<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি &#8211; সাহিত্য বাজার</title>
	<atom:link href="https://shahittabazar.com/author/arif-ahmed/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://shahittabazar.com</link>
	<description>সাহিত্যের আয়নায় মানুষের মুখ</description>
	<lastBuildDate>Sun, 21 Sep 2025 05:51:57 +0000</lastBuildDate>
	<language>bn-BD</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.9.4</generator>
	<item>
		<title>বরিশালে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জিয়া হায়দার</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%8f%e0%a6%a8%e0%a6%aa%e0%a6%bf-%e0%a6%9a%e0%a7%87%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b0/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%8f%e0%a6%a8%e0%a6%aa%e0%a6%bf-%e0%a6%9a%e0%a7%87%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b0/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 21 Sep 2025 05:51:25 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[বরিশাল বিভাগ]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলার চিঠি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://shahittabazar.com/?p=5748</guid>

					<description><![CDATA[<p>এ দেশের মানুষ পিআর বোঝেন না &#8211; জিয়াউদ্দীন হায়দার</p> <p>বিশেষ প্রতিবেদক</p> <p>বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটির মিলনায়তনে আয়োজিত মিট দ্য রিপোর্টার্স অনুষ্ঠানে ২০ সেপ্টেম্বর শনিবার সাংবাদিকদের সাথে আলোচনা ও মতবিনিময় করেন বিএনপি</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%8f%e0%a6%a8%e0%a6%aa%e0%a6%bf-%e0%a6%9a%e0%a7%87%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b0/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>এ দেশের মানুষ পিআর বোঝেন না &#8211; জিয়াউদ্দীন হায়দার</strong></p>
<p><strong>বিশেষ প্রতিবেদক</strong></p>
<div id="attachment_5749" style="width: 310px" class="wp-caption alignleft"><a href="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/09/IMG20250920132323.jpg"><img fetchpriority="high" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-5749" class="size-medium wp-image-5749" src="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/09/IMG20250920132323-300x169.jpg" alt="" width="300" height="169" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/09/IMG20250920132323-300x170.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/09/IMG20250920132323-1024x576.jpg 1024w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/09/IMG20250920132323-768x432.jpg 768w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/09/IMG20250920132323-1536x864.jpg 1536w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/09/IMG20250920132323-70x40.jpg 70w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/09/IMG20250920132323.jpg 1920w" sizes="(max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a><p id="caption-attachment-5749" class="wp-caption-text">oplus_0</p></div>
<p>বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটির মিলনায়তনে আয়োজিত মিট দ্য রিপোর্টার্স অনুষ্ঠানে ২০ সেপ্টেম্বর শনিবার সাংবাদিকদের সাথে আলোচনা ও মতবিনিময় করেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জিয়াউদ্দিন হায়দার স্বপন। এসময় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পিআর পদ্ধতির নির্বাচন দাবী সংক্রান্ত সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এদেশের মানুষ পিআর পদ্ধতি বোঝেন না। তারা মুখ না দেখে ভোট দিতে অভ্যস্ত নয়। বাংলাদেশে পিআর পদ্ধতি বিষয়ে সাধারণ মানুষের কোনো ধারণা নেই। তাছাড়া প্রতিবেশী দেশ নেপালও এই পদ্ধতি থেকে বের হয়ে যেতে চাচ্ছে। তাদের পরিস্থিতি আমাদের জন্য শিক্ষনীয় হতে পারে বলে দাবী করেন বিএনপির এই উপদেষ্টা।<br />
বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটির মিট দ্য রিপোর্টার্স অনুষ্ঠানে<br />
তিনি আরো বলেন, ড ইউনুস এর সরকার, আমাদের সকলের সরকার । এই সরকারের কাজে সহযোগিতা করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।<br />
তিনি বলেন, বিএনপি চায় জ্ঞানভিত্তিক ও উন্নয়নধর্মী বাংলাদেশ। সেই লক্ষ্যেই কাজ করছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও বেকারত্ব দূরকরা আমাদের প্রধান লক্ষ্য দাবী করে তিনি বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে এক কোটি বেকারের কর্মসংস্থান ঘটাবে। সে লক্ষ্যে এখন থেকেই আমাদের কাজ চলছে।<br />
এসময় তিনি বিএনপির ৩১ দফা সম্পর্কে বলেন, দেশের জন্য এখন প্রয়োজন একটি নির্বাচিত সরকার, যার জন্য সরকার ইতোমধ্যে রোডম্যাপ ঘোষণা করেছে। আগামীতে বিএনপি সরকার গঠন করলে ৩১ দফার আলোকে দেশকে নতুনভাবে সাজানো হবে।<br />
জিয়াউদ্দিন হায়দার স্বপন বলেন, বিএনপির শক্তি হলো সাধারণ জনগণ। শত শত মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা কিংবা ব্যানার পোস্টারের রাজনীতি সময় শেষ। এখন অন্যায়, অত্যাচার ও অপরাধের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে দেশের উন্নয়ন সম্ভব। আগামীতে বিএনপি সরকার গঠন করলে প্রত্যেক মানুষের জন্য একটি হেলথ কার্ড চালু করা হবে এবং প্রতিটি পণ্যের জন্য শিল্প স্থাপন করা হবে। দেশের প্রতিটি গ্রাম থেকে খুঁজে খুজে ঐতিহ্যবাহী ও সম্ভাবনাময় পণ্য খুঁজে বের করে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানি করা হবে, যা দেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করবে। বরিশাল অঞ্চলের শীতলপাটির জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বাজার তৈরির জন্য ইতোমধ্যে গবেষণা চলছে। বিএনপি জ্ঞান ও বিজ্ঞানভিত্তিক রাজনীতিতে বিশ্বাস করে এবং সেটিই ভবিষ্যতে বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানান তিনি।<br />
বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি আনিসুর রহমান স্বপন এর সভাপতিত্বে এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক খালিদ সাইফুল্লাহ এবং অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ডেইলি স্টার সাংবাদিক ও রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সুশান্ত ঘোষ। এসময় ঝালকাঠি প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ বরিশালের প্রায় শতাধিক সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%8f%e0%a6%a8%e0%a6%aa%e0%a6%bf-%e0%a6%9a%e0%a7%87%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b0/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>আনন্দ শোভাযাত্রায় আনন্দিত বরিশাল: গ্রামের বাজারে চলছে হালখাতা উৎসব</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%86%e0%a6%a8%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6-%e0%a6%b6%e0%a7%8b%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a7%9f-%e0%a6%86%e0%a6%a8%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a6%bf/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%86%e0%a6%a8%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6-%e0%a6%b6%e0%a7%8b%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a7%9f-%e0%a6%86%e0%a6%a8%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a6%bf/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 15 Apr 2025 18:02:34 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[রম্যকথন]]></category>
		<category><![CDATA[সাহিত্য]]></category>
		<category><![CDATA[বৈশাখ]]></category>
		<category><![CDATA[বৈশাখী মেলা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://shahittabazar.com/?p=5685</guid>

					<description><![CDATA[আনন্দ শোভাযাত্রায় আনন্দিত বরিশাল: গ্রামের বাজারে চলছে হালখাতা উৎসব  বিশেষ প্রতিবেদক  &#8220;বৈশাখী ঐক্যতান ফ্যাসিবাদের অবসান &#8221; শ্লোগানকে সামনে রেখে হাতি ঘোড়া, গাধা ছাড়াও জেলে, চাষী, কৃষাণী জীবন গাঁথার পাশাপাশি ঢেঁকি,<span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%86%e0%a6%a8%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6-%e0%a6%b6%e0%a7%8b%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a7%9f-%e0%a6%86%e0%a6%a8%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a6%bf/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div id="m#msg-a:r8157961198011451869" class="mail-message expanded">
<div class="mail-message-header spacer"><strong>আনন্দ শোভাযাত্রায় আনন্দিত বরিশাল: গ্রামের বাজারে চলছে হালখাতা উৎসব </strong></div>
<div id="m#msg-a:r8157961198011451869-content" class="mail-message-content collapsible zoom-normal mail-show-images ">
<div class="clear">
<div dir="auto">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto"><strong>বিশেষ প্রতিবেদক </strong></div>
<div dir="auto"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/04/inbound169841143449116363.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-5686" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/04/inbound169841143449116363-300x200.jpg" alt="" width="300" height="200" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/04/inbound169841143449116363-300x200.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/04/inbound169841143449116363-768x512.jpg 768w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/04/inbound169841143449116363-1024x683.jpg 1024w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/04/inbound169841143449116363.jpg 1599w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a></div>
<div dir="auto">&#8220;বৈশাখী ঐক্যতান</div>
<div dir="auto">ফ্যাসিবাদের অবসান &#8221; শ্লোগানকে সামনে রেখে হাতি ঘোড়া, গাধা ছাড়াও জেলে, চাষী, কৃষাণী জীবন গাঁথার পাশাপাশি ঢেঁকি, পালকী সহ লোকজ উপকরণ তুলে ধরার চেষ্টা ছিলো এবারের বৈশাখী শোভাযাত্রার  প্রধান আকর্ষণ। আবার নগরীর হাটখোলাসহ গ্রামের বাজারের মুদি দোকানগুলোতে ছিলো হালখাতা খুলে মিষ্টি বিতরণের আয়োজন। পহেলা বৈশাখ সোমবার সকাল ৯টায় বরিশাল সার্কিট হাউসের সামনে থেকে লোকজ উপকরণ সহ বৈশাখী শোভাযাত্রাটি বের হয়ে সদর রোড হয়ে বিবির পুকুর পাড় থেকে একে স্কুল রোড ধরে বাঁধ রোড হয়ে বরিশাল ক্লাবের সামনে দিয়ে পুনরায় সার্কিট হাউসের ভিতর এসে শেষ হয় শোভাযাত্রাটি। প্রায় দেড়ঘন্টা সড়কে এই শোভাযাত্রার নেতৃত্ব দেন বরিশালের জেলা প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন। তিনি রীতিমতো জেলে সাজে নিজেই সড়কে জাল নিক্ষেপ করে অংশগ্রহণকারী ও দর্শকদের বিনোদন দিচ্ছিলেন। পালকী চড়া বউকে বাতাস করা, হল্লা গাওয়া ইত্যাদি আয়োজনের পাশাপাশি ঢেঁকি, পলকী, ডাল তৈরির যন্ত্র ইত্যাদি দেখে মুগ্ধ বরিশাল বাসী। তাদের অনেকেই বললেন, এবারের এই বৈশাখী শোভাযাত্রায় আমরা সত্যিকারের আনন্দ পেলাম। বরিশাল সিটি করপোরেশন ও জেলা প্রশাসনের যৌথ আয়োজনে এমন উৎসব সম্ভবত এটাই প্রথম বলে দাবী করলেন আনন্দ শোভাযাত্রায় অংশ নেয়া বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক মাহবুব খান। তিনি বলেন, বৈশাখী শোভাযাত্রা মানেই আনন্দের বিষয়। এ নিয়ে যারা মঙ্গল অমঙ্গল বিতর্ক করছে তাদের বলবো, মঙ্গল অমঙ্গল আপনার আমার কর্মফলের উপর নির্ভর। কোনো শোভাযাত্রা দিয়ে মঙ্গল হয়না, হয় আনন্দ হয়। আমরা বরিশালের মানুষ দীর্ঘদিন পর নির্মল আনন্দ পেয়েছি। তাই আনন্দ শোভাযাত্রা  নামকরণ সঠিক বলে দাবী করেন মাহবুব খান।</div>
<div dir="auto">একইসময় বরিশাল সাংস্কৃতিক কেন্দ্র অন্যতম পরিচালক সাংবাদিক আজাদ আলাউদ্দিন বললেন, নতুন বাংলা বছরকে স্বাগত জানাতে গিয়ে আগে আমরা বলতাম &#8211; পুরাতনকে বিদায় জানিয়ে নতুনেরে করি বরণ। এটা একটি ভুল ধারণা। পুরাতন আমাদের পাথেয়, আমাদের পথ নির্দশক। তাকে বিদায় দেওয়া যায়না। তার থেকে শিক্ষা নিয়ে ভুল ত্রুটি শুধরে নতুন পথে পা বাড়াতে হয়। আগামীর সুন্দর বাংলাদেশ তৈরি হবে আমাদের অতীতের ভুলগুলো শুধরে নিতে পারলেই।</div>
<div dir="auto">জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক সংগঠন জাসাস বরিশাল দক্ষিণের আহ্বায়ক সাব্বির নেওয়াজ সাগর ধানের শীষ, কাস্তে ইত্যাদি উপকরণ নিয়ে শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করেন। তিনি বলেন, আমারা চেষ্টা করেছি দলমত নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধ প্লাটফর্মে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মাধ্যমে বরিশালবাসীকে আনন্দ দিতে। কিছু বাম ঘরানার প্রগতিশীল চিন্তার দাবীদার বাদে সবাই আমাদের ডাকে সাড়া দিয়েছেন। নগরবাসী আনন্দ পেয়েছে এটাই এই আনন্দ শোভাযাত্রার সার্থকতা। এজন্য অবশ্যই ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা বরিশালের জেলা প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন এর প্রতি। একইসাথে ধন্যবাদ জানাবো বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার রায়হান কাওছারকেও। তাদের আন্তরিকতা এবং স্বশরীরে উপস্থিতি এই আনন্দ শোভাযাত্রাকে গতিশীল করেছে বলে জানান সাব্বির নেওয়াজ।</div>
<div dir="auto">নগর প্রদক্ষিণ শেষে সার্কিট হাউসের আঙ্গিনায় তৈরি অস্থায়ী মঞ্চের সামনে জড়ো হন সাংস্কৃতিক নেতৃবৃন্দ সহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা। সেখানে বৈশাখী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলে দুপুর পর্যন্ত। হয়তো আরো চলতো কিন্তু আচমকা বৈশাখী বৃষ্টি এসে সবাইকে বৈশাখী ভালোবাসায় ভিজিয়ে দিয়ে যায়। ফলে সার্কিট হাউস কেন্দ্রীক বৈশাখী উৎসবের সমাপ্তি ঘটে। বিকালে বেলস পার্কে বৈশাখী মেলা এবং শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে পৃথক পৃথক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন ছিলো বিভিন্ন সংগঠনের।</div>
<div dir="auto"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/04/inbound3201315491205223550.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignright size-medium wp-image-5687" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/04/inbound3201315491205223550-300x200.jpg" alt="" width="300" height="200" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/04/inbound3201315491205223550-300x200.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/04/inbound3201315491205223550-768x512.jpg 768w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/04/inbound3201315491205223550-1024x683.jpg 1024w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/04/inbound3201315491205223550.jpg 1599w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>বরিশালের জেলা প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন বলেন, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী আনন্দ শোভাযাত্রার আয়োজন করেছে বরিশাল জেলা প্রশাসন। আমরা চেয়েছি দলমত নির্বিশেষে সকল শ্রেনী পেশার মানুষের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে। এজন্য প্রয়োজনীয় প্রচারণাও চালানো হয়েছে। লোকজ উপকরণ সংগ্রহ করতে আমাদের অনেক কষ্ট করতে হয়েছে। পরিশেষে এই আনন্দ শোভাযাত্রায় বরিশালবাসী আনন্দ পেয়েছেন এটাই আমাদের সার্থকতা বলে জানান জেলা প্রশাসক।</div>
<div dir="auto">এ বিষয়ে বিভাগীয় কমিশনার রায়হান কাওছার বলেন, বৈশাখী শোভাযাত্রা বা উৎসব কখনোই হাজারো বছরের বাঙ্গালী সংস্কৃতি নয়। এটি সম্রাট আকবরের সময়ে (১৬০০ সালে) হালখাতা উৎসব থেকে তৈরি। আর ১৯৮৯ সালে প্রথম আনন্দ শোভাযাত্রা নামে এই শোভাযাত্রার সংস্কৃতি চালু হয়। হালখাতা উৎসব নিয়ে সবমিলিয়ে প্রায় পাঁচশত বছরের ঐতিহ্য হতে পারে। এই উৎসব মানুষের মনে আনন্দ সৃষ্টির জন্য তৈরি হয়েছে। তাই আনন্দ শোভাযাত্রা নামকরণ সঠিক বলে জানান তিনি।</div>
<div dir="auto">এদিকে বরিশাল নগরীর হাটখোলার বেশকিছু বড় ব্যবসায়ী ও আড়ৎদার তাদের ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন রকমের মিষ্টি, ঘোলের শরবত দিয়ে আপ্যায়নের ব্যবস্থা করেছেন। তারা তাদের বাঁধাই করা হালখাতার বই খুলে কারো থেকে ৫০০, কারো থেকে হাজার টাকা বাকী আদায় করে তা নতুন খাতায় লিপিবদ্ধ করছেন। আবার কারো নাম একদম কেটে দিচ্ছেন। জয় ভাণ্ডার ও বিসমিল্লাহ বাণিজ্যালয়ের ব্যবসায়ী জানালেন, এই হালখাতা উৎসবই বাঙালী সংস্কৃতির অংশ এখন। বাৎসরিক হিসাব নিকাষ চূড়ান্ত করে আগামী বছরের জন্য নতুন খাতা খোলা হয় এই বৈশাখে। পুরো মাস জুড়ে চলে আমাদের এই কার্যক্রম। আগে মিষ্টি ছাড়াও সন্দেশ, দানাদার, বাতাসা ইত্যাদি মিষ্টান্ন রাখা হতো। কারণ এলাকার ছোট ছোট কিশোর তরুণরা এসে ভিড় করতো। এখন আর তা হয়না বলে জানান বিসমিল্লাহ বাণিজ্যালয়ের আলমগীর হোসেন।</div>
<div dir="auto">এদিকে  বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার হলতা বাজার এবং বাহেরচর বাজারের অনেক ব্যবসায়ী এসেছেন হাটখোলার এই হালখাতা উৎসবে অংশ নিতে। তারা জানালেন, তাদের গ্রামের বাজারগুলোতেও একইভাবে হালখাতা উৎসব হচ্ছে। তবে তাদের কেউ কেউ শুধু জিলাপি দিয়ে গ্রাহকদের আপ্যায়ন করছেন। দানাদার, বাতাসা এখন আর পাওয়া যায় না বলে জানান তারা।</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%86%e0%a6%a8%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6-%e0%a6%b6%e0%a7%8b%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a7%9f-%e0%a6%86%e0%a6%a8%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a6%bf/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>অনলাইনে আবেদন করে মেসেজের অপেক্ষা করুন</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%86%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%a6%e0%a6%a8-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%9c%e0%a7%87/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%86%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%a6%e0%a6%a8-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%9c%e0%a7%87/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 06 Mar 2025 22:40:27 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[বরিশাল বিভাগ]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলার চিঠি]]></category>
		<category><![CDATA[জমিজমা]]></category>
		<category><![CDATA[ভূমি]]></category>
		<category><![CDATA[সরকারি কর্মকর্তা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://shahittabazar.com/?p=5678</guid>

					<description><![CDATA[ জমি নিয়ে ভয়ভীতি পুরোটাই দালালদের কারসাজি: স্কুল কলেজের পাঠ্যবইয়ে ভূমি সংক্রান্ত পাঠদান জরুরী  (অনলাইনে আবেদন করে মেসেজের অপেক্ষা করুন) বিশেষ প্রতিবেদক প্রশাসনের কর্মকর্তারা যখন বলছেন, জমিজমা নিয়ে ভয়ের কিছু নেই।<span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%86%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%a6%e0%a6%a8-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%9c%e0%a7%87/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div id="m#msg-a:r5884687802765667429" class="mail-message expanded">
<div class="mail-message-header spacer"> <strong>জমি নিয়ে ভয়ভীতি পুরোটাই দালালদের কারসাজি: স্কুল কলেজের পাঠ্যবইয়ে ভূমি সংক্রান্ত পাঠদান জরুরী </strong></div>
<div id="m#msg-a:r5884687802765667429-content" class="mail-message-content collapsible zoom-normal mail-show-images ">
<div class="clear">
<div dir="auto">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto"><strong>(অনলাইনে আবেদন করে মেসেজের অপেক্ষা করুন)</strong></div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">বিশেষ প্রতিবেদক</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">প্রশাসনের কর্মকর্তারা যখন বলছেন, জমিজমা নিয়ে ভয়ের কিছু নেই। আপনার কাগজপত্র সঠিক হলে আপনি অনলাইনে আবেদন করার পর মেসেজের জন্য অপেক্ষা করুন। আপনার ফোনে আসা মেসেজ বলে দেবে এরপর আপনার করনীয় কি।  অন্যদিকে একশ্রেণীর ভুমি সহযোগী বা সহকারী ও কম্পিউটার দোকানের ব্যবসায়ী বলছেন, খবরদার নিজে না বুঝলে কিছু করবেন না, তহসিলদার বা সার্ভেয়ার কারো একজনের সাথে পরামর্শ করে তবেই কাজ করবেন। আর এই দুই ধরনের বক্তব্য নিয়ে সাধারণ মানুষ পরছেন মহাবিপাকে। ভূমি সংক্রান্ত যেকোনো বিষয় ২০২৩ সাল থেকে অনলাইনে আপডেট হচ্ছে। যে কারণে বেশিরভাগ মানুষ কম্পিউটার দোকানের এই অনলাইন আবেদনের জন্য ভিড় করেন। নামজারি, ভূমি কর, সংশোধন ইত্যাদি কাজের জন্য নির্দিষ্ট কিছু কম্পিউটার দোকানের এসব অনলাইন আবেদন করা হয়। আর এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে অনলাইন কম্পিউটার দোকান বা আদালত পাড়ায় ওঁৎ পেতে থাকা একশ্রেণির ভূমি সংক্রান্ত দালাল, দলিল লেখক বা অফিস সহকারী  এভাবেই বিভিন্ন ভয়ভিতি দেখিয়ে সাধারণ মানুষকে বোকা বানিয়ে ধোঁকার ওপর রাখছে। আর এভাবেই টিকিয়ে রেখেছে তাদের এবং অসাধু কিছু সরকারি কর্মকর্তার বাড়তি উপার্জনের পারিবারিক বাণিজ্য। এদের কারণেই ভূমি মানেই ভয়ংকর বিষয় এবং ঘাটলেই বিপদ বলে একরকম প্রচারণা চালানো হচ্ছে গ্রামের সাধারণ মানুষের মধ্যে। আর এই প্রচারণা চালানোর প্রধান দায়িত্ব পালন করেন দলিল লেখক ও সরকারি সার্ভেয়ার ও কোথাও কোথাও অনলাইন কম্পিউটার দোকানের মালিক।</div>
<div dir="auto">অন্যদিকে সচেতন নাগরিক সমাজের বেশিরভাগ অংশ মনে করেন, পাঠ্যবইয়ে স্কুল জীবন থেকেই ভূমি বা জমিজমা সংক্রান্ত মৌলিক জ্ঞান থাকা উচিত। বরিশালের ষাটোর্ধ্ব সিটিজেন ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন ও বরিশাল সাহিত্য সংসদ এর সহসভাপতি কাজী মিজানুর রহমান বলেন, আমাদের সময় পাঠ্যবইয়ে কড়ায়-গণ্ডা, শতাংশ ইত্যাদি পাঠের ব্যাপার ছিলো, এখন কি অবস্থা জানিনা, তবে জমিজমা সংক্রান্ত মাপঝোঁক, হিসাব বুঝতে ছোটবেলা থেকেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠদান জরুরী বলে জানান তিনি।</div>
<div dir="auto">এ বিষয়ে সহমত বরিশালের  সরকারি কর্মকর্তারাও। উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূম,  কানুনগো, তহশিলদারসহ প্রায় সকলেই মনে করেন পাঠ্যবইয়ে জমিজমা সংক্রান্ত বিষয়ের পাঠদান জরুরী। সাধারণ মানুষের ভূমি সংক্রান্ত মৌলিক জ্ঞান থাকা উচিত।</div>
<div dir="auto">এদিকে অনলাইনে আবেদনের পর করনীয় সম্পর্কে বেশ কয়েকজন কম্পিউটার দোকানের ব্যবসায়ী বা আবেদন সহযোগী, উপজেলা ভূমি অফিসের কাুনগো সহ একাধিক ভূমি কর্মকর্তা জানালেন, আপনার কাগজপত্রে কোনো জটিলতা না থাকলে অনলাইন আবেদনের দু একদিনের মধ্যেই আপনার কাছে প্রথম মেসেজ আসবে ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে। এরপর একসপ্তাহ বা দুই সপ্তাহের মধ্যে  আপনার ফোনে শুনানি নোটিশ চলে আসবে। এটি কখনো কখনো দুই সপ্তাহ হতে পারে এর বেশি নয়। এই নোটিশ একইসাথে ইউনিয়ন ও উপজেলা ছাড়াও কেন্দ্রীয় ভূমি অফিসের সার্ভারে যুক্ত থাকে। সেখানে উর্ধতন কর্তৃপক্ষ বিষয়টি চাইলেই দেখতে পাচ্ছেন। তাই জটিলতা থাকলে তহসিলদার কিম্বা সার্ভেয়ার নিজেই ফোন করে আবেদনকারীর সাথে যোগাযোগ করবে এবং সমস্যা সমাধানের জন্য কাজ করবেন বলে জানালেন ভূমি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। তাদের সাথে কথা বলে আরো জানা যায়, শুনানি সরাসরি উপজেলার সহকারী কমিশনার ভূমি নিজেই পরিচালনা করেন। তার এক্তিয়ার বহির্ভূত হলে, সেটি তিনি জেলা প্রশাসক বরাবরে নোটিশ করেন এবং সেখানেও গ্রাহক নোটিশ পাবেন বলে জানালেন বরিশাল সদর উপজেলার কানুগো রুহুল আমিন। কানুনগো রুহুল আমিন আরো বলেন, অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়ায় একটি সমস্যা হচ্ছে যারা কম্পিউটার জানেনা বা ইন্টারনেট সুবিধা যাদের নেই, তারা বাধ্য হয়ে কম্পিউটার দোকানের মালিক বা কর্মচারীর সাহায্য নিয়ে আবেদন করেন। আর ঐ মালিক বা কর্মচারী আবেদনকারীকে দালাল ধরিয়ে দিয়ে বিপাকে ফেলার অভিযোগ আমাদের কাছে অহরহ আসছে। তিনি পরিষ্কার বলেন, অনলাইনে আবেদন করতে অবশ্যই আপনার ফোন নম্বর ব্যবহার করুন। ফোনে আসা মেসেজ অনুসরণ করুন। আপনাকে কি করতে হবে তা মেসেজে পরিষ্কার বলা হয়েছে। এ বিষয়ে পাঠ্যবইয়ে পাঠ দান জরুরী বলে মনে করেন রুহুল আমিন নিজেও।</div>
<div dir="auto">সরজমিন এরকম অনলাইন আবেদন শেষে শুনানির কাজ সরাসরি প্রত্যক্ষ করার সুযোগ হলো বরিশাল সদর উপজেলা ভূমি অফিস ও ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলা ভূমি অফিসে।</div>
<div dir="auto">নলছিটি উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা নুসরাত জাহান বেলা দুটো থেকে চারটার মধ্যে পাঁচ-ছয়টি ভূমি সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনের পর রায় চূড়ান্ত করে দিলেন। এ জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট এলাকা বা ইউনিয়নের তহসিলদারকে ডেকে এনে ভুল শুধরে নিতে বাধ্য করছেন। তার রায় পেয়ে হাসি ফুটেছে বয়োবৃদ্ধ দুজন মানুষের মুখে। আবার তরুণ এক যুবকের আবেদনের শুনানী আটকে যাওয়ায় তার মধ্যে ক্ষোভ। ডেকে পাঠানো হয়েছে তার এলাকার তহশিলদারকেও। সরেজমিনে ৩ মার্চ দুপুরের পর ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলা ভূমি অফিসে বসে চোখে পড়ে ভূমি কর্মকর্তা নুসরাত জাহান এর এই কর্ম ব্যস্ততা। অসাধারণ মেধা ও দক্ষতার পরিচয় তার কাজে স্পষ্ট হলো। জমির বণ্টন অসংগতি, তহসিলদার ও সার্ভেয়ারের অসমাপ্ত নোট ইত্যাদি অসংগতি দূর করতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে তাৎক্ষণিক হাজির হয়ে শুধরে নিতে হয়েছে তার ভুল। নলছিটি ভূমি অফিসে আগত বেশিরভাগ মানুষ জমির আবেদন করেছেন অনলাইনে। সহকারী কমিশনার ভূমি নুসরাত জাহান জানালেন, অনলাইনে আবেদন করার পর দলিলপত্রে সমস্যা না থাকলে তার সমাধান পাওয়া যায় সর্বোচ্চ পনের দিনের মধ্যে। এজন্য সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র নিয়ে হাজির থাকতে হবে৷ কাউকে কোনো বখশিশ বা যাতায়াত খরচ দেওয়ার নিয়ম নেই। প্রয়োজনও নেই। আপনি আপনার ফোনের মেসেজ পড়ুন বা কাউকে দিয়ে পড়িয়ে নিন। মেসেজ অনুসারে কাজ করলেই কোনো ভোগান্তি নেই বলে জানান তিনি।</div>
<div dir="auto">৫ মার্চ বুধবার বরিশাল সদর উপজেলা ভূমি অফিসের কর্মকর্তা আজহারুল ইসলামও প্রায় একই কথা বললেন। এখানে শুনানির জন্য অপেক্ষারত জমি মালিকদের বেশিরভাগই এসেছেন নামজারি ও ভুল সংশোধন সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে। তাদের কয়েকজন কম্পিউটার দোকান থেকে ভূমি সংক্রান্ত দালালদের খপ্পরে পরার কথা স্বীকার করে বলেন, সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার ভূমি আজহারুল ইসলাম দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে এখানে দালালদের উৎপাত নেই বললেই চলে। সমস্যার কথা তাকে জানানোর পর তিনি নিজেই তার লোক দিয়ে অনলাইনের ভুলগুলো ঠিক করে দিয়েছেন।</div>
<div dir="auto">তবে বরিশালে ইতিপূর্বে সার্ভেয়ার ও তহসিলদারদের হাতে একাধিক হয়রানির অভিযোগ সংবাদ হয়েছে।</div>
<div dir="auto">বরিশালে সদর উপজেলা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার দেলোয়ার, নলছিটিতে সার্ভেয়ার বজলুর রশিদ এবং আগৈলঝারা উপজেলা ভূমি অফিসের দুজন কর্মকর্তার সার্ভেয়ার মাসুদ ও পেশকার নুরুজ্জামান এর বিরুদ্ধে এখানেও বিস্তর অভিযোগ পাওয়া গেল। তারা রীতিমতো সংবাদ শিরোনাম হয়েও এখনো বহাল আছেন দেখে বিস্ময় প্রকাশ করেন অনেকেই। জেলা ভূমি অফিসকে ঘীরে বরিশাল, বাকেরগঞ্জ, পটুয়াখালী ও ঝালকাঠির বেশ কয়েকজন দলিল লেখক সংঘবদ্ধ হয়ে কম্পিউটার দোকানগুলোর সাথে চুক্তি করে নিয়েছে বলে জানা গেছে। কম্পিউটার দোকানের ব্যবসায়ী প্রাথমিক  আলাপচারিতা শেষে মক্কেল গছিয়ে দেয় দলিল লেখকদের। কখনো কখনো নিজেই দালালী শুরু করেন। অনলাইন সিস্টেমের কোনো এক ফাঁকফোকর সৃষ্টি করে সংশ্লিষ্ট তহশিলদার বা  সার্ভেয়ারের সাথে যোগসূত্র তৈরি করে নিয়েছেন তারা। মেসেজ আসার আগেই তাই কম্পিউটার দোকানের ব্যবসায়ী গ্রাহকদের পাঠিয়ে দেন ইউনিয়ন ভূমি অফিসে। যা অনলাইনে আবেদন করার পর মোটেও অনুচিত বলে মনে করেন বরিশাল সদর উপজেলার কানুনগো রুহুল আমিন। তিনি বলেন, ইউনিয়ন অফিসে আপনার আবেদন যাওয়ামাত্রই আপনার ফোনে মেসেজ চলে আসবে। কাগজপত্র কোনোরকম জটিলতা থাকলে ঐ মেসেজ অনুসরণ করে আপনি ইউনিয়ন অফিসে যেতে পারেন। জটিলতা না থাকলে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। তহশিলদার তখন বিষয়টি ওকে করে এ্যাসিল্যান্ডকে নোট দেবেন। সে অনুযায়ী শুনানির দিন তারিখ আপনার ফোনে মেসেজ চলে আসবে বলে জানান তিনি।</div>
<div dir="auto">কিন্তু নলছিটি ভূমি অফিস সহযোগীদের একজন বললেন, এসেই সার্ভেয়ারকে দিয়ে সব ঠিক আছে কিনা তা যাচাই করে নিতে হবে। সার্ভেয়ার যাচাই করে সই করে তা অনলাইনে নোট দেবেন তাহলেই শুনানির জন্য প্রস্তুত হবে। তবে এ কাজটি শুনানি ধার্য হবার আগেই করার কথা বলে জানান একাধিক জমি মালিক বা আবেদনকারী।</div>
<div dir="auto">বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাইলে বরিশাল সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার ভূমি আজহারুল ইসলাম বললেন, আমার এখানে বেশিরভাগ মানুষ এসেছেন অনলাইনে আবেদন করে। আজ শুনানির দিন এই যে ২২-২৫ জন বসে আছেন এখানে। তাদের ফাইল প্রস্তুত করে দিয়েছেন কানুনগো।  এখানে নামজারীতে সার্ভেয়ারদের কোন ভূমিকা নাই। আর আমার অফিসের কানুনগো রুহুল আমিন খুবই সৎ একজন মানুষ।</div>
<div dir="auto">তিনি আরও বলেন, সদর উপজেলার তহশিলদারদেরও স্পষ্ট নির্দেশনা দেয়া আছে জনগণকে হয়রানি না করতে। এরপরেও কোন সুনির্দিষ্ট অভিযোগ কেউ জানালে অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া হবে।</div>
<div dir="auto">তিনি বলেন, শুনানিতে আসা আবেদনকারীদের আমি জিজ্ঞেস করি কেউ কোন টাকা নিয়েছে কিনা। তারা তখন অভিযোগ করে না। হয় অভিযোগ নেই, বা কোনো স্বার্থ সংশ্লিষ্ট কারণে অভিযোগ নেই হতে পারে। তবে সেবাপ্রার্থীদেরও সচেতনতা জরুরী বলে জানান বরিশালের ভূমি কর্মকর্তা।</div>
<div dir="auto">এ বিষয়ে বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার সাবেক সহকারী কমিশনার ভূমি এবং বর্তমান সিনিয়র সহকারী বিভাগীয় কমিশনার চট্টগ্রাম সুব্রত বিশ্বাস বলেন, ভূমি সংক্রান্ত মৌলিক জ্ঞান থাকা খুবই জরুরী। আমার অভিজ্ঞতায় দেখেছি বরিশাল অঞ্চলের বেশিরভাগ মানুষের এই জ্ঞানটুকু নেই। তারা জমির ভিতর দিয়ে তৈরি রাস্তা বাদ দিয়ে নিজের জমি বুঝে নিতে চান। এজন্য প্রতিটি ইউনিয়ন ভুমি অফিসে গ্রামবাসীকে নিয়ে কর্মশালার আয়োজন প্রস্তাব করেছিলাম। পাঠ্যবইয়ে এখন ভূমি সংক্রান্ত পাঠদান জরুরী বলে জানান সুব্রত বিশ্বাস।</div>
<div dir="auto">তিনি বলেন, নতুন অনলাইন সিস্টেমে একটা জমির যখন দলিল হয় তখন সংশ্লিষ্ট তথ্য এসিল্যান্ড কার্যালয় থেকেই জেনে নিতে পারেন  সাব-রেজিস্ট্রার। পরে এ তথ্যের ভিত্তিতেই দলিলটি হবে। কাজেই এ কাজে আট বা দশ দিনের বেশি সময় লাগার কথা নয়। আমাদের দেশের ভূমি দলিলের কাজটি হয় আইন মন্ত্রণালয়ের অধীন সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের মাধ্যমে। আর নামজারির কাজটি হয় ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীন সহকারী কমিশনারের (ভূমি) কার্যালয়ের মাধ্যমে। এ কাজে একটি সফটওয়্যারের মাধ্যমে দুই দপ্তরের মধ্যে আন্তঃসংযোগ তৈরি করা হয়েছে। এর মাধ্যমে গত দু বছর ধরে দলিলপত্র দাখিল, নামজারিসহ যাবতীয় লিপিবদ্ধ ও সংরক্ষণ হচ্ছে। যে কারণে নতুন দলিল দাখিল হলেই ভূমি অফিস থেকে যাবতীয় তথ্য জেনে নেবেন সাব-রেজিস্ট্রার। আবার দলিলের পর সেটি এসিল্যান্ডকে জানিয়ে দেওয়া হবে। এরপর সর্বোচ্চ আট বা দশ দিনের মধ্যে নামজারি হবে। স্বয়ংক্রিয়ভাবেই এ কাজ হবে। এসিল্যান্ডও এটি ফেলে রাখতে পারবেন না। তাই ভূমি সংক্রান্ত কিছু মৌলিক জ্ঞান সকলেরই জেনে রাখা জরুরি।  তাহলে আর কেউ প্রতারণা বা ভুল যুক্তি দিয়ে অতিরিক্ত টাকা আদায় করতে পারবে না বলে জানান সুব্রত বিশ্বাস।</div>
</div>
</div>
</div>
<div class="mail-message-footer spacer collapsible"></div>
</div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%86%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%a6%e0%a6%a8-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%9c%e0%a7%87/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>সমাজসেবক সাজ্জাদ পারভেজ এর অবদান: ফুল বিক্রেতা শিশুকন্যারা এখন নিয়মিত স্কুলে যায়</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%ac%e0%a6%95-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%a6-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%ad%e0%a7%87%e0%a6%9c/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%ac%e0%a6%95-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%a6-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%ad%e0%a7%87%e0%a6%9c/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 25 Feb 2025 15:38:42 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[কথামালা]]></category>
		<category><![CDATA[তারুন্যকথা]]></category>
		<category><![CDATA[বরিশাল বিভাগ]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলার চিঠি]]></category>
		<category><![CDATA[টোকাই]]></category>
		<category><![CDATA[শিক্ষা]]></category>
		<category><![CDATA[শিশু]]></category>
		<category><![CDATA[স্কুল]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://shahittabazar.com/?p=5669</guid>

					<description><![CDATA[<p>সমাজসেবক সাজ্জাদ পারভেজ এর অবদান: ফুল বিক্রেতা শিশুকন্যা আমেনা ও মোহাইমিনা নিয়মিত স্কুলে যায়</p> <p>বিশেষ প্রতিবেদক</p> <p>নতুন জুতা পায়ে দিয়ে আনন্দে নাচতে নাচতে প্রতিদিন সকালে এখন নিয়মিত স্কুলে যায় আমেনা</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%ac%e0%a6%95-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%a6-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%ad%e0%a7%87%e0%a6%9c/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>সমাজসেবক সাজ্জাদ পারভেজ এর অবদান: ফুল বিক্রেতা শিশুকন্যা আমেনা ও মোহাইমিনা নিয়মিত স্কুলে যায়</strong></p>
<p><strong>বিশেষ প্রতিবেদক</strong></p>
<p><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/02/inbound6980038635815614370.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-5670" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/02/inbound6980038635815614370-225x300.jpg" alt="" width="225" height="300" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/02/inbound6980038635815614370-225x300.jpg 225w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/02/inbound6980038635815614370.jpg 720w" sizes="auto, (max-width: 225px) 100vw, 225px" /></a>নতুন জুতা পায়ে দিয়ে আনন্দে নাচতে নাচতে প্রতিদিন সকালে এখন নিয়মিত স্কুলে যায় আমেনা ও ময়মুনা। আগে পড়াশোনা তারপর কাজ। এ নিয়মের অনুসরণ করে স্কুল শেষে পোশাক বদলে তবেই আবার নেমে পরে ফুল বিক্রির কাজে। তবে এতে করে ওদের পায়ের জুতো নষ্ট হয়ে যাওয়ায় ২৫ ফেব্রুয়ারী মঙ্গলবার জেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা সাজ্জাদ পারভেজ তার ৮৪ ব্যাচের বন্ধুদের সহযোগিতায় দুই বোন আমেনা ও মোহাইমিনার জন্য নতুন জুতা কিনে দিয়েছেন। এর আগে তাদের পোশাক ও পড়াশুনার ব্যবস্থাও করেছিলেন তিনি।<br />
জানা যায়, এক বছর আগেও আট ও দশ বছর বয়সের দুই শিশুকন্যা আমেনা ও মোহাইমিনার উপার্জন দিয়েই চলেছে মা নুরুন্নাহর বেগমের সংসার। আর শিশু কন্যারা সড়কে, দোকানে, পার্কে ফুল বিক্রি করে এই সংসার চালানোর কাজটি করতো। জীবীকার তাগিদে ফুল বিক্রি করতে নেমে দুই বোনের পড়াশোনাও বন্ধ হয়ে যায়। জীবীকার প্রয়োজনে ওরা ঝড়-বৃষ্টি, গরম কিম্বা শীত উপেক্ষা করে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ লোক সমাগম স্থান মুক্তিযোদ্ধা পার্ক ও ঐতিহ্যবাহী বেলস্ পার্ক সহ বাস টার্মিনাল ও সড়কে ঘুরে ঘুরে সকাল-সন্ধ্যা ফুল বিক্রি করে যা উপার্জন করতো, তার সবটাই তুলে দিত মায়ের হাতে। এতে করে পড়াশুনার প্রতি প্রচণ্ড আগ্রহ থাকার পরও পড়ার সুযোগ হতো না ওদের। এভাবেই একদিন ২০২৪ সালের শুরুর দিকে হঠাৎ করেই আমেনা ও মোহাইমিনার দেখা হয় সাজ্জাদ পারভেজ এর সাথে। প্রচণ্ড শীতের মধ্যে গরম কাপড়ের অভাবে কাঁপতে থাকা শিশু দুটিকে দেখতে পান সমাজসেবা কর্মকর্তা ও একজন মানবিক মানুষ সাজ্জাদ পারভেজ। তার সামনেই শীতে কাঁপতে কাঁপতে ফুল বিক্রির চেষ্টা করছিলো ঐ দুই শিশুকন্যা। বিবেকের তাড়নায় শিশু দুটিকে কাছে ডেকে ওদের সম্পর্কে জানতে চান তিনি। প্রাথমিকভাবে জানতে পারেন, শিশু দুটির বাড়ি নগরীর কীর্তনখোলা নদী তীরবর্তী রসূলপুর বস্তিতে। ছয়জনের পরিবারের তাদের বাবা পঙ্গুপ্রায় অক্ষম মানুষ। তেমন একটা কাজ কর্ম করতে পারে না। বড় ভাইও দায়িত্বহীন হয়ে মা-বাবা ভাইবোন ত্যাগ করে অন্যত্র বসবাস করে। এরপরে আমেনা ও মোহাইমিনা দুই বোন। যারা সংসারের হাল ধরতে গিয়ে ফুল বিক্রি করছে। তাদের পর ৬-৭ মাস বয়সী আরও এক ছোটভাই রয়েছে বলে জানতে পারেন সাজ্জাদ পারভেজ।<br />
<a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/02/inbound7672212524065943310.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignright size-medium wp-image-5671" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/02/inbound7672212524065943310-245x300.jpg" alt="" width="245" height="300" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/02/inbound7672212524065943310-245x300.jpg 245w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2025/02/inbound7672212524065943310.jpg 558w" sizes="auto, (max-width: 245px) 100vw, 245px" /></a>বরিশাল জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সাজ্জাদ পারভেজ বলেন, ছোট ছোট মেয়ে দুটি শিক্ষার আলো পাবে এটাই আমার প্রত্যাশা। সেই প্রত্যাশা থেকেই ওদের পাশে দাঁড়াতে পেরেছি, এটাই বড় প্রাপ্তি আমার। ওরা যতদিন পড়তে চাইবে আমি ওদের পড়াশুনার জন্য যা যা দরকার তা করার চেষ্টা করে যাবো।<br />
তিনি আরো বলেন, আমাদের আশপাশে এরকম সুবিধাবঞ্চিত অনেক আমেনা ও মোহাইমিনা রয়েছে। আবার সমাজে বিত্তবান মানুষও কম নেই। তাই আমাদের ৮৪ ইভেন্ট এর বন্ধুরা মিলে এ জাতীয় সেবামূলক কাজ করে যাচ্ছি। সমাজের অন্যরাও যদি এগিয়ে আসেন তাহলে অসংখ্য আমেনা ও মোহাইমিনার জীবন সুন্দর হয়ে উঠবে বলে জানান সাজ্জাদ পারভেজ ।<br />
শুধু আমেনা ও মোহাইমিনা নয় ইতিপূর্বেও ছিন্নমূল শিশু, অসহায় বৃদ্ধা, প্রতিবন্ধী এবং অসুস্থ স্বজনহীন মানুষের পাশে দাঁড়ানোর অসংখ্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন বরিশালের এই সমাজসেবা কর্মকর্তা। এমনকি জেলার কোনো সাংবাদিক বা পত্রিকা সংশ্লিষ্ট কর্মী, হকারদের অসহায় অবস্থা বা কষ্টের কথা তার কানে যাওয়া মাত্রই তিনি ছুটে গেছেন ঐ সাংবাদিক বা হকারের ঘরে। যতটুকু পেরেছেন নিজের ও প্রশাসনের সহযোগিতা পৌঁছে দিয়েছেন অসহায় মানুষটির কাছে। যে কারণে বরিশালের মানুষের কাছে সমাজসেবা কর্মকর্তা সাজ্জাদ পারভেজ এখন একজন মানবিক মানুষের নাম। সমাজসেবা দপ্তর থেকে নয়, নিজেই সমাজসেবক পরিচয়ে সমাজ সেবা দপ্তরকে আলোকিত করেছেন সাজ্জাদ পারভেজ। সরকারি দায়িত্বের পাশাপাশি জেলার বিভিন্ন হতদরিদ্র, প্রতিবন্ধী, বৃদ্ধ-বৃদ্ধা, গরীর মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীর পাশে সহযোগিতার হাত বাড়ানো প্রতিদিনের রুটিনের একটা অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে সাজ্জাদ পারভেজের। যে কারণে স্কুল জীবনের বন্ধুদের নিয়ে গড়ে তুলেছেন ৮৪ ইভেন্ট নামের পৃথক সংগঠন। যতদূর জানা গেছে, সাজ্জাদ পারভেজ ১৯৯৭ সালে বরিশাল সদর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন। তখন থেকেই তার এসএসসির ৮৪ ব্যাচের বন্ধুদের নিয়ে ৮৪ ইভেন্ট নামের গ্রুপের মাধ্যমে অসহায় মানুষদের সহায়তার কাজ করে যাচ্ছেন। এই গ্রুপের মাধ্যমে অবহেলিত মানুষ দেখলেই এগিয়ে যান তিনি। তার এসব ভালো কাজ দিয়ে তিনি তিনবার অর্জন করেছেন জাতীয় শ্রেষ্ঠ প্রমোশন পদক। এছাড়াও ২০২০ সালে পেয়েছেন শুদ্ধাচার পুরস্কার। কয়েক ধাপে পদন্নোতি পেয়ে ২০২৪ সালে জেলা সমাজসেবা সহকারি পরিচালক হিসেবে পদন্নোতি পেয়ে বরিশাল অফিসে যোগদান করেন সাজ্জাদ পারভেজ। বরিশালের কাউনিয়ায় অবস্থিত একমাত্র বৃদ্ধাশ্রমটির প্রতিও তার রয়েছে সজাগ দৃষ্টি। যে কারণে বৃদ্ধাশ্রমের প্রায় ৮০ জন বয়োবৃদ্ধের কাছেও সাজ্জাদ পারভেজ শ্রদ্ধার নাম।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%ac%e0%a6%95-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%a6-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%ad%e0%a7%87%e0%a6%9c/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>শেবাচিমে যোগ্য পরিচালক নিয়োগের দাবী সুশীল সমাজের</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a6%bf%e0%a6%ae%e0%a7%87-%e0%a6%af%e0%a7%8b%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%95-%e0%a6%a8/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a6%bf%e0%a6%ae%e0%a7%87-%e0%a6%af%e0%a7%8b%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%95-%e0%a6%a8/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 12 Jul 2024 13:56:11 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[বরিশাল বিভাগ]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলার চিঠি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://shahittabazar.com/?p=5325</guid>

					<description><![CDATA[<p>বিশৃঙ্খল শেবাচিমে ১০টি লিফটের ৯ টি অকেজো: যোগ্য পরিচালক নিয়োগের দাবী সুশীল সমাজের</p> <p>, বিশেষ প্রতিবেদক</p> <p>বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (শেবাচিম) এর পুরাতন ও নতুন মেডিসিন ভবনসহ</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a6%bf%e0%a6%ae%e0%a7%87-%e0%a6%af%e0%a7%8b%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%95-%e0%a6%a8/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>বিশৃঙ্খল শেবাচিমে ১০টি লিফটের ৯ টি অকেজো: যোগ্য পরিচালক নিয়োগের দাবী সুশীল সমাজের</strong></p>
<p>, <strong>বিশেষ প্রতিবেদক</strong></p>
<p><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/07/IMG-20240710-WA00191.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-5326" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/07/IMG-20240710-WA00191-300x225.jpg" alt="" width="300" height="225" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/07/IMG-20240710-WA00191-300x225.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/07/IMG-20240710-WA00191-768x576.jpg 768w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/07/IMG-20240710-WA00191-1024x768.jpg 1024w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/07/IMG-20240710-WA00191.jpg 1600w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (শেবাচিম) এর পুরাতন ও নতুন মেডিসিন ভবনসহ মোট ১০ টি লিফটের ৯টিই এই মুহূর্তে অকেজো হয়ে আছে। একটি মেরামতের কাজ চলমান রয়েছে। তবে তা কবে চালু হবে ঠিক নেই বলে জানান মেরামতকারী। এদিকে গত কয়েকদিনের ঘটনা ও সেবার মান নিয়ে সংশয় প্রকাশ করে এই হাসপাতালের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে পরিচালনায় সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়ার প্রস্তাব করেছেন বরিশালের সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ।</p>
<p>সরেজমিনে ১১ জুলাই বৃহস্পতিবার সকালে বরিশালের ঐতিহ্যবাহী এই হাসপাতাল ঘুরে দেখা গেছে ইমার্জেন্সি ওয়ার্ড পার হয়ে ১১১ নং কক্ষসহ অর্থোপেডিক্স বিভাগের সামনে অসংখ্য রোগীর ভিড়। এখানে কোনো বসার ব্যবস্থা না থাকায় হাটু, কোমড় ব্যাথা, হাত-পা ভাঙা নিয়ে আসা রোগীদের দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়েই ডাক্তারের ডাকের অপেক্ষা করতে হচ্ছে। ডাক্তার সহকারী সাইফুল জানালেন সকাল ৭ টা থেকে এই লাইন শুরু হয়। ডাক্তার আসেন নয়টা থেকে সাড়ে নয়টার মধ্যে। দুপুর বারোটা পর্যন্ত প্রায় শ&#8217;দুয়েক রোগীকে ব্যবস্থাপত্র দেয়া হয়েছে। বেলা দুটো পর্যন্ত প্রতিদিন গড়ে ৩০০ রোগীর চিকিৎসা হয় এখানের এই একটি কক্ষে। পাশেই আরেকটি কক্ষে অর্থোপেডিক্স ডাক্তার বসেন। সেখানেও একইচিত্র। এখানে পাশেই উপরে পাঁচতলায় ওঠানামার জন্য দুটো লিফট রয়েছে। তবে দুটো লিফটের একটি অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য বন্ধ পরে আছে দীর্ঘদিন। অন্যটিতে মেরামত কাজ চলতে দেখা গেছে। তবে প্রতিদিনই এই লিফট মেরামত করতে হয় দাবী করে মেরামতকারী লিফট ব্যবহারে আসা রোগীদের বলছেন, মাঝখানের লিফটে যান, এ লিফটটি আগামী দু-তিন দিনে ঠিক হবে না। হাসপাতালের চার-পাঁচ তলায় বিভিন্ন বিভাগ রয়েছে। যেখানে রোগীদের আবাসিক সুবিধা দিয়ে চিকিৎসা দেয়া হয়। কিন্তু লিফট দুটো বন্ধ থাকায় একটু পর পরই রোগীরা এসে হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছেন। শেবাচিমে প্রবেশের প্রধান বা মাঝখানের প্রবেশপথ সোজা তিনটি লিফট রয়েছে। যার দুটো পাকিস্তান আমলে সেই ১৯৬৮ সালের। একটি নতুন লিফট এখানে চলছে।<br />
বরিশাল তথা দক্ষিনাঞ্চলের চিকিৎসা ব্যবস্থার অন্যতম এই প্রতিষ্ঠানটি ১৯৬৮ সালে চালু হওয়ার পর থেকে ছয় জেলার মানুষের একমাত্র নির্ভরতা হয়ে আছে। এ হাসপাতালের দশ শয্যা বিশিষ্ট আইসিইউর সাথে ২০২০ সালে করোনা বিভাগ এর কার্যক্রম শুরু হয় ১৮টি আইসিউ শয্যা ও ১৫০ টি নতুন বেড নিয়ে। সবমিলিয়ে আইসিইউ এখন ২৮ টি এবং শয্যা সংখ্যা ১১৫০টি থাকার কথা। তবে প্রচণ্ড ভাবে লোকবল সংকট এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক সংকট এই হাসপাতালের তা অনেকবারই স্বীকার করেছেন পরিচালক ডাঃ সাইফুল ইসলাম। এখানের ডাক্তার সংকট এতোটাই যে, রাতে ডাক্তার কক্ষে অবস্থানরত চারজন ইন্টার্নি চিকিৎসক দেখছেন এই ১১৫০ বেড ছাড়াও ফ্লোরিং ও আইসিইউতে অবস্থান করা আরো প্রায় ১০০০ রোগীকে।<br />
২০২১ সালে নতুনভাবে তৈরি করোনা ওয়ার্ডটিকেই বর্ধিত করে সেখানে এখন চারতলা মেডিসিন ভবন করা হয়েছে। সেই ভবনে চারটি লিফট তৈরি হলেও এই মুহূর্তে চালু আছে একটি লিফট। আরো একটি চালু বা আধাআধি চালু রয়েছে তবে তা শুধু ডাক্তার ও ভিআইপিদের ব্যবহারের জন্য। অন্যটিতে দীর্ঘ লাইনে রোগীদের চলাচল। হাসপাতালের বহিরাঙ্গনে খুবই ধীর গতিতে চলছে দেয়াল নির্মাণ কাজ। এখানে নতুন কিছু ভবন ও সৌন্দর্যবর্ধন হবে বলে জানা গেছে। পুরাতন ভবনের নীচতল থেকে উপরতলা পর্যন্ত সংস্কার কাজ করা হয়েছে। তবে তা এখনো ঝুকিপূর্ণ। পলেস্তারা খসে পড়া আতঙ্ক কাজ করে এই ভবনে প্রবেশমাত্র। ঐতিহ্যবাহী এই হাসপাতালের পরিবেশ নিয়ে ইতিপূর্বেই অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন হাসপাতালের নতুন সভাপতি স্থানীয় সংসদ সদস্য পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কর্ণেল অবঃ জাহিদ ফারুক শামীম এবং এর আগে পরিদর্শনে আসা সয়ং স্বাস্থ্য সচিবও। পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক হাসপাতাল ঘুরে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, একটি এলাকার মানুষের সেবা করার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্থান হচ্ছে এই হাসপাতাল। এতোদিন আমি তা পরিনি কেননা আমার সুযোগ ছিলনা। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাকে সেই সুযোগ তৈরি করে দিয়েছেন। তিনি আমাকে এই হাসপাতালসহ সদর উপজেলার দুটি হাসপাতালের সভাপতি বানিয়েছেন। এই হাসপাতাল দুটির সেবার মান এখন থেকে তিন মাসের মধ্যে উন্নতি করা হবে। এসময় জাহিদ ফারুক হাসপাতালের করনীয় ঠিক করতে নাগরিকদের সাথে মতবিনিময়ও করেছেন।<br />
তারপরও বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব, লোকবল সংকট এবং কর্মীদের স্বেচ্ছাচারিতা খুবই স্পষ্ট এখানে। এমনকি বহিরাগত বেসরকারি নার্সিং ইনস্টিটিউটের থেকে টাকা নিয়ে তাদের শিক্ষার্থীদের প্রাকটিস করতে সুযোগ করে দেওয়ারও একাধিক অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে এই হাসপাতালে। এছাড়াও এখানে ভিআইপি কেবিন সহ বেশিরভাগ কেবিন সাবেক সভাপতি বরিশাল এক গৌরনদী আগৈলঝারা আসনের সংসদ সদস্যের নিজস্ব লোকে পরিপূর্ণ রয়েছে বলে জানা গেছে। তাদের সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করতেই বেশি ব্যস্ত থাকেন হাসপাতালের বেশিরভাগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও পরিচালক সাইফুল ইসলাম নিজেও। ইতিপূর্বে একাধিক বিশেষজ্ঞ ডাক্তার এই সাইফুল ইসলাম এর রোষানলের স্বীকার হয়ে অন্যত্র বদলী হয়ে আছেন। সর্বশেষ এখানের জনপ্রিয় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এবং অর্থোপেডিক্স বিভাগের প্রধান ডাঃ মনিরুজ্জামান শাহিনও বদলী হয়ে চলে যান। শত অনুরোধেও বর্তমান প্রশাসনিক ব্যবস্থায় তিনি ফিরে আসতে সম্মত হননি বলে জানা গেছে। যদিও এ বিষয়টি এড়িয়ে ডাঃ মনিরুজ্জামান শাহিন বলেন, ঐতিহ্যবাহী এই হাসপাতালের চিকিৎসা সেবার মান ও পরিবেশে ঐতিহ্যের ঘ্রাণ থাকতে হবে। এখানের পরিবেশ সুন্দর করতে হলে সবার আগে চিকিৎসকদের আন্তরিক হতে হবে। শূণ্যপদগুলো পূরণ এবং দায়িত্ব পালনে সচেতন চিকিৎসক দরকার শেবাচিমে। আর নতুন সভাপতিকে অভিনন্দন জানিয়ে ডাঃ মনিরুজ্জামান বলেন, সার্বক্ষণিক তদারকির বিকল্প নেই। শুধু পরামর্শ আর আনুষাঙ্গিক যন্ত্রপাতি দিলেই হবেনা, এগুলোর সঠিক ব্যবহার হচ্ছে কিনা তা তদারকি খুবই জরুরী শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।</p>
<p><span style="font-weight: 300;">ডাঃ শাহিনের বক্তব্যেই এখানের অনিয়ম চিত্রের অদৃশ্য ঈঙ্গিত রয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, স্থানীয় কিছু ডায়াগনস্টিক সেন্টার মালিকদের সাথে দহরম মহরম থাকায় পরিচালক ডাঃ এইচ এম সাইফুল ইসলাম নিজেও বরিশালে দুটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার পরিচালনা করছেন। যার একটি সিএন্ডবি রোডে নিরূপণ ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও অন্যটি হাসপাতালের সামনে পার্টনারশিপে রয়েছে বলে জানা গেছে।এমনকি হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগে তার আত্মীয় ও ঘনিষ্ঠ লোক নিয়োগ দেয়ার একাধিক অভিযোগ রয়েছে। চক্ষু ও নাক-কান গলা বিভাগে তার প্রমাণ রয়েছে।</span></p>
<p>যদিও এসব অভিযোগ অস্বীকার করে পরিচালক ডাঃ সাইফুল ইসলাম বলেছেন, চিকিৎসক সংকট ও বরাদ্দের অভাবেই তিনি কিছু করতে পারেননি। আর চুক্তিভিত্তিক চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী নিয়োগে অনিয়ম হয়েছিল। সব শিক্ষিত লোকজন নিয়োগ দেয়ায় এই সমস্যা তৈরি হয়েছে বলে জানান পরিচালক সাইফুল ইসলাম।<br />
তবে এখানেই স্পষ্ট হয় যে তিনি হাসপাতালের সাবেক সভাপতিকে খুশি রেখে নিজের খেয়ালখুশি মতো হাসপাতাল পরিচালনা করেছেন এতোদিন। আবার বর্তমান সভাপতি জাহিদ ফারুককেও হাসপাতালের সঠিক চিত্র তুলে ধরেন না বলে অভিযোগ করেছেন অনেকেই। যে কারণে বরিশালের সুশীল সমাজের অনেকেই জাহিদ ফারুক এর মতবিনিময় সভায় উপস্থিত হয়ে শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালনা দায়িত্বে সেনাবাহিনী থেকে নিয়োগের দাবী জানিয়েছেন। আর এ দাবী বরিশালের আপামর জনগণেরও। তারা চিকিৎসকদের হাতাহাতি ও ঝগাড়ার দিকে ঈঙ্গিত করে বলেছেন, ঐ বৈঠকে পরিচালক নিজেও উপস্থিত ছিলেন। তার সামনেই এ ঘটনা ঘটেছে। একটি ঐতিহ্যবাহী হাসপাতালের সুনাম ক্ষুন্ন হয়েছে এতে।<br />
তারা বলেন, বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিবেশ ও চিকিৎসা সেবার মান উন্নত করতে হলে বর্তমান সভাপতি প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক শামীম এমপিকে অবশ্যই সাবেক সভাপতির অনুসারীদের সরিয়ে সেনাবাহিনী থেকে অভিজ্ঞ পরিচালক নিয়োগ দিতে হবে। তানা হলে এ হাসপাতালের চিকিৎসা সেবার মান উন্নয়ন তার জন্য অসম্ভব হবে বলে জানালেন বীর মুক্তিযোদ্ধা কেএসএ মহিউদ্দিন মানিক বীরপ্রতীক, সামাজিক আন্দোলনের নেত্রী সনাক সাবেক সভাপতি শাহ সাজেদা, সাংবাদিক সাহিত্যিক অরূপ তালুকদার, বাংলা একাডেমী পুরস্কার প্রাপ্ত কবি তপংকর চক্রবর্তী, নগর চিন্তাবিদ কাজী মিজানুর রহমানসহ বরিশালের সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দের প্রায় সবাই।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a6%bf%e0%a6%ae%e0%a7%87-%e0%a6%af%e0%a7%8b%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%95-%e0%a6%a8/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>উপজেলা নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় বিএনপি নেতাদের বহিষ্কার চলছে</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%89%e0%a6%aa%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%85%e0%a6%82%e0%a6%b6-%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%93/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%89%e0%a6%aa%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%85%e0%a6%82%e0%a6%b6-%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%93/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 15 May 2024 08:14:31 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[ঢাকা বিভাগ]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলার চিঠি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://shahittabazar.com/?p=5293</guid>

					<description><![CDATA[<p>সর্বশেষ ৪৫ জনকে শোকজ</p> <p>ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি </p> <p>দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে উপজেলা পরিষদের তৃতীয় ধাপের নির্বাচনে অংশ নেওয়া চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদের তৃণমূলের আরো ৪৫ নেতাকে শোকজ</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%89%e0%a6%aa%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%85%e0%a6%82%e0%a6%b6-%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%93/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>সর্বশেষ ৪৫ জনকে শোকজ</strong></p>
<p><strong>ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি </strong></p>
<p><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/05/IMG_20240515_141231.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-5294" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/05/IMG_20240515_141231-300x229.jpg" alt="" width="300" height="229" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/05/IMG_20240515_141231-300x229.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/05/IMG_20240515_141231.jpg 536w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে উপজেলা পরিষদের তৃতীয় ধাপের নির্বাচনে অংশ নেওয়া চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদের তৃণমূলের আরো ৪৫ নেতাকে শোকজ দিয়েছে বিএনপি। দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত চিঠিতে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে শোকজের জবাব দিতে বলা হয়েছে।<br />
মঙ্গলবার (১৪ মে) দেওয়া চিঠির বিষয়ে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, যারা দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে তাদেরকে শোকজ দিয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে। কেন তাদেরকে দল থেকে বহিষ্কার করা হবে না, তার জবাব দিতে বলা হয়েছে।<br />
দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে চার ধাপের উপজেলা নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় এখন পর্যন্ত প্রায় ৩ শতাধিক নেতাকর্মীকে বহিষ্কার করেছে বিএনপি। তবে, বহিষ্কৃত অনেক নেতা নির্বাচনের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নেওয়ার খবর পাওয়া গেছে।<br />
এই প্রসঙ্গে রুহুল কবির রিজভী বলেন, অনেকে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিচ্ছে। এই কারণে এখন পর্যন্ত কতজনকে বহিষ্কার করা হয়েছে তার সংখ্যা নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব নয়।<br />
এর আগে প্রথম ধাপের উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার কারণে বিএনপি ৮২ জন নেতাকর্মীকে দল থেকে বহিষ্কার করে। দ্বিতীয় ধাপে ৬৬ জনকে বহিষ্কার করে। আর তৃতীয় ধাপে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার কারণে কতজনকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে তার সঠিক সংখ্যাটি পাওয়া যায়নি।<br />
গত ৮ মে প্রথম ধাপের নির্বাচনে বহিষ্কৃতদের মধ্যে সাতজন চেয়ারম্যান এবং তিনজন ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন বলেও জানা গেছে।<br />
জানা গেছে, তৃতীয় ধাপের ভোটে বিএনপির অর্ধশতাধিক নেতা প্রার্থী হয়েছেন। তাদের মধ্যে কয়েকজনকে এরইমধ্যে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। আর ৪৫ জনকে শোকজ নোটিশ দেওয়া হয়েছে। শোকজ নোটিশপ্রাপ্ত নেতার মধ্যে ১৮ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী। বাকি নেতারা ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়েছেন।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%89%e0%a6%aa%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%85%e0%a6%82%e0%a6%b6-%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%93/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বরিশাল সদরে মারাত্মক চমক: চেয়ারম্যান হলেন আব্দুল মালেক</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%b8%e0%a6%a6%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%95-%e0%a6%9a%e0%a6%ae%e0%a6%95/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%b8%e0%a6%a6%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%95-%e0%a6%9a%e0%a6%ae%e0%a6%95/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 11 May 2024 08:44:36 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলার চিঠি]]></category>
		<category><![CDATA[বরিশাল]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://shahittabazar.com/?p=5280</guid>

					<description><![CDATA[<p>বরিশাল সদর উপজেলায় মারাত্মক চমক: চেয়ারম্যান হলেন আব্দুল মালেক</p> <p>বিশেষ প্রতিবেদক</p> <p>বরিশাল সদর উপজেলার পাঁচ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী। তাদের মধ্যে আলোচিত নাম আব্দুর রব সেরনিয়াবাত বরিশাল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এসএম</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%b8%e0%a6%a6%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%95-%e0%a6%9a%e0%a6%ae%e0%a6%95/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>বরিশাল সদর উপজেলায় মারাত্মক চমক: চেয়ারম্যান হলেন আব্দুল মালেক</strong><span id="more-5280"></span></p>
<p><strong>বিশেষ প্রতিবেদক</strong></p>
<div id="attachment_5284" style="width: 209px" class="wp-caption alignleft"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/05/IMG_20240508_203705.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-5284" class="wp-image-5284 size-medium" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/05/IMG_20240508_203705-199x300.jpg" alt="" width="199" height="300" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/05/IMG_20240508_203705-199x300.jpg 199w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/05/IMG_20240508_203705-680x1024.jpg 680w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2024/05/IMG_20240508_203705.jpg 712w" sizes="auto, (max-width: 199px) 100vw, 199px" /></a><p id="caption-attachment-5284" class="wp-caption-text">আব্দুল মালেক</p></div>
<p>বরিশাল সদর উপজেলার পাঁচ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী। তাদের মধ্যে আলোচিত নাম আব্দুর রব সেরনিয়াবাত বরিশাল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এসএম জাকির, মহানগর যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মাহমুদুল হক খান মামুন, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান মধু এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি চরকাউয়া ইউনিয়ন পরিষদের চারবারের চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম ছবি। এই চারজন প্রার্থীকে নিয়ে গণমাধ্যম ও সংবাদপত্রে নিয়মিত লেখালেখি হলেও অবহেলিত থেকে গেছেন পঞ্চম প্রার্থী আব্দুল মালেক। তাকে কেউ গোনার মধ্যেই আনেন নাই ফলাফল ঘোষণার আগমুহূর্ত পর্যন্ত। সংবাদ কর্মীদের বেশিরভাগ অংশ ব্যস্ত ছিলেন মোটরসাইকেল প্রতীকের এসএম জাকির এবং আনারস প্রতীকের খান মামুনকে ঘীরে। কেননা এদের একজনের পিছনে রয়েছেন সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ এর সমর্থকদের সমর্থন। অন্যজনকে ঘীরে ছিলেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের নবনির্বাচিত মেয়র আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ খোকন সেরনিয়াবাত এর সমর্থকদের ভিড়। আবার দোয়াতকলম প্রতীকের প্রার্থী মনিরুল ইসলাম ছবির পিছনে ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ। আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরীণ ত্রিমুখী এই লড়াইয়ের ফাঁকে চুপচাপ নিজের প্রচারণা চালিয়ে গেছেন কাপ-পিরিচ প্রতীকের প্রার্থী আব্দুল মালেক এবং ঘোড়া প্রতীকের মাহবুবুর রহমান মধু। মধু নিজেও স্থানীয় সংসদ সদস্য পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কর্ণেল অবঃ জাহিদ ফারুক শামীম এর ঘনিষ্ঠজন হওয়ায় তাকেও বয়কট করেছে সদর উপজেলার ভোটাররা। ৮ মে প্রথম ধাপের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তারা বেছে নিয়েছেন নির্দলীয় একজন স্কুল শিক্ষক কাপ-পিরিচ প্রতীকের প্রার্থীকে। সম্পূর্ণ অপরিচিত একজন স্কুল শিক্ষক আব্দুল মালেক এর আরেকটি পরিচয় হচ্ছে তিনি গত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পরাজিত প্রার্থী সালাউদ্দিন রিপনের চাচা। আর এই চাচা আব্দুল মালেক দেখালেন নিরব এবং মারাত্মক চমক। ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বরিশাল সদর উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ ও আলোচিত প্রার্থীদের পিছনে ফেলে ২৩০০ ভোটে এগিয়ে গেলেন তিনি। এখন পর্যন্ত বেসরকারি ভাবে বরিশাল সদর উপজেলার চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি জয়ী বলে জানা গেছে।<br />
৮ মে বুধবার সকালে ঝড়বৃষ্টি উপেক্ষা করে ভোটগ্রহণ শুরু হয় বরিশালের দুই উপজেলায়। বরিশাল সদর উপজেলার মোট ভোটার সংখ্যা ১ লক্ষ ৯৫ হাজার ২৯৯ জন। ১০ ইউনিয়নের ৬৮টি ভোট কেন্দ্রে বিকেল চারটা পর্যন্ত ৩০ ভাগ ভোট পরেছে বলে জানিয়েছেন প্রিজাইডিং কর্মকর্তারা। যদিও সরজমিনে ভোটকেন্দ্র ঘুরে ভোটারদের উপস্থিতি আরো কম দেখা গেছে। যে কজন ভোটার ভোট দিয়েছেন তাদের মধ্যে নারী ভোটারদের সংখ্যা ছিলো বেশি। আর এই নারীদের ভোটেই নির্বাচিত হয়েছে বরিশাল সদর উপজেলার আগামীর চেয়ারম্যান। আব্দুল মালেক এর প্রাপ্ত মোট ভোট ১৯৭১৭। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন মোটর সাইকেল প্রতীকের প্রার্থী এসএম জাকির হোসেন, তিনি পেয়েছন ১৭ হাজার ৩১৪ ভোট। এছাড়া প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মাহমুদুল হক খান মামুন পেয়েছেন ১৪ হাজার ১৪১ ভোট, ঘোড়া প্রতীকের মাহবুবুর রহমান মধু ১১ হাজার ১৭০ ভোট ও দোয়াত কলম প্রতীকের ৭ হাজার ৮৬৮ ভোট।<br />
ভাইস চেয়ারম্যান পদে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছেন তালা প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করা মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জসিম উদ্দিন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি ছিলেন বই প্রতীকের মাহিদুর রহমান। এ পদের হাদিস মীর তৃতীয় ও শহিদ মোহাম্মদ শাহনেওয়াজ চতুর্থ।<br />
মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন এ্যাড হালিমা বেগম। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন হাস প্রতীকের নেহার বেগম।<br />
বুধবার রাতে বরিশাল সদর উপজেলা পরিষদের একটি কক্ষে রিটার্নিং কর্মকর্তা ওয়াহিদুজ্জামান মুন্সী ভোটের এই ফলাফল ঘোষণা করেন।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%b8%e0%a6%a6%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%95-%e0%a6%9a%e0%a6%ae%e0%a6%95/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বরিশাল পাবলিক লাইব্রেরি: মালিক ও ভাড়াটিয়া দ্বন্দ্বে সরব পক্ষ-বিপক্ষ নাগরিক কমিটি</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0%e0%a6%bf/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0%e0%a6%bf/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 03 Oct 2023 11:13:19 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[জেলায় জেলায় সাহিত্য]]></category>
		<category><![CDATA[বরিশাল বিভাগ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://shahittabazar.com/?p=5227</guid>

					<description><![CDATA[<p>বরিশাল পাবলিক লাইব্রেরি: মালিক ও ভাড়াটিয়া দ্বন্দ্বে সরব পক্ষ-বিপক্ষ নাগরিক কমিটি</p> <p>বিশেষ প্রতিবেদক</p> <p> একদিকে বীরবিক্রম অন্যদিকে বীরপ্রতীক নিয়ে পক্ষ-বিপক্ষ নাগরিক কমিটি গঠন করে ঐতিহ্যবাহী বরিশাল পাবলিক লাইব্রেরি পুনরুদ্ধার আন্দোলনে</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0%e0%a6%bf/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>বরিশাল পাবলিক লাইব্রেরি: মালিক ও ভাড়াটিয়া দ্বন্দ্বে সরব পক্ষ-বিপক্ষ নাগরিক কমিটি</strong></p>
<p>বিশেষ প্রতিবেদক</p>
<p><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2023/10/FB_IMG_1696247333724.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignright size-medium wp-image-5228" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2023/10/FB_IMG_1696247333724-300x225.jpg" alt="" width="300" height="225" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2023/10/FB_IMG_1696247333724-300x225.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2023/10/FB_IMG_1696247333724.jpg 720w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a> <a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2023/10/FB_IMG_1696249555665.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignright size-medium wp-image-5229" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2023/10/FB_IMG_1696249555665-300x135.jpg" alt="" width="300" height="135" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2023/10/FB_IMG_1696249555665-300x135.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2023/10/FB_IMG_1696249555665.jpg 720w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>একদিকে বীরবিক্রম অন্যদিকে বীরপ্রতীক নিয়ে পক্ষ-বিপক্ষ নাগরিক কমিটি গঠন করে ঐতিহ্যবাহী বরিশাল পাবলিক লাইব্রেরি পুনরুদ্ধার আন্দোলনে নেমেছে দুটি পক্ষ । এরমধ্যে বীরবিক্রম পক্ষ পুরোপুরি বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটির পক্ষে সমর্থন জানিয়ে ৭ দফা দাবী পেশ করেছে জেলা প্রশাসক বরাবরে। অন্যদিকে বীরপ্রতীক পক্ষে চলছে জোর আন্দোলন গড়ে তোলার প্রস্তুুতি। ক্রমশ ফেসবুক ঘীরে বাড়ছে তাদের জনসমর্থন। উভয়ের মাঝখানে ঐতিহ্যবাহী পাবলিক লাইব্রেরির ভবিষ্যৎ ঝুলছে দুধারী তলোয়ারের উপর। যা নিয়ে বিব্রত বরিশাল পাবলিক লাইব্রেরির বর্তমান সভাপতি জেলা প্রশাসক ও সাধারণ সম্পাদক অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(রাজস্ব)।<br />
যদিও বিগত প্রায় ৩০ বছর ধরেই অনিশ্চিত ছিলো এই পাবলিক লাইব্রেরির ভবিষ্যৎ। তবে এটি পুনঃসংস্কারের আশ্বাস ছিলো প্রশাসনের সবসময়। যা আজ পর্যন্ত কখনোই বাস্তবায়ন হয়নি।<br />
ঘটনার অনুসন্ধানে দেখা গেছে, গত প্রায় দুই মাস ধরে বরিশাল নগরীর ঐতিহ্যবাহী পাবলিক লাইব্রেরিটি নিয়ে জোর আলোচনা ও বাকবিতন্ডায় সোশ্যাল মিডিয়া সরগরম করে তুলেছেন সামাজিক আন্দোলনের নেতা এনায়েত হোসেন শিবলু। তাদের দাবী সাংবাদিকদের সংগঠন রিপোর্টার্স ইউনিটি তুলে দিয়ে ইতিহাস ঐতিহ্যের ধারক পাবলিক লাইব্রেরিটিকেে নিজস্ব জায়গায় পুনঃস্থাপনের। অন্যপক্ষটি নির্বাচিত কমিটিসহ ৭ দফা দাবী তুলে বর্তমান স্থানেই এটি সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণ চাচ্ছেন। দ্বিতীয় পক্ষটি মূলত বরিশাল জেলা প্রশাসনের সমর্থন নিয়ে ঐতিহ্যবাহী পাবলিক লাইব্রেরির নিজস্ব স্থানটিতে ভাড়াটিয়া হয়ে এখন কৌশলে দখল চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ প্রথম পক্ষের। আর এ নিয়ে বর্তমান রিপোর্টার্স ইউনিটি ও পুরাতন পাবলিক লাইব্রেরি ভবনের পুকুর পাড়ে উম্মুক্ত বই পাঠের আয়োজন করেন তারা। যা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা শুরু হয়। সর্বশেষ গত ৩০ সেপ্টেম্বর পাবলিক লাইব্রেরি বাঁচাও আন্দোলনে যুক্ত হয়েছে নাগরিক কমিটি। বীর মুক্তিযোদ্ধা কেএসএ মহিউদ্দিন মানিক বীরপ্রতীককে আহ্বায়ক এবং কাজী এনায়েত হোসেন শিবলুকে সদস্য সচিব করে ৫১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করেছে প্রথম পক্ষ। আবার বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহবুব উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রমকে আহ্বায়ক করে পাল্টা নাগরিক মতবিনিময় সভা করে জেলা প্রশাসক বরাবরে স্মারকলিপি দিয়েছে রিপোর্টার্স ইউনিটি। এসময় নগরীর সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব অনেকেই রিপোর্টার্স ইউনিটির পক্ষে সমর্থন জানিয়ে সাক্ষর করেছেন। স্মারকলিপিতে তারা ৭ দফা দাবী তুলে ধরেন।<br />
১. ৩৭ বছর যাবত বন্ধ থাকা পাবলিক লাইব্রেরী পুনরায় সচল ও সমৃদ্ধ করা<br />
২. পাবলিক লাইব্রেরী ভবন সংস্কার ও আধুনিক ভবন নির্মাণ<br />
৩. প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ করা<br />
৪. নতুন আসবাবপত্র ক্রয় ও পুরাতন আসবাবপত্র সংস্কার করা<br />
৫. মেয়াদোর্ত্তীন এডহক কমিটি বাতিল করে পূনাঙ্গ পরিচালনা কমিটি নির্বাচন করা<br />
৬. নতুন পাঠক সৃষ্টিতে প্রচার ও প্রচারণা কার্যক্রম পরিচালনা<br />
৭. পাবলিক লাইব্রেরীর সম্পদ ও সম্পত্তি রক্ষনাবেক্ষন করা। এসময় উপস্থিত ছিলেন এই নাগরিক কমিটির আহবায়ক প্রবীণ রাজনীতিবিদ<br />
মাহবুব উদ্দীন আহমেদ বীরবিক্রম, যুগ্ম আহ্বায়ক বরিশাল সাংস্কৃতিক সংগঠন সমন্বয় পরিষদের সভাপতি শুভংকর চক্রবর্ত্তী, সদস্য সচিব বরিশাল রিপোটার্স ইউনিটির সভাপতি নজরুল বিশ্বাস সহ অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।<br />
এর আগেও এই পাবলিক লাইব্রেরি নিয়ে বিগত সময়ে অসংখ্য লেখালেখি হয়েছে বিভিন্ন গণমাধ্যমে। কাজী এনায়েত হোসেন শিবলু মৃতপ্রায় এডহক কমিটি নিয়ে এতোদিন একা একাই এটি পুনরুদ্ধারে সক্রিয় ছিলেন। হঠাৎ করে গত ১৭ সেপ্টেম্বর সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন বরিশাল জেলার সভাপতি অ্যাডভোকেট কাজী এনায়েত হোসেন শিবলুর সমন্বয়ে বইপাঠের আয়োজন হয় এবং এ কর্মসূচিতে অংশ নেন পাবলিক লাইব্রেরি এডহক কমিটির সদস্য আমিরুল ইসলাম বুলবুল, প্রাক্তন সদস্য দেওয়ান ফখরুল ইসলাম, সামাজিক আন্দোলনকর্মী কাজী ফিরোজ, নজরুল ইসলাম, অঞ্জলী গুপ্তসহ শিক্ষার্থী ও সংস্কৃতিকর্মীরা। তাদের দাবী বিবির পুকুর পাড়ে নিজস্ব স্থানে পাবলিক লাইব্রেরি পুনঃস্থাপনের। এসময় তারা রিপোর্টার্স ইউনিটি ও সাংবাদিকদের দখলদার বলে আখ্যা দিলে দ্বন্দ্বের সুত্রপাত ঘটে। কেননা রিপোর্টার্স ইউনিটির পক্ষে এটি প্রতিষ্ঠাতাদের একজন ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান স্বপন, সাংবাদিক সুশান্ত ঘোষ, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক মিথুন সাহা সহ বেশ কয়েকজন শুভানুধ্যায়ী বলেন, ১৯৮৬ সাল থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত এই পাবলিক লাইব্রেরিটির কি অবস্থা ছিলো? বর্তমানেও এটির কি অবস্থা? কয়জন পাঠক আছে, বইয়ের জন্য প্রতিবছর যে আবেদন করতে হয়, তা কি কেউ করেছেন? অধ্যাপক বদিউর রহমান এই পাবলিক লাইব্রেরির নির্বাচিত সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন, তিনি এবং ঐ পক্ষের বর্তমান আহ্বায়ক মহিউদ্দিন মানিক বীরপ্রতীকসহ প্রায় সবাই এই রিপোর্টার্স ইউনিটি কার্যালয়ে অসংখ্য বৈঠক করেছেন। নাগরিক মতবিনিময় সভাতেও তারা ছিলেন। তখন তাদের কারো মনে হয়নি যে রিপোর্টার্স ইউনিটি অবৈধ। এখানে যাবোনা? ইত্যাদি বহুসংখ্যক প্রশ্ন তুলে ধরে তারা বলেন, রিপোর্টার্স ইউনিটি ২০০২ সালে বরিশাল জেলা প্রশাসনের কাছ থেকে এই ভবনটি ভাড়া নেয় এবং সংস্কার করে এটিকে বর্তমান অবকাঠামো সৃষ্টি করেছে। এর আগে এটিতো বেদখল ও বাজে নোংরা আখরায় পরিণত হয়েছিল। আমরা কখনোই এটিকে আমাদের ভবন দাবী করিনি। মূল ভবনের নাম যা ছিলো, এখনো তাই আছে দাবী করে সিনিয়র সাংবাদিক আনিসুর রহমান স্বপন বলেন, আমার মতে বর্তমানে পাবলিক লাইব্রেরি যেখানে আছে সেখানেই যদি এটি সংস্কার করে বহুতল ভবন করা হয়, তাহলে নদী তীরবর্তী মুক্ত বাতাস ও মনোরম পরিবেশে প্রকৃত পাঠকের আনাগোনা বাড়বে। তবে সেজন্য আগে পাবলিক লাইব্রেরি প্রশাসনিক কাঠামো ঠিক করতে হবে। পাঠক তৈরি হতে হবে।<br />
তিনি আরো বলেন, ওনারা হয়তো শাহানারা আব্দুল্লাহ নামে মিলনায়তনের দোহাই দেবেন। কিন্তু এই মিলনায়তন রিপোর্টার্স ইউনিটির বাহিরে নয়, ভিতরে। রিপোর্টার্স ইউনিটি যেখানেই থাকবে, সেখানে এই মিলনায়তনটিও থাকবে বলে জানান সাবেক এই সাধারণ সম্পাদক। এসময় সাবেক আরেক সভাপতি ও সাংবাদিক সুশান্ত ঘোষ বলেন, কাজী এনায়েত হোসেন শিবলু যদি সত্যিই এই পাবলিক লাইব্রেরির মঙ্গল চাইতেন, তাহলে তিনি সরাসরি আমাদের কাছে এসে আলোচনা করতেন। আমরা একসাথে বৈঠক করে একটা ঐক্যমতে পৌঁছতাম। কেননা তিনি যে পাবলিক লাইব্রেরি বাঁচাও আন্দোলন করছেন তার সূচনাও আমাদের নিয়েই ছিলো। প্রায় ২০/২২ বছর ধরে বন্ধ পড়ে থাকা পাবলিক লাইব্রেরি নিয়ে হঠাৎ তার এই উৎসাহ ও আন্দোলন চেষ্টা আসলে সন্দেহজনক বলে মনে করেন সুশান্ত ঘোষসহ আরো অনেকেই। তবে সকলেই একবাক্যে স্বীকার করেন আমরা পাবলিক লাইব্রেরির এই ভবন ভাড়া নিয়ে সংস্কার করেছি। এজন্য কোটি টাকা খরচ করতে হয়েছে। ১৭ শতক জায়গা থেকে ৭ শতকের বেশি জায়গা অলরেডি বেদখল হয়েছে। আমরা ভাড়া নিয়ে এটি সংস্কার না করালে এতোদিনে এটাও দখল হয়ে যেত বলে জানান রিপোর্টার্স ইউনিটির নেতৃবৃন্দ।<br />
যতদূর জানা যায়, ১৮৫০ সালের ১৪ আগস্ট ‘পাবলিক লাইব্রেরি অ্যাক্ট অব ইংল্যান্ড’ পাস হওয়ার পর বাংলামূলুকেও ‘পাবলিক লাইব্রেরি মুভমেন্ট’ এর সূচনা হয়। কারণ এই আইনের ফলে তৎকালীন ভারতবর্ষে প্রতিষ্ঠিত হতে শুরু করে গণগ্রন্থাগার। যার ছোঁয়া লাগে তৎকালীন পূর্ববঙ্গেও। ১৮৫৪ সালে বগুড়া, যশোর, বরিশাল ও রংপুরে গণগ্রন্থাগার প্রতিষ্ঠা ছিল যুগান্তকারী ঘটনা। ১৮৫৪ সালে বরিশাল নগরীর এনএক্স ভবন সংলগ্ন বিবির পুকুর পাড়ে ১৭.৭০ শতক জায়গার উপর বরিশাল পাবলিক লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৮৫ সালে এটিকে অজ্ঞাত কারণে নগরীর বাঁধ রোডে স্থানান্তর করা হয়। এসময় ৫৬ শতক জমি পাবলিক লাইব্রেরিকে দিয়ে এটা জেলা প্রশাসনের অধিনে করা হয়। ফলে বিবির পুকুর পাড়ের নিজস্ব ভবনটি ২০০২ সাল পর্যন্ত পরিত্যক্ত অবস্থায় পরে থাকে। ২০০৪ সাল থেকে এই লাইব্রেরীর যাবতীয় কর্মকাণ্ড আজ পর্যন্ত বন্ধ রয়েছে বলে স্বীকার করেন আন্দোলনকারী সবাই। সরেজমিনে বাঁধ রোডে বর্তমান ভবনে গিয়ে এটির কেয়ারটেকার শহীদ গাজী নামে একজনকে পাওয়া গেল যে এই লাইব্রেরি এখনো পাহারা দিচ্ছেন এবং এজন্য জেলা প্রশাসন থেকে তাকে প্রতিমাসে ৪ হাজার টাকা সম্মানিও দেয়া হচ্ছে। তবে এ টাকায় তিনি সেখানে মানবেতর জীবনযাপন করলেও এডহক কমিটির কারোই তার প্রতি কোনো নজরদারি নেই বলে অভিযোগ করেন তিনি।<br />
শহীদ গাজী জানান, সাবেক জেলা প্রশাসকগণ নিজ পকেট থেকে তাকে প্রতিমাসে ঐ টাকা দিচ্ছেন। এ টাকায় বউ-বাচ্চা নিয়ে সংসার চলেনা বলে জানান তিনি।<br />
তবুও তিনি এখনো লাইব্রেরির বইগুলো আগলে ঐ বর্তমান ভবনের ভিতরে পরে আছেন শহীদ গাজী। বইগুলো বেশিরভাগই পোকায় কেটেছে। ঘুণপোকা খেয়েছে টেবিল চেয়ার। অথচ এই গ্রন্থাগারের আজীবন ও সবশেষ কমিটির সদস্য এবং পাবলিক লাইব্রেরির সম্পদ রক্ষা কমিটির অন্যতম একজন কাজী এনায়েত হোসেন শিবলু তখন একান্ত সাক্ষাতে জানিয়েছেন, লাইব্রেরিটি বন্ধ হওয়ার আগে এর সদস্য সংখ্যা ছিল ৫০০ জন এবং আজীবন সদস্য ছিলেন প্রায় ৬০০ জন। লাইব্রেরিটির সদস্য হতে গেলে প্রয়োজন হতো জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি ও এক কপি ছবি, ভর্তি ফি ছিল ২০০ টাকা। মাসিক ২০ টাকা করে সদস্য ফি নির্ধারণ ছিল।<br />
তিনি আরো জানান, কোনও আনুষ্ঠিকতা ছাড়াই এটি বন্ধ হয়ে যায়। একাধিকবার চেষ্টা করেও এটি সচল করা সম্ভব হয়নি।<br />
আর কেয়ারটেকার শহীদ গাজী জানান, লাইব্রেরিতে এখনো প্রায় ১৪ হাজার বই রয়েছে। এরমধ্যে দুর্লভ অনেক বই থাকলেও সেসব বিষয়ে সেখানকার দায়িত্বরতরা কিছুই বলতে পারেননি। তবে সচেতন পাঠকের ধারণা, প্রাচীন গ্রন্থগুলো ইতোমধ্যেই নষ্ট হয়ে গেছে।<br />
এমতাবস্থায় পাবলিক লাইব্রেরি নিজস্ব স্থানে পুনঃস্থাপনের দাবীতে পাল্টাপাল্টি কমিটি গঠন ও নাগরিক মতবিনিময় সভার আয়োজন নিয়ে সচেতন নাগরিকদের মধ্যেও দ্বিধা দ্বন্দ্ব স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। তাদের মতে, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের মধ্যে দ্বন্দ্ব কখনোই কাম্য নয়। বরিশালের অন্যতম কবি ও সংগঠক তপংকর চক্রবর্তী, হেনরী স্বপন, কবি ও গবেষক আসমা চৌধুরীসহ অনেকেই বলেন, যেখানে পাঠক এখন ফেসবুক ও গুগল নির্ভর, সেখানে পাবলিক লাইব্রেরির পাঠক এখন শুধু স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রীরাই বেশি হবে। সেজন্য স্কুল-কলেজ সংলগ্ন এলাকাতেই পাবলিক লাইব্রেরি কিছুটা সচল দেখা যায়। বরিশাল পাবলিক লাইব্রেরি যেহেতু ইতিহাস ঐতিহ্যের সাক্ষী বহন করছে, তাই এটিকে সচল রাখা সকলের ঐক্যবদ্ধ ইচ্ছে হতে হবে। পাবলিক লাইব্রেরি রক্ষণাবেক্ষণ খুবই কঠিন কাজ। তাই এটি প্রশাসনিক সহযোগিতায় হওয়াটা উত্তম বলে মনে করেন বরিশাল সাহিত্য সংসদ বসাস এর প্রধান উপদেষ্টা অরূপ তালুকদারও। তিনি বলেন, আমিতো এখানে দ্বন্দ্বের কিছু দেখিনা। কাগজপত্রে জায়গার মালিকানা পাবলিক লাইব্রেরির থাকলেও তাদেরতো সেই মালিকানা আগে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। তাদের কমিটি কি আছে না আছে, সে কমিটির মালিকানা অধিকার আছে কি নাই তা পর্যালোচনা করার পর রিপোর্টার্স ইউনিটি মালিক পক্ষ থেকে ভাড়া নিতে পারবে। যেটা এখন তারা জেলা প্রশাসক থেকে নিচ্ছেন, সেটা তখনও পাবলিক লাইব্রেরি থেকে নিতে পারে। আর পাবলিক লাইব্রেরি পুনরায় চালু করতে সংস্কার করতেই হবে। সেক্ষেত্রে নিজস্ব ভবনটি দোতলা বা তিনতলা করে নিয়ে নীচে রিপোর্টার্স ইউনিটি উপরে পাবলিক লাইব্রেরি হতে পারে। এটা আন্তরিকতার বিষয়। এটা মোটেও দ্বন্দ্বের বিষয় নয় বলে জানান অরূপ তালুকদার।<br />
এ বিষয়ে সম্প্রতি নিজের ফেসবুক স্টাটাসে কাজী এনায়েত হোসেন শিবলু অবশ্য বলেছেন, আমরা কোন প্রতিষ্ঠানের বিপক্ষে নই। আমাদেরকে জড়িয়ে ব্যক্তি আক্রমণ করে কুমন্তব্য ছড়ানো হচ্ছে- এটা একধরনের মতলববাজী ফন্দি। মনে রাখতে হবে, কোন ভাড়াটিয়া স্থায়ী নয়।<br />
শিবলু আরো লিখেছেন, উক্ত প্রতিষ্ঠানটি (বিআরইউ) ২০০০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়ে ২০০৫ পর্যন্ত সদর রোডের হেলেনা মঞ্জিলে ছিল। সতেচন নাগরিকের মতে, পাবলিক লাইব্রেরি একটি ভাড়ার প্রতিষ্ঠান হতে পারে না। অতীতে যারা ওই প্রতিষ্ঠানকে ভাড়া দিয়েছে তার দায় বিবেকবান ব্যক্তিরা নেবে না।<br />
সূত্রমতে উক্ত প্রতিষ্ঠানটি বিগত ২০০৫ সালে পাবলিক লাইব্রেরির নিজস্ব ভবনে একহাজার টাকায় মাত্র ১টি কক্ষে ভাড়াটিয়া হিসেবে প্রবেশ করে। কমিটির অনিচ্ছা থাকা সত্ত্বেও লাইব্রেরি ভবনে ভাড়ার জন্য তৎকালীন মেয়র এবং বিএনপি নেতা আহসান হাবিব কামালের সুপারিশ ক্রমে ভাড়া দিতে বাধ্য হয়েছিল। দূর্ভাগ্য ভাড়া নেবার কিছুদিন অতিবাহিত হওয়ার পরে ওই প্রতিষ্ঠানটি পুরো লাইব্রেরি ভবনটি নিজেদের করায়ত্ব করে। এমনকি পাবলিক লাইব্রেরির মূল সাইনবোর্ডটি ভাড়াটিয়া প্রতিষ্ঠান নিজেদের প্রতিষ্ঠানের সাইনবোর্ড দিয়ে ঢেকে দেয়- যা ভাড়াটিয়া হিসেবে একটি অনৈতিক ও উদ্দেশ্যমূলক কর্ম। তখন ভাড়াটিয়াদের সাইনবোর্ডটি নামাতে আমি লিখিত ভাবে সভাপতিকে অবহিত করি এরপরে তারা সাইনবোর্ডটি খানিকটা সরিয়ে নেয়।<br />
শিবলু আরো লিখেছেন, ২০১২ সালে লাইব্রেরি ভবন থেকে অবস্থানকারীদের নামিয়ে পুনরায় লাইব্রেরি চালুর উদ্দেশ্যে- আজীবন সদস্যসহ নগরীর বিশিষ্টব্যক্তিবর্গের স্বাক্ষর সম্বলিত একটি আবেদনপত্র পদাধিকার বলে পাবলিক লাইব্রেরির সভাপতি ও জেলা প্রশাসকের বরাবরে দেয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে ২০১৩ সালে গঠিত পাবলিক লাইব্রেরির এডহক কমিটি লাইব্রেরি পুনরায় চালুর উদ্যোগ সম্পর্কে মৌখিক ও লিখিত ভাবে অবহিত করে। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে তা সম্ভব হয়নি। উপরোন্ত, কমিটিকে উপেক্ষা করে নানাভাবে এর বাহ্যিক ও আভ্যন্তরীণ পরিবর্তন সাধিত করে। যা ভাড়াটিয়া হিসেবে সুস্পষ্ট লঙ্ঘন ও দূরভিসন্ধিমূলক অপতৎপরতা। তখন বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা যায়, এটিকে লিজি সম্পত্তি হিসেবে প্রচার করছে। এখানে বলা যায়, এই প্রাচীন লাইব্রেরিটির পাঠকেন্দ্রটি এখান থেকে প্রায় ৩৭ বৎসর পূর্বে সরিয়ে নেয়া হয়। তাই এখনকার ৪৫ থেকে ৫০ বৎসরের অধিকাংশ নগরবাসী জানেই না, এখানে একটি পাবলিক লাইব্রেরি ছিল। তার উপর এ নগরের অধিকাংশ আগন্তুক ব্যক্তি যারা ১৯৮৫ পরবর্তী সময়ে কর্মসূত্রে কিম্বা ভাড়াটিয়া হিসেবে এই নগরে এসেছেন। লাইব্রেরির মূল ভবনে ভিতরে অবস্থানকারীরা সহজ পন্থা হিসেবে বিভিন্ন সময়ে নানা প্রকারের অসত্য গল্প বানিয়ে প্রচার করায় বরিশালের আগন্তুক ব্যক্তিগন সহ নতুন প্রজন্ম বিভ্রান্তিকর তথ্য পাচ্ছে- যা পাবলিক লাইব্রেরিটির অস্তিত্বকে অস্বীকার ও অবজ্ঞা করার সামিল।<br />
শিবলু বলেন, আমার একটি প্রশ্ন, উক্ত ভাড়াটিয়ারা প্রতিষ্ঠানটি ঘিরে নগরের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গরা কেন তাদের প্রতিষ্ঠান স্থায়ীভাবে প্রতিষ্ঠা করার জন্য জেলা প্রশাসক, মেয়র কিম্বা জেলা পরিষদের এর নিকট থেকে সরকারী জায়গা বা ভবন লিজ নেন নি?<br />
তথাকথিত দখলস্বত্ব আইন বাতিলের জন্য বর্তমান সরকারকে ধন্যবাদ জানাই। তা না হলে আমাদেরকেই এই পাবলিক লাইব্রেরির নিজস্ব সম্পদ হারাতে হতো। নগরের প্রাণকেন্দ্রে বিবির পুকুরের পূর্ব পাড়ে ১৪.৬৮ শতাংশ জমি যা পূর্বে ছিল। ইতোমধ্যে ১৭.৭০ শতাংশ জমি হারিয়েছে এই ভাড়া দেওয়ার কারণেই।<br />
আমি এই লাইব্রেরির ২০১৩ সালে গঠিত এডহক কমিটির সম্পত্তি রক্ষা উপ-কমিটির একজন সদস্য হিসেবে আমার দায় নিয়ে কথা বলছি এবং প্রয়োজনীয় কাজও করে চলেছি। এ কারনে আমাকে নিয়ে ভাড়াটিয়া প্রতিষ্ঠানের কর্ণধারগণের যত জ্বালা ও গাত্রদাহ। এতে আমার কোন কিছু যায় আসে না।<br />
এ নগরের একজন অধিবাসী এবং লাইব্রেরির আজীবন সদস্য হিসেবে এটা আমার দায়বদ্ধতা। আমার বাবাও ছিলেন এই লাইব্রেরির আজীবন সদস্য। এই কাজে এ নগরের অসংখ্য বিবেকবান মানুষেরা আমার পাশে আছেন, যারা আমাকে অনুপ্রাণিত করছেন এবং তাদের মূল্যবান সময় ও পরামর্শ দিয়ে আমাকে সহযোগিতা করছেন। আমরা জানি, ধান্দাবাজ ও স্বার্থপর ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান বেশীদুর এগুতে পারে না।<br />
আসলেই আপনারা এই প্রতিষ্ঠানটিকে আপন ভাবেননি কিম্বা নিজস্ব মনে করেননি। তা না হলে এত দিনে আপনাদের প্রতিষ্ঠানের স্থায়ী ঠিকানা করেন নি কেন? এর দায় কেন পাবলিক লাইব্রেরি নেবে?<br />
এনায়েত হোসেন শিবলু আরো লিখেছেন, পরিস্কার কথা, পাবলিক লাইব্রেরি ভাড়ার স্থান নয়। ভাড়াটিয়া হলে তিন মাসের নোটিশই যথেষ্ট। লাইব্রেরির কমিটির সাথে আলোচনা করে জেলা প্রশাসককে নোটিশ দিতে হবে।<br />
আগামী ২১শে ফেব্রুয়ারী ২০২৪ আর্ন্তজাতিক মহান ভাষা দিবসে ঐতিহ্যবাহী বরিশাল পাবলিক লাইব্রেরির দ্বার সকলের জন্য উন্মুক্ত করে বরিশালবাসী কলঙ্কমুক্ত হবে বলে ঘোষণা দেন শিবলু।<br />
বরিশাল পাবলিক লাইব্রেরি নিয়ে দু&#8217;পক্ষের অভিযোগই পর্যালোচনা করছেন বরিশালের জেলা প্রশাসক শহীদুল ইসলাম। খুব শীঘ্রই উভয়পক্ষের সাথে বৈঠক করে বিষয়টি সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0%e0%a6%bf/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ময়মনসিংহ তিনঃ কবি ও অভিনেত্রীর সম্ভাব্য সুদিন</title>
		<link>https://shahittabazar.com/5015-2/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/5015-2/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 30 May 2022 15:18:15 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[রাজখবর]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[পর্যটন]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://shahittabazar.com/?p=5015</guid>

					<description><![CDATA[<p>ময়মনসিংহ ৩ঃ গৌরীপুরে কবি ও অভিনেত্রীর নিরব প্রচারণা   </p> <p>ময়মনসিংহ সদর থেকে সড়কপথে ২০ কিলোমিটার ভেতরে গৌরীপুর উপজেলা। রেলপথে ৩০ কিলোমিটার। একসময় জমিদারদের তীর্থ ভূমি বলা হত ময়মনসিংহের এই গৌরীপুর</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/5015-2/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><b>ময়মনসিংহ ৩ঃ গৌরীপুরে কবি ও অভিনেত্রীর নিরব প্রচারণা  </b><span style="font-weight: 400;"> </span></p>
<div id="attachment_5016" style="width: 310px" class="wp-caption aligncenter"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/IMG_20220530_201206.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" aria-describedby="caption-attachment-5016" class="size-medium wp-image-5016" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/IMG_20220530_201206-300x200.jpg" alt="" width="300" height="200" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/IMG_20220530_201206-300x200.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/IMG_20220530_201206.jpg 590w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a><p id="caption-attachment-5016" class="wp-caption-text">গৌরীপুরের ঐতিহাসিক স্থাপনা</p></div>
<p><span style="font-weight: 400;">ময়মনসিংহ সদর থেকে সড়কপথে ২০ কিলোমিটার ভেতরে গৌরীপুর উপজেলা। রেলপথে ৩০ কিলোমিটার। একসময় জমিদারদের তীর্থ ভূমি বলা হত ময়মনসিংহের এই গৌরীপুর উপজেলাকে। এখানের পৌর এলাকাসহ আনাচকানাচে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে অনেকগুলো ঐতিহাসিক স্থাপনা। একটু যত্ন পেলেই যা হতে পারে পর্যটন আয়ের উৎস। একটি পৌরসভা ও ১০টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত এই উপজেলা জাতীয় সংসদের ১৪৮ আসন (ময়মনসিংহ-৩)। প্রায় চার লাখ জনগোষ্ঠীর বসবাস এখানে। শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে সমৃদ্ধ গৌরীপুরের রাজনৈতিক নেতৃত্বও বেশ প্রশংসিত। স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশের এই আসনে বিএনপি, জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ সমানতালে নেতৃত্ব দিয়েছে। আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এই আসনের ভোটারদের সঙ্গে কথা হয় সাহিত্য বাজার পত্রিকার। কেমন এমপি বা নেতা চান এ অঞ্চলের মানুষ? এমন প্রশ্ন ছিল তাদের কাছে। </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">সকলের উত্তরও প্রায় কাছাকাছি, ‘জনবান্ধব ও সৎ নেতা’ চাই। যাকে প্রয়োজনে সহজেই পাশে পাওয়া যায়। যে এলাকার মানুষের সুখ দুঃখে ছুটে আসবে, সহানুভূতি জানাবে। বিপদে সাহায্য করবে এমন একজন নেতা আসলে শুধু গৌরীপুর নয়, সারা বাংলাদেশের মানুষের স্বপ্ন। কিন্তু বিগত ৫০ বছরে এ স্বপ্ন পূরণ করার মতো নেতা খুঁজে পাওয়া যায়নি বাংলাদেশের কোথাও। নীলফামারীর আসাদুজ্জামান নূর, চাঁদপুরের দীপু মনি ও মেজর অবঃ রফিকুল ইসলাম এবং বরিশালের কর্ণেল অবঃ জাহিদ ফারুক এমপি নিজ নিজ আসনে জনপ্রিয় হলেও তাদের কাছাকাছি অবস্থানও তৈরি হয়নি ময়মনসিংহের কোনো সাংসদের। বেশিরভাগ সময় এলাকার মানুষ তাদের পাশে পান না বলেই অভিযোগ ময়মনসিংহের ১১ টি আসনের ৮০ ভাগ মানুষের। তবে হ্যাঁ, এখানে রাজনৈতিক কোন্দল খুব একটা নেই বললেই চলে। </span><span style="font-weight: 400;">আদি ঐতিহ্যের ধারক গৌরীপুর বাজারে এক ব্যবসায়ী ও কলেজ ছাত্র মুহিত বলেন, ‘আমাদের এখানে রাজনৈতিকভাবে সবাই মিলেমিশেই থাকে। তেমন সমস্যা নেই। তবে গৌরীপুর বাসীর চাহিদা শুধু গ্যাসের। এখানে গ্যাস নেই। এছাড়া স্থাপত্য সংরক্ষণ ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ করা প্রয়োজন। এ বিষয়ে নেতারা খুব উদাসীন বলে অভিযোগ এই ব্যবসায়ী ছাত্রটির। আরেক শিক্ষার্থী বিনয় দাস বলেন, ‘আমাদের এখানে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি আছে। আমরা মুসলমানদের দাওয়াতে যাই। মুসলমানরাও আমাদের পূজা-পার্বনে আসে। এখানে সবাই মিলেমিশে থাকি। আমরা মনে করি, এখানে সবাই এক পরিবার।’ আগামীতে </span><span style="font-weight: 400;">কেমন নেতা চান, এমন প্রশ্নের জবাবে তারা দুজনেই বলেন, ‘জনবান্ধব নেতা চাই। যাকে মানুষ সহজে পাবে, সুখ-দুঃখ বলতে পারবে, সমস্যা সমাধান করতে পারবে সহজেই।’ </span><span style="font-weight: 400;">বর্তমান নেতাদের বিষয়ে তাদের মূল্যায়ন, আওয়ামী লীগের বর্তমান এমপি নাজিম উদ্দিনের কাছে সবাই যেতে পারে। তিনি প্রতি সপ্তাহে এলাকায় আসেন, সবার কথা শোনেন। বিএনপি নেতা এম ইকবাল হোসাইনও ভালো লোক। তিনিও এলাকার খোঁজখবর রাখেন। বিএনপির আরেক নেতা কবি সেলিম বালা এলাকায় ইদানিং কম আসেন, তবে সবসময় অসহায় মানুষেরা তার সাহায্য পান। করোনাকালীন সময়ে আশরাফুল ইসলাম সেলিম ভাই আমাদের অনেক সাহায্য করেছেন। স্থানীয় মানুষের সঙ্গে তার সম্পর্ক আছে। দুই শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা বলে বোঝা গেল, এখানে দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগের এমপি থাকায় তাদের অবস্থান বেশ ভালো। পুলিশ প্রটোকলে বা প্রটোকল ছাড়াও এখানে বিএনপি নানাবিধ কর্মসূচি পালন করে। জাপাও বিভিন্ন সময় স্বল্প লোকবল দিয়ে হলেও কর্মসূচি পালন করছে। </span><span style="font-weight: 400;">গৌরীপুর সদর থেকে ৪/৫ কিলোমিটার ভিতরে মুখরিয়া গ্রামে কয়েকজন কৃষকের সঙ্গে আলাপ করে জানা যায়, এলাকার লোকজন বয়স্কভাতাসহ সরকারের নানা সুবিধা পাচ্ছেন। কমিউনিটি ক্লিনিকেরও সেবা পাচ্ছেন। ঘরে ঘরে পেয়েছেন বিদ্যুৎ। তবে তাদের এলাকায় এমপির দেখা মেলে না। তারা বলেন, ‘নেতারা করেন রাজনীতি, বড় বড় লোকের সঙ্গে চলেন। এখন গ্রামে আসবেন কী করতে? এখন ভোট চাওয়ার দরকার নাই। ভোটের সময় আবারও হয়তো আসবেন। </span><span style="font-weight: 400;">কেমন নেতা চান জানতে চাইলে বিরক্ত হয়ে কৃষকরা বলেন, ‘নেতা তো চাই এমন, যারে ডাক দিলে দেহে। কাছে কাছে থাহে। একটা কিছু দরখাস্ত করলে এমপির মাধ্যমে মঞ্জুর করাইতে পারি। ধরুন (যেমন) আমার একটা বাড়ি ভিটা নাই। কতহানে দৌড় দিলাম একটা ঘরের লাইগ্গা। সরকারি জায়গায় আমারে একটা ঘর করে দিক। তাও করলো না কেউ। মাইনষের বাড়িত থাকি, জায়গা জমি কিছু নাই। কতজনের কাছে কতবার আইডি কার্ড দিয়া আইছি। কাজ হয় নাই।’ ‘বিএনপি লোকরাও এলাকায় আসে না। তবে বিএনপি নেতারা নিজেদের কর্মীদের বিভিন্ন সময় সহযোগিতা করে’বলে জানান এই দুই বয়োবৃদ্ধ ভোটার।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">ময়মনসিংহ-৩ এই সংসদীয় আসনের আয়তন ২২৭ বর্গকিলোমিটার। এ আসনটিতে মোট ভোটার রয়েছে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৫৩৮ জন। যেখানে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ১৮ হাজার ২১৭ জন এবং নারী ভোটার রয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৩২১ জন। এ সংখ্যা চলতি বছর নতুন ভোটার তালিকায় আরো কিছু বৃদ্ধি পাবে। </span><span style="font-weight: 400;">এ আসনে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও তিনবারের সংসদ সদস্য ও সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন মজিবুর রহমানের মৃত্যুতে ২০১৬ সালের উপনির্বাচনে প্রথমবারের মতো সংসদ <a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/IMG_20220530_205158.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignright size-medium wp-image-5017" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/IMG_20220530_205158-300x274.jpg" alt="" width="300" height="274" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/IMG_20220530_205158-300x274.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/IMG_20220530_205158.jpg 700w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>সদস্য হন প্রবীণ রাজনীতিক অ্যাডভোকেট নাজিম উদ্দিন আহমেদ। দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, পূর্ব পাকিস্তানের সময়ে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতিসহ নানা পদে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। তবে সংসদ সদস্য হয়ে উন্নয়নে খুব একটা চমক দেখাতে না পারায় এবং দলের মধ্যে ঐক্য সৃষ্টি করতে না পারায় তাকে নিয়ে ক্ষোভ রয়েছে দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝে। আর এ কারণেই আসনটিতে নতুন মুখ চান নেতাকর্মীদের অনেকেই। আসনটিতে দলীয় প্রার্থীর কোনো অভাব নেই। হালের জনপ্রিয় অভিনেত্রী থেকে শুরু করে পোড় খাওয়া সাবেক ছাত্রনেতারাও রয়েছেন দ্বাদশ জাতীয় সংসদের মনোনয়ন লড়াইয়ে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্যরা হলেন- ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শরীফ হাসান অনু, জেলা আওয়ামী লীগের আরেক সাংগঠনিক সম্পাদক ড. সামীউল আলম লিটন, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতা মোর্শেদুজ্জামান সেলিম, ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ডা. মতিউর রহমান, গৌরীপুর পৌরসভার মেয়র সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য নাজনীন আলম, অভিনেত্রী জ্যোতিকা জ্যোতি, কেন্দ্রীয় যুবলীগের সদস্য আবু কাউছার চৌধুরী রন্টি ও তরুণ আওয়ামী লীগ নেতা এম এম মামুন। </span><span style="font-weight: 400;">জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শরীফ হাসান অনু বিগত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েও প্রায় ৫০ হাজার ভোট পান। এবার সংসদ নির্বাচনে তিনি নৌকার মনোনয়ন পাওয়ার আশায় রয়েছেন। আরো আছেন উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান মোফাজ্জল হোসেন খান। </span><span style="font-weight: 400;">আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সাবেক সহসম্পাদক মোর্শেদুজ্জামান সেলিমও শক্ত মনোনয়ন প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে মাঠে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।  পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি সৈয়দ রফিকুল ইসলাম টানা দুবার মেয়র নির্বাচিত হয়ে জনপ্রিয়তার স্বাক্ষর রেখেছেন। এবার নৌকার মনোনয়ন নিয়ে সংসদ সদস্য হবার স্বপ্ন তারও। এরা সবাই গত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও মনোনয়নের জন্য দৌড়ঝাঁপ করেছেন বলে জানান এলাকাবাসী। </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">অপরদিকে, গৌরীপুরে বিএনপিতে যোগ্য নেতৃত্বের অভাব রয়েছে বলে দাবী কলেজ পড়ুয়া ছাত্রছাত্রীদের। বর্ষীয়ান বিএনপি নেতা ও দুইবারের সংসদ সদস্য প্রয়াত আইনজীবী এএফএম নজমুল হুদার মৃত্যুর পর গৌরীপুরে বিএনপির রাজনীতিতে আর কেউ প্রভাব বিস্তার করতে পারেন নি। তবে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীর মধ্যে দলটির নির্বাহী কমিটির সদস্য প্রকৌশলী এম ইকবাল হোসাইন ও উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক উপজেলা চেয়ারম্যান আহাম্মদ তায়েবুর রহমান হিরণের মধ্যে দ্বন্দ্ব চরমে। নেতা-কর্মীরাও বিভক্ত এই দুই নেতাকে ঘিরে। </span><span style="font-weight: 400;">২০১৪ সালে বিএনপির প্রার্থী হিরণ বিপুল ভোটে উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে দলের বৃহৎ একটি অংশ নিয়ে মাঠ দাপিয়ে বেড়িয়েছেন। অন্যদিকে হিরণের প্রার্থিতা ঠেকাতে দলের বিরোধী নেতা-কর্মীরা ইকবালের বলয়ে ভিড়তে শুরু করায় মাঠের রাজনীতির দৃশ্যপট পাল্টাতে শুরু করেছে বলে অভিমত অনেকের। যদিও এই আসনটিতে বিএনপির পরিচ্ছন্ন ইমেজের প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন তরুণ প্রজন্মের বিএনপি কেন্দ্রীয় নেতা ও জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক জোটের যুগ্ম মহাসচিব কবি সেলিম বালা। তার ভালো নাম মুহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম সেলিম। এছাড়াও আছেন ময়মনসিংহ জেলা আইনজীবী সমিতির দুইবারের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও জেলা জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নুরুল হক। স্থানীয় নেতাকর্মীরা মনে করেন, যোগ্য নেতৃত্ব পেলে এ আসনে বিএনপি শক্তিশালী অবস্থার প্রকাশ ঘটাতে সক্ষম হবে। </span><span style="font-weight: 400;">ভোটের হিসাবে দেখা যায়, ১৯৯১ সালের সংসদ নির্বাচনে এ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ৩২ শতাংশ, জাতীয় পার্টির প্রার্থী ২৮ শতাংশ এবং বিএনপির প্রার্থী ২১ শতাংশ ভোট পেয়েছেন। ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে বিএনপি ৩৫ শতাংশ, আওয়ামী লীগ ২৯ শতাংশ ও জাতীয় পার্টি ২৮ শতাংশ ভোট পায়। ২০০১ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ৩৯ শতাংশ ও বিএনপি ৩৪ শতাংশ ভোট পেয়েছে। ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ ৬৮ শতাংশ ও বিএনপি ২৯ শতাংশ ভোট পেয়েছে। ২০১৪ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ৭৪ শতাংশ ও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী (স্বতন্ত্র) প্রার্থী ২৫ শতাংশ ভোট পেয়েছে। ওই নির্বাচন বিএনপি বয়কট করে।</span><span style="font-weight: 400;">ভোটের এই পরিসংখ্যান বলছে, আসনটিতে আওয়ামী লীগের অবস্থান ক্রমাগতভাবে মজবুত হয়েছে। জনসমর্থনের পাশাপাশি ভোটও বেড়েছে। তবে দলীয় কোন্দল আর দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার ফলে বিরোধীপক্ষও সুবিধা নিয়ে অবস্থান শক্ত করছে এখানে। বিশেষ করে বিএনপির জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক জোটের <a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/IMG_20220530_210031.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-5022" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/IMG_20220530_210031-251x300.jpg" alt="" width="251" height="300" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/IMG_20220530_210031-251x300.jpg 251w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/IMG_20220530_210031.jpg 309w" sizes="auto, (max-width: 251px) 100vw, 251px" /></a>কেন্দ্রীয় যুগ্মসচিব আশরাফুল ইসলাম সেলিম ওরফে কবি ও গীতিকার সেলিম বালার জনসংযোগ এবং যুব তরুণদের মাঝে তার জনপ্রিয়তা আগামী নির্বাচনে প্রভাব বিস্তার করবে বলে মনে করেন গৌরীপুরের বাসিন্দারা। গৌরীপুর উপজেলার মুখরিয়া গ্রামের বাসিন্দা কবি সেলিম বালা। তিনি </span><span style="font-weight: 400;">২০১৪ সালের সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশায় গণসংযোগ করলেও সে সময় দল অংশ না নেওয়ায় তিনি প্রার্থী হতে পারেননি। আগামীতে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এলাকায় গণসংযোগ চালালেও তিনি বলেন, দল নির্বাচনে অংশ নিলে তবেইতো আমাদের নির্বাচনী প্রচারণা হবে। এখন আমরা দলকে শক্তিশালী করতে কাজ করছি। তিনি এলাকায় দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসা ও কারামুক্তির দাবিতে লিফলেট বিতরণ ও পোস্টার সাঁটিয়ে জনমত গড়ে তোলারও চেষ্টা করছেন। এলাকার শিক্ষাব্যবস্থা প্রসারের জন্য তার প্রচেষ্টায় ২০০৫ সালে মুখরিয়া টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। নির্বাচনী এলাকার চাতুল ও আগ্রাইল বিলের পানি নিস্কাশনের জন্য স্লুইস গেট নির্মাণে আর্থিক সহযোগিতা করেন সেলিম বালা। এতে শত শত কৃষকের জমি বন্যার পানিতে প্লাবিত হওয়া থেকে সুরক্ষা পায়। নির্বাচনী এলাকার দুস্থ নারীদের স্বাবলম্বী করার জন্য তিনি গড়ে তুলেছেন সায়দা ফাউন্ডেশন নামে একটি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। এলাকার বড়ইকান্দা, মুখরিয়া বাজার মাওহা উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের কাছেও সেলিম বালা জনপ্রিয় একটি নাম।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/IMG_20220530_210056.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft wp-image-5021 size-medium" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/05/IMG_20220530_210056-249x300.jpg" alt="" width="249" height="300" /></a>এদিকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে এখানে এবার অভিনেত্রী জ্যোতিকা জ্যোতির সমর্থন বাড়ছে বলে জানান গৌরীপুর বাজার এলাকার বাসিন্দারা। ২০১৮ এর নির্বাচনে আওয়ামী লীগের হয়ে দলীয় মনোনয়ন ফরম কিনে আলোচিত অভিনেত্রী জ্যোতিকা জ্যোতি বলেন, ‘এলাকার লোকজনের সঙ্গে আমার নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে। তারা চান আমি এখানে প্রার্থী হই। তবে নেত্রী যাকেই মনোনয়ন দেবেন তাকে বিজয়ী করতে বরাবরের মতোই মাঠে থাকবো আমি।’</span></p>
<p><span style="font-weight: 300;">কবি সেলিম বালা ও </span><span style="font-weight: 300;">অভিনেত্রী জ্যোতিকা জ্যোতির নিরব জনসেবা মূলক কাজের মধ্যে একধরণের প্রতিযোগিতা রয়েছে বলে মনে করেন গৌরীপুরবাসী। বিষয়টি তাই মুখরোচক আলোচনার বিষয়ও এখানে। অন্যদিকে </span><span style="font-weight: 400;">জাতীয় পার্টির এখানে উল্লেখযোগ্য কোনো প্রচারণা চোখে পড়েনি। সম্প্রতি গৌরীপুরের নুরুল আমিন খান উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক ও উপজেলা জাতীয় পার্টির উপদেষ্টা আব্দুল হাই খান পাঠান (৭৪) এর মৃত্যুতে এখনো শোকের ছায়া গৌরীপুর জাপা নেতৃত্বে। এখানে  উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি সামছুজ্জামান জামাল ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল গফুর।</span></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/5015-2/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>একজন দায়িত্বশীল শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনিঃ আওয়ামী লীগের গর্ব</title>
		<link>https://shahittabazar.com/%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%9c%e0%a6%a8-%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a7%9f%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%b6%e0%a7%80%e0%a6%b2-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%a8/</link>
					<comments>https://shahittabazar.com/%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%9c%e0%a6%a8-%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a7%9f%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%b6%e0%a7%80%e0%a6%b2-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%a8/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 27 Apr 2022 19:00:49 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[চট্টগ্রাম বিভাগ]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলার চিঠি]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববিদ্যালয়]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[শিক্ষামন্ত্রী]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://shahittabazar.com/?p=4907</guid>

					<description><![CDATA[<p>একজন দায়িত্বশীল শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনিঃ আওয়ামী লীগের গর্ব</p> <p>বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা, মতিয়া চৌধুরী, সাজেদা চৌধুরীর পর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যে কজন নারী নেতৃত্ব সুনাম ও দক্ষতার সাথে নিজের</p><span><div class="readmore"><a href="https://shahittabazar.com/%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%9c%e0%a6%a8-%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a7%9f%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%b6%e0%a7%80%e0%a6%b2-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%a8/">...বিস্তারিত &#8594;</a></div>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><b>একজন দায়িত্বশীল শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনিঃ আওয়ামী লীগের গর্ব</b></p>
<p><span style="font-weight: 400;"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/04/aW1hZ2UtODc5NDYtMTU0Njg1MTIxOS5qcGc.jpeg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-4908" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/04/aW1hZ2UtODc5NDYtMTU0Njg1MTIxOS5qcGc-300x180.jpeg" alt="" width="300" height="180" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/04/aW1hZ2UtODc5NDYtMTU0Njg1MTIxOS5qcGc-300x180.jpeg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/04/aW1hZ2UtODc5NDYtMTU0Njg1MTIxOS5qcGc.jpeg 350w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা, মতিয়া চৌধুরী, সাজেদা চৌধুরীর পর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যে কজন নারী নেতৃত্ব সুনাম ও দক্ষতার সাথে নিজের অবস্থান সুদৃঢ় রেখেছেন বর্তমান শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি তাদের অন্যতম একজন। তিনি যে শুধু একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব তা কিন্তু নয়, ঢাকার সাংস্কৃতিক অঙ্গন বিশেষ করে ঢাকা থিয়েটার ও রবীন্দ্র সংগীত সম্মেলন পরিষদের সাথেও তার রয়েছে নাড়ির টান। যদিও নিজ এলাকা চাঁদপুরে তাকে ঘীরে জমি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত বিরোধী পক্ষের বেশকিছু রটনা রয়েছে তবে তা বিরোধিতা জন্য বিরোধ বলেই মনে করেন দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ। </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;"><strong>চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ- সভাপতি আলহাজ মো. ইউসুফ গাজী</strong> জানান, বিগত ১৩ বছরে ডা. দীপু মনি এমপি’র নির্বাচনী এলাকায় বহু সরকারি স্থাপনা নির্মিত হয়েছে এবং এসব স্থাপনার জন্য জমি অধিগ্রহণও করা হয়েছে। এসব জমিতে কোথাও কখনো ডা. দীপু মনি বা তার পরিবারের কোনো জমি কখনো ছিল না। তার উদ্যোগে চাঁদপুর হাইমচরে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছে। সেখানে জমির মূল্য শতাংশ প্রতি ৫ হাজার টাকা থেকে কয়েক লাখ টাকায় উন্নীত হয়েছে এখন। সরকারের নিকট থেকে ক্ষতিপূরণ লাভের আশায় বা অন্য কোনো উদ্দেশ্যে সেখানেও ডা. দীপু মনি বা তার পরিবারের কোনো সদস্য কখনো কোনো জমি ক্রয় করেননি। </span><span style="font-weight: 400;">আওয়ামী লীগের এই সিনিয়র সহসভাপতি আরো বলেন, গত ১৩ বছরে কোনো নিয়োগ, কোন টিআর, কাবিখা বিতরণে, কোনো প্রকল্পের টেন্ডার প্রক্রিয়ায় বা অন্য কোনো কার্যক্রমে ডা. দীপু মনি বা তার পরিবারের কোনো ধরনের আর্থিক অস্বচ্ছতা বা অনিয়ম পাওয়া যাবেনা। এ বিষয়ে জেলার সরকারি- বেসরকারি কর্মকর্তাসহ জেলার রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ জনগণ সবাই অবগত আছেন। কী উদ্দেশ্যে হঠাৎ করেই আজ ডা. দীপু মনিকে অসৎ প্রতিপন্ন করার, হেয় করার অপচেষ্টা করা হয়েছে। চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি নাছির উদ্দিন আহমেদ আসলে বিএনপি নেতৃবৃন্দের সাথে মিলে এসব অভিযোগ এনেছেন বলে মনে করেন এই নেতা। </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/04/IMG_20220428_004730.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignright size-medium wp-image-4909" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/04/IMG_20220428_004730-300x241.jpg" alt="" width="300" height="241" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/04/IMG_20220428_004730-300x241.jpg 300w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/04/IMG_20220428_004730.jpg 527w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></a>২০১৯ সালের ২৩ ডিসেম্বর ‘চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০১৯’ এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দেয় মন্ত্রিসভা। সংসদে চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনে বিল পাস হয় ২০২০ সালের ৯ সেপ্টেম্বর। ১৫ সেপ্টেম্বর সরকারি গেজেটের মধ্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের যাত্রা শুরু হয়। ২০২১ সালের ২৫ জানুয়ারি থেকে চাঁবিপ্রবির উপাচার্য  হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব পান অধ্যাপক ড. মো. নাছিম আখতার।</span><span style="font-weight: 400;">ইতোমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য চাঁদপুর জেলা শহর থেকে চার কিলোমিটার দক্ষিণে চাঁদপুর–হাইমচর উপজেলা সড়কের ঠিক পূর্বপাশে সদর উপজেলার লক্ষ্মীপুর গ্রামে ৬০ একর জায়গা অধিগ্রহণের কাজ চলমান ছিলো। মূলত এই কাজেই দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে দীপু মনি পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে । </span><span style="font-weight: 400;">চাঁদপুরের জেলা প্রশাসকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ‘চাঁদপুর সদর উপজেলার ১১৫ নম্বর লক্ষ্মীপুর সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের নির্ধারিত বাজারমূল্য অনুযায়ী নাল, বাড়ি/বাগান, পুকুর/ডোবা ও ভিটি শ্রেণির মূল্য পর্যায়ক্রমে ১৩ হাজার ৮০২ টাকা, ২৩ হাজার ৯৬৬, ৩৮ হাজার ৯৫৬ এবং ৩৩ হাজার ২৯৪ টাকা ধরে প্রকল্প প্রাক্কলন দাঁড়ায় ১৯৩ কোটি ৯০ লাখ ৬৫ হাজার ৫০৭ টাকা। কিন্তু দেখা যায়, সর্বশেষ নির্ধারিত মৌজা মূল্যের তুলনায় অধিগ্রহণের নিমিত্ত সংগৃহীত দরপত্র চরম অস্বাভাবিক।’ অর্থাৎ আগে সেটির প্রাক্কলন মূল্য দেখানো হয়েছিল ৫৫৩ কোটি টাকা। যাতে সরকারের ৩৫৯ কোটি ১৬ লাখ ৬১ হাজার ৭৮২ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়। প্রস্তাবিত চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবনের নির্ধারিত স্থান</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;"><strong>এ বিষয়ে চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নাসির উদ্দিন আহমেদ বলেন</strong>, একটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় হবে, সেখানে সারাদেশ থেকে শিক্ষার্থীরা পড়তে আসবে। অথচ এটি করা হচ্ছে প্রত্যন্ত গ্রামে। যেখানে যাতায়াতের সেরকম ব্যবস্থা নেই। পাশাপাশি ওই জায়গাটি মেঘনা নদী থেকে ৭০০ মিটার দূরে। যে কোনো সময় মেঘনার খরস্রোতে ভেঙে যেতে পারে। এরকম একটা জায়গা উদ্দেশ্যমূলকভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য পছন্দ করেছেন তারা, আবার ওইখানে তারা নিজেরাই জমি কিনেছেন। এটা পরিষ্কার যে, ব্যক্তিগত লাভের জন্য এটি করা হয়েছে।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">তিনি বলেন, এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে শিক্ষামন্ত্রীর বড় ভাই জে আর ওয়াদুদ টিপু, মামাতো ভাই জাহিদুল ইসলাম রোমান, সেলিম খানসহ অনেকে জড়িত, যারা শিক্ষামন্ত্রীর ঘনিষ্ঠজন বলে পরিচিত। তাদের নামে-বেনামে সেখানে জায়গাও কেনা হয়েছে।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;"><strong>চাঁদপুর-৪ আসনের সরকারদলীয় সংসদ সদস্য (এমপি) মুহাম্মদ শফিকুর রহমানও</strong> সেখানে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে কলাম লিখেছেন। তিনি দাবি করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ভূমি অধিগ্রহণের ক্ষেত্রে ৫০০-৬০০ কোটি টাকার বাণিজ্য হচ্ছিল অবাধে। এর পেছনে যেহেতু খোদ শিক্ষামন্ত্রীর ক্ষমতা ও তার ভাইয়েরা জড়িত, তাই কেউ মুখ খুলছিল না। চাঁদপুরের সচেতন নাগরিকরা অতি সঙ্গোপনে গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে সরকারের দৃষ্টিতে বিষয়টি আনলে একটি জরিপ করা হয়। জরিপে কেঁচো খুঁড়তে সাপ বেরিয়ে আসতে শুরু করে। দেখা যায়, অধিগ্রহণের জন্য চিহ্নিত জমির প্রতি শতাংশের মূল্য স্থানীয়ভাবে ১৪ থেকে ১৫ হাজার টাকা, ভিটি বাড়ি হলে প্রতি শতাংশ ৩২ থেকে ৩৩ হাজার টাকা। প্রভাবশালী মহল এই জমি প্রকারভেদে ২ লাখ ৫০ হাজার থেকে ৩ লাখ টাকা দলিলে লিখিয়ে কিনে নেয়। ১৪-১৫ হাজার টাকা শতাংশ জমি আড়াই থেকে তিন লাখ টাকার দলিল করে সরকারের কাছ থেকে ২০ গুণ বেশি দাম পকেটস্থ করার ফন্দি আঁটা হয়েছিল। </span><span style="font-weight: 400;">এমপি শফিকুর রহমানের দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য স্থান নির্ধারণই হয়েছে আত্মঘাতী। যেটি খরস্রোতা মেঘনা পাড়ে। ভাঙনপ্রবণ মেঘনা পাড় থেকে ৫০০-৬০০ মিটার ভেতরে চাঁদপুর থানার লক্ষ্মীপুর ইউনিয়ন পরিষদ এলাকা। এই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. সেলিম খান। তিনি শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এবং তার ভাই ডা. টিপুর অত্যন্ত কাছের লোক বলেও অভিযোগ তাদের। </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">এনিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে বেশ আলোচনা চলছে। কেউ বলছেন, থলের বিড়াল বেরিয়ে এসেছে। কেউ বলছেন, এটি সরকারের একজন স্বচ্ছ ও সৎ মন্ত্রীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র। তবে <strong>শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. ছাদেকুল আরেফিন</strong> বলেন, নদীর পাড়ে প্রত্যন্ত গ্রামে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়টি অনন্য উদাহরণ হতে পারে এ ক্ষেত্রে। সুশিক্ষার বিস্তারে এমন স্থানই শিক্ষার জন্য আদর্শ স্থান বলে মনে করেন এই জ্ঞানাচার্য। </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/04/IMG_20220428_004825.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-4910" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/04/IMG_20220428_004825-206x300.jpg" alt="" width="206" height="300" /></a>নিজ এলাকা ও দলীয় নেতাকর্মীদের কিছু অংশের বিরূপ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শিক্ষামন্ত্রী এ বিষয়ে প্রথমে কিছুই বলতে রাজী হননি। পরে অনেক অনুরোধে ডা. দীপু মনি বলেন, ‘আমার বড় ভাই (জে আর ওয়াদুদ টিপু) একজন চিকিৎসক। বেশ কিছুদিন ধরে তিনি অল্প অল্প করে জমি কিনেছিলেন, হাসপাতাল ও বৃদ্ধাশ্রম করার জন্য। যখন ওই জমিটা আমরা চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চাঁবিপ্রবি) জন্য পছন্দ করি, অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া শুরুর পর আমার ভাই তার জমি বিক্রি/হস্তান্তর করেছেন। এর বাইরে চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চাঁবিপ্রবি) জন্য যে জমি চিহ্নিত আছে, সেখানে আমার বা আমার পরিবারের কারও কোনো জমি নেই। গত ১৩ বছরে আমার নির্বাচনী এলাকায় অনেক অবকাঠামো হয়েছে, হচ্ছে। আজ পর্যন্ত অধিগ্রহণকৃত জায়গায় আমার বা আমার পরিবারের কারও এক ছটাক জমিও ছিল না। বাস্তবিক অর্থে চাঁদপুরে আমার কোনো জমিই নেই।’ যাদের জমি আছে বলে নাম এসেছে জাহিদুল ইসলাম রোমান ও সেলিম খান; তারা রাজনৈতিক ও আত্মীয়তার কারণে ঘনিষ্ঠ স্বীকার করে ডা. দীপু মনি বলেন, ‘ওখানে আমার পরিবার বলতে আমার একমাত্র ভাই। তবে জাহিদুল ইসলাম রোমান আমার জ্ঞাতি হিসেবে আত্মীয়। জাহিদুল ইসলাম রোমানের নানা এবং আমার দাদা, তারাও ডিস্টেন্ট (দূর সম্পর্কীয়) কাজিন। সেই অর্থে তিনি আমার ভাই। তার থেকে অনেক বড় সম্পর্ক হলো—রাজনৈতিকভাবে আমরা ঘনিষ্ঠ। আমার রাজনৈতিক পরিবার অনেক বড়। চাঁদপুরে আমার রাজনৈতিক পরিবারের মানুষের সংখ্যা লাখেরও বেশি। সেলিম খান অধিগ্রহণকৃত এলাকার ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি। তিনিসহ প্রতিটি ইউনিয়ন চেয়ারম্যানই আমার ঘনিষ্ঠ, এটাই স্বাভাবিক এবং এটাই হওয়া উচিত।’</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘যখনই অধিগ্রহণ হয়, সেখানে জমি কেনার একটা প্রবণতা থাকে। কিংবা যাদের জমি আছে, স্থাপনা বানিয়ে ফেলে। এই অনুশীলন বাংলাদেশের সর্বত্র আছে। চাঁদপুরেও সম্ভবত সেটা ঘটে থাকতে পারে। সেটা আমি জানি না। কে আমার সঙ্গে রাজনীতি করেন বা করেন না, কে জমি কিনেছেন? ওটা আমার দেখার বিষয় নয়। ওটা দেখার সময়ও নেই আমার। রাজনৈতিক ঘনিষ্ঠ বা আত্মীয়-অনাত্মীয় কেউ জমি কিনলেও আমার কিছু বলার নেই।’</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">তিনি বলেন, ‘ওই জায়গায় যে অধিগ্রহণ করা হচ্ছে, সেটা আইনসম্মতভাবে অধিগ্রহণ বা প্রাক্কলন হয়েছে কি না, এটা ভূমি মন্ত্রণালয় দেখবে। এটা তাদের কাজ। বা সরকারের অন্য কোনো কর্তৃপক্ষ থাকলে তারা দেখবে। সেই জায়গায় যদি জমির মূল্য সঠিক না হয়, তাহলে সে ব্যাপারে যা ব্যবস্থা নেওয়ার সেটাও সরকারই নেবে। সেখানেও আমার কোনো বিষয় নেই। আমার যেটা দেখার দরকার, আমার এলাকায় যে বিশ্ববিদ্যালয়টি স্থাপন করার কথা, সেটি যথাসময়ে স্থাপিত হচ্ছে কিনা। এটা যেন ভূমি সংক্রান্ত কোনো সমস্যা বা তৈরি করা কোনো সমস্যা দিয়ে ঝুলে না যায়, বিলম্বিত না হয়, এটা দেখা আমার কাজ। একটি সুশিক্ষিত জাতি আমাদের সবার আগে প্রয়োজন। আমি সেই চেষ্টাটুকুই করছি ও করবো। </span></p>
<p><span style="font-weight: 400;"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/04/IMG_20220428_004810.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignright size-medium wp-image-4911" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/04/IMG_20220428_004810-290x300.jpg" alt="" width="290" height="300" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/04/IMG_20220428_004810-290x300.jpg 290w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/04/IMG_20220428_004810.jpg 581w" sizes="auto, (max-width: 290px) 100vw, 290px" /></a>ডা. দীপু মনি অভিযোগ তুলে আরো বলেন, ‘এর আগে চাঁদপুর মেডিকেল কলেজের জায়গার অধিগ্রহণ নিয়ে এই রকম একটা মহল প্রশ্ন তুলেছে। যখনই কোনো বড় উন্নয়নমূলক কাজের কথা হয়, তখনই এই জমি ভেঙে যাবে, এটা নষ্ট হবে, এরকম নানান কিছু বলা হয়। এই বলে মেডিকেল কলেজের জমি অধিগ্রহণের কাজটাও দীর্ঘায়িত হচ্ছে। হাইমচরে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল হওয়ার কথা, সিদ্ধান্ত হয়ে আছে। সেটার জমি অধিগ্রহণ কাজও হচ্ছে ধীরগতিতে। তার কারণ একটা মহল কিছুতেই চাইছে না—ওইখানে (চাঁদপুর-৩) আমার মাধ্যমে এই বড় বড় কাজগুলো হোক। সব জায়গায়ই রাজনৈতিক বিরোধিতা থাকে। রাজনৈতিক নানান রকম দ্বন্দ্ব-কলহ থাকে। আমার ওখানেও হয়তো কম-বেশি কিছু আছে। সেটা একটা ভিন্ন দিক।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">দীপু মনি বলেন, আমার মত একটাই, যে মূল্য যথাযথ হয়; সে মূল্যেই সরকার আইন অনুযায়ী অধিগ্রহণ করবে। কোনো বিলম্ব ছাড়াই যেন আমার বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হয়। যারা আমার বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে আপত্তি তুলছেন, তারা যেন সফল না হন। কারণ তারা চাঁদপুরের উন্নয়ন চান না’</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">দীপু মনি জোর দাবি জানিয়ে বলেন, যে অপপ্রচারটা চলছে, ওটা ভাঙণপ্রবণ এলাকা, ওখানে বিশ্ববিদ্যালয় করা যাবে না; সেটা সঠিক নয়। দেখে-শুনেই ওই জায়গায়টি নেয়া হয়েছে। অনেকগুলো দিক বিবেচনা করা হয়েছে। শহরের মধ্যে নয়, মহাসড়কের পাশে নয়, অনেকগুলো জেলার সঙ্গে যাতায়াত সুবিধা আছে, এরকম একটা জায়গা এটি। এটি নদীর পাড়ে বা নদীর কাছের জায়গা। তবে ওখানে বেড়িবাঁধও আছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডও মতামত দিয়েছে যে, জায়গাটিতে এই স্থাপনা করা যাবে।’</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;">একাধারে ডাক্তার ও আইনজীবী দীপু মনি একাদশ জাতীয় সংসদের নতুন মন্ত্রিসভায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং করোনাকালীন সংকটে অত্যন্ত সুকৌশলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষা ব্যাবস্থার নিয়ন্ত্রণে নিজের দক্ষতা ও সুনাম বৃদ্ধি করেন। এর আগে ২০০৯ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্বেও সফলতা দেখিয়েছেন তিনি। তিনিই ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম মহিলা পররাষ্ট্রমন্ত্রী।</span></p>
<p><span style="font-weight: 400;"><a href="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/04/IMG_20220428_004909.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft size-medium wp-image-4912" src="http://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/04/IMG_20220428_004909-223x300.jpg" alt="" width="223" height="300" srcset="https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/04/IMG_20220428_004909-223x300.jpg 223w, https://shahittabazar.com/wp-content/uploads/2022/04/IMG_20220428_004909.jpg 644w" sizes="auto, (max-width: 223px) 100vw, 223px" /></a>৮ ডিসেম্বর, ১৯৬৫ সালে জন্মগ্রহণ করেন বাংলাদেশের এই প্রথম পররাষ্ট্র ও শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং ভাষা আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ও পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগের প্রথম কাউন্সিল-নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক এম.এ ওয়াদুদের কন্যা। তিনি হলিক্রস কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস এবং বাংলাদেশ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় হতে এলএলবি উত্তির্ন হন । এমবিবিএস ডিগ্রি লাভের পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্স হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব পাবলিক হেলথ থেকে এমপিএইচ ডিগ্রি অর্জন করেন। এছাড়া তিনি লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে মাস্টার্স ডিগ্রি ও হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমঝোতা ও দ্বন্দ্ব নিরসন এর ওপর একটি কোর্স সম্পন্ন করেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের একজন আইনজীবী। </span><span style="font-weight: 400;">দীপু মনি ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়- প্রতিবেশী দেশসমূহের সাথে বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী থাকাকালীন সময়ে তিনি কমনওয়েলথ মিনিস্ট্রেরিয়াল অ্যাকশন গ্রুপ-এর প্রথম নারী এবং দক্ষিণ এশীয় চেয়ারপার্সন নির্বাচিত হন। এছাড়া তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশ সমুদ্র জয় করে। এতে করে বাংলাদেশ সরকার প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমার এবং ভারতের সাথে প্রায় চার দশকের সমুদ্র সীমা সংক্রান্ত অমীমাংসিত বিষয়টি আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় চূড়ান্ত ভাবে নিষ্পত্তির উদ্যোগ গ্রহণ করে । </span><span style="font-weight: 400;">সামাজিক উন্নয়ন এবং প্রশাসনিক ক্ষেত্রে তাঁর অনন্য অবদানের জন্য তিনি মাদার তেরেসা আন্তর্জাতিক পুরষ্কারে ভূষিত হন। ২০১৪ সালের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে পুনরায় চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। একই সাথে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। </span><span style="font-weight: 400;">২০১৬ সালে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের ২০তম কাউন্সিলে তিনি পুনরায় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হন। ৬ জানুয়ারী ২০১৯ এ তিনি একাদশ জাতীয় সংসদের অধীনে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এর দায়িত্ব গ্রহণ করেন। </span><span style="font-weight: 400;">বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের এ্যাডভোকেট তৌফীক নাওয়াজ দীপু মনি`র স্বামী। তিনি আন্তর্জাতিক একটি ল’ফার্মের প্রধান। তিনি উপমহাদেশের দু’ হাজার বছরের ঐতিহ্য মন্ডিত ধ্রুপদী সঙ্গীতের উৎস হিসেবে পরিচিত ‘আলাপ’ এর একজন শিল্পী। তাঁদের রয়েছে দু’সন্তান। পুত্র তওকীর রাশাদ নাওয়াজ ও কন্যা তানি দীপাভলী নাওয়াজ।</span></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://shahittabazar.com/%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%9c%e0%a6%a8-%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a7%9f%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%b6%e0%a7%80%e0%a6%b2-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%a8/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
