বিবেকবানের ঘুম কি ভাঙবে না?

আরিফ আহমেদ

Khaleda-Ziasheikh-hasina-1-sizedসুধী। অপরাধ ক্ষমা করবেন । কোনো বাক-বিতণ্ডা নয় আর। হাতে সময় কম, সিদ্ভান্ত যা নেয়ার আজই নিন। জাগুন, ভাবুন। চলুন বিবেকবান মাত্রই গণঅনশন কর্মসূচি গ্রহণ করি ও এই আওয়ামী লীগ ও বিএনপি নামের দুইদলের দুই প্রধান নেত্রীকে এক রিক্সায় চড়তে বাধ্য করি। আসুন, জাগুন।

আওয়ামী লীগের  স্বেচ্ছাচারিতা ও আইনমন্ত্রীর ‘খবরআছে উচ্চারণ’ এবং বিএনপির একগুয়েমীতে খোকা সাহেবের ‘দা-কুড়াল’ তত্ত্ব নিয়ে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার এই ডাক শুনেও যদি দেশের বিবেকবান মানুষের বিবেক না জাগে, যদি আজো ঘুমিয়ে থাকেন নিশ্চুপতার আঢ়ালে, তবে ধিক আপনার জন্মের প্রতি। ধিক আপনার ধর্মের প্রতি। যে সন্তান মায়ের মনে অশান্তিতে চুপ হয়ে থাকে সে সন্তান নামের কুলাঙ্গার ছাড়া আর কিছু নয়। যে ধর্মভিরু প্রতিবেশীর ক্ষতি মুখ বুঝে দেখে, সে কখনোই ধার্মিক নয়।

বাংলাদেশ নামের ‘মা’ আজ বড় কষ্টে আছে। এ দেশের ষোল কোটি মানুষ দুটি দলের পরিবার তন্ত্রে জিম্মি হয়ে আজ আতঙ্কিত জীবন যাপন করছে যখন। তখন দল নিরপেক্ষ ভাল মানুষেরা যদি চুপ করে ঘরে বসে থাকেন তাহলে, আপনাদের এভাবে ধিক্কার জানানো ছাড়া আর কোনো ভদ্র ভাষা জানা নাই। তাই অনুরোধ জাগুন। না কোনো সহিংশতা নয়, ভদ্র ভাষায় একতা নিয়ে জাগুন ।

যদি সত্যিকারের দেশের জন্য, দেশের মানুষের জন্য ভালবাসা থাকে তাহলে আর দেরি নয়, এই দুই দলের মদ্যে সংঘাত শুরুর আগেই আসুন আমরা ঐক্যবদ্ধ ভাবে এদের প্রতিহত করি। এঁরা যদি আমাদের ভালো না চায় তাহলে এদের চিরতরে বয়কট করবো। আর যদি এরা দেশপ্রেমিক হয়, মানুষকে ভালবাসে তবে বেগম খালেদা জিয়া ও শেখ হাসিনাকে এক রিক্সায় চড়ে জাতীয় সংসদ ভবন থেকে প্রেসক্লাব বা সহরাওয়ার্দী উদ্যানে আসতে বাধ্য করব আমরা। এজন্য আমাদের কিছুটা ত্যাগ স্বীকার করতেই হবে। এটা হয়ত অনিশ্চয়তা। তবুও যদি আমরাহাজারো লোক একত্র হয়ে অনশন ধর্মঘটের ডাক দেই ও বলি, “আওয়ামী লীগ ও বিএনপির এই দুই নেত্রী এক রিক্সায় চড়ে, হাতে হাত ধরে এসে আমাদের অনশন ভঙ্গ করাবেন। তানা হলে এদের ৫দিন পর সারাদেশে তাদের বয়কট করার আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

আল্লাহ কসম। ভয় পাবেন না। এই ৫ দিন না খেয়ে কেউ মরবে না। দুর্বল চিত্তের কেউ যদি মারাও যাই, ভয় নাই, একটি মৃত্যু হয়ত এই দেশের ষোলকোটি মানুষকে জাগিয়ে দেবে এবং সত্যিকারের জাগরণে ভেসে যাবে এই দুটি দলের নেতৃত্ব।

Print Friendly

About the author

ডিসেম্বর ৭১! কৃত্তনখোলার জলে সাঁতার কেটে বেড়ে ওঠা জীবন। ইছামতির তীরঘেষা ভালবাসা ছুঁয়ে যায় গঙ্গার আহ্বানে। সেই টানে কলকাতার বিরাটিতে তিনটি বছর। এদিকে পিতা প্রয়াত আলাউদ্দিন আহমেদ-এর উৎকণ্ঠা আর মা জিন্নাত আরা বেগম-এর চোখের জল, গঙ্গার সম্মোহনী কাটিয়ে তাই ফিরে আসা ঘরে। কিন্তু কৈশরী প্রেম আবার তাড়া করে, তের বছর বয়সে তের বার হারিয়ে যাওয়ার রেকর্ডে যেন বিদ্রোহী কবি নজরুলের অনুসরণ। জীবনানন্দ আর সুকান্তে প্রভাবিত যৌবন আটকে যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আঙ্গিনায় পদার্পন মাত্রই। এখানে আধুনিক হবার চেষ্টায় বড় তারাতারি বদলে যায় জীবন। প্রতিবাদে দেবী আর নিগার নামের দুটি কাব্য সংকলন প্রশ্ন তোলে বিবেকবানের মনে। তার কবিতায়, উচ্চারণ শুদ্ধতা আর কবিত্বের আধুনিকায়নের দাবী তুলে তুলে নেন দীক্ষার ভার প্রয়াত নরেণ বিশ্বাস স্যার। স্যারের পরামর্শে প্রথম আলাপ কবি আসাদ চৌধুরী, মুহাম্মদ নুরুল হুদা এবং তৎকালিন ভাষাতত্ব বিভাগের চেয়ারম্যান ড. রাজীব হুমায়ুন ডেকে পাঠান তাকে। অভিনেতা রাজনীতিবিদ আসাদুজ্জামান নূর, সাংকৃতজন আলী যাকের আর সারা যাকের-এর উৎসাহ উদ্দিপনায় শুরু হয় নতুন পথ চলা। ঢাকা সুবচন, থিয়েটার ইউনিট হয়ে মাযহারুল হক পিন্টুর সাথে নাট্যাভিনয় ইউনিভার্সেল থিয়েটারে। শংকর শাওজাল হাত ধরে শিখান মঞ্চনাটবের রিপোটিংটা। তারই সূত্র ধরে তৈরি হয় দৈনিক ভোরের কাগজের প্রথম মঞ্চপাতা। একইসমেয় দর্শন চাষা সরদার ফজলুল করিম- হাত ধরে নিযে চলেন জীবনদত্তের পাঠশালায়। বলেন- মানুষ হও দাদু ভাই, প্রকৃত মানুষ। সরদার ফজলুল করিমের এ উক্তি ছুঁয়ে যায় হৃদয়। সত্যিকারের মানুষ হবার চেষ্টায় তাই জাতীয় দৈনিক রুপালী, বাংলার বাণী, জনকণ্ঠ, ইত্তেফাক, মুক্তকণ্ঠের প্রদায়ক হয়ে এবং অবশেষে ভোরেরকাগজের প্রতিনিধি নিযুক্ত হয়ে ঘুরে বেড়ান ৬৫টি জেলায়। ছুটে বেড়ান গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে। ২০০২ সালে প্রথম চ্যানেল আই-্র সংবাদ বিভাগে স্থির হন বটে, তবে অস্থির চিত্ত এরপর ঘনবদল বেঙ্গল ফাউন্ডেশন, আমাদের সময়, মানবজমিন ও দৈনিক যায়যায়দিন হয়ে এখন আবার বেকার। প্রথম আলো ও চ্যানেল আই আর অভিনেত্রী, নির্দেশক সারা যাকের এর প্রশ্রয়ে ও স্নেহ ছায়ায় আজও বিচরণ তার। একইসাথে চলছে সাহিত্য বাজার নামের পত্রিকা সম্পাদনার কাজ।