হে চন্দনা পাখি: পিতা ও পুরুষের হাহাকার – মাঈন উদ্দিন জাহেদ

অতিথি লেখক

হে চন্দনা পাখি: পিতা ও পুরুষের হাহাকার

মাঈন উদ্দিন জাহেদ
012
‘হে চন্দনা পাখি’ উপন্যাস পড়ে পা?কের মনে প্রশ্ন জাগবে এ প্রজন্মের প্রেম, ভালোবাসা, ভালোলাগা কী অনেক বেশী রূপজ কিংবা দেহজ? না আধুনিক মানুষই এমন? তার কাছে মানবিক দায় টুকু প্রাধান্য পায় না কেনো? এমন অবক্ষয়ি সমাজে আমরা আছি। জান্নাতুল ফেরদোস চন্দনার রূপ ও দেহের ক্যান্সার জনিত অবনতিতে শিহাব ওরফে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ ডিগ্রীধারী ওরফে একটি আর্থিক সংস্থার কর্মকর্তা ওরফে ঘরের বড় ছেলে ওরফে এ সমাজের নিম্মবিত্ত থেকে উঠে আসা একজন শিক্ষিত মানুষের নৈতিক অবস্থান কী এমনই? আমি উপন্যাসের ফাঁকে ফাঁকে আমাদের সমাজতত্ত্বটা বুঝতে চেষ্টা করি।
উপন্যাসের কাহিনী বিন্ন্যাস এমন: ছয় বছরের দাম্পত্যজীবন শিহাব-নাঈমার।ফুটফুটে একটি শিশু নিয়ে সুখী ও সুন্দর জীবন। দৈনন্দিন ব্যস্ততায় জীবনের কতো কিছু চাপা পড়ে থাকে। সে দিন হঠাৎ শিহাব স্মৃতির সূত্রে ফিরে আসে অতীতে। নবীন যৌবনের স্মৃতি। চন্দনাকে মনে পড়ে। ফিরে আসে প্রেমের দিনগুলি। প্রবল জলের তোড় যেন ভাসিয়ে নিয়ে যেতে চায় সবকিছু। শহরের কলেজে পড়তে আসা এক গ্রাম্য কিশোর। নানা রঙের দিন, চৌকস সহপাঠিনীর সাথে বন্ধুত্ব ও প্রেমের টুকরো টুকরো ঘটনার স্মৃতি। উল্টো দিকে চলতে থাকা জীবনের দৃশ্য। সব এলোমেলো হয়ে যাওয়া। আজ নিজের মুখোমুখি নিজে। কোনো কী দায় নেই শিহাবের? গ্লানি, বিষাদ ও অপরাধ বোধের হাহাকারে কাহিনীর সমাপ্তী।
আট টা পাঁচটা অফিস, সাধারণত অফিস থেকে ফিরেই বিছনায় গড়াগড়ি। সারে আট টায় কলোনীতে দুটা চক্কোর ,এর পর ক্লাব বিলিয়াড, ক্যারাম কিংবা খেলা দেখে রাত এগার কিংবা সাড়ে এগারতে বাসায় ফেরা। খাওয়া, নেটিং, লেখালেখি। এক টা দেরটায় ঘুমাতে যাওয়া। এমন আটসাট জীবনে প্রেমের উপন্যাস খুববেশী টানে না।
প্রতিদিনের সাধারণ রুটিনটা এখানে এজন্য আনা একটি ব্যতয়ের ঘটনা জানাতে। গড়াগড়ির সময়টাতে আমার নিজস্ব পাঠপ্রক্রিয়া চলে। গেল সপ্তাহের আনা বইগুলো পাশে থাকে, বাচ-বিচার চলে কোনটা আগে কোনটা পরে। সেদিন ফেসবুকে বিশিষ্ট লেখিকা নাজমুন নাহারের স্টট্যাস দেখে চমকে উঠি।কবি ও ঔপন্যাসিক বিশ্বজিৎ চৌধুরীর সাম্প্রতিক উপন্যাস ‘হে চন্দনা পাখি’র
পাঠ প্রতিক্রিয়ায় লিখেছেন- কাহিনী সিনেমেটিক। বিশ্বজিৎ চৌধুরীর প্রায় লেখা তো আমার পড়া, তাই আমার সাধারণ ধারণা ছিলো তিনি তেমন রুচিরতো নন, যদিও বা হোন , তাহলে ওমন লেখা কেমন, তা জানা।
ছুটির দিন ছাড়া তেমন গল্প উপন্যাস পড়া হয় না। সে দিন ব্যাতিক্রম ভাবে ‘হে চন্দনা পাখি’ উপন্যাসটি পড়া শুরু করি। বেশ এগিয়েছে, হাঁটা ও খেলার সময় হওয়াতে পৃষ্ঠা ভাঁজ করে বেড়িয়ে পড়ি। যথারীতি সাড়ে এগারটায় ফিরে এসে দেখি গিন্নি টেবিলে খাওয়া সাজায়নি। মেয়ে দুটো মগ্ন দাদাগিরিতে, মা বই পড়ায় ব্যস্ত। তাড়া সত্ত্বেও আরও বিশ-ত্রিশ মিনিট অপেক্ষা করতে হলো। ‘হে চন্দনা পাখি’ র তিনি শেষ পর্যায়ে। অবশেষে উঠলেন। শেষ সংলাপ ছিলো এমন: ছেলেরা, এমনই হয়। উনিতো চমৎকার লিখেন, যেনো সব কিছু চোখের ওপর ভাসছে। একটানে শেষ করা যায়।’
হ্যা , এটা একজন পাঠিকার অনুভূতি। কিন্তু সাহিত্যের মানুষের পাঠে সমালোচক সত্ত্বা জাগ্রত থাকে বলে, তারা ওমন ভাবে পড়ে যেতে পাড়ে না। আমিও পাড়িনি। ভেতরে কাজ করছে, নাজমুন নাহারের স্টেট্যাস। তবুও আমি দুই নাগারে শেষ করি। চোখের কোনে জমে কয়েক ফোটা অশ্রু। নিজেকে প্রশ্ন করি ‘আমরা পুরুষরা এমন কেনো? শিহাব উদ্দিন মাহমুদ ওরফে উপন্যাসের নায়ক, সেতো আমাদের চারপাশের কোনো না কোনো একজন। এ্যাই শহর, চট্টগ্রাম কলেজ,চট্টশ্বেরী রোড,ওয়ার সেমেট্রি, বোয়ালখালির কদুরখিল সবতো আমাদের আশপাশের ভূগোল। চন্দনা, বাতেন ভাই, খাইরুল বাশার চৌধুরী এতো নিত্য দিনের চরিত্র। চন্দনপুরার অলিগলি, চট্টগ্রাম কলেজের লাল বিল্ডিং এর স্মৃতিতো এ শহরের প্রায় ছাত্রছাত্রীর।
রাত অড়াইটায় যখন উপন্যাসটি শেষ করি, পাশে ঘুমাচ্ছিলো ছোট মপয়েটি; অজান্তেই তাকে জড়িয়ে ধরি। আমার মেয়েকে মনে হয়- উপন্যাসের তৃণাই। হায়! প্রত্যেক পিতৃ হৃদয় কী এমন? এ উপন্যাসের নায়িকা জান্নাতুল ফপরদোস চন্দনার বাবা খাইরুল বাশার চৌধুরী যখন এ উপন্যাসের নায়ক শিহাব উদ্দিন মাহমুদের অফিসে দেখা করতে যান, ওখানের সর্বোচ্চ কর্তা হয়েও তার সংলাপটি ছিলো বিবেকের প্রতিনিধিত্ব কারী, যা হৃদয় বিধে যায়।… মেয়েটাকে মরার সময়টাও দিলে না, শিহাব, এই তোমাদের…। হ্যা, এই প্রজন্মের প্রেম এমনই। প্রেমিকার অন্তিম মূহুর্তে আরেকজন বান্ধবী নিয়ে তাকে দেখতে যাওয়া, কেমন তরো ভব্যতায় পড়ে? তা পাঠক হিসেবে বার বার ভাবিয়েছে আমাকে।
উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র চন্দনা অনুপস্থিতে, যেমন- যখন সে বিশ্ববিদ্যালয়ে না পড়ে চট্টগ্রাম কলেজে পড়ছে, তখন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক রুহুল আমিন প্রামানিক সাথে নাঈমার সুসম্পর্ক থাকার সুযোগ নিয়ে, তার থেকে নোট আদায়ের জন্য নাঈমাকে শিহাবের সঙ্গ দান, বা প্রামানিক যার সাথে নাঈমার একটি সম্পর্ক বাস্তবই ছিলো, তার হঠাৎ অন্য এক মহিলাকে বিয়ে করে নিয়ে আসাতে নাঈমার মানসিক বিপর্যস্থ সময়ে শিহাবের নাঈমাকে সঙ্গ দেয়ার মুহুর্তে কিংবা চন্দনা চিকিৎসার জন্য সিংগাপুর ও আমেরিকা যখন থাকছে , চন্দনার প্রেমিক শিহাব তার অনুপস্থিতে নাঈমার বাসায় ঘনঘন যাওয়ার মুহুর্তের শিহাব উদ্দিন মাহমুদ কে আমরা কীভাবে দেখবো? না প্রেমিক না নারী ঘেষা? তার প্রেমে হয়তো আমরা প্লেটোনিক পবিত্রতা চাইবো না কিন্তু নীতিগত অবস্থানতো চাইবো? টিনেজ প্রেম যে ক্রমান্নয়ে দেহ ও সুযোগসন্ধানী হয়, ‘ হে চন্দনা পাখি’ উপন্যাসে শিহাব উদ্দিন মাহমুদ কে কিছুটা সেভাবে চিহ্নিত করার অবকাশ আছে।
চন্দনা, যে জীবনে সমস্ত কিছুই হাতের নাগালে পেয়েও কলেজের প্রথম দিন থেকে উচ্ছল অবস্থা, নিন্মবিত্ত কিন্তু মেধাবী শিহাবকে বন্ধু করে নেয়া, মায়ের সাথে বাবার বিচ্ছেদে বাবার পক্ষে নেয়া, শিহাবের সাথে কদুরখিলে যাওয়ার সময় বধু সেজে যাওয়া ইত্যাদিতে ব্যাতিক্রম উপস্থাপন হলেও নারীর চিরন্তন স্বত্তা পরিচয় পাওয়া যায় তার অন্তিম সময়ে দেখা করতে শিহাবকে নাঈমাকে ছাড়া একা আসতে বলায়। কিন্তু পাঠককে ভাবাবে চন্দনা, উচ্চবিত্ত সমাজে বেড়ে উঠেও তার অন্যান্য প্রতিবেশ , তার বিত্তচ্যুতির জন্য বিরোধ তৈরী করেনি? যদিও তার সংক্ষিপ্ত উত্তর শিহাবের সাথে চন্দনার পিতা খাইরুল বশর চৌধুরীর শেষ সংলাপে আছে, ব্রোকেন ফ্যামিলির কন্যা হিসেবে বাবার প্রশ্রয়, কিন্তু চন্দনার স্কুল লেবেলের বান্ধবীদের সাথে কী তার কোনো বলয় তৈরী হয়নি, যারা এ নিম্নবিত্ত ছেলের সাথে চন্দনার সম্পর্কে দেয়ালে ‘শিহাব+চন্দনা’ লেখা ছাড়া অন্য কোনো খুনশুটির সংলাপ এ উপন্যাসে আসেনি। শিহাব চন্দনার প্রেমের গল্প এমন সহজ ভাবে এগিয়ে যাওয়ার মাঝে বাতেন চরিত্রটির বিকাশ অসম্পূর্ণ থেকেছে বা পষ্ট হয়নি। যদিও মামা চরিত্রটি ও রহস্যময় রয়েগেলো।
স্থান-কাল-পাত্রগুলো আমাদের পরিচিত ভূগোলের বলে অনেক কিছু বৈসাদৃশ্য ঠেকেনি। যেমন বাতেনকে সাইজ করার ঘটনাটি ও শিহাবের অগোচরে তার সম্পর্কে বিভিন্ন খোঁজ রাখা, ওমন বিত্তশালী পরিবারের পক্ষে তা করা সম্ভব। তবে প্রথম থেকে পাঠক এ উপন্যাসের কাহিনী উপস্থাপনাটি আত্মকথা বর্ণনা ভঙ্গিতে, না উত্তমপুরুষের বর্ণনা তা উপলব্ধি করতে দ্বিধায় পড়ে। বর্ণনা ভঙ্গিটি যদি ধরে নি ‘শিহাব উদ্দিন মাহমুদের আত্মকথা’ শেষ পর্যায়ের যুক্ত হওয়া চন্দনার ডায়েরী আত্মকথার মাঝে আত্মকথা। তাই এর স্টাইলকে সহজভাবে চিহ্নি করা যায় না।
ঔপন্যাসিক বিশ্বজিৎ চৌধুরীর জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জীবন কেন্দ্রীক উপন্যাস ‘নার্গিস’ পড়ে আপ্লুত হয়েছি,‘ বাসন্তি, তোমার পুরুষ কোথায়’ উপন্যাস পড়তে গিয়ে কিছুটা মন্থর গতি উপভোগ করেছি ভাষার কারুকাজে। যদিও একটি অসাধারণ বেদনার শিল্পরূপ দেওয়ার অভিপ্রায় আছে এ উপন্যাসে। কিন্তু ‘হে চন্দনা পাখি’ পড়ে মনে হয়েছে আমাদের মাঝে আরেকজন সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় বেড়ে উঠছেন। যিনি সমকালিন কথা সাহিত্যে একটি বিশাল দাগ কাটতে সক্ষম হবেন।
বিশ্বজিৎ চৌধুরীর জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জীবন কেন্দ্রীক উপন্যাস ‘নার্গিস’ পড়ে যেভাবে আবিষ্ট হয়ে পড়ে পাঠক, তেমনি কিন্তু রবি ঠাকুরের জীবন কেন্দ্রীক উপন্যাস ‘ কাদম্বরী দেবীর সুইসাইড নাট’ কিংবা ‘নায়ক রবি’ পড়ে হবেন না, আমি নিশ্চিত। রঞ্জন বন্ধোপাধ্যায়ের রবি কেন্দ্রীক উপন্যাসকে মনে হয় নির্মিত। পরিকল্পিত গল্পের বুনন। এ নিয়ে বিশ্বজিৎ চৌধুরীর একটি চমৎকার কবিতাও আছে। কিন্তু ‘নার্গিস’ জীবন্ত। এক চুমুকে শেষ করার মতো। মনে হয় না এটি পরিকল্পিত গ্রন্থনা। তবে ‘নার্গিস’ উপন্যাসে ফজিলেতুন্নেসা পর্বটি আরো পষ্ট হওয়ার অবকাশ ছিলো।
বিশ্বজিৎ চৌধুরীর কবিতা যেমন গীতিময়, কবি বলেই সম্ভবত তার গদ্যও সুখপাঠ্য। সুখটা শব্দ যোজনায়, সুখটা সাবলিল বর্ণনায়।
‘হে চন্দনা পাখি’ মূলত: শিহাব উদ্দিন মাহমুদের স্মৃতি ও বর্তমানের বিন্যাস। কাহিনীর গ্রন্থনায় মনে হয় না লেখকের সুনিপুণ পরিকল্পিত বিন্ন্যাস। বর্ণনা এতো সাবলিল, মনে হয় পা?কের আকাঙ্খার প্রেক্ষিতে একটার পর একটা কাহিনী যোজিত হচ্ছে।
এ উপন্যাসের শারীরিক বর্ণনাগুলো এতো চমৎকার ভব্যতার মধ্যে এসেছে মনে হয় না সুরসুরি দিচ্ছেন কিংবা লবনের পরিমান খুব বেশী। এমন গাঢ় সংযম তাকে কথাশিল্পী হিসেবে কালের করাত টিকে থাকতে অনেক বেশী সহায়তা †দবে বলে আমার বিশ্বাস।
‘হে চন্দনা পাখি’ উপন্যাসের তিনটি চরিত্রের জন্য পাঠক খুউব খুউব কষ্ট অনুভব করবেন- জান্নাতুল ফেরদোস চন্দনা, তৃণা ও খাইরুল বাশার চৌধুরী। আর বাস্তববাদী নাঈমা এ পোড় খাওয়া মধ্যবিত্ত সমাজের চমৎকার প্রতিনিধি হিসেবে পূজ্য হবে পাঠক হৃদয়ে। সব ছাপিয়ে এ উপন্যাসে পিতৃত্বের করুণ হাহাকার এবং পুরুষের আত্মগ্লানির মর্মস্পশী উপস্থাপনা পাঠক হৃদয়কে অনেকদিন দোলা দেবে।
হে চন্দনা পাখি:উপন্যাস। লেখক:বিশ্বজিৎ চৌধুরী। প্রথম প্রকাশ: মাঘ১৪২২,জানুয়ারী ২০১৬। প্রকাশক: প্রথমা প্রকাশন। প্রচ্ছদ ও অলংকরণ: মাসুক †হলাল। মূল্য: ২০০ টাকা ।

কবি ময়ুখ চৌধুরীর ‘ক্যাঙ্গারুর বুকপকেট ‘

13আজ কবি ময়ুখ চৌধুরীর সপ্তম কাব্যগ্রন্থ ‘ক্যাঙ্গারুর বুকপকেট ‘ হাতে পেলাম। দিব্যপ্রকাশ থেকে মাত্র ১০০টাকা মূল্যে।খালিদ আহসানের করা প্রচ্ছদ।৫৫টি কবিতার গ্রন্থণা।ময়ুখ চৌধুরী কবিতা তো উপমার পর উপমায় ঘুরে বেড়ানোর আরাম ও স্বপ্নময়তা।এ রূঢ় সময়ে এতো কল্পলোকে তিনি কীভাবে বিহার করেন তাই বিস্ময়।তার ডান হাতের তালুতে রাজ্যের উপমা উৎপ্রেক্ষা অনায়সে খেলে যায় কৈশোরিক উচ্ছলতায়।অনুভূতি ও উপমার দৈত্বরথে চড়ে তাই কবি বলতে পারেন:
আমি কাল চলে যাচ্ছি,ছায়াটা তোমার কাছে রেখো,
যদি যুক্তিযুক্ত মনে হয় তবে
ভৌত-পরিবর্তনের বিপরীত সূত্র- অনুযায়ী
পুননির্মাণ করে নিও।
রেখে যাচ্ছি মোমবাতি, মেরুদন্ডে শাদা অন্ধকার
যেন প্রত্যাশার চেয়ে অতিরিক্ত আলো পেতে পারো।
শেষ হোক সব দুর্বিপাক
দেহটাকে নিয়ে যাচ্ছি, ছায়াটা তোমার কাছে থাক
হ্যা, কবিতায় আমরা কবির ছায়াকে অনুভব করে যায় পংক্তিতে পংক্তিতে।সাথে থাকে সমাজ, রাস্ট্র, প্রেম,কাম, জীবন তবে শিল্প সুষমায়।জয়তু কবি, জয়তু কবিতা।
……………….
১০.০৩.২০১৬

Print Friendly