একজন সাথী মণ্ডলকে বাঁচাতে

নিজস্ব প্রতিবেদক, সাহিত্য বাজার

Sharing is caring!

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কি এ চিঠি পড়বেন?

মমতা দিদি, আপনার মমতায় সিক্ত পশ্চিমবঙ্গের প্রতিটি মানুষ ও প্রানী।। সেখানে আপনার নদিয়াতে কল্যানী ঘোষপাড়ার একটি মেয়ের, জীবন সংগ্রামের করুন চিত্র কি করে আপনার চোখ এড়িয়ে গেল?
সাথী মণ্ডল নামের এই তরুণী একজন কবি ও সাংবাদিক।। বাবা (স্বর্গীয় গোপাল মন্ডল) নেই তার, সংসারে মা আর ছোটো বোন সম্ভল শুধু।।

জীবনের সেকি পরিহাস। অল্পবয়সেই স্বামী সংসার ত্যাগ করতে হয়েছে খাদ্যনালীয় দুরারোগ্য ব্যাধিতে।। লিকুইড খাবার খেতে হয় তাকে পাইপ দিয়ে।। উপার্জনের তেমন সু ব্যবস্থাও নেই। দিনে এক কি দুবার বহুকষ্টে জোটে আহার।। চিকিৎসার ব্যয়ভার বহনের কোনো সক্ষমতা দূরের কথা সামান্য ঔষধের জোগানও তার জন্য অনেক কষ্টকর।।
মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী, আপনার কাছে আমার এই খোলা চিঠি, যদি হয় সাথী মণ্ডল নামের এই প্রতিভাবান তরুনীর কোনো উপকার।।

নিজের সম্পর্কে সাথী মণ্ডল বলেন

   সংক্ষিপ্ত আত্মকথা:4ঠা অক্টোবর 1994জন্ম ।বাসস্থান-কল্যাণী ঘোষপাড়া।পিতা-স্বর্গীয় গোপাল মন্ডল।দীর্ঘ দশবছর খাদ্যনালির সমস্যায় আক্রান্ত।মুখে জল পর্যন্ত ঢোক গিলে খেতে পারিনা।পেটে রাইলস টিউব পাকস্থলীতে সেট করা।লিকুইড খেয়ে কোনমতে জীবন ধারন করি।অসুস্থতা এড়িয়েই কবিতার ব্যাগ ডাইরি হাতে ছুটে যাই দেশ বিদেশে।বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি জেলা থেকেও পুরস্কার অর্জন করেছি।কোলকাতাসহ বিভিন্ন পত্রিকায় /লিটিল ম্যাগাজিনে লেখালিখি করি।বর্তমানে বিশ্বপ্রকৃতি পত্রিকার সহ সম্পাদিকা।এককথায় বলতে পারি কবিতা আমার এক ধরনের নেশা।আমার বেঁচে থাকার মহাঔষধ।

Print Friendly, PDF & Email

Sharing is caring!