<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>ময়মনসিংহ বিভাগ &#8211; সাহিত্য বাজার</title>
	<atom:link href="https://shahittabazar.com/category/%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%80%e0%a7%9f/%e0%a6%ae%e0%a7%9f%e0%a6%ae%e0%a6%a8%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%82%e0%a6%b9-%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%80%e0%a7%9f/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://shahittabazar.com</link>
	<description>সাহিত্যের আয়নায় মানুষের মুখ</description>
	<lastBuildDate>Sat, 03 Oct 2026 17:00:09 +0000</lastBuildDate>
	<language>bn-BD</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=7.0.7</generator>
	<item>
		<title>চার দশক পেরিয়েও থামেনি বীক্ষণ: নতুন আহ্বায়ক কমিটিতে তরুণদের নেতৃত্ব</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a6%b6%e0%a6%95-%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%93-%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a6%bf-%e0%a6%ac/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a6%b6%e0%a6%95-%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%93-%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a6%bf-%e0%a6%ac/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আরিফ আহমেদ]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 03 Oct 2026 17:00:09 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[জেলায় জেলায় সাহিত্য]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলার চিঠি]]></category>
		<category><![CDATA[ময়মনসিংহ বিভাগ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://shahittabazar.com/?p=6180</guid>

					<description><![CDATA[<p>চার দশক পেরিয়েও থামেনি বীক্ষণ: নতুন আহ্বায়ক কমিটিতে তরুণদের নেতৃত্ব</p> <p>বিশেষ প্রতিবেদক</p> <p>ব্রহ্মপুর নদের কোল ঘেঁষে স্রোতের সাথে পাল্লা দিয়ে চলছে ময়মনসিংহ সাহিত্য সংসদের বীক্ষণ পাঠচক্র। কেউ কেউ বলেন বাঁশের</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a6%b6%e0%a6%95-%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%93-%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a6%bf-%e0%a6%ac/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>চার দশক পেরিয়েও থামেনি বীক্ষণ: নতুন আহ্বায়ক কমিটিতে তরুণদের নেতৃত্ব</strong></p>
<p><strong>বিশেষ প্রতিবেদক</strong></p>
<p><a href="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2026/10/Messenger_creation_1F583F9F-2EA6-45BB-8B0A-E044468FBAD2.jpeg"><img decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-6181" src="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2026/10/Messenger_creation_1F583F9F-2EA6-45BB-8B0A-E044468FBAD2-300x169.jpeg" alt="" width="300" height="169" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2026/10/Messenger_creation_1F583F9F-2EA6-45BB-8B0A-E044468FBAD2-300x170.jpeg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2026/10/Messenger_creation_1F583F9F-2EA6-45BB-8B0A-E044468FBAD2-1024x576.jpeg 1024w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2026/10/Messenger_creation_1F583F9F-2EA6-45BB-8B0A-E044468FBAD2-768x432.jpeg 768w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2026/10/Messenger_creation_1F583F9F-2EA6-45BB-8B0A-E044468FBAD2-70x40.jpeg 70w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2026/10/Messenger_creation_1F583F9F-2EA6-45BB-8B0A-E044468FBAD2.jpeg 1280w" sizes="(max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>ব্রহ্মপুর নদের কোল ঘেঁষে স্রোতের সাথে পাল্লা দিয়ে চলছে ময়মনসিংহ সাহিত্য সংসদের বীক্ষণ পাঠচক্র। কেউ কেউ বলেন বাঁশের কঞ্চির বাঁশ হয়ে ওঠার গল্প এই বীক্ষণ। কেননা ময়মনসিংহ সাহিত্য সংসদের যতটা অন্তর্দন্দ ও কলহের দূর্নাম, ঠিক ততটাই বা তারচেয়ে অনেক অনেক গুন বেশি সুনাম বা সুখ্যাতি ছড়িয়ে যাচ্ছে এই পাঠচক্রটি। ব্রহ্মপুত্রের তীরে<br />
চার দশকেরও বেশি সময় ধরে প্রতি সপ্তাহে সাহিত্যপ্রেমীদের মিলন ঘটিয়ে চলেছে এই ‘বীক্ষণ’। পাঠ, বিষয়ভিত্তিক আলোচনা, কবিতা, আবৃত্তি, সাহিত্য ও সংস্কৃতিচর্চার এই সাপ্তাহিক আয়োজন এখন শুধু ময়মনসিংহের নয়, দেশের সাংস্কৃতিক ইতিহাসেরও এক অনন্য ধারাবাহিকতার নাম। ১৯৮৩ সালে যাত্রা শুরু করা ময়মনসিংহ সাহিত্য সংসদের নিয়মিত সাপ্তাহিক পাঠচক্র ‘বীক্ষণ’ আজ দুই হাজার দুই শতাধিক (২২০০) আসর পেরিয়ে বাংলাদেশের দীর্ঘতম ধারাবাহিক সাপ্তাহিক সাহিত্য পাঠচক্র হিসেবে টিকে আছে।<br />
নতুন প্রজন্মের কবি, লেখক, পাঠক, আবৃত্তিশিল্পী ও সংস্কৃতিকর্মীদের সম্পৃক্ত করে সেই দীর্ঘ ঐতিহ্যকে এগিয়ে নিতে অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর ২০২৬ এই তিন মাসের জন্য গঠন করা হয়েছে বীক্ষণের নতুন আহ্বায়ক কমিটি। এতে আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন নবী হোসেন লাদেন এবং যুগ্ম আহ্বায়ক হয়েছেন সুষ্মিতা সরকার।</p>
<p>ময়মনসিংহ সাহিত্য সংসদের সাধারণ সম্পাদক জুবায়েদ ইবনে সাঈদ নতুন কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্তদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। একই সঙ্গে বীক্ষণের নিয়মিত কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন তিনি।<br />
নতুন কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন শাহিদ আমিনি রুমি, প্রণয় কুমার বিশ্বাস, টিপু চৌধুরী, হাসান রাকিব, বিউটি দাস, জিসি দেবনাথ ও স্নিগ্ধা ধর শিথিল।<br />
নবনিযুক্ত আহ্বায়ক নবী হোসেন লাদেন দীর্ঘদিন ধরেই বীক্ষণের সঙ্গে যুক্ত। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বীক্ষণের কার্যক্রম সরাসরি সম্প্রচারের শুরুর সময় থেকেই তিনি এর সঙ্গে সম্পৃক্ত। পড়াশোনার পাশাপাশি সাংবাদিকতা, লেখালেখি ও আবৃত্তিচর্চায়ও যুক্ত রয়েছেন তিনি। যুগ্ম আহ্বায়ক সুষ্মিতা সরকারও দীর্ঘদিন ধরে বীক্ষণের নিয়মিত কার্যক্রমে অংশ নিয়ে আসছেন। সংগঠনের পক্ষ থেকে তাকে দায়িত্বশীল ও সম্ভাবনাময় কর্মী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।<br />
নতুন কমিটির সদস্যদের মধ্যেও রয়েছে সাহিত্য ও সংস্কৃতিচর্চার বৈচিত্র্য। শাহিদ আমিনি রুমি গান, সাহিত্য ও কবিতার সঙ্গে যুক্ত। প্রণয় কুমার বিশ্বাস পাঠক, লেখক ও প্রাবন্ধিক হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে ময়মনসিংহ সাহিত্য সংসদের কার্যক্রমে সম্পৃক্ত। আবৃত্তিশিল্পী টিপু চৌধুরী নিয়মিত বীক্ষণের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। কবি ও সংবাদকর্মী হাসান রাকিব নিয়মিত লেখালেখি করেন। বিউটি দাস প্রতি শুক্রবারের পাঠচক্রে কবিতা আবৃত্তির মাধ্যমে অংশ নেন।<br />
সদ্য সাবেক আহ্বায়ক জিসি দেবনাথ দীর্ঘদিন ধরে বীক্ষণের কার্যক্রমে সক্রিয় থাকার পাশাপাশি কবিতা লেখেন। আর স্নিগ্ধা ধর শিথিল কবিতা লেখা, ছবি তোলা ও বাঁশি বাজানোর সঙ্গে যুক্ত। ফলে নতুন কমিটিতে অভিজ্ঞতা ও তারুণ্যের পাশাপাশি সাহিত্য ও সংস্কৃতির বিভিন্ন মাধ্যমেরও সমন্বয় ঘটেছে।<br />
তবে বীক্ষণের নতুন কমিটি গঠনের এই ঘটনা বুঝতে হলে ফিরে তাকাতে হয় এর দীর্ঘ ইতিহাসের দিকে।<br />
ময়মনসিংহ সাহিত্য সংসদ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮০ সালে। এর কয়েক বছর পর ১৯৮৩ সালের ৮ সেপ্টেম্বর যাত্রা শুরু করে নিয়মিত সাপ্তাহিক পাঠচক্র ‘বীক্ষণ’। শহরের সি. কে. রোডের প্রেসক্লাব চত্বরে বসেছিল বীক্ষণের প্রথম আসর। সেই প্রথম আয়োজনে সাহিত্য ও সংস্কৃতির সঙ্গে যুক্ত একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তি অংশ নেন। কথাশিল্পী সালিম হাসান ছিলেন বীক্ষণের প্রথম আহ্বায়ক।<br />
শুরু থেকেই বীক্ষণের উদ্দেশ্য ছিল শুধু কবিতা পাঠ নয়; বরং পাঠ, আলোচনা, সমকাল, সাহিত্য, ইতিহাস, সংস্কৃতি ও সমাজকে নিয়ে মুক্ত চিন্তার একটি পরিসর তৈরি করা। প্রতি শুক্রবারের এই আয়োজন ধীরে ধীরে ময়মনসিংহের সাহিত্যপ্রেমীদের কাছে হয়ে ওঠে নিয়মিত মিলনমেলা।<br />
সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে বীক্ষণের আসর বিভিন্ন স্থানে হয়েছে। একপর্যায়ে ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে জয়নুল আবেদিন উদ্যানে এর নিয়মিত আয়োজন শুরু হয়। খোলা আকাশের নিচে নদীর পাড়ে কবিতা, গল্প, প্রবন্ধ পাঠ এবং সমকালীন বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনার কারণে বীক্ষণ ময়মনসিংহের সাংস্কৃতিক জীবনে আলাদা পরিচিতি পায়।<br />
বীক্ষণের সবচেয়ে বড় শক্তি তার ধারাবাহিকতা। প্রতিকূল আবহাওয়া, নানা সামাজিক ও সাংগঠনিক বাস্তবতা কিংবা অংশগ্রহণকারীর স্বল্পতা, কোনোটিই এই সাপ্তাহিক আয়োজনকে দীর্ঘ সময় থামিয়ে রাখতে পারেনি। এমনও হয়েছে, প্রবল প্রতিকূলতার মধ্যেও অল্পসংখ্যক মানুষ নিয়ে আসর বসেছে। কারণ বীক্ষণের কাছে মূল বিষয় ছিল উপস্থিতির সংখ্যা নয়, ধারাবাহিকভাবে সাহিত্যচর্চার প্রদীপটি জ্বালিয়ে রাখা।<br />
এই ধারাবাহিকতার পথ ধরে একের পর এক মাইলফলক পেরিয়েছে বীক্ষণ। ১৯৯৩ সালে অনুষ্ঠিত হয় ৫০০তম আসর। ২০০৩ সালে এক হাজারতম আসর। ২০১৪ সালে ১ হাজার ৬০০তম আসর। এরপরও থামেনি এই সাহিত্যযাত্রা। ২০১৮ সালে বীক্ষণের ১ হাজার ৭৮৫তম আসর অনুষ্ঠিত হয়। পরবর্তী সময়ে দুই হাজারের মাইলফলকও পেরিয়ে যায় এটি।<br />
বীক্ষণের আসরে বিভিন্ন সময়ে দেশের খ্যাতিমান কবি, সাহিত্যিক, গবেষক ও চিন্তাবিদরা অংশ নিয়েছেন। শামসুর রাহমান, আল মাহমুদ, শহীদ কাদরী, নির্মলেন্দু গুণ, হেলাল হাফিজ, আসাদ চৌধুরী, আবদুল মান্নান সৈয়দ, বদরুদ্দীন উমর, হাবীবুল্লাহ সিরাজী, নাসরীন জাহান, মুহম্মদ নূরুল হুদাসহ অনেক বিশিষ্টজনের উপস্থিতি এই পাঠচক্রের ইতিহাসকে সমৃদ্ধ করেছে।<br />
শুধু অতিথি নির্ভর আয়োজন নয়, বীক্ষণের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো স্থানীয় ও তরুণ লেখকদের জন্য নিয়মিত একটি মঞ্চ তৈরি করা। নতুন কবি তাদের কবিতা পড়েছেন, তরুণ লেখক তাদের লেখা পাঠ করেছেন, পাঠকেরা প্রশ্ন করেছেন, মত দিয়েছেন। ফলে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে সাহিত্যচর্চার একটি সরাসরি সেতু তৈরি হয়েছে।<br />
এ কারণেই বীক্ষণকে কেবল একটি সাপ্তাহিক সাহিত্যসভা হিসেবে দেখলে এর ব্যাপ্তি বোঝা যায় না। চার দশকেরও বেশি সময় ধরে প্রতি সপ্তাহে সাহিত্য ও মুক্তচিন্তার একটি উন্মুক্ত পরিসর ধরে রাখার যে নজির এটি তৈরি করেছে, বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক পরিসরে তা বিরল। দুই হাজার দুই শতাধিক আসর পেরিয়ে যাওয়ায় বীক্ষণ এখন দেশের দীর্ঘতম ধারাবাহিক সাপ্তাহিক সাহিত্য পাঠচক্র হিসেবে একটি স্বতন্ত্র অবস্থান তৈরি করেছে।<br />
তবে এই দীর্ঘ যাত্রাপথ সবসময় মসৃণ ছিল না। বীক্ষণের সঙ্গে যুক্ত স্থান ও মঞ্চ নিয়েও সময়ের সঙ্গে নানা সংকট তৈরি হয়েছে। ব্রহ্মপুত্রের তীরের দীর্ঘদিনের সাংস্কৃতিক পরিসর ও মুক্তমঞ্চ ভেঙে দেওয়া নিয়েও সংস্কৃতিকর্মীদের মধ্যে উদ্বেগ ও প্রতিবাদ দেখা গেছে। সাংগঠনিক মতপার্থক্যও কখনো কখনো সামনে এসেছে। তবু এসবের মধ্যেও বীক্ষণের সাপ্তাহিক আয়োজন অব্যাহত থাকার বিষয়টি এর সাংস্কৃতিক শক্তিরই প্রমাণ বহন করে।<br />
২০২৬ সালেও বীক্ষণের নিয়মিত আসর অব্যাহত রয়েছে। দুই হাজার দুই শতাধিক আসরের এই দীর্ঘ ধারাবাহিকতায় নতুন প্রজন্মের অংশগ্রহণও বাড়ছে। সেই ধারারই অংশ হিসেবে এবার নতুন আহ্বায়ক কমিটিতে তরুণদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।<br />
নতুন কমিটির সামনে তাই তিন মাসের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি রয়েছে দীর্ঘ একটি ঐতিহ্যকে ধারণ করার দায়িত্ব। প্রযুক্তির বদলে যাওয়া সময়ে পাঠাভ্যাসে পরিবর্তন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিস্তার এবং তরুণ প্রজন্মের দ্রুত পরিবর্তিত সাংস্কৃতিক আগ্রহের মধ্যেও বীক্ষণের মূল চেতনা- পাঠ, চিন্তা, মতবিনিময় ও সৃজনশীলতার ধারাটি কতটা শক্তিশালী করা যায়, সেটিই হবে নতুন নেতৃত্বের বড় কাজ।</p>
<p>&nbsp;</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a6%b6%e0%a6%95-%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%93-%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a6%bf-%e0%a6%ac/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বর্ণচোরা সংস্কৃতিকর্মীঃ মুখোশ পরা ভদ্রলোক</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3%e0%a6%9a%e0%a7%8b%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a7%80%e0%a6%83/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3%e0%a6%9a%e0%a7%8b%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a7%80%e0%a6%83/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[স্বাধীন চৌধুরী]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 22 Oct 2025 06:37:28 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলার চিঠি]]></category>
		<category><![CDATA[ময়মনসিংহ বিভাগ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://shahittabazar.com/?p=5830</guid>

					<description><![CDATA[<p>বর্ণচোরা সংস্কৃতিকর্মীঃ মুখোশ পরা ভদ্রলোক<br /> স্বাধীন চৌধুরী</p> <p>১. ভূমিকাঃ সংস্কৃতির মঞ্চে ছায়া ও আলোর লড়াই<br /> বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গন একসময় ছিল মুক্তচিন্তার উর্বর ক্ষেত্র, প্রতিরোধের মঞ্চ, সমাজবদলের মুখ্য স্থান</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3%e0%a6%9a%e0%a7%8b%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a7%80%e0%a6%83/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>বর্ণচোরা সংস্কৃতিকর্মীঃ মুখোশ পরা ভদ্রলোক</strong><br />
<strong>স্বাধীন চৌধুরী</strong></p>
<div id="attachment_5758" style="width: 310px" class="wp-caption alignright"><a href="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/09/FB_IMG_1758988495670.jpg"><img decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-5758" class="size-medium wp-image-5758" src="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/09/FB_IMG_1758988495670-300x296.jpg" alt="" width="300" height="296" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/09/FB_IMG_1758988495670-300x296.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/09/FB_IMG_1758988495670.jpg 486w" sizes="(max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a><p id="caption-attachment-5758" class="wp-caption-text">লেখক স্বাধীন চৌধুরী</p></div>
<p>১. ভূমিকাঃ সংস্কৃতির মঞ্চে ছায়া ও আলোর লড়াই<br />
বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গন একসময় ছিল মুক্তচিন্তার উর্বর ক্ষেত্র, প্রতিরোধের মঞ্চ, সমাজবদলের মুখ্য স্থান । কিন্তু আজকাল দেখা যায়, সেই মঞ্চের বহু আলো নিভে গেছে, আর মুখোশ পরে এসেছে অচেনা মানুষ।<br />
এরা নিজেদের বলেন ‘সংস্কৃতিকর্মী’- কিন্তু এরা সংস্কৃতির নয়, সুবিধার কর্মী।<br />
যে হাতে একদিন ছিল প্রতিবাদের প্ল্যাকার্ড, সেই হাতেই আজ চামচা; যে কণ্ঠে ছিল অন্যায়ের বিরুদ্ধে সুর, সেই কণ্ঠ এখন ক্ষমতার বন্দনা গায়।<br />
এই বর্ণচোরা সংস্কৃতিকর্মীরাই আজ বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক পরিসরে এক ভয়ংকর সংকটের নাম।</p>
<p>২. বর্ণচোরার সংজ্ঞা ও প্রকৃতিঃ<br />
&#8216;বর্ণচোরা&#8217; শব্দটি শুধু রঙ পাল্টানো নয়, নীতি ও আদর্শ বদলের এক আত্মবিকৃতি।<br />
একজন শিল্পীর মুখ্য ধর্ম হলো সত্যের প্রতি অনুরাগ- যে সত্য কখনও সুবিধাজনক নয় বরং ঝুঁকিপূর্ণ।<br />
কিন্তু বর্ণচোরা সংস্কৃতিকর্মী সেই ঝুঁকিকে এড়িয়ে চলে; সে আদর্শের পোশাক পরে প্রবেশ করে মঞ্চে, তারপর অচিরেই বিক্রির বাজারে ঢোকে।<br />
এরা সমাজে সংস্কৃতির প্রতিনিধি নয়, সংস্কৃতির বিকৃত প্রতিচ্ছবি।<br />
এদের মুখে সক্রেটিস, রবীন্দ্রনাথ, জিবরান, নজরুল, লালনের নাম থাকে; কিন্তু হৃদয়ে থাকে সুবিধা, লেনদেন, তোষণ ও পৃষ্ঠপোষকতার নরম বিছানা।</p>
<p>৩. ইতিহাসে মুখোশধারীরা: ব্রিটিশ আমল থেকে পাকিস্তানকালঃ<br />
সংস্কৃতির ইতিহাসে এই মুখোশধারীদের অভাব ছিল না।<br />
ব্রিটিশ আমলে কিছু ‘বাবু’ শ্রেণির লোক শিল্পচর্চার নাম করে ব্রিটিশ রাজের গৌরবগাথা গেয়েছেন, যাতে পদক ও অনুগ্রহ মেলে।<br />
যেখানে রবীন্দ্রনাথ &#8216;দাসত্বের জয়গান&#8217; প্রত্যাখ্যান করেছিলেন, সেখানে অন্যরা কোলকাতার সভাগৃহে দাঁড়িয়ে বিদেশি প্রভুর প্রশস্তি গাইছিলেন- তারা ছিলেন সংস্কৃতির প্রথম প্রজন্মের বর্ণচোরা।<br />
পাকিস্তান আমলে এই মুখোশধারীরা নতুন রূপ নিল।<br />
তখন অনেক সংস্কৃতিকর্মী সাহস করে মাতৃভাষার পক্ষে রাস্তায় নেমেছিলেন, কিন্তু কিছু তথাকথিত &#8216;শিল্পসেবী&#8217; রাষ্ট্রের বেতনভুক্ত প্রচারক হয়ে গেলেন-যারা বেতার, মঞ্চ ও নাটকের মাধ্যমে শাসকের ভাষানীতি ও ধর্মভিত্তিক বিভাজনকে বৈধতা দিতেন।<br />
তারা ‘সংস্কৃতি’ নামের পতাকা বয়ে নিয়ে গিয়েছিলেন রাষ্ট্রের দালানে, কিন্তু তাতে ছিল না কোনো জনগণের চিহ্ন।</p>
<p>৪. স্বাধীনতার পর: সংস্কৃতির রাজনীতি ও রাজনীতির সংস্কৃতিঃ<br />
স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের সংস্কৃতি হয়ে ওঠে রাষ্ট্রগঠনের এক অন্যতম স্তম্ভ।<br />
কিন্তু সেই মুক্তচেতনার মঞ্চ ধীরে ধীরে দখল করে নেয় সুবিধাবাদী গোষ্ঠী।<br />
যারা মুক্তিযুদ্ধের সময় নীরব ছিলেন, তারাই পরবর্তীকালে সংস্কৃতি-রাজনীতির পুরোভাগে চলে আসেন।<br />
শিল্পচর্চা হয়ে ওঠে এক ধরনের &#8216;প্রতিষ্ঠার রাজনীতি&#8217;- যেখানে প্রতিভার চাইতে বেশি দামি হয়ে ওঠে যোগাযোগ, তোষামোদ আর ক্ষমতাসীন দলের নৈকট্য।<br />
আধুনিক কালে সংস্কৃতি উৎসব, সাহিত্য পুরস্কার, মঞ্চ, গ্যালারি- সব জায়গায় দেখা যায় এই প্রবণতার প্রতিফলন।<br />
যে শিল্পী প্রতিবাদের প্রতীক হওয়ার কথা, সে এখন সরকারের উন্নয়ন প্রচারণার মুখপাত্র;<br />
যে কবি স্বাধীনতার বেদনা নিয়ে লিখতেন, সে এখন আমলাতন্ত্রের করতালির অপেক্ষায়।</p>
<p>৫. মুখোশের অন্তরালে আদর্শহীনতাঃ<br />
বর্ণচোরা সংস্কৃতিকর্মীর সবচেয়ে ভয়ংকর দিক হলো- তার আত্মবিস্মৃতি।<br />
সে জানেই না কেন শিল্পচর্চা করে।<br />
একদিন মানবতার পক্ষে গেয়ে এখন সে গায় রাজনৈতিক জিঙ্গেল;<br />
একদিন যে নাটকে ছিল প্রতিরোধ, এখন সেখানে আছে ‘স্পন্সরড’ হাস্যরস ও ফাঁপা দেশপ্রেম।<br />
এরা মুক্তচিন্তার স্থানে স্থাপন করেছে ‘সাংস্কৃতিক ভদ্রতা’- যেখানে প্রতিবাদ অশোভন এবং ক্ষমতার প্রতি প্রশ্ন অশালীন।<br />
এই ভদ্রতার আড়ালে লুকিয়ে আছে ভয়ের সংস্কৃতি।<br />
সংস্কৃতির মঞ্চ আজ অনেক সময় ক্ষমতার বর্ধিত শাখা হয়ে গেছে- যেখানে স্বাধীন শিল্পীর জায়গা সংকুচিত, কিন্তু মুখোশধারী সংস্কৃতিকর্মীর উত্থান নিরবচ্ছিন্ন।</p>
<p>৬. আজকের বাংলাদেশ: মিডিয়া, পৃষ্ঠপোষকতা ও সাংস্কৃতিক বিকৃতিঃ<br />
বর্তমান বাংলাদেশে সংস্কৃতি ও মিডিয়া পরস্পরের সঙ্গে জড়িত।<br />
যেখানে শিল্পী মানে ব্র্যান্ড, গান মানে ইউটিউব ভিউ, আর নাটক মানে স্পন্সরের কন্টেন্ট।<br />
এই বাস্তবতায় বর্ণচোরারা আরও প্রবল হয়ে উঠেছে।<br />
তারা জানে কাকে খুশি করতে হবে, কাকে প্রশংসা করতে হবে এবং কখন মুখ বন্ধ রাখতে হবে।<br />
তারা ‘নিরপেক্ষতা’র মুখোশ পরে থাকে, কিন্তু সেই নিরপেক্ষতা ক্ষমতার পাশে দাঁড়ানোর কৌশল মাত্র।<br />
তারা কোনো রাজনৈতিক শিবিরের বিরুদ্ধে কথা বলে না, আবার কোনো মানবিক অন্যায়ের বিরুদ্ধেও নয়- কারণ তাদের মুখে হাসি, হাতে সেলফি, বুকপকেটে পাস।<br />
এভাবে সংস্কৃতি হয়ে উঠেছে এক বাণিজ্যিক পণ্য, আর সংস্কৃতিকর্মী এক চতুর ব্যবসায়ী।</p>
<p>৭. ঐতিহাসিক ও নৈতিক উদাহরণ: সত্যিকারের সংস্কৃতিকর্মীদের বিপরীতেঃ<br />
যখন বর্ণচোরারা সুবিধার জন্য মুখোশ পরে ঘুরছে, তখন ইতিহাসে আমরা দেখি তাদের বিপরীতে দাঁড়ানো সত্যিকারের সংস্কৃতিকর্মীদের দল-<br />
নজরুল ইসলাম, যিনি ক্ষমতার প্রলোভন প্রত্যাখ্যান করে বলেছিলেন, &#8216;আমি বিদ্রোহী রণক্লান্ত, আমি সেই দিন হব শান্ত, যবে উৎপীড়িতের ক্রন্দনরোল আকাশে-বাতাসে ধ্বনিবে না।&#8217;<br />
লালন ফকির, যিনি সমাজের ভণ্ড ধর্মবাজদের মুখোশ খুলে দেখিয়েছিলেন মানুষ নামের মহাসত্য।<br />
চিন্তাশীল নাট্যকার সেলিম আল দীন, কবি আল মাহমুদ, চলচ্চিত্রকার তানভীর মোকাম্মেল- তাঁরা প্রত্যেকে নিজ নিজ জায়গায় সত্য বলার দায় নিয়েছিলেন।<br />
তাদের শিল্প বাণিজ্যিক ছিল না,  ছিল মানবিক; তারা জনতার কণ্ঠস্বর ছিলেন, পৃষ্ঠপোষকের নয়।<br />
বর্ণচোরা সংস্কৃতিকর্মীরা এই সত্যিকারের শিল্পীর বিপরীতধর্মী সত্তা- তাদের মধ্যে নেই কোনো আত্মত্যাগ, কেবল আত্মপ্রচার।</p>
<p>৮. সংস্কৃতির নৈতিক সঙ্কট: মঞ্চে মুখোশ, অন্তরে শূন্যতাঃ<br />
আজকের সাংস্কৃতিক পরিসরে আমরা দেখি এক বিভ্রান্ত চিত্র-<br />
যেখানে উৎসব আছে, কিন্তু আত্মা নেই; গান আছে, কিন্তু কথা নেই; নাটক আছে, কিন্তু প্রতিবাদ নেই।<br />
সংস্কৃতি আজ অনেক সময় হয়ে উঠেছে ‘ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট&#8217;-<br />
যেখানে শিল্পী নয়, জনপ্রিয়তা মুখ্য;<br />
যেখানে কবিতা নয়, স্লোগান বিক্রি হয়;<br />
যেখানে দর্শকের চোখে জল নয়, সেলফির হাসি।<br />
এই হলো মুখোশধারী ভদ্রলোকের যুগ- যারা নিজেদের সভ্য, শিক্ষিত ও প্রগতিশীল বলেন, কিন্তু তাঁদের সংস্কৃতি মাটি ও মানুষের থেকে বিচ্ছিন্ন।</p>
<p>৯. পুনর্জাগরণের আহ্বানঃ<br />
তবু সব শেষ হয়ে যায়নি। বাংলাদেশের সংস্কৃতিতে এখনো তরুণ প্রজন্মের মধ্যে আছে কিছু আলোকিত মানুষ, যারা বর্ণচোরা পথকে প্রত্যাখ্যান করে নিজেদের সৃষ্টির মাধ্যমে সমাজকে প্রশ্ন করছে।<br />
তাদের কণ্ঠে এখনো আছে প্রতিবাদ, ভালোবাসা ও নৈতিকতার উচ্চারণ।<br />
প্রয়োজন এক নতুন সাংস্কৃতিক পুনর্জাগরণ-যেখানে শিল্পী আবার সত্য বলবে, ঝুঁকি নেবে, মানুষের পাশে দাঁড়াবে।<br />
সংস্কৃতি তখনই বেঁচে থাকবে, যখন তা হবে আত্মা ও সমাজের মেলবন্ধন, হবে না কোনো বিজ্ঞাপন বা মুখোশের প্রদর্শনী।</p>
<p>১০. মুখোশ খুলে দেখার সময়ঃ<br />
বর্ণচোরা সংস্কৃতিকর্মীরা সাময়িকভাবে সফল হতে পারে, কিন্তু ইতিহাসে টিকে থাকে না।<br />
ইতিহাস মনে রাখে সত্যিকারের শিল্পীদের, যারা নির্ভীকভাবে উচ্চারণ করেন মানুষের বেদনা ও মুক্তির স্বর।<br />
আজকের বাংলাদেশে সংস্কৃতির সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো- মুখোশ নয়, মুখ দেখা।<br />
আমাদের সময়ে দরকার এমন শিল্পী, যিনি ভদ্রলোকের মুখোশ খুলে বলতে পারেন,<br />
&#8216;আমি মানুষের প্রতিনিধি, ক্ষমতার নই।&#8217;<br />
সংস্কৃতির পুনর্জন্ম শুরু হয় সেখানেই- যেখানে সত্য আবার কবিতার মতো উচ্চারিত হয়।<br />
বর্ণচোরা সংস্কৃতিকর্মীরা নেতিবাচক সামাজিক রূপান্তরের &#8216;ব্ল্যাক আইকন&#8217;। এরা নীতি হারানো স্বার্থের অন্ধকারে নিমজ্জিত ব্যক্তি,ব্যবসায়ী।<br />
ইতিহাস, সাহিত্য ও দর্শনের মাধ্যমে আমরা দেখেছি- &#8216;সংস্কৃতি টিকে থাকে সত্যে; মুখোশে নয়।&#8217; তাই আশাবাদিতার উত্তরণও এখান থেকেই; প্রয়োজন মুখোশের উন্মোচন, জবাবদিহিতা ও প্রার্থিত সংস্কার।</p>
<p>তথ্যসূত্রঃ<br />
১. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, সভ্যতার সংকট, (১৯৪১)-<br />
আধুনিক সভ্যতার ভণ্ডামি, নৈতিক অবক্ষয় ও আত্মবিস্মৃত সমাজ নিয়ে রবীন্দ্রনাথের দার্শনিক বিশ্লেষণ, যা আজকের &#8216;বর্ণচোরা&#8217; সংস্কৃতির সঙ্গে আশ্চর্যভাবে মিলে যায়।<br />
২. কাজী নজরুল ইসলাম, সাম্যবাদী, বিদ্রোহী, ও দারিদ্র্য কবিতা-<br />
সংস্কৃতি ও সাহিত্যে নৈতিক সাহসের প্রতীক। নজরুলের দৃষ্টান্ত দেখায় কিভাবে সত্যিকারের সংস্কৃতিকর্মী কোনো ক্ষমতার দাস নন।<br />
৩. আহমদ ছফা, বাংলাদেশে এলিট শ্রেণি ও সংস্কৃতি (প্রথম প্রকাশ: ১৯৮১)-<br />
এখানে তিনি দেখিয়েছেন কীভাবে স্বাধীনতার পর সংস্কৃতি একটি শ্রেণিগত অস্ত্র হয়ে ওঠে, এবং কীভাবে বুদ্ধিজীবী ও সংস্কৃতিকর্মীরা ধীরে ধীরে ‘সুবিধাভোগী’ শ্রেণির অংশ হয়ে যায়।<br />
৪. সেলিম আল দীন, বাংলা নাট্য ও সমাজচেতনা (প্রবন্ধ সংকলন)-<br />
তিনি স্পষ্টভাবে বলেছেন, &#8216;সংস্কৃতি হলো ক্ষমতার সমালোচনামূলক চেতনা&#8217;- যা আজ অনেকের কাছে পরিণত হয়েছে কেবল পৃষ্ঠপোষকতার কৌশলে।<br />
৫. আল মাহমুদ, কাব্য সংগ্রহ ও অদ্ভুত আঁধার এক-<br />
তার কবিতায় আমরা দেখি শিল্পের অন্তর্নিহিত সত্যনিষ্ঠা ও ব্যক্তিস্বাধীনতার প্রশ্ন, যা বর্ণচোরা সংস্কৃতিকর্মীর বিপরীতে দাঁড় করায় এক স্বচ্ছ মানবিক দৃষ্টি।<br />
৬. তানভীর মোকাম্মেল, সাক্ষাৎকারসমূহ (প্রথম আলো, সংবাদ, সমকাল)-<br />
বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে তিনি তুলে ধরেছেন চলচ্চিত্র ও সংস্কৃতির বাজারীকরণ নিয়ে তার উদ্বেগ;<br />
তিনি বলেছেন, &#8216;সংস্কৃতি যখন প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতির দাস হয়ে পড়ে, তখন তা মানুষের নয়, পৃষ্ঠপোষকের মুখপাত্র হয়ে ওঠে।&#8217;<br />
৭. হুমায়ুন আজাদ, সাংস্কৃতিক আগ্রাসন ও প্রতিরোধের কৌশল (প্রবন্ধ)-<br />
যেখানে তিনি ব্যাখ্যা করেছেন কীভাবে সংস্কৃতি রাজনৈতিক দখলদারিত্বের মাধ্যমে নিজস্ব ভাষা হারায় এবং মুখোশধারী ভদ্রলোকেরা হয়ে ওঠে সংস্কৃতির বিক্রেতা।<br />
8. মাও সেতুং On Contradiction (1937)-<br />
সমাজ ও সংস্কৃতির অন্তর্নিহিত বৈপরীত্য বিশ্লেষণে এই গ্রন্থটি দেখায়, কিভাবে &#8216;আদর্শ ও স্বার্থের সংঘর্ষ&#8217; থেকেই বর্ণচোরার জন্ম।<br />
৯. লালন ফকিরের দোহা ও ভাবসংগীত-<br />
&#8216;মানুষ ভজলে সোনার মানুষ হবি- এই দার্শনিক বাণী দেখায়, সত্যিকারের সংস্কৃতি মানে আত্মপরিশুদ্ধি, ভণ্ড মুখোশ নয়।<br />
১০. বর্তমান প্রেক্ষাপটে প্রাসঙ্গিক সংবাদ ও গবেষণা প্রতিবেদনসমূহঃ<br />
&#8216;সংস্কৃতির বাজারীকরণ: শিল্পের আত্মা না বাণিজ্য?&#8217;, দৈনিক প্রথম আলো, ১৫ মার্চ ২০২৩।<br />
&#8216;সংস্কৃতির রাজনীতি ও রাজনীতির সংস্কৃতি&#8217;, দৈনিক সমকাল, ২০ আগস্ট ২০২৪।<br />
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি প্রকাশনা (২০২২): &#8216;সংস্কৃতি ও সমাজ: বাংলাদেশ প্রেক্ষিত।&#8217;</p>
<p>লেখকঃ কবি, প্রাবন্ধিক ও সাংবাদিক।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3%e0%a6%9a%e0%a7%8b%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a7%80%e0%a6%83/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>রাজনীতির ময়মনসিংহে আ.লীগের ছায়ায় মজবুত জাতীয় পার্টিঃ ঐক্যবদ্ধ বিএনপি </title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a7%80%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a7%9f%e0%a6%ae%e0%a6%a8%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%82%e0%a6%b9%e0%a7%87-%e0%a6%86-%e0%a6%b2%e0%a7%80%e0%a6%97/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a7%80%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a7%9f%e0%a6%ae%e0%a6%a8%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%82%e0%a6%b9%e0%a7%87-%e0%a6%86-%e0%a6%b2%e0%a7%80%e0%a6%97/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[সাবা প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 29 May 2022 14:22:45 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[জেলায় জেলায় সাহিত্য]]></category>
		<category><![CDATA[ময়মনসিংহ]]></category>
		<category><![CDATA[ময়মনসিংহ বিভাগ]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://shahittabazar.com/?p=5005</guid>

					<description><![CDATA[<p>রাজনীতির ময়মনসিংহে আ.লীগের ছায়ায় মজবুত জাতীয় পার্টিঃ ঐক্যবদ্ধ বিএনপি </p> <p>ময়মনসিংহ শহরের প্রবেশ মাত্রই চোখে পড়ে প্রধান সড়ক ও অলিগলিতে রাজনৈতিক সাইনবোর্ড, ব্যানারের ছড়াছড়ি। এতে দুজন নেতার পৃথক পৃথক উপস্থিতিই বলে</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a7%80%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a7%9f%e0%a6%ae%e0%a6%a8%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%82%e0%a6%b9%e0%a7%87-%e0%a6%86-%e0%a6%b2%e0%a7%80%e0%a6%97/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><b>রাজনীতির ময়মনসিংহে আ.লীগের ছায়ায় মজবুত জাতীয় পার্টিঃ ঐক্যবদ্ধ বিএনপি </b></p>
<p><span style="font-weight: 400;"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2021/09/IMG_20210922_145122.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="aligncenter size-medium wp-image-4491" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2021/09/IMG_20210922_145122-300x225.jpg" alt="" width="300" height="225" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2021/09/IMG_20210922_145122-300x225.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2021/09/IMG_20210922_145122-768x576.jpg 768w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2021/09/IMG_20210922_145122-1024x768.jpg 1024w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>ময়মনসিংহ শহরের প্রবেশ মাত্রই চোখে পড়ে প্রধান সড়ক ও অলিগলিতে রাজনৈতিক সাইনবোর্ড, ব্যানারের ছড়াছড়ি। এতে দুজন নেতার পৃথক পৃথক উপস্থিতিই বলে দেয় এদের একতার ঘাটতি।কোনোটায় মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোহিত উর রহমান (শান্ত)। কোনোটায় সিটি করপোরেশনের মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ইকরামুল হকের (টিটু) পক্ষ থেকে নগরবাসীকে শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে। ময়মনসিংহ মহানগরের রাজনীতি এখন এই দুই নেতাকে কেন্দ্র করে দুটি ধারায় বিভক্ত। দুই পক্ষ আলাদাভাবে কর্মসূচি পালন করে। আর এই সুযোগে জেলা ও মহানগরে বাড়ছে জাতীয় পার্টি ও বিএনপির জনপ্রিয়তা বলে জানান  ময়মনসিংহ শহরের বাসিন্দারা। </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">বিভাগীয় সদর বা জেলার যখন এই অবস্থা স্বাভাবিকভাবেই জেলার ১১ টি আসনে এর প্রভাব পরবে বলে মনে করেন জেলার সাংস্কৃতিক নেতা কবি ও সাংবাদিক স্বাধীন চৌধুরী। গত নির্বাচনের পরিসংখ্যান তুলে ধরে স্বাধীন চৌধুরী বলেন, ২০১৮ এর নির্বাচন যদিও সমালোচিত তারপরও সেই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয় লাভ করে। সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে সরকার ব্যাপক উন্নয়ন কাজ করেছে প্রতিটি এলাকায়। কিন্তু এই দ্বন্দ্বই তাদের খাবে। তারউপর দ্রব্য মূল্যের নিয়ন্ত্রণহীনতা একটা বড় ব্যর্থতা বলে মনে করেন সাংবাদিক স্বাধীন চৌধুরী। </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">জেলার রাজনীতি নিয়ে সক্রিয় ব্রাহ্মপল্লীর গালিব, হামিদসহ একাধিক নেতাকর্মীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, একসময় ময়মনসিংহ মহানগরে একচ্ছত্র আধিপত্য ছিল সাবেক ধর্মমন্ত্রী মতিউর রহমানের বড় ছেলে মোহিত উরের। তবে বর্তমানে পরিস্থিতি ভিন্ন। মতিউর রহমান মন্ত্রিত্ব যাওয়ার পর মোহিত উরের দাপট কমে গেছে। একসময় মোহিত উরের সঙ্গে ছিলেন এমন অনেকে এখন ইকরামুলের পক্ষে ভিড়েছেন। এলাকায় পরিবহন খাত, বালুমহাল ও উন্নয়নকাজের দরপত্রসহ স্থানীয় রাজনীতির নিয়ন্ত্রণও অনেকাংশেই এখন মেয়র ইকরামুল ও তাঁর ভাই জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আমিনুল হকের (শামীম) হাতে।</span></p>
<div id="attachment_4494" style="width: 250px" class="wp-caption alignright"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2021/10/14611014_1266471480041030_4639915672633376393_n.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-4494" class="size-medium wp-image-4494" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2021/10/14611014_1266471480041030_4639915672633376393_n-240x300.jpg" alt="" width="240" height="300" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2021/10/14611014_1266471480041030_4639915672633376393_n-240x300.jpg 240w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2021/10/14611014_1266471480041030_4639915672633376393_n.jpg 630w" sizes="auto, (max-width: 240px) 100vw, 240px" /></a><p id="caption-attachment-4494" class="wp-caption-text">আ.লীগ নেতা মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল</p></div>
<p><span style="font-weight: 400;">জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেনও এখন মেয়রপক্ষের লোক হিসেবে পরিচিত। তিনি বলেন, ‘মতিউর রহমানের সময়ে এখানকার রাজনীতিতে তাঁর কথাই ছিল শেষ কথা। এখন নতুন রাজনীতি। আমরা সবাইকে নিয়ে কাজ করছি। মেয়র ও সাবেক মন্ত্রিপুত্রের মধ্যে সাংগঠনিক প্রতিযোগিতা নিয়ে দূরত্ব আছে।’</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">মতিউর রহমান ২০০৪ সালে ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হন। এরপর টানা এক যুগ সভাপতি ছিলেন। তিনি ২০১৪ সালে ধর্মমন্ত্রী হন। তখন ময়মনসিংহে আওয়ামী লীগের রাজনীতি, নিয়োগ-বাণিজ্য, ঠিকাদারি, বালুমহালসহ বিভিন্ন খাত মন্ত্রিপুত্র মোহিত উর নিয়ন্ত্রণ করতেন বলে অভিযোগ ছিল। ২০১৯ সালে তৃতীয় মেয়াদে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর মতিউর রহমান আর মন্ত্রিত্ব পাননি। মূলত এরপর ময়মনসিংহে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণ শুরু হয়। ময়মনসিংহ মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এহতেশামুল আলম এক সাক্ষাৎকারে বলেন, মেয়র ও তাঁর ভাই রাজনীতিতে আবির্ভাবের পর থেকে এখন তাঁদের অবস্থান ভালো, এটা অস্বীকার করার উপায় নেই। এখানে অঙ্গসংগঠনগুলোও এখন দুই গ্রুপে বিভক্ত অবস্থায় আছে। যুবলীগ ও ছাত্রলীগে মেয়র ও তাঁর ভাইয়ের অবস্থান হয়েছে। আগে মহানগর ছাত্রলীগে মোহিত উরের একটা অবস্থান ছিল, এখন সেটা নেই। তবে মহানগর জাতীয় পার্টির সাংস্কৃতিক সম্পাদক শহীদ আমিনী রুমী বলেন, কোন্দল সব দলেই আছে। এটাকে কোন্দল বলা যাবেনা। এটা ভোগী ও ত্যাগী দ্বন্দ্ব। যেখানে টাকা আছে, সেখানেই একদল ভোগী ও ত্যাগী আছে। জেলায় নয়টি আসন আওয়ামী লীগের সাংসদ। দুটি জাতীয় পার্টির দখলে। স্বাভাবিক কারণেই সাংসদের দলটি ভোগী আর বাকীরা সব ত্যাগী দল। বিএনপিরও একই দশা। তাদের দ্বন্দ্বটা টাকার বদলে চেয়ারের ভিতর ঢুকেছে এই পার্থক্য।  </span></p>
<div id="attachment_5006" style="width: 112px" class="wp-caption alignleft"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/IMG_20220529_194946.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-5006" class="wp-image-5006 size-full" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/IMG_20220529_194946.jpg" alt="" width="102" height="147" /></a><p id="caption-attachment-5006" class="wp-caption-text">বিএনপি নেতা শফিকুল ইসলাম</p></div>
<p>এদিকে জেলা দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম বলেন, বিএনপি নির্বাচন নিয়ে মোটেই চিন্তিত নয়। এ সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচনে বিএনপি অংশ নেবেনা। আমরা আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারের পতন ঘটাবো ইনশাআল্লাহ। সব জেলা উপজেলা ও ইউনিয়নে বিএনপির কমিটি গঠন কার্যক্রম চলছে। এটা শেষ হলেই আমরা আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করবো।</p>
<p><span style="font-weight: 400;">নেতাকর্মীদের বক্তব্যে ২০১৮ এর নির্বাচনের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে হলে একতার বিকল্প নেই আওয়ামী লীগের। পরিসংখ্যান ঘেটে দেখা যায় গত ২০১৮ এর নির্বাচনে ময়মনসিংহের ১১টি সংসদীয় আসনেই বিজয়ের হাসি হেসেছেন আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোটের প্রার্থীরা। এর মধ্যে ৯টি সংসদীয় আসনে নৌকা প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী। দু’টি আসনে লাঙল প্রতীক নিয়ে ভোটে জিতেছেন জাতীয় পার্টি। এখানে একটি আসনেও জয়ী হতে পারেননি ধানের শীষ প্রতীকের ঐক্যফ্রন্ট তথা বিএনপি। </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">বিগত নির্বাচনী তথ্য অনুযায়ী </span><b>ময়মনসিংহ-১ (হালুয়াঘাট-ধোবাউড়া)</b><span style="font-weight: 400;"> আসন থেকে নৌকা প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হয়েছেন জুয়েল আরেং। তার প্রাপ্ত ভোট সংখ্যা ২ লাখ ৫৮ হাজার ৯২৩।</span><span style="font-weight: 400;">তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিএনপির আফজাল এইচ খান পেয়েছেন ২৮ হাজার ৬৩৮ ভোট। বর্তমানে এখানের ১৯ টি ইউনিয়নের হাট বাজারে বিএনপির কার্যক্রম বেশ ঐক্যবদ্ধ বলে দাবী ময়মনসিংহ উত্তর জেলা যুবদলের সহ সভাপতি আব্দুল আজিজ খান ও </span><span style="font-weight: 400;">হালুয়াঘাট উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আসলাম মিয়া বাবুলের। তাদের দাবী শুধু জেলাই নয় বৃহত্তর ময়মনসিংহের বিএনপি এখন ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন করছে। এখানে আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব দিচ্ছেন সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোজাম্মেল হোসেন ও সাধারণ সম্পদক পদে প্রিয়তোষ বিশ্বাস বাবুল। দীর্ঘ ৯ বছর পর গঠিত এ কমিটি নিয়েও চলছে দ্বন্দ্ব। হালুয়াঘাট ও ধোবাউড়া আসনে জাতীয় পার্টির রাজনীতিতে আছেন আলহাজ্ব আব্দুল রহিম ও জাহিদুল ইসলাম পাপ্পু।</span></p>
<p><b>ময়মনসিংহ-২ (ফুলপুর-তারাকান্দা)</b><span style="font-weight: 400;"> আসন থেকে ২০১৮ তে আওয়ামী লীগের শরীফ আহমেদ নির্বাচিত হয়েছেন। এখানকার ১৭০টি ভোট কেন্দ্রে তিনি পেয়েছেন ২ লাখ ৯১ হাজার ৪৭২ ভোট। তার কাছে পরাজিত প্রার্থী বিএনপির শাহ শহীদ সারোয়ারের প্রাপ্ত ভোট সংখ্যা ৬২ হাজার ২৩৩ ভোট। এখানে জাতীয় পার্টির নেতৃত্ব বেশ শক্তিশালী বলে দাবী তারাকান্দা উপজেলা সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ এমদাদুল হক খান।</span></p>
<div id="attachment_5007" style="width: 198px" class="wp-caption alignleft"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/Screenshot_2022-05-29-20-04-27-18_a23b203fd3aafc6dcb84e438dda678b6.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-5007" class="size-medium wp-image-5007" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/Screenshot_2022-05-29-20-04-27-18_a23b203fd3aafc6dcb84e438dda678b6-188x300.jpg" alt="" width="188" height="300" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/Screenshot_2022-05-29-20-04-27-18_a23b203fd3aafc6dcb84e438dda678b6-188x300.jpg 188w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/Screenshot_2022-05-29-20-04-27-18_a23b203fd3aafc6dcb84e438dda678b6.jpg 296w" sizes="auto, (max-width: 188px) 100vw, 188px" /></a><p id="caption-attachment-5007" class="wp-caption-text">গৌরীপুরের বিএনপি নেতা আশরাফুল ইসলাম সেলিম</p></div>
<p><span style="font-weight: 400;">গত নির্বাচনে </span><b>ময়মনসিংহ-৩ (গৌরীপুর)</b><span style="font-weight: 400;"> আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী নাজিম উদ্দিন আহমেদ ১ লাখ ৫৯ হাজার ৩০০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইকবাল হোসাইন পেয়েছেন ২৪ হাজার ৫১৯ ভোট। এসময় বিএনপির একাধিক প্রার্থীর মধ্যে দ্বন্দ্ব স্পষ্ট ছিলো বলে অভিযোগ রয়েছে।  তবে এ আসনের একজন সম্ভাব্য প্রার্থী জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক জোটের যুগ্ম মহাসচিব আশরাফুল ইসলাম সেলিম ওরফে (কবি সেলিম বালা) বলেন, গৌরীপুর আসনে বিএনপি এখন প্রচন্ড শক্তিশালী ও ঐক্যবদ্ধ। দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে আমরা কেউই কোনো চিন্তা করিনা। তাছাড়া আমি কোনো প্রার্থী নই। আমি শুধু দলীয় পরিচয়ে সাধারণ মানুষের পাশে থাকতে চেষ্টা করছি। জন্মভূমির টানে গ্রামের মানুষের উপকার করার চেষ্টা করছি।  গৌরীপুর আসনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ড হেলাল উদ্দিন আহমেদ। </span></p>
<div id="attachment_5009" style="width: 310px" class="wp-caption alignright"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/IMG_20220529_200948.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-5009" class="size-medium wp-image-5009" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/IMG_20220529_200948-300x254.jpg" alt="" width="300" height="254" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/IMG_20220529_200948-300x254.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/IMG_20220529_200948-768x651.jpg 768w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/IMG_20220529_200948.jpg 774w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a><p id="caption-attachment-5009" class="wp-caption-text">ব্রহ্মপুত্রের তীরে আ.লীগ নেতা গালিব, সাংবাদিক স্বাধীন চৌধুরী ও তাদের বন্ধু</p></div>
<p><span style="font-weight: 400;">২০১৮ এর নির্বাচনে </span><b>ময়মনসিংহ-৪ (সদর)</b><span style="font-weight: 400;"> আসনে তৃতীয়বারের মতো বিপুল ভোটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ। মোট ১৭৬টি ভোট কেন্দ্রের ফলাফলে তিনি ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭৭৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ পেয়েছেন ১ লাখ ৩ হাজার ৭৫৩ ভোট। এখানে এখন শান্ত-টিটু দ্বন্দ্বে অশান্ত আওয়ামী লীগের আঙ্গিনা।</span></p>
<div id="attachment_5008" style="width: 310px" class="wp-caption alignright"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/Screenshot_2022-05-29-19-59-47-11_a23b203fd3aafc6dcb84e438dda678b6.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-5008" class="size-medium wp-image-5008" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/Screenshot_2022-05-29-19-59-47-11_a23b203fd3aafc6dcb84e438dda678b6-300x220.jpg" alt="" width="300" height="220" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/Screenshot_2022-05-29-19-59-47-11_a23b203fd3aafc6dcb84e438dda678b6-300x220.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/Screenshot_2022-05-29-19-59-47-11_a23b203fd3aafc6dcb84e438dda678b6.jpg 720w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a><p id="caption-attachment-5008" class="wp-caption-text">মুক্তাগাছা মন্ডার দোকানে আমরা বন্ধুরা</p></div>
<p><b>ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা)</b><span style="font-weight: 400;"> আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী কাজী খালিদ বাবু। তিনি পেয়েছিলেন ২ লাখ ৩২ হাজার ৫৬৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী জাকির হোসেন বাবলু পেয়েছেন ২২ হাজার ২০৩ ভোট। মুক্তাগাছার সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব সাইফুজ্জামান দুদু জানান, জেলা আওয়ামী লীগের দ্বন্দ্ব এখানেও ছাপ ফেলেছে। ইউপি নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থীদের দিয়েই তা স্পষ্ট হয়েছে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। আর বিএনপি এখানে খুবই দূর্বল। তিনি আরো জানান গত বছর মুক্তাগাছা পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী বিল্লাল হোসেন সরকার ১৭ হাজার ৩২০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির শহিদুল ইসলাম শহীদ পেয়েছেন ৫ হাজার ২৬১ ভোট। এটাই এখানে বিএনপির অবস্থান প্রমাণ করে।</span></p>
<p><b>ময়মনসিংহ-৬ (ফুলবাড়িয়া)</b><span style="font-weight: 400;"> আসনে ৬ষ্ঠ বারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন মোসলেম উদ্দিন অ্যাডভোকেট। তিনি পেয়েছেন ২ লাখ ৪০ হাজার ৫৮৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিএনপি’র ইঞ্জিনিয়ার শামছ উদ্দিন। তিনি পেয়েছেন ৩২ হাজার ৩৩২ ভোট। এখানে বিএনপির অবস্থান শক্তিশালী হলেও গত বছর ফুলবাড়ীয়া পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী গোলাম কিবরিয়া ৫ হাজার ৬৩৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী গোলাম মোস্তুফা পেয়েছেন ৪ হাজার ৪২৮ ভোট। </span></p>
<p><b>ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল)</b><span style="font-weight: 400;"> আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী হাফেজ রুহুল আমিন মাদানী ২ লাখ ৪ হাজার ৭৩৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার কাছে ৩৬ হাজার ৪০৮ ভোট পেয়ে পরাজিত হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী ডা. মাহাবুবুর রহমান লিটন। ত্রিশাল বাণিজ্যিক নগরী। তাই এই আসনটি ময়মনসিংহ সদরের সাথে সমান গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমানে এখানে মাদানী গ্রুপের সাথে উপজেলা আওয়ামী লীগের দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যেই চলছে এখন। অন্যদিকে এখানে  বিএনপির কমিটি গঠন নিয়ে গত বছর ঝাড়ু মিছিলও হয়েছে। আর হান্নান সাহেব না থাকায় জাপা এখানে গুরুত্বহীন।</span></p>
<p><b>ময়মনসিংহ-৮ (ঈশ্বরগঞ্জ)</b><span style="font-weight: 400;"> আসনে পুনরায় জয়ী হন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ফখরুল ইমাম। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৫৬ হাজার ৭৬৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী এইচ এম খালেকুজ্জামান পেয়েছেন ৩৪ হাজার ৬৩ ভোট। তবে বর্তমানে আওয়ামী লীগের অবস্থান এখানে খুবই দূর্বল। ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের ১০ নেতার মৃত্যু ও বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ নেতাসহ ৪১ জনকে বহিষ্কার করা নিয়ে এই সংকট দেখা দিয়েছে। ফলে বিএনপির অবস্থান ও সম্ভাবনা এখানে প্রচণ্ড শক্তিশালী বলে মনে করেন সাধারণ মানুষ। তবে ভোটের বিশ্লেষণে ইউপি নির্বাচনে জাতীয় পার্টির অবস্থানই শক্তিশালী বলে ধারণা করা যায়। কেননা সপ্তম ধাপে অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলায় আওয়ামী লীগের ভরাডুবি হয়েছে। ২০১৬ সালে অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ১০ জন প্রার্থী চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হলেও এবার মাত্র ৩টিতে জয় পেয়েছেন তারা। অন্যদিকে জাতীয় পার্টির (জাপা) প্রার্থী মনোনয়নে মুন্সিয়ানা দেখানোয় গতবারের তুলনায় এবার ভালো করেছে। গতবার মাত্র একটিতে জয় পেলেও এবার তিনটি ইউপিতে জিতেছে তারা।</span></p>
<p><b>ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল)</b><span style="font-weight: 400;"> আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী আনোয়ারুল আবেদিন খান তুহিন পেয়েছেন ২ লাখ ২৭ হাজার ২৭৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির খুররম খান চৌধুরী ২০ হাজার ৮৬০ ভোট পান। বর্তমানে নান্দাইলের রাজনীতিতে চলছে চরম বিশৃঙ্খলা। বর্তমান সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আবেদীন খান তুহিন ও বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান হাসান মাহমুদ জুয়েলকে ঘীরে এই বিশৃঙ্খলা তৈরি বলে জানান আওয়ামী লীগের একাংশ। ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি এডভোকেট জহিরুল হক খোকা ও সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল এর স্বাক্ষরিত পত্রে সাংসদের গঠিত কমিটি অবৈধ ঘোষণা করে উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যক্রম মেজর জেনারেল আব্দুস সালাম ও সিরাজুল ইসলাম ভূইয়ার নেতৃত্বে পরিচালিত হবে বলে জানিয়ে দেয়া হয়।</span></p>
<p><b>ময়মনসিংহ-১০ (গফরগাঁও)</b><span style="font-weight: 400;"> আসনে নৌকা প্রতীক নিয়ে বিজয়ী আওয়ামী লীগের ফাহমি গোলন্দাজ বাবেল পেয়েছেন ২ লাখ ৮১ হাজার ২৩০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের এলডিপির প্রার্থী সৈয়দ মাহমুদ মোর্শেদ পেয়েছেন ৩ হাজার ১৭৫ ভোট। এখানে আওয়ামী লীগের বিকল্প এখন শুধুই আওয়ামী লীগ। সর্বজন প্রশংসনীয় কমিটি গঠনের মাধ্যমে দীর্ঘ ২৬ বছর পর গফরগাঁও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন স্থানীয় এমপি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক আহবায়ক ফাহমী গোলন্দাজ বাবেল ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন বারবাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক দপ্তর সম্পাদক আবুল কাশেম। এখানে বিএনপির হাল ধরে আছেন ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপি&#8217;র যুগ্ম-আহ্বায়ক ও পাগলা থানা বিএনপি&#8217;র নেতা ডা. মোফাখখারুল ইসলাম।</span></p>
<p><b>ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা) ম</b><span style="font-weight: 400;">য়মনসিংহ জেলার ভালুকা জাতীয় সংসদের ১৫৬ নম্বর আসন। গত নির্বাচনে এখানে ২ লাখ ২২ হাজার ২৪৮ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী কাজিম উদ্দিন আহমেদ ধনু। তার সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বীতাকারী বিএনপির ফখর উদ্দিন বাচ্চু পেয়েছেন ২৭ হাজার ২৭৭ ভোট। শিল্পনগরী ভালুকার রাজনৈতিক মেরুকরণ তাই সম্পূর্ণ আলাদা। শিল্পকারখানা, খামার আর বাগানে সমৃদ্ধ এ এলাকা ব্যবসায়িক অঞ্চল বা শিল্পনগরী হিসেবে পরিচিত। স্থানীয়দের পাশাপাশি বাইরের বিনিয়োগকারীদেরও পছন্দের জায়গা এই ভালুকা। এখানের রাজনীতির হিসাব নিকাশও ভিন্ন। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবী, আমাদের এখানে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জামায়াত ও জাতীয় পার্টি সব এক। এক পরিবারের সবাই। কেউ কাউকে ডিস্টার্ব করে না। ভোটের আগে কিছুই টেরও পাওয়া যাবেনা এখানে। </span></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a7%80%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a7%9f%e0%a6%ae%e0%a6%a8%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%82%e0%a6%b9%e0%a7%87-%e0%a6%86-%e0%a6%b2%e0%a7%80%e0%a6%97/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
