<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>খুলনা বিভাগ &#8211; সাহিত্য বাজার</title>
	<atom:link href="https://shahittabazar.com/category/%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%80%e0%a7%9f/%e0%a6%96%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%97/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://shahittabazar.com</link>
	<description>সাহিত্যের আয়নায় মানুষের মুখ</description>
	<lastBuildDate>Sun, 21 Sep 2025 05:46:47 +0000</lastBuildDate>
	<language>bn-BD</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.9.4</generator>
	<item>
		<title>খুলনায় জামায়াতে ইসলামীর বিশাল সমাবেশ</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%96%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%87%e0%a6%b8%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%80/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%96%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%87%e0%a6%b8%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%80/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক, সাহিত্য বাজার]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 21 Sep 2025 05:46:00 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[খুলনা বিভাগ]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলার চিঠি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://shahittabazar.com/?p=5744</guid>

					<description><![CDATA[<p>পি.আর পদ্ধতিতে জাতীয় নির্বাচন হলে কারো পক্ষে ফ্যাসিবাদী হয়ে ওঠার সম্ভাবনা নেই- -এডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ</p> <p>নিজস্ব প্রতিবেদক</p> <p>বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%96%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%87%e0%a6%b8%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%80/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>পি.আর পদ্ধতিতে জাতীয় নির্বাচন হলে কারো পক্ষে ফ্যাসিবাদী হয়ে ওঠার সম্ভাবনা নেই- -এডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ</strong></p>
<p><strong>নিজস্ব প্রতিবেদক</strong></p>
<div id="attachment_5745" style="width: 310px" class="wp-caption alignleft"><a href="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/09/IMG_20250921_113817.jpg"><img decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-5745" class="size-medium wp-image-5745" src="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/09/IMG_20250921_113817-300x136.jpg" alt="" width="300" height="136" /></a><p id="caption-attachment-5745" class="wp-caption-text">Oplus_131072</p></div>
<p><span style="font-weight: 300;">বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি এডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ বলেছেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা পালিয়ে গেছে। এরপর ছাত্র-জনতার আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী অন্তবর্তী সরকার ক্ষমতা গ্রহণ করেছে। পিআরের (প্রোপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন) পক্ষে দেশের ৭০ ভাগ জনগণ সমর্থন জানিয়েছে। ঐকমত্য কমিশনে ৩১ দলের মধ্যে ২৫টি দল পিআরের পক্ষে রয়েছে। একটি দলের কেউ কেউ বলছেন, পিআর খায় না মাথায় দেয়। কোনো রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এটা বলতে পারে না। তাই পিআর বাস্তবায়নের জন্য গণভোট দিন। রায় পিআরের পক্ষে আছে নাকি বিপক্ষে আছে যাচাই করুন। জনগণ যদি পিআর মানে তাহলে আপনাদেরও মানতে হবে। আর জনগণের রায় যদি পিআরের বিপক্ষে যায় তাহলে আমরা মেনে নেবো। কিন্তু দেশের বড় দলটি গণভোটকে ভয় পাচ্ছে। পিআরের মধ্য দিয়ে সকলের অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে পেশীশক্তি ও কালো টাকামুক্ত কোয়ালিটিপূর্ণ পার্লামেন্ট হোক, সরকার গঠন হোক, কেউ ফ্যাসিবাদী হয়ে না উঠুক; যারা চায় না, তারাই জনগণের বিপক্ষে গিয়ে পিআর ঠেকাতে চায়। তিনি দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত জনগণকে রাজপথে থাকার উদাত্ত আহ্বান জানান।</span></p>
<p>নগরীর প্রাণকেন্দ্র ডাকবাংলোস্থ সোনালী ব্যাংক চত্বরে খুলনা মহানগরী ও জেলা জামায়াত আয়োজিত সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিলে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।</p>
<p>বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও খুলনা মহানগরী আমীর খুলনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী অধ্যাপক মাহফুজুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সহকারী সেক্রেটারি এডভোকেট মুহাম্মদ শাহ আলম ও প্রিন্সিপাল শেখ জাহাঙ্গীর আলম পরিচালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন আমীর, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সেক্রেটারি ও খুলনা অঞ্চল পরিচালক সাতক্ষীরা-২ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও খুলনা অঞ্চল সহকারী পরিচালক খুলনা-৬ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মাওলানা আবুল কালাম আজাদ, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও খুলনা অঞ্চল টিম সদস্য মাস্টার শফিকুল আলম এবং কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও খুলনা জেলা আমীর মাওলানা এমরান হুসাইন।</p>
<p>সরকারের উদ্দেশ্যে জামায়াতের এই কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের সেক্রেটারি বলেন, আর্টিকেল ৭-এর ভিত্তিতেই জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি দিয়ে তার আলোকে নির্বাচন দিতে হবে। এখন যদি দুই/তিন মাস আলোচনার পর একটি দল বলে যে এটা পরে হবে, তাহলে কেন এত পরিশ্রম করালেন? সেজন্যই বলছি আমাদের আন্দোলন রাজনীতির অংশ। আমাদের রাজনীতি জনগণের আকাঙ্ক্ষা তুলে ধরার জন্য। আমরা আলোচনার টেবিলে নিষ্পত্তির জন্য আশাবাদী। আমরা নিরাশ নই। তিনি বলেন, আপনারা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড মেইনটেইন করতে পারছেন না। তাহলে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে কীভাবে? তাই আমাদের দাবি-আপনারা জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি দিন। সাংবিধানিক অর্ডার জারি করুন। গণভোট দিন। ফ্যাসিবাদের কার্যক্রম স্থগিত করুন। এবং আপনারা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে, ‘নির্বাচনের আগে দৃশ্যমান বিচার করবেন।’ আমাদেরও দাবি নির্বাচনের আগেই তা দৃশ্যমান করতে হবে।</p>
<p>মতিউর রহমান আকন্দ আরও বলেন, আপনি সবাইকে ডাকুন, কনস্টিটিউশনাল অর্ডারের মাধ্যমে অথবা একটা রেফারেন্ডামের মাধ্যমে এখনো সময় আছে জুলাই সনদকে আইনি ভিত্তি দিয়ে নির্বাচন করুন। তিনি আরও বলেন, কেউ কেউ বলছেন যে; এটা করা যাবে না, ওটা করা যাবে না। আমরা দেখছি অনেক সাংবিধানিক মেজর ইস্যুতে যে ভিন্নমতগুলো রয়েছে, আমরা বলেছি ঐকমত্য কমিশনও বলেছে দু’বারের অধিক কেউ প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবে না। জুডিশিয়ারিতে প্রধানমন্ত্রী চাইলেও হবে না। এই সংস্কার যদি এখন না হয়, প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ভারসাম্য যদি ঠিক করা না হয়, আর তা যদি নির্বাচনের আগে না হয়, বিদ্যমান রাষ্ট্রকাঠামোতে যদি আবার নির্বাচন হয়, তাহলে এই নির্বাচনের মাধ্যমে আরেকটি ফ্যাসিবাদের জন্ম হবে। বিদ্যমান কাঠামোতে নির্বাচন হলে আরেকটি হাসিনার জন্ম হবে। বাংলার মানুষ আর ফ্যাসিবাদের জন্ম হতে দেবে না।</p>
<p>বিক্ষোভ মিছিলটি নগরীর ডাকবাংলোস্থ সোনালী ব্যাংক চত্বর থেকে শুরু হয়ে ফেরিঘাট মোড়, পাওয়ার হাউজ মোড় ও সঙ্গীতার সামনে দিয়ে শিববাড়ি (শহীদ মীর মুগ্ধ) মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। বিক্ষোভ মিছিলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীসহ হাজার হাজার জনতা অংশ নেয়।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%96%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%87%e0%a6%b8%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%80/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>সাহিত্য বাজার সেরা লেখকসম্মান ও পুরস্কার পাচ্ছেন কবি ও উপন্যাসিক আফরোজা হীরা</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%96%e0%a6%95-%e0%a6%b8/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%96%e0%a6%95-%e0%a6%b8/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আরিফ আহমেদ]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 04 May 2016 10:59:29 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[খুলনা বিভাগ]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://shahittabazar.com/?p=3328</guid>

					<description><![CDATA[<p>&#8216;কুড়ির ফুল হেলায় শুকালে<br /> বাসি ফুলে হয়নাকো পুজো,<br /> ঠাকুর, বিসর্জনেই মিলনের সুখ খোঁজো।&#8217;</p> <p>আফরোজা হীরা ! একাধারে কবি ও উপন্যাসিক। সত্যি বলতে সাহিত্যের সব শাখায়ই তার বিচরণ অত্যন্ত</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%96%e0%a6%95-%e0%a6%b8/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/05/02-1.jpg" rel="attachment wp-att-3330"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft wp-image-3330 size-full" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/05/02-1.jpg" alt="02" width="206" height="294" /></a>&#8216;কুড়ির ফুল হেলায় শুকালে<br />
বাসি ফুলে হয়নাকো পুজো,<br />
ঠাকুর, বিসর্জনেই মিলনের সুখ খোঁজো।&#8217;</p>
<div class="text_exposed_show">
<p>আফরোজা হীরা ! একাধারে কবি ও উপন্যাসিক। সত্যি বলতে সাহিত্যের সব শাখায়ই তার বিচরণ অত্যন্ত বিচক্ষণতায়। কবিতা দিয়ে তার সাথে আলাপ হলেও তার প্রবন্ধ, রাজনৈতিক সমালোচনা, ধর্মীয় অনুভুতির লেখাগুলো আমাকে টেনেছে ভীষণভাবে। তারপর যখন হাতে এলো তার উপন্যাস <strong>বাংলার ঘরে গরে প্রতিটি নারী এক একটা জীবন্ত ইতিহাস </strong>বইটি। তখন রীতিমত বিস্মিত হলাম বইটির ভূমিকা পড়ে।</p>
<p>ভূমিকায় তিনি লিখেছেন : ‘আমি এক গণ্ড মূর্খ মেয়ে মানুষ, অন্য আর পাঁচজনের মতো ভারী ভারী সার্টিফিকেট আমার নেই। কখনো মনেই হয়নি শিক্ষিত বা মানুষ হওয়ার জন্য সার্টিফিকেট অনেক জরুরী কিছু। আমার ভিতর প্রকৃত শিক্ষা বলে যদি কিছু থাকে তার সবটুকু আমি প্রকৃতি থেকে নিয়েছি। আমার অনুসন্ধানী চোখ সর্বত্র খুঁজে ফেরে সৃষ্টির রহস্য, নষ্ট সমাজের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অসঙ্গতিগুলো।’</p>
<p>আসলেই তাই উপন্যাসিক আফরোজা হীরা তার বিশাল নামের উপন্যাসটিতে তুলে এনেছেন সেই সমাজেরই ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অসঙ্গতিকে। ছাবিনা আর জয়তুন চরিত্রের নোনা পানি পান, কলিম আর সুন্দরবনের বাঘ, রহিমা, ছলিমের ২য় বিয়ে, ইত্যাদি গ্রাম বাংলার খুটিনাটি চিত্রকে একত্রিত করে সামাজিক দায়বদ্ধতার জায়গাটাকে স্পষ্ট করে তুলেছেন <strong>বাংলার ঘরে গরে প্রতিটি নারী এক একটা জীবন্ত ইতিহাস &#8211; </strong>নামের গ্রন্থে।</p>
<div id="attachment_3332" style="width: 310px" class="wp-caption alignleft"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/05/06.jpg" rel="attachment wp-att-3332"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-3332" class="size-medium wp-image-3332" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/05/06-300x225.jpg" alt="উপন্যাস “বাংলার ঘরে ঘরে প্রতিটা নারী এক একটা জীবন্ত ইতিহাস” এর মোড়োক উন্মোচন কেরলেন আসাদুজ্জামান নূর, কবি হেলাল হাফিজ সহ আরো অনেকে।" width="300" height="225" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/05/06-300x225.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/05/06-768x576.jpg 768w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/05/06.jpg 960w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a><p id="caption-attachment-3332" class="wp-caption-text">উপন্যাস “বাংলার ঘরে ঘরে প্রতিটা নারী এক একটা জীবন্ত ইতিহাস” এর মোড়োক উন্মোচন কেরলেন আসাদুজ্জামান নূর, কবি হেলাল হাফিজ সহ আরো অনেকে।</p></div>
<p>ফেসবুকে প্রথম তার লেখা <strong>স্মৃতি ঝড়ের মূর্ছনা</strong></p>
<p>এটা তো জানাই ছিল<br />
সময়ের স্রোতে একদিন ধুয়ে যাবে<br />
আঠারো বছরের সেই কাঁচা হলুদ রং।<br />
প্রতিটা ঢেউয়ের ধাক্কায়, একটু একটু করে<br />
দূরে সরে যাবে প্রিয় সব মুখ গুলো<br />
যেমনি করে আজ আমি একেবারেই<br />
হারিয়ে ফেলেছি-<br />
ছোট্ট বেলার প্রিয় সেই লাল রঙের ফ্রগ<br />
আর, পুতুলের বাক্সটা।</p>
<p><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/05/05.jpg" rel="attachment wp-att-3331"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignright size-medium wp-image-3331" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/05/05-300x300.jpg" alt="05" width="300" height="300" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/05/05-300x300.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/05/05-150x150.jpg 150w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/05/05.jpg 320w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>পার্বতী পারু ছদ্মনামের এই কবিতা পড়েই তার সাথে আলাপ । কবিতার দুর্বোধ্যতায় নয় বরং সহজবোধ্যতার মুগ্ধতা নিয়ে সাহিত্য বাজার ডট কমে তার প্রথম কবিতার প্রকাশ হয়েছিল ২০১৪ সালের জানুয়ারীতে মাসে । লাইক সংখ্যা -৪২৩ (এ লেখাটির সময়ে)।</p>
<p><span class="date">জানুয়ারী ২৯, ২০১৪</span> <span class="sep"> &#8211; </span> <span class="category"><a href="http://shahittabazar.com/?cat=8" rel="category">পদাবলী</a>, <a href="http://shahittabazar.com/?cat=10" rel="category">সাহিত্য</a></span> <span class="sep"> &#8211; </span> 424 বার পঠিত<br />
ফেসবুকে তার অগনিত ভক্তের লাইক পড়েছিল মূবুর্তেই ।</p>
<p>সেই থেকে তার কবিতার প্রতি সাহিত্য বাজারেরও একটা দুর্বলতা স্পষ্ট । যার প্রমাণে এই সেরা সাহিত্যকর্মীর পুরস্কার তালিকায় তাকে যুক্ত করে আমাদের এই আনন্দ প্রকাশ এবং গর্বিত হওয়া ।<br />
ষড়বিন্দু &#8211; ৬ জন কবির কবিতা নিয়ে সম্মৃদ্ধ একটি কাব্যগ্রন্থ, যেখানে আফরোজা হীরার কবিতা দিয়েই বইটির সূচনা । মোট ৫৩ টি কবিতায় কবির জীবন ও চেতনার দৃষ্টিভঙ্গী পরিস্কার হয়ে ওঠে ।<br />
খুলনার মোংলাতে পশুর নদীর জল বাওয়া গায়ে মেখে বেড়ে ওঠা বলেই তিনি সিডর, আইলার মত বড় বড় প্রাকৃতিক দুর্যোগকে দেখেছেন খুব কাছ থেকে। তার কবিতায় প্রেম ভালবাসা ছাপিয়ে তাই জেগে ওঠে এক প্রতিবাদী উচ্ছাস ।<br />
&#8216;&#8230;টাকার নাম বদলে ডলার রাখলেই সে স্বর্ণমুদ্রা হয় না ।&#8230;<br />
সোনালী টুপি মাথায় পড়লেই, হুজুর ডাকি না<br />
আর কুত্তাকে আজও কুত্তাই বলি ।&#8217;</p>
</div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%96%e0%a6%95-%e0%a6%b8/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>খুলনায় রবি’র মাসব্যাপি বইমেলা</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%96%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a7%9f-%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a6%bf-%e0%a6%ac/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%96%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a7%9f-%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a6%bf-%e0%a6%ac/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক, সাহিত্য বাজার]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 11 Feb 2014 16:05:16 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[খুলনা বিভাগ]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://shahittabazar.com/?p=1789</guid>

					<description><![CDATA[<p>খুলনায় রবি’র মাসব্যাপি বইমেলা<br /> ’বই পড়ুন জীবন গড়ুন’ স্লোগানে শিল্প নগরী খুলনায় মাসব্যাপী ‘একুশে বইমেলা, খুলনা ২০১৪’ শুরু হয়েছে। সম্প্রতি নগরীর বিভাগীয় সরকারী গ্রন্থগার চত্বরে মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%96%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a7%9f-%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a6%bf-%e0%a6%ac/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2014/02/Khulna-Book-Fair.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="size-medium wp-image-1790 alignleft" alt="Khulna-Book-Fair" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2014/02/Khulna-Book-Fair-300x205.jpg" width="300" height="205" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2014/02/Khulna-Book-Fair-300x205.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2014/02/Khulna-Book-Fair-190x130.jpg 190w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2014/02/Khulna-Book-Fair.jpg 400w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>খুলনায় রবি’র মাসব্যাপি বইমেলা</strong><br />
’বই পড়ুন জীবন গড়ুন’ স্লোগানে শিল্প নগরী খুলনায় মাসব্যাপী ‘একুশে বইমেলা, খুলনা ২০১৪’ শুরু হয়েছে। সম্প্রতি নগরীর বিভাগীয় সরকারী গ্রন্থগার চত্বরে মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ মেলার উদ্বোধন করেন। জেলা প্রশাসন আয়োজিত এই মেলা তৃতীয় বারের মত স্পন্সর হিসেবে রয়েছে মোবাইল অপারেটর রবি আজিয়াটা লিমিটেড।<br />
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ প্রতিমন্ত্রী মেলার সাথে যুক্ত হওয়ায় রবিকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন,  ‘আশা করি এই মেলার মাধ্যমে আমাদের নতুন প্রজন্ম বই পড়ার দিকে আগ্রহ পাবে।’<br />
খুলনা নগরীতে জেলা প্রশাসন ২০০৯ সাল থেকে নিয়মিত এই মেলার আয়োজন করে আসছে।<br />
খুলনা বিভাগীয় কমিশনার আনিস মাহমুদের সভাপতিত্বে মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, খুলনার পুলিশ সুপার গোলাম রউফ খান, ভাষা সৈনিক শামির আহমেদ, মুক্তিযোদ্ধা শেখ আবদুল কাইউম ও রবি আজিয়াটা লিমিটেডের খুলনা অঞ্চলের ম্যানেজার তরিকুল ইসলাম।<br />
মেলায় কবিতা, গল্প, উপন্যাসসহ শিল্প সাহিত্যের বই নিয়ে ৭৪টি স্টল সাজানো হয়েছে। দর্শনার্থীরা ফেব্রুয়ারির ৭ তারিখ থেকে ২৮ তারিখ পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ১০ টা থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত বই দেখার ও কেনার সুযোগ পাবেন।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%96%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a7%9f-%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a6%bf-%e0%a6%ac/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>মহাকবির জন্মোৎসব : মধুসূদন পদক পেলেন কবি খসরু পারভেজ</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%ae%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a7%8b%e0%a7%8e%e0%a6%b8%e0%a6%ac-%e0%a6%ae%e0%a6%a7%e0%a7%81%e0%a6%b8%e0%a7%82%e0%a6%a6/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%ae%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a7%8b%e0%a7%8e%e0%a6%b8%e0%a6%ac-%e0%a6%ae%e0%a6%a7%e0%a7%81%e0%a6%b8%e0%a7%82%e0%a6%a6/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক, সাহিত্য বাজার]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 25 Jan 2014 15:14:00 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[খুলনা বিভাগ]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://shahittabazar.com/?p=1590</guid>

					<description><![CDATA[<p style="text-align: left;">“দাঁড়াও পথিক-বর জন্ম যদি তব<br /> বঙ্গে! তিষ্ঠ ক্ষণকাল ! এ সমাধি স্থলে<br /> (জননীর কোলে শিশু লভয়ে যে মতি</p> <p style="text-align: left;">বিরাম) মহীর পদে মহাদ্রিবৃত<br /> দত্ত</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%ae%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a7%8b%e0%a7%8e%e0%a6%b8%e0%a6%ac-%e0%a6%ae%e0%a6%a7%e0%a7%81%e0%a6%b8%e0%a7%82%e0%a6%a6/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: left;"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2014/01/28299_kobi-madhusudandutta.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="size-full wp-image-1591 alignleft" alt="28299_kobi-madhusudandutta" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2014/01/28299_kobi-madhusudandutta.jpg" width="300" height="200" /></a>“দাঁড়াও পথিক-বর জন্ম যদি তব<br />
বঙ্গে! তিষ্ঠ ক্ষণকাল ! এ সমাধি স্থলে<br />
(জননীর কোলে শিশু লভয়ে যে মতি</p>
<p style="text-align: left;">বিরাম) মহীর পদে মহাদ্রিবৃত<br />
দত্ত কুলোদ্ভব কবি শ্রী মধুসূদন।<br />
যশোর সাগরদাঁড়ী কপোতাক্ষ-তীরে<br />
জন্মভূমি জন্মদাতা দত্ত মহামতি<br />
রাজ নারায়ন নামে জননী জাহ্নবী”।</p>
<p>যশোর জেলার সাগরদাঁড়িতে কবি মধুসূদনের সমাধীতে লেখা আছে এ চরণ কটি। চলতি বছর ২৫ জানুয়ারী থেকে সাগরদাড়িতে শুরু হয়েছে সপ্তাহব্যাপী মধুমেলা। প্রতি বছরের মতো এবারও মহাকবির পৈত্রিক নিবাসে ৭ দিন ব্যাপি এ মেলার আয়োজন করেছে যশোর জেলা পরিষদ ও সাংস্কৃতিক মন্ত্রণালয়। এ বছর মধুসূদন পদক পাচ্ছেন সাগড়দাড়ি গ্রামের সন্তান কবি খসরু পারভেজ।</p>
<div id="attachment_1592" style="width: 310px" class="wp-caption alignright"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2014/01/sagordari-me-1.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-1592" class="size-full wp-image-1592 " alt="sagordari-me-1" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2014/01/sagordari-me-1.jpg" width="300" height="225" /></a><p id="caption-attachment-1592" class="wp-caption-text">কেশবপুরের পথে মধুসূদন ভক্তরা।</p></div>
<p>দিবসটি উদযাপনে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে মধু জন্মবার্ষিকী উদযাপন কমিটি সপ্তাহব্যাপী মধুমেলার আয়োজন করেছে। যশোরের কেশবপুরে কপেতাক্ষ নদতীরে কবির জন্মধন্য সাগরদাঁড়ির আম্রকাননে ২৫ জানুয়ারি শনিবার, বিকেল ৩ টায় মধু জন্মবার্ষিকী ও সপ্তাহব্যাপী মধুমেলার উদ্বোধন করেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বেগম ইসমাত আরা সাদেক এমপি। ২৬ জানুয়ারি আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামান। আর তা চলবে ৩১ জানুয়ারী পর্যন্ত।<br />
প্রথম দিনের মেলায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কাজী নাবিল আহমেদ এমপি, রণজিৎ কুমার রায় এমপি,  স্বপন ভট্রাচার্য এমপি. যশোর জেলা আ’লীগের সভাপতি আলী রেজা রাজু, সাধারণ সম্পাদক শাহিন চাকলাদার, পুলিশ সুপার জয়দেব ভদ্র, প্রমুখ । সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোস্তাফিজুর রহমান।<br />
মেলা উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব ও কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু সায়েদ মোঃ মন্জুর আলম জানান, সাতদিন ব্যাপী মধুমেলায় থাকছে কবির সৃষ্টি ও সাহিত্য কর্মের ওপর দেশী-বিদেশেী কবিসাহিত্যিকদের অংশ গ্রহণে আলোচনা সভা, কবির প্রতিকৃতিতে মাল্যদান, আবৃতি, মধুসংগীত, কৃষি পণ্যের প্রদর্শন ।<br />
প্রতিবছর সাগরদাঁড়ীতে অনুষ্টিত মধুমেলায় ডিজিটাল যাদু, সার্কাস, ভ্যারাইটি শো, জুয়া, অশ্লীল নৃত্য চালিয়ে এক শ্রেণীর মানুষ লক্ষ লক্ষ টাকা কামিয়ে পকেট ভারি করলেও সাগরদাঁড়ীর ‘মধুপল্লী’ নানা সমস্যায় জর্জরিত।</p>
<p><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2014/01/Modhu.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="size-full wp-image-1593 alignright" alt="Modhu" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2014/01/Modhu.jpg" width="300" height="225" /></a>উনিশ শতকের নব জাগরণের শ্রেষ্ঠ প্রতিভা মাইকেল মধুসূদন দত্ত। মাইকেল মধুসূদন  দত্ত বাংলা কবিতার প্রথম আধুনিক কবি। নব্য বাংলার সাহিত্য পূর্ণরূপে আত্ম প্রকাশ করে তারই হাত ধরে। বিস্ময়কর প্রতিভার অধিকারী মধুসূদনের জীবন চরন ছিল ততোধিক বিস্ময়কর। ধর্মান্তরিত হয়ে খ্রিস্টান হয়েছিলেন, ইংরেজী সাহিত্য রচনা করেছিলেন, সমাধিক খ্যাতি ও যশ অর্জনের জন্য।  অনন্য প্রতিভার অধিকারী ছিলেন তিনি। তার সাহিত্য বোধ ও ইতিহাস বোধের তুলনা হয় না। তিনি ১৮২৪ সালে ২৫ জানুয়ারী যশোর জেলার সাগরদাঁড়ি গ্রামে জন্ম গ্রহন করেন। তার পূর্ব পুরুষের আদি নিবাস  ছিল বালি, হাওড়া, পশ্চিমবঙ্গ। বসতি ছিল গোপালপুর, তালা, সাতক্ষীরাতেও। প্রথম পুরুষের নাম ছিল রামরাম দত্ত। দ্বিতীয় পুরুষ হিসাবে ছিলেন রাম কিশোর দত্ত। তিনি বৈবাহিক সূত্রে সাতক্ষীরার গোপালপুর থেকে আসেন যশোরের সাগরদাঁড়ি গ্রামে। তৎপুত্র মহারাজ রামনিধি দত্ত যিনি ছিলেন মাইকেল মধুসূদনের পিতামহ। মধুসূদনের পিতার ছিলেন মহামতি রাজ নারায়ন দত্ত। মাতা ছিলেন রাড়ুলী কাঠিপাড়া গ্রামের গৌরীচরণ ঘোষের কন্যা জাহ্নবী দেবী। রাজ নারায়ন দত্তের কোন কন্যা সন্তান ছিলো না। তিন পুত্র সন্তান ছিল যথাক্রমে মধুসূদন দত্ত, মহেন্দ্র নারায়ন দত্ত, প্রসন্ন কুমার দত্ত, তারা বয়সেই মারা যায়। মধুসূদন ছিলেন পিতা মাতার বড়    সন্তান। পড়াশুনা করেন প্রথমে কলকাতা হিন্দু কলেজে এবং পরে ১৮৪৮ সাল থেকে পিতার অর্থ সাহায্য বন্ধ হলে ১৯৪৮ সালে কবি মাদ্রাজে গমন করেন। প্রতিষ্ঠা লাভ করেন | মাদ্রাজ যাবার পরেই তিনি ইংরেজ রমণী রেবেকা ম্যাক্টাভিসকে বিবাহ করেন | ১৮৪৯ সালে রচনা করেন ইংরেজী কাব্য The Captive Ladie। |  ১৮৫১ সালে মাতার মৃত্যুর কারণে ঐ সালে পিতার সাথে শেষ সাক্ষাত করেন। ১৮৫৪ সালে মাদ্রাজ বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকুরী গ্রহন করেন। ১৮৫৬ সালে তিনি রেবেকাকে ত্যাগ করে এক ফরাসী মহিলা হেনরিয়েটার সাথে বিবাহ করে কলকাতায় ফিরে আসেন এবং তাঁর রচনার স্বর্ণকালের সূচনা হয় | ১৮৫৮ সালে রচনা করেন শর্মিষ্ঠা নাটক | ১৮৬০ সালে একেই কি বলে সভ্যতা ওবুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ নামক দুটি প্রহসন লেখেন । বছরেই সর্বপ্রথম অমিত্রাক্ষর ছন্দে লেখেন  তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য |  ১৮৬০ সালে দীনবন্ধু মিত্র তাঁর যুগান্তকারী নাটক নীলদর্পণ রচনা করেন | রেভারেণ্ড জেমস লং তা ইংরেজীতে অনুবাদ করিয়ে প্রকাশ করেন | তার জন্য তাঁকে ১০০০ টাকা জরিমানা করা হয় | কালীপ্রসন্ন সিংহ সেই জরিমানার টাকা দিয়ে দেন |  কিন্তু কবিতাটির অনুবাদক ছিলেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত, যা বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়  ১৮৭৭ সালে প্রকাশিত  &#8220;রায় বাহাদুর দীনবন্ধু মিত্র বাহাদুরের জীবনী&#8221;  প্রবন্ধে লিখে গেছেন | এরপর ১৮৬১ তে রচনা করেন তাঁর সর্বশ্রেষ্ঠ কীর্তি মেঘনাদবধ কাব্য | বিপুলভাবে বন্দিত এবং তীব্রভাবে নিন্দিত এই মহাকাব্য বাংলা কবিতার ইতিহাসে স্মরণীয়তম রচনা | এর পর লেখেন ব্রজাঙ্গনা কাব্য (১৮৬১), বীরাঙ্গনা কাব্য (১৮৬২) যা তাঁর রচনার মধ্যে অন্যতম |   কলকাতায় এসে কাজ করেন পুলিস কোর্টে কেরাণী ও পরে দোভাষী হিসেবে ১৮৬২ সালে নিজ জন্মভূমিতে স্ত্রী পুত্র সহ আগমন। |   সেই  ১৯৬২ সালে বিলেত গমন ব্যারিষ্টারী শিক্ষা গ্রহনের জন্য গ্রেজইন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। ১৮৬৩ সালে তিনি ফ্রান্সে গিয়ে ভার্সাই নগরে সপরিবারে থাকতে শুরু করেন | এই সময় তাঁর তীব্র অর্থাভাব দেখা দেয় এবং ঋণের দায়ে জেলে যাবার উপক্রম হলে, তাঁর লেখা পত্র পেয়েই দয়ার সাগর ইশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর মহাশয় দেড় হাজার টাকা পাঠিয়ে এবং পরে আরও টাকা সংগ্রহ করে পাঠিয়ে, কবিকে সেই বিপদ থেকে উদ্ধার করেন | ব্যারিষ্টারী শিক্ষা সমাপ্ত ১৮৬৬ সালের ১৭ ডিসেম্বর। ভার্সাইতে থাকাকালীন ইতালীয় ভাষার সনেট বাংলায় প্রবর্তনের চেষ্টা করেন, যার ফল তাঁরচতুর্দশপদী কবিতাবলী (১৮৬৬) । ১৮৬৭ সাল থেকে আইন ব্যবসা শুরু। ১৮৭০ সালে সুপ্রিম কোর্টে চাকুরী গ্রহন করেন। মালভূম পঞ্চকোট রাজার উপদেষ্টা পদে চাকুরী গ্রহন করেন। ১৮৭৩ সালে ফেব্রুয়ারী মাসে অনাহারে রোগশয্যা চিকিৎসাহীনতায় ভূগে একই  সালের ২৯ শে জুন আলিপুর দাতব্য চিকিৎসালয় (কলিকাতায়) পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে চিরনিদ্রায় শায়িত হন যশোর জেলার প্রথম ব্যারিষ্টার মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%ae%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a7%8b%e0%a7%8e%e0%a6%b8%e0%a6%ac-%e0%a6%ae%e0%a6%a7%e0%a7%81%e0%a6%b8%e0%a7%82%e0%a6%a6/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>খুলনার সাহিত্যচর্চা : আগাছার মত বাড়ছে সাংস্কৃতিক সংগঠন</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%96%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%9a%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9a%e0%a6%be-%e0%a6%86%e0%a6%97%e0%a6%be/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%96%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%9a%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9a%e0%a6%be-%e0%a6%86%e0%a6%97%e0%a6%be/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[সদানন্দ সরকার]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 13 Oct 2013 10:23:04 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[খুলনা বিভাগ]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://shahittabazar.com/?p=532</guid>

					<description><![CDATA[<p>সদানন্দ সরকার, ভ্রাম্যমান প্রতিবেদক : খুলনা অঞ্চল তথা খুলনা, যশোর ও সাতক্ষীরা জেলার সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের প্রতিবেদন করতে গিয়ে এ কথা স্পষ্ট বলা যায় যে, এ অঞ্চলে যতটা না</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%96%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%9a%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9a%e0%a6%be-%e0%a6%86%e0%a6%97%e0%a6%be/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2013/10/khulna-3.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="size-full wp-image-533 alignright" alt="khulna-3" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2013/10/khulna-3.jpg" width="300" height="225" /></a><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2013/10/Khulna-2.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="size-medium wp-image-534 alignleft" alt="Khulna-2" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2013/10/Khulna-2-300x225.jpg" width="300" height="225" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2013/10/Khulna-2-300x225.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2013/10/Khulna-2.jpg 400w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>সদানন্দ সরকার, ভ্রাম্যমান প্রতিবেদক :</strong> খুলনা অঞ্চল তথা খুলনা, যশোর ও সাতক্ষীরা জেলার সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের প্রতিবেদন করতে গিয়ে এ কথা স্পষ্ট বলা যায় যে, এ অঞ্চলে যতটা না সাহিত্যের সৃজনশীল ধারার চর্চা হচ্ছে, তার তুলনায় অনেক বেশি চলছে সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন গড়ে তুলে একে-অপরের মধ্যে সাংগঠনিক দক্ষতা দেখানোর প্রতিযোগি চর্চা। এতে করে সাহিত্য বা সাংস্কৃতিক কিছু সাংগঠনিক কার্যক্রম বৃদ্ধি পেলেও সৃজনশীল সাহিত্য ও সাংস্কৃতিকচর্চা প্রায় বন্ধ হবার উপক্রম বলেই জানালেন খুলনা অঞ্চলের প্রবীণ সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব শ্রী তারাপদ দাস ও কবি ও গল্পকার অচিন্ত কুমার ভৌমিক।</p>
<p>এখানে প্রতিটি জেলার পাড়ায় পাড়ায় রয়েছে অসংখ্য সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন। খুলনার দৌলতপুর ও ফুলতলাতেই প্রায় ৫০টির মত সংগঠন রয়েছে।সদরে সংগঠন ও এর শাখা-প্রশাখা নিয়ে শ’দেড়েক ছাড়িয়ে যাবে। সে তুলনায় যশোরে সংগঠন সংখ্যা যদিও অনেক কম। তবে এখানে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট ও ফোরাম-এর দুটি ধারায় সংগঠন সংখ্যা প্রায় ২০টি। কিন্তু ব্যতিক্রম দেখা যায় সাতক্ষীরা জেলার সাংগঠনিক চিত্রে। এখানের প্রায় একশত সংগঠন রয়েছে এবং প্রতিটি সংগঠনেরই রয়েছে থানা-উপজেলা পর্যায়ে অসংখ্য শাখা-প্রশাখা। সাংগঠনিকভাবে এরা খুলনাকেও ছাড়িয়ে যাবে।</p>
<p>সব মিলিয়ে বলা যায়, সুন্দরবনের আগাছার মতই এখানে গজিয়ে উঠছে অসংখ্য সাহিত্য ও সাস্কৃতিক সংগঠন। প্রতিটি সংগঠনই তৈরি হচ্ছে কর্তৃত্ব পরায়ণতার দ্বন্ধ থেকে। যে কারণে একে অপরের মধ্যে ঐক্যের যেমন অভাব তেমনি একে অপরের নিন্দায় পঞ্চমুখ প্রতিটি সংগঠনেরই কর্ণধাররা। আর এ কারণেই সৃজনশীলতা এ অঞ্চল থেকে বিলুপ্ত প্রায়। কেননা, যেখানে সুন্দরের বসবাস, সেখানে আর যাই থাক দ্বন্ধ ও নিন্দা থাকে না। আর এ দুটো না থাকলে এত সংগঠন তৈরির প্রয়োজনই পড়ে না। তবে হ্যাঁ! প্রতিটি সংগঠনই কিন্তু উৎসব পার্বণে ব্যস্ত হয়ে ওঠে একে-অপরের তুলনায় বড় উৎসব করার জন্য। বইমেলা, সাহিত্য আসর, সংগীত, নৃত্য ও নাটকের পরিবেশনা রয়েছে প্রতিটি সংগঠনেরই। রুটিন মাফিক এ সব উৎসব আয়োজনের মান নিয়ে সংশয় থাকলেও ঝাঁকজমকতা নিয়ে সংশয় প্রকাশের কোন সুযোগ নেই। দর্শক যে হচ্ছে না তা কিন্তু নয়, তবে রুচীশীল দর্শকের বড় অভাব বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সাংস্কৃতিকজনরাই।</p>
<p>অন্যদিকে সাহিত্য সংগঠনগুলো যে শুধু উৎসব পার্বণে কাজ করছে তা কিন্তু নয়। বেশিরভাগ সাহিত্য সংগঠনই প্রতিমাসে সাহিত্য আসর করছে, কেউ কেউ প্রতি সপ্তাহে বসাচ্ছে জমজমাট আড্ডা। উৎসব পার্বণে, কেউ কেউ মাসে, তিনমাসে নিয়মিত সাহিত্য পতিকা প্রকাশ ও বইমেলার আয়োজনও করছেন বেশ উৎসাহ নিয়ে। প্রতিটি সংগঠনই আবার তাদের সদস্যদের কবিতা বা গল্প নিয়ে বইয়ের প্রকাশনাও করেছেন। যদিও এ সব প্রকাশনার মান নিয়ে সংশয় থেকেই যায়। নিয়মিত লিটলম্যাগও প্রকাশ হচ্ছে এখানে। লিটলম্যাগ বা সাহিত্যের ক্ষুদ্র পত্রিকার অংকন ও মুদ্রণ মান বেশ প্রশংসনীয় হলেও কবিতা বা গল্পের মান নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন সংগঠক নিজেরাই।</p>
<p><strong><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2013/10/tarapod-das.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="size-medium wp-image-535 alignright" alt="tarapod-das" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2013/10/tarapod-das-300x225.jpg" width="300" height="225" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2013/10/tarapod-das-300x225.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2013/10/tarapod-das.jpg 400w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>এ অঞ্চলের অন্যতম গুনীজন, সাহিত্যিক ও গবেষক শ্রী তারাপদ দাস </strong>বলেন, এ অঞ্চলে সাহিত্যচর্চাটা মূলত সংগঠন কেন্দ্রিক। সংগঠন কেন্দ্রিক হবার সুফল যেমন আছে, তেমনি কিছু ক্ষতিকর দিক আছে। সুফল হচ্ছে একসাথে অনেকজন বসে আলোচনা করে একটা লেখাকে মানসম্পন্ন করে তোলা যায়। আমাদের এখানে থানা উপজেলা পর্যায়ে সাহিত্য সংগঠন আছে, সেখানে নিয়মিত সাহিত্য আসর হয়। সে সব আসরে নতুনদের লেখা পাঠ হয়, আলোচনা হয়। এতে তারা তাদের লেখার মান সংশোধন করতে পারেন। সংশোধিত এ সব লেখা নিয়ে সাহিত্য পত্রিকাও প্রকাশ করা হয়। কিন্তু এর কুফল হচ্ছে, এককভাবে সাহিত্যচর্চাটা এতে বিঘ্নিত হয় এবং সাহিত্যচর্চার যে একটা দায়বদ্ধতা থাকে সেটা তাদের সাহিত্যকর্মে অনুপস্থিত থাকে। আর একটা সমস্যা হল, প্রগতিশীল ধারার সাহিত্যচর্চার ক্ষেত্রে স্বাধীনতা বিরোধী আর স্বপক্ষ একটা দন্দ্ব রয়েছে। এটা কেন আমি ঠিক বুঝিনা। সাহিত্যের ক্ষেত্রে সাহিত্য মান বিচারই প্রধান বিষয় হওয়া উচিৎ। সামাজিক দায়বদ্ধতা স্বীকার করেন, এমন সব লেখকই প্রগতিশীলতার দাবিদার। আমি অন্তত সেটাই মনে করি। এ অঞ্চলে ডাঃ ফজল মোবারক, অচিন্ত্য কুমার ভৌমিক, আসাদী, জিএম মুছা, পদ্মনাভ অধিকারী, কাসেদুজ্জামান সেলিম, তৌহিদ মনি আরও বেশ ক’জন আছেন ভালো লেখেন, মেয়েদের মধ্যেও আছেন নাম মনে নেই, পৃথা পল্লবী, লিলি প্রমূখ। (২০০৮ এর প্রদত্ত সাক্ষাতকারের অংশবিশেষ)</p>
<p><strong><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2013/10/ochinto-V.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="size-medium wp-image-536 alignright" alt="ochinto-V" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2013/10/ochinto-V-300x225.jpg" width="300" height="225" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2013/10/ochinto-V-300x225.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2013/10/ochinto-V.jpg 400w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>কবি ও গল্পকার অচিন্ত্য কুমার ভৌমিক</strong> জানান, খুলনা অঞ্চলে প্রথম বড় সংগঠন ছিল ষাটের দশকে সন্দীপন। পরে হল প্রতিনিধি গ্রুপ। এ সময় এ অঞ্চলের সাহিত্যে গল্পকার আবুল হাসেম, নাজিম মাহমুদ (গান লিখতেন), ডাঃ মান্নাফ, বেদুইন সামাদ, এ্যাডভোকেট আব্দুল জলিল(ইতিহাস লিখতেন), ডাঃ আবুল কাসেম, যশোরের নওয়া পাড়ায় ছায়াপথের নাসিরুদ্দিন ছিলেন, ইজাজ হোসেন ছিলেন, আবু ইসহাক ছিলেন এখানে, গল্প লিখতেন। ইন্ডিয়া থেকে উনি এসেছিলেন জামান মনির, ঐ সময়ই তার চার-পাঁচটি বই বের হয়ে গিয়েছিল। তারপর নওয়াপাড়ায় একটা নাম করা পত্রিকা ছিল, সারা বাংলাদেশে চলত, মাসিক মুকুল। সেই পত্রিকার সম্পাদকও ছিলেন নাসিরুদ্দিন আহমেদ। এঁরা সাহিত্যচর্চার সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন এবং খুবই ভাল লিখতেন। এঁদের অনেকেই এখন আর বেঁচে নেই। এরপরতো দেশ স্বাধীন হল। একে একে অনেক নতুন লেখক এলেন। যশোরের কথা এখন আর আমি বলতে পারবো না। তবে খুলনা অঞ্চলে বর্তমানে অসংখ্য নতুন লেখক আছেন এবং বেশিরভাগই তারা কবি। আমি বই ধরে যদি হিসেব করি তাহলে প্রায় শ’তিনেক কবির নাম বলতে পারবো। সবার নামতো জানিনা। বই ধরেই বলতে হবে। গোলাম মোস্তফা সিনদানী হয়ত এটা বলতে পারবেন। তিনি ইতিহাস নিয়ে কাজ করেন। খুলনায় কবি বিষ্ণুপদ সিংহ প্রচুর লেখেন, ভাল লেখেন কিন্তু গভীরতা নেই। এদের মধ্যে মোটামুটি ভাল, লেখায় গভীরতা আছে এমন কয়েকজনের মধ্যে অসিত বরণ ঘোষ, আজিজ খান এঁরা আছেন। মহিলাদের মধ্যে বেগম মাজেদা আলী আছেন, নাসরীন হায়দার, শামীমা শীলু এঁরা ভালো লেখেন। আগেই বলেছি কবির সংখ্যা বেশি। প্রবন্ধকার খুবই কম। গল্পকার তো নেই বললেই চলে। সেলিম আলতাফ, আলী হোসেন মনি এঁরা কয়েকজন গল্প লেখেন। বাগেরহাটের সুশান্ত মজুমদারও ভাল গল্পকার। আর একজন আছেন শক্তিশালী গল্প লেখেন আবুবকর সিদ্দীকী। এ রকম গল্পকার বা প্রবন্ধকারদের হাতে গোণা যাবে কিন্তু কবিদের গুনে শেষ করা যাবে না। আসলে সাংগঠনিক কার্যক্রম নিয়েই এঁরা বেশি ব্যস্ত। সংগঠনে আসেন, কবিতা আনতে হবে, তাই নিয়ে আসেন। সকলের মধ্যে বসে কবিতা পড়েনও কিন্তু অপরের কবিতা আর শোনেন না। চলে যান। কবিতায়ও যে একটা সামাজিক দায়বোধ আছে-এটা যেন কেউ মানতেই চান না। এ কারণেই কবিতার মান আর মানের হয় না। আর একটা বিষয় হচ্ছে স্বাধীনতা বিরোধী ও স্বপক্ষ শক্তি নিয়ে দ্বন্দ্ব। সাহিত্য-সাংস্কৃতির চর্চা যারা করেন তারাতো সুন্দরের চর্চা করেন। তাদের মধ্যে কেন এ দ্বন্দ্ব আসবে। যারা স্বাধীনতা বিরোধী তারাতো সাহিত্য-সাংস্কৃতিরও বিরোধী হবে, এটাই স্বাভাবিক। (২০০৮ এর প্রদত্ত সাক্ষাতকারের অংশবিশেষ)</p>
<p><strong><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2013/10/Khulna-4.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="size-medium wp-image-537 alignright" alt="Khulna-4" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2013/10/Khulna-4-300x240.jpg" width="300" height="240" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2013/10/Khulna-4-300x240.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2013/10/Khulna-4.jpg 400w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>সংগঠন নির্ভর খুলনা : সুন্দরবনের পাতায় পাতায় কবিতা </strong></p>
<p>এখানে সুন্দরবনের পাতায় পাতায় কবিতার ছড়াছড়ি। গল্প, উপন্যাস কিম্বা প্রবন্ধের অবস্থা অনেকটাই দুষ্প্রাপ্য রয়েল বেঙ্গল টাইগারের মত। অথচ এই খুলনা শহরের ফুলতলাতেই দক্ষিণদিঘি নামক স্থানে আমাদের বর্তমান সময়ের ‘গল্পরাজ’ হিসেবে খ্যাত এবং অতি সম্প্রতী ‘আনন্দবাজার’ পুরস্কার প্রাপ্ত কথা সহিত্যিক হাসান আজিজুল হকের বাড়ি। যৌবনের অনেকটা সময়ই তার কেটেছে এই খুলনা শহরে। অনেকেই বলেন যে, খুলনা বিএল কলেজের প্রথম সাহিত্য পত্রিকাটিও প্রকাশ পেয়েছে হাসান আজিজুল হকের হাতে। প্রায়শই তিনি রাজশাহী থেকে ছুটে আসেন এখানে, অধ্যাপক কায়কোবাদ সাহেবের বাসায়, নিজের বাড়িতে ঘোরাঘুরি করেন। দিনকয়েক কাটিয়ে আবার ফিরে যান রাজশাহীতে। কোন কোন সাহিত্য-সাংস্কৃতিক সংগঠন তখন তাকে নিমন্ত্রণও করেন বলে জানান সংগঠকরা। তবে অনেকেরই অভিযোগ তিনি সংগঠনগুলোতে যেতে পছন্দ করেন না বা যান না। যদিও এ প্রসঙ্গে <b>হাসান আজিজুল হক</b> বলেন, এটা অভিযোগ করতে হয় তাই তারা করেছে। আমি কিন্তু কখনো তাদের থেকে কোন অনানুষ্ঠানিক আমন্ত্রণও পাইনি। আমাকে মৌখিকভাবে বললেও আমি যেতাম। অল্প সময়ের জন্য খুলনায় যাই। ভাইয়েরা আছেন, কায়কোবাদ সাহেব আছেন, বেশিরভাগ সময়টা তাদের মাঝেই কাটে। কিন্তু কেউ সাহিত্যের কোন আড্ডায় আমাকে ডেকে পায়নি-এ অভিযোগ করতে পারবে না।</p>
<p>জেলা শহরে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটভূক্ত ২২টি সংগঠন ছাড়াও এর বাহিরে অসংখ্য সংগঠন রয়েছে বলে জানিয়েছেন সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের অন্যতম সদস্য ও জাতীয় <strong>কবিতা পরিষদের খুলনা শাখার সাধারণ সম্পাদক (২০০৯ সালে) কবি ও সম্পাদক আইফা রহমান</strong>। শুধু দৌলতপুর ও ফুলতলা থানাতেই প্রায় ৫০টি সংগঠন রয়েছে বলে জানিয়েছেন দৌলতপুর থানা উদীচীর সভাপতি <b>এস এম মন্টু</b>। তিনি আরও জানান, এ সব সংগঠনের মধ্যে বর্তমানে ২২টি সংগঠন নিয়মিত কার্যক্রম ধরে রেখেছে। জুটমিলগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সাংস্কৃতির পৃষ্ঠপোষকতাও প্রায় বন্ধ। তারপরও এখানে সাহিত্য-সাংস্কৃতির চর্চা থেমে নেই। দৌলতপুর উদীচীর সবচেয়ে বড় অর্জন হচ্ছে সবগুলো সংগঠনকে একত্রিত করে আন্দোলনের মাধ্যমে এখানে একটি শহীদ মিণার স্থাপন ও ২০০৭ এর ডিসেম্বরে দূর্নীতি বিরোধী র‌্যালী নিয়ে খুলনা থেকে হেঁটে ঢাকা শহীদ মিণারে গিয়ে সমাবেশ করা।</p>
<p>খুলনার সাংস্কৃতিক অঙ্গনের উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব <strong>শাহীন জামান পন </strong>বলেন, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে খুলনা জেলার অবস্থান অন্যসব জেলার তুলনায় অনেক বেশি শক্তিশালী ও সম্মৃদ্ধ। আমাদের মত সাংগঠনিক ঐতিহ্য খুব কম জেলাতেই আছে। এখানে ১৯৬৩ সনে প্রথম সন্দীপন পরে প্রতিনিধি গ্রুপ সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম শুরু করে। সন্দীপনের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন অধ্যাপক খালিদ রশীদ গুরু। ওনাকে ৭১ সালে হানাদাররা নির্মমভাবে হত্যা করেছিল। আর প্রথম প্রতিষ্ঠাতা শিক্ষক ছিলেন সাধন সরকার। তারা প্রথম গণ আন্দোলন শুরু করেন। এরপর নাট্যনিকেতন ছিল। সোসাইটি সিনেমা হলে তখন নাটক হত। এনামূল হক মিলু ছিলেন। পরবর্তীতে খুলনায় সংগঠন সংখ্যা ক্রমশ বাড়তে থাকে এবং জাতীয় রাজনীতিতে এখানের সংগঠনগুলোর ভূমিকা প্রচণ্ডভাবেই প্রশংসনীয়। ৯০-এর গণআন্দোলন বলেন, দূর্নীতি দমন আন্দোলনসহ সব আন্দোলনেই আমরা সক্রিয়।</p>
<p>প্রায় একই কথা বলেন <strong>কবি আইফা রহমান</strong>, আমরা এখানে সাংগঠনিকভাবে অনেক শক্তিশালী ভূমিকা রাখছি। ষাটের দশকে সন্দীপন নামের যে সাহিত্য সংগঠন তোলপাড় তুলেছিল পরবর্তীকালে সাহিত্য মজলিস, সাহিত্য পরিষদ একই ভূমিকা পালন করে। যদিও সাহিত্য মজলিসের কর্মকাণ্ড বর্তমানে প্রায় বন্ধ। ৮০-এর দশকে ঢাকায় যখন জাতীয় কবিতা পরিষদ গঠন হয় একই সময়ে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে অংশ নিতে খুলনাতেও জাতীয় কবিতা পরিষদ গঠন করা হয় এবং সে সময়ের আন্দোলনে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখি আমরা। খুলনার সাংস্কৃতিক অঙ্গনে জাতীয় কবিতা পরিষদের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা এখানে ‘গর্জে উঠুক বাংলাদেশ’ নামের সাহিত্য পত্রিকা করে সাহিত্যকে এগিয়ে নিয়ে চলেছি। সবাই এখানে পৃথক পৃথকভাবেই কাজ করে। সাহিত্য সংসদ আছে এখানে, প্রতিষ্ঠাতা হারুন অর রশীদ বাচ্চু। জাতীয় কবিতা পরিষদের সভাপতি বিমল কৃষ্ণ রায়। সাহিত্য মজলিশে আছেন রুহুল আমিন সিদ্দিকী। সাহিত্য পরিষদে আছেন সাধারণ সম্পাদক নিজামউদ্দিন। রাইটার্স ওয়ার্ল্ড আছে, সভাপতি মনির হাসান, সাধারণ সম্পাদক মেহরাব চপল, রাইটার্স ক্লাব আছে প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ডি কে মণ্ডল। এটি নিয়মিত সাপ্তাহিক সাহিত্য আসর করে। আমরাও নিয়মিত মাসিক সাহিত্য আসর করি। দৌলতপুরে আছে মোহনা সাহিত্য সংগঠন। প্রকাশনাও আছে এখানে। গাঙচিল সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক পরিষদ, কেন্দ্রিয় কমিটি। দক্ষিণাঞ্চলের সব জেলাতেই এদের শাখা আছে। এদের প্রকাশনা রয়েছে। শুধু খুলনা জেলার কবি সাহিত্যিকদেরই প্রায় ৫২টি বই প্রকাশ করেছেন এ সংগঠনের কর্ণধার খান আক্তার। আবার অনেকগুলো পদকও তিনি দিয়েছেন।</p>
<p><strong>আইফা রহমান</strong> আরও বলেন, খুলনার কবি সাহিত্যিকদের লেখা জাতীয় দৈনিকগুলোতে প্রকাশিত না হলেও আমি বলবো সাহিত্য মানের দিক দিয়ে আমাদের অবস্থান মোটমুটি উচ্চমানের। ঢাকার সাহিত্য সম্পাদকরা মফস্বলের কবিদের কবি মনে করেন না, তাই তারা আমাদের কবিতা বা গল্প ছাপেন না। কিন্তু আমাদের এখানে প্রায় প্রতিটি সাহিত্য সংগঠনেরই নিজস্ব সাহিত্য পত্রিকা রয়েছে, সেখানে আমাদের লেখা নিয়মিত ছাপা হয়। জাতীয় পত্রিকায় আমাদের লেখা ছাপা হয় না বলেই আমাদের মধ্যে থেকে নতুন কাউকে সেভাবে উল্লেখযোগ্য হিসেবে চিহ্নিত করা যাচ্ছেনা। সবাইতো আর হাসান আজিজুল হক নন যে, মফস্বলে বসে খ্যাতি অর্জন করবে। আর একটা বিষয় হচ্ছে আমাদের এখানের সাহিত্যচর্চায়ও দুটি ধারা আছে। একটি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের অন্যটি বিপক্ষের। আমরা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের যারা আছি তারা বিপক্ষ ধারার কাউকে নিয়ে কাজ করতে রাজি নই।</p>
<p><strong>খুলনা জেলা লেখিকা সংঘের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক শামীমা সুলতানা শীলু </strong>বলেন, পাকিস্তানের শেষ সময়ে, বাংলাদেশ হওয়ার আগে এখানে এই খুলনা থেকে কিছু কিছু মহিলারা বেগম পত্রিকায় নিয়মিত লিখতেন। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন মুন্নু জাহান হোসেন, তিনি ছোট গল্প লিখতেন। মাজেদা আলীও লিখতেন। তখন আশির দশকের গোড়ার দিকে খুলনায় বাংলাদেশ লেখিকা সংঘের একটি শাখা খোলা হয় ও কার্যক্রম শুরু হয়। দেখা যায়, খুলনায় এ সংগঠনের আবেদন অনেক বেশি। এটি তৈরি হওয়ার ফলে খুলনায় মহিলাদের আড্ডা দেওয়ার একটা জায়গা হয়। নিয়মিত এখানে সাহিত্য আসর বসা শুরু হয়। এখানে সাহিত্যের চর্চাটা শুধু সাহিত্য আসরে সীমাবদ্ধ থাকেনা। রীতিমত ঢাকার বিশিষ্টজনদের এনে এখানে কর্মশালার আয়োজন করা হয়। কথা সাহিত্যিক সেলিনা হোসেন আপা নিজে থেকেই এখানে এসেছেন। কবি আসাদ চৌধুরীসহ অনেক বড় বড় লেখক এখানে এসেছেন। ২০০০ সাল থেকে এ সংঘের কার্যক্রম আরও ব্যপকতা লাভ করে। এখন সাধারণ সদস্যই প্রায় দেড়’শ-এর মত। আমাদের মেয়েরাই কিন্তু আবার এখানের অন্যান্য সাহিত্য সংগঠনগুলোর সাথে জড়িত। যেমন সাহিত্য মজলিস, সাহিত্য পরিষদ এ সব সংগঠনেরও সদস্য তারা। সাহিত্য পরিষদের কর্ণধার হচ্ছেন অধ্যক্ষ মাযহারুল হান্নান। ওনার কার্যক্রম অবশ্য কম কিন্তু হঠাৎ হঠাৎ অনুষ্ঠান করে তিনি সবাইকে চমকে দেন। গাঙচিল নামের একটি সংগঠন আছে। বেশিরভাগই প্রকাশনার কাজ করে এই সংগঠনটি। ঢাকার পরে গ্রন্থ প্রকাশের দিকে খুলনার যে সুনাম হয়েছে সেটা এই গাঙচিলের অবদান। তবে সত্যি বলতে কি এখানে লেখার মান খুব একটা ভালো নয়। কিছু কিছু ভালো। এই কিছু কিছু ভালোর মধ্যে যারা আছেন তাদের আসলে গোনা যায়। যেমন কামাল মাহমুদ, চঞ্চল শাহরিয়ার নামে দু’জন ছিলেন, ভালো লিখতেন। এখন ঢাকায় চলে গেছেন। এ রকম অনেকেই যারা ভালো লিখতেন ঢাকায় চলে গেলেন। এরা থাকলে আমাদের সাহিত্য সম্মৃদ্ধ হত। এখন যেটা হয়েছে, এই আমার মত কিছু, সাহিত্য কিছুই হয়না কিন্তু মনের টানে চর্চাটা চালিয়ে যাচ্ছি। দেদারছে বই বের করছি। কেউ পড়ুক আর না পড়ুক তৃপ্তিতো পাচ্ছি। তবে ইদানিং শিশু সাহিত্যে একটা ঝোঁক এখানে লক্ষ্য করা গেছে। এখানে একজন ভাষা সৈনিক আছেন সমীর আহমেদ, তিনি ছোটদের নিয়ে লিখছেন। লেখিকা সংঘের সভানেত্রী মাজেদা আলী শিশুদের নিয়ে লিখছেন। গাঙচিলের আশরাফ হোসেনও শিশু সাহিত্যে ভালো। আমাদের নাসরীন হায়দার ও লেখেন। তবে নাসরীন কবিতায় ভালো, প্রবন্ধও লেখে। লেখিকা সংঘ থেকে নিয়মিত লিটলম্যাগও প্রকাশ করা হয়।</p>
<p>এদিকে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রিক সাহিত্যচর্চা নিয়ে সদরের কেউ কোন কথা না বললেও <strong>বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রিক সংগঠনগুলোর উপদেষ্টা ও এগ্রো টেকনোলজী বিভাগের </strong><b>অধ্যাপক ড. মনিরুল ইসলাম (২০০৯ সালে) </b>বলেন, এখানে বিশ্ববিদ্যালয়কে ঘীরে মোট ১৬টি সংগঠন, তবে ১২টি সংগঠন নিয়মিত কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। নতুন আরও কিছু সংগঠন তৈরি হচ্ছে। বেশিরভাগ সংগঠনই সাহিত্য নির্ভর। বপাট, সুত্রপাত, রিডার্স ফোরাম ইত্যাদি। এ সব সংগঠন থেকে নিয়মিত লিটলম্যাগ প্রকাশ করে। নোয়াই, সুত্রপাত, ছায়াবৃত্ত ইত্যাদি নামে বেশ কিছু পত্রিকা বের হচ্ছে। শহরে উদীচী থেকে আমরা বের করছি অরিত্র নামের সাহিত্যপত্র। বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রিক সাহিত্যচর্চায় তরুণদের মধ্যে রতন, জুবায়ের, আলিফ, কিরণ, হাফিজ, মিঠুন এদের মধ্যে প্রতিভা আছে। তবে ওভারঅল সাহিত্য বা সাংস্কৃতিক দৃষ্টিকোণ থেকে খুলনা অন্যসব জেলার তুলনায় অনেক পিছিয়ে। এখানে অসংখ্য সংগঠন আছে কিন্তু একে-অপরের মধ্যে সদ্ভাব নেই। পরস্পর সমঝোতার অভাবটাও প্রকট। খুলনার সাহিত্য নিয়ে যদি কেউ সত্যিকারই কাজ করেন তাদের মধ্যে অচিন্ত্য কুমার ভৌমিক, অসিত বরণ ঘোষ, উদীচীর সাবেক সভাপতি বিরেন্দ্রনাথ রায়, শরীফ আতিকুজ্জামান পিন্টু আর বিষ্ণুপদ সিংহ এ নামগুলোই আগে উঠে আসবে।</p>
<p>(এরপর পুড়ুন সাতক্ষীরার সাহিত্য নিয়ে প্রতিবেদন)</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%96%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%9a%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9a%e0%a6%be-%e0%a6%86%e0%a6%97%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
