সবকিছুই জাদুঘরে যাবে

মোকসেদুল ইসলাম

এখন তো অনেক কিছুই অচল হয়েছে সচল থাকার পরেও
হিসেবের খাতা থেকে কবেই হারিয়ে গিয়েছে পাঁচ পয়সা, দশ পয়সা
পঁচিশ পয়সা, পঞ্চাশ পয়সারও হিসেব এখন আর কেউ করে না।

কিছুদিন পর হয়তো এক টাকার কাগুজে নোটটিকেও জাদুঘরে রাখা হবে
ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দেখানো জন্য।

এক আনা, চার আনা, ছটাক আর সিকির হিসেব তো ভুলেই গেছে লোকজন

‘দেখ দাদু ঐ গোলের মত যে পয়সাটা দেখছিস সেটা দিয়ে পাঁচটি লজেন্স কিনে খেতাম আমরা’
এভাবেই হয়তো বলবে কোন বুড়োধাম তার আদরের নাতিকে জাদুঘরে নিয়ে গিয়ে

কপালের চামড়া আরও ভাঁজ হয়ে যাবে যখন দেখবে এক সময় স্বর্ণের কয়েন, রূপার কয়েন দিয়ে সওদা হতো দেশে।

এভাবেই একদিন সবকিছুই জাদুঘরে যাবে……………..
মানুষের পোশাক, নিত্যব্যবহার্য দ্রবাদি, সভ্যতার থালা-বাসন সব……

শুধু তু্মিই আমার পুরনো কবিতায় ইতিহাস হয়ে রবে।

Print Friendly

About the author

আসল নাম মোঃ মোকসেদুল ইসলাম। ব্লগে লিখি বৈশাখী ঝড় ছদ্দনামে। উত্তরাঞ্চলের এক দুর্ভিক্ষ পীড়িত এলাকায় আমার জন্ম। ছোট বেলা থেকেই বিভিন্ন প্রতিকূল আবহাওয়ার সাথে লড়াই করে বড় হয়েছি। কিন্তু সত্য প্রকাশে একপা পিছুহটি নি। বাঁকা জিনিস কে সোজা করার চেষ্টা করছি নিরন্তর। ক্ষুব্ধ হই তখন যখন কেউ আমার প্রশংসায় পঞ্চমূখ হয়। প্রশংসা অপেক্ষা সমালোচনাই আমার ভালো লাগে। লেখার প্রতি পাগলামীটা ছোটবেলা থেকেই। ঢাকায় এসে জীবন-যুদ্ধে জড়িয়ে পড়াতে মাঝখানে কিছু দিন বিরতি। জীবনের সাথে যুদ্ধ করতে করতেই বিএসএস এবং এমএসএস টা শেষ করেছি। যখন কিছু মনে হয় তখনই লিখতে বসি। খুব বড় মাপের একজন লেখক হওয়ার ইচ্ছা মনে পুষে রাখছি সবসময়। আমার কাছে সত্য চির সুন্দর। কেউ সত্য বন্ধ করার জন্য মুখ বন্ধ করলেও সত্যটা হাতের মাধ্যমে বেরিয়ে আসে অনিচ্ছায়। অন্যায়, অবিচার আর মিথ্যার বিরুদ্ধে বৈশাখী ঝড়ের মতোই আমার তান্ডব চলে অবিরত।