মহেঞ্জাদারো বাঁচাও : সম্রাট চক্রবর্তী

সাহিত্য বাজার

m daroইতিহাসে ব্যাক পাওয়া ছেলের দল থেকে রমিলা থাপার , স্যার যদুনাথ , রমেশচন্দ্র মজুমদার সব্বার ভরসা সাদা কালো পাঠ্য পুস্তপকে ছাপ মারা মোহেঞ্জদারোর সাদাকালো ছবি ।ভারতের আমাদের নিজের সভ্যতার ধাত্রীভূমি যোনিতৃ কোষ ।
যাঁর সঙ্গে জড়িয়ে যায় এক বঙ্গ সন্তানের নাম ।রাখলদাস বন্দ্যোপাধ্যায় এর নাম ।যা সংবাদ পত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী কার্যত বিপন্ন ।পাকিস্থানের পশ্চিম পাঞ্জাবের মোন্টেগোমারি , বতমানের সাহিওয়াল জেলাতে ছড়িয়ে থাকা এই বিরাট প্রত্ন ক্ষেত্রেও প্রায় বিশ বছরের মধ্যে বিলুপ্ত হবার সম্ভাবনা ।কেবল নিয়ন্ত্রণ , ও রক্ষনাবেক্ষনের অভাবে !হোয়াংহ -ইয়াং সিকিয়াং , মেসোপটেমিয়া , ইনকা আজকেট মায়া সভ্যতার সমসাময়িক সভ্যতার আবাসা স্থল এই মজেঞ্জদারো ।নগর পরিকল্পনা , পয়ঃ প্রণালী ব্যবস্থা , সমাজ জীবনে শ্র্রী বৈষম্যের ছাপ সর্বত্র ধরে রেখেছে ।ইতিহাসের রক্ষণাবেক্ষণে বরাদ্দ দশ কোটি পাকিস্থানি মুদ্রা ব্যবহৃত হয় নি ।সন্ত্রাস কবলিত দেশে , ইতিহাসের প্রতি ঔদাসীন্য অবাঞ্চিত না হলেও অভাবিত নয় ।১৮২৬ সালে ব্রিটিশ প্রত্নতত্তবিদ এর হাত ধরে হরপ্পা তে প্রথম খননকার্য চলে ।১৮৫৩-৭৩ সালে আলেকজান্ডার কানিংহাম যত্নের সঙ্গে চালিয়ে নিয়ে যান গবেষণা ।
জন মার্শালের নেতৃত্বে রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায় জুড়ে দেন এক ঐতিহসিক অভিজ্ঞান ।আলেকজান্ডারের বিজয় স্তম্ভের সন্ধানে যিনি ওই অঞ্চলে মাটির ঢিবির নিঁচে খুঁজে পান বৌদ্ধ্য বিহার ।বাকিটা ইতিহাস ।এর পর একের পর এক আবিস্কার এর পর ,বেলুচিস্থানের সুটকেগেন্দর ,সহতাকোহ , ডগর কোট ,সিন্ধু প্রদেশের অম্রি ,কোটদিজি ,জুদেইরিদরো ,আলিমুরাদ , পুর্বপাঞ্জাবের রপর , বাক্বা , সালাউরা ,সংঘল , দাধেরী ,সয়ার খোটা ,রাজস্থানের কালী বঙ্গান ,গুজরাটের লোথাল ,ধোলাবিরা , রংপুর ,উত্তরপ্রদেশের আলামগিরপুর ।পশ্চিমে সুটকেগেন্দর থেকে পূর্বে উত্তরের জম্মু দিল্লির আলামগিরপুর , উত্তরে জম্মুর মান্ডা থেকে , দক্ষিনে দক্ষিনে গোদাবরী নদীর দামাইমাবাদ পর্যন্ত ২২,৫০,০০০ বর্গকিমি অঞ্চলে গড়ে ওঠে আমার আপনার অতীত ভারতের সভ্যতার জ্ঞান বিজ্ঞান ইউরোপের কোনো লাইব্রেরীর একটি তাকে আছে, এক দাম্ভিক ঔপনিবেশিক , সাম্রাজ্যবাদী কথকের অপবাদ তেকে মুক্তি পাই আমরা ।ভারত পারে না এই ব্যাপারে পাকিস্থানের সঙ্গে কথা বলতে ,? দুই দেশের এত রক্ত পাত ছিন্ন ইতিহাস এর পরেও মেটে অতীত ।গোটা সিন্ধু সভ্যতার ভূমি পাকিস্থানে পড়লে দুঃখিত হয়েছিলেন ডিসকভারি অফ ইন্ডিয়ার লেখক।চল্লিশ হাজরের ওপর প্রত্ন সামগ্রী অবহেলায় পরে আছে করাচি মিউজিয়ামে ।আমাদের কিছুই করার নেই ?

Print Friendly