প্রবেশ করুন

    
প্রবেশ

Category Archives: পদাবলী

প্রধান

ইসমাইল হোসেন মন্ডল এর কবিতা

লহিত সাগর তীরে

হে লহিত সাগর—
প্রথমে কে কথা বলেছিল বাতাসের কানে
সে কি বিশ্ব জননী আদি মাতা হাওয়া ?
সেতো তিনশ বছর ধরে কেঁদে কেঁদে অন্ধ

গদাধর সরকার এর কবিতা

গদাধর সরকার এর কবিতা

এক

ঘুম

আমি দুললাম মেঘনা । পাতায় আমি ডুবলাম জলে ।
গান গেয়ে যায় কবিতা দেশ । গান গেয়ে পথ চলে ।

বাউল সাগর আগুন

বাংলার সেরা কবিতাঃ কুড়ি গুণন তিন

ফরিদ আহমদ দুলাল এর কবিতা

এক

নির্ভরতার মূল্য

নির্ভরতার মূল্য দিলাম জীবনের প্রতিদিন
গোপনে আকাশ পাঠালো মেঘের কিছু অশোধ্য ঋণ,
মেঘবালিকার কোমল সুষমা জড়ায় গ্রীবার বাঁকে
সে

কোলকাতার ছয় ছক্কা

শমিত মণ্ডল এর  কবিতা

এক
পৃথিবীযান

নদীর দিক থেকে আসছে আশ্চর্য বাতাস
পাখির কলতানে হয়েছিলো সকাল— এখন দুপুর।
মায়ের গাঁ ঘেঁষে চলছে সাদা শান্ত বাছুর,
ঝুমকো

এ সময়ে লেখা কিছু কবিতা

অশ্বগন্ধার ঘুম
মুহাম্মদ নুরুল হুদা

ঈদ সংখ্যা : কবিতা

চামচাগিরি

তপংকর চক্রবর্তী

মাঝ রাতে উঠে আলোটা জ্বালিয়া
সাজিয়ে নেবেন ভাতের থালিয়া
আলাদা বাটিতে মাছের কালিয়া
লাগে যতটুকু থালায় ঢালিয়া
খুশী মনে খান আর গেয়ে গান

জামালপুর জেলার সংখ্যার কিছু কবিতা

অন্ধজন
মাহবুব বারী

অন্ধের মতো হাত বাড়িয়েই আছি,
আমি অন্ধজন আমাকে কী দেবে? দাও।
দিতে পার হারানো দিনের গান,
সমুদ্রের স্বপ্ন, খররৌদ্র থেকে বৃষ্টির অমল ধারা,

ভারতের দুই কবিবন্ধু : রিঙ্কু ব্যানার্জী ও বর্ণা অধিকারী’র কবিতা

হারিয়ে যাওয়া মেয়েবেলা
বর্ণা অধিকারী

গন্ধের ধাক্কাধাক্কি তে পেরিয়ে গ্যাছে রোদ্দুর
মাখা শৈশব,
ইতিহাসের পাতায় নাবালক রূপকথারা
লুটোপুটি খায়, বিষাদের ঢেউ এ ডুবে যায়
আবেগে

আইরীন নিয়াজী মান্না’র অনুছড়া

অণুছড়া-৮৬

আমি চমকে চমকে থমকে দাড়াই
তোদের ছবি দেখে,
আমি মধুর সুরেতে অনেক দূরেতে
স্বপ্ন যাই একে।

আমি চমকে চমকে হাত যে বাড়াই
সোনালি সে শৈশব,

কবি আশিক আকবর ও শওকত হোসেন এর কবিতা

কবি আশিক আকবরের লেখনী (কবিতা ও গদ্য কবিতা)

ছেড়ে যাবার পর ০১

ছেড়ে যাচ্ছি জানালা , ছেড়ে যাচ্ছি চেয়ার , ছেড়ে যাচ্ছি টেবিল ,
বারান্দা , বারান্দার সিঁড়ি ,