<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>জীবন কথা &#8211; সাহিত্য বাজার</title>
	<atom:link href="https://shahittabazar.com/category/%E0%A6%95%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BE/%E0%A6%9C%E0%A7%80%E0%A6%AC%E0%A6%A8-%E0%A6%95%E0%A6%A5%E0%A6%BE/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://shahittabazar.com</link>
	<description>সাহিত্যের আয়নায় মানুষের মুখ</description>
	<lastBuildDate>Tue, 30 Dec 2025 12:13:25 +0000</lastBuildDate>
	<language>bn-BD</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.9.4</generator>
	<item>
		<title>মীরপুরের গোলচক্করে ফুটপাত দখলের প্রতিযোগিতা: স্কুলের সামনে ডাস্টবিন </title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%ae%e0%a7%80%e0%a6%b0%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%97%e0%a7%8b%e0%a6%b2%e0%a6%9a%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%ab%e0%a7%81%e0%a6%9f%e0%a6%aa/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%ae%e0%a7%80%e0%a6%b0%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%97%e0%a7%8b%e0%a6%b2%e0%a6%9a%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%ab%e0%a7%81%e0%a6%9f%e0%a6%aa/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আরিফ আহমেদ]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 18 Jan 2025 11:33:33 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[কথামালা]]></category>
		<category><![CDATA[জীবন কথা]]></category>
		<category><![CDATA[বিনোদন]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ব বাজার]]></category>
		<category><![CDATA[রাজখবর]]></category>
		<category><![CDATA[ফুটপাত দখল]]></category>
		<category><![CDATA[মাদক আবর্জনা ফুটপাত দখল]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://shahittabazar.com/?p=5594</guid>

					<description><![CDATA[<p>মীরপুরের গোলচক্করে ফুটপাত দখলের প্রতিযোগিতা: স্কুলের সামনে ডাস্টবিন </p> <p>বিশেষ প্রতিবেদক</p> <p>ঢাকা সিটি করপোরেশন (ঢাসিক) এর চরম অব্যবস্থাপনা ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির অনন্য উদাহরণ মীরপুর গোলচক্কর এলাকার ৩ নং ওয়ার্ড। এই এলাকায় ময়লা,</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%ae%e0%a7%80%e0%a6%b0%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%97%e0%a7%8b%e0%a6%b2%e0%a6%9a%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%ab%e0%a7%81%e0%a6%9f%e0%a6%aa/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>মীরপুরের গোলচক্করে ফুটপাত দখলের প্রতিযোগিতা: স্কুলের সামনে ডাস্টবিন </strong></p>
<p><strong>বিশেষ প্রতিবেদক</strong></p>
<p><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/01/inbound139888181069035926.jpg"><img decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-5591" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/01/inbound139888181069035926-300x169.jpg" alt="" width="300" height="169" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/01/inbound139888181069035926-300x170.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/01/inbound139888181069035926-768x432.jpg 768w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/01/inbound139888181069035926-1024x576.jpg 1024w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/01/inbound139888181069035926-70x40.jpg 70w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/01/inbound139888181069035926.jpg 1920w" sizes="(max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>ঢাকা সিটি করপোরেশন (ঢাসিক) এর চরম অব্যবস্থাপনা ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির অনন্য উদাহরণ মীরপুর গোলচক্কর এলাকার ৩ নং ওয়ার্ড। এই এলাকায় ময়লা, মাদক আর ফুটপাত দখলের যে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি চলছে তার পুরো দায়ভার ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষের। তাদের দায়িত্বের অবহেলা এখানে স্পষ্ট হয়ে ওঠে সরেজমিন অনুসন্ধানে।<br />
১৪ ও ১৫ জানুয়ারি মীরপুর টাউনহল, ১০ নম্বর পুরাতন কাঁচা বাজার, হোপের গলিসহ আশেপাশের এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, সড়ক ও ফুটপাত পুরোটাই দখল করে বাণিজ্যিক পসরা বসিয়েছে ভাসমান হকারেরা। আর এদের বসার সুযোগ করে দিতে পতিত ফ্যাসিস্ট সরকারের বাহিনীর সাথে বর্তমানের বেশকিছু রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের তৎপরতা চোখে পড়ে।<br />
আবার ৩ নং ওয়ার্ডের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিগত বিতর্কিত কাউন্সিলরদের বিতর্কিত পদক্ষেপগুলোকে এখনো আঁকড়ে আছে এই বৈষম্য বিরোধী প্রশাসন। অভিযোগ জানালে, এখনো পরষ্পরকে দোষারোপ করার প্রবণতা কর্তৃপক্ষের। বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব নিয়ে ওয়াকিটকি কোমড়ে ঝুলিয়ে নিজেদের গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা হিসেবে জাহির করা এবং বাসাবাড়ি থেকে ময়লা-আবর্জনা আনা-নেওয়ার ভ্যানভাড়া বৃদ্ধির জন্য ছুটে বেড়ানো, কেউ প্রতিবাদ করলে সন্ত্রাসী কায়দায় ওয়াকিটকি ব্যবহার করে সবাইকে জড়ো করা ছাড়া আর কোন উন্নয়নমূলক ভূমিকা দেখা যায়নি বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পরিদর্শক বা ফিল্ড ইন্সপেক্টরদের।<br />
মীরপুর ১০ নম্বর পুরাতন বাজার সড়কের পাশে সেনপাড়া পর্বতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ঠিক প্রবেশপথ সংলগ্ন দেয়াল ঘেঁষে রাখা হয়েছে বাজারের যাবতীয় বর্জ্য ফেলার ডাস্টবিনটি। ডাস্টবিনের চারপাশে, সড়কের উপরও ময়লা আবর্জনার স্তূপ। রিকশা চালক, পথচারী যখন তখন প্রশ্রাব করতে বসে যাচ্ছে স্কুলের দেয়াল ঘেঁষে। এ পথে যেই যাচ্ছে, নাকে রুমাল চেপে তবেই পার হচ্ছে এটুকু পথ। পাশেই কিন্তু হাজারো প্রায় শিক্ষার্থী নিয়ে মীরপুরের সুখ্যাতি সম্পন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এটি। কোমলমতি শিশুদের চলাচল, পড়াশুনা ও স্কুল মাঠে খেলাধুলা বন্ধ হবার উপক্রম এই ময়লা পঁচা গন্ধের কারণে। পাশাপাশি সন্ধ্যা হলেই মাদকের আখড়ায় পরিণত হয় এই বাজার ও টাউনহল মাঠসহ আশেপাশের সড়কের অলিগলি। সড়কে আলোর ব্যবস্থা নেই দীর্ঘদিন। বাজারের পঁচা বর্জ্যের পাশাপাশি মাদকের বিকট দুর্গন্ধে সবসময় ভারী হয়ে আছে এই এলাকা। এ নিয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষের লেখিত অভিযোগ ছাড়াও স্থানীয় সচেতন বাসিন্দাদের প্রতিবাদ অগ্রাহ্য করে গত প্রায় পনের বছর ধরেই চলছে সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষের অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতা। বলা যায়, তিন ওয়ার্ড ছাড়াও মীরপুর ১০ নম্বর গোলচক্কর, মীরপুর স্টেডিয়াম, গার্লস আইডিয়াল স্কুল ও কলেজ, হোপের গলি, এভিনিউ ফাইভ ও ১১ নং বাজার এলাকা নিয়ে গঠিত সিন্ডিকেট এখনো নিয়ন্ত্রণ করছে এসব অবৈধ কার্যকলাপ।<br />
এখানে যত দোষ নন্দ ঘোষ অর্থাৎ সাবেক পলাতক কাউন্সিলরদের ঘাড়ে চাপিয়ে তাদের অপরাধমুলক কর্মকাণ্ড রীতিমতো জিইয়ে রেখে তাতে আরো নতুন করে তাঁ দিচ্ছেন স্থানীয় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা। যার সুযোগ নিচ্ছেন সিটি করপোরেশনের প্রশাসনিক কর্মকর্তারাও।<br />
অনুসন্ধানে জানা গেছে, সিটি করপোরেশন উত্তর ৩ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর কাজী জহিরুল ইসলাম মানিকই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে এই ডাস্টবিন রাখার জন্য দায়ী। সেসময় প্রকাশ্যে কেউ প্রতিবাদ না করলেও গোপনে একাধিক লেখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে বলে জানালেন মীরপুর ১০ এ ব্লকের বেশ কয়েকজন বাসিন্দা ও ব্যবসায়ী।<br />
বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মুস্তাফিজুর রহমান বললেন, গত ২০১৪ সালে আমাদের অভিযোগের কারণে কয়েকমাস এটি সরিয়ে নেয়া হয়েছিল, কিন্তু কাউন্সিলর মানিক এসে এটি পুনরায় এখানে বসিয়ে দিয়েছে। এই বিদ্যালয়ে ৯০০ এর বেশী শিক্ষার্থী যারা সবাই শিশু। এই শিশুদের স্বাস্থ্য ঝুঁকি থেকে রক্ষা করতে হলেও ডাস্টবিনটি সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ জানান তিনি।<br />
স্থানীয় বাসিন্দা ও কয়েকজন ব্যবসায়ীর সাথে কথা বলে জানা যায়, এখানে মানিকের এর প্রতিদ্বন্দ্বী আরেক বিতর্কিত নেতা টিঙ্কু ৫ আগস্টের পর এলাকায় দখলদারিত্ব ও চাঁদাবাজি বুঝে নিলেও এই বিষয়ে সেও নিরব। বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের মীরপুরের সমন্বয়করাও এ নিয়ে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি বলে একাধিক অভিযোগ রয়েছে।<br />
এ বিষয়ে ঢাসিক উত্তর ৩ নং ওয়ার্ড প্রশাসককে খুজতে যেয়েই উঠে আসে অনেকগুলো নাম। যারা হোপের গলি, ১০নং গোলচক্কর এলাকার ফুটপাত দখল নিয়ন্ত্রণ করছে বলে জানা গেছে। আর এদের রয়েছে বিশাল সিন্ডিকেট। এলাকার মাদকের বাণিজ্য এরাই নিয়ন্ত্রণ করে বলে জানা যায়।<br />
৩ নং ওয়ার্ড কার্যালয়ের প্রশাসক খুঁজতে গেলে ১০ নং গোলচক্কর সংলগ্ন পুরাতন টাউনহল মাঠে গিয়ে চোখে পড়ে ঢাসিক কর অঞ্চল ৪ আঞ্চলিক কার্যালয়। এখানে মাঠের ভিতরে শ্রমিক ইউনিয়ন, ফেডারশন, কর্মচারী ইউনিয়ন নামের সাইনবোর্ড ও অফিস রয়েছে। অফিসগুলোর ভিতর টাসের আড্ডা চলছে। গাঁজার গন্ধ স্পষ্ট টের পাওয়া যায়। বাহিরে পুরো মাঠ দখল করে আছে সিটি করপোরেশনের ময়লার গাড়ি, ট্রাক্টর সহ ভারী যানবাহন। অথচ ২০০৩ সালে সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকা এই মাঠটিতে অত্যাধুনিক নাট্যমঞ্চ সহ টাউনহল নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছিলেন। তৈরি করেছিলেন একটি মুক্তমঞ্চ। যদিও এ বিষয়ে কিছুই জানেন না কর অঞ্চল ২ ও ৪ এর প্রশাসনিক কর্মকর্তারা। কর অঞ্চল ৪ এর সামনের এই মাঠের বিভিন্ন কোনোয় সন্ধ্যার পর মাদকের কেনাবেচা হয়, গভীর রাত পর্যন্ত বহিরাগতদের আড্ডা হয়। এ নিয়ে কিছুই করার নেই বলে জানান কর অঞ্চল ৪ এর প্রশাসনিক কর্মকর্তা<br />
তুফানি লাল রবি দাস। তিনি বলেন, এটি কর অঞ্চল ২ এর জায়গা। আমরা ভাড়াটিয়া মাত্র। আর কর অঞ্চল ২ মীরপুর সনি সিনেমা হলের পাশে। ওখানে কথা অভিযোগ জানানোর পরামর্শ দেন তিনি।<br />
অথচ এই মাঠ ও আশেপাশের এলাকায় মাদকসহ বিভিন্ন দুষ্কর্ম্মের সাথে জড়িত এই জোন ৪ এর কয়েকজন কর্মকর্তা ও কর্মচারীও। এদের মধ্যে ৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মানিক বাহিনীর পারভেজ, সোহেল ও জসিম। টিঙ্কু বাহিনীর আলমগীর, বাপ্পি, জুলহাস ( গাঁজা) জোন ৪ কর্মচারী হাসান ও রাজ্জাক এর নাম রয়েছে। হাসান ও রাজ্জাক ইতিপূর্বেও দূর্নীতির কারণে এরেস্ট হয়েছিল। অথচ এখনো চাকুরীতে বহাল তবিয়তে রয়েছে বলে জানালেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এছাড়াও রয়েছে ছাত্রদলের নেতা ৩ নং ওয়ার্ডের নাসির। এরা ছাড়াও রয়েছে আওয়ামী লীগের পলাতক নেতাদের সহকর্মীদের অনেকেই। মীরপুরে আওয়ামী লীগের দোসর হিসেবে ছাত্র জনতার উপর আক্রমণ চালিয়েছে বলে জানা গেছে।<br />
বিএনপির ঢাকা মহানগর উত্তর কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণার আগে এখানে ৩নং ওয়ার্ডের আহ্বায়ক শেখ আক্কাস আলী, প্রথম ও দ্বিতীয় যুগ্ম আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম (নজু) ও জাহাঙ্গীর আলম (লালন) এর কাছে এ নিয়ে অভিযোগ জানিয়েও কোনো লাভ হয়নি বলে জানান স্থানীয়রা বরং তারাই মীরপুর টাউনহল মাঠ ও আশেপাশের এলাকায় টোকাই শ্রেণীর লোকজন নিয়ে মাদকের আখড়া বসিয়েছে বলে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। উদাহরণ হিসেবে যেকোনো দিন সন্ধ্যার পর টাউনহল মাঠ ছাড়াও সিটি করপোরেশনের অঞ্চল ৪ আঞ্চলিক কার্যালয়কে ঘীরে জমজমাট হয়ে ওঠা বিভিন্ন সংগঠনের কার্যালয়ে, মুক্তমঞ্চ ঘুরে দেখলেই তা স্পষ্ট হয়ে উঠবে বলে জানান একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী। এদের একটি অংশ আবার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে এসে রাতের বেলা জুয়ার আড্ডা বসায় এবং নিরাপত্তা রক্ষীকে মারধর করে ভবনের ছাদে বা কক্ষে আড্ডা বসায় বলেও অভিযোগ রয়েছে।<br />
স্থানীয়দের অভিযোগ, কাউন্সিলর মানিকের আয়ের বড় একটি খাত ছিলো এই বাজারসহ আশেপাশের ফুটপাত ও মিরপুর ১০ নম্বরের হোপ স্কুলের গলি। সেখানেও বসানো হয়েছে বাজার। পাঁচ বছর ধরে সেখানে প্রায় এক হাজার দোকান থেকে নিয়মিত চাঁদা নিতেন মানিক। দোকান বরাদ্দ দেওয়ার নামেও এককালীন ৫০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা নিয়েছে সে ও তার অনুসারীরা। ৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের পর এখন এসবকিছু লালন ও টিঙ্কু বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে মানিকের লোকজনই এখন টিঙ্কুর সহযোগী।<br />
একজন বিএনপি কর্মী জানান, অনেকের দাবী মিরপুরের মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ ছিলো মানিকের হাতে। অথচ মানিক তাবলিগ জামাতের অনুসারী ছিলেন এবং প্রচণ্ডভাবে মাদক বিদ্বেষী ছিলেন। তবে মীরপুর আওয়ামী লীগের অনেক বড় নেতাদের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে ছিলো এখানের মাদক কারবারীরা। ৫ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্দুর রউফ নান্নু তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী। তার ভাই কচি আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের একজন। যাদের খুশি রাখতে মানিক নিরবতা পালন করতো। মানিকের সহযোগী অনেকেই তখন মাদক ব্যবসায়ীদের সহযোগী ছিলো। এখনও এরা টিঙ্কুর সাথে মিলে এই এলাকায় মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করছে। বিএনপির অনেকেই এর সাথে জড়িত বলে জানান নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এই বিএনপি নেতা। তিনি বলেন, এ বিষয়ে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের মীরপুরের সমন্বয়ক ও সেনাবাহিনীও সবকিছু জানে। তারাই কিছু করতে পারছে না।<br />
পুরাতন বাজার এলাকার মসজিদ সংলগ্ন একজন ব্যবসায়ী বলেন, এখানকার আওয়ামী লীগ নেতা ফকির মহিউদ্দিন মারা যাওয়ার পর থেকেই তিন নম্বর ওয়ার্ড মাদকের বাণিজ্য বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। এই ওয়ার্ডে ছোট-বড় ১৩টি বিহারি ক্যাম্প ও ৯টি বস্তিকে কেন্দ্র করে ইয়াবা, গাঁজাসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্যের ব্যবসা হয়। যার টাকা দিয়ে বিহারি ক্যাম্পগুলোতে বাবর ওরফে হিজড়া বাবর, কাল্লু ওরফে বাবা (ইয়াবা) কাল্লু, আজহার ও আরমানের নেতৃত্বে বিশাল সিন্ডিকেট এউ মাদক কারবার দেখাশোনা করে। হিজড়া বাবর নিজেকে হিজড়া দাবি করলেও প্রকৃতপক্ষে সে হিজড়া নয়। তালিকাভুক্ত মাদক কারবারি কাল্লু সেকশন-১১, মুসলিম ক্যাম্পসহ আশপাশের এলাকায় মাদকের কারবার নিয়ন্ত্রণ করে। এদের গডফাদার ছিলেন আব্দুর রউফ নান্নু ও তার ভাই কচি।<br />
এদের সবাই এখানে বিএনপির নেতাকর্মীদের একটা অংশকে সাথে নিয়ে এসব অবৈধ ব্যবসাসহ ফুটপাতের চাঁদাবাজি ধরে রেখেছে। যে কারণে ৫ আগস্টের পর ১০ নম্বর গোলচক্কর ও আশেপাশের এলাকায় ফুটপাত দখল করে হকারদের দৌরাত্ম আগের চেয়ে বেড়েছে বলে জানান এলাকার বাসিন্দারা।<br />
স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা জানিয়েছেন, গোলচক্কর এলাকার ফুটপাতের দখল তিনভাগে বিভক্ত। মডেল থানা বিএনপি ও আওয়ামী লীগ এবং পুলিশ, কাফরুল থানা বিএনপি, আওয়ামী লীগ এবং পুলিশ আবার পল্লবী থানা বিএনপি, আওয়ামী লীগ ও পুলিশ যৌথভাবে এই ফুটপাতের দখল ধরে রেখেছে বলে জানান তারা। আর এগুলো থেকে এখনো টাকা-পয়সা আদায় করে আওয়ামী লীগ নেতাদের ফেলে যাওয়া কর্মীরাই। আজহার ও আরমান, সোহেল, জসিম সহ আরো অনেকে ৩ নং ওয়ার্ড অংশের ফুটপাত থেকে চাঁদা তুলে স্থানীয় বিএনপিসহ প্রভাবশালী ব্যাক্তদের হাতে তুলে দিচ্ছে বলে জানান তারা। সাবেক কাউন্সিলর ও বিএনপি নেতা আসাধও সবকিছু জানে এবং এ নিয়ে তার কোনো ভূমিকা বা প্রতিবাদ নেই বলে জানান এলাকাবাসী।<br />
জানা গেছে বিগত ২০১৪ সাল থেকে গত ডিসেম্বর পর্যন্ত শুধু ৩ নং ওয়ার্ডেই জুটের ব্যবসা ও মাদক কারবার নিয়ে বিরোধের জেরে ২০/৩০ টির মতো হত্যাকাণ্ড সংগঠিত হয়েছে। একাধিকবার অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে এই ওয়ার্ডে। গোলচক্কর ফুটওভার ব্রিজ থেকে চারপাশের প্রবেশপথ পুরোপুরি হকারদের দখলে। নারী-পুরুষ শিশুদের চলাচলের কষ্ট স্বচক্ষে না দেখলে বিশ্বাস হবে না। হকারদের দৌরাত্ম যতটা না, তারচেয়ে বেশি ফুটপাতের ক্রেতাদের জটলা। যে জটলায় ক্রেতা কম, বখাটেপনা বেশি। ভিড়ের সুযোগে পকেটমার, নারীদের শ্লীলতাহানি ঘটছে অহরহ। গোলচক্কর থেকে পশ্চিমে স্টেডিয়াম এবং পূর্বে হোপের গলি পর্যন্ত, দক্ষিণে শাহআলী মার্কেট সীমানা এবং উত্তরে পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার পর্যন্ত ফুটপাত পুরোটাই দখল করে হকারদের দৌরাত্ম। আর এদের বাণিজ্যিক ফায়দা নিতে স্থানীয় সন্ত্রাসী বাহিনীর জমজমাট আড্ডা পুরাতন টাউনহল মাঠ বা সিটি করপোরেশনের আঞ্চলিক কার্যালয়ের মাঠ, সেনপাড়া পর্বতা প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১০ নং গোলচক্কর পুরাতন বাজার, হোপের গলি ও মিরপুর স্টেডিয়ামের আশেপাশের গলিতে। কোনো ক্রেতার সাথে হকারদের ঝগড়া বা কথা কাটাকাটি হলেই এরা ছুটে যাচ্ছে এবং হকারদের পক্ষ নিয়ে ক্রেতাকে সর্বশান্ত করছে বলে একাধিক অভিযোগ রয়েছে এখানে।<br />
এসব বিষয়ে নিয়ে সরাসরি কথা হয় ঢাকা সিটি করপোরেশন (ঢাসিক) কর অঞ্চল ২ এর প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের পরিদর্শকদের সাথে। কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান বলেন, ফুটপাত দখল মুক্ত করতে আমরা বারবার পদক্ষেপ নিয়েও তা ধরে রাখতে ব্যর্থ হচ্ছি। এজন্য বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আমাদের কর্মতৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। মাদকের বিযয়টি পুলিশ ও মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের। তবে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে থেকে ডাস্টবিন সরিয়ে নিতে একটু সময় ও আলোচনা প্রয়োজন। কেননা ডাস্টবিন কোথায় বসবে তা নির্ধারণ করা খুবই কঠিন বলে জানান তিনি।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%ae%e0%a7%80%e0%a6%b0%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%97%e0%a7%8b%e0%a6%b2%e0%a6%9a%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%ab%e0%a7%81%e0%a6%9f%e0%a6%aa/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>সাংবাদিক ও সাহিত্যিক অরূপ তালুকদারঃ নামটিই এখন প্রতিষ্ঠান </title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%93-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%85%e0%a6%b0%e0%a7%82/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%93-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%85%e0%a6%b0%e0%a7%82/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[সদানন্দ সরকার]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 20 Oct 2022 04:02:06 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[কথামালা]]></category>
		<category><![CDATA[জীবন কথা]]></category>
		<category><![CDATA[অরূপ তালুকদার]]></category>
		<category><![CDATA[বই]]></category>
		<category><![CDATA[মুক্তিযুদ্ধ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://shahittabazar.com/?p=5131</guid>

					<description><![CDATA[সাংবাদিক ও সাহিত্যিক অরূপ তালুকদারঃ নামটিই এখন প্রতিষ্ঠান  বাংলাদেশের জাতীয় দৈনিকে প্রায়শই মুক্তিযুদ্ধ, ভাষা আন্দোলন, সমসাময়িক সংকট ইত্যাদি বিষয়ে নিয়মিত কলাম লেখক একজন সাংবাদিক অরূপ তালুকদার! নামটিই এখন একটি প্রতিষ্ঠান।<span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%93-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%85%e0%a6%b0%e0%a7%82/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div id="m#msg-a:r7197018296459162941" class="mail-message expanded">
<div class="mail-message-header spacer"><strong>সাংবাদিক ও সাহিত্যিক অরূপ তালুকদারঃ নামটিই এখন প্রতিষ্ঠান </strong></div>
<div class="mail-message-content collapsible zoom-normal mail-show-images ">
<div class="clear">
<div dir="auto">
<div class="gmail_quote" dir="auto">
<div dir="auto">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/09/IMG-20220924-WA0027.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="aligncenter size-medium wp-image-5086" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/09/IMG-20220924-WA0027-300x225.jpg" alt="" width="300" height="225" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/09/IMG-20220924-WA0027-300x225.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/09/IMG-20220924-WA0027-768x576.jpg 768w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/09/IMG-20220924-WA0027.jpg 1024w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>বাংলাদেশের জাতীয় দৈনিকে প্রায়শই মুক্তিযুদ্ধ, ভাষা আন্দোলন, সমসাময়িক সংকট ইত্যাদি বিষয়ে নিয়মিত কলাম লেখক একজন সাংবাদিক অরূপ তালুকদার! নামটিই এখন একটি প্রতিষ্ঠান। বরিশাল তথা দক্ষিণাঞ্চলের জীবন্ত ইতিহাসও বলা যায় তাকে। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন স্বাধীনবাংলা বেতার কেন্দ্রে বরিশালের যে চারজন সাংস্কৃতিক কর্মী কাজ করেছেন তাদেরই অন্যতম একজন অরূপ তালুকদার স্বীকৃত বীর মুক্তিযোদ্ধাও। যদিও অন্যদের মতো নিজেকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে জাহির করার কোনো প্রবণতা তার মধ্যে নেই।  কেন নেই?  প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, কেউ কেউ সম্মান জানিয়ে শব্দ সৈনিক বলেন বটে। এতেও আমি আসলে বিব্রত হই। মুক্তিযুদ্ধ করেছি স্বাধীন সুন্দর একটি রাষ্ট্র পেতে। মুক্তিযোদ্ধা নাম ভাঙিয়ে সেই রাষ্ট্র থেকে সুবিধা আদায় করতেতো আমরা মুক্তিযুদ্ধ করিনি।</div>
<div dir="auto"><strong>আপনার বেশিরভাগ লেখনীতে মুক্তিযুদ্ধের কথা চলে আসে, মুক্তিযুদ্ধ নিয়েই আপনার গল্প প্রবন্ধ বেশি।  এটা কেন?</strong></div>
<div dir="auto">হেসে ওঠেন অরূপ তালুকদার, দরাজ কণ্ঠের হাসি থামিয়ে  বলেন, তোমাদের,  বিশেষ করে তোমাদের পরবর্তী প্রজন্মের ছেলেমেয়েদের মনে মুক্তিযুদ্ধের ঘটনাগুলো গেঁথে দিতেই মূলত আমার এই চেষ্টা । একটা সময় এমন হবে যে, মুক্তিযুদ্ধের ঘটনাগুলোকে সবাই গল্প ভাবতে শুরু করবে। তখন অন্তত আমার এই গল্পগুলো ওদের গল্পের ছলে সত্যকে জানতে সাহায্য করবে।</div>
<div dir="auto">এই হচ্ছেন অরূপ তালুকদার। সাহিত্য বাজার পত্রিকার সাহিত্য পদক ২০২২ এবছর তার হাতে তুলে দেয়া হয়েছে বরিশালে এসে। গত ২৩ সেপ্টেম্বর বরিশাল সাহিত্য সংসদ সাহিত্য বাজার পত্রিকার ১৫ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এই পদক প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। বরিশালের সার্কিট হাউস মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দার এর হাত দিয়ে তুলে দেয়া হয় এই সাহিত্য পদকটি। সাথে নামমাত্র কিছু সম্মানীও দেয়া হয়। যা সাহিত্যিক ও সাংবাদিক অরূপ তালুকদার তৎক্ষনাৎ দান করে দেন বরিশালের একটি বৃদ্ধাশ্রমকে।</div>
<div dir="auto">স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে তিনি বাংলা ও ইংরেজি কথিকা লিখতেন ও স্বরচিত কবিতা পাঠ করতেন। অন্য তিনজনের মধ্যে খ্যাতিমান চলচিত্রকার আলমগীর কবির ইংরেজি বিভাগের দায়িত্ব পালন করেছেন। কবি আসাদ চৌধুরী তার ভরাট কণ্ঠে আবৃত্তি করতেন স্ব রচিত কবিতা এবং গৌরনদী উপজেলার আশোকাঠি গ্রামের অরুনা রাণী সাহা নিয়মিত গান করতেন। স্বাধীনবাংলা বেতারকেন্দ্রের এই চারজন শব্দ সৈনিক গেজেট ভুক্ত মুক্তিযোদ্ধা। অথচ এই চারজনের জীবীত দুজন অরূপ তালুকদার ও কবি আসাদ চৌধুরী নিজেদের কখনোই মুক্তিযোদ্ধা দাবী করে যত্রতত্র আলোচনা মঞ্চ মাতিয়ে তোলেননি। নিরব ভালোবাসায় আজো তাদের লেখনীতে তারা স্মরণ করেন তখনকার স্মৃতি।</div>
<div dir="auto">তাইতো অরূপ তালুকদারের লেখনীতে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি মন্থন খুব বেশি চোখে পড়ে।</div>
<div dir="auto">যতদূর জানা যায়, বর্তমান বরিশাল বিভাগের বরগুনা জেলার পাথরঘাটা থানাধীন গোলবুনিয়া গ্রামে সন্তান অরূপ তালুকদার ছাত্র জীবনের শুরু থেকেই  স্কুল-কলেজের ম্যাগাজিনে লেখালেখি শুরু করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএএলএলবি সম্পন্ন করার পর জড়িয়ে যান সাংবাদিকতা পেশায়। তার প্রথম গল্প প্রকাশিত হয় দৈনিক পূর্বদেশ’ পত্রিকায় ১৯৬২ সালে I ১৯৬৩ সালে বরিশাল থেকে প্রকাশিত হয় প্রথম উপন্যাস &#8216;সারাদিন সারারাত’ I দ্বিতীয় উপন্যাস ‘নীলিমায় নীল’এবং  তৃতীয় উপন্যাস ‘আশার নাম মৃগতৃষ্ণীকা’ প্রকাশিত হয় ১৯৬৪ সালে। ১৯৬৫ সালে প্রকাশিত হয় প্রথম গল্পগ্রন্থ রংরাজ ফেরে না’ I প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘সেই নির্বাচন চাই’  প্রকাশিত হয় স্বাধীনতার পরে ঢাকার মুক্তধারা থেকে ১৯৭৪ সালে I</div>
<div dir="auto"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2014/05/orup-da.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignright size-medium wp-image-2295" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2014/05/orup-da-182x300.jpg" alt="" width="182" height="300" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2014/05/orup-da-182x300.jpg 182w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2014/05/orup-da.jpg 400w" sizes="auto, (max-width: 182px) 100vw, 182px" /></a></div>
<div dir="auto">মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিকথা নিয়ে লিখেছেন তিনি গল্প উপন্যাস শিশু সাহিত্য। তবে তার কবিতায় স্পষ্ট হয়ে ওঠে মুক্তিযুদ্ধের বেদনা পাঠ। তিনি যখন লেখেন&#8230;</div>
<div dir="auto">আবার কোনোদিন ফিরে আসবো, ভাবিনি।</div>
<div dir="auto">ভাবিনি, আবার কোনোদিন দেখা হবে</div>
<div dir="auto">আপনাদের সঙ্গে, আমার যারা প্রিয়জন</div>
<div dir="auto">একান্ত আপন বন্ধুবান্ধব তাদেরকে</div>
<div dir="auto">কোনোদিন দেখবো, দেখতে পাবো আমার</div>
<div dir="auto">সেই প্রিয়তমার মুখ ম্লান নক্ষত্রবীথিতলে&#8230;।’ (যুদ্ধোত্তর প্রত্যাবর্তন/নির্বাচিত কবিতা)</div>
<div dir="auto">স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের এই শব্দসৈনিক</div>
<div dir="auto">নিবিড়ভাবে প্রত্যক্ষ করেছেন মুক্তিযুদ্ধ ও পরবর্তীকালকে। যা তিনি অবলীলায় ধারণ করেছেন তার কবিতায়। ফলে দেশাত্মবোধ হয়ে উঠেছে তার কবিতার মৌল প্রেরণা। তাই নিজ বাসভূমি, স্বজনদের মধ্যে ফিরে আসার আকুতি তার প্রবল।</div>
<div dir="auto">মুক্তিযুদ্ধ অরূপ তালুকদারের কবিতার অন্যতম প্রধান অনুষঙ্গ। তার কবিতার ব্যাপক আয়তন জুড়ে মুক্তিযুদ্ধের বিস্তার। মুক্তিযুদ্ধের ভয়াবহ বিক্ষত সময় তার কবিতায় বিধৃত হয়েছে- ‘স্বাধীনতা আমার জীবন, আমার রক্ত, রক্তবীজের ঋণ</div>
<div dir="auto">স্বাধীনতা আমার চিরদুঃখিনী মায়ের দুফোঁটা অশ্রুজল</div>
<div dir="auto">স্বাধীনতা আমার প্রিয়তমার মুখ, দোয়েল পাখির গান</div>
<div dir="auto">স্বাধীনতা আমার স্বপ্নের ধন, এই দীপ্ত প্রাণের ফসল।’ (স্বাধীনতা/নির্বাচিত কবিতা)। এমনকি মুক্তিযুদ্ধের মহান স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানও তার কবিতার হৃৎস্পন্দন ও ধ্বনিত হয় উজ্জ্বল মহিমায়- ‘তুমি নেই, হে অমৃতের পুত্র, আমাদের মধ্য থেকে</div>
<div dir="auto">অকস্মাৎ একদিন তুমি চলে গেলে, যেন</div>
<div dir="auto">এক ঝংকৃত দুর্বার ঝড়ের মতো তোমার</div>
<div dir="auto">তোমার সেই আসা আর যাওয়া।’ (তুমি নেই, কাঁদে বাংলার মানুষ, নির্বাচিত কবিতা)</div>
<div dir="auto">এযাবৎ প্রকাশিত বেশকিছু কাব্যগ্রন্থের মাঝে উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ- সেই নির্বাসন চাই (১৯৭৪), দূরের হরিণী (১৯৮২), অন্ধকারে আলোর ম্যাজিক (১৯৮৬)। কবিতার সংকলন ‘নির্বাচিত কবিতা’। গ্লোব লাইব্রেরি (প্রা.) লিমিটেড থেকে প্রকাশিত এই নির্বাচিত কাব্য সমগ্রটিতে রয়েছে চৌষট্টিটি কবিতা। তবে বয়সের ভারে ন্যুব্জ-নত নয়, বরং ধাবমান সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নিরন্তর ছুটে চলেছেন কবি। জীবনের দেখা না দেখার অনেক জটিল সমীকরণকে লিপিবদ্ধ করছেন নানা মাত্রিকতায় কী গল্পে, কী উপন্যাসে, কী কবিতায়।</div>
<div dir="auto">তার মুক্তযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস আঁধারকাল বাজারে এসেছে ২০১৪ এর বইমেলায়। সাহিত্যমালা থেকে প্রকাশিত ১৩০ পৃষ্ঠার এ বইটিতে ফুটে উঠেছে লেখকের অভিজ্ঞতার চিত্র।</div>
<div dir="auto">মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে অগম্যপ্রায় গহীন বনাঞ্চল সুন্দরবনের অভ্যন্তরে চলে যাওয়া মানসিক যন্ত্রণাক্লিষ্ট এক সাধারণ ফেরারী যুবকের আত্ম অনুসন্ধানের অসাধারণ কাহিনী নিয়ে রচিত এই উপন্যাসের গভীরে খুঁজে পাওয়া যায় অন্যরকম স্বাদ। এ উপন্যাসের নায়ক যেন তিনি নিজেই। দেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের শুরুতেই তার জীবনের এক অধ্যায়ের অকস্মাৎ সমাপ্তি ঘটে গেলে সূচনা হয় আরেক অধ্যায়ের। যখন তার জীবনের সাথে ঘটনাচক্রে জড়িয়ে গেছে এক নারী ও আরো কিছু মানুষ। যাদেরকে অবলম্বন করে সে নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখছে। চারিদিকে তখন শুধু মৃত্যুর মিছিল। আগুনের লেলিহান শিখায় জ্বলেপুড়ে ছারখার সব। অনেকটা এভাবেই গাঁথা আছে গল্পের কাহিনী।</div>
<div dir="auto">আবার তার শিশুতোষ গল্পের স্বাদ কিন্তু পুরো পাল্টে দেয় কবি ও ঔপন্যাসিকের দর্শন। লেখক ও কবি অরূপ তালুকদার তখন হেসে ওঠেন শিশুদের মতো করেই। বলেন, চলো চা আড্ডা হয়ে যাক আজ কীর্তনখোলার পাড়ে। তেমনি শিশুদের উপজীব্য করে লিখে ফেলেন তুতুলের গল্প।</div>
<div dir="auto">&#8220;একদিনে ঘর থেকে হারিয়ে গেছে মিতুলের কলম, পেনসিল, ছোট দু-তিনটে খেলনা, প্লেট ইত্যাদি। সবার ধারণা, ফাতেমাই সরাচ্ছে এসব। কিন্তু তাকে বললে, সে শুধু কাঁদে। তা হলে কি ভুতের উপদ্রব হচ্ছে বাড়িতে? ভুতে বিশ্বাস করে মিতুল। ভয় পায়। তুতুল ভুতে ভয় পায় না। বলে, ভুত কোথায়? আমাকে দেখাতে পারো, আপু মণি?</div>
<div dir="auto">জানা যায় ভুতুড়ে এই কাণ্ড পুরোটাই তুতুলের সাজানো।</div>
<div dir="auto">
<div id="attachment_5132" style="width: 310px" class="wp-caption alignleft"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/10/IMG20220925124017.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-5132" class="size-medium wp-image-5132" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/10/IMG20220925124017-300x225.jpg" alt="" width="300" height="225" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/10/IMG20220925124017-300x225.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/10/IMG20220925124017-768x576.jpg 768w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/10/IMG20220925124017-1024x768.jpg 1024w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a><p id="caption-attachment-5132" class="wp-caption-text">আড্ডায় অরূপ তালুকদার</p></div>
<p><strong>একনজরে অরূপ তালুকদার  </strong></p>
</div>
<div dir="auto">১৯৪৪ সালের ৬ জানুয়ারি বরগুনা জেলার গোলবুনিয়া গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন সাহিত্যিক সাংবাদিক অরূপ তালুকদার। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে সম্পন্ন করেন এমএ, এলএলবি। ষাটের দশকে যুক্ত ছিলেন চলচ্চিত্র, রেডিও, টেলিভিশন, সাংবাদিকতা ও পত্রপত্রিকা সম্পাদনার কাজে। ষাটের দশকে প্রকাশ হয় তাঁর প্রথম উপন্যাস ‘সারাদিন সারারাত&#8217;, এরপর ‘আশার নাম মৃগতৃষ্ণিকা’, ‘নীলিমায় নীল&#8217; ও গল্পগ্রন্থ &#8216;রংরাজ ফেরে না&#8217;। একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি যুক্ত ছিলেন &#8216;স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র&#8217;র সঙ্গে। তিনি স্বীকৃতিপ্রাপ্ত ‘শব্দসৈনিক&#8217;। &#8216;৭৪-এ মুক্তধারা থেকে প্রকাশ হয় তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ &#8216;সেই নির্বাসন চাই&#8217;। &#8216;৭৮-এ কলকাতা হতে বের হয় কাব্যগ্রন্থ &#8216;দূরের হরিণী&#8217;, &#8216;৮২ সালে উপন্যাস &#8216;বন্ধদুয়ার&#8217; ও কাব্যগ্রন্থ ‘অন্ধকারে আলোর ম্যাজিক&#8217;। অরূপ তালুকদার দীর্ঘ সাংবাদিক জীবনে ছিলেন &#8216;কমনওয়েলথ জার্নালিস্টস এ্যাসোসিয়েশন (সিজেএ), লন্ডন-এর সদস্য। বিভিন্ন সময়ে সাংবাদিক হিসেবে কাজ করেছেন দৈনিক পূর্বদেশ, দৈনিক ইত্তেফাক, দৈনিক সংবাদ, দি ডেইলি স্টার, নিউজ টুডে, ইউএনবি ও আন্তর্জাতিক বার্তাসংস্থা এএফপি এবং রয়টার্স-এ।</div>
<div dir="auto">প্রকাশিত গ্রন্থ সংখ্যা ৪০টিরও বেশি। উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ বন্ধ দুয়ার ( উপন্যাস)</div>
<div dir="auto">দক্ষিণাঞ্চলের কথা</div>
<div dir="auto">অন্ধকারে একা ( উপন্যাস)</div>
<div dir="auto">আঁধারে আলোর ম্যাজিক ( কাব্যগ্রন্থ)</div>
<div dir="auto">নির্বাচিত গল্প</div>
<div dir="auto">নির্বাচিত কবিতা</div>
<div dir="auto">অদ্ভুত সব ভূতের গল্প</div>
<div dir="auto">আঁধারকাল ( মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস)</div>
<div dir="auto">Global Warming : Facing the Havoc</div>
<div dir="auto">দ্য স্পাই– পাওলো কোয়েলহো ( অনুবাদ) ছাড়াও সাম্প্রতিক সময়ে বাজারে এসেছে করোনাকালের কথা, আমাদের ভাষা আন্দোলন ও আমাদের বঙ্গবন্ধু। গ্রন্থগুলো প্রকাশিত হয়েছে বাউণ্ডুলে প্রকাশনী থেকে।</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%93-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%85%e0%a6%b0%e0%a7%82/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>সাংস্কৃতিক জন কাজল ঘোষের রয়েছে সম্মৃদ্ধ ইতিহাস </title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%9c%e0%a6%a8-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%b2-%e0%a6%98%e0%a7%8b%e0%a6%b7%e0%a7%87%e0%a6%b0/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%9c%e0%a6%a8-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%b2-%e0%a6%98%e0%a7%8b%e0%a6%b7%e0%a7%87%e0%a6%b0/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[সাবা প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 21 Sep 2022 18:03:01 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[কথামালা]]></category>
		<category><![CDATA[জীবন কথা]]></category>
		<category><![CDATA[উৎসব]]></category>
		<category><![CDATA[সাংস্কৃতিক]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://shahittabazar.com/?p=5077</guid>

					<description><![CDATA[সাংস্কৃতিক জন কাজল ঘোষের রয়েছে সম্মৃদ্ধ ইতিহাস  সংগীতজ্ঞ ওস্তাদ পঞ্চানন ঘোষ বরিশাল তথা ভারতবর্ষের সংগীত অনুরাগী প্রায় সকলের কাছে পরিচিত একটি নাম। যিনি কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল<span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%9c%e0%a6%a8-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%b2-%e0%a6%98%e0%a7%8b%e0%a6%b7%e0%a7%87%e0%a6%b0/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div id="m#msg-a:r-2321401517091666809" class="mail-message expanded">
<div class="mail-message-header spacer"><strong>সাংস্কৃতিক জন কাজল ঘোষের রয়েছে সম্মৃদ্ধ ইতিহাস </strong></div>
<div class="mail-message-content collapsible zoom-normal mail-show-images ">
<div class="clear">
<div dir="auto">
<div class="gmail_quote" dir="auto">
<div dir="auto">
<div dir="auto">
<div dir="auto"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/09/IMG_20220921_234825.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignright size-full wp-image-5078" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/09/IMG_20220921_234825.jpg" alt="" width="250" height="283" /></a>সংগীতজ্ঞ ওস্তাদ পঞ্চানন ঘোষ বরিশাল তথা ভারতবর্ষের সংগীত অনুরাগী প্রায় সকলের কাছে পরিচিত একটি নাম। যিনি কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম ও চারণ করি মুকুন্দ দাসের সহচর্যে ছিলেন তাঁর জীবনের বেশীরভাগ সময়। আধুনিক বরিশালের অনেকেই হয়তো তা জানেন না বা জানলেও হয়তো স্মরণ সমীরণে আছে দ্বিধাদ্বন্দ্ব বা মেরুকরণ। যে কারণেই হয়তো বরিশালের গর্বিত ইতিহাসের অংশ হতে পারেনি তার পরবর্তী প্রজন্মের কোনো উল্লেখযোগ্য অবদান। অবশ্য তিনি পটুয়াখালী জেলার খেপুপাড়ার বাসিন্দা হওয়াটাও একটা কারণ বটে। তবে বৃহত্তর বরিশালের গর্ব ছিলেন ওস্তাদ পঞ্চানন ঘোষ পটুয়াখালীর শহীদ স্মৃতি পাঠাগারটিতে গাঁথা আছে তাঁর স্মরণালেখ্য। তাঁরই ছেলে বরিশালের সাংস্কৃতিক সংগঠক ও সাংস্কৃতিক জন কাজল কুমার ঘোষেরকে সাহিত্য বাজার পত্রিকার গুনীজন সম্মাননা ২০২২ প্রদানের মাধ্যমে শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা জানাতে চায় পত্রিকা কর্তৃপক্ষ। আর এটা গ্রহণে সম্মতি দিয়েছেন কাজল ঘোষও। তারও জন্ম তৎকালিন বরিশাল জেলার খেপুপাড়া বা বর্তমান পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলাতেই। মা নীহার কনা ঘোষ একজন সফল শিক্ষিকা যিনি কাজলের জন্মের সময় খেপুপাড়া গার্লস্ স্কুলের প্রধান শিক্ষক ছিলেন। ৫ ভাইয়ের মধ্যে কাজল তৃতীয়। বড় ভাই প্রদীপ কুমার ঘোষ (পুতুল) ও মেঝ ভাই শ্যামল কুমার ঘোষ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের রনাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। কাজল নিজেও একজন মুক্তিযোদ্ধা বলে জানালেন প্রতিবেদককে। তিনি বলেন, বাবা-মায়ের চাকুরীর সুবাদে ১৯৬১ সনে তারা খেপুপাড়া ছেড়ে বরিশালে চলে আসেন। ১৯৬২ সনে বরিশালের প্রতিষ্ঠিত মিশনারীদের সেইন্ট পলস স্কুলে তৃতীয় শ্রেণীতে ভর্তি হন। পরে সেইন্ট পলস স্কুলের নামকরণ করা হয় উদয়ন স্কুল। ১৯৭০ সনে তিনি এই উদয়ন স্কুল থেকে মেট্রিকুলেশন পাস করেন এবং ১৯৭০ সনেই সরকারী ব্রজমোহন কলেজে বিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি হন এবং ব্রজমোহন কলেজ থেকে ১৯৭৪ সনে বিএসসি ডিগ্রি অর্জন করেন।</p>
<div class="gmail_quote" dir="auto">
<div class="gmail_attr" dir="ltr">ছোটবেলা থেকেই কাজল বাবা মায়ের অনুপ্রেরনায় একটি সাংস্কৃতি পরিমন্ডলে বড় হয়েছেন। সংগীতজ্ঞ বাবার সন্তান সে। তাই স্বভাবতই শুরুতে সংগীত ও আবৃত্তি পরিবেশনের মধ্য দিয়ে সাংস্কৃতিক অঙ্গনের যাত্রা শুরু হয় তার।পারিবারিক পরিমন্ডলে সংগীত চর্চা করে প্রান্তিক সংগীত বিদ্যালয়ে ১৯৭২ সনে ভর্তি হয়ে বেশ কয়েক বছর বরিশালের সংগীত অঙ্গনে কাজ করেন কাজল ঘোষ। এর পূর্বে ১৯৬৬ সনে কাজল যখন ৭ম শ্রেনীর ছাত্র তখন বর্তমান সংগীত শিল্পী ও বিশেষজ্ঞ তপন মাহামুদের নির্দেশনায় চাঁদের ছেলে নামক একটি নাটকে মূখ্য ভূমিকায় অভিনয়ের মধ্য দিয়ে নাটকেও যাত্রা শুরু হয় তার। এরপর থেকে আর থেমে থাকেনি নাট্যচর্চা। সংগীতে জাতীয় পর্যায়ের পুরস্কার সহ অনেক অনেক সম্মাননাও পেয়েছেন কাজল ঘোষ। একজন অভিনেতা, নির্দেশক নাট্য সংগঠক হিসাবে বরিশালে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন তিনি অনেকটা ব্যতিক্রমী ধারায়। বর্তমানে সামাজিক সাংস্কৃতিক অঙ্গনে কাজল একজন পুরোধ্বা ব্যক্তিত্ব।<br />
স্কুল, কলেজ, বেতার, টেলিভিশন ও বরিশাল নাট্যাংগনে (পদক্ষেপ, বরিশাল নাটক, উদীচী) চল্লিশের অধিক নাটকে অভিনয় করে কাজল বরিশাল সাংস্কৃতিক ও নাট্য ব্যক্তিত্ব হিসাবে পরিচিতি লাভ করেছেন। সাংস্কৃতিক পরিমন্ডলে এই দীর্ঘ পথ পরিক্রমায় কাজল উদীচী বরিশাল জেলা সংসদের সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতি, বরিশাল নাটকের সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতি, জাতীয় রবীন্দ্র সংগীত সম্মিলন পরিষদের সভাপতি, বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশান বরিশাল বিভাগের বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও বরিশাল সাংস্কৃতিক সংগঠন সমন্বয় পরিষদের সভাপতি ও বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন কয়েক বছর। সাংস্কৃতিক ও নাট্যাংগনে কাজ করার সুবাদে কাজল প্রায় ৪০টির অধিক নাটকে অভিনয় করেছেন এবং যার প্রদর্শনী সংখ্যা অর্ধ শতাধিক। তার অভিনিত উল্লেখ যোগ্য নাটক নুরুল দিনের সারা জীবন, যুদ্ধ এবং যুদ্ধ, তোমরাই, আর্বত, লাল সালু, সখিনা, সমাজ, আলী বাবার পাচালী, জমিদার দর্পন, বিবিসাব, লেট দেয়ার বি লাইট, গিনিপিগের খাঁচা, আয়নায় বন্ধুর মূখ, পদ্মাবতীর পাচালী, অন্ধ্যকারের নিচে সূর্য অন্যতম।</div>
<div class="gmail_attr" dir="ltr">কর্মজীবনে একজন কেমিস্ট কাজল ঘোষ ১৯৭৮ সনে একটি ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানীতে কেমিষ্ট হিসেবে যোগদান করেন এবং ১৯৮০ সনে ফার্মাসিস্ট হিসাবে রেজিস্ট্রেশন গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে আয়ূর্বেদিক মেডিসিন এর উপরে ০৪ বছরের কোর্স সম্পন্ন করে ডিএএমএস ডিগ্রি লাভ করেন। দীর্ঘ ৪০ বছর ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্পে ফার্মাসিস্ট হিসেবে কর্মরত থেকে বিভিন্ন সময়ে উৎপাদন ব্যবস্থাপক, মান নিয়ন্ত্রন ব্যবস্থাপক, কারখানা ব্যবস্থাপক এবং গত ০৪ বছর থেকে কেমিষ্ট ল্যাবরেটরীজ লিঃ এর মহা-ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করছেন। ঘুরেছেন দেশ ও বিদেশে, বহু প্রশিক্ষনে অংশগ্রহণ করে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছেন। ভারত, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া ইন্ডাস্ট্রিয়াল ভ্রমন করেছেন এবং জাপানে উৎপাদনশীলতার উপরে ১৫ দিনের একটি প্রশিক্ষন কোর্স সফলতার সাথে শেষ করেছেন।</div>
<div dir="ltr">রাজনিতি ও সামাজিক কর্মকান্ডের মাঝে ছাত্র জীবন থেকেই কাজল সম্পৃক্ত। স্কুল জীবন থেকেই বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত থেকে কাজল একজন সমাজ সচেতন মানুষ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। ব্রজমোহন কলেজে অধ্যায়নরত অবস্থায় কাজল বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সক্রিয় সদস্য ছিলেন। এর পূর্বে ৬৯’র গণ অভ্যুত্থানসহ ৭০’র নির্বাচন ও স্বাধিকার আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত ছিলেন। ৭১’র মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করার গর্বিত স্মৃতিচারণে কাজল বলেন, মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে আমি টাকি মুক্তিযোদ্ধা ক্যাম্পে অনারারি লেঃ তোফাজ্জেল হক খোকা চৌধুরীর নেতৃত্বে প্রশিক্ষণ নেয়ার পরে মুক্তিযোদ্ধা সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মোঃ আক্কাস হোসেনের তত্ত্বাবধানে বনগ্রাম মুক্তিযোদ্ধা নিয়োগ কেন্দ্রে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কর্মরত ছিলাম। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালিন অবস্থায় বানারীপাড়া থানায় পাক বাহিনীর হাতে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে জানান তিনি।<br />
৭০’র নির্বাচন বাংলাদেশের স্বাধিকার আন্দোলন ও ৭৫’ পরবর্তী সৈরাচারি শাসনের বিরুদ্ধে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের নেতৃত্ব দিয়েছেন। তিনি জেলা পরিষদ পুকুর রক্ষা, বরিশালের বধ্যভূমি রক্ষা, বিবি পুকুর, অশ্বিনী কুমার হল, বঙ্গবন্ধু অডিটরিয়াম ও শিল্পকলা একাডেমি নির্মাণে মূখ্য ভূমিকা পালন করে নেতৃত্ব দিয়েছেন বলে জানালেন মুখোমুখি সাক্ষাতে। এছাড়া সেক্টর কমান্ডার ফোরাম মুক্তিযুদ্ধ ৭১’র মাধ্যমে বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে চলেছেন কাজল ঘোষ ।</div>
<div dir="ltr">
<div id="attachment_5079" style="width: 310px" class="wp-caption alignleft"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/09/FB_IMG_1663754120375.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-5079" class="wp-image-5079 size-medium" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/09/FB_IMG_1663754120375-300x225.jpg" alt="" width="300" height="225" /></a><p id="caption-attachment-5079" class="wp-caption-text">স্বপরিবারে কাজল ঘোষ</p></div>
<p>বর্তমানে কাজল ঘোষ বরিশালের সেক্টর কমান্ডার মুক্তিযুদ্ধ,৭১ এর বরিশাল মহানগরের সাধারণ সম্পাদক, দুর্নিতি প্রতিরোধ কমিটির সহ-সভাপতি, শ্রম আদালতের জুড়ি বোর্ডের সদস্য, বরিশাল সোসাইটি ফর ফার্মাসিউটিক্যাল কেমিষ্ট এর সাধারণ সম্পাদক, দৈনিক আজকের বার্তার উপদেষ্টা, শহীদ আবদুর রব সেরনিয়াবাত বরিশাল প্রেসক্লাবের সহযোগী সদস্যসহ আরও বহু সংগঠনের উপদেষ্টা ও সংগঠক হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন। ইতিমধ্যে তিনি বহু সম্মাননা পেয়েছেন, তার মধ্যে আরজ আলী মাতব্বর স্মারক সম্মাননা, ভোরের কাগজ পত্রিকার স্মারক সম্মাননা উল্লেখযোগ্য । স্ত্রী ও এক সন্তান নিয়ে সুখী ও সাংস্কৃতিক পরিবার কাজল ঘোষের।</p>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div class="mail-message-footer spacer collapsible"></div>
</div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%9c%e0%a6%a8-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%b2-%e0%a6%98%e0%a7%8b%e0%a6%b7%e0%a7%87%e0%a6%b0/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>সাংবাদিক স্বপনঃ বই যার জীবনযাপন</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%aa%e0%a6%a8%e0%a6%83-%e0%a6%ac%e0%a6%87-%e0%a6%af%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a7%80%e0%a6%ac/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%aa%e0%a6%a8%e0%a6%83-%e0%a6%ac%e0%a6%87-%e0%a6%af%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a7%80%e0%a6%ac/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক, সাহিত্য বাজার]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 09 Sep 2022 18:09:00 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[কথামালা]]></category>
		<category><![CDATA[জীবন কথা]]></category>
		<category><![CDATA[বই]]></category>
		<category><![CDATA[বাজার]]></category>
		<category><![CDATA[সাহিত্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://shahittabazar.com/?p=5069</guid>

					<description><![CDATA[<p dir="ltr">সাংবাদিক স্বপনঃ বই পাগল একজন অনুবাদক ও লেখক</p> <p dir="ltr">চলতি বছর সাহিত্য বাজার সাহিত্য সম্মাননা প্রদান করা হচ্ছে সবসময় অন্তরালে থেকে যাওয়া, প্রচারবিমুখ  সাংবাদিক, লেখক ও অনুবাদক আনিসুর রহমান</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%aa%e0%a6%a8%e0%a6%83-%e0%a6%ac%e0%a6%87-%e0%a6%af%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a7%80%e0%a6%ac/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p dir="ltr"><strong>সাংবাদিক স্বপনঃ বই পাগল একজন অনুবাদক ও লেখক</strong></p>
<p dir="ltr"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/09/Screenshot_2022-09-08-18-24-58-68_99c04817c0de5652397fc8b56c3b3817.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-5070" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/09/Screenshot_2022-09-08-18-24-58-68_99c04817c0de5652397fc8b56c3b3817-300x208.jpg" alt="" width="300" height="208" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/09/Screenshot_2022-09-08-18-24-58-68_99c04817c0de5652397fc8b56c3b3817-300x208.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/09/Screenshot_2022-09-08-18-24-58-68_99c04817c0de5652397fc8b56c3b3817-768x534.jpg 768w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/09/Screenshot_2022-09-08-18-24-58-68_99c04817c0de5652397fc8b56c3b3817-1024x712.jpg 1024w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/09/Screenshot_2022-09-08-18-24-58-68_99c04817c0de5652397fc8b56c3b3817.jpg 1036w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>চলতি বছর সাহিত্য বাজার সাহিত্য সম্মাননা প্রদান করা হচ্ছে সবসময় অন্তরালে থেকে যাওয়া, প্রচারবিমুখ  সাংবাদিক, লেখক ও অনুবাদক আনিসুর রহমান স্বপনকে। এটা তার সম্মান বাড়াতে নয়। বরং এটা করে নিজেরাই সম্মানিত হতে চায় সাহিত্য বাজার ডটকম সম্পাদক ও প্রকাশক।</p>
<p dir="ltr">ঢাকায় জন্মগ্রহণ করা বরিশালের সন্তান আনিসুর রহমান স্বপন এর সাথে আমার পরিচয় ১৯৯৮ সালের মাঝামাঝি সময়ে। দৈনিক ভোরের কাগজের মফস্বল বিভাগের সাব এডিটর রমেন বিশ্বাস এই পরিচয়টি ঘটিয়ে দেন। কৃতজ্ঞতা সবসময় রমেনদার প্রতি। কারণ, ভোরের কাগজে তার ও বার্তা সম্পাদক অলক গুপ্তের সমর্থন ও সহযোগিতায় আমি ঐ সময় ঘুরে বেড়িয়েছি বাংলাদেশের প্রায় সব জেলায়। পটুয়াখালী, পিরোজপুর ও মঠবাড়িয়ায় তখন ভোরের কাগজের প্রতিনিধি সন্ধানের প্রয়োজনে রমেন দা আমাকে পাঠালেন বরিশাল প্রতিনিধি আনিসুর রহমান স্বপন এর কাছে। মতিউর রহমান ভাই তখন ভোরের কাগজের সম্পাদক। বরিশালে এসে আনিসুর রহমান স্বপন ভাইয়ের কাছে নিজের পরিচয় জানাই &#8211; ভোরের কাগজের একজন কনট্রিবিউটর বা প্রদায়ক হিসেবে। চশমার কারণে খুব গুরুগম্ভীর মানুষ ভেবে কিছুটা দূরত্ব মেনে চলার চেষ্টা ছিলো আমার। প্রথমদিকে তিনিও সেটাই ধরে রাখার চেষ্টা করেছিলেন কিন্তু যেই জানতে পারলেন আমিও বরিশালের চাঁদপুরা ইউনিয়নের তালুকদার হাটের সন্তান। তখনই তার গম্ভীরতা ভেঙে খান খান হলো। হাত ধরে টেনে নিয়ে গেলেন নিজের ঘরে পরিচয় করিয়ে দিলেন স্ত্রী ও সন্তানের সাথে। দুপুরে তার ঘরেই খেতে হলো এবং পিরোজপুর ও পটুয়াখালীতে কার কার সাথে যোগাযোগ করবো তাও পথনির্দেশ করে দিলেন। (তার দেখানো পথে হেটে পটুয়াখালীতে কাজল বরুণ দাস এবং পিরোজপুরে ওবায়দুল কবিরকে নিয়ে ঘুরে ঘুরে কয়েকটি প্রতিবেদন প্রকাশ পেল ভোরের কাগজে।) ঐ অল্পসময়ে বরিশাল প্রেমী একজন মানুষের প্রতি আমার গভীর ভালোবাসা তৈরি হয়ে গেল। যা পরবর্তীতে আরো নির্ভরতা বাড়িয়েছে। তিনি দীর্ঘদিন বিদেশে অবস্থান করার পরও বরিশালে ফিরে এসেছেন। ঢাকায় প্রচুর সম্ভাবনা তৈরির পরও তিনি বরিশাল ছাড়েন নি বরং ঢাকাকেই তার কাছে আসতে বাধ্য করেছেন। এমন একজন দেশপ্রেমিক আনিসুর রহমান স্বপন বরিশালের মাটি ও মানুষের প্রতি ভালোবাসা নিয়ে আজো সাংবাদিকতা পেশায় জড়িয়ে আছেন। পড়তে ভালোবাসেন। ভালোবাসেন লিখতে। আর পড়া ও লেখার মাঝেই সময় কেটে যায় তার। বইবাজারে নতুন কোনো বই আসলেই সবার আগে সে বইটি তার চাই। বরিশালের খ্যাতনামা বইয়ের দোকান বুক ভিলার মালিক কর্মচারী তাই নতুন বই এলেই আগে আনিসুর রহমান স্বপনকে ফোন করেন। তারপরের ফোনটি করেন অধ্যাপক তপংকর চক্রবর্তীকে। এই করে নিজের বাড়িটিকেই লাইব্রেরি বানিয়ে ফেলেছেন আনিসুর রহমান স্বপন।  তার বই সংগ্রহ ও পড়ার নেশা আজ অনন্য উদাহরণ বরিশালের আগামী প্রজন্মের জন্য।</p>
<p dir="ltr"><span style="font-weight: 300;"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/09/Screenshot_2022-09-08-18-24-18-03_99c04817c0de5652397fc8b56c3b3817.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignright size-medium wp-image-5071" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/09/Screenshot_2022-09-08-18-24-18-03_99c04817c0de5652397fc8b56c3b3817-300x194.jpg" alt="" width="300" height="194" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/09/Screenshot_2022-09-08-18-24-18-03_99c04817c0de5652397fc8b56c3b3817-300x194.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/09/Screenshot_2022-09-08-18-24-18-03_99c04817c0de5652397fc8b56c3b3817-768x498.jpg 768w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/09/Screenshot_2022-09-08-18-24-18-03_99c04817c0de5652397fc8b56c3b3817-1024x664.jpg 1024w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/09/Screenshot_2022-09-08-18-24-18-03_99c04817c0de5652397fc8b56c3b3817.jpg 1111w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>ছোটোবেলা খেলতে গিয়ে ডান চোখে তীব্র আঘাত পান তিনি। যে আঘাতে তার চোখটি দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে ফেলে। এরপর থেকে একচোখে দীর্ঘ ছয় দশক ধরে নিজের প্রতিটি কাজ করে চলছেন। এ বিষয়ে আনিসুর রহমান স্বপন বলেন, আমার মনে হয় অন্যান্য যে কোনো নেশার থেকে বই সংগ্রহ করা ও পড়া আর মারাত্মক এবং ব্যয়সংকুল নেশা। আর আমি মনে করি পাঠ অভ্যাস করাটা আমাদের সবার জন্য জরুরি। তবে অনেকেই ইউটিউব বা বিভিন্ন মাধ্যমে পড়ার চেষ্টা করে, তবে প্রিন্ট বই পড়ার মজাটাই আলাদা। এটা ইউটিউব বা গুগলে পাওয়া যাবে না। তাই বলতে পারি এখনো মুদ্রিত বইয়ের আকর্ষণ রয়েছে এবং এটা কখনোই শেষ হবার নয়।</span></p>
<p dir="ltr">তিনি বলেন, বাবা প্রয়াত আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইসমাইল খানকে দেখে ছোটবেলা থেকেই বই পড়ার খুব সখ তৈরি হয়েছিল। মাত্র চার থেকে পাঁচ বছর বয়সে ডান চোখে আঘাত পাই। এরপর বিভিন্নভাবে চিকিৎসা করালেও চোখটি ভালো হয়নি, শুরু হয়ে যায় একচোখের জীবন। তবে এমনও দিন গেছে চোখের ডাক্তার দেখানোর টাকা দিয়ে নতুন বই কিনে আনতাম। আবার সদররোডের বাসার নিচতলার দোকানের ভাড়া অনেক মাসেই আব্বা নিতে পারতেন না। কারণ বই কিনে কিনে ভাড়ার টাকা খুইয়ে দিতাম। তারপরও বই পড়া কখনো ছাড়িনি। মাত্র একটি চোখের ওপর চাপ দিয়ে বই পড়া চালিয়ে গেছি। এখনও এমন দিন যায় বই পড়তে পড়তে রাত-ভোর হয়ে যায়। আর বই পড়া থেকেই লেখার প্রতি আগ্রহটা সৃষ্টি হয়। তবে বয়স হওয়ায় মাঝে মধ্যে কিছুটা কষ্টও হয়।</p>
<p dir="ltr">আদতে ৭০ প্রায় বয়সের যুবক আনিসুর রহমান সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত থেকেও নিয়মিত বই পড়ার অভ্যাসের ফলে অর্জিত জ্ঞানকে পুঁজি করে লেখালেখির কাজটিও করেন প্রচণ্ড নৈতিকতা নিয়ে। কোথাও তথ্য ঘাটতি হলে সে নিউজটি অপ-সাংবাদিকতা বলে মনে করেন তিনি।</p>
<p dir="ltr">তিনি জানান, সংবাদে তথ্য ঘাটতি থাকা উচিত নয়। কারণ এতে করে পাঠক বিভ্রান্ত হবে। তাই সাংবাদিককে পড়তে হবে। যখন যে বিষয়ে প্রতিবেদন সাজাবে, সে বিষয় সম্পর্কে পরিপূর্ণ জ্ঞান রাখতে হলে পড়তেই হবে। পড়ার কোনো বিকল্প নেই। সংগ্রহে তার দুর্লভ কিছু বই রয়েছে। আর তার সংগ্রহশালায় বিভিন্ন ধরনের বইয়ের মধ্যে ইতিহাস ও দর্শনের বই সবচেয়ে বেশি ।</p>
<p><span style="font-weight: 300;">প্রচার বিমুখ, অন্তর্মুখী, বইপোকা মানুষ আ.ব.ম. আনিসুর রহমান স্বপন ১৯৫৭ সালের ৩০ জানুয়ারি ঢাকার ১৩ নম্বর নয়া পল্টনে নানা বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তার পৈতৃক বাড়ি ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার ক্ষিরাকাঠি গ্রামে হলেও বেড়ে ওঠা বরিশাল শহরে। বাবা মো: ইসমাইল খান আইনজীবী ছিলেন এবং মা আয়েশা বেগম (হেলেন)। বরিশালের সিস্টার্স ডে প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে তার প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা জীবনের শুরু। এরপর বরিশাল ব্রজমোহন বিদ্যালয় থেকে ১৯৭১ সালে (১৯৭২ সালে অনুষ্ঠিত) এসএসসি, বরিশাল ব্রজমোহন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে ১৯৭৩ সালে এইচএসসি, একই প্রতিষ্ঠান থেকে ১৯৭৬ সালে বাংলা সাহিত্যে স্নাতক (সম্মান ) এবং ১৯৭৭ এ স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ও ইতিহাসবিদ ড. কাজী দীন মুহম্মদের তত্ত্বাবধানে কথা সাহিত্যিক আবুল মনসুর আহমদের ভাষা চিন্তার উপর কিছুদিন এম ফিল এবং পশ্চিম বঙ্গের যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. পবিত্র সরকারের তত্ত্বাবধানে বরিশালের আঞ্চলিক ভাষার উপর পিএইচডি পর্যায়ে গবেষণা করলেও তা অসমাপ্ত রাখেন। </span><span style="font-weight: 300;">১৯৮৬ সালে তিনি জীবীকার সন্ধানে দেশ ছেড়ে বিদেশে পাড়ি জমান এবং ইরানের তেহরানে অবস্থান করেন। ১৯৯৬ পর্যন্ত তিনি তেহরানে ছিলেন। তখন তিনি ইসলামিক প্রপাগেশন অর্গানাইজেশনে অনুবাদক, রেডিও তেহরানের বাংলা বিভাগের ঘোষক, সংবাদ পাঠক, সম্পাদক ও ভারপ্রাপ্ত পরিচালকের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ‘ডেইলি তেহরান টাইমস’ পত্রিকায় কাজ করেন। এ ছাড়া পশ্চিমবঙ্গের পত্রিকা ‘প্রতিক্ষণ’, ‘বিভাব,’ ও ‘সাঙ্কৃতিক খবর’এ লেখালেখি করেছেন। </span></p>
<p dir="ltr"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2021/08/IMG_20210715_132649.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-4464" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2021/08/IMG_20210715_132649-225x300.jpg" alt="" width="225" height="300" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2021/08/IMG_20210715_132649-225x300.jpg 225w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2021/08/IMG_20210715_132649-768x1024.jpg 768w" sizes="auto, (max-width: 225px) 100vw, 225px" /></a>১৯৭০ সালে ঢাকা ডাইজেস্ট পত্রিকায় ‘সুইজারল্যান্ডের ঘড়ি শিল্প’ এবং ‘ হযরত মুসা (আ:) এর সমুদ্র অতিক্রম ও ফেরাউনের শলিল সমাধি শিরোনামে দু’ টি অনুবাদ কর্মের মাধ্যমে তার লেখক জীবনের আত্মপ্রকাশ ঘটে। <span style="font-weight: 300;">বাবা ছাড়াও তৎকালীন’ পাকিস্তানি খবর’ পত্রিকার লেখক ও বামপন্থী ( মার্ক্সবাদী) চিন্তা ধারায় বিশ্বাসী ( পরবর্তীতে পীরের খলিফা) ছোটচাচা বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তা মোঃ হাবিবুর রহমান খানের উৎসাহ ও অনুপ্রেরণায় ছোটবেলা থেকেই আনিসুর রহমান খান স্বপনের লেখালেখি ও পাঠের অভ্যাস গড়ে ওঠে এবং তখন থেকেই বই সংগ্রহ করা তার প্রিয় শখে পরিণত হয়। বর্তমানে তার বিশাল গ্রন্থাগারটিতে বহু দুর্লভ বই রয়েছে। এমনকি মহাকাব্য মেঘদূত এবং ওমর খৈয়ামের রুবাইয়াতও প্রথম সংস্করণ রয়েছে তার সংগ্রহে। </span></p>
<p dir="ltr">১৯৭৩ সালে বরিশাল থেকে প্রকাশিত ‘সাপ্তাহিক গণডাক’ পত্রিকার মাধ্যমে তার সাংবাদিক জীবনের শুরু। এরপর ১৯৮২-১৯৮৪ পর্যন্ত জাতীয় দৈনিক আজাদ, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বিদেশে পাড়ি জমানোর আগ পর্যন্ত স্থানীয় সাপ্তাহিক লোকবাণী, দেশে ফিরে এসে জাতীয় দৈনিক ভোরের কাগজ ও বাংলা ট্রিবিউন এ কাজ করেন। বর্তমানে তিনি ইংরেজি দৈনিক নিউ এজ এবং ঢাকা ট্রিবিউন এর সাথে বরিশাল প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছেন। তিনি বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটির প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন। আনিসুর রহমান খান স্বপন বাংলা একাডেমি, বরিশাল পাবলিক লাইব্রেরি ও এফপিএবি বরিশাল এর আজীবন সদস্য।</p>
<p dir="ltr"><strong>প্রকাশিত গ্রন্থ </strong></p>
<p dir="ltr"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/09/IMG20220908130758.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="aligncenter size-medium wp-image-5072" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/09/IMG20220908130758-225x300.jpg" alt="" width="225" height="300" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/09/IMG20220908130758-225x300.jpg 225w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/09/IMG20220908130758-768x1024.jpg 768w" sizes="auto, (max-width: 225px) 100vw, 225px" /></a>ফার্সী ভাষার ব্যাকরণ (১৯৯০), পারস্যে রবীন্দ্র চর্চা (১৯৯৩), বাংলাদেশে ফার্সী ভাষা ও সাহিত্য (১৯৯৫), পারস্যে রবীন্দ্রনাথ (২০১৭), একটি মোরগের কাহিনী ( অনুবাদ,১৯৮৬), পারলৌকিক জীবন ( অনুবাদ: ১৯৮৭) এবং তাহেরেহ সফরজাদেহ: স্বনির্বাচিত কবিতা (অনুবাদ: ১৯৯১)</p>
<p dir="ltr"><strong>প্রকাশিতব্য গ্রন্থ </strong></p>
<p dir="ltr">মাহাদী সহেলির কবিতা (অনুবাদ), দারাশুকোর অনূদিত উপনিষদ, নাজিম হেকমতের কবিতা (অনুবাদ), কাহলিল জীব্রানের সুভাষিত সুবচন  ( অনুবাদ), জরথ্রুস্টের আবেস্তা এবং মওলানা রুমির নেই ও শ্রী কৃষ্ণের বাঁশি। পারস্যে রবীন্দ্রনাথ বইটির জন্য কলিকাতার ‘সাঙ্কৃতিক খবর’ গোষ্ঠী তাকে ভূমেন্দ্র গুহ স্মৃতি পুরস্কারে সম্মানিত করে।<span style="font-weight: 300;"> </span></p>
<p dir="ltr"><span style="font-weight: 300;"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/09/IMG_20220910_00063738.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-5073" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/09/IMG_20220910_00063738-300x169.jpg" alt="" width="300" height="169" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/09/IMG_20220910_00063738-300x170.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/09/IMG_20220910_00063738-768x432.jpg 768w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/09/IMG_20220910_00063738-1024x576.jpg 1024w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/09/IMG_20220910_00063738-70x40.jpg 70w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/09/IMG_20220910_00063738.jpg 1920w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>আনিসুর রহমান স্বপন নিজ উদ্যোগে বরিশাল সদর রোডের পৈতৃক ভিটে এবং বরিশালেরই কাউনিয়া প্রধান সড়কে শ্বশুরালয়ে আলাদা আলাদা দুটি সংগ্রহশালা গড়ে তুলেছেন।        পারিবারিক জীবনে আনিসুর রহমান খান একজন সুখী ব্যক্তি। তার সহধর্মিণী অবসরপ্রাপ্ত কলেজ শিক্ষক লেখক ও সমাজসেবী বেগম ফয়জুন নাহার শেলী বলেন, এই লাইব্রেরি হচ্ছে আমার সতীন। সারাক্ষণ বইয়ের মধ্যে ডুবে থাকেন তিনি। সংসারের অন্য সব বিষয়ে উদাসীন একটা মানুষ। তবে তার সাথে সাথে আমারও অভ্যাস হয়ে গেছে এই লাইব্রেরি ব্যবহার করার। ছেলেমেয়েরাও সবাই বই পড়তে খুব ভালোবাসে। এটা এ যুগের জন্য বিরলই বলতে হবে।  তাদের সংসারে দুই ছেলে ও এক মেয়ে। বড়ছেলে আরিফুর রহমান খান তানিম একটি মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানির হিসাবরক্ষক, ছোটছেলে আসিফুর রহমান খান তামিম এল এল বি (সম্মান) সালাম-আজিজ ল চেম্বরের সাথে যুক্ত রয়েছে এবং মেয়ে তানিমা রহমান খান শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটি অফ ক্রিয়েটিভ টেকনোলজি থেকে স্নাতক (সম্মান) পাস করে স্বনির্ভর ব্যবসা করছে।</span></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%aa%e0%a6%a8%e0%a6%83-%e0%a6%ac%e0%a6%87-%e0%a6%af%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a7%80%e0%a6%ac/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>শুধু দৃষ্টিহীনদের নয়ঃ একজন মানবতার মা মঞ্জুু সমদ্দার</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%b6%e0%a7%81%e0%a6%a7%e0%a7%81-%e0%a6%a6%e0%a7%83%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%b9%e0%a7%80%e0%a6%a8%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a7%9f%e0%a6%83-%e0%a6%8f%e0%a6%95/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%b6%e0%a7%81%e0%a6%a7%e0%a7%81-%e0%a6%a6%e0%a7%83%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%b9%e0%a7%80%e0%a6%a8%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a7%9f%e0%a6%83-%e0%a6%8f%e0%a6%95/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[সদানন্দ সরকার]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 29 Apr 2022 15:59:08 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[কথামালা]]></category>
		<category><![CDATA[জীবন কথা]]></category>
		<category><![CDATA[দৃষ্টি প্রতিবন্ধী]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://shahittabazar.com/?p=4926</guid>

					<description><![CDATA[<p>শুধু দৃষ্টিহীনদের নয়, একজন মানবতার মা মঞ্জুু সমদ্দার</p> <p>সন্তানের বড় হয়ে ওঠা ও প্রকৃত মানুষ হয়ে ওঠার প্রথম ও প্রধান কৃতিত্ব একজন মায়ের। মা যদি ভালো আর শিক্ষিত হন তাহলে</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%b6%e0%a7%81%e0%a6%a7%e0%a7%81-%e0%a6%a6%e0%a7%83%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%b9%e0%a7%80%e0%a6%a8%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a7%9f%e0%a6%83-%e0%a6%8f%e0%a6%95/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>শুধু দৃষ্টিহীনদের নয়, একজন মানবতার মা মঞ্জুু সমদ্দার</strong></p>
<p><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/04/IMG_20200316_1611502.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignright size-medium wp-image-4927" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/04/IMG_20200316_1611502-297x300.jpg" alt="" width="297" height="300" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/04/IMG_20200316_1611502-297x300.jpg 297w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/04/IMG_20200316_1611502-768x776.jpg 768w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/04/IMG_20200316_1611502-1013x1024.jpg 1013w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/04/IMG_20200316_1611502.jpg 1281w" sizes="auto, (max-width: 297px) 100vw, 297px" /></a>সন্তানের বড় হয়ে ওঠা ও প্রকৃত মানুষ হয়ে ওঠার প্রথম ও প্রধান কৃতিত্ব একজন মায়ের। মা যদি ভালো আর শিক্ষিত হন তাহলে তার সন্তান সুসন্তান হতে বাধ্য। একজন আদর্শ মা সবসময় তার সন্তানকে পরিবার ও আত্মীয় স্বজনদের মধ্যে রেখে বড় করার চেষ্টা করেন। কারণ, এতে করে সন্তানের মানবিক গুণাবলী বিকশিত হয়। তা না হলে ওরা বখে যায় নয়তো আবেগ অনুভূতিহীন হয়ে ওঠে। আলাপের শুরুতেই কথাগুলো বলেন এ সময়ের একজন আদর্শ মা এবং দৃষ্টিহীনদের মা বলে খ্যাত অধ্যাপিকা ও সমাজ সেবক মঞ্জুু সমদ্দার। শুধু নিজ গর্ভের পাঁচ সন্তান নয়, শত শত দৃষ্টিহীন সন্তানের মা তিনি এখন। তার এই দৃষ্টিহীন সন্তানদের অনেকেই এখন সমাজে প্রতিষ্ঠিত। তাদের কেউ ব্যাংকার, কেউ সমাজসেবক বা এনজিও কর্মকর্তা, আবার কেউ কেউ সরকারী উচ্চপদস্থ অফিসার। তাদের দেখে গর্বিত হন এই মানবিক মা মঞ্জুু সমদ্দার।<br />
দৃষ্টিহীনদের বেইল পদ্ধতিতে শিক্ষা প্রদান, হাতে কলমে তাদের প্রশিক্ষিত ও স্বাবলম্বী করে তোলার পাশাপাশি তাদের এই মা সবসময় মানবিকতার আবেদনগুলোতে দৃষ্টি দিতেন সবার আগে। হোস্টেলে তাদের সুবিধা অসুবিধার বিষয়গুলো আগে সুরাহা করতেন। মানসিক ও শারীরিক প্রতিবন্ধীদের জন্য তার ছিল আরো গভীর মনযোগ। তাই তিনি একজন মানবতার মা বলেও পরিচিত কারো কারো কাছে। তবে বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষের কাছে তাঁর পরিচয় তিনি দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের মা। সরকারী চাকুরী, বিদেশের হাতছানি আরো শত লোভনীয় আকর্ষণ ত্যাগ করে জীবনের প্রায় পুরো সময়টাই তিনি ব্যায় করে চলেছেন প্রতিবন্ধী আশ্রয়হীন মানুষদের মনে বিশ্বাসের আলো জ্বালাতে। বলা যায়, দৃষ্টি প্রতিবন্ধী এই সন্তানরা পৃথিবীকে দেখতেন তাদের এই মায়ের চোখ দিয়ে।<br />
এছাড়াও অবসর প্রাপ্ত ও বিধবা মায়েদের নিয়ে তিনি দাঁড় করিয়েছেন শুকতারা নামের একটি সংগঠন। এর সাথে সম্পৃক্ত মায়েরা তাদের একাকীত্বের যন্ত্রণা কাটিয়ে উঠে শুকতারা সংগঠনটিকে এগিয়ে নিয়ে চলেছেন। এ সংগঠনটি আর্তমানবতার সেবায় বিশেষ করে, বিধবাদের নিয়ে কাজ করছে।<br />
তার ঐকান্তিক চেষ্টায় তিনি গড়ে তুলেছিলেন দৃষ্টিহীন পুনর্বাসন কেন্দ্র বা রিহ্যাবিলিটেশন হোম ফর ব্লাইন্ড ওমেন। যদিও সম্প্রতি ফা- সংকট দেখিয়ে ঐ আশ্রয় প্রকল্পটি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। অথচ বাংলাদেশের পথে ঘটে, আনাচে কানাচে এখনো ঘুরে বেড়াচ্ছে অনেক দৃষ্টি প্রতিবন্ধী নারী। তাদের একটু আশ্রয় বা আবাসন ব্যবস্থার জন্য মঞ্জুু সমদ্দার করুন আকুতী জানিয়েছেন মানবতার জননী খ্যাত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি। তিনি বলেন, যাদের দৃষ্টি আছে তাদের জীবনই যেখানে সুরক্ষিত নয়, সেখানে দৃষ্টিহীনদের অবস্থা কি? তা সমাজের সকলেরই ভাবা উচিত। আমরা শুধু মুখেই মানবিকতার কথা বলি। অথচ বাস্তবতা ভিন্ন। সকলের উচিত মানবিকতার জন্যেই আশ্রয়হীন প্রতিবন্ধীদেও পাশে দাঁড়ানো।<br />
একজন মানবতার মা বা মানবিক মা কিম্বা দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের মা যে নামেই ডাকুন। তিনি মা। আর মায়ের বিকল্প কিছুই হয়না। তাইতো সয়ং ঈশ্বর বা আল্লাহ বলেছেন, “তোমার মায়ের প্রতি যতœশীল থাকো। মা কে সেইভাবে যতœ করো, যেভাবে মা শিশুবেলায় তোমার যতœ করেছেন”।<br />
<strong>আত্মপরিচয়ে মঞ্জুু সমদ্দার</strong><br />
মঞ্জুু সমদ্দার, পিতা রমজান আলি মুন্সী ও মাতা রত্মাময়ী মুন্সী এবং তাঁর স্বামী উইলিয়াম বিপ্লব সমদ্দার। সম্পর্কের এই মুন্সি ও সমদ্দার রহস্যের উত্তরে তিনি জানান, ধর্ম নয়, মানবিক বিবেচনায় ভালো মানুষটিই আমার প্রথম পছন্দের বিষয়। তাই মানুষের প্রতি গভীর ভালোবাসা নিয়ে কাজ করি আমি, বিনিময়ে মানুষও আমাকে ভালোবাসেন অকৃত্রিমভাবে।<br />
বাবা মায়ের আদর্শিক চেতনায় পড়াশুনা চলাকালেই শিক্ষকতার প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠেন তিনি। বিনামূল্যে পথশিশুদের শিক্ষা দান ছিল ছোট থেকেই নেশার মতো। তার এই গুনটির প্রতি আকৃষ্ট হয়েই হয়তো প্রেমে পরে যান উইলিয়াম বিপ্লব সমদ্দার।<br />
এসএসসি অধ্যায়ন সময়োই কলেজ পড়ুয়া বিপ্লব সমদ্দার এর সাথে প্রণয় ও বিয়ে। বিপ্লব সমদ্দার তখন তরুণ সংগঠক ও সমাজসেবক হিসেবে খ্যাতিসম্পন্ন ব্যক্তিত্ব। এই ব্যক্তিত্ববান মানুষটিকে নিজ হাতেই গড়ে তোলেন তিনি। প্রচ- ধৈর্য ও পরিশ্রমে স্বামীকে একজন দক্ষ প্রকৌশলী হিসেবে পরিচিত করে তুলেন সমাজ ও রাষ্ট্রের কাছে।<br />
কলেজ জীবন শেষ হতে না হতেই মহাখালী সরকারী আদর্শ বালিকা বিদ্যালয়ের সহ শিক্ষিকা ও স্পোর্টস টিচার হিসেবে সরকারী চাকুরিতে যোগদান করেন মঞ্জুু সমদ্দার। টানা ১৩ বছর এখানে শিক্ষকতা করার পর হঠাৎ তার আলাপ হয় মিশনারি মিস ক্যাম্পবেল এর সাথে। মিস ক্যাম্পবেল ব্যাপ্টিস্ট মিশন অন্ধ বালিকা বিদ্যালয় এর প্রতিষ্ঠাতা। তারই সহযোগিতার জন্যে মঞ্জুু সমদ্দার ১৯৮০ সালে সহ প্রধান শিক্ষিকা হিসেবে কাজ শুরু করেন ব্যাপ্টিস্ট মিশন অন্ধ বালিকা বিদ্যালয়ে। পরবর্তীতে ১৯৮৫ সালের ১৭ মে মিস ক্যাম্পবেল বাংলাদেশ ছেড়ে চলে যান এবং মঞ্জুু সমদ্দার এই প্রতিষ্ঠানের প্রিন্সিপাল নিযুক্ত হন। ঐ সময় মাত্র ১৭ জন দৃষ্টি প্রতিবন্ধী নিয়ে ২য় শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষা ব্যবস্থা ছিল। পরবর্তীতে প ম শ্রেণিতে উন্নিত হয়। মঞ্জুু সমদ্দারের ঐকান্তিক চেষ্টা ও ভালোবাসায় দৃষ্টি প্রতিবন্ধী মেয়েরা খুঁজে পান একজন বন্ধু ও একজন মা&#8217;কে। তারই তত্বাবধানে বর্তমান এই অত্যাধুনিক ভবনটি নির্মিত হয়েছে। শিক্ষা ব্যবস্থা উন্নিত হয়েছে এসএসসি পর্যন্ত এবং এইচএসসি বদরুন্নেসায় পড়াশুনার ব্যবস্থা করেন তিনি। ২০১২ সালে তিনি এ বিদ্যালয়ের কর্মজীবন থেকে অবসর গ্রহণ করলেও এখনো তিনি ছুটে যান যে কোনো প্রয়োজনে।</p>
<div id="attachment_4017" style="width: 310px" class="wp-caption alignleft"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2020/03/260320-01.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-4017" class="wp-image-4017 size-medium" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2020/03/260320-01-300x225.jpg" alt="" width="300" height="225" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2020/03/260320-01-300x225.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2020/03/260320-01-768x576.jpg 768w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2020/03/260320-01.jpg 816w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a><p id="caption-attachment-4017" class="wp-caption-text">স্বামীর কবরের পাশে</p></div>
<p>রাজনীতির পারিবারিক ধারা অব্যাহত রাখতে তিনি সক্রিয় ছিলেন আওয়ামী লীগের রাজনীতিতেও। ১৯৮৫ সালের মার্চে মিরপুর ১৩ নং ওয়ার্ডের মহিলা সম্পাদিকা নিযুক্ত হন তিনি। এছাড়াও জাতীয় প্রতিবন্ধী ফোরাম এর প্রতিষ্ঠাতা ও কোযাধ্যক্ষ ছিলেন। এ পদে ছিলেন দীর্ঘ সময়। এ সময় তিনি বিভিন্ন প্রতিবন্ধী সংগঠনের কার্যকরী সদস্য হিসেবেও অবদান রাখেন। আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী সংস্থার( ওঈঊঠও) আইসিইভিআই এর দেশীয় দূত ছিলেন। এছাড়াও বাংলাদেশ ব্যাপ্টিস্ট চার্চ সংঘের চারশটি ম-লীর মহিলা মর্ডারেটরের দায়িত্ব পালন করেন দীর্ঘ দিন। আর এ সুবাধে ধর্মতত্ত্বের উপরও ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি।<br />
তিনি বলেন, আমার বড়ছেলে প্রলয় সমদ্দার বাপ্পী রাজনীতিতে প্রবেশ করলে, আমি রাজনীতি থেকে অবসর নিলেও সেবার কোনো কাজ থেকে এখন পর্যন্ত অবসর নেই নাই।<br />
তিনছেলে ও দুই মেয়ে ও নয়জন নাতি নাতনি নিয়ে সাজানো সংসার তার। কিছুটা স্থবিরতা নেমে আসে উইলিয়াম বিপ্লব সমদ্দারের অকাল প্রয়াণে। ৬ ডিসেম্বর ১৯১৬ তে পরলোকে যান তিনি। দীর্ঘদিনের বন্ধুকে হারিয়ে নিঃসঙ্গ জীবনকে সামলাতে আরো বেশি কর্মব্যস্ত এই মানবিক মা ছুটে বেড়ান তার সন্তানদের সুশিক্ষা বিলাতে। আজ হাজারো শত সন্তান তার ছড়িয়ে আছে দেশ তথা বিশ্বের আনাচে কানাচে।<br />
তার বড়মেয়ে মেরী সূর্য্যানী যেন তারই ছায়া। মায়ের দেয়া শিক্ষা কাজে লাগাতেই যোগ দিয়েছিলেন দৃষ্টি প্রতিবন্ধী স্কুলটিতে। মেয়েকে নিজের মতোই একজন সেবিকা গড়ে তোলার চেষ্টা ছিল তার। এখানে তিনি কিছুটা সার্খকও বটে। কাবণ, মেয়ে তার অনেকটা সুনামের সাথেই সহ শিক্ষক হিসেবে কাজ করেন তার পাশে পাশে। পরবর্তীতে দক্ষতা ও যোগ্যতা দিয়ে মেরী সূর্য্যানী বরিশাল ব্যাপ্টিস্ট মিশন বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিযুক্ত হন। বর্তমানে তিনি সন্তান নিয়ে আমেরিকায় বসবাস করছেন।<br />
<a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2020/03/260320-03.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-4019" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2020/03/260320-03-300x225.jpg" alt="" width="300" height="225" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2020/03/260320-03-300x225.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2020/03/260320-03-768x576.jpg 768w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2020/03/260320-03.jpg 816w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>মঞ্জু সমদ্দার এর ছোটো ছেলে উইলিয়াম প্রবাল সমদ্দার আমেরিকায় ও সর্বকনিষ্ঠ এলিসা মৌসুমী শিক্ষকতা পোশায় ইংল্যান্ড বসবাস করেন।<br />
বড়ছেলে সমাজসেক ও রাজনীতিবিদ উইলিয়াম প্রলয় সমদ্দার বাপ্পী ও মেঝছেলে সুকণ্ঠ গায়ক উইলিয়াম পিয়াল সমাদ্দার জোয়েল এই বৃদ্ধ বয়সে তাঁর সহায়ক শক্তি। মেয়েরাও সবসময় তার কাজে উৎসাহ জুগিয়ে যাচ্ছেন সূদুর প্রবাস থেকে। আর তিনি তার শুকতারা সংগঠন নিয়ে এ বয়সেও আনন্দে মেতে আছেন ।। তিনি বলেন, মৃত্যুকে কে এড়াতে পারে বাবা? কেউ পারেনা, তবে মানুষ তার ভালোবাসা আর কর্ম দিয়ে মৃত্যুকে জয় করে নিতে পারে। নিজ কর্ম ও ভালবাসার বিনিময়ে তিনি অর্জন করে নিয়েছেন আন্তর্জাতিক নারী দিবস পুরুষ্কার সহ অসংখ্য পুরুষ্কার ও সম্মাননা।</p>
<p>পরিশেষে তাঁর মেয়ে মেরী সূর্য্যানী এর লেখা ও সুরে প্রতিবন্ধী সংগীতটি দিয়েই শেষ করবো এ প্রতিবেদন।<br />
&#8216;প্রতিবন্ধকতা ছিন্ন করে,<br />
চলার পথ দেও সহজ করে,<br />
দেও অধিকার করুণা নয়..<br />
ভালবাসা দেও&#8230; তোমার আমার।&#8217;</p>
<p>সমাজ, রাষ্ট্র ও বিশ্বের মানুষের কাছে এটাই মঞ্জুু সমদ্দারের একমাত্র চাওয়া। আর তাইতো এই বয়সেও ছুটে যান মানবিকতার ডাকে। যখনই কেনো প্রতিবন্ধীর কোন মানবিক সাহায্যের প্রয়োজন হয় ছুটে যান তাদের পাশে। হাতে হাত রেখে বলেন কি করতে পারি তোমাদের জন্য?</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%b6%e0%a7%81%e0%a6%a7%e0%a7%81-%e0%a6%a6%e0%a7%83%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%b9%e0%a7%80%e0%a6%a8%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a7%9f%e0%a6%83-%e0%a6%8f%e0%a6%95/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>উদারমনা সফল রাজনৈতিক ওবায়দুল কাদেরঃ যেন বঙ্গবন্ধুর প্রতিচ্ছবি</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%89%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%ae%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%b8%e0%a6%ab%e0%a6%b2-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a7%88%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%93%e0%a6%ac%e0%a6%be/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%89%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%ae%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%b8%e0%a6%ab%e0%a6%b2-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a7%88%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%93%e0%a6%ac%e0%a6%be/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক, সাহিত্য বাজার]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 27 Apr 2022 07:19:11 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[কথামালা]]></category>
		<category><![CDATA[জীবন কথা]]></category>
		<category><![CDATA[নিরাপদ সড়ক]]></category>
		<category><![CDATA[নির্মাণ]]></category>
		<category><![CDATA[সড়ক সেতুমন্ত্রী]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://shahittabazar.com/?p=4895</guid>

					<description><![CDATA[<p>উদারমনা সফল রাজনৈতিক ওবায়দুল কাদেরঃ যেন বঙ্গবন্ধুর প্রতিচ্ছবি </p> <p>তিনি যখন প্রথম সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক সেতুমন্ত্রী  হলেন মেসেঞ্জারে তার কাছে অনুরোধ জানানো হলো মোটরসাইকেলের ইন্সুইরেন্স কি উপকারে আসছে দয়া করে</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%89%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%ae%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%b8%e0%a6%ab%e0%a6%b2-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a7%88%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%93%e0%a6%ac%e0%a6%be/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><b>উদারমনা সফল রাজনৈতিক ওবায়দুল কাদেরঃ যেন বঙ্গবন্ধুর প্রতিচ্ছবি </b></p>
<p><span style="font-weight: 400;"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/04/IMG_20220427_130948.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="aligncenter size-medium wp-image-4896" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/04/IMG_20220427_130948-300x242.jpg" alt="" width="300" height="242" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/04/IMG_20220427_130948-300x242.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/04/IMG_20220427_130948-768x620.jpg 768w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/04/IMG_20220427_130948.jpg 793w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>তিনি যখন প্রথম সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক সেতুমন্ত্রী  হলেন মেসেঞ্জারে তার কাছে অনুরোধ জানানো হলো মোটরসাইকেলের ইন্সুইরেন্স কি উপকারে আসছে দয়া করে একটু ভেবে দেখুন। মাত্র একসপ্তাহের ব্যবধানে মোটরসাইকেলের ইন্সুইরেন্স তুলে দিলেন তিনি। এবং বিআরটিএ আইন ২০১৮ অনুমোদন নিলেন। আবার অসুস্থকালীন সময়ে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওখানের একটি চমৎকার সাঁতারের ছবি নিয়ে বিরোধী পক্ষে সমালোচনা হতে পারে বলামাত্র তিনি ছবিটি সরিয়ে দিলেন। একবার প্রশ্নও করলেন না সমস্যা কোথায় বা তোমার তাতে কি? এমন খুটিনাটি আরো অনেক বিষয়ে তার ফেসবুক পেজে মন্তব্য রয়েছে। যা ধৈর্য ধরে তিনি দেখেছেন এবং যৌক্তিক মনে হলে পদক্ষেপ নিয়েছেন। এই উদারমনা ও বিরোধী চিন্তাকেও সম্মান জানানোর মানুষটির নাম ওবায়দুল কাদের। হাঃ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দুইবারের সাধারণ সম্পাদক ও তিনবারের সড়ক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এর কথাই বলছি। মানুষের ভালোবাসা ও দোয়াই তাকে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রেখে আবার ফিরিয়ে এনেছে বলে দাবী করেন তিনি। তাই আমৃত্যু সততা ও ত্যাগের মহীমায় উজ্জ্বল জীবনই একান্ত কাম্য তার। এভাবেই নিজের একান্ত অনুভূতি জানান ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, এত উন্নয়নমূলক কাজের পরও স্বস্তি পাচ্ছি না। মন্ত্রণালয় নিয়মিত চালাচ্ছি। বুকে হাত দিয়ে বলতে পারি। দশ বছর একাধারে আছি, এই মন্ত্রাণালয়ে কোনো কমিশন, পার্সেন্টেজ, কোনো প্রমোশন বাণিজ্য কখনো করিনি। আমার বিবেকের কাছে আমি পরিষ্কার। আপনারাও আপনার বিবেকের কাছে পরিষ্কার আছেন তো? </span><span style="font-weight: 400;">তার এ কথার সাথে আরেকজন মানুষের উচ্চারণ মিলে যায়। তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। যার আদর্শকে ধারণ করেই স্যার শব্দে নয়, ভাইয়া ডাকে গভীর ভালোবাসা ও বিশ্বাস খুঁজে পান মহতী এই মানুষটি। যদিও বঙ্গবন্ধু সবাইকে তুই বা তুমি সম্বোধনে আপন করে বেঁধে ফেলতেন। এ গুনটি আরো দেখা গেছে জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনির ভিতরেও। তারাও খুব সহজে তুই ও তুমি সম্বোধনে মানুষকে কাছে টেনে নিতে পারেন। এখানে ওবায়দুল কাদের কিছুটা ব্যতিক্রম বটে। তিনি ছোট বড় সবাইকেই আপনি বলতেই স্বাচ্ছন্দ বোধ করেন। তবে </span><span style="font-weight: 400;">স্যার শব্দে নয়, ভাইয়া ডাকে গভীর ভালোবাসা ও বিশ্বাস খুঁজে পান মহতী এই মানুষটি।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/04/IMG_20220427_130757.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignright size-medium wp-image-4897" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/04/IMG_20220427_130757-300x300.jpg" alt="" width="300" height="300" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/04/IMG_20220427_130757-300x300.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/04/IMG_20220427_130757-150x150.jpg 150w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/04/IMG_20220427_130757.jpg 478w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>তিনি যে শুধু উদার ও নীতিবান তাই নয়, স্পষ্টবাদী একজন মানুষ তিনি। যে কিনা নিজের দোষটি কখনো ঢাকার চেষ্টা করেননা। যার প্রমাণ দেখা যায় সাম্প্রতিক সময়ে দেয়া তার কিছু বক্তব্যে। সড়কের বিশৃঙ্খলা তাকে আহত করে। প্রশাসনের উদাসীনতায় কষ্ট পান তিনি। আর তাইতো বিআরটিএ চেয়ারম্যানের প্রতিও ক্ষোভ স্পষ্ট হয় তার বক্তব্যে। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিআরটিএতে শর্ষের মধ্যে ভূত আছে। ভূত হলো দালালরা। বিআরটিএর ভেতর থেকে দালালদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দেওয়া হয়। তা না হলে দালালরা বাইরে থেকে এসে বিআরটিএতে কিভাবে দৌরাত্ম্য করে? গ্রাহকদের হয়রানি করে? এটা বন্ধ করতে হবে যেকোনো মূল্যে।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">এসময় সেতুমন্ত্রী আরো বলেন, আমি বলব-যা বন্ধ হয়নি সেটা বন্ধ করেন। বিআরটিএতে যে অপকর্ম যারা করে, তাদের ভালো হয়ে যেতে বলুন চেয়ারম্যান সাহেব। এগুলো নিয়ে ডিসিপ্লিনারি অ্যাকশন নিন। </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">এটা বলেই কিন্তু খান্ত হননি তিনি। হুটহাট মীরপুর, কেরানীগঞ্জ ও খিলক্ষেত বিআরটিএ কার্যালয়ে হানা দিয়েছেন তিনি। যখন তখন নিজেই সড়কে দাঁড়িয়ে কাগজপত্র ও ফিটনেস পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন। অসুস্থতার কারণে যা এখন কঠিন হয়ে গেছে তার জন্য। </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের সাথে ঐক্য গড়ে সড়কে মৃত্যু নিয়ে তিনি বলেন, প্রতিদিন সকালটা আমার কাছে আসে ভিন্নভাবে, সবার দিন শুরু হয় একভাবে, আর আমার দিনটি শুরু হয় অন্যভাবে। কাগজের পাতার অপ্রত্যাশিত মর্মান্তিক দুর্ঘটনার খবর পড়ে আমার দিন শুরু হয়। মন্ত্রী হলেও আমি তো মানুষ। আমারও কষ্ট হয়। আমিও দগ্ধ হই অদেখা দহনে। মনে হয় আমিও সেই অসহায় পরিবারের একজন। যে পরিবারের কয়েকজন একসঙ্গে পথের বলি হয়। কখনো দুই পরিবহনের সংঘর্ষে। কখনো তিন চাকার গাড়ি ইজিবাইকে, নসিমন, করিমনে।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">নিজেদের সমালোচনা করে ওবায়দুল কাদের বলেন, অনেকগুলো ত্রুটি আমাদের আছে, সেটা তো অস্বীকার করে লাভ নেই। সুন্দর সুন্দর ব্যানার-পোস্টার করলেই আমাদের দায়িত্ব শেষ হয় না। নিরাপদ সড়ক দিবস করতে হবে প্রতিদিন। তিনি আরো বলেন, এত উন্নয়ন হলো; কিন্তু অনেকে বলেন এই কাজটি হয় না কেন। সড়কে শৃঙ্খলা কেন আনতে পারব না। এখন সংকট শৃঙ্খলা, পরিবহন ও সড়কের। এখানে ব্যর্থ হলে আমাদের উন্নয়ন ম্লান হয়ে যাবে। এটাই আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জিং। কাজের মান ও গতি দুটোই ঠিক রাখতে হবে। মানহীন কোনো কাজ বরদাস্ত করা হবেনা। </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">খুব সম্ভব বাংলাদেশে সড়ক ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে তার মতো করে এতোটা কাজ আর কেউ দেখিয়েছেন বলে মনে হয়না। পদ্মা সেতু, কর্ণফুলী ও পায়রা সেতুসহ অসংখ্য গুরুত্বপূর্ণ সেতু ও উড়ালপথ তৈরি করার পরও তিনি মনে করেন এখনো প্রচুর কাজ বাকী আছে, ধীরে ধীরে তা বাস্তবায়নের সুযোগ দিতে হবে। চলতি বছর সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের বেশ কয়েকটি মেগাপ্রকল্প আসতে যাচ্ছে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, অবকাঠামোগতভাবে পরিবর্তন দৃশ্যমান। চলতি বছর সড়কে আমি তো বলব, বৈপ্লবিক পরিবর্তন পুরোপুরি দৃশ্যমান হবে। পদ্মা সেতু নির্মাণকাজ শেষ পর্য়ায়ে, আমি গর্ব করে বলব, আমার মন্ত্রণালয়ের সব মেগাপ্রকল্পগুলো চলতি বছরই উদ্বোধন ও শেষ করা হবে ইনশাআল্লাহ । সেগুলো হলো- পদ্মা সেতু, এমআরটি লাইন ৬, মেট্রো রেল, বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট ও চট্টগ্রামে বঙ্গবন্ধু কর্ণফুলী টানেল।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">মন্ত্রী বলেন, গত ২৪ অক্টোবর পায়রা সেতুর উদ্বোধন হলো। আর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ঢাকা-সিলেট ও সিলেট-তামাবিল মহাসড়কের ভিত্তিপ্রস্তর দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">অনেকটা যেন বঙ্গবন্ধুর প্রতিচ্ছবি ওবায়দুল কাদের। বঙ্গবন্ধুর মতোই সবাইকে আপন করে নেয়ার প্রবণতা তার ভিতর। ছাত্র জীবন থেকে ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ওবায়দুল কাদের ১৯৫২ সালের ১ জানুয়ারি নোয়াখালী জেলার কোম্পানীগঞ্জ থানার বড় রাজাপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম মোশারফ হোসেন এবং মাতা ফজিলাতুন্নেছা। মোশারফ হোসেন প্রথমে সরকারি চাকরি করলে পরবর্তীতে শিক্ষকতা পেশায় যোগদান করেন। ওবায়দুল কাদের স্থানীয় বসুরহাট সরকারি এএইচসি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক পাশ করেন। তার বাবা সেই বিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন। কাদের নোয়াখালী সরকারি কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক সম্পন্ন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">নোয়াখালী কলেজে অধ্যায়নরত অবস্থায় তিনি ছাত্র রাজনীতির সাথে যুক্ত হন। তিনি ১৯৬৬ সালে ৬ দফা আন্দোলন এবং ১৯৬৯ সালে গণআন্দোলন ও ছাত্রদের ১১ দফা আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর তিনি মুজিব বাহিনীর (বিএলএফ) কোম্পানীগঞ্জ থানা শাখার অধিনায়ক হিসেবে যুদ্ধে অংশ নেন। ১৯৭৫ সালে শেখ মুজিবুর রহমান হত্যাকাণ্ডের পর তিনি ৫ বছর কারাবন্দী ছিলেন। কারাগারে থাকা অবস্থায় তিনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন এবং দুই মেয়াদে সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। তখন তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত ছিলেন।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/04/IMG_20220427_130852.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignright size-medium wp-image-4898" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/04/IMG_20220427_130852-300x292.jpg" alt="" width="300" height="292" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/04/IMG_20220427_130852-300x292.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/04/IMG_20220427_130852.jpg 468w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>ওবায়দুল কাদের ১৯৯১ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত ছয়বার নোয়াখালী-৫ আসন থেকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে নৌকা প্রতীকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেন। ১৯৯৬ সালের জুনে সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি জয়লাভ করে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এ নির্বাচনে জয়লাভ করে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগে সরকার গঠন করে। প্রতিবারই তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জাতীয় পার্টি পরবর্তীতে বিএনপি নেতা মওদুদ আহমদ। এ সময় সপ্তম জাতীয় সংসদে শেখ হাসিনার প্রথম মন্ত্রিসভায় তিনি যুব, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। মন্ত্রিসভার অন্য সদস্যদের সাথে ২৩ জুন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। ২০০১ সালের ১৫ জুলাই এ মন্ত্রিসভা বিলুপ্তির পূর্ব পর্যন্ত তিনি দায়িত্ব পালন করেন। ২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি পরাজিত হন। এ সময় মওদুদ আহমদ বিএনপির প্রার্থী হিসেবে এ নির্বাচনে জয়লাভ করেন। ২০০২ সালের ২৬ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে তিনি দলের প্রথম যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন এবং ২০০৯ সালের ২৬ জুলাই পর্যন্ত এ দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৬-০৮ বাংলাদেশী রাজনৈতিক সংকটের সময় ফখরুদ্দীন আহমদ নেতৃত্বাধীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের জরুরি বিধিতে গ্রেফতার করা হয়। ২০০৭ সালের ৯ মার্চ তিনিও গ্রেফতার হন এবং ১৭ মাস ২৬ দিন কারাগারে থাকার পর ২০০৮ সালের ৫ জানুয়ারি জামিনে মুক্তি পান। কারাগারে থাকাকালে কারাজীবনের বর্ণনা দিয়ে “অনুস্মৃতি : যে কথা বলা হয়নি” নাম একটি গ্রন্থ রচনা করেন।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জয়লাভ করে সরকার গঠন করে এবং তিনি একই আসন থেকে নির্বাচিত হয়ে নবম সংসদে প্রতিনিধিত্ব করেন। নবম সংসদে তিনি তথ্য মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে তিনি দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম ‘সভাপতিমন্ডলীর সদস্য’ নির্বাচিত হন। ২০১১ সালের ৫ ডিসেম্বর তিনি শেখ হাসিনা সরকারের দ্বিতীয় মন্ত্রিসভায় তৎকালীন যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের (বর্তমান সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়) মন্ত্রীর দায়িত্ব পান। ২০১২ সালের এপ্রিলে তৎকালীন রেলমন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের সহকারী একান্ত সচিবের (এপিএস) অর্থ কেলেঙ্কারির ঘটনায় সুরঞ্জিত পদত্যাগ করার পর তিনি কিছুকাল রেল মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বও পালন করেন।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">২০১৪ সালের দশম এবং ২০১৮ সালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও তিনি জয়লাভ করেন এবং শেখ হাসিনার তৃতীয় ও চতুর্থ মন্ত্রিসভায়ও তিনি সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রীর দায়িত্ব পান। ২০১৬ সালের ২৩ অক্টোবর আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় সম্মেলনে ২০১৬-২০১৯ মেয়াদে দলের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ২০১৯ সালের ২১ ডিসেম্বর ২১তম জাতীয় সম্মেলনেও তিনি দ্বিতীয়বারের মতো সাধারণ সম্পাদক পদে পুন:নির্বাচিত হন। রাজনীতি ছাড়াও বেশ কিছুদিন সাংবাদিকতা করেছেন এবং বেশ কিছু গ্রন্থ রচনা করেছেন ওবায়দুল কাদের। তিনি দৈনিক বাংলার বাণী পত্রিকার সহকারী সম্পাদক ছিলেন। তার রচিত ৯টি গ্রন্থ রয়েছে।</span></p>
<p><strong>Bangladesh: A Revolution Betrayed</strong></p>
<p><strong>বাংলাদেশের হৃদয় হতে</strong></p>
<p><strong>পাকিস্তানের কারাগারে বঙ্গবন্ধু</strong></p>
<p><strong>এই বিজয়ের মুকুট কোথায়</strong></p>
<p><strong>তিন সমুদ্রের দেশে</strong></p>
<p><strong>মেঘে মেঘে অনেক বেলা</strong></p>
<p><strong>রচনা সমগ্র</strong></p>
<p><strong>কারাগারে লেখা অনুস্মৃতি: যে কথা বলা হয়নি এবং </strong></p>
<p><strong>নির্বাচিত কলাম</strong></p>
<p><b>সড়ক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এর দপ্তরের অধীনে যে সব কাজ ইতিমধ্যেই সমাপ্ত হয়েছে বা হবার পথে &#8211; </b><span style="font-weight: 400;">সারাদেশে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের আওতাধীন ২১ হাজার ৩০২ কিলোমিটার জাতীয় ও আঞ্চলিক মহাসড়ক এবং জেলা সড়ক, ৪ হাজার ৪০৪টি সেতু এবং ১৪ হাজার ৮৯৪টি কালভার্ট রয়েছে। ২০০৯ থেকে জুন ২০১৮ পর্যন্ত সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর কর্তৃক উন্নয়ন খাতের আওতায় ৪ হাজার ৩৩১ কিলোমিটার মহাসড়ক মজবুতিকরণসহ ৫ হাজার ১৭১ কিলোমিটার মহাসড়ক প্রশস্তকরণ করা হয়েছে। অনুন্নয়ন খাতের আওতায় ৪ হাজার ৮৬৯ কিলোমিটার মহাসড়ক কার্পেটিং ও সীলকোট, ১ হাজার ৮৯২ কিলোমিটার ডিবিএসটি এবং ৮ হাজার ১৫৮ কিলোমিটার ওভার লে করা হয়েছে। ৪১৭ কিলোমিটার জাতীয় মহাসড়ক চারলেন বা তদূর্ধ্ব লেনে উন্নীত করা হয়েছে। দেশের অর্থনীতির লাইফ-লাইন খ্যাত ঢাকা-চট্টগ্রাম জাতীয় মহাসড়কের ১৯০ কিলোমিটার চারলেনে উন্নীত করা হয়েছে; ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক চারলেনে উন্নীত করা হয়েছে। নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়ক চারলেনে উন্নীত করা হয়েছে। রংপুর মহানগরীর বিভিন্ন সড়ক চারলেনে উন্নীত করা হয়েছে। চট্টগ্রাম-হাটহাজারী সড়ক ডিভাইডারসহ চারলেনে উন্নীত করা হয়েছে। কক্সবাজার থেকে টেকনাফ পর্যন্ত ৮০ কিলোমিটার দীর্ঘ দৃষ্টিনন্দন মেরিন ড্রাইভ নির্মাণ। যাত্রাবাড়ি-কাঁচপুর সড়ক আট লেনে উন্নীতকরণ। এটি দেশের প্রথম আটলেন মহাসড়ক। গত দশ বছরে এ বিভাগ ২৭৬টি প্রকল্প সমাপ্ত করেছে এবং ৩৪১টি নতুন প্রকল্প গ্রহণ করেছে। বর্তমানে ২০১৮-১৯ অর্থ-বছরে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের অধীন ১৩৯টি প্রকল্প চলমান রয়েছে। এ সময়ে ৯টি ফ্লাইওভার/ওভারপাস ও ৭টি আন্ডারপাস নির্মাণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ফেনীর মহিপালে ছয়লেনের ফ্লাইওভার নির্মাণ করা হয়েছে। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক চারলেনে উন্নীতকরণ প্রকল্পের আওতায় ফেনীর ফতেহপুর, কুমিল্লার পদুয়ার বাজার, ইলিয়টগঞ্জ ও চট্টগ্রামের কালুশাহ মাজার এলাকায় তিনটি রেলওয়ে ওভারপাস, কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকায় আন্ডারপাস নির্মাণ করা হয়েছে। ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে নির্মিত হয়েছে মাওনা ফ্লাইওভার। এছাড়া ঢাকা মহানগরীতে বনানী রেলওয়ে ওভারপাস, মিরপুর থেকে এয়ারপোর্ট রোড পর্যন্ত মো. জিল্লুর রহমান ফ্লাইওভার, কুমিল্লা শহরে শাসনগাছা ফ্লাইওভার, টঙ্গীতে আহসান উল্যাহ মাস্টার ফ্লাইওভার, চট্টগ্রাম বন্দর সংযোগ ফ্লাইওভার ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। এ সময়ে ৯১৪টি সেতু ও ৩ হাজার ৯৭৭টি কালভার্ট নির্মাণ/পুনঃর্নির্মাণ করা হয়েছে। এর মধ্যে শহিদ বুদ্ধিজীবী সেতু, সুলতানা কামাল সেতু, শেখ লুৎফর রহমান সেতু, শেখ কামাল সেতু, শেখ জামাল সেতু, শেখ রাসেল সেতু, সোনাতলা সেতু, এলাসিন সেতু, কাজির বাজার সেতু, আচমত আলী খান সেতু, শাহ আমানত সেতু, ওয়াজেদ মিয়া সেতু, থানচি সেতু, রুমা সেতু, তিস্তা সেতু, শহিদ আব্দুর রব সেরনিয়াবত সেতু, বড়দহ সেতু, সানন্দবাড়ি সেতু, বিরুলিয়া সেতু, চৌফলদী সেতু, শহিদ শেখ ফজলুল হক মনি সেতু ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। সড়ক দুর্ঘটনা রোধে ঢাকা-আরিচা জাতীয় মহাসড়কের বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ বাঁক সরলীকরণ করা হয়েছে। এছাড়া, সারাদেশের মহাসড়কে ১৪৪টি দুর্ঘটনাপ্রবণ বাঁক চিহ্নিত করে ইতোমধ্যে ১৩০টি নিরসন করা হয়েছে। ঢাকা মহানগরী ও তৎসংলগ্ন এলাকার যানজট নিরসনে ও পরিবেশ উন্নয়নে উত্তরা ৩য় পর্ব হতে বাংলাদেশ ব্যাংক পর্যন্ত ২০.১০ কিলোমিটার দীর্ঘ বাংলাদেশের প্রথম এলিভেটেড মেট্রোরেল-এর নির্মাণ কাজ পুরোদমে এগিয়ে চলছে। এতে ১৬ স্টেশন থাকবে এবং উভয়দিকে ঘন্টায় ৬০ হাজার যাত্রী পরিবহন করা যাবে। ঢাকা মহানগরী ও পার্শ্ববর্তী এলাকা’র আরবান ট্রান্সপোর্টের চাহিদা ও পরিধি ব্যাপক বৃদ্ধি পাওয়ায় ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ) এর উদ্যোগে ২০০৫ সালে প্রণীত ২০ বছর মেয়াদী স্ট্র্যাটেজিক ট্রান্সপোর্ট প্ল্যান-এসটিপি সময়োপযোগী করে আরএসটিপি ২০১৫-৩৫ প্রণয়ন করা হয়েছে। একবিংশ শতাব্দীর উপযোগী সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিদ্যমান আইন, বিধিমালা, নীতিমালা ও গাইডলাইনস সংশোধন, পরিবর্ধন ও পরিমার্জন করে সংস্কার এবং আধুনিক পরিবহন ব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নতুন আইন, বিধিমালা, নীতিমালা ও গাইডলাইনস প্রণয়ন করা হয়েছে ও হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় মোটরযানের এক্সেল লোড নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র পরিচালনা সংক্রান্ত নীতিমালা-২০১২, টোল নীতিমালা, সওজ’র ভূমি ব্যবস্থাপনা ও ইজারা নীতিমালা, মেট্রোরেল আইন-২০১৫, বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) আইন-২০১৬, রাইড শেয়ারিং সার্ভিস নীতিমালা ২০১৭ ইত্যাদি প্রণয়ন ও জারি করা হয়েছে। কর্মিদের শাস্তির ব্যবস্থা রেখে সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ সংসদে পাশ করা হয়েছে। সড়ক দুর্ঘটনা হ্রাসকল্পে বিআরটিএ’র নিয়মিত প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আওতায় ২০০৯ থেকে জুন ২০১৮ পর্যন্ত ২ লাখ ৮৬ হাজার ৬৭৪ জন পেশাজীবী গাড়ি চালককে দক্ষতা উন্নয়ন ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। বিআরটিএ’র সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং এর কার্যক্রম সুচারুরূপে পরিচালনার সুবিধার্থে ২০১০ সাল থেকে মোটরযানের যাবতীয় কর ও ফি অনলাইন ব্যাংকিং পদ্ধতিতে আদায়, ২০১১ সাল থেকে ইলেক্ট্রনিক চিপযুক্ত ডিজিটাল স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্স, ২০১২ সাল থেকে মোটরযানে রেট্রো-রিফ্লেক্টিভ নাম্বারপ্লেট এবং রেডিও ফ্রিক্যুয়েন্সি আইডেনটিফিকেশন (আরএফআইডি) ট্যাগ সংযোজন, ২০১৪ সাল ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট (ডিআরসি) এর কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। মোটরযানের ফিটনেস স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরীক্ষাপূর্বক ফিটনেস সার্টিফিকেট ইস্যুর লক্ষ্যে মিরপুরস্থ মোটরযান পরিদর্শন কেন্দ্র (ভিআইসি) প্রতিস্থাপনপূর্বক গত ৩০ অক্টোবর ২০১৬ তারিখ হতে চালু করা হয়েছে। ক্সবিআরটিএ’র সকল ডিজিটাল সার্ভিসের ডাটা ব্যাক-আপসহ নিরাপদ ও সুরক্ষিত রাখার উদ্দেশ্যে বিআরটিএ-তে একটি আন্তর্জাতিক মানের ডাটাসেন্টার স্থাপন করা হয়েছে। ট্যাক্সিক্যাব সার্ভিস আধুনিকায়ন ও সেবার গুণগতমান বাড়াতে প্রণয়ন করা হয়েছে ট্যাক্সিক্যাব সার্ভিস গাইডলাইন ২০১০ এর আওতায় অনুমোদিত দু’টি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ঢাকা মহানগরী ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় ৪০০ ট্যাক্সিক্যাব চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। চট্টগ্রাম মহানগরীতেও ট্যাক্সিক্যাব সার্ভিস চালুর অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। দশ বছরে বিভিন্ন ধরনের ৯৫৮টি বাস বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশন (বিআরটিসি) এর বাস বহরে সংযোজন করা হয়েছে।</span></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%89%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%ae%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%b8%e0%a6%ab%e0%a6%b2-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a7%88%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%93%e0%a6%ac%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>কৃষিতে সয়ং সম্পূর্ণ বাংলাদেশের সফল মন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক </title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%95%e0%a7%83%e0%a6%b7%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a7%9f%e0%a6%82-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a7%82%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%95%e0%a7%83%e0%a6%b7%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a7%9f%e0%a6%82-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a7%82%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আরিফ আহমেদ]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 18 Apr 2022 19:00:10 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[কথামালা]]></category>
		<category><![CDATA[জীবন কথা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://shahittabazar.com/?p=4885</guid>

					<description><![CDATA[<p>কৃষিতে সয়ং সম্পূর্ণ বাংলাদেশের সফল মন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক </p> <p>চলতি বছর কৃষিতে বাংলাদেশের সাফল্য ঈর্ষণীয়। স্বাধীনতার ৫০ বছর পর ক্রমহ্রাসমান আবাদি জমির সাথে ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার বাড়তি চাপ মোকাবিলা করেও ২০২০-২১ অর্থবছরে</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%95%e0%a7%83%e0%a6%b7%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a7%9f%e0%a6%82-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a7%82%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>কৃষিতে সয়ং সম্পূর্ণ বাংলাদেশের সফল মন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক </strong></p>
<div id="attachment_4887" style="width: 310px" class="wp-caption alignleft"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/04/image-251794-1649595852.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-4887" class="size-medium wp-image-4887" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/04/image-251794-1649595852-300x168.jpg" alt="" width="300" height="168" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/04/image-251794-1649595852-300x168.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/04/image-251794-1649595852-70x40.jpg 70w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/04/image-251794-1649595852.jpg 750w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a><p id="caption-attachment-4887" class="wp-caption-text">ভোলায় কৃষি মন্ত্রী</p></div>
<p><span style="font-weight: 400;">চলতি বছর কৃষিতে বাংলাদেশের সাফল্য ঈর্ষণীয়। স্বাধীনতার ৫০ বছর পর ক্রমহ্রাসমান আবাদি জমির সাথে ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার বাড়তি চাপ মোকাবিলা করেও ২০২০-২১ অর্থবছরে প্রায় ৪৫৫.০৪ লাখ মেট্রিক টন দানা জাতীয় খাদ্য উৎপন্ন করেছে বাংলাদেশ। শুধু দানাদার ফসল নয় শাকসবজি, আলু, ডাল, পেঁয়াজ, তেল, মাছ, মাংস, দুধ, ডিমসহ প্রায় সব পর্যায়ে প্রভূত সাফল্য অর্জিত হয়েছে বলে দাবী সয়ং কৃষি মন্ত্রীর। এছাড়াও পাট রপ্তানিতে ও ইলিশ উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বের প্রথম স্থানে উঠে এসেছে। ধান, পাট, পেঁয়াজ, সবজি, আলু, আম, পেয়ারা, চাসহ অন্যান্য কৃষিপণ্য উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান এখন সূচকের ঊর্ধ্বক্রমে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা মেনে কৃষি মন্ত্রণালয় এ বছর ৩৩.৬২ লাখ মেট্রিক টন পেঁয়াজ উৎপাদন করেছে। যে কারণে চলতি বছর রমজানে সর্বপ্রথম পেঁয়াজের দাম ২৫ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। </span><span style="font-weight: 400;">গত বছরের থেকে ৭ লাখ মেট্রিক টন বেশি উৎপাদন করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে পেছনে ফেলে বাংলাদেশ পেঁয়াজ উৎপাদনে এ বছরে বিশ্বের ৩য় স্থান অধিকার করেছে। আর এ কৃতিত্ব প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাশাপাশি কৃষি মন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক এরও। তার প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছুটে  বেড়ানো, কৃষক ও কৃষি কর্মকর্তাদের সাথে সরাসরি সম্পর্ক তৈরি ও কৃষকের পণ্য কৃষক বিক্রি করার মূল মন্ত্র প্রয়োগের কারণে এ সাফল্য অর্জিত হয়েছে বলে মনে করেন দক্ষিণাঞ্চলের বরিশাল ও ভোলার সাধারণ মানুষ। </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">কৃষিজমি কমতে থাকা, জনসংখ্যা বৃদ্ধিসহ জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বন্যা, খরা, লবণাক্ততা ও বৈরী প্রকৃতিতেও খাদ্যশস্য উৎপাদনে বাংলাদেশ আজ তাই বিশ্বে অনন্য উদাহরণ। ধান, গম ও ভুট্টা বিশ্বের গড় উৎপাদনকে পেছনে ফেলে ক্রমেই এগিয়ে চলছে বাংলাদেশ। সবজি উৎপাদনে তৃতীয় আর চাল ও মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশ এখন বিশ্বে চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে। এই অগ্রগতি নিয়ে কৃষি মন্ত্রী জানান, বর্তমান সরকারের পরপর দুই মেয়াদে চার দফায় সারের দাম কমানো হয়েছে। ১০ টাকার বিনিময়ে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা, সেচের পানির ভর্তুকির টাকা সরাসরি কৃষকের একাউন্টে ট্রান্সফার করা এবং সেই সঙ্গে ১ কোটি ৮২ লাখ কৃষকের মাঝে উপকরণ সহায়তা কার্ড বিতরণ করা।যুগান্তকারী এসব পদক্ষেপের ফলে কৃষিতে এই ঈর্ষণীয় সাফল্য এসেছে। </span><span style="font-weight: 400;">বর্তমান সরকারের প্রবর্তিত কৃষি উপকরণ সহায়তা কার্ড দেশে ও বিদেশে বিপুলভাবে প্রশংসিত হয়েছে দাবী করে কৃষি মন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক বলেন,  বাংলাদেশের অনুসরণে ভারত সরকার কৃষি উপকরণ সহায়তা কার্ড প্রদানের উদ্যোগ নিয়েছে। </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/04/dr.abdur_.razzak.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-4888" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/04/dr.abdur_.razzak-216x300.jpg" alt="" width="216" height="300" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/04/dr.abdur_.razzak-216x300.jpg 216w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/04/dr.abdur_.razzak.jpg 534w" sizes="auto, (max-width: 216px) 100vw, 216px" /></a>সম্প্রতি ভোলার কৃষি অঞ্চল পরিদর্শন করে কৃষি মন্ত্রী আরও বলেন, ভোলার লবণাক্ত জমিতে চাষ হচ্ছে ব্রি ধান ৬৭, বিনা ধান ১০। ভু্ট্রা, মুগ, সয়াবিন, সূর্যমুখী, শশার আবাদ দিন দিন বাড়ছে। তরমুজের ফলনও ভালো চলতি বছর ।  এছাড়া, পেঁয়াজ, বার্লি, পুঁইশাকসহ বিভিন্ন সবজি ফসল চাষ খুবই সম্ভাবনাময়। সরকারের প্রণোদনা পুনর্বাসন র্কাযক্রমের ফলে এসবের আবাদ দিন দিন বাড়ছে।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">ফসলের এই আবাদ ও সম্ভাবনা সরেজমিনে দেখতে গত ১০ এপ্রিল  রবিবার ভোলার সদর উপজেলার চর মনশা গ্রামে সমন্বিত ফল বাগান, বারোমাসি আম, সূর্যমুখী, চিনাবাদামসহ তেল জাতীয় ফসল ও পেঁয়াজের মাঠ পরিদর্শন করেন বাংলাদেশ সরকারের কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক এমপি।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">এসময় মন্ত্রী বলেন, বছরে ৮-১০ লাখ টন পেঁয়াজ আমাদের আমদানি করতে হয়। আমাদের প্রয়োজনের সময় ভারত পেঁয়াজ রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা দেয়। দেশে দাম বেড়ে যায়। আমরা পেঁয়াজে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে চাই। ভোলায় বারি উদ্ভাবিত বারি-৪ পেঁয়াজের ফলন ভাল, সুস্বাদু। এটিকে আমরা সারাদেশে ছড়িয়ে দিতে চাই। পেঁয়াজে শুধু স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন নয়, ২-৩ বছর পরে পেঁয়াজ রপ্তানিও করতে পারবো বলে দাবী করেন কৃষি মন্ত্রী । এসময় মাঠে কর্মরত কিছু কৃষি শ্রমিকদের সাথেও কথা বলেন কৃষিমন্ত্রী।  </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">ড. আব্দুর রাজ্জাক আরও বলেন, কৃষিতে বর্তমান সরকারের লক্ষ্য হলো কৃষকের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা ও কৃষককে লাভবান করা। কিন্তু মুনাফাখোর, পাইকার ও আড়তদার, মধ্যস্বত্বভোগী, সামাজিক সমস্যা, চাঁদাবাজি প্রভৃতির কারণে কৃষকেরা ন্যায্যমূল্য পায় না। মধ্যস্বত্বভোগী সারা পৃথিবীতেই আছে। কৃষকেরা তো সরাসরি কাওরান বাজারে পণ্য বিক্রি করতে পারবে না, কাউকে না কাউকে মাঝখানে দায়িত্ব নিতে হবে। কিন্তু মধ্যস্বত্বভোগী যাতে কৃষক এবং ভোক্তাকে শোষণ ও ঠকাতে না পারে, তা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব। এটি নিশ্চিত করতে সরকার সর্বাত্মক চেষ্টা করছে।</span></p>
<p><b>কৃষি মন্ত্রী সম্পর্কে কিছু তথ্য </b><span style="font-weight: 400;"> </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/04/aW1hZ2UtODgwMjMtMTU0Njg4NjAwNC5qcGc.jpeg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignright size-medium wp-image-4886" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/04/aW1hZ2UtODgwMjMtMTU0Njg4NjAwNC5qcGc-300x180.jpeg" alt="" width="300" height="180" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/04/aW1hZ2UtODgwMjMtMTU0Njg4NjAwNC5qcGc-300x180.jpeg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/04/aW1hZ2UtODgwMjMtMTU0Njg4NjAwNC5qcGc.jpeg 350w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর-ধনবাড়ী) আসনের সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য কৃষিবিদ ড. আব্দুর রাজ্জাক প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ সরকারের কৃষি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব গ্রহণ করেন ৭ জানুয়ারি ২০১৯ এ। এর আগে তিনি ২০০১, ২০০৮, ২০১৪ এবং ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়নে টাঙ্গাইল-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরপর চারবারের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি ড. আব্দুর রাজ্জাক ২০০৯ সাল থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত তৎকালীন খাদ্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এবং পরবর্তীতে ২০১২ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর থেকে ২০১৪ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত খাদ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ড. আব্দুর রাজ্জাক টাঙ্গাইল জেলার ধনবাড়ী উপজেলার মুশুদ্দি গ্রামে ১৯৫৫ সালের ১ ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম জালাল উদ্দিন এবং মাতার নাম রেজিয়া খাতুন। তিনি ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক এবং ১৯৭২ সালে একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জন করেন। ১৯৮২ সালে যুক্তরাষ্ট্রের পারডু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি অর্জন করেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্রের পর তিনি যুক্তরাজ্যের অ্যাঞ্জেলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়েও পড়ালেখা করেছেন। বাংলাদেশে ফার্মিং সিস্টেম রিসার্চ ও স্থায়ী গ্রামীণ কৃষি উন্নয়ন বিষয়ে তিনি অন্যতম একজন বিশেষজ্ঞ।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">রাজ্জাক বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনে (বিএডিসি) একজন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা হিসেবে যোগদানের মাধ্যমে তার কর্মজীবন শুরু করেন এবং ২০০১ সালে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা পরিষদের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা হিসেবে চাকরি জীবন শেষ করেন এবং একইবছর প্রথমবারের মত সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এ সময় তিনি আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৯ সালের ৭ জানুয়ারি থেকে শেখ হাসিনার চতুর্থ মন্ত্রিসভায় তিনি কৃষি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া ২০১৬ সাল থেকে তিনি আওয়ামী লীগের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী কমিটি সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। একজন সৎ ও সুবিবেচক মন্ত্রী এবং সাংসদ হিসেবে শুধু নিজ এলাকা নয়, সারাদেশে তিনি সমান জনপ্রিয়। </span></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%95%e0%a7%83%e0%a6%b7%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a7%9f%e0%a6%82-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a7%82%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>মানবিকতা এখন শোডাউনঃ সংবাদ বন্দী অসহায় মানুষের হাহাকার </title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%8f%e0%a6%96%e0%a6%a8-%e0%a6%b6%e0%a7%8b%e0%a6%a1%e0%a6%be%e0%a6%89%e0%a6%a8%e0%a6%83-%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%ac/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%8f%e0%a6%96%e0%a6%a8-%e0%a6%b6%e0%a7%8b%e0%a6%a1%e0%a6%be%e0%a6%89%e0%a6%a8%e0%a6%83-%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%ac/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আরিফ আহমেদ]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 03 Jan 2022 07:17:24 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[কথামালা]]></category>
		<category><![CDATA[জীবন কথা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://shahittabazar.com/?p=4799</guid>

					<description><![CDATA[<p>মানবিকতা এখন শোডাউনঃ সংবাদ বন্দী অসহায় মানুষের হাহাকার </p> <p>প্রায়শ পত্রিকার পাতায় শিরোনাম হচ্ছে জেলা প্রশাসক ও সিটি মেয়রের কিম্বা রাজনৈতিক নেতাদের দান বা ত্রাণ তৎপরতার গল্প। যা নিয়ে প্রশংসার ঝর।</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%8f%e0%a6%96%e0%a6%a8-%e0%a6%b6%e0%a7%8b%e0%a6%a1%e0%a6%be%e0%a6%89%e0%a6%a8%e0%a6%83-%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%ac/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><span style="font-weight: 400;"><strong>মানবিকতা এখন শোডাউনঃ সংবাদ বন্দী অসহায় মানুষের হাহাকার </strong></span></p>
<div id="attachment_4428" style="width: 310px" class="wp-caption aligncenter"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2021/07/Bori-3.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-4428" class="size-medium wp-image-4428" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2021/07/Bori-3-300x225.jpg" alt="" width="300" height="225" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2021/07/Bori-3-300x225.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2021/07/Bori-3-768x576.jpg 768w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2021/07/Bori-3.jpg 960w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a><p id="caption-attachment-4428" class="wp-caption-text">লকডাউন সময়ের চিত্র</p></div>
<p><span style="font-weight: 400;">প্রায়শ পত্রিকার পাতায় শিরোনাম হচ্ছে জেলা প্রশাসক ও সিটি মেয়রের কিম্বা রাজনৈতিক নেতাদের দান বা ত্রাণ তৎপরতার গল্প। যা নিয়ে প্রশংসার ঝর। একজনকে দান সদকার জন্য দশ জনের শিরোনাম ছবি অহরহ প্রকাশ পাচ্ছে পত্রিকার পাতায়। অথচখোঁজ নিয়ে দেখা যায় শূণ্য খাঁ খাঁ অসহায় হতদরিদ্রের ঘর।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">সরেজমিনে এমনই কিছু দান-খয়রাতের গল্প নিয়ে আমাদের এই প্রতিবেদন। </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">করোনাকালীন সংকটে চারিদিকে যখন কর্মহীনতা ও লকডাউনে বিপর্যস্ত জীবন ঠিক তখন রাজনৈতিক নেতা-নেত্রী, প্রশাসন ও মন্ত্রী সকলের দান-খয়রাতের গল্প যখন শিরোনাম পত্রিকার পাতায় ঠিক তখন সেই পত্রিকার পাতায় ছাপা হয়েছিল অসহায় ফুলবানু, পারুল বেগম, চাঁন মিয়া ও জাহাঙ্গীরের মানবিক জীবনযাপনের গল্প। দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছিল বরিশাল জেলার প্রায় সব রাজনৈতিক নেতা ও প্রশাসনের যোগ্য ব্যক্তিত্বের। অথচ আজ পর্যন্ত ঐ অসহায় মানুষগুলোর কাছে পৌঁছেনি কোনো সাহায্য সহযোগিতা। </span><span style="font-weight: 400;">এমনি সময় কানে এলো বরিশালের জেলা প্রশাসক জসিম উদ্দিন হায়দার এর উদারতার গল্প।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/01/IMG20211124134812.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignright size-medium wp-image-4800" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/01/IMG20211124134812-300x169.jpg" alt="" width="300" height="169" /></a>বুধবার! দিনটি বরিশালের জেলা প্রশাসক কক্ষে ছিলো গণশুনানির আয়োজন। প্রতি বুধবার সাধারণ মানুষের সাথে সরাসরি দেখা করে তাদের সমস্যা শুনে তাৎক্ষণিক সমাধান দেয়ার একটি দিন এই বুধবার। অন্যসব দিনের তুলনায় এদিনের চিত্রও তাই ভিন্ন। জেলা প্রশাসক ভবনের সামনে ও ভিতরে দেখা যায় অসহায় দরিদ্র মানুষের উপচে পরা ভিড়।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">বরিশাল জেলার দশ উপজেলা ছাড়িয়ে বিভাগের অন্যজেলার অসহায় অনেক মানুষ ছুটে আসেন জেলা প্রশাসক জসিম উদ্দিন হায়দার এর সাথে একটু দেখা করে নিজের কষ্টের ও চাহিদার কথা বলতে। বাচ্চা নিয়ে অসহায় মা, বয়স্ক বৃদ্ধা, কর্মহীন নারী-পুরুষ, দুঃস্থ সাংস্কৃতিক কর্মী, সাংবাদিক ও সাহিত্যের মানুষের ভিড় এদিন জেলা প্রশাসক কক্ষে।</span></p>
<div id="attachment_4801" style="width: 223px" class="wp-caption alignright"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/01/Screenshot_2021-11-24-16-39-29-20_99c04817c0de5652397fc8b56c3b3817.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-4801" class="size-medium wp-image-4801" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/01/Screenshot_2021-11-24-16-39-29-20_99c04817c0de5652397fc8b56c3b3817-213x300.jpg" alt="" width="213" height="300" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/01/Screenshot_2021-11-24-16-39-29-20_99c04817c0de5652397fc8b56c3b3817-213x300.jpg 213w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/01/Screenshot_2021-11-24-16-39-29-20_99c04817c0de5652397fc8b56c3b3817.jpg 720w" sizes="auto, (max-width: 213px) 100vw, 213px" /></a><p id="caption-attachment-4801" class="wp-caption-text">জেলা প্রশাসকের সাক্ষাৎ প্রার্থী এক মা</p></div>
<p><span style="font-weight: 400;">কিন্তু সবাইতো জেলা প্রশাসক কক্ষে প্রবেশ করতে পারেননা। আবার অনেকে আসেন যারা সাহসই পাননা ভবনের ভিতরে ঢুকতে। আশায় থাকেন যদি কোনো দয়াবান তাকে ডেকে নেন। আবার এমন অনেক অসহায় মানুষ আছেন এদিনটি সম্পর্কে জানেনই না তারা। যারা জানতে পেরেছেন ও কক্ষে প্রবেশের সুযোগ পেয়েছেন তাদের একজন বিনাদোষে ২৬ বছর কারাভোগ করা অসহায় পেয়ারা বেগম। পিরোজপুর থেকে তিনি ছুটে এসেছেন বরিশালের জেলা প্রশাসকের কাছে। কারণ, তিনিই তাকে কারাবাসের কবল থেকে মুক্ত করেছেন। এই পেয়ারা বেগমের বিয়ের ব্যবস্থায় নিজে ত্রিশ হাজার ও পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক আবু আলী মো. সাজ্জাদ হোসেনকে ফোনে অনুরোধ জানিয়ে বিশ হাজার টাকা অনুদানের ব্যবস্থা করে দিলেন তাৎক্ষণিকভাবে। এরপর তিনি গলা জড়িয়ে ধরে সমস্যা শোনেন একজন বীরাঙ্গনা মায়ের। সাথে সাথে সমস্যার সমাধানও করেন আরো অনেক জনের। এর মাঝে মুক্তিযোদ্ধা, স্থানীয় উদ্যোক্তা সহ রয়েছেন আরো অনেকে। সকলেই কিন্তু এসেছেন কোনো না কোনো মাধ্যম ধরে। রাজনৈতিক বা সাংবাদিক নেতাদের সাহায্য নিয়ে। কিন্তু বাহিরে অপেক্ষমান অনেক হতদরিদ্র নারী পুরুষ, বৃদ্ধ অসহায় মানুষ। যাদের দেয়া আবেদন সংগ্রহ করে অফিস সহকারী জমা দেন জেলা প্রশাসক কক্ষে। কিন্তু তাদের কখনো ভিতরে ডাকা হয় বলে মনে হয়নি প্রশাসনের লোকদের কথায়। </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">প্রতি গণশুনানিতে এরকম একশতের বেশি আবেদন জমা পড়ে, আবেদন অনুযায়ী সকলকে যথাসম্ভব সহযোগিতা করার চেষ্টা করেন জেলা প্রশাসক এ তথ্য জানালেন জেলা প্রশাসনের গোপনীয় বিভাগের কর্মকর্তা সুব্রত বিশ্বাস। </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">আর অপেক্ষমাণ মানুষদের দাবী, স্যার মোরাতো জেলা প্রশাসক স্যারকে চিনিনা। তারে একটু দেহাইয়া দেন।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">আবার কেউ বলেন, মোগো লগে হেয় কি কথা কইবো? মোগো লইয়া একটা হলরুমে বসাইয়া দেন। হেইহানে স্যাররে মোরা দেখতেও পামু, মোগো কতা কইতেও পারমু।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">আসলেও তাই। এই মানুষগুলোকে সভা কক্ষে বা সেমিনার কক্ষে বসিয়ে গণশুনানির আয়োজন করলে বিষয়টি অনেক প্রশংসনীয় হতো। এভাবে একজন একজন করে শুধু সুপারিশ প্রাপ্তদের ডেকে নিয়ে আদৌ গণশুনানি হয় কি?</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">গণশুনানির শুরুটা বরাবরই  কিছুটা বিলম্ব হয়। একঘন্টা দেড়িতে বেলা ১২ টায় শুরু হয় গণশুনানির আয়োজন। অপেক্ষমান সাধারণ মানুষের মাঝে হাল্কা নাস্তা হিসেবে কিছু খাদ্যও বিতরণ করা হয় এরই মাঝে। </span><span style="font-weight: 400;">জেলা প্রশাসক জসিম উদ্দিন হায়দার এর কক্ষে তখন হোসনে আরা নামের একজন বৃদ্ধা, সাংবাদিক ও মৃত মুক্তিযোদ্ধার বিধবা স্ত্রীসহ আরো কয়েকজন। বৃদ্ধার  ঘর নেই। ঘরের আবেদন নিয়ে ছেলের সাথে এসেছেন গৌরনদী থেকে। এনজিও কর্মী এসেছেন শুভেচ্ছা উপহার নক্সিকাথা নিয়ে। অসহায় মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী ঘর চান। তার বেশভুষায় দারিদ্রতার কোনো ছাপ নেই। তাই কিছুটা দ্বিধাদ্বন্দ্বের ছাপ জেলা প্রশাসকের চোখে। তারপরও আন্তরিকতা নিয়েই আশ্বাস দিয়ে বিদায় করলেন তাদের। একইসাথে গৌরনদীর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে ফোন করে বলে দিলেন যাচাই বাছাই করে তাকে ঘর দেয়ার জন্য।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">এভাবেই কক্ষে অপেক্ষারত আরো মানুষের সাথে কথা বলেন তিনি। সমস্যার তাৎক্ষণিক সমাধানও দিয়ে দেন সাথে সাথে। এভাবে জনাবিশেক মানুষের সাথে কথা বলতে বলতে বেলাশেষ, ছুটতে হয় তাকে অন্য কাজে। </span><span style="font-weight: 400;">পথে যেতে যেতেও আরো দুজন সাংস্কৃতিক কর্মি ও মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের কথা শুনলেন বটে, কিন্তু শিশু সন্তান নিয়ে সকাল থেকে বসে থাকা ক্লান্ত দুই মা তার দৃষ্টিতে ধরা পরেননি। যদি পড়তো তাহলে হয়তো সবচেয়ে বেশি আনন্দিত হতেন জসিম উদ্দিন হায়দার নিজেই।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">কেননা, অসহায়ের পাশে থাকা তার মজ্জাগত আদর্শ। যার প্রমাণ ইতিমধ্যেই রেখেছেন তিনি ভিক্ষুক মুক্ত বরিশাল গড়ার অঙ্গিকারে। ভিক্ষুক শাহ আলম, সুমন, নূর জাহানকে ভিক্ষাবৃত্তি থেকে ফিরিয়ে আনতে মুদি দোকানের মালামাল, ভ্যানগাড়ি ও সেলাইমেশিন দিয়ে সাহায্য করেছেন। এ পর্যন্ত জেলায় কম হলেও দুই শতাধিক ভিক্ষুককে তিনি ব্যক্তিগত সাহায্য দিয়েছেন বলেও জানা গেছে। কক্ষ থেকে বের হবার আগে জেলা প্রশাসক জসিম উদ্দিন হায়দার আক্ষেপ করে বললেন, ১৪টা জেলায় চাকুরী করেছি। যেখানে কাজ করেছি,  সেখানের চিত্র বদলে দিয়েছি। কিন্তু বরিশালের মতো দারিদ্র্য কোথাও নেই। নারায়ণগঞ্জ, নোয়াখালি ও ঢাকার মতো বরিশালকে সাজাতে চাই আমি। কিন্তু পথ পাইনা। এখান থেকে বিদায় নেবার আগে বানিজ্যিক নগরীতে বদলে দিতে চাই বরিশালকে। আপনারা শিল্পকারখানা স্থাপনের উদ্যোগ নিয়ে আসুন। আমি সর্বাত্মক সহযোগিতা দেব। যদিও বরিশাল বিসিক শিল্পনগরী আজো অবহেলিত একটি নাম। তবে বিসিককে শক্তিশালী করার বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছেন বলে জানালেন তিনি। গত ৩ জানুয়ারি ২০২১ তিনি বরিশালের জেলা প্রশাসক হয়ে কাজে যোগদান করেছেন। এর আগে ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে। বছরও হয়নি অথচ তার জনপ্রিয়তা এখন এমন যেন তিনি আজন্ম বরিশালবাসী। </span></p>
<div id="attachment_4802" style="width: 310px" class="wp-caption alignleft"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/01/Screenshot_2021-12-16-00-40-23-07_a23b203fd3aafc6dcb84e438dda678b6.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-4802" class="size-medium wp-image-4802" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/01/Screenshot_2021-12-16-00-40-23-07_a23b203fd3aafc6dcb84e438dda678b6-300x154.jpg" alt="" width="300" height="154" /></a><p id="caption-attachment-4802" class="wp-caption-text">সিটি মেয়র ও জেলা প্রশাসক</p></div>
<p><span style="font-weight: 400;">একইরকম অভিজ্ঞতা বরিশালের সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহকে নিয়ে। গত ২০১৮ সালে মেয়র এর দায়িত্ব গ্রহণ করার পর ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ ১৮ জনের মাঝে ৬ লাখ ৮৮ হাজার টাকা প্রদান করেন। পরবর্তী অর্থ বছর গুলোতে তিনি অর্থ সহায়তা গ্রহনকারী ও অর্থের সংখ্যা বৃদ্ধি করতে থাকেন। এ ধারাবাহিকতায় ২০১৯-২০ অর্থ বছরে ১৭৪ জন অসহায়ের মাঝে ২৭ লাখ ৭৬ হাজার এবং ২০২০-২০২১ অর্থ বছরে ২৯৩ জন অসহায় দরিদ্রের মাঝে ৫৬ লাখ ৩৬ হাজার ও সর্বশেষ ২০২১-২০২২ অর্থ বছরের শুরুতেই ১২৩ জনের মাঝে ১৭ লাখ ৩৫ হাজার টাকা প্রদান করে এক অনন্য নজির সৃষ্টি করেছেন। সরকারি টাকার অপব্যবহার না করে তা সঠিকভাবে জনসাধারণের হাতে তুলে দেয়ার জন্য জেলা প্রশাসক ও মেয়র সাদিক সত্যি প্রশংসার দাবীদার। কিন্তু এ দাবী ম্লান হয়ে যায় যখন পত্রিকার পাতায় খুঁজে পাওয়া হতদরিদ্র ফুলবানু, পারুল বেগম, চাঁন মিয়া, জাহাঙ্গীর এবং বিছানায় ছটফট করা অসুস্থ নুরুল ইসলাম জমাদ্দার এর গল্প কানে আসে। তাদের জন্য সাহায্য চেয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের দীর্ঘদিন পরেও যখন তাদের জীবনযাপনের একইচিত্র চোখে পড়ে  তখন কষ্ট হয় ভীষণ। </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">বরিশালে এসে সাংবাদিকতার কাজে বের হয়ে চার পাঁচজন অসহায় মানুষের মুখোমুখি হয়ে তাদের কথা তুলে ধরার ব্যর্থ চেষ্টায় প্রশাসন ও নেতাদের শোডাউনই চোখে পড়ে বারবার। এমন শোডাউনের নজীর  অসংখ্য। এমনকি প্রশাসন বা সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষের কোনো  দানই পায়না সত্যিকারের অসহায় মানুষগুলো। কারণ, ক্ষুদার্ত ঐ মানুষেরাতো জেলা প্রশাসন বা সিটি করপোরেশন কার্যালয় সম্পর্কে জানেনা। তাদেরতো কোনো নেতা বা গণমাধ্যমের বন্ধু নেই। ফলে আজ পর্যন্ত কোনো সাহায্য জোটেনি তাদের কপালে। এমনকি সব নেতা, সাংসদ, মন্ত্রীদের সংবাদ লিংক দিয়ে বিশেষ অনুরোধ জানানোর পরও কেউই গুরুত্ব দেননি এই অসহায় মানুষগুলোর প্রতি।  </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">বরিশালের বিএনপি নিজেদের গৃহবন্দী দাবী করে করোনাকালীন সংকটে তাদের দায় এড়িয়ে যান। সযং মজিবর রহমান সরোয়ার ও শিরিন জাহান শোনান আওয়ামী লীগের বাঁধা দেওয়ার গল্প। আর আওয়ামী লীগ নেতাদের দান খয়রাত বেশিরভাগই বাছাইকৃত সমর্থক ও অনুসারীদের জন্য। তালুকদার মোঃ ইউনুস ও জাহাঙ্গীর খোকনের ব্যস্ত দান খয়রাত শুধু উপজেলা ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ কর্মীদের মাঝে। </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">বাসদ নেত্রী ডাঃ মনীষা ব্যস্ত মহা শোডাউন অক্সিজেন, ঔষধ সরবরাহ ও অটোরিকশা চলার অনুমতি  নিয়ে। যদিও বিপদগ্রস্ত কেউ তাকে ফোন করলে জানতে পারেন- তিনি খুব ক্লান্ত। এখন বিশ্রামে।</span></p>
<p><b>অসহায় ফুলবানুর গল্প</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/01/FB_IMG_1640509927534.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-4803" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/01/FB_IMG_1640509927534-225x300.jpg" alt="" width="225" height="300" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/01/FB_IMG_1640509927534-225x300.jpg 225w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/01/FB_IMG_1640509927534.jpg 720w" sizes="auto, (max-width: 225px) 100vw, 225px" /></a>এদিকে না খেতে পাওয়া ফুলবানু সন্তান নিয়ে বরিশালের ২৩ নং ওয়ার্ড রুয়ারপুল এলাকায় একটি ঘর ভাড়া করে থাকেন। তাঁর এক সন্তান আত্মহত্যা করেছে স্কুলের বেতন দিতে না পারার যন্ত্রণায়। রাতের অন্ধকারে শাঁক বিক্রি করে জীবীকা তার। করোনাকালীন সংকটে কিশোর ছেলেটার বন্ধ হয়েছিলো সব উপার্জন পথ। এলাকাবাসী কেউ কেউ টুকটাক কাজ করিয়ে তাকে সাহায্যের চেষ্টা করেন। সরকারের গৃহহীন ঘর কর্মসূচির আওতায় সবার আগে ফুলবানুর নাম আসা উচিত বলে মনে করেন রুয়ারপুল এলাকার বাসিন্দারা।</span></p>
<p><b>পারুল বেগম</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2021/10/Screenshot_2021-10-05-20-33-40-81_99c04817c0de5652397fc8b56c3b3817.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignright size-medium wp-image-4508" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2021/10/Screenshot_2021-10-05-20-33-40-81_99c04817c0de5652397fc8b56c3b3817-135x300.jpg" alt="" width="135" height="300" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2021/10/Screenshot_2021-10-05-20-33-40-81_99c04817c0de5652397fc8b56c3b3817-135x300.jpg 135w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2021/10/Screenshot_2021-10-05-20-33-40-81_99c04817c0de5652397fc8b56c3b3817-461x1024.jpg 461w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2021/10/Screenshot_2021-10-05-20-33-40-81_99c04817c0de5652397fc8b56c3b3817.jpg 720w" sizes="auto, (max-width: 135px) 100vw, 135px" /></a>বাকেরগঞ্জ থানাধীন পাদ্রীশিবপুর ইউনিয়নের পাটশিবপুর গ্রামের দুই মেয়ের জীবন মান রক্ষার জন্য পালিয়ে বেড়াচ্ছেন দুটি বছর ধরে। বরিশাল শহরের সার্কুলার রোডে চা বিক্রি করে জীবীকা তার। পারুল বেগম দান খয়রাত চাননা।  চান পাটশিবপুরে নিজ ঘরে ফিরে যাওয়ার নিশ্চয়তা। তিনি গ্রামের স্থানীয় প্রভাবশালীদের অত্যাচারের শিকার। যুবতী মেয়েদের নিরাপত্তা চান প্রশাসনের কাছে। </span></p>
<p><b>চাঁন মিয়া</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/01/FB_IMG_1640509264398.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignright wp-image-4804 size-medium" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/01/FB_IMG_1640509264398-225x300.jpg" alt="" width="225" height="300" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/01/FB_IMG_1640509264398-225x300.jpg 225w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/01/FB_IMG_1640509264398.jpg 720w" sizes="auto, (max-width: 225px) 100vw, 225px" /></a>উজিরপুর উপজেলার ৮নং শিকারপুর উজিরপুর কিম্বা ১ নং সাতলা ইউনিয়নের বাসিন্দা  চাঁন মিয়া বাজারে বাজারে সাহায্যের আবেদন জানিয়ে ঘুরে বেড়ান সত্তুরের বেশি বয়সে। বয়স্ক ভাতাতো দূরের কথা এলাকার চেয়ারম্যান মেম্বার থেকে সামান্য সাহায্যটুকু পান না বলে অভিযোগ করেন তিনি। তার কথার অস্পষ্টতায় উঠে আসে দূটি ইউনিয়নের নাম। তবে বরিশালের পোর্ট রোড বাজারের অনেকেই চেনেন এই চাঁন মিয়াকে। তারা এটাসেটা বাজার দিয়ে বাঁচিয়ে রেখেছেন অসহায় এই বৃদ্ধের জীবন। আল্লাহর কাছে তাই হাজার শুকরিয়া জানান বৃদ্ধ চাঁন মিয়া। অভিযোগ একটাই চেয়ারম্যান মেম্বার কেউই তাকে সাহায্য করেন না।</span></p>
<p><b>অসহায় জাহাঙ্গীর </b></p>
<p><span style="font-weight: 400;"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/01/FB_IMG_1640509269452.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-4805" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/01/FB_IMG_1640509269452-300x225.jpg" alt="" width="300" height="225" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/01/FB_IMG_1640509269452-300x225.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/01/FB_IMG_1640509269452.jpg 720w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>ক্রাচে ভর করে পথচলা গাড়িচালক জাহাঙ্গীরকে নথুল্লাবাদ বাসসষ্টান্ডের সবাই চেনেন। তিনি ছুটে বেড়ান ত্রাণের গাড়ির পিছনে কিম্বা কোথাও দান খয়রাত হচ্ছে শুনলেই ছুটে যাওয়ার চেষ্টা করেন বটে, কিন্তু খুড়িয়ে খুড়িয়ে তিনি যখন পৌঁছান তখন শেষ হয়ে যায় ত্রাণ তৎপরতা। ফলে স্থানীয় কাউন্সিলর লিটন মোল্লার কিছু সাহায্য তিনি পেলেও তা যথেষ্ট নয় ছয় সদস্যের পরিবারের জন্য। মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহও গত বছর কিছু সাহায্য করেছেন বলে জানান তিনি। তবে চলতি বছর বউ সন্তান নিয়ে কষ্টে আসেন।</span></p>
<p><b>নরুল ইসলাম জমাদ্দার</b><span style="font-weight: 400;">  </span></p>
<div id="attachment_4806" style="width: 177px" class="wp-caption alignright"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/01/Screenshot_2021-12-29-12-00-08-92_6012fa4d4ddec268fc5c7112cbb265e7.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-4806" class="wp-image-4806 size-medium" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/01/Screenshot_2021-12-29-12-00-08-92_6012fa4d4ddec268fc5c7112cbb265e7-167x300.jpg" alt="" width="167" height="300" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/01/Screenshot_2021-12-29-12-00-08-92_6012fa4d4ddec268fc5c7112cbb265e7-167x300.jpg 167w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/01/Screenshot_2021-12-29-12-00-08-92_6012fa4d4ddec268fc5c7112cbb265e7-570x1024.jpg 570w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/01/Screenshot_2021-12-29-12-00-08-92_6012fa4d4ddec268fc5c7112cbb265e7.jpg 720w" sizes="auto, (max-width: 167px) 100vw, 167px" /></a><p id="caption-attachment-4806" class="wp-caption-text">এভাবেই লিংক যুক্ত করা হয়েছে রাজনৈতিক ও প্রশাসনের কাছে।</p></div>
<p><span style="font-weight: 400;">বাকেরগঞ্জ থানাধীন সঠিখোলা গ্রামের নরুল ইসলাম জমাদ্দার দীর্ঘদিন অসুস্থ হয়ে বিছানায় পরে আছেন। সুচিকিৎসার অভাবে যন্ত্রণায় ছটফটানি তার অভাবের সংসার। তিনি দান খয়রাত চাননা। চান সুচিকিৎসার ব্যবস্থা। পৈতৃক সুত্রে প্রাপ্ত তার সয়সম্পত্তি কিছু আছে। সেগুলোর ব্যবহারের শক্তি নেই শরীরে।  ভাইবোনদের সাথে ভাগবাটোয়ারা নিয়ে ঝামেলা থাকায় বিক্রি করে নিজের চিকিৎসাও করাতে অক্ষম তিনি। উপার্জনহীন গত দুটিবছর। বড় মেয়েটি দশম শ্রেণির পরীক্ষার্থী।  আর ছোট ছেলেটি শিশু। তাঁর একটু সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করে দেয়ার আকুতি লাড়া দিতে পারেনি কোনো নেতা বা প্রশাসনের লোকের বিবেকে। তাকে নিয়ে সংবাদ হয়েছে। সংবাদ লিংক পেয়েছেন সবাই।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">হাঃ এদের সকলের সংবাদ প্রতিবেদন লিংক প্রতিবেদক নিজে দায়িত্ব নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হোয়াটসএ্যাপ ও ইনবক্সে যুক্ত করেছেন, ফোন করে নিশ্চিত হয়েছেন। সিটি মেয়র, ইউএনও এবং জেলা প্রশাসক, বিভাগীয় কমিশনার, সাংসদসহ সবাই জেনেছেন ঘটনা। তারপরও দেখিয়েছেন উদাসীনতা। </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">তাহলে সরকারের দেয়া কোটি কোটি টাকার শীতবস্ত্র, পুনর্বাসন ঘর ও খাদ্য ত্রাণ কোথায় যায়, কারা পায় সরকারের সহানুভূতি ? এ প্রশ্নের উত্তর জানা নেই আজো কারো।</span></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%8f%e0%a6%96%e0%a6%a8-%e0%a6%b6%e0%a7%8b%e0%a6%a1%e0%a6%be%e0%a6%89%e0%a6%a8%e0%a6%83-%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%ac/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>মাননীয় মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর চরিত</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%a8%e0%a7%80%e0%a7%9f-%e0%a6%ae%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%80-%e0%a6%86%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a6%be/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%a8%e0%a7%80%e0%a7%9f-%e0%a6%ae%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%80-%e0%a6%86%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a6%be/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[সাবা প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 03 Feb 2016 08:14:53 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[কথামালা]]></category>
		<category><![CDATA[জীবন কথা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://shahittabazar.com/?p=3116</guid>

					<description><![CDATA[মাননীয় সাংস্কৃতিক মন্ত্রীর সংক্ষীপ্ত জীবন চরিত <p>আসাদুজ্জামান নূর ১৯৪৬ সালের ৩১ অক্টোবর নীলফামারী জেলা সদরে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম আবু নাজেম মোহাম্মদ আলী ও মাতার</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%a8%e0%a7%80%e0%a7%9f-%e0%a6%ae%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%80-%e0%a6%86%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a6%be/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<h3>মাননীয় সাংস্কৃতিক মন্ত্রীর সংক্ষীপ্ত জীবন চরিত</h3>
<div>
<p><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/02/noor.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignright size-medium wp-image-3111" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/02/noor-300x210.jpg" alt="noor" width="300" height="210" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/02/noor-300x210.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/02/noor.jpg 650w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>আসাদুজ্জামান নূর ১৯৪৬ সালের ৩১ অক্টোবর নীলফামারী জেলা সদরে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম আবু নাজেম মোহাম্মদ আলী ও মাতার নাম আমিনা বেগম।</p>
<p>তিনি নীলফামারী মহাবিদ্যালয় থেকে ¯ স্নাতক ডিগ্রী অর্জন করেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি বিবাহিত। তাঁর স্ত্রীর নাম ডা: শাহীন আখতার, যিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ব বিদ্যালয়ের একজন অধ্যাপক (শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ও নিউরোলজিষ্ট)। আসাদুজ্জামান নূর এক পুত্র ও এক কন্যা সন্তানের গর্বিত জনক।</p>
<p>তিনি ১৯৭২ সালে বহুল প্রচারিত সাপ্তাহিক চিত্রালীতে কাজ করার মধ্যদিয়ে কর্মজীবন শুরু করেন । ১৯৭৩ সালে একটি বিজ্ঞাপন সংস্থার অধীনে একটি ছাপাখানায় ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৪ সালে সোভিয়েত দূতাবাসে (বর্তমানে রাশিয়া) প্রেস রিলেশন অফিসার হিসেবে যোগদেন। ১৯৮০ সালে ইস্ট এশিয়াটিক অ্যাডভারটাইজিং লিমিটেড এ (বর্তমানে এশিয়াটিক থ্র্রি সিক্সটি) জেনারেল ম্যানেজার পদে যোগদান করেন। তিনি ১৯৭২ সাল থেকে নাগরিক নাট্য সম্প্রদায়ের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত থেকে বাংলাদেশের নাটকের বিকাশের ধারায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। এ পর্যন্ত দলের ১৫টি নাটকে ৬০০ বারেরও বেশী অভিনয় করেছেন। তিনি দু’টি নাটকে নির্দেশনা দিয়েছেন। তার মধ্যে একটি দেওয়ান গাজীর কিস্সা-যা প্রায় তিন শতাধিকবার মঞ্চায়িত হয়ে রেকর্ড গড়েছে সর্বোচ্চ মঞ্চ নাটক প্রদর্শনীর। তিনি ১১০ টিরও বেশী টিভি নাটক, সিরিজ নাটকে অভিনয় করেছেন। তন্মধ্যে এইসব দিনরাত্রি, বহুব্রীহি, অয়োময় এবং কোথাও কেউ নেই ইত্যাদি অন্যতম। তাঁর রেডিওতে প্রচারিত নাটকের সংখ্যা ৫০ এর অধিক। তিনি মঞ্চের জন্য ব্রেখটেরে নাটকের বাংলা অনুবাদ, রবীন্দ্রনাথের তিনটি উপন্যাসের টিভি নাট্যরুপ এবং টিভির জন্য একটি মৌলিক নাটক রচনা করেন। তাঁর পুস্তকাকারে প্রকাশিত নাটকের নাম ‘এ মোর অহংকার’ ও ‘দেওয়ান গাজীর কিস্সা’ । তিনি নিজস্ব পরিচালনায় বিজ্ঞাপনী সংস্থার ৫০টিরও বেশী বিজ্ঞাপনচিত্র ও ভিডিও ছবি নির্মাণ করেন। তিনি নিয়মিত আবৃত্তি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে থাকেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘরের ট্রাষ্টি সদস্য, আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদের সভাপতি, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সদস্য ও বাংলাদেশ রাশিয়া মৈত্রী সমিতির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে চলেছেন।</p>
<p>তিনি ১৯৬৩ সালে তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নে যোগদান করেন। ১৯৬৫ সালে নীলফামারী কলেজের ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। তিনি পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংস্কৃতিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন এবং পরবর্তীতে কমিউনিস্ট পার্টিতে যোগদান করেন। তিনি দীর্ঘদিন প্রত্যক্ষ রাজনীতি থেকে বিরত থেকে সংস্কৃতি কর্মী হিসেবে নানান রাজনৈতিক-সামাজিক-সাংস্কৃতিক আন্দোলনে নিজেকে নিয়োজিত রাখেন এবং স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচারেরর দাবীতে শহীদ জননী জাহানারা ইমামের সঙ্গে আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৯৮ সালের মাঝামাঝিতে প্রত্যক্ষ রাজনীতিতে যুক্ত হন এবং বাংলাদেশ আওয়ামীলীগে যোগদান করেন।২০০২ সালে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হন। ২০০৯ সালে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংস্কৃতিক সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হন। তিনি সংসদীয় আসন ১৩-নীলফামারী-২ থেকে ২০০১ ও ২০০৮ সালে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন। ৯ম জাতীয় সংসদের বিভিন্ন সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে সদস্য হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করেন। তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো-সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি প্রভৃতি। তিনি ২০১৩ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত ১০ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদীয় আসন ১৩-নীলফামারী -২ আসন থেকে বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় নির্বাচিত হন এবং ১২ জানুয়ারি নবগঠিত মন্ত্রীসভায় সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।</p>
<p>তিনি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিভিন্ন কর্মকান্ডে অংশগ্রহনের জন্য যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, বুলগেরিয়া, জাপান, ভিয়েতনাম, সোভিয়েত ইউনিয়ন (বর্তমানে রাশিয়া), ইতালি, ফ্রান্স, ভারত, জার্মানী, অষ্টেলিয়া,সুইজারল্যান্ড, নেদারল্যান্ড সহ পৃথিবীর আরও বহুদেশ ভ্রমণ করেছেন।</p>
<div class="callbacks_container">
<ul id="front-image-slider" class="rslides callbacks callbacks1">
<li id="callbacks1_s0" class=""></li>
<li id="callbacks1_s1" class="callbacks1_on"><img loading="lazy" decoding="async" src="http://moca.portal.gov.bd/sites/default/files/files/moca.portal.gov.bd/top_banner/667c15e2_ae0b_4eb9_ad40_44bf72e18e96/nazrul%20(1).jpg" alt="" width="960" height="220" /></li>
<li id="callbacks1_s2" class=""><img loading="lazy" decoding="async" src="http://moca.portal.gov.bd/sites/default/files/files/moca.portal.gov.bd/top_banner/e09e905d_3b93_42a6_a0f5_ba806273fc71/final%202.jpg" alt="" width="960" height="220" /></li>
<li id="callbacks1_s3" class=""><img loading="lazy" decoding="async" src="http://moca.portal.gov.bd/sites/default/files/files/moca.portal.gov.bd/top_banner/cd71ed57_c7e8_4100_8f9c_b105c56e4e5e/banner2.jpg" alt="" width="960" height="220" /></li>
<li id="callbacks1_s4" class=""><img loading="lazy" decoding="async" src="http://moca.portal.gov.bd/sites/default/files/files/moca.portal.gov.bd/top_banner/d067a3b0_26f5_49bc_9425_98b2eb5cab43/Capture.JPG" alt="" width="960" height="220" /></li>
<li id="callbacks1_s5" class=""></li>
<li id="callbacks1_s6" class=""></li>
<li id="callbacks1_s7" class=""><img loading="lazy" decoding="async" src="http://moca.portal.gov.bd/sites/default/files/files/moca.portal.gov.bd/top_banner/b24d0b41_12bb_4c22_8eb9_8cfcd02d0f1a/ISESCO%20Opening%20Show%20by%20Girls%20(1).jpg" alt="" width="960" height="220" /></li>
</ul>
<p><a class="callbacks_nav callbacks1_nav prev" href="http://www.moca.gov.bd/site/page/3142ab27-5fe9-4023-b0c3-82812c5ac088#">Previous</a><a class="callbacks_nav callbacks1_nav next" href="http://www.moca.gov.bd/site/page/3142ab27-5fe9-4023-b0c3-82812c5ac088#">Next</a></div>
<div id="header-site-info" class="header-site-info"></div>
</div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%a8%e0%a7%80%e0%a7%9f-%e0%a6%ae%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%80-%e0%a6%86%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>সাহিত্যিক গবেষক গোলাম সামদানী কোরায়শীর ২৪তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%97%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%b7%e0%a6%95-%e0%a6%97%e0%a7%8b%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ae-%e0%a6%b8%e0%a6%be/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%97%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%b7%e0%a6%95-%e0%a6%97%e0%a7%8b%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ae-%e0%a6%b8%e0%a6%be/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[নূর মোহাম্মদ নুরু]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 19 Oct 2015 16:08:28 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[কথামালা]]></category>
		<category><![CDATA[জীবন কথা]]></category>
		<category><![CDATA[গুণীজন]]></category>
		<category><![CDATA[ব্যক্তিত্ব/ বিশেষ দিবস]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://shahittabazar.com/?p=3049</guid>

					<description><![CDATA[<p></p> <p>১১ অক্টোবর, রবিবার। ময়মনসিংহ শহরের সাহিত্য সংস্কৃতির অঙ্গনে ছিল শোকের ছায়া। এদিন ফেসবুক জুড়েও ছিল ইয়াজদানী কোরাইশী, সজল কোরায়শী, কানিজ গোফরান কোরাইশীদের শোকার্ত লেখনী। অতঃপর বন্ধু স্বজন নূর মোহাম্মদ</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%97%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%b7%e0%a6%95-%e0%a6%97%e0%a7%8b%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ae-%e0%a6%b8%e0%a6%be/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><img loading="lazy" decoding="async" class="post_image alignleft" src="http://s3.amazonaws.com/somewherein/pictures/nurubrl/nurubrl-1444540456-e9d37fe_xlarge.jpg" alt="" width="169" height="265" /></p>
<p>১১ অক্টোবর, রবিবার। ময়মনসিংহ শহরের সাহিত্য সংস্কৃতির অঙ্গনে ছিল শোকের ছায়া। এদিন ফেসবুক জুড়েও ছিল ইয়াজদানী কোরাইশী, সজল কোরায়শী, কানিজ গোফরান কোরাইশীদের শোকার্ত লেখনী। অতঃপর বন্ধু স্বজন নূর মোহাম্মদ নুরু তুলে ধরলেন <strong>অধ্যাপক গোলাম সামদানী কোরায়শী</strong>র জীবন চরিত।</p>
<p><strong>গোলাম সামদানী কোরায়শী যিনি অধ্যাপক গোলাম সামদানী কোরায়শী নামে সুপরিচিত ছিলেন।</strong> গোলাম সামদানী কোরায়শী বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট সহিত্যিক, সাংবাদিক, ইতিহাসবিদ, গবেষক, অনুবাদক এবং মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করা আধুনিক শিক্ষায় সর্বোচ্চ শিক্ষিত মানুষ ছিলেন গোলাম সামদানী কোরায়শী। স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত জবরদস্ত মাওলানা গোলাম সামদানী ছিলেন চিন্তাজগতের এক অসামান্য মানুষ। নীতি-নৈতিকতা এবং একটি আদর্শ মানব দর্শনেরও অধিকারী ছিলেন গোলাম সামদানী কোরায়শী। কেদারনাথ থেকে শুরু করে আবুল মনসুর, আবুল কালাম শামসুদ্দীন, সৈয়দ আব্দুল সুলতান, সৈয়দ বদরুদ্দিন প্রমুখ সাহিত্যিক ব্যক্তিত্বের শূন্যতা পূরণ করেছিলেন গোলাম সামদানী কোরায়শী। তাঁর প্রতিষ্ঠিত সপ্তগুরু ছিলেন যথাক্রমে সক্রেটিস, শ্রীকৃষ্ণ, গৌতম বুদ্ধ, যিশুখ্রিস্ট, হজরত মুহাম্মদ (সা.), কার্ল মার্কস এবং নিজের পিতা। &#8216;বুদ্ধির মুক্তির বিকল্প নেই&#8217; এমন বাণী প্রচার করে ঊনবিংশ শতকের রেনেসাঁ পুরুষদের যথার্থ উত্তরাধিকার হতে পেরেছিলেন গোলাম সামদানী কোরায়শী। অথচ দুঃখের বিষয়, আমরা তাঁকে ভুলে যেতে বসেছি। আজ এই গুণী ব্যক্তিত্বের মৃত্যুবার্ষিকী। <strong>১৯৯১ সালের আজকের দিনে তিনি ময়মনসিংহের আকুয়া মৃত্যুবরণ করেন। সহিত্যিক, সাংবাদিক, ইতিহাসবিদ গোলাম সামদানী কোরায়শীর মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি।</strong></p>
<p><img loading="lazy" decoding="async" class="post_image alignright" src="http://s3.amazonaws.com/somewherein/pictures/nurubrl/nurubrl-1444540475-afc2d1c_xlarge.jpg" alt="" width="176" height="265" /><strong>গোলাম সামদানী কোরায়শী ১৯২৯ খ্রিস্টাব্দের ৫ এপ্রিল বর্তমান নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়ার কাউরাট গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। </strong>তাঁর পিতার নাম মৌলভী বাবু শেখ আবু আছল মোঃ আঃ করিম কোরায়শী এবং মাতার নাম আলতাফুন্নেসা। তাঁর পূর্বপুরুষের বাড়ি ছিল ময়মনসিংহ জেলার গৌরীপুর উপজেলার বীর আহাম্মদপুর। গোলাম সামদানীর কোরায়শীর পড়াশুনার হাতেখড়ি পরিবারে। তারপর ঘাটুরকোণা প্রাথমিক বিদ্যালয়, কাঠালিয়া মধ্য ইংরেজী স্কুল থেকে ১৯৩৫-৩৬ সালে প্রাইমারী পড়াশুনা শেষ করেন। এরপর ১৯৩৭&#8211;৪১ সাল পর্যন্ত ভর্তি হন নেত্রকোণার চন্দ্রনাথ হাই স্কুল ও বীর আহাম্মদপুর হাই স্কুলে। এরপর ১৯৪৫-৫০ সাল পর্যন্ত বাস্তা জুনিয়র মাদ্রাসা(নেত্রকোণা) ও কাতলাসেন মাদ্রাসায় পড়েন(ময়মনসিংহ)। কাতলাসেন মাদ্রাসা থেকে ১৯৫০ সালে আলিম ১ম শ্রেণীতে ৮ম স্থান অধিকার করেন। ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসা থেকে ১৯৫২ সালে জামাতে উলা (ফাজেল) ১ম শ্রেণীতে ৩য় স্থান ও ১৯৫৪ সালে এম. এ (কামিল) ১ম শ্রেণীতে ১ম স্থান অধিকার করেন। এরপর তিনি বাংলা মাধ্যমে পড়াশুনা করেন। ১৯৫৫-৫৬সালে তিনি নাসিরাবাদ ইন্টারমিডিয়েট কলেজ (ময়মনসিংহ) থেকে আই. আই. এ ১ম শ্রেণীতে ১ম স্থান অর্জন করে বাংলায় ভর্তি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৫৯ সালে বাংলায় (অনার্স) ২য় শ্রেণীতে ৫ম ও ১৯৬০ সালে এম. এ. বাংলা &#8211; ২য় শ্রেণীতে ২য় স্থান অর্জন করেন। <strong>মাঝে ১৯৫৩ সালেকুমিল্লার ময়নামতি এ্যানুয়েল ক্যাম্প থেকে সামরিক শিক্ষা (ইউ ও টি সি) ২০ দিনের মিলিটারী ট্রেনিং এবং ১৯৫৫ সালে হাই মাদ্রাসা শিক্ষা অঙ্ক ও ইংরেজি বিষয়ে পরীক্ষা দেন।</strong></p>
<p><img loading="lazy" decoding="async" class="post_image alignleft" src="http://s3.amazonaws.com/somewherein/pictures/nurubrl/nurubrl-1444540512-2c722c7_xlarge.jpg" alt="" width="165" height="248" /><br />
<strong>গোলাম সামদানী কোরায়শী’র কর্ম জীবন এক বহুমুখী বিচিত্র অভিজ্ঞতার সমাহার। </strong>আত্মীয় স্বজনের বাড়ীতে তিনি ৩ বছর (১৯৪২-৪৫) ধরে রাখাল হিসেবে ছিলেন। তারপর ধানীখোলা বাজার, ঈদগাহ্‌ মাঠ মসজিদের ইমাম ছিলেন। তিনি ১৯৫৫ সালে ধানীখোলা হাই মাদ্রাসার শিক্ষক হিসেবে কাজ শুরু করেন। এরপর তিনি ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লার সম্পাদনা সহকারী, পূর্ব পাকিস্তানের আঞ্চলিক ভাষার অভিধান প্রকল্প ও পান্ডুলিপি ও সংকলন বিভাগ, বাংলা একাডেমীতে (১৯৬১-৬৮) কাজ করেন। (১৯৬৮-৯১ সালে তিনি ময়মনসিংহের নাসিরাবাদ কলেজে বাংলা বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে যুক্ত ছিলেন। অধ্যাপক গোলাম সামদানী কোরায়শী অসংখ্য রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিলেন। তার মধ্যে তিনি সভাপতি হিসেবে বঙ্গবন্ধু পরিষদ, ময়মনসিংহ সাহিত্য পরিষদ, আকুয়া জুনিয়র হাই স্কুল কমিটি, আকুয়া প্রাইমারি স্কুল ম্যানেজিং কমিটি, বাংলাদেশ কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি, ময়মনসিংহ শাখা (১৯৮৪-৯১) উজিরাবাদ সমবায় সমিতি, আকুয়া পৌর কবরখানা, ময়মনসিংহ ও সহ-সভাপতি হিসেবে ময়মনসিংহ প্রেস ক্লাব, উদীচী শিল্পী গোষ্ঠী (ময়মনসিংহ) এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মাদ্রাসায়ে আলীয়া, বাংলা সমিতি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৫৮), বাংলাদেশ কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি (১৯৮৪-৯১) দায়িত্বে ছিলেন। এছাড়া তিনি বিভিন্ন সংগঠনের আহ্বায়ক, উপদেষ্টা ও সদস্য ছিলেন। <strong>তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, সিনেট (১৯৮২-৮৫, ১৯৮৭-৮৮) সদস্য, বাংলা একাডেমীর (নং ৪৪৫) আজীবন সদস্য ছিলেন।</strong></p>
<p><img loading="lazy" decoding="async" class="post_image alignright" src="http://s3.amazonaws.com/somewherein/pictures/nurubrl/nurubrl-1444540526-9b166c4_xlarge.jpg" alt="" width="173" height="260" /><strong>সাহিত্যে অধ্যাপক গোলাম সামদানী কোরায়শী’র বিশাল ভান্ডার বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছে।।</strong> তাঁর বিচিত্র বৈচিত্রের সাহিত্য দর্শন যে কোনো সাহিত্য প্রেমিককে আকৃষ্ট করতে সক্ষম। তাঁর মৌলিক রচনার পাশাপাশি অনুবাদ ও সম্পাদনার পরিমাণও বিশাল। <strong>তার লিখতি উপন্যাসঃ</strong> ষষ্ঠীমায়া (সেমেটিক মিথলজী ভিত্তিক রচনা, শুরু ১৯৭৯ অসম্পূর্ণ) স্বর্গীয় অশ্রু(১৩৮০), পুত্রোৎসর্গ (১৩৮১), মহাপ্লাবন, চন্দ্রাতপ (১৩৮৩) এগুলো তাঁর সেমেটিক মিথলজী ভিত্তিক রচনা। ‘প্রদীপের নীচে’ মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক (রচনা শুরু ১৯৮৩ &#8211; অসম্পূর্ণ) ‘দেব না জানন্তি’ নাগরিক উপন্যাস (১৯৮৫), ‘রূপ ও রূপা’ পারিবারিক উপন্যাস (অসম্পূর্ণ)। এছাড়া ‘সংলাপ’ সম্পূর্ণ সংলাপে রচিত (১৯৯১) ও ‘কামিনী’ উপাখ্যান। <strong> গল্প ও গল্প সংকলনঃ</strong> শ্রী গোলের আত্মকাহিনী প্রথম গদ্য রচনা (১৯৪৩), লেখার দোকান, কালকেতু উপাখ্যান, কারূণের উট, শাদ্দাদের বেহেস্ত, কাল নাগিনী, কোরবাণী, দুর্ভিক্ষ, কল্পনা ও বাস্তব, এক যে ছিল কুল গাছ, একুশের কড়চা, কান্না, শয়তানের দোকন, জ্ঞানের ঘাট, বাঁশী, জায়দার বাপের বেহেস্ত, হজ্জ্ব, অভিনেত্রী, ভাগ্যরেখা, রক্ত চোষার ফরিয়াদ, থার্ড ক্লাশ, বিসমিল্লাহ, বিশ্বাসঘাতকতা, সাধু, দাদা, আদি, অভিসার, নরম গরম, দুই ভাই, দুই বোন, দুই মা, দুই বন্ধু, গল্প শুনো, মেঘলা রাতের কাব্য, বুড়া ঘুমালো পাড়া জুরালো, তিন দিন তিন রাত প্রভৃতি। <strong>নাটকঃ </strong> টুপিচোর, আমাদের দেশ (নাটিকা), গাধার কলজে, সাতটি নক্‌শা, সাপের ছোবল, উটের মাংস, আরও ৪টি। শিয়ালের সাফাই, নাটিকা, সবুজ পাতা(এ তিনটি শিশুতোষ নাটক) ক্ষুধিত সিংহাসন, হেমলক (নাটিকা)।<strong> কবিতা ও কবিতা সংকলনঃ</strong> খেয়ালের ঝুলি, দূর্ঘটনা, উটকোর জিভ, বাদশাজাদা ও গল্পিকা (কিশোর কবিতা সংকলন), মানুষ (১২টি সনেটের সংকলন)। ১<strong>৯৬১ সালে কিংবদন্তিতুল্য ভাষাবিদ ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লার আহ্বানে সাড়া দিয়ে পূর্ব পাকিস্তানের আঞ্চলিক ভাষার অভিধান প্রকল্পে বাংলা একাডেমীর ড. শহীদুল্লার সহযোগী হন</strong>। অভিধান প্রকল্পের পাশাপাশি তিনি অনুবাদকর্মেও মনোনিবেশ করেন। ১৯৬৫ সাল থেকে আরবি, ফারসি, উর্দু, ইংরেজি বিভিন্ন ভাষার বহু মৌলিক গ্রন্থ তিনি অনুবাদ করেন। <strong>তাঁর অনূদিত গ্রন্থের মধ্যে রয়েছেঃ</strong> কালিলা ও দিমনা (১৯৬৫); আইন-আদালতের ভাষা আরবি-ফার্সি শব্দ (মূল ইংরেজি), অশাস্ত্রীয় পুরাণ (মূল সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়); শব্দাদর্শ অধ্যয়ন (মূল মুহম্মদ ওবায়দুল্লাহ); তারিখ-ই-ফিরোজশাহী, তোহফা (মূল ফার্সি) প্রভৃতি এবং বাংলা একাডেমী থেকে এসব গ্রন্থ প্রকাশিত হয়। তাঁর অনূদিত হেজাজের সওগাত (মহাকবি ইকবালের আরমুগানে হেজাজ—এর অনুবাদ) ১৯৬৫ সালে করাচির ইকবাল একাডেমি থেকে প্রকাশিত হয়। এ ছাড়া বহু অনুবাদ এবং মৌলিক সৃজনশীল সাহিত্যকর্মের নিদর্শন রেখে যান তিনি। ১৯৮১-৮২ সালে বিখ্যাত ইসলামি চিন্তাবিদ ইবনে খলদুনের আল মোকাদ্দিমা বাংলা একাডেমী থেকে দুই খণ্ডে প্রকাশিত হওয়ার পর বাংলাদেশের বিদ্বৎসমাজে সাড়া পড়ে। তিনি ইবনে খলদুনের জীবনীগ্রন্থসহ ২৪টি গ্রন্থের অনুবাদক। <strong>তাঁর কৃতকর্মের অবদানস্বরূপ অগ্রণী ব্যাংক শিশুসাহিত্য পুরস্কার (১৯৯০) উল্লেখযোগ্য হলেও তাঁর কর্মের প্রতি সুবিচার হয়নি মনে হয়। আজও মরণোত্তর পদকে ভূষিত করার দাবি রাখেন এ বুদ্ধিজীবী।</strong><br />
<strong>অসাম্প্রদায়িক চেতনার মহান পুরুষ গোলাম সামদানী কোরায়শী ১৯৯১ সালের ১১ অক্টোবর ময়মনসিংহের আকুায়ায় মৃত্যুবরণ করেন।</strong> মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিলো ৬২ বছর। তাঁর মৃত্যুতে অভিভাবকহীন হয়ে পড়ে ময়মনসিংহবাসী আর দেশ হারায় অনন্য প্রতিভাবান, বহুভাষী পণ্ডিত, বহুদর্শী সমাজকর্মীকে। <strong>আজ এই মহন সাধকের ২৪তম মৃত্যুবার্ষিকী। প্রতিভা ভান্ডার গোলাম সামদানী কোরায়শীর মৃত্যুবার্ষিকীতে আমাদের শ্রদ্ধাঞ্জলি।</strong></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%97%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%b7%e0%a6%95-%e0%a6%97%e0%a7%8b%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ae-%e0%a6%b8%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
