যীশুর জন্মদিন : আজ এসো ক্ষমা চাই

আরিফ আহমেদ

b dinএই দিন শুভ হোক,

বড় হোক- ভালো হোক আরো

যীশুর ভালোবাসা

সকলের মাঝে আজ ঢালো।

হানাহানি, দূর্নীতি দূরে রেখে সব

ভাই ভাই আমরা সবাই

সৃষ্টিকর্তা আমাদের এক,

এই বিশ্বাসে-একই নিশ্বাসে

এসো বলি- মানুষের জয় হোক

জীবনের জয় হোক।।

ইশ্বর – আল্রাহ কিম্বা ভগবান

যে নামেই ডাকো তারে- তিনি যে মহান।

মানবের তরে-মানুষের সেবায়

যুগে যুগে মহামানব কিম্বা মহাদূত যত

মুনিঋষি-বাল্মীকী, মোহাম্মদ কিম্বা যীশু

এসেছেন পৃথিবীতে

মানুষেরই মঙ্গলে শুধু।

ইশ্বর-আল্লাহ-র ইশারায়।।

নদী আর সাগরের ভাগ নেই কোন

ওয়াটার-জল আর পানি যে নামেই ডাকো

উদাসী প্রকৃতির আর সবুজী বেষ্টনীর

কিম্বা বৃষ্টির জলের রংটাতে কি পার্থক্য করতে পারো?

পৃথিবীটা ভাগ করে ক্ষমতার মোহে

তবে কেন জাত-ধর্ম-বর্ণের এত লড়াই কর?

এই বড় দিনে এসো ক্ষমা চাই

হে স্রষ্টা আমাদের ক্ষমা কর।

 

যিশু খ্রিস্টের জন্মদিন । দিনটি বিশ্বের খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব যা ‘বড়দিন’ নামে পরিচিত। বিশ্বব্যাপী খ্রিস্টানরা বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা, যথাযথ ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে দিনটি উদযাপন করছে। অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশের খ্রিস্টানরাও দিনটি উদযাপনের জন্য নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

বড়দিন উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বিরোধীদলীয় নেতা বেগম খালেদা জিয়া পৃথক বাণীতে খ্রিস্টধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। আজ সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। খ্রিস্টীয় যোগাযোগ কেন্দ্রের পরিচালক ফাদার জয়ন্ত এস গমেজ জানান, যিশু খ্রিস্টের জন্মতিথির ৯ দিন আগে থেকে গির্জায় বিশেষ প্রার্থনা শুরু হয়, যা ‘নগেনা’ নামে পরিচিত। এর চার সপ্তাহ আগে থেকে প্রতি রবিবার গির্জায় প্রদীপ প্রজ্বলন করে এ জন্মতিথির অপেক্ষা করা হয়। উৎসবটি নির্বিঘ্নে উদযাপনের জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নেওয়া নিরাপত্তাব্যবস্থায় সন্তুষ্টি প্রকাশ করে তিনি বলেন, গির্জাগুলোয় যথেষ্ট পরিমাণে পুলিশ, আনসার ও র‌্যাব সদস্য মোতায়েন রয়েছে। তবে গতকাল পর্যন্ত অবরোধ থাকায় ধর্মীয় বড় উৎসব হিসেবে দূরদূরান্তের আত্মীয়স্বজন কিংবা গ্রামের বাড়িতে যাওয়া অনেকের জন্য সমস্যা হয়েছে। খ্রিস্ট শাস্ত্রমতে, এই দিনে জেরুজালেমের পশ্চিমতীরে বেথলেহেম শহরে মা মেরির কোল আলোকিত করে জন্ম নিয়েছিলেন যিশু খ্রিস্ট। পৃথিবীতে সৃষ্টিকর্তার মহিমা প্রচার, মানব জাতির কল্যাণ কামনা এবং ভক্তদের সত্য ও ন্যায়ের পথে পরিচালিত করতে যিশু খ্রিস্ট জন্মেছিলেন বলে খ্রিস্টধর্মাবলম্বীরা বিশ্বাস করেন। গতকাল রাজধানীর কাকরাইলে সেন্ট মেরিস ক্যাথিড্রাল গির্জা, তেজগাঁও ক্যাথলিক গির্জা ও খ্রিস্টানদের অন্যান্য উপাসনালয়ে দেখা যায় সাজ সাজ রব। গির্জা ও আশপাশে হরেক রংয়ের বাতি দিয়ে সজ্জিতকরণের কাজ শেষ হয়েছে দুই দিন আগেই। চলছিল শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। গতকাল রাত সাড়ে ৮টা থেকে বড়দিন উপলক্ষে রাজধানীর গির্জাগুলোয় বিশেষ প্রর্থনা শুরু হয়। অনেকের কাছে ধর্মীয় উপাসনালয়ে অংশ নেওয়া এ উৎসবের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। তাই সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত গির্জাগুলোয় ভক্তদের সমাগম ছিল চোখে পড়ার মতো। অনেক পরিবারেই বড়দিন উপলক্ষে বিশেষ পারিবারিক ভোজসভা আয়োজিত হয়। প্রতিবারের মতো এবারও গির্জা ও রাজধানীর বড় বড় হোটেলে আলোকসজ্জা, বিশ্বশান্তির জন্য প্রার্থনা, ক্রিসমাস ট্রি সজ্জিতকরণ, ক্রিসমাস সংগীত পরিবেশন, বড়দিনের কেক কাটা ও ছোটদের মধ্যে সান্তাক্লজের উপহার বিতরণসহ নানা অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। (বাংলাদেশ প্রতিদিন থেকে গৃহিত)

Print Friendly

About the author

ডিসেম্বর ৭১! কৃত্তনখোলার জলে সাঁতার কেটে বেড়ে ওঠা জীবন। ইছামতির তীরঘেষা ভালবাসা ছুঁয়ে যায় গঙ্গার আহ্বানে। সেই টানে কলকাতার বিরাটিতে তিনটি বছর। এদিকে পিতা প্রয়াত আলাউদ্দিন আহমেদ-এর উৎকণ্ঠা আর মা জিন্নাত আরা বেগম-এর চোখের জল, গঙ্গার সম্মোহনী কাটিয়ে তাই ফিরে আসা ঘরে। কিন্তু কৈশরী প্রেম আবার তাড়া করে, তের বছর বয়সে তের বার হারিয়ে যাওয়ার রেকর্ডে যেন বিদ্রোহী কবি নজরুলের অনুসরণ। জীবনানন্দ আর সুকান্তে প্রভাবিত যৌবন আটকে যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আঙ্গিনায় পদার্পন মাত্রই। এখানে আধুনিক হবার চেষ্টায় বড় তারাতারি বদলে যায় জীবন। প্রতিবাদে দেবী আর নিগার নামের দুটি কাব্য সংকলন প্রশ্ন তোলে বিবেকবানের মনে। তার কবিতায়, উচ্চারণ শুদ্ধতা আর কবিত্বের আধুনিকায়নের দাবী তুলে তুলে নেন দীক্ষার ভার প্রয়াত নরেণ বিশ্বাস স্যার। স্যারের পরামর্শে প্রথম আলাপ কবি আসাদ চৌধুরী, মুহাম্মদ নুরুল হুদা এবং তৎকালিন ভাষাতত্ব বিভাগের চেয়ারম্যান ড. রাজীব হুমায়ুন ডেকে পাঠান তাকে। অভিনেতা রাজনীতিবিদ আসাদুজ্জামান নূর, সাংকৃতজন আলী যাকের আর সারা যাকের-এর উৎসাহ উদ্দিপনায় শুরু হয় নতুন পথ চলা। ঢাকা সুবচন, থিয়েটার ইউনিট হয়ে মাযহারুল হক পিন্টুর সাথে নাট্যাভিনয় ইউনিভার্সেল থিয়েটারে। শংকর শাওজাল হাত ধরে শিখান মঞ্চনাটবের রিপোটিংটা। তারই সূত্র ধরে তৈরি হয় দৈনিক ভোরের কাগজের প্রথম মঞ্চপাতা। একইসমেয় দর্শন চাষা সরদার ফজলুল করিম- হাত ধরে নিযে চলেন জীবনদত্তের পাঠশালায়। বলেন- মানুষ হও দাদু ভাই, প্রকৃত মানুষ। সরদার ফজলুল করিমের এ উক্তি ছুঁয়ে যায় হৃদয়। সত্যিকারের মানুষ হবার চেষ্টায় তাই জাতীয় দৈনিক রুপালী, বাংলার বাণী, জনকণ্ঠ, ইত্তেফাক, মুক্তকণ্ঠের প্রদায়ক হয়ে এবং অবশেষে ভোরেরকাগজের প্রতিনিধি নিযুক্ত হয়ে ঘুরে বেড়ান ৬৫টি জেলায়। ছুটে বেড়ান গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে। ২০০২ সালে প্রথম চ্যানেল আই-্র সংবাদ বিভাগে স্থির হন বটে, তবে অস্থির চিত্ত এরপর ঘনবদল বেঙ্গল ফাউন্ডেশন, আমাদের সময়, মানবজমিন ও দৈনিক যায়যায়দিন হয়ে এখন আবার বেকার। প্রথম আলো ও চ্যানেল আই আর অভিনেত্রী, নির্দেশক সারা যাকের এর প্রশ্রয়ে ও স্নেহ ছায়ায় আজও বিচরণ তার। একইসাথে চলছে সাহিত্য বাজার নামের পত্রিকা সম্পাদনার কাজ।