<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>কথামালা &#8211; সাহিত্য বাজার</title>
	<atom:link href="https://shahittabazar.com/category/%E0%A6%95%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BE/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://shahittabazar.com</link>
	<description>সাহিত্যের আয়নায় মানুষের মুখ</description>
	<lastBuildDate>Sun, 12 Oct 2025 04:00:47 +0000</lastBuildDate>
	<language>bn-BD</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.9.4</generator>
	<item>
		<title>পিনাকী ভট্টাচার্য এর আহ্বান</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%aa%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%80-%e0%a6%ad%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%8f%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%b9%e0%a7%8d/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%aa%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%80-%e0%a6%ad%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%8f%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%b9%e0%a7%8d/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[অতিথি লেখক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 12 Oct 2025 04:00:03 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[কথামালা]]></category>
		<category><![CDATA[তারুন্যকথা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://shahittabazar.com/?p=5805</guid>

					<description><![CDATA[<p>জুলাইয়ের বন্ধু কারা? &#8211; পিনাকী ভট্টাচার্য </p> <p>ডাকসু ও জাকসু নির্বাচনে যারা লড়েছিল, বিশেষ করে ভিপি ও জিএস পদে লড়া প্রার্থীদের বেশিরভাগের আইডি আজ ১১ অক্টোবর (শনিবার) একবার চেক করলাম।<br /></p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%aa%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%80-%e0%a6%ad%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%8f%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%b9%e0%a7%8d/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>জুলাইয়ের বন্ধু কারা? &#8211; পিনাকী ভট্টাচার্য </strong></p>
<p><a href="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/10/FB_IMG_1760241134658.jpg"><img decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-5806" src="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/10/FB_IMG_1760241134658-300x300.jpg" alt="" width="300" height="300" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/10/FB_IMG_1760241134658-300x300.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/10/FB_IMG_1760241134658-1024x1024.jpg 1024w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/10/FB_IMG_1760241134658-150x150.jpg 150w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/10/FB_IMG_1760241134658-768x768.jpg 768w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/10/FB_IMG_1760241134658.jpg 1280w" sizes="(max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>ডাকসু ও জাকসু নির্বাচনে যারা লড়েছিল, বিশেষ করে ভিপি ও জিএস পদে লড়া প্রার্থীদের বেশিরভাগের আইডি আজ ১১ অক্টোবর (শনিবার) একবার চেক করলাম।<br />
ঢাবির ক্ষেত্রে দেখলাম, প্রার্থীদের মধ্যে সাদিক কায়েম, আবদুল কাদের, ফরহাদ ও আবু বাকের ছাড়া কেউ গু/ম ও খু/ন নিয়ে জেনারেলদের বিচারের বিষয়ে পোস্ট তো দূরের কথা, কিছু শেয়ার দেওয়ারও সাহস দেখায়নি।</p>
<p>আবিদ, উমামা, শামীম, মেঘ মোল্লার বসু, হামীম, মায়েদ—কারোর আইডিতেই কিছু পেলাম না।</p>
<p>সংগঠন হিসেবে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ সবার আগে সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছে। তাদের জন্য আমার অনেক ভালোবাসা ও শুভকামনা।</p>
<p>পরবর্তীতে ইসলামী ছাত্রশিবিরও সরাসরি তাদের অবস্থান পরিষ্কার করেছে। শিবিরের জন্যও দোয়া।</p>
<p>সবচেয়ে ভালো কাজ হয়েছে ডাকসু ও জাকসু থেকে সরাসরি বিবৃতি দেওয়া হয়েছে। জাবিতে দেখলাম মানববন্ধনেরও আহ্বান করা হয়েছে।</p>
<p>ইনকিলাব মঞ্চ ও আপ বাংলাদেশের কার্যক্রম ছিল প্রশংসনীয়। ছাত্র সংগঠন ও প্রেসার গ্রুপগুলোর বাইরে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে এনসিপি সবচেয়ে ভালো ভূমিকা রেখেছে। হাসনাত, নাসির পাটোয়ারী, নাহিদ ও আখতারদের দীর্ঘ লড়াই গু/ম ও খু/নের বিচার নিশ্চিতে সাহস জুগিয়েছে।</p>
<p>জাতির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যেগুলোতে আপনি শ/ত্রু ও মিত্র চিনতে পারেন। জুলাইয়ের চেতনা আসলেই কারা ধারণ করে, সেটিও পরিষ্কার হয়ে যায়। সারাদিন ডিপ স্টে/ট, স্ট্যাব/লিশমে/ন্ট ও হাবিজাবি গালগল্প বলা বুদ্ধিজীবী, রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক ও ন/ষ্ট বামদের এমন সময়েই আসল চেহারা প্রকাশ পায়।</p>
<p>বাংলাদেশের সাধারণ জনগণ ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা আসলেই ভুল করে না—তার প্রমাণ তাদের নির্বাচিত ডাকসু ও জাকসুর নির্বাচিত বডি ঐতিহাসিক মুহূর্তে এসে বিবেক বন্ধক দেয়নি।</p>
<p>অত্যন্ত দুঃখজনক হচ্ছে একটি বড় ছাত্র সংগঠনের সব নেতার আইডিতে দেখলাম, গতকাল থেকে শুধু রাকসু ও চাকসু নির্বাচনের প্রচার প্রচারণা চলছে।</p>
<p>খোদাতায়ালা সম্ভবত এদের সাধারণ সময় জ্ঞান ও বিবেকবুদ্ধিও দেননি। এরা বুঝেনা জাতির জন্য সাহসী ভূমিকা নিলে মানুষ হুমড়ি খেয়ে এদের জিতিয়ে দিত।</p>
<p>জেনা/রেলদের ভয়ে যেসব ছাত্রনেতার প্যান্ট ভিজে যায়, তারা ক্ষমতায় গেলে দলীয় প্রধানের ভয়ে তো কথাই বলতে পারবে না।</p>
<p>বাংলাদেশের সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের প্রতি আমার উদাত্ত আহ্বান—আপনারা চাকসু ও রাকসুতে জাতীয় বেঈমানদের ব্যালটে জবাব দিয়ে দিন।</p>
<p>ইনকিলাব জিন্দাবাদ</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%aa%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%80-%e0%a6%ad%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%8f%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%b9%e0%a7%8d/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ময়মনসিংহে কবি গাউসুর রহমানের জন্মদিন উদযাপন</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%ae%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%ae%e0%a6%a8%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%82%e0%a6%b9%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a6%ac%e0%a6%bf-%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%89%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%b0-%e0%a6%b0%e0%a6%b9/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%ae%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%ae%e0%a6%a8%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%82%e0%a6%b9%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a6%ac%e0%a6%bf-%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%89%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%b0-%e0%a6%b0%e0%a6%b9/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক, সাহিত্য বাজার]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 07 Oct 2025 12:22:38 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[কথামালা]]></category>
		<category><![CDATA[তারুন্যকথা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://shahittabazar.com/?p=5797</guid>

					<description><![CDATA[<p>ময়মনসিংহে কবি গাউসুর রহমানের জন্মদিন উদযাপন</p> <p>আশির দশকের অন্যতম খ্যাতিমান কবি ও প্রাবন্ধিক গাউসুর রহমানের জন্মদিন আজ।<br /> আজ ৮ অক্টোবর ২০২৫ বুধবার বিকাল ৪ টায় ময়মনসিংহ সরকারি টিচার্স ট্রেনিং</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%ae%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%ae%e0%a6%a8%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%82%e0%a6%b9%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a6%ac%e0%a6%bf-%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%89%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%b0-%e0%a6%b0%e0%a6%b9/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>ময়মনসিংহে কবি গাউসুর রহমানের জন্মদিন উদযাপন</strong></p>
<p><a href="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/10/IMG-20251007-WA0023.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-5798" src="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/10/IMG-20251007-WA0023-225x300.jpg" alt="" width="225" height="300" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/10/IMG-20251007-WA0023-225x300.jpg 225w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/10/IMG-20251007-WA0023-768x1024.jpg 768w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/10/IMG-20251007-WA0023-1152x1536.jpg 1152w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/10/IMG-20251007-WA0023.jpg 1200w" sizes="auto, (max-width: 225px) 100vw, 225px" /></a>আশির দশকের অন্যতম খ্যাতিমান কবি ও প্রাবন্ধিক গাউসুর রহমানের জন্মদিন আজ।<br />
আজ ৮ অক্টোবর ২০২৫ বুধবার বিকাল ৪ টায় ময়মনসিংহ সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ মিলনায়তনে (দ্বিতীয় তলায়) কবির বর্ণাঢ্য জন্মদিন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন নেত্রকোণা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. প্রফেসর ড. খন্দকার মোহাম্মদ আশরাফুল মুনিম, বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকবেন<br />
নেত্রকোণা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. আনিছা পারভীন। অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন কবি শামসুল ফয়েজ, কবি সোহরাব পাশা, প্রফেসর কবি আলী ইদ্রিস<br />
প্রফেসর কবি মঈন হুদা, কবি ও সাংবাদিক সৌরভ জাহাঙ্গীর, ছড়াকার ও গবেষক স্বপন ধর।</p>
<p>কবি গাউসুর রহমান জন্মদিন উদযাপন কমিটির আহবায়ক কবি আসাদ উল্লাহ, যুগ্ম-আহবায়ক কথাশিল্পী মাহমুদ বাবু এবং সদস্য সচিব কবি ও সাংবাদিক স্বাধীন চৌধুরী অনুষ্ঠানে উপস্থিত হওয়ার জন্য আমন্ত্রিত সুধীজনদের প্রতি আন্তরিক আহবান জানিয়েছেন।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%ae%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%ae%e0%a6%a8%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%82%e0%a6%b9%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a6%ac%e0%a6%bf-%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%89%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%b0-%e0%a6%b0%e0%a6%b9/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বরিশালে আবাসিক সার্জন ডাঃ উর্মীর বদলী বাতিলের দাবি</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%86%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a6%a8-%e0%a6%a1%e0%a6%be%e0%a6%83-%e0%a6%89%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a7%80%e0%a6%b0/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%86%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a6%a8-%e0%a6%a1%e0%a6%be%e0%a6%83-%e0%a6%89%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a7%80%e0%a6%b0/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আরিফ আহমেদ]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 05 Oct 2025 12:29:25 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[কথামালা]]></category>
		<category><![CDATA[তারুন্যকথা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://shahittabazar.com/?p=5779</guid>

					<description><![CDATA[<p>শেবাচিমে একজন মাত্র আবাসিক সার্জন : তাকেও বদলীর আদেশ স্বাস্থ্য দপ্তরের</p> <p>বিশেষ প্রতিবেদক</p> <p>সাধারণ রোগী ও স্বজনসহ বরিশালের রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গও চাচ্ছেন আবাসিক সার্জন ডাঃ উর্মীর বদলী আদেশ বাতিল করা হোক।</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%86%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a6%a8-%e0%a6%a1%e0%a6%be%e0%a6%83-%e0%a6%89%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a7%80%e0%a6%b0/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>শেবাচিমে একজন মাত্র আবাসিক সার্জন : তাকেও বদলীর আদেশ স্বাস্থ্য দপ্তরের</strong></p>
<p><strong>বিশেষ প্রতিবেদক</strong></p>
<div id="attachment_5780" style="width: 310px" class="wp-caption alignleft"><a href="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/10/1000199908-scaled.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-5780" class="size-medium wp-image-5780" src="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/10/1000199908-300x225.jpg" alt="" width="300" height="225" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/10/1000199908-300x225.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/10/1000199908-1024x768.jpg 1024w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/10/1000199908-768x576.jpg 768w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/10/1000199908-1536x1152.jpg 1536w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/10/1000199908-2048x1536.jpg 2048w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a><p id="caption-attachment-5780" class="wp-caption-text">oplus_2</p></div>
<p>সাধারণ রোগী ও স্বজনসহ বরিশালের রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গও চাচ্ছেন আবাসিক সার্জন ডাঃ উর্মীর বদলী আদেশ বাতিল করা হোক। সয়ং শেবাচিম পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মশিউল মুনীরও বদলী আদেশ বাতিল চেয়ে আবেদন করেছেন। তারপরও সাড়া নেই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের। এতে ক্রমশ ক্ষুব্ধ হচ্ছেন বরিশালের সাধারণ মানুষ ও ছাত্র জনতা। তারাও এজন্য পুনরায় স্বাস্থ্য খাতের সংস্কারের দাবীতে আন্দোলনের হুশিয়ারী দিয়েছেন।<br />
বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল শেবাচিম এ যোগদানের পরপরই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক সংকট দূর করতে বেশকিছু পদক্ষেপ নেন পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মশিউল মুনীর। তারমধ্যে অন্যতম ছিলো আবাসিক সার্জন ও পলিয়েটিভ কেয়ার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডাঃ সাবেকুন নাহার উর্মী। এছাড়াও হৃদরোগ, ক্যান্সার ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক সংকট দূর করতে স্বাস্থ্য বিভাগ ও মন্ত্রণালয়ে চাহিদাপত্র দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। এদিকে জরুরী প্রয়োজন মেটাতে গোপালগঞ্জ থেকে পলিয়েটিভ কেয়ার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডাঃ উর্মীকে শেবাচিমে বদলী করা হয় গত জুলাইতে। স্বাস্থ্য খাতের আন্দোলনের সময় তিনি বরিশালে দায়িত্ব পালন করছিলেন এবং ইতিমধ্যে রোগী ও স্বজনদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন। এরই মাঝে ২২ সেপ্টেম্বর সোমবার সকালে চিকিৎসা সেবা নিতে এসে রোগীরা জানতে পারেন আবারও বদলী করা হয়েছে এই চিকিৎসককে। রোগীদের তিনি সে অনুযায়ী ব্যবস্থাপত্র দিচ্ছেন এবং বলে দিচ্ছেন আগামী মাস থেকে হয়তো আমি থাকবোনা, যদি এই বিভাগে চিকিৎসক না পান তাহলে ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ বা সিনিয়র কোনো চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন।<br />
আসতে না আসতেই পলিয়েটিভ কেয়ার বিভাগের এই চিকিৎসকের চলে যাওয়ার সংবাদে রোগী ও স্বজনদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। কেননা দীর্ঘদিন শারীরিক ও মানসিক কষ্ট ভোগ করা রোগীদের আশ্রয় হয়ে উঠেছেন ডাঃ উর্মী। তিনি একাধারে ক্যান্সার, নিউরো ও Palliative Care Medicine specialist সহজ ভাষায় বলতে গেলে, তিনি এমন একজন চিকিৎসক, যিনি গুরুতর অসুস্থতার কারণে কষ্ট পাওয়া রোগীদের এবং তাদের প্রিয়জনদের জীবনের মান উন্নত করার জন্য বিশেষায়িত চিকিৎসা ও সহায়তা প্রদান করেন। এমন একজন চিকিৎসক পেয়ে শেবাচিম যখন এ জাতীয় জটিল রোগীদের আশ্রয়স্থল হয়ে উঠেছে ঠিক তখনই তার বদলী গুঞ্জনে ক্ষুব্ধ রোগী ও স্বজনরা।<br />
একাধিক রোগী ও স্বজনরা এ বিষয়ে স্বাস্থ্য খাতের আন্দোলনের শিক্ষার্থীদের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন। বাকেরগঞ্জের মকিমাবাদ বাজারের বাসিন্দা নারী রোগী জানালেন, ক্যান্সার আক্রান্ত হয়ে কেমোথেরাপি নেওয়ার পর থেকে হাত-পায়ের জ্বালা যন্ত্রণা নিয়ে দীর্ঘদিন ভুগছিলেন তিনি। শেবাচিম এ মেডিসিন বিভাগের চিকিৎসা নিয়েও কিছু হচ্ছিল না। গত মাসের শেষদিকে আবাসিক সার্জন আপা আমাকে দেখে যে ব্যবস্থাপত্র দিয়েছেন তাতে অনেকটা উপকার হয়েছে । পনেরদিন পর আজ আপডেট জানাতে এসে শুনছি তিনি নাকি চলে যাবেন। এটাতো আমাদের জন্য ক্ষতি। কারণ এখানে এরপর আমাদের কে দেখবেন?<br />
একইসময় কয়েকজন রোগী ও স্বজন স্বাস্থ্য খাতের আন্দোলনের শিক্ষার্থীদের বিষয়টি জানাতে হবে বলে দাবী করেন। তারা বলেন, এতোদিন আবাসিক সার্জন বলে কিছুই ছিলোনা এখানে। বয়স্ক ও জটিল রোগের চিকিৎসা বঞ্চিত ছিলেন অনেকে নারী। মফস্বলে বড় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক আসতেও চায় না। সেখানে একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এসেছেন তিনি। তাকে বদলী আটকাতে স্বাস্থ্য খাতের আন্দোলনের শিক্ষার্থীদের পদক্ষেপ নিতে হবে বলে জানান তারা।<br />
নরসিংদির মেয়ে আবাসিক সার্জন ও পলিয়েটিভ কেয়ার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক সাবেকুন নাহার উর্মী দীর্ঘদিন গোপালগঞ্জ হাসপাতালে কর্মরত ছিলেন। গত জুলাই এর শেষদিকে ৩০ জুলাই তাকে শেবাচিম এ বদলী করা হয় এবং আগস্ট থেকে তিনি নিয়মিত শেবাচিম এ চিকিৎসা দিতে শুরু করেন। তিনি বলেন, মেডিসিন বিভাগের নতুন ভবনের এই ১১২ নম্বর কক্ষের মহিলা রোগীদের ভিড় দেখুন। তাদের জন্য সঠিক চিকিৎসা সেবা দেওয়া আমার নৈতিক দায়িত্ব। সরকারি চাকুরী করি। স্বাস্থ্যসেবা দিতে সরকারের নির্দেশনা মেনে যেকোনো হাসপাতালে যেতে আমি বাধ্য। বরিশালে এসে এখানকার অবস্থা দেখে মনে হয়েছে এখানে আমাকে প্রয়োজন। আমিও চাই বরিশালের মানুষের পাশে সেবা নিয়ে আরো কিছুদিন কাটাতে। বাকীটা বলবেন সংশ্লিষ্ট প্রশাসন।<br />
এ বিষয়ে অনুসন্ধানে জানা গেছে, গত ২০ সেপ্টেম্বর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) ডাক্তার এবিএম আবু হানিফ স্বাক্ষরিত পত্রে শেবাচিম এর আবাসিক সার্জন ডাঃ সাবিকুন নাহার উর্মীকে প্রমোশন দিয়ে পুনরায় গোপালগঞ্জের ২০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে বদলী করা হয়েছে। আসতে না আসতেই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের এই বদলীর পিছনে গভীর ষড়যন্ত্র রয়েছে বলে মনে করছেন অনেকেই। এখানে রাজনীতি চলছে বলে দাবী করেন হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের বেশ কয়েকজন চিকিৎসক ও নার্স। তারা বলেন, গোপালগঞ্জ থেকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এসেছেন। একদল অসাধু রাজনৈতিক নেতা সেটাকে পুঁজি করে তাকে সরিয়ে নিজেদের দলীয় অদক্ষ লোক নিয়োগের পায়তারা করছে। আমরা শুনেছি এ নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে দৌড়ঝাঁপ করছে তারা। এজন্য বড় অংকের টাকাও লেনদেন হয়েছে বলে জানা গেছে।<br />
বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন স্বাস্থ্য খাতের আন্দোলনের সমন্বয়ক সাব্বির হোসেন সোহাগ। তিনি বলেন, স্বাস্থ্য খাতের আন্দোলনের পর থেকে শেবাচিম এ পরিবর্তন হতে শুরু করেছে। আমরা শুনেছি পলিয়েটিভ কেয়ার স্পেশিয়ালিস্ট ডাঃ উর্মী অত্যন্ত ভালো, পরিশ্রমী ও রোগীদের প্রতি দায়িত্ব সচেতন একজন চিকিৎসক। তিনি গোপালগঞ্জে বা টুঙ্গিপাড়া যেখান থেকেই আসুক না কেন তার চিকিৎসা সেবা আমরা চাই। এটা আমাদের প্রয়োজন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতি অনুরোধ থাকবে জুলাই বিপ্লবের চেতনা নিয়ে কাজ করুন। ভালো বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ এর জন্য জরুরী প্রয়োজন। দূর্নীতি ও অনিয়মকে প্রশ্রয় দিয়ে তাদের বদলী করবেন না। স্বাস্থ্য খাতে আবারও অনিয়ম মাথাচাড়া দিলে আমরাও কিন্তু আবারও আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবো বলে হুশিয়ারী জানান সাব্বির হোসেন সোহাগ।<br />
<a href="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/09/IMG-20250917-WA0015.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignright size-medium wp-image-5739" src="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/09/IMG-20250917-WA0015-300x169.jpg" alt="" width="300" height="169" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/09/IMG-20250917-WA0015-300x170.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/09/IMG-20250917-WA0015-1024x576.jpg 1024w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/09/IMG-20250917-WA0015-768x432.jpg 768w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/09/IMG-20250917-WA0015-1536x864.jpg 1536w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/09/IMG-20250917-WA0015-70x40.jpg 70w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/09/IMG-20250917-WA0015.jpg 1599w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>এদিকে সয়ং শেবাচিম পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মশিউল মুনীর বলছেন, পলিয়েটিভ কেয়ার এর একমাত্র বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক তিনি। তাকে শেবাচিম এ প্রয়োজন জানিয়ে মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে আবেদন করা হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত আমার আবেদন উপেক্ষিত হচ্ছে বলে জানতে পেরেছি। বিষয়টি কেন বা কি জন্যে তা আমি জানিনা। তবে আমি এখনো বলবো শেবাচিম এ তাকে প্রয়োজন।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%86%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a6%a8-%e0%a6%a1%e0%a6%be%e0%a6%83-%e0%a6%89%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a7%80%e0%a6%b0/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>নয়মাসেই বদলে গেছে শেবাচিম: সচল হয়েছে শতাধিক যন্ত্রপাতি </title>
		<link>https://shahittabazar.com/5737-2/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/5737-2/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আরিফ আহমেদ]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 18 Sep 2025 04:37:15 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[কথামালা]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[বরিশাল বিভাগ]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলার চিঠি]]></category>
		<category><![CDATA[বিনোদন]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://shahittabazar.com/?p=5737</guid>

					<description><![CDATA[নয়মাসেই বদলে গেছে শেবাচিম: সচল হয়েছে শতাধিক যন্ত্রপাতি   বিশেষ প্রতিবেদক চমৎকার পরিচ্ছন্ন পরিবেশ। বাহিরে নেই যানবাহনের ভিড়, গাড়ির হর্ন। হকারদের কোলাহল। দালালদের দৌরাত্ম। নেই ঔষধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের মোটরসাইকেলের ভিড়। ভিতরে<span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/5737-2/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div id="m#msg-a:r-6312725020335514951" class="mail-message expanded">
<div id="m#msg-a:r-6312725020335514951-header" class="mail-message-header spacer"><strong>নয়মাসেই বদলে গেছে শেবাচিম: সচল হয়েছে শতাধিক যন্ত্রপাতি </strong></div>
<div id="m#msg-a:r-6312725020335514951-content" class="mail-message-content collapsible zoom-normal mail-show-images ">
<div class="clear">
<div dir="auto">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto"> <strong>বিশেষ প্রতিবেদক</strong></div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto"><a href="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/09/IMG-20250917-WA0016.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-5738" src="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/09/IMG-20250917-WA0016-300x169.jpg" alt="" width="300" height="169" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/09/IMG-20250917-WA0016-300x170.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/09/IMG-20250917-WA0016-1024x576.jpg 1024w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/09/IMG-20250917-WA0016-768x432.jpg 768w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/09/IMG-20250917-WA0016-1536x864.jpg 1536w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/09/IMG-20250917-WA0016-70x40.jpg 70w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/09/IMG-20250917-WA0016.jpg 1599w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>চমৎকার পরিচ্ছন্ন পরিবেশ। বাহিরে নেই যানবাহনের ভিড়, গাড়ির হর্ন। হকারদের কোলাহল। দালালদের দৌরাত্ম। নেই ঔষধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের মোটরসাইকেলের ভিড়। ভিতরে হাসপাতাল ভবনের সিঁড়ি থেকে শুরু করে রোগীদের টয়লেট সবকিছুই এখন চমৎকার পরিচ্ছন্ন পাওয়া গেল ১৭ সেপ্টেম্বর  সরেজমিন অনুসন্ধানে। শুধু তাই নয় ছোটখাটো পরীক্ষানিরীক্ষার জন্য এখন আর কোনো রোগীকে ছুটতে হয়না বাহিরের ডায়াগনস্টিক সেন্টারে। ভিতরেই এখন অনেক গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা করতে পারছেন রোগী ও স্বজনরা। নার্স ও রোগীদের সাথে কথা বলে জানা গেল, বড়ো বড়ো পরীক্ষা যেমন সিটিস্কান, এমআরআই ছাড়া বাকী সব পরীক্ষানিরীক্ষা এখন হাসপাতালের ভিতরেই সম্ভব। এগুলো সহ ক্যান্সার চিকিৎসার সব উপকরণ আনার বিষয়েও কার্যক্রম চলছে বলে জানা গেল। ইতিমধ্যে হার্টের সফল অপারেশন, রিং পড়ানোসহ যাবতীয় চিকিৎসা সেবা সম্পন্ন হয়েছে। এ নিয়ে ভূয়সী প্রশংসা পেয়েছেন হাসপাতালের বর্তমান পরিচালক ব্রিগেডিয়ার <a href="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/09/IMG-20250917-WA0015.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignright wp-image-5739 size-medium" src="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/09/IMG-20250917-WA0015-300x169.jpg" alt="" width="300" height="169" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/09/IMG-20250917-WA0015-300x170.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/09/IMG-20250917-WA0015-1024x576.jpg 1024w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/09/IMG-20250917-WA0015-768x432.jpg 768w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/09/IMG-20250917-WA0015-1536x864.jpg 1536w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/09/IMG-20250917-WA0015-70x40.jpg 70w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/09/IMG-20250917-WA0015.jpg 1599w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>জেনারেল মশিউল মুনীর। বলা যায়, গত ২০ বছরের চিত্র নয়মাসেই বদলে দিয়েছেন তিনি। মশিউল মুনীর গত ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (শেবাচিম) এর পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। কাজে যোগদান করেই তিনি ২৮ নভেম্বর সংবাদ সম্মেলনে হাসপাতালের করুন অবস্থা তুলে ধরেন এবং এ সংক্রান্ত জটিলতা দূর করতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। আশেপাশের লোকজনের অসহযোগিতার কারণে গত জুন ২০২৫ পর্যন্ত হাসপাতালে দৃশ্যমান কোনো উন্নয়ন সম্ভব হয়নি। তবে অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক আনার উদ্যোগ সম্পন্ন করেন। হাসপাতালের পরিবেশ ও উন্নত হয় কিছু। তারপরও গুরুত্বপূর্ণ কাজ এগুচ্ছে না। এমতাবস্থায় বরিশালের নাগরিকদের অভিযোগ ও অসন্তোষ আমলে নিয়ে স্বাস্থ্য খাতের সংস্কারের দাবীতে আন্দোলন শুরু করে ছাত্র জনতা। এরই ধারাবাহিকতায় তিনি  আগস্টে পুনরায় সংবাদ সম্মেলনে তিনমাস সময় চেয়ে ছাত্র জনতার আন্দোলনকে সমর্থন দেন । ৫০ কার্যদিবসের সময় দিয়ে ছাত্র জনতা আন্দোলন স্থগিত করার পর গত ১৫ সেপ্টেম্বর তারা হাসপাতালের অগ্রগতি পরিদর্শনে এসে প্রায় শতাধিক পরীক্ষানিরীক্ষার যন্ত্রপাতি সচলসহ হাসপাতালের পরিবেশ দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন আন্দোলনের বরিশালের সমন্বয়ক সাব্বির হোসেন সোহাগ। এসময় সাব্বির বলেন, সিটিস্কান, এমআরআইসহ ক্যান্সার ও হার্টের জটিল সব পরীক্ষানিরীক্ষা এবং সুচিকিৎসার নিশ্চয়তা পেতে চাই আমরা। পরিচালকের আন্তরিকতা আমাদের ভালো লেগেছে। আমরাও তাকে সহযোগিতা করতে চাই। আশাকরি তিনি শীঘ্রই এই হাসপাতালটিকে আন্তর্জাতিক মানের একটি হাসপাতাল হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেবেন। ঢাকা বা বিদেশে নয়, বরিশালের শেবাচিমেই সব চিকিৎসার সুব্যবস্থা আমরা চাই বলে জানান সাব্বির।</div>
<div dir="auto">তবে শেবাচিম উপপরিচালক নাজিমুল আহসান, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডাঃ উর্মী, ডাঃ মহসিন সহ বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা জানান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মশিউল মুনীর দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই শেবাচিমের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছেন। যার বেশিরভাগ সময়সাপেক্ষ। স্বাস্থ্য খাতের সংস্কারের দাবীতে ছাত্র জনতার আন্দোলন এই ক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকা রাখতে সাহায্য করেছে। যে কাজ হতে ছয় মাস লেগে যেত সেই কাজ দুমাসেই সম্ভব হয়েছে। তারপরও জটিল বিষয়দির জন্য সময় দিতে হবে। ৫০ বছরের অনিয়ম, অপ্রাপ্তি এক বছরে দূর করা যায় না, এজন্য সময় দিতে হবে বলে জানান তারা।</div>
<div dir="auto">বরিশাল তথা দক্ষিনাঞ্চলের চিকিৎসা ব্যবস্থার অন্যতম এই প্রতিষ্ঠানটি ১৯৬৮ সালে চালু হওয়ার পর থেকে ছয় জেলার মানুষের একমাত্র নির্ভরতা হয়ে আছে। প্রায় আড়াই লক্ষ মানুষের নির্ভরতা এই হাসপাতালের দশ শয্যা বিশিষ্ট আইসিইউর সাথে ২০২০ সালে করোনা বিভাগ এর কার্যক্রম শুরু হয় ১৮টি আইসিউ শয্যা ও ১৫০ টি নতুন বেড নিয়ে। সবমিলিয়ে আইসিইউ এখন ২৮ টি এবং শয্যা সংখ্যা ১১৫০টি থাকার কথা। এদিকে প্রচণ্ড ভাবে লোকবল সংকট এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক সংকটে এই হাসপাতালের চিকিৎসা ব্যবস্থা ভেঙে পরেছে বলে অনেকবারই স্বীকার করেছেন সাবেক পরিচালক ডাঃ সাইফুল ইসলামও। এখানের ডাক্তার সংকট এতোটাই যে, রাতে ডাক্তার কক্ষে অবস্থানরত চারজন ইন্টার্নি চিকিৎসক দেখছেন এই ১১৫০ বেড ছাড়াও ফ্লোরিং ও আইসিইউতে অবস্থান করা আরো প্রায় ৫০০ রোগীকে।</div>
<div dir="auto">২০২১ সালে নতুনভাবে করোনা ওয়ার্ড বর্ধিত করে সেখানে চারতলা মেডিসিন ভবন করা হয় এবং সেই ভবনে চারটি লিফট তৈরি হলেও দুটো লিফট চালু আছে । তার একটি শুধু ডাক্তার ও ভিআইপিদের জন্য। অন্যটিতে দীর্ঘ লাইনে রোগীদের চলাচল। এখানে নতুন কিছু ভবন তৈরির প্রস্তাবণা আজ পর্যন্ত ঝুলে আছে। পুরাতন ভবনের নীচতল থেকে উপরতলা পর্যন্ত সংস্কার কাজ হয়েছে তবে তা এখনো ঝুঁকি মুক্ত নয়। সেনাবাহিনী থেকে পরিচালক আসার পর তার কাজেও বাধা সৃষ্টির চেষ্টা করেছে কতিপয় ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিক ও ঠিকাদার। যাদের ষড়যন্ত্র এখনো চলমান। ছাত্র জনতার আন্দোলনে এই ষড়যন্ত্রকারীদের দৌরাত্ম কিছুটা কমলেও এখনো থেমে যায়নি। তবে পরিচালক মশিউল মুনীর দক্ষাতার সাথে মোকাবেলা করছেন এদের সহ হাসপাতালে ঔষধ কোম্পানির রিপ্রেজেনটেটিভ ও দালালদের প্রবেশ। এই মুহূর্তে এদের প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ শেবাচিম চত্বরেও। পরিচ্ছন্নতার পাশাপাশি শেবাচিম এর সব বিভাগেও এসেছে পরিবর্তন। বদল হয়েছে প্রশাসন ও কর্মচারীদের। নতুন হাওয়া লেগেছে প্যাথলজি বিভাগেও। যেসব যন্ত্রপাতি দীর্ঘদিন ধরে অচল পড়ে ছিল, রোগী আর চিকিৎসকের দুঃখ বাড়াচ্ছিল, সেগুলো একে একে ফিরে পেয়েছে কার্যক্ষমতা। একটি দুটি নয়, অন্তত ৯৫টি যন্ত্রপাতি এখন আবার সচল হয়েছে। এর ফলে সেবায় ফিরেছে স্বস্তি। রোগী, নার্স ও চিকিৎসকদের মুখেও হাসি ফুটে উঠেছে। এখন আর অল্পতেই ক্ষেপে ওঠা আচরণ করেন না কোনো নার্স ও চিকিৎসক।</div>
<div dir="auto">হাসপাতালের বারান্দায় রিপোর্টের জন্য অপেক্ষায় থাকা রোগীর স্বজন আল আমীন বললেন, &#8216;আগে চিকিৎসক বললেও পরীক্ষা করা যেত না, মেশিনই ছিল অচল। এখন সেই অচল যন্ত্রে প্রাণ ফিরেছে।&#8217; শুধু রোগীর স্বজন নয়, চিকিৎসক-নার্সরাও বলছেন, অচল যন্ত্র সচলের ফলে হাসপাতালের চিকিৎসা ব্যবস্থার ওপর আস্থা ফিরে আসছে এখন।</div>
<div dir="auto">জানা গেছে, স্বাস্থ্য খাতে সংস্কারের দাবিতে চলমান আন্দোলনের চাপেই প্রশাসন নড়েচড়ে বসেছে। কয়েকদিন আগে ন্যাশনাল ইলেকট্রো ইকুইপমেন্ট মেইনটেন্যান্স ওয়ার্কশপ অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টার (নিমিউ অ্যান্ড টিসি) এর কারিগরি দলকে ডাকা হয়েচিল। পাঁচ দিনের নিরলস পরিশ্রমে তারা সচল করেছেন ৯৫টি অচল মেশিন। শিগগিরই আরো ২০টি গুরুত্বপূর্ণ মেশিন চালু হবার কথা এ সপ্তাহের মধ্যে। আইসিইউ ভেন্টিলেটর থেকে শুরু করে অপারেশন থিয়েটারের অ্যানেসথেসিয়া মেশিন, ব্লাড ব্যাংক রেফ্রিজারেটর, ডেন্টাল ইউনিট, হাই যেন ক্যানুলা, ওটি টেবিল, ইসিজি মেশিনসহ প্রায় সব বিভাগেই এখন চলছে কর্মব্যস্ততা। চক্ষু বিভাগে সচল হয়েছে লেসিক মেশিন। সার্জারিতে সি-আর্ন, রেডিওলজিতে এক্স-রে যন্ত্র সচল হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই চিকিৎসার পরিধি অনেক বেড়ে গেছে।</div>
<div dir="auto">হাসপাতালের টেকনোলজিস্টদের একজন জানালেন, &#8216;প্যাথলজি বিভাগে অনেক পরিবর্তন এসেছে গত দেড়মাসে। অচল, নিথর, মরচে ধরা যন্ত্রগুলো সংস্কারের ফলে হঠাৎ করেই যেন ফিরে পেয়েছে প্রাণ। দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালের রেডিওলজি, ইমেজিং, আইসিইউ কিংবা অপারেশন থিয়েটারের যেসব মেশিন শুধু বোঝা হয়ে পড়ে ছিল, সেগুলো কারিগরি দলের হাতের স্পর্শে আবার সচল হয়ে উঠেছে বলে জানান তারা।</div>
<div dir="auto">ইতিমধ্যেই কারিগরি দলের উপসহকারী প্রকৌশলী হাফিজুর রহমান এর বক্তব্য পাওয়া গেছে জাতীয় দৈনিকে। তিনি বলেছেন, &#8216;শত বাধা সত্বেও আমরা ১৫টি মেশিন সচল করতে পেরেছি। ধাপে ধাপে সিটি স্ক্যান, এনজিওগ্রাম, এন্ডোসকপি, লিখোরিপটরসহ বাকি মেশিনগুলো একে একে চালু হবে। তবে যন্ত্রাংশ আমদানি সময়সাপেক্ষ বিষয়। তাই কয়েকটি মেশিন সচল করতে সময় প্রয়োজন হবে।&#8217;</div>
<div dir="auto">হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম মশিউল মুনীর বলেন, এখন পর্যন্ত ৯৫টি মেশিন সচল হয়েছে। আরো ১৯টি মেশিন অচল আছে।  এর মধ্যে ৯টি মেশিনের যন্ত্রাংশ বিদেশ থেকে আমদানি করতে হবে। অপর মেশিনগুলো সচল করতে বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় হবে। মন্ত্রণালয় থেকে অর্থ বরাদ্দ পাওয়া সাপেক্ষে এগুলো সচল করা হবে। আর আইসিইউ বিভাগের সবকিছু পরিবর্তন করে একদম নতুন করা হয়েছে। এমনকি বেডও বদলে দেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।</div>
<div dir="auto"></div>
</div>
</div>
</div>
</div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/5737-2/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>সমাজসেবক সাজ্জাদ পারভেজ এর অবদান: ফুল বিক্রেতা শিশুকন্যারা এখন নিয়মিত স্কুলে যায়</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%ac%e0%a6%95-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%a6-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%ad%e0%a7%87%e0%a6%9c/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%ac%e0%a6%95-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%a6-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%ad%e0%a7%87%e0%a6%9c/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 25 Feb 2025 15:38:42 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[কথামালা]]></category>
		<category><![CDATA[তারুন্যকথা]]></category>
		<category><![CDATA[বরিশাল বিভাগ]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলার চিঠি]]></category>
		<category><![CDATA[টোকাই]]></category>
		<category><![CDATA[শিক্ষা]]></category>
		<category><![CDATA[শিশু]]></category>
		<category><![CDATA[স্কুল]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://shahittabazar.com/?p=5669</guid>

					<description><![CDATA[<p>সমাজসেবক সাজ্জাদ পারভেজ এর অবদান: ফুল বিক্রেতা শিশুকন্যা আমেনা ও মোহাইমিনা নিয়মিত স্কুলে যায়</p> <p>বিশেষ প্রতিবেদক</p> <p>নতুন জুতা পায়ে দিয়ে আনন্দে নাচতে নাচতে প্রতিদিন সকালে এখন নিয়মিত স্কুলে যায় আমেনা</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%ac%e0%a6%95-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%a6-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%ad%e0%a7%87%e0%a6%9c/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>সমাজসেবক সাজ্জাদ পারভেজ এর অবদান: ফুল বিক্রেতা শিশুকন্যা আমেনা ও মোহাইমিনা নিয়মিত স্কুলে যায়</strong></p>
<p><strong>বিশেষ প্রতিবেদক</strong></p>
<p><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/02/inbound6980038635815614370.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-5670" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/02/inbound6980038635815614370-225x300.jpg" alt="" width="225" height="300" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/02/inbound6980038635815614370-225x300.jpg 225w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/02/inbound6980038635815614370.jpg 720w" sizes="auto, (max-width: 225px) 100vw, 225px" /></a>নতুন জুতা পায়ে দিয়ে আনন্দে নাচতে নাচতে প্রতিদিন সকালে এখন নিয়মিত স্কুলে যায় আমেনা ও ময়মুনা। আগে পড়াশোনা তারপর কাজ। এ নিয়মের অনুসরণ করে স্কুল শেষে পোশাক বদলে তবেই আবার নেমে পরে ফুল বিক্রির কাজে। তবে এতে করে ওদের পায়ের জুতো নষ্ট হয়ে যাওয়ায় ২৫ ফেব্রুয়ারী মঙ্গলবার জেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা সাজ্জাদ পারভেজ তার ৮৪ ব্যাচের বন্ধুদের সহযোগিতায় দুই বোন আমেনা ও মোহাইমিনার জন্য নতুন জুতা কিনে দিয়েছেন। এর আগে তাদের পোশাক ও পড়াশুনার ব্যবস্থাও করেছিলেন তিনি।<br />
জানা যায়, এক বছর আগেও আট ও দশ বছর বয়সের দুই শিশুকন্যা আমেনা ও মোহাইমিনার উপার্জন দিয়েই চলেছে মা নুরুন্নাহর বেগমের সংসার। আর শিশু কন্যারা সড়কে, দোকানে, পার্কে ফুল বিক্রি করে এই সংসার চালানোর কাজটি করতো। জীবীকার তাগিদে ফুল বিক্রি করতে নেমে দুই বোনের পড়াশোনাও বন্ধ হয়ে যায়। জীবীকার প্রয়োজনে ওরা ঝড়-বৃষ্টি, গরম কিম্বা শীত উপেক্ষা করে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ লোক সমাগম স্থান মুক্তিযোদ্ধা পার্ক ও ঐতিহ্যবাহী বেলস্ পার্ক সহ বাস টার্মিনাল ও সড়কে ঘুরে ঘুরে সকাল-সন্ধ্যা ফুল বিক্রি করে যা উপার্জন করতো, তার সবটাই তুলে দিত মায়ের হাতে। এতে করে পড়াশুনার প্রতি প্রচণ্ড আগ্রহ থাকার পরও পড়ার সুযোগ হতো না ওদের। এভাবেই একদিন ২০২৪ সালের শুরুর দিকে হঠাৎ করেই আমেনা ও মোহাইমিনার দেখা হয় সাজ্জাদ পারভেজ এর সাথে। প্রচণ্ড শীতের মধ্যে গরম কাপড়ের অভাবে কাঁপতে থাকা শিশু দুটিকে দেখতে পান সমাজসেবা কর্মকর্তা ও একজন মানবিক মানুষ সাজ্জাদ পারভেজ। তার সামনেই শীতে কাঁপতে কাঁপতে ফুল বিক্রির চেষ্টা করছিলো ঐ দুই শিশুকন্যা। বিবেকের তাড়নায় শিশু দুটিকে কাছে ডেকে ওদের সম্পর্কে জানতে চান তিনি। প্রাথমিকভাবে জানতে পারেন, শিশু দুটির বাড়ি নগরীর কীর্তনখোলা নদী তীরবর্তী রসূলপুর বস্তিতে। ছয়জনের পরিবারের তাদের বাবা পঙ্গুপ্রায় অক্ষম মানুষ। তেমন একটা কাজ কর্ম করতে পারে না। বড় ভাইও দায়িত্বহীন হয়ে মা-বাবা ভাইবোন ত্যাগ করে অন্যত্র বসবাস করে। এরপরে আমেনা ও মোহাইমিনা দুই বোন। যারা সংসারের হাল ধরতে গিয়ে ফুল বিক্রি করছে। তাদের পর ৬-৭ মাস বয়সী আরও এক ছোটভাই রয়েছে বলে জানতে পারেন সাজ্জাদ পারভেজ।<br />
<a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/02/inbound7672212524065943310.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignright size-medium wp-image-5671" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/02/inbound7672212524065943310-245x300.jpg" alt="" width="245" height="300" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/02/inbound7672212524065943310-245x300.jpg 245w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/02/inbound7672212524065943310.jpg 558w" sizes="auto, (max-width: 245px) 100vw, 245px" /></a>বরিশাল জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সাজ্জাদ পারভেজ বলেন, ছোট ছোট মেয়ে দুটি শিক্ষার আলো পাবে এটাই আমার প্রত্যাশা। সেই প্রত্যাশা থেকেই ওদের পাশে দাঁড়াতে পেরেছি, এটাই বড় প্রাপ্তি আমার। ওরা যতদিন পড়তে চাইবে আমি ওদের পড়াশুনার জন্য যা যা দরকার তা করার চেষ্টা করে যাবো।<br />
তিনি আরো বলেন, আমাদের আশপাশে এরকম সুবিধাবঞ্চিত অনেক আমেনা ও মোহাইমিনা রয়েছে। আবার সমাজে বিত্তবান মানুষও কম নেই। তাই আমাদের ৮৪ ইভেন্ট এর বন্ধুরা মিলে এ জাতীয় সেবামূলক কাজ করে যাচ্ছি। সমাজের অন্যরাও যদি এগিয়ে আসেন তাহলে অসংখ্য আমেনা ও মোহাইমিনার জীবন সুন্দর হয়ে উঠবে বলে জানান সাজ্জাদ পারভেজ ।<br />
শুধু আমেনা ও মোহাইমিনা নয় ইতিপূর্বেও ছিন্নমূল শিশু, অসহায় বৃদ্ধা, প্রতিবন্ধী এবং অসুস্থ স্বজনহীন মানুষের পাশে দাঁড়ানোর অসংখ্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন বরিশালের এই সমাজসেবা কর্মকর্তা। এমনকি জেলার কোনো সাংবাদিক বা পত্রিকা সংশ্লিষ্ট কর্মী, হকারদের অসহায় অবস্থা বা কষ্টের কথা তার কানে যাওয়া মাত্রই তিনি ছুটে গেছেন ঐ সাংবাদিক বা হকারের ঘরে। যতটুকু পেরেছেন নিজের ও প্রশাসনের সহযোগিতা পৌঁছে দিয়েছেন অসহায় মানুষটির কাছে। যে কারণে বরিশালের মানুষের কাছে সমাজসেবা কর্মকর্তা সাজ্জাদ পারভেজ এখন একজন মানবিক মানুষের নাম। সমাজসেবা দপ্তর থেকে নয়, নিজেই সমাজসেবক পরিচয়ে সমাজ সেবা দপ্তরকে আলোকিত করেছেন সাজ্জাদ পারভেজ। সরকারি দায়িত্বের পাশাপাশি জেলার বিভিন্ন হতদরিদ্র, প্রতিবন্ধী, বৃদ্ধ-বৃদ্ধা, গরীর মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীর পাশে সহযোগিতার হাত বাড়ানো প্রতিদিনের রুটিনের একটা অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে সাজ্জাদ পারভেজের। যে কারণে স্কুল জীবনের বন্ধুদের নিয়ে গড়ে তুলেছেন ৮৪ ইভেন্ট নামের পৃথক সংগঠন। যতদূর জানা গেছে, সাজ্জাদ পারভেজ ১৯৯৭ সালে বরিশাল সদর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন। তখন থেকেই তার এসএসসির ৮৪ ব্যাচের বন্ধুদের নিয়ে ৮৪ ইভেন্ট নামের গ্রুপের মাধ্যমে অসহায় মানুষদের সহায়তার কাজ করে যাচ্ছেন। এই গ্রুপের মাধ্যমে অবহেলিত মানুষ দেখলেই এগিয়ে যান তিনি। তার এসব ভালো কাজ দিয়ে তিনি তিনবার অর্জন করেছেন জাতীয় শ্রেষ্ঠ প্রমোশন পদক। এছাড়াও ২০২০ সালে পেয়েছেন শুদ্ধাচার পুরস্কার। কয়েক ধাপে পদন্নোতি পেয়ে ২০২৪ সালে জেলা সমাজসেবা সহকারি পরিচালক হিসেবে পদন্নোতি পেয়ে বরিশাল অফিসে যোগদান করেন সাজ্জাদ পারভেজ। বরিশালের কাউনিয়ায় অবস্থিত একমাত্র বৃদ্ধাশ্রমটির প্রতিও তার রয়েছে সজাগ দৃষ্টি। যে কারণে বৃদ্ধাশ্রমের প্রায় ৮০ জন বয়োবৃদ্ধের কাছেও সাজ্জাদ পারভেজ শ্রদ্ধার নাম।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%ac%e0%a6%95-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%a6-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%ad%e0%a7%87%e0%a6%9c/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>মীরপুরের গোলচক্করে ফুটপাত দখলের প্রতিযোগিতা: স্কুলের সামনে ডাস্টবিন </title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%ae%e0%a7%80%e0%a6%b0%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%97%e0%a7%8b%e0%a6%b2%e0%a6%9a%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%ab%e0%a7%81%e0%a6%9f%e0%a6%aa/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%ae%e0%a7%80%e0%a6%b0%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%97%e0%a7%8b%e0%a6%b2%e0%a6%9a%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%ab%e0%a7%81%e0%a6%9f%e0%a6%aa/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আরিফ আহমেদ]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 18 Jan 2025 11:33:33 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[কথামালা]]></category>
		<category><![CDATA[জীবন কথা]]></category>
		<category><![CDATA[বিনোদন]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ব বাজার]]></category>
		<category><![CDATA[রাজখবর]]></category>
		<category><![CDATA[ফুটপাত দখল]]></category>
		<category><![CDATA[মাদক আবর্জনা ফুটপাত দখল]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://shahittabazar.com/?p=5594</guid>

					<description><![CDATA[<p>মীরপুরের গোলচক্করে ফুটপাত দখলের প্রতিযোগিতা: স্কুলের সামনে ডাস্টবিন </p> <p>বিশেষ প্রতিবেদক</p> <p>ঢাকা সিটি করপোরেশন (ঢাসিক) এর চরম অব্যবস্থাপনা ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির অনন্য উদাহরণ মীরপুর গোলচক্কর এলাকার ৩ নং ওয়ার্ড। এই এলাকায় ময়লা,</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%ae%e0%a7%80%e0%a6%b0%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%97%e0%a7%8b%e0%a6%b2%e0%a6%9a%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%ab%e0%a7%81%e0%a6%9f%e0%a6%aa/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>মীরপুরের গোলচক্করে ফুটপাত দখলের প্রতিযোগিতা: স্কুলের সামনে ডাস্টবিন </strong></p>
<p><strong>বিশেষ প্রতিবেদক</strong></p>
<p><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/01/inbound139888181069035926.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-5591" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/01/inbound139888181069035926-300x169.jpg" alt="" width="300" height="169" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/01/inbound139888181069035926-300x170.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/01/inbound139888181069035926-768x432.jpg 768w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/01/inbound139888181069035926-1024x576.jpg 1024w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/01/inbound139888181069035926-70x40.jpg 70w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/01/inbound139888181069035926.jpg 1920w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>ঢাকা সিটি করপোরেশন (ঢাসিক) এর চরম অব্যবস্থাপনা ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির অনন্য উদাহরণ মীরপুর গোলচক্কর এলাকার ৩ নং ওয়ার্ড। এই এলাকায় ময়লা, মাদক আর ফুটপাত দখলের যে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি চলছে তার পুরো দায়ভার ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষের। তাদের দায়িত্বের অবহেলা এখানে স্পষ্ট হয়ে ওঠে সরেজমিন অনুসন্ধানে।<br />
১৪ ও ১৫ জানুয়ারি মীরপুর টাউনহল, ১০ নম্বর পুরাতন কাঁচা বাজার, হোপের গলিসহ আশেপাশের এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, সড়ক ও ফুটপাত পুরোটাই দখল করে বাণিজ্যিক পসরা বসিয়েছে ভাসমান হকারেরা। আর এদের বসার সুযোগ করে দিতে পতিত ফ্যাসিস্ট সরকারের বাহিনীর সাথে বর্তমানের বেশকিছু রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের তৎপরতা চোখে পড়ে।<br />
আবার ৩ নং ওয়ার্ডের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিগত বিতর্কিত কাউন্সিলরদের বিতর্কিত পদক্ষেপগুলোকে এখনো আঁকড়ে আছে এই বৈষম্য বিরোধী প্রশাসন। অভিযোগ জানালে, এখনো পরষ্পরকে দোষারোপ করার প্রবণতা কর্তৃপক্ষের। বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব নিয়ে ওয়াকিটকি কোমড়ে ঝুলিয়ে নিজেদের গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা হিসেবে জাহির করা এবং বাসাবাড়ি থেকে ময়লা-আবর্জনা আনা-নেওয়ার ভ্যানভাড়া বৃদ্ধির জন্য ছুটে বেড়ানো, কেউ প্রতিবাদ করলে সন্ত্রাসী কায়দায় ওয়াকিটকি ব্যবহার করে সবাইকে জড়ো করা ছাড়া আর কোন উন্নয়নমূলক ভূমিকা দেখা যায়নি বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পরিদর্শক বা ফিল্ড ইন্সপেক্টরদের।<br />
মীরপুর ১০ নম্বর পুরাতন বাজার সড়কের পাশে সেনপাড়া পর্বতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ঠিক প্রবেশপথ সংলগ্ন দেয়াল ঘেঁষে রাখা হয়েছে বাজারের যাবতীয় বর্জ্য ফেলার ডাস্টবিনটি। ডাস্টবিনের চারপাশে, সড়কের উপরও ময়লা আবর্জনার স্তূপ। রিকশা চালক, পথচারী যখন তখন প্রশ্রাব করতে বসে যাচ্ছে স্কুলের দেয়াল ঘেঁষে। এ পথে যেই যাচ্ছে, নাকে রুমাল চেপে তবেই পার হচ্ছে এটুকু পথ। পাশেই কিন্তু হাজারো প্রায় শিক্ষার্থী নিয়ে মীরপুরের সুখ্যাতি সম্পন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এটি। কোমলমতি শিশুদের চলাচল, পড়াশুনা ও স্কুল মাঠে খেলাধুলা বন্ধ হবার উপক্রম এই ময়লা পঁচা গন্ধের কারণে। পাশাপাশি সন্ধ্যা হলেই মাদকের আখড়ায় পরিণত হয় এই বাজার ও টাউনহল মাঠসহ আশেপাশের সড়কের অলিগলি। সড়কে আলোর ব্যবস্থা নেই দীর্ঘদিন। বাজারের পঁচা বর্জ্যের পাশাপাশি মাদকের বিকট দুর্গন্ধে সবসময় ভারী হয়ে আছে এই এলাকা। এ নিয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষের লেখিত অভিযোগ ছাড়াও স্থানীয় সচেতন বাসিন্দাদের প্রতিবাদ অগ্রাহ্য করে গত প্রায় পনের বছর ধরেই চলছে সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষের অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতা। বলা যায়, তিন ওয়ার্ড ছাড়াও মীরপুর ১০ নম্বর গোলচক্কর, মীরপুর স্টেডিয়াম, গার্লস আইডিয়াল স্কুল ও কলেজ, হোপের গলি, এভিনিউ ফাইভ ও ১১ নং বাজার এলাকা নিয়ে গঠিত সিন্ডিকেট এখনো নিয়ন্ত্রণ করছে এসব অবৈধ কার্যকলাপ।<br />
এখানে যত দোষ নন্দ ঘোষ অর্থাৎ সাবেক পলাতক কাউন্সিলরদের ঘাড়ে চাপিয়ে তাদের অপরাধমুলক কর্মকাণ্ড রীতিমতো জিইয়ে রেখে তাতে আরো নতুন করে তাঁ দিচ্ছেন স্থানীয় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা। যার সুযোগ নিচ্ছেন সিটি করপোরেশনের প্রশাসনিক কর্মকর্তারাও।<br />
অনুসন্ধানে জানা গেছে, সিটি করপোরেশন উত্তর ৩ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর কাজী জহিরুল ইসলাম মানিকই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে এই ডাস্টবিন রাখার জন্য দায়ী। সেসময় প্রকাশ্যে কেউ প্রতিবাদ না করলেও গোপনে একাধিক লেখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে বলে জানালেন মীরপুর ১০ এ ব্লকের বেশ কয়েকজন বাসিন্দা ও ব্যবসায়ী।<br />
বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মুস্তাফিজুর রহমান বললেন, গত ২০১৪ সালে আমাদের অভিযোগের কারণে কয়েকমাস এটি সরিয়ে নেয়া হয়েছিল, কিন্তু কাউন্সিলর মানিক এসে এটি পুনরায় এখানে বসিয়ে দিয়েছে। এই বিদ্যালয়ে ৯০০ এর বেশী শিক্ষার্থী যারা সবাই শিশু। এই শিশুদের স্বাস্থ্য ঝুঁকি থেকে রক্ষা করতে হলেও ডাস্টবিনটি সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ জানান তিনি।<br />
স্থানীয় বাসিন্দা ও কয়েকজন ব্যবসায়ীর সাথে কথা বলে জানা যায়, এখানে মানিকের এর প্রতিদ্বন্দ্বী আরেক বিতর্কিত নেতা টিঙ্কু ৫ আগস্টের পর এলাকায় দখলদারিত্ব ও চাঁদাবাজি বুঝে নিলেও এই বিষয়ে সেও নিরব। বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের মীরপুরের সমন্বয়করাও এ নিয়ে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি বলে একাধিক অভিযোগ রয়েছে।<br />
এ বিষয়ে ঢাসিক উত্তর ৩ নং ওয়ার্ড প্রশাসককে খুজতে যেয়েই উঠে আসে অনেকগুলো নাম। যারা হোপের গলি, ১০নং গোলচক্কর এলাকার ফুটপাত দখল নিয়ন্ত্রণ করছে বলে জানা গেছে। আর এদের রয়েছে বিশাল সিন্ডিকেট। এলাকার মাদকের বাণিজ্য এরাই নিয়ন্ত্রণ করে বলে জানা যায়।<br />
৩ নং ওয়ার্ড কার্যালয়ের প্রশাসক খুঁজতে গেলে ১০ নং গোলচক্কর সংলগ্ন পুরাতন টাউনহল মাঠে গিয়ে চোখে পড়ে ঢাসিক কর অঞ্চল ৪ আঞ্চলিক কার্যালয়। এখানে মাঠের ভিতরে শ্রমিক ইউনিয়ন, ফেডারশন, কর্মচারী ইউনিয়ন নামের সাইনবোর্ড ও অফিস রয়েছে। অফিসগুলোর ভিতর টাসের আড্ডা চলছে। গাঁজার গন্ধ স্পষ্ট টের পাওয়া যায়। বাহিরে পুরো মাঠ দখল করে আছে সিটি করপোরেশনের ময়লার গাড়ি, ট্রাক্টর সহ ভারী যানবাহন। অথচ ২০০৩ সালে সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকা এই মাঠটিতে অত্যাধুনিক নাট্যমঞ্চ সহ টাউনহল নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছিলেন। তৈরি করেছিলেন একটি মুক্তমঞ্চ। যদিও এ বিষয়ে কিছুই জানেন না কর অঞ্চল ২ ও ৪ এর প্রশাসনিক কর্মকর্তারা। কর অঞ্চল ৪ এর সামনের এই মাঠের বিভিন্ন কোনোয় সন্ধ্যার পর মাদকের কেনাবেচা হয়, গভীর রাত পর্যন্ত বহিরাগতদের আড্ডা হয়। এ নিয়ে কিছুই করার নেই বলে জানান কর অঞ্চল ৪ এর প্রশাসনিক কর্মকর্তা<br />
তুফানি লাল রবি দাস। তিনি বলেন, এটি কর অঞ্চল ২ এর জায়গা। আমরা ভাড়াটিয়া মাত্র। আর কর অঞ্চল ২ মীরপুর সনি সিনেমা হলের পাশে। ওখানে কথা অভিযোগ জানানোর পরামর্শ দেন তিনি।<br />
অথচ এই মাঠ ও আশেপাশের এলাকায় মাদকসহ বিভিন্ন দুষ্কর্ম্মের সাথে জড়িত এই জোন ৪ এর কয়েকজন কর্মকর্তা ও কর্মচারীও। এদের মধ্যে ৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মানিক বাহিনীর পারভেজ, সোহেল ও জসিম। টিঙ্কু বাহিনীর আলমগীর, বাপ্পি, জুলহাস ( গাঁজা) জোন ৪ কর্মচারী হাসান ও রাজ্জাক এর নাম রয়েছে। হাসান ও রাজ্জাক ইতিপূর্বেও দূর্নীতির কারণে এরেস্ট হয়েছিল। অথচ এখনো চাকুরীতে বহাল তবিয়তে রয়েছে বলে জানালেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এছাড়াও রয়েছে ছাত্রদলের নেতা ৩ নং ওয়ার্ডের নাসির। এরা ছাড়াও রয়েছে আওয়ামী লীগের পলাতক নেতাদের সহকর্মীদের অনেকেই। মীরপুরে আওয়ামী লীগের দোসর হিসেবে ছাত্র জনতার উপর আক্রমণ চালিয়েছে বলে জানা গেছে।<br />
বিএনপির ঢাকা মহানগর উত্তর কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণার আগে এখানে ৩নং ওয়ার্ডের আহ্বায়ক শেখ আক্কাস আলী, প্রথম ও দ্বিতীয় যুগ্ম আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম (নজু) ও জাহাঙ্গীর আলম (লালন) এর কাছে এ নিয়ে অভিযোগ জানিয়েও কোনো লাভ হয়নি বলে জানান স্থানীয়রা বরং তারাই মীরপুর টাউনহল মাঠ ও আশেপাশের এলাকায় টোকাই শ্রেণীর লোকজন নিয়ে মাদকের আখড়া বসিয়েছে বলে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। উদাহরণ হিসেবে যেকোনো দিন সন্ধ্যার পর টাউনহল মাঠ ছাড়াও সিটি করপোরেশনের অঞ্চল ৪ আঞ্চলিক কার্যালয়কে ঘীরে জমজমাট হয়ে ওঠা বিভিন্ন সংগঠনের কার্যালয়ে, মুক্তমঞ্চ ঘুরে দেখলেই তা স্পষ্ট হয়ে উঠবে বলে জানান একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী। এদের একটি অংশ আবার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে এসে রাতের বেলা জুয়ার আড্ডা বসায় এবং নিরাপত্তা রক্ষীকে মারধর করে ভবনের ছাদে বা কক্ষে আড্ডা বসায় বলেও অভিযোগ রয়েছে।<br />
স্থানীয়দের অভিযোগ, কাউন্সিলর মানিকের আয়ের বড় একটি খাত ছিলো এই বাজারসহ আশেপাশের ফুটপাত ও মিরপুর ১০ নম্বরের হোপ স্কুলের গলি। সেখানেও বসানো হয়েছে বাজার। পাঁচ বছর ধরে সেখানে প্রায় এক হাজার দোকান থেকে নিয়মিত চাঁদা নিতেন মানিক। দোকান বরাদ্দ দেওয়ার নামেও এককালীন ৫০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা নিয়েছে সে ও তার অনুসারীরা। ৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের পর এখন এসবকিছু লালন ও টিঙ্কু বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে মানিকের লোকজনই এখন টিঙ্কুর সহযোগী।<br />
একজন বিএনপি কর্মী জানান, অনেকের দাবী মিরপুরের মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ ছিলো মানিকের হাতে। অথচ মানিক তাবলিগ জামাতের অনুসারী ছিলেন এবং প্রচণ্ডভাবে মাদক বিদ্বেষী ছিলেন। তবে মীরপুর আওয়ামী লীগের অনেক বড় নেতাদের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে ছিলো এখানের মাদক কারবারীরা। ৫ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্দুর রউফ নান্নু তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী। তার ভাই কচি আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের একজন। যাদের খুশি রাখতে মানিক নিরবতা পালন করতো। মানিকের সহযোগী অনেকেই তখন মাদক ব্যবসায়ীদের সহযোগী ছিলো। এখনও এরা টিঙ্কুর সাথে মিলে এই এলাকায় মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করছে। বিএনপির অনেকেই এর সাথে জড়িত বলে জানান নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এই বিএনপি নেতা। তিনি বলেন, এ বিষয়ে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের মীরপুরের সমন্বয়ক ও সেনাবাহিনীও সবকিছু জানে। তারাই কিছু করতে পারছে না।<br />
পুরাতন বাজার এলাকার মসজিদ সংলগ্ন একজন ব্যবসায়ী বলেন, এখানকার আওয়ামী লীগ নেতা ফকির মহিউদ্দিন মারা যাওয়ার পর থেকেই তিন নম্বর ওয়ার্ড মাদকের বাণিজ্য বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। এই ওয়ার্ডে ছোট-বড় ১৩টি বিহারি ক্যাম্প ও ৯টি বস্তিকে কেন্দ্র করে ইয়াবা, গাঁজাসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্যের ব্যবসা হয়। যার টাকা দিয়ে বিহারি ক্যাম্পগুলোতে বাবর ওরফে হিজড়া বাবর, কাল্লু ওরফে বাবা (ইয়াবা) কাল্লু, আজহার ও আরমানের নেতৃত্বে বিশাল সিন্ডিকেট এউ মাদক কারবার দেখাশোনা করে। হিজড়া বাবর নিজেকে হিজড়া দাবি করলেও প্রকৃতপক্ষে সে হিজড়া নয়। তালিকাভুক্ত মাদক কারবারি কাল্লু সেকশন-১১, মুসলিম ক্যাম্পসহ আশপাশের এলাকায় মাদকের কারবার নিয়ন্ত্রণ করে। এদের গডফাদার ছিলেন আব্দুর রউফ নান্নু ও তার ভাই কচি।<br />
এদের সবাই এখানে বিএনপির নেতাকর্মীদের একটা অংশকে সাথে নিয়ে এসব অবৈধ ব্যবসাসহ ফুটপাতের চাঁদাবাজি ধরে রেখেছে। যে কারণে ৫ আগস্টের পর ১০ নম্বর গোলচক্কর ও আশেপাশের এলাকায় ফুটপাত দখল করে হকারদের দৌরাত্ম আগের চেয়ে বেড়েছে বলে জানান এলাকার বাসিন্দারা।<br />
স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা জানিয়েছেন, গোলচক্কর এলাকার ফুটপাতের দখল তিনভাগে বিভক্ত। মডেল থানা বিএনপি ও আওয়ামী লীগ এবং পুলিশ, কাফরুল থানা বিএনপি, আওয়ামী লীগ এবং পুলিশ আবার পল্লবী থানা বিএনপি, আওয়ামী লীগ ও পুলিশ যৌথভাবে এই ফুটপাতের দখল ধরে রেখেছে বলে জানান তারা। আর এগুলো থেকে এখনো টাকা-পয়সা আদায় করে আওয়ামী লীগ নেতাদের ফেলে যাওয়া কর্মীরাই। আজহার ও আরমান, সোহেল, জসিম সহ আরো অনেকে ৩ নং ওয়ার্ড অংশের ফুটপাত থেকে চাঁদা তুলে স্থানীয় বিএনপিসহ প্রভাবশালী ব্যাক্তদের হাতে তুলে দিচ্ছে বলে জানান তারা। সাবেক কাউন্সিলর ও বিএনপি নেতা আসাধও সবকিছু জানে এবং এ নিয়ে তার কোনো ভূমিকা বা প্রতিবাদ নেই বলে জানান এলাকাবাসী।<br />
জানা গেছে বিগত ২০১৪ সাল থেকে গত ডিসেম্বর পর্যন্ত শুধু ৩ নং ওয়ার্ডেই জুটের ব্যবসা ও মাদক কারবার নিয়ে বিরোধের জেরে ২০/৩০ টির মতো হত্যাকাণ্ড সংগঠিত হয়েছে। একাধিকবার অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে এই ওয়ার্ডে। গোলচক্কর ফুটওভার ব্রিজ থেকে চারপাশের প্রবেশপথ পুরোপুরি হকারদের দখলে। নারী-পুরুষ শিশুদের চলাচলের কষ্ট স্বচক্ষে না দেখলে বিশ্বাস হবে না। হকারদের দৌরাত্ম যতটা না, তারচেয়ে বেশি ফুটপাতের ক্রেতাদের জটলা। যে জটলায় ক্রেতা কম, বখাটেপনা বেশি। ভিড়ের সুযোগে পকেটমার, নারীদের শ্লীলতাহানি ঘটছে অহরহ। গোলচক্কর থেকে পশ্চিমে স্টেডিয়াম এবং পূর্বে হোপের গলি পর্যন্ত, দক্ষিণে শাহআলী মার্কেট সীমানা এবং উত্তরে পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার পর্যন্ত ফুটপাত পুরোটাই দখল করে হকারদের দৌরাত্ম। আর এদের বাণিজ্যিক ফায়দা নিতে স্থানীয় সন্ত্রাসী বাহিনীর জমজমাট আড্ডা পুরাতন টাউনহল মাঠ বা সিটি করপোরেশনের আঞ্চলিক কার্যালয়ের মাঠ, সেনপাড়া পর্বতা প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১০ নং গোলচক্কর পুরাতন বাজার, হোপের গলি ও মিরপুর স্টেডিয়ামের আশেপাশের গলিতে। কোনো ক্রেতার সাথে হকারদের ঝগড়া বা কথা কাটাকাটি হলেই এরা ছুটে যাচ্ছে এবং হকারদের পক্ষ নিয়ে ক্রেতাকে সর্বশান্ত করছে বলে একাধিক অভিযোগ রয়েছে এখানে।<br />
এসব বিষয়ে নিয়ে সরাসরি কথা হয় ঢাকা সিটি করপোরেশন (ঢাসিক) কর অঞ্চল ২ এর প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের পরিদর্শকদের সাথে। কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান বলেন, ফুটপাত দখল মুক্ত করতে আমরা বারবার পদক্ষেপ নিয়েও তা ধরে রাখতে ব্যর্থ হচ্ছি। এজন্য বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আমাদের কর্মতৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। মাদকের বিযয়টি পুলিশ ও মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের। তবে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে থেকে ডাস্টবিন সরিয়ে নিতে একটু সময় ও আলোচনা প্রয়োজন। কেননা ডাস্টবিন কোথায় বসবে তা নির্ধারণ করা খুবই কঠিন বলে জানান তিনি।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%ae%e0%a7%80%e0%a6%b0%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%97%e0%a7%8b%e0%a6%b2%e0%a6%9a%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%ab%e0%a7%81%e0%a6%9f%e0%a6%aa/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>কিছুতেই থামে না স্বজনহারাদের কান্না! পায়নি কোনো সরকারি অনুদান</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%9b%e0%a7%81%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%87-%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b0/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%9b%e0%a7%81%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%87-%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b0/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[সাবা প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 28 Sep 2024 10:28:04 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[কথামালা]]></category>
		<category><![CDATA[স্মৃতিকথা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://shahittabazar.com/?p=5382</guid>

					<description><![CDATA[কিছুতেই থামে না স্বজনহারাদের কান্না! (বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে নিহত বরিশালের একই গ্রামে দুইজন শহীদ রাসেল ও সাজিদ, পাশের গ্রামে ঘুমিয়ে আছেন ওয়াদুদ নামে আরো একজন) (আজো পায়নি সরকারি কোনো অনুদান&#8230;) বিশেষ<span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%9b%e0%a7%81%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%87-%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b0/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div id="m#msg-a:r-1230546694270407961" class="mail-message expanded">
<div class="mail-message-header spacer"><strong>কিছুতেই থামে না স্বজনহারাদের কান্না!</strong></div>
<div>
<div class="mail-message-header spacer"><strong>(বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে নিহত বরিশালের একই গ্রামে দুইজন শহীদ রাসেল ও সাজিদ, পাশের গ্রামে ঘুমিয়ে আছেন ওয়াদুদ নামে আরো একজন)</strong></div>
<div></div>
</div>
<div class="mail-message-content collapsible zoom-normal mail-show-images ">
<div class="clear">
<div dir="auto">
<div dir="auto">(আজো পায়নি সরকারি কোনো অনুদান&#8230;)</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto"><strong>বিশেষ প্রতিবেদক</strong></div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">
<div id="attachment_5383" style="width: 310px" class="wp-caption alignleft"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/09/IMG20240926155032.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-5383" class="size-medium wp-image-5383" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/09/IMG20240926155032-300x169.jpg" alt="" width="300" height="169" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/09/IMG20240926155032-300x170.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/09/IMG20240926155032-768x432.jpg 768w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/09/IMG20240926155032-1024x576.jpg 1024w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/09/IMG20240926155032-70x40.jpg 70w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/09/IMG20240926155032.jpg 1920w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a><p id="caption-attachment-5383" class="wp-caption-text">শহীদ রাসেল তালুকদার এর স্বজনদের আহাজারি। শিশুকন্যার ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত তারা</p></div>
<p>মায়ের চোখের জল শুকিয়ে গেছে। সন্তানের লাশ কাঁধে নিয়ে দাফন সম্পন্ন করার পর থেকে নির্বাক বাবা। পৃথিবীর সব ভার এখন তাকে ঋজু করে দিয়েছে। ছোট্ট শিশুটিকে বুকে আঁকড়ে ধরে নিহতের স্ত্রীর আহাজারিতে আকাশ-পাতাল ভারী হয়ে ওঠে। শিশুটি আজো ডাকে বা-বা&#8230;। শিশুর ডাকের সাথে পাল্লা দিয়ে বারে মায়ের কান্না। ওকে কি করে বোঝাবে মা? ওর বাবা আর কোনোদিন ফিরে আসবে না। সদ্য বিধবা হওয়া যৌবতী  মায়ের আকুতি &#8211; আমার কি হবে? এই বয়সে কি আমার বিধবা হওয়ার কথা ছিলো? আমার এই শিশু সন্তানের কি হবে?</p>
</div>
<div dir="auto">বরিশালের একই গ্রামে দুজন শহীদ পরিবারের এই চিত্র যেন সারা বাংলাদেশের ৭০৮ জন শহীদ পরিবারের কান্নার প্রতিনিধিত্ব করছে। ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানের দিন ৫ ই আগস্ট (৩৬ জুলাই) ঢাকার সাভারে ও বাড্ডায় পুলিশ ও ছাত্রলীগের গুলিতে বুকে পিঠে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছেন বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার মোট ছয়জন ছাত্র জনতা। তাদের মধ্যে তিনজন একই ইউনিয়নের বাসিন্দা। আবার দুজনের বাড়ি একই গ্রামে।</div>
<div dir="auto"> সরকারি তথ্য মতে বরিশালে এখন পর্যন্ত শহীদের যে পরিসংখ্যান পাওয়া গেছে, তা ৩০ জনের মতো। যার ৬ জনই বাকেরগঞ্জের। সম্প্রতি বরিশালের জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।</div>
<div dir="auto">এদের তিনজন আবার একই ইউনিয়নের এবং একই গ্রামের দুজন।</div>
<div dir="auto">
<p>বরিশাল সদর উপজেলার চরকাউয়া খেয়াঘাট থেকে বাসে গোমা ফেরীঘাট। ফেরী বা খেয়া পার হলেই ওপারে বাকেরগঞ্জ উপজেলার দুধল ইউনিয়ন। গোমা বাজার থেকেই ব্যবসায়ীদের মুখে মুখে শোনা গেল বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে শহীদ তিনজনের কথা। তবে শহীদদের নাম জানা নেই বেশিরভাগ মানুষের। হোটেল ও চা দোকানের ব্যবসায়ী মঈনউদ্দীন জানালেন, দুধল ইউনিয়নের কবিরাজ ডিকিপি স্কুল সংলগ্ন এক বাড়িতে একজন এবং এই সড়ক ধরে সোজা সামনের স্টেশনে সুন্দরকাঠী গ্রামে দু&#8217;জন শহীদ এর বাড়ি। একজন তালুকদার বাড়ি আর অন্যজন একটু ভিতরে হাওলাদার বা মৃর্ধা বাড়ি।  গোমা বাজার থেকে ইজিবাইকে সুন্দরকাঠী বাজার মাত্র ১০ মিনিটের পথ। এখান থেকে আবার অটোভ্যানে প্রায় ২০ মিনিট চলার পর পূর্ব সুন্দরকাঠী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও গরুর হাট। সকালে বৃষ্টি হয়ে যাওয়া এবং এখনো থেমে থেমে বৃষ্টি চলমান থাকায় সড়কে ও গরুর হাটে মানুষের উপস্থিতি নেই বললেই চলে। এখানে খালের উপর সেতু পার হয়ে ওপারে হেরিংবন অর্থাৎ ব্রিটিশামলের ইটা বিছানো পায়েচলা পথ। বৃষ্টির কারণে পিছলে যাচ্ছে পা। মাঝেমধ্যে আবার কাঁদামাটি। এভাবে কিছুদূর চলার পর ইটা বিছানো পথ শেষে শুরু হলো কাঁদামাটির পিচ্ছিল পথ। এই পিচ্ছিল পথ ধরে ১০ মিনিট হাঁটার পর অনেকের কাছে জিজ্ঞেস করে করে অবশেষে যে করবটি পাওয়া গেল সেটি হাওলাদার বাড়ির পারিবারিক কবরস্থান। পাশেই হাওলাদার বাড়ি।</p>
<div id="attachment_5384" style="width: 310px" class="wp-caption alignright"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/09/IMG20240926164821.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-5384" class="size-medium wp-image-5384" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/09/IMG20240926164821-300x169.jpg" alt="" width="300" height="169" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/09/IMG20240926164821-300x170.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/09/IMG20240926164821-768x432.jpg 768w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/09/IMG20240926164821-1024x576.jpg 1024w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/09/IMG20240926164821-70x40.jpg 70w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/09/IMG20240926164821.jpg 1920w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a><p id="caption-attachment-5384" class="wp-caption-text">শহীদ সাজিদ হাওলাদার এর সমাধি। নেই কোনো স্মৃতিচিহ্ন।</p></div>
<p>পলিথিন ব্যবহার করে ঢেকে রাখা এই কবরটি ঢাকার বাড্ডায় গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ সাজিদ হাওলাদার এর। তাঁর বড় চাচা মোতালেব বা মতি হাওলাদার এলাকায় খুব পরিচিত। তিনি জানালেন, সাজিদ এর বাবা আমার মেজ ভাই মিলন হাওলাদার পরিবার নিয়ে ঢাকাতেই থাকেন। সাজিদও ঢাকায় বড় হয়েছে তাই গ্রামের মানুষ তাকে চেনেনা। আমরা যতটুকু সাজিদকে দেখেছি বা জানি, সে অত্যন্ত নিরিহ, বিনয়ী ও ভদ্র একজন যুবক। বছর পাঁচেক হয়েছে বিয়ে করেছে। স্ত্রী ছাড়াও শিশু সন্তান রয়েছে। যার বয়ছ মাত্র দুই-তিন বছর।  পরিবারের সবাই ঢাকায় থাকার কারণে সাজিদ এর কবরের পাশে কোনো স্মৃতিচিহ্ন খুঁজে পাওয়া যায়নি।</p>
</div>
<div dir="auto">একই পথে বহুকষ্টে আবার ফিরে আসা সুন্দরকাঠী বাজারে। এখানে বসতেই স্থানীয় যুবদলের নেতা সোহান তালুকদার এগিয়ে এসে পরিচিত হলেন। তার কাছেই জানাগেল, কবাই, পাদ্রী শিবপুর, চরাদিতে একজন করে মোট তিনজন এবং এই দুধল ইউনিয়নে তিনজনসহ মোট ছয়জন শহীদের কবর রয়েছে বরিশালের বাকেরগঞ্জের উপজেলায়। কবিরাজ গ্রামের ডিকিপি স্কুল সংলগ্ন খোন্তাখালি মোল্লা বাড়িতে ওদুদ নামে একজন শহীদের কবর রয়েছে। আর এই সুন্দরকাঠী গ্রামে দুজন। সোহান নিজেই পথ দেখিয়ে নিয়ে চললেন তারই আপন চাচাতো ভাই শহীদ রাসেল তালুকদার এর কবরের কাশে। তালুকদার বাড়ির পারিবারিক সমাধিস্থলে স্পষ্ট সাইনবোর্ডে লেখা আছে &#8211; সমাধিস্থল</div>
<div dir="auto">শহীদ আরিফুর রহমান রাসেল, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে লং মার্চ টু ঢাকায় পুলিশের গুলিতে নিহত হন।</div>
<div dir="auto">কবরের পাশে দাঁড়িয়ে দু মিনিট নিরবতা পালনের ফাঁকেই ঘরের ভিতর থেকে কান্না আর আহজারি স্পষ্ট হয়। শিশুকন্যাকে কোলে নিয়ে সামনে এসে দাঁড়ায় একজন সদ্য বিধবা মা। যার বয়স মাত্রই ২২কি ২৩ হবে অনুমান। নিহত রাসেলের বড়ভাই সোহাগ তালুকদার পরিচয় করিয়ে দিলেন, শহীদ রাসেলের স্ত্রী ও শিশু সন্তানের সাথে। তারপর জানালেন, লং মার্চ টু ঢাকা কর্মসূচিতে ঢাকার সাভারে পুলিশ ও ছাত্রলীগের গুলিতে নিহত হয়েছে আমার ভাই। ঐ দিন শিক্ষার্থীরা আহত অবস্থায় ওকে এনাম মেডিকেলে ভর্তি করে। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা আমাকেই ফোন করে বিষয়টি জানায় আর বলে রাসেল এর বুকে ও পিঠে গুলিবিদ্ধ হয়েছে। আমরা দ্রুত ওর কাছে যাই।  ৪০ মিনিট পর রাসেল মারা যায়।</div>
<div dir="auto">এসময় রাসেলের স্ত্রী চিৎকার করে ওঠেন, কান্নারত কণ্ঠে বলেন,  এনাম মেডিকেল রাসেলকে  সুচিকিৎসা দেয়নি। বিনা চিকিৎসায় ফেলে রেখেছিল। আমরা যাওয়ার পর, টাকার নিশ্চয়তা দেওয়ার পর তারা আইসিইউতে নেয়। এর আগেই যদি তারা সুচিকিৎসার নিশ্চিত করতো তাহলে হয়তো আরো অনেক প্রাণহানি কমে যেত। সন্তানকে বুকে আঁকড়ে ধরে এই মা কান্নারত প্রশ্ন তোলেন, আমার এই সন্তানের কি হবে ভবিষ্যৎ বলতে পারেন?</div>
<div dir="auto">
<div id="attachment_5385" style="width: 310px" class="wp-caption alignleft"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/09/IMG20240926153208.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-5385" class="size-medium wp-image-5385" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/09/IMG20240926153208-300x169.jpg" alt="" width="300" height="169" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/09/IMG20240926153208-300x170.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/09/IMG20240926153208-768x432.jpg 768w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/09/IMG20240926153208-1024x576.jpg 1024w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/09/IMG20240926153208-70x40.jpg 70w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/09/IMG20240926153208.jpg 1920w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a><p id="caption-attachment-5385" class="wp-caption-text">শহীদ রাসেল তালুকদার এর সমাধি।</p></div>
<p>রাসেলের বাবা খলিলুর রহমান এবং মা এসে দাঁড়িয়েছেন কবরের পাশে। হাত তুলে সন্তানের জন্য দোয়া করলেন মা। তারপর বললেন, বিধবা এই বড় মেয়েটি এবং তার কোলের ছোট মেয়েটির কথা ভেবে আমাদের রাতে ঘুম হয় না। আমরা সরকারের কাছে অনুরোধ জানাবো, এদের জীবনের নিশ্চয়তা দিন। শিশু সন্তানের ভবিষ্যতের নিশ্চয়তা দিন।</p>
</div>
<div dir="auto">এর আগে গত ১৮ সেপ্টেম্বর বরিশালে শহীদ আবীর এর পরিবার সাথে সাক্ষাৎ শেষে জেলা প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন বলেছেন, আন্দোলনে বরিশাল জেলায় এখন পর্যন্ত ৩০ জন শহীদের সন্ধান পাওয়া গেছে। তাঁদের তালিকা ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। আন্দোলনে আত্মত্যাগকারী এসব পরিবারের পাশে দাঁড়াবে সরকার। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাঁরা পর্যায়ক্রমে সবার পরিবারের কাছে যাবেন এবং সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সহায়তা দেবেন।</div>
<div dir="auto">বাকেরগঞ্জের দুধল ইউনিয়নের সুন্দরকাঠী গ্রামের হাওলাদার বাড়িতে এবং কবিরাজ গ্রামের শহীদ ওদুদ এর বাড়িতে এখনো সরকারের কেউ কোনো খোঁজ নেয়নি বলে জানা গেছে।</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%9b%e0%a7%81%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%87-%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b0/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>তথ্য উপদেষ্টার বক্তব্য ও একজন সংবাদ কর্মীর অভিজ্ঞতা</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%a4%e0%a6%a5%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%89%e0%a6%aa%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%93/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%a4%e0%a6%a5%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%89%e0%a6%aa%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%93/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আরিফ আহমেদ]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 19 Aug 2024 13:20:06 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[কথামালা]]></category>
		<category><![CDATA[রাজখবর]]></category>
		<category><![CDATA[সম্পাদকীয়]]></category>
		<category><![CDATA[স্মৃতিকথা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://shahittabazar.com/?p=5371</guid>

					<description><![CDATA[<p>তথ্য উপদেষ্টার বক্তব্য ও একজন সংবাদ কর্মীর অভিজ্ঞতা</p> <p>সম্পাদকীয়</p> <p>আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মত দুভাগে বিভক্ত বাংলাদেশের সাংবাদিকতা। এটা যেন আর না হয় বললেন তথ্য উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম। একইসাথে সব</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%a4%e0%a6%a5%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%89%e0%a6%aa%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%93/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>তথ্য উপদেষ্টার বক্তব্য ও একজন সংবাদ কর্মীর অভিজ্ঞতা</strong></p>
<p>সম্পাদকীয়</p>
<div id="attachment_5372" style="width: 244px" class="wp-caption alignleft"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/08/IMG_20240817_192646.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-5372" class="size-medium wp-image-5372" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/08/IMG_20240817_192646-234x300.jpg" alt="" width="234" height="300" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/08/IMG_20240817_192646-234x300.jpg 234w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/08/IMG_20240817_192646-768x984.jpg 768w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/08/IMG_20240817_192646-799x1024.jpg 799w" sizes="auto, (max-width: 234px) 100vw, 234px" /></a><p id="caption-attachment-5372" class="wp-caption-text">আরিফ আহমেদ, সংবাদ কর্মী ও সম্পাদক সাবা</p></div>
<p>আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মত দুভাগে বিভক্ত বাংলাদেশের সাংবাদিকতা। এটা যেন আর না হয় বললেন তথ্য উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম। একইসাথে সব কালো আইনও বাতিলের আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।<br />
তার এই বক্তব্যকে অবশ্যই সাধুবাদ এবং সাহসী বক্তব্য তা বলতেই হবে। কিন্তু কতটা কি তিনি পারবেন তা সময়ই বলে দেবে। আমি শুধু এখানে আমার কিছু অভিজ্ঞতা শেয়ার করবো। আমি কোনো দলীয় রাজনীতি কখনোই করিনি এবং কোনোরকম দলীয় প্রভাব মুক্ত থেকেই দায়িত্ব পালন করছি বিগত ১৯৯৩ সাল থেকে। শিক্ষাগত যোগ্যতা কম হবার কারণে আর দশজন সাংবাদিকের মতন আমি কখনোই নিজেকে সাংবাদিক দাবী করে কথা বলিনা। বলি একজন সংবাদ কর্মী। যে কারণে অনেকের কাছে হেয় প্রতিপন্ন হয়েছি বহুবার। তারপরও জনমানুষের পক্ষে কলম ধরেছি এবং প্রয়োজনটুকু আদায় করে নিয়েছি পছন্দ বা অপছন্দের নেতা-মন্ত্রীর কাছ থেকেও। কারণ মানুষের প্রয়োজনটুকু অস্বীকার করার সাধ্য সবচেয়ে খারাপ মানুষটির মধ্যেও নেই। সাংবাদিক চাইলে তার লেখনীর জোরে বহুজনের প্রয়োজন আদায় করে নিতে পারেন। এজন্য তার দলীয় সমর্থন কোনো গুরুত্ব রাখেনা। উদাহরণ হিসেবে সাবেক সড়ক সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সাহেব এর কথাই বলবো প্রথমে। সিঙ্গাপুর থেকে সাঁতার কাটার ছবি দিয়েছিলেন তিনি তার ফেসবুকে। ইনবক্সে বললাম, দেশে কি পুকুরের অভাব স্যার? সাথে সাথে কিন্তু তিনি ছবিটি ডিলিট করে বা সরিয়ে দেন। তাকে বললাম, মোটরসাইকেল ও প্রাইভেট কারের ইন্সুইরেন্স আদৌ কোনো উপকারে আসেনা। পরবর্তী মিটিং এ তিনি এই দুটো বাতিল করেন। একই ভূমিকা রাখেন বানিজ্য মন্ত্রী টিপু মুনশিও। ঘরে ঘরে রেশনিং পদ্ধতি পুনঃ বিবেচনার দাবীতে সাধারণ মানুষের ভিডিও বক্তব্য তার কাছে তুলে ধরলে তিনি টিসিবি কার্ড তৈরি করেন। আর সাংস্কৃতিক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর বা প্রতিমন্ত্রী খালিদ হোসেনতো সাথে সাথে সাড়া দিতেন। যার প্রমাণ আমার অসংখ্য সংবাদে সাহিত্য বাজার এ আজো ভাসছে।<br />
সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ছিলো বরিশালে আসার পর একটি এলাকার মানুষকে দেখলাম সাঁতার কেটে ও কলা গাছের ভেলায় খাল পার হচ্ছেন। স্থানীয় সংসদ সদস্য পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুককে ছবিসহ নিউজটি দিতেই তিনি সাথে সাথে ছুটে আসেন ঐ এলাকায়। ২০২০ সালের শেষের দিকের কথা এটি। ২০১৮ সালে তিনি সংসদ সদস্য হয়েছেন। এরপরই করোনা মহামারী হওয়ায় সবাই গৃহবন্দী জীবন যাপন করেছেন। যাইহোক ভদ্রলোক তখন আমার পরিচয় জানতে চান। বলেন আমি কোন দল করি? উত্তর দিয়েছিলাম &#8211; যতক্ষণ আপনি সৎ ও সাধারণ মানুষের ভালোর জন্য কাজ করবেন, ততক্ষণ আমি আপনার দলের। যখনি আপনি দূর্নীতি করবেন, তখনি আমিও বিরোধী দল।<br />
এরপর ভদ্রলোক আর আমার সাথে কখনো কথা বলেননি। তবে যখনই কোনো ভাংগা সড়ক, সেতু আর কোনো অসহায় মানুষের সংবাদ তৈরি করে তাকে লিংক পাঠিয়ে দিতাম, তখনি তিনি কাজটি করে ফেলতেন। বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ কখনোই ফোন রিসিভ না করায় তাকে দিয়ে জনগণের কোনো উপকার আমি করতে পারিনি। কিন্তু নবনির্বাচিত মেয়র আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ সম্ভবত অনেকটা তটস্থ থাকতেন, কখন আমার মেসেজ চলে আসে তার হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে। এই খালের কাজ ঠিক হচ্ছেনা, পাড় ভাঙছে কেন কিম্বা সড়কে বাতি নেই, সড়কের ম্যানহোলের ঢাকনা চুরি গেছে, ঠিকাদারের কাজে অনিয়ম স্পষ্ট। সাথে সাথে তিনিও ছুটে যেয়ে দেখে এসেছেন স্বাধীনতা পার্ক, ১৩ নং ওয়ার্ড সাগরদি খালের কাজ। তিন তিন বার দিয়েছেন জর্ডান রোডের সড়কের স্লাব।<br />
এগুলো এজন্য বলছি যে, সাংবাদিকতা যদি নিজের জন্য না হয়, মানুষের জন্য হয়, তাহলে স্বৈরাচার থেকেও দাবী আদায় করে নেওয়া যায়।<br />
বরিশালের এ দুজন প্রতিমন্ত্রী ও মেয়র আমাকে দেখেছেন মাত্র দুবার। প্রতিমন্ত্রী আমাকে চিনলেও মেয়র আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ কিন্তু আজ পর্যন্ত আমাকে চেনেন না।<br />
নিজের ব্যক্তিগত (অপারেশন জনিত) বিপদে প্রতিমন্ত্রীর সাহায্য চেয়ে কিন্তু পাইনি আমি। সেজন্য সড়ক সেতু মন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রী বরাবর আবেদন করেছিলাম আমিও। যা এখানেই টাইমলাইনে আজো ঝুলছে। কেউ সাড়াটুকু দেয়নি আজ পর্যন্ত।<br />
এগুলো সাম্প্রতিক উদাহরণ। বিএনপি শাসনামলেও কিন্তু মেয়র সাদেক হোসেন থেকে ঢাকার মিরপুর ১০ এ মুক্তমঞ্চ ও টাউনহল তৈরির প্রতিশ্রুতি আদায় করে নিয়েছিলাম। যে কারণে সাংস্কৃতিক নেতৃবৃন্দ আমাকে পছন্দ করতেন। এখনো ওখানে মুক্তমঞ্চ আছে তবে সিটি করপোরেশনের ভাগারখানার ভিতর।<br />
সর্বশেষ পিরোজপুর মঠবাড়িয়া, বরগুনা বাকেরগঞ্জ মহাসড়কের কাজে নোটিশ করলে সড়ক সেতু মন্ত্রী তা দ্রুত করার আশ্বাসও দিয়েছেন। স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলামকে তার মন্ত্রণালয়ের কয়েকটি কাজের অনিয়ম সংবাদ তুলে ধরলে তিনি ভিডিও কলে তা নিজেও দেখেন। একদিন পর সরাসরি বলেই বসলেন, আমরা এখন সচিবদের হাতে জিম্মি। আমাদের কোনো গুরুত্ব এখন আর নেই।<br />
আসলে তখনই এ সরকারের অবস্থান স্পষ্ট হয়ে যায়। দেশ চালাচ্ছেন শুধু প্রধানমন্ত্রী আর সচিবরা। বাকী সবাই পুতুল।।<br />
তাই অনেক বিষয়ে প্রতিবাদী কলম ধরে আর কোনো লাভ হয়নি এরপর। ২০২৪ এ দ্বাদশ জাতীয় সংসদে সরকার গঠনের পর সচিবরাই ছিলেন মন্ত্রী এমপিদের তুলনায় অনেকবেশি ক্ষমতাবান। যদিও এ ক্ষমতায়ন ২০১৮ তেই স্পষ্ট হয়ে ওঠে। তাই সচিবসহ ডিসি, এসপি, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সম্পদের হিসাব নেওয়া এই মুহূর্তে সবচেয়ে জরুরী।<br />
তাই বলছি, সাংবাদিক কোন দল করে সেটা গুরুত্বপূর্ণ নয়, তার কলমটা যেন সত্য তুলে ধরে &#8211; এটা গুরুত্বপূর্ণ সবসময়।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%a4%e0%a6%a5%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%89%e0%a6%aa%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%93/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>মানুষের ভালোবাসায় বেঁচে থাকবেন ওয়াহিদুল হক</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%81%e0%a6%b7%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%8b%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a7%9f-%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%81%e0%a6%9a%e0%a7%87/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%81%e0%a6%b7%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%8b%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a7%9f-%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%81%e0%a6%9a%e0%a7%87/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আরিফ আহমেদ]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 27 Jan 2024 15:19:40 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[কথামালা]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলার চিঠি]]></category>
		<category><![CDATA[স্মৃতিকথা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://shahittabazar.com/?p=5248</guid>

					<description><![CDATA[<p>মানুষের ভালোবাসায় বেঁচে থাকবেন ওয়াহিদুল হক</p> <p>বিশেষ প্রতিবেদক </p> <p>স্মৃতিচারণ, গান ও আবৃত্তির মধ্য দিয়ে রবীন্দ্রগবেষক, সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব শিক্ষাগুরু ওয়াহিদুল হকের ১৭তম মৃত্যুবার্ষিক উদ্যাপন করেছে তাঁর হাতে গড়া সংগঠন</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%81%e0%a6%b7%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%8b%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a7%9f-%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%81%e0%a6%9a%e0%a7%87/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>মানুষের ভালোবাসায় বেঁচে থাকবেন ওয়াহিদুল হক</strong></p>
<p>বিশেষ প্রতিবেদক <a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/03/waheedul-haq-utshab-photo-1.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignright size-medium wp-image-3228" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/03/waheedul-haq-utshab-photo-1-300x126.jpg" alt="" width="300" height="126" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/03/waheedul-haq-utshab-photo-1-300x126.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/03/waheedul-haq-utshab-photo-1.jpg 400w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a></p>
<p>স্মৃতিচারণ, গান ও আবৃত্তির মধ্য দিয়ে রবীন্দ্রগবেষক, সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব শিক্ষাগুরু ওয়াহিদুল হকের ১৭তম মৃত্যুবার্ষিক উদ্যাপন করেছে তাঁর হাতে গড়া সংগঠন কণ্ঠশীলন। ২৭ জানুয়ারী সন্ধ্যায় কণ্ঠশীলনের কার্যালয়, ৭৩/১ এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকায় অনুষ্ঠিত এই আয়োজনে ওয়াহিদুল হকের সঙ্গে পথচলার স্মৃতি তুলে ধরেন কণ্ঠশীলন অধ্যক্ষ মীর বরকত এবং কণ্ঠশীলন সভাপতি গোলাম সারোয়ার, সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা, সহ-সভাপতি রইস উল ইসলাম, জ্যেষ্ঠ সদস্য বিলকিস আহমদ। আবৃত্তি করেন অনন্যা গোস্বামী, আফরিন খান ও মিনহাজুল বশির শোভন। এছাড়াও তাঁকে নিবেদন করে সংগীত পরিবেশন করেন ছায়ানটের সংগীত প্রশিক্ষক শিল্পী এটিএম জাহাঙ্গীর। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন জেএম মারুফ সিদ্দিকী। ওয়াহিদুল হকের সঙ্গে পথচলার স্মৃতিময় কিছু ঘটনা তুলে ধরে বক্তারা বলেন, ওয়াহিদুল হক ছোট বড় সকলের সাথে মিশতেন এবং সকলকে সম্মান করতেন। তার ভক্ত ছিল না এমন মানুষ খুব কম পাওয়া যাবে। তার সমস্ত কর্মজীবনে বাঙালি সংস্কৃতির আলো ফুটেছিলো। সকল সাংস্কৃতিক আন্দোলনেও তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি মানুষের ভেতরে সঙ্গীতের অনুরনন তুলেছিলেন। ওয়াহিদুল হকের আদর্শে পথ চললে জীবনের পথগুলো অনেক বেশি সুন্দর হবে। ভাষা আন্দোলন থেকে মুক্তিযুদ্ধ, দেশের সবধরনের রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনে ওয়াহিদুল হক ছিলেন এক নিরন্তর যোদ্ধা। ওয়াহিদুল হককে অনুসরণ করলে আমরা অসাম্প্রদায়িক ও গণতান্ত্রিক হতে পারবো এবং মানুষের জন্য কাজ করতে পারবো। তিনি দেশের নামকরা পত্রিকায় কাজ করেছেন। শেষ জীবনে তিনি কলাম লিখতেন।<br />
এসময় গোলাম সরোয়ার বলেন, এমন কোন বিষয় ছিল না যে বিষয়ের উপর তিনি লিখতে পারতেন না। শব্দের উৎপত্তি ও ব্যবহার তিনি অভিধান না দেখেই বলে দিতে পারতেন। অসাধারণ সুন্দর মানসিকতার মানুষ হয়েও তিনি সাধারণ জীবনযাপন করতেন বলে জানান তিনি ।ওয়াহিদুল হককে নিয়ে কণ্ঠশীলন এর বিভিন্ন কার্যক্রম ও গ্রন্থপ্রকাশ সহ নানাবিধ স্মরণিক আয়োজন তুলে ধরে মীর বরকত বলেন, ওয়াহিদুল হক আজ আমাদের থেকে বহুদূরে, জগতের যত হাসি-কান্না, হিসাব-নিকাশের বাইরে। আবার বহুকাছেও আছেন তিনি, তাঁর কর্মে, তাঁর সৃষ্টির পথে পথে, অন্তরের অনুরণনে কথাহীন, শরীরহীন অনন্ত হয়ে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%81%e0%a6%b7%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%8b%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a7%9f-%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%81%e0%a6%9a%e0%a7%87/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>চর্যাপদ সাহিত্য পুরষ্কার পেলেন কীর্তনখোলার কবি হেনরী স্বপন</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%9a%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a6%a6-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%9a%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a6%a6-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আরিফ আহমেদ]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 13 Nov 2022 19:03:45 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[কথামালা]]></category>
		<category><![CDATA[তারুন্যকথা]]></category>
		<category><![CDATA[কবি]]></category>
		<category><![CDATA[কবিতা]]></category>
		<category><![CDATA[সাহিত্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://shahittabazar.com/?p=5161</guid>

					<description><![CDATA[চর্যাপদ সাহিত্য পুরষ্কার পেলেন কীর্তনখোলার কবি হেনরী স্বপন &#8220;কই দেখি তো ? কেমন রূপের পান-সুপারি ? পানের ঝালে ক্লান্ত। খাঁচায় পাখির বন্দি মায়া ; ছোট্ট ঘরে– দুয়ার খোলা পাইয়া, শিরীষ<span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%9a%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a6%a6-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div id="m#msg-a:r-4548708198734588357" class="mail-message expanded">
<div class="mail-message-header spacer"><strong>চর্যাপদ সাহিত্য পুরষ্কার পেলেন কীর্তনখোলার কবি হেনরী স্বপন</strong></div>
<div><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/11/IMG_20221114_005711.png"><img loading="lazy" decoding="async" class="aligncenter size-medium wp-image-5162" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/11/IMG_20221114_005711-203x300.png" alt="" width="203" height="300" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/11/IMG_20221114_005711-203x300.png 203w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/11/IMG_20221114_005711.png 232w" sizes="auto, (max-width: 203px) 100vw, 203px" /></a></div>
<div class="mail-message-content collapsible zoom-normal mail-show-images ">
<div class="clear">
<div dir="auto">
<div class="gmail_quote" dir="auto">
<div class="gmail_attr" dir="ltr"></div>
<div dir="auto">
<div dir="auto">&#8220;কই দেখি তো ? কেমন রূপের পান-সুপারি ?</div>
<div dir="auto">পানের ঝালে ক্লান্ত।</div>
<div dir="auto">খাঁচায় পাখির বন্দি মায়া ; ছোট্ট ঘরে– দুয়ার খোলা পাইয়া,</div>
<div dir="auto">শিরীষ গাছের, ঝরে শীতল ছায়া…</div>
<div dir="auto">বাঘের ছায়া কা-কা গর্জায়, কাউয়া কি তা শুনতে পায় ?</div>
<div dir="auto">তরীর বৈঠা ইঞ্জিন ছাড়া চলে…</div>
<div dir="auto">কেমনে হরি, প্রেমের তুষ-বিচালি– জ্বালানি ছাড়াই জ্বলে…?&#8221;</div>
<div dir="auto">কবি হেনরী স্বপন এর কবিতার এই স্বাদ ও গন্ধে ছন্দের ঝাঁঝ বাজলেও তার বেশীরভাগ কবিতাই কিন্তু অমিত্রাক্ষর। ভিন্ন ধারার, ভিন্ন রূপ অনুরূপে তিনি কখনো মাইকেল মধুসূদন, কখনো জীবনানন্দ দাশ, আবার কখনো সুরেন্দ্র নাথ হয়ে ওঠেন অবলীলায়। আর সবকিছুকে ছাড়িয়ে তিনি মেতে ওঠেন কীর্তনখোলা নদী সাথে জলকেলি খেলায়। তার এ খেলা কবিতায়, আর ভাষায় তার বিচরণ নিত্য নতুন শব্দের সন্ধানে।</div>
<div dir="auto">&#8220;বিহঙ্গেও স্নিগ্ধডানা লেগে ছড়িয়ে পড়লে—</div>
<div dir="auto">উপদ্রুত কূলে এসে ট্যুরিস্ট উল্লাসে ঝাঁপ দেয়</div>
<div dir="auto">সোনালি কর্কট উপমা লুকিয়ে;</div>
<div dir="auto">ঈানীয় বোতলগুলো ভাসতে ভাসতে</div>
<div dir="auto">তীরে আসে নাবিকবিহীন&#8221;।</div>
<div dir="auto">এই যে ঈানীয় শব্দের অর্থ উদ্ধার করতে হলে সয়ং কবিকেই করতে হবে স্মরণ। তবে পানীয় বা পানিয় থেকেও হতে পারে এই ঈানীয়! তার কবিতায় এমন জটিলতা যেমন আছে তেমনি  আছে সারল্যের চাষাবাদও। কবি হেনরী স্বপন যখন লেখেন &#8211;</div>
<div dir="auto">
<div dir="auto">আঁচলে জড়াবে ভোর</div>
<div dir="auto">বাইরে এখনো চাঁদকে সজাগ রেখেছি ভুলিয়ে,</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">ঘরের আলোটা এক্ষুনি নিভিয়ে দিতে হবে—</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">ফিনাইল জলে</div>
<div dir="auto">ভিজিয়ে রাখতে হবে ছোলা আর কাজু বাদামের শাঁস</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">ফুলে উঠবে স্তনের বোঁটা বুকের পাঁজরে</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">ভরে উঠবে বাগানবিলাস আনছান করা রজনীগন্ধার ডালপালা</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">ছড়াবে শাড়ির হোলিখেলা—</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">আঁচলে জড়াবে ভোর !</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">স্বপ্ন দেখবে হাঙর সাঁতার কাটছে হাইওয়ের জোছনায় ড্রাইভিং কোর্স…।</div>
<div dir="auto">তখন তাকে নিয়ে নতুন করে বুঝতে হয়। মনে হয় কোথাও ভীষণ একা কবি। যদিও এটাই সত্য যে কবি মানেই আত্মভোলা ও একা সবসময়। তার আরেকটি কবিতায় কবি লিখেছেন &#8211;</div>
<div dir="auto">কালোকে কালো বললে, কোলাহল হবে</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">সানগ্লাস ছাড়াই চোখের উপর চৈত্রের রোদ্দুর ছড়াবে,</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">দুর্ভিক্ষের গম খেয়ে আফ্রিকার মেয়েরা কৃষ্ণাঙ্গ</div>
<div dir="auto">হয়েছে র‌্যাবের পোশাক খুলে…</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">এখানে কি প্রতিবাদী কবি? সত্যবাদী হতে হলে ঝুঁকি থাকে জীবনের এমন আভাস বলে দেয় হেনরী স্বপন জীবন, সংসারকে দেখেছেন দার্শনিকের চোখে। কখনো বড় অবজ্ঞার ছলে। আবার কখনো উদাসীনতায়। আর তখনই নিজেকে যেন কিছুটা সমাজ থেকে আলাদা করে দূরে স্থাপন করেছেন। অনেকে তাকে রাবীন্দ্রিক ও জসীমউদদীনীয় ঘরানার কাছাকাছি নিয়ে লিখেছেন &#8211; &#8221; এই দুজনের সঙ্গে তাঁর কোনোভাবেই মেলে না। কিন্তু দর্শন মেলে রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে, আখ্যান যায় জসীমউদ্দীনের সঙ্গে। তবু শেষ পর্যন্ত স্বতন্ত্র হেনরী স্বপন। কীর্তনখোলার ধ্যানমগ্ন এই কবির নাম ঘোষণা করা হয়েছে চর্যাপদ সাহিত্য পুরষ্কারের জন্য। গত ১২ নভেম্বর চাঁদপুর জেলা শহরের কস্তুরি চাইনীজ রেষ্টুরেন্টে আয়োজিত আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে চর্যাপদ সাহিত্য একাডেমির মহাপরিচালক রফিকুজ্জামান রনি আটজনের মধ্যে কবিতায় কবি হেনরী স্বপন এর নাম ঘোষণা করেন। বরিশালবাসীর পক্ষে বরিশাল সাহিত্য সংসদ এর উপদেষ্টা ও জাতীয় কবিতা পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক তপংকর চক্রবর্তী চর্যাপদ সাহিত্য একাডেমিকে এজন্য ধন্যবাদ জানান। কবি হেনরী স্বপনকে জানান অভিনন্দন। তিনি বলেন, কবি হেনরী স্বপনের কবিতার রূপ রস ভিন্ন। প্রত্যেক মানুষের মাঝেই স্বতন্ত্র দৃষ্টিভঙ্গি থাকে। হেনরীর কবিতা সবসময় স্বতন্ত্র ও কিছু কিছু কবিতা দূর্ভেদ্যও বটে।</div>
<div dir="auto">কবি হেনরী তার সুতীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে ধূলিতেও জং ধরতে দেখেন। তাই কাব্যের নাম হয়, ‘জংধরা ধূলি’। আবার মৃতের মুখেও হিংস্রতা খুঁজে পান বলেই হয়তো তার কবিতার শিরোনাম হয় ‘জিয়নকাঠির ছোঁয়ায় আক্রোশ’।&#8221;</div>
</div>
<div dir="auto">এগুলো আসলে কবিকে মূল্যায়নের চেষ্টা আমাদের মতো করে। তবে সাধারণ মানুষের কবি কিন্তু হেনরী স্বপন নিজেকে কখনোই দাবী করেননি। তার কবিতার বেশীরভাগই আসলে কবিদের জন্য। তাই কবিদের কবি তিনি হেনরী স্বপন।</div>
<div dir="auto">জন্মান্তর গেছে শিকারীর দলে। মুখস্ত রেখেছে বহু—</div>
<div dir="auto">প্রস্তর প্রাচীন হাতিয়ার—</div>
<div dir="auto">পোড়ামাংস মুখরিত হবে—ধান উড়ানী উড়ন্ত ডানা;</div>
<div dir="auto">ঝলমলিয়ে উঠবে প্রস্তরীয় জীয়নকাঠির ছোঁয়া।</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">সাধারণ পাঠকের কাছে নিঃসন্দেহে এটি দুর্বোধ্য। তবে যারা আধুনিক কবিতা পড়েন ও কবিতা নিয়ে ভাবেন সেসব কবিদের কাছে নয়।</div>
<div dir="auto">কবিদের এই কবি হেনরী স্বপনকে চর্যাপদ সাহিত্য একাডেমি পুরষ্কার প্রদান করায় সংগঠনটির নিকট কৃতজ্ঞতা বরিশাল সাহিত্য সংসদ ও সাহিত্য বাজার পত্রিকার পক্ষ থেকেও।</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto"><strong><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/FB_IMG_1549786951419.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignright size-medium wp-image-3617" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/FB_IMG_1549786951419-300x225.jpg" alt="" width="300" height="225" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/FB_IMG_1549786951419-300x225.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/FB_IMG_1549786951419.jpg 720w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>একনজরে কবি হেনরী স্বপন </strong></div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">জীবনানন্দের বরিশালে জন্ম কবি হেনরী স্বপনের প্রথম কবিতার বই একফর্মা বা ১৬ পৃষ্ঠার কীর্তনখোলা। একটিমাত্র দীর্ঘ কবিতা বইটির সুত্রেই জানা গেছে ১৯৬৫ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি কবি হেনরী স্বপন বরিশালের কাউনিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা জন হাওলাদার একজন ধর্মভীরু ব্যবসায়ী মানুষ ছিলেন। মা লীলাবতী হাওলাদার ছিলেন কবির প্রথম শিক্ষক। মায়ের আদরে বরিশালের জল-হাওয়ায় বেড়ে ওঠা কবির গভীর বন্ধন কীর্তনখোলা নদীর সাথে। যে কারণে অনেক সুযোগ তৈরি হলেও বরিশালের নদীজলের লোনা স্বাদ ও মাটি কামড়ে পরে আছেন আজো। একটি এনজিওতে কর্মরত ছিলেন। অবসর নিয়ে এখন লোকাল পত্রিকার সাহিত্য সম্পাদক তিনি। স্ত্রী মারিয়া লাকী সরকার ও একমাত্র কন্যা কসটিকা চিনতী। এ-পর্যন্ত কবি হেনরী স্বপন এর ৮টি কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। এগুলো হচ্ছে—’কীর্তনখোলা’, ‘মাটির বুকেও রৌদ্রজ্বলে’, ‘বাল্যকাল ও মোমের শরীরে আগুন’, ‘জংধরা ধুলি’, ‘ কাস্তে শানানো মোজার্ট’, ‘ঘটনার পোড়ামাংস ‘, ‘হননের আয়ু’, ‘উড়াইলা গোপন পরশে’। সম্পাদনা করছেন বিখ্যাত ‌জীবনানন্দ কবিতাপত্র।</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div class="mail-message-footer spacer collapsible"></div>
</div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%9a%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a6%a6-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
