ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা লিপি ও সম্পাদকের ব্যাখ্যা

আরিফ আহমেদ

PA260006সবাইকে শারদীয় দুর্গোৎসব ও পবিত্র ঈদুল আজহার অভিনন্দন। সাহিত্য বাজার অনলাইন পত্রিকার প্রতিবেদন দেখে হয়ত অনেকেই ভাবছেন, কথামালা ও জাতীয়, সাহিত্য বিষয়টা না হয় বোঝা গেল কিন্তু এখানে জেলায় জেলায় সাহিত্য, কাব্যেসংবাদ, বহুবাজার বা রাজখবর বিষয়টা আসলে কি? সত্যি বলতে, সাহিত্য বাজার নতুন কোনো পত্রিকা নয়। গত ২০০৭ সাল থেকে প্রথমে মাসিক ম্যাগাজিন হিসেবে পরে রেজিস্ট্রেশন না পাওয়ার কারণে অনিয়মিতভাবে ম্যাগাজিন আকারে এই পত্রিকাটি পাঠক সারাদেশের পত্রিকাবাজারে এটি হয়ত অনেকেই দেখেছেন। সাহিত্য-সংস্কৃতির বাহক েএই পত্রিকাটি অনেকের কাছেই, বিশেষ করে মফস্বলের সাহিত্য-সাংস্কিৃতিক কর্মীদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল। দুর্ভাগ্য আমাদের যে এটির ধারাবাহিকতা বজায় রাখা সম্ভব হয়নি। ২০১২ সালের এপ্রিলে রাজধানী ঢাকার শাহবাগে অবস্থিত কেন্দিয় পাবলিক লাইব্রেরীর প্রাঙ্গনে ৫দিন ব্যাপী উৎসব আয়োজনের মধ্য দিয়ে ম্যাগাজিন প্রকাশনা বন্ধ করা হয়।

পরবর্তীতে গত ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৩ থেকে এটি সাহিত্য বাজার ডট কম নামে শুধু মাত্র অনলাইন পত্রিকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। সাহিত্য বাজার ম্যাগাজিন রাজখবর ও বহুবাজার ছাড়া সব বিষয়গুলোই ছিল। রাজখবর ও বহুবাজার যুক্ত হয়েছে শুধু মাত্র রাজনীতি ও বিজ্ঞাপন কেন্দ্রিক চিন্তা থেকে। সাহিত্য বাজার ডট কম শুধু সাহিত্য-সংস্কৃতির কাগজ নয়, এটি এখন সাহিত্য-সংস্কৃতি ও রাজনীতির পত্রিকা। রাজখবর বিভাগে রাজনীতি ও রাষ্ট্রের সব খবর যুক্ত করার ইচ্ছা আমাদের। বহুবাজারে থাকবে বইসহ সব ধরণের পণ্যের বাজার দরের হালহকিকত। আর কাব্যের সংবাদ ও জেলায় জেলায় সাহিত্য বিষয়টা সাহিত্য বাজারের পাঠকদের অনেকে জানেন, তবুও মনে করিয়ে দিচ্ছি, কবিতার ঢংয়ে এলাকার সমস্যা, অন্যায়ের প্রতিবাদ বা কোনো বিষয়ের উপর প্রতিবেদনটাই কাব্যে সংবাদ বিভাগের অংশ। জেলায় জেলায় সাহিত্য সব সময় বিভিন্ন জেলার সাহিত্য, সংস্কৃতির চর্চাকে তুলে ধরছে। এ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। পাঠকরা এতে অংশ নিতে পারেন। তুলে ধরতে পারেন আপনার জেলার সাহিত্য সাংস্কৃতি চর্চার সব খবরাখবর।

Print Friendly

About the author

ডিসেম্বর ৭১! কৃত্তনখোলার জলে সাঁতার কেটে বেড়ে ওঠা জীবন। ইছামতির তীরঘেষা ভালবাসা ছুঁয়ে যায় গঙ্গার আহ্বানে। সেই টানে কলকাতার বিরাটিতে তিনটি বছর। এদিকে পিতা প্রয়াত আলাউদ্দিন আহমেদ-এর উৎকণ্ঠা আর মা জিন্নাত আরা বেগম-এর চোখের জল, গঙ্গার সম্মোহনী কাটিয়ে তাই ফিরে আসা ঘরে। কিন্তু কৈশরী প্রেম আবার তাড়া করে, তের বছর বয়সে তের বার হারিয়ে যাওয়ার রেকর্ডে যেন বিদ্রোহী কবি নজরুলের অনুসরণ। জীবনানন্দ আর সুকান্তে প্রভাবিত যৌবন আটকে যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আঙ্গিনায় পদার্পন মাত্রই। এখানে আধুনিক হবার চেষ্টায় বড় তারাতারি বদলে যায় জীবন। প্রতিবাদে দেবী আর নিগার নামের দুটি কাব্য সংকলন প্রশ্ন তোলে বিবেকবানের মনে। তার কবিতায়, উচ্চারণ শুদ্ধতা আর কবিত্বের আধুনিকায়নের দাবী তুলে তুলে নেন দীক্ষার ভার প্রয়াত নরেণ বিশ্বাস স্যার। স্যারের পরামর্শে প্রথম আলাপ কবি আসাদ চৌধুরী, মুহাম্মদ নুরুল হুদা এবং তৎকালিন ভাষাতত্ব বিভাগের চেয়ারম্যান ড. রাজীব হুমায়ুন ডেকে পাঠান তাকে। অভিনেতা রাজনীতিবিদ আসাদুজ্জামান নূর, সাংকৃতজন আলী যাকের আর সারা যাকের-এর উৎসাহ উদ্দিপনায় শুরু হয় নতুন পথ চলা। ঢাকা সুবচন, থিয়েটার ইউনিট হয়ে মাযহারুল হক পিন্টুর সাথে নাট্যাভিনয় ইউনিভার্সেল থিয়েটারে। শংকর শাওজাল হাত ধরে শিখান মঞ্চনাটবের রিপোটিংটা। তারই সূত্র ধরে তৈরি হয় দৈনিক ভোরের কাগজের প্রথম মঞ্চপাতা। একইসমেয় দর্শন চাষা সরদার ফজলুল করিম- হাত ধরে নিযে চলেন জীবনদত্তের পাঠশালায়। বলেন- মানুষ হও দাদু ভাই, প্রকৃত মানুষ। সরদার ফজলুল করিমের এ উক্তি ছুঁয়ে যায় হৃদয়। সত্যিকারের মানুষ হবার চেষ্টায় তাই জাতীয় দৈনিক রুপালী, বাংলার বাণী, জনকণ্ঠ, ইত্তেফাক, মুক্তকণ্ঠের প্রদায়ক হয়ে এবং অবশেষে ভোরেরকাগজের প্রতিনিধি নিযুক্ত হয়ে ঘুরে বেড়ান ৬৫টি জেলায়। ছুটে বেড়ান গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে। ২০০২ সালে প্রথম চ্যানেল আই-্র সংবাদ বিভাগে স্থির হন বটে, তবে অস্থির চিত্ত এরপর ঘনবদল বেঙ্গল ফাউন্ডেশন, আমাদের সময়, মানবজমিন ও দৈনিক যায়যায়দিন হয়ে এখন আবার বেকার। প্রথম আলো ও চ্যানেল আই আর অভিনেত্রী, নির্দেশক সারা যাকের এর প্রশ্রয়ে ও স্নেহ ছায়ায় আজও বিচরণ তার। একইসাথে চলছে সাহিত্য বাজার নামের পত্রিকা সম্পাদনার কাজ।