হাঁচি মানে হ্যাচ্চো : ইথিজা অবেরয়

সাহিত্য বাজার

05f9bfe045e8fd988016bfac3f43c736

রণে-বনে-জলে-জঙ্গলে সশব্দে ‘হ্যাঁচ্চো হ্যাঁচ্চো’ করাটা কি সভ্য মানুষের লক্ষণ? যে যাই বলুক না কেন, কান দেবেন না কিছুতেই। ওই হাঁচি দিয়েই তো অন্যে মেপেজুপে নেবে আপনি মানুষটি ঠিক কেমনধারা; শিকাগোর স্মেল অ্যান্ড টেস্ট অ্যান্ড রিসার্চ ফাউনডেশন তো তাই বলছে। তাদের বক্তব্য, হাঁচি দিয়ে যেমন মানুষ চেনা যায়, তেমনটা আর কিছুতেই নয়। কখনও ভেবে দেখেছেন কি, এক এক জনের এক এক রকমের হাঁচির কারণটা ঠিক কী? শারীরবৃত্তীয় ব্যাপার-স্যাপার যাই হোক না কেন, হাঁচার পিছনে কাজ করে মানসিক বৈশিষ্ট্যও। স্পষ্টভাবে বললে, ঠিক যেমন প্রত্যেকটা মানুষের মনের গড়ন আলাদা, সেই কারণেই তাদের হাঁচিও আলাদা। সেই জন্যই হাঁচির ওপর নির্ভর করে বদলে যায় এক মানুষের সঙ্গে আরেকজনের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য। তা, মানুষ বিশেষে কেনই বা বদলে যায় হাঁচির ধরন? শিকাগোর ‘স্মেল অ্যান্ড টেস্ট অ্যান্ড রিসার্চ ফাউনডেশন’-এর সৃষ্টিকর্তা, মনোবিদ ও স্নায়ুবিদ অ্যালেন হিসর্চ বলছেন যে হাঁচির নানান প্রকারভেদের কারণ আর কিছুই নয়, বরং মানুষের পার্সোন্যালিটি। তাই প্রতিটি মানুষের হাঁচির ধরন থেকে নাকি তাদের ব্যক্তিত্বের কিছুটা লক্ষণ প্রকাশ পায়। এই যেমন, অ্যালেনের মতে কোনও ব্যাখ্যাপ্রবণ ও খোলামেলা মানুষের হাঁচি সাধারণত জোরদার বোমা বিস্ফোরণের মতোই হয়ে থাকে। অপর দিকে, অ্যালেনের মতে ভীতু ও লাজুক মানুষেরা বেশ কম শব্দে সেরে ফেলেন হাঁচি। বলতে পারেন, কোনওমতে হাঁচির ঘটনাটিকে গিলে ফেলা মানুষরা লাজুক ছাড়াও নাকি হন সাবধানী! এই প্রসঙ্গে যে প্রশ্নটা জন্ম নেয়, তা হল অ্যালেনের বক্তব্য কতটা খাঁটি। ভারতীয় মনোবিদরা কী বলছেন এই সমীক্ষা নিয়ে? মনোবিদ অভিরুচি চট্টোপাধ্যায় প্রশ্নটা শুনেই হেসে উড়িয়ে দিয়ে বললেন, ‘এমন কোনও রিসার্চের কথা এখনও ব্যবহারিক ক্ষেত্রে প্রয়োগ করে দেখা হয়নি। ওদেশে যে পেপারটা জার্নালে বেরিয়েছে, তা এখনও পর্যন্ত শুধুমাত্র কিছু সুনির্দিষ্ট মানুষের ওপর পরীক্ষার ওপর নির্ভর করে লেখা’। অতএব এখনও পর্যন্ত বিষয়টা তর্কে বহু দূর! তা বলে খটকা একটা থেকেই যাচ্ছে! হাঁচি দিয়ে যতই মানুষ চেনা যাক, পাবলিক প্লেসে সশব্দে হাঁচলে সেটা কি ভাল দেখায়? নাকি অন্যদের পক্ষে সেটা ভাল হয়? এই যেমন, মিটিং-এর মাঝে হেঁচে সবাইকে চমকে দিয়েছিলেন একটি বেসরকারি প্লাইউড সংস্থার মার্কেটিং ম্যানেজার অংশুমান মুখোপাধ্যায়। মিটিং শুরু হওয়ার পর থেকেই একের পর এক বিকট আওয়াজে হাঁচি শুরু হয়ে গিয়েছিল তাঁর! ‘প্রথমটায় ঘরে উপস্থিত সকলেই মাইনর ভূমিকম্প ভেবে থমকে যান। বার আটেক হেঁচে যখন আমি শান্ত হই, সকলেই হতবাক হয়ে তাকিয়ে ছিলেন আমার দিকে। সেদিনের মিটিংটা কোনও মতে সেরে ফেললেও সেই অপ্রস্তুত ঘটনার কথা ভুলতে অনেক সময় লেগেছিল সবারই’, অকপট স্বীকারোক্তি অংশুমানের! অংশুর কথা অবশ্য ফলাও করে বলার কিছু নেই! রাস্তাঘাটে, বাসে-ট্রামে অংশুর মতো আমরা অনেকেই বিকট, প্রকট হাঁচি হেঁচে চমকে দিই সকলকে। আবার ধীর গতিতে বা কম শব্দেও অনেক সাবধানী মানুষে সেরে ফেলেন হাঁচি! তা, রামগড়ুড়ের ছানাদের না-হয় হাসতে মানা, কিন্তু হাঁচতে মনে হয় কোনও ছানাদেরই মানা নেই এই জগতে। তাই রাবণ হাঁচি হোক বা ‘পুঁচ’ করে উবে যাওয়া হাঁচি, সকলেই দেদারসে হেঁচে যান তো! সমীক্ষা যে বলছে, তার ওপরেই নির্ভর করছে আপনার ব্যক্তিত্ব। অন্ধকার থেকে আলোতে গেলে কিংবা সূর্যের দিকে তাকালে কি আপনার হাঁচি হয়? এক তৃতীয়াংশ লোকে বলবে হ্যাঁ হয়, বাকিরাও চিন্তায় পরে যাবে। আলো দেখে এভাবে হাঁচি দেয়াকে বলে photic sneeze reflex. এই প্রশ্নটি অনেক মহাজ্ঞানীকেও ভাবিয়েছে। এরিস্টটল মনে করতেন নাকের উপর সূর্যের তাপ এজন্য দায়ী। আবার ইংরেজ দার্শনিক ফ্রান্সিস বেকন ভেবেছিলেন সূর্যের আলোয় যে চোখের পানি হয়, তা নাকে গিয়ে হাঁচির উদ্রেক করে। কিন্তু ফিজিওলজি বা শারীরবিদ্যা অনুযায়ী তা সম্ভব না। নতুন বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা অনুযায়ী, হাঁচির স্টিমুলেশন বহন করে ট্রাইজেমিনাল নার্ভ। ব্রেইনের ভেতর তা অপটিক বা চোখের নার্ভের কাছাকাছি থাকে। তীব্র আলোর অনুভুতি অপটিক নার্ভ দিয়ে বাহিত হবার সময় তা ট্রাইজেমিনাল নার্ভ কেও স্টিমুলেট করে, ফলে হাঁচি হয়। কিন্তু কোন অসুস্থতার সাথে সম্পর্ক না থাকায় এই বিষয়টি নিয়ে তেমন গবেষণা হয় নি। তবুও, ১৯৬০ সালের এক গবেষণায় দেখা যায় এই বৈশিষ্ট্য আমাদের জিন বা বংশগতি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত, এবং এটি অটোজোমাল প্রকট বৈশিষ্ট্য। তাই বাবা বা মা যে কোন একজনের থাকলে অর্ধেক সন্তানে এই বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পাবে।

হাঁচি নিয়ে আছে নানা রকম কুসংস্কার। কেউ কেউ বলেন হাঁচি হলো অশুভ লক্ষন। কোথাও যাবার সময় হাঁচি দিলে যাত্রা ভঙ্গ হয়। কথাটা ঠিক নয়।

হাঁচি নিয়ে গবেষণার নেই অন্ত। তবে ঘটে যেতে পারে নানা বিপত্তি বা দুর্ঘটনা। সেটা না ঘটলেও হতে পারে নানা হাসির খোরাক। কারন আসলে হাঁচি নিজেই। তবে কিছু ঘটনা এর মাঝে যোগ করা যায়।

একদিন আমার এক পরিচিত জনকে দেখতে এল পাত্রপক্ষ। দারুন ভাবে প্রশ্নউত্তর পর্ব চলছে। “তুমি কি কর? কোথায় পড়? রান্না করতে পারো? কোরআন পড়তে পারো? বিয়ের পরে কি ভাবনা আছে?” ইত্যাদি ইত্যাদি। হঠাৎ করে কনের এল হাঁচি। বেচারি হাঁচি দিতে পারছে না লজ্জায়। একটা প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে মারল জোরে “হ্যাচ্চো”। মুহূর্তে পাত্র পক্ষের মেয়েরা চমকে উঠল আর হাঁচি শুনে বলেই বসলো এই মেয়ে ভাল না। এত জোরে যারা হাঁচি দেয় তারা নাকি অভাগী। ব্যস বিয়ে গেল ভেঙ্গে। উপায় আর কি।

পাত্রপক্ষ নিয়ে আরেকটা এমন ঘটনা ঘটলো। পাত্রী দেখতে এলে কথা বলতে গিয়ে হঠাৎ মেয়ে হাঁচি দিল। অশুভ লক্ষন বলে সেই মেয়েকে অপছন্দ করে চলে গেল। এমন মেয়ে নাকি সংসারে অশান্তি আনবে। কুসংস্কারের প্রভাব এভাবেই হাচির জন্য কত বিয়ে ভেঙ্গে গেল কত মেয়ের তার হিসেব দিতে বসলে দেয়া যাবে কিনা ভাবছি।

আমাদের এক অর্থনীতির স্যার ছিলেন। স্যার এর হাঁচি বিশেষ ভাবে পুরো কলেজে বিখ্যাত ছিল। কারন ক্লাস নিতে গেলেই মাঝে মাঝেই ছেলে মেয়েরা গুনগুন করে কথা বলতে বলতে হইচই বাধিয়ে দিত। সেই মুহূর্তে বার বার থামতে বললেও যখন ছেলে মেয়েরা থামত না তখন স্যার তার ভয়ানক সেই বিকট হাঁচি দিতেন। মুহূর্তে ক্লাস চুপ হয়ে সেখানে নীরবতা লক্ষ্য করা যেত। যখন ই ছেলে মেয়েরা হইচই শুরু করত তখন ই স্যার সজোরে তার বিকট শব্দে দিতেন একটা হাঁচি। ক্লাস শান্ত হয়ে যেত।

আমাদের এক দাদা তো তার এই বিকট শব্দের হাঁচি দিয়ে নাটকের পুরো রিহার্সাল বন্ধ করে দিতে পারত। একদিন দাদা তাদের নাটকের রিহার্সালে বসেছেন। সবাই স্ক্রিপ্ট পড়া নিয়ে ব্যস্ত। এমন সময় দাদা জোরে জোরে ২ টা হাঁচি দিলেন “হ্যাচ্চো”। সবাই এক নিমিষে চুপ। পাশের আরেকজন দাদা ধমক দিয়ে থামাবার চেষ্টা করে দাদার হাঁচি। হাসি পেল এই ভেবে যে ধমক দিয়ে হাঁচি থামানোর চেষ্টা কে। আসলে কি ধমক দিয়ে হাঁচি থামানো সম্ভব?

অপরদিকে এক প্রেমিক প্রেমিকার মাঝে ঝগড়া হল। ঝগড়া মেটাতে প্রেমিক তার ৪ বছরের ভাগিনাকে পাঠাল প্রেমিকাকে তার ভালবাসার কথা বলতে। প্রেমিক শিখিয়ে দিল “গিয়ে বলবি, মামা বলেছে আমি তোমাকে ভালবাসি।“ পিচ্চি গিয়ে বলে “আমি তোমাকে ভালবাসি। প্রেমিকা জিজ্ঞেস করল “ কে শিখিয়ে দিয়েছে?” পিচ্চি মামাকে দেখিয়ে বলে “মামা”। প্রেমিকা হেসে বলে “গিয়ে বল আমি তোমাকে ঘৃণা করি।“ পিচ্চি গিয়ে স্বাভাবিক ভাবে মামাকে জানাল। মামা আরও বেশি ভালবাসি বলতে গিয়ে মারল একটা হাঁচি। “আমি তোমাকে ‘হ্যাচ্চো’।“ পিচ্চিটা তাই করল। প্রেমিকা যখন জিজ্ঞেস করল “মামা কি বলেছে?” পিচ্চি বলে “মামা বলেছে ‘আমি তোমাকে হ্যাচ্চো’। প্রেমিকা তো রেগে মেগে আগুন। শুরু করে দিল তুমুল ঝগড়া।

হাঁচি নিয়ে মজার একটা কবিতাও পেলাম।

“মনে করো সাত সকালে

তুমি কোথাও যাচ্ছো,

চোখ পড়লেই হারান কাকা

অমনি দেবে হ্যাচ্চো !

মনে করো মনের সুখে

মুড়ি বাদাম খাচ্ছো,

চোখ পড়লেই হারান কাকা

অমনি দেবে হ্যাচ্চো !

তিন ডাক্তার ফেল হল যেই

চার ডাক্তার এসে

নাডি টিপেই নাড়ল মাথা

ফেলল মুচকি হেসে |

বলল, ‘কাকা, গলার কাছে

সুড়সুড়ি কি পাচ্ছো ?’

ঠোটটা নেড়ে অমনি কাকা

দশটা দিল হ্যাচ্চো !

পালিয়ে গেলো চার ডাক্তার

পাঁচ ডাক্তার এলো,

সব শুনে সে শুকনো গলায়

কান্না জুড়ে দিল !

বললে ,’কাকা ,গরিব মানুষ

আমায় কেন মারছো !

যাচ্ছি আমি , চাইনে ভিজিট্ !

বলল কাকা , হ্যাচ্চো ! “

এমন করেই হাঁচি নিয়ে কত যে রকমারি ঘটনা, দুর্ঘটনা, কবিতা, রম্য হয়েছে তার হিসেব দেবার মত মহাজ্ঞানি আমি নই। তবু ২ একটা রম্য গল্প বানানো যায় যা হাঁচি দিয়ে শুরু।

“হ্যাচ্চো!” দিলাম একটা হাঁচি।

পাশের সিটের মেয়েটা বললো,

“ভাই! মুখের সামনে হাঁচি না দিলে হয়না? সাথে একটা রুমাল রাখবেন, হাঁচি আসলেই মুখ-নাক চেপে ধরবেন রুমাল দিয়ে। এতে আমরা একটু শান্তিতে থাকতে পারি। বুঝা গেছে ব্যাপারটা?”

আমি একটু নড়েচড়ে বসলাম। তারপর জানালা দিয়ে বাইরে তাকালাম।

“আকাশে এত্ত পাখি কেন আজ? পাখিদের সমাবেশ বুঝি?” জিজ্ঞাসা করলাম তাকে।

সে ভ্রু কুঁচকে আমার দিকে তাকালো। আমি বললাম,

“বিরক্ত হবেন না। বিরক্ত হলে আপনাকে দেখতে খারাপ লাগে। বস্তির মেয়েদের মতো লাগে”। ভেবেছিলাম এই কথা শুনে মেয়েটা আরও রেগে যাবে। মেয়েটা রাগলো না। হাসি হাসি মুখেই উত্তর দিল,

“বস্তির মেয়েদের তো বস্তির মেয়েদের মতই লাগবে। কোটিপতির মেয়ের মতো লাগবে নাকি?”

আমি চিন্তায় পড়ে গেলাম। এত্ত সুন্দর একটা মেয়ে বস্তিতে থাকে! তবে আমাকে বেশিক্ষণ চিন্তিত থাকতে হলোনা। মেয়েটার দামী আই ফোনের দিকে আমার চোখ যাওয়াতে বুঝতে পারলাম, মেয়েটা সুন্দরী, সাথে প্রচন্ড মিথ্যুক। এধরনের মিথ্যুকদের সাথে কথা বলতে মজা লাগে। মেয়েটাকে বললাম,

“আপনার বাবার নাম রাশেদ। সুন্দর নাম। নামটা কে রেখেছিলো? আপনার দাদা?”

মেয়েটা হতভম্ব হয়ে আমার দিকে চোখ বড় বড় করে তাকালো। আমি নখ কামড়ানো শুরু করলাম। নখ কামড়ানো আমার ছোটবেলার অভ্যাস। মেয়েটা কিছুক্ষণ পর বললো,

“ভাই,আপনি কি আমাকে চেনেন?”

আমি মিটিমিটি হাসলাম। তারপর, জানালার বাইরে তাকালাম। বিদ্যুতের খাম্বাটা কত লম্বা! মেয়েটা হয়তো ঘাবড়ে গেছে। সুন্দরী মেয়েদের ঘাবড়ে দেয়াটা খুব মজার। নিজেকে কিছু একটা মনে হয়। কিন্তু আমি আর নিজেকে কিছু একটা মনে করতে পারলাম না। তার আগেই মেয়েটা আমার পকেট থেকে তাঁর ভোটার আইডি কার্ডটা ছোঁ মেরে নিয়ে নিল। যেইটা কিছুক্ষণ আগে আমি তাঁর ব্যাগ থেকে মেরে দিয়েছিলাম। ভোটার আইডিতে বাবার নাম লেখা থাকে। বয়ফ্রেন্ডের নাম লেখা থাকে না। তাহলে সিওর হওয়া যেত, মেয়েটা প্রেম করে কিনা। মেয়েটা বাস থেকে নামার আগে কটমট করে আমাকে বলে গেল,

“এভাবে মেয়েদের পটানো যায় না। মেয়েদের হাতে থাপ্পর খাওয়া যায়”।

মেয়েটা খুব সুন্দর করে কথা বলে। এতক্ষণ কথা বলার পর, হঠাত মেয়েটার বাস থেকে নেমে যাওয়াতে আমার মন খারাপ হবার কথা। কিন্তু আমার খুব ভালো লাগছে। কারন, মেয়েটা আমার পকেট থেকে তাঁর আইডি কার্ডের সাথে কাগজে লেখা আমার মোবাইল নাম্বারটাও না বুঝেই নিয়ে গেছে। মোবাইলে থাপ্পর দেয়া যায়না, কথা বলা যায়।

এমন করেই হাচির অজস্র কবিতাও রয়েছে মজার মজার। তবে এই সর্দি, কাশি, হাঁচি কে সাধারন ভাবে ধরলে হবে না। মাঝে মাঝে অদ্ভুত সব অবস্থা তৈরি করতে হাঁচি দারুন ভাবে কাজ করলেও এই হাচির মাধ্যমেই হতে পারে অনেক ধরনের রোগ আর জীবাণু ঢুকতে পারে আশে পাশের সবার গায়ে। তাই সতর্কতার সাথে হাঁচিকে শুধু হাসি আর আনন্দে উড়িয়ে না দিয়ে আশে পাশের মানুষকে জীবাণুমুক্ত রাখার চেষ্টা করতে হবে।

Print Friendly