গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে প্রকাশকদের ভাবনা বিনিময়

নিজস্ব প্রতিবেদক, সাহিত্য বাজার

pic-001অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০১৪ আয়োজন এবং বাংলাদেশ জ্ঞান ও সৃজনশীল সমিতির নানা কর্মকা- নিয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে ভাবনা-বিনিময় অনুষ্ঠিত হয়েছে আজ ১২ জানুয়ারি ২০১৪। ৫০/১ পুরানা পল্টন লাইন, ২য় তলায় সমিতির নিজস্ব কার্যালয়ে আয়োজিত এই ভাবনা-বিনিময় অনুষ্ঠানে সমিতির সভাপতি জনাব ওসমান গনি, নির্বাহী পরিচালক মিলনকান্তি নাথসহ আরো উপস্থিত ছিলেন প্রকাশক মাজহারুল ইসলাম, খন্দকার মনিরুল ইসলাম, কামরুল হাসান শায়ক, নাছির আহমেদ সেলিম, মনিরুল হক, নজরুল ইসলাম বাহার, এস. এ. ভূঁইয়া শিহাব, মোস্তফা সেলিম, আফজাল হোসেন, রেদওয়ানুর রহমানসহ আরো অনেকে।
সভার শুরুতে প্রয়াত লেখক-গবেষক, ভাষা-সংগ্রামী, অভিধানকার, রবীন্দ্রবিশেষজ্ঞ, সাবেক প্রধান বিচারপতি এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান-এর স্মরণে ১ মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে ভাবনা-বিনিময় অনুষ্ঠানে সভাপতি ওসমান গনি বলেন, বাংলাদেশে সৃজনশীল প্রকাশনায় অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশ জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতি নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। বাংলাদেশের প্রকাশনাকে দেশের গন্ডি পেরিয়ে বিশ্বআসরে পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে এই সমিতি। আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার স্বপ্নকে লালন করে বাংলাদেশে জ্ঞানভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা, রিডিং সোসাইটি গড়ে তোলার জন্য বদ্ধ পরিকর। আমরা দেশের জেলা শহরের গন্ডি পেরিয়ে প্রতিটি থানা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে পাঠাগার স্থাপনের লক্ষ্যে কাজ করছি।
অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০১৪-আয়োজন সফলতার জন্য ওসমান গনি বলেন, হরতাল-অবরোধের মতো ধ্বংসাত্মক কর্মকা- থেকে বিরত থাকার আমরা প্রকাশকদের পক্ষ থেকে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতি বিনীত অনুরোধ জানাই।
অনুষ্ঠানে অন্যান্য প্রকাশকগণ বলেন, বাংলাদেশে বই নিয়ে আমরা একটি সামাজিক বিপ্লব গড়ে তুলতে চাই। তরুণদের হাতে সৃজনশীল বই তুলে দিতে পারলেই দেশে একটি আলোকিত নতুন প্রজš§ গড়ে উঠবে। সমাজের প্রতিটি স্তরে সন্ত্রাস, বোমাবাজ, চাঁদাবাজদের ঠেকাতে বই শক্তিশালী ভূমিকা পালন করবে বলে আমরা আশা করি।
অমর একুশে গ্রন্থমেলা আয়োজন সম্পর্কে প্রকাশকগণ বলেন, অমর একুশে গ্রন্থমেলা আমাদের চেতনা ও সংস্কৃতির একটি অংশ, একটি সাংস্কৃতিক উৎসব। বাঙালির প্রাণের এই মেলাকে ঘিরে সারাবছর প্রাণান্তকর উš§াদনায় ব্যপ্ত থাকেন লেখক-প্রকাশকগণ। তবে প্রতিবছর বাড়ছে লেখক, প্রকাশক, প্রতিবছর বাড়ছে নতুন বই। তাই আমরা মনে করি, বইমেলার পরিধি যত দ্রুত সম্ভব বৃদ্ধি করা হোক।

Print Friendly