<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>সাহিত্য বাজার &#8211; সাহিত্য বাজার</title>
	<atom:link href="https://shahittabazar.com/author/salam/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://shahittabazar.com</link>
	<description>সাহিত্যের আয়নায় মানুষের মুখ</description>
	<lastBuildDate>Tue, 24 Mar 2026 11:56:29 +0000</lastBuildDate>
	<language>bn-BD</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.9.4</generator>
	<item>
		<title>প্রেসক্লাব হতে হবে একটা, তা না হলে আমাকে ডাকবেন না : তথ্যমন্ত্রী</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b8%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ac-%e0%a6%b9%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%b9%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%9f%e0%a6%be-%e0%a6%a4/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b8%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ac-%e0%a6%b9%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%b9%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%9f%e0%a6%be-%e0%a6%a4/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[সাহিত্য বাজার]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 24 Mar 2026 11:55:20 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[বরিশাল বিভাগ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://shahittabazar.com/?p=5937</guid>

					<description><![CDATA[<p>প্রেসক্লাব হতে হবে একটা, তা না হলে আমাকে ডাকবেন না : তথ্যমন্ত্রী</p> <p>বিশেষ প্রতিবেদক</p> <p>কিছু লোকের অপকর্মের কারণে সাংবাদিকতার মতো মহান পেশা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। আপনাদের প্রেসক্লাব হতে হবে একটা, তা</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b8%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ac-%e0%a6%b9%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%b9%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%9f%e0%a6%be-%e0%a6%a4/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>প্রেসক্লাব হতে হবে একটা, তা না হলে আমাকে ডাকবেন না : তথ্যমন্ত্রী</strong></p>
<p><strong>বিশেষ প্রতিবেদক</strong></p>
<div id="attachment_5938" style="width: 310px" class="wp-caption alignleft"><a href="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2026/03/IMG_20260324_175011.jpg"><img fetchpriority="high" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-5938" class="size-medium wp-image-5938" src="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2026/03/IMG_20260324_175011-300x174.jpg" alt="" width="300" height="174" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2026/03/IMG_20260324_175011-300x174.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2026/03/IMG_20260324_175011-70x40.jpg 70w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2026/03/IMG_20260324_175011.jpg 657w" sizes="(max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a><p id="caption-attachment-5938" class="wp-caption-text">বক্তব্য রাখছেন তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন </p></div>
<p><span style="font-weight: 300;">কিছু লোকের অপকর্মের কারণে সাংবাদিকতার মতো মহান পেশা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। আপনাদের প্রেসক্লাব হতে হবে একটা, তা না হলে আমাকে ডাকবেন না বলে স্পষ্ট সাংবাদিকদের বিভক্তি দূর করার আহ্বান জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি বলেছেন, এ কারণে অনেকে বিরক্ত হয়ে সাংবাদিক পরিচয় দিতে লজ্জা পান বলেও আমাকে জানিয়েছেন।</span></p>
<p>গত রোববার (২২ মার্চ) বরিশালের আগৈলঝাড়া প্রেসক্লাবের ঈদ পুনর্মিলনী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জহির উদ্দিন স্বপন গৌরনদী আগৈলঝারা এলাকার সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেন। এসময় তিনি বলেন, আগৈলঝাড়ায় যারা সাংবাদিক পরিচয় দেন, সেই পরিচয় সম্পর্কে যদি কোনো তর্ক থাকে, কথা থাকে বা বিতর্ক থাকে সেটি নির্ধারণ করবেন আপনারা সাংবাদিকরাই। আমাদের নির্ধারণ করার কোনো দরকার নেই। কে ছোট সাংবাদিক, কে বড় সাংবাদিক, কে লেখাপড়া জানে, কে জানে না—এগুলো আমাদের দেখার দরকার নেই, কারণ আমরা পাঠক। যারা প্রেসক্লাবের নেতৃত্ব দেবেন তারা একটা টিম করে বলবেন। আপনারা যাকে ভালো বলবেন সে ভালো, আর যাকে বলবেন সাংবাদিকতার নামে ব্ল্যাকমেইল করে, তার বিষয়টি আমরা ওইভাবে দেখবো।<br />
তথ্যমন্ত্রী আরো বলেন, আগৈলঝাড়াতে যতগুলো সাংবাদিক সংগঠন রয়েছে, সেগুলোতে যে কেউ তার খুশিমতো যুক্ত হতে পারেন, কিন্তু প্রেসক্লাব হতে হবে একটা। আজকের পরে যদি প্রেসক্লাব একটা থাকে তাহলে আসবো, আর না থাকলে আমাকে ডাকবেন না, আমি চা খেতেও আসব না।<br />
মন্ত্রী বলেন, বিজ্ঞ পেশায় থেকে গণমাধ্যমের কর্মী বা সাংবাদিক হিসেবে প্রতিদিন আপনার পাঠকদের যেভাবে সংবাদ পরিবেশন করেন, তাতে আপনারা ঐক্যবদ্ধভাবে একটা ক্লাব করতে পারবেন না কেন?<br />
‘সাংবাদিকতার মতো পেশাগুলোতে থেকে কেউ বিত্তবান হয় না। এ ধরনের পেশাকে পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে রাখতে হয়। সেটা সারা দুনিয়াতেই তাই। বড় বড় শিল্পী, বড় বড় গায়ক কিংবা বড় বড় লেখকরা লিখে ততটা বিত্তবান হয় না, সারাজীবনই দেখা যায়, রাষ্ট্র, রাজ্য, রাজা, সমাজ তাদের পৃষ্ঠপোষকতা দেয়। কারণ এটা একটা প্রতিভা, এটা কায়িক পরিশ্রমের কাজ না যে শরীরে বল আছে করলাম। এতে এক ধরনের মেধা ও যোগ্যতা লাগে। কিন্তু এখানে তারা যদি তাদের পরিচয়ের সংকট থেকে উদ্ধার পেতে না পারে, তাহলে রাষ্ট্র ও সমাজ তো বিব্রত হয়ে যায়।’<br />
তথ্যমন্ত্রী বলেন, সাংবাদিকতার মতো মহান পেশা কতিপয় লোকের কারণে খুব বিতর্কিত হয়ে পড়েছে। অনেকে বিরক্ত হয়ে সাংবাদিক পরিচয় দিতে লজ্জা পান বলেও আমাকে জানিয়েছেন। তখন তাদের আমি সান্ত্বনা দেওয়ার জন্য বলি, আমি যে রাজনীতিবিদ এই পরিচয় দিতেও লজ্জা পাই। কারণ রাজনীতির নামে যা হচ্ছে তাও পরিচয় দেওয়ার মতো না। ফলে সাংবাদিকরা সাবধান, রাজনীতিবিদরা কিন্তু সাবধান হয়েছে। বিশেষ করে গত ৫ আগস্টের পরে রাজনীতিবিদরা টের পেয়ে গেছে। এখন অপসাংবাদিকতা যারা করে তাদেরও টের পাওয়ার একটা প্রক্রিয়া তৈরি করতে হবে, যাতে সৎ সাংবাদিকরা বাঁচে। যাতে সৎ সাংবাদিকদের যেন কেউ ব্ল্যাকমেইলার না বলে। ভাগ্য ভালো সবার সাথে আমার একটা সম্পর্ক থাকায় তাদের পরামর্শ নিয়ে আমি সাংবাদিকতাকে সম্মানজনক অবস্থানে নিতে চাই। আশা করি খুব দ্রুত মহান সাংবাদিকতা পেশাকে দ্রুত সম্মানজনক কাঠামোতে দাঁড় করাতে পারব এবং এর জন্য সংবাদপত্র মালিক, সাংবাদিকসহ সরকার তিন পক্ষ মিলে বৈঠকের মধ্য দিয়ে প্রক্রিয়া বের করবো।<br />
এসময় তিনি পতিত স্বৈরাচার শেখ হাসিনার পরিণতি স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, দেশের প্রধানমন্ত্রীকে যদি জবাবদিহিতার মধ্যে থাকতে হয়, তাহলে গণমাধ্যমে যারা কাজ করেন তাদেরও জবাবদিহিতার মধ্যে থাকতে হবে। রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী হলে যখন যা খুশি তাই করা যায় না, তার প্রমাণ তো শেখ হাসিনা। তেমনি কোনো গণমাধ্যম, কোনো সাংবাদিক বা কোনো সংবাদপত্রের অ্যাক্রেডিটেশন কার্ড থাকলেই কিন্তু যা তা করা যাবে না।<br />
বরিশালের আগৈলঝাড়া প্রেসক্লাবের উদ্যোগে প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এফএম নাজমুল রিপনের সঞ্চালনায় এবং সভাপতি শামীমুল ইসলাম শামীমের সভাপতিত্বে ঈদ পুনর্মিলনী সভায় আরো বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এম এম বাদশাহ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লিখন বণিক, উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক শিকদার হাফিজুল ইসলাম, সদস্যসচিব মোল্লা বশির আহাম্মেদ পান্না, আগৈলঝাড়া প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি সর্দার হারুন রানা, মো. সাইফুল ইসলাম, সহ-সভাপতি মো. মাসুম হাওলাদার প্রমুখ।<br />
পরে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন উপজেলা পরিষদ হলরুমে সব শ্রেণি-পেশার লোকজনের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b8%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ac-%e0%a6%b9%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%b9%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%9f%e0%a6%be-%e0%a6%a4/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>আবারও উত্তপ্ত হালিমা খাতুন বালিকা বিদ্যালয়: প্রধান শিক্ষকসহ বিতর্কিত কোন শিক্ষককেই চায়না শিক্ষার্থী ও অবিভাবক</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%86%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%93-%e0%a6%89%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%a4-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%ae%e0%a6%be-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%a4/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%86%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%93-%e0%a6%89%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%a4-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%ae%e0%a6%be-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%a4/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[সাহিত্য বাজার]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 18 Nov 2024 08:37:08 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[বরিশাল বিভাগ]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলার চিঠি]]></category>
		<category><![CDATA[বিদ্যালয়]]></category>
		<category><![CDATA[শিক্ষা]]></category>
		<category><![CDATA[সরকার]]></category>
		<category><![CDATA[স্কুল]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://shahittabazar.com/?p=5485</guid>

					<description><![CDATA[<p>আবারও উত্তপ্ত হালিমা খাতুন বালিকা বিদ্যালয়: প্রধান শিক্ষকসহ বিতর্কিত কোন শিক্ষককেই চায়না শিক্ষার্থী ও অবিভাবক</p> <p>বিশেষ প্রতিবেদক</p> <p>আবারো উত্তপ্ত ও আলোচিত হয়ে উঠেছে বরিশালের হালিমা খাতুন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। প্রধান</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%86%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%93-%e0%a6%89%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%a4-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%ae%e0%a6%be-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%a4/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>আবারও উত্তপ্ত হালিমা খাতুন বালিকা বিদ্যালয়: প্রধান শিক্ষকসহ বিতর্কিত কোন শিক্ষককেই চায়না শিক্ষার্থী ও অবিভাবক</strong></p>
<p><strong>বিশেষ প্রতিবেদক</strong></p>
<p><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/11/inbound5757251398026364955.jpg"><img decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-5486" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/11/inbound5757251398026364955-300x225.jpg" alt="" width="300" height="225" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/11/inbound5757251398026364955-300x225.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/11/inbound5757251398026364955-768x576.jpg 768w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/11/inbound5757251398026364955-1024x768.jpg 1024w" sizes="(max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>আবারো উত্তপ্ত ও আলোচিত হয়ে উঠেছে বরিশালের হালিমা খাতুন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। প্রধান শিক্ষকের অপসারণের দাবিতে রবিবার সকালে বিদ্যালয়ের প্রবেশপথে দুজন শিক্ষকের ব্যানার নিয়ে মানববন্ধন এবং সেই মানববন্ধনকে বাধা দেয়া ঘটনাকে কেন্দ্র করে অভিভাবক ও শিক্ষকদের হট্টগোল শুরু হয়। এসব কিছু সামলাতে ৫ প্লাটুন সেনাবাহিনী, পুলিশসহ জেলার তিনজন ম্যাজিস্ট্রেট এর উপস্থিতি বিদ্যালয়ের ভিতর আতঙ্কিত পরিবেশ সৃষ্টি করলেও উত্তেজনাকর পরিস্থিতি শান্ত হয় এবং স্বস্তি ফিরে পায় কোমলমতি শিক্ষার্থীরা । তবে এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন সাধারণ অবিভাবক ও শিক্ষার্থীদের অনেকেই। অবিভাবকের দাবি, ইতিপূর্বে আরো কয়েকবার এরকম পরিস্থিতি হয়েছে এই বিদ্যালয়ে। দুজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে যেমন অভিযোগ রয়েছে তেমনি অর্থ আত্মসাৎ ও দূর্নীতির অভিযোগ রয়েছে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধেও। তাই আমরা বিতর্কিত প্রধান শিক্ষকসহ তিন শিক্ষকের কাউকেই এই বিদ্যালয় চাইনা। একই সাথে স্কুলের ম্যানেজিং কমিটিতে কোনরকম দলীয় লোক দেখতে চাই না বলে জানালেন তারা। এ সময় সাবেক শিক্ষার্থীদের কয়েকজন বলেন, হালিমা খাতুন এর সুন্দর পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে সবার আগে ম্যানেজিং কমিটিকে দলীয় লেবাস মুক্ত করতে হবে। শুধু হালিমা খাতুনই নয়, দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেই দলীয় রাজনীতি মুক্ত প্রশাসন প্রয়োজন। তানা হলে মানসম্মত শিক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত হবেনা বলে জানান তারা।<br />
এর আগে গত ১৪ নভেম্বর বৃহস্পতিবার হালিমা খাতুন বালিকা বিদ্যালয়ের ভিতরে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে লিফলেট বিতরণ করার অভিযোগে একজন শিক্ষক মহিউদ্দিনকে লাঞ্ছিত করা হয়েছে। যে ঘটনার প্রতিবাদে আরেক অভিযুক্ত শিক্ষক মাইদুল ও মহিউদ্দিন একসাথে ১৭ নভেম্বর রবিবার সকাল থেকে বিদ্যালয়ের সামনে ব্যানার নিয়ে প্রতিবাদ সমাবেশের চেষ্টা করে। এতে প্রধান শিক্ষক পক্ষের কিছু অবিভাবক ক্ষুব্ধ হয়ে তাদের সাথে তর্কে লিপ্ত হয়। এসময় আন্দোলনরত শিক্ষকদের পক্ষ নিয়ে প্রতিবাদ জানায় অবিভাবকদেরই আরো একটি অংশ। যা নিয়ে উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয় এবং প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ কামনা করেন প্রধান শিক্ষক ফখরুজ্জামান। সঙ্গে সঙ্গে ৫ প্লাটুন সেনাসহ বরিশালের সেনাবাহিনীর দায়িত্বরত কর্মকর্তা মেজর রাশেদ নিজেই ছুটে আসেন। অভিযুক্তদের সাথে নিয়ে প্রধান শিক্ষকের কক্ষেই বৈঠকে বসেন তিনি। দোষী প্রমাণিত প্রধান শিক্ষক পক্ষের একজনকে সতর্কতা দিয়ে চলে যান মেজর রাশেদ। এরপরই আসেন মডেল থানা পুলিশসহ জেলা প্রশাসনের শিক্ষা দপ্তরের তিনজন নির্বাহী কর্মকর্তা।<br />
ইতিপূর্বেও এই হালিমা খাতুন বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে এরকম ঘটনা ঘটেছে দাবী করে তৃতীয়, সপ্তম ও নবম শ্রেণিতে পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের কয়েকজন অবিভাবক বলেন, বরিশালের সবচেয়ে খ্যাতিসম্পন্ন এই বিদ্যাপীঠে আমরা সন্তানকে নিয়ে এসেছি সুশিক্ষিত করার জন্য। কিন্তু এখানে ইতিপূর্বে দুবার শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ ছাড়াও নিজেদের মধ্যে মারামারির ঘটনাও সংবাদ হয়েছে। তাই এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে ধূয়ে মুছে ছাপ করা উচিত। প্রধান শিক্ষকসহ অভিযুক্ত সব শিক্ষকদের বহিষ্কার করা উচিত বলে জানান তারা।<br />
এসময় কয়েকজন শিক্ষার্থী বলেন, আমাদের প্রতিটি টেবিল বা বেঞ্চে সর্বোচ্চ চারজন ও তিনজন বসার কথা থাকলেও আমরা চাপাচাপি করে ছয়জন ও আটজন বসতে বাধ্য হই এখন। এছাড়াও কোচিং বাধ্যতামূলক করতে হয় বলে জানান তারা।<br />
একজন অবিভাবক অভিযোগ করেন, ৬০০ টাকা সেমিস্টার ফি নিয়েও পরীক্ষা নেয়নি। সেই টাকা ফেরতও দেয়নি। ১৮ লক্ষ টাকার কোনো হিসাব দিতে পারেন নাই প্রধান শিক্ষক। তার বিরুদ্ধে এরকম কোটি টাকা দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে দাবী করেই প্রতিবাদী মানববন্ধন করেছেন কয়জন শিক্ষক। যে কারণে ওই শিক্ষকদেরও হেনস্থা করা হয়েছে বলে জানান তিনি।<br />
ঘটনার অনুসন্ধানে জানা যায়, গত ৯ মে হালিমা খাতুন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন শিক্ষক মাইদুল ইসলামের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে শ্রেণিকক্ষে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনা ঘটে জানিয়ে প্রায় ছয় মাস পর একটি মামলা হয়। ওইদিন বিদ্যালয় খোলা ছিলো। তবে প্রতিষ্ঠানের ৩ হাজার ছাত্রী, ৪২ জন শিক্ষক ও ৯ জন কর্মচারীর কেউ ঘটনাটি দেখেননি বলেও সংবাদ হয়েছে বিভিন্ন পত্রিকায়। বলা হয়েছে প্রতিটি শ্রেণিকক্ষে থাকা সিসিটিভি ক্যামেরায়ও ধরা পড়েনি ধর্ষণচেষ্টার কিছু। আবার অভিযুক্ত শিক্ষককে যৌন হয়রানির অভিযোগ তুলে বহিষ্কার করার পরও তিনি নিয়মিত বিদ্যালয়ে যাওয়া আসা করছেন বলে জানা যায়।<br />
এ বিষয়ে সাধারণ শিক্ষক ও অবিভাবকের সাথে কথা বলে জানা গেছে, শিক্ষকদেরই একটি চক্র ছাত্রীদের দিয়ে এসব মামলা করায়। প্রতিষ্ঠানে বছরে কয়েক কোটি টাকা আয়ের নিয়ন্ত্রণ এবং কোচিং বাণিজ্য নিয়ে বিরোধে এখানে পক্ষ বিপক্ষে দুটো গ্রুপ তৈরি হয়েছে। একপক্ষে প্রধান শিক্ষক সহ গত সরকারের অনুসারী ম্যানেজিং কমিটির কয়েকজন এবং অন্যপক্ষে রয়েছে সুবিধা বঞ্চিত অবিভাবক ও শিক্ষক। যে কারণে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে ছাত্রীদের ব্যবহার করা হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে। এর আগে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগে ছাত্রীর মামলা আদালতে মিথ্যাও প্রমাণিত হয়।<br />
এ বিষয়ে শিক্ষক মাইদুল ইসলাম বলেন, তিনি প্রায় আট নয় বছর ধরে প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন। শিক্ষকদের কোচিংয়ের ৪০ ভাগ টাকা বিদ্যালয়ে দিতে হয়। গত মে মাসে তৎকালীন সভাপতি ও প্রধান শিক্ষক সেটি ৫০ ভাগে উন্নীত করেন। তিনি এতে রাজি না হওয়ায় ৬ মে ষষ্ঠ শ্রেণির ১৩ ছাত্রীকে প্রধান শিক্ষকের কক্ষে ডেকে যৌন হয়রানির মিথ্যা অভিযোগে সই করানো হয়। ওই দিনই তদন্ত কমিটি গঠন এবং পরদিন সভা ডেকে তাকে বরখাস্ত করা হয়। মাইদুল ইসলাম আরো বলেন, চাকরি ফিরে পেতে তিনি আদালতে মামলা করেছেন। এ ছাড়া মানহানির মামলাও করেছেন। দুটি মামলাতেই প্রধান শিক্ষক ধরাশায়ী হবেন। এ কারণে এক ছাত্রীর নানাকে দিয়ে মিথ্যা মামলা করিয়েছেন বলে জানান তিনি। আজকের ঘটনা সম্পর্কে মাইদুল ইসলাম বলেন, আমাদের ব্যানারে লেখা ছিলো &#8211; বিদ্যালয় এর ক্যাম্পাসে বহিরাগত সন্ত্রাসীদের দিয়ে সিনিয়র শিক্ষক মহিউদ্দিনের উপর হামলার প্রতিবাদ।<br />
এসময় শিক্ষক সিনিয়র মহিউদ্দিন সভাকক্ষ থেকে বের হয়ে এসে জানান, এর হোতা প্রধান শিক্ষক এসএম ফখরুজ্জামান। তার বিরুদ্ধে গেলেই শিক্ষককে ফাঁসাতে ছাত্রীদের ব্যবহার করা হয়। তিনি বলেন, আজ আমরা কয়েকজন এ জন্য প্রতিবাদ সভা করছিলাম। মহিউদ্দিন আরো বলেন, অর্থ লোপাট, ছাত্রীদের ব্যবহার করে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানিসহ নানা অনিয়মে জড়িত প্রধান শিক্ষক। তিনি এর প্রতিবাদ করায় তাকে হত্যার হুমকিও দিয়েছেন প্রধান শিক্ষক।<br />
অবিভাবকদের একজন বলেন, এই প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে যা এখনো তদন্তাধীন রয়েছে। জেলা প্রশাসকের তদন্ত কমিটি গত ১০ বছরে স্কুলটির সব আয়-ব্যয়ের প্রমাণপত্রও চেয়েছে বলে জানান তিনি ।<br />
প্রধান শিক্ষক পক্ষের একজন অভিভাবক এ সময় প্রতিবাদ জানান ও বলেন, মাত্র দুইজন লোক কখনো প্রতিবাদ হয় নাকি? কোন অভিভাবক তাদের সাথে নেই অথচ তাদের ব্যানারে অভিভাবক কথাটিও লেখা ছিল। এই প্রধান শিক্ষক আসার পর থেকে বিদ্যালয়ের উন্নয়ন হয়েছে। তিনি অত্যন্ত ভালো মানুষ। তিনি আসার পরই এখানে শিক্ষার মান উন্নত হয়েছে।<br />
সর্বশেষ পরিস্থিতি ও ধর্ষণচেষ্টা মামলা প্রসঙ্গে প্রধান শিক্ষক এসএম ফখরুজ্জামানকে বারবার ফোন করা হলেও তিনি তা রিসিভ করেননি।<br />
সর্বশেষ জেলা প্রশাসনের তিনজন নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুজ্জামান, লুৎফর রহমান এবং মারজান রহমান সহ প্রধান শিক্ষক ও অভিযোগকারী শিক্ষকদের নিয়ে বৈঠকে বসেন।<br />
বৈঠক শেষে সিনিয়র সহকারী কমিশনার আরিফুজ্জামান বলেন, আগামী তিনদিনের মধ্যে হালিমা খাতুন বিদ্যালয়ের সমস্যার সমাধান করা হবে। এই মূহুর্তে তদন্তাধীন বিষয়ে এর বেশি কিছু বলতে পারছি না।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%86%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%93-%e0%a6%89%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%a4-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%ae%e0%a6%be-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%a4/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>কেউ শোনেনা কারো কথা: চরম বিশৃঙ্খলা বরিশাল বিএনপিতে নেতৃত্ব সংকট চরমে</title>
		<link>https://shahittabazar.com/5465-2/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/5465-2/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[সাহিত্য বাজার]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 13 Oct 2024 18:31:48 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[রাজখবর]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://shahittabazar.com/?p=5465</guid>

					<description><![CDATA[কেউ শোনেনা কারো কথা: চরম বিশৃঙ্খলা বরিশাল বিএনপিতে নেতৃত্ব সংকট চরমে বিশেষ প্রতিবেদক  <p>দলীয় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের নির্দেশনা উপেক্ষা করে রাতারাতি বাস টার্মিনাল, মৎস্য বাজার, কাঁচা বাজার, নৌ ঘাট ইত্যাদি দখলদারি</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/5465-2/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div id="m#msg-a:r-8599341842159784322" class="mail-message expanded">
<div class="mail-message-header spacer"><strong>কেউ শোনেনা কারো কথা: চরম বিশৃঙ্খলা বরিশাল বিএনপিতে নেতৃত্ব সংকট চরমে</strong></div>
<div class="mail-message-content collapsible zoom-normal mail-show-images ">
<div class="clear">
<div dir="auto">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto"><strong>বিশেষ প্রতিবেদক </strong></div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">
<div id="attachment_5466" style="width: 310px" class="wp-caption alignleft"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/10/inbound663656267207870360.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-5466" class="size-medium wp-image-5466" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/10/inbound663656267207870360-300x169.jpg" alt="" width="300" height="169" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/10/inbound663656267207870360-300x170.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/10/inbound663656267207870360-768x432.jpg 768w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/10/inbound663656267207870360-1024x576.jpg 1024w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/10/inbound663656267207870360-70x40.jpg 70w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/10/inbound663656267207870360.jpg 1920w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a><p id="caption-attachment-5466" class="wp-caption-text">বিলকিস জাহান শিরিন এর পক্ষে সংবাদ সম্মেলন</p></div>
<p>দলীয় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের নির্দেশনা উপেক্ষা করে রাতারাতি বাস টার্মিনাল, মৎস্য বাজার, কাঁচা বাজার, নৌ ঘাট ইত্যাদি দখলদারি শেষ হয়েছে। রীতিমতো বদলে দেয়া হয়েছে মাছ বাজারের সাইনবোর্ড। এতোদিন আওয়ামী লীগের ঘনিষ্ঠজন মাছ ব্যবসায়ী জহির সিকদার এখন বিএনপির লোক। তিনি নিজেই খুব আড়ম্বরপূর্ণ আয়োজনে বরিশালের ইলিশ বাজারের নাম পাল্টে দিয়ে শহীদ জিয়া মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র করেছেন। বলেছেন, ১৯৯৫ সালে এটির নাম এটাই রাখা হয়েছিল। যদিও সরকারি মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র এটি নয়। বিএনপির শাসনামলে তৈরি সেই কেন্দ্রটি আজো ফাঁকা পরে আছে। অন্যদিকে</p>
</div>
<div dir="auto">বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা যখন জেলা উপজেলায় ঘুরে ঘুরে আন্দোলনের সময় আহত ও নিহতদের পরিবারের খোঁজখবর নিচ্ছিল এবং তখন থেকেই জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামি আন্দোলনের নেতাকর্মীরা গ্রামেগঞ্জে ঘুরে তাদের শক্তি ও সমর্থন বৃদ্ধির জন্য ছিলেন মরিয়া। বানারিপাড়া, আগৈলঝারা ও গৌরনদী উপজেলায় তারা রীতিমতো হিন্দু নেতৃত্ব তৈরি করে নিয়েছেন নিজ দলে। আর সেই একইসময় থেকে বরিশালে বিএনপির নেতাকর্মীদের একটা অংশ আওয়ামী লীগ নেতাদের ফেলে যাওয়া কর্মীদের সাথে নিয়ে চাঁদাবাজি আর দখলদারিত্বের প্রতিযোগিতায় নেমেছে। কেউ কেউ আবার বৈষম্যবিরোধী সমন্বয়কদের সাথে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে বিএনপির ভাবমূর্তি নষ্ট করতে ব্যস্ত। আবার ভদ্র সুশীল শ্রেনীর কিছু বিএনপি নেতারা পদপদবির লোভে স্থানীয় কিছু সাংবাদিকদের দিয়ে টাকার বিনিময়ে মিথ্যা, ভিত্তিহীন বা অনেক পুরাতন কোনো অভিযোগ খুঁজে বের করে তা দিয়ে দীর্ঘদিন মাঠের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত নেতাকর্মীদের শায়েস্তা করতে উঠেপড়ে লেগেছে। এরকম ঘটনায় জলাশয় ভরাট ও বাড়ি দখলের অভিযোগে বিএনপির বরিশাল বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরিন এর দলীয় পদ স্থগিত করা হয়েছে ইতিমধ্যেই। আরো কয়েকজন রয়েছেন তোপের মুখে। এই মুহূর্তে তারা মুখে কুলুপ এঁটে গৃহবন্দী জীবন যাপন করছেন। তারউপর রয়েছে ভারপ্রাপ্তের ভারে ভারাক্রান্ত যুবদল। গত প্রায় ১০ বছর ধরেই ভারপ্রাপ্ত দিয়ে চলছে বরিশাল মহানগর যুবদল। আর ছাত্রদলের আপাদমস্তক নেতৃত্বে পরিবর্তন আনার দাবী মহিলাদলসহ অংগসংগঠনের।  সবমিলিয়ে বরিশালের রাজনৈতিক দলগুলোর আচরণে কোথাও সাধারণ মানুষের জন্য কোনো ভাবনা খুঁজে পাওয়া যায়নি এতটুকু। গত পনের বছর আওয়ামী দুঃশাসনে মুখ বুঝে ছিলেন এরা। ৩৬ জুলাই বা ৫ আগস্টের পর এই চিত্র এতটুকুও বদলায়নি। নিত্য পন্যের দাম, বাজার দর, গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটসহ কোনো বিষয়েই সাধারণ মানুষ পাশে পায়নি রাজনৈতিক কাউকে।</div>
<div dir="auto">বরিশাল জেলার ১০ উপজেলার ৮৭ ইউনিয়নের ৫ লক্ষাধীক মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়, তাদের পরিস্থিতি নিয়ে কিছুই জানেনা বরিশাল জেলা বা মহানগর বিএনপি। এমনকি বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে বরিশালে নিহত ও আহতদের কোনো পরিসংখ্যানও নেই জেলা বা মহানগর বিএনপির কাছে। তবে নিজেদের ভিতর আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের অনুপ্রবেশ ঘটেছে বলে স্বীকার করেন একাধিক নেতা। মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুক বললেন, চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্বের সাথে যারাই জড়িত তাদের পিছনে ও পাশে আওয়ামী লীগের ভুত রয়েছে এখনো। দলীয় চেয়ারম্যানের স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা থাকার পরও যারা এসব কাজ করছেন তাদের আর সতর্ক করা হবেনা। এসব অভিযোগ নিয়ে তদন্ত চলছে। মহানগর কমিটির রিপোর্টই এজন্য যথেষ্ট বলে জানান মনিরুজ্জামান ফারুক।</div>
<div dir="auto">যদিও সাধারণ কর্মীদের কাছে মনিরুজ্জামান ফারুক জাতীয় পার্টি থেকে আসা একজন নেতা। তাকে সৎ ও তবে কর্মঠ দাবী করলেও তিনি নির্ঝঞ্ঝাট টাইপের নিরিহ মানুষ এবং নেতৃত্বের জন্য যোগ্য  নয় বলে জানালেন তৃনমূলের অনেকেই।</div>
<div dir="auto">বেশ কয়েকজন মাঠ পর্যায়ের সাধারণ নেতাকর্মীদের বিশ্লেষণ হচ্ছে, জেলা বা মহানগরের শীর্ষ নেতাদের সাথে মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মীদের ব্যাপক দূরত্ব। কাউকে একটু মহানগর আওতাধীন এলাকা সদর উপজেলার গ্রামে যেতে বলেন, তাহলেই স্পষ্ট হবে তাদের জনপ্রিয়তা। এ কথার প্রমাণ পাওয়া যায়, সদর উপজেলার বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ সংকটে জেলা বা মহানগর বিএনপির কাউকেই দেখা যায়নি ভাঙা ব্রীজ বা সড়কের সমস্যা সমাধানে গ্রামবাসীর পাশে যেয়ে দাঁড়াতে। পূর্ব কর্ণকাঠী যার বাস্তব প্রমাণ।</div>
<div dir="auto">এদিকে আবার বরিশাল মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব জিয়া সিকদারকে নিয়ে রয়েছে নানাবিধ বিতর্ক। তৃণমূল বিএনপি শুধু নয়, বরিশালের ব্যবসায়ী মহলের কেউ কেউ অভিযোগ তুলে বলেন, বিএনপির সদস্য সচিব জিয়া সিকদার এর মূল লক্ষ্য বাস টার্মিনাল, বিসিকের শিল্প কারখানা দখল। ইতিপূর্বে মোটরসাইকেল বহর নিয়ে আওয়ামী লীগ নেতা সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ ও তার ছাত্রলীগ বাহিনী নগরীতে আতঙ্ক ছড়িয়ে রেখেছিলো। এখন শুধু সাদিক আব্দুল্লাহ নেই। তার জায়গা নিয়েছেন জিয়া সিকদার। একই মোটরসাইকেল বহর নিয়ে তিনি এখন ঘুরছেন ও ভীতি সৃষ্টি করছেন জনমনে। দখল করছেন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ইজারা ঘর। ছাত্রদলের সভাপতি রনিকে দিয়ে কাজ করায় সে, সম্ভব হলে ছাত্রলীগের সবাইকে তার দলে নিয়ে নেবে যেকোনো সুযোগে।</div>
<div dir="auto">এদিকে নগরীর পোর্ট রোড এলাকার বাসিন্দারা বলেন, বরিশালের একচ্ছত্র আধিপত্য ছিলো মজিবর রহমান সরোয়ার এর। তিনি অসুস্থ হওয়ার সুযোগে বিলকিস জাহান শিরিন এর একটা সম্ভাবনা তৈরি হয়, কিন্তু জিয়া সিকদার ও কিছু সমমনাদের নিয়ে বরিশালের রাজনৈতিক মাঠ দখল করতে সচেতন পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছেন বিভাগীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক আকন কুদ্দুসুর রহমান। গৌরনদী এলাকায় জহির উদ্দিন স্বপন এর সাথে পেরে উঠতে না পেরে তিনি এখন সদর আসনে দৃষ্টি দিয়েছেন বলে জানান একাধিক সরোয়ার অনুসারী।</div>
<div dir="auto">এদিকে আবার নথুল্লাবাদ বাস টার্মিনালসহ বেশকিছু স্থান দখলে নিজ ভাইদের নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ বিএনপির বরিশালের শীর্ষ নেতা কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মজিবর রহমান সরোয়ার। সম্প্রতি মহানগর বিএনপির পাশাপাশি  তাকেও দেখা গেছে নগরীর স্টিমারঘাট জামে মসজিদের কমিটি গঠন প্রক্রিয়ায়।</div>
<div dir="auto">
<p>বরিশাল জেলা বিএনপির মেসবাহউদ্দিন ও আবুল হোসেনকে অবজ্ঞা করেই চলে এখানের মহানগর বিএনপি। যে কারণে জেলার সাথে কখনোই যৌথ কোনো অনুষ্ঠান আয়োজন আজপর্যন্ত চাক্ষুষ নয় বরিশালে। তাছাড়া বয়সের ভাড়ে ভারাক্রান্ত এ দুজন নেতাও এখন ২৪ এর নব বাংলাদেশের জন্য অযোগ্য বলে দাবী অনেকেরই। বরিশাল  যুবদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এখন পর্যন্ত ভারপ্রাপ্ত ভারে ভারাক্রান্ত। তবে এখানের নেতৃত্বে এখন পর্যন্ত কোনো সংকট বা অভিযোগ পাওয়া যায়নি। যদিও গত ১২ সেপ্টেম্বর জেলা যুবদলের কার্যক্রমে হতাশ হয়েছে বরিশালবাসী। উজিরপুর উপজেলার শিকারপুর বাজার দখলের চেষ্টায় ইজারাদার বাচ্চু ও তার পরিবারের তিন সদস্যকে কুপিয়ে মারাত্মক জখম করেছে উজিরপুর যুবদলের মিজান ও আনিচ ফকির। বাচ্চু ইজারাদার হলেও সে একজন সংবাদ কর্মী এবং জাতীয় দৈনিকের প্রতিনিধি। এদিকে জেলা ও মহানগর</p>
<div id="attachment_5467" style="width: 310px" class="wp-caption alignright"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/10/inbound3102572986656879266.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-5467" class="size-medium wp-image-5467" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/10/inbound3102572986656879266-300x169.jpg" alt="" width="300" height="169" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/10/inbound3102572986656879266-300x170.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/10/inbound3102572986656879266-70x40.jpg 70w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/10/inbound3102572986656879266.jpg 609w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a><p id="caption-attachment-5467" class="wp-caption-text">সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রদলের প্রতি অভিযোগ</p></div>
<p>ছাত্রদলের ভূমিকা বারবার প্রশ্নবিদ্ধ বরিশালে। ছাত্রদলের আপাদমস্তক নেতৃত্বের পরিবর্তন জরুরী বলে দাবী করেছেন বরিশাল বিএনপির মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক ফরিদা বেগম। এ জন্য করেছেন সংবাদ সম্মেলনও।</p>
</div>
<div dir="auto">সাধারণ কর্মী ও সমর্থকসহ গ্রামগঞ্জের সাধারণ মানুষের কাছে তারপরও বিএনপি ও দলীয় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এর স্থান অনেক উঁচুতে। তারেক রহমান এর সাম্প্রতিক বক্তব্য নিয়ে আলোচনা করেন বরিশালের সাধারণ মানুষ। তাদের বেশিরভাগ অংশের দাবী, বাছাইকৃত পদধারী নেতাদের সাথে নয়, বরিশালের মাঠ পর্যায়ের বিএনপি সমর্থক ও সাধারণ মানুষের সাথে তারেক রহমান সরাসরি কথা বললেই পরিস্থিতি বুঝতে পারবেন বলে জানান কৃষক দলের একজন নেতা।</div>
<div dir="auto">এদিকে বরিশালের চাঁদপুরা ও চন্দ্রমোহন ইউনিয়ন বিএনপির সদস্যরা বলেন, মহানগর ও জেলা বিএনপি তারেক রহমানকে সঠিক তথ্য দিচ্ছেনা।  তারা বলেন, বরিশালে এই মুহূর্তে একজনও বিএনপির নেতৃত্ব দেওয়ার যোগ্য লোক নেই। নেতৃত্বে যারা আছেন, তারা নিজেরাই নিজেদের কথা শোনেন না বলে জানান সাধারণ মানুষ ও গ্রাম পর্যায়ের বিএনপি সমর্থকরা। এ জন্য বিএনপির মিডিয়া সেল প্রধান জহির উদ্দিন স্বপনকে বরিশালের নেতৃত্বে দেয়ার প্রস্তাবও করেছেন তৃণমূল বিএনপির অনেকে।</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/5465-2/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>শপথ শেষে দায়িত্ব নিলেন উপদেষ্টারা: আছেন দূই সমন্বয়ক</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%b6%e0%a6%aa%e0%a6%a5-%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b7%e0%a7%87-%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a7%9f%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ac-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%89%e0%a6%aa/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%b6%e0%a6%aa%e0%a6%a5-%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b7%e0%a7%87-%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a7%9f%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ac-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%89%e0%a6%aa/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[সাহিত্য বাজার]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 09 Aug 2024 00:44:30 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জেলায় জেলায় সাহিত্য]]></category>
		<category><![CDATA[প্রবন্ধ]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলার চিঠি]]></category>
		<category><![CDATA[রাজখবর]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[সাহিত্য]]></category>
		<category><![CDATA[ড ইউনুস]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বৈষম্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://shahittabazar.com/?p=5349</guid>

					<description><![CDATA[<p>শপথ শেষে দায়িত্ব নিলেন উপদেষ্টারা: আছেন দূই সমন্বয়ক</p> <p>বিশেষ প্রতিবেদক</p> <p>বঙ্গভবনের দরবার হলে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টারা শপথ নিয়েছেন। প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে প্রথমে ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে শপথ পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মোঃ</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%b6%e0%a6%aa%e0%a6%a5-%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b7%e0%a7%87-%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a7%9f%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ac-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%89%e0%a6%aa/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>শপথ শেষে দায়িত্ব নিলেন উপদেষ্টারা: আছেন দূই সমন্বয়ক</strong></p>
<p><strong>বিশেষ প্রতিবেদক</strong></p>
<div id="attachment_5350" style="width: 310px" class="wp-caption alignleft"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/08/Screenshot_2024-08-09-00-14-22-53_a23b203fd3aafc6dcb84e438dda678b6.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-5350" class="size-medium wp-image-5350" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/08/Screenshot_2024-08-09-00-14-22-53_a23b203fd3aafc6dcb84e438dda678b6-300x120.jpg" alt="" width="300" height="120" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/08/Screenshot_2024-08-09-00-14-22-53_a23b203fd3aafc6dcb84e438dda678b6-300x120.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/08/Screenshot_2024-08-09-00-14-22-53_a23b203fd3aafc6dcb84e438dda678b6-768x306.jpg 768w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/08/Screenshot_2024-08-09-00-14-22-53_a23b203fd3aafc6dcb84e438dda678b6-1024x408.jpg 1024w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/08/Screenshot_2024-08-09-00-14-22-53_a23b203fd3aafc6dcb84e438dda678b6.jpg 1102w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a><p id="caption-attachment-5350" class="wp-caption-text">শপথ পাঠ করছেন উপদেষ্টারা</p></div>
<p>বঙ্গভবনের দরবার হলে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টারা শপথ নিয়েছেন। প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে প্রথমে ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে শপথ পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন। এরপর বাকি ১৬ উপদেষ্টার মধ্যে ১৩ জন শপথ পাঠ করেছেন। ৮ আগস্ট বৃহস্পতিবার রাত ৯টা ২৭ মিনিটে তারা শপথ নেন। এদিন রাত ৮টায় তাদের শপথ গ্রহণের কথা থাকলেও তা পিছিয়ে দেওয়া হয়।<br />
ফারুক-ই-আযম, বিধান রঞ্জন রায়, সুপ্রদীপ চাকমা ঢাকার বাইরে থাকায় তারা শপথ পাঠের এই আনুষ্ঠানিকতায় উপস্থিত হতে পারেননি বলে জানিয়েছেন মন্ত্রীপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন।<br />
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টাদের মধ্যে রয়েছেন দুজন ছাত্র–সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ ভূঁইয়া ও মো. নাহিদ ইসলাম। তারাও এই সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে শপথ পাঠ করেছেন। এতে সৃষ্টি হলো নতুন ইতিহাস। বাংলাদেশের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো সরকারের সর্বকনিষ্ঠ উপদেষ্টা হলেন তারা। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম দুই সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদের বাড়ি কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার আকুবপুর গ্রামে। তার পিতার নাম মো. বিল্লাল হোসেন ও মাতার নাম রোকসানা বেগম।<br />
আসিফ মাহমুদ (২৬) আদমজী ক্যান্টমেন্ট কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও কলেজটির বিএনসিসি ক্লাবের প্লাটুন সার্জেন্ট ছিলেন। কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সম্পন্ন করে তিনি বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষাবিজ্ঞান বিভাগের স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী।<br />
আর নাহিদ ইসলামের (২৬) ডাকনাম &#8216;ফাহিম&#8217;। তিনি বিবাহিত। তার জন্ম ১৯৯৮ সালে ঢাকায়। বাবা শিক্ষক। ঘর সামলে সন্তানদের মানুষ করেছেন মা। ছোট এক ভাই রয়েছে তাঁর। তিনি সরকারি বিজ্ঞান কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেন। বর্তমানে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজবিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করছেন তিনি।<br />
বাকি উপদেষ্টারা হলেন;-<br />
১। সালেহ উদ্দিন আহমেদ,<br />
২। ড. আসিফ নজরুল,<br />
৩। আদিলুর রহমান খান,<br />
৪। হাসান আরিফ,<br />
৫। তৌহিদ হোসেন,<br />
৬। সৈয়দা রেজওয়ানা হাসান,<br />
৭। মো. নাহিদ ইসলাম,<br />
৮। আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া,<br />
৯। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এম সাখাওয়াত হোসেন,<br />
১০। ফরিদা আখতার,<br />
১১। আ.ফ.ম খালিদ হাসান,<br />
১২। নূর জাহান বেগম,<br />
১৩। শারমিন মুরশিদ</p>
<p><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/08/Screenshot_2024-08-09-00-10-44-00_a23b203fd3aafc6dcb84e438dda678b6.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignright size-medium wp-image-5352" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/08/Screenshot_2024-08-09-00-10-44-00_a23b203fd3aafc6dcb84e438dda678b6-300x203.jpg" alt="" width="300" height="203" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/08/Screenshot_2024-08-09-00-10-44-00_a23b203fd3aafc6dcb84e438dda678b6-300x203.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/08/Screenshot_2024-08-09-00-10-44-00_a23b203fd3aafc6dcb84e438dda678b6-190x130.jpg 190w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/08/Screenshot_2024-08-09-00-10-44-00_a23b203fd3aafc6dcb84e438dda678b6.jpg 642w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a> <a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/08/IMG_20240809_003429.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignright size-medium wp-image-5353" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/08/IMG_20240809_003429-300x150.jpg" alt="" width="300" height="150" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/08/IMG_20240809_003429-300x150.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/08/IMG_20240809_003429-768x385.jpg 768w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/08/IMG_20240809_003429.jpg 928w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>এর আগে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে শপথ গ্রহণ করতে বঙ্গভবনে প্রবেশ করেন শান্তিতে নোবেলবিজয়ী গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস।<br />
বৃহস্পতিবার রাত ৮ টা ২৮ মিনিটে তিনি তার গাড়ি বহর নিয়ে বঙ্গভবনে প্রবেশ করেন। এর আগে বিএনপির নেতৃবৃন্দ, ঢাকায় নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনার এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা বঙ্গভবনে প্রবেশ করেন।<br />
তার আগে দুপুর ২টা ১১ মিনিটে ড. ইউনূসকে বহনকারী ফ্লাইটটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এ সময় বিমানবন্দরে ড. ইউনূসকে স্বাগত জানান সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানসহ তিন বাহিনীর প্রধান, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়করা, নির্বাচন পর্যবেক্ষণকারী, ব্রতীর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন মুরশিদ ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।<br />
এসময় বিমানবন্দরে দাঁড়িয়ে ড. ইউনূস বলেন, গত কয়েকদিনে দেশের মধ্যে যে সহিংসতা হয়েছে সেগুলো ষড়যন্ত্র। এটাকে রোধ করতে হবে। তাদের লাঠিপেটা করলে হবে না। সহিংসতাকারীদের আইনের হাতে তুলে দিতে হবে। কোনো প্রকার প্রতিহিংসামূলক কাজ করা যাবে না।<br />
তিনি বলেন, আমার ওপর যদি আস্থা এবং বিশ্বাস রাখেন তাহলে এটা নিশ্চিত করতে হবে কারো ওপর কোনো প্রকার হামলা করা যাবে না, বিশৃঙ্খলা করা যাবে না। যদি বিশৃঙ্খলা করা হয় তাহলে আমি এই দায়িত্বে থাকব না।<br />
ড. ইউনূস বলেন, নতুন বিজয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ নতুন বিজয় দিবস শুরু করল। আমাদের এখন এগিয়ে যেতে হবে। যারা এটি করেছে তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা, তারা (সমন্বয়করা) দেশকে রক্ষা করেছে।<br />
ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, দেশবাসীর কাছে আমার অনুরোধ, আপনারা যদি আমার ওপরে বিশ্বাস রাখেন, ভরসা রাখেন, তাহলে দেশে কারও ওপর কোনো হামলা আর হবে না। যদি হয়, তাহলে আমি আপনাদের সঙ্গে থাকব না।<br />
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করাকে গুরুত্ব দিয়ে ইউনূস বলেন, যেজন্য আন্দোলন হয়েছে সেটার ফলাফল যেন ব্যর্থ না হয়। পুনর্জন্মে যে বাংলাদেশ পেলাম সে বাংলাদেশ যেন পূর্ণতা পায়। যে বিপ্লবের মাধ্যমে বাংলাদেশ আজ নতুন করে বিজয় পেল তা যেন পূর্ণতা পায়।<br />
এ সময় কান্নাজড়িত কণ্ঠে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, আজকে আমার আবু সাঈদের কথা মনে পড়ছে। যে আবু সাঈদের কথা দেশের প্রতিটি মানুষের মনে গেঁথে আছে। এ ঘটনার মধ্য দিয়ে দেশে দ্বিতীয় স্বাধীনতা এসেছে। এসময় তিনি তরুণ সমাজকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, তরুণ সমাজ যেন নিজেদের মতো করে দেশটা সাজাতে পারে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%b6%e0%a6%aa%e0%a6%a5-%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b7%e0%a7%87-%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a7%9f%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ac-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%89%e0%a6%aa/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>গদাধর সরকার এর কবিতা</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%97%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%a7%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%8f%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a6%be/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%97%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%a7%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%8f%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a6%be/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[সাহিত্য বাজার]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 27 Apr 2019 14:38:27 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[পদাবলী]]></category>
		<category><![CDATA[সাহিত্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://shahittabazar.com/?p=3765</guid>

					<description><![CDATA[<p>গদাধর সরকার এর কবিতা</p> <p>এক</p> <p>ঘুম</p> <p>আমি দুললাম মেঘনা । পাতায় আমি ডুবলাম জলে ।<br /> গান গেয়ে যায় কবিতা দেশ । গান গেয়ে পথ চলে ।</p> <p>বাউল সাগর আগুন</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%97%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%a7%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%8f%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a6%be/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>গদাধর সরকার এর কবিতা</strong></p>
<p><strong><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/04/received_2072302276395548-1.jpeg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-3767" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/04/received_2072302276395548-1-300x169.jpeg" alt="" width="300" height="169" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/04/received_2072302276395548-1-300x170.jpeg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/04/received_2072302276395548-1-70x40.jpeg 70w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/04/received_2072302276395548-1.jpeg 720w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>এক</strong></p>
<p><strong>ঘুম</strong></p>
<p>আমি দুললাম মেঘনা । পাতায় আমি ডুবলাম জলে ।<br />
গান গেয়ে যায় কবিতা দেশ । গান গেয়ে পথ চলে ।</p>
<p>বাউল সাগর আগুন দিলেন । হেসে বললেন ওহে,<br />
গুন টেনে যাও । গুন টেনে যাও । শুধু বাঁচবার মোহে,</p>
<p>ছবি আঁকলাম । উড়িয়ে দিলাম । উড়তে উড়তে তারা &#8212;<br />
দুলিয়ে দিলো আমার বুকে আকাশমনির চারা &#8212; !<br />
আকাশ আমার । আকাশ আমার । হাজার বছর শেষে ,<br />
কেউকি নেশায় পড়বে ছবি ? কেউকি হাওয়ায় ভেসে &#8212;</p>
<p>বলবে আবার ও শিউলি দ্বীপ ! তোমায় খোঁজা বাকি !<br />
ভাবতে ভাবতে পাথর পুরের পথিক হতে থাকি !</p>
<p>পাথরে রাত , পাথরে রাত , পাথরে রাত পড়ে &#8212;<br />
কিশোরী তুই জাগাস আমায় হাজার বছর পরে।</p>
<p><strong>দুই</strong><br />
<strong>একশো প্রদীপ জ্বালি</strong></p>
<p>আমড়া পাতা আমড়া পাতা<br />
আমড়া পাতার ফালি !<br />
আমরা দ্যাখো আকাশ জুড়ে<br />
একশো প্রদীপ জ্বালি !!</p>
<p>প্রদীপ ! প্রদীপ ! ও দ্বীপ বলে<br />
নাড়ছে দু হাত কারা ?<br />
মাছরাঙা নয়, নাচ জুড়েছে<br />
পাঁচটি নতুন তারা !!</p>
<p>দিক হারিয়ে নাবিক গুলো<br />
অমোঘ আশায় ছোটে !<br />
বুকের ভিতর বুলবুলি দেশ<br />
শিউলি টগর ফোটে !!</p>
<p>গুন গুনিয়েই দেবদারু গাছ<br />
বলছে আমায় পাখি !<br />
তোমার হাতেই পরিয়ে দেবো<br />
শাপলা গানের রাখী !!</p>
<p>আমড়া পাতা, আমড়া পাতা,<br />
আমড়া পাতার ফালি !<br />
আমরা দ্যাখো আকাশ জুড়ে<br />
একশো প্রদীপ জ্বালি !!</p>
<p><strong>তিন</strong><br />
<strong>হাত বাড়ালে</strong></p>
<p>হাত বাড়ালে তোমরা সবাই<br />
রাতের তারা গুনতে পারি ।<br />
ধান ছড়িয়ে ময়না পুরের<br />
আশার ভূবন বুনতে পারি ।</p>
<p>হাত বাড়ালে তোমরা সবাই<br />
মেঘের হাসি চাইতে পারি ।<br />
পথ কুড়িয়ে চোখের ভিতর<br />
খুশির ভেলাও বাইতে পারি।</p>
<p>হাত বাড়ালে তোমরা সবাই<br />
পলাশ, জবা আঁকতে পারি ।<br />
ঢেউ জড়িয়ে বাউরী আলোয়<br />
কদম রেনু মাখতে পারি ।</p>
<p>হাত বাড়ালে তোমরা সবাই<br />
হৃদয় পুরো মেলতে পারি ।<br />
রঙ বিছিয়ে ঝরনা তলায়<br />
সবার সাথে খেলতে পারি ।</p>
<p>হাত বাড়ালে তোমরা সবাই<br />
পেখম তুলে নাচতে পারি ।<br />
রোজ বাজিয়ে ধামসা, মাদল<br />
আবার সুখে বাঁচতে পারি ।</p>
<p>হাত বাড়ালে তোমরা সবাই<br />
চিতার মতো ছুটতে পারি ।<br />
গুন গুনিয়ে শিউলি, টগর<br />
ফুলের মতো ফুটতে পারি ।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%97%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%a7%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%8f%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বাংলার সেরা কবিতাঃ কুড়ি  গুণন তিন</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%83-%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a7%9c%e0%a6%bf-%e0%a6%97/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%83-%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a7%9c%e0%a6%bf-%e0%a6%97/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[সাহিত্য বাজার]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 17 Mar 2019 10:20:31 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[পদাবলী]]></category>
		<category><![CDATA[সাহিত্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://shahittabazar.com/?p=3728</guid>

					<description><![CDATA[<p>ফরিদ আহমদ দুলাল এর কবিতা</p> <p>এক</p> <p>নির্ভরতার মূল্য</p> <p>নির্ভরতার মূল্য দিলাম জীবনের প্রতিদিন<br /> গোপনে আকাশ পাঠালো মেঘের কিছু অশোধ্য ঋণ,<br /> মেঘবালিকার কোমল সুষমা জড়ায় গ্রীবার বাঁকে<br /> সে</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%83-%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a7%9c%e0%a6%bf-%e0%a6%97/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>ফরিদ আহমদ দুলাল এর কবিতা</strong></p>
<p><strong style="font-style: italic;">এক<a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/03/FB_IMG_1552836204113.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-3748" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/03/FB_IMG_1552836204113-298x300.jpg" alt="" width="298" height="300" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/03/FB_IMG_1552836204113-298x300.jpg 298w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/03/FB_IMG_1552836204113-150x150.jpg 150w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/03/FB_IMG_1552836204113.jpg 720w" sizes="auto, (max-width: 298px) 100vw, 298px" /></a></strong></p>
<blockquote><p><strong>নির্ভরতার মূল্য</strong></p></blockquote>
<p>নির্ভরতার মূল্য দিলাম জীবনের প্রতিদিন<br />
গোপনে আকাশ পাঠালো মেঘের কিছু অশোধ্য ঋণ,<br />
মেঘবালিকার কোমল সুষমা জড়ায় গ্রীবার বাঁকে<br />
সে দৃশ্য দেখে পাহাড়-দুহিতা মুখ কালো করে থাকে;<br />
নির্ভার নদী একা বয় স্রোতে ঢেউ দিয়ে কথা কয়<br />
হৃদয়ের কথা অনুচ্চারিত তবু সন্তাপ নয়;<br />
মনস্তাপের পরকীয়া পাপে আগুন যদিও জ্বলে<br />
বুকের আগুন নেভাতে মনের আকুতিরা কেঁদে চলে;<br />
নির্ভরতায় দিন কাটে যদি নিশি জাগরণ দায়<br />
প্রণয়ের কথা আকুল পখিরা বলে ছুঁয়ে রাঙা পায়।</p>
<p>শর ছেঁড়া তীর হাতে অর্জুন কাছাকাছি আসে যদি<br />
মিথ্যা-কুহকে ভয় পেয়ে ভুলে উজানে যায় না নদী<br />
মেঘবালিকার অভিমান হয়ে বারিধারা ঝরে মনে<br />
লজ্জাবতী সে পাহাড়-দুহিতা একাকী হারায় বনে<br />
বনের নিরলে মন-বন্দনা মন-বিনিময় কলা<br />
নির্ভরতার দু&#8217;চোখে দেখেছি স্বপ্নের ষোলকলা;<br />
চৌষট্টিকলা স্পর্শানন্দ চায় শুভ বাতায়ন<br />
স্বপ্নবাসর রচিবারে চায় পুষ্পিত চন্দন।</p>
<p>দুই</p>
<p><strong>ক্ষমার অযোগ্য আমি</strong></p>
<p>ক্ষমার অযোগ্য আমি তবু ক্ষমা চাই<br />
রিপুর বাতাসে নড়ি লালসার গন্ধে ছুটে যাই<br />
ভনিতার নির্মোহ প্রকল্প খুলে সুনাম কুড়াই<br />
প্রয়োজনে পরিপার্শ্বে সামান্য ঋদ্ধির খুদ-কুড়া-খাবার ছড়াই<br />
আলোয় বসত করি অধিকালোর সন্ধান পেলে দু&#8217;হাত বাড়াই<br />
ক্ষমার অযোগ্য আমি তবু ক্ষমা চাই।<br />
স্বার্থান্ধতা মোহ হয় মেকি বিভার আলোক-ফানুস ওড়াই<br />
যজ্ঞের আগুন জ্বেলে প্রকাশ্য পাপের পুতুল পোড়াই<br />
প্রণয়ের প্রতারণা দিয়ে প্রেয়সীকে ঘুড়ি করে আকাশে ওড়াই<br />
ঘুড়িটি আকাশে ওড়ে গোত্তাখায় যত্নে রাখি গোপন নাটাই;<br />
&#8216;ক্ষমাই মহত্ত&#8217; এ আপ্তবাক্যের সুষমা শোনাই;<br />
ক্ষমার অযোগ্য আমি তবু ক্ষমা চাই।</p>
<p>অপেক্ষার ছিপ ফেলে বসে থাকি পুকুরের পাড়ে<br />
সংবেদী পাতাকাঠিটি যদি মাছেদের কেউ নাড়ে<br />
হঠাৎ উৎসবে জমে যেতে পারে মাছের শিকার<br />
তৃষিত জীবনে জ্বলে বঞ্চনানল রিপুর নিত্য ক্ষুধা চিত্তের বিকার;<br />
মাছ-পাখি-ভোগ্যপশু এবং নারীকে নিয়ে বার্বিকিউয়ে যাই<br />
ক্ষমার অযোগ্য আমি তবু ক্ষমা চাই।</p>
<p><strong>তিন</strong></p>
<p>কামাসক্তি</p>
<p>শরীর যদি না জাগে কবি সৃষ্টিহারা<br />
আত্মসংযমে শরীর কামকাতর হবে<br />
কামান্ধতায় হবে না কভু দিশাহারা;<br />
সৃষ্টির অমোঘ সূত্র কাম দয়িতার প্রতি টান<br />
প্রত্যাখ্যানে জমে অভিমান বেদনায় আত্মহারা;<br />
কাম অপবিত্র যদি যদি কাম পাপ<br />
নদীরা অনাব্য হবে সৃষ্টির বাগানে ফোটে কি গোলাপ?<br />
ভ্রমরের বুকে জাগবে শুধু কন্টকের মনস্তাপ।<br />
সৃষ্টির মোহন বাঁকে কামসূত্রের পাঠ যত্নে রাখি<br />
বীজসূত্র যদি না থাকে বৃক্ষের পৃথিবীটা ফাঁকি।</p>
<p>বুকের গহীন খুঁড়ে কবি তুলে আনে পঙক্তি স্বর্ণপিণ্ড-হীরে<br />
অতঃপর আত্মার উত্তাপে সোনা পুড়ে পুড়ে হয় অলঙ্কার<br />
হীরাতে কৌণিক দ্যূতি যোগ সুনিপুন শৈলী-মীড়ে<br />
এবং এভাবে কাম-স্পৃহা দিয়ে তৈরি কবিতার উপহার;<br />
কামাসক্তিতে শিল্পের বিকাশপর্ব রচিত হয়<br />
কাঙ্ক্ষিত কামাসক্তিতে জাগুক হৃদয়।</p>
<p>&nbsp;</p>
<ul>
<li><strong>তপংকর</strong> <strong>চক্রবর্তী</strong> <strong>এর</strong> <strong>কবিতা</strong></li>
</ul>
<p><strong><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2018/06/তপ.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-3603" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2018/06/তপ-300x251.jpg" alt="" width="300" height="251" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2018/06/তপ-300x251.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2018/06/তপ.jpg 450w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>এক</strong></p>
<p><strong>মানুষ যখন</strong></p>
<p>মানুষ যখন যাচ্ছে চাঁদে<br />
আমরা খুশী সে সংবাদে<br />
কিন্তু কিছু মানুষ দেখি<br />
আজগুবি সব গল্প ফাঁদে।<br />
ঘুরবে মানুষ চন্দ্র-তারায়<br />
যেমন ঘোরে পাড়ায় পাড়ায়<br />
এই ছিল সে চন্দ্রলোকে<br />
শুক্রে দেখি একটু বাদে।<br />
ঘরের পাশে কিংবা ছাদে<br />
কোন অচেনা বেড়াল কাঁদে<br />
ইচ্ছে করে সারা জীবন<br />
আটকে থাকি স্বপ্ন ফাঁদে।<br />
মানুষ যেমন জঙ্গলে যায়<br />
এখন তেমন মঙ্গলে ধায়<br />
এ যেন ঠিক যাচ্ছে বিদেশ<br />
মনের সুখে, কি আহ্লাদে।<br />
কেউ ছুটেছে বৃহস্পতি<br />
রকেট নিয়ে দারুণ-গতি<br />
কিন্তু কিছু মানুষ দেখি<br />
লিপ্ত থাকে বিসম্বাদে।<br />
সৌরজগৎ জয় করে যে<br />
মানুষ যাবে অন্যলোকে<br />
আর কি কাঁদার সময় আছে<br />
মাছের মায়ের পুত্রশোকে।<br />
সে যেতে চায় দূর অজানায়<br />
বিশ্ববাসীর বার্তা নিয়ে<br />
জীবনটা তার করবে সফল<br />
ভিন্ন ভাবে, ভিন্ন স্বাদে।</p>
<p><strong>দুই</strong></p>
<p><strong>অব্যক্ত</strong></p>
<p>বলতে চেয়েও বলতে পারিনি কথা<br />
বুকের ভেতরে উথাল-পাথাল ঢেউ<br />
জানিনাতো তুমি ভালবাসো নীরবতা<br />
আমাকে ভাবো না তোমার আপন কেউ।</p>
<p>ব্যাকুলতা দিয়ে বকুলকে যদি ডাকি<br />
হয়তো সে ডাকে ফুলেরাও দেবে সাড়া<br />
এতো ব্যাকুলতা কি করে যে ধরে রাখি<br />
দু’চোখে ঘনায় সজল অশ্রুধারা।</p>
<p>এতটা কষ্ট, এতটা বেদনা সয়ে<br />
তোমাকে দেখতে ছুটে আসি কত দূর<br />
হয়তো তোমার নেই সে নির্ভরতা<br />
তোমার হৃদয়ে বাজছে অন্য সুর।</p>
<p>আমরা দু’জন যেন দুই দ্বীপে থাকি<br />
চারপাশে শুধু পাখিদের ডাকাডাকি।</p>
<p>০৩.০৩.২০১৯</p>
<p><strong>তিন</strong></p>
<p><strong>অভিশাপ</strong></p>
<p>নিত্য তুমি করছো যত পাপ<br />
জানতে পেলে কাঁদবে তোমার বাপ্<br />
ভয়েই বুড়োর বাড়বে রক্তচাপ<br />
বলছি শোন, বলছি আমি সাফ<br />
তোমার পাপের হয়না কোন মাফ<br />
জানলে পুলিশ পড়াবে হ্যান্ডকাফ।</p>
<p>খাদ্যে তুমি দিচ্ছ ভেজাল ঠেসে<br />
তার জন্যেই নানান অসুখ এসে<br />
দেয় বাড়িয়ে হৃদপিন্ডের লাফ<br />
বেঁচে থাকাই এখন ভীষণ টাফ।</p>
<p>নিত্য তোমার নানান রকম পাপে<br />
এই পৃথিবী থরথরিয়ে কাঁপে<br />
মানব তো নও দানব তুমি<br />
কাঁদছে দ্যাখো জন্মভূমি<br />
এমন হল কেমন করে<br />
কাদের অভিশাপে!</p>
<p>&nbsp;</p>
<p><strong>গোলাম কিবরিয়া পিনু এর কবিতা</strong></p>
<p><strong><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/03/05.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-3759" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/03/05-238x300.jpg" alt="" width="238" height="300" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/03/05-238x300.jpg 238w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/03/05.jpg 762w" sizes="auto, (max-width: 238px) 100vw, 238px" /></a>এক</strong></p>
<p><strong>প্রাণস্পর্শী</strong></p>
<p>প্রাণস্পর্শী মানুষের খোঁজ পেয়ে যাই<br />
হাঁড়িয়া মেঘের মধ্যে থেকে<br />
কখনো কখনো।<span class="text_exposed_show"><br />
সেই সুখস্পর্শ এখনো বাঁচিয়ে রাখে<br />
হৃদয়কন্দরে স্বর্ণপুষ্প<br />
মনের বন্দরে দীপপুষ্প,<br />
কেতকীর খোঁজে অন্ধকূপ থেকে বের হয়ে পড়ি<br />
বনপথে হাঁটি।</span></p>
<div class="text_exposed_show">
<p>মুমূর্ষু-অবস্থা মাঝে মাঝে টেনে নেয়<br />
অন্ধ-জরায়ুতে,<br />
তারপরও মানুষের আকুলতা পেয়ে<br />
পুনর্জন্ম হয়&#8211;জন্মপত্র হাতে পাই।</p>
<p>মানুষের হৃদয়তন্ত্রীতে কত রকমের সুর<br />
দূর নভস্থল থেকে আসে<br />
তারই আভা তার কাছে পেয়ে<br />
মুগ্ধতা কাটে না,<br />
ক্ষুব্ধ মন বীতরাগ থেকে বেঁচে ওঠে<br />
শস্যহানির বেদনা ভুলে যাই।</p>
<p>প্রাণস্পর্শী মানুষের সৌন্দর্যে আরও একবার<br />
আত্মজ্ঞান ফিরে পাই&#8211;দিব্যদৃষ্টি আমাকে নাচায়<br />
প্রাণপ্রাচুর্যে আবারো বাঁচায়।</p>
<p><strong>দুই</strong></p>
<p><strong>আমরা মানুষ</strong></p>
<p>চোখের জলেও মানুষের ঐক্য হয়<br />
অপরের চোখে জল দেখে<br />
আমারও চোখে জল আসে<span class="text_exposed_show"><br />
বেদনার মধ্যে মানুষের ঐক্য হয়<br />
আর তখনই আমরা মানুষ!<br />
সব ভেদাভেদ দূর হয়ে যায়<br />
আর তখনই আমরা মানুষ!</span></p>
<div class="text_exposed_show">
<p>আশ্রয় পুড়েছে&#8211;<br />
আমরা আশ্রয়চ্যুত মানুষকে আশ্রয় দেই।<br />
সীমান্ত থাকে না&#8211;<br />
উদারতায় নিমগ্ন হয়ে উঠি<br />
যাতায়াতের দুষ্কর পথে অসহায় মানুষেরা<br />
রক্তাক্ত শরীর নিয়ে আসে<br />
অনাহারী হয়ে আসে<br />
আমরা শুশ্রুষা দেই<br />
খাবারও তুলে দেই<br />
আমরা একসাথে বৃহৎ ভূগোলের বাসিন্দা হয়ে উঠি<br />
আর তখনই মানবতা জেগে ওঠে।</p>
<p>কি রাষ্ট্র, কি সরকার, কি শাসন<br />
চুরমার হয়ে পড়ে<br />
অর্থহীন হয়ে পড়ে<br />
যখন নিজভূমে ভূমিষ্ঠ হওয়ার জায়গা পায় না নবজাতক!<br />
মা’য়ের ক্রন্দন কাঁপিয়ে তোলে পুরো সমুদ্রের জল<br />
সমুদ্র তলদেশের উদ্ভিদও অনুভব করে<br />
নাড়ি ও হৃদয়ছেঁড়া ব্যথা।<br />
এ-ব্যথায় লুপ্তজ্ঞান ফিরে পেয়ে<br />
আমরা মানুষ হয়ে উঠি।</p>
<p>গণহত্যা যখন চলে গণতন্ত্র থাকে না&#8211;<br />
কূটনীতি ও কৌশলের কাছে হেরে যাবে<br />
সাধারণ মানুষ?<br />
পুঁতে রাখা বোমা মানে<br />
সুপ্ত হিংসে ও অসূয়া!<br />
মাইন বিস্ফোরণে দু’পা হারিয়ে যায়<br />
ক্লান্ত শরীর ও পেটে ক্ষুধা নিয়ে<br />
হাঁটতে হাঁটতে গুলিবিদ্ধ হয়&#8211;<br />
নাফ নদী ও বঙ্গোপসাগরে ডুবে মরে মানুষ<br />
হয়ে যায় লাশ!<br />
নদীতে নৌকায় দুলে ওঠে জীবন!<br />
তিলে তিলে গড়ে ওঠা জীবন এখন ধূলিধূসরিত!<br />
মাথা গোঁজার ঠাঁই নেই<br />
দিনের পর দিন গোসল নেই<br />
শৌচকর্মের ব্যবস্থা নেই<br />
খোলা আকাশের নিচে থাকে&#8211;<br />
কি ঘূর্ণিপাক, কি দুর্বিপাক&#8211;আমরা তা দেখে অবাক!<br />
অবাক হই বলে আমরা মানুষ<br />
সমবেদনায় অংশী হয়ে উঠি!</p>
<p>ভেদবুদ্ধি নিয়ে ভেদাভেদ ও গড়ে ওঠা প্রাচীর<br />
বার বার মানুষকে সমকোণ থেকে স্থূলকোণে নিয়ে যায়।<br />
ছয় বছরের শিশুর কোমরের বাঁ পাশে গুলি ঢুকে<br />
ডান দিক বের হয়ে যায়<br />
সেই শিশু তীব্র যন্ত্রণায় ছটফট করে<br />
সে এখন আমাদের হাসপাতালের বিছানায়<br />
হাসপাতালও অন্ধকারে দ্যূতিময় হয়ে ওঠে!</p>
<p>মা গুলিবিদ্ধ হয়ে মরে পড়ে যায়&#8211;<br />
সেখানে মাটিচাপা দিয়ে আসতে হয় সন্তানকে<br />
তার পর হাঁটতে হাঁটতে আমাদের ভূমিতে&#8211;<br />
তাকে তো দূরে ঠেলে ফেলে দিতে পারি না!<br />
একাত্তরে আমরাও এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছিলাম।<br />
ডালিম গাছটি নুয়ে পড়েছিল সেদিন ক্রন্দনে।<br />
আমরা এখনো সেই ক্রন্দন অনুভব করি<br />
আর সংবেদনায় সমসংগীত গেয়ে উঠি।</p>
<p>তীরে ভিড়তে না পেরে বুকপানিতেই নেমে পড়তে হয়েছে<br />
এক হাতে বুকে জড়িয়ে নিয়েছে সন্তান,<br />
অপর হাতে স্ত্রী। মাঝখানে নাফ নদী।<br />
শোকপ্রবাহ যেন চতুর্দিকে&#8211;কোথায় দাঁড়াবে?<br />
কোথায় শান্তি? কোথায় সম্প্রীতি? কোথায় মর্যাদা?<br />
কোথায় গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ?<br />
শোধ নিচ্ছে হিংস্ররূপী দানবেরা!<br />
মানবিক সংকটে অসহায় মানুষের প্রতি সংহতি<br />
আমরাও জানাতে পারি।<br />
সমবেদনার ভূমিতে নাড়িপোঁতা থাকে আমাদের।</p>
<p>কাকে করো নিশ্চিহৃ মর্মঘাতী সহিংসতায়?<br />
মৃত্যু দিয়ে আটকানো যাবে না মানুষের শক্তি!<br />
একাত্তরে পারেনি আমাদেরও আটকাতে<br />
সেকথা মনে করিয়ে দেই ইতিহাসের কণ্ঠলগ্ন হয়ে<br />
এই আমার কণ্ঠে।<br />
হৃদয়ভেদী সময়ে&#8211;<br />
ব্যথাতুর হই&#8211;ব্যাকুলিত হই&#8211;সংক্ষুব্ধ হই<br />
আমিও মানুষ&#8211;আমিও মানুষ!</p>
<p>&nbsp;</p>
</div>
</div>
<p><strong>নজরুল</strong> <strong>হায়াত</strong> <strong>এর</strong> <strong>কবিতা</strong></p>
<p><strong><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/03/N-H-1-e1552815342475.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignright size-medium wp-image-3729" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/03/N-H-1-e1552815342475-300x300.jpg" alt="" width="300" height="300" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/03/N-H-1-e1552815342475-300x300.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/03/N-H-1-e1552815342475-150x150.jpg 150w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/03/N-H-1-e1552815342475-768x765.jpg 768w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/03/N-H-1-e1552815342475.jpg 960w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>এক</strong></p>
<p><strong>অসুখ</strong></p>
<p>&nbsp;</p>
<p>তুমি বিষণ্ণ বসে আছো, তোমার শরীরে অসুখ<br />
রৌদ্রালোক তোমাকে ছোঁয় না<br />
সারাদিন ছায়ায় ছায়ায় ঘোরো<br />
পাখিদের কলরবগুলি দূরে কোথাও উড়ে গেলে</p>
<p>তুমি দেখো খেলাপ্রিয় বালকেরা কেমন মৃত্যুতে মজে আছে;</p>
<p>চৌদিকে রণরঙ্গ, ধনুকের ছিলাগুলি মেতে ওঠে<br />
মাটির পরত ভিজে রক্তের নুনলালসায়<br />
তুমি রক্ত ভালোবাসোনা, তাই মৃত্যুতে ঝুঁকে থাকো<br />
বসন্ত তোমাকে ঘিরে প্রহসনে মাতে;</p>
<p>তোমার সারাশরীরে অসুখ, দিনভর ধানাইপানাই করো<br />
সারারাত কুহুধ্বনি শোনো, আর<br />
নিজের সাথেই মেতে ওঠো রক্তমগ্ন আবীর খেলায়<br />
যাপিত জীবন ঘিরে যতিচিহ্ন আঁকো।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p><strong>দুই</strong></p>
<p><strong>একুশের</strong> <strong>কবিতা</strong></p>
<p>আমার বিষণ্ণ একুশ আজ লজ্জানত ফুলভারে<br />
অস্পৃশ্য পদপাত প্রতিদিন মাড়ায় তাহারে<br />
বিশেষ দিবস এলে পরিপাটি মোহনীয় সাজ<br />
সারাটা বছর ধরে অবহেলা-অভাবিত লাজ<br />
উড্ডীন পাখির মতো নির্বিঘ্ন সারমেয় উঠে আাসে<br />
নিঃশঙ্ক ঘুমন্ত তার অপূর্ব দেহবল্লরী ভাসে<br />
নিশ্চিন্ত-আনন্দচিত্ত কেউ কেউ হিসি করে যায় বেদিমূলে<br />
সবুজ ঘাসের বুকে ভারমুক্ত হৃদয় ওঠে দুলে<br />
প্রায়শ বিদেশী ভাষায় কিছু লোক বাহারি বক্তৃতার নহর ছোটায়<br />
বিজাতীয় সংস্কৃতির উন্মাদনৃত্যে মলিনতা-তমসা ফোটায়<br />
কারো কারো অন্তরে নিভৃত খেলা করে সূক্ষ্মকুটিল কূটচাল<br />
বানায় রভসে বাংলা-ইংরেজি-হিন্দি-উর্দু-আরবির বোলচাল<br />
অফিসে অফিসে ইংরেজি ভাষার মোহন প্রতাপে দুঃখিনী বাংলার বর্ণমালা কাঁদে বেদনার তাপে<br />
সদর দরোজায় কেউ কেউ ঔপনিবেশিক দাসখত লিখে রাখে<br />
পরম মমতায় ব্যানার-ফেস্টুনে ভৃত্যমনন আঁকে<br />
দারুণ কারিশমায় শহিদ-রক্তে মিশায় দুঃসহ অপমান<br />
মুছে দিতে চায় ভাষার জন্য অমর জীবনদান,</p>
<p>একুশ-দিবসে গুচ্ছ গুচ্ছ পুষ্পমাল্য হাতে<br />
কাকডাকা ভোরে পিচঢালা পথে প্রহসন কাজে মাতে,</p>
<p>এইসব দেখে শহিদের করোটিতে বিপ্লব ফুল ফোটে<br />
কবরের নিচে মৃতবল্কলে আগুনের গোলা ছোটে,</p>
<p>রক্তে রক্তে রাজপথ আজ হোকনা আবার লাল<br />
গর্জে উঠুক সারাবাংলায় ভাষা-শহিদের কাল।</p>
<p><strong>তিন</strong></p>
<p><strong>যাকে</strong> <strong>ভালোবাসি</strong></p>
<p>আমি তোমাকেই চাই<br />
তবে কালিমামাখানো নয়,<br />
তুমি অযথা মেখেছো ছাই<br />
ছায়াকে পেয়েছো ভয়।</p>
<p>আমার প্রেমেতে ছিলো না তো কোনো খাঁদ<br />
অবিশ্বাসের দোলায় তুমি পেতেছো জটিল ফাঁদ,<br />
নিজের হাতেই বিদ্ধ করেছো নিজেকে<br />
তীক্ষ্ণছুরির রক্ত মেখেছো শুভ্রসফেদ বিবেকে।</p>
<p>তুমি তো জানোই একবার যদি কলঙ্ক লাগে গায়<br />
শত সাফ করে কোনোদিন কি তা মোছা যায়!</p>
<p>যতবার তুমি প্রণয়ের ভাষা বলবে<br />
ততবার তুমি প্রতারক ছবি জ্বলবে।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p><strong>হেনরী</strong> <strong>স্বপন</strong> <strong>এর</strong> <strong>কবিতা</strong><strong>!! </strong></p>
<p><strong><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/FB_IMG_1549786951419.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-3617" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/FB_IMG_1549786951419-300x225.jpg" alt="" width="300" height="225" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/FB_IMG_1549786951419-300x225.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/FB_IMG_1549786951419.jpg 720w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>এক</strong></p>
<p><strong>অর্ধেক</strong> <strong>সনেট</strong> : <strong>শিশ্নের</strong> <strong>প্রস্রাব</strong></p>
<p>আবিরত ঝরে রতি, শরীর উর্বর শস্যে ভরা উরু<br />
লাঙলে চাষের সব কলা বুঝি ? ওড়ে বাতাসের বুকে;<br />
মুখগুঁজে শিখে নেবে, শ্রমজীবি রমণীর গন্ধ শুঁকে&#8211;<br />
আলিঙ্গনে বাধ্য যিশুও, মেরী ম্যাগডোলিনের গুরু।<br />
.<br />
কৃতদাসী কামনা জ্বালায় প্রফেটের বুক কাঁপে ভুরু ;<br />
তৃষিত কুয়োয় ঢেউ দেয়, মাতৃত্বের দৈব ঋতুস্রাব&#8211;<br />
আঙ্গরাগে ঠুমরি শুনি, শৃঙ্গারে জ্বলে শিশ্নের প্রস্রাব।</p>
<p><strong>দুই</strong></p>
<p><strong>একটি</strong> <strong>লোক</strong> <strong>প্রেমের</strong> <strong>কা</strong></p>
<p>কই দেখি তো ? কেমন রূপের পান-সুপারি ?<br />
পানের ঝালে ক্লান্ত।<br />
.<br />
খাঁচায় পাখির বন্দি মায়া ; ছোট্ট ঘরে&#8211; দুয়ার খোলা পাইয়া,<br />
শিরীষ গাছের, ঝরে শীতল ছায়া&#8230;;<br />
বাঘের ছায়া কা-কা গর্জায়, কাউয়া কি তা শুনতে পায় ?<br />
.<br />
তরীর বৈঠা ইঞ্জিন ছাড়া চলে&#8230;<br />
.<br />
কেমনে হরি, প্রেমের তুষ-বিচালি&#8211; জ্বালানি ছাড়াই জ্বলে&#8230;?</p>
<p>&nbsp;</p>
<p><strong>তিন</strong></p>
<p><strong>নির্জন</strong> <strong>রোহিঙ্গা</strong> <strong>শিবির</strong><strong>&#8230; .</strong></p>
<p>চারিদিকে ভিরু সৌন্দর্যের বিনয় ছড়াচ্ছে, পাপড়ির মতোন রঙিন<br />
ব্লাউজের ঘ্রাণ ;<br />
দুধের ফেনায় শুভ্র অসুখের রুগ্ন বৈভব গাছের ছায়ায় দুলছে&#8211;<br />
দীর্ঘ অন্ধকার শুয়ে আছে সমুদ্রের পাড়,<br />
হতাশার কিছু পালক মায়াবি আর্তনাদ ফেলে আসা<br />
একঝাঁক দু:খ কাতর কৈতর, নীরবতা খেলে !<br />
.<br />
আচমকা নড়েচড়ে ওঠে সৌরভের অস্থিরতা, সুপ্ত আতরের মতো<br />
আশ্রয় চড়াচ্ছে উঠোনের ঘাস,<br />
চুলের মতোই খুলে রাখা, অচঞ্চল বাতাসের রাত ;<br />
একপাল বিষাদের ঘোড়া ছুটছে আবেগ নিয়ে&#8211;<br />
অরণ্য ও পাতাবাহারের কিছু আর্তনাদ পৌঁছে দেবে বলে&#8230;<br />
.<br />
বিপন্ন কামনা নিয়ে নির্জন আতঙ্ক ছুটছে রোহিঙ্গা শিবিরের খোঁজে ।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p><strong>রহমান</strong> <strong>হেনরী</strong> <strong>এর</strong> <strong>কবিতা</strong><strong><br />
</strong><strong><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/FB_IMG_1550476055518.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-3693" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/FB_IMG_1550476055518-300x300.jpg" alt="" width="300" height="300" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/FB_IMG_1550476055518-300x300.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/FB_IMG_1550476055518-150x150.jpg 150w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/FB_IMG_1550476055518.jpg 610w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>এক</strong></p>
<p><strong>উৎসব</strong></p>
<p>উপসাগরের রাতে,<br />
মাছেরা উড়বে— জেলেদের জালে ভুলেও আসবে না;</p>
<p>আর কোনও জ্যোৎস্নাতে,<br />
লখিন্দরের মৃতদেহ নিয়ে বেহুলা ভাসবে না।</p>
<p>যতিচিহ্নের পাশেই, বাক্য: স্বাতন্ত্র্যে দাঁড়াবে—<br />
তোমার লেলানো বাঘের ক্ষুধা<br />
তোমাকেই শেষে খাবে</p>
<p>জলে জলে ভেজা মৃতবৃক্ষের দাহ্যতা ঠিকই জানে:<br />
আগুনের মুখ চুপ হয়ে আছে<br />
ভূগর্ভে-আসমানে</p>
<p>গাছে গাছে এত লালাভ কুঁড়ি, জানো তো কল্পিকা,<br />
চোত-বোশেখে ওরাই ফুটবে<br />
জমদগ্নি-শিখা</p>
<p>উৎসব হবে: সমতলে আর পাহাড়ের জঙ্ঘাতে&#8230;<br />
.<br />
<strong>দুই</strong></p>
<p><strong>শহুরে</strong><strong><br />
</strong><br />
সন্ধ্যায়,<br />
অন্ধকারের গুম্ফাতে উঁকি মেরে<br />
ভীত, সন্ত্রস্ত লোকটা<br />
রাজবাড়ির পাশ দিয়ে পালিয়ে যাচ্ছে—</p>
<p>প্রত্যূষে,<br />
সম্ভাব্য আলোর পথে উঁকি মারতেই<br />
আবারও— সন্ধ্যাপাহাড়ের ছায়া;</p>
<p>তার চোখ থেকে খসে পড়ছে<br />
আলো<br />
হাত থেকে<br />
সমুদয় ক্রীড়াচক্র</p>
<p>শহরজুড়ে<br />
জারী থাকছে— ক্রমবর্ধিষ্ণু ভয়;</p>
<p>আ হা, ক্ষয়ে নিমজ্জিত লোকটা কারও কেউ নয়।<br />
.<br />
<strong>তিন</strong><strong><br />
</strong><strong>স্বত্বের</strong> <strong>বিড়ম্বনা</strong></p>
<p>আগে<br />
একতলা ছিলো ঘরদোর,<br />
নিজেরাই পাহারা দিতাম—<br />
এখন<br />
বহুতল। পাহারাদারও আছে: কয়েক রকমের;</p>
<p>ওদের জন্য সুযোগসুবিধা খুলে দিতে দিতে<br />
এখন শুধু নিজেদের পরনের কাপড় বাকি&#8230;<br />
কিন্তু সুবিধা হচ্ছে না। অস্বস্তি বাড়ছেই।</p>
<p>নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা এবং আরও সব নতুন নতুন<br />
অযুহাতে, ক্রমশ বিপজ্জনক হয়ে উঠছে<br />
চৌকিদারগুলো।</p>
<p>ব্যক্তিগত কত কিছুই তো হারালাম,<br />
স্বেচ্ছায়, ছেড়েও দিলাম অনেক—<br />
ভাবছি: বাড়ির মালিকানাটাও, এবার, ওদেরকেই দিয়ে দেবো;<br />
.</p>
<p><strong>হাসান</strong> <strong>মাহমুদ</strong> <strong>এর</strong> <strong>কবিতা</strong><strong><br />
</strong></p>
<p><strong><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/FB_IMG_1550032697745.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignright size-medium wp-image-3657" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/FB_IMG_1550032697745-300x295.jpg" alt="" width="300" height="295" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/FB_IMG_1550032697745-300x295.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/FB_IMG_1550032697745.jpg 550w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>এক</strong></p>
<p><strong>তুমি</strong> <strong>ও</strong> <strong>নিঃসঙ্গ</strong> <strong>রেললাইন</strong></p>
<p>ওজন বা ভার থেকে কখনো আলাদা নও জানি। উদার জমিন থেকে<br />
ঢালু কিংবা সমান্তরাল সব পথই চেনাজানা খুব&#8230;<br />
গতিকে দেখছ সেই জন্মের আদি থেকে আকাশ অবধি</p>
<p>স্বপ্ন-মৃত্যু, জন্ম-সুখ সবই আছে নাগালে তোমার<br />
রোদ ও বৃষ্টির নিখুঁত স্পর্শ এ জীবনে কে পেয়েছে তোমার সমান?</p>
<p>তবু হায়! তুমি আজ নিঃসঙ্গ বধির প্রান্ত এক<br />
একা এবং একাই<br />
যেন উদ্যানময় বহমান এক নিঃসঙ্গ রেললাইন&#8230;</p>
<p><strong>দুই</strong></p>
<p><strong>আমার</strong> <strong>একাত্তর</strong></p>
<p>বুকে সবুজ দৃষ্টিতে লাল আমার একাত্তর<br />
বৃষ্টিতে নয় রক্তে ভেজা উঠোনমুখি দ্বোর<br />
ঘরপালানো স্মৃতি আমার দেদীপ্যমান মাঠ<br />
বাজার পোড়ার গন্ধ নাকে<br />
শিশুকালের পাঠ!<br />
চোখ মুদলেই ভেসে ওঠে বাবার শ্রান্ত মুখ<br />
মির্জাকালুর গ্রামে ছিল শত্রুরা উন্মুখ!<br />
অর্ধমৃত বাবা ছিল আমার শিশুকাল<br />
শোকার্ত মা প্রার্থনাতেও ছিলেন উন্মাতাল!</p>
<p>কালীগঞ্জকে পুড়িয়ে দিল পাক-সেনা নাপাক!<br />
জাগ্রত জনতা দিল নতুন দিনের ডাক<br />
বাংলাবাজার, দেউলা জুড়ে কী যে হুলস্থূল<br />
পাক-জানোয়ার বুঝল শেষে কোথায় তাদের ভুল!</p>
<p>যুদ্ধ শেষে বাবা পেল নতুন এক জীবন<br />
একাত্তরের সাথেই আমার আজন্ম এই পন<br />
যুদ্ধ হলো জীবনবন্ধু যুদ্ধ সহোদর<br />
জীবন-মৃত্যু এক মোহনায় পথিক পরস্পর</p>
<p>জয় বাংলা ধ্বনিত হউক সারা বঙ্গময়<br />
বাংলা মায়ের মুক্তিসেনা বিশ্বের বিস্ময়!</p>
<p><strong>তিন</strong><strong><br />
</strong><strong>চর</strong></p>
<p>আধভাঙা ঘুমে তোর জানালা ময়ূরী হয়;<br />
পর্দারা নাচে যেন প্রতিমা-পরান<br />
উপাখ্যানেই আছে বাহারী প্রণয়<br />
ফসলি জমিই হয় রাধা উদ্যান।</p>
<p>কথারা কোলাজ রূপে সাজায় আকাশ<br />
ভাজখোলা মন দেয় উজাড়-উড়াল—<br />
কখনো কখনো তা পূর্ণ সর্বনাশ<br />
অভ্যাসে মজে যাস এমন কাঙাল</p>
<p>জীবন নিংড়ে পেলি জল বুদ্বুদ<br />
কথা ভেঙে যাপনের এইটুকু ঘর!<br />
পুকুর জুড়েই শুধু মাছখেকো উদ<br />
স্বপ্ন মানেই তোর সীমাহীন চর!</p>
<p>চর: চোখের মতো চিহ্নগুলো</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>&nbsp;</p>
<p><strong><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/03/k-k-p-1.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignright size-medium wp-image-3730" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/03/k-k-p-1-300x300.jpg" alt="" width="300" height="300" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/03/k-k-p-1-300x300.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/03/k-k-p-1-150x150.jpg 150w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/03/k-k-p-1.jpg 480w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>খসরু</strong> <strong>পারভেজ এর</strong> <strong>তিনটি</strong> <strong>কবিতা</strong></p>
<p><strong>এক</strong></p>
<p><strong> </strong><strong>দহনকথা </strong></p>
<p>আমি নীলঘাস ছুঁয়ে<br />
জীবন নামের ভারি বোঝা টানতে টানতে<br />
এখানে এলাম।</p>
<p>বুকের দুপাশে রঙিলা ক্ষরণ<br />
ঝরাপাতা আর বয়সের মাটিগন্ধ ঘুম<br />
দুহাতে জড়ানো রক্তমাখা পাণ্ডুলিপি<br />
করুণ কালিতে লেখা নিয়তির প্যাপিরাস<br />
নিজস্ব নদীর তুমুল ভাঙন<br />
অগণন মিছিলের মৃত্যু<br />
অদৃশ্য আগুনে পুড়তে পুড়তে<br />
এভাবে কি বেঁচে থাকা যায়, সুজনেষু !</p>
<p>তবুয়ো তো পৃথিবীর কাছে<br />
মনে হয় একদিন মৃত্যুহীন হবে<br />
আমার বেভুল ভালোবাসা।</p>
<p>যদি ডাকো যাবো<br />
কী করে ফেরাবো তোমাকে !<br />
&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;-<br />
৩ মার্চ ২০১৯, রাত ১১.৪০</p>
<p><strong>দুই</strong></p>
<p><strong>দরোজার</strong> <strong>ওপারে</strong></p>
<p>কেন ধাক্কা দাও?</p>
<p>দরোজার পেছনেই থাকে স্মৃতি এসো বারান্দায় বসি।</p>
<p>এসো আমরা সূর্যের সামনে দাঁড়াই,</p>
<p>এসো শিরিষের সাথে গল্প করি</p>
<p>স্মৃতিগুলো থাক দরোজার ওপারেই জ্বলজ্বলে</p>
<p>স্মৃতিগুলো সুখে থাক, সুখে থাক।</p>
<p>এসো উঠোনের কোণটাতে একটু দাঁড়াই</p>
<p>দক্ষিণ বাতাসে বুকের বোতাম খুলে দিই</p>
<p>ঝরাপাতা ঝরতে থাকুক।</p>
<p>কেন ধাক্কা দাও?</p>
<p>দরোজার পেছনেই আছে সময়ের শিলালিপি</p>
<p>ওখানেই লেখা আছে আমার অমর এফিটাফ।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p><strong>তিন</strong></p>
<p><strong>বিভঙ্গ</strong></p>
<p>খুব সহজেই ভেঙে পড়ি পাপরের মতো</p>
<p>অথচ আমার বাবা মাথা উঁচু করে দাঁড়বার কথা বলতেন</p>
<p>অধম সন্তান কিছূই শিখিনি আমি</p>
<p>কান্নার সমুদ্রে ভাসমান পিপীলিকা হয়ে ভাসি</p>
<p>বাবা বলতেন, জীবনটা ধনুকেরই ছিলার মতো সবসসময় ধরে রাখতে হয়</p>
<p>টানটান করে জীবনের অর্থ সেদিন কিছুই বুঝিনি আমি</p>
<p>বাবা বলতেন, শুকনো পাতার মতো কষ্টগুলো ছুঁড়ে ফেলে দিবি</p>
<p>কত বৃষ্টি-যুদ্ধ -ঝড়-কারফিউ গেল কষ্টের পাহাড় ঠেলে বাবা পথ চলতেন</p>
<p>কখনো ভাঙতে দেখিনি&#8211;কাঁদতে দেখিনি&#8230;</p>
<p>&nbsp;</p>
<p><strong><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/FB_IMG_1550033811619.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-3659" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/FB_IMG_1550033811619-225x300.jpg" alt="" width="225" height="300" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/FB_IMG_1550033811619-225x300.jpg 225w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/FB_IMG_1550033811619.jpg 720w" sizes="auto, (max-width: 225px) 100vw, 225px" /></a>নাসরীন</strong> <strong>জাহান</strong> <strong>এর</strong> <strong>কবিতা</strong><br />
<strong>এক</strong></p>
<p><strong>প্রিয়</strong> <strong>নাইটিংগেল</strong></p>
<p>পরাণে ঠোঁটচাপা হাসি,<br />
হুহু আসমানের নিচে তোকে দণ্ডায়মান দেখে।<br />
পেছনে অরণ্য, উজ্জ্বল রোদ।<br />
তোর চে্হারায় জমকাল ক্রোধ।<br />
আতঙ্ক কষে কষে ডানা ঝাপটায়।</p>
<p>ওপরে ও কি উড়ে গেলো?<br />
ফ্লাইং সসার?<br />
রোদ্দুরে হেমন্তের মিশেলে<br />
অরণ্য ক্যানভাসের পেইন্টিং হয়ে গেছে।</p>
<p>পকেট থেকে কি বের করছিস?<br />
পিস্তল?<br />
আমি মুহূর্তে কর্পুর হয়ে অরণ্যে মিশে গাছ হয়ে গেলাম</p>
<p>প্রহর অতিবাহিত হয় পা পিষে পিষে<br />
বাতাস ঢেউ তুলেছে সমুদ্রের মতো।<br />
ভোঁ ভোঁ চক্কর খাচ্ছিস তুই<br />
একসময় তোকে আর দেখা যায়না।</p>
<p>কিন্ত গুলির শব্দ।<br />
শেকড়ের কাছে উড়ে এসে রক্তের মধ্য তড়পাতে থাকে<br />
আমার প্রিয় নাইটিংগেল!</p>
<p><strong>দুই</strong><strong><br />
</strong><strong>মাটি</strong></p>
<p>মাটিকে আমরা মাথায় তুলেছি,<br />
হায়!আমরা গৃহ হারিয়েছি<br />
আমরা হাঁটছি আকাশের পথ ধরে,<br />
প্রেম আমাদের দুটো ডানা দিয়েছে।</p>
<p>আমরা যখন অন্ধকার মাঠ ধরে হাঁটছি,<br />
আমাদের কন্ঠে ছিল এ জাতীয় কোরাস।<br />
বাতাসে উল্টেপাল্টে যাচ্ছিলো পা,<br />
কোটের পকেটে রাখা হাত অদ্ভুত গরম শীতের মিশ্রণে<br />
হারিয়েছিল চেতনা।</p>
<p>আমরা সেই চেতনারহিত হাত আচমকা<br />
চোখের সামনে বাঁকিয়ে,ঘুংগুরে শব্দ তুলে<br />
পায়ের তলার মাটি কিংবা আকাশ কে চূর্ণ করে<br />
হাত বাড়িয়ে মৌমাছি ধরতে চাইছিলাম,<br />
আশ্চর্য হয়ে দেখি আমাদের হাত লম্বা হয়ে যাচ্ছে,<br />
কুয়াশায় আমাদের আংগুল ভিজে যায়।</p>
<p>এর মধ্য আচমকা আসমান জমিন ফাটিয়ে শব্দ হয়।<br />
আমাদের ছিন্নভিন্ন রক্তাক্ত শরীর ক্রমশ<br />
শূন্যতায় ছিটকে ভিটকে যায়।</p>
<p><strong>তিন</strong></p>
<p><strong>জলাতঙ্ক</strong></p>
<p>সে বললো,চল জলে ঝাঁপ দিই।<br />
সাঁতার না জানা আমি মহা জলের<br />
বিস্তারিত টলমল দেখে কেঁচো হয়ে যাই।<br />
চারপাশে থইথই জোসনা।<br />
চাঁদ যেন দইয়ের বাটি উপুড় করে দিয়ে নিঃস্ব হয়ে গেছে।<br />
এখন আসল চাঁদ জলের মধ্যে ফকফক করছে।</p>
<p>সাঁতার জানিস না? ভয় কি আমি তো জানি।<br />
চল লাফ দিই ওয়ান টু থ্রি ।<br />
ভয়ে কাঁপতে কাপঁতে বলি,জলে কি সুন্দর চাঁদ!<br />
ওইটাই তো আমার দরকার।<br />
বলতে বলতে আমার দু ডানা উড়িয়ে চাঁদ বরাবর আমাকে ফেলে দিয়ে বলে,<br />
যা আমার জন্য চাঁদ পেড়ে আন গিয়ে।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p><strong>সালাম সালেহ উদদীন এর কবিিতা </strong></p>
<p><strong><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/03/FB_IMG_1552833025583.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-3746" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/03/FB_IMG_1552833025583-300x300.jpg" alt="" width="300" height="300" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/03/FB_IMG_1552833025583-300x300.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/03/FB_IMG_1552833025583-150x150.jpg 150w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/03/FB_IMG_1552833025583.jpg 720w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>এক</strong></p>
<p><strong>চলে যাবো বলেই </strong></p>
<p>চলে যাবো বলেই তো<br />
যাত্রা শুরু করেছি<br />
তোমার কাছে রেখে গেলাম<br />
রূপালী চাঁদ-জোছনা<br />
অন্ধকারের হিম-শীতল নির্জনতা<br />
নিষ্পাপ ভোর বাড়ন্ত রোদ<br />
মায়াবী কুহক ঘোরলাগা সকাল<br />
ঝুলন্ত নরোম সজনে ডাটা<br />
কচি পাতার বাহার ফুলের মাদকতা<br />
বাসন্তী রঙা শাড়ি কোকিলের বিরহ<br />
নির্জন পথের কান্না পাখির কোলাহল<br />
নদীর মরুময়তা নিরন্নের হাহাকার<br />
আফসোস<br />
অর্থ-বিত্তের দাপট হিংসা ঈর্ষা<br />
আর ক্ষমতার নগ্ন মহড়াই কেবল<br />
রেখে যেতে পারলাম না<br />
ভালোবাসা যে টুকু রেখে গেলাম<br />
অাঁচলে বেঁধে রেখো সযতনে<br />
ভালোবাসাও এখন বিক্রি হয়<br />
ফেরিওয়ালা পসারী সাজায় বারোয়ারি হাটে</p>
<p><strong>দুই</strong><br />
<strong>প্রত্যাশা এমনই</strong></p>
<p>আকাশ হতে চেয়েছিলাম<br />
সেখানে কেবল অসীমতার খেলা<br />
বাতাস হতে চেয়েছিলাম<br />
জাগিয়ে তোলে অদৃশ্য ভয়<br />
হৃদয়কে নদী বানাতে চেয়েছিলাম<br />
নদীর ভেতর দেখি মরুময়তার দাপট<br />
ফুল হতে চেয়েছিলাম সুবাস ছড়াবো বলে<br />
সৌরভ কেড়ে নিয়েছে রাতের অাঁধার<br />
ভালোবাসা চেয়েছিলাম ভালোবার কাছে<br />
ভালোবাসা বললো বিকোয় পথে পথে<br />
অবশেষে মানুষ হতে চেয়েছিলাম<br />
আওয়াজ উঠলো তুমি তো মানুষ-ই</p>
<p><strong>তিন</strong><br />
<strong>প্রাণহীন নিষ্ফল আবেদন</strong></p>
<p>বিবেক মরে গেছে সত্তা ঘুমিয়ে পড়েছে<br />
চোখ অদৃশ্য হয়েছে চোখের ভেতর<br />
পা দুটো খসে পড়েছে ছায়াহীন পথে<br />
রোমান্স-প্রিয় তীর্যক আঙুল হয়েছে অবশ<br />
ঠোঁটের কারুকাজ এখন রেখাহীন নদী<br />
প্রগাঢ় আলিঙ্গনাবদ্ধ বুক খরাপ্রবণ মাঠ<br />
ক্ষমতার দাপট অর্থবিত্ত-ঘেরা ভালোবাসা<br />
করুণা-পাগল প্রাণহীন নিষ্ফল আবেদন</p>
<p>রাশি রাশি শস্য ফলে চাঁদে<br />
গড়িয়ে পড়ে তোমার ভয়াল মুখে<br />
রাশি রাশি বরফ প্রেরণ করেছে অ্যান্টার্কটিকা<br />
তপ্ত-শরীর শীতল হবে এবার নিশ্চয়ই<br />
অদৃশ্য শাখা থেকে খসে পড়ছে ফল<br />
অক্ষরেখা-বিষুবরেখা থেকে ধেয়ে আসছে শূন্যতা<br />
মঙ্গল গ্রহ থেকে কী আসবে তোমার জন্য<br />
জানতে পারিনি এখনো<br />
তুমি রোবট-মানব অশরীরী এক<br />
পৃথিবী তোমাকে ধারণ করতে অপারগ</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>&nbsp;</p>
<p><strong><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/FB_IMG_1550061801840.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-3665" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/FB_IMG_1550061801840-300x225.jpg" alt="" width="300" height="225" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/FB_IMG_1550061801840-300x225.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/FB_IMG_1550061801840.jpg 720w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>মামুন</strong> <strong>মোয়াজ্জেম</strong> <strong>এর</strong> <strong>কবিতা</strong></p>
<p><strong>এক</strong></p>
<p><strong>অনন্ত</strong> <strong>প্রবাহ</strong></p>
<p>&nbsp;</p>
<p>সময়ের সাথে বয়ে গেছে কত রক্তক্ষরা নদী<br />
হারিয়েছে বাঁক ধূসর পথের কেবলই ধূসর ধুলি<br />
স্মৃতির পাতায় কিংবদন্তী মুখে মুখে তার নাম<br />
গড়িয়েছে জল ভাটির টানে নদীও নিয়েছে টেনে</p>
<p>কেউ জানে না এই কোলাহল কোথা তবে মিশে যায়<br />
স্মৃতি মুছে গেলে লোকালয় তবে কোথা হতে আলো পাবে<br />
অনাদিকালের কর্মযজ্ঞ পাথর কাঠের কাজে<br />
বিদ্যের জোর নদীর জলের নিরুদ্দেশ যাত্রা তবে</p>
<p>নদী বয়ে গেছে বয়ে গেছে সময় সাঁতড়ে গিয়েছে মানব<br />
কিছু তার নেই নেই নদী সময় মানবের কঙ্কাল<br />
স্বপ্ন দম্ভ আশা ভোজবাজির নিকেশ কোথায় স্থিত<br />
প্রবাহের টানে শুধুই প্রবাহ অনন্ত প্রবাহ যেন !!</p>
<p>——<br />
বরিশাল<br />
৪ মার্চ ২০১৯</p>
<p><strong> </strong><strong>দুই</strong></p>
<p><strong>সুখ</strong> <strong>জাগানিয়া</strong> ———</p>
<p>ওয়াটার বাসের খইফোটা উদগত জলের ছিটে<br />
হাতে নিয়ে বলি- আমি অসুখী নই !</p>
<p>তরঙ্গায়িত সাদা ডানার উড়াল গাঙচিলের<br />
বাঁকা কমলা ঠোঁটে রোদের ঝিলিকে<br />
এবঙ জেলে নৌকোর জালের ভাঁজে ভাঁজে<br />
নিজেকে গুটিয়ে নিতে নিতে বলি-<br />
আমি অসুখী নই ।</p>
<p>এত জলের উল্লাস, নেচে নেচে যাচ্ছে তরী<br />
বাল্কহেড,ট্রলার বোট মাল্টিস্টোরিড লন্চের সাথে<br />
আমিও ভেসে যাই-<br />
জলজ শৈবাল ও নন্দিত কচুরিপানা হয়ে<br />
জল ও আকাশ সীমায় ক্রমে জড়ো হই</p>
<p>যেখানে সূর্য ফোটার আগে পুতস্নান সাড়ে জেলেবউ<br />
কিশোরী ছাগল দঙ্গল তাড়িয়ে মাঠে যায়<br />
সারা রাতের ধকল ম্যাজম্যাজে শরীরের খোরাকে<br />
চিৎপাত করে জেলে মরদ।<br />
দন্ডকলসের সাদা ও রঙিন ফুলের কানে<br />
ছোট্ট মধুমাছির ফুসমন্তর গুন্জরণে<br />
আমি অসুখী নই</p>
<p>লিকলিকে লাউডুগি সাপের থিরথিরে কন্চিতে<br />
আঁকড়ে বসে থেকে<br />
ডিমপাড়া মাতৃপাখির ডানামেলার ফুরসতে<br />
এবঙ নিলুয়া বাতাসের শীতল ঝাপটায়<br />
আমি অসুখী নই</p>
<p>এত জলের ভীড়ে নানামুখী প্রবাহের খবরে<br />
শুনি লোকালয়ের গান<br />
সারসের কৌণিক আকাশ সাঁতার এবঙ<br />
বিটলের শক্ত ডানার বাতাস ভাঙার শব্দের কোষে<br />
আমি অসুখী নই-</p>
<p>আমাকে সুখ দেবে বলে অনর্গল পাথর ভাঙার শব্দে<br />
ঘূর্ণমান চাকার কোরাসে খুটখাট আপলোড<br />
ও ডাউনলোডের নেই প্রয়োজন<br />
শিরায় বয়ে চলা সহজ জলের ভিটামিনে পাতার বিকাশে<br />
আমি অসুখী নই !!</p>
<p>———-<br />
বরিশাল<br />
১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯</p>
<p>&nbsp;</p>
<p><strong>তিন</strong></p>
<p><strong>ঘুমের </strong><strong>ভাঙ্গা </strong><strong>প্রহর</strong></p>
<p>ঢেউয়ের অভিঘাতেই ভাঙে তার ঘুমের প্রহর</p>
<p>ওপাশে কীর্তনখোলা কালাবদরে বদর বদর করে<br />
হাল ধরে কালা মাঝি-<br />
নিঝুম রাতের ওপর আকাশের সন্তাপ<br />
এই যে জললগ্ন জেলে নাল বাতি এঁকেছে<br />
কোলাজ- তার দু:খে ঘুমায় না তারা।</p>
<p>কিছু কি ফেলে যায় ওই হাড় খাটুনির কালো লোকগুলো<br />
মাছেদের সাথে দৌড়ে দৌড়ে যে এখন ছিপছিপে মাছ-<br />
ঘুমের চোখের ভেতর স্বপ্নদেখা বধূরা দেখে<br />
রূপোলী ইলিশ-<br />
রাতের সোহাগগুলো যার চিরকাল শিকেয় ওঠানো<br />
রূপোলী পর্দার রূপোর স্বপ্নগুলো নিয়ে ঘুম ভাঙে<br />
এঁটো বাসন মাজার ইঁদারার পাশে শুনে রূপোলী খবর<br />
অথবা ঘাটের ওপর বুক ভাঙে তার ।<br />
ভোরের আকাশ ক্রমশ: গরম হয়ে<br />
সমস্ত সংসার সোহাগ আঁচড়ে ফেলে দেয় !</p>
<p>কীর্তনখোলার সাদা জলে কোন স্বপ্ন নেই তার<br />
জলের সাথে জীবন, জীবনের সাথে জল<br />
ক্রমশ: কালো বলে স্বপ্নেরা জেগে ওঠে<br />
জেলেদের নালবাতির জলজ কোলাজ ঘিরে !!</p>
<p>——— বরিশাল</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>&nbsp;</p>
<p><strong><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/03/অ.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-3731" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/03/অ-225x300.jpg" alt="" width="225" height="300" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/03/অ-225x300.jpg 225w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/03/অ.jpg 720w" sizes="auto, (max-width: 225px) 100vw, 225px" /></a>ফয়সল</strong> <strong>নোই</strong> <strong>এর</strong> <strong>কবিতা</strong></p>
<p><strong>এক</strong> <strong>ওহঃ</strong> <strong>পরিশ্রম</strong><strong> ; </strong><strong>লোনাস্রোত</strong></p>
<p>ওহঃ পরিশ্রম ; &#8212; লোনাস্রোত<br />
ফয়সল নোই<br />
১.<br />
তোমার সঙ্গে আমার মাঝে মধ্যে<br />
দেখা হওয়া প্রয়োজন</p>
<p>ভুলেছি যে কথা ,<br />
ভুলে যাবো সব কথা</p>
<p>অদ্য বলে রাখা প্রয়োজন !</p>
<p>হৃদয়ে যে রেখা উথলায়<br />
যে রেখা ভুলে যাবো</p>
<p>অদ্য এঁকে রাখা প্রয়োজন ।</p>
<p>ফিরে এসে দেখি &#8212;<br />
মাণচিত্র আছে ,<br />
চেনা অধিবাসী নেই</p>
<p>হাড়ে-কংকালে আগুন জ্বলে ;</p>
<p>সে আগুন<br />
কতটুকু ভালো ,<br />
জানার অধিক !</p>
<p>২.<br />
একদিন দেখা হয়, কথা হয়<br />
আমি বহু দিন মনে রাখি<br />
আস্তর ওঠা ইটের দেয়ালে<br />
প্রেমভরে স্মৃতি লিখে রাখি</p>
<p>হাতের চেটোয় জল , জেনে<br />
পত্র লিখেছি<br />
ওহ:পরিশ্রম ; &#8211; লোনাস্রোত</p>
<p>পিপাসায় অশ্রু পান করি ।</p>
<p>রচনা : ১৯৯৮</p>
<p>উৎসর্গ: প্রয়াত কবি বন্ধু অনন্ত জাহিদ</p>
<p><strong>দুই</strong></p>
<p><strong>ত্রিসন্ধ্যা</strong></p>
<p>বহু অঙ্গীকার পেছন থেকে হঠাৎ দাঁড়ালো কেউ</p>
<p>মানুষ দেখতে এসে সে এক আশ্চর্য ভ্রমণ</p>
<p>বজ্রাহত কৃষক জমানো যত ক্ষতি বুকে মাঠে পড়ে আছে</p>
<p>হাসপাতালে অচেনা মানুষ,<br />
শিয়রের পাশে সে কি প্রবাস ফেরত সন্তান<br />
তার পরিচিত লোক, সংসার !</p>
<p>ত্রিসন্ধ্যায় ঘুরে ঘুরে আসা দিন<br />
বাইরে রেখে যারা &#8212;<br />
কালো ইতিহাস থেকে উঠে আসা ডাইনোসরের পিছু পিছু হেঁটে<br />
হেমিলনের শর্তসাপেক্ষ ইঁদুর হয়ে যায়;<br />
বড় জোড় তাদের সঙ্গে হেঁটে থাকে অভিমানে</p>
<p>&#8212; কারো স্মৃতি কেউ মনে রাখবে না</p>
<p>রচনা: ১৩/০২/২০১৯ ইং</p>
<p><strong> </strong></p>
<p><strong>তিন</strong></p>
<p><strong>দুপুর </strong><strong>বেলায়</strong></p>
<p>জারুল ফুলে জারুল ফুলে<br />
দৃষ্টি তখন আটকে ছিল</p>
<p>এমন তরো জীবন যাপন<br />
রুদ্র তরী রুক্ষ খেলায়<br />
খোল ফেঁসেছে<br />
দুপুর বেলায়</p>
<p>ফিরতি পথে ঢেউ ছিল না<br />
তবু কেমন অচিন লাগে</p>
<p>আঁচল জুড়ে গুল্ম কাটা<br />
মেঘ হয়েছে কোমল দেহ<br />
ক্ষীণ রেখা চোখের নেশায়<br />
তেমনি হাসে জীবন যাপন</p>
<p>সংগোপনে প্রতিশ্রুতি<br />
দুপুর বেলায় দুপুর বেলায়</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>&nbsp;</p>
<p><strong><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/03/M-1.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-3732" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/03/M-1-300x219.jpg" alt="" width="300" height="219" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/03/M-1-300x219.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/03/M-1.jpg 312w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>মুজিব</strong> <strong>ইরম</strong><strong>&#8211;</strong><strong>এর</strong> <strong>কবিতা</strong></p>
<p><strong>এক</strong></p>
<p><strong>পাঠ্যবই</strong></p>
<p>অনেক লিখেছি আমি অপাঠ্য পুস্তক</p>
<p>এবার লিখিবো কিছু পাঠ্যবই</p>
<p>যদি দয়া হয় পাঠ করো</p>
<p>তুলে রাখো উন্নি গরম বুকে</p>
<p>তোমার নামের গুণে</p>
<p>তোমার দয়ায়</p>
<p>জানি আমি</p>
<p>এ পুস্তক অপাঠ্য রবে না আর</p>
<p>একদিন পাতাগুলো ভরে যাবে গুণে,</p>
<p>আগর চন্দনে।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p><strong>দুই</strong></p>
<p><strong>নিন্দামন্দ</strong></p>
<p>&nbsp;</p>
<p>বৈদেশী ডাকিও না আর বুকে বড়ো বিঁধে!</p>
<p>টিটকারি দেবে যারা তারা দিক</p>
<p>নিন্দামন্দ</p>
<p>তামাশা করুক</p>
<p>দূরে চলে যাক</p>
<p>তুমি শুধু সেই নামে ডাকো</p>
<p>যেন আমি ডাক শুনে পার হতে পারি</p>
<p>ভাঙ্গা মন</p>
<p>ভাঙ্গা সাঁকু</p>
<p>দূরের হাকম&#8230;</p>
<p>কাকুতি মিনতি রাখো</p>
<p>লগ ছাড়িও না আর বুকে বড়ো বিঁধে</p>
<p>বৈদেশী ডাকিও না আর বুকে বড়ো বিঁধে!</p>
<p>&nbsp;</p>
<p><strong>তিন</strong></p>
<p><strong>আবারও</strong> <strong>নিন্দামন্দ</strong></p>
<p>তুমি লগ ছাড়িও না, ফাউড়ি লাইও না!</p>
<p>কান্দা-কাছাত থাকিও তুমি</p>
<p>তুমি গেলে কে আর রাখিবে মনে</p>
<p>অধমের নাম</p>
<p>নামের সুনাম</p>
<p>নাম নাম করে আমি তোমারেই ডাকি</p>
<p>নাম নাম করে আমি তোমারেই আঁকি</p>
<p>নিন্দামন্দে ডুবে আছি</p>
<p>তুমি আর শরমিন্দা করিও না, লগ ছাড়িও না।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p><strong>মানস বিশ্বাস এর কবিতা</strong></p>
<p><strong><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/03/FB_IMG_1552830581266.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-3742" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/03/FB_IMG_1552830581266-294x300.jpg" alt="" width="294" height="300" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/03/FB_IMG_1552830581266-294x300.jpg 294w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/03/FB_IMG_1552830581266.jpg 627w" sizes="auto, (max-width: 294px) 100vw, 294px" /></a>  </strong></p>
<p><strong>কবি কথা বলো</strong></p>
<p>কবি কথা বলো<br />
এই তো তোমার ছলছল উচ্ছল সজল শান্ত নয়ন<br />
এই যে পাতাপাতা আভা আভা গোলাপ গোলাপ ওষ্ঠ অধর<br />
এই যে দুর্লভ দূর্গম গিরি শেষে<br />
আমার মতো ধূলিমাখা মানুষের শান্ত শান্তির পথ ।</p>
<p>কবি চেয়ে দেখ<br />
একবার চেয়ে দেখ শিশির জাগিয়েছে বাংলার প্রান্তর<br />
আমাদের দুঃখমাখা স্বপ্নমাখা আর একটি দিনের পথ ।</p>
<p>কবি কথা বলো<br />
এখন আধার রাঙ্গানো ভোর<br />
দিগন্ত পাড়ে লাল লাল মেঘেদের কোলাহল<br />
কবি ঐ যে তোমার প্রিয় নদী<br />
নদীতে শান্ত ঢেউ<br />
পাড়ে জাগা মানুষ<br />
ঐ যে বাড়ি ,বাড়ির ভিতর কত রং</p>
<p>কবি কথা বলো<br />
ঐ যে রোদেলা আকাশ<br />
উঠোন ভরা শূন্য তার<br />
এই যে তোমার নিথর নিঃশব্দ কন্কণ<br />
এই তো পূজোর আসন ,বাসি ফুল, শূন্য সাঁজি<br />
এই যে তোমার চন্দন বাটি ।</p>
<p>কবি কথা বলো<br />
এই যে গুচ্ছ গুচ্ছ পলাশ চাদর<br />
সাজানো ড্রেসিং টেবিল,শূন্য খাট<br />
তোমার অপেক্ষায় চেয়ে আছে।</p>
<p>কবি কথা বলো<br />
একবার কথা বলো<br />
আবার ব্যস্ত জনপথ<br />
আগুনে ধূপের গন্ধ<br />
চন্দনে লেগেছে আগুন<br />
কবি একবার কথা বলো।</p>
<p><strong>দুই</strong></p>
<p><strong>ভুলেছি</strong></p>
<p>জেনেছি জীবন<br />
ভেঙ্গেছি ঘর ।</p>
<p>ভুলেছি পথ<br />
বুঝেছি সব<br />
ধূ ধূ শূন্য<br />
চরাচর ।</p>
<p><strong>তিন</strong></p>
<p><strong>পড়ি </strong></p>
<p>মেঘেরা লালদল, উড়াউড়ি ,হাসি হাসি<br />
পুকুরে জলঢেউ, এই, এই যে বিন্দু<br />
নেই ,এখন নেই ।<br />
তারে ভেজা শাড়ি রিম ঝিম ,ঝিন ঝিন শব্দ<br />
সোনা সোনা বিকেল ক্লান্ত<br />
ওই যে পা ,আধো আলতা কাদা কাদা<br />
মাটি ভালবাসা ।<br />
উঠোন কিনারে ঘরদোর ,কাজবাজ<br />
ধানক্ষেত দোলা দোলা<br />
রাতের কালো জামা, খেজুর পাতা ঘুমঘুম<br />
বিকাশ এল ,হাঁকডাক<br />
পেটভরা ,বাজার সময়, দিনের ব্যর্থতা<br />
পড়ার কন্ঠ ,মশাদের বাঁচামরা<br />
শিশুর ন্যাংটো শরীর<br />
শিহরণ-এ পাশ ওপাশ, চাঁদআলো<br />
মেঘেরা এখন সাদাদল যুদ্ধবাজ ,শব্দহীন ।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p><strong>জীবন নজরুল এর কবিতা</strong><br />
<strong>এক<a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/FB_IMG_1549787398744.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-3619" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/FB_IMG_1549787398744-225x300.jpg" alt="" width="225" height="300" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/FB_IMG_1549787398744-225x300.jpg 225w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/FB_IMG_1549787398744.jpg 720w" sizes="auto, (max-width: 225px) 100vw, 225px" /></a></strong></p>
<p><strong>মেটামরফসিস</strong></p>
<p>একা হতে হতে শূন্যতায় মিলিয়ে যাই।<br />
কার্তিকের নরম রোদ কিংবা<br />
পূর্ণিমার যৌবনবতি হওয়া<br />
পিপীলিকা জীবনে মূল্য কতোটা!!!</p>
<p>মূল্য, মূল্যবোধ সভ্যতার মানদণ্ড।<br />
মানদণ্ডেই আঁটকে আছে আমাদের প্রেম;<br />
কৈশোরে কানামাছি খেলায় হারিয়েছি।<br />
একা হতে হতে অণু পরমাণু, তবু<br />
আরো আরো<br />
ক্ষদ্রতায় বিলিন ঘাসফুল নদী।<br />
একা হতেই উড়ে ছিলো যে প্রজাপতি<br />
জাদুঘরে কাঁচের বাক্সে বন্দী<br />
জীবনে<br />
শিশুদের শিখায় ঘুর্ণনবিদ্যা।</p>
<p>সীমান্ত প্রহরী<br />
তোমার কোনো নিজস্ব দেশ নেই।<br />
ভাড়ায় বিক্রি হই অল্প মূল্যে<br />
প্রতিদিন মরে যাই,<br />
মরে গিয়ে বেঁচে থাকি<br />
স্বপ্নে বিভোর।</p>
<p>এই সব<br />
বেঁচে থাকাথাকি<br />
ক্লান্তি গ্লানি<br />
পঁচা মাংস<br />
স্বপ্নের বিনিময়<br />
তুমি কোথায়? আমি!!!</p>
<p>কার্তিকের রোদে বিষন্নতা শুকাতে দিয়ে চলে যাওয়া দেখছি।<br />
দূরত্ব<br />
আমাকে বোকার মতো<br />
সাহসী বানায়।<br />
তুমি একা হতে হতে মেটামরফসিস<br />
নতুন সকালে।</p>
<p><strong>দুই</strong></p>
<p><strong>কেবলা</strong></p>
<p>কেবলা মানে দিক<br />
প্রতিটি মানুষের একটাই দিক থাকে,<br />
অবশ্য দিকবিহিন মানুষও ঘুরাঘুরি করে<br />
আমি দিক থাকা না থাকা মানুষ দেখি রঙিন।</p>
<p>অতি ক্ষুদ্র যে পিপীলিকা<br />
তারা দলবদ্ধ দিক ভালোবাসে।</p>
<p>ভালোবাসা মুগ্ধতা বিলায়, আমি<br />
মুগ্ধতাহীন ভালোবাসায় আটকে থাকি।</p>
<p>পৌঁছাতে চাই বৃষ্টি ভেজা জোস্নায়<br />
লাঠাই ছিন্ন ঘুড়ি আকাশের বৃত্তে হারায়<br />
হারিয়ে ফেলে তার নিজস্ব কেবলা।</p>
<p>চকচকে রোদ্দুরে অন্ধের মতো দাঁড়াই<br />
দেখি- দেখতে থাকি অথবা দেখিনা কিছুই<br />
আমাকে ঘিরে অজস্র রঙিন প্রজাপতি, দিক থাকা না থাকা বিবর্ণ মানুষ।</p>
<p>আমিও কখনও কখনও নিজেকে মানুষ ভাবি<br />
তখনই<br />
আমি না<br />
কেবলাই খুঁজে হারিয়ে ফেলা আমাকে।</p>
<p><strong>তিন</strong></p>
<p><strong>মানুষ কতো তুচ্ছ কারণে অকারণে</strong></p>
<p>আমি নিহত হবার সময়<br />
চারপাশ সোনালী রোদ্দুরে মায়াময়।<br />
তুমি, আমার ভালোবাসা<br />
স্পর্শের নাগালে মুখোমুখি দাঁড়িয়ে।<br />
ঘামের বিন্দু বিন্দু জলকণা<br />
রক্তের লাল লাল অজস্র টিপ তোমার কপালে,<br />
কিছুটা ভয় তোমাকে ঘিরে।</p>
<p>আমি তোমার চোখে খুঁজি হারিয়ে ফেলা আমাকে।</p>
<p>ঠোঁটে চুম্বনের দাগ বলে দেয়<br />
একদিন কতোটা পিপাসায় শিশুর সারল্যে আশ্রয় চেয়েছি।</p>
<p>আমাকে যখন হত্যা করা হয়<br />
তোমার মোলায়েম হাত আমার বুকের পরে<br />
কিছুটা বিভ্রান্ত আমিও হলাম।</p>
<p>চকচকে রোদ্দুরে আমি নিহত হবার আগে<br />
আমার আঙুল স্পর্শের লোভে<br />
সারা বিছানায় তোমাকেই খুঁজে।</p>
<p>পড়ন্ত বিকেলের একরোখা রোদে সাহসী হয়ে ওঠো।<br />
কম্পিত ঠোঁট কি কিছু বলতে চায়?<br />
ভালোবাসা অথবা<br />
আমার জন্মের আগে যে ব্যাথায় ব্যথাতুর<br />
যাকে ভালোবাসা বলে ভুল করেছিলে<br />
অমাবস্যার কালো গহ্বরের তলিয়ে যাবার আগে।</p>
<p>আমাকে হত্যা করার সময় মুখোমুখি<br />
তুমি, আমার ভালোবাসা।</p>
<p>মানুষ কতো তুচ্ছ কারণে অকারণে<br />
বৃষ্টিতে ভিজে।।।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p><strong><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/03/M-a.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-full wp-image-3734" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/03/M-a.jpg" alt="" width="206" height="258" /></a>মাসুদ</strong> <strong>আলম</strong> <strong>বাবুল</strong> <strong>এর</strong> <strong>কবিতা</strong></p>
<p><strong>এক</strong></p>
<p><strong>মিছিল</strong></p>
<p>তার মৃত দিনগুলো কেটেছিলো</p>
<p>জলজ্যান্ত বসন্ত হাওয়ায়</p>
<p>ডুবো সূর্যের মতো কিছু রঙ রেখে গিয়েছিলো</p>
<p>গুহার আঁধারে পুণ্যার্থী স্নানের মতো উপচে ওঠা</p>
<p>জলের হিসেব যতোটুকু জানি</p>
<p>রাখেনি সাগর সাত্ত্বিক</p>
<p>জলপ্রাত্র নিয়ে তার প্রবাল প্রবঞ্চনা।</p>
<p>একবারই মেঘের সাথে ঘুরতে গিয়েছিলো</p>
<p>যে সারল্যমাখা দুহিতা হৃদয়</p>
<p>একদা সে নিজেই বুঝি মেঘ হয়েছিলো।</p>
<p>যে সূর্যের রঙ খুঁজেছিলো আনত বর্ণায়</p>
<p>সে নক্ষত্র হয়ে আকাশ বিদীর্ণ করেছে,</p>
<p>যে বসন্তের সব হাওয়ায় ভরতে চেয়েছিলো</p>
<p>স্বীয় অবারিত বুক ও হৃদয়</p>
<p>তার দু&#8217;হাত এখন জ্যৈষ্ঠের খরতাপে দ্রোহী।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p><strong>দুই</strong></p>
<p><strong>প্রত্যাখ্যাত</strong></p>
<p>&nbsp;</p>
<p>বৃষ্টির কাছে জল চেয়েছিলাম</p>
<p>বৃষ্টি বললো, মেঘের কাছে বলুন।</p>
<p>মেঘ বললো, সাগরের কাছে আমার অনেক ঋণ।</p>
<p>এ সিজেনটা যাক, আসছে বারে; একটু সময় দিন।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>দিনের কাছে বলেছিলাম, একটু আলো দাও</p>
<p>বললো রেগে, আমায় বলছো কেনো?</p>
<p>সূর্য আছে হাত পেতে ভিখ চাও।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>রাতের কাছে বলেছিলাম,</p>
<p>একটুখানি আঁধার দেবে ভাই?</p>
<p>সেই কখনো হয়?</p>
<p>মৃত্যু ছাড়া আমার কাছে আঁধার মজুদ নাই।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p><strong>তিন</strong></p>
<p><strong>সেই</strong> <strong>যে</strong> <strong>তুমি</strong></p>
<p>তোমার জন্যে চাঁদ উঠেছে শরৎ ডাঙায়</p>
<p>এবার আমি খেজুর পাতায় চাঁদখানাকে আটকে দিছি</p>
<p>খেজুর পাতা বলছে যেন আর পারে না সময় দিতে</p>
<p>সময় বড় বিশ্রী এক কিপ্টে জিনিস</p>
<p>তুমি শুধু টানাপোড়েন সেই নিশিথে</p>
<p>অবশেষে কাশময়ূরী মেঘ নামালাম</p>
<p>চাঁদ বলেছে আর পারিনে এবার ছাড়ো</p>
<p>মেঘ বলেছে বিষ্টি দেবো কাল সকালে</p>
<p>আজকে আমি পাহাড় চূড়ে নাচ দেখাবো</p>
<p>ততক্ষণে চাঁদটা বড় ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে গেছে</p>
<p>খেজুর গাছটা অন্ধকারে হিজাব পরে লুকিয়ে আছে</p>
<p>শরৎ ডাঙায় সত্যি তুমি আসবে বলে আর এলে না</p>
<p>মাঝে মাঝে মেঘের সাথে টিটকিরি দেয় চাঁদ লুকিয়ে।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p><strong><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/03/sa.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-3735" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/03/sa-300x300.jpg" alt="" width="300" height="300" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/03/sa-300x300.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/03/sa-150x150.jpg 150w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/03/sa.jpg 480w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>শামীমা</strong> <strong>খানম</strong> <strong>এর</strong> <strong>তিনটি</strong> <strong>কবিতা</strong></p>
<p><strong>এক</strong></p>
<p><strong>তবুও</strong> <strong>সপ্ন</strong> <strong>আঁকি</strong></p>
<p>তোমাকে দেখার পর প্রতিদিন লালন করেছি</p>
<p>আমার যে স্বপ্নের পৃথিবী আজও</p>
<p>সে স্বপ্নে বিভোর আমি অথচ তা তোমাকে</p>
<p>এখনও হয়নি বলা, জানানো হয়নি আমার সমস্ত অনূভূতি</p>
<p>ধ্যান-ধারণা অক্টোপাসের মতো</p>
<p>কীভাবে তোমাকে জড়িয়ে রেখেছে!</p>
<p>তোমাকে বিহীন ভাবতে গেলেই কষ্ট হয় আমার!</p>
<p>অথচ জানি এ কষ্ট আমাকে ছাড়বেনা কখনও</p>
<p>বাতাসে বিচ্ছিন্নতার পূর্বাভাস, ঝড়ের পূর্ব সংকেত</p>
<p>আমাকে দলিত-মথিত করে, যন্ত্রণায় বিষাক্ত হই</p>
<p>প্রতিদিন ; তবু সপ্ন আঁকি</p>
<p>সপ্ন দেখি ভালোলাগার সেই বৃক্ষটিকে পরিচর্যা করি</p>
<p>পরিপূর্ণ মলিনীরূপে, শুধু প্রত্যাশা একদিন</p>
<p>প্রকৃতি সহায় হবে আমার</p>
<p>দুরন্ত পৃথিবী ভালোবাসার অসংখ্য ফুলে ভরে যাবে</p>
<p>আমি দেখবো আমাকে, আমার প্রকৃতিকে।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p><strong>দুই</strong></p>
<p><strong>রক্তে</strong> <strong>লেখা</strong> <strong>ইতিহাস</strong></p>
<p>বাঙালি জাতির জনক অন্তরে তুমি বাইরে সজীব প্রাণ</p>
<p>তোমার কীর্তি হবেনা কখনো বিলীন।</p>
<p>হে জাতির জনক দেশ ও জাতির কল্যাণে চিরস্মরণীয়</p>
<p>তোমারই অবদান দিয়ে গেলে জীবন</p>
<p>জাতির জন্য শেষ হলো এক মহাপ্রাণ ।</p>
<p>যুগে যুগে তোমার গুণকীর্তনে বাঙালি জাতির মন</p>
<p>মত্ত থাকবে তোমাকে ঘিরে তুমি আপনজন।</p>
<p>১৫ আগস্টে হায়েনার থাবার রক্তে লেখা</p>
<p>তুমি এক ইতিহাস</p>
<p>স্তম্ভিত হলো বাঙালি জাতি থেমে গেলো সব নিঃশ্বাস ।</p>
<p>নীরবে ঝরে চোখের অশ্রু কান্নায় ফাটে বুক</p>
<p>পিতৃহারা জাতি হতবিহ্বল কোথায় লুকাবে দুখ?</p>
<p>আগস্ট এলে কাঁদে তাই এই জাতি তোমাকেই মনে করে</p>
<p>মৃত্যুঞ্জয়ী হয়ে আছ তুমি আজ বাঙালির ঘরে ঘরে।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p><strong>তিন</strong></p>
<p><strong>অপেক্ষায়</strong> <strong>থাকবো</strong></p>
<p>অন্তর খুঁজে ফিরে তোমাকে</p>
<p>হৃদয়ের একান্ত নিবিড়তায় পেতে চায় তোমাকেই,</p>
<p>চলে এসো তুমি- গ্রীষ্মের দক্ষিণা বাতাসে</p>
<p>আমি অপেক্ষায় থাকবো।</p>
<p>বর্ষায় এসো তুমি রিমঝিম বৃষ্টিতে</p>
<p>শরতে এসো তুমি সুনীল আকাশে</p>
<p>সাদা মেঘের ভেলায় চরে,</p>
<p>নদীর বুকে কাঁশের বনে শিউলি ফুলের সুবাস নিয়ে,</p>
<p>আমি অপক্ষায় থাকবো।</p>
<p>হেমন্তে এসো তুমি মনোলোভা ফসলের মাঠে</p>
<p>আলোয় আলোয় উচ্ছল হয়ে,</p>
<p>শীতে এসো তুমি হিমেল হাওয়ায়</p>
<p>সকালের সোনালি রোদ্দুরে</p>
<p>আমি অপেক্ষায় থাকবো।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>বসন্তে এসো তুমি বাহারি ফুলের সমারোহে</p>
<p>সপ্ন জড়ানো আদর মাখানো ডালা সাজিয়ে</p>
<p>আমি অপেক্ষায় থাকবো।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>&nbsp;</p>
<p><strong><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/03/222.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-3736" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/03/222-300x200.jpg" alt="" width="300" height="200" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/03/222-300x200.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/03/222.jpg 309w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>স্বীকৃতি</strong> <strong>প্রসাদ</strong> <strong>বড়ুয়া</strong> <strong>এর</strong> <strong>কবিতা</strong></p>
<p><strong>এক</strong></p>
<p><strong>তবুও</strong> <strong>ফুল</strong> <strong>ফোটে</strong></p>
<p>সকালে উঠেই বাজারে দে দৌড়,</p>
<p>শুধু দৌড় দৌড় আর দৌড়</p>
<p>আয়নার সামনে দাঁড়াতে না দাঁড়াতেই শেভ করা শেষ</p>
<p>টিভির পর্দায় ব্রেকিং নিউজ</p>
<p>লঞ্চ ডুবিতে &#8230; জনের মৃত্যু</p>
<p>তখনও অনেক মানুষ পেটপুরে সকালের পান্তা ভাত খাওয়া শেষ করেনি</p>
<p>কিন্তু লঞ্চের মানুষগুলো তাদের জীবনের শেষ পাড়ে পৌঁছে গেছে।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>আবার বসন্তের আমের গাছে দেখা যায় কি সুন্দর ফুলের সমারোহ আহা!</p>
<p>মানুষগুলো যদি এরকম নীরবে ফুল ফোটাতো যদি মানুষের মনে,</p>
<p>অন্তত কলহ হিংসা কিছুটা হলেও কমতো, দুঃখ কিছুটা লাঘব হতো।</p>
<p>একটি মানুষের একটিই মুখ,</p>
<p>দুইটি চোখ, দুইটিই পা, দুইটিই হাত</p>
<p>কিন্তু কিছু মানুষ মনে করছে তাদের লক্ষ লক্ষ এসব অঙ্গ প্রত্যঙ্গ</p>
<p>এজন্য এদের লাগবে পৃথিবীর সব সম্পদ, সব সম্মান, সব সুখ।</p>
<p>অন্যরা উলঙ্গ থাক,</p>
<p>না খেয়ে থাকুক,</p>
<p>ফুটপাতে থাকুক, বুঝুক জীবন কি!</p>
<p>একই প্রসেসে পৃথিবীতে এসে মানুষের কত ভেদ,</p>
<p>অথচ কাক সব একই রকম কোকিল সব একই সুরে কি সুন্দর করে ডাকে,</p>
<p>মানুষ কেন পারে না?</p>
<p>&nbsp;</p>
<p><strong>দুই</strong></p>
<p><strong>আমি</strong> <strong>মানুষ</strong> <strong>নই</strong><strong>!!!</strong></p>
<p>মা বাবার কাছে আমি সন্তান</p>
<p>স্ত্রীর কাছে আমি স্বামী</p>
<p>সন্তানের কাছে আমি বাবা</p>
<p>আমি মানুষ নই।</p>
<p>বাজারের কাছে আমি ভোক্তা</p>
<p>দোকানির কাছে আমি ক্রেতা</p>
<p>দেশের মাঝে আমি নাগরিক</p>
<p>শহরের কাছে আমি আগন্তুক</p>
<p>আমি মানুষ নই।</p>
<p>যখন কিছু দেখি তখন দর্শক</p>
<p>যখন দেখাই তখন প্রদর্শক</p>
<p>যখন বানাই তখন নির্মাতা</p>
<p>তবু আমি মানুষ নই।</p>
<p>প্রেমিকার কাছে আমি প্রেমিক</p>
<p>বইয়ের কাছে আমি পাঠক</p>
<p>বোনের কাছে আমি ভাই</p>
<p>আমার মানুষ পরিচয় কই?।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>চাকরী করলে আমি চাকর</p>
<p>ব্যবসা করলে ব্যবসায়ী</p>
<p>ছবি আঁকলে চিত্রকর</p>
<p>গান গাইলে গায়ক</p>
<p>আমি মানুষ নই।</p>
<p>মারা গেলে আমি মৃত</p>
<p>যুদ্ধে গেলে শহীদ বা যুদ্ধাহত</p>
<p>দুর্ঘটনায় মারা গেলে সংখ্যাতত্ত্বে আমি শুধুই সংখ্যা</p>
<p>কোথাও আমি মানুষ নই?</p>
<p>&nbsp;</p>
<p><strong>তিন</strong></p>
<p><strong>জানি</strong> <strong>না</strong><strong>,,</strong>,</p>
<p>তোমার বাবা কেমন আছে?</p>
<p>জানি না!</p>
<p>তোমার ভাইয়েরা? জানি না!</p>
<p>তোমার মা ভালো তো? জানি না!</p>
<p>তোমার প্রিয়তমা কেমন আছে? জানি না!</p>
<p>তোমার ভাষা কেমন আছে? জানি না!</p>
<p>তুমি কেমন আছ? তাও জানি না!</p>
<p>এতো না জানার মাঝেও দিন যায় রাত আসে</p>
<p>মানুষের জন্ম হয়, মৃত্যু হয়, তবুও আমরা</p>
<p>অজানায় বড় হই না জানায় মরে যাই।।!!!</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>&nbsp;</p>
<p><strong><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/03/24.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-3737" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/03/24-169x300.jpg" alt="" width="169" height="300" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/03/24-169x300.jpg 169w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/03/24.jpg 540w" sizes="auto, (max-width: 169px) 100vw, 169px" /></a>অপূর্ব </strong><strong>গৌতম এর কবিতা</strong></p>
<p><strong>এক</strong></p>
<p><strong>আমরা </strong><strong>এখন </strong><strong>মায়ের </strong><strong>কোলে &#8230;</strong></p>
<p>প্লাটফর্মের সব শিশুরাই আমার বন্ধু ছিল<br />
ওদের বাবা নাই, মা নাই। আমারও নাই<br />
টোকাইয়া টোকাইয়া খাই তাই আমরা টোকাই<br />
মানুষের ফেলে দেয়া জলের বোতল, স্যান্ডেল<br />
জামা প্যান্ট টোকাইয়া র‌্যাওনের ব্যাগ ভরতাম<br />
এ বাড়ির ও বাড়ির দু’একটা ভালো জিনিসও<br />
ব্যাগে ভরার কু-অভ্যাসটাও সচল ছিল সজ্ঞানে<br />
সারাদিনে যে কটা ডাল ভাত খেতাম তার চেয়ে<br />
বহুগুন নির্যাতন হজম করেছে শরীরের প্রতিটি অঙ্গ<br />
অসহ্য যন্ত্রণার ভারে নিথর দেহ সব মেনে নেয়<br />
সূর্য ওঠে রঙিন আভা নিয়ে। আমার চোখের কষ্ট<br />
বেদনার নীল সাগরে। হাঙ্গরের সাথে তুমুল লড়াই<br />
কীর্তনখোলার ঘাট বন্ধুরা দিনের আলোয় হারিয়ে<br />
গেলেও সন্ধ্যা নামাই একসাথে।</p>
<p>একদিন সন্ধ্যা বেলা &#8211;<br />
অন্ধকারে আলো জ্বেলে বক্তৃতা দেয়<br />
একজন মানুষ। পরদিন র‌্যাওনের ব্যাগ ফেলে<br />
মালকাচা দিয়ে দু’হাত ঝুলিয়ে বাম ডান করি<br />
চলো বন্ধু, চলো, মা-কে রক্ষা করি</p>
<p>আমরা এখন মায়ের কোলে &#8230;</p>
<p>১১.০২.২০১৯ সোমবার</p>
<p><strong>দুই</strong></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><strong>শরীরে রক্তের সাগর ঢেউ</strong></p>
<p>চতুর্দিকে ঘন কুয়াশা<br />
শিশিরগুলো জলের মতোই<br />
নেমে আসে শরীর বেয়ে<br />
ফোঁটা ফোঁটা জলে ভিজে যায় চুল<br />
ভিজে যায় হাত-মুখ<br />
ভিজে যায় শরীরে জড়ানো<br />
মালবিকার দেয়া উলেন চাদর</p>
<p>দুপুর থেকে সন্ধ্যা একটানা মাইকিং<br />
মানিকের দরাজ কন্ঠের আহবান<br />
চলে আসো বন্ধু সকাল সাতটায়<br />
হিজলদীঘির পাড়ে</p>
<p>আমি ঢাকা যাব, মিছিলে যাব<br />
মিছিলে যাব, শ্লোগান দেবো<br />
দাবী আদায়ের শ্লোগান<br />
মায়ের ভাষার শ্লোগান<br />
অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের শ্লোগান<br />
শ্লোগান দেবো, প্রতিশোধ নেবো<br />
আমি ঢাকা যাব, মিছিলে যাব</p>
<p>কুয়াশা কেটে যাচ্ছে আলোর রোসনাইতে<br />
হিজলদীঘির পাড়ে জড়ো হওয়া শত লোক<br />
আমাদের বিদায় দিলে, পথ ধরি ঢাকার পথে<br />
সকাল সাতটা সতেরো</p>
<p>গ্রামের মানুষ অতোশতো বোঝেনা<br />
মিছিল, শ্লোগান, প্লাকার্ড, ব্যানার<br />
শুধু বোঝে তারা ‘শালারে ধইর‌্যা মাইর‌্যা ফালা<br />
আমরা মায়ের ভাষায়, বাংলা ভাষায় কতা কমু’</p>
<p>আমি ঢাকা যাই, মিছিলে যাই<br />
শরীরে রক্তের সাগর ঢেউ<br />
১৪৪, উর্দু এ কিছুই আমার নয়<br />
নেশায় ধরেছে মাতৃভাষার<br />
শত্রুর বুলেটে হারানো তিনটি আঙুল<br />
আজও জবানবন্দি দেয় মিছিলের, রাজপথের</p>
<p>দুটি আঙুলে এখনো বর্ণ সাজে<br />
মায়ের ভাষায় অমর একুশ &#8230;</p>
<p><strong>তিন</strong></p>
<p><strong>দাসত্ব </strong></p>
<p>আমি মোটেই সাহসী নই ভালবাসি বলতে<br />
আমি মোটেই সাহসী নই<br />
মালবিকা’র কোলে শুয়ে শুয়ে জোছনা স্নাত<br />
রাতের আকাশে লক্ষ তারা গুণতে</p>
<p>আমি মোটেই ভীতু নই<br />
দাসত্বের বিরুদ্ধে কথা বলতে &#8230;</p>
<p>&nbsp;</p>
<p><strong>আরিফ আহমেদ এর কবিতা</strong></p>
<p><strong><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/03/a-1.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-3738" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/03/a-1-298x300.jpg" alt="" width="298" height="300" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/03/a-1-298x300.jpg 298w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/03/a-1-150x150.jpg 150w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/03/a-1.jpg 763w" sizes="auto, (max-width: 298px) 100vw, 298px" /></a>এক</strong></p>
<p><strong>বন্ধ </strong><strong>করো </strong><strong>দ্বন্দ্ব </strong><strong>সব</strong></p>
<p>শান্তি চাই! মিছিলের পতাকা ধারক<br />
ধার করা পুরানো প্যাচাল আর কতকাল।<br />
সবুজোরন্য বিলিন করে নগরায়নের এই যে অভয়নগর<br />
এখানে কিসের শান্তি তোমার বলতে পারো &#8211;</p>
<p>কতটা জল গড়ালে সাগরে হতে পারে মহাসাগর?</p>
<p>তবে এটা নিশ্চিত বলা যায়,<br />
এই যে তোমার উন্নয়নের সেতু নির্মাণ চলছে&#8230;<br />
এই সেতু ভর করে একদিন ভরদুপুরে<br />
তুমি আমি পাড়ি দেব মরুরসাগর।</p>
<p>জানোতো, সেদিন খুব দূরে নয়<br />
এখুনি রোজ যন্ত্রদানব পিছে খায় কত শত শরীর<br />
ডিজিটাল অগ্নি স্নান; পুড়ে ছারখার চকবাজার, নিমতলি আর</p>
<p>প্রতিদিন বিশ্বজুড়ে পোড়ে কত ঘরবাড়ি ডিজিটাল হামলায়।</p>
<p>শুনেছি গতকাল ভারতীয় বোমারু বিমান; ঝেড়েছে তিনশত প্রাণ কাশ্মীরে<br />
পাকেরাও তৈরি পাল্টা হামলায় হয়তো ঝরবে আরো কত শত?</p>
<p>ঝরা পাতার মতো ঝরে যাবে শুধু মানুষের মানবিকতার গান।।</p>
<p>তুমি শান্তির কি গান শোনাবে বন্ধু<br />
ইসলাম যে শান্তির আরবী নাম<br />
বিশ্বজুড়ে দ্বন্দ্বটা আসলে এখানেই শুধু।।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p><strong>দুই</strong></p>
<p><strong>বিলাপ</strong></p>
<p>মেঘ জমেছে মেঘ<br />
কয়েক ফোটা আবেগ<br />
আর দু&#8217;-এক ফোঁটা বৃষ্টি<br />
চকবাজার তলিয়ে দিয়ে<br />
মৃদু মন্দ কৌশলে<br />
চট্টলায় সেকি চতুর সৃষ্টি।।</p>
<p>ধার করা ভালোবাসা আর<br />
ঋণ করা সেবায়<br />
উন্নয়নের মহাসাগরে<br />
জাতি আজ হাবুডুবু খায়।।</p>
<p>নীতিহীন নৈতিকতার বাজার বড় সস্তা<br />
সব নেতাজীর মুখের বলি পঁচা আলুর বস্তা।।</p>
<p>মেঘ জমেছে মেঘ<br />
আকাশ নামবে ভেঙে<br />
উঠবে তুফান যখন তখন<br />
সাবধানী মাইর ঠেঙে।।</p>
<p>সলিলসমাধির আগে<br />
এমনি কত মা&#8217;র খেল ফেরাউন<br />
সামুদও দেখেছিল পাহাড়ের ক্রন্দন।<br />
বোঝেনি ওরা অতিপাপী তাই<br />
তুমি তো বোঝো পাপের ক্ষমা নাই।।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p><strong>তিন</strong></p>
<p><strong>আক্রোশ</strong></p>
<p>সাগরের নোনাজলে আঁধার রাতের ঝিলিক<br />
দেখেছো কি কখনো ছোট্ট ডিঙির খেলা<br />
ঢেউয়ের নাচন?<br />
সময়ের আলাপন শুনেছো কখনো<br />
মৃত্যুপথযাত্রার আলিঙ্গনকালে<br />
বিমর্ষ নয়ন।।</p>
<p>অনাদিকালের অপেক্ষা চলছে<br />
রাত আর সময়ের সাথে<br />
নাকি<br />
সময় চলবে রাত্রীযাত্রায়<br />
বাকবিতন্ডায় কেটে যায় যোজন যোজন প্রহর<br />
আমাদের ছেদহীন আকাশ আর<br />
নিস্ফল মাটিটুকু সম্বল।।</p>
<p><strong> </strong></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%83-%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a7%9c%e0%a6%bf-%e0%a6%97/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>এ সময়ে লেখা কিছু কবিতা</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%9b%e0%a7%81-%e0%a6%95%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a6%be/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%9b%e0%a7%81-%e0%a6%95%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a6%be/#comments</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[সাহিত্য বাজার]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 10 Feb 2019 08:44:31 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[পদাবলী]]></category>
		<category><![CDATA[সাহিত্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://shahittabazar.com/?p=3614</guid>

					<description><![CDATA[<p>অশ্বগন্ধার ঘুম<br /> মুহাম্মদ নুরুল হুদা</p> <p>তোমার পলিতে আমি অশ্বগন্ধা<br /> ফুটে আছি সবুজ নিদ্রায়,<br /> তোমার আমার সখ্য প্রাচীন মিশর<br /> হয়ে এশিয়ায় মেসোপটেমিয়ায়,<br /> বিদিশার নিশা হয়ে বঙ্গদেশ</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%9b%e0%a7%81-%e0%a6%95%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a6%be/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>অশ্বগন্ধার ঘুম</strong><br />
<strong> মুহাম্মদ নুরুল হুদা</strong><span id="more-3614"></span></p>
<p><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/04/mohammad-nurul-huda-1_1.jpg" rel="attachment wp-att-3289"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-3289" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/04/mohammad-nurul-huda-1_1-300x200.jpg" alt="mohammad-nurul-huda-1_1" width="300" height="200" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/04/mohammad-nurul-huda-1_1-300x200.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/04/mohammad-nurul-huda-1_1.jpg 430w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>তোমার পলিতে আমি অশ্বগন্ধা<br />
ফুটে আছি সবুজ নিদ্রায়,<br />
তোমার আমার সখ্য প্রাচীন মিশর<br />
হয়ে এশিয়ায় মেসোপটেমিয়ায়,<br />
বিদিশার নিশা হয়ে বঙ্গদেশ হয়ে<br />
বৈদিক ভারত হয়ে লঙ্কাদ্বীপে যায়,<br />
যায় দেশ থেকে মহাদেশে<br />
সর্বরোগহর হয়ে ত্রিলোক সীমায়;</p>
<p>তোমার শক্তির ভ্রূণ<br />
জন্মে-জন্মে প্রজন্মের সেতু,<br />
স্নায়ুতে স্নায়ুতে আয়ু<br />
প্রাণি মাত্রে বাড়ায় যেহেতু</p>
<p>তুলেছি মানব পাল<br />
আশরীর মনদরিয়ায়;<br />
মানুষ বসত করে<br />
মহাপ্লাবনেও নবী নূহের নৌকায়;<br />
আয় তোরা কে কে যাবি<br />
লগ্নমগ্ন জোড়ায় জোড়ায়!</p>
<p>অশ্বগন্ধা নর আর অশ্বগন্ধা নারী<br />
দুঃখের দহন বুকে সুখে নিদ্রা যায়।</p>
<p>বিদ্রঃ ব্যাপক স্বসম্পাদনা শেষে নতুন পাঠ দেয়া হলো।</p>
<p><strong>পাপড়ি ও পরাগে উঠবে মেতে ?</strong><br />
হেনরী স্বপন</p>
<p><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/FB_IMG_1549786951419.jpg" rel="attachment wp-att-3617"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-3617" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/FB_IMG_1549786951419-300x225.jpg" alt="FB_IMG_1549786951419" width="300" height="225" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/FB_IMG_1549786951419-300x225.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/FB_IMG_1549786951419.jpg 720w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>কিছুক্ষণ আগে দেখলাম,<br />
প্রার্থনার পিঁপড়েরা এক হয়েছে এক টুকরো<br />
চিনিরদানার চারপাশে&#8211;<br />
টমেটো ক্ষেতের মতো রঙিন প্রার্থনাগুলো<br />
জামার বোতাম খুলে দেখছে সবাই&#8230;।<br />
অথচ এখনো একগুচ্ছ খুচরো পয়সা পকেটের মধ্যে দুলছে মর্মর শব্দে ;<br />
কিছু নিরবতা ভাঙ্গছে গির্জার মখমল কার্পেটে জড়ানো ভয়ে,<br />
কিছু স্পর্শ কাঁপছে ভূমিকম্পের মতো&#8211;<br />
.<br />
তাহলে এবার, তোমার উদ্যানে ফুটবে যে ফুল, পাপড়ি ও পরাগে উঠবে মেতে ?</p>
<p>&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;..<br />
বরিশাল, ০৩/০১/২০১৯</p>
<p><strong>রূপোলী নদীর মেঘ</strong><br />
<strong> ———-মামুন মোয়াজ্জেম</strong></p>
<p><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/IMG_20181210_162826.jpg" rel="attachment wp-att-3618"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-3618" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/IMG_20181210_162826-225x300.jpg" alt="IMG_20181210_162826" width="225" height="300" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/IMG_20181210_162826-225x300.jpg 225w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/IMG_20181210_162826-768x1024.jpg 768w" sizes="auto, (max-width: 225px) 100vw, 225px" /></a>এক আসমান মেঘ তোমাকে দিলাম<br />
তুমি রৌদ্র হলে ফিরিয়ে দিও হাসি-</p>
<p>নদীর চিলিক জলে রূপোলী দন্ত দেখিয়ে<br />
হাওয়ামে উড়তা দিও লাল দোপাট্টা<br />
ভরা নদীর মায়া যৌবনের পেয়ালা দিও উগড়ে !</p>
<p>জলের কাছে তারও নীচে ইলিশের কাছে<br />
তুমি সমর্পিত হলে ওই আকাশ ফিরিয়ে দিও ।<br />
আমারও দুচারটে আকাশের মালিকানা<br />
খুব দরকার-<br />
দু’তিনটে চাঁদ আর তেজোদ্দীপ্ত একটি সূর্যের<br />
কোমল ও তেজের খেলার আকাশ ক্রীড়া মাঠ !</p>
<p>মেঘেদের বাড়ি গেলে কোমল ধোঁয়ার ওপর<br />
তক্তপোষে সাজিয়ো হাওয়াই মিঠাই</p>
<p>আমিও নামবো জলে একটু পরে পা দুখানি মেলে<br />
যেমন অচিন গাঁ পা ডুবিয়ে বসে থাকে নদীয়<br />
তার কিনারে কৌশলী শেকড়ের মতো<br />
একটু একটু নেবো জলের সুস্বাদ ।</p>
<p>এক দিগন্তে এক করে আকাশ ও নদীর মালিকানা<br />
তোমাকে দেবো-<br />
তুমি রৌদ্র হলে স্বত:স্ফূর্ত হাসি সাজিয়ো !</p>
<p>&nbsp;</p>
<p><strong>ঈর্ষা</strong></p>
<p><strong>হাসান মাহমুদ  <a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/FB_IMG_1550032697745.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignright size-medium wp-image-3657" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/FB_IMG_1550032697745-300x295.jpg" alt="" width="300" height="295" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/FB_IMG_1550032697745-300x295.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/FB_IMG_1550032697745.jpg 550w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a></strong></p>
<p>ঈর্ষাগুলো তামাক বনে, স্বপ্নগুলো কই<br />
নীরবতার এই চাতালে ফুটছে কথার খৈ<br />
চোখের মতো চিহ্নগুলো প্রশ্ন হয়ে ফোটে<br />
মানুষ কেন আলয় ফেলে দিগ্বিদিকে ছোটে?</p>
<p>স্বপ্নগুলো ঈর্ষা রঙে রাঙাচ্ছে আসমান<br />
আগুনমুখো জোনাক গায়ে জড়ায় আলোয়ান<br />
টেবিল জুড়ে পদ্যপিঠা মগজ জুড়ে সুর<br />
মানবতার জয়ধ্বনি ছড়াচ্ছে অসুর</p>
<p>সুন্দরবন রূপ হারালে বেবাক মুখে কালি!<br />
ঈর্ষাগুলো পালিয়ে যেতেই মুখর হাততালি&#8230;</p>
<p><strong>রহমান হেনরীর কবিতা</strong></p>
<p><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/FB_IMG_1550476055518.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-3693" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/FB_IMG_1550476055518-300x300.jpg" alt="" width="300" height="300" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/FB_IMG_1550476055518-300x300.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/FB_IMG_1550476055518-150x150.jpg 150w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/FB_IMG_1550476055518.jpg 610w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>সুবহে সাদিকে, আমরা, একটা তাগড়া ষাঁড় জবাই করি।<br />
নিজেরাই প্রসেস করি। মাংস পাঠাই রান্নাঘরে। সকালের<br />
নাস্তায়— আমাদের টেবিলে উঠে আসে মহিষ-ভূনা।<br />
বিস্ময়ের গালিচা ফুঁড়ে বেরিয়ে আসতে চায় আমাদের<br />
চোখ দাঁত জিহ্বা।</p>
<p>অগত্যা, পরের বারটির অপেক্ষা।</p>
<p>সুবেহ সাদিকে, আবার আমরা,<br />
জবাই করি— লকলকে খাসি।<br />
নিজহাতে প্রসেস করি। এইবার,<br />
নিজেরাই ঢুকে পড়ি— রন্ধনশালায়।<br />
নাস্তার টেবিলে উঠে আসে—<br />
বকরি-ভূনা। ব্যাঁ ব্যাঁ করতে করতে,<br />
আমাদের সবাইকে টেনে নিয়ে যায়<br />
ভাদাল ঘাসের জঙ্গলে&#8230;</p>
<p>এভাবেই, একটা ম্যাজিক রিয়েলিটির মধ্যে ঢুকে পড়ে—<br />
আমাদের মাংসাশী জীবন। আমাদের কণ্ঠস্বর ফুঁড়ে<br />
বেরিয়ে আসে: গরু-মহিষ-বকরি-ভেড়ার মিলিতধ্বনি—<br />
.<br />
✔️<br />
.<br />
.<br />
#রহমানহেনরী; #RahmanHenry</p>
<p><strong>নাসরীন জাহান এর কবিতা</strong></p>
<p><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/FB_IMG_1550033811619.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-3659" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/FB_IMG_1550033811619-225x300.jpg" alt="" width="225" height="300" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/FB_IMG_1550033811619-225x300.jpg 225w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/FB_IMG_1550033811619.jpg 720w" sizes="auto, (max-width: 225px) 100vw, 225px" /></a></p>
<p>একটা অগ্নিময় জলরেখা শরীর বেয়ে<br />
নিচে নেমে যায়।<br />
বাতাসে দীর্ঘশ্বাস ছড়িয়ে দিই।<br />
সেভলন,,সেভলন।<br />
হাসপাতালের ছাদটা যেন একটা মিনি আসমান।</p>
<p>সমস্ত পোড়ামুখে ব্যান্ডেজ।<br />
নিগুঢ় স্ট্যাচু হয়ে পড়ে থাকতে ইচ্ছে করে।<br />
কিন্ত তীব্র যাতনা আমার সারা রক্তস্রোতে<br />
বিষ পিঁপড়ে ছেড়ে দিয়েছে<br />
নীল হিম রাত্রিতে তালের শাঁসের মতো আমার চোখ জেগে থাকে।</p>
<p>মহাস্বপ্নভাংগা প্রেমের দিকে আমার রক্তাক্ত আত্মা<br />
নিথর চোখে চেয়ে থাকে।।<br />
শাদা ঝুটি নার্সের মুখ ঝুঁকে আসে,কষ্ট হচ্ছে?<br />
সমূলে ঘুরে দাঁড়ায় সত্তা,<br />
আমার হন্তারকের মুখে থুতু ছিটিয়ে দেয়।<br />
বলি,কষ্টের সাধ্য কি আমাকে কষ্ট দেয়?</p>
<p>&nbsp;</p>
<p><strong>অন্তরঙ্গ দৃশ্যাবলী</strong><br />
<strong>মৈথিলী</strong></p>
<p><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/FB_IMG_1550927031253.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-3702" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/FB_IMG_1550927031253-225x300.jpg" alt="" width="225" height="300" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/FB_IMG_1550927031253-225x300.jpg 225w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/FB_IMG_1550927031253.jpg 720w" sizes="auto, (max-width: 225px) 100vw, 225px" /></a>তুই আমায় শরীরী বললেই<br />
এ শরীরে ভর করে যত কালকেউটের বিষ,<br />
তুষের আগুনে ছারখার আমার পরকীয়া,<br />
আমার নাভি উথলানো শেওলা<br />
তোর অস্তমিত হাতের মুঠোয় তুলে দিয়ে<br />
আমার কান্না পায়, ভীষণ এক কান্না<br />
আমি নই মেনকা, নই রম্ভা, নই ঊর্বশী<br />
তবু মৃদঙ্গ ভালো লাগে,<br />
ভালো লাগে পিশাচের ডাক,<br />
নিঃসঙ্গ বালিয়াড়িতে ভালো লাগে<br />
ভরণ আর স্খলনের খেলা,</p>
<p>খেলা শেষ হলে মেঘ আকাশে উড়ান দেয়<br />
পড়ে থাকে ঘুম ঘুম আজানিয়া সুর।</p>
<p><strong>অমর একুশে দিবস</strong><br />
<strong>সাথী মন্ডল <a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/IMG_20190220_112747_559.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignright size-medium wp-image-3696" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/IMG_20190220_112747_559-223x300.jpg" alt="" width="223" height="300" /></a></strong></p>
<p>ঘাসের আগায় রক্ত শিশির<br />
অকালে ঝরেছে কতো প্রাণ,<br />
সুবাসিত রফিক বরকত জব্বারেরা-<br />
রেখে গেছে প্রাণপনে-<br />
বাংলা ভাষার মান।</p>
<p>তাই-লক্ষ মোমের মিছিল হাতে<br />
মোম,মন কাঁদছে পুড়ে পুড়ে,<br />
শহিদরা জ্বলছে-বোমা,বারুদহীন<br />
যেনো সেই অগ্নি সমুদ্দুরে।</p>
<p>নীরবে বসে আজও শুনি তাই<br />
স্বাধীন বাংলা ভাষার গান,<br />
হারিয়েছি যুদ্ধে যাদের-<br />
অলক্ষে খুঁজে বেড়াই তাদের<br />
বেদীতে জানাই প্রণম্য সম্মান।</p>
<p>চোখে ভাসে এই বাংলার রুপ!<br />
মা ভোলেনা ভাইয়ের টান,<br />
উন্মুখ-ভারত বাংলা জড়ায়ে স্নেহ!<br />
গরবিনী ভাষাও ঠিক যেনো &#8211;<br />
আমার মায়েরই সমান।</p>
<p>বিশ্ববন্দিত বিশ্বলোকে মাতৃবিশ্ববাংলা<br />
আবার বাংলার মাঝেই ঢাল তরবারি,<br />
দুই বাংলায় দ্বিখন্ডিত আমরা;<br />
মাতৃকূলেই-কাঁটা তারের বেড়া<br />
পাড়ি দিতে নাই তরি।</p>
<p>সংগ্রামী শহীদদের প্রাণপাত<br />
ভাষার আত্মবলিদান কি ভুলতে পারি!<br />
আমরাও যে বাংলা ভালোবাসি।<br />
তাই-বাংলা অমর একুশে অমর<br />
চির অমর একুশে ফেব্রুয়ারি।।<br />
&#8212;-<br />
সাথী মন্ডল<br />
কল্যাণী,ঘোষপাড়া<br />
নদীয়া(ভারত)</p>
<p>বাংলাভাষা ও অক্ষয় মাঝির কথা<br />
★ রাসেল আশেকী</p>
<p><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/IMG_20190217_154932_007.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-3687" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/IMG_20190217_154932_007-289x300.jpg" alt="" width="289" height="300" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/IMG_20190217_154932_007-289x300.jpg 289w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/IMG_20190217_154932_007.jpg 301w" sizes="auto, (max-width: 289px) 100vw, 289px" /></a>এ এক অনন্ত সময়ের নিরন্তর ভাষার কাব্যপরমা।<br />
পৃথিবী সৃষ্টির আগে স্রষ্টার পবিত্র ভাব থেকে সৃষ্টি হয় ভাষা। সেই ভাষা রক্ষার তাগিদে, পাখির ঠোঁটে আগুন দেখে আমরা সূর্যকে প্রদক্ষিণ করলাম, এবং সূর্যের গায়ে মানুষের গন্ধ পেয়ে ভাই বন্ধু পিতা ব&#8217;লে দু&#8217;হাত বাড়িয়ে উঁচুগলায় ডাকতে থাকলাম, সূর্য নেমে এলো পৃথিবীর বুকে সত্য-সত্য ব&#8217;লে।</p>
<p>আমরা সত্যকে শিল্পে, শিল্পকে সৌন্দর্যে এবং সৌন্দর্যকে সুন্দরে রূপান্তর করলাম। সুন্দর নিজেকে<br />
ছড়িয়ে সবার মাঝে, জগৎ-সংসারের নির্মোহ দীপ্তিতে<br />
হয়ে উঠল সবার মধ্যমণি&#8211; খুলে দিল গৃহবন্দি মানুষের চোখ-কান। কিন্তু প্রতিভাশূন্য কিছু বর্বর মেঘ তাঁকে ঘিরে ফেলল শ্যেন দৃষ্টির ইন্দ্রজালে, কেড়ে নিতে তাঁর মাতৃভাষা!</p>
<p>প্রাণভোমরার নাভি থেকে উত্থিত উত্তাপে তৎক্ষণাৎ সে হেসে উঠল এবং হাসতে থাকল, হাসতে হাসতে গুঁড়িয়ে দিল সেই অসভ্য মেঘের চালান, ডেকে বসন্ত বাতাস&#8211;<br />
শিশিরমাখা ফুলের গালে ঝিরঝির ঝিরঝির সেই<br />
বসন্ত বাতাস&#8211; যে বাতাস ছিল আমাদের কাছ থেকে হাজার হাজার মাইল দূরে, সেই বাতাস এলো আমাদের নিশ্বাসে।</p>
<p>আমরা রুখে দাঁড়ালাম আর প্রতিবাদে প্রকম্পিত করলাম ভাষাশত্রুর বুক! কেউ শহীদ, কেউ বীর হয়ে উদিত হলাম মাতৃভাষার বুকে শহীদ মিনার রূপে। যে শহীদ মিনার থেকে বেরিয়ে এলো পৃথিবীর প্রথম সকাল।<br />
এমন সকাল পৃথিবীর বুকে আসেনি কখনো<br />
এমন সূর্য কেউ দেখেনি আগে<br />
যে সূর্যের তীর্যক রশ্মিতে আদিম কারাগারগুলো হয়ে গেল চিন্তার বাতিঘর এবং বাতিঘর বিলাতে থাকল ঘুমের ভেতরে জেগে থাকা স্বপ্ন।</p>
<p>আলোমুখী পতঙ্গ আর দেবদারু বৃক্ষের মতো মাথা উঁচু করে আমরা স্বপ্ন দেখতে শুরু করলাম এবং মৌমাছির<br />
মতো জীবন বাঁধলাম তাঁর টানে।দেখলাম জীবনীশক্তির অবিনশ্বরে সে মৃত্যুহীন, ঐশ্বরিক শক্তির প্রবাহে অটল এক অক্ষয় মাঝি!<br />
কখনো আকাশতলায় কখনো ভূ-পৃষ্ঠের জ্যোতির্ময় ছায়ায়, কখনো রৌদ্রের আঙুলে তুলে সারাজাহানের তেজ, হয়ে বাতাসের বাঁশি,জনসমুদ্রে আকাশ সৃষ্টির দৃষ্টিতে, আমাদের ভেতর থেকে সে হয়ে উঠল জন্মমাটির সমুদয় স্বপ্নের স্বপ্নপুরুষ, সাদাপৃষ্ঠার মতো সজীব আত্মায় গ্রন্থিত অমোঘ রাজ্যের রাজা, আর কঙ্কালে প্রাণ যুক্ত করে মৃত্যুকে জয় করা কবিতার কবি সমকালে পূর্ণ করে মহাকালের দায়িত্বভার&#8211;<br />
দিল ভাষা, দিল স্বাধীনতা।</p>
<p>মনে পড়ে, অর্ধমানুষ অর্ধপশু তাড়ানো রাখালের মতো<br />
নদী ও বায়ুপোষা শক্ত সুঠাম গর্দানসীন সেই অক্ষয় মাঝির কথা!<br />
যার যাদুময় কণ্ঠের থেরাপিতে, সত্যেশ্বর প্রাণেস্মরে<br />
জাগতো মাটি, নামতো আকাশ, মানুষের ময়দানে স্বাধীনতার মাঠে। আমরা থাকতাম প্রবাহে প্রাণবন্ত, উৎসবে পঞ্চমুখ।</p>
<p>কিন্তু মৃত আত্মার কিছু জীব তাঁকে হত্যা করে রাখল<br />
পূজার বেদিতে, বসাল দেবতার আসনে!<br />
তারাও ছাই-ভস্ম হয়ে উড়ে গেল চিরমৃত্যুর কাফনে!<br />
ভালোবাসা ফিরে গেল স্বর্গে,নেমে এলো নরকের যন্ত্রণা<br />
বিষবৃক্ষের ছায়াতলে!<br />
কেউ দেখল, কেউ দেখল না, কেউবা আসন গাড়লো সিংহাসনের লোভে!<br />
আর মনভাঙা মনমরা মানুষের দৃশ্য দেখতে দেখতে<br />
আবেগভরা নারী ও মায়াকুমারীর মতো কান্নারত চোখে<br />
নদী ও মাঠগুলো আরেকজন মাঝির আগমনের দিনক্ষণ গুনতে লাগল! আমি বললাম, মাঠবেষ্টিত নদীসকল শোনো&#8211; আবর্জনাস্তূপ থেকে বেরিয়ে দেখো, এসে গেছে সেই রাখাল, সেই মাঝি&#8211; কণ্ঠে তুলে-&#8216; আমি বাঙালি, বাংলা আমার ভাষা, বাংলা আমার দেশ।&#8217;</p>
<p>ওরা মুগ্ধশ্রোতার মতো তা-ই হোক, তা-ই হোক ব&#8217;লে<br />
স্রোত ঘুরিয়ে দিল মহাস্রোতের দিকে, মহাগর্জনে জেগে উঠল মানবদরিয়া! যার অমিত তরঙ্গ তোড়ে স্বর্ণালি বর্ণমালায় গাঁথা অসম সাহসী বাংলাভাষা সেই অক্ষয় মাঝির মতো শহীদ হতে হতে ফিরে পেল অনুভূতির তীব্র আলো, অনন্ত জীবন, স্বাধীনসত্তায় নিজেকে ছড়িয়ে বিশ্বময়&#8211;<br />
ইউনেস্কো থেকে জাতিসঙ্ঘ, বটতলা থেকে পৃথিবীর হৃৎপিণ্ড, সর্বত্র, হেসে উঠল আমাদের প্রিয় বাংলাভাষা, প্রিয় বাংলাদেশ।</p>
<p>★ রাসেল আশেকী<br />
ধানমন্ডি, ঢাকা</p>
<p><strong>জীবন নজরুল এর কবিতা</strong></p>
<p><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/FB_IMG_1549787398744.jpg" rel="attachment wp-att-3619"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-3619" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/FB_IMG_1549787398744-225x300.jpg" alt="FB_IMG_1549787398744" width="225" height="300" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/FB_IMG_1549787398744-225x300.jpg 225w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/FB_IMG_1549787398744.jpg 720w" sizes="auto, (max-width: 225px) 100vw, 225px" /></a><span style="font-weight: 300;">ভালোবাসা এক ব্যাধী</span></p>
<p><span style="font-weight: 300;">র্বক্ষণ অজানা এক অনুভূতি</span></p>
<p>জলের মতো বন্দী রাখে।<br />
এপেন্ডিক্স ঝুলে থাকা সৌন্দর্যের ছাপচিত্র।<br />
মানুষ বিমূর্ততায় মুগ্ধ; অসহায় অসহিষ্ণু</p>
<p>শিশুর হাসি চাঁদের আলোয় গলে গলে</p>
<p>বৃষ্টির ফোঁটা জমে আমার অন্ধ চোখে।<br />
দিগন্তে মা বসে বসে শৈশব সাঁজাতে ব্যস্ত;<br />
আমি ভুল পথে ভুল মানুষের কাছে<br />
উনুনে জ্বলি আগুন।<br />
খুঁজি<br />
খুঁজতে থাকি মায়ের কাছে সাজানো পুতুল।</p>
<p>ভালোবাসা নিরন্তর, আমি<br />
ডুবে ভেসে ওঠে আবার ডুবি, তলিয়ে যাই<br />
রঙিন ঘুড়ি, জোস্নায় কোমল ঠোঁটের মায়ায়<br />
নিমিষেই উধাও রোদ, শুধু ঝরাপাতা চারদিক।<br />
পিছনে দেখবো বলে সামনে তাকাই, দিকহীন সময়ে</p>
<p>ভালোবাসা ফেরি করি বিবিধ নিষেধাজ্ঞা রঙিন।<br />
শীতকালে আইল্লার আগুনে পুড়ে যাবার আগে পুড়েছি বিশ্বাসহীনতায়।</p>
<p>ভালবাসার ব্যাধিতে জীবন বিলিয়ে নিরাপদ<br />
থাকি অসুখে।</p>
<p>জীবন নজরুল<br />
২৯/১০/২০১৮</p>
<blockquote><p><strong>একগুচ্ছো ছড়া</strong></p>
<p><strong>(এক)</strong><br />
<strong> শরৎ এলে</strong><br />
<strong> চিত্তরঞ্জন সাহা চিতু</strong></p></blockquote>
<p>শরৎ এলে দোল খেয়ে যায়<br />
সাদা কাশের বন,<br />
তুলোর মত মেঘ গুলো সব<br />
উদাস করে মন।।</p>
<p>শরৎ এলে শিশির ভেজা<br />
ঘাসের ডগাই হাসে,<br />
মাঠে মাঠে পাগলা হাওয়ায়<br />
সবুজ ফসল ভাসে।</p>
<p>শরৎ এলে শাপলা শালুক<br />
নদীর জলে ফোটে,<br />
দুষ্টু ছেলে সাঁতার কেটে<br />
অমনি সেদিক ছোটে।</p>
<p>শরৎ এলে পাখীর গানে<br />
জুড়ায় সবার প্রান,<br />
অাকুল করে শিউলী টগর<br />
জুঁই চামেলীর ঘ্রান।</p>
<p>শরৎ এলে জোনাক মেয়ে<br />
ছড়ায় শুধু অালো,<br />
এই শরতে অানন্দ ঢেউ।<br />
তাইতো লাগে ভালো।</p>
<p>(দুই)<br />
হেমন্তর ছড়া<br />
চিত্তরঞ্জন সাহা চিতু</p>
<p>মিষ্টি শীতের নবান্নতে<br />
হেমন্ত তাই এলো,<br />
সবুজ মাঠে অানন্দতে<br />
সুখটা ফিরে এলো।</p>
<p>তুলোর মত সাদা সাদা<br />
মেঘগুলো সব ভাসে,<br />
গাছে গাছে পাগলা হাওয়ায়<br />
শিউলি টগর হাসে।</p>
<p>ভােরের বেলায় ঘাসে ঘাসে<br />
শিশির কণা ঝরে,<br />
ধুম পড়ে যায় পিঠা পুলির<br />
এই বাঙালির ঘরে।</p>
<p>খেজুর গাছে মাটির কলস<br />
রস পড়ে টুপ টুপ,<br />
হেমন্তের এই শীত অামেজে<br />
সবাই থাকে চুপ।</p>
<p>মাঠে মাঠে সোনালী ধান<br />
চাষীর মুখে হাসি,<br />
হেমন্তকাল অালোর ঝলক<br />
মুক্ত তারার রাশি।</p>
<p>(তিন)<br />
অাজব খবর শুনি<br />
চিত্তরঞ্জন সাহা চিতু<br />
ওপাড়াতে অাজব খবর<br />
তোমরা কেউ জানো?<br />
ঘোড়া নাকি ডিম পেড়েছে<br />
কেউ কি বলো মানো।<br />
কোকিল নাকি পাহারা দেয়<br />
সারাটা রাত জেগে,<br />
কথা শুনে সিংহ মামা<br />
তাইতো ওঠে রেগে।<br />
অাসলো ঘোড়া দলে দলে<br />
দেখবে এবার তারা,<br />
এ সব খবর পাড়ায় পাড়ায়<br />
ছড়ায় বলো কারা।<br />
চালাক শেয়াল ছড়িয়ে খবর<br />
দিচ্ছে সবার ধুলো,<br />
ঘোড়া তো নয় ডিম পেড়েছে<br />
লাল মুরগি গুলো।<br />
কথা শুনে বনের পশু<br />
হাঁ হাঁ করে হাসে,<br />
বাঘ ভাল্লুক হরিণ হাতি<br />
সবাই ছুটে অাসে।</p>
<p>(চার)<br />
বাঙালীর কবি<br />
চিত্তরঞ্জন সাহা চিতু</p>
<p>রবীন্দ্রনাথ খাঁটি বাঙালী<br />
সন্দেহ কারো অাছো ?<br />
মায়ের টানে মাটির টানে<br />
যারা থাকে কাছে কাছে।</p>
<p>অাকাশ নিয়ে বাতাস নিয়ে<br />
লিখেছে হাজারো কবি,<br />
ফুলের কথা ফলের কথা<br />
গাছের কথা সবই।</p>
<p>শিশুর কথা লিখেছে ছড়ায়<br />
জল টুপ টুপ করে,<br />
একে্ছে কবি কত নানা ছবি<br />
সব কিছু মনে পড়ে।</p>
<p>বিশ্বের সেরা বাঙালীর কবি<br />
নোভেল পেয়েছে তাও,<br />
তার গান শুনে মন উড়ে যায়<br />
তুমি যদি গান গাও।</p>
<p>বাইশে শ্রাবণ এই বড় কবির<br />
হঠাৎ হলো প্রয়াণ,<br />
বাঙালীর মনে বিশ্ব জুড়ে<br />
অাজও কবি অম্লান।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p><strong>ধর্মে ‘মতি’ নেই</strong><br />
<strong>&#8212; অপূর্ব গৌতম &#8212;</strong></p>
<p><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/IMG_20190207_135103.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-3658" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2019/02/IMG_20190207_135103-300x225.jpg" alt="" width="300" height="225" /></a>মেয়ের বাবা তার হবু জামাইয়ের চারিত্রিক, আর্থিক খোঁজখবর নেয়ার চেষ্টা করছেন। হঠাৎ তার মনে পড়লো কলেজ বন্ধু এ্যালবার্ট ফস্কি ঐ এলাকার বাসিন্দা। অন্যান্য বন্ধুদের সহায়তায় এ্যালবার্ট ফস্কি’র মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করে তাকে ফোন করল। মেয়েকে বিয়ে দিতে চাই তোমাদের এলাকায় ইত্যাদি অনেক গল্প হলো দুই বন্ধুর। ছেলের চারিত্রিক, আর্থিক সম্পর্কে জানতে চাইল মেয়ের বাবা জীবন সুন্দর ভরসা। এ্যালবার্ট ফস্কি তার বন্ধুকে বলল, মেয়ে বিয়ে দিবা-এটাতো একদিনের জন্য নয়, ভালোভাবে ভেবে চিন্তে বিয়ে দেয়াই ভাল। তার এই কথায় কিছুটা হোচট খেলো জীবন সুন্দর। বিভিন্নভাবে এ্যালবার্ট ফস্কির কাছে জানতে চাইল ছেলেটার কি সমস্যা ?<br />
নেশা করে ? &#8211; না<br />
দুর্নীতিবাজ ? &#8211; না<br />
আগে বিয়ে করেছে ? &#8211; না<br />
লুচ্চা-চোট্টা-বদমাইশ ? না<br />
ধর্ষণ করেছে কখনো ? &#8211; না<br />
মা-বাবাকে খাবার দেয় না ? &#8211; না<br />
ব্যাংক ঋণে জর্জরিত ? &#8211; না<br />
তবে ছেলেটার দোষ কোথায় দোস্ত ? এতোক্ষণ পর এ্যালবার্ট ফস্কি উত্তর দিল-ছেলেটার ধর্মে ‘মতি’ নেই। মানেটা হলো ছেলে ধার্মিক নয়। দীর্ঘশ্বাস ফেলে জীবন সুন্দর ভরসা তার বন্ধুকে জানালো ‘আমি এমন ছেলেই খুঁজছিলাম’।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p><strong>আরিফ আহমেদ এর গীতিকাব্য ১০৯</strong></p>
<p>শিশির ভেজা ঘাসের ছোঁয়ায়<br />
বেশতো ছিলো জীবন<br />
হঠাৎ করে রৌদ্র এসে<br />
বদলে দিল ভুবন।।</p>
<p>মুগ্ধ আমি রোদ্রস্নানে<br />
মুগ্ধ সকাল বিকাল<br />
দুপুর বেলার খরতাপে<br />
অভিশপ্ত কপাল।।</p>
<p>শীতের সকালে<br />
শিশিরকণাতে<br />
ভোরের আলোর খেলা<br />
দুপুরের রং<br />
মন উচাটন<br />
গোধুলীর পড়ন্তবেলা।।</p>
<p>জীবনের সকাল দুপুর রাত্রি<br />
একই সমান<br />
ভালোবাসা ভরা মন<br />
সব হারানোর মেলা।।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%9b%e0%a7%81-%e0%a6%95%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>2</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>জামালপুর জেলার সংখ্যার কিছু কবিতা</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%96%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%95/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%96%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%95/#comments</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[সাহিত্য বাজার]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 05 Jul 2017 06:43:47 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[পদাবলী]]></category>
		<category><![CDATA[সাহিত্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://shahittabazar.com/?p=3550</guid>

					<description><![CDATA[<p>অন্ধজন<br /> মাহবুব বারী</p> <p>অন্ধের মতো হাত বাড়িয়েই আছি,<br /> আমি অন্ধজন আমাকে কী দেবে? দাও।<br /> দিতে পার হারানো দিনের গান,<br /> সমুদ্রের স্বপ্ন, খররৌদ্র থেকে বৃষ্টির অমল ধারা,<br</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%96%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%95/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2017/07/001.jpg" rel="attachment wp-att-3551"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-3551" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2017/07/001-300x169.jpg" alt="001" width="300" height="169" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2017/07/001-300x170.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2017/07/001-768x432.jpg 768w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2017/07/001-1024x576.jpg 1024w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2017/07/001-70x40.jpg 70w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2017/07/001.jpg 1600w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a><strong>অন্ধজন</strong><br />
মাহবুব বারী</p>
<p>অন্ধের মতো হাত বাড়িয়েই আছি,<br />
আমি অন্ধজন আমাকে কী দেবে? দাও।<br />
দিতে পার হারানো দিনের গান,<br />
সমুদ্রের স্বপ্ন, খররৌদ্র থেকে বৃষ্টির অমল ধারা,<br />
কামিনীর গন্ধমাখা চাঁদের আলো,<br />
অরণ্যের দিনরাত্রি দিতে পার<br />
দক্ষিণ দিক থেকে ভেসে-আসা মৃদুমন্দ বাতাস<br />
বেদনার লাল সালু, এক টুকরো নীল আকাশ,<br />
ধূলিমাখা মলিন স্মৃতিকথা।<br />
সব! সব আর ভালোবাসা।<br />
এমনকি দিতে পার ঝকঝকে নতুন টাকাও।</p>
<p><strong>সারবন্দি দুঃখ</strong><br />
বাকী বিলাহ্</p>
<p><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2017/07/06.jpg" rel="attachment wp-att-3552"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-3552" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2017/07/06-169x300.jpg" alt="06" width="169" height="300" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2017/07/06-169x300.jpg 169w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2017/07/06.jpg 540w" sizes="auto, (max-width: 169px) 100vw, 169px" /></a>এই নিয়মিত জন্ম-মৃত্যু ব্যবধান সামাজিক নিয়ম-কানুন<br />
হয়তো নিষ্ফল হবে, হয়তো বৃথাই বেদনা<br />
মানুষে-মানুষেযদি কেউ খুব ভোরবেলা<br />
এসে বলে ‘ভাইসব কী লাভ শোকাতুর হয়ে’- তাহলে কেমন হবে?<br />
মানুষের শয্যায় নিভৃত গুহার মতো অস্থিরতা<br />
যেন ঘড়ির পেণ্ডুলাম নড়ে-চড়ে ওঠে, কেঁপে যায় ক্রোধে কেন?<br />
যদি মানুষের বুকের গভীরে আদিমতাময় বনভূমি<br />
জেগে ওঠে শ্যাওলার মতো তা হলে কি প্রেম, নারী কিছু বলবে<br />
না কিছু বলবে না বিপরীত মৌসুমে।<br />
যদি ধ্বংসের মতো জেগে ওঠে তৃতীয় পুরুষ<br />
আমি সুখহীন ব্যথিত কুমার<br />
এই যে বাগান, সবুজ কটেজ, বোতলের দুধ সবকিছু ফেলে<br />
তোমাদের হাত ধরে দেখাব চুলের কালো,<br />
নীলরঙা চোখরাজ পথে চুমু খাব প্রেমিকার ঠোঁটে,<br />
ভূমিহীন চাষি হব চলে যাব শব্দের সংসারে ফিরে আসব না।<br />
<strong>পাতা উল্টে যাই</strong><br />
আহমদ আজিজ<br />
<a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2017/07/05.jpg" rel="attachment wp-att-3553"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-3553" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2017/07/05-300x169.jpg" alt="05" width="300" height="169" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2017/07/05-300x170.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2017/07/05-768x432.jpg 768w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2017/07/05-70x40.jpg 70w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2017/07/05.jpg 960w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>পাতা উল্টে যাই-সভ্যতার, পৃথিবীর,<br />
এ-গ্রহের;অস্পষ্ট পঙ্ক্তির মতো<br />
সময়ের মাঝে বসে দূরতর আলোকের মতো<br />
বিষাদ সন্ধ্যায় পাতা উল্টে যাই আমি নির্জন দ্বীপের মতো মনে।</p>
<p>একদিন মানব আত্মার কোন অতীত প্রত্যুষে<br />
মঙ্গলের গান গেয়ে উঠেছিল সংগ্রামী মানুষ<br />
আগামীর আহ্বানে- সম্পর্কের বন্ধনের মতো<br />
এই গ্রহে, পৃথিবীতে- পুরনো সে-ইতিহাস আজ।</p>
<p>তারপর অতিক্রান্ত হলো কত শতাব্দবছর&#8230;<br />
কত দূর এগোলো মানুষ? আমি পাতা উল্টে যাই,<br />
আমি পাতা উল্টে যাই নির্জন দ্বীপের মতো মনে<br />
দূরতর আলোকের মতো ম্লান বিষাদ সন্ধ্যায়।</p>
<p><strong>অন্তিম প্রার্থনা</strong><br />
মীর আনিসুল হাসান<br />
কেশকাটা স্যামসনের মতো তুমি চলে গেলে<br />
চলে যাবে মেঘ, বেদনার ভার।</p>
<p>যদি তুমি চলে যাও ইউলিসিসের মতো ধূসর ইথাকা ছেড়ে,<br />
উদাসীন জনতা ছেড়ে-দেলাইলার প্রতারিত<br />
প্রেম থেকে রক্ষা পাবে তুমি<br />
জারকরসের মতো বেড়ে যাবে তোমার খাদ্যরুচি।</p>
<p>পাখি, পতঙ্গ, ঘাসফড়িং, মাটির পৃথিবী, আকাশ<br />
তোমাকে সাদরে চুমু খাবে,<br />
বইয়ের প্রেমময় পাতায় গ্রন্থিত কালো অক্ষরগুলো<br />
কাতর ভঙ্গিতে তোমাকে বলবে-আমাদের বুকে চেপে ধরো<br />
আমাদের বুকে চেঁপে ধরে আনন্দে কাঁদো এইবার!</p>
<p>প্রমিথিয়ুস, সিসিফাস, ফস্টাস, লীয়ার ম্যাকবেথ,<br />
বিশ্বামিত্র আর অস্থির হ্যামলেট<br />
ডাকছে তোমাকে- তুমি যাও, তুমি যাও&#8230;</p>
<p>আমার জন্য ভেবো না বন্ধু-যুদ্ধে-যজ্ঞে<br />
চলে গেছে আমার পা, আমার হাতচোখ থেকে চলে গেছে<br />
আলোবুক থেকে দ্রোহের আগুন;এখন আমি<br />
গুলি খেয়ে মুখ থুবড়ে-পড়া এক অশ্ব চলৎশক্তিহীন,<br />
অচল, মৃতবৎ-আমাকে দিয়ে আর কিছুই হবে না বন্ধু!</p>
<p>তাই হে বন্ধু যাবার প্রাক্কালে তোমার বন্দুক থেকে<br />
একটি গুলিছুড়ে দাও আমার বক্ষে, শুধু একটি গুলি&#8230;</p>
<p><strong>বেসাতি</strong><br />
সামসাদ জাহান</p>
<p>ঝুপঝাপ সন্ধ্যা নামলেই চোখের ক্লান্তি খুঁজে খুঁজে<br />
একটি মানুষ কেমন নিঃশেষ হয়ে যায়<br />
সুখের স্থায়িত্বে বিরক্ত ভীষণ<br />
অথবা একাকিত্বই এমন কোনো এক দুঃসহ দুঃখে দুঃখিত<br />
ভালোবাসার কাছ থেকে পালানো</p>
<p>চোর চোর খেলায় সুখের সংজ্ঞা<br />
অন্যরকমভাবে পেয়েছে আদল কখনো হাসি<br />
কখনো কান্না কখনো মুষ্টিবদ্ধ হাত আক্রোশে উদ্ধত<br />
কখনো আবেগে মধুর স্নিগ্ধ বুঝতে গেলে মিলবে না কিছুই!‍</p>
<p>তবু অদ্ভুত তার বুকের পাঁজরে লুকানো কৌটোয় একটি হৃদয়<br />
হীরের মতো দ্যুতিময়-বাঁচিয়ে রাখে তাকে, মানুষটিকে<br />
জীবনের কাছে বিশ্বস্ত হতে শেখায়।</p>
<p><strong>খেলনা আমার খেলনা</strong><br />
সাযযাদ আনসারী</p>
<p>তুমি আমার এমন সর্বনাশা<br />
তোমার শরীর ছোঁয়া মানে<br />
স্বর্গ ছুঁয়ে আসা।</p>
<p>কালো রাতের কষ্ট নিয়ে আসি<br />
তোমার কথায় বেজে ওঠে<br />
পান্নালালের বাঁশি<br />
তুমি আমার এমন অগ্নিখেলা<br />
তুমি ছাড়া এই জীবনের<br />
কাটে না একবেলা।</p>
<p>তুমি আমার এমন বিষের বাটি<br />
তোমায় চুমু দেয়া মানে<br />
জ্যোৎস্না পরিপাটি।</p>
<p>জীবন মানে রৌদ্রছায়ার ছবি<br />
জীবন তো এক টুকরো সময়<br />
সোনার পাথর বাটি<br />
তুমি আমার এমন সর্বনাশা<br />
তোমায় ভালোবাসা মানে<br />
আমায় ভালোবাসা।<br />
<strong>শেখ সাইফুল্লাহ রুমী’র গুচ্ছ কবিতা</strong><br />
<strong>অবিনশ্বর প্রেমময়ূর</strong><br />
<a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2017/06/18268496_1428721907202717_6134101838249677718_n.jpg" rel="attachment wp-att-3543"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-3543" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2017/06/18268496_1428721907202717_6134101838249677718_n-200x300.jpg" alt="18268496_1428721907202717_6134101838249677718_n" width="200" height="300" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2017/06/18268496_1428721907202717_6134101838249677718_n-200x300.jpg 200w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2017/06/18268496_1428721907202717_6134101838249677718_n.jpg 640w" sizes="auto, (max-width: 200px) 100vw, 200px" /></a></p>
<p>পুচ্ছধারী কাকেরা ঠুকরে ঠুকরে খাচ্ছে মৃত্তিকা মাখা প্রেম।<br />
মাতৃ-অস্তিত্বে বারবার এঁকে দিচ্ছে কলঙ্কের প্রচ্ছদ।<br />
সুশ্রী পোষাকের আড়ালে বিশ্রী অবয়ব।<br />
মাতৃ-মৃত্তিকার প্রচ্ছদে ছবি এঁকে; আমি প্রতিবাদী কবিতার কবি&#8230;।</p>
<p><strong>ভালোবাসার স্কেচ</strong></p>
<p>অনাবিল জ্যোস্না প্লাবনে আলোকিত সন্ধ্যা<br />
চারদিকে জোনাক মিছিল ;সম্ভাবনার কাব্যিক শহর<br />
মুখোমুখি দাড়িয়ে তুমি আমি<br />
এ যেন ভালোবাসার রসায়ন।<br />
জ্যোস্নানুরাগে খুঁজি;চাঁদ জ্যোস্নার অন্ত্যমিল।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%96%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%95/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>1</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>২০১৬-২০১৮ মেয়াদের জন্য কণ্ঠশীলনের নতুন কার্যকরী পরিষদ</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a7%a8%e0%a7%a6%e0%a7%a7%e0%a7%ac-%e0%a7%a8%e0%a7%a6%e0%a7%a7%e0%a7%ae-%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a7%9f%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%95%e0%a6%a3/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a7%a8%e0%a7%a6%e0%a7%a7%e0%a7%ac-%e0%a7%a8%e0%a7%a6%e0%a7%a7%e0%a7%ae-%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a7%9f%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%95%e0%a6%a3/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[সাহিত্য বাজার]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 01 Oct 2016 07:12:15 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিনোদন]]></category>
		<category><![CDATA[মঞ্চকথা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://shahittabazar.com/?p=3404</guid>

					<description><![CDATA[<p>সাহিত্যের বাচিক চর্চা ও প্রসার প্রতিষ্ঠান কণ্ঠশীলনের দ্বি-বার্ষিক সাধারণ সভায় ২০১৬-২০১৮ মেয়াদের জন্য নতুন কার্যকরী পরিষদ গঠিত হয়েছে।</p> <p>শুক্রবার বিকেল ৫টার দিকে রাজধানীর ২২২ নিউ এলিফ্যান্ট রোডের কার্যালয়ে এ নতুন</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a7%a8%e0%a7%a6%e0%a7%a7%e0%a7%ac-%e0%a7%a8%e0%a7%a6%e0%a7%a7%e0%a7%ae-%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a7%9f%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%95%e0%a6%a3/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>সাহিত্যের বাচিক চর্চা ও প্রসার প্রতিষ্ঠান কণ্ঠশীলনের দ্বি-বার্ষিক সাধারণ সভায় ২০১৬-২০১৮ মেয়াদের জন্য নতুন কার্যকরী পরিষ<a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/10/kan-1.jpg" rel="attachment wp-att-3405"><img loading="lazy" decoding="async" class="size-medium wp-image-3405 alignright" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/10/kan-1-300x169.jpg" alt="kan-1" width="300" height="169" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/10/kan-1-300x170.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/10/kan-1-768x432.jpg 768w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/10/kan-1-70x40.jpg 70w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/10/kan-1.jpg 888w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>দ গঠিত হয়েছে।</p>
<p>শুক্রবার বিকেল ৫টার দিকে রাজধানীর ২২২ নিউ এলিফ্যান্ট রোডের কার্যালয়ে এ নতুন পর্ষদ গঠিত হয়।</p>
<p>প্রকৌশলী আহমাদুল হাসান হাসনুর সভাপতিত্বে সভায় ১৯ সদস্য বিশিষ্ট দ্বি-বার্ষিক (২০১৬-২০১৮) পর্ষদের নতুন সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য খ্যাতিমান আবৃত্তিশিল্পী ও উচ্চারণ প্রশিক্ষক গোলাম সারোয়ার। সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন রইস উল ইসলাম।<span class="text_exposed_show"> এ সময় কণ্ঠশীলনের প্রশিক্ষকবৃন্দ, পর্ষদ সদস্য, সাধারণ সদস্য ও প্রাথমিক সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।</span></p>
<div class="text_exposed_show">
<p>সভার শুরুতে প্রয়াত সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হক, কবি শহীদ কাদরী এবং জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসী হামলায় নিহত সকলের আত্মার শান্তি কামনায় এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।</p>
<p>সভার আলোচ্যসূচি অনুযায়ী অন্যান্য কার্যক্রম শেষে সভাপতি বিগত পর্ষদ অবলুপ্ত করা হয়। অতঃপর নির্বাচন আধিকারিক তহমিদ উদ্দিন আহমেদ গঠনতন্ত্র অনুযায়ী নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন।</p>
<p><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/10/kan-2.jpg" rel="attachment wp-att-3406"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft wp-image-3406 size-medium" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/10/kan-2-300x169.jpg" alt="kan-2" width="300" height="169" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/10/kan-2-300x170.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/10/kan-2-768x432.jpg 768w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/10/kan-2-70x40.jpg 70w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/10/kan-2.jpg 888w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a></p>
<p><strong>কণ্ঠশীলনের ২০১৬-২০১৮ মেয়াদের নতুন কার্যকরী পরিষদ:</strong><br />
সভাপতি- গোলাম সারোয়ার,<br />
সাধারণ সম্পাদক- রইস উল ইসলাম,<br />
সহ-সভাপতি- প্রকৌশলী আহমাদুল হাসান হাসনু ও মোস্তফা কামাল,</p>
<p>সংগঠন সম্পাদক- শফিক সিদ্দিকী;<br />
শিল্প, শিক্ষা ও অনুষ্ঠান সম্পাদক- ইলা রহমান,<br />
কোষাধ্যক্ষ- মো. আব্দুল কাইয়ুম।<br />
সদস্যরা হলেন-</p>
<ul>
<li>মীর বরকত,<br />
আব্দুর রাজ্জাক,<br />
একেএম শহীদুল্লাহ কায়সার,<br />
শিরিন ইসলাম,<br />
নরোত্তম হালদার,<br />
অনিন্দ্য ইমরান,<br />
লিটন বারুরী,<br />
সালাম খোকন,<br />
অনন্যা গোস্বামী,<br />
নুরুজ্জামান নান্নু,<br />
মারুফ সিদ্দিকী,<br />
মীর শরীয়তে রহমান নিবিড়</li>
</ul>
</div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a7%a8%e0%a7%a6%e0%a7%a7%e0%a7%ac-%e0%a7%a8%e0%a7%a6%e0%a7%a7%e0%a7%ae-%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a7%9f%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%95%e0%a6%a3/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>কবি আলমগীর রেজা চৌধুরী রনজু রাইম রাজু আলীম ও জিনিয়া চৌধুরীর কবিতা</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%95%e0%a6%ac%e0%a6%bf-%e0%a6%86%e0%a6%b2%e0%a6%ae%e0%a6%97%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%9c%e0%a6%be-%e0%a6%9a%e0%a7%8c%e0%a6%a7%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%80-%e0%a6%b0%e0%a6%9e/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%95%e0%a6%ac%e0%a6%bf-%e0%a6%86%e0%a6%b2%e0%a6%ae%e0%a6%97%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%9c%e0%a6%be-%e0%a6%9a%e0%a7%8c%e0%a6%a7%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%80-%e0%a6%b0%e0%a6%9e/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[সাহিত্য বাজার]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 05 Apr 2016 11:00:55 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[পদাবলী]]></category>
		<category><![CDATA[সাহিত্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://shahittabazar.com/?p=3278</guid>

					<description><![CDATA[আলমগীর রেজা চৌধুরীর কবিতা <p>আসবে<br /> সমস্ত কিছুতে ঢকে যাচ্ছে তোমার চোরকাঁটা বিস্তার<br /> সত্ত্বা ব্যাপী কল্লোলিত জলের মৃণ্ময় সংঘাত ।<br /> অনন্ত থেকে তুমি আসবে<br /> কী করে ফেরাবে</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%95%e0%a6%ac%e0%a6%bf-%e0%a6%86%e0%a6%b2%e0%a6%ae%e0%a6%97%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%9c%e0%a6%be-%e0%a6%9a%e0%a7%8c%e0%a6%a7%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%80-%e0%a6%b0%e0%a6%9e/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<h3 class="post-title entry-title">আলমগীর রেজা চৌধুরীর কবিতা</h3>
<p><strong><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/04/A-R-chow-Book-1.jpg" rel="attachment wp-att-3279"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-3279" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/04/A-R-chow-Book-1-300x196.jpg" alt="A R chow Book 1" width="300" height="196" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/04/A-R-chow-Book-1-300x196.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/04/A-R-chow-Book-1.jpg 480w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>আসবে<br />
</strong>সমস্ত কিছুতে ঢকে যাচ্ছে তোমার চোরকাঁটা বিস্তার<br />
সত্ত্বা ব্যাপী কল্লোলিত জলের মৃণ্ময় সংঘাত ।<br />
অনন্ত থেকে তুমি আসবে<br />
কী করে ফেরাবে হে কালজয়ী মৌন সঙ্গীত ?<br />
আমার অস্তিত্ব জুড়ে বাসন্তী বিকেলের হাওয়া<br />
রঙিন অনুভবে উড়ে আসছে দুএকটি প্রজাপতি<br />
মত্ততায় মিশে যাচ্ছে ফেনায়িত জলে<br />
পথ মাড়িয়ে সাঁকোতে থমকে গেছি –<br />
অতন্দ্রিলা , তুমি আসবে ।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p><strong>সময়<br />
</strong>নদীর মতো বয়ে যায় এ যৌবন –<br />
পিতার বয়সী মুখের দিকে তাকালে মনে হয়<br />
মাতাল বসন্ত কোন অর্চনার সৌরভ<br />
ছড়াতে পারে না , অবেলায় অসময়ে ।<br />
মার কুঞ্চিত মুখের বলি রেখায়<br />
বলে দেয়, যৌবনের অলঙ্কার খোয়া গেছে –</p>
<p>হিমেল বাতাস আমাকে জানায়<br />
এখন তো তোমার</p>
<div id="attachment_3280" style="width: 310px" class="wp-caption alignright"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/04/A-R-Chow.jpg" rel="attachment wp-att-3280"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-3280" class="wp-image-3280 size-medium" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/04/A-R-Chow-300x300.jpg" alt="A R Chow" width="300" height="300" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/04/A-R-Chow-300x300.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/04/A-R-Chow-150x150.jpg 150w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/04/A-R-Chow.jpg 480w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a><p id="caption-attachment-3280" class="wp-caption-text">আলমগীর রেজা চৌধুরীর</p></div>
<p><strong>কবিতা<br />
</strong>১<br />
মিশিয়ে দিচ্ছি পথের মাঝে আমার দেহের পাত্রখান<br />
রাতুল পায়ে আয় না সখি স্মরণ করে স্বপ্নবান<br />
২<br />
পাখিদের কর্কশ আর্তনাদ<br />
চমকে ওঠে মেট্রোপলিটন শহর ।<br />
৩<br />
দক্ষিণে সমুদ্রের গর্জন ,মানুষ আসে- আমি সূর্য সেনের ভাই<br />
উত্তরে হিমালয় তাপসী প্রেমিকার মতো ধ্যান নিমগ্না।<br />
বাহুর পেশিতে বেঁধে দেয় জম্ম-অঙ্গুরী।</p>
<p><strong>বাংলাদেশ<br />
</strong>ত্রস্ত হরিণীর মতো বাংলাদেশ<br />
হত্যার মচ্ছবে মগ্ন প্রজাপতি,<br />
ওভাবে নয় , ওই বো ধি সবুজে<br />
পড়ে থাক রক্তভুক কার্তুজ ।<br />
বাংলাদেশ , তোমাকে নিয়ে এইসব</p>
<p><strong>আমার মা</strong></p>
<p>আমি তোমার চুলের ঘ্রাণমগ্ন সন্ধেবেলা মনে রাখি<br />
আমি তোমার রাত্রির গভীরে আদিম রমণীর<br />
বাৎস্যায়নী পাঠ শিখে রাখি,<br />
যুদ্ধশিবিরে উগড়ে দেয়া মাতৃত্বের ফটো<br />
গ্লোবালে আর্তিময় শব্দ।<br />
শীতল কথোপকথনে বুঝে নিই<br />
কী ভাবে টিভি স্ক্রিন জুড়ে তোমার মুখ;<br />
চোয়াল ডেবে যাওয়া<br />
রক্তশূন্য পাংশুটে জীর্ণ মুখ<br />
আমি তোমার মাতৃত্ব মনে রাখি।</p>
<p>আমার মা<br />
অষ্টম মাতৃত্বের স্বাদ নিয়ে সুগৃহিণী হয়েছিলেন।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p><strong>রনজু রাইম এর কবিতা</strong></p>
<p>[&#8216;দেবতাগণ&#8217; কাব্য থেকে]</p>
<p><strong><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/04/Ranju-raim.jpg" rel="attachment wp-att-3281"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-3281" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/04/Ranju-raim-300x300.jpg" alt="Ranju raim" width="300" height="300" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/04/Ranju-raim-300x300.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/04/Ranju-raim-150x150.jpg 150w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/04/Ranju-raim.jpg 567w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>জানালা মাত্র</strong></p>
<p>আমার আছে একটি মাত্র দেহ<br />
লৌহকঠিন লখিন্দরের ঘর<span class="text_exposed_show"><br />
তার ভিতরে নেই দ্বিধা সন্দেহ<br />
অন্য ঘরের অন্য কারো স্বর</span></p>
<div class="text_exposed_show">
<p>আছে শুধু নিজের মত ও পথ<br />
চৌর্যবৃত্তির বরফকুচিও নেই<br />
সে পথ ধরে নিজের ভবিষ্যৎ<br />
ঘোরলাগা কোন মুগ্ধ কাননেই</p>
<p>আমার আছে দুটো মাত্র চোখ<br />
দৃষ্টি যে তার অভিন্নতা ঘিরে<br />
দেহের ভিতর যা কিছু উন্মুখ<br />
যায় হারিয়ে অদেখাতে ফিরে</p>
<p>ঘর জুড়ে স্রেফ একটি জানালা<br />
দুই পাট তার যুগল চোখের মতো<br />
যদিও ঘরে রুদ্ধ লোহার তালা<br />
প্রাণটুকু এই দুর্গে অরক্ষিত</p>
<p><strong>অন্ধত্ব মানেই এক সমুদ্রবেষ্টিত কুমারী আফ্রিকা</strong></p>
<p>নিজের ভেতর জেগে ওঠো তুমি খুবই সন্তর্পণে<br />
দেখবে দূর পাহাড়ে হেলান দেওয়া মেঘ-<span class="text_exposed_show"><br />
সরে যাচ্ছে অবলীলায়<br />
কাঞ্চনজঙ্ঘার চূড়ায় দেখবে মেঘমুক্তির আনন্দ<br />
দুশো কি তারও বেশিকাল দাসত্বের ঘোর কাটিয়ে<br />
মগজের অন্ধ কোষে কোষে ফুটবে সতেজ ফুল<br />
এই খবর আজ পায়ে পায়ে পৌঁছে যাবে সবখানে<br />
ঢেকে দেবে পুরনো সব ক্ষত বাহারী পাপড়িগুলো</span></p>
<div class="text_exposed_show">
<p><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/04/02.jpg" rel="attachment wp-att-3282"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignright size-medium wp-image-3282" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/04/02-225x300.jpg" alt="02" width="225" height="300" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/04/02-225x300.jpg 225w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/04/02.jpg 370w" sizes="auto, (max-width: 225px) 100vw, 225px" /></a>নন্দনকাননে এতোকাল পড়েছিলে তুমি-<br />
অন্ধত্বের অপ্রকাশে<br />
কতজন কুসুমকলি চয়নে নিরন্তর গেঁথে গেছে মালা<br />
করেছে তোমাকে ঘিরে কত না প্রমোদ উল্লাস<br />
তার চেয়ে খুব ভালো ছিল পলায়ন, পরবাসী হওয়া</p>
<p>অন্ধত্ব মানেই এক সমুদ্রবেষ্টিত কুমারী আফ্রিকা<br />
কোনোদিন তার নিজেকেই জানবার তাগিদ হল না</p>
<p><strong>অন্ধ হলাহল</strong></p>
<p>আমার সম্পর্কে তিনি মেঘ<br />
তার জন্য এক সমুদ্র আবেগ<span class="text_exposed_show"><br />
থই থই করে ওঠে<br />
যদিও কিছুই তাকে জানাতে পারিনি ঠোঁটে<br />
ভক্তি ও ভালোবাসায় ভরা মন<br />
শুধু একটি চুম্বন<br />
দিতে গিয়ে ভুলে যায় সমস্ত কোলাহল<br />
তা দেখে হিংসায় ফেটে পড়ে অন্ধ হলাহল<br />
ভালোবাসা কি তবে সঙ-বিধিবদ্ধ,<br />
ভাবনা ব্যাকুল এলোমেলো গদ্য<br />
ব্রাকেটবন্দি করেনি তাকে<br />
পছন্দের বাগানে সে ফুটে থাকে,<br />
উড়ে যাচ্ছে মেঘ<br />
সঙ্গে বিস্রস্ত আবেগ<br />
জিঘাংসার আকাশ পেরিয়ে<br />
নিজস্ব ঠিকানা খুঁজে অপ্রেম এড়িয়ে</span></p>
</div>
</div>
<h1>রাজু আলীম-এর কবিতা</h1>
<div class="entry">
<p><strong><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/04/05.jpg" rel="attachment wp-att-3283"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-full wp-image-3283" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/04/05.jpg" alt="05" width="202" height="288" /></a>নিষাদ হাওয়া</strong></p>
<p>সময়ের কলে জল ঢালি আমি সারারাত ধরে<br />
নিষাদ হাওয়া কাঁদে কাব্যজলে গহীন অন্তরে।</p>
<p>সুখের বাহুতে সুখদুঃখ লেখা, নেই আত্মীয়তা</p>
<p>সুনামির জলে ভেসে গেছে প্রেম, প্রিয় অনুগতা।</p>
<p>বনের হরিণ ফিরে আসে ঘরে, কবিমন কাঁদে<br />
ছবির জানালা খোলা চিত্র আঁকি আকাশের চাঁদে।</p>
<p>জীবনের স্মৃতিকণা জলে স্থলে ঘুমায় নীরবে<br />
জলবৃষ্টি মন জানে তবু তাঁর ভালোবাসা হবে।</p>
<p>বিশ্বাস ভাঙার খেলা পৃথিবীকে ভাঙে খান খান<br />
সবুজ প্রেমের টানে যেতে চাই উড়ে, আন্দামান।</p>
<p>নদীকে বোঝার মতো ঢেউ নেই, তীরে ভাবি বসে<br />
অদৃশ্য জলের মধ্যে ডুবি আমি আহা! নিজ দোষে।</p>
<p>পাথরের কান্না শুনি, নেই অনুবাদ ভাষান্তর<br />
আলোর মন্দিরে হাঁটি, কেঁপে যায় গোপন অন্তর।</p>
<p><strong>পেট্রল বোমার প্রেম</strong></p>
<div id="attachment_3284" style="width: 310px" class="wp-caption alignright"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/04/Raju-Alim-and.jpg" rel="attachment wp-att-3284"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-3284" class="size-medium wp-image-3284" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/04/Raju-Alim-and-300x139.jpg" alt="কবি রাজু আলীম এর সাথে কবি নির্মলেন্দু গুণ ও কবি কামাল চৌধুরী।" width="300" height="139" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/04/Raju-Alim-and-300x139.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/04/Raju-Alim-and.jpg 518w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a><p id="caption-attachment-3284" class="wp-caption-text">কবি রাজু আলীম এর সাথে কবি নির্মলেন্দু গুণ ও কবি কামাল চৌধুরী।</p></div>
<p>নায়কের নিষ্পাপ চোখ চকচক চকলেট লাল<br />
পেট্রল বোমায় জ্বলে যাচ্ছে আজ যৌবনের কাল।</p>
<p>কালের কবিতা মেধা তালিকায় ওঠে না কখনো<br />
বিচারের মাপকাঠি লোককথা নতুন বানানো।</p>
<p>শব্দের ভেতরে নেই গভীরতা, পাখি ঘুম যায়<br />
সাজিয়েছি শব্দমালা যদি কিছু কাব্য হয়ে যায়।</p>
<p>মেজাজ আমার সবসময় বাদশাহী রাজা<br />
সুযোগ পেলেই তাই বালিকারা দিয়ে যায় সাজা।</p>
<p>গোলাপি গন্ধের প্রেম শুয়ে থাকে মাথার ওপর<br />
অলৌকিক জলে ঘ্রাণ খেয়ে ফেলে কাপড় চোপড়।</p>
<p>সূর্য নিভে যায় জ্বলে চিরদিন থাকে না একার<br />
শহরতলির প্রেম এখনা’র জানে না কে কার।</p>
<p>হঠাৎ হারিয়ে গেছে নীল পাখি থাকেনি খাঁচায়<br />
তবে সে আসতে পারে এই মন দিল দরিয়ায়।</p>
<p><strong>ক্ষমতার পরী</strong></p>
<p>কবিতা এখন খুব<br />
হরতাল অবরোধে কাঁদে।</p>
<p>বোমার আঘাতে তারা লুকাবেই<br />
আকাশের চাঁদে।</p>
<p>কবিতারা থাকে কেউ গুলশানে<br />
ঢাকা উত্তরায়।</p>
<p>পড়ালেখা উড়ে গেছে ঠন ঠন<br />
সব হায় হায়!</p>
<p>চলুন কবিতা-গল্প সব মিলে<br />
সংলাপ করি।</p>
<p>চেয়ারে বসতে চায় স্বপ্নে দেখা<br />
ক্ষমতার পরী।</p>
<p><strong>ঘরের শত্রু</strong></p>
<p>মনের ভেতরে অগ্নিজলে বসে আছি তোমার কাছেই<br />
যদিও চাও না তুমি শত্রু থাক, তবু সে আছেই।</p>
<p>অনেক চোখের মধ্যে দেখি আমি বিড়াল কুকুর<br />
সাগরের কাছে গিয়ে অন্যদের ভাবছে পুকুর।</p>
<p>ধার্মিকের বেশে আছে তিনি, যেন জানে না কিছুই<br />
বকেদের বেশে হাঁটে, হাতে থাকে ঘৃণা ভরা সুঁই।</p>
<p>ঘরের ভিতরে শত্রু বন্ধু থাকে নব্য রাজাকার<br />
বিচার চাইবো কার কাছে আমি, বুকে হাহাকার।</p>
<p>চারদিক আলো জ্বলে নিভু নিভু আছে অন্ধকার<br />
উপরে নির্দেশ আছে হয়ে যেতে পারে বন্ধ দ্বার।</p>
<p>তোমার সামনে ঘোরাফেরা করে মানুষের বেশে<br />
কুকুর নামের কিছু মানুষের জল-তেলে মেশে।</p>
<p>ধৈর্যের আলোয় আছি চুপচাপ বসে আছি আমি<br />
ঈশ্বর আমাকে দাও ধৈর্যশক্তি ও হে অন্তর্যামী।</p>
</div>
<h5 id="js_7d" class="_5pbw" data-ft="{&quot;tn&quot;:&quot;C&quot;}"><span class="fwn fcg"><span class="fwb fcg" data-ft="{&quot;tn&quot;:&quot;;&quot;}">জিনিয়া চৌধুরীর কবিতা</span></span></h5>
<p><strong><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/04/01-1.jpg" rel="attachment wp-att-3297"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-3297" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/04/01-1-109x300.jpg" alt="01" width="109" height="300" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/04/01-1-109x300.jpg 109w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2016/04/01-1.jpg 206w" sizes="auto, (max-width: 109px) 100vw, 109px" /></a>রানার</strong></p>
<p>রানার &#8211; এসেছো রানার<br />
একটা প্রশ্ন ছিলো জানার<br />
বলতে পারো কবে<br />
স্মৃতিভরা ব্যথার বোঝা -দহন<br />
আর কতকাল বইতে আমায় হবে ?</p>
<div class="text_exposed_show">
<p>আর কতকাল রাত্রী হবে কালো?<br />
আর কতবার বুকের মশাল জ্বেলে<br />
ছড়িয়ে দেব প্রেম প্রদীপে আলো?</p>
<p>রানার তুমি বার্তা বাহক হয়ে<br />
আমার দুটো গল্পো নিও বয়ে<br />
আমি এখন অন্ধ জাতিস্মর<br />
যেদিন থেকে সে হয়েছে পর।</p>
<p>গল্পদুটো ভরে কল্পখামে<br />
ঠিক পাঠিও,প্রজাপতির নামে<br />
দেয় যদি সে খামের গায়ে চুম<br />
চোখে আমার নামবে সুখের ঘুম।</p>
<p><strong>একটি পদ্মকুঁড়ি</strong></p>
</div>
<p>একটি পদ্মকুঁড়ি লাঞ্চিত হলো আনাড়ির হাতে<br />
একটি কুয়াশামাখা মুখ<br />
বঞ্চিত হলো চুম্বনের উষ্ণতা পেতে।<br />
কখনো সখনো রাতেরাও দিন গোনে<br />
আর বারো কোটি লোক কান পেতে শোনে<span class="text_exposed_show"><br />
অবর্ণনীয় চিৎকার।<br />
মাতালের দেহ ধরে অবিরাম দোলা দেয়<br />
অষ্টাদশী তরুনী<br />
একই ধারাপাতে লেখা হয়<br />
যৌবনের পাপ।<br />
তেত্রিশ কোটি দেবতার পায়ে মাথা কুটি<br />
ইশ্বরের নগ্নতায় দেখি নির্জীব শোষন<br />
আমি হায় ইশ্বর.হায় ইশ্বর বলে করি মাতম<br />
নচ্ছার ধরনী বার্তা পৌঁছায়না তার কাছে।</span></p>
<p><strong>তোকেই লিখি প্রথম</strong></p>
<p>তোকেই লিখি প্রথম<br />
প্রেমের চিঠি<br />
যখন তোর মন হারানোর বেলা<br />
তখন তারায় রাখতি কেবল দিঠি।</p>
<div class="text_exposed_show">
<p>প্রেমের চিঠি<br />
লিখবো আবার আয়<br />
আমার প্রিয় আকাশ টি<br />
তুই আজও ।</p>
<p>তুই ছুয়েঁছিস প্রথম অনুরাগে<br />
তুই খুলেছিস প্রথম বুকের ভাঁজও।<br />
এখন কী আর তেমন করে আছিস<br />
পারলে এখন নিজের মতো বাঁচিস।</p>
<p>আমার বুকে পাথর কুচির কাঁটা<br />
তৃষ্ণাটা আর হয়নি কোথাও বাটা&#8230;</p>
</div>
<p>&nbsp;</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%95%e0%a6%ac%e0%a6%bf-%e0%a6%86%e0%a6%b2%e0%a6%ae%e0%a6%97%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%9c%e0%a6%be-%e0%a6%9a%e0%a7%8c%e0%a6%a7%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%80-%e0%a6%b0%e0%a6%9e/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
