<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>নূর মোহাম্মদ নুরু &#8211; সাহিত্য বাজার</title>
	<atom:link href="https://shahittabazar.com/author/nur-mohammad-nuru/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://shahittabazar.com</link>
	<description>সাহিত্যের আয়নায় মানুষের মুখ</description>
	<lastBuildDate>Mon, 19 Oct 2015 16:09:42 +0000</lastBuildDate>
	<language>bn-BD</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=7.0.7</generator>
	<item>
		<title>সাহিত্যিক গবেষক গোলাম সামদানী কোরায়শীর ২৪তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%97%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%b7%e0%a6%95-%e0%a6%97%e0%a7%8b%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ae-%e0%a6%b8%e0%a6%be/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%97%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%b7%e0%a6%95-%e0%a6%97%e0%a7%8b%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ae-%e0%a6%b8%e0%a6%be/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[নূর মোহাম্মদ নুরু]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 19 Oct 2015 16:08:28 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[কথামালা]]></category>
		<category><![CDATA[জীবন কথা]]></category>
		<category><![CDATA[গুণীজন]]></category>
		<category><![CDATA[ব্যক্তিত্ব/ বিশেষ দিবস]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://shahittabazar.com/?p=3049</guid>

					<description><![CDATA[<p></p> <p>১১ অক্টোবর, রবিবার। ময়মনসিংহ শহরের সাহিত্য সংস্কৃতির অঙ্গনে ছিল শোকের ছায়া। এদিন ফেসবুক জুড়েও ছিল ইয়াজদানী কোরাইশী, সজল কোরায়শী, কানিজ গোফরান কোরাইশীদের শোকার্ত লেখনী। অতঃপর বন্ধু স্বজন নূর মোহাম্মদ</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%97%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%b7%e0%a6%95-%e0%a6%97%e0%a7%8b%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ae-%e0%a6%b8%e0%a6%be/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><img loading="lazy" decoding="async" class="post_image alignleft" src="http://s3.amazonaws.com/somewherein/pictures/nurubrl/nurubrl-1444540456-e9d37fe_xlarge.jpg" alt="" width="169" height="265" /></p>
<p>১১ অক্টোবর, রবিবার। ময়মনসিংহ শহরের সাহিত্য সংস্কৃতির অঙ্গনে ছিল শোকের ছায়া। এদিন ফেসবুক জুড়েও ছিল ইয়াজদানী কোরাইশী, সজল কোরায়শী, কানিজ গোফরান কোরাইশীদের শোকার্ত লেখনী। অতঃপর বন্ধু স্বজন নূর মোহাম্মদ নুরু তুলে ধরলেন <strong>অধ্যাপক গোলাম সামদানী কোরায়শী</strong>র জীবন চরিত।</p>
<p><strong>গোলাম সামদানী কোরায়শী যিনি অধ্যাপক গোলাম সামদানী কোরায়শী নামে সুপরিচিত ছিলেন।</strong> গোলাম সামদানী কোরায়শী বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট সহিত্যিক, সাংবাদিক, ইতিহাসবিদ, গবেষক, অনুবাদক এবং মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করা আধুনিক শিক্ষায় সর্বোচ্চ শিক্ষিত মানুষ ছিলেন গোলাম সামদানী কোরায়শী। স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত জবরদস্ত মাওলানা গোলাম সামদানী ছিলেন চিন্তাজগতের এক অসামান্য মানুষ। নীতি-নৈতিকতা এবং একটি আদর্শ মানব দর্শনেরও অধিকারী ছিলেন গোলাম সামদানী কোরায়শী। কেদারনাথ থেকে শুরু করে আবুল মনসুর, আবুল কালাম শামসুদ্দীন, সৈয়দ আব্দুল সুলতান, সৈয়দ বদরুদ্দিন প্রমুখ সাহিত্যিক ব্যক্তিত্বের শূন্যতা পূরণ করেছিলেন গোলাম সামদানী কোরায়শী। তাঁর প্রতিষ্ঠিত সপ্তগুরু ছিলেন যথাক্রমে সক্রেটিস, শ্রীকৃষ্ণ, গৌতম বুদ্ধ, যিশুখ্রিস্ট, হজরত মুহাম্মদ (সা.), কার্ল মার্কস এবং নিজের পিতা। &#8216;বুদ্ধির মুক্তির বিকল্প নেই&#8217; এমন বাণী প্রচার করে ঊনবিংশ শতকের রেনেসাঁ পুরুষদের যথার্থ উত্তরাধিকার হতে পেরেছিলেন গোলাম সামদানী কোরায়শী। অথচ দুঃখের বিষয়, আমরা তাঁকে ভুলে যেতে বসেছি। আজ এই গুণী ব্যক্তিত্বের মৃত্যুবার্ষিকী। <strong>১৯৯১ সালের আজকের দিনে তিনি ময়মনসিংহের আকুয়া মৃত্যুবরণ করেন। সহিত্যিক, সাংবাদিক, ইতিহাসবিদ গোলাম সামদানী কোরায়শীর মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি।</strong></p>
<p><img loading="lazy" decoding="async" class="post_image alignright" src="http://s3.amazonaws.com/somewherein/pictures/nurubrl/nurubrl-1444540475-afc2d1c_xlarge.jpg" alt="" width="176" height="265" /><strong>গোলাম সামদানী কোরায়শী ১৯২৯ খ্রিস্টাব্দের ৫ এপ্রিল বর্তমান নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়ার কাউরাট গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। </strong>তাঁর পিতার নাম মৌলভী বাবু শেখ আবু আছল মোঃ আঃ করিম কোরায়শী এবং মাতার নাম আলতাফুন্নেসা। তাঁর পূর্বপুরুষের বাড়ি ছিল ময়মনসিংহ জেলার গৌরীপুর উপজেলার বীর আহাম্মদপুর। গোলাম সামদানীর কোরায়শীর পড়াশুনার হাতেখড়ি পরিবারে। তারপর ঘাটুরকোণা প্রাথমিক বিদ্যালয়, কাঠালিয়া মধ্য ইংরেজী স্কুল থেকে ১৯৩৫-৩৬ সালে প্রাইমারী পড়াশুনা শেষ করেন। এরপর ১৯৩৭&#8211;৪১ সাল পর্যন্ত ভর্তি হন নেত্রকোণার চন্দ্রনাথ হাই স্কুল ও বীর আহাম্মদপুর হাই স্কুলে। এরপর ১৯৪৫-৫০ সাল পর্যন্ত বাস্তা জুনিয়র মাদ্রাসা(নেত্রকোণা) ও কাতলাসেন মাদ্রাসায় পড়েন(ময়মনসিংহ)। কাতলাসেন মাদ্রাসা থেকে ১৯৫০ সালে আলিম ১ম শ্রেণীতে ৮ম স্থান অধিকার করেন। ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসা থেকে ১৯৫২ সালে জামাতে উলা (ফাজেল) ১ম শ্রেণীতে ৩য় স্থান ও ১৯৫৪ সালে এম. এ (কামিল) ১ম শ্রেণীতে ১ম স্থান অধিকার করেন। এরপর তিনি বাংলা মাধ্যমে পড়াশুনা করেন। ১৯৫৫-৫৬সালে তিনি নাসিরাবাদ ইন্টারমিডিয়েট কলেজ (ময়মনসিংহ) থেকে আই. আই. এ ১ম শ্রেণীতে ১ম স্থান অর্জন করে বাংলায় ভর্তি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৫৯ সালে বাংলায় (অনার্স) ২য় শ্রেণীতে ৫ম ও ১৯৬০ সালে এম. এ. বাংলা &#8211; ২য় শ্রেণীতে ২য় স্থান অর্জন করেন। <strong>মাঝে ১৯৫৩ সালেকুমিল্লার ময়নামতি এ্যানুয়েল ক্যাম্প থেকে সামরিক শিক্ষা (ইউ ও টি সি) ২০ দিনের মিলিটারী ট্রেনিং এবং ১৯৫৫ সালে হাই মাদ্রাসা শিক্ষা অঙ্ক ও ইংরেজি বিষয়ে পরীক্ষা দেন।</strong></p>
<p><img loading="lazy" decoding="async" class="post_image alignleft" src="http://s3.amazonaws.com/somewherein/pictures/nurubrl/nurubrl-1444540512-2c722c7_xlarge.jpg" alt="" width="165" height="248" /><br />
<strong>গোলাম সামদানী কোরায়শী’র কর্ম জীবন এক বহুমুখী বিচিত্র অভিজ্ঞতার সমাহার। </strong>আত্মীয় স্বজনের বাড়ীতে তিনি ৩ বছর (১৯৪২-৪৫) ধরে রাখাল হিসেবে ছিলেন। তারপর ধানীখোলা বাজার, ঈদগাহ্‌ মাঠ মসজিদের ইমাম ছিলেন। তিনি ১৯৫৫ সালে ধানীখোলা হাই মাদ্রাসার শিক্ষক হিসেবে কাজ শুরু করেন। এরপর তিনি ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লার সম্পাদনা সহকারী, পূর্ব পাকিস্তানের আঞ্চলিক ভাষার অভিধান প্রকল্প ও পান্ডুলিপি ও সংকলন বিভাগ, বাংলা একাডেমীতে (১৯৬১-৬৮) কাজ করেন। (১৯৬৮-৯১ সালে তিনি ময়মনসিংহের নাসিরাবাদ কলেজে বাংলা বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে যুক্ত ছিলেন। অধ্যাপক গোলাম সামদানী কোরায়শী অসংখ্য রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিলেন। তার মধ্যে তিনি সভাপতি হিসেবে বঙ্গবন্ধু পরিষদ, ময়মনসিংহ সাহিত্য পরিষদ, আকুয়া জুনিয়র হাই স্কুল কমিটি, আকুয়া প্রাইমারি স্কুল ম্যানেজিং কমিটি, বাংলাদেশ কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি, ময়মনসিংহ শাখা (১৯৮৪-৯১) উজিরাবাদ সমবায় সমিতি, আকুয়া পৌর কবরখানা, ময়মনসিংহ ও সহ-সভাপতি হিসেবে ময়মনসিংহ প্রেস ক্লাব, উদীচী শিল্পী গোষ্ঠী (ময়মনসিংহ) এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মাদ্রাসায়ে আলীয়া, বাংলা সমিতি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৫৮), বাংলাদেশ কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি (১৯৮৪-৯১) দায়িত্বে ছিলেন। এছাড়া তিনি বিভিন্ন সংগঠনের আহ্বায়ক, উপদেষ্টা ও সদস্য ছিলেন। <strong>তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, সিনেট (১৯৮২-৮৫, ১৯৮৭-৮৮) সদস্য, বাংলা একাডেমীর (নং ৪৪৫) আজীবন সদস্য ছিলেন।</strong></p>
<p><img loading="lazy" decoding="async" class="post_image alignright" src="http://s3.amazonaws.com/somewherein/pictures/nurubrl/nurubrl-1444540526-9b166c4_xlarge.jpg" alt="" width="173" height="260" /><strong>সাহিত্যে অধ্যাপক গোলাম সামদানী কোরায়শী’র বিশাল ভান্ডার বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছে।।</strong> তাঁর বিচিত্র বৈচিত্রের সাহিত্য দর্শন যে কোনো সাহিত্য প্রেমিককে আকৃষ্ট করতে সক্ষম। তাঁর মৌলিক রচনার পাশাপাশি অনুবাদ ও সম্পাদনার পরিমাণও বিশাল। <strong>তার লিখতি উপন্যাসঃ</strong> ষষ্ঠীমায়া (সেমেটিক মিথলজী ভিত্তিক রচনা, শুরু ১৯৭৯ অসম্পূর্ণ) স্বর্গীয় অশ্রু(১৩৮০), পুত্রোৎসর্গ (১৩৮১), মহাপ্লাবন, চন্দ্রাতপ (১৩৮৩) এগুলো তাঁর সেমেটিক মিথলজী ভিত্তিক রচনা। ‘প্রদীপের নীচে’ মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক (রচনা শুরু ১৯৮৩ &#8211; অসম্পূর্ণ) ‘দেব না জানন্তি’ নাগরিক উপন্যাস (১৯৮৫), ‘রূপ ও রূপা’ পারিবারিক উপন্যাস (অসম্পূর্ণ)। এছাড়া ‘সংলাপ’ সম্পূর্ণ সংলাপে রচিত (১৯৯১) ও ‘কামিনী’ উপাখ্যান। <strong> গল্প ও গল্প সংকলনঃ</strong> শ্রী গোলের আত্মকাহিনী প্রথম গদ্য রচনা (১৯৪৩), লেখার দোকান, কালকেতু উপাখ্যান, কারূণের উট, শাদ্দাদের বেহেস্ত, কাল নাগিনী, কোরবাণী, দুর্ভিক্ষ, কল্পনা ও বাস্তব, এক যে ছিল কুল গাছ, একুশের কড়চা, কান্না, শয়তানের দোকন, জ্ঞানের ঘাট, বাঁশী, জায়দার বাপের বেহেস্ত, হজ্জ্ব, অভিনেত্রী, ভাগ্যরেখা, রক্ত চোষার ফরিয়াদ, থার্ড ক্লাশ, বিসমিল্লাহ, বিশ্বাসঘাতকতা, সাধু, দাদা, আদি, অভিসার, নরম গরম, দুই ভাই, দুই বোন, দুই মা, দুই বন্ধু, গল্প শুনো, মেঘলা রাতের কাব্য, বুড়া ঘুমালো পাড়া জুরালো, তিন দিন তিন রাত প্রভৃতি। <strong>নাটকঃ </strong> টুপিচোর, আমাদের দেশ (নাটিকা), গাধার কলজে, সাতটি নক্‌শা, সাপের ছোবল, উটের মাংস, আরও ৪টি। শিয়ালের সাফাই, নাটিকা, সবুজ পাতা(এ তিনটি শিশুতোষ নাটক) ক্ষুধিত সিংহাসন, হেমলক (নাটিকা)।<strong> কবিতা ও কবিতা সংকলনঃ</strong> খেয়ালের ঝুলি, দূর্ঘটনা, উটকোর জিভ, বাদশাজাদা ও গল্পিকা (কিশোর কবিতা সংকলন), মানুষ (১২টি সনেটের সংকলন)। ১<strong>৯৬১ সালে কিংবদন্তিতুল্য ভাষাবিদ ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লার আহ্বানে সাড়া দিয়ে পূর্ব পাকিস্তানের আঞ্চলিক ভাষার অভিধান প্রকল্পে বাংলা একাডেমীর ড. শহীদুল্লার সহযোগী হন</strong>। অভিধান প্রকল্পের পাশাপাশি তিনি অনুবাদকর্মেও মনোনিবেশ করেন। ১৯৬৫ সাল থেকে আরবি, ফারসি, উর্দু, ইংরেজি বিভিন্ন ভাষার বহু মৌলিক গ্রন্থ তিনি অনুবাদ করেন। <strong>তাঁর অনূদিত গ্রন্থের মধ্যে রয়েছেঃ</strong> কালিলা ও দিমনা (১৯৬৫); আইন-আদালতের ভাষা আরবি-ফার্সি শব্দ (মূল ইংরেজি), অশাস্ত্রীয় পুরাণ (মূল সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়); শব্দাদর্শ অধ্যয়ন (মূল মুহম্মদ ওবায়দুল্লাহ); তারিখ-ই-ফিরোজশাহী, তোহফা (মূল ফার্সি) প্রভৃতি এবং বাংলা একাডেমী থেকে এসব গ্রন্থ প্রকাশিত হয়। তাঁর অনূদিত হেজাজের সওগাত (মহাকবি ইকবালের আরমুগানে হেজাজ—এর অনুবাদ) ১৯৬৫ সালে করাচির ইকবাল একাডেমি থেকে প্রকাশিত হয়। এ ছাড়া বহু অনুবাদ এবং মৌলিক সৃজনশীল সাহিত্যকর্মের নিদর্শন রেখে যান তিনি। ১৯৮১-৮২ সালে বিখ্যাত ইসলামি চিন্তাবিদ ইবনে খলদুনের আল মোকাদ্দিমা বাংলা একাডেমী থেকে দুই খণ্ডে প্রকাশিত হওয়ার পর বাংলাদেশের বিদ্বৎসমাজে সাড়া পড়ে। তিনি ইবনে খলদুনের জীবনীগ্রন্থসহ ২৪টি গ্রন্থের অনুবাদক। <strong>তাঁর কৃতকর্মের অবদানস্বরূপ অগ্রণী ব্যাংক শিশুসাহিত্য পুরস্কার (১৯৯০) উল্লেখযোগ্য হলেও তাঁর কর্মের প্রতি সুবিচার হয়নি মনে হয়। আজও মরণোত্তর পদকে ভূষিত করার দাবি রাখেন এ বুদ্ধিজীবী।</strong><br />
<strong>অসাম্প্রদায়িক চেতনার মহান পুরুষ গোলাম সামদানী কোরায়শী ১৯৯১ সালের ১১ অক্টোবর ময়মনসিংহের আকুায়ায় মৃত্যুবরণ করেন।</strong> মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিলো ৬২ বছর। তাঁর মৃত্যুতে অভিভাবকহীন হয়ে পড়ে ময়মনসিংহবাসী আর দেশ হারায় অনন্য প্রতিভাবান, বহুভাষী পণ্ডিত, বহুদর্শী সমাজকর্মীকে। <strong>আজ এই মহন সাধকের ২৪তম মৃত্যুবার্ষিকী। প্রতিভা ভান্ডার গোলাম সামদানী কোরায়শীর মৃত্যুবার্ষিকীতে আমাদের শ্রদ্ধাঞ্জলি।</strong></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%97%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%b7%e0%a6%95-%e0%a6%97%e0%a7%8b%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ae-%e0%a6%b8%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ভাষা আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক ভাষা মতিনের ১ম মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%95-%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%93-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b7%e0%a6%be-%e0%a6%86%e0%a6%a8/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%95-%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%93-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b7%e0%a6%be-%e0%a6%86%e0%a6%a8/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[নূর মোহাম্মদ নুরু]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 08 Oct 2015 05:50:24 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[কথামালা]]></category>
		<category><![CDATA[স্মৃতিকথা]]></category>
		<category><![CDATA[গুণীজন]]></category>
		<category><![CDATA[বিশেষ দিবস/ ব্যক্তিত্ব]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://shahittabazar.com/?p=3031</guid>

					<description><![CDATA[<p></p> <p>ভাষা আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক আব্দুল মতিন। ভাষা আন্দোলনের সকল ক্ষেত্রে সাধারণ ছাত্র ও জনগণের ভূমিকাকে প্রাধান্যে রাখার এক অনন্য রাজনৈতিক -সাংগঠনিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন ভাষা মতিন। একুশের তথা ১৯৪৮</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%95-%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%93-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b7%e0%a6%be-%e0%a6%86%e0%a6%a8/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><img loading="lazy" decoding="async" class="post_image alignleft" src="http://s3.amazonaws.com/somewherein/pictures/nurubrl/nurubrl-1444280629-dc31c3a_xlarge.jpg" alt="" width="169" height="265" /></p>
<p><strong>ভাষা আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক আব্দুল মতিন।</strong> ভাষা আন্দোলনের সকল ক্ষেত্রে সাধারণ ছাত্র ও জনগণের ভূমিকাকে প্রাধান্যে রাখার এক অনন্য রাজনৈতিক -সাংগঠনিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন ভাষা মতিন। একুশের তথা ১৯৪৮ পরবর্তীকালে ভাষা আন্দোলনের প্রকৃত নেতৃত্ব জনগণের নেতৃত্বে আনার মাধ্যমেই একুশ তথা ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনকে সাফল্যমণ্ডিত করতে এবং নেতৃত্বের গণতান্ত্রিক ভূমিকার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন তিনি। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের বিজয়ের কারণে জাতি তার অন্যতম প্রধান সম্পদ ভাষাকে রক্ষা করতে সক্ষম হয়েছিল। জীবদ্দশায়একুশের পদক ছাড়াও অনেক পুরস্কার অর্জন করেছেন ভাষা মতিন। গত বছরে আজকের দিনে ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন তিনি। <strong>আজ তাঁর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী। একুশে পদক প্রাপ্ত বাংলা ভাষা আন্দোলনের অন্যতম ভাষা সৈনিক ভাষা মতিনের জন্য শ্রদ্ধাঞ্জলি। </strong></p>
<p><img loading="lazy" decoding="async" class="post_image alignright" src="http://s3.amazonaws.com/somewherein/pictures/nurubrl/nurubrl-1444280688-6f6bfdb_xlarge.jpg" alt="" width="165" height="248" /><br />
(<em>১৯৭৯ সালে ভাষা সৈনিক আব্দুল মতিন</em>)<br />
<strong>আব্দুল মতিন ওরফে গেদু ১৯২৬ সালের ৩ ডিসেম্বর সিরাজগঞ্জের চৌহালি উপজেলার ধুবালীয়া গ্রামে এক মধ্যবিত্ত কৃষক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।</strong> তাঁর বাবার নাম আব্দুল জলিল এবং মায়ের নাম আমেনা খাতুন। জন্মের পর তাঁর ডাক নাম ছিল গেদু পরবর্তীতে সারা বাংলাদশে যিনি ভাষা মতিন নামে পরিচিত লাভ করেন। ১৯৩০ সালে গ্রামের বাড়ী যমুনা ভাঙনে ভেঙ্গে গেলে আবদুল জলিল জীবিকার সন্ধানে ভারতের দার্জিলিং এ চলে যান। সেখানে জালাপাহারের ক্যান্টনমেন্টে সুপারভাইস স্টাফ হিসেবে একটি চাকরি পেয়ে যান। ১৯৩২ সালে আব্দুল মতিন শিশু শ্রেণীতে দার্জিলিং-এর বাংলা মিডিয়াম স্কুল মহারাণী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা দিলেন এবং তখন সেখানেই তাঁর শিক্ষা জীবনের শুরু। ১৯৩৩ সালে আব্দুল মতিনের মাত্র ৮ বছর বয়সে তার মা অ্যাকলেমশিয়া রোগে মারা যান। মহারানী গার্লস স্কুলে ৪র্থ শ্রেণী পাশ করলে এখানে প্রাইমারি স্তরের পড়াশোনার শেষ হয়। এরপর ১৯৩৬ সালে দার্জিলিং গভর্মেন্ট হাই স্কুলে পঞ্চম শ্রেণীতে ভর্তি হন। তিনি ১৯৪৩ সালে এনট্রেন্স (মাধ্যমিক সার্টিফিকেট পরীক্ষা) পরীক্ষায় ৩য় বিভাগ নিয়ে উত্তীর্ণ হন। আব্দুল মতিন ১৯৪৩ সালে রাজশাহী গভর্মেন্ট কলেজে ইন্টারমিডিয়েট প্রথম বর্ষে ভর্তি হলেন। ২ বছর পর ১৯৪৫ সালে তিনি এইচ এস সি পরীক্ষায় তৃতীয় বিভাগ নিয়ে উত্তীর্ণ হন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষের দিকে আব্দুল মতিন বৃটিশ আর্মির কমিশন র‌্যাঙ্কে ভর্তি পরীক্ষা দেন। দৈহিক আকৃতি, উচ্চতা, আত্মবিশ্বাস আর সাহসিকতার বলে তিনি ফোর্ট উইলিয়াম থেকে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে কমিশন পান। এরপর তিনি কলকাতা থেকে ব্যাঙ্গালোর গিয়ে পৌছান। কিন্তু ততদিনে যুদ্ধের পরিসমাপ্তি ঘটে। ফলে তিনি একটি সার্টিফিকেট নিয়ে আবার দেশে ফিরে আসেন। দেশে প্রত্যাবর্তনের পর তিনি ১৯৪৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যাচেলর অব আর্টস (পাশ কোর্স) এ ভর্তি হলেন। ফজলুল হক হলে তাঁর সিট হয়। <strong>১৯৪৭ সালে গ্র্যাজুয়েশন কোর্স শেষ করেন এবং পরে মাস্টার্স করেন ইন্টারন্যাশনাল রিলেশন বিভাগ থেকে।</strong></p>
<p><img loading="lazy" decoding="async" class="post_image alignleft" src="http://s3.amazonaws.com/somewherein/pictures/nurubrl/nurubrl-1444280710-834abb3_xlarge.jpg" alt="" width="325" height="167" /><br />
(<em>পরিবারের সাথে আ্ব্দুল মতিন</em>)<br />
<strong>১৯৫২ সালে সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে ভাষার দাবিতে বাঙালির আন্দোলনে নেতৃত্বের ভূমিকায় ছিলেন আবদুল মতিন। </strong>তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন ১৯৪৫ সালে। ভাষা আন্দোলনের পর তিনি ছাত্র ইউনিয়ন গঠনে ভূমিকা রাখেন এবং পরে সংগঠনটির সভাপতি হন। এরপর কমিউনিস্ট আন্দোলনে সক্রিয় হন। ১৯৫৪ সালে পাবনা জেলা কমিউনিস্ট পার্টির সম্পাদক হন মতিন। মওলানা ভাসানী ‘ন্যাপ’ গঠন করলে তিনি ১৯৫৭ সালে তাতে যোগ দেন। ১৯৫৮ সালে তিনি ‘পূর্ব পাকিস্তান কমিউনিস্ট পার্টি (এমএল ) গঠন করেন। চীনকে অনুসরণকারী বামপন্থি দলগুলোর নানা বিভাজনের মধ্যেও আবদুল মতিন সক্রিয় ছিলেন রাজনীতিতে। ১৯৯২ সালে তিনি বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি গঠনে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। ২০০৬ সালে ওয়ার্কার্স পার্টি থেকে তিনি পদত্যাগ করেন। পরবর্তীকালে ২০০৯ সালে হায়দার আকবর খান রনোর নেতৃত্বে ওয়ার্কার্স পার্টি (পুনর্গঠন) গঠিত হলে আবদুল মতিন তাদের সঙ্গে যোগ দেন।<strong> হায়দার আকবর খান রনো বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টিতে যোগ দিলেও আবদুল মতিন পুনর্গঠিত ওয়ার্কার্স পার্টির সঙ্গেই থাকেন।</strong></p>
<p><img loading="lazy" decoding="async" class="post_image alignright" src="http://s3.amazonaws.com/somewherein/pictures/nurubrl/nurubrl-1444280732-fdcd3b3_xlarge.jpg" alt="" width="177" height="265" /><br />
<strong>আব্দুল মতিন কখনো অলস সময় পার করেননি। </strong>তাঁর দীর্ঘ জীবনে সংগ্রামের পাশাপাশি তিনি কিছু বইও লিখেছেন। এই বইগুলো তাঁর চিন্তা, চেতনা, সত্ত্বাকে ধারণ করে চলেছে।আব্দুল মতিন অসংখ্য বইয়ের লেখক। <strong>আব্দুল মতিনের উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলো হচ্ছেঃ</strong> <em>১। ইউরোপের দেশে দেশে (১৯৬০), ২। কাস্তে (১৯৮৭), ৩। স্বাধীনতা সংগ্রামে প্রবাসী বাঙালি (১৯৮৯), ৪। প্রবাসীর দৃষ্টিতে বাংলাদেশ (১৯৯১), ৫। শামসুদ্দিন আবুল কালাম ও তার পত্রাবলী (১৯৯৮), ৬। শেখ হাসিনা: একটি রাজনৈতিক আলেখ্য(১৯৯২), ৭। আত্মজীবনী স্মৃতিচারণ পাঁচ অধ্যায় (১৯৯৫), ৮। জীবনস্মৃতি: একটি বিশেষ অধ্যায় (২০১২), ৯। রাজনীতি বিষয়ক: জেনেভায় বঙ্গবন্ধু (১৯৮৪), ১০। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব: কয়েকটি প্রাসঙ্গিক বিষয় (১৯৯৩), ১১। খালেদা জিয়ার শাসনকাল: একটি পর্যালোচনা (১৯৯৭), ১২। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব: মুক্তিযুদ্ধের পর (১৯৯৯), ১৩। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব: কয়েকটি ঐতিহাসিক দলিল (২০০৮), ১৪। বিজয় দিবসের পর: বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ (২০০৯), ১৫। ইতিহাস বিষয়ক: রোমের উত্থান ও পতন (১৯৯৫), ১৬। মহানগরী লন্ডন (১৯৯৬), ১৭। ক্লিওপেট্রা (২০০০), ১৮। দ্বি-জাতি তত্ত্বের বিষবৃক্ষ (২০০১), ১৮। ভলতেয়ার: একটি অনন্য জীবনকাহিনী (২০০২), ১৯। কামাল আতাতুর্ক: আধুনিক তুরস্কের জনক (২০০৩), ২০। মুক্তিযুদ্ধে প্রবাসী বাঙালি: যুক্তরাজ্য (২০০৫), ২১। ইউরোপের কথা ও কাহিনী (২০০৫), ২২। ইউরোপের কথা ও কাহিনী (২০০৭), ২৩। ইউরোপের কথা ও কাহিনী (২০০৯)</em>। <strong>ভাষা আন্দোলন বিষয়ে তার রচিত বিভিন্ন বইয়ের মধ্যে রয়েছেঃ</strong> (<em>ক) বাঙালী জাতির উৎস সন্ধান ও ভাষা আন্দোলন,(খ) ভাষা আন্দোলন কী এবং কেন এবং (গ) ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস। </em><strong>এছাড়া প্রকাশিত হয়েছে তার আত্মজীবনীমূলক বই জীবন পথের বাঁকে বাঁকে।</strong></p>
<p><img loading="lazy" decoding="async" class="post_image alignleft" src="http://s3.amazonaws.com/somewherein/pictures/nurubrl/nurubrl-1444280752-237448c_xlarge.jpg" alt="" width="315" height="174" /><br />
<strong>এক জীবনে আব্দুল মতিন দেশ ও দশের জন্য যে অবদান রেখেছেন তার মূল্যায়ন পুরস্কারের মাধ্যমে সম্ভব নয়। তবুও কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ তিনি অনেক সম্মাননা অনেক পুরস্কার অর্জন করেছেন। যথাঃ</strong><br />
<em>১। ১৯৯৮ সালে দৈনিক জনকণ্ঠ পত্রিকা আব্দুল মতিনকে গুণীজন ও প্রতিভা সম্মাননা ১৯৯৮ প্রদান।<br />
২। ২০০১ সালে তাঁকে জাতীয় পুরস্কার প্রদান করা হয়।<br />
৩। ২০০১ সালের ২৮ ডিসেম্বর বাংলা একাডেমী প্রদত্ত ফেলোশিপের জন্য সম্মাননা- প্রতীক<br />
৪। ২০০২ সালে তাঁকে জাতীয় জাদুঘর থেকে সম্মাননা স্মারক প্রদান।<br />
৫। ২০০২ সালে সিলেট থেকে ভাষা সৈনিক সংবর্ধনা পরিষদ তাঁকে সম্মাননা প্রদান করেন।<br />
৬। ২০০৪ সালে শেরে বাংলা জাতীয় পুরস্কার অর্জন করেন।<br />
৭। জাতীয় প্রেসক্লাব কর্তৃক ২০০৪ সালের ১৩ আগস্ট উন্নয়ন অর্থনীতি স্বর্ণপদক -২০০৫ প্রদান।<br />
৮। ২০০৫ সালের ১৪ মে, মুক্তিযুদ্ধ গণ পরিষদ কর্তৃক তাঁকে সম্মাননা প্রদান করে।<br />
৯। ২০০৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারী দৈনিক আমাদের সময় থেকে তিনি সম্মাননা পুরস্কার গ্রহণ করেন।</em> <strong>উল্লেখিত পুরস্কার ছাড়াও তিনি অনেক পুরস্কার অর্জন করেছেন।</strong></p>
<p><img loading="lazy" decoding="async" class="post_image alignright" src="http://s3.amazonaws.com/somewherein/pictures/nurubrl/nurubrl-1444280769-09ca983_xlarge.jpg" alt="" width="156" height="239" /><br />
<strong>২০১৪ সালের ০৮ অক্টোবর বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে (বিএসএমএমইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান আব্দুল মতিন।</strong> এমাসের ৪ অক্টোবর থেকে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিলো। মস্তিষ্কে স্ট্রোক হওয়ায় দেড় মাসের বেশি সময় ধরে তিনি বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন ছিলেন। ০৮ অক্টোবর, বুধবার সকাল ৯টায় লাইফ সাপোর্ট খুলে নিয়ে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো অষ্টাশি বছর। তার মৃত্যু একটি জীবন্ত ইতিহাসের অবসান। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থাতেই নিজের দেহ তিনি দান করে দিয়ে গেছেন চিকিৎসা বিজ্ঞানের শিক্ষার্থীদের শিক্ষার জন্য আর চোখ দান করে গেছেন সন্ধানীকে। ভাষাসৈনিক আবদুল মতিন মাতৃভাষার অধিকার আদায়ে যে অবদান রেখেছেন জাতি তা চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। <strong>আজ ভাষা সৈনিকের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী। একুশে পদক প্রাপ্ত বাংলা ভাষা আন্দোলনের অন্যতম ভাষা সৈনিক ভাষা মতিনের মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি।</strong></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%95-%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%93-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b7%e0%a6%be-%e0%a6%86%e0%a6%a8/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন পদার্থবিজ্ঞানী মেঘনাদ সাহার ১২২তম জন্মবার্ষিকীতে ফুলেল শুভেচ্ছা</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%86%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%96%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a6%a8/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%86%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%96%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a6%a8/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[নূর মোহাম্মদ নুরু]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 06 Oct 2015 06:42:28 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[কথামালা]]></category>
		<category><![CDATA[স্মৃতিকথা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://shahittabazar.com/?p=3029</guid>

					<description><![CDATA[<p><br /> বিজ্ঞান চর্চায় প্রেরণাদায়ক আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বাঙালি পদার্থবিজ্ঞানী মেঘনাদ সাহা। পদার্থবিজ্ঞানের ‘তাপ আয়নকরণ তত্ত্ব এবং তারকার আবহাওয়া পরিমন্ডলে তার প্রয়োগ’ সম্পর্কিত সাহা সমীকরণের প্রবক্তা বিজ্ঞানী মেঘনাদ সাহা। যিনি সমাজের</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%86%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%96%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a6%a8/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><img loading="lazy" decoding="async" class="post_image alignleft" src="http://s3.amazonaws.com/somewherein/pictures/nurubrl/nurubrl-1444111005-0708116_xlarge.jpg" alt="" width="170" height="265" /><br />
<strong>বিজ্ঞান চর্চায় প্রেরণাদায়ক আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বাঙালি পদার্থবিজ্ঞানী মেঘনাদ সাহা। </strong>পদার্থবিজ্ঞানের ‘তাপ আয়নকরণ তত্ত্ব এবং তারকার আবহাওয়া পরিমন্ডলে তার প্রয়োগ’ সম্পর্কিত সাহা সমীকরণের প্রবক্তা বিজ্ঞানী মেঘনাদ সাহা। যিনি সমাজের সব স্তরে বিজ্ঞানের কল্যানমুখী ভূমিকা প্রতিষ্ঠায় আত্মনিয়োগ করেছিলেন। জগদীশচন্দ্র বসুর পর, মেঘনাদ সাহাই প্রথম বাঙালি আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন পদার্থবিজ্ঞানী, যিনি জ্যোতিঃপদার্থ বিজ্ঞানের স্রষ্টা হিসেবে বিজ্ঞানের ছাত্রদের কাছে অতি পরিচিত। মেঘনাদ সাহা পরমাণু বিজ্ঞান, আয়ন মণ্ডল, পঞ্জিকা সংস্কার, বন্যা প্রতিরোধ ও নদী পরিকল্পনা বিষয়ে গবেষণা করেন। জনকল্যাণমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা এবং বিজ্ঞানকে সাধারণের মাঝে গ্রহণযোগ্য করে তোলার অন্যতম প্রয়াসী ছিলেন বিজ্ঞানী মেঘনাদ সাহা। বাংলায় বিজ্ঞান চর্চা এবং প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে সমাজের মৌলিক পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখতেন তিনি। এ দেশের পরমাণু বিজ্ঞান, আয়নমণ্ডল, পঞ্জিকা সংস্কার, বন্যা প্রতিরোধ ও নদী পরিকল্পনা বিষয়ে সবচেয়ে বড় গবেষক মেঘনাদ সাহার ১২২তম আজ জন্মবার্ষিকী। <strong>১৮৯৩ সালের আজকের দিনে তিনি ঢাকার বিক্রমপুরে জন্মগ্রহণ করেন। পদার্থবিজ্ঞানী মেঘনাদ সাহার জন্মবার্ষিকীতে ফুলেল শুভেচ্ছা।</strong></p>
<p><img loading="lazy" decoding="async" class="post_image alignright" src="http://s3.amazonaws.com/somewherein/pictures/nurubrl/nurubrl-1444111024-9d122c8_xlarge.jpg" alt="" width="165" height="248" /><br />
<strong>মেঘনাদ সাহা ১৮৯৩ সালের ৬ অক্টোবর ঢাকার বিক্রমপুরের শেওড়াতলী গ্রামে এক গরীব ঘরে জন্মগ্রহন করেন</strong>। জগন্নাথ সাহা এবং ভূবনেশ্বরী দেবীর আট সন্তানের মধ্যে তিনি ছিলেন পঞ্চম। তার পিতা ছিলেন গ্রামের এক মুদি দোকানদার। ফলে এই আয়ে যে সংসার চলতো তাতে উপযুক্ত শিক্ষা পাওয়া সহজসাধ্য ছিল না। এ কারণে অত্যন্ত মেধাবী ও স্মরণশক্তির অধিকারী হয়েও মেঘনাদ সাহার বিষয়-সংসারে অমনোযোগ; কিন্তু পড়াশুনার প্রতি আগ্রহ লক্ষ্য করে তার পিতা বিরক্ত হতেন। মেঘনাদ সাহা তাতে দমে যাননি। গ্রামের অদূরে একটি ইংরেজি স্কুলে ইংরেজি শিক্ষার ব্যবস্থা ছিল। স্থানীয় চিকিৎসক অনন্ত কুমার দাসের সহায়তায় মেঘনাদ সাহা ঐ স্কুলে ভর্তির সুযোগ পান এবং এই চিকিৎসকের বাসায় থেকেই তিনি লেখাপড়া করেছেন। <strong>অর্থাভাবে বহুপ্রতিকুলতা সত্বেও ১৯০৫ সালে ঢাকা মিডল স্কুলে বৃত্তি পরীক্ষায় প্রথম হয়ে তিনি ঢাকা কলেজিয়েট স্কুলে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পান।</strong></p>
<p><img loading="lazy" decoding="async" class="post_image alignleft" src="http://s3.amazonaws.com/somewherein/pictures/nurubrl/nurubrl-1444111043-873daf1_xlarge.jpg" alt="" width="177" height="265" /><br />
<strong>১৯০৫ সালের ঘটনা। </strong>সারা ভারতে তখন স্বদেশী আন্দোলনের হাওয়া বইছে। এ থেকে বাদ পড়েনি স্কুল কলেজও। বারো বছরের একটি বালক। স্বদেশী আন্দোলনে সাড়া দিয়ে যে খাদির পোশাক পরতে শুরু করেছে, খালি পায়েই স্কুলে যাতায়াত করছে। সেই বিস্ময় বালকটির নাম মেঘনাদ সাহা। বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনে জড়িত হওয়ার অপরাধে ঢাকা কলেজিয়েট স্কুল ছাড়তে বাধ্য হন তিনি। বাধ্য হয়ে তিনি কিশোরীলাল জুবিলী স্কুলে ভর্তি হন এবং এখান থেকেই তিনি পূর্ববঙ্গের সব পরিক্ষার্থীর মধ্যে প্রথম হয়ে ১৯০৯ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে এন্ট্রাস পাস করেন। <strong>১৯১১ সালে তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে আইএসসি পরীক্ষায় তৃতীয় স্থান অধিকার করেন। এরপর তিনি কলকাতা প্রেসিডেন্সি কলেজে ভর্তি হন।</strong></p>
<p><img loading="lazy" decoding="async" class="post_image alignright" src="http://s3.amazonaws.com/somewherein/pictures/nurubrl/nurubrl-1444111082-90f079e_xlarge.jpg" alt="" width="325" height="207" /><br />
<strong>এখানে তার সতীর্থ ছিলেন</strong> সত্যেন্দ্রনাথ বসু, নিখিলরঞ্জন সেন, জ্ঞান মুখার্জি, জ্ঞানচন্দ্র ঘোষ এবং তার শিক্ষকদের মধ্যে ছিলেন রসায়নে আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায়, পদার্থবিজ্ঞানে জগদীশচন্দ্র বসু, গণিতে ডি এন মল্লিক ও সি ই ক্যালিস।<strong> ১৯১৩ সালে গণিতে সম্মানসহ বিএসসি ও ১৯১৫ সালে ফলিত গণিতে এমএসসি পরীক্ষায় তিনি প্রথম শ্রেণীতে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন।</strong></p>
<p><strong>তাপীয় আয়নবাদ (Thermal Ionaisation) সংক্রান্ত তত্ত্ব উদ্ভাবন করে জ্যোতির্পদার্থবিজ্ঞানে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখেন মেঘনাদ সাহা। </strong>১৯১৭ সালে তাঁর প্রথম প্রবন্ধ ‘অন ম্যাক্সওয়েল স্ট্রেসেস’ প্রকাশিত হয় ফিলজফিক্যাল ম্যাগাজিনে। এরপর ১৯২০ সালেই এই ম্যাগাজিনে &#8216;<em>On ionization in the Solar Chromosphere</em>&#8216; (সূর্যের বর্ণমণ্ডলে আয়নকরণ) শিরোনামে তার তাপ আয়নকরণতত্ত্ব প্রকাশিত হয় যা জ্যোতিঃপদার্থবিজ্ঞানে এক নতুন দিগন্ত সূচনা করে। কারণ এই তত্ত্ব দ্বারাই প্রথম তাপবলবিদ্যা ও কোয়ান্টামতত্ত্বের ভিত্তিতে বিভিন্ন শ্রেণীর তারকার বর্ণালী ব্যাখ্যা করা সম্ভব হয়েছিল। কেন সূর্যের বর্ণালীতে সিজিয়াম বা রুবিডিয়াম থাকবে না এর উত্তর দেয়ার সাথে সাথে তিনি এও ভবিষ্যদ্বানী করেন, যদি সূর্যের দেহের অপেক্ষাকৃত কম তাপবিশিষ্ট অংশের বর্ণালী নেওয়া যায় তবে সেখানে কম ভারী মৌলগুলির উপস্থিতি দেখা যাবে। এই তত্ত্ব পদার্থ ও জ্যোতির্বিজ্ঞানে নতুন সংযোজন। মেঘনাদ সাহার গবেষণা ‘তাপীয় আয়ননবাদ’ নামে সুপরিচিত। তার এই তত্ত্বটিই পরে সাহার সমীকরণ নামে পরিচিতি লাভ করে। পদার্থবিজ্ঞানী হিসেবে ততদিনে তার নাম ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বজুড়ে। <strong>মেঘনাদ সাহা সম্পর্কে আলবার্ট আইনস্টাইনের উক্তি “Dr. M.N. Shaha has won an honoured name in the whole scientific world ”</strong><br />
<strong>১৯১৮ সালে মেঘনাদ সাহা কলকাতা বিজ্ঞান কলেজের পদার্থ বিজ্ঞানের লেকচারার হিসেবে যোগদান করেন। </strong>১৯১৯ সালে তিনি ‘প্রেসার অব লাইট’এর উপর গবেষণা করে ডি এস সি ডিগ্রী, ১৯২০ সালে ‘অ্যাস্ট্রোফিজিকস’ এর উপর গবেষণা করে প্রেমচাঁদ রায়চাঁদ বৃত্তি পান। পর্যায়ক্রমে গবেষক ও বিজ্ঞানী হিসেবে তিনি আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জন করেন। গবেষণাকর্মের জন্য তিনি লন্ডনের রয়্যাল সোসাইটি তাঁকে ফেলোশিপ প্রদান করেছিল। ‘বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি’ নামে একটি মাসিক পত্রিকাও তিনি সম্পাদনা করতেন। ১৯৪৮ সালে তিনি কলকাতায় &#8216;সাহা ইনস্টিটিউট অফ নিউক্লিয়ার ফিজিক্স’ প্রতিষ্ঠা করেন । আয়নকরণ তত্ত্ব ছাড়াও মেঘনাদ সাহা তারকার বর্ণালী, নিবাচিত বিকিরণ তাপ, বণালী তত্ত্ব, আয়নিক বিশ্লেষণ, আয়নস্ফিয়ারে বেতার তরঙ্গের পরিচলন, সূর্যের করোনা, সূর্যের বেতার বিকিরণ, চৌম্বক এক মেরু, বিটা তেজস্ত্রিয়তা, শিলার বয়স প্রভৃতি বিষয়ে গবেষণা করেন। <strong>পদার্থবিদ্যা, জ্যোতিঃপদার্থবিদ্যা, পরমানুবিজ্ঞান প্রভৃতি বিষয়ে তিনি বাংলায় ২৮টি এবং ইংরেজিতে ১১৯টি প্রবন্ধ রচনা করেন। তাঁর রচিত উল্লেখ্যোগ্য গ্রন্থাবলীঃ</strong><br />
<em>১। The Principle of Relativity,<br />
২। Treatise on Heat<br />
৩। Treatise on Modern Physics<br />
৪। Junior Textbook of Heat with Meteorology</em></p>
<p><img loading="lazy" decoding="async" class="post_image alignright" src="http://s3.amazonaws.com/somewherein/pictures/nurubrl/nurubrl-1444111173-7452931_xlarge.jpg" alt="" width="325" height="165" /><br />
<strong>১৯৫৬ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারী মৃত্যুবরণ করেন এই কৃতি বিজ্ঞানী ।</strong> বাংলার বিজ্ঞান চর্চার এই অন্যতম পথিকৃৎ মেঘনাদ সাহার কর্ম ও আবিষ্কার আগামী প্রজন্মের কাছে সবসময়ই অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। বিজ্ঞান চর্চায় প্রেরণাদায়ক এই স্বাপ্নিক বিজ্ঞানীর ১২২তম জন্মবার্ষিকী আজ। <strong>আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বিজ্ঞানী মেঘনাদ সাহার জন্মদিনে তাঁকে স্মরণ করছি গভীর শ্রদ্ধায়।</strong></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%86%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%96%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a6%a8/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বিপ্লবী ভগৎ সিং এর ১০৮তম জন্মবার্ষিকীতে শুভেচ্ছা</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%b6-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%a7%e0%a7%80-%e0%a6%86%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%8b%e0%a6%b2%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%b6-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%a7%e0%a7%80-%e0%a6%86%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%8b%e0%a6%b2%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[নূর মোহাম্মদ নুরু]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 02 Oct 2015 11:21:51 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[কথামালা]]></category>
		<category><![CDATA[স্মৃতিকথা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://shahittabazar.com/?p=3007</guid>

					<description><![CDATA[<p>অবিভক্ত ভারত থেকে ব্রিটিশ শাসন উৎখাত করার অন্যতম প্রভাবশালী ভারতীয় স্বাধীনতা সংগ্রামী বিপ্লবী ভগৎ সিং। তাঁকে শহীদ ভগৎ সিংহ নামে অভিহিত করা হয়। ১৯১৯ সালের জালিয়ানওয়ালাবাগের নৃশংস হত্যাকাণ্ড তার মনে</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%b6-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%a7%e0%a7%80-%e0%a6%86%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%8b%e0%a6%b2%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>অবিভক্ত ভারত থেকে ব্রিটিশ শাসন উৎখাত করার অন্যতম প্রভাবশালী ভারতীয় স্বাধীনতা সংগ্রামী বিপ্লবী ভগৎ সিং</strong>। তাঁকে শহীদ ভগৎ সিংহ নামে অভিহিত করা হয়। ১৯১৯ সালের জালিয়ানওয়ালাবাগের নৃশংস হত্যাকাণ্ড তার মনে গভীর রেখাপাত করে। ১৯১৯ সালের ১৩ এপ্রিল ভগৎ সিং সেই মর্মান্তিক ঘটনা শোনেন, এরপর তিনি বাসে করে ৪০/৫০ মাইল দূরে অমৃতসরের জালিয়ানওয়ালাবাগে ছুটে যান। সেখানকার ত্রাস ও দুর্যোগের পরিবেশ উপেক্ষা করে কুড়িয়ে আনেন সেই রক্তরঞ্জিত মাটি। এই মাটি তাঁর কাছে সোনার চেয়েও খাঁটি। এ মাটি বিদ্রোহের প্রতীক। এভাবে ভগৎ সিং ছেলেবেলা থেকেই ব্রিটিশদের প্রতি ঘৃণা ও বিপ্লবীদের প্রতি শ্রদ্ধা প্রর্দশন করেছেন। আর দেশকে মুক্ত করার জন্য জীবন বাজী রেখে ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে অংশগ্রহণ করেছেন এবং শেষ পর্যন্ত ব্রিটিশদের দেয়া ফাঁসির রজ্জু হাসিমুখে বরণ করেছেন। ১৯০৭ সালের আজকের দিনে তিনি পাঞ্জাবের লায়ালপুরে জন্মগ্রহণ করেন। <strong>আজ এই মহান বিপ্লবীর ১০৮তম জন্মবার্ষিকী। শহীদ বিপ্লবী ভগৎ সিং এর জন্মদিনে ফুলেল শুভেচ্ছা।</strong></p>
<p><img loading="lazy" decoding="async" class="post_image alignleft" src="http://s3.amazonaws.com/somewherein/pictures/nurubrl/nurubrl-1443329723-c1ad370_xlarge.jpg" alt="" width="176" height="265" /><br />
<strong>১৯০৭ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর ব্রিটিশ ভারতের পশ্চিম পাঞ্জাবের লায়লপুর জেলার বংগা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন ভগৎ সিং</strong>। ভগৎ সিংহের এর পিতার নাম সর্দার কিসান সিংহ সান্ধু ও মায়ের নাম বিদ্যাবতী। ভগৎ সিংয়ের প্রাথমিক পড়াশুনার হাতেখড়ি পরিবারে। তারপর স্কুলে পড়ার পালা। কিন্তু ভগৎ সিং তাঁর সমবয়সী ছেলেদের মতো লাহোরের খালসা হাইস্কুলে পড়াশোনা করেননি। কারণ এই স্কুলে পড়াশুনা করলে ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষের প্রতি আনুগত্য দেখাতে হয়। যে কারণে তাঁর ঠাকুরদাদা তাঁকে এখানে পড়াশুনা করাতে রাজি ছিলেন না। তিনি ভগৎ সিংকে অন্য একটি স্কুলে পড়াশুনা করানোর সিদ্ধান্ত নেন। তাই ভগৎ সিংয়ের বাবা তাঁকে আর্যসমাজের বিদ্যালয় দয়ানন্দ অ্যাংলো-বৈদিক স্কুলে ভর্তি করান। মেট্রিক পাসের পর ভগৎ সিং ন্যাশনাল কলেজে (স্বদেশী বিদ্যালয়) ভর্তি হন। ওই কলেজে পড়াকালে আজীবন সংগ্রামের সাথী শুকদেব, যশপাল ও ভগবতীচরণ ভোরার সঙ্গে পরিচিত হন। তিনি খুব মনোযোগী ও পরিশ্রমী ছাত্র ছিলেন। ইতিহাস ও রাজনীতি বিষয়ক পড়াশোনার প্রতি তার আগ্রহ ছিল সবচেয়ে বেশি। সহপাঠীদেরকে নিয়ে নিয়মিত পাঠচক্র করতেন। ইতালির দেশপ্রেমিক ম্যাৎসিনি ও গ্যারিবল্ডি, আয়ারল্যান্ডের বিপ্লবী ইমন-ডি-ভ্যালেরা ও রুশ বিপ্লবী ক্রোপটকিনের ঘটনাবহুল জীবনের নানা দিক নিয়ে এ সময় পড়েন। আরও পড়লেন ভলতেয়ার আর রুশোর রচনাবলী। লাহোরের ন্যাশনাল ড্রামাটিক ক্লাবের সদস্য হয়ে যুবকদের মধ্যে স্বদেশপ্রেম জাগিয়ে তোলার জন্য অভিনয় করলেন সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত, রাণাপ্রতাপ, ভারত দুর্দশা নাটকে। ভগৎ সিং কিশোর বয়সে লাহরের ন্যাশনাল কলেজে পড়াশুনা আরম্ভ করেন কিন্তু বাল্য বিবাহ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে পালিয়ে যান এবং ‘<em>নওজাওয়ান ভারাত সাভা</em>’ (ভারত যুব সভা) এর সদস্য হন। <strong>এই সংস্থায় ভগৎ সিং এবং তার আর বিপ্লবী সহকর্মীরা যুবকদের মাঝে জনপ্রিয় হয়ে উঠে।</strong></p>
<p><img loading="lazy" decoding="async" class="post_image alignright" src="http://s3.amazonaws.com/somewherein/pictures/nurubrl/nurubrl-1443329747-5f70cd7_xlarge.jpg" alt="" width="165" height="248" /><br />
<strong>ভগৎ সিং যে পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন সেটি ছিল এক দেশপ্রেমিক শিখ পরিবার</strong>। এই পরিবারের কোনো কোনো সদস্য ভারতের বিভিন্ন স্বাধীনতা আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। কৈশোরেই ভগৎ ইউরোপীয় বিপ্লবী আন্দোলনের ইতিহাস সম্পর্কে পড়াশোনা করেন এবং নৈরাজ্যবাদ ও কমিউনিজমের প্রতি আকৃষ্ট হন। এরপর তিনি একাধিক বিপ্লবী সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পড়েন।মাত্র ১৩ বছর বয়সে ভগৎ মহাত্মা গান্ধীর অসহযোগ আন্দোলনে যোগ দেন। এই সময় তিনি প্রকাশ্যে ব্রিটিশ রাজশক্তির বিরোধিতা করেন এবং তাঁর সরকারি স্কুলবই ও বিলিতি স্কুল ইউনিফর্ম পুড়িয়ে ফেলেন। <strong>১৯২২ সালের ৫ ফেব্রুয়ারী হঠাৎ উত্তরপ্রদেশের গোরখপুর জেলার চৌরীচেরা গ্রামে কৃষকদের শান্তিপূর্ণ অসহযোগ আন্দোলন হঠিয়ে দেয়ার জন্য পুলিশ জনতার উপর গুলি চালায়।</strong> এতে কয়েকজন কৃষক মারা যায়। ফলে বিক্ষুব্ধ জনতা থানা ঘেরোও করে আগুন জ্বালিয়ে দেয়। থানার ভিতর ২২ জন পুলিশ পুড়ে মারা যায়। এই ঘটনার কারণে গান্ধীজী অসহযোগ আন্দোলন থেকে সরে দাঁড়ান। এতে হতাশ হয়ে ভগৎ যুব বিপ্লবী আন্দোলনে যোগ দেন এবং সশস্ত্র বিপ্লবের পন্থায় ভারত থেকে ব্রিটিশ শাসন উৎখাত করার কথা প্রচার করতে থাকেন। ব্রিটিশ সরকার বিপ্লবীদেরকে দমনের জন্য পুলিশকে অধিক ক্ষমতা প্রদান করে ভারত প্রতিরক্ষা আইন পাশ করার সমস্ত প্রক্রিয়া চুড়ান্ত করে। ১৯২৯ সালের ৮ এপ্রিল সেন্ট্রাল লেজিসলেটিভ অ্যাসেম্বলিতে আইনটির অধ্যাদেশ পাশ হবার সিদ্ধান্ত হয়। এই আইনকে রুখে দেওয়ার জন্য ভগৎ সিং এর ‘<strong>হিন্দুস্থান সোসালিস্ট রিপাবলিকান এসোসিয়েশন</strong>’ প্রস্তুতি গ্রহণ করে। দলের নেতা ভগৎ সিং এর নেতৃত্বে সিদ্ধান্ত হয় ৮ এপ্রিল সেন্ট্রাল লেজিসলেটিভ অ্যাসেম্বলিতে এর প্রতিবাদে বোমা নিক্ষেপ করা হবে। উদ্দেশ্যটা রক্তপাত ঘটানো ছিল না; তাঁরা চেয়েছিলেন, ভগৎ সিং এর ভাষায় ‘<strong>বধিরের কানের কাছে আওয়াজ তুলতে</strong>’। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভগৎ সিং ও বটুকেশ্বর দত্ত বোমা নিক্ষেপ করবেন আর দলের অন্যরা তাঁদেরকে ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে নিবেন। ৮ এপ্রিল যথাসময়ে ‘<strong>বধিরের কানের কাছে আওয়াজ পৌঁছানোর</strong>’ জন্য ভগৎ সিং ও বটুকেশ্বর বোমা নিক্ষেপ করে ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’, ‘সাম্রাজ্যবাদ নিপাত যাক’, ‘দুনিয়ার মজদুর এক হও’ শ্লোগান দেন, যে-আওয়াজ ওইভাবে এর আগে কখনো শোনা যায়নি। <strong>পলায়নের চেষ্টা না-করে তাঁরা নির্ভয়ে ইস্তাহার বিলি করতে থাকেন। এসময় পুলিশ তাঁদের গ্রেফতার করে।</strong></p>
<p><img loading="lazy" decoding="async" class="post_image alignleft" src="http://s3.amazonaws.com/somewherein/pictures/nurubrl/nurubrl-1443329766-cee6527_xlarge.jpg" alt="" width="173" height="265" /><br />
<strong>জেলে বন্দী থাকাকালে ভগৎ সিং ব্রিটিশ ও ভারতীয় বন্দীদের সমানাধিকারের দাবিতে ৬৪ দিন অনশন করেন</strong>। সে সময় ভারতীয় বন্দীদের চেয়ে ব্রিটিশ চোর ও খুনিদের প্রতি অধিকতর ভাল আচরণ করা হত। ৬৪ দিন অনশনের ফলে ব্রিটিশ সরকার নতি স্বীকার করতে বাধ্য হয়। ভগৎ সিং জেলে থাকার সময় ডায়রী লিখতেন। তিনি প্রচুর বই পড়তেন। যে কথাগুলো ভালো লাগত, সেগুলো টুকে রাখতেন নিজের ডায়েরিতে। ১৯৩০-৩১ সালে জেলের মধ্যে ফাঁসির অপেক্ষায় যখন ভগৎ সিং এর দিন কাটছিল সে সময় তিনি ‘<strong>Why I am an Atheist</strong>’ প্রবন্ধটি লিখেছিলেন। ফাঁসির কয়েক মাস পরে ‘<strong>The People’ (Lahore, 27 Sept. 1931) </strong>নামক পত্রিকায় প্রবন্ধটি প্রকাশিত হয়। ১৯৩০ সালের ৭ অক্টোবর। তিন ব্রিটিশ বিচারকের সমন্বয়ে গঠিত এক বিশেষ ট্রাইব্যুনাল ভগৎ সিং, সুখদেব ও রাজগুরুকে অপরাধী সাব্যস্ত করে এবং ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার রায় প্রদান করে। অবশেষে ১৯৩১ সালের ২৩ মার্চ সন্ধ্যা ৭ টায় এই তিন বিপ্লবীকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। <strong>আজ ২৭ সেপ্টেম্বর, ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনের সর্বাপেক্ষা বলিষ্ঠ ধারার অন্যতম পথিকৃৎ &#8216;শহীদ-ই-আজম্‌&#8217; ভগৎ সিং এর ১০৮তম জন্মবার্ষিকী। ভারতীয় স্বাধীনতা সংগ্রামী বিপ্লবী ভগৎ সিং এর জন্মদিনে ফুলেল শুভেচ্ছা।</strong></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%b6-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%a7%e0%a7%80-%e0%a6%86%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%8b%e0%a6%b2%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
