<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>গ্রন্থকথন &#8211; সাহিত্য বাজার</title>
	<atom:link href="https://shahittabazar.com/category/%e0%a6%95%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%be/%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a6%95%e0%a6%a5%e0%a6%a8/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://shahittabazar.com</link>
	<description>সাহিত্যের আয়নায় মানুষের মুখ</description>
	<lastBuildDate>Sat, 05 Sep 2020 11:41:56 +0000</lastBuildDate>
	<language>bn-BD</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.9.4</generator>
	<item>
		<title>ক্রমাগত নিজেকে ছাড়িয়ে যাওয়া  ‘মিছিলের সমান বয়সী’  সেই কবি ঃ মিনার মনসুর </title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%a4-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a7%9c%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a7%87-%e0%a6%af%e0%a6%be/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%a4-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a7%9c%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a7%87-%e0%a6%af%e0%a6%be/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[অতিথি লেখক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 05 Sep 2020 11:40:56 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[কথামালা]]></category>
		<category><![CDATA[গ্রন্থকথন]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://shahittabazar.com/?p=4071</guid>

					<description><![CDATA[<p>ক্রমাগত নিজেকে ছাড়িয়ে যাওয়া <br /> ‘মিছিলের সমান বয়সী’ <br /> সেই কবি</p> <p></p> <p>মিনার মনসুর </p> <p>‘অন্যমনস্ক অনুপ্রাস’ নিয়ে বিশদ আলোচনায় আমি যাবো না। সেই প্রস্তুতিও আমার নেই। এক ধরনের</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%a4-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a7%9c%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a7%87-%e0%a6%af%e0%a6%be/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>ক্রমাগত নিজেকে ছাড়িয়ে যাওয়া </strong><br />
<strong>‘মিছিলের সমান বয়সী’ </strong><br />
<strong>সেই কবি</strong></p>
<p><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2020/09/FB_IMG_1599305679826.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-4072" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2020/09/FB_IMG_1599305679826-300x300.jpg" alt="" width="300" height="300" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2020/09/FB_IMG_1599305679826-300x300.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2020/09/FB_IMG_1599305679826-150x150.jpg 150w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2020/09/FB_IMG_1599305679826.jpg 720w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a></p>
<p><strong>মিনার মনসুর </strong><span id="more-4071"></span><!--more--><!--more--></p>
<p>‘অন্যমনস্ক অনুপ্রাস’ নিয়ে বিশদ আলোচনায় আমি যাবো না। সেই প্রস্তুতিও আমার নেই। এক ধরনের তাড়াহুড়োর মধ্যে কবিতাগুলো আমাকে পড়তে হয়েছে। স্বীকার করতে দ্বিধা নেই যে পড়তে পড়তে আমি বারবার ‘অন্যমনস্ক’ হয়ে যাচ্ছিলাম। আমার অবাধ্য মন অস্থির হয়ে খুঁজে ফিরছিল সেই কামাল চৌধুরীকে&#8211; যার সঙ্গে আমার পথচলা প্রায় সাড়ে চার দশকের।</p>
<p>কবিতা আমরা প্রত্যেকেই নিজের মতো করে পাঠ করি <a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2020/09/FB_IMG_1599305589111.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignright size-medium wp-image-4073" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2020/09/FB_IMG_1599305589111-254x300.jpg" alt="" width="254" height="300" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2020/09/FB_IMG_1599305589111-254x300.jpg 254w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2020/09/FB_IMG_1599305589111.jpg 720w" sizes="auto, (max-width: 254px) 100vw, 254px" /></a>এবং অনিবার্যভাবে নিজের পছন্দের বিষয়-অনুষঙ্গগুলো খুঁজি। কারো অনুসন্ধানী চোখ থাকে কবিতার বহিরঙ্গে&#8211;শব্দে, ছন্দে, উপমায়, চিত্রকল্পে এবং অনিবার্যভাবে বাকভঙ্গি ও কল্পনার অভিনবত্বে। আবার কেউ-বা আলো ফেলেন অন্তরঙ্গে। খোঁজেন কবির অন্তর্সত্তাকে&#8211;তার আদর্শ ও বিশ্বাসকে, স্বপ্ন ও স্বপ্নভঙ্গের দীর্ঘশ্বাসকে। আমি যখন থেকে কবিতা পড়তে শিখেছি, তখন থেকেই কবিতায় কবিকে খুঁজি। অনিবার্যভাবে ‘অন্যমনস্ক অনুপ্রাস’-এও আমি কবি কামাল চৌধুরীকেই খুঁজেছি। এবং অবশ্যই চারদশক আগের ‘মিছিলের সমান বয়সী’ সেই কবির সঙ্গে এই কবির মিল-অমিলগুলো শনাক্ত করার চেষ্টা করেছি আমার নিজের মতো করে।</p>
<p>২<br />
সৌভাগ্যই বলতে হবে যে, কামাল চৌধুরীর প্রথম কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হওয়ার আগেই সেই কবিতাগুলো যখন নিয়মিত প্রকাশিত হচ্ছিল বিভিন্ন লিটলম্যাগ ও পত্র-পত্রিকায়, তখন থেকেই আমি তাঁর কবিতার একজন নিয়মিত পাঠক। মাঝখানে জীবন-জীবিকার তীব্র লোনা স্রোত সেখানে বিচ্ছেদ ঘটালেও সম্প্রতি কবির মুখ থেকেই তাঁর কবিতা-দর্শন এবং পছন্দের কবিতাগুলো শোনার সৌভাগ্য আমার হয়েছিল। (প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে সম্প্রতি জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র আয়োজিত সিলেট বিভাগীয় বইমেলায় তাঁকে উদ্বোধক ও প্রধান অতিথি হিসেবে পেয়েছিলাম আমরা। সেখানে স্থানীয় প্রকাশনা সংস্থা ‘চৈতন্য’ ও সিলেট বিভাগীয় প্রশাসন আয়োজিত পৃথক দুটি অনুষ্ঠানে ঘন্টার পর ঘন্টা তিনি কবিতা পাঠ করেছেন। একইসঙ্গে তুলে ধরেছেন তাঁর কবিতাভাবনা এবং ক্লান্তিহীনভাবে উত্তর দিয়েছেন দর্শকশ্রোতাদের বহু প্রশ্নের। পিনপতন স্তব্ধতার মধ্যে দর্শকশ্রোতারা তাঁর কবিতা ও বক্তব্য শুনেছেন মধ্যরাত অবধি।) সত্যি বলতে কী আমি অভিভূত হয়েছি ক্রমাগত নিজেকে ছাড়িয়ে যাওয়া ‘মিছিলের সমান বয়সী’ সেই কবির বিস্ময়কর উত্তরণ দেখে। সেটি কী কবিতায় কী তাঁর কাব্য-ভাবনায়।<br />
আমাদের একটি আশঙ্কা ছিল এবং সেই আশঙ্কার জোরালো ভিত্তিও রয়েছে যে, কামাল চৌধুরী যেহেতু প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে ও গুরু দায়িত্বে ন্যস্ত ছিলেন এবং আছেন দীর্ঘকাল যাবৎ, সেহেতু অনিবার্যভাবে তাঁর কবিতা ও কাব্যভাবনা বড় ধরনের উপেক্ষার শিকার হয়েছে বা হতে বাধ্য। অনস্বীকার্য যে আমাদের জানাশোনা বেশিরভাগ লেখকের ক্ষেত্রে তা-ই হয়েছে। বিস্ময়করভাবে, এক্ষেত্রে কামাল চৌধুরী নিঃসন্দেহে এক উজ্জ্বল ব্যতিক্রম।</p>
<p><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2020/09/FB_IMG_1599305594976.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-4074" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2020/09/FB_IMG_1599305594976-300x169.jpg" alt="" width="300" height="169" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2020/09/FB_IMG_1599305594976-300x170.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2020/09/FB_IMG_1599305594976-70x40.jpg 70w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2020/09/FB_IMG_1599305594976.jpg 408w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>৩<br />
সত্তরের কবিদের (যাঁরা সত্তরের দশকের বিভিন্ন সময়ে কবিতা লিখতে শুরু করেছেন) গায়ে ঢালাওভাবে (এবং কিছুটা তাচ্ছিল্যের সঙ্গেও বটে) একটি বারোয়ারি তকমা সেঁটে দেওয়ার একটি একচোখা ও জবরদস্তিমূলক প্রবণতা আমি লক্ষ করে আসছি গত কয়েক দশক ধরে। সেই তকমাটি হলো, সত্তরের কবিমাত্রই (প্রকাশ্যে) ‘প্রেম ও দ্রোহের কবি’; আর আড়ালে-আবডালে-আড্ডায় ‘স্লোগানসর্বস্ব কবি’! কী রুদ্র কী কামাল কী মিনার মনসুর&#8211; সবার ক্ষেত্রে সেই অভিন্ন তকমা। (বিশ্ববিদ্যালয়ের নোট মুখস্ত করা এক পণ্ডিত শিক্ষক-কবিকে আমি জানি যিনি জীবনে একটিও ভালো কবিতা লিখতে পারেননি, তিনিও সত্তরের সুপ্রতিষ্ঠিত এক কবি সম্পর্কে অবলীলায় বলছিলেন, ‘ওঁর কবিতায় তো সব ধুলোবালি’!)<br />
অস্বীকার করবো না যে কাব্যযাত্রার শুরুতে কামাল চৌধুরীর মধ্যে প্রেম ও দ্রোহ প্রবলভাবে দৃশ্যমান ছিল। (সেই সময়ে ছিল না কার মধ্যে!) তবে এখন, এই ২০২০ সালের মধ্যলগ্নে, আমরা যে কামাল চৌধুরীকে নিয়ে আলোচনা করছি তাকে অত সহজে প্রেম ও দ্রোহের সেই খোপে ঢোকানো যাবে বলে মনে হয় না। ‘অন্যমনস্ক অনুপ্রাস’-এ ‘প্যারিস’ শিরোনামের একটি কবিতা আছে যেখানে কবি লিখেছেন, ‘এ শহর কখনো শেষ হয় না’, একইভাবে আমি বলতে চাই, কামাল চৌধুরীর কবিতাও শেষ হয় না। এই কবির অন্যতম একটি প্রিয় শব্দ হলো ‘অসমাপ্ত’। আমার বলতে ভালো লাগছে যে তাঁর অধিকাংশ কবিতাই উৎকৃষ্ট ছোটগল্পের মতো অসমাপ্তই থেকে যায়। তিনি কথা বলেন ইঙ্গিতে-ইশারায়-সংকেতে। আর সেই সংকেতও খুব সহজবোধ্য বলা যাবে না।</p>
<p>৪<br />
কামাল চৌধুরীর সমকালের উল্লেখযোগ্য কবিদের ভেতর থেকে যা এই কবিকে সহজে পৃথক করে দেয় তা হলো তাঁর পরিমিতিবোধ। তাঁর শব্দ, ছন্দ, উপমা, চিত্রকল্প ও বাকভঙ্গি সর্বত্রই তা দৃশ্যমান। সব চেয়ে উল্লেখযোগ্য দিকটি হলো, বিষয়ভিত্তিক কবিতা তিনিও লিখেছেন এবং তার মধ্যে উৎকৃষ্টমানের কবিতার সংখ্যাও একেবারে কম নয়। প্রসঙ্গত ‘অন্যমনস্ক অনুপ্রাস’-এর (প্রথম কবিতা) ‘বত্রিশ নম্বর সড়কের বাড়ি’ কবিতাটির কথা উল্লেখ করা যেতে পারে। তিনি তুচ্ছ বিষয়কে শুধু নয়, বিষয়হীনতাকেও কবিতা করে তুলতে পারেন। মুগ্ধ হওয়ার মতোই তাঁর সংযম ও নিয়ন্ত্রণ।</p>
<p>৫<br />
এ প্রসঙ্গে যে-কথাটি না বললে নয় তা হলো, কামাল চৌধুরীর ছন্দজ্ঞান ও তাঁর কবিতায় ছন্দের ঈর্ষণীয় ব্যবহার। বিশেষ করে মাত্রাবৃত্ত ছন্দে তিনি এতটাই সচ্ছন্দ যে মনে হতে পারে এটি তাঁর পোষা প্রিয় সারমেয় শাবক! (তিতলির ছবিটি ভেসে ওঠে মানসপটে। প্রিয় কবি সিকদার আমিনুল হকের ‘তিতলি’ নামে বরফশুভ্র ছোট্ট একটি তিব্বতি কুকুরশাবক ছিল। মৃত্যুর আগের রাতেও দেখেছি শাবকটি কবির বক্ষলগ্ন হয়ে আছে মহাসুখে!) শুধু ছন্দ নয়, কামাল চৌধুরী জানেন, কবিতা কী এবং কোনটি কবিতা নয়। প্রসঙ্গত বলি, সমাজবিজ্ঞানের ছাত্র কামাল চৌধুরীকে সিলেটে যেভাবে বিভাগীয় প্রশাসনের পরিপক্ক আমলাদের দীর্ঘক্ষণ বাংলা কবিতার ছন্দ শিখাতে দেখেছি, কবুল করতে কুণ্ঠা নেই যে, বাংলা সাহিত্যের তথাকথিত ভালো ছাত্র হওয়া সত্ত্বেও আমি তা পারতাম বলে মনে হয় না।</p>
<p>পুনশ্চ: বন্ধুদের নিয়ে লেখার ইচ্ছে আমার প্রবল। কিন্তু জীবিকার যন্ত্রণা আমাকে জীবনব্যাপী এতটাই দৌড়ের মধ্যে রেখেছে যে আজকাল প্রায় মনে হয়, এভাবেই হয়ত আচমকা থেমে যাবে দৌড় । তাই যখন যা মনে আসে লিখে ফেলি। এটিও সে ধরনেরই তাড়াহুড়োর একটি লেখা। আশা করি, আমার বন্ধু ও শুভাকাঙ্ক্ষী হিসেবে কামাল চৌধুরী আমার এ অযত্নটুকু মার্জনা করবেন।</p>
<p>ঢাকা: ৪ সেপ্টেম্বর ২০২০</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%a4-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a7%9c%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a7%87-%e0%a6%af%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>মাসুদ আলম বাবুলের লেচু মিয়ার ঘরঃ ড. শংকরপ্রসাদ নস্কর</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%a6-%e0%a6%86%e0%a6%b2%e0%a6%ae-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%9a%e0%a7%81-%e0%a6%ae%e0%a6%bf/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%a6-%e0%a6%86%e0%a6%b2%e0%a6%ae-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%9a%e0%a7%81-%e0%a6%ae%e0%a6%bf/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[অতিথি লেখক]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 04 Oct 2019 14:31:41 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[কথামালা]]></category>
		<category><![CDATA[গ্রন্থকথন]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://shahittabazar.com/?p=3804</guid>

					<description><![CDATA[<p>মাসুদ আলম বাবুলের লেচু মিয়ার ঘর<br /> (সামগ্রিক ভাবনা)</p> <p>ওপার বাংলার খ্যাতিমান কবি ও কথাসাহিত্যিক মাসুদ আলম বাবুলের উপন্যাস &#8220;লেচু মিয়ার ঘর&#8221;।<br /> বস্তিবাসী এক অনাথ কিশোরের করুণ জীবনাগাঁথা এ</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%a6-%e0%a6%86%e0%a6%b2%e0%a6%ae-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%9a%e0%a7%81-%e0%a6%ae%e0%a6%bf/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>মাসুদ আলম বাবুলের লেচু মিয়ার ঘর</strong><br />
<strong>(সামগ্রিক ভাবনা)</strong></p>
<p><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/10/FB_IMG_1570113027846.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-3806" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/10/FB_IMG_1570113027846-300x170.jpg" alt="" width="300" height="170" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/10/FB_IMG_1570113027846-300x170.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/10/FB_IMG_1570113027846-70x40.jpg 70w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/10/FB_IMG_1570113027846.jpg 720w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>ওপার বাংলার খ্যাতিমান কবি ও কথাসাহিত্যিক মাসুদ আলম বাবুলের উপন্যাস &#8220;লেচু মিয়ার ঘর&#8221;।<br />
বস্তিবাসী এক অনাথ কিশোরের করুণ জীবনাগাঁথা এ উপন্যাসের মূল উপজীব্য বিষয়।<br />
লেচুর বাবা মাজু প্যাদা রহমান হাজীর বরফকলে কাজ করার সময় এক দুর্ঘটনায় মারা গেলে পাঁচ বছর বয়সী লেচুকে তার মা জয়তুনি রহমান হাজীর বাড়িতে পেটেভাতে রেখে ঘাটকুলি নিঃসন্তান আজু সর্দারের সাথে নিকা বসে।<br />
<a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/10/FB_IMG_1570113312954.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-3807" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/10/FB_IMG_1570113312954-225x300.jpg" alt="" width="225" height="300" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/10/FB_IMG_1570113312954-225x300.jpg 225w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/10/FB_IMG_1570113312954.jpg 720w" sizes="auto, (max-width: 225px) 100vw, 225px" /></a>রহমান হাজীর স্ত্রী মমতাময়ী জেসমিন রহমানের অপার মাতৃস্নেহে বেরে ওঠা লেচুমিয়াকে দীর্ঘ বারো বছর পর আজুর ইন্ধনে লেচুর মা লেচুকে ফেরত নিয়ে যেতে চায় অথবা তিন হাজার টাকা মাইনে দিতে হবে বলে।<br />
১৭ বছরের লেচু জেসমিনের মাতৃত্বের আস্বাদে নিজের নিঃসঙ্গ দরিদ্র জীবনের কোন পদচিহ্ন লক্ষ্য করেনি। জেসমিনের মাতৃত্বের বারোটি সোনালি সময়ের সেবা-আদর সেই কবেকার শৈশবের অধঃবিস্তৃত পাঁচ বছরের মাতৃস্নেহ নিষ্প্রভ হয়ে গেছে। তাই দুই মায়ের মাঝখানে পড়ে তার কোনো মানসদ্বন্দ্ব নেই। সে একেবারে সযৌক্তিকতায় জেসমিনের মাতৃত্বের প্রতি কৃতজ্ঞতার চেয়েও বড় কিছুর প্রতি নতজানু হয়ে দ্বিধামুক্ত হয়ে গর্ভধারিনীকে পরাস্ত করে। জেসমিনের অভিমানি মন তাকে ফিরে যেতে বলেছে। আর রহমান হাজী তিন হাজার টাকা দিয়ে বহাল করতে চেয়েছে। শেষ পর্যন্ত তার মায়ের সঙ্গে কাঁদতে কাঁদতে চলে যায় লেচুমিয়া।<br />
জেসমিন লেচুর মায়ের গ্রাম্য উগ্র কথায় বিরক্ত হয়ে লেচুকে জোর করে বার করে দিয়েছে ঠিকই। কিন্তু বারো বছরের তিলে তিলে বেড়ে ওঠা চারা গাছটা কখন ডালপালা মেলে তার সমস্ত অন্তর ছুঁয়ে ফেলেছে তিনি তা বুঝতে পারলেন সারারাত বিনিদ্রতায় কাটিয়ে।</p>
<p>জেসমিন তার অধ্যাপক বোন<br />
কানিজের সঙ্গে চিকিৎসার জন্য ঢাকা শহরে যাবার পূর্বে অসুস্থ লেচুকে ময়লা কাঁথা গায়ে জ্বর অবস্থায় তার ঝুপড়ি ঘরে দেখতে যায়। এবং ডাক্তার দেখাতে দুই হাজার টাকা দিলে লেচু ওর আম্মার মান রাখতে মাত্র পাঁচশো টাকা রেখে বাকি টাকা ফেরত দেয়। জেসমিন রহমান যাবার সময় প্রচণ্ড জ্বরেও লেচুমিয়া ঘাটে যায়। জেসমিন তাকিয়ে দেখে কাঁথা গায়ে লেচু মিয়া আকুল নয়নে তাঁর কক্ষের দিকে তাকিয়ে আছে।</p>
<p>যদিও সব গরিরের সমস্যা ও জীবন পরিক্রমার ইশতেহার এক রকম নয়। প্রত্যেকের জীবনবৃত্তে একটা নিজস্ব লড়াই আছে। প্রর্তি মুহূর্তে বদল ঘটে যাচ্ছে সময় ও জীবনের অ-বনিবনার সংঘর্ষের। লেখক যা এ উপন্যাসে চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তুলতে সক্ষম হয়েছেন।<br />
গর্ভধারিনী মা তার দ্বিতীয় স্বামী আজু সর্দারকে খুশি রাখার জন্য নিজের সন্তানের উপর যে অন্যায় আচরণ করে তা বিব্রতকর। জেসমিন লেচুকে দেখে যাবার পর স্বীয় সন্তানের ঘর তন্নতন্ন করে খোঁজে টাকা হাতিয়ে নেবার জন্যে।<br />
তথাকথিত সৌখিন বুদ্ধিজীবীরা লঘুমানের দার্শনিক সেজে কৌটিল্য হতে চায়। ফলে সুস্থ ভাবনার বিনষ্টি ঘটে গিয়ে স্থবিরতার জপমালার খুশির ও স্বস্তির আমানতের মিথ্যা স্বপ্ন দেখে। তাই জেসমিন তার শিক্ষিতা বোনকে কত সহজে স্বভাববসে বলতে পারে, “মানুষকে শেখাও কিন্তু নিজে শেখ না”। এটাই হচ্ছে অনতিক্রম্য একশ্রেণীর শিক্ষিতের জীবন-ব্যধি। এই পিড়িত ভাবনাই দুঃস্থ ভবিষ্যৎ রচনা করেছে। মানবিক মূল্যবোধ শুধু পুঁথি বা মগজেই বন্দি ও নিশ্চল হয়ে আছে।</p>
<p>লেখক বলেছেন,&#8221;মধ্যবিত্তরা যে শ্রেণীভূক্ত ই হোক না কেন তারা শালীন ও সহনশীল। তাদের যেমন আছে সমাজ-সভ্যতা তেমনি আছে মানবিক মূল্যবোধ&#8221; এর পরেই বলেছেন, &#8220;অতি দরিদ্র ও অত্যাধিক ধনাঢ্য পরিবারগুলোর সংসার বালু আর খড়কুটা দিয়ে বাঁধা&#8221;। দারিদ্র্যের নির্মম কষাঘাতে তারা শুধু বেঁচে থাকার সংগ্রামই বা বিবেক আর মানবিক মূল্যবোধ ভাবার জন্য যে সময়টুকু তাদের ভাবতে হয় সে সময়টায় তাদেরকে পরিশ্রম করে আহার যোগাতে হয়, মৌলিক প্রয়োজন মেটাতে হয়। এদের পরিবারগুলো বারবার ভাঙে গড়ে। কিন্তু জীবনের স্বাদ তারা কোনদিনই আস্বাদ হিসেবে নিতে পারেনা। উচ্চবিত্তদের সম্পর্কে তার মন্তব্য, &#8220;ভালোবাসা ও আবেগ তাদের কাছে অধরা। তাদের ও পরিবারের এই ভালোবাসা ভেঙে যায় কাচের চুড়ির মতো শুকনো ছনের মতো, গরিবের চেয়েও গরিবের মতো। সমাজ সভ্যতার শক্ত ভিত রচনা করে দাঁড়িয়ে আছে মধ্যবিত্ত।&#8221; এমন অসাধারণ এ বর্ণনা সত্যিই নিচু শ্রেণির সমাজ বাস্তবতায় এক স্বার্থক রূপায়ন।<br />
লেচু মিয়ার মা বারো বছর পরে লেচুকে ফিরে আনতে গেলে সে আসতে চায়নি। কৃতজ্ঞতা নয় কারণ কৃতজ্ঞতা কি জিনিস সে জানেনা, সে শুধু ভালোবাসা ও মমতার নিগরে বন্দি থেকেই স্বেচ্ছায় আসতে চায়নি, আর ওই একই কারণে জেসমিনও ছাড়তে চায়নি। আর একই কারণে জেসমিনের বড় শহরে যাওয়ার পথে প্রচণ্ড জ্বর নিয়ে কাঁথা গায়ে লেচু লঞ্চঘাটে বারো বছরের তিলে তিলে পাওয়া মাকে দেখতে বা বিদায় জানাতে দাঁড়িয়ে থাকে। আর তার সেই মাও ঘাটে দাঁড়িয়ে থাকা লেচু মিয়ার দিকে করুণ চোখে তাকিয়ে থাকে।</p>
<p>লেচুর জন্ম দেয়া মা সব কড়ায়-গণ্ডায় পয়সায় মাশুলে বুঝে নিতে চায়। লেচুকে জেসমিন দুই হাজার টাকা দিতে চাইলে সে পাঁচশ&#8217; টাকা মাত্র অনিচ্ছায় নিয়েছে। আর সেই টাকা ছিনিয়ে নিতে অসুস্থ ছেলের উপর চড়াও হয়েছে তার নিজের মা। অন্যদিকে জেসমিনের বোন অধ্যাপক কানিজেরও অতি বাস্তববোধ এইসব মমতা, সহানুভূতি বা দরদকে সস্তা সেন্টিমেন্ট বলে মনে করে। ধনী-গরিবের বা মধ্যবিত্তের প্রশ্ন নয়। তার সঙ্গে আছে সময় স্থান পরিবেশ ও বিবেক। যে কারনেই একজন সাহিত্যিকের কলমে জন্ম নেয়া চরিত্র গড়ে ওঠে তার নিজের মতন করে।</p>
<p>ধনী কোন রাজা বাদশাহদের বুকের শিলালিপিতে ভালোবাসার অক্ষয় অক্ষর মুদ্রিত থাকে। বঙ্কিমচন্দ্রের জেব-উন্নিসা এক বিন্দু ভালোবাসার জন্য অশ্রু জলে মাটি ভেজাল। কিম্বা মহাশ্বেতাদেবীর &#8220;হাজারো চুরাশির মা&#8221; অাভিজাত্য আর সাজানো স্ট্যাটাসের আড়তে বসে যে পুত্র হারানোর যন্ত্রণা ভোগ করছে তা মর্মান্তিক। তারাশঙ্করের &#8216;পাখি কিংবা ঠাকুরঝি&#8217;, সমরেশ বসুর &#8216;গঙ্গা পিপলাই&#8217; এর জীবনী &#8216;চিন্ময়ী&#8221;&#8230;. ভালোবাসার আলাদা এক আধার ভুবন নির্মান করে। রবীন্দ্রনাথের যাইবেন, বিভূতিভূষণের রুপো বাঙাল বাড়ির পরিচারক অথচ মানবিক মূল্যবোধে স্বর্গসুষমা রচনা করেছে। তারা দরিদ্র কিন্তু কাঙ্গাল নয়, হৃদয়ের অর্ঘ্যে রাজার রাজা।</p>
<p>শরৎচন্দ্রের উপন্যাসে যে মধ্যবিত্ত সমাজকে পাই তা পোকায় খাওয়া জর্জরিত সমাজ। হিংসা, দ্বেষ, ভণ্ডামি ও স্বার্থপরতার নগ্নতায় দিগম্বর সেজে বসে আছে। মধ্যবিত্তরা বড় ক্যারিয়ারিস্ট হয় যে কোনো সময় রং পাল্টায় চরিত্র ধর্মে তারা পেণ্ডুলাম। ঠিক তেমনি মাসুদ আলম বাবুলের উপন্যাসেও আমরা মধ্যবিত্ত সহ সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের উপস্থিতি দেখতে পাই।</p>
<p>লেখক জীবন মন্থন করে সুধা ও গরল তুলবেন। সে জীবন যে কোন শ্রেণির যে কোন স্তরের জীবন হতে পারে। &#8220;নীলদর্পণ&#8221; নাটকে জমিদার এবং রায়তবর্গ একই সংকটে হাতে হাত মিলিয়ে লড়াই করেছে নীলকরদের বিরুদ্ধে। সেখানে দরিদ্র মধ্যবিত্ত উচ্চবিত্ত এক ভালোবাসার সূত্রে কমন মূল্যবোধে সামিল হয়েছে।</p>
<p>উচ্চবিত্তরাই শুধু ভোগবিলাসে মত্ত হয় না। সুযোগ পেলে দরিদ্র ও মধ্যবিত্তরা আরো মারাত্মক অনিয়ন্ত্রিত বিলাসী জীবমত্ত হয়ে ওঠে। শুধু গরিব পরিবার বারবার ভাঙে গড়ে না, জীবনের ধর্মই ভাঙ্গা গড়া। মধ্যবিত্ত পরিবার এখন মিশ্র জটিলতার সমাধানহীন সংকটে দেখা যাচ্ছে। মাইক্রো পরিবারে মাইক্রো ক্রাইসিস তাদের জীবনকে সংঘাতে সংঘাতে চূর্ণ করে দিতে উদ্যত কারণ মধ্যবিত্ত পরিবারে স্বপ্নের জাল বোনার স্বপ্ন বেশি। যে কোন পথে ও শর্তে আত্মপ্রতিষ্ঠা দুরাকাঙ্ক্ষায় সে নিত্য জর্জর। ফলে ব্যক্তি জীবন কর্ম জীবন ও সমাজ জীবনে সঙ্গতি সূত্র গ্রহণের অক্ষমতা তাকে আত্মসম্মান তছরুপের কুমন্ত্রণা যোগায়। সুতরাং তাদের মূল্যবোধের সবচেয়ে অবক্ষয় বেশি। দরিদ্র পরিবারে এই আত্মবিকার ও বিক্রয়ের কোন অধঃপতনের ইশারা নেই হয়তো কিন্তু রয়েছে রুঢ় সমাজ বাস্তবতার এক অভিনব রূপ।<br />
লেখকের ভাষায়, &#8220;ভালোবাসা ও আবেগ তাদের কাছে অধরা&#8221;</p>
<p>কানিজের পরিচারিকা রহিমা কানিজকে আম্মা বলে ডেকেছিলো কিন্তু তিনি বারণ করে &#8216;খালা&#8217; সম্বোধন করতে বলেছেন অর্থাৎ অশিক্ষিত দরিদ্র ও বাড়ির কাজের মেয়ের ধনী পরিবারের সঙ্গে নৈকট্য স্থাপনের দুঃসাহস তিনি বরদাস্ত করেননি। ঘরে ঘরে তো জেসমিন প্রদীপ জ্বেলে বসে থাকে না। নিম্নবিত্তের কোন উচ্চ মনের মানবের সঙ্গে স্বাভাবিক মধুর সম্পর্ক স্থাপন করলেই উচ্চবিত্তের স্ট্যাটাস নষ্ট হয় না। ওটা মনের দীনতা থেকে জন্ম নেয়&#8230; তা থেকেই জন্ম দেয় হীনতা। তাই কানিজ যা চিন্তায় আনতে পারে না তার দিদি কত সহজে তা বরণ করে নেয়।<br />
জেসমিন ভদ্র উচ্চশিক্ষিত ন্যায় ও নীতিনিষ্ঠ, কর্তব্যদৃঢ়, ব্যক্তিত্ব ঋদ্ধ, মমতাময়ী মানবিক এবং আপন সিদ্ধান্তে অবিচল ও আপনপর নিরপেক্ষ, গরিব দরদি ও করুণাস্নিগ্ধ। এক কথায় একটি প্রায় পরিপূর্ণ মানুষ। এখানে লেখকের স্বার্থক সৃষ্টি জেসমিন রহমানের চরিত্র।<br />
লেচুর মা জয়তুনি তার দ্বিতীয় স্বামী আজু সরদারের জুলুমে লেচুকে নিরাপদ আশ্রয় থেকে লঞ্চঘাটে কুলি হিসেবে নিয়োগ করে টাকা উপার্জন করার জন্যে।<br />
ঘাটে কয়েকজন কুলি লেচুকে প্রহার করে বলে প্রতিবিধানে জাহাজঘাটের সরদার আজুকে জানালে সে গ্রাহ্য করে না উপরন্ত জয়তুনিকে নির্যাতন করে। এখানে একইসঙ্গে মাতৃ হৃদয়ের স্নেহ পিপাসা ও অর্থলিপ্সা তার বাস্তব চরিত্রকে তুলে ধরেছে।<br />
জাহাজঘাটের সরদার আজু অ-মানসিক অত্যাচার করে জয়তুনির উপর। যে অর্থ, ভোজ্য ও নারী ছাড়া কিছুই বোঝে না। বস্তিবাসীর সব রকম ধর্মই তার আছে, সে স্বার্থপর, অবিবেচক এক নিষ্ঠুর মানুষ। জৈব সত্তাই তার সব সত্তা।<br />
জয়তুনি হল আজুর পঞ্চম স্ত্রী। ইতিপূর্বে চারজন স্ত্রী তার অত্যাচারে তাকে ত্যাগ করেছে। আজু কামুক- ধূর্ত। সে ভিখারি ও ক্যাজুয়ালে দেহপজীবিনীর সঙ্গে দেহাসক্ত। স্ত্রী জয়তুনিকে তার স্বভাব ধর্ম উগ্রতার প্রতিকুলে গিয়ে শান্ত ও কৃত্রিম আন্তরিকতার স্টাইলে ছলে ছেলের কাছে থাকতে বলে, তাজেনূরের সঙ্গে সঙ্গটাকে অবাধ করার জন্যে।</p>
<p>জেসমিন ছাত্র বয়সে বামপন্থী ছিলেন। তাই কাজিনের বাড়ির পরিচারিকা রহিমার সঙ্গে তার ভালোলাগা গল্প। বাস্তব জীবনাচারে বিশ্বাসী কানিজের তাতে আপত্তি। কানিজ ও জেসমিনের পুত্র রাফিদ এরা একটা ক্লাস নিজের মত করে সাজিয়ে নিয়েছে। জনজীবন ও মানসিক জীবনের সঙ্গে তার কোন যোগ নেই। তারা শুধু অর্থ ও শিক্ষা দিয়ে মানুষকে দেখে&#8230;. মানুষ হয়ে মানুষকে দেখে না।</p>
<p>লেচুর মত ছেলেদের জন্মই যেন বড় লোকদের হাতে মার খাওয়ার জন্য। বিনা সংকোচে চড় থাপ্পড় মারে কারণে-অকারণে। একবিংশ শতাব্দীর উদার মানসিকতার কুলে দাঁড়িয়ে কিছু রুগ্ন মনুষ্যত্বের যাত্রীর এই পাশবিক আচরণ। সভ্যতার লজ্জা, লজ্জা জেসমিনের মত মায়ের ছেলে রফিদদের কুৎসিত উগ্র আচরণে।<br />
আজু সরদার প্রথমত রিপুর অবৈধ স্বাদের জন্য তাজেনূরের তনুবসে পাগল হতে চায়। টাকা তখন তার কাছে ধুলোবালি, লেচুর মাকে নানা অজুহাতে লেচুর কাছে পাঠিয়ে দেয়।<br />
তাজেনূরের জন্য তার মন অস্থির হয়ে উঠে। তাজেনূর কুৎসিত হতে পারে কিন্তু এই মুহুর্তের তার প্রাণের সুর যেন অন্যরকম, &#8220;তোমার মন তোমার দ্বারে হরদার, আমারটা আমারে, মধু ভরা রাইতখান দিমুআনে তোমারে।&#8221;</p>
<p>আজু সরদারের টাকার লোভ। তাই ট্যারা জয়নালেরর একচোখ কানা মেয়েকে এক লাখ টাকার বিনিময়ে লেচুর সঙ্গে বিয়ে দিয়ে একটা দোকান করে দেয়ার কথা বলে লঞ্চঘাটে। কিন্তু আজুর উদ্দেশ্য ওই টাকাটা আত্মসাৎ করা। জয়তুনি ও লেচু তা বুঝতে পারেনা।</p>
<p>দারিদ্র, নিত্য কর্মসংস্থানের অভাব, বন্যা, ঝড়ে ভেঙে পড়া ঘরবাড়ি। অন্য সংস্থানের জন্য শহর সংলগ্ন বস্তি গড়ে ওঠে। বিভিন্ন ধরনের কাজ পাওয়ার ফলে উদরপূর্তির অভাব হয়না। লেখক বলেছেন ঠিকই, এই বস্তি কালচার সম্পর্কে.. &#8220;গ্রামীণ আর শহুরে সংস্কৃতির বাতাবরণে তাদের মধ্যে এক মিশ্র সংস্কৃতির ভাবধারা গড়ে ওঠে &#8220;।<br />
&#8220;নিজেকে ভাবতে শেখো অন্যের মত করে, অন্যকে ভাবতে শেখো নিজের মতো করে&#8221;<br />
আজু সর্দার লুলা ভিখারির স্ত্রী তাজেরনূরে সথে সম্পর্কের সব বাঁধা সরিয়ে দেবার জন্যে একেকটি কূটকৌশল করে ক্রমাগত আরো অপরাধের সাথে জড়িয়ে পড়ে। সে জয়তুনিকে দিয়ে অবৈধ মাদকের ব্যবসা করাতো। লেচুর বিয়ের পর শ্বশুরের কাছ থেকে প্রাপ্ত এক লক্ষ টাকা লেচুর স্ত্রী তার সংসারে ফিরে পাওয়ার জন্যে চাপ দিতে থাকলে আজু সর্দার কৌশলে মাদক বিক্রির অপরাধে গোপনে পুলিশ দিয়ে লেচু, লেচুর মা ও লেচুর স্ত্রীকে গ্রেফতার করায়।<br />
লেচুকে জেসমিন রহমান থানা থেকে মুচলেকা দিয়ে ছাড়িয়ে এনে পুনরায় নিজের বাড়িতে আশ্রয় দেয়।<br />
তাজেনুরের প্রতি আজুর কুৎসির যৌনাচারের পারস্পরিক দ্বন্দ্বে লুলা আর তাজেনুর ঘাট ছেড়ে রূপাতলি বাসস্টাণ্ডে চলে গেলেও আজু তার পাশবিক আবেদন থেকে সরে যায়না। এক পর্যায়ে তাজেনুরের সাথে বাঁধাহীন সম্পর্কের শেষ কাঁটা অসুস্থ লুলাকে কৌশলে বিষপ্রয়োগে হত্যা করে আজু। তাজেনুরের স্বীকারোক্তি মতে আর শেষরক্ষা হয়না আজুর। ভোলার চড়াঞ্চলে এক নিকট আত্মীয়ের বাড়ি থেকে পলাতক আজু সর্দারকেও গ্রেফতার করে পুলিশ।<br />
নিঃস্ব, অসহায় লেচুর প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসার স্বীকৃতি প্রদানে মমতাময়ী জেসমিন তার পৈত্রিক সম্পত্তি থেকে প্রাপ্ত সম্পত্তির একটি অংশ লেচুকে লিখে দেয়ার ইচ্ছা পোষণ করায় শুরুহয় নতুন করে আরেক বিপত্তি। লেচুকে নিয়ে রাফিদের মানসিক দ্বন্দ্ব, যেখানে ভিলেনের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয় কানিজ।<br />
ষড়যন্ত্রের জালে আটকা পড়ে রাফিদের হাতেই জীবনের নির্মম আর করুণ পরিনতি বরণ করতে হয় লেচুর। যা চালিত হয় ছাদের উপর ইলেক্ট্রিক তারে তড়িতাহত হবার করন হিসেবে।<br />
লেচুর আবাসস্থল ছিলো ঘাটের কাছাকাছি রসুলপুর বস্তিতে। তাকে কবরস্থ করা হয় কীর্তনখোলার পূর্বপারে চড়কাউয়ায় ভাঙনোদ্যত পিতা মাজু প্যাদার কবরের কাছে।<br />
লেচুমিয়া অল্পকিছু লেখাপড়া শিখেছিলো হাজী সাহেবের বাড়িতে বসে, সে অক্ষরজ্ঞানটুকু দিয়েই বস্তির ঘরের সামনে আধোহাতে একটি প্লাকার্ডে লিখে রেখেছিলো &#8220;লেচু মিয়ার ঘর&#8221; নামে। প্লাকার্ডটি জেসমিন সে কবরের উপর পুঁতে রাখেন।<br />
লেখকের কথায়- &#8220;জেসমিন রহমান সে প্লাকার্ডটি সংগ্রহ করে রেখেছিলেন, যেটিতে লেচুমিয়া আধোহাতে ছোপা রঙে লিখেছিলো &#8220;লেচু মিয়ার ঘর&#8221;। প্লাকার্ডটি আজকের এ অত্যুজ্জ্বল বিকেলে সদ্য প্রতিষ্ঠিত সে মাটির ঢিবির উপর যীশুর ক্রুশের মতো দাঁড়িয়ে থেকে সমহিমায় উচ্চারণ করে, এটাই লেচু মিয়ার ঘর, লেচু মিয়ারা এখানেই থাকে।<br />
স্বার্থক নামকরণের নির্মম বাস্তবতার এ প্রতিরূপ অত্যন্ত চমৎকার ও সাবলীল ভংগীতে তুলে ধরেছেন লেখক। মানবিক মূল্যবোধের শৃঙ্খল মুক্তির শপথে এ কাহিনি শুধু বাংলারই নয়, গোটা বিশ্বের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের এক করুণ আহাজারি, আর হরণকারীদের কপালে শক্ত এক চপেটাঘাত।<br />
&#8220;গডফাদাররা গডের মতোই নিরাকার।&#8230;.. খেলা হয় মাঠে। হার-জিত নির্ধারিত হয় ফাইভস্টার হোটেলে বসে। মাঠ হচ্ছে দৃশ্যমান কিন্তু খেলাটা দৃশ্যমান নয়।<br />
এ অদৃশ্য খেলা থেকে মুক্তির মন্ত্রে দীক্ষিত হয়ে বিশ্বের সকল লেচু মিয়াদের বাসস্থান ও সুন্দর জীবনের নিশ্চয়তা বিধানে স্বার্থক উপন্যাস হিসেবে &#8220;লেচু মিয়ার ঘর&#8221; সময়োপযোগী বলে মনেকরি।</p>
<ul>
<li># ড. শংকরপ্রসাদ নস্কর<br />
প্রাক্তন অধ্যাপক ও গবেষক</li>
</ul>
<p># প্রকাশক প্রাণকৃষ্ণ মাজি কর্তৃক বিবেকানন্দ বুক সেন্টার, কলেজ স্ট্রীট, কোলকাতা থেকে প্রকাশিত।</p>
<p>প্রচ্ছদঃ সঞ্জয় বেরা।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%a6-%e0%a6%86%e0%a6%b2%e0%a6%ae-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%9a%e0%a7%81-%e0%a6%ae%e0%a6%bf/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>দুপুর ও ছায়ার জ্যামিতিঃ  উমাপদ কর</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b0-%e0%a6%93-%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a7%9f%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%83/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b0-%e0%a6%93-%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a7%9f%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%83/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[অতিথি লেখক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 10 Jun 2019 09:31:09 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[কথামালা]]></category>
		<category><![CDATA[গ্রন্থকথন]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://shahittabazar.com/?p=3775</guid>

					<description><![CDATA[<p></p> <p>অনিন্দ্য জসিম এর কবিতার বই</p> <p>দুপুর ও ছায়ার জ্যামিতি নিয়ে আলোচনা করেছেন</p> <p>  উমাপদ কর।</p> <p>প্রিয় অনিন্দ্য জসিম</p> <p><br /> আপনার কবিতার বই ‘দুপুর ও ছায়ার জ্যমিতি’ পড়া হলো। ভালো</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b0-%e0%a6%93-%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a7%9f%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%83/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><span id="more-3775"></span></p>
<p>অনিন্দ্য জসিম এর কবিতার বই</p>
<p>দুপুর ও ছায়ার জ্যামিতি নিয়ে আলোচনা করেছেন</p>
<p><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/06/received_2339661679448229.jpeg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-3781" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/06/received_2339661679448229-300x300.jpeg" alt="" width="300" height="300" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/06/received_2339661679448229-300x300.jpeg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/06/received_2339661679448229-150x150.jpeg 150w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/06/received_2339661679448229.jpeg 576w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>  <span style="font-weight: 300;">উমাপদ কর।</span></p>
<p>প্রিয় অনিন্দ্য জসিম</p>
<p><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/06/received_2349021032085532.png"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-3776" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/06/received_2349021032085532-169x300.png" alt="" width="169" height="300" /></a><br />
আপনার কবিতার বই ‘দুপুর ও ছায়ার জ্যমিতি’ পড়া হলো। ভালো লেগেছে বইটা। সামান্য প্রতিক্রিয়া। বইয়ের নামটা পড়েই চমকে গিয়েছিলাম। নামের মধ্যে যে বিমূর্ততা ধরা পড়ে আমি তাতে নিবিষ্ট হই। কবিতা বিমূর্ত শিল্প বলেই আমি মনে করি। কবিতা পাঠকালে সামান্য হলেও এই বিমূর্ততা রচনার প্রয়াস মাঝেমধ্যে দেখতে পাই। ভালো লাগে। যেমন, ‘কচ্ছপের পিঠের ওপর রোদ পোহায় চৈত্রের নদী’ (পৃ-১৯), ‘পাকা ধানক্ষেতের আল ধরে হাঁটে হেমন্তের রোদ,/ মৌ মৌ নাতিশীতোষ্ণ বাতাস’ (পৃ-২০), ‘পেয়ালায় চুমুক দিতে দিতে/ চাঁদ ডোবার আগে পথ ভুলে যায় ঘরের ঠিকানা’ (পৃ-২৫), ‘রোদে পিঠ রেখে বসে আছে শীত দক্ষিণের বারান্দায়’ (পৃ-২৯), ‘মৃত মাছের অপলক চোখে/ ঘোলাটে অজস্র জাগতিক বোধ/ নড়ে ওঠে পানপাত্রে।’ (পৃ-৩৫), ‘কারো প্রেমে পড়তে চাইলে বউ কথা কও চাষ করো।’ (পৃ-৪৪), ‘মেমথের চিৎকার দূরে, আরও দূরে/ খাদে পড়ে আছে চাঁদ’ ইত্যাদি। ভালো লাগে এই কারণেই, প্রকৃতপক্ষে এ-সবই ‘কল্পচিত্র’, চিত্র থেকে কল্পনা নয়, কল্পনা থেকে চিত্র নির্মাণ। এই কল্পনা বিস্তারেই বিমূর্ততা জেগে ওঠে। একটা আলাদা মাত্রা পায়। ভালো লাগে, এই যে জড়ে প্রাণ দেওয়ার প্রয়াস, যেখানে হেমন্তের রোদ আল ধরে হাঁটে, চৈত্রের নদী কচ্ছপের ওপর রোদ পোহায়, বা শীত নিজেই রোদে পিঠ দিয়ে বসে থাকে, তা আসলে জড়ে প্রাণ সৃষ্টি, ফলে বিমূর্ততার প্রতিচ্ছবি।<br />
এই বইয়ে প্রায় সব কবিতাই ‘আমি’-কে কেন্দ্র করে, আমার দেখা, আমার অনুভব, আমার চিন্তা, আমার প্রেম, আমার অনুসন্ধান, আমার ইচ্ছা-অনিচ্ছা, সুখ-দুঃখ-বেদনা, নির্জনতা-নৈশব্দ, ইত্যাদি। অর্থাৎ এই নিসর্গ-প্রকৃতি-জড় ও জীব, মানুষ-মানুষী, সমাজ-সংসার, আমার দেখায়-অনুভবে-চিন্তায়-ভাবনায় কিভাবে উপস্থাপিত হতে পারে কবিতায়। এটা ‘আমি’ সর্বনামে কবিতা করার একটা তরিকা, যা আপনি গ্রহণ করেছেন এই বইয়ে। দেখা, আত্মস্থ করা, ভেতরে রাসায়ণিক ক্রিয়া-প্রক্রিয়ায় পরিশ্রুত হয়ে পরিবেশিত হয়েছে কবিতায়। এর ফলে একটা বিষয়-ভাবনা কবিতায় যেমন জড়িয়ে রয়েছে নানা অনুষঙ্গে, তেমনি অনেক সময়ই কিছু কবিতাকে করে তুলেছে একমুখী। পাঠকের ভাবনার পরিসর যেখানে কম। তবে এটা ঠিক কবিতায় তুলনামূলকভাবে বর্ণনা অনেক কম, গল্প বলার প্রবণতা নেই, খুব ভারী দার্শনিক কথা বলে ফেলার বা বাণী ছড়াবার ঝোঁক নেই, অনুভব ও ভাবনাই এখানে প্রধান চালিকা শক্তি। ভাবনাই কবিতা। ভাবনার কেন্দ্রিকতা থাকা সত্তেও কবিতা হয়ে উঠতে এই প্রয়াসের কোনো অসুবিধা হয়নি।</p>
<div id="attachment_3777" style="width: 310px" class="wp-caption alignright"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/06/IMG_20190418_174003.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-3777" class="size-medium wp-image-3777" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/06/IMG_20190418_174003-300x225.jpg" alt="" width="300" height="225" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/06/IMG_20190418_174003-300x225.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/06/IMG_20190418_174003-768x576.jpg 768w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/06/IMG_20190418_174003-1024x768.jpg 1024w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a><p id="caption-attachment-3777" class="wp-caption-text">কবি অনিন্দ্য জসিম ও সাহিত্য বাজার সম্পাদক আরিফ আহমে।</p></div>
<p>বইয়ের যে কবিতাগুলো আমাকে বেশ স্পর্শ করেছে, আলোড়িত করেছে, ভাবিয়েছে, সেগুলো হলো—‘বনসাই’, ‘দৃশ্যচিত্র-১-২-৩’, ‘কানকথা’, ‘নামপুরুষ’, ‘পানপাত্র’, ‘অপেক্ষা-২’, ‘শিরোনামহীন’, ‘পাখিচাষি’, ‘গুহাচিত্রের দিনলিপি’, ইত্যাদি। ভালো লাগে এমন সব পঙক্তি—“ছেলেকে জোনাক ধরার কৌশল/ শেখাতে শেখাতে মনে পড়ে/ আহা প্রাণের দোয়েল/ তুমি কত দূরে থাকো!” (পৃ-২১), “অপেক্ষা ধারালো শিঙের কাজলা ষাঁড়/ আড়ঙের লড়াইয়ে যে কখনো পরাজিত নয়।” (পৃ-৪০), “হরিণের মাংসের ঘ্রাণে বার্ধক্য শিকারি/ পাথরগুহায় আঁকে যৌবনের দুরন্ত সময়।” (পৃ-৪৭), ইত্যাদি।<br />
আপনার কবিতার ভাষা সহজ সরল গতিময় এবং আপনার ভাবনাকে বহন করার মতো উপযুক্ত। ভালো থাকুন। ভালোবাসা।<br />
উমাপদ কর।<br />
২৯ মে, ২০১৯।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b0-%e0%a6%93-%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a7%9f%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%83/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>পুস্তক আলোচনা/ এই পথে আলো জ্বেলে / মুস্তাফির রনি</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%95-%e0%a6%86%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%8f%e0%a6%87-%e0%a6%aa%e0%a6%a5%e0%a7%87-%e0%a6%86%e0%a6%b2%e0%a7%87/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%95-%e0%a6%86%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%8f%e0%a6%87-%e0%a6%aa%e0%a6%a5%e0%a7%87-%e0%a6%86%e0%a6%b2%e0%a7%87/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[অতিথি লেখক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 04 Mar 2019 05:51:36 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[কথামালা]]></category>
		<category><![CDATA[গ্রন্থকথন]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://shahittabazar.com/?p=3714</guid>

					<description><![CDATA[<p>পুস্তক আলোচনা/ এই পথে আলো জ্বেলে / মুস্তাফির রনি</p> <p><br /> বাংলাদেশ একটি স্বাধীন দেশ, যে দেশ সৃষ্টির নৈপথ্যে রয়েছে একজন কিংবদন্তির সংগ্রাম। যার জীবন শুরু হয়েছে সংগ্রাম দিয়ে আর</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%95-%e0%a6%86%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%8f%e0%a6%87-%e0%a6%aa%e0%a6%a5%e0%a7%87-%e0%a6%86%e0%a6%b2%e0%a7%87/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>পুস্তক আলোচনা/ এই পথে আলো জ্বেলে / মুস্তাফির রনি</p>
<p><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/03/Screenshot_20190301-201917.png"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-3715" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/03/Screenshot_20190301-201917-169x300.png" alt="" width="169" height="300" /></a><br />
বাংলাদেশ একটি স্বাধীন দেশ, যে দেশ সৃষ্টির নৈপথ্যে রয়েছে একজন কিংবদন্তির সংগ্রাম। যার জীবন শুরু হয়েছে সংগ্রাম দিয়ে আর শেষ ও হয়েছে সংগ্রামে! যে<br />
দেশের মহা আখ্যানের সূচনা হয় এক বর্ষার বৃষ্টিতে যেন তা শেষ হয়েছে ফাগুনে সমারোহতে। যাঁর মূল কেন্দ্রে আবর্তিত হয়েছে মহান এক পুরুষ। যার নাম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।<br />
১৯৬২ থেকে ১৯৬৯ সাল সময়পরিসরে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান তথা ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের মাটিতে চলমান রাজনৈতিক-সামাজিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে আবর্তিত এ উপন্যাসের কাহিনি। লেখকের যারা ভোর এনেছিল,উষার দুয়ারে, আলো-আঁধারের যাত্রীর পরবর্তী খণ্ড এই উপন্যাস &#8216;এ পথে আলো জ্বলে&#8217;।<br />
উপন্যাসের শুরুটা ১৯৬২ সালের আষাঢ়ের এক সকালের স্মৃতিতে ধানমন্ডি ৩২ নাম্বার সড়কের ৬৭৭ বাড়ির এক জলসার চিত্র। তারপর যেখানে উঠে এসেছেন ৬২র ছাত্র আন্দোলনের নায়কেরা। ৬৬&#8217;র ৬ দফার আদ্যপ্রান্ত, রাজনীতির হালচাল, বঙ্গবন্ধু, তাজউদ্দীন আহমেদ সহ রাজনৈতিক বন্দীদের কারাগারের জীবন, এক বিদ্রাহী নারীর দৈনন্দিন সংগ্রাম, অজস্র যাত্রা। কি অবিচল, ক্ষুরধার যিনি কঠিন বিপদেও অবিচল থাকেন।<a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/03/FB_IMG_1551678430359.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignright size-medium wp-image-3716" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/03/FB_IMG_1551678430359-300x225.jpg" alt="" width="300" height="225" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/03/FB_IMG_1551678430359-300x225.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/03/FB_IMG_1551678430359.jpg 720w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a></p>
<p>১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধুর ৬ দফা দাবি উত্থাপন, তাঁকে ঘিরে গড়ে ওঠা আন্দোলন, তাঁর গ্রেপ্তারের পর গ্রেপ্তার হওয়া, সর্বংসহা সহধর্মিণী ফজিলাতুন্নেছা রেনুর সংগ্রাম, শেখ হাসিনার সক্রিয় ছাত্ররাজনীতিতে আসা, মওলানা ভাসানীসহ বামপন্থীদের ভূমিকা, জেলে তাজউদ্দীনের জীবন, পিতার সান্নিধ্যবঞ্চিত শেখ মুজিবের ছোট ছেলেমেয়েদের দুঃখ-বেদনা আনিসুল হক স্যার এমনভাবে তুলে ধরেছেন যে পড়তে গিয়ে মনে হবে বর্ণিত ঘটনাগুলো চোখের সামনে দিব্যি ঘটে চলেছে। এই পৃষ্ঠা পড়তে গিয়ে কিছুক্ষণ থেমে থাকলাম, অশ্রুতে বিমোরিত হলাম, আহ্!আমাদের কি কষ্টের ইতিহাস!<br />
ঘটনার মুখে শেখ মুজিব ‘মাটিতে বসে পড়লেন। বাংলার ধূলিমাটি তিনি স্পর্শ করলেন পরম মমতায়।’ তারপর ‘বিড়বিড় করে বলতে লাগলেন, “আমার এই দেশেতে জন্ম যেন এই দেশেতে মরি।”<br />
দেখতে দেখতে এসে যায় আটষট্টি সাল। শুরু হলো কথিত আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা। আগরতলা মামলায় জড়ানো হলো জাতির এই কিংবদন্তিকে, কারাগারে থাকতে হলো দীর্ঘদিন। এই ষড়যন্ত্রের প্রেক্ষিতে ফুঁসে উঠল ছাত্রসমাজ। তারা সারা দেশে গড়ে তুলল ‘সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ’। শুরু হলো মিছিল। সংগ্রাম। সৃষ্টি হলো গণজোয়ার। এই সংগ্রামে, মিছিলে গেল কত প্রাণ!<br />
১৯৬৯ সালে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় যখন জেল কর্তৃপক্ষের পদস্থ আঞ্চলিক সেনাপ্রধান মোজাফফর আহমেদ এসে বলেন, তাঁকে মুক্তি দেওয়া হচ্ছে। সন্দেহ হয় মুজিবের। মাথা উঁচু করে বাইরে বেরিয়ে দেখতে পান সামরিক বাহিনীর গাড়ির বহর। তিনি বঙ্গবন্ধুকে<br />
বলছেন &#8216;আপনি প্যারোলে মুক্তি নেন।&#8217; তিনি বললেন, &#8216;আমার নাম মুজিবুর রহমান। আমি কথার নড়চড় করি না।&#8217; তার এই অনুপ্রেরণার মূলে রয়েছে তাঁর স্ত্রী রেণু। বারবার চোখ ভিজে আসছিলো কতোখানি শক্তিমান আর বিদ্রোহী সে অনিন্দ্য নারীটি। যিনি এত্ত বিপদের পর ও স্বামীকে সাহস, অনুপ্রেরণা দিয়ে যাচ্ছেন।<br />
প্রিয়তম স্বামী জেলে অথচ তিনি কষ্ট লুকিয়ে দৃঢ চিত্তে এগিয়ে নিচ্ছেন একটি দেশের মানুষকে নিয়ে।<br />
কারাবন্দী বাবাকে লেখা রেহানার আবেগঘন চিঠি থরথর করে দিবে প্রতিটি পাঠকের হৃদয়কে,চিঠির কথাগুলো নিয়ে যাবে হৃদয়ের গভীরতায়! অশ্রুতে ভাসবে পাঠকের চোখ!<br />
&#8220;আব্বা আপনার কথা খুব মনে পড়িতেছে। এবার কি আমি আপনাকে প্রথম ফুল দিতে পারিবো না? যদি ১৭ মার্চ আমাদেরকে দেখা করতে দেয়, তাহা হইলে অবশ্যই আমি আপনার জন্য বেলি ফুল নিয়া যাইব।&#8221;<br />
দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর শেষে শেখ মুজিবের নিঃশর্ত মুক্তি দেওয়া হলো , সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের তরফ থেকে তাঁকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধীতে ভূষিত করা হয় তাকে।<br />
এই উপন্যাসে উঠে আসলো আরেক কিংবদন্তি তাজউদ্দীন আহমেদের সংগ্রামের কথা, যার সংগ্রামের পিছনের আরেক নারীর অবদান লিলি তথা জোহরা তাজউদ্দীনের সংগ্রাম।<br />
এই উপন্যাসে উঠে আসে শেখ হাসিনার রাজনীতির উত্থান, তাঁর বিয়ে; কবি নির্মলেন্দু গুনের বাউন্ডুলে জীবন, কবিতার আকুতি।<br />
.<br />
মিছিলের স্লোগানে যখন সাথে জনতার কন্ঠে রব উঠে &#8220;আয়ুবশাহির গদিতে, আগুন জ্বালো একসাথে। জেলের তালা ভাঙব, শেখ মুজিবকে আনব।&#8221; তখন মনে হয় আমিই যেন মিছিলে শামিল। মাকে লেখা মতিউরের আবেগঘন চিঠি, &#8220;মা, মিছিলে যাচ্ছি। যদি ফিরে না আসি, মনে করো মা তোমার ছেলে বাংলার মুক্তির জন্য শেখ মুজিবের মুক্তির জন্য জীবন দিয়েছে।&#8221; এই চিঠি যেন এক সন্তান নিশ্চিত মৃত্যু যেন ও মরতে যাচ্ছে সে পথে। কারণ- সে পথ ভালোবাসার পথ, দেশের পথ, ন্যায্যতার পথ,অধীকার আদায়ের পথ,এই কখনো থেমে থাকে না কারণ এই পথেই আলো জ্বলে!<br />
চিঠিটি পড়ে অশ্রু সংবরণ করতে পারলাম না।<br />
এভাবে দুঃখ বেদনায় বর্ণিত হয়ে &#8216;এই পথে আলো জ্বলে&#8217; উপন্যাস।<br />
পাঠ সমালোচনা ও মন্তব্যঃ<br />
বঙ্গবন্ধুর কারাগারের দিনলিপি। ত্রিকালদর্শী ব্যাঙ্গমা-ব্যাঙ্গমী একে অপরকে বলছে সেই কাহিনী। দেশের প্রতি, মানুষের প্রতি শেখ মুজিবের ভালোবাসা, ভালোবাসার টানে মিছিলে শামিল হওয়ার ঘটনা এবং কারাগারে শেখ মুজিবুর মনবল যেভাবে নিক্ষুত ও সূঙখানো ও সাবলীল ভাবে লেখক, তুলে ধরছেন তা সত্যি প্রশংসানীয় আমাদের করুণ ইতিহাসের বইয়ের প্রতিটি লাইন যেন ফিরিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলো কল্পনায়। আমি যেন তাদের সামনেই বসে আছি। আমার বিশ্বাস প্রতিটি পাঠকের হৃদয় ছুঁয়ে যাবে এই বই, বইয়ের চরিত্রে আবেগপ্রবণ হয়ে যাবে সবাই।<br />
বইয়ের শিক্ষাঃ<br />
০১.নিজের জীবন থেকে ও মাতৃভূমিকে বেশি ভালোবাসা।<br />
০২দেশ রক্ষায় ঝাপিয়ে পড়া।<br />
০৩.যেকোন বিপদে মনোবল না হারিয়ে সাহস অনুপ্রেরণায় এগিয়ে যাওয়।<br />
০৪. যেকোন সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বুদ্ধি ও বিচুক্ষণতার সাথে জাস্টিফাই করা।<br />
০৫.সততা আর ন্যায্যা অধীকারে জন্য নিজেকে সংগ্রামে লিপ্ত করা<br />
বই সম্পর্কিত তথ্য 📖<br />
বইয়ের নামঃ এই পথে আলো জ্বলে<br />
লেখকঃ আনিসুল হক<br />
প্রকাশকালঃ ফেব্রুয়ারী ২০১৯<br />
প্রকাশনীঃ প্রথমা।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%95-%e0%a6%86%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%8f%e0%a6%87-%e0%a6%aa%e0%a6%a5%e0%a7%87-%e0%a6%86%e0%a6%b2%e0%a7%87/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>জলপ্রেমিকের গল্প ও শিল্পৈষী প্রকাশিত নতুন বই</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%9c%e0%a6%b2%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%97%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa-%e0%a6%93-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%9c%e0%a6%b2%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%97%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa-%e0%a6%93-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক, সাহিত্য বাজার]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 10 Feb 2017 10:13:09 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[কথামালা]]></category>
		<category><![CDATA[গ্রন্থকথন]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://shahittabazar.com/?p=3496</guid>

					<description><![CDATA[<p>০৯ ফেব্রুয়ারী, ২০১৭ বৃহস্পতিবার বিকালে নীলক্ষেত, কাটাবন ঢাকার রহিম বাধাই ঘরে চলছিল উৎসব আমেজ। একইসাথে ৬টি বইয়ের বাধাইকর্ম শেষ করে রহিম মিয়া যেন স্বস্তির নিঃশ্বাষ নিলেন। তার ক্লান্তি ও কষ্টে</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%9c%e0%a6%b2%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%97%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa-%e0%a6%93-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div id="attachment_3497" style="width: 310px" class="wp-caption alignleft"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2017/02/01-1.jpg" rel="attachment wp-att-3497"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-3497" class="size-medium wp-image-3497" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2017/02/01-1-300x169.jpg" alt="মোড়ক উম্মোচন শেষে রহিম বাধাই ঘরের স্বত্ত্বাধিকারী আঃ রহিম মিয়ার সাথে আমরা।" width="300" height="169" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2017/02/01-1-300x170.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2017/02/01-1-70x40.jpg 70w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2017/02/01-1.jpg 600w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a><p id="caption-attachment-3497" class="wp-caption-text">মোড়ক উম্মোচন শেষে রহিম বাধাই ঘরের স্বত্ত্বাধিকারী আঃ রহিম মিয়ার সাথে আমরা।</p></div>
<p>০৯ ফেব্রুয়ারী, ২০১৭ বৃহস্পতিবার বিকালে নীলক্ষেত, কাটাবন ঢাকার রহিম বাধাই ঘরে চলছিল উৎসব আমেজ। একইসাথে ৬টি বইয়ের বাধাইকর্ম শেষ করে রহিম মিয়া যেন স্বস্তির নিঃশ্বাষ নিলেন। তার ক্লান্তি ও কষ্টে আনন্দ জোগাতেই যেন সাহিত্য বাজার সম্পাদক আরিফ আহমেদ এসে ঘোষণা দিলেন, কোনো মন্ত্রী মিনিস্টার বা এমপি সাংসদরা নয়, এখন থেকে আমার বইয়ের মোড়ক উম্মোচন করবেন এই বইয়ের সাথে সংশ্লিষ্টজনরাই।</p>
<p>যে কথা সেই কাজ, তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তেই ছোট্ট ঐ ঘরটিতে শিল্পৈষীর প্রকাশক সালাম খোকনকে নিয়ে জলপ্রেমিকের গল্প বইটির মোড়ক উম্মোচন করলেন আব্দুর রহিম। তারপর বিস্ময়ে কেদে ফেললেন তিনি। বললেন, জীবনে প্রথম তাকে দিয়ে কেউ এভাবে বইয়ের মোড়ক উম্মোচন করালেন। এ সম্মান, এ ভালবাসা তার জন্য সৃষ্টিকর্তার রহমত বলে কাঁদলেন তিনি।</p>
<p><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2017/02/055.jpg" rel="attachment wp-att-3498"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignright size-medium wp-image-3498" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2017/02/055-300x200.jpg" alt="055" width="300" height="200" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2017/02/055-300x200.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2017/02/055.jpg 420w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০১৭ মহাসমারহে শুরু হয়েছে। পুরো বছর ধরে অল্পবিস্তর বই প্রকাশিত হলেও মেলা উপলক্ষে প্রকাশকদের দম ফেলার  সময় নেই। অধিকাংশ বই মেলার সময়ই প্রকাশ হয়। সেই ধারাবাহিকতায় শিল্পৈষী প্রকাশনী থেকে নতুন ৭টি বই প্রকাশ হলো। চারটি কবিতার বইয়ের পাশাপাশি দুইটি গল্পের বই এবং একটি ভ্রমণ কাহিনী প্রকাশিত হয়েছে।</p>
<p>মো. সাখাওয়াত হোসেন সুজনের ‘যদি কখনো ভালোবাসো’ গ্রন্থে দশটি গল্প স্থান পেয়েছে। চলতে ফিরতে, এখানে সেখানে কত কিছুইতো আমাদের জীবনে ঘটে। সেখান থেকে নির্যাস বের করে লেখা হয়েছে গল্পগুলো। পড়ে যেনো মনে হয়- আরে সেদিনতো এমন একটা ঘটনা দেখলাম। কিংবা ওমুকের সঙ্গেতো এমন ঘটনা ঘটেছিলো। জীবন বাস্তবতা নিয়ে লেখা এ গল্পগুলো হয়তোবা পাঠকের নিজের সঙ্গেও মিলে যেতে পারে। আশা করি ভিন্নধর্মী এই গল্পগুলো সবার ভালো লাগবে।</p>
<p>আরিফ আহমেদ পেশায় সাংবাদিক। সাহিত্য সংস্কৃতি নিয়েই তার অবিরাম পথচলা। সাহিত্য বাজার পত্রিকার সম্পাদনার সুবাধে যেমন কবিতা, গল্প, উপন্যাসের পাণ্ডুলিপি নিয়ে বসবাস তেমনি সংবাদ নিয়ে কাঁটাছেঁড়া। এরই মাঝে প্রতিনিয়ত লিখে চলেছেন কবিতা, গল্প, উপন্যাস।  “জলপ্রেমিকের গল্প” গ্রন্থে নয়টি গল্প স্থান পেয়েছে। জীবন বাস্তবতা, চারপাশের পরিবেশ পরিস্থিতির সঙ্গে চিত্তাকর্ষক গল্পও স্থান পেয়েছে এই গ্রন্থে। শিশু-কিশোর, যুবাদের সবার জন্য একই সুতোয় গাঁথা গল্পগুলো ভালো লাগবে আশা করি।<br />
কবিতার রাজ্যে নিজের উপস্থিতিকে খুব বেশি লোক সম্মুখে উপস্থাপন না করে কবিতার সাধনায় নিজেকে  ব্রত রেখেছেন কবি ফাতেমা হক মুক্তা। কোন ধরনের দুর্বোধ্যতা নেই তার কবিতায়। অতন্ত সহজ সরল ভাষা, সহজ চিন্তা, সহজ স্বপ্নে সাজানো কবিতা। পাঠক যেন কখনওই না বলেন, ‘কবিতা বুঝি না’। ‘মুখের আড়ালে মুখোশ”, “রাতে ফোঁটা ফুল” ও “ফেলে আসার পথ”  বইগুলোর বেশির ভাগ কবিতায় জীবনের ভাঙা-গড়া, প্রেম-বিরহ, দেশপ্রেম, বিচ্ছেদ-বিরহ নিয়ে সাজানো।</p>
<p>কাজী মোহাম্মদ শাহজাহান একজন তরুণ কবি। ছোটবেলা থেকে লেখালেখির অভ্যাস থাকলেও বই আকারে তার লেখা প্রকাশিত হচ্ছে কয়েক বছর হলো। সমসাময়িক ঘটনা নিয়েই তার অধিকাংশ লেখা। ‘যেন তেন বাঁচবো কেন’ বইটিতে তেমনি আমাদের চারপাশের ঘটে যাওয়া বিভিন্ন ঘটনাকে ছড়া, কবিতার মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন। সমাজের বিভিন্ন অসংগতি তুলে ধরেছেন। শুধু তাই নয় বিভিন্ন ছড়া, কবিতার মধ্যে কবি তার বিশ্লেষণী দৃষ্টিভঙ্গির প্রকাশও ঘটিয়েছেন। যারা কবিতা পড়েন বা ভালোবাসেন তাদের ভালো লাগবে এই ছড়া ও কবিতাগুলো।</p>
<p>রবিশঙ্কর মৈত্রীর ভ্রমণকাহিনী “ফাদার মারিনো রিগনের গ্রাম ভিল্লাভেরলা”। ১৯২৫ সালের ৫ই ফেব্রুয়ারি সকালে ইতালির ভিচেঞ্জায় আমন্ত্রিত হয়ে আসেন রবীন্দ্রনাথ। ভিচেঞ্চার অদূরে পাহাড়ঘেরা নিসর্গ গ্রাম ভিল্লাভেরলায় সেদিনই জন্মগ্রহণ করেন রবীন্দ্রভক্ত মারিনো রিগন। ভিল্লাভেরলার মানুষ নিসর্গ শিক্ষা সংস্কৃতি এবং রিগন পরিবারকে ঘিরে অফুরান ভালোবাসা আবেগ সহজ সরল ভাষায় লেখা এই ভ্রমণকথায়।</p>
<p>বইগুলো পাওয়া যাবে : পূর্বা প্রকাশনী (স্টল নম্বর ২৭৫) ও প্রকৃতি প্রকাশনী ( স্টল নম্বর ৪৯০)</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%9c%e0%a6%b2%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%97%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa-%e0%a6%93-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>সনেটের মতোই নির্দিষ্ট মাত্রা ও পর্বভিত্তিক ৬ পঙক্তির পদ্য &#8220;শামেরিক&#8221;</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%b8%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%9f%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a6%a4%e0%a7%8b%e0%a6%87-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f-%e0%a6%ae%e0%a6%be/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%b8%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%9f%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a6%a4%e0%a7%8b%e0%a6%87-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f-%e0%a6%ae%e0%a6%be/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[শাহ আলম বাদশা]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 01 Feb 2017 14:11:20 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[কথামালা]]></category>
		<category><![CDATA[গ্রন্থকথন]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://shahittabazar.com/?p=3473</guid>

					<description><![CDATA[<p>ছড়ার একমাত্র ছন্দ স্বরবৃত্তচালের নতুন এক পদ্যরীতি হচ্ছে &#8216;শামেরিক।&#8217; ৬ পঙক্তির শামেরিকের চরিত্রগত কাঠামো হয় স্রেফ ছড়ারই মতন।</p> <p>শামেরিক মূলত ব্যঙ্গাত্মক, রসাত্মক, ঘৃণাত্মক, প্রতিবাদী ও অর্থবোধক ছড়া যা ক+ক, খ+খ</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%b8%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%9f%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a6%a4%e0%a7%8b%e0%a6%87-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f-%e0%a6%ae%e0%a6%be/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/09/mehede-hasan-1.jpg" rel="attachment wp-att-3400"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignright size-medium wp-image-3400" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/09/mehede-hasan-1-300x169.jpg" alt="mehede-hasan-1" width="300" height="169" /></a>ছড়ার একমাত্র ছন্দ স্বরবৃত্তচালের নতুন এক পদ্যরীতি হচ্ছে &#8216;শামেরিক।&#8217; ৬ পঙক্তির শামেরিকের চরিত্রগত কাঠামো হয় স্রেফ ছড়ারই মতন।</p>
<p>শামেরিক মূলত ব্যঙ্গাত্মক, রসাত্মক, ঘৃণাত্মক, প্রতিবাদী ও অর্থবোধক ছড়া যা ক+ক, খ+খ ও ক+ক চালের। এর ১ম দু&#8217;পঙক্তি ও শেষ দু&#8217;পঙক্তির মাত্রাসংখ্যা হয় মোট ১৪ বা ১৫টি করে। বাংলাসাহিত্যে প্রচলিত একমাত্র অক্ষরবৃত্তে রচিত ১৪ মাত্রা ও ১৪ পঙক্তির অষ্টক এবং ষষ্টকভিত্তিক সনেটের মতোই নির্দিষ্ট ফর্মেটের ছকেই বাঁধা ব্যতিক্রমী ছড়া এটি।</p>
<p>ক+ক চালের এই ৪পঙক্তিতে চারমাত্রার তিনটি করে পর্ব এবং ২ বা ৩মাত্রার ১টি করে অতিপর্ব থাকে। আর খ+খ চালের ৩য় ও ৪র্থ পঙক্তিতে চারমাত্রার দুইটি করে পর্ব থাকে যাদের মোট মাত্রাসংখ্যা হয় ৮টি করে।</p>
<p>১ম, ২য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ পঙক্তির অন্ত্যমিল থাকে হুবহু একই ও নিখুঁত। আবার তুলনামূলকভাবে ও অপেক্ষাকৃত ছোট ৩য় ও ৪র্থ পঙক্তির অন্ত্যমিলও হয় আরো ভিন্ন ও নিখুঁত। খ+খ চালের ৩য় ও ৪র্থ পঙক্তির অন্ত্যমিল মুক্তস্বর বা বদ্ধস্বরে হলেও ক+ক চালের অন্ত্যমিল হয় সবসময়ই মুক্তস্বরে।</p>
<p>আয়ারল্যান্ডের লিমেরিকো শহরের নামের সাথে মিল রেখে লিমেরিক এর নামকরণ করা হয়। কিন্তু লিমেরিকের সাথে সঙ্গতি রেখে এটির নামকরণ &#8220;শামেরিক&#8221; করা হলেও লিমেরিক থেকে এটি অনেকটাই ভিন্ন। কারণ লিমেরিকে অন্ত্যমিল, স্বর, মাত্রা, পর্ব, অতিপর্ব ইত্যাদি কাঠামোগত সুনির্দিষ্ট হিসেবের বালাই যেমন নেই তেমনই তাতে ব্যাঙ্গাত্মক চরিত্র থাকলেও প্রতিবাদী ও ঘৃণাত্মক চরিত্র থাকে না মোটেই। কবি ও ছড়াকার মাহবুবুল হক বুলবুল কর্তৃক প্রস্তাবিত এই নতুন নামটি আমারই দেয়া। আজীবন বিদেশী লিমেরিককে অনুসরণ করার চেয়ে নতুন নামে ও ঢঙে মৌলিক কিছু লেখাই কি ভালো নয়?</p>
<p>ছড়াকাররা ভাল্লাগলে আপনারাও শামেরিক লেখা শুরু করে দিতে পারেন ।</p>
<p>এবার দেখুন আমার ২টি শামেরিক:</p>
<p>১. #নেতা<br />
শাহ আলম বাদশা</p>
<p>কেমন নেতা, বিপদ এলে কর্মীরা যায় পালিয়ে<br />
আবার আসে তোমায় যখন দুশমনে যায় জ্বালিয়ে<br />
হাত-উঁচিয়ে ঢোলটা বাজায়<br />
জাতে ওঠার খোলটা বাজায়<br />
তোমায় কেমন যায় ভুলিয়ে শ্লোগান ও তালিয়ে!<br />
দুধের মাছি, এদের আগে নাও ওরে নাও ঝালিয়ে।।</p>
<p>২. #চিল ও কান<br />
শাহ আলম বাদশা</p>
<p>লোকটা এসে খবর দিলো কান নিয়েছে চিলে<br />
তাই না শুনে আমারতো ভাই চমকে ওঠে পিলে।<br />
কানহারালে শুনবো কীসে<br />
পাই না ভেবে হারাই দিশে<br />
চিলটা কোথায়? চলেই গেছে অইদূরে চাটখিলে।<br />
কানহারিয়ে কাঁদতে থাকি চোটটা যে পাই দিলে!!</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%b8%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%9f%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a6%a4%e0%a7%8b%e0%a6%87-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f-%e0%a6%ae%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বাংলাদেশের কবিতা ও ছোটগল্প :  মাঈন উদ্দিন জাহেদ</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%93-%e0%a6%9b%e0%a7%8b%e0%a6%9f%e0%a6%97%e0%a6%b2/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%93-%e0%a6%9b%e0%a7%8b%e0%a6%9f%e0%a6%97%e0%a6%b2/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[অতিথি লেখক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 20 Mar 2016 09:13:09 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[কথামালা]]></category>
		<category><![CDATA[গ্রন্থকথন]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://shahittabazar.com/?p=3247</guid>

					<description><![CDATA[<p>বাংলাদেশের কবিতা ও ছোটগল্প<br /> <br /> বাংলাদেশ কোনটি? সাতচল্লিশ পরবর্তী না একাত্তর পরবর্তী, তা চিহ্নিত নয়।সাহিত্যে বাংলাদেশের কিছু নিয়ে লিখতে গেলে, তা চিহ্নিত করণ জরুরী।স্বাধীনতার পয়তাল্লিশ বছর পর যখন</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%93-%e0%a6%9b%e0%a7%8b%e0%a6%9f%e0%a6%97%e0%a6%b2/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><span id="yui_3_16_0_ym18_1_1458463910287_11439">বাংলাদেশের কবিতা ও ছোটগল্প<br />
<a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/03/03-1.jpg" rel="attachment wp-att-3248"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-3248" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/03/03-1-202x300.jpg" alt="03" width="202" height="300" /></a><br />
বাংলাদেশ কোনটি? সাতচল্লিশ পরবর্তী না একাত্তর পরবর্তী, তা চিহ্নিত নয়।সাহিত্যে বাংলাদেশের কিছু নিয়ে লিখতে গেলে, তা চিহ্নিত করণ জরুরী।স্বাধীনতার পয়তাল্লিশ বছর পর যখন কেউ বাংলাদেশের কবিতা বা গল্প নিয় লিখছেন, তখন তার প্রেক্ষিত টা পষ্ট করা উচিত নয় কী?<br />
ড. তাসলিমা বেগম এর পাচঁটি বিভিন্ন সময়ে লেখা প্রবন্ধ সংকলন &#8216; বাংলাধেশের কবিতা ও ছোটগল্প&#8217;।প্রকাশ করেছে শৈলী প্রকাশন।মূল্য:২০০টাকা।<br />
উৎসর্গ ড.আনিসুজ্জামা কে।প্রবন্ধগুলো -আবু ইসহাকের ছোটগল্প: বিষয় চেতনা ও শিল্পশৈলী,দুটি পারিবারিক গল্পে প্রতিফলিত নারীর সামাজিক-অবস্থান বিচার,রূপালী স্নান: আর্থসামাজিক পর্যালোচনা,রৌদ্র করোটিতে: সামাজিকতার স্বরূপ,কবির অঙ্গিকারনামা:সোনালী কাবিন।ভূমিকা লিখেছেন ড. মাহবুবুল হক।<br />
এ ক&#8217;টি লেখা তার পরিকল্পিত গবেষণার ফলাফল নয় বলে আমার বাংলাদেশ প্রসংগটি প্রাধান্য পায়নি।ভিন্ন প্রেক্ষিতে লেখার এটি গ্রন্থণা।<br />
ছোটগল্প নিয়ে দুটি ও কবিতা নিয়ে তিনটি আলোচনায় প্রবল তীক্ষ্ণ আন্তদৃষ্টি পাওয়া যায় প্রসংগ বিশ্লেষণে।<br />
শিরোনাম বিষয় কেন্দ্রিক হলেও আলোচনা ব্যাক্তিকেন্দ্রিক।তবে বিষয় সংশ্লিষ্ট। ছোটগল্পের আলোচনায় সূচিবিদ্ধ হয়েছেন আবু ইসহাক, মানিক, হাসান আজিজুল হক।কবিতায়, শামসুর রাহমান- আল মাহমুদ।শিরো নাম দেখে হ য়তো কেউ বিভ্রান্ত হবেন বাংলাদেশের কবিতা ও ছোটগল্প নিয়ে সামগ্রিক আলোচনা ভেবে।তবে সুখপাঠ্য।বাঙালি লোকমানস উন্মোচনে কথা শিল্পী আবু ইসহাকের সাথে বিশ্লেষক ড.তাসলিমার সমাজমনোস্কতার মনতাজ ঘটেছে।নারীর সামাজিক মর্যাদা জীবন সংকট সব ভূগোলে অভিন্ন উঠে এসেছে তার দ্বিতীয় প্রবন্ধে। বিশ্লেষণী মনোভঙ্গীর সাথে তুলনামূলক সংশ্লেশে আলোচনাটি হয়ে ওঠে আবেগময়।পুরুষতান্ত্রিক বা পিতৃতান্ত্রিক পরাক্রম নিয়ে উচ্চবাক্য থাকলেও এর সামাজিক ইতিহাসটি অনালোচিত।একটি নারীবাদি মনের হাহাকার আছে বিশ্লেষণী ভঙ্গীতে।নারীর বর্তমান অবস্থা নিয়েমন্তব্যটি চমৎকার- &#8216;নিজেকে অতিক্রম করে আপন সত্তার সঙ্গ সম্পৃক্ত হয়ে বহমান জীবনে প্রবেশের অধিজার নারী এখানে অর্জন করেনি&#8217;। প্রশ্ন হচ্ছে ক্ষমতার সব কেন্দ্রে নারী থাকার পরও এখনো কী করেছে?<br />
<a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/03/01-2.jpg" rel="attachment wp-att-3249"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignright wp-image-3249 size-medium" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/03/01-2-207x300.jpg" alt="01" width="207" height="300" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/03/01-2-207x300.jpg 207w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/03/01-2.jpg 331w" sizes="auto, (max-width: 207px) 100vw, 207px" /></a>আল মাহমুদ এক সাক্ষাৎকারে আমাকে বলেছিলেন- বাংলাদেশের কবিতা বলতে এখনও শামসুর রাহমান আল মাহমুদ। প্রসঙ্গটি অতিকথন হলেও বাংলাদেশের কবিতা আলোচনায় এ দুজনই এসেছে।মান্নান সৈয়দ,রফিক আজাদ,নির্মলেন্দু গুন, ময়ুখ চৌধুরীর অবস্থান তাহলপ কোথায়? এর উত্তর হয়তো অন্য কোনোখানে, অন্য কোথাও নিতে হবে।আমি শহুরে কাক হয়ে সানগ্লাসে গ্রাম দেখতে অভ্যস্ত। তাই আমার আগ্রহ ছিলো কবির অংগিকারনামা। সম্প্রতি পড়েছিলাম শহীদুল সোনালী কাবিনের টীকা টিপ্পনী সহ ভাষ্যটি। ড.তাসলিমার আলোচনা পড়তে তাই সুখবোধ হচ্ছিলো।এ আলোচনায় একটি মন্তব্য চমক দেয়া-&#8216; প্রমোদরমণী থেকে শ্রমশীল বাঙালি জাতিতে উত্তরণের কৃতিত্ব &#8216;সোনালী কাবিন&#8217;-এর অন্যতম মহাত্ম্য।&#8217;&#8230;.<br />
পূর্ণেন্দু পত্রী পঙক্তি &#8216; ওর মাঝে শহর ঢোকেনি। সবটাই সবুজ&#8217;।এর সাথে সমান্তরালে বলা&#8217; আসলে সমগ্র বাংলাদেশ ও আল মাহমুদের কবিতার প্রধান রঙই হলো সবুজ &#8211; সত্যি পাঠক কে প্লুত করে।<br />
&#8216; আমার মস্তিষ্কে নয়<br />
আমার কৈশোরবুঝি বসে আছে চোখের ভিতরে<br />
বিশাল ধনুকের হাতে ক্লান্ত এক সবুজ বালক&#8221;।<br />
( আভূমি আনত হয়ে)<br />
লাল সবুজের বাংলাদেশ তখন&#8217; নিভয়ে, নির্বানে&#8230;বেচেঁ থাকে আমার হৃদয়ে মাহমুদীয় পংক্তিমালায়।<br />
রূপালী স্নান ও রৌদ্র করোটিতে- কে নিয়ে নাগরিক চেতনার কাব্যধারা উন্মোচন আছে দুটো আলোচনায়। পাঠক তৃপ্ত হবে বাংলাদেশের কবিতা ও ছোটগল্পের একটি পর্যায়ের বিশদ ব্যাবচ্ছেদ দেখে।</span></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%93-%e0%a6%9b%e0%a7%8b%e0%a6%9f%e0%a6%97%e0%a6%b2/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>হে চন্দনা পাখি: পিতা ও পুরুষের হাহাকার &#8211; মাঈন উদ্দিন জাহেদ</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%b9%e0%a7%87-%e0%a6%9a%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%96%e0%a6%bf-%e0%a6%aa%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%93-%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%81/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%b9%e0%a7%87-%e0%a6%9a%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%96%e0%a6%bf-%e0%a6%aa%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%93-%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%81/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[অতিথি লেখক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 15 Mar 2016 06:12:16 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[কথামালা]]></category>
		<category><![CDATA[গ্রন্থকথন]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://shahittabazar.com/?p=3235</guid>

					<description><![CDATA[<p>হে চন্দনা পাখি: পিতা ও পুরুষের হাহাকার</p> <p>মাঈন উদ্দিন জাহেদ<br /> <br /> ‘হে চন্দনা পাখি’ উপন্যাস পড়ে পা?কের মনে প্রশ্ন জাগবে এ প্রজন্মের প্রেম, ভালোবাসা, ভালোলাগা কী অনেক বেশী</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%b9%e0%a7%87-%e0%a6%9a%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%96%e0%a6%bf-%e0%a6%aa%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%93-%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%81/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong><span id="yui_3_16_0_1_1458021379393_5326">হে চন্দনা পাখি: পিতা ও পুরুষের হাহাকার</span></strong></p>
<p><strong>মাঈন উদ্দিন জাহেদ</strong><br />
<a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/03/012.jpg" rel="attachment wp-att-3236"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignright size-medium wp-image-3236" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/03/012-192x300.jpg" alt="012" width="192" height="300" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/03/012-192x300.jpg 192w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/03/012.jpg 615w" sizes="auto, (max-width: 192px) 100vw, 192px" /></a><br />
‘হে চন্দনা পাখি’ উপন্যাস পড়ে পা?কের মনে প্রশ্ন জাগবে এ প্রজন্মের প্রেম, ভালোবাসা, ভালোলাগা কী অনেক বেশী রূপজ কিংবা দেহজ? না আধুনিক মানুষই এমন? তার কাছে মানবিক দায় টুকু প্রাধান্য পায় না কেনো? এমন অবক্ষয়ি সমাজে আমরা আছি। জান্নাতুল ফেরদোস চন্দনার রূপ ও দেহের ক্যান্সার জনিত অবনতিতে শিহাব ওরফে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ ডিগ্রীধারী ওরফে একটি আর্থিক সংস্থার কর্মকর্তা ওরফে ঘরের বড় ছেলে ওরফে এ সমাজের নিম্মবিত্ত থেকে উঠে আসা একজন শিক্ষিত মানুষের নৈতিক অবস্থান কী এমনই? আমি উপন্যাসের ফাঁকে ফাঁকে আমাদের সমাজতত্ত্বটা বুঝতে চেষ্টা করি।<br />
উপন্যাসের কাহিনী বিন্ন্যাস এমন: ছয় বছরের দাম্পত্যজীবন শিহাব-নাঈমার।ফুটফুটে একটি শিশু নিয়ে সুখী ও সুন্দর জীবন। দৈনন্দিন ব্যস্ততায় জীবনের কতো কিছু চাপা পড়ে থাকে। সে দিন হঠাৎ শিহাব স্মৃতির সূত্রে ফিরে আসে অতীতে। নবীন যৌবনের স্মৃতি। চন্দনাকে মনে পড়ে। ফিরে আসে প্রেমের দিনগুলি। প্রবল জলের তোড় যেন ভাসিয়ে নিয়ে যেতে চায় সবকিছু। শহরের কলেজে পড়তে আসা এক গ্রাম্য কিশোর। নানা রঙের দিন, চৌকস সহপাঠিনীর সাথে বন্ধুত্ব ও প্রেমের টুকরো টুকরো ঘটনার স্মৃতি। উল্টো দিকে চলতে থাকা জীবনের দৃশ্য। সব এলোমেলো হয়ে যাওয়া। আজ নিজের মুখোমুখি নিজে। কোনো কী দায় নেই শিহাবের? গ্লানি, বিষাদ ও অপরাধ বোধের হাহাকারে কাহিনীর সমাপ্তী।<br />
আট টা পাঁচটা অফিস, সাধারণত অফিস থেকে ফিরেই বিছনায় গড়াগড়ি। সারে আট টায় কলোনীতে দুটা চক্কোর ,এর পর ক্লাব বিলিয়াড, ক্যারাম কিংবা খেলা দেখে রাত এগার কিংবা সাড়ে এগারতে বাসায় ফেরা। খাওয়া, নেটিং, লেখালেখি। এক টা দেরটায় ঘুমাতে যাওয়া। এমন আটসাট জীবনে প্রেমের উপন্যাস খুববেশী টানে না।<br />
প্রতিদিনের সাধারণ রুটিনটা এখানে এজন্য আনা একটি ব্যতয়ের ঘটনা জানাতে। গড়াগড়ির সময়টাতে আমার নিজস্ব পাঠপ্রক্রিয়া চলে। গেল সপ্তাহের আনা বইগুলো পাশে থাকে, বাচ-বিচার চলে কোনটা আগে কোনটা পরে। সেদিন ফেসবুকে বিশিষ্ট লেখিকা নাজমুন নাহারের স্টট্যাস দেখে চমকে উঠি।কবি ও ঔপন্যাসিক বিশ্বজিৎ চৌধুরীর সাম্প্রতিক উপন্যাস ‘হে চন্দনা পাখি’র<br />
পাঠ প্রতিক্রিয়ায় লিখেছেন- কাহিনী সিনেমেটিক। বিশ্বজিৎ চৌধুরীর প্রায় লেখা তো আমার পড়া, তাই আমার সাধারণ ধারণা ছিলো তিনি তেমন রুচিরতো নন, যদিও বা হোন , তাহলে ওমন লেখা কেমন, তা জানা।<br />
ছুটির দিন ছাড়া তেমন গল্প উপন্যাস পড়া হয় না। সে দিন ব্যাতিক্রম ভাবে ‘হে চন্দনা পাখি’ উপন্যাসটি পড়া শুরু করি। বেশ এগিয়েছে, হাঁটা ও খেলার সময় হওয়াতে পৃষ্ঠা ভাঁজ করে বেড়িয়ে পড়ি। যথারীতি সাড়ে এগারটায় ফিরে এসে দেখি গিন্নি টেবিলে খাওয়া সাজায়নি। মেয়ে দুটো মগ্ন দাদাগিরিতে, মা বই পড়ায় ব্যস্ত। তাড়া সত্ত্বেও আরও বিশ-ত্রিশ মিনিট অপেক্ষা করতে হলো। ‘হে চন্দনা পাখি’ র তিনি শেষ পর্যায়ে। অবশেষে উঠলেন। শেষ সংলাপ ছিলো এমন: ছেলেরা, এমনই হয়। উনিতো চমৎকার লিখেন, যেনো সব কিছু চোখের ওপর ভাসছে। একটানে শেষ করা যায়।’<br />
হ্যা , এটা একজন পাঠিকার অনুভূতি। কিন্তু সাহিত্যের মানুষের পাঠে সমালোচক সত্ত্বা জাগ্রত থাকে বলে, তারা ওমন ভাবে পড়ে যেতে পাড়ে না। আমিও পাড়িনি। ভেতরে কাজ করছে, নাজমুন নাহারের স্টেট্যাস। তবুও আমি দুই নাগারে শেষ করি। চোখের কোনে জমে কয়েক ফোটা অশ্রু। নিজেকে প্রশ্ন করি &#8216;আমরা পুরুষরা এমন কেনো? শিহাব উদ্দিন মাহমুদ ওরফে উপন্যাসের নায়ক, সেতো আমাদের চারপাশের কোনো না কোনো একজন। এ্যাই শহর, চট্টগ্রাম কলেজ,চট্টশ্বেরী রোড,ওয়ার সেমেট্রি, বোয়ালখালির কদুরখিল সবতো আমাদের আশপাশের ভূগোল। চন্দনা, বাতেন ভাই, খাইরুল বাশার চৌধুরী এতো নিত্য দিনের চরিত্র। চন্দনপুরার অলিগলি, চট্টগ্রাম কলেজের লাল বিল্ডিং এর স্মৃতিতো এ শহরের প্রায় ছাত্রছাত্রীর।<br />
রাত অড়াইটায় যখন উপন্যাসটি শেষ করি, পাশে ঘুমাচ্ছিলো ছোট মপয়েটি; অজান্তেই তাকে জড়িয়ে ধরি। আমার মেয়েকে মনে হয়- উপন্যাসের তৃণাই। হায়! প্রত্যেক পিতৃ হৃদয় কী এমন? এ উপন্যাসের নায়িকা জান্নাতুল ফপরদোস চন্দনার বাবা খাইরুল বাশার চৌধুরী যখন এ উপন্যাসের নায়ক শিহাব উদ্দিন মাহমুদের অফিসে দেখা করতে যান, ওখানের সর্বোচ্চ কর্তা হয়েও তার সংলাপটি ছিলো বিবেকের প্রতিনিধিত্ব কারী, যা হৃদয় বিধে যায়।&#8230; মেয়েটাকে মরার সময়টাও দিলে না, শিহাব, এই তোমাদের&#8230;। হ্যা, এই প্রজন্মের প্রেম এমনই। প্রেমিকার অন্তিম মূহুর্তে আরেকজন বান্ধবী নিয়ে তাকে দেখতে যাওয়া, কেমন তরো ভব্যতায় পড়ে? তা পাঠক হিসেবে বার বার ভাবিয়েছে আমাকে।<br />
উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র চন্দনা অনুপস্থিতে, যেমন- যখন সে বিশ্ববিদ্যালয়ে না পড়ে চট্টগ্রাম কলেজে পড়ছে, তখন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক রুহুল আমিন প্রামানিক সাথে নাঈমার সুসম্পর্ক থাকার সুযোগ নিয়ে, তার থেকে নোট আদায়ের জন্য নাঈমাকে শিহাবের সঙ্গ দান, বা প্রামানিক যার সাথে নাঈমার একটি সম্পর্ক বাস্তবই ছিলো, তার হঠাৎ অন্য এক মহিলাকে বিয়ে করে নিয়ে আসাতে নাঈমার মানসিক বিপর্যস্থ সময়ে শিহাবের নাঈমাকে সঙ্গ দেয়ার মুহুর্তে কিংবা চন্দনা চিকিৎসার জন্য সিংগাপুর ও আমেরিকা যখন থাকছে , চন্দনার প্রেমিক শিহাব তার অনুপস্থিতে নাঈমার বাসায় ঘনঘন যাওয়ার মুহুর্তের শিহাব উদ্দিন মাহমুদ কে আমরা কীভাবে দেখবো? না প্রেমিক না নারী ঘেষা? তার প্রেমে হয়তো আমরা প্লেটোনিক পবিত্রতা চাইবো না কিন্তু নীতিগত অবস্থানতো চাইবো? টিনেজ প্রেম যে ক্রমান্নয়ে দেহ ও সুযোগসন্ধানী হয়, ‘ হে চন্দনা পাখি’ উপন্যাসে শিহাব উদ্দিন মাহমুদ কে কিছুটা সেভাবে চিহ্নিত করার অবকাশ আছে।<br />
চন্দনা, যে জীবনে সমস্ত কিছুই হাতের নাগালে পেয়েও কলেজের প্রথম দিন থেকে উচ্ছল অবস্থা, নিন্মবিত্ত কিন্তু মেধাবী শিহাবকে বন্ধু করে নেয়া, মায়ের সাথে বাবার বিচ্ছেদে বাবার পক্ষে নেয়া, শিহাবের সাথে কদুরখিলে যাওয়ার সময় বধু সেজে যাওয়া ইত্যাদিতে ব্যাতিক্রম উপস্থাপন হলেও নারীর চিরন্তন স্বত্তা পরিচয় পাওয়া যায় তার অন্তিম সময়ে দেখা করতে শিহাবকে নাঈমাকে ছাড়া একা আসতে বলায়। কিন্তু পাঠককে ভাবাবে চন্দনা, উচ্চবিত্ত সমাজে বেড়ে উঠেও তার অন্যান্য প্রতিবেশ , তার বিত্তচ্যুতির জন্য বিরোধ তৈরী করেনি? যদিও তার সংক্ষিপ্ত উত্তর শিহাবের সাথে চন্দনার পিতা খাইরুল বশর চৌধুরীর শেষ সংলাপে আছে, ব্রোকেন ফ্যামিলির কন্যা হিসেবে বাবার প্রশ্রয়, কিন্তু চন্দনার স্কুল লেবেলের বান্ধবীদের সাথে কী তার কোনো বলয় তৈরী হয়নি, যারা এ নিম্নবিত্ত ছেলের সাথে চন্দনার সম্পর্কে দেয়ালে ‘শিহাব+চন্দনা’ লেখা ছাড়া অন্য কোনো খুনশুটির সংলাপ এ উপন্যাসে আসেনি। শিহাব চন্দনার প্রেমের গল্প এমন সহজ ভাবে এগিয়ে যাওয়ার মাঝে বাতেন চরিত্রটির বিকাশ অসম্পূর্ণ থেকেছে বা পষ্ট হয়নি। যদিও মামা চরিত্রটি ও রহস্যময় রয়েগেলো।<br />
স্থান-কাল-পাত্রগুলো আমাদের পরিচিত ভূগোলের বলে অনেক কিছু বৈসাদৃশ্য ঠেকেনি। যেমন বাতেনকে সাইজ করার ঘটনাটি ও শিহাবের অগোচরে তার সম্পর্কে বিভিন্ন খোঁজ রাখা, ওমন বিত্তশালী পরিবারের পক্ষে তা করা সম্ভব। তবে প্রথম থেকে পাঠক এ উপন্যাসের কাহিনী উপস্থাপনাটি আত্মকথা বর্ণনা ভঙ্গিতে, না উত্তমপুরুষের বর্ণনা তা উপলব্ধি করতে দ্বিধায় পড়ে। বর্ণনা ভঙ্গিটি যদি ধরে নি ‘শিহাব উদ্দিন মাহমুদের আত্মকথা’ শেষ পর্যায়ের যুক্ত হওয়া চন্দনার ডায়েরী আত্মকথার মাঝে আত্মকথা। তাই এর স্টাইলকে সহজভাবে চিহ্নি করা যায় না।<br />
ঔপন্যাসিক বিশ্বজিৎ চৌধুরীর জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জীবন কেন্দ্রীক উপন্যাস ‘নার্গিস’ পড়ে আপ্লুত হয়েছি,‘ বাসন্তি, তোমার পুরুষ কোথায়’ উপন্যাস পড়তে গিয়ে কিছুটা মন্থর গতি উপভোগ করেছি ভাষার কারুকাজে। যদিও একটি অসাধারণ বেদনার শিল্পরূপ দেওয়ার অভিপ্রায় আছে এ উপন্যাসে। কিন্তু ‘হে চন্দনা পাখি’ পড়ে মনে হয়েছে আমাদের মাঝে আরেকজন সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় বেড়ে উঠছেন। যিনি সমকালিন কথা সাহিত্যে একটি বিশাল দাগ কাটতে সক্ষম হবেন।<br />
বিশ্বজিৎ চৌধুরীর জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জীবন কেন্দ্রীক উপন্যাস ‘নার্গিস’ পড়ে যেভাবে আবিষ্ট হয়ে পড়ে পাঠক, তেমনি কিন্তু রবি ঠাকুরের জীবন কেন্দ্রীক উপন্যাস ‘ কাদম্বরী দেবীর সুইসাইড নাট’ কিংবা ‘নায়ক রবি’ পড়ে হবেন না, আমি নিশ্চিত। রঞ্জন বন্ধোপাধ্যায়ের রবি কেন্দ্রীক উপন্যাসকে মনে হয় নির্মিত। পরিকল্পিত গল্পের বুনন। এ নিয়ে বিশ্বজিৎ চৌধুরীর একটি চমৎকার কবিতাও আছে। কিন্তু ‘নার্গিস’ জীবন্ত। এক চুমুকে শেষ করার মতো। মনে হয় না এটি পরিকল্পিত গ্রন্থনা। তবে ‘নার্গিস’ উপন্যাসে ফজিলেতুন্নেসা পর্বটি আরো পষ্ট হওয়ার অবকাশ ছিলো।<br />
বিশ্বজিৎ চৌধুরীর কবিতা যেমন গীতিময়, কবি বলেই সম্ভবত তার গদ্যও সুখপাঠ্য। সুখটা শব্দ যোজনায়, সুখটা সাবলিল বর্ণনায়।<br />
‘হে চন্দনা পাখি’ মূলত: শিহাব উদ্দিন মাহমুদের স্মৃতি ও বর্তমানের বিন্যাস। কাহিনীর গ্রন্থনায় মনে হয় না লেখকের সুনিপুণ পরিকল্পিত বিন্ন্যাস। বর্ণনা এতো সাবলিল, মনে হয় পা?কের আকাঙ্খার প্রেক্ষিতে একটার পর একটা কাহিনী যোজিত হচ্ছে।<br />
এ উপন্যাসের শারীরিক বর্ণনাগুলো এতো চমৎকার ভব্যতার মধ্যে এসেছে মনে হয় না সুরসুরি দিচ্ছেন কিংবা লবনের পরিমান খুব বেশী। এমন গাঢ় সংযম তাকে কথাশিল্পী হিসেবে কালের করাত টিকে থাকতে অনেক বেশী সহায়তা †দবে বলে আমার বিশ্বাস।<br />
‘হে চন্দনা পাখি’ উপন্যাসের তিনটি চরিত্রের জন্য পাঠক খুউব খুউব কষ্ট অনুভব করবেন- জান্নাতুল ফেরদোস চন্দনা, তৃণা ও খাইরুল বাশার চৌধুরী। আর বাস্তববাদী নাঈমা এ পোড় খাওয়া মধ্যবিত্ত সমাজের চমৎকার প্রতিনিধি হিসেবে পূজ্য হবে পাঠক হৃদয়ে। সব ছাপিয়ে এ উপন্যাসে পিতৃত্বের করুণ হাহাকার এবং পুরুষের আত্মগ্লানির মর্মস্পশী উপস্থাপনা পাঠক হৃদয়কে অনেকদিন দোলা দেবে।<br />
হে চন্দনা পাখি:উপন্যাস। লেখক:বিশ্বজিৎ চৌধুরী। প্রথম প্রকাশ: মাঘ১৪২২,জানুয়ারী ২০১৬। প্রকাশক: প্রথমা প্রকাশন। প্রচ্ছদ ও অলংকরণ: মাসুক †হলাল। মূল্য: ২০০ টাকা ।</p>
<p><strong><span id="yui_3_16_0_1_1458021379393_6001"> কবি ময়ুখ চৌধুরীর &#8216;ক্যাঙ্গারুর বুকপকেট &#8216;</span></strong></p>
<p><span id="yui_3_16_0_1_1458021379393_6001"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/03/13.jpg" rel="attachment wp-att-3239"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-3239" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/03/13-186x300.jpg" alt="13" width="186" height="300" /></a>আজ কবি ময়ুখ চৌধুরীর সপ্তম কাব্যগ্রন্থ &#8216;ক্যাঙ্গারুর বুকপকেট &#8216; হাতে পেলাম। দিব্যপ্রকাশ থেকে মাত্র ১০০টাকা মূল্যে।খালিদ আহসানের করা প্রচ্ছদ।৫৫টি কবিতার গ্রন্থণা।ময়ুখ চৌধুরী কবিতা তো উপমার পর উপমায় ঘুরে বেড়ানোর আরাম ও স্বপ্নময়তা।এ রূঢ় সময়ে এতো কল্পলোকে তিনি কীভাবে বিহার করেন তাই বিস্ময়।তার ডান হাতের তালুতে রাজ্যের উপমা উৎপ্রেক্ষা অনায়সে খেলে যায় কৈশোরিক উচ্ছলতায়।অনুভূতি ও উপমার দৈত্বরথে চড়ে তাই কবি বলতে পারেন:<br />
আমি কাল চলে যাচ্ছি,ছায়াটা তোমার কাছে রেখো,<br />
যদি যুক্তিযুক্ত মনে হয় তবে<br />
ভৌত-পরিবর্তনের বিপরীত সূত্র- অনুযায়ী<br />
পুননির্মাণ করে নিও।<br />
রেখে যাচ্ছি মোমবাতি, মেরুদন্ডে শাদা অন্ধকার<br />
যেন প্রত্যাশার চেয়ে অতিরিক্ত আলো পেতে পারো।<br />
শেষ হোক সব দুর্বিপাক<br />
দেহটাকে নিয়ে যাচ্ছি, ছায়াটা তোমার কাছে থাক<br />
হ্যা, কবিতায় আমরা কবির ছায়াকে অনুভব করে যায় পংক্তিতে পংক্তিতে।সাথে থাকে সমাজ, রাস্ট্র, প্রেম,কাম, জীবন তবে শিল্প সুষমায়।জয়তু কবি, জয়তু কবিতা।<br />
&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;.<br />
১০.০৩.২০১৬</span></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%b9%e0%a7%87-%e0%a6%9a%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%96%e0%a6%bf-%e0%a6%aa%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%93-%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%81/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>একজন সাব-এডিটরের কতিপয় ছেঁড়াখোঁড়া দিন- উপন্যাস প্রসঙ্গে: রুবাইয়াৎ আহমেদ</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%9c%e0%a6%a8-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%ac-%e0%a6%8f%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%aa%e0%a7%9f-%e0%a6%9b%e0%a7%87/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%9c%e0%a6%a8-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%ac-%e0%a6%8f%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%aa%e0%a7%9f-%e0%a6%9b%e0%a7%87/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[অতিথি লেখক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 02 Mar 2016 16:38:55 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[কথামালা]]></category>
		<category><![CDATA[গ্রন্থকথন]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://shahittabazar.com/?p=3194</guid>

					<description><![CDATA[<p>একজন   সাব-এডিটরের   কতিপয়<br /> ছেঁড়াখোঁড়া দিন’ উপন্যাস প্রসঙ্গে<br /> [প্রথম ফ্ল্যাপ থেকে]<br /> আখ্যানের ভেতরে কাহিনি এবং চরিত্রের মিশেলে জমজমাট গল্পই তো থাকে। একজন   সাব-এডিটরের কতিপয় ছেঁড়াখোঁড়া দিন আখ্যানটিও গড়ে</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%9c%e0%a6%a8-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%ac-%e0%a6%8f%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%aa%e0%a7%9f-%e0%a6%9b%e0%a7%87/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>একজন   সাব-এডিটরের   কতিপয়<br />
ছেঁড়াখোঁড়া দিন’ উপন্যাস প্রসঙ্গে<br />
[প্রথম ফ্ল্যাপ থেকে]<br />
আখ্যানের ভেতরে কাহিনি এবং চরিত্রের মিশেলে জমজমাট গল্পই তো থাকে। একজন   সাব-এডিটরের কতিপয় ছেঁড়াখোঁড়া দিন আখ্যানটিও গড়ে উঠেছে কাহিনি ও গল্পের ডালপালা সঙ্গে নিয়ে। কিন্তু এর গড়ে ওঠা বেড়ে ওঠায় কাহিনির চিরাচরিত বয়ান ছাড়িয়ে মনোযোগটি কেবল প্রধান চরিত্রের বিস্তারে। এবার সেই চরিত্রের নামটি তো জানা চাই। তবে উপন্যাসে প্রথাগত নামের বদলে সবার সামনে তার আদল ভেসে ওঠে ‘আমাদের সাব- এডিটর’ নামে।আর গোটা উপন্যাসে ‘আমাদের সাব-এডিটর’-এর চোখ  দিয়েই অমরা দেখি, সমকালীন পৃথিবীর ঝঞ্ঝারূপ &#8211; ইরাকের সাদ্দাম পর্ব, তিউনিসিয়ায় আরব &#8211; বসন্তে উন্মেষ, লিবিয়ায় গদ্দাফির পতন, মিসরে মোবারক যুগের অবসান থেকে শুরু করে মাইকেল জ্যাকসন ও সানি লিওনের জলসা-জগৎ।আর এই সব ঘটনাপ্রবাহের মধ্য দিয়ে বিদ্যুচ্চমকের মতো কখনো বা ভেসে ওঠে বাংলাদেশের মুখ। অজস্র সাব-এডিটরের  নিত্যকার জীবনও।খবরের মধ্যে কাহিনি এবং খবরের সঙ্গে খবর জোড়া দিয়ে গড়ে ওঠা এই উপন্যাসের লিখনভঙ্গিমা অভিনব।রচনাশৈলী ও নির্মাণের দিক দিয়েও এটি ভিন্ন ধারার।পড়তে পড়তে উপন্যাসের ছকবদ্ধ, চিরচেনা রূপটি আপনি না-ও পেতে পারেন। তবে নিশ্চিতই আপনার সামনে ধরা দেবে নতুন    এক জগৎ। আর ‘আমাদের সাব-এডিটর’ সেখানে বারবারই আপনার সামনে ছুড়ে দেবে রক্তাক্ত প্রশ্নগুচ্ছ! জেমকন তরুণ কথাসাহিত্য পুরস্কার ২০১৫ প্রাপ্ত উপন্যাস ‘একজন সাব-এডিটরের কতিপয় ছেঁড়াখোঁড়া দিন’ অমর একুশে বইমেলা ২০১৬তে প্রকাশিত হয়েছে। কাগজ প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত বইটির বিনিয়ম মূল্য: ২০০ টাকা। এর প্রচ্ছদ করেছেন সব্যসাচী হাজরা।<br />
<strong> </strong><br />
<a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/03/Sub_Cover.jpg" rel="attachment wp-att-3195"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-3195" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/03/Sub_Cover-300x134.jpg" alt="Sub_Cover" width="300" height="134" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/03/Sub_Cover-300x134.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/03/Sub_Cover.jpg 400w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a><strong>রুবাইয়াৎ আহমেদ</strong><br />
জন্ম নেত্রকোণা শহরে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর। পিএইচ.ডি. ডিগ্রি অর্জন করেছেন ‘বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে নারী:শিল্প ও সমাজবাস্তবতার প্রেক্ষাপটে (২০০০ সাল পর্যন্ত)’- শীর্ষক অভিসন্দর্ভের জন্য।প্রকাশিত গ্রন্থ  নির্বাচিত কবিতা [হ্যারল্ড পিন্টার ও ইসমাইল কাদারে], বর্ণদূত [আখ্যান], পঞ্চস্বর [অনুবাদ নাটক সংকলন],আত্মহনন কিংবা<br />
স্বপ্নপোড়ানো আখ্যান [গল্প], আলসেকুঁড়ে [ছোটদের গল্প], জিয়ন্তকাল<br />
[আখ্যান], সীমানা ছাড়িয়ে [অনুবাদ], তারেক মাসুদ [গবেষণা],<br />
হিড়িম্বা [আখ্যান], রঙমহাল [আখ্যান]।<br />
সম্পাদনা<br />
গ্রাম থিয়েটার পত্রিকা, দ্বৈত ও গৌড়জন।</p>
<p><strong>উপন্যাসের কিছু উল্লেখযোগ্য অংশ</strong><br />
একজন সাব-এডিটরের জীবন   এমনিতেই  একঘেয়েমির  রুটিনে  বাঁধা। সংগতি আর অসংগতির উকুন বাছতে বাছতেই দিন কাটে তার। উচ্চকণ্ঠ  না হলে অথবা নিয়মিত হস্ত-কচলানো কৌশল যদি রপ্ত করা না যায়, তবে সাব-এডিটরদের ভাগ্যের বিশেষ কোনো পরিবর্তন হয় না। অফিস- নির্ধারিত বৈষম্যমূলক মজুরিতেই কাটিয়ে দিতে হয় জীবনের দিনগুলো।আর যদি ‘কবিত্ব’ নামক একটি পদার্থ কিঞ্চিৎ পরিমাণে কোনো সাব-এডিটরের ভেতরে থাকে, তবে সর্বনাশের ষোলোকলা পূর্ণ হয় আরকি!    একজন রাষ্ট্রনায়ক নিজের ক্ষমতা নিরঙ্কুশ করতে কত ছলচাতুরীই না করেন। বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনের দাবি, একচ্ছত্র ক্ষমতার জন্য নানা অজুহাতে সাদ্দাম হত্যা করেছিলেন এক লাখ আশি হাজারের বেশি মানুষ।আমাদের সাব-এডিটরের স্মরণে আসে, বিচারে সাদ্দামকে মৃত্যুদ- দেওয়া হয়েছিল।তার মৃত্যুদ- কার্যকরের দৃশ্যটি   পারভার্ট বুশ প্রশাসন ভিডিওতে ধারণ করে ছড়িয়ে দেয় বিশ্বময়। অবশ্য গোপনে। সাদ্দামের ফাঁসির পূর্বাপর বর্ণিত হয়েছে বিভিন্ন সংবাদ সংস্থার প্রতিবেদনে।<br />
***<br />
আমাদের সাব-এডিটর সেদিন বুঝে গিয়েছিল, পুঁজিবাদী সভ্যতার অনুপম সৃষ্টি জ্যাকসন আর তার অকালপ্রয়াণও প্রকট করে তোলে বৈষম্যবাদী এই বিশ্বের অসাড়তা। কিন্তু কীভাবে? তার তখন ক্রিস্টোফার মার্লোর ‘ডক্টর<br />
***<br />
শিশুদের নিয়ে ভাবতে ভাবতে কিশোর বয়সের একটি ঘটনার কথা স্মরণে আসে আমাদের সাব-এডিটরের। একদিন স্কুলে যাওয়ার পথে নদী পার হতে গিয়ে ডুবে যায়  গুদারা নৌকাটি ভয়ে-আতঙ্কে চিৎকার করে দুই পাড়ের মানুষেরা। বর্ষার নদী তখন খরস্রোতা। কাঁধের ব্যাগ তবু ভাসিয়ে দেয়নি জলে। কালোমতো একটি শিশু খাবি খায় পানিতে। এই বুঝি গেল তলিয়ে। হাত বাড়িয়ে সেই শিশুটিকে ধরে ফেলে সে। আর তখুনি নদীর পাড়ে নুয়ে থাকা একটি  গাছের ডালের  সন্ধান  পেয়ে   যায়।   অপর   হাতে   সেটিই  ধরে  আঁকড়ে।   শিশুটির   বাবা   পেশায়   মেথর।   তীরে   উঠে   আসার   পর   সেই   মেথর  চিৎকার করে কাঁদতে কাঁদতে শিশুটিকে কেড়ে নেয় প্রায়। তারপর জড়িয়ে  ধরে। কিছুক্ষণ পর সেই মেথর এসে তার পায়ের কাছে মাথা ঠেকিয়ে বলেছিল &#8211;   তু দেব্তা আছিস বাপ, তু দেব্তা।<br />
***</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%9c%e0%a6%a8-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%ac-%e0%a6%8f%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%aa%e0%a7%9f-%e0%a6%9b%e0%a7%87/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ফেসবুকের পাতা থেকে : কিছু কবি ও কবিতার কথা, একুশে পদক এবং গুলতেকিন প্রসঙ্গ</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%ab%e0%a7%87%e0%a6%b8%e0%a6%ac%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%9b%e0%a7%81-%e0%a6%95/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%ab%e0%a7%87%e0%a6%b8%e0%a6%ac%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%9b%e0%a7%81-%e0%a6%95/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[সাবা প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 10 Feb 2016 07:07:13 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[কথামালা]]></category>
		<category><![CDATA[গ্রন্থকথন]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://shahittabazar.com/?p=3126</guid>

					<description><![CDATA[<p>সরকার আমিন এর কবিতা ও লেখনী </p> <p>দূরত্ব মানে মাইল বা কিলোমিটার নয়</p> <p>যখন কেউ ভালবাসে প্রভুভক্ত কুকুরের মতো ঘুরঘুর করি<br /> যখন ঘৃণা করে কেউ ‘ জলের মতো ঘুরে</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%ab%e0%a7%87%e0%a6%b8%e0%a6%ac%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%9b%e0%a7%81-%e0%a6%95/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>সরকার আমিন এর কবিতা ও লেখনী <a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/02/s-Amin-e1455087780374.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignright size-medium wp-image-3133" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/02/s-Amin-e1455087780374-213x300.jpg" alt="s Amin" width="213" height="300" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/02/s-Amin-e1455087780374-213x300.jpg 213w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/02/s-Amin-e1455087780374.jpg 410w" sizes="auto, (max-width: 213px) 100vw, 213px" /></a></strong></p>
<p><strong>দূরত্ব মানে মাইল বা কিলোমিটার নয়</strong></p>
<p>যখন কেউ ভালবাসে প্রভুভক্ত কুকুরের মতো ঘুরঘুর করি<br />
যখন ঘৃণা করে কেউ ‘ জলের মতো ঘুরে ঘুরে’ নাচি তার আশেপাশে</p>
<div class="text_exposed_show">
<p>ঘৃণাকে ভালবাসা থেকে আলাদা করতে পারি না<br />
মনে মনে ভাবি দূরত্ব মানে মাইল বা কিলোমিটার নয়<br />
.<br />
&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;<br />
.সরকার আমিন<br />
৯-২-১৬</p>
</div>
<p><strong>ওরা কোনো কোনো কবিতা ঠাস করে চড় মারে</strong><br />
&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;..<br />
<a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/02/S-Amin-2.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-3135" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/02/S-Amin-2-209x300.jpg" alt="S-Amin-2" width="209" height="300" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/02/S-Amin-2-209x300.jpg 209w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/02/S-Amin-2.jpg 300w" sizes="auto, (max-width: 209px) 100vw, 209px" /></a>আগরতলা শাসন করেন শ্রী মানিক সরকার মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে; কিন্ত আগরতলার কবিতায় একজন শাসনকর্তার বদলে বেশ কয়েকজন শাসনকর্তা আছেন। সৌভাগ্যবশত কবিতার রাজপুত্রগণ আমার প্রাণের বন্ধু। আগরতলা আমার দ্বিতীয় জন্মভূমি। দি সেকেন্ড হোম। কবি অশোক দেব; কবিতার শাসনকর্তাদের মধ্যে সবচে বিপদজনক প্রতিভাবান। কারণ অশোক নিত্যনতুন চমক তৈরি করে পথ চলে। ওর পাইক-পেয়াদার প্রয়োজন পড়ে না<span class="text_exposed_show">। ব্যক্তিগত আচরণে হঠকারী অশোক কে মনে হতে পারে চরম আলাভোলা, আনপ্রেডিকটেবল; কিন্ত ওর গভীরে গিয়ে দেখেছি অশোকের মতো সংহত মানুষ কমই আছে।<br />
.<br />
২০০৮ এর দিকে সম্ভবত আমি প্রথম আগরতলা যাই। প্রবুদ্ধ, প্রদীপ, আকবর, অশোক চক্রের সাথে তখনই ভালো পরিচয়। প্রথম সাক্ষাতকালে অশোক হাত বাড়িয়ে হ্যান্ডশেক করার সময় আমার সাথে প্রথম নাটকীয় সংলাপটি প্রক্ষেপন করে; “ আমার নাম সরকার আমিন, বলে সে আমার দিকে হাত বাড়িয়ে দেয়। আমি স্মার্ট হলে প্রতি-উত্তর করতে পারতাম, হ, তাইলে আমার নাম অশোক দেব। কিন্ত আমি মোহিত হয়ে স্তব্ধ রইলাম অশোকের অপূর্ব কথোপকথন ভঙ্গিমায়।<br />
কথা বলার একটা ড্রামা আছে ওর ; যেটা সম্ভবত তার পিতৃসূত্রে পাওয়া।<br />
অশোকের কবিতা অন্যরকম। চিন্তা ও শব্দের দারুন খেলা আছে তাতে। ওর কোনো কোনো কবিতা ঠাস করে চড় মারে। কোন কোন কবিতা সহজাত স্বীকারোক্তি গুণে আদরণীয়। অদ্ভুত!<br />
আমার বন্ধু কবি অশোক দেবের আজ জন্মদিন। বন্ধুগণ অশোকের জন্য দোয়া কইরেন। আমি তো ঢাকা থেকে অশোকের জন্য ব্যাপক দোয়া করতেছি কারণ নরক-গোলজার করার জন্য আরো অনেক দিন আমাদের বাঁচতে হবে।</span><br />
নমুনা হিসাবে অশোকের একখানি কবিতা পেশ করছি&#8212;&#8212;&#8211;<br />
.<br />
<strong>সিজনাল</strong><br />
<strong> .অশোক দেব</strong><br />
একটি পরিত্যক্ত রক্তকূপের প্রজা হলাম আমরা, আমাদের বংশের প্রতিটি পুরুষ। বাতাসে বসন্তভাব ফুটতে শুরু করলেই আমরা,অভিশপ্ত প্রতিটি পুরুষ কেমন হয়ে যাই। কেউ গাছে উঠে গিয়ে বাঁশের বাঁশি বাজায়। কেউ অকারণ রেগে থাকে। কার ওপর রাগ না জেনে রাগ করে থাকে। কেউ নিরন্তর কথা বলে। যে স্বপ্ন সে দেখেনি, সেটিকে দেখেছে বলে বর্ণনা করে। এমনকি বাস্তবেই সেরকম ঘটেছে বলে বন্ধুদের শোনাতে থাকে। কেউ পাথরের মত নীরব হয়ে যায়।<br />
ছোটবেলা থেকে এসব দেখে এসেছি, আর ভেবেছি নিজেকে বাঁচাতে হবে। তাই কতভাবে যে নিজেকে পুলক কিনতে পাঠাই। পাওয়া যায় না, খালি হাতে নিজের কাছে ফিরে আসে ভারাক্রান্ত আরেকটা অশোক। কে যে আমাদের ডিএনএ-র সিঁড়ি দিয়ে সেই রক্তকূপে ফেলে গিয়েছিল, কোন সে পূর্বপুরুষ, কেউ জানে না।<br />
আজ থেকে শুরু হয়ে গেল ওলথা-আর -ফাইভ।<br />
&#8212;সরকার আমিন<br />
১০-২-১৬</p>
<p><strong>রনজু রাইম এর কবিতা</strong></p>
<p><strong><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/02/Ranju-Raim-1.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-3131" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/02/Ranju-Raim-1-164x300.jpg" alt="Ranju-Raim-1" width="164" height="300" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/02/Ranju-Raim-1-164x300.jpg 164w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/02/Ranju-Raim-1.jpg 300w" sizes="auto, (max-width: 164px) 100vw, 164px" /></a>এক</strong></p>
<p>নগরে নগরে দেখি স্বপ্নবাজ কত ফেরিঅলা।<br />
তারা কি কবিতা বোঝে নাকি বোঝে শুধুই কপিলা।<br />
তোমাকে টানছে দেখ পুরানের বংশীবাদক।<br />
কুবের কপিলা এল হোসেনের কথায় মাদক।<br />
মিডিয়া পাড়ায় দেখ কত কত হোসেনের মেলা।<span class="text_exposed_show"><br />
তোমাকে নিয়েই তারা খেলবে যে কানামাছি খেলা।<br />
মানিক বাবুরে ডাকি হোসেনের পরিচয় দাও।<br />
কুবের আড়াল হলে ফাঁদে কি পড়েনি কপিলাও।</span></p>
<div class="text_exposed_show">
<p>[আমার ‌&#8217;দেবতাগণ&#8217; কাব্যের &#8216;হোসেন মিঞা&#8217; শিরোনামের কবিতা]</p>
<p><strong>দুই</strong></p>
</div>
<p>প্রচারে প্রসার বটে এই বাক্য সকলের জানা<br />
প্রচারপটুরা তাই চায় ষোলোতে আঠারো আনা<br />
ষোলোতে ষোলোই ঠিক দু-আনা ফের দেবে কে তোমায়<br />
বাহুল্য চাইছ বলে নেমেছ প্রচারভিক্ষায়<br />
মিডিয়া দেবতা জ্ঞানে কর তুমি যত তোষামোদ<span class="text_exposed_show"><br />
সকলি আগাম পাবে মহাকাল এতোই নির্বোধ..<br />
[আমার ‘দেবতাগণ’ কাব্যের ‘প্রচারভিক্ষুক’ শিরোনামের কবিতা।]</span></p>
<p><strong>প্রসঙ্গ গুলতেকিন : রঞ্জনা বিশ্বাস<br />
</strong></p>
<div id="attachment_3130" style="width: 235px" class="wp-caption alignleft"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/02/050.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-3130" class="wp-image-3130 size-medium" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/02/050-225x300.jpg" alt="050" width="225" height="300" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/02/050-225x300.jpg 225w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/02/050.jpg 400w" sizes="auto, (max-width: 225px) 100vw, 225px" /></a><p id="caption-attachment-3130" class="wp-caption-text">রঞ্জনা বিশ্বসের উল্লেখযোগ্য একটি বই &#8211; সাহিত্যে বেদে সম্প্রদায়</p></div>
<p>বেশ কিছুদিন ধরে লক্ষ করছি গুলতেকিন কে নিয়ে নানা রকম নেতিবাচক কথাবার্তা হচ্ছে। যারা এসব বলছেন তাদের সবার জন্য বলতে চাই সমস্যাটি ঠিক কোথায়? গুলতেকিন লিখছে বলে নাকি বেশি বয়সে লিখছে বলে নাকি সাংবাদিকরা ভিড় করছে বলে নাকি নারী বলে?</p>
<p>যে কেউ যে কোন সময় লিখতে পারে, যে কোন বয়সে লিখতে পারে। বেশি বয়সে লেখা শুরু করে নোবেল পাওয়ার ঘটনা বিরল নয়। তাহলে??</p>
<div class="text_exposed_show">
<p>গুলতেকিন হুমায়ূন আহমেদ এর স্ত্রী ছিলেন এ পরিচয়টির চেয়ে অনক বেশি গুরুত্বপূর্ণ তঁার পিতার পরিচয়। প্রফেসর ইব্রাহীম খাঁ র পরিবারের মেয়ে হিসাবে তাঁর অভিজ্ঞতার যে মূল্য রয়েছে তা পাগলেও স্বীকার করবে আর তার পারিবারিক ঐতিহ্যের কারণে মিডিয়া তার কাছে যাবে এটাই স্বাভাবিক।</p>
<p>লেখকরা সমাজ বদলের মানুষ। তাদের মানসিকতা এত ছোট কি করে হয় ভেবে পাই না। এত মানসিক টানাপোড়েনের মধ্য দিয়ে একজন মা, (হ্যা আমার মায়ের বয়সী তো,) এ বয়সে ডিপ্রেশন এ যাতে না ভোগেন তার জন্য লেখালেখি খুব কাজের। কোথায় আমরা তাকে এপ্রেসিয়েট করব তা না&#8230;। আর হ্যা মনে রাখবেন পাঠকরা ঘাস চিবোয় না। আমরা জানি সেই সব লেখকই আঁতকে ওঠে যাদের যোগ্যতার ঘাটতি রয়েছে। অতএব ভাবনার পরিধি বাড়ান কাজ করুন,শুদ্ধচিন্তার চর্চা করুন,সুস্থ থাকুন।</p>
<div id="stcpDiv"><strong>এবার একুশে পদক পাচ্ছেন ১৬ জন</strong></div>
<div id="stcpDiv">
<p><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/02/Padak-01.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignright size-medium wp-image-3129" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/02/Padak-01-300x180.jpg" alt="Padak-01" width="300" height="180" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/02/Padak-01-300x180.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/02/Padak-01.jpg 800w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>একুশে পদক ২০১৬’এর জন্য তালিকা চূড়ান্ত করেছে জাতীয় পুরস্কারসংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। এবার ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ, সাংবাদিকতা, গবেষণা, ভাষা ও সাহিত্য এবং শিল্পকলায় গৌরবোজ্জ্বল ও প্রশংসনীয় অবদান রাখায় মোট ১৬ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি এই সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন।</p>
<p>সোমবার (০৮ফেব্রুয়ারি) এই তালিকা অনুমোদনের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে উপস্থাপন করা হয়। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কমিটি শাখার সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।</p>
<p>এবারের একুশে পদকের জন্য চূড়ান্ত তালিকায় যাদের নাম রয়েছে, তারা হলেন: ভাষা আন্দোলনে অবদানের জন্য চারজন- বিচারপতি কাজী এবাদুল হক, ডা. সাইদ হায়দার, সৈয়দ গোলাম কিবরিয়া (মরণোত্তর) এবং ড. জসীম উদ্দিন আহমেদ।</p>
<p>শিল্পকলায় অবদানের জন্য্ পাচঁজন- টিভি ও চলচ্চিত্রে জাহানারা আহমেদ, শাস্ত্রীয় সংগীতে পণ্ডিত অমরেশ রায় চৌধুরী, সংগীতে শাহীন সামাদ, নৃত্যে আমানুল হক, চিত্রকলায় কাজী আনোয়ার হোসেন (মরণোত্তর)।</p>
<p>মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য মফিদুল হক, সাংবাদিকতায় তোয়াব খান, গবেষণায় অধ্যাপক ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহ ও মংছেন চীং মংছিন।</p>
<p>এ ছাড়া ভাষা ও সাহিত্যে আছেন তিনজন- জ্যোতিপ্রকাশ দত্ত, অধ্যাপক ড. হায়াৎ মামুদ ও হাবীবুল্লাহ সিরাজী।</p>
<p>একুশে পরস্কারের জন্য ৩৫ গ্রাম ওজনের একটি স্বর্ণপদক, নগদ এক লাখ টাকা ও সম্মাননাপত্র দেয়া হয়ে আসছে। তবে এবার নগদ টাকার অঙ্কটা বাড়িয়ে দুই লাখ করার সুপারিশ করেছে মন্ত্রীসভা। (BDTIMES365.com থেকে)</p>
</div>
<p><strong>৮ বছর পর </strong></p>
<p><strong>আবু হাসান শাহরিয়ারের কবিতার বই এলো মেলাতে (সবটাই লেখকের জবানীতে)<br />
</strong></p>
<p><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/02/03.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-3128" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/02/03-300x136.jpg" alt="03" width="300" height="136" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/02/03-300x136.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/02/03.jpg 498w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>কথা রেখেছেন &#8216;প্লাটফর্ম&#8217;-এর কাণ্ডারি হেলাল উদ্দিন হৃদয়। বলেছিলেন, &#8220;৯ ফেব্রুয়ায়ির মধ্যে মেলায় আপনার বই আনব।&#8221; দুদিন হাতে থাকতে, আজ ৭ ফেব্রুয়ারি সকালেই, আমার বাসায় কয়েক কপি &#8216;কিছু দৃশ্য অকারণে প্রিয়&#8217; নিয়ে হাজির। জানালেন, বইমেলায়ও আজ থেকে বইটি পাওয়া যাবে (স্টল নম্বর: ৪৯২, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান এবং বয়রাতলার ছোটকাগজ চত্বরে প্লাটফর্মের স্টলে)।</p>
<p>৮ বছর পর নতুন কবিতার বই। নিজেকে তাই নবীন কবি মনে হচ্ছে। এ আর নতুন কী? নবীনদের সঙ্গ বরাবরই আমার প্রিয়। কবিতার নতুনত্বও। বইটির প্রকাশনা-মান প্রশংসার দাবি রাখে। কবিতার মান সম্পর্কে বলার অধিকার আমার নেই। পাঠক বলতে পারবেন।</p>
<p><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/02/01.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignright size-full wp-image-3127" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/02/01.jpg" alt="01" width="160" height="160" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/02/01.jpg 160w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/02/01-150x150.jpg 150w" sizes="auto, (max-width: 160px) 100vw, 160px" /></a>বইমেলা সম্পর্কে কবি বলেন : বইমেলায় আমি তরুণদের বই খুঁজি। আমার প্রিয় লেখকদের সবাই তরুণ। চিরতরুণ। চিন্তার তারুণ্যে তরুণ তারা। এই তারুণ্যের কারণে জীবনানন্দ দাশ, শামসুর রাহমান, শক্তি চট্টোপাধ্যায়, আখতারুজ্জামান ইলিয়াস, শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়, হুমায়ুন আজাদ প্রমুখ প্রয়াতরাও আমার কাছে তরুণ। বিপরীতে, অনেক কমবয়সী জীবিত অকালবৃদ্ধ কবি-লেখক আছে। সংখ্যায় তারাই বেশি। তাদের বয়সের বা শরীরের তারুণ্যকে আমি আমলে নিই না। কেননা, বইমেলায় আমি লেখক খুঁজি; চরদখলের লাঠিয়াল নয়। তবে, যুগপৎ বয়সে ও চিন্তায় তরুণ লেখকদের বইকে আমি অগ্রাধিকার দিই। লেখকের তারুণ্য বয়সে নয়;&#8211; চিন্তার নতুনত্বে।</p>
<p><strong>মুজিব মেহদীর নতুন কোনো বই বেরোচ্ছে না এবার</strong></p>
<p><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/02/m-mehedi-1.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-full wp-image-3132" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/02/m-mehedi-1.jpg" alt="m mehedi 1" width="160" height="106" /></a>শব্দের হাসিকান্না যে শুনতে পায় না<br />
সে কখনো কবি হয় না</p>
<p>কিম্বা</p>
<p>বাংলা বর্ণের গায়ে রক্ত লেগে আছে<br />
এ কারণে আমাদের শব্দের রং লাল<br />
বাংলা কবিতার কোনো সাদাকালো ভার্সন হয় না</p>
<p>তবে আগ্রহীরা আগে প্রকাশিত তাঁর কিছু বই, যেমন &#8216;চিরপুষ্প একাকী ফুটেছে&#8217; (কবিতা, অ্যাডর্ন), &#8216;জঙ্গলের নিজস্ব শব্দাবলি&#8217; (কবিতা, ঐতিহ্য), &#8216;ত্রিভুজাসম্ভাষ&#8217; (হাইকু-বাইকু-সেনরু, শুদ্ধস্বর), &#8216;খড়বিচালির দুর্গ&#8217; (উভলিঙ্গ রচনা, ঐতিহ্য), &#8216;সটোরি লাভের গল্প&#8217; (জেনগল্পের বাংলা রূপান্তর, পাঠসূত্র), &#8216;মুক্তিযুদ্ধ ও নারী&#8217; (যৌথভাবে অনুসন্ধান, ঐতিহ্য) বাংলা একাডেমির একুশে গ্রন্থমেলা থেকে সংগ্রহ করতে পারবেন। যাঁরা পড়েন নি, তাঁদের কাছে তো এ বইগুলো নতুনই, তাই না?</p>
<p><strong>পীর হাবিবের ‘লজ্জাবতী’</strong></p>
<p><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/02/peer-habib-1.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-3139" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/02/peer-habib-1-300x144.jpg" alt="peer habib 1" width="300" height="144" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/02/peer-habib-1-300x144.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/02/peer-habib-1.jpg 480w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>প্রচ্ছদটি অনেক যাচাই বাছাই চলেছে ফেসবুক জুড়ে। অবশেষে&#8217; লজ্জাবতী&#8217;আজ (মঙ্গলবার ৯ ফেব্রুয়ারী ২০১৬) বিকেলে একুশের বই মেলায় যাচ্ছে। অন্যপ্রকাশের ষ্টলে পাঠকরা তাকে নেড়েচেড়ে, উল্টেপাল্টে দেখতে পাবেন।মন চাইলে লাজ্জাবতী তাদের হাত ধরে যেতে চায়।পাঠ<span class="text_exposed_show">কের রাতের ঘুম, দিনের অবসর কেড়ে নিয়ে দিতে চায় শ্বাসরুদ্ধকর উত্তেজনা ও সূখ।তৃষ্ঞা নিবারন করতে চায়,কৌতুহল ও নানা প্রশ্নের উত্তর দিতে চায়।পাঠক চাইলেই চিত হয়ে শুয়ে শুয়ে বুকে নিয়ে লজ্জাবতীকে মেলে ধরতে পারেন।</span></p>
</div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%ab%e0%a7%87%e0%a6%b8%e0%a6%ac%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%9b%e0%a7%81-%e0%a6%95/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
