আমাদের প্রতিবাদ করতেই হবে…

আরিফ আহমেদ

20হায় বাংলাদেশ!
এই বুঝি তোর স্বাধীনতার জয় গান।
বিবেকবাণের জাগ্রত বিবেকে
এখানে এখন লেগেছে আগুন।

কসম তোমার, ঈশ্বর-আল্লাহ আর ভগবানের
একটু হেঁটে দেখ অতীতের স্মৃতি…

ওহে বাঙ্গালী, নিজের যান বাঁচাতে বাঁচাতেে
আপন সন্তানেরে বলির পাঠা বানালি?
আগামীকাল জন্মাবে যে; পুড়বে আগুনে
যে আগুন তুই নিজ ঘরে, নিজেই জ্বালিয়ে দিলি।

জেগে দেখ, আঁখি খোল
আঁধার কেটে এখনো হয়নি ভোর।
সব অন্যায় আর অনাচারের বিরুদ্ধে হোক
এবারের প্রতিবাদ তোর, হোক প্রতিকার
ফুঁসে ওঠো জনতা আরেকবার
কেড়ে আনো সব ন্যায্য অধিকার ।

প্রথমে শেয়ার বাজার, তারপর ব্যাংক লুট। সব মিলিয়ে প্রায় তেত্রিশ হাজার কোটি টাকার হিসেব নেই বর্তমান সরকারের শাসনামলের সাত বছরে। সেতু মন্ত্রণালয় তার জন্য বরাদ্ধ বাজেটের চারের এক অংশ খরচ করেছে বাকীটা বেঁচে গেছে বলে মিডিয়া গুলোতে কোলাহল শুরু। অথচ সেতু মন্ত্রী জনাব ওবায়দুল কাদের অসৎ পন্থায় এটা খরচ করতে পারতেন, যা অন্যরা করেছেও। সেজন্য কেউ তার প্রশংসা করলেন না।

তনু হত্যার আলামত নষ্ট হচ্ছে, আন্দোলনরতদের বৃদ্ধাঙ্গুলী প্রদর্শন চলছে। একইসময় বাসে ধর্ষনের ঘটনাও ঘটছে, ধর্ষকরা গ্রেফতার হয়ে স্বীকারোক্তি দিচ্ছে, অথচ তাদের জনসমুক্ষে সাজা হোক এ দাবীতো দূরের কথা, তা কারো চোখেই পরছে না।

বোমার আঘাতে আবারো এক শিশু ঝলছে গেল। ইউপি নির্বাচনে বলি হলো বিশ্ব বিদ্যালয় ছাত্রসহ প্রায় বিশ পঁচিশ তাজা প্রাণ। বিশ্ব বিদ্যালয়ের ছাত্রটির জন্য আন্দোলন চলছে, কিন্তু অন্য যারা মারা গেল তাদের জন্য কেউ কথা বলছে না।

Print Friendly

About the author

ডিসেম্বর ৭১! কৃত্তনখোলার জলে সাঁতার কেটে বেড়ে ওঠা জীবন। ইছামতির তীরঘেষা ভালবাসা ছুঁয়ে যায় গঙ্গার আহ্বানে। সেই টানে কলকাতার বিরাটিতে তিনটি বছর। এদিকে পিতা প্রয়াত আলাউদ্দিন আহমেদ-এর উৎকণ্ঠা আর মা জিন্নাত আরা বেগম-এর চোখের জল, গঙ্গার সম্মোহনী কাটিয়ে তাই ফিরে আসা ঘরে। কিন্তু কৈশরী প্রেম আবার তাড়া করে, তের বছর বয়সে তের বার হারিয়ে যাওয়ার রেকর্ডে যেন বিদ্রোহী কবি নজরুলের অনুসরণ। জীবনানন্দ আর সুকান্তে প্রভাবিত যৌবন আটকে যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আঙ্গিনায় পদার্পন মাত্রই। এখানে আধুনিক হবার চেষ্টায় বড় তারাতারি বদলে যায় জীবন। প্রতিবাদে দেবী আর নিগার নামের দুটি কাব্য সংকলন প্রশ্ন তোলে বিবেকবানের মনে। তার কবিতায়, উচ্চারণ শুদ্ধতা আর কবিত্বের আধুনিকায়নের দাবী তুলে তুলে নেন দীক্ষার ভার প্রয়াত নরেণ বিশ্বাস স্যার। স্যারের পরামর্শে প্রথম আলাপ কবি আসাদ চৌধুরী, মুহাম্মদ নুরুল হুদা এবং তৎকালিন ভাষাতত্ব বিভাগের চেয়ারম্যান ড. রাজীব হুমায়ুন ডেকে পাঠান তাকে। অভিনেতা রাজনীতিবিদ আসাদুজ্জামান নূর, সাংকৃতজন আলী যাকের আর সারা যাকের-এর উৎসাহ উদ্দিপনায় শুরু হয় নতুন পথ চলা। ঢাকা সুবচন, থিয়েটার ইউনিট হয়ে মাযহারুল হক পিন্টুর সাথে নাট্যাভিনয় ইউনিভার্সেল থিয়েটারে। শংকর শাওজাল হাত ধরে শিখান মঞ্চনাটবের রিপোটিংটা। তারই সূত্র ধরে তৈরি হয় দৈনিক ভোরের কাগজের প্রথম মঞ্চপাতা। একইসমেয় দর্শন চাষা সরদার ফজলুল করিম- হাত ধরে নিযে চলেন জীবনদত্তের পাঠশালায়। বলেন- মানুষ হও দাদু ভাই, প্রকৃত মানুষ। সরদার ফজলুল করিমের এ উক্তি ছুঁয়ে যায় হৃদয়। সত্যিকারের মানুষ হবার চেষ্টায় তাই জাতীয় দৈনিক রুপালী, বাংলার বাণী, জনকণ্ঠ, ইত্তেফাক, মুক্তকণ্ঠের প্রদায়ক হয়ে এবং অবশেষে ভোরেরকাগজের প্রতিনিধি নিযুক্ত হয়ে ঘুরে বেড়ান ৬৫টি জেলায়। ছুটে বেড়ান গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে। ২০০২ সালে প্রথম চ্যানেল আই-্র সংবাদ বিভাগে স্থির হন বটে, তবে অস্থির চিত্ত এরপর ঘনবদল বেঙ্গল ফাউন্ডেশন, আমাদের সময়, মানবজমিন ও দৈনিক যায়যায়দিন হয়ে এখন আবার বেকার। প্রথম আলো ও চ্যানেল আই আর অভিনেত্রী, নির্দেশক সারা যাকের এর প্রশ্রয়ে ও স্নেহ ছায়ায় আজও বিচরণ তার। একইসাথে চলছে সাহিত্য বাজার নামের পত্রিকা সম্পাদনার কাজ।