প্রবেশ করুন

    
প্রবেশ

Category Archives: পদাবলী

আমার বাঁচতে ইচ্ছে করে : কল্যান গাঙ্গুলী

আমার বাঁচতে ইচ্ছে করে

কল্যাণ গাঙ্গুলী

বাঁচতে ইচ্ছে করে, আমার বাঁচতে ইচ্ছে করে ;
যদি কালো মেঘ ইশানের কোনে,
মাঝি পথ খোঁজে – জীবনে মরনে,
শীর্ণ গাছকে,

অন্ধ মেয়ে

অন্ধ মেয়ে আমি দেখতে পাইনা তাই
অবহেলা আর অনাদরটা সবার কাছেই পাই।

সত্যি করে বলুন দেখি, অন্ধ বলে কি আমার
সখ-আহলাদ – কিছুই থাকতে নাই ?

আর দশটা

তৃষ্ণার্ত হরিনী

নদী শেষ। শিশিরের লোভে
তৃষ্ণাকম্পিতদেহ হরিণীর দল
নেমে এলো তৃণমাঠ খুঁজে

তুমি আজও বহু বহু দূর, দূরের অধিক দূর,
আরও আরও দূরে বিলুপ্ত পাখির বহু পুরাতন

আমার মায়ের কথা : কল্যান গাঙ্গুলী

মাগো শুধু রইনু আমি বাকি;
তোমার কথা সঙ্গোপনে,
নির্নিমেষে আমার মনে,
জাগায় আমায়, অমানিশায়, জাগে তৃষিত আঁখি॥

হারিয়ে তোমার সবুজ আঁচল,
অতল প্রেমের দীঘি টলমল,

পরিবর্তন : মৌসুমী রায়(ঘোষ)

পরিবর্তন
-মৌসুমী রায়(ঘোষ)

সৃষ্টি থেকেই
চলছে অভিযোজন|
অভিযোজিত হতে হতে আমরা
স্বার্থপর সংস্করনে পৌঁচেছি|
(ভীষন খর্বাকার হয়ে গেছি|)

।। আয়নাগাছ ।।

ভেজা সাবানের গন্ধ। ভোর এলো নাকি?

তবে তো স্নানের বেলা তোমার ওখানে!

বৃষ্টিগন্ধা রাত্রিতলে পেন্সিলে লিখেছি পদ্য। শুকনো ত্বক/

কেটে দিচ্ছি কলমের খঞ্জর-টানে

সম্মতি দেবে কি গৃহী, স্নানঘরে?

ফেনায়িত বাথটাবে

রহমান হেনরীর কবিতা

করতালি ভেসে যাবে, গমগমে কণ্ঠনাদ,
শস্যগোলা ঘিরে রাখা গুণ্ডামির শিস;

তোমাকে ছাড়াই চলতো, চলেছিলো,
চলবে তো পাঁচ-দশ-পনের বা বিশ

এই ঋতু লালবর্ণ; ঝড়ে ঝড়ে, জলোচ্ছ্বাসে
দর্পিত পাহাড়েরও

যানজটে চিঠি

এখানে ঢাকায় প্রচন্ড গরম
ফসলের মাঠে চৌচির মাটি
কৃষকের ছাতি ফাটে, গাঁও-গ্রাম
দিনাজপুর থেকে পটুয়াখালী
রোড জ্যামে অস্থির জীবন।।
ওখানে তুমিও; কলকাতায়
বনগাঁও থেকে

কল্যান গাঙ্গুলী ও মৌসুমী রায়(ঘোষ)এর কবিতা

অ…শুভ দীপাবলী

কল্যান গাঙ্গুলী

আজকের চাঁদ, করে প্রতিবাদ, তাই বুঝি অমানিশা;
ঘনায় হৃদয়ে, ব্যথাতুর হয়ে, হারায় পথের দিশা॥
মননেতে বিষ, বাঁচার হদিস, দিতে আসে ফেরীওয়ালা;
তাই

কয়েকজন কবির কবিতা

ও কি গাড়িয়াল ভাই
তোমার পন্থের দিকে চেয়ে চেয়ে
ফিরে এলাম চিলমারীর বন্দর হয়ে;
নাই, কোথাও আব্বাসীয়া
ভাওয়াইয়া নাই।

অগত্যা বাবার তরুণ বয়সের গ্রামোফোনটাই সম্বল।