%b9%e0%a7%8e-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
