<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>বই বাজার &#8211; সাহিত্য বাজার</title>
	<atom:link href="https://shahittabazar.com/category/%e0%a6%86%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%95/%e0%a6%ac%e0%a6%87-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://shahittabazar.com</link>
	<description>সাহিত্যের আয়নায় মানুষের মুখ</description>
	<lastBuildDate>Wed, 27 Apr 2022 19:09:04 +0000</lastBuildDate>
	<language>bn-BD</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.9.4</generator>
	<item>
		<title>পরী তোর লাল জামা</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%80-%e0%a6%a4%e0%a7%8b%e0%a6%b0-%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%80-%e0%a6%a4%e0%a7%8b%e0%a6%b0-%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[সাখাওয়াতুল আলম চৌধুরী]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 27 Apr 2022 10:26:01 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বই বাজার]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ব বাজার]]></category>
		<category><![CDATA[সড়ক দূর্ঘটনা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://shahittabazar.com/?p=4839</guid>

					<description><![CDATA[<p dir="ltr">খুব কাছ থেকেই বীভৎস দৃশ্যটা দেখতে হলো &#8211;<br /> আমার কানে এখনো বাজে অস্ফুট সেই আওয়াজ,<br /> &#8220;পরী, তোর লাল জামা &#8230;&#8230;&#8221;<br /> বয়সটা আর কতই হবে, বারো তেরো</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%80-%e0%a6%a4%e0%a7%8b%e0%a6%b0-%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div id="m#msg-a:1486298649423470208" class="mail-message expanded">
<div class="mail-message-header spacer"></div>
<div class="mail-message-content collapsible zoom-normal mail-show-images ">
<div class="clear">
<p dir="ltr">খুব কাছ থেকেই বীভৎস দৃশ্যটা দেখতে হলো &#8211;<br />
আমার কানে এখনো বাজে অস্ফুট সেই আওয়াজ,<br />
&#8220;পরী, তোর লাল জামা &#8230;&#8230;&#8221;<br />
বয়সটা আর কতই হবে, বারো তেরো &#8216;র কাছাকাছি।<br />
হয়তো রঙধনু দোয়েলের একবুক  স্বপ্ন ছিলো এই ঈদে বোনকে নিয়ে ;<br />
হাড়ভাঙা পরিশ্রমের দামে কিনবে  সে<br />
একট টুকরো লাল কাপড় আদরের বোনের জন্য।<br />
শান্ত তুলতুলে বোনটির মুখ চেয়ে<br />
সে ভুলে যেতো আর্তনাদের বর্ণমালার  সমস্ত ব্যথা বেদনার কথা।<br />
মা বাবা হারা ভাইবোনের ঠিকানা ছিলো ফুটপাতের ধারে ;<br />
ভাইটি তার টোকাইয়ের কাজ করে জমিয়েছিল<br />
কিছু পয়সা, তার আদরের বোনের জন্য।<br />
যে বোনটি বিগত সন্ধ্যার ফুলের ন্যায়,  সারাদিন বসে থাকে ভাইয়ের পথ চেয়ে,<br />
কখন আসবে ভাই দুহাত ভরে মিঠাই নিয়ে।<br />
এই ঈদে বোনের চাওয়া ছিলো রাস্তায় হেটে<br />
যাওয়া,  পথিক শিশুর গায়ে থাকা একটি লাল জামা।<br />
আর তাই  ভাইটি একটি একটি করে জমিয়েছিল টাকা<br />
বোনের হাতে তুলে দিতে শরৎ ফুলের ন্যায় ইপ্সিত  চাওয়াকে ।<br />
আর কিনতে চেয়েছিল কোটি টাকার মূল্যের<br />
বোনের অধরে ফিনকি ঝরা অম্লান হাসি ;<br />
আজ সেই ভাইটি নিথর দেহে পড়ে আছে রাস্তায়,<br />
হাতে ধরে আছে একটি লাল জামা, পরীর জন্য।<br />
পরীর  মতোই সাজাতে চেয়েছিল বোনকে এই জামায়,<br />
কিন্তু ঘাতক ট্রাকের নিষ্ঠুর থাবায়,<br />
জোনাকির মৃত্যুর নিষ্ঠুর দংশনে পরে আছে পিচঢালা রাস্তার মাঝে।<br />
সেই জামার লাল ক্যানভাসে লেগে আছে<br />
তাজা রক্তের আঁধার মৃত্তিকার  জীবনের প্রতিচ্ছবি।<br />
তার দেখা হলোনা শিশির নির্মলতার  বোনের মুখে কোটি মূল্যের হাসি,<br />
এভাবেই হাজারো মানুষের নীলাম্বরী ছোঁয়ার মুখের হাসি,  প্রতিনিয়ত মুছে যায় দানব ঘাতকের চাকার তলে।<br />
কালো রাজপথ হয়ে উঠে নিষ্ঠুরতার আধার, জ্বলন্ত ফুসফুস ছুঁয়ে রক্ত শুষে নেয় পিচাশ থাবার আড়ালে।<br />
এখনো আমার খুব কাছ থেকে সেই শব্দটা<br />
কানে বাজে &#8220;পরী, তোর লাল জামা। &#8220;</p>
<p dir="ltr">13/9/14</p>
</div>
</div>
<div class="mail-message-footer spacer collapsible"></div>
</div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%80-%e0%a6%a4%e0%a7%8b%e0%a6%b0-%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>পটুয়াখালীর পত্রিকা ও ছোট কাগজ -মুজাহিদুল ইসলাম প্রিন্স-</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%aa%e0%a6%9f%e0%a7%81%e0%a7%9f%e0%a6%be%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%95%e0%a6%b2%e0%a6%a8/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%aa%e0%a6%9f%e0%a7%81%e0%a7%9f%e0%a6%be%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%95%e0%a6%b2%e0%a6%a8/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[অতিথি লেখক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 26 Sep 2020 16:17:51 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বই বাজার]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ব বাজার]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://shahittabazar.com/?p=4124</guid>

					<description><![CDATA[<p>পটুয়াখালীর পত্রিকা,সংকলন,ছোট কাগজ<br /> &#8211;মুজাহিদুল ইসলাম প্রিন্স-</p> <p></p> <p>পটুয়াখালী শহর থেকে নিয়মিত কয়েকটি দৈনিক পত্রিকা প্রকাশিত হয়ে থাকে। পটুয়াখালীর প্রথম প্রকাশিত সংবাদপত্র কেএম এনায়েতুর রহমান সম্পাদিত দৈনিক রুপান্তর। এরপর আনোয়ার</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%aa%e0%a6%9f%e0%a7%81%e0%a7%9f%e0%a6%be%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%95%e0%a6%b2%e0%a6%a8/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>পটুয়াখালীর পত্রিকা,সংকলন,ছোট কাগজ<br />
&#8211;<strong>মুজাহিদুল ইসলাম প্রিন্স-</strong></p>
<p><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2020/09/IMG_20200307_085429.jpg"><img decoding="async" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2020/09/IMG_20200307_085429-300x225.jpg" alt="" width="300" height="225" class="alignleft size-medium wp-image-4127" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2020/09/IMG_20200307_085429-300x225.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2020/09/IMG_20200307_085429-768x576.jpg 768w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2020/09/IMG_20200307_085429-1024x768.jpg 1024w" sizes="(max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a></p>
<p>পটুয়াখালী শহর থেকে নিয়মিত কয়েকটি দৈনিক পত্রিকা প্রকাশিত হয়ে থাকে। পটুয়াখালীর প্রথম প্রকাশিত সংবাদপত্র কেএম এনায়েতুর রহমান সম্পাদিত দৈনিক রুপান্তর। এরপর আনোয়ার হোসেনর সম্পাদনায় দৈনিক সাথী,গোলাম কিবরিয়ার সম্পাদনায় দৈনিক গণদাবী, এডভোকেট আলমগীর হোসেনর সম্পাদনায় দৈনিক তেতুলিয়া, তারিকুজ্জামান মনির সম্পাদনায় দৈনিক পটুয়াখালী বার্তা ও ডাঃ মোঃ শফিকুল ইসলামের সম্পদনায় দৈনিক পটুয়াখালী প্রকাশিত হয়।<br />
সাপ্তাহিক পত্রিকার মধ্যে এক সময় পায়রা ও প্রিয় কাগজ প্রকাশিত হলেও বর্তমানে তা প্রকাশিত হচ্ছে না। এছাড়া পাক্ষিক মেঠোবার্তা নামে একটি পত্রিকা প্রকাশিত হলেও বর্তমানে তা বন্ধ রয়েছে। পটুয়াখালী থেকে মুজাহিদুল ইসলাম প্রিন্স সম্পাদিত কোষ্টাল নিউজ টুয়েন্টি ফোর ডট কম,জাকারিয়া হৃদয় সম্পাদিত পটুয়াখালী নিউজ ডট কম, হাসান মাহমুদ পলাশ সম্পাদিত পটুয়াখালী ওয়েব,রাঙ্গাবালী নিউজ ও বাউফল নিউজ,সাগরকন্যা নামে কয়েকটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল এক সময় নিয়মিত প্রকাশিত হলেও এখন তা নিয়মিত আপডেট হয় না।<br />
পটুয়াখালী থেকে ১৯৩৪ সালে “পল্লীসেবী” নামে প্রথম একটি সাময়িকি প্রকাশিক হয়। এটি সম্পাদনা করেন সিরাজুদ্দীন। এরপর ১৯৫১ সালে কবি খোন্দাকর খালেকের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয় মাসিক “চাবুক”। আরো পরে সাহিত্যানুরাগী সাংবাদিক নুরুল হক বিশ্বাস এর সম্পাদনায় ১৯৬৪ সনের ডিসেম্বরে পটুয়াখালী সাহিত্য মজলিস নামক একটি সাহিত্য সংগঠন প্রতিষ্ঠিত হয়। এ সংগঠনের উদ্যাগে পায়রা, আন্ধারমানিক, এসো বন্ধন গড়ি প্রভৃতি সাহিত্য সংকলণ প্রকাশিত হয়। ১৯৮০ইং সনের দিকে কবি শাহ মোহাম্মদ মতিউর রহমান এর সম্পাদনায় “অনুরুপা” নামক সাহিত্য সংকলণ প্রকাশিত হয়। ১৯৮৪ সনে “জেলা লেখক সমিতি”র মুখপাত্র হিসেবে “অন্বেষা” নামক ত্রৈ-মাসিক সাহিত্য সংকলণ নিয়মিত প্রকাশ হতে থাকে। পরবর্তী সময় “পঙতি” নামক অনিয়মিত ভাবে বিশেষ বিশেষ দিবস উপলক্ষে সাহিত্য সংকলণ প্রকাশ করে সংগঠনটি। ১৯৮৩ সনে “আত্মবিকাশ” নামে একটি সৃষ্টিশীল সাহিত্য সংকলণ প্রকাশ করে তৎকালীন জেলা প্রশাসক সাহিত্যানুরাগী মুহাম্মদ আজিজুল হক, পটুয়াখালী সরকারী কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর আবদুল মাজেদ হাওলাদার, প্রবীন শিক্ষানুরাগী রাজনীতিক মাওলানা এ, বি, এম নূরুল হক, প্রবীন রাজনীতিবীদ বাকসম্রাট বি, ডি হাবিবুলাহ প্রমূখ ব্যক্তিবর্গ। ১৯৮৬ইং সনে “আত্মপ্রকাশ” নামক সৃজনশীল সাহিত্য সংকলণ প্রকাশ করে। একই বছর শিবুলাল খাসকেলের সম্পাদনায় দীপ্ত শিখা ও সন্ধ্যা প্রদীপ নামে দুটি কাগজ রের হয়। ১৯৯১ইং সনে সাংবাদিক, কবি কাইয়ুম আহমেদ জুয়েল এর প্রচেষ্টায় “আগুনমুখা” নামক সৃজনশীল সাহিত্য সংকলণ প্রকাশ করতে থাকে। এছাড়া এ বিশেষ বিশেষ দিবস উপলক্ষে প্রত্যয়, উচ্ছাস, সূর্য্যদয় প্রভৃতি সাহিত্য সংকলণ প্রকাশ করে। এসব সংকলনগুলোর সম্পাদনায় ছিলেন কবি মেজবাহ উদ্দিন বাবলা, সাংবাদিক কাইয়ুম আহম্মদ জুয়েল, সাংবাদিক শাহ্ মাহমুদুর রহমান প্রমূখ। ১৯৯২ইং সনে “লিখন” নামক সাহিত্য সংকলণ এবং ‘উত্তরণ’ নামে সংকলণ প্রকাশ পায়।<br />
১৯৯৭ইং “বিকিরণ” নামক ত্রৈ-মাসিক সাহিত্য সংকলণ প্রকাশ<br />
করে বিকিরন সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক অঙ্গন। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সৃষ্টি রক্ষায় শাহ মাহমুদুর রহমান ২০০০ইং সনে পটুয়াখালীতে “চেতনা” নামক সৃজনশীল সাহিত্য সংকলণ প্রকাশ করেন। ২০০২ইং ত্রৈ-মাসিক সাহিত্য কাগজ “ময়ূখ” প্রকাশিত হয়। একই বছর ত্রৈ-মাসিক সাহিত্য কাগজ “শব্দমালা” প্রকাশিত হয়। ২০০৪ইং সনে পটুয়াখালী “পটুয়া” নামক সাহিত্য সংকলণ প্রকাশ করেন কিছু উদ্যোমী তরুন।  এছাড়া আরো যে ছোট কাগজ প্রকাশিত হয় তাহলো “সাইমুম” “আলোর দিশারী” “কাছাকাছি” “আলিঙ্গন” “তিলোত্তম” “প্রসূন” “ওরা কাঁদে” “স্বাক্ষর” “সূচনা” “অংকুর”। <a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2020/09/IMG_20200310_205024.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2020/09/IMG_20200310_205024-225x300.jpg" alt="" width="225" height="300" class="alignleft size-medium wp-image-4126" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2020/09/IMG_20200310_205024-225x300.jpg 225w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2020/09/IMG_20200310_205024-768x1024.jpg 768w" sizes="auto, (max-width: 225px) 100vw, 225px" /></a>সম্প্রতি জাহাঙ্গীর হোসাইন মানিক দখিনের কবিয়াল সংগঠনের উদ্যোগে কবিয়াল নামে একটি সংকলন বের করে চলছেন। এর বাইরে কুয়াশা মূর্খের সম্পাদনায় “বৈঠা” নামে একটি ত্রৈমাসিক সংকল বের হচ্ছে পটুয়াখালী থেকে।##</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%aa%e0%a6%9f%e0%a7%81%e0%a7%9f%e0%a6%be%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%95%e0%a6%b2%e0%a6%a8/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বই বাজারে নাসরীন জাহান ও অন্যান্য বই</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%ac%e0%a6%87-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%a8-%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%93-%e0%a6%85/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%ac%e0%a6%87-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%a8-%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%93-%e0%a6%85/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক, সাহিত্য বাজার]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 12 Feb 2019 13:25:20 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বই বাজার]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ব বাজার]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://shahittabazar.com/?p=3645</guid>

					<description><![CDATA[<p>এবার বইমেলায় কথা সাহিত্যিক নাসরীন জাহান এর  তিনটি মৌলিক বই এসেছে ও আসছে। সারারাত শিশিরের কান্না,গল্পের বই।<br /> সিসেমের দ্বিতীয় দরজা, পরাবাস্তব উপন্যাস। এ দুটোর প্রকাশক,অন্যপ্রকাশ।</p> <p>নাসরীন জাহান বলেন, এ</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%ac%e0%a6%87-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%a8-%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%93-%e0%a6%85/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>এবার বইমেলায় কথা সাহিত্যিক নাসরীন জাহান এর  তিনটি মৌলিক বই এসেছে ও আসছে। সারারাত শিশিরের কান্না,গল্পের বই।<br />
সিসেমের দ্বিতীয় দরজা, পরাবাস্তব উপন্যাস। এ দুটোর প্রকাশক,অন্যপ্রকাশ।<a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/FB_IMG_1549974173436.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/FB_IMG_1549974173436-300x136.jpg" alt="" width="300" height="136" /></a></p>
<p>নাসরীন জাহান বলেন, এ বছর আমার জীবনের প্রথম কবিতার বই বেরোলো, এসেছি সূর্যাস্ত থেকে। এটি বের করেছে পাঞ্জেরী। <a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/FB_IMG_1549974180861.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/FB_IMG_1549974180861-300x133.jpg" alt="" width="300" height="133" /></a></p>
<p>পাঞ্জেরী আমার উপন্যাস ত্রয়ীও করেছে।<br />
সেখানে আছে উড়ুক্কু, ক্রুশকাঠে কন্যা, দূর পৃথিবীর গন্ধে, এই তিনটি উপন্যাস।</p>
<p><strong>সময় প্রকাশন থেকে প্রকাশিত হয়েছে দুটো বই।</strong></p>
<p><strong>মোহিনী মুম্বাই</strong> <a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/FB_IMG_1549974961102.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignright size-medium wp-image-3649" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/FB_IMG_1549974961102-300x222.jpg" alt="" width="300" height="222" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/FB_IMG_1549974961102-300x222.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/FB_IMG_1549974961102.jpg 720w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a><br />
বইটি যখন প্রথম প্রকাশিত হয় তখন যারা ছয় বছরের শিশু, তারা এখন বিশ বছরের তরুণ। সুতরাং এই নতুন পাঠক প্রজন্মের জন্য বইটির অারেকটি পরিমার্জিত সংস্করণ বের করা হয়তো দরকার ছিল। ২০০০ সালের প্রথম থেকে পরবর্তী পঁাচ বছর ধরে দৈনিক প্রথম আলোতে ‘মুম্বাইর চিঠি’ শিরোনামের কলামটির নির্বাচিত কিছু এপিসোড সংকলিত হয়েছে এই বইতে।</p>
<p><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/FB_IMG_1549974968808.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-3650" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/FB_IMG_1549974968808-300x226.jpg" alt="" width="300" height="226" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/FB_IMG_1549974968808-300x226.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/FB_IMG_1549974968808.jpg 720w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><strong>সুদূরের অদূর দুয়ার</strong><br />
মিয়ানমার, শ্রীলংকা, হংকং এবং অস্ট্রেলিয়া সহ চারটি দেশের ভ্রমণবৃত্তান্ত রয়েছে বইটির মোট বারোটি অধ্যায়ে। অস্ট্রেলিয়ার স্বর্ণখনি থেকে শুরু করে ঘরের কাছের রেঙ্গুন কিংবা শ্রীলংকার ভ্রমণ কেন্দ্রগুলোর অতি পরিচিত স্থানটিকেও নিতান্ত অপরিচিত মনে হতে পারে এখানে।</p>
<p><strong>কবি ও গায়ক হাসান মাহমুদ এর বই</strong></p>
<p><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/FB_IMG_1550031549291.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-3654" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/FB_IMG_1550031549291-188x300.jpg" alt="" width="188" height="300" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/FB_IMG_1550031549291-188x300.jpg 188w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/FB_IMG_1550031549291.jpg 603w" sizes="auto, (max-width: 188px) 100vw, 188px" /></a></p>
<p>চোখের মতো চিহ্নগুলোর প্রাথমিক পর্ব: প্রচ্ছদটি আজই হাতে পেলাম। বিকেলে মাসুক ভাই বল্লেন, হাসান&#8211; আরেকটু সময় দাও। একটু কাজ বাকি। আমি সানন্দে রাজি হয়ে গেলাম। বই প্রকাশ নিয়ে আমার অতীব উচ্ছ্বাস কখনোই ছিল না। আজও নেই।<br />
মাসুক ভাই সেই অগ্রজ, সেই সুহৃদ&#8212; আমার এই ছোট্ট জীবনের সমূদয় শিল্পবোধ আর চৈতন্যের দ্বিতীয় ক্যাপ্টেন। এখানে বিলম্ব খুবই নস্যি..</p>
<p>কবি <strong>গোলাম কিবরিয়া পিনু এর </strong><span style="font-weight: 300;"><strong>প্রবন্ধের</strong> বইটি আজ বের হলো<a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/IMG_20190216_193628_423.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-3679" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/IMG_20190216_193628_423-197x300.jpg" alt="" width="197" height="300" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/IMG_20190216_193628_423-197x300.jpg 197w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/IMG_20190216_193628_423-671x1024.jpg 671w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/IMG_20190216_193628_423.jpg 720w" sizes="auto, (max-width: 197px) 100vw, 197px" /></a></span></p>
<p>‘উনিশ-বিশ শতকের নারী লেখক ও আত্মশক্তির বিকাশ’ নামের নতুন প্রবন্ধের বইটি ‘অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০১৯’-তে এখন পাওয়া যাচ্ছে&#8211;<br />
য়ারোয়া বুক কর্নার, স্টল নম্বর ৩৮৩, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান<br />
&#8221;এই গ্রন্থে বাঙালি নারীর সংগ্রাম-অধিকার-জাগরণ এবং বাংলা সাহিত্যে তাঁদের ভূমিকার বিভিন্ন দিক তুলে ধরে নারীর মর্যাদাকে সংহত ও উজ্জ্বল করেছেন&#8211;লেখক, যার প্রতিফলন রয়েছে এই গ্রন্থের প্রবন্ধসমূহে। নারীর চেতনাগত বির্বতনের বিভিন্ন দিগন্ত পাঠকের অনুভবে অনুরণিত হবে&#8211;বিস্মৃতির অতল থেকে টেনে আনা আবিষ্কারমূলক ব্যঞ্জনায়।<br />
<a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/IMG_20190216_193542_859.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-3678" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/IMG_20190216_193542_859-195x300.jpg" alt="" width="195" height="300" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/IMG_20190216_193542_859-195x300.jpg 195w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/IMG_20190216_193542_859.jpg 585w" sizes="auto, (max-width: 195px) 100vw, 195px" /></a>এই গ্রন্থে নারীর আত্ববিকাশের ভিত্তিমূলে কীভাবে শিক্ষা, রাজনৈতিক পরিস্থিতি, বিভিন্ন সামাজিক অভিঘাত ও সাহিত্যধারা সম্পর্কিত হয়েছে&#8211;সেইসব ধারাবাহিকতা নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি উনিশ শতক থেকে বিশ শতকের বহু নারী লেখক এই গ্রন্থে তাঁদের সৃজনশীলতায় দেদীপ্যমান হয়ে উঠেছেন&#8211;তাঁদের অলোকসামান্য ভূমিকায়&#8211;এঁদের অনেকে ছিলেন উপেক্ষিত, অনালোচিত ও অনাবিষ্কৃত।<br />
বাংলাদেশের নারী সমাজের আত্ববিকাশ, সংগ্রাম ও মর্যাদার প্রেরণাসঞ্চারী বিভিন্ন উপাদান এই গ্রন্থের বিভিন্ন লেখায় খুঁজে পাবেন উত্তর প্রজন্মের নারীরা, প্রেষণা পাবেন নারী লেখকগণও। এই গ্রন্থে অনেক নারীর শৃঙ্খল মুক্তির মহিমাময় জীবনের বোধভাষ্যি পাওয়া যাবে, যা থেকে থেকে আত্বরক্ষা ও আত্ববিকাশের অনির্বাণ আলো নিয়ে নিঃসঙ্গতা ও বিষন্নতা কাটিয়ে সম্মুখবর্তী হতে পারবেন এ-প্রজন্মের নারীরা। বিপুল তথ্য, তত্ত্ব ও বিশ্লেষণ নির্ভর এই গ্রন্থটি কৌতূহলী পাঠক ও ছাত্র-শিক্ষক-গবেষকের কাছে সমাদৃত হবে, এমন প্রত্যাশা আমাদের।&#8221;<br />
উনিশ-বিশ শতকের নারী লেখক ও আত্মশক্তির বিকাশ<br />
গোলাম কিবরিয়া পিনু<br />
প্রকাশক : য়ারোয়া বুক কর্নার<br />
প্রচ্ছদ : চারু পিনটু</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%ac%e0%a6%87-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%a8-%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%93-%e0%a6%85/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ছাত্রসমাজকে দুর্নীতিমুক্ত রাখতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও রাষ্ট্রের ভূমিকা : তপংকর চক্রবর্তী</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a7%80%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%95/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a7%80%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%95/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[অতিথি লেখক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 11 Jul 2016 10:01:25 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বই বাজার]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ব বাজার]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://shahittabazar.com/?p=3359</guid>

					<description><![CDATA[<p>ছাত্রসমাজকে দুর্নীতিমুক্ত রাখতে শিা প্রতিষ্ঠান ও রাষ্ট্রের ভূমিকা<br /> তপংকর চক্রবর্তী</p> <p>বাংলাদেশের স্বাধীনতা লাভের পর থেকে ধীরে ধীরে দুর্নীতি সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে বাসা বেঁধেছে। মূল্যবোধের চরমতম অবয়, মতার অপব্যবহার, সীমাহীন</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a7%80%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%95/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div id="attachment_3360" style="width: 239px" class="wp-caption alignright"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/07/044.jpg" rel="attachment wp-att-3360"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-3360" class="wp-image-3360 size-medium" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/07/044-229x300.jpg" alt="044" width="229" height="300" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/07/044-229x300.jpg 229w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/07/044.jpg 480w" sizes="auto, (max-width: 229px) 100vw, 229px" /></a><p id="caption-attachment-3360" class="wp-caption-text">লেখক অধ্যক্ষ তপঙ্কর চক্রবর্তী</p></div>
<p><strong>ছাত্রসমাজকে দুর্নীতিমুক্ত রাখতে শিা প্রতিষ্ঠান ও রাষ্ট্রের ভূমিকা</strong><br />
<strong>তপংকর চক্রবর্তী</strong></p>
<p>বাংলাদেশের স্বাধীনতা লাভের পর থেকে ধীরে ধীরে দুর্নীতি সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে বাসা বেঁধেছে। মূল্যবোধের চরমতম অবয়, মতার অপব্যবহার, সীমাহীন লোভ, স্বার্থপরতা, অপ-সংস্কৃতি এবং অপ-রাজনীতির বিপুল বিস্তার যখন ব্যক্তি থেকে সমাজ, সমাজ থেকে রাষ্ট্রে ঘূণ ধরাচ্ছে তখন শিা প্রতিষ্ঠান কি সত্যিকার অর্থে এ সবের বাইরে থাকতে পারে ?<br />
শিকতা পেশায় যে মহান আদর্শ নিয়ে এক একজন শিক নিজেকে উৎসর্গ করেছিলেন আজ সে রকম শিক কোথায় ? গুরুর আদেশ শিরোধার্য করার মতো ছাত্রই বা কোথায় ? যে সমাজে শিক নিগৃহীত, লাঞ্ছিত, অপমানিত হলে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে না, প্রতিবাদ হলেও তা অজ্ঞাত কারণে চাপা পড়ে যায়, সে সমাজে প্রকৃতপে শিা প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা কি ?<br />
আমাদের শিা ব্যবস্থার যারা কর্ণধার, তারা চলেন বিদেশী প্রেসক্রিপশনে। দেশের প্রেতি ভাবার সময় তাদের নেই। পরিবারে, প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে যারা পড়াশোনা করে ব্যতিক্রম ছাড়া কোথাও কি তাদের নৈতিকতা, মূল্যবোধ, মানবপ্রেম শেখানো হয় ? শেখার মূল সময়টিতে যা শেখানো হয় না বা শেখানো যায় না তা নিয়ে কথা বলে লাভ কি ?<br />
আমরা জানি, একটি শিশুর শিা শুরু হয় পরিবার, পরিবেশ এবং শিশু শিালয় থেকে। আমাদের ‘ঘূণে’ ধরা সমাজে পরিবার ও পরিবেশ কাঙ্খিত শিা দিতে ব্যর্থ। বাকী থাকে শিালয়। প্রাথমিক শিালয়ে যদি মূল্যবোধ এবং নৈতিকতা জাগ্রত করার ব্যবস্থা না থাকে তাহলে শিকরা কি করবেন ? আবার যে শিকরা নিজেরাই নৈতিকতা কি, মূল্যবোধ কি তা জানেনওনা, অনেক েেত্র মানেনও না তারা কি শিা দেবেন ? এ বিষয়গুলো নিয়ে গভীরভাবে ভাবার প্রয়োজন রয়েছে। এটা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। সুতরাং ছাত্র সমাজকে দুর্নীতিমুক্ত রাখতে হলে শিা প্রতিষ্ঠান এবং রাষ্ট্রের যুগপৎ ভূমিকা যদি একই মিলনবিন্দুতে পৌঁছায়, শুধু দায় সারবার জন্য নয়, আন্তরিকতার সাথে যদি এই ভূমিকা সবাই মিলে পালন করা যায় তবেই ছাত্র সমাজ দুর্নীতিমুক্ত হতে পারে। শিাঙ্গণে ছাত্র রাজনীতির নামে প্রতিহিংসার রাজনীতিও এেেত্র একটি বিরাট অন্তরায়।<br />
মনে রাখা দরকার, আমরা যা পারিনি, ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সেটা পারবার মতো পরিবেশ তৈরি করে দিতে হবে আমাদেরই। কবির ভাষায় বলতে হয় :<br />
“এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি<br />
নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার”।<br />
<a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/07/02.jpg" rel="attachment wp-att-3361"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-3361" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/07/02-300x225.jpg" alt="02" width="300" height="225" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/07/02-300x225.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/07/02.jpg 400w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>অন্যদিকে সারাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় রয়েছে প্রচন্ড সমন্বয়হীনতা। কোমলমতি শিশুদের উপরে পাঠ্য বইয়ের বোঝা চাপিয়ে তাদেরকে ক্রমাগত রোবটে পরিণত করা হচ্ছে, সাথে অভিভাবকদেরও। পরীায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের মতো ঘটনা শিার্থীদের মনে যে কি ধরনের প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে তা নিয়ে কারুর মাথাব্যথা নেই। ‘এক অদ্ভুত উটের পিঠে চলেছে স্বদেশ।’ কোচিং, প্রাইভেট পড়া, বাসায় পড়ার চাপ, আকাশ সংস্কৃতি এবং মোবাইলের মোহ এসব শিশুদের করে তুলেছে স্বপ্নহীন, আনন্দহীন আর অনেকটাই অপরিনামদর্শী। আমাদের আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক বাতাবরণে শিা হয়ে উঠেছে সার্টিফিকেট সর্বস্ব। তাই এই অর্ধ শিতি জাতির বিড়ম্বনার শেষ নেই। যে সমাজ জ্ঞানচর্চাকে সমাদর করে না, যে সমাজ প্রকৃতপে অসভ্য-বর্বর সমাজেরই অংশ বিশেষ।<br />
যে সমাজে প্রায় সকলেই অন্যায় করছে অথবা অন্যায়কে প্রশ্রয় দিচ্ছে অথবা নিজের দায়িত্ব কর্তব্য পালন করছে না সে সমাজে এককভাবে শিক বা শিা প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা কতটুকু ? বিপরীত স্রোতে গিয়ে যদি কুচিৎ কোন শিা প্রতিষ্ঠানে শিার্থীদের ভাল কিছু শেখাতে চায় তার কার্যকারিতা বা স্থায়ীত্ব কতটুকু ?<br />
আমার পঁয়ত্রিশ বছরের শিকতার জীবনে শিক, অভিভাবক এবং শিার্থীর পেছনে যে সময়, শ্রম এবং আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করেছি তারপরেও খুব সুফল কি ফলাতে পেরেছি ? এ প্রশ্ন তো আমি নিজেই নিজেকে করি। উত্তর মেলে না।<br />
পঞ্চাশের শেষ দিক এবং ষাটের দশকের শুরুতে আমরা যখন স্কুলে পড়তাম তখন ‘বাল্যশিা’ এবং ‘আদর্শলিপি’ নামে দু’টি বই পড়া ছিল আমাদের জন্য প্রায় বাধ্যতামূলক। পরিবার ছিল নীতিবোধ ও মূল্যবোধের সহায়ক। পরিবেশ তখনও যে খুব অনুকুল ছিল তা নয়, কিন্তু অল্প হলেও শিকের মর্যাদা ছিল। বাবার সম্মান দেখে আমরাও শিক হতে চেয়েছিলাম।<br />
কিন্তু গত পঁয়ত্রিশ বছর ধরে শিকতা পেশায় নানাভাবে সক্রিয় থাকার সুবাদে সরকারি-বেসরকারি হাজার হাজার শিককে দেখে এখন ভাবতে হচ্ছে আমরা কি আসলেই আমাদের ছাত্র-ছাত্রীদের কোন শিা দিতে পেরেছি ?<br />
তাই বলা যা, একমাত্র নতুন কোন সামাজিক বিপ্লব সংঘটিত না হলে Ñ যে বিপ্লব আমাদের আর্থ-সামাজিক-রাজনৈতিক এবং মনোজাগতিক পরিবর্তন সূচিত করতে পারে, আমরা যে বিষবৃ রোপণ করেছি তাকে উৎপাটন করা কিছুতেই সম্ভব হবে না।<br />
কথায় আছে, আশায় মানুষ বাঁচে। আমিও নৈরাশ্যবাদী নই। এখনও যদি আমাদের শিশু শ্রেণি থেকে পাঠ্যপুস্তকে-সিলেবাসে নৈতিক শিা, অনৈতিকতাকে ঘৃণা শিশুদের শেখানো যায়, মূল্যবোধে তাদেরকে উদ্বুদ্ধ করা যায়, তবে হয়তো তিন-চার দশক পরে একটি ইতিবাচক পরিবর্তন সূচিত হতে পারে। কিন্তু সে দায় এবং দায়িত্ব বর্তমান শিা ব্যবস্থার কর্ণধাররা নেবেন কিনা, পাতি বুর্জোয়া শ্রেণির স্বার্থে যা লাগবে বলে রাষ্ট্র সে দায় নেবে কি না Ñ এ এক অসম্ভব জটিল প্রশ্ন।<br />
উন্নত রাষ্ট্রসমূহে বুর্জোয়াজি যতই প্রাধান্য বিস্তার করুক, তারা শিাকে এবং শিককে মর্যাদা দিতে পেরেছে বলেই সব বিষয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে পেরেছে। তারা এমন একটি সামাজিক ও রাষ্ট্রিক শৃঙ্খলা তৈরি করতে পেরেছে যেটা প্রায় সকলেই মেনে চলে।<br />
পরিশেষে বলি, আমার জীবদ্দশায় ছাত্রসমাজকে দুর্নীতিমুক্ত রাখতে শিা প্রতিষ্ঠান ও রাষ্ট্র সমন্বিত ভূমিকা পালন করুক এটা আমি দেখে যেতে পারলে সত্যিই আনন্দিত ও পরিতৃপ্ত হব। #</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a7%80%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%95/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>সাহিত্য বাজার সাহিত্য পদক পাচ্ছেন কবি রেজাউদ্দিন স্টালিন : কাজী রোজী</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%aa%e0%a6%a6-2/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%aa%e0%a6%a6-2/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[অতিথি লেখক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 24 Apr 2016 10:04:22 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বই বাজার]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ব বাজার]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://shahittabazar.com/?p=3320</guid>

					<description><![CDATA[<p>সাহিত্য বাজার পদক, সম্মাননা ও সেরা সাহিত্যকর্ম পুরুস্কার প্রাপ্তদের জীবনবৃত্তান্ত নিয়েই সম্মৃদ্ধ হবে আমাদের উৎসব সংখ্যাটি। তার আগে নিয়মিত তাদের সম্পর্কে জানতে পারবেন এই অনলাইন পত্রিকায়। নাসরীন জাহানকে নিয়ে ইতিপূর্বেই</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%aa%e0%a6%a6-2/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>সাহিত্য বাজার পদক, সম্মাননা ও সেরা সাহিত্যকর্ম পুরুস্কার প্রাপ্তদের জীবনবৃত্তান্ত নিয়েই সম্মৃদ্ধ হবে আমাদের উৎসব সংখ্যাটি। তার আগে নিয়মিত তাদের সম্পর্কে জানতে পারবেন এই অনলাইন পত্রিকায়। নাসরীন জাহানকে নিয়ে ইতিপূর্বেই বহুবার লেখা হয়েছে এখানে। এবার বিকল্প বায়োডাটার কবি রেজাউদ্দিন স্টালিনকে নিয়ে লিখেছেন আরেক কবি &#8211; কবি কাজী রোজী</strong></p>
<p><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/04/stalin-1.jpg" rel="attachment wp-att-3321"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignright wp-image-3321 size-medium" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/04/stalin-1-258x300.jpg" alt="stalin--1" width="258" height="300" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/04/stalin-1-258x300.jpg 258w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/04/stalin-1.jpg 400w" sizes="auto, (max-width: 258px) 100vw, 258px" /></a>যার সাইকেলের ক্রিং ক্রিং বেলের শব্দ আনেকের দারুণ পরিচিত ছিল। কেউ তার বন্ধু, কেউ স্বজন, কেউবা চোখের কথন বোঝা পরিচিত মানুষ। যশোরের নলভাঙা গ্রামের তরুণ যুবক । আকর্ষণীয় চেহারাÑসৌমকান্তি অবয়ব নান্দনিক বাচনভঙ্গি, প্রকাশ প্রক্ষেপণ ঘিরে শৈল্পিক আবহ তৈরি করে রাখে। জানি না তার সুঠাম বাহুতে স্বপ্নের মাদুলি আটা ছিল কিনা। তবে সুখের ঝাঁপি খুলতে খুলতে তরুণ যুবক তার চলমান বৈঠা অনেক দূর বেয়ে নিয়ে যেতে পারবে সেটা বোঝা যায়। ওর নাম রেজাউদ্দিন স্টালিন। আত্মীয়-পরিজন বন্ধু-স্বজন কবিতার স্বপ্নীল শব্দ জোয়ার সৃষ্টিকারী মানুষটিকে ওই নামেই ডাকে। আমি ওকে যুবরাজ বলি। কবি রেজাউদ্দিন স্টালিন তার নিজস্ব জগৎ নিয়ে অবসর বিনোদন নয়Ñকর্মযোগ্যতা নিয়ে সারাক্ষণ ব্যস্ততার পরিম-লে নিয়োজিত। খড়-কুঁটো দিয়ে নয়, কবিতার ঘরবাড়ি সাজায় শব্দের অসীম অটুট বন্ধন দিয়ে।<br />
কবি রেজাউদ্দিন স্টালিন ভাব, ভাষা এবং পরিকল্পনার পৃথক মাত্রা দিয়ে সুদিন আসবে বলে ভাবতে চায়। একটা আশাবাদী ভুবনের বাসিন্দা হতে সাধ তার। ‘সোনামুখী ধানশীষ পূর্ণপ্রাণ যাবো’ কবিতার শেষ লাইনে যখন সে উচ্চারণ করে‘-তারপর একদিন বৃষ্টিধারায় স্নাত বধ্যভূমিতে/ বৃক্ষের দিন আসে ব্রহ্মপুত্র/ পত্রালির নৌকা ভাসে সবুজ বাতাসে/ আমি সব কান্না সব মৃত্যু মুছে ফেলে সেই বৃক্ষময় দিনের কাছে যাবো/ তার ফসলিম ফুল ও গন্ধময় আশ্চর্যের কাছে/ তার ধানশীষ ডালপালা নুয়ে থাকে সম্পদের ভারে/ আমি এক সোনামুখী ধানশীষ পূর্ণপ্রাণ যাবো’ এ রকম আশাবাদী ভবিষ্যতের হিরন্ময় স্বপ্নের কথা রেজাউদ্দিন স্টালিনের কবিতার পরতে পরতে। ওর প্রথম বই ‘ফিরিনি অবাধ্য-আমি’ প্রকাশের পরপরই সে প্রথম সারির কবিদের কাতারে উঠে আসে। ঐ প্রন্থের প্রায় সব কটি কবিতায় দুর্দান্ত সব উচ্চারণ আর চিন্তার নতুন দিগন্তে রংধনু দেখতে পেয়েছিলো পাঠকরা। স্টালিন নিজেকে বদলেছেন বারবার। অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী রেজাউদ্দিন স্টালিনের কবিতায় আলোচনা করতে গিয়ে কয়েকটি বৈশিষ্ট্যের যথার্থ উচ্চারণ করেছেনÑএক. রেজাউদ্দিন স্টালিনের কবিতায় একটা গল্প থাকে। দুই. একটি কবিতা অন্যটির মতো নয়। তিন. স্টালিন ক্রিয়াপদের ব্যবহারকে নান্দনিক এবং রসগ্রাহ্য করেছে। চার. তার কবিতায় পরাভবের প্রতি অসম্মতির প্রকাশ আছে। সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীর আলোচনার সাথে আমি ঐক্যমত্য পোষণ করি। স্টালিনের কবিতায় ক্ষোভ আছে দ্রোহ আছে সময়ের প্রাসঙ্গিক উচ্চারণ আছে যা কল্পনার সমার্থক। সূচনাপর্ব কবিতার কয়েকটি লাইন যদি বলি তবে ব্যাপারটা পরিষ্কার হবে &#8211;<br />
‘আমার সময় গো-ক্ষুধের মতো বিভাজিত<br />
মুহূর্তগুলো কালো কৃষকের পায়ের মতো ফাটা<br />
আমার জন্ম কোনো সময়কে ইঙ্গিত করে না<br />
এমনকি ঘটনাগুলো মুহূর্তের শৃঙ্খল মুক্ত<br />
যখন পৃথিবীতে কিছুই ঘটছে না<br />
তখন সময় কি জজ্ঞাসা চিহ্নের মতো থিতু<br />
আমি কি শুধু মৃত্যুর ভয়ে সময়কে সনাক্ত করতে চাই ?<br />
আমাদের প্রতিপ¦ার্শ আর সময়কে এমন জ্যামিতিক মাত্রায় কেও ব্যবচ্ছেদ করেনি। রেজাউদ্দিন স্টালিনের কবিতায় হাইপার রিয়েলিটি এবং এ্যাবসেন্ট রিয়েলিটির উপস্থিতি দেখে ভাবি, ও সত্যিই উত্তরাধুনিক চিন্তাকে অনেক দূর নিয়ে গেছে। মানব পরিচয়ের যে সারাৎসার সেখানে প্রবেশ করতে চেয়েছে। তথাকথির রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত কাঠামোর মধ্যে মানুষের মৌলিকত্ব বিকাশে বাঁধা কোথায় স্টালিন জানে। একজন মানুষের প্রকৃত পরিচয় সে জানে এই জন্যে রেজাউদ্দিন স্টালিন  আমাদের কালের এক অসামান্য কবি প্রতিভা। যুবরাজ বলে তাকে ডাকি আসলে সে কবিতার রাজপুত্র। নতুন আঙ্গিক আর উৎপ্রেক্ষা দিয়ে বাংলা কবিতার অবয়বে আন্তর্জাতিক তিলক আঁকতে তৎপর এই কবির অগ্রগমন অপ্রতিহত। প্রচলিত বায়োডাটার বিরুদ্ধে সে তৈরি করতে চায় কবিতার বিকল্প জীবনবৃত্তান্ত। বায়োডাটার গভীরে প্রবেশ করে সারকার্রামার মতো সব দিক তার নিজস্ব দিক বলে ভাবতে চায়। বাতাসের গতিবেগ অবলোকন করতে করতে মেঘের ডম্বরু বাজায় এবং রনাঙ্গণ পার হয়ে অসীম সকালের দিকে নিয়ে যায়।<br />
কবির জন্মদিন। যুবরাজের জন্মদিন। খুলে যাক ওর সমস্ত আনন্দের ঝাঁপি। প্যা-োরা বাক্সের মুখ বন্ধ হোক চিরতরে। অসম্ভব সুন্দর প্রত্যাশায় আয়ুষ্কাল ওর বেড়ে যাকÑসমাজের বায়োডাটা পরিবর্তনের চাকায় বেঁধে দিক স্বপ্ন। চাকা চলুক তার ইচ্ছেমতো, বধূ সন্তান বন্ধু পরিবার নিয়ে। কবিতার মলাট বদলাতে বদলাতে যে উথান তার যে আগমন ও কবিতা জয় করার বাসনা; তাÑহোক দীর্ঘজীবী এই আশীর্বাদ রেখে ভালবাসার একটা বায়োডাটা দিলাম ওর করতলে।<br />
কবি যখন বলেÑচেয়েছি আলাদা হতে মর্মমূল ছিঁড়ে, ফিরতে চেয়েছি নীড়ে, তখন ভিন্ন ডানায় উদ্ভাসÑতাকে নিয়ে যায় অসীমতার প্রান্ত ছুঁয়ে কাব্য সীমাকে খুঁজতে। নির্মম নাগরিকত্ব ওর ভাললাগে না তবে কোন স্বপ্ননগর কবি খুঁজে ফেরে ? কবি বলেছে মানুষ হতে চায় অলৌকিকÑতাহলে মানুষের জীবনবৃত্তান্ত কি লেখা হবে সেতো আগামীর সোনালি সকাল বলতে পারবে, র‌্যাবো যেমন পৌঁছুতে চেয়েছিলো এক সুন্দর আশ্চর্য সকালে। জ্ঞানের গহ্বরে পতিত মন ইমেলে খোঁজ করে উন্নয়ন, কবি জানে কিন্তু জানায় না। সিদ্ধান্ত যদি হয় নতুন একটি চাবুক তাহলে পরিষ্কার করে কবি বলে, এরকম নির্মম প্রভুর প্রয়োজন নেই। এই দাসত্ব ও শৃঙ্খলের বিরুদ্ধে কবি আজীবন সংগ্রামশীল । কবিতাতো আদিতে ছিল গান। কবিতা ফেলে এসেছে সুর, গল্প কত কিছু এখন একাকী পথ চলছে সে; এই তো তার দুঃসাহস। সব জানানোর দরকার নেই কবিতা কিছুটা রহস্যের। সেখানে লোক দেখানো শোভাযাত্রা কবির ভাললাগে না। তাই ইচ্ছার বিরুদ্ধে কবি উদরে রাখে হেমলকÑপ্রয়োজনের অপেক্ষাতে। কবির চোখে মাতৃক্রোড় এক অপূর্ব ঠিকানাÑসেখানে শিশুটি অদৃষ্টের ছায়ার ভেতরে থাকে, বনসাই হয়েÑথাকে না। প্রতিবেশ তাকে বনসাই বানাতে চায়।<br />
রেজাউদ্দিন স্টালিন অদ্ভুত অভিন্নতায় নিজেকে ধরে রাখেন। তার স্বকীয়তা, সততা ও বিশ^াসের ভিত রচনা করতে সহায়তা করেছে তার মানবিক মূল্যবোধ ও আদর্শ। ‘বায়োডাটা’ নামের যে বিকল্প সামাজিক দলিল কবি তৈরী করতে চান তা’ পৃথিবীর সব মানুষের আকাক্সক্ষার সাথে সংগতিপূর্ণ। তার নিজস্ব ঠিকানার চৌহদ্দি থেকে তাকে অন্যভুবনে টেনে নিয়ে যায় জীবিকা। সে বুঝিয়ে দেয় যে মানুষের কাংখিত জীবনবৃত্তান্ত থেকে, যে অসাধারণ অলিগলি পথ  তৈরী হয়েছে তা আগামী প্রজন্মকে দূর সুদূর সভ্যতার দেয়াল অতিক্রম করার সাহস যোগাবে। কখনো হুলুস্থূল কা- ঘটিয়ে বলে দেবেÑপথে নামো, তবেই না পথ খুঁজে পাবে। পুরানো নাম ঠিকানার তথ্য সমাচার দিয়ে এগোনো যায় না। আমুল বদলে নিয়ে বাড়ি-ঘর-রাস্তাগুলো অন্য নামকরণে সিলমোহর ব্যবহার করতে হয়। কবি তার বায়োডাটা অর্থাৎ জীবনবৃত্তান্তে সমাজের সৌখিন অবস্থানের বিপরীতে পরিবর্তমানতাকে বারবার আয়নার মতো তুলে ধরেছে।<br />
রেজাউদ্দিন স্টালিন আমাদের কালের এক অসামান্য কবি প্রতিভা। যুবরাজ বলে তাকে ডাকি আসলে সে কবিতার রাজপুত্র। নতুন আঙ্গিক আর উৎপ্রেক্ষা দিয়ে বাংলা কবিতার অবয়বে আন্তর্জাতিক তিলক আঁকতে তৎপর এই কবির অগ্রগমন হোক অপ্রতিহত, প্রচলিত বায়োডাটার বিরুদ্ধে তৈরী করুক বিকল্প জীবনবৃত্তান্ত। বিকল্প বায়োডাটার কবি রেজাউদ্দিন স্টালিন<br />
কাজী রোজী</p>
<p>যার সাইকেলের ক্রিং ক্রিং বেলের শব্দ আনেকের দারুণ পরিচিত ছিল। কেউ তার বন্ধু, কেউ স্বজন, কেউবা চোখের কথন বোঝা পরিচিত মানুষ। যশোরের নলভাঙা গ্রামের তরুণ যুবক । আকর্ষণীয় চেহারা-সৌমকান্তি অবয়ব নান্দনিক বাচনভঙ্গি, প্রকাশ প্রক্ষেপণ ঘিরে শৈল্পিক আবহ তৈরি করে রাখে। জানি না তার সুঠাম বাহুতে স্বপ্নের মাদুলি আটা ছিল কিনা। তবে সুখের ঝাঁপি খুলতে খুলতে তরুণ যুবক তার চলমান বৈঠা অনেক দূর বেয়ে নিয়ে যেতে পারবে সেটা বোঝা যায়। ওর নাম রেজাউদ্দিন স্টালিন। আত্মীয়-পরিজন বন্ধু-স্বজন কবিতার স্বপ্নীল শব্দ জোয়ার সৃষ্টিকারী মানুষটিকে ওই নামেই ডাকে। আমি ওকে যুবরাজ বলি। কবি রেজাউদ্দিন স্টালিন তার নিজস্ব জগৎ নিয়ে অবসর বিনোদন নয়Ñকর্মযোগ্যতা নিয়ে সারাক্ষণ ব্যস্ততার পরিম-লে নিয়োজিত। খড়-কুঁটো দিয়ে নয়, কবিতার ঘরবাড়ি সাজায় শব্দের অসীম অটুট বন্ধন দিয়ে।<br />
কবি রেজাউদ্দিন স্টালিন ভাব, ভাষা এবং পরিকল্পনার পৃথক মাত্রা দিয়ে সুদিন আসবে বলে ভাবতে চায়। একটা আশাবাদী ভুবনের বাসিন্দা হতে সাধ তার। ‘সোনামুখী ধানশীষ পূর্ণপ্রাণ যাবো’ কবিতার শেষ লাইনে যখন সে উচ্চারণ করে‘-তারপর একদিন বৃষ্টিধারায় স্নাত বধ্যভূমিতে/ বৃক্ষের দিন আসে ব্রহ্মপুত্র/ পত্রালির নৌকা ভাসে সবুজ বাতাসে/ আমি সব কান্না সব মৃত্যু মুছে ফেলে সেই বৃক্ষময় দিনের কাছে যাবো/ তার ফসলিম ফুল ও গন্ধময় আশ্চর্যের কাছে/ তার ধানশীষ ডালপালা নুয়ে থাকে সম্পদের ভারে/ আমি এক সোনামুখী ধানশীষ পূর্ণপ্রাণ যাবো’ এ রকম আশাবাদী ভবিষ্যতের হিরন্ময় স্বপ্নের কথা রেজাউদ্দিন স্টালিনের কবিতার পরতে পরতে। ওর প্রথম বই ‘ফিরিনি অবাধ্য-আমি’ প্রকাশের পরপরই সে প্রথম সারির কবিদের কাতারে উঠে আসে। ঐ প্রন্থের প্রায় সব কটি কবিতায় দুর্দান্ত সব উচ্চারণ আর চিন্তার নতুন দিগন্তে রংধনু দেখতে পেয়েছিলো পাঠকরা। স্টালিন নিজেকে বদলেছেন বারবার। অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী রেজাউদ্দিন স্টালিনের কবিতায় আলোচনা করতে গিয়ে কয়েকটি বৈশিষ্ট্যের যথার্থ উচ্চারণ করেছেনÑএক. রেজাউদ্দিন স্টালিনের কবিতায় একটা গল্প থাকে। দুই. একটি কবিতা অন্যটির মতো নয়। তিন. স্টালিন ক্রিয়াপদের ব্যবহারকে নান্দনিক এবং রসগ্রাহ্য করেছে। চার. তার কবিতায় পরাভবের প্রতি অসম্মতির প্রকাশ আছে। সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীর আলোচনার সাথে আমি ঐক্যমত্য পোষণ করি। স্টালিনের কবিতায় ক্ষোভ আছে দ্রোহ আছে সময়ের প্রাসঙ্গিক উচ্চারণ আছে যা কল্পনার সমার্থক। সূচনাপর্ব কবিতার কয়েকটি লাইন যদি বলি তবে ব্যাপারটা পরিষ্কার হবে-<br />
‘আমার সময় গো-ক্ষুধের মতো বিভাজিত<br />
মুহূর্তগুলো কালো কৃষকের পায়ের মতো ফাটা<br />
আমার জন্ম কোনো সময়কে ইঙ্গিত করে না<br />
এমনকি ঘটনাগুলো মুহূর্তের শৃঙ্খল মুক্ত<br />
যখন পৃথিবীতে কিছুই ঘটছে না<br />
তখন সময় কি জজ্ঞাসা চিহ্নের মতো থিতু<br />
আমি কি শুধু মৃত্যুর ভয়ে সময়কে সনাক্ত করতে চাই ?<br />
<a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/04/stalin-biodata.jpg" rel="attachment wp-att-3322"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft wp-image-3322 size-medium" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/04/stalin-biodata-300x142.jpg" alt="stalin-biodata" width="300" height="142" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/04/stalin-biodata-300x142.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/04/stalin-biodata.jpg 500w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>আমাদের প্রতিপ¦ার্শ আর সময়কে এমন জ্যামিতিক মাত্রায় কেও ব্যবচ্ছেদ করেনি। রেজাউদ্দিন স্টালিনের কবিতায় হাইপার রিয়েলিটি এবং এ্যাবসেন্ট রিয়েলিটির উপস্থিতি দেখে ভাবি, ও সত্যিই উত্তরাধুনিক চিন্তাকে অনেক দূর নিয়ে গেছে। মানব পরিচয়ের যে সারাৎসার সেখানে প্রবেশ করতে চেয়েছে। তথাকথির রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত কাঠামোর মধ্যে মানুষের মৌলিকত্ব বিকাশে বাঁধা কোথায় স্টালিন জানে। একজন মানুষের প্রকৃত পরিচয় সে জানে এই জন্যে রেজাউদ্দিন স্টালিন  আমাদের কালের এক অসামান্য কবি প্রতিভা। যুবরাজ বলে তাকে ডাকি আসলে সে কবিতার রাজপুত্র। নতুন আঙ্গিক আর উৎপ্রেক্ষা দিয়ে বাংলা কবিতার অবয়বে আন্তর্জাতিক তিলক আঁকতে তৎপর এই কবির অগ্রগমন অপ্রতিহত। প্রচলিত বায়োডাটার বিরুদ্ধে সে তৈরি করতে চায় কবিতার বিকল্প জীবনবৃত্তান্ত। বায়োডাটার গভীরে প্রবেশ করে সারকার্রামার মতো সব দিক তার নিজস্ব দিক বলে ভাবতে চায়। বাতাসের গতিবেগ অবলোকন করতে করতে মেঘের ডম্বরু বাজায় এবং রনাঙ্গণ পার হয়ে অসীম সকালের দিকে নিয়ে যায়।<br />
কবির জন্মদিন। যুবরাজের জন্মদিন। খুলে যাক ওর সমস্ত আনন্দের ঝাঁপি। প্যা-োরা বাক্সের মুখ বন্ধ হোক চিরতরে। অসম্ভব সুন্দর প্রত্যাশায় আয়ুষ্কাল ওর বেড়ে যাক-সমাজের বায়োডাটা পরিবর্তনের চাকায় বেঁধে দিক স্বপ্ন। চাকা চলুক তার ইচ্ছেমতো, বধূ সন্তান বন্ধু পরিবার নিয়ে। কবিতার মলাট বদলাতে বদলাতে যে উথান তার যে আগমন ও কবিতা জয় করার বাসনা; তা-হোক দীর্ঘজীবী এই আশীর্বাদ রেখে ভালবাসার একটা বায়োডাটা দিলাম ওর করতলে।<br />
কবি যখন বলে-চেয়েছি আলাদা হতে মর্মমূল ছিঁড়ে, ফিরতে চেয়েছি নীড়ে, তখন ভিন্ন ডানায় উদ্ভাস-তাকে নিয়ে যায় অসীমতার প্রান্ত ছুঁয়ে কাব্য সীমাকে খুঁজতে। নির্মম নাগরিকত্ব ওর ভাললাগে না তবে কোন স্বপ্ননগর কবি খুঁজে ফেরে ? কবি বলেছে মানুষ হতে চায় অলৌকিক-তাহলে মানুষের জীবনবৃত্তান্ত কি লেখা হবে সেতো আগামীর সোনালি সকাল বলতে পারবে, র‌্যাবো যেমন পৌঁছুতে চেয়েছিলো এক সুন্দর আশ্চর্য সকালে। জ্ঞানের গহ্বরে পতিত মন ইমেলে খোঁজ করে উন্নয়ন, কবি জানে কিন্তু জানায় না। সিদ্ধান্ত যদি হয় নতুন একটি চাবুক তাহলে পরিষ্কার করে কবি বলে, এরকম নির্মম প্রভুর প্রয়োজন নেই। এই দাসত্ব ও শৃঙ্খলের বিরুদ্ধে কবি আজীবন সংগ্রামশীল । কবিতাতো আদিতে ছিল গান। কবিতা ফেলে এসেছে সুর, গল্প কত কিছু এখন একাকী পথ চলছে সে; এই তো তার দুঃসাহস। সব জানানোর দরকার নেই কবিতা কিছুটা রহস্যের। সেখানে লোক দেখানো শোভাযাত্রা কবির ভাললাগে না। তাই ইচ্ছার বিরুদ্ধে কবি উদরে রাখে হেমলক-প্রয়োজনের অপেক্ষাতে। কবির চোখে মাতৃক্রোড় এক অপূর্ব ঠিকানা-সেখানে শিশুটি অদৃষ্টের ছায়ার ভেতরে থাকে, বনসাই হয়ে-থাকে না। প্রতিবেশ তাকে বনসাই বানাতে চায়।<br />
রেজাউদ্দিন স্টালিন অদ্ভুত অভিন্নতায় নিজেকে ধরে রাখেন। তার স্বকীয়তা, সততা ও বিশ্বাসের ভিত রচনা করতে সহায়তা করেছে তার মানবিক মূল্যবোধ ও আদর্শ। ‘বায়োডাটা’ নামের যে বিকল্প সামাজিক দলিল কবি তৈরী করতে চান তা’ পৃথিবীর সব মানুষের আকাক্সক্ষার সাথে সংগতিপূর্ণ। তার নিজস্ব ঠিকানার চৌহদ্দি থেকে তাকে অন্যভুবনে টেনে নিয়ে যায় জীবিকা। সে বুঝিয়ে দেয় যে মানুষের কাংখিত জীবনবৃত্তান্ত থেকে, যে অসাধারণ অলিগলি পথ  তৈরী হয়েছে তা আগামী প্রজন্মকে দূর সুদূর সভ্যতার দেয়াল অতিক্রম করার সাহস যোগাবে। কখনো হুলুস্থূল কা- ঘটিয়ে বলে দেবেÑপথে নামো, তবেই না পথ খুঁজে পাবে। পুরানো নাম ঠিকানার তথ্য সমাচার দিয়ে এগোনো যায় না। আমুল বদলে নিয়ে বাড়ি-ঘর-রাস্তাগুলো অন্য নামকরণে সিলমোহর ব্যবহার করতে হয়। কবি তার বায়োডাটা অর্থাৎ জীবনবৃত্তান্তে সমাজের সৌখিন অবস্থানের বিপরীতে পরিবর্তমানতাকে বারবার আয়নার মতো তুলে ধরেছে।<br />
রেজাউদ্দিন স্টালিন আমাদের কালের এক অসামান্য কবি প্রতিভা। যুবরাজ বলে তাকে ডাকি আসলে সে কবিতার রাজপুত্র। নতুন আঙ্গিক আর উৎপ্রেক্ষা দিয়ে বাংলা কবিতার অবয়বে আন্তর্জাতিক তিলক আঁকতে তৎপর এই কবির অগ্রগমন হোক অপ্রতিহত, প্রচলিত বায়োডাটার বিরুদ্ধে তৈরী করুক বিকল্প জীবনবৃত্তান্ত।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%aa%e0%a6%a6-2/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>সাহিত্যে নোবেল পেলেন বেলারুশ লেখক ও সাংবাদিক সভেতলানা আলেক্সিয়েভিচ : রেজা ঘটক</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a7%8b%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%b2-%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%b2/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a7%8b%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%b2-%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%b2/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[অতিথি লেখক]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 09 Oct 2015 13:42:24 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বই বাজার]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ব বাজার]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://shahittabazar.com/?p=3040</guid>

					<description><![CDATA[<p>২০১৫ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পেলেন বেলারুশের লেখক ও সাংবাদিক সভেতলানা আলেক্সান্দ্রোভনা আলেক্সিয়েভিচ ( Svetlana Alexandrovna Alexievich)। নামটির উচ্চারণ শুনলাম সভেতলানা অ্যালেক্সিয়িচ। কিন্তু লেখার সময় আমরা লিখছি সভেতলানা আলেক্সিয়েভিচ। সভেতলানা</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a7%8b%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%b2-%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%b2/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2015/10/03.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft wp-image-3041 size-full" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2015/10/03.jpg" alt="03" width="176" height="234" /></a>২০১৫ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পেলেন বেলারুশের লেখক ও সাংবাদিক সভেতলানা আলেক্সান্দ্রোভনা আলেক্সিয়েভিচ ( Svetlana Alexandrovna Alexievich)। নামটির উচ্চারণ শুনলাম সভেতলানা অ্যালেক্সিয়িচ। কিন্তু লেখার সময় আমরা লিখছি সভেতলানা আলেক্সিয়েভিচ। সভেতলানা আলেক্সিয়েভিচ মূলত ইংরেজি ভাষাভাষীদের কাছে কম পরিচিত হলেও, তাঁর কণ্ঠস্বরটি সারাবিশ্বের নির্যাতিত, নিপিড়িত ও যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের মানুষের নিদারুণ দুঃখকষ্টের একটি সামষ্টিক প্রতিচ্ছবি হিসেবে সারাবিশ্বে পরিচিত। প্রাক্তন সমাজতান্ত্রিক রাশিয়ার সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের নির্যাতিত ও নিপিড়িত মানুষের দুঃখ-দুর্দশা, হতাশা ও গ্লানি এবং চেরনোবিল দুর্ঘটনায় নিপতিত অসহায় মানুষের আর্তনাদ থেকে আফগানিস্তানে সোভিয়েত আগ্রাসীতে নির্যাতিত আফগান মানুষের দুর্দশা ও দুঃখের বিষয় আলেক্সিয়েভিচের লেখার মূল উপজীব্য বিষয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯৬৭ থেকে ১৯৭২ সাল পর্যন্ত টেপরেকর্ডার হাতে নিয়ে তিনি গোটা সোভিয়েত ইউনিয়ন ঘুরে ঘুরে যুদ্ধে আহত ও নির্যাতিত সোভিয়েত নারীদের অসংখ্য সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেছেন। সেই সব সাক্ষাৎকার থেকে ১০০ বাছাইকৃত সাক্ষাৎকার নিয়ে তিনি ১৯৮৫ সালে প্রকাশ করেন তাঁর প্রথম বই &#8216; বীরাঙ্গনাদের মুখ বা আনউয়োমেনলি ফেস অব ওয়ার (The Unwomanly Face of War)&#8217;।<br />
এই বইটি তখন গোটা সোভিয়েত ইউনিয়নে ব্যাপক সাড়া জাগায়। বইটি তখন প্রায় দুই মিলিয়ন কপি বিক্রি হয়। যেখানে সোভিয়েত ইউনিয়নের একেবারে প্রান্তিক নারীর যুদ্ধে অংশগ্রহণের এবং যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্থ, নির্যাতিত, ধর্ষিত নারীর একেবারে ব্যক্তি পর্যায়ের এক নিভৃত দৃশ্যকে আলোড়িত করে। প‌্যারিস রিভিউতে আলেক্সিয়েভিচ এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, বইটিতে আমি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে সামগ্রিক সোভিয়েত নারীদের কথা না বলে হাজার নারীদের একেবারে ব্যক্তি পর্যায়ের তিক্ত অভিজ্ঞতাকেই তুলে ধরেছি। আর সেই সংখ্যাটি হাজার হাজার। যে গল্পের কোনো শেষ নেই। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জীবিত নারীদের আর তাদের শিশুদের সেই ভয়াবহ অভিজ্ঞতাই এই বইতে সরাসরি তাদের মুখের ভাষায় স্থান পেয়েছে। যেখানে আমি নতুন করে কিছুই আরোপ করিনি। রুশ ভাষায় বইটির নাম &#8216; উ ভয়নি জেনেস্কোয়ি লিকো (U vojny ne ženskoe lico)&#8217;।<br />
১৯৪৮ সালের ৩১ মে ইউক্রেনের ইভানো ফ্রান্কোভস্ক শহরে সভেতলানা আলেক্সিয়েভিচ জন্মগ্রহণ করেন। জন্মের পর তাঁর নাম রাখা হয় সভেতলানা আলেক্সান্দ্রোভনা আলেক্সিয়েভিচ। তাঁর বাবা ছিলেন একজন বেলারুশ আর মা ছিলেন ইউক্রেনিয়ান। বাবা সোভিয়েত সেনাবাহিনী থেকে অবসর নেবার পর পরিবার নিয়ে তিনি মস্কো থেকে বেলারুশ চলে যান। সেখানে গিয়ে স্বামী-স্ত্রী মিলে একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন। আর দু&#8217;জনেই সেই স্কুলে শিক্ষকতা শুরু করেন। স্কুল জীবন শেষ করে আলেক্সিয়েভিচ মিনস্ক বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকতায় ভর্তি হন। পাশাপাশি তখন তিনিও বাবা-মায়ের সঙ্গে স্কুলে শিক্ষকতা করতেন। এই সময়ে ১৯৬৭ থেকে ১৯৭২ সাল পর্যন্ত তিনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে আহত ও নির্যাতিত সোভিয়েত নারী ও শিশুদের সাক্ষাৎকার সংগ্রহ করেন। তখন তাঁর বয়স ছিল মাত্র ১৯ বছর। ২৪ বছর বয়সে সাংবাদিকতায় গ্রাজুয়েশান শেষ করে তিনি ব্রেস্ট নামক একটি পত্রিকার চাকরি নিয়ে পোল্যান্ড সীমান্তে চলে যান।<br />
পরে তিনি আবার মিনস্ক ফেরত আসেন এবং &#8216;সেলেজকায়া গেজেট (Sel&#8217;skaja Gazeta) পত্রিকায় চাকরি নেন। লেখার ক্ষেত্রে এক নতুন মাত্রার ফরমেট নিয়ে তিনি তাঁর সংগ্রহ করা সাক্ষাৎকারগুলোকে &#8216;কলেজ অব হিউম্যান ভয়েস&#8217; রূপে সংকলন করেন। পরে যেটি &#8216;আনউয়োমেনলি ফেস অব ওয়ার (The Unwomanly Face of War)&#8217; (রুশ ভাষায় &#8216; উ ভয়নি জেনেস্কোয়ি লিকো (U vojny ne ženskoe lico)&#8217; নামে ১৯৮৫ সালে বই আকারে প্রকাশিত হয়। ১৯৮৮ সালে বইটি ইংরেজিতে &#8216;The Unwomanly Face of War&#8217; নামে প্রকাশিত হয়।<br />
<a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2015/10/02.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignright size-medium wp-image-3042" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2015/10/02-300x206.jpg" alt="02" width="300" height="206" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2015/10/02-300x206.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2015/10/02-190x130.jpg 190w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2015/10/02.jpg 451w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>১৯৮৬ সালে প্রকাশিত হয় সভেতলানা আলেক্সিয়েভিচ-এর দ্বিতীয় বই &#8216;শেষ সাক্ষি বা দ্য লাস্ট উইটনেসেস (The Last Witness)&#8217;। বইটিতে তিনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যেসব শিশুরা যুদ্ধের ভয়াবহতা দেখেছে, তাদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন। ৫ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশুদের সাক্ষাৎকার নিয়েই যুদ্ধের সেই করুণ দৃশ্যকে বর্ণনা করছেন আলেক্সিয়েভিচ।<br />
১৯৮৬ সালের ২৬ এপ্রিল প্রাক্তন সোভিয়েত ইউনিয়নের ইউক্রেনে ভয়াবহ চেরনোবিল পারমানিবক দুর্ঘটনা ঘটে। চেরনোবিল দুর্ঘটনায় যে অসংখ্য মানুষ ভয়ংকর তেজস্ক্রিয়তায় আক্রান্ত হয়ে পঙ্গু হয়ে যান এবং ধীরে ধীরে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন, তাদের আর্তনাদকে তিনি তুলে ধরেছেন তাঁর বিখ্যাত বই &#8216;চেরনোবিল আর্তনাদ (Voices from Chernobyl) বা রুশ ভাষায় চেরনবিলস্কায়া মোলিতভা (Černobyl&#8217;skaja molitva)-এ। বইটি প্রকাশিত হয় ১৯৯৭ সালে। চেরনোবিল পারমানবিক কেন্দ্রে বয়াবহ দুর্ঘটনা থেকে জীবিত আহত মানুষদের সাক্ষাৎকারগুলোকে তিনি এই বইতে স্থান দিয়েছেন। পারমানবিক দুর্ঘটনা যে কতটা ভয়ংকর এবং বংশানুক্রমে তার যে ভয়াবহ জটিল দুর্দশা ও দুঃখের স্মৃতি, তাকেই এই বইতে আলেক্সিভিচ অত্যন্ত মর্মস্পর্শী ভাষায় তুলে আনেন।<br />
১৯৭৯ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন আফগানিস্তানে অভিযান চালায়। ১৯৮৯ সালে সোভিয়েত সেনারা রাশিয়ায় ফেরত যায়। দীর্ঘ দশ বছরে দূরবর্তী আফগানিস্তানে আফগান মানুষের যুদ্ধের স্মৃতি তথা সোভিয়েত সেনা কর্তৃক আফগানদের নির্যাতন, নিপিড়ন ও দুঃখ-কষ্টের যে আর্তনাদ, সেই করুণ ঘটনাই তিনি তুলে আনেন আলেক্সিয়েভিচ তাঁর &#8216;জিংকি বয়েস (Zinky Boys)&#8217; রুশ ভাষায় যেটি &#8216;চিংকোভি মালসিকি (Cinkovye mal&#8217;čiki)&#8217; নামে ১৯৯২ সালে প্রকাশিত হয়। ওই সময় তিনি আফগানিস্তান যুদ্ধের খবর সংগ্রহের জন্য কাবুলে অবস্থান করেন।<br />
১৯৯১ সালে সমাজতান্ত্রিক সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর নতুন রাশিয়ার নারীদের নতুন স্বপ্নের কথা তিনি লিখেছেন &#8216;পালাবদল সময়: রক্তিম ললনাদের ক্ষত (&#8220;Second-hand Time: The Demise of the Red (Wo)man&#8221;) যেটি রুশ ভাষায় &#8216; ভরেমা সেকন্ড চেন্ড (Vremja second chènd) নামে এবং পরবর্তী সময়ে এটি &#8216;যোদ্ধা রমণীদের কথা বা &#8216;ভয়েস অব উটোপিয়া &#8216;&#8221;Voices of Utopia&#8221;) নামে ২০১৩ সালে প্রকাশিত হয়।<br />
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে সৈন্যদের নানান কিসিমের অভিজ্ঞতার যে বর্ণনা ও নোট রুশ নার্স ও লেখিকা সোফিয়া ফেদেরচেঙ্কো (১৮৮৮-১৯৫৯) তাঁর ডায়েরিতে টুকে রেখেছিলেন, সেই নোট থেকেই মূলত সেভেতলনা আলেক্সিয়েভিচ ব্যাপকভাবে উদ্ভুদ্ধ হয়েছিলেন। এছাড়া বেলারুশের বিশিষ্ট লেখক এলিস আদামোভিচ (১৯২৭-১৯৯৪) দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের উপর যেসব ডকুমেন্টারি ফিল্ম নির্মাণ করেছেন, তা থেকেও আলেক্সিয়েভিচ নানাভাবে তথ্য সংগ্রহ করা ছাড়াও উদ্ভুদ্ধ হয়েছেন। আলেক্সিয়েভিচের প্রিয় লেখকও বেলারুশ লেখক এলিস আদামোভিচ। তাঁর বইগুলো যখন প্রকাশ পেতে থাকে তখন সোভিয়েত ইউনিয়নে তিনি সরকারিভাবে ব্যাপক তোপের মুখে পড়েন। আর ওই সময় তিনি রাশিয়ার বাইরে ইতালি, জার্মানি, ফ্রান্স ও সুইডেনে যাযাবর জীবনযাপন করেন।<br />
সারাজীবন আলেক্সিয়েভিচ যুদ্ধ ও ব্যক্তি সৃষ্ট দুর্দশায় মানুষের ভেতরের আসল দুঃখ-কষ্ট, হতাশা, গ্লানি, নিপিড়ন ও নির্যাতনের খবর নিয়েছেন। পেশায় সাংবাদিক হিসেবে তিনি গোটা সোভিয়েত ইউনিয়ন ও ইউরোপ চষে বেড়িয়েছেন। চেরনোবিল থেকে কাবুল পর্যন্ত যুদ্ধ ও পারমানবিক দুর্ঘটনায় আহতদের পাশে গিয়ে তিনি আহত মানুষের ভয়াবহ দুর্দশাকে তাদের জবানিতে রেকর্ড করেছেন। যুদ্ধাহতদের সাক্ষ্যপ্রমাণ ও স্মৃতি সংগ্রহ করেছেন। আর কোনোরকম ভূমিকা ছাড়াই সেগুলো সরাসরি যুদ্ধাহত সেসব বিচ্ছিন্ন মানুষের মৌলিক কণ্ঠস্বরে তুলে ধরেছেন। যা রুশ সাহিত্যে একটি নতুন মাত্রা যোগ করেছে। সাহিত্য বিচারে আলেক্সিয়েভিচ বেলারুশ লেখক এলিচ আদিমোভিচ দ্বারা দারুণভাবে প্রভাবিত।<br />
নির্যাতিত-নিপিড়িত মানুষের মুখের ভাষায় সরাসরি তাঁর লেখনির এমন একটা তেজস্বিভাব রয়েছে, যা এমনকি বেলারুশের প্রেসিডেন্ট আলেক্সান্ডার লুকাসেঙ্কোকে পর্যন্ত তাঁর বিরুদ্ধে ক্ষেপিয়ে তুলতে বাধ্য করেছিল। যে কারণে ২০০০ সালে তিনি বেলারুশ থেকে জোরপূর্বক বিতারিত হন। তখন তিনি ফ্রান্সের প‌্যারিস ও জার্মানির গুটেনবার্গ ও বার্লিনে বসবাস করেন। আলেক্সান্ডার লুকাসেঙ্কোর&#8217;র পতনের পর ২০১১ সালে তিনি নিজের দেশ বেলারুশে ফেরত আসেন।<br />
সুইডিশ একাডেমির স্থায়ী সেক্রেটারি সারা দানিউস (Sara Danius) বলেন, সেভেতলনা আলেক্সিয়েভিচ-এর লেখনি এতই শক্তিশালী যা সাধারণ নির্যাতিত মানুষের করুণ আর্তনাদকে অত্যন্ত মর্মস্পর্শীরূপে একেবারে আত্মার গভীরে এক স্থায়ী অনুরণন ঘটায়। যা পাঠক মাত্রই তাকে আকৃষ্ট করতে বাধ্য। আলেক্সিয়েভিচ-এর লেখনি স্টাইলকে দানিউস &#8216;পোলিফোনিক রাইটিং&#8217; বলে অভিহিত করেন।<br />
সভেতলানা আলেক্সিয়েভিচ তাঁর নিজের ব্লগে লিখেছেন, তিনি বেলারুশ লেখক এলিচ আদিমোভিচ-এর উপন্যাস ও ডকুমেন্টারি ফিল্ম থেকে গভীরভাবে অনুপ্রেরণা ও উৎসাহবোধ করেন। বিশেষ করে আদিমোভিচ-এর উপন্যাস সমগ্র, উপন্যাস ত্রয়ী, ও তাঁর উপন্যাসের বিভিন্ন নজরকাড়া এভিডেন্স তাঁকে সর্বদা দারুণভাবে আকৃষ্ট করে। এছাড়া সাধারণ মানুষের নিজস্ব ঢঙ্গে কথা বলার যে ভঙ্গি, সেই রূপটি তিনি সাহিত্যে কোনো ধরনের আরোপিত ছাড়াই সরাসরি প্রয়োগে বিশ্বাস করেন। যাকে তিনি বলতে চেয়েছেন &#8216;এপিক-কোরাস&#8217;। যার একটি নিজস্ব শক্তিশালী আবেদন রয়েছে। সেই আবেদনটি তিনি লেখার কোথাও কোনোভাবেই খর্ব করেননি।<br />
প‌্যারিস রিভিউতে এক সাক্ষাৎকারে আলেক্সিয়েভিচ বলেন, আমি এমন একটি লেখ্য ভাষা আবিষ্কার করার চেষ্টা করেছি, যেটি সাধারণ মানুষের ঠিক কথপোকথনের অনুরূপ। যেখানে কোনো আলাদা ঢঙ যুক্ত করাটা আমি একদম পছন্দ করি না। বরং একেবারে অবিকল মানুষের মুখের ভাষাটি তুলে আনার প্রাণান্ত চেষ্টা করি। যে ভঙ্গিতে যে কায়দা ও আচরণ অনুসরণ করে সাধারণ মানুষ সবসময় কথা বলে, আমার লেখার ভাষাটি অনেকটা তার কাছাকাছি। যা বুঝতে কোনো পাঠকের একদম কষ্ট হবার কথা নয়।<br />
সভেতলানা আলেক্সিয়েভিচ এর &#8216;চেরনোবিল আর্তনাদ বা ভয়েস ফ্রম চেরনোবিল&#8217; এর কাহিনী অবলম্বনে আইরিশ চলচ্চিত্র নির্মাতা জুয়ানিতা উইলসন &#8216;দ্য ডোর&#8217; নামে ১৬ মিনিট ৪৯ সেকেন্ড-এর একটি শর্ট ফিল্ম নির্মাণ করেছেন। ২০১০ সালে যেটি অস্কার নমিনেশান পায়। ছবিটি চেরনোবিল দুর্ঘটনার তেজস্ক্রিয়তায় নিহত নিকোলাই কুলাজিন ও তার সাত বছরের নিহত কন্যাকে উৎসর্গ করা হয়। (সামহোয়ারইন ব্লগ থেকে গৃহিত)</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a7%8b%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%b2-%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%b2/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>একটি নতুন পত্রিকা ‘লেখা’র কথা বলছি: শাহাবুদ্দীন নাগরী</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%aa%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%be-%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%96%e0%a6%be/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%aa%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%be-%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%96%e0%a6%be/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[অতিথি লেখক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 17 Sep 2014 06:31:56 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বই বাজার]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ব বাজার]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://shahittabazar.com/?p=2582</guid>

					<description><![CDATA[<p>একটি নতুন পত্রিকার আত্মপ্রকাশ : <br /> আজ ‘লেখা’র কথা বলছি<br /> <br /> আমার অনেকদিনের ইচ্ছে একটি নিয়মিত সাহিত্যপত্রিকা প্রকাশ করার। কিন্তু নানা ঝক্কি-ঝামেলায় সেটা করা হয়ে ওঠে নি।</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%aa%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%be-%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%96%e0%a6%be/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>একটি নতুন পত্রিকার আত্মপ্রকাশ : </strong><br />
<strong> আজ ‘লেখা’র কথা বলছি</strong><br />
<a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2014/09/Lekja-1.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-2583" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2014/09/Lekja-1-225x300.jpg" alt="Lekja 1" width="225" height="300" /></a><br />
আমার অনেকদিনের ইচ্ছে একটি নিয়মিত সাহিত্যপত্রিকা প্রকাশ করার। কিন্তু নানা ঝক্কি-ঝামেলায় সেটা করা হয়ে ওঠে নি। অনেকদূর প্রস্তুতি নিয়েও অনেক সময় ফিরে আসতে হয়েছে। ক’মাস আগে ইচ্ছেটা আবার মাথায় আসে। কয়েকজন বন্ধু মিলে আবার পরিকল্পনা করি। প্রথমে নামটি ‘লেখালেখি’ করতে চাইলেও শেষপর্যন্ত ‘লেখা’ নামটি মনঃপুত হয় আমাদের।<br />
একটি সাহিত্যের কাগজ ‘লেখা’। আপাততঃ দ্বিমাসিক হিসেবে এটি বেরুবে, সবার <span class="text_exposed_show">সহযোগিতা যদি পাই তবে মাসিক হিসেবে কাগজটি বেরুতে পারে। প্রস্তুতি সংখ্যা বের করার কথা ছিলো জুলাই মাসের মাঝামাঝি, ঈদ-সংখ্যা হিসেবে। কিন্তু অন্য পত্রিকাগুলোর ঈদ-সংখ্যার লেখা নিয়ে লেখকরা ব্যস্ত থাকায় একটি নতুন পত্রিকায় লেখা দিতে অনেকেই দ্বিধা করলেন। আমরা গুছিয়ে উঠতে পারলাম না।<br />
ঈদের পর আবার আমরা শুরু করলাম প্রস্তুতি। এবার বেশ কিছু লেখা আমরা পেয়ে গেলাম। ভাবলাম বর্ষা সংখ্যা করবো। কিন্তু বর্ষাও পেরিয়ে গেলো, এসে গেলো শরৎ। কিন্তু বর্ষার ওপরে পাওয়া ভালো লেখাগুলো আমরা বাতিল করতে পারলাম না আমাদের প্রথম সংখ্যার জন্য। কম্পোজের কাজগুলো করা হলো আরামবাগের একটি প্রেসে। চিত্রশিল্পী রাজিব রায় দ্রুত ইলাসট্রেশন, প্রচ্ছদ এবং অঙ্গসজ্জার কাজটি করে দিলেন। কম্পিউটারে ডিজাইন প্রস্তুত হয়ে গেলো। আমরা ফাইনাল প্রুফ দেখে প্রিন্ট অর্ডার দিলাম গত শুক্রবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৪।<br />
আজ আমার হাতে পত্রিকার কপি চলে এসেছে। এক ঝলক তাকিয়ে ভালোই লাগলো। কাল থেকে চেষ্টা করবো ঢাকার পত্রিকা-স্টলগুলোতে আপনাদের জন্য পত্রিকাটি পৌঁছে দিতে। আপনাদের মতামত ও মন্তব্য আমাদের চলার পথে পাথেয় হবে।<br />
সম্পূর্ণ চাররঙা ৬৮ পৃষ্ঠার ক্রাউন সাইজের পত্রিকাটির দাম মাত্র পঞ্চাশ টাকা।<br />
<a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2014/09/Lekja-2-.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-2584" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2014/09/Lekja-2--300x214.jpg" alt="Lekja 2" width="300" height="214" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2014/09/Lekja-2--300x214.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2014/09/Lekja-2-.jpg 815w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>প্রথম সংখ্যার লেখকসূচিতে আছেন আহমদ রফিক, রফিকুর রশিদ, আখতার হোসেন খান, ফজলুল হক সৈকত, রাজু আলাউদ্দিন, মাহফুজুর রহমান, সুমন্ত আসলাম, মোকাম্মেল হোসেন, আল মাহমুদ, মুহম্মদ নূরুল হুদা, জাহিদ হায়দার, হাসান হাফিজ, বিমল গুহ, রেজাউদ্দিন স্টালিন, রহমান হেনরী, হুসেইন আহমেদ, শোয়াইব জিবরান, মানজুর মুহাম্মদ, তুষার কবির, চৌধুরী রওশন ইসলাম, শারদুল সজল, শোয়েব সর্বনাম, মিছিল খন্দকার এবং জুননু রাইন।<br />
প্রথম ছবিটি &#8216;লেখা&#8217;র প্রচ্ছদ এবং দ্বিতীয় ছবিটিতে &#8216;লেখা&#8217;র প্রথম সংখ্যা আমার হাতে তুলে দিলেন শিল্পী রাজিব রায় এবং &#8216;লেখা&#8217;র শুভার্থী কবি জুননু রাইন।<br />
দ্বিতীয় সংখ্যাটি নভেম্বর, ২০১৪-এর মাঝামাঝি বের করার প্রস্তুতি নিচ্ছি। আমরা ‘লেখা’য় ভালো লেখাটি প্রকাশ করতে চাই।<br />
ঢাকা<br />
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৪</span></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%aa%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%be-%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%96%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>‘সাহিত্যের আয়নায় জেগে উঠুক মানুষের মুখ’: যুক্ত হলো ময়মনসিংহ ঘোষণা</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a7%9f%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a7%9f-%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%97%e0%a7%87-%e0%a6%89%e0%a6%a0/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a7%9f%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a7%9f-%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%97%e0%a7%87-%e0%a6%89%e0%a6%a0/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক, সাহিত্য বাজার]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 28 Apr 2014 20:10:28 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বই বাজার]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ব বাজার]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://shahittabazar.com/?p=2203</guid>

					<description><![CDATA[<p>সাহিত্যের আয়নায় জেগে উঠুক মানুষের মুখ<br /> সত্য আর সুন্দরের সন্ধানে এসো হই উন্মুখ।<br /> ধর্ম-কর্ম বল কিম্বা আল্লাহ-ইশ্বর-ভগবান<br /> বিশ্বজুড়ে যা কিছু সুন্দর সব সাহিত্যের অবদান।<br /> এই শ্লোগান</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a7%9f%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a7%9f-%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%97%e0%a7%87-%e0%a6%89%e0%a6%a0/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div id="attachment_2208" style="width: 310px" class="wp-caption alignleft"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2014/04/25.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-2208" class="size-medium wp-image-2208 " src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2014/04/25-300x225.jpg" alt="25" width="300" height="225" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2014/04/25-300x225.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2014/04/25.jpg 960w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a><p id="caption-attachment-2208" class="wp-caption-text">বইমেলা উদ্বোধন পর্বে জাতীয় সঙ্গীতের প্রতি সম্মান প্রদর্শন</p></div>
<div id="attachment_2206" style="width: 310px" class="wp-caption alignright"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2014/04/1441.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-2206" class="size-medium wp-image-2206 " src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2014/04/1441-300x225.jpg" alt="144" width="300" height="225" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2014/04/1441-300x225.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2014/04/1441-1024x768.jpg 1024w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2014/04/1441.jpg 1280w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a><p id="caption-attachment-2206" class="wp-caption-text">আবৃত্তিগুরু তারিক সালা্হউদ্দিন মাহমুদের হাতে সম্মাননা ও নগদ টাকা তুলে দিচ্ছেন কবি নির্মলেন্দু গুন</p></div>
<div id="attachment_2207" style="width: 310px" class="wp-caption alignleft"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2014/04/Boi-1.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-2207" class="size-medium wp-image-2207 " src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2014/04/Boi-1-300x225.jpg" alt="Boi 1" width="300" height="225" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2014/04/Boi-1-300x225.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2014/04/Boi-1.jpg 960w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a><p id="caption-attachment-2207" class="wp-caption-text">বই বিষয়ক প্রবন্ধ পাঠ করছেন কবি ফরিদ আহমদ দুলাল।</p></div>
<p><strong>সাহিত্যের আয়নায় জেগে উঠুক মানুষের মুখ</strong><br />
<strong>সত্য আর সুন্দরের সন্ধানে এসো হই উন্মুখ।</strong><br />
<strong>ধর্ম-কর্ম বল কিম্বা আল্লাহ-ইশ্বর-ভগবান</strong><br />
<strong>বিশ্বজুড়ে যা কিছু সুন্দর সব সাহিত্যের অবদান।</strong><br />
এই শ্লোগান নিয়ে ময়মনসিংহ ঘোষণা পাঠের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে সাহিত্যের সংবাদপত্র খ্যাত সাহিত্য বাজার পত্রিকার তিন দিনব্যাপী সাহিত্য সম্মেলন, বইমেলা ও সাহিত্য উৎসব ২০১৪। সমাপনী দিবসের প্রধান অতিথি খ্যাতনামা আবৃত্তিশিল্পী কামরুল হাসান মঞ্জু ও আবৃত্তিগুরু তারিক সালাহউদ্দিন মাহমুদের উপস্থিতিতে উৎসব সমন্বয়ক স্বাধীন চৌধুরী ময়মনসিংহ ঘোষণা পাঠ করেন। এতে শান্তিনিকেতনের মতো ময়মনসিংহ ও বরিশালে সাংস্কৃতিক বিশ্ববিদ্যাল স্থাপনসহ দেশের প্রতিটি জেলা-উপজেলায় রাইটারস ক্লাব তৈরি ও সাংস্কৃতিক কর্মকর্তা নিয়োগ, উপজেলাগুলোতে পাঠাগার নির্মাণ, ময়মনসিংহকে সাংস্কৃতিক রাজধানী ঘোষণা এবং ব্রহ্মপুত্র নদ সংলগ্ন আবুল মনসুর সড়কটিকে সাংস্কৃতিক জোন করার দাবিসহ বেশকিছু জনহিতকর দাবি পুরণের আহ্বান জানানো হয়েছে।<br />
একইসাথে দেশের সব প্রবীণ ও দরিদ্র সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক কর্মীর জন্য মাসিক সরকারি ভাতা ও সরকারি খরচে তাদের চিকিৎসা সেবা প্রদানের আহ্বান জানানো হয় এই ময়মনসিংহ ঘোষণায়।</p>
<p>এ সময় ৭ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এই উৎসব সফল করার জন্য আগত অতিথি ও ময়মনসিংহবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে সাহিত্য বাজার সম্পাদক আরিফ আহমেদ বলেন, এই উৎসব আয়োজনের প্রধান লক্ষ্য ছিল অসহায়, দুস্থ সাংস্কৃতিকজনদের পাশে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দাঁড়িয়ে থাকা। প্রমাণ করা যে সাহিত্য সম্মেলন মানে শুধু আনন্দ উল্লাস নয়, সেবাও। আমরা আমাদের সাধ্য মত সেই চেষ্টা করেছি। আবৃত্তিগুরু তারিক সালাউদ্দিন মাহমুদ ও অধ্যাপক যতীন সরকারের জন্য তাদের চিকিৎসা সেবায় সংস্কৃতিক সচিব ড. রণজিৎ কুমার বিশ্বাস সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে আমাদের এ উৎসবকে সার্থক করে তুলেছেন। তাই তার প্রতি আমাদের আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।</p>
<p>২৪ এপ্রিল সকাল ১০টায় শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গনে তিন দিনব্যাপী বইমেলার উদ্বোধন করেন প্রথম পর্বের প্রধান অতিথি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় এর ভিসি মোহিত উল আলম। বইমেলার উদ্বোধন পর্বের সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মুস্তাকীম বিল্লাহ ফারুকী। এ সময় ফরিদ আহমদ দুলাল রচিত <strong>বইয়ের সাথে আলোকিত সান্নিধ্য</strong>’ শীর্ষক প্রবন্ধ নিয়ে আলোচনায় অংশ গ্রহণ করেন কবি ও গল্পকার মোশাররফ করিম, অধ্যাপক আমীর আহম্মদ চৌধুরী রতন, নাট্যজন শাহাদাত হোসেন খান হীলু, কবি ইয়াজদানী কোরায়শী কাজল, অধ্যাপক আফজাল রহমান, আবৃত্তিশিল্পী ড. শাহাদাৎ হোসেন নিপু প্রমূখ। এরপর ছিল স্বরচিত কবিতা পাঠ ও আবৃত্তি।</p>
<p>বিকেল চারটায় উৎসবের ২য় পর্ব সাহিত্য সম্মেলনের উদ্বোধন করেন দেশ বরেণ্য কবি নির্মলেন্দু গুন। গীতিকার শহীদুল্লাহ ফরায়জীর সভাপতিত্বে প্রথমেই ছিল শ্রদ্ধা নিবেদন পর্ব। অধ্যাপক যতীন সরকার-এর পক্ষে ময়মনসিংহের আমরা চন্দ্রবতীর সন্তানেরা সংগঠনের সদস্য আবৃত্তিকার সজল কোরায়শীর হাতে সম্মননা ক্রেস্ট তুলে দিয়ে এবং প্রবীণ আবৃত্তিকার তারিক সালাউদ্দিন মাহমুদকে আনুষ্ঠানিকভাবে শ্রদ্ধা ও ভালবাসা জ্ঞাপন করে সাহিত্য বাজার উপদেষ্টা পর্ষদ।<br />
এ সময় সাহিত্য বাজার সাহিত্য পদক প্রাপ্ত সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হকের পাঠানো বার্তা পাঠ করেন উৎসব আহ্বায়ক আবৃত্তিকার সালাম খোকন। এ বার্তায় সৈয়দ শামসুল হক বলেছেন, ‘বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে একটি সিনেমা তৈরির কাজে জরুরী টোকিও যাওয়ার কারণে আমি এই উৎসবে অংশগ্রহণ করতে না পারায় উপস্তিত সকলের নিকট ক্ষমা প্রার্থী। আমি এই সাহিত্য পদক সানন্দে গ্রহণ করছি এবং এই পদকের মূল্যমান অর্থ অসুস্থ সংস্কৃতজন আবৃত্তিগুরু তারিক সালাউদ্দিন মাহমুদের  চিকিৎসা সহযোগিতার জন্য দান করছি।’<br />
কবি নির্মলেন্দু গুন এ সময় আবৃত্তিগুরু তারিক সালহউদ্দিন মাহমুদের হাতে আজীবন সম্মাননা ক্রেস্ট ও সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হকের দানকৃত অর্থ তুলে দেন।<br />
এরপর একে একে সেরা লেখক সম্মাননা গ্রহণ করেন গল্পে কথা সাহিত্যিক আতা সরকার ও নাসরীন জাহান, কবিতায় কবি শামসুল ফয়েজ ও ওমর কায়সার, শিশু সাহিত্যে ছড়াকার দীপংকর চক্রবর্তী ও ফরিদুর রেজা সাগরের পক্ষে সালাম খোকন, সাহিত্য সমালোচনায় কবি আশীক চৌধুরী এবং আবৃত্তিকার মীর বরকত।</p>
<div id="attachment_2205" style="width: 310px" class="wp-caption alignright"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2014/04/02.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-2205" class="size-medium wp-image-2205 " src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2014/04/02-300x199.jpg" alt="02" width="300" height="199" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2014/04/02-300x199.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2014/04/02.jpg 500w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a><p id="caption-attachment-2205" class="wp-caption-text">৩য় দিন সকালে পালে রাগে হাওয়া প্রবন্ধের আলাচনা পর্ব</p></div>
<div id="attachment_2204" style="width: 310px" class="wp-caption alignleft"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2014/04/alochona-3.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-2204" class="size-medium wp-image-2204 " src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2014/04/alochona-3-300x208.jpg" alt="alochona-3" width="300" height="208" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2014/04/alochona-3-300x208.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2014/04/alochona-3.jpg 600w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a><p id="caption-attachment-2204" class="wp-caption-text">গল্প বিষয়ক প্রবন্ধ নিয়ে আলোচকবৃন্দ।</p></div>
<div id="attachment_2211" style="width: 310px" class="wp-caption alignleft"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2014/04/22.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-2211" class="    wp-image-2211 size-medium" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2014/04/22-300x180.jpg" alt="22" width="300" height="180" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2014/04/22-300x180.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2014/04/22.jpg 800w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a><p id="caption-attachment-2211" class="wp-caption-text">উৎসব মঞ্চের বাইরে তমাল তলার আড্ডা <br />আমি কাব্য রাজ <br /> গল্প কিম্বা নাট্যরাজ <br /> রাজাধিরাজ আমি <br /> রামায়ণ, মহাভারত খ্যাত<br /> চন্দ্রাবতী; আমি সুন্দরম&#8230; <br /> ময়মনসিংহ আমার নাম। <br /> আমার যা কিছু সুন্দর; সবই তার আজ তোমার অপেক্ষায় <br /> ওগো প্রিয়তম<br /> তুমি এলে পূর্ণ হবে আমার পুণঃরুত্থান।<br /> উৎসব মঞ্চের বাইরে জমে উঠেছিল তমাল তলায় কিছুক্ষণ নামের চায়ের দোকানে তমাল গাছের ছায়ায় জমজমাট চা আড্ড্।া এখানে বসে মুখচোরা সাহিত্য বাজার সম্পাদক আরিফ আহমেদ পাঠ করেছিলেন তার উৎসবকে নিয়ে লেখা কবিতাটি।&nbsp;</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>&nbsp;</p>
<p></p></div>
<p>প্রথম দিনের তৃতীয় অধিবেশন শুরু হয় সন্ধ্যা ৭টায়। অর্থাৎ বাংলাদেশের সাহিত্যচর্চায় সাহিত্য পত্রিকার ভূমিকা বিষয়ে রাজশাহীর লিটল ম্যাগাজিন চিহ্ন এর সম্পাদক রহমান রাজুর লেখা প্রবন্ধ নিয়ে আলোচনা। এ পর্বের প্রধান অতিথি সব্যসাচী কবি নির্মলেন্দু গুন এবং সভাপতিত্ব করবেন গীতিকবি শহীদুল্লাহ ফরায়জী। এতে বিশেষ অতিথি ও আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ছিলেন আতা সরকার, দীপংকর চক্রবর্তী, নাসরীন জাহান, কবি আমিনুল হাসান, কবি আশিক চৌধুরী প্রমূখ।  সবশেষে ছিল কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ব বিদ্যালয়ের সংঙ্গীত পরিবেশনা দিয়ে শেষ হয় প্রথম দিনের প্রথম উৎসব আয়োজন।</p>
<p>২৫ এপ্রিল শুক্রবার<br />
২য় দিনের সকালে প্রথম অধিবেশন শুরু হয়েছিল বেলা ১১টায়। বরিশালের সাহিত্যজন অধ্যক্ষ তপংকর চক্রবর্তীর বাংলাদেশের শিশু সাহিত্য: বর্তমান ও  ভবিষ্যত শীর্ষক প্রবন্ধ নিয়ে আলোচনা পর্বের সূচনা করেন জাতীয় কবিতা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক কবি আসলাম সানী।  এতে প্রধান অতিথি বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতি বিষয়ক সচিব ড. রণজিৎ কুমার বিশ্বাস এবং সভাপতিত্ব করেন সাহিত্য বাজার সাহিত্য উৎসব উপদেষ্টা কবি এ এফ আকরাম হোসেন। এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে মঞ্চে আসন গ্রহণ করেন কবি নির্মলেন্দু গুন, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় এর ভিসি মোহিত উল আলম, কবি শামসুল ফয়েজ, অধ্যাপক প্রদীপ কুমার বিশ্বাস, ছড়াকার সরকার জসীম, গোলাম সোবাহানী কোরায়শী, সাবাদিক নজরুল কবির, জুয়েল কবির, শামীম সিদ্দিক প্রমূখ। এই পর্বে কবিতা পাঠে অংশ গ্রহণ করেন সোহরাব পাশা, রওশন ঝুনু, আলপনা বেগম, ইশরার ইসরাইল, আব্দুল হক চাষী প্রমূখ।</p>
<p>দ্বিতীয় দিনের ২য় আলোচনার বিষয় বিকেল ৫টায় শুরু হয়। কবিতার আধুনিকায়নের দুর্বোধ্যতায় কমে যাচ্ছে পাঠক  যশোরের মধুসূদন একাডেমির অধ্যক্ষ খসরু পারভেজ এর প্রবন্ধ উপস্থাপন নিয়ে আলোচনার সুত্রপাত করেন কবি স্বাধীন চৌধুরী। সাহিত্য বাজারের উৎসব পর্ষদের উপদেষ্টা গীতিকবি শহীদুল্লাহ ফরায়জীর সভাপতিত্বে  এ পর্বের আলোচক ছিলেন কবি আশরাফ মীর, কবি ইয়াজদানী কোরায়শী কাজল, সুহৃদ জাহাঙ্গীর, সরকার আজিজ, শামীম সিদ্দিকী,  রওশন ঝুনু, শাবিহ মাহমুদ প্রমূখ।  সবশেষে ছিল মুকুল ফৌজ সাংকৃতিক একাডেমির পরিবেশনায় সঙ্গীত ও নাটকের প্রদর্শনী। ময়মনসিংহ গীতিকা অবলম্বনে নিজাম মল্লিক নিজু রচিত অতুলা সুন্দরী নাটকটির নির্দেশনা দিয়েছেন আমিনুল হাসান।</p>
<p><strong>২৬ এপ্রিল শনিবার</strong><br />
৩য় ও শেষ দিনের অধিবেশনের প্রধান আকর্ষন ছিল আবৃত্তিগুরু তারিক সালাউদ্দিন মাহমুদ এর প্রবন্ধ পালে লাগবে হাওয়া। এ পর্বের প্রধান অতিথি খ্যাতনামা আবৃত্তিকার কামরুল হাসান মঞ্জু এবং সভাপতি তারিক সালাহউদ্দিন মাহমুদ। আলোচক হিসেবে ছিলেন আলী ইদ্রিস, সালিম হাসান, আমজাদ দোলন, নজরুল কবীর, ড. কাশফিয়া প্রমূখ<br />
এ পর্বে কবিতা পাঠে অংশগ্রহণ করেন যুগল দাস, মামুন মাহফুজ প্রমূখ।</p>
<p>বিকালে ৫টায় দ্বীতিয় ও শেষ অধিবেশনে প্রশান্ত মৃধা রচিত বাংলাদেশের গল্প পর্যালোচনা : করতলে যা দেখি শীর্ষক প্রবন্ধ নিয়ে আলোচনা করেন ধ্রুব জ্যোতি ঘোষ মুকুল, আলী ইদ্রিস, আল মাকসুদ, মনি হায়দার, থিওফিল নকরেক প্রমূখ। এ সময় উপস্তিত প্রায় সব কবিরাই গন কবিতা পাঠে অংশ গ্রহণ করেন। আবৃত্তিগুরু তারিক সালাহ উদ্দিন মাহমুদেও সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি কামরুল হাসান মঞ্জুর উপস্তিতিতে এ দিন ময়মনসিংহ ঘোষণা পাঠ করেন কবি স্বাধীন চৌধুরী। তিনদিনের এই উৎসবকে প্রানবন্ত কওে রাখেন উপস্থাপক ও সঞ্চালক সজল কোরায়শী এবং আমজাদ দোলন।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a7%9f%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a7%9f-%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%97%e0%a7%87-%e0%a6%89%e0%a6%a0/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>পালে লাগবে হাওয়া : তারিক সালাউদ্দিন মাহমুদ</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%93%e0%a7%9f%e0%a6%be-%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%b8%e0%a6%be/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%93%e0%a7%9f%e0%a6%be-%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%b8%e0%a6%be/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[সাহিত্য বাজার]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 17 Mar 2014 10:28:32 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বই বাজার]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ব বাজার]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://shahittabazar.com/?p=2108</guid>

					<description><![CDATA[<p>পালে লাগবে হাওয়া<br /> তারিক সালাউদ্দিন মাহমুদ</p> <p>দুই বাংলায় আবৃত্তি নিয়ে নানা পরীা নিরীা হচ্ছে। তাতে কোন ফল দেখা না গেলেও রকমারি আবৃত্তি শুনতে কানে ভালই লাগে। কিন্তু কানে নিছক</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%93%e0%a7%9f%e0%a6%be-%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%b8%e0%a6%be/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div id="attachment_240" style="width: 310px" class="wp-caption alignright"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2013/09/tarik.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-240" class="size-medium wp-image-240 " alt="tarik" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2013/09/tarik-300x198.jpg" width="300" height="198" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2013/09/tarik-300x198.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2013/09/tarik.jpg 700w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a><p id="caption-attachment-240" class="wp-caption-text">তারিক সালাহউদ্দিন মাহমুদ। আবৃত্তি অঙ্গনের অতি পরিচিত একটি নাম। যে নামের সাথে মিশে আশে আবৃত্তির ভাবনা ও বোধের জগৎ।<br />‘বল বীর, চির উন্নত মম শির… বিদ্রোহী কবি নজরুলের এই বিদ্রোহী কবিতার উচ্চারণ ঢং, আবেগ, অনুভ’তির প্রকাশ তার মত কওে আর কে পেরেছে একালে। কনেঠ যাঁর এমন পৌরুষ নাচে সেই তারিক সালাহউদ্দিন মাহমুদই আজ কিনা অর্থাভাবে একমাত্র মেয়ের পড়াশুনার খরচটিও যোগাতে পারছেন না। শুধু তাই নয়, অর্থাভাবে সুচিকিৎসা বঞ্চিত একজন আবৃত্তিশিল্পী কতটা কষ্টে দিন অতিবাহিত করছেন তা স্বচক্ষে না দেখলে কেউ হয়তো বিশ্বাসই করতে চাইবেন না। (বিস্তারিত পড়ুন জীবন কথায় -http://shahittabazar.com/?p=239)<br />আবৃত্তিগুরু তারিক সালাউদ্দিন মাহমুদকে আনুষ্ঠানিক শ্রদ্ধা ও ভালবাসা জানাবে সাহিত্য বাজার।<br />জন্ম : ১৪ অক্টোবর ১৯৪১ সালে টাঙ্গাইল জেলায়।<br />শিক্ষা : ময়মনসিংহের মৃত্যুঞ্জয় স্কুল থেকে ১৯৬২ সালে ম্যাট্রিকুলেশন, আনন্দমোহন কলেজ থেকে ১৯৬৪ তে এইচএসসি, ৬৭ সালে বিএ পাশ কওে উচ্চশিক্ষার জন্য ভর্তি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে। ১৯৬৯ সালে বাংলায় এমএ পাশ করে গৌরীপুর ডিগ্রী কলেজে ১৯৭০ সালে শিক্ষকতা পেশায় যুক্ত হন তিনি।</p></div>
<div id="attachment_2110" style="width: 310px" class="wp-caption alignleft"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2014/03/444.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-2110" class="size-medium wp-image-2110 " alt="444" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2014/03/444-300x237.jpg" width="300" height="237" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2014/03/444-300x237.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2014/03/444.jpg 400w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a><p id="caption-attachment-2110" class="wp-caption-text">তারিক সালাউদ্দিন মাহমুদের বস্তুবাদী আবৃত্তি তত্ত্ব শীর্ষক এই গ্রন্থটি প্রকাশিত হয়েছে ২০১১ সালের জুন মাসে। শিলালিপি থেকে প্রকাশিত এ বইটির প্রচ্ছদ করেছেন তরুণ ঘোষ, সম্পাদনার দায়িত্বে ছিলেন আবৃত্তিকার কামরুল হাসান মঞ্জু ও জাহিদুল ইসলাম। সম্পূর্ণ আর্ট পেপারে মুদ্রিত ৮০ পৃষ্ঠার এ বইটির মূল্য ৩০০ টাকা।</p></div>
<p><strong>পালে লাগবে হাওয়া</strong><br />
<strong>তারিক সালাউদ্দিন মাহমুদ</strong></p>
<p>দুই বাংলায় আবৃত্তি নিয়ে নানা পরীা নিরীা হচ্ছে। তাতে কোন ফল দেখা না গেলেও রকমারি আবৃত্তি শুনতে কানে ভালই লাগে। কিন্তু কানে নিছক ভাল লাগা আর মনকে প্রশান্তি দেয়া চৈতন্যকে জাগিয়ে মংগলে আসক্ত ও অমংগলে বীতস্পৃহ করা এক কথা নয়।<br />
৫০/৬০/৭০ এর দশকে আমি নিয়মিত আবৃত্তি চর্চা করতাম। তাতে লোকের করতালি আর প্রশংসার অভাব হত না। কিন্তু হঠাৎ একদিন মনে প্রশ্ন দেখা দিল আবৃত্তি করে লোকদের ঠকাচ্ছি না তো? আমি কি পেলাম লোকদেরই বা আবৃত্তি করে কি দিচ্ছি? কবি বানী কি মানুষের মনে সঞ্চারিত করে দিতে পারছি ? এমন ভাবনা আমাকে পেয়ে বসল। পরে একদিন নিজ মনেই হো হো করে হেসে উঠলাম। হেসে উঠলাম এই ভেবে যে, যাকে আমরা আবৃত্তি শিল্প বলি তা আদৌ শিল্প নয়। নিছক কলাকৈবল্যবাদের অভিব্যাক্তি। আর এই শুধু মাত্র শিল্পের জন্যেই শিল্পকলা তা যথার্থ শিল্প নয়। তা হলে যথার্থ শিল্প বা আবৃত্তিই বা কি? এইসব ভাবনার মধ্যে একদিন অধ্যাপক মুজফর আহমদের মার্কসবাদ ও কবিতা এই বইটি হাতে এলো। মূল লেখক একজন ইংরেজ পন্ডিত নাম জর্জ টমসনা। বইটি পড়ে আবৃত্তি সম্পর্কে নানা কথা জানতে পারলাম। তাতে দেখলাম আবৃত্তির প্রাচীন রূপ। তা নিুরূপ Ñ</p>
<p>যখন আমি দু:খ জনক কিছুর বর্ণনা করি<br />
তখন আমার দুচোখ অশ্র“তে ভরে যায়<br />
যখন ভয়ংকর বা অদ্ভুত কিছু বলি তখন<br />
আমার চুল খাড়া হয়ে যায় এবং বুক<br />
ধুকধুক করতে থাকে যখন আমি পাটাতন থেকে<br />
দর্শকদের দিকে তাকাই তখন দেখি তারা<br />
যা শুনছে তাতে তারা ভাবাবিষ্ট হয়ে কাঁদছে।</p>
<p>এ হ’ল জনৈক গ্রীক আবৃত্তিকারের নিজের কথা। যা তুলে ধরেছেন প্লেটো।<br />
এমনতর আবৃ্িত্তর কথা স্বপ্নেও ভাবা যায় পৃথিবীর কোথাও আজ ? আজকাল আবৃত্তির যে চ-ল তা একটা বিভ্রান্তির জালে জড়িয়ে পড়েছে। দুই বাংলায় আবৃত্তির যে পরীা নিরীা তা এই ভ্রমাত্মক পদ্ধতিকে ভিত্তি করেই চলছে। তবে কি না আধুনিক আবৃত্তিবেত্তাদের বিচারে আবৃত্তি হ’ল কবিতার ছন্দ, শব্দ, সংগীত এবং বিশুদ্ধ উচ্চারণ ভিত্তিক। এভাবেই জগৎব্যাপী আবৃত্তি হয়ে থাকে। তাতে কি কাজ হচ্ছে? না তা হচ্ছে না।<br />
শিল্পের ল্য হচ্ছে মানুষের মনে চিন্তা-চেতনা, ভাবনা সৃষ্টি করা। যা আধুনিক আবৃত্তি দিয়ে কদাচ সম্ভব নয়। এ কারণে সাহিত্য, কবিতা, নাটক, সিনেমা বা গান ইত্যাদি শিল্পের সংগে আবৃত্তি পাল্লা দিয়ে উঠতে পারে না। অথচ আমরা যে গ্রীসের প্লেটো বর্ণিত আবৃত্তি দেখলাম তা তো শিল্প বিচারে শিল্পের উপর শিল্প। আবৃত্তি শিল্পকে শিল্পের মর্যাদায় অথবা মহা এক আর্ট বানাতে হলে প্রাচীন সেই আবৃত্তির পুনরাবৃত্তির বিকাশ ঘটাতে হবে। আমরা তা ঘটাব, অর্থাৎ আবৃত্তিশিল্পে একটা প্রকৃত অর্থেই বিপ্লব আনবো। সে কথায় যাবার আগে বিশ্বব্যাপী যে আধুনিক আবৃত্তি &#8211; সে সম্পর্কে দুটো কথা বলবো। আধুনিক আবৃত্তির ভিত্তি কবিতার ফর্ম বা ধারা। ফলে তা কবিতার বিষয়ে যেতে পারে না, ফর্মের প্রভাবের কারণে। অথচ বিষয়বস্তুই শিল্পকলার ভিত্তি। বিষয়বস্তু নেই বলে আধুনিক আবৃত্তিতে ফর্মও নেই। কেননা বিষয়কে ভিত্তি করেই শিল্পের ফর্ম গড়ে উঠে। তা হলে আমরা আধুনিক আবৃত্তি থেকে কি পাই? পাই নিছক কৃত্রিমতা।<br />
যে উচ্চারণ আবৃত্তিতে দেখা যায় তা যান্ত্রিক চেতনার স্পর্শহীন, ভাব, আবেগ অনিকেত বস্তু সম্পর্ক হীন এবং ছন্দ বিষয়ভিত্তিক নয়, তা নিছক কবিতার ছন্দ। এই হেতু গোটা ব্যাপরটা কৃত্রিমতায় আকীর্ণ। যে জন্যে আধুনিক আবৃত্তিতে মানুষের মনে চিন্তা-চেতনা, ভাবনায় কোন ক্রিয়া নেই। এই আবৃত্তির জন্ম হয়েছে ইউরোপে বিশেষত রোমে রেঁনেসার কালে। ক্রমে তা জগতব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে। আমাদের দেশে ডিরোজিও পন্থীবৃন্দ এর পত্তন করেন। আজ দুই বাংলায় যে আবৃত্তির পরীা নিরীা তা সঞ্জীব চন্দ,্র মাইকেল মধুসুদন প্রমূখের আবৃত্তির উপর ভিত্তি করে চলছে। যা একান্তই শূন্য গর্ভ ও সময়ের বিচারে তা অসার, অচল। অথচ তা চলছে প্রকৃত আবৃত্তির অনুপস্থিতির কারণে।<br />
আধুনিক আবৃত্তি কবিতার ফর্মভিত্তিক হওয়ায় তা প্রকৃত আবৃত্তির প্রকৃতির ভিতরে প্রবেশ করতে পারেনা। তাই আমরা এই ধূয়া তুলেছি যে কবিতার গঠন ভেংগে দেয়াই আবৃত্তির মুক্তির মৌল শর্ত। কথাটা বিস্তর ব্যাখ্যা দাবী করে। আমরা এ প্রবন্ধে সে দিকে যাবো না, রচনা সীমিত রাখার কারণে। কবিতাকে ভেংগে আমরা কবিতার বিষয়ে যাবো। তার উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠবে আবৃত্তির ফর্ম। সে ফর্ম গড়ে উঠবে আবৃত্তিকারের প্রকাশ প্রকরণকে ভিত্তি করে। আবৃত্তির ফর্ম সৃষ্টির আগে দরকার আবৃত্তির জন্য যথার্থ একটি ভাষা ব্যবস্থার। আবৃত্তির ভাষা নিশ্চিত করবে যেকোনো ধরনের প্রকাশের নিশ্চয়তা। আবৃত্তির ভাষা থাকার অর্থ &#8211; মনের ভাব, চিন্তা-চেতনা অবলীলায় প্রকাশ করা যাবে। প্রাচীন আবৃত্তিকলার মত।<br />
বস্তুত আধুনিক আবৃত্তির সমস্যাই হচ্ছে এর ভাষা সমস্যা। আধুনিক আবৃত্তির ভাষা নেই, সে কবিতার ভাষাকেই নিজের ভাষায় ব্যক্ত করে। কিন্তু এক শিল্পের ভাষা অন্য শিল্পে মিল খেতে পারে না। যেহেতু আধুনিক আবৃত্তির ভাষা নেই, সেই হেতু মনের প্রকৃত ভাব প্রকাশের সুযোগ নেই এতে। মিথ্যা একটা প্রকার প্রকরণে আধুনিক আবৃত্তিকলা জড়িয়ে আছে। এই অবস্থা থেকে আবৃত্তির মুক্তি চাই।<br />
তার জন্যে সর্বাগ্রে আবৃত্তির ভাষা প্রকরণকে নিশ্চিত করতে হবে। আবৃত্তির ভাষা সুনিশ্চিত করতে হলে যে উপাদান গুলো প্রয়োজন তা এই &#8211; সচেতন প্রতিফলণ, আবেগ এবং আবৃত্তির নিজস্ব ধারার ছন্দকলা। এই ত্রয়ী মিলে জন্মাবে আবৃত্তির প্রকৃত ভাষা মাধ্যম।<br />
প্রশ্ন উঠবে &#8211; আধুনিক আবৃত্তির ভাষা ও যথার্থ অর্থে আবৃত্তির ভাষার মধ্যে পার্থক্য কোথায়? প্রশ্ন উঠতে পারে &#8211; আধুনিক আবৃত্তির আবার কি? একটি কবিতার দুটি পংক্তি সামনে রেখে এসব প্রশ্নের উত্তর আমরা খুঁজবো।<br />
‘শোনা গেলো<br />
লাশ কাটা ঘরে<br />
নিয়ে গেছে তারে’<br />
যদিও মূল কবিতার পংক্তি বিভাজন এরকম নয়। তবু আলোচনার সুবিধার জন্যে আমরা দুই পংক্তিকে ভেংগে তিন পংক্তি করে আলোচনা করছি। আধুনিক আবৃত্তিকারবৃন্দ পংক্তি দুটোকে কি করে আবৃত্তি করবেন?<br />
শোনা গেলো লাশ কাটা ঘরে<br />
নিয়ে গেছে তারে&#8230;</p>
<p>এখানে &#8211; শোনা গেলো/<br />
লাশ কাটা ঘরে/<br />
নিয়ে গেছে তারে /<br />
পংক্তি দুটো ্এভাবে তিন পর্বে যান্ত্রিক ভাষায়, কবিতার ছন্দে, শব্দসংগীতে, কৃত্রিম ভাবাবেগে আধুনিক আবৃত্তিকার আবৃত্তি করেন। ফলে বিষয়বস্তুতে কদাচ তিনি যেতে পারেন না। এর ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ প্রমাণ বিস্তর পরিসর দাবী করে যার সময় সুযোগে আমাদের হাতে নেই। তাই এই কথায় প্রত্যয় রাখবো যে, আধুনিক আবৃত্তি বিষয়কে স্পর্শ করে না। এটা আমার কথাও নয়, কবিগুরু রবীন্দ্রনাথের কথা। ঠিক এ কারণে আধুনিক আবৃত্তি লোকের মনে আবেদন তৈরি করে না।<br />
এবার আমরা ইতিহাস ঐতিহ্য ভিত্তিক আবৃত্তির সর্পিল বিকাশ কি করে, কি প্রক্রিয়ায় ঘটাবো তা এখন দেখা যাক।</p>
<p>শো  /  না /   গে /  লো</p>
<p>বিষয়গত মনের ভাব প্রকাশ করতে হলে আধুনিক আবৃত্তির এক পর্বের পরিবর্তে এরকম চার পর্বে বলতে হবে। এবং বলবো বিষয় জনিত চেতনা ও ভাবাবেগে। বিষয়কে চেতনায় রাখলে মনে যথাযথ ভাবাবেগ সৃষ্টি হবে। যেরকম ভাবাবেগ দেখলাম আমরা প্রাচীন গ্রীসের আবৃত্তিতে। আবৃত্তির এই ফর্মের লয়, মাত্র, স্বর বিষয়কে অনুসরণ করবে।</p>
<p>লা&#8230;শ /  কাটা  /  ঘরে<br />
এখানে লা &#8230; বলার পর খানিকটা টেনে শ / উচ্চারণ করবো অতপর &#8211; কাটা / ঘরে / দুই মাত্রায় বলবো বিষয় ভাব মনে রেখে।<br />
আবৃত্তির একটি মৌল বিষয় হোল সচেতনতা। প্রত্যেকটি শব্দ, শব্দের অর্থ, অর্থেরও অর্থ &#8211; বিষয় বাস্তবতা, ভাব-আবেগ, চিন্তা, লয়, মাত্রা, স্বর ইত্যাদি সাকুল্য ব্যাপার সচেতনতার অধীন। জেনে বুঝে তবেই প্রকৃত আবৃত্তি করতে হবে।<br />
‘নিয়ে গেছে তারে’- এর বিষয় অর্থ আদর্শবাদী, দেশপ্রেমিক, সমাজবাদী সজ্জন লোকটিকে চিরতরে লাশ কাটা ঘরে নিয়ে গেছে। এই বাস্তব অর্থ ভাবে-আবেগে স্ফুট করতে হ’লে এক হৃদয় বিদারক ভাবাবেগে নি &#8230;/ টেনে গভীরভাবে আবেগকে আত্মার ভিতর থেকে প্রকাশ করতে হবে, তাতে যেন শ্রোতার চোখেও জল এসে যায়। য়ে&#8230;/ উচ্চারণেও একই ক্রিয়া আসবে। গেছে/ বুকভাঙ্গা হৃদয়ে এই শব্দ উচ্চারণ করতে হবে। তা&#8230;/রে&#8230;/ বলতে হবে হৃদয় মথিত করে ফুঁপিয়ে কেঁদে।<br />
ঠিক এভাবে আবৃত্তির ভাষায় আবৃত্তি করলে তা শ্রোতার মনে প্রচ- ছাপ ফেলতে পারে। এতে শ্রোতাবৃন্দ জেগে উঠবেন, তাদেও মধ্যে চিন্তা &#8211; চেতনার উদ্রেগ হবে।<br />
এভাবে আমরা ইতিহাসের আবৃত্তির পুণরাবৃত্তি ঘটাতে পারি। এর বিকাশের কথা বলার আগে একটি কথা পরিষ্কার হওয়া জরুরী যে,  আবৃত্তির ভাষা &#8211; সচেতন প্রতিফলণ, আবেগ ও আবৃত্তির শব্দ সবসময় একরকম থাকবে। অর্থাৎ ভাষার কোনো রদ হবে না। তবে প্রকাশ যার যার নিজস্ব সৃষ্টিশীল চেতনার প্রকাশ পদ্ধতি &#8211; আবেগ, শব্দ, লয়, মাত্রা, স্বরের কাজ ইত্যাদি কবিতার যার যার বিচারের ও প্রকাশ প্রকরণের উপর নির্ভরশীল। অর্থাৎ যার যার নিজস্ব স্টাইলে আবৃত্তি করবেন আবৃত্তিকার। এতে আবৃত্তির দিগন্ত প্রসারিত ও বিচিত্র হবে।<br />
আবৃত্তি কলায় নেতীর নেতীকরণ বা সর্পিল বিকাশ আনতে হলে আধুনিক বিজ্ঞানকে ব্যবহার করতে হবে। যেমন, আলোর কাজ, প্রটেক্টর ব্যবহার, মাইক, যন্ত্রসংগীত ধূপ, ধুয়া, সুগন্ধি দ্রব্য স্প্রে করা ইত্যাদি বিকাশকরণ জনিত নানা উপাদান এতে যোগ করতে হবে। তবেই কেবল আবৃত্তি এ যুগে মহা এক শিল্পকলা রুপে আবিভর্’ত হবে। আবৃত্তির এ ছাড়া অন্যকোনো উপায় নেই &#8211; চটর &#8211; বেতী / &#8211; সামনে এগিয়ে চল।</p>
<p>আধুনিক আবৃত্তি প্রকৃত অর্থে শিল্প নয়। এর নেই ভিত্তি, নেই ফর্ম। কবিতার ভাষা ও ফর্ম ব্যবহারের ফলে তা নিজস্ব স্বকিয়তা হারায়। শিল্প কি? তা বিষয়গত ভাবপুঞ্জের এক প্রকাশ প্রক্রিয়া। এর কোনোটি আধুনিক আবৃত্তিতে দেখা যায় না। শত শত বছর ধরে এই ভ্রমাত্মক আবৃত্তি জগতে চলে আসছে। ওদিকে সমাজে অবক্ষয় বেড়েই চলেছে। তার প্রেক্ষিতে ইতিহাস নির্ভর আবৃত্তির মূলধারার পত্তন চাই। আবৃত্তির ভাষা হাতে এলেই আমরা মূল ধারার শিল্পকলার সঙ্গে মিশে যেতে পারবো এবং সামাজিক দায়-দায়িত্ব মাথায় তুলে নিতে সক্ষম হবো। আমরা আবৃত্তির ভাষা নির্মাণ করেছি, তাই এখন খেয়ার পালে হাওয়া লাগবেই। এখন চাই সুন্দর সফল আবৃত্তিকার।<br />
পরিশেষে একটি কবিতার কয়েকটি পঙতি  দিয়ে শেষ করবো &#8211;<br />
বয়স বেড়েছে ঢের নরনারীদের,<br />
ঈষৎ বিভেদে সূর্য নক্ষত্রের আলো;<br />
তবুও সমুদ্র নীল; ঝিনুকের গায়ে আলপনা;<br />
একটি পাখির গান কী রকম ভালো ।</p>
<p>মানুষ কাউকে চায় – তার সেই নিহত উজ্জ্বল<br />
ঈশ্বরের পরিবর্তে অন্যকোনো সাধনার ফল।</p>
<p>সে সাধক হবেন স্বয়ং আবৃত্তিকারক, তার কাজটা খানিক কঠিন হলেও সাধ্যের বাইরে নয়।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%93%e0%a7%9f%e0%a6%be-%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%b8%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বিদায় অমর একুশে গ্রন্থমেলা : বিগত বছরের চেয়ে তিনগুন বেশি প্রকাশনা</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a7%9f-%e0%a6%85%e0%a6%ae%e0%a6%b0-%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%b6%e0%a7%87-%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a6%ae%e0%a7%87/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a7%9f-%e0%a6%85%e0%a6%ae%e0%a6%b0-%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%b6%e0%a7%87-%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a6%ae%e0%a7%87/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[সদানন্দ সরকার]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 28 Feb 2014 11:29:20 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বই বাজার]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ব বাজার]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://shahittabazar.com/?p=1951</guid>

					<description><![CDATA[<p>অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০১৪-এর সমাপনী আজ। বিদায় হে একুশ আর বিদায় নতুন বইয়ের প্রকাশনা। প্রতিবছর এই বইমেলাকে ঘীরেই পাঠক-লেখক ও প্রকাশকের যত ভিড়। বইমেলা শেষ মানেই প্রকাশনারও ইতি ঘটবে আজ</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a7%9f-%e0%a6%85%e0%a6%ae%e0%a6%b0-%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%b6%e0%a7%87-%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a6%ae%e0%a7%87/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০১৪-এর সমাপনী আজ। বিদায় হে একুশ আর বিদায় নতুন বইয়ের প্রকাশনা। প্রতিবছর এই বইমেলাকে ঘীরেই পাঠক-লেখক ও প্রকাশকের যত ভিড়। বইমেলা শেষ মানেই প্রকাশনারও ইতি ঘটবে আজ ২৮ ফেব্রুয়ারিতেই। এমনকি অনেক লেখককে আগামিতে আর খুঁজেই পাওয়া যাবে না। হারিয়ে যাবেন অনেক প্রকাশকও। আর এ কারণেই বেশিরভাগ লেখকের অনুরোধ শুধু ভাষার মাসেই নয়, প্রতিমাসেই দেশের কোথাও না কোথাও বইমেলার আয়োজন এখন খুবই জরুরী। তানা হলে পাঠক হারিয়ে যাবে চিরতরে।</p>
<div id="attachment_1960" style="width: 310px" class="wp-caption alignleft"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2014/02/13.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-1960" class="size-medium wp-image-1960 " alt="13" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2014/02/13-300x224.jpg" width="300" height="224" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2014/02/13-300x224.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2014/02/13.jpg 520w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a><p id="caption-attachment-1960" class="wp-caption-text">শিশুদের মাঝে কথাসাহিত্যিক অধ্যাপক মুহাম্মদ জাফর ইকবাল</p></div>
<p>এ প্রসঙ্গে কথাসাহিত্যিক মুহম্মদ <b>জাফর ইকবাল</b>. বলেন, আমি দরজা জানালা খোলা রাখার পক্ষপাতি। কারণ শিশু, কিশোর বা তরুণ যে-ই হোক, তারা যদি বিদেশী লেখকের বই পড়ে তাহলে বিদেশী সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে পারবে। তবে খেয়াল রাখতে হবে আমরা শিশুদের বিদেশী কোন্ বইটি পড়তে দেব। এক্ষেত্রে প্রকাশককে সচেতন হতে হবে।</p>
<p>তিনি বলেন, আকাশ সংস্কৃতির কারণে আমাদের শিশুরা সর্বক্ষণই বিদেশী কার্টুন বা রূপকথার কল্পকাহিনী শুনছে ও দেখছে। যেহেতু এ সংস্কৃতি থেকে আমরা বের হতে পারছি না, সে ক্ষেত্রে আমাদের টিভি চ্যানেলগুলোর উচিত দেশীয় লোকসাহিত্য, ঠাকুরমার ঝুলি, ঈশপের গল্প নিয়ে বিদেশী চ্যানেলগুলোর মত কার্টুন ও রূককথার গল্প তৈরি করা। যেন আমাদের শিশুরা নিজস্ব সংস্কৃতিকে আঁকড়ে ধরে বিদেশী সংস্কৃতির ভালটি গ্রহণ করতে পারে।</p>
<div id="attachment_1961" style="width: 310px" class="wp-caption alignright"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2014/02/Photo0360.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-1961" class="size-medium wp-image-1961 " alt="Photo0360" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2014/02/Photo0360-300x225.jpg" width="300" height="225" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2014/02/Photo0360-300x225.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2014/02/Photo0360.jpg 400w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a><p id="caption-attachment-1961" class="wp-caption-text">শিরিন প্রকাশনীর সত্বাধিকারী মামুনুর রহামান খান</p></div>
<p>অপরদিকে মেলার ভিড় অনুপাতে বিক্রি অনেক কম দাবি প্রকাশকদের। সোহরাওয়ার্দি উদ্যান ও একাডেমি চত্বরে মেলা দু’ভাগ হবার কারণে কিছুটা সংকটও তৈরি হয়েছে। দর্শনার্থ ও ক্রেতার অনেকে বুঝতেই পারেনি কোনপাশে আগে যাবেন। প্রকাশকদের মতে এবার নতুন বইয়ের প্রকাশনা বিগত বছরগুলোর তিনগুন বেশি। সে তুলনায় বিক্রি বেশি নয় বলে দাবি করলেন শিরিন প্রকাশনীর মামুনুর রহমান খান। তিনি বলেন এ বছর গড়ে প্রতিদিন প্রায় ২০০টি নতুন বই প্রকাশ করা হয়েছে। সেই হিসেবে ২৮ দিনে ৫৬০০ নতুন বই।</p>
<p>তবে বাংলা একাডেমির দেয়া তথ্যে এ বছর মোট প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা প্রায় ৫০০০। একুশে গ্রন্থমেলার শেষ দিনে মেলায় আজ নতুন বই এসেছে ১৭৪টি। আজকের বিষয়ভিত্তিক বই : গল্প-৩০টি, উপন্যাস-২৪টি, প্রবন্ধ-১২টি, কবিতা-৩৭টি, গবেষণা-৩টি, ছড়া-১৩টি, শিশুতোষ-৩টি, জীবনী-৭টি, রচনাবলি-১টি, মুক্তিযুদ্ধ-৪টি, নাটক-৩টি, বিজ্ঞান-৩টি, ভ্রমণ-৪টি, ইতিহাস-৩টি, রাজনীতি-০টি, চিকিৎসা-১টি, কম্পিউটার-১টি, রম্য/ধাঁধা-২টি, ধর্মীয়-২টি, অনুবাদ-০টি, অভিধান-১টি, সায়েন্স ফিকশন-০টি এবং অন্যান্য-২০টি। আজ মেলায় ১৪টি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়।</p>
<p>বাংলা একাডেমির তথ্যমতে অমর একুশে বই মেলায় প্রথম ১০ দিনে নতুন বই এসেছে ৭৬১টি। ১২ ফেব্রুয়ারী মেলার মোট নতুন বইয়ের সংখ্যা ছিল ৯৪৮টি। এর মধ্যে গল্প ১২১টি, উপন্যাস ১৮৭টি, প্রবন্ধ ৬২টি, কবিতা ২২২টি, গবেষণা ১৪টি, ছড়া ১৪টি, শিশুতোষ ২৩টি, জীবনী ৩৩টি, রচনাবলি ৪টি, মুক্তিযুদ্ধ ২২টি, নাটক ১১টি, বিজ্ঞান ১১টি, ভ্রমন ২৮টি, ইতিহাস ১৩টি, রাজনীতি ৯টি, চিকিৎসা ৩টি, কম্পিউটার ৪টি, রম্য/ধাঁধা ৩২টি, ধর্মীয় ২২টি অনুবাদ ৮টি, সায়েন্স ফিকশন ১৩টি ও অন্যান্য ৮৫টি বই এবারের মেলায় প্রকাশিত হয়েছে।</p>
<p>তবে একডেমি প্রদত্ত তথ্যে বাংলা একাডেমী থেকে জানুয়ারী ২০১৩ সাল পর্যন্ত মোট ৪৯৬৫ টি পুস্তক ও পত্রিকা প্রকাশিত হয়েছে। এতে রয়েছে কথা সাহিত্য, কবিতা, সাধারণ অভিধান, পরিভাষা অভিধান, বিভিন্ন লেখক-কবির রচনাবলী, সাহিত্য গবেষণা, সাহিত্য সমালোচনা, দর্শন, ইতিহাস ,ভূগোল, গণিত, বিজ্ঞান, সাংবাদিকতা, ভাষা-আন্দোলন, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ, শিশু-কিশোর সাহিত্য, অনুবাদ, ধর্ম, সংস্কৃতি, জীবনী ইত্যাদি বিষয়ের গ্রন্থাবলী।</p>
<p>এদিকে ২৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মেলায় নতুন বই এসেছে ২২৫১টি। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি এসেছে কবিতার বই। মেলার ২২তম দিনে নতুন বই এসেছে ১৬০টি এবং মোড়ক উন্মোচিত হয়েছে ২০টি বইয়ের।</p>
<div id="attachment_1954" style="width: 310px" class="wp-caption alignright"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2014/02/Books.png"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-1954" class="size-medium wp-image-1954  " alt="Books" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2014/02/Books-300x178.png" width="300" height="178" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2014/02/Books-300x178.png 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2014/02/Books.png 399w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a><p id="caption-attachment-1954" class="wp-caption-text">প্রথম দশদিনের নতুন বইয়ের প্রদর্শন</p></div>
<p>এদিকে অমর একুশে গ্রন্থমেলার প্রথমদিনেই জনসংযোগ বিভাগ সাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে একাডেমি থেকে প্রকাশিত মোট ৬৫টি নতুন বইয়ের তালিকা ও নাম দেয়া সত্বেও এখন পর্যন্ত কোনো বই-ই প্রকাশিত হয়নি বলে দাবি করছে বইমেলার আয়োজক বাংলা একাডেমির আনুষ্ঠানিক ওয়েবসাইটে। এ সাইটে (www.banglaacademy.org.bd) বাংলা একাডেমির লোগোর নিচে লেখা আছে ‘বাঙালি জাতিসত্তার প্রতিক’।<br />
সাইটটির প্রথম পৃষ্ঠায় (হোমপেজ) অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০১৪ অংশের নিচেই লেখা আছে ‘এবারের গ্রন্থমেলায় এ পর্যন্ত মোট ০টি বই প্রকাশিত হয়েছে’। এর নিচে সাম্প্রতিক প্রকাশনা নামের বক্স করা অংশে তিনটি বইয়ের নাম আছে, তবে প্রচ্ছদ অন্য বইয়ের। যেমন হুমায়ূন আহমেদের <strong>মাতাল হাওয়া</strong> বইয়ের প্রচ্ছদের নিচে লেখা আছে নজরুল রচনাবলি বইয়ের নাম। (এতে প্রমাণ হয় যে প্রজেক্ট-এর আঢ়ালে একাডেমি কর্তৃপক্ষের ব্যস্ততা এতো বেশি ছিল যে ২০০৮ এর পর এদিকে কোনো নজরই দেয়নি কেউ)</p>
<p>গত শনিবার (দু সপ্তাহ আগে) এ ব্যাপারে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান বলেছেন, ‘এখন প্রতিদিনই কিছু তথ্য হালনাগাদ করা হচ্ছে। আশা করছি, এক মাসের মধ্যে একটি পরিপূর্ণ ওয়েবসাইট আমরা দিতে পারব।’ এত দিন হালনাগাদ না করার ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘আমরা মেলার বিভিন্ন কার্যক্রমে ব্যস্ত থাকায় ওদিকে সময় দিতে পারিনি।’ তিনি জানান, ওয়েবসাইটের জন্য আলাদা করে কোনো বাজেট নেই। এবার বই বিক্রি থেকে যে আয় হবে, তার একটি অংশ ওয়েবসাইটের উন্নয়নে ব্যয় করা হবে।<br />
বাংলা একাডেমির সাইটটি প্রচার করছেসমন্বয় ও জনসংযোগ বিভাগ এবং কারিগরি সহযোগিতা করছে প্রফেশনালস সিস্টেমস নামের একটি প্রতিষ্ঠান। বাংলা একাডেমির উপপরিচালক (জনসংযোগ) মুরশিদ উদ্দিন আহমেদ বলেছেন, ‘আসলে ওয়েবসাইটে আমার বিভাগের নাম থাকলেও আমি এই ওয়েবসাইটের বিষয়ে কিছুই জানি না। ২০০৮ সাল পর্যন্ত ওয়েবসাইটটি আমার দায়িত্বে ছিল।’<br />
প্রফেশনালস সিস্টেমসের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মেলা শুরু হওয়ার এক দিন আগে তাদের মৌখিকভাবে সাইটটির তথ্য হালনাগাদ করতে বলা হয়েছে। তবে সময়মতো প্রয়োজনীয় তথ্য না পাওয়ায় হালনাগাদের কাজ ঠিকমতো হচ্ছে না।</p>
<div id="stcpDiv">
<div>মাসব্যাপী এ মেলার সমাপ্তি উপলক্ষে ছিল নানান আয়োজন। সকাল ১০:৩০টায় অমর একুশে উদ্যাপন উপলে অনুষ্ঠিত শিশু-কিশোর চিত্রাঙ্কণ, সংগীত এবং সাধারণ জ্ঞান ও উপস্থিত বক্তৃতা প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিশু-কিশোরদের পুরস্কার প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিশুসাহিত্যিক এখ্লাসউদ্দীন আহ্মদ। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গান বাংলা টেলিভিশনের পরিচালক শিল্পী মাহমুদ সেলিম। সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক মোহিত কামাল।<br />
<strong>শিশু-কিশোর চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার পুরস্কারপ্রাপ্তরা</strong> হলেন, ক-শাখায় : সামারা মজুমদার (১ম), সুমাইতা নুসাইবা (২য়) এবং ইনারা আলম আমিরা (৩য়)। খ-শাখায় : নাহিয়ান মাঈশা আয়মী (১ম), মুহতাসিম জামান খান (২য়) এবং জয়া সরকার (৩য়)। গ-শাখায় : অমিয় কৃষ্ণমূর্তি সাহা (১ম), শ্রাবন্তী সাহা (২য়) এবং শায়লা আক্তার উর্মি (৩য়)।<br />
<strong>শিশু-কিশোর সংগীত প্রতিযোগিতার পুরস্কারপ্রাপ্তরা</strong> হলেন, ক-শাখায় : প্রিয়ন্ত দেব (১ম), তানিশা জাহান নরিকা (২য়) এবং যুগ্মভাবে ৩য় হয়েছেন ক. মাশুক কায়সার ইভান ও খ. সুনাম নাদভী-সামন্তি। খ-শাখায় : শিতাব তাহ্মিদ (১ম), মাশায়েখ হাসান (২য়) এবং নুজহাত সাবিহা পুষ্পিতা (৩য়)।<br />
শিশু-কিশোর সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগিতার পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেন, ইনতিসার তাহমিদ (১ম), তামীম কাইসান (২য়) এবং মারজান শাওয়াল রিজওয়ান।<br />
শিশু-কিশোর উপস্থিত বক্তৃতা প্রতিযোগিতার পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেন, সালমান শাহ্রিয়ার সাকিব (১ম), রিজওয়ান আমির ফাহিম (২য়) এবং রোজা শাওয়াল রিজওয়ান (৩য়)।</div>
<div></div>
<div>বিকেল ৪:০০টায় গ্রন্থমেলার মূলমঞ্চে অনুষ্ঠিত হয় বাংলাদেশের বিস্ময়কর আর্থ-সামাজিক সাফল্যের উৎস এবং এর সাম্প্রতিক সমস্যা শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন। আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ, মেসবাহ কামাল এবং জিয়া রহমান। সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক কাজী খলীকুজ্জামান আহমদ।<br />
প্রাবন্ধিক বলেন, একাত্তর সালে সালে এক সাগর রক্তের বিনিময়ে সারা বিশ্বের বিস্ময় ও আকাশসম বাঁধার প্রাচীর ডিঙিয়ে এবং দেশে বিদেশে ক্রিয়াশীল বৈরী শক্তির মোকাবেলা করে বাংলাদেশের টিকে থাকা এবং বিপুল অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির মাঝে দৃষ্টিনন্দন আর্থ-সামাজিক অগ্রগতি অর্জন যে একটি বিস্ময়কর চমক তার সাফল্যগাঁথা রয়েছে বেশুমার। জাতির জনকের অকুতোভয়, গতিময়, উদ্ভাবনী ও প্রত্যয়ী নেতৃত্ব যেমন দেশের স্বাধীনতা এনেছে তেমনি তাঁর অর্থনৈতিক মুক্তির আহ্বানে সাড়া দিয়ে কিষাণÑকিষাণী ও শ্রমজীবি মানুষের অকান্ত পরিশ্রম ও অসাধারণ প্রজ্ঞার অধিকারী শিল্প উদ্যোক্তাদের সৃষ্টিকুশলতা মিলেই আজকের বাংলাদেশের অর্থনীতির মজবুত অবস্থান ও দৃঢ় পদেেপ এগিয়ে যাবার চলার পথ।<br />
আলোচকবৃন্দ বলেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার ধারাবাহিকতা অুণœ থাকলেই বাংলাদেশের বিদ্যমান আর্থ-সামাজিক সাফল্য অব্যাহত থাকবে।<br />
সভাপতির বক্তব্যে কাজী খলীকুজ্জামান আহমদ বলেন, বাংলাদেশের বিস্ময়কর আর্থ-সামাজিক সাফল্যের ধারা বেগবান করতে শুধু সরকারি উদ্যোগই যথেষ্ট নয় এর সঙ্গে বেসরকারি উদ্যোক্তাদেরও এগিয়ে আসতে হবে।<br />
গ্রন্থমেলার সমাপনী অনুষ্ঠান<br />
সন্ধ্যা ৬:০০টায় অনুষ্ঠিত হয় অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০১৪-র সমাপনী অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা ভাষণ প্রদান করেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান। গ্রন্থমেলার ২০১৪-র প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন অমর একুশে গ্রন্থমেলার সদস্য-সচিব ও একাডেমির পরিচালক শাহিদা খাতুন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. রণজিৎ কুমার বিশ্বাস এনডিসি। সভাপতিত্ব করেন বাংলা একাডেমির সভাপতি ইমেরিটাস অধ্যাপক আনিসুজ্জামান।<br />
শুভেচ্ছা ভাষণে শামসুজ্জামান খান বলেন, অত্যন্ত সফল ও সার্থকভাবে অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০১৪ সমাপ্ত হয়েছে। একুশে গ্রন্থমেলা আজ শুধু বইয়ের মেলা নয় বরং তা হয়ে উঠেছে বাঙালির সৃজনপ্রতিভার অনন্য নিদর্শন। বর্তমান বছরে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মেলার স্থানান্তরের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে আগামীবছর থেকে গ্রন্থমেলার পরিসর আরো বিস্তৃত হবে।<br />
প্রতিবেদন উপস্থাপন করে শাহিদা খাতুন বলেন, প্রতিবেদন উপস্থাপন করে শাহিদা খাতুন বলেন, বাংলা একাডেমির অমর একুশে গ্রন্থমেলা এখন গোটা বাঙালি জাতির প্রাণের মেলাতে পরিণত হয়েছে। এবারের একুশে গ্রন্থমেলা ঘিরে দেশ ও দেশের বাইরে যে বিপুল চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে তা আমাদের সাংস্কৃতিক অগ্রসরমানতারই প্রতীক। অমর একুশে গ্রন্থমেলায় গত ২৭ ফেব্র“য়ারি পর্যন্ত প্রকাশিত বিভিন্ন বিষয়ে নতুন বইয়ের সংখ্যা ২,৯৫৯টি। গ্রন্থমেলা গতকাল পর্যন্ত বাংলা একাডেমির নিজস্ব বিক্রয় ছিল ১ কোটি ১০ ল ২৪ হাজার ৫ টাকা ৭০ পয়সা এবং বাংলা একাডেমিসহ এবারের গ্রন্থমেলায় মোট বিক্রির পরিমাণ প্রায় সাড়ে ১৬ কোটি টাকা। তিনি বলেন, সম্প্রসারিত মেলার স্থান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান-অংশের প্রাকৃতিক পরিবেশকে রা করে অপরিহার্য দিকগুলো বিবেচনায় রেখে নান্দনিক সাজসজ্জায় বিন্যাসের মাধ্যমে ২০১৫ সালের অমর একুশে গ্রন্থমেলা আয়োজন করা সম্ভব হবে বলে আমরা আশা রাখি।<br />
<a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2014/01/000.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="size-full wp-image-1642 alignright" alt="000" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2014/01/000.jpg" width="299" height="199" /></a>প্রধান অতিথির বক্তব্যে আসাদুজ্জামন নূর বলেন, সকলের একান্ত সহযোগিতায় অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০১৪ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে। প্রথমবারের মতো ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গ্রন্থমেলা স্থানান্তর আমাদের জন্য ছিল একটি বিরাট চ্যালেঞ্জ। ভবিষ্যতে আরো সুপরিসরে মেলা আয়োজনের প্রাথমিক কাজ শুরু হয়েছে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সবার আন্তরিক সহায়তা প্রয়োজন।<br />
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ড. রণজিৎ কুমার বিশ্বাস বলেন, স্থায়িত্ব ও বৈচিত্র্যের দিক দিয়ে ঐতিহাসিক বাংলা একাডেমির অমর একুশে গ্রন্থমেলা সুন্দরভাবে শেষ হতে চলেছে যা আমাদের উজ্জ্বল সাংস্কৃতিক ভবিষ্যতেরই বার্তা বহন করে।<br />
সভাপতির বক্তব্য অধ্যাপক আনিসুজ্জামান বলেন, একুশে গ্রন্থমেলা আজ এক জাতীয় উৎসবের নাম। বইয়ের প্রতি যে ভালোবাসা এই মেলা উপলে প্রকাশ হতে দেখি তা তুলনাহীন তবে এই মেলা সম্প্রসারনের পাশাপাশি এর আঙ্গিক নিয়েও নতুন করে ভাবনার সময় এসেছে।<br />
<strong>শহীদ মুনীর চৌধুরী স্মৃতি পুরস্কার ও  চিত্তরঞ্জন সাহা স্মৃতি পুরস্কার প্রদান</strong><br />
গ্রন্থমেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে সর্বাধিক সংখ্যক মানসম্মত গ্রন্থ প্রকাশের জন্য ‘শহীদ মুনীর চৌধুরী স্মৃতি পুরস্কার’ প্রদান করা হয় &#8211; মাওলা ব্রাদার্স, প্রথমা প্রকাশন ও অন্বেষা প্রকাশনকে। সেরা গ্রন্থের জন্য ‘চিত্তরঞ্জন সাহা স্মৃতি পুরস্কার’ প্রদান করা হয় বেঙ্গল পাবলিকেশন্স-এর অন্তর্দাহ এবং পাঠক সমাবেশের কাফকা সমগ্র গ্রন্থটিকে। পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের হাতে পুষ্পস্তবক, ক্রেস্ট ও সনদ তুলে দেন সংস্কৃতি মন্ত্রী, বাংলা একাডেমির সভাপতি এবং মহাপরিচালক।সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান<br />
সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন শাহীন সামাদ, রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা, ইফফাত আরা দেওয়ান, বুলবুল মহলানবীশ, ইফফাত আরা নার্গিস, শ্রেয়সী রায়, সানজিদা মনজুরুল হ্যাপী এবং নবিন কিশোর। যন্ত্রাণুষঙ্গে ছিলেন বিশ্বজিত সরকার (তবলা), গাজী আবদুল হাকিম (বাঁশি), আবু কামাল (বেহালা), ডালিম কুমার বড়–য়া (কী-বোর্ড) এবং নাজমুল আলম খান (মন্দিরা)।</div>
<div>(কৃতজ্ঞতায় —রাহিতুল ইসলাম, প্রথম আলো)</div>
</div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a7%9f-%e0%a6%85%e0%a6%ae%e0%a6%b0-%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%b6%e0%a7%87-%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a6%ae%e0%a7%87/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
